Tag: Madhyom

Madhyom

  • Loksabha Election 2024: নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা দিচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি খাড়্গে! কড়া চিঠি দিল কমিশন

    Loksabha Election 2024: নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা দিচ্ছেন কংগ্রেস সভাপতি খাড়্গে! কড়া চিঠি দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে লোকসভা নির্বাচন (Loksabha Election 2024)। ইতিমধ্যে তিন দফার ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আরও চার দফা ভোট বাকি রয়েছে। ঠিক এই আবহে শুক্রবারই কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে লোকসভা নির্বাচন ২০২৪-এ বাধা দানের অভিযোগ করল নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, কংগ্রেস সভাপতি ভোট দানের তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছিলেন। কংগ্রেস সভাপতির এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে কমিশন। কড়া ভাষায় চিঠিতে তোপ দেগে কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় বিভ্রান্তি ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন খাড়গে।’ ভোটারদের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কমিশন। স্বভাবসিদ্ধ ভাবেই কমিশন বিজেপির হয়ে কাজ করছে বলে বিরোধীরা অভিযোগ তুলতে থাকে।

    কী বলল কমিশন?

    খাড়্গের সমালোচনা করে কমিশন বলেছে, “নির্বাচন চলছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় বিভ্রান্তি, ভুল নির্দেশনা এবং প্রতিবন্ধকতা তৈরি করার জন্যই, এর মধ্যে ভোটদানের তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত ভিত্তিহীন অভিযোগগুলি নকশা করা হয়েছে। এই ধরনের বিবৃতি (Loksabha Election 2024) ভোটারদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং দেশ জুড়ে এই বিশাল নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা হতাশ হয়ে যেতে পারেন।”

    আরও পড়ুন: মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফর, ট্রোল নেটিজেনদের 

    কড়া বার্তা কমিশনের

    কমিশন আরও বলেছে, “আমরা বাক-স্বাধীনতার অধিকারকে সম্মান করি। একে অপরকে চিঠি লেখা ও যোগাযোগ করা রাজনৈতিক দল এবং তাদের নেতাদের বিশেষাধিকার (Loksabha Election 2024) বলে মনে করি। তবে ফলাফল যে কাজগুলি নির্বাচন পরিচালনার মূল আদেশ প্রদানের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে, ফলাফল প্রকাশের আগ পর্যন্ত এমন ধরনের কাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কমিশনের দায়িত্ব।”

    আরও পড়ুন: ভক্তদের জন্য সুখবর! অক্ষয় তৃতীয়ায় খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দ্বার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ইসরোর মহাকাশযান নিয়ে গবেষণায় সুযোগ পেল দক্ষিণ দিনাজপুরের নবম শ্রেণির অর্পিতা

    ISRO: ইসরোর মহাকাশযান নিয়ে গবেষণায় সুযোগ পেল দক্ষিণ দিনাজপুরের নবম শ্রেণির অর্পিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোয় (ISRO) মহাকাশযান নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ পেল দক্ষিণ দিনাজপুরের পতিরামের নবম শ্রেণির ছাত্রী অর্পিতা সাহা। ইসরোর সর্বভারতীয় স্তরে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে ইয়ং সায়েন্টিস্ট প্রোগ্রামে ডাক পেয়েছে সে। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে প্রায় ২৫ দিন পঠনপাঠন ও গবেষণার সুযোগ পাবে অর্পিতা। তার মহাকাশ গবেষণা নিয়েও পড়ার সুযোগ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। গতবছর একই প্রশিক্ষণের জন্য ডাক পেয়েছিল পতিরামের উপাসনা মণ্ডল। এবার ডাক পেল একই স্কুলের এবং একই এলাকার অর্পিতা।

    ছোট থেকে মহাকাশ নিয়ে গবেষণার আগ্রহ অর্পিতার (ISRO)

    ছোট থেকে মহাকাশ নিয়ে গবেষণার আগ্রহ অর্পিতার। সম্প্রতি, চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণের যাবতীয় বিষয় খুঁটিনাটি পর্যবেক্ষণ করেছে। এবার সরাসরি ইসরোতে (ISRO) প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়ে আপ্লুত অর্পিতা ও তার পরিবার। অর্পিতা বলে, ছোট থেকেই মহাকাশ ও মহাকাশযান নিয়ে আমার আগ্রহ ছিল। গত বছর আমাদের এলাকার উপাসনা দিদি এই পরীক্ষায় পাশ করে ইসরোতে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। এবছর সেই পরীক্ষায় সফল হয়ে ইসরো থেকে ডাক পাব ভাবিনি। ইসরো থেকে চন্দ্রযান-৩ পাঠানো হয়। কীভাবে ওই সেটি পাঠানো হয়েছিল, ভালো করে দেখব। সুযোগ পেলে এই বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করব।

    আরও পড়ুন: গরমে ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা কী বললেন?

    অর্পিতা পতিরাম বিবেকানন্দ গার্লস হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা দীপঙ্কর সাহা ব্যবসায়ী। মা বর্ণা সাহা গৃহবধূ। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে অর্পিতা। এবছর ১ মার্চ অনলাইনে ইসরোর (ISRO) ‘যুবিকা’ পরীক্ষায় বসে সে। রেজাল্ট বের হওয়ার পর ইসরো থেকে অর্পিতাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার উদ্দেশে বাবাকে নিয়ে রওনা হচ্ছে অর্পিতা। অর্পিতার স্কুল তথা পতিরাম বিবেকানন্দ গার্লস হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা লাবণী সরকার বলেন, অর্পিতা মেধাবী। শান্ত ও চুপচাপ স্বভাবের। গত বছরও আমাদের স্কুলের উপাসনা এই সুযোগ পেয়েছিল। আমাদের গ্রামের স্কুল থেকে এই সাফল্যে সকলেই গর্বিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nalanda University: অক্সফোর্ড প্রতিষ্ঠার পাঁচশো বছরেরও আগে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি ছিল বিশ্বজুড়ে

    Nalanda University: অক্সফোর্ড প্রতিষ্ঠার পাঁচশো বছরেরও আগে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি ছিল বিশ্বজুড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ৫০০ বছরেরও বেশি আগে ভারতের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Nalanda University) খ্যাতি পৃথিবী জুড়ে ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির তিনটি ভবন ছিল। তার মধ্যে একটি ছিল ন’তলার। ইতিহাসবিদদের মতে, সেখানে সংগ্রহে ছিল ৯০ লাখ বই। সারা পৃথিবী থেকে দশ হাজারেরও বেশি পড়ুয়া আবাসিক ছাত্র হিসেবে পাঠ নিতেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাবেই গড়ে ওঠে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়। আশপাশের শহর বলতে বিখ্যাত বৌদ্ধ ধর্মের কেন্দ্র বোধগয়া। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাল ইটের ধ্বংসাবশেষ আজও যেন কথা বলে।

    ৪২৭ খ্রিস্টাব্দ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল

    ইতিহাসবিদদের মতে, ৪২৭ খ্রিস্টাব্দ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (Nalanda University) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটা ছিল পৃথিবীর প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় অর্থাৎ বর্তমান দিনে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ধরনের হস্টেলে আমরা দেখতে পাই যেখানে দূর-দূরান্ত থেকে পড়ুয়ারা পাঠ নিতে আসেন, আজ থেকে ১,৬০০ বছর আগে তা প্রথম করে দেখিয়েছিল নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হত চিকিৎসাবিদ্যা, যুক্তিবিদ্যা, গণিত, সর্বোপরি বৌদ্ধ নীতি। জানা যায়, পূর্ব এবং মধ্য এশিয়া থেকে সব থেকে বেশি ছাত্ররা এখানে আসতেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে দলাই লামা একবার বলেছিলেন, ”আমাদের সমস্ত জ্ঞানের উৎস নালন্দা থেকে এসেছে।” ৭০০ বছর ধরে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ক্রমশ বিকশিত হয়েছিল। পৃথিবীতে এমন বিশ্ববিদ্যালয় আর একটিও ছিল না। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক পরে প্রায় পাঁচ শতক পরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা জানতে পারা যায়। শিক্ষার পীঠস্থান হিসেবে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় যে সারা পৃথিবীকে পথ দেখাত- এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

    নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাব

    নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে (Nalanda University) বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাব দেখা যায়। গুপ্ত সাম্রাজ্যের রাজারা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকাশে অনেক অবদান রেখেছিলেন বলে জানা যায়। তাঁরা বৌদ্ধ ধর্মের দর্শনকে প্রচার করতেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়ুর্বেদ শিক্ষার ওপরে জোর দেওয়া হত। আয়ুর্বেদিক শিক্ষাতে ওষুধের বদলে প্রকৃতিভিত্তিক নিরাময় পদ্ধতির প্রয়োগ করা হয়। সেখানে এই পাঠ ছাত্রদের দেওয়া হতো। ছাত্ররা তা শিখে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তার প্রয়োগ করতেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিল প্রার্থনা হল, বক্তৃতা কক্ষ, পাশাপাশি ছিল হ্রদ এবং পার্ক।

    ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইডের মর্যাদা পেয়েছে 

    জানা যায়, বৌদ্ধশিক্ষা এবং দর্শন প্রচারের জন্য নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (Nalanda University) থেকে নিয়মিতভাবে চিন, কোরিয়া, জাপান, ইন্দোনেশিয়া এবং শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলি থেকে পন্ডিত এবং অধ্যাপকরা আসতেন। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে পন্ডিত এবং অধ্যাপকরা আবাসিকভাবে এসে গবেষণা করতেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারতের সাংস্কৃতিক এমন ভাব বিনিময়ের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছিল নালন্দা। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতাত্ত্বিক ধ্বংসাবশেষ বর্তমানে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইডের মর্যাদা পেয়েছে।

    মুসলমান আক্রমণকারী বক্তিয়ার খিলজি 

    ১১৯০ সালের পর মুসলমান আক্রমণকারী বক্তিয়ার খিলজি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ধ্বংসলীলা চালায় এবং নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে পুড়িয়ে দেয় বলে জানা যায়। জানা যায়, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ইখতিয়ারউদ্দিন বখতিয়ার খিলজির বাহিনী আগুন জ্বালালে তা তিন মাস ধরে জ্বলেছিল। এতটাই বিস্তৃত ছিল নালন্দার প্রাঙ্গণ। ঐতিহাসিকদের মতে, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Nalanda University) একটি শ্রেণিকক্ষে বসতে পারতেন ৩০০ জন ছাত্র। বর্তমান দিনের মতোই টিচারদের জন্য পোডিয়াম রাখা থাকত। জানা যায়, বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে আগত পড়ুয়াদের জন্য আবাসনগুলিও আলাদা আলাদা হত।

    বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কিন্তু অত সহজ ছিল না 

    প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কিন্তু অত সহজ ছিল না। যথেষ্ট কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে পড়ুয়ারা পেতেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সুযোগ। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা পড়ুয়াদের মৌখিক পরীক্ষা নিতেন বলে জানা যায়। মৌখিক পরীক্ষা যাঁরা নিতেন সেই অধ্যাপকদের জন্য তৈরি করা হত একটি টিম। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য অধ্যাপক হিসেবে নাম উঠে আসে ধর্মপাল এবং শীলভদ্রের!

    তালপাতার পান্ডুলিপি নিয়ে পালিয়ে বাঁচতে পেরেছিলেন কয়েকজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী 

    প্রথমেই বলা হয়েছে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (Nalanda University) গ্রন্থাগারের ছিল ৯০ লাখ বই। এগুলো সবটাই হাতে লেখা। এগুলি ছিল তালপাতার পান্ডুলিপি। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে তিনটি লাইব্রেরি ভবনের মধ্যে একটি লাইব্রেরী ছিল নয় তলা বিল্ডিং। এটিকে ‘মেঘের মধ্যে উড্ডয়ন’ লাইব্রেরী বলে বর্ণনা করেছেন তিব্বতীয় বুদ্ধ পন্ডিত তারানাথ। ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলজি যখন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের আগুন লাগিয়েছিল তখন অনেকে বই পুড়ে গেলেও বেশ কতগুলি তালপাতার পান্ডুলিপি নিয়ে পালিয়ে বাঁচতে পেরেছিলেন কয়েকজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী। যেগুলি বর্তমানে রাখা আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেন্সে কাউন্টিং মিউজিয়াম অফ আর্ট এবং তিব্বতের ইয়ারলিং মিউজিয়ামে।

    পরিব্রাজক হিউয়েন সাং নালন্দায় অধ্যাপনা করতেন

    জানা যায় চিনা বৌদ্ধ সন্ন্যাসী এবং পরিব্রাজক হিউয়েন সাং নালন্দায় অধ্যাপনা করতেন। ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ তিনি চিনে ফিরে যান। তখন তিনি ৬৫৭টি বৌদ্ধ ধর্ম গ্রন্থ সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। এগুলি তিনি নিয়ে গিয়েছিলেন চিনা ভাষায় অনুবাদ করবেন বলে। হিউয়েন সাংয়ের জাপানি শিষ্য ছিলেন দোসো, তিনিও পরবর্তীকালে তার গুরুর পথ ধরে ওই বইগুলিকে জাপানি ভাষায় অনুবাদ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

    নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের হামলার কারণ ছিল সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয়

    ঐতিহাসিকদের মতে, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের হামলার কারণ ছিল সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয়। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ধর্মের পীঠস্থান হয়ে উঠেছে এবং তা ইসলামের পক্ষে বিপজ্জনক এই ধারণা থেকেই বখতিয়ার খিলজির বাহিনী গোটা নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Nalanda University) গ্রন্থাগারকে জ্বালিয়ে দেয়। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় খননের সময় বুদ্ধের ব্রোঞ্জের মূর্তি, হাতির দাঁত, হাড়ের টুকরো প্রভৃতি উদ্ধার হয়েছিল। কোনও কোনও মহলের বক্তব্য হল, হুণ রাজাদের আমলে মিহিরকুল প্রথম নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছিলেন। পঞ্চম শতাব্দীতে আবার বাংলার গৌড় রাজারাও নাকি আক্রমণ শানিয়েছিলেন। তবে এই তথ্যের কোনও প্রমাণ সে অর্থে পাওয়া যায় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukumar Sen: দেশে নির্বাচন পরিচালনায় পথিকৃৎ সুকুমার সেন, জানেন তাঁর কথা?

    Sukumar Sen: দেশে নির্বাচন পরিচালনায় পথিকৃৎ সুকুমার সেন, জানেন তাঁর কথা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের মাঝপথে দেশ। সাত দফা ভোটের তিন দফা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি রয়েছে আর চার দফা। ভারতের প্রথম গণতন্ত্রের উৎসব পরিচালনার দায়িত্ব ছিল এক বঙ্গ সন্তানের হাতে। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু সেই দুরূহ কাজের জন্য ভরসা করেছিলেন বর্ধমানের এক বাঙালির উপরে। প্রায় ৭২-৭৩ বছর আগের কথা। ভারতের প্রথম মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুকুমার সেন। এই প্রজন্ম তাঁকে হয়তো মনে রাখেনি। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় রয়ে গিয়েছে তাঁর নাম।

    কে সুকুমার সেন

    সুকুমার সেনের জন্ম ১৮৯৯-এ। বাবা অক্ষয়চন্দ্র সেন ছিলেন আইসিএস। বর্ধমানে শৈশব, কৈশোর কেটেছে এই বাঙালির। স্কুলের পড়াশোনা করেছেন বর্ধমানের মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলে। পরে ফিরেছিলেন এই বর্ধমানেই, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হয়ে। বাইশ বছর বয়সে, ১৯২১ সালে সুকুমার সেন যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় সিভিল সার্ভিসে। প্রথমে কাজ করেছিলেন নানা জেলায়। তার পরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য সচিব পদে যোগ দেন। সেখানে তাঁর কর্মদক্ষতার কথা পৌঁছেছিল প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর কানে।  গণিতে সুকুমার সেনের ছিল বিশেষ জ্ঞান। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে পাশ করে সুকুমার সেন পড়তে যান লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে গণিতে স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন। তাঁর পারদর্শীতার কথা শুনেই ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহেরু ঠিক করেন নির্বাচন পরিচালনার ভার সুকুমার সেনকেই দেবেন। 

    কাজটা সহজ নয়

    স্বাধীনতার দু’বছর পরেই গঠিত হল নির্বাচন কমিশন। নেহরুর আশা ছিল ১৯৫১-র প্রথম দিকেই স্বাধীন ভারতের প্রথম নির্বাচন করানো যাবে। সদ্য স্বাধীন ভারতে  তখন হাজারো সমস্যা। খাদ্য-সহ নানা বিষয়ে দেশ তখন স্বনির্ভর নয়। উপরন্তু শিক্ষার হার মাত্র ১৫ শতাংশ। ফলে লোকসভা নির্বাচন কী, কিই বা তার প্রয়োজনীয়তা, সাধারণ লোককে তা বোঝানোই ছিল দুরুহ কাজ। বেশ কয়েক দফা আলোচনার পর ঠিক হয় যে নির্বাচন কমিশনের মাথায় বসানো হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যসচিব , ১৯২১ ব্যাচের আই সি এস সুকুমার সেনকে। জানা যায় দেশের প্রথম নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব হাতে পাওয়ার দিন পনেরোর মাথায় সুকুমারবাবুর ডাক পড়েছিল প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর অফিসে। সেখানে গিয়ে সুকুমার সেন প্রধানমন্ত্রী নেহরুকে আর একটু অপেক্ষা করতে বলেছিলেন। ভারতের নির্বাচন পরিচালনায় পথিকৃৎ সুকুমার বুঝেছিলেন কাজটা সহজ নয়। একুশ বছর বা তার বেশি বয়সের ১৭ কোটি ৬০ লক্ষ ভারতীয় ভোট দেবে, তার মধ্যে প্রায় ৮৫ শতাংশ পড়তে বা লিখতে জানে না। প্রত্যেকটি ভোটারকে আলাদা করে চিহ্নিত করতে হবে, নাম লিখে নথিভুক্ত করতে হবে। নিরক্ষর এক নির্বাচকমণ্ডলীর জন্য কী ভাবে পার্টি প্রতীক, ভোটপত্র আর ব্যালট বাক্স তৈরি হবে তা নিয়েও চলে বিস্তর ভাবনা চিন্তা।

    এক বিশাল কর্মযজ্ঞ

    নির্বাচন কী সে বিষয়ে কোনও ধারণাই তখন ছিল না নির্বাচকদের। কেন্দ্রীয় বাহিনী তখন তৈরিই হয়নি, অতএব শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভরসা ছিলেন প্রায় সওয়া দু’লাখ পুলিশকর্মী। সে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ। ৪৫০০ আসনে ভোট। ৫০০টি সংসদের, বাকি বিভিন্ন রাজ্য বিধানসভার। ২,২৪,০০০ ভোটদান কেন্দ্র। কুড়ি লক্ষ ইস্পাতের ব্যালট বাক্স, বানাতে লেগেছে ৮২০০ টন ইস্পাত। ৫৬০০০ প্রিসাইডিং অফিসার, সহায়ক আরও ২৮০০০০ কর্মী। নির্বাচকদের নাম টাইপ করে নির্বাচনকেন্দ্র অনুযায়ী সাজিয়ে ভোটার লিস্ট তৈরি করার জন্য ছ’মাসের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল ১৬৫০০ কর্মীকে। ভোটার লিস্ট ছাপতে লেগেছিল ৩,৮০,০০০ রিম কাগজ।

    আরও পড়ুন: ইসরোর মহাকাশযান নিয়ে গবেষণায় সুযোগ পেল দক্ষিণ দিনাজপুরের নবম শ্রেণির অর্পিতা

    প্রথমবার ভোট হয় ৬৮টি দফায়, ৭৩ দিন ধরে। শুরু হয় ১০ ডিসেম্বর, ১৯৫১ এবং শেষ হয় ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২। অশিক্ষায় জর্জরিত দেশের ভোট গ্রহণের জন্য আলাদা আলাদা রঙে আলাদা আলাদা দলের ব্যালট বাক্সের ব্যবস্থা করেছিলেন সুকুমার সেন। শুধু তাই নয় ১৯৫৭ সালের ভোটেও ওই বাক্সগুলিই ব্যবহার করা হয়েছিল যাতে খরচ বাঁচানো যায়। এই ভাবনাটিও ছিল সুকুমারবাবুর মস্তিষ্কপ্রসূত। এতেই শেষ নয়। কিভাবে ভোট দেবেন আমজনতা, তা বোঝানোর দরকার ছিল। সুকুমার সেনের উদ্যোগে তৈরি হয়েছিল প্রায় ৩০০০ নিউজ রিল। আকাশবাণী টানা তিনমাস লাগাতার রেডিওতে প্রচার করেছিল ভোট দেওয়ার পদ্ধতি। 

    সুদানে সুকুমার

    ১৯৫২-র শুরুর দিকে স্বাধীন ভারতে প্রথম ভোট হল। আর সেটা সামগ্রিক ভাবে ছিল সফল। তুরস্ক থেকে আসা এক সাংবাদিক ভোট শেষ হলে তাঁর দেশের এক প্রতিনিধি দলকে নিয়ে সুকুমার সেনের সঙ্গে দেখা করেন। সে দেশে ভোট পরিচালনায় সাহায্য চান। ঐতিহাসিক রামচন্দ্র গুহর লেখা থেকে জানা যায়, ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার তাঁদের ভোট বাক্স, ভোটপত্র আর প্রতীকের কিছু নমুনা দেখান, সেই সঙ্গে দেখান ভোটকেন্দ্রের ছক, যাতে তাঁরা তাঁদের নিজেদের দেশে গণতন্ত্রের ব্যাহত প্রক্রিয়াকে নতুন করে চালু করতে পারেন।’ ১৯৫৭-র দ্বিতীয় নির্বাচনও পরিচালনা করেন সুকুমার সেন। পরে সুদানে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ১৯৫৩ সালে সুদান তাঁকে আমন্ত্রণ জানায়। ১৪ মাস সে দেশে নির্বাচন ব্যবস্থার কাজ বুঝিয়েছিলেন সুকুমার সেন। স্বাধীন গণতান্ত্রিক ভারতে ভোট ব্যবস্থার রূপকার সুকুমার সেনকে পদ্মভূষণ পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছিল। ১৯৬৩ সালে মাত্র ৬৫ বছর বয়সে প্রয়াত হন সুকুমার সেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta Highcourt: “তথ্য প্রমাণ লোপাট হতে পারে”, NIA-কে তদন্তভার দিয়েও চিন্তিত হাইকোর্ট

    Calcutta Highcourt: “তথ্য প্রমাণ লোপাট হতে পারে”, NIA-কে তদন্তভার দিয়েও চিন্তিত হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মরশুমে ফের চাপ বাড়ল শাসকদলের উপর। মুর্শিদাবাদের রামনবমীর মিছিলে হামলার ঘটনায় এবার তদন্ত করবে এনআইএ। এমনই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt) । মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জুন। এদিন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের মন্তব্য, “যত সময় গড়াবে ততই তথ্য প্রমাণ বিকৃতি করার সম্ভাবনা বাড়বে। পুলিশি রিপোর্ট অনুযায়ী বোমা ছোড়ার অভিযোগ রয়েছে।”

    রামনবমীর মিছিলে হামলার তদন্তে এনআইএ (Calcutta Highcourt)

    প্রসঙ্গত গত বছরের মত এবছরও রামনবমীর দিন রাজ্যের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত একাধিক জায়গায় অশান্তির ঘটনা ঘটে কোথাও বাড়ি ছাদ থেকে আবার কোথাও মসজিদ থেকে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে বাড়ি ভাঙচুর থেকে শুরু করে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটে আহত হন বহু রাম ভক্ত। মুর্শিদাবাদে হিংসার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এনআইএকে তদন্তভার দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt) ।  শুক্রবার মুর্শিদাবাদের হিংসার ঘটনায় শুক্রবার আদালতে রিপোর্ট জমা দেয় এনআইএ। এর পরই আদালত জানায় মুর্শিদাবাদের রামনবমীর মিছিলে বোমাবাজি ও হামলার ঘটনায় তদন্ত করবে ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    কী হয়েছিল রামনবমীর মিছিলে

    চলতি বছর রামনবমীর দিন মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা এলাকার শক্তিপুরে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। প্রথমে একদল দুষ্কৃতী রামনবমীর মিছিলের উপর একতরফা হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল আশপাশের বাড়ি থেকে মুখ ঢেকে বোমা ও পাথর ছুঁড়ছে একদল দুষ্কৃতি। শক্তিপুরের পাশাপাশি মানিক্যহার এলাকাতেও মিছিলের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতিরা। বাড়ির ছাদ থেকে মিছিলকে লক্ষ্য করে সেখানেও হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সিবিআই এবং এনআইএ তদন্তের তদন্তের দাবি জানিয়ে Calcutta Highcourt) দুটি জনস্বার্থ মামলা হয়।

    আরও পড়ুন: ভক্তদের জন্য সুখবর! অক্ষয় তৃতীয়ায় খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দ্বার

    তথ্য প্রমাণ লোপাটের চিন্তা আদালতের (Calcutta Highcourt)

    প্রসঙ্গত এতদিন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে হিংসার ঘটনার তদন্ত করছিল সিআইডি। তবে এনআইয়ের তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে সুকান্ত মজুমদার। এখন সেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থায়ী তদন্তভার পেল। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই মামলার শুনানি চলাকালীন কলকাতা হাইকোর্ট Calcutta Highcourt) রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে। যত দিন যাবে ততদিন মামলার তথ্য প্রমাণ লোপাট করার বিষয়ে চিন্তা প্রকাশ করে আদালত। এমনকি বহরমপুরে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর মন্তব্যে, “যেখানে মানুষ আট ঘণ্টা শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের উৎসব পালন করতে পারে না, সেখানে ভোটের কোন প্রয়োজন নেই।” একই সঙ্গে প্রধান বিচারপতি জেলাশাসককে নির্দেশ দেন, “ওই জেলায় সংখ্যালঘুদের বিষয়ে কোন মন্তব্য বা প্রচার করতে পারবেন না রাজনীতিকরা। এই বিষয়ে সম্পূর্ণ নজরদারি রাখতে হবে তাঁকে। এ নিয়ে প্রচার করার নির্দেশও দিয়েছে হাইকোর্ট।” মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জুন। সেদিন প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে এনআইএ-কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “চ্যালেঞ্জ করছি কারও ক্ষমতা থাকলে সিএএ-তে হাত লাগিয়ে দেখুক”, হুঁশিয়ারি দিলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “চ্যালেঞ্জ করছি কারও ক্ষমতা থাকলে সিএএ-তে হাত লাগিয়ে দেখুক”, হুঁশিয়ারি দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভোটের জন্য সিএএ করতে দিচ্ছেন না মমতা। বিরোধিতা করছেন। চ্যালেঞ্জ করছি কারও ক্ষমতা থাকলে সিএএ-তে হাত লাগিয়ে দেখুক।” শুক্রবার অমিত শাহ (Amit Shah) রানাঘাটের প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের হয়ে প্রচারে এই ভাষাতেই তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাহের প্রশ্ন, “সিএএ এই দেশে আসা উচিত কি না! বহু মানুষ আজ নাগরিকত্ব পাননি। অনুপ্রবেশকারীদের ঠাঁই দিচ্ছে মমতার সরকার। কিন্তু মতুয়াদের নাগরিকত্বের বিরোধিতা করছে।আমরা সকলকে নাগরিকত্ব দেব।”

    মোদিকে প্রধানমন্ত্রী করতে বিজেপিকে ভোট দিন (Amit Shah)

    রানাঘাটের মাজদিয়া রেল বাজার হাই স্কুলের মাঠে সভা বিজেপি। সেখানে বক্তৃতা করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রানাঘাটে তৃণমূলের প্রার্থী বিজেপি ছেড়ে আসা মুকুটমণি অধিকারী। বক্তৃতায় তাঁকে বার বার কটাক্ষ করলেন সুকান্ত। জানালেন, এই ভোট হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীকে সামনে রেখে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। নদিয়াবাসীর পক্ষ থেকে অমিত শাহকে স্বাগত জানালেন দলীয় কর্মীরা। তার পরেই মঞ্চে উঠলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে বলুন, ‘ভারত মাতার জয়’। ‘জয় শ্রীরাম’।”এর পর একে একে মঞ্চে উপস্থিত বিজেপি নেতা, কর্মীদের নাম নেন শাহ (Amit Shah)। উপস্থিত সকলকে নমস্কার জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনাদের উৎসাহের জন্য প্রণাম জানাই। এখানে এক ইঞ্চিও জায়গা রাখেননি। জগন্নাথজিকে জয়ী করানোর জন্য সকলে এসেছেন। জগন্নাথকে কমল চিহ্নে দেওয়া প্রতি ভোট নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী করবে। জগন্নাথকে দেওয়া ভোট মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেবে।”

    আরও পড়ুন: গরমে ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    দুর্নীতিতে এক নম্বরে মমতার সরকার

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “রামমন্দির আগেই হওয়া উচিত ছিল কি না! এই কংগ্রেস, তৃণমূল, কমিউনিস্টেরা আটকে রেখেছিল এত বছর। দ্বিতীয় বার আপনারা প্রধানমন্ত্রী করেছেন। মামলা জিতে, ভূমিপুজো করে রামমন্দির করেছেন মোদি। আজ বলতে চাই, মোদিজি ১০ বছরে ৮০ কোটি গরিবের জন্য অনেক কাজ করেছেন। প্রতি মাসে যে ৫ কেজি চাল আসে, তা মোদি দেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন। সন্দেশখালির প্রসঙ্গে শাহ বলেন, “মমতা একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর উপস্থিতিতে মহিলাদের শোষণ করা হয়েছে ধর্মের ভিত্তিতে। করেছেন ওঁর নেতারা। ওঁর লজ্জা করা উচিত। সিবিআই তদন্ত করছে। বাংলার মা, বোনদের চিন্তার দরকার নেই। আমরা সন্দেশখালি অপরাধীদের উল্টো ঝোলাব। শাহ জানান, দুর্নীতিতে ‘এক নম্বরে মমতার সরকার। শিক্ষক, পুরনিয়োগ থেকে রেশন, কয়লা সব ক্ষেত্রেই দুর্নীতি করেছে মমতার সরকার।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে, ভয় পাবেন না

    শাহ (Amit Shah) বলেন, “মমতার মন্ত্রীর ঘর থেকে ৫০ কোটি টাকা মিলেছে। এই সভায় কেউ এত টাকা দেখেছেন? এই টাকা কার? এই টাকা রানাঘাটের গরিব যুবকদের। এই মমতা এবং তৃণমূল এই কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করছে। যাঁরা দুর্নীতি করেছেন, তাঁদের ভয় পাবেন না।” তিনি আরও বলেন, “রাজ্যে এই যে বিস্ফোরণ হচ্ছে, সকলকে ভয় দেখানোর জন্য করাচ্ছেন মমতা। রানাঘাটবাসীকে বলছি, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছি আমরা। ভয় পাবেন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ‘সুইটি’ বা ‘বেবি’ সবসময় যৌন আবেদন নয়! বিশেষ পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ‘সুইটি’ বা ‘বেবি’ সবসময় যৌন আবেদন নয়! বিশেষ পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিচিত বা প্রিয়জনকে আদর করে অনেকেই বিভিন্ন নামে ডেকে থাকে। সেই নামে ডাকলেই সবসময় অন্য ইঙ্গিত বোঝায় না। কাউকে ‘সুইটি’ বা ‘বেবি’ বলে ডাকার অর্থ সর্বদা যৌন হয়রানি নয়। একটি মামলার শুনানিতে এমনই অভিমত পেশ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কোস্টগার্ড বা উপকূলরক্ষী বাহিনীর এক মহিলা কর্মী একটি মামলা করেন। সেখানেই প্রশ্ন ওঠে কাউকে ‘সুইটি’ বা ‘বেবি’ বলে ডাকার অর্থ কি যৌন হয়রানি বলে বিবেচিত হতে পারে? আর তাতেই এমন পর্যবেক্ষণের কথা শোনান বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য।

    মামলার প্রেক্ষিত

    মামলায় কোস্টগার্ডের এক মহিলা কর্মী তাঁর এক সিনিয়রের বিরুদ্ধে নানাভাবে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর ওই উচ্চপদস্থ আধিকারিক তাঁকে ‘সুইটি’ এবং ‘বেবি’ বলে ডাকতেন, যা তিনি হেনস্থা বলে দাবি করেছেন। বিষয়টি সংস্থার আভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি পর্যন্ত পৌঁছয়। সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি জানিয়েছেন তিনি যৌন হেনস্থা করার জন্য এই শব্দগুলি ব্যবহার করেননি। শুধু তাই নয়, ওই মহিলা এই সব কথায় প্রতিবাদ করেন, তারপর থেকে আর কখনও তিনি ‘বেবি’ বা ‘সুইটি’ বলে সম্বোধন করেননি।  তা শুনে ওই মহিলা প্রতিবাদ করেন এবং কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেন। তখন থেকে আর ওই আধিকারিক ‘বেবি’ বা ‘সুইটি’ বলে ডাকেননি।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    এই মামলা চলাকালীন দুপক্ষের  কথা শুনে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য জানান, এই শব্দগুলি সবসময় যৌন অনুভূতির সঙ্গে জড়িত হবে সেটা নয়। আদালত এটাও উল্লেখ করেছে যে, অভিযোগকারী মহিলার আপত্তি করার পর অভিযুক্ত আর ‘সুইটি’ ও ‘বেবি’ শব্দের ব্যবহার করেননি। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য উল্লেখ করেন, ‘আইন অনুযায়ী যৌনতা সম্পর্কিত কোনও শব্দ ব্যবহার করা যায় না। এখানে তেমন কোনও শব্দ ব্যবহার করা হয়নি। সুইটি, বেবি কোনওটিই যৌন সম্পর্কে ব্যবহার হয়েছে তা সবসময় বলা যায় না।’  তবে মহিলার অভিযোগ ছিল, শুধুমাত্র এভাবে সম্বোধন করাই নয়, তাঁর ঘরে উঁকিও দিতেন ওই অফিসার। কিন্তু ঘটনার অনেকদিন পর অভিযোগ জানান মহিলা, তাই কোনও সিসিটিভি ফুটেজ এ ক্ষেত্রে পায়নি তদন্ত কমিটি। 

    আরও পড়ুনঃ “শাহজাহানের বিরুদ্ধে এফআইআর তুলে নিতে বলেছিল পুলিশ”, বিস্ফোরক রেখা পাত্র

    মামলার রায়

    আদালত (Calcutta High Court) উল্লেখ করেছে, অভিযোগকারিণীর বিরুদ্ধে তাঁর সহকর্মীদের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাই নিজের পিঠ বাঁচাতে ওই মহিলা এমন অভিযোগ তুলছেন কি না,তা খতিয়ে দেখতে হবে। একই সঙ্গে ওই অভিযুক্ত অফিসারকে ছাড় দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত তদন্ত কমিটি নিয়েছে, তাতেই সমর্থন জানিয়েছে হাইকোর্ট। এই ঘটনার প্রসঙ্গে হাইকোর্ট উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যৌন হয়রানির অভিযোগের যদি অপব্যবহার করা হয়, তাহলে তা মহিলাদের জন্য আরও বেশি ক্ষতিকর হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: পেট্রোল-ডিজেলে ‘অতিরিক্ত ট্যাক্স মমতার’, আক্রমণ হিমন্ত বিশ্বশর্মার

    Himanta Biswa Sarma: পেট্রোল-ডিজেলে ‘অতিরিক্ত ট্যাক্স মমতার’, আক্রমণ হিমন্ত বিশ্বশর্মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংহের সমর্থনে জগদ্দল বিধানসভার শ্যামনগর অন্নপূর্ণা মাঠে জনসভায় বক্তব্য রাখলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। রাজ্যে তৃণমূল শাসনে একধিক বিষয়ে মমতাকে তীব্র আক্রমণ করলেন তিনি। আসাম সরকারের সরকারি প্রকল্প এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সরকারি প্রকল্পের নানা বিষয়ে তৃণমূলকে তোপ দাগলেন। পশ্চিমবঙ্গে পেট্রোল-ডিজেলের লিটার পিছু মূল্য নিয়ে অতিরিক্ত ট্যাক্স নেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি। একই সঙ্গে লক্ষ্মীর ভান্ডারে টাকার পরিমাণ কম পান বাংলার মা-বোনেরা, এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী।

    কী বলেল হিমন্ত বিশ্বশর্মা(Himanta Biswa Sarma)?

    আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, “আসামে গোয়াহাটিতে পেট্রোলের লিটার ৯৬ টাকা আর পশ্চিমবঙ্গে পেট্রোলে লিটার ১০৩ টাকা। পেট্রোলে লিটার পিছু সাত টাকা করে বেশি নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার ডিজেলের লিটার পিছু নিচ্ছে তিন টাকা করে। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের মহিলারা হাজার টাকা করে লক্ষ্মীর ভান্ডার পায় কিন্তু আসামের মহিলারা ১২৫০ টাকা করে লক্ষ্মীর ভান্ডার পায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে পেট্রোল ও ডিজেল এ অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে তাতে এই পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের ২০০০ টাকা করে লক্ষীর ভান্ডার পাওয়া উচিত।”

    নিয়োগ নিয়ে আক্রমণ

    বাংলায় শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma) বলেন, “আসামে আমরা প্রথম বছরে ১ লক্ষ যুবকের সরকারি চাকরি দিয়েছি। কিন্তু সেই চাকরি নিয়ে কোনও হাইকোর্ট বা সুপ্রিমকোর্ট হয়নি বা কোনও মন্ত্রীর বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার হয়নি, তাই আসামে গিয়ে কীভাবে সাধারণ যুবকদের চাকরি দিতে হয় তা মুখ্যমন্ত্রীকে শিখে আসার জন্য আহ্বান জানাই। অথচ এই রাজ্যের তৃণমূল মন্ত্রীর বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। বেকার যুবকদের স্বপ্ন ধ্বংস করে দিয়েছেন মমতা।” বাংলায় তৃণমূল শাসনকে মুক্ত করতে এদিন জনসভার মঞ্চ থেকে তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করে অর্জুন সিং-কে জেতানোর জন্য আহ্বান জানান।

    আরও পড়ুনঃসন্দেশখালির ‘ভুয়ো ভিডিও’ প্রসঙ্গে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপির গঙ্গাধর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: জামিন পেয়েও রেহাই নেই! আবগারি দুর্নীতির চার্জশিটে নাম জড়াল দলের

    Arvind Kejriwal: জামিন পেয়েও রেহাই নেই! আবগারি দুর্নীতির চার্জশিটে নাম জড়াল দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েও কেজরির (Arvind Kejriwal) কপালে চিন্তার ভাঁজ। আগে অভিযুক্ত ছিলেন তিনি এবং তাঁর মন্ত্রীরা। এবার জড়িয়ে গেল দলের নাম। সূত্রের খবর ইডি-র চার্জশিটে অভিযুক্ত তালিকায় নাম রয়েছে আপ-এর।

    চার্জশিটে নাম জড়াল দলের 

    ইডি সূত্রে খবর চার্জশিটে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ প্রধান কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) নাম ও অভিযুক্ত হিসেবে রয়েছে। আবগারি দুর্নীতি মামলায় আগেই দীর্ঘ দিন জেলে কাটিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এবার নাম জড়াল তাঁর পার্টি আম আদমি পার্টির। আবগারি দুর্নীতি সংক্রান্ত বেআইনি আর্থিক লেনদেনে অভিযুক্ত হিসেবে আম আদমি পার্টির (AAP) নামের উল্লেখ রয়েছে ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের চার্জশিটে। শুক্রবার ইডির সূত্র উদ্ধৃত করে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রথম দেশের কোন স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের নামে দুর্নীতি মামলার উল্লেখ হয়েছে চার্জশিটে। তবে এখনও ওই চার্জশিট আদালতে জমা দেয়নি ইডি।

    আম আদমি পার্টিকে কোম্পানির সঙ্গে তুলনা

    প্রসঙ্গত দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেনের সংক্রান্ত শুনানিতে আম আদমি পার্টিকে একটি কোম্পানির সঙ্গে তুলনা করেছিল তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) । শুধু তাই নয় কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) কোম্পানি ডিরেক্টর বলে উল্লেখ করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে। তাদের যুক্তি ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ইডি বেআইনী আর্থিক লেনদেন বা পিপালস মানি লন্ডারিং অ্যাক্টর (PMLA) ৭০ নম্বর ধারার কথা উল্লেখ করেছিল আদালতে। কোন কোম্পানির ডিরেক্টর, ম্যানেজার, সেক্রেটারি উচ্চপদস্থ কোন আধিকারিক যদি আর্থিক তছরুপের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে সেক্ষত্রে ঠিক যেভাবে দুর্নীতি হয় সেভাবেই এক্ষেত্রে হয়েছিল বলে দাবি করে ইডি।

    “রাজনীতি করবেন না”, বিচারপতি অমৃতা সিনহার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    ভোট গণনার দিন থাকতে হবে জেলেই (Arvind Kejriwal)

    লোকসভা ভোটের মাঝে মুক্তি পেলেও ভোট গণনার দিন তাঁকে (Arvind Kejriwal) থাকতে হবে জেলেই। আপাতত ২৩ দিনের জন্য জামিন পেয়েছেন কেজরিওয়াল। যদিও তাঁর আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘবি  জামিনের মেয়াদ ৫ জুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়ার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু তাতে সরাসরি না বলে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে ২ জুন কেজরিওয়ালকে পুনরায় আত্মসমর্পণ করতে হবে। অর্থাৎ লোকসভা নির্বাচন শেষ দফার ভোটগ্রহণের সময় জেলের বাইরে থাকবেন কেজরি। কিন্তু পরের দিনই তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। আবগারি দুর্নীতি মামলায় ২১ মার্চ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তারপর থেকে জামিন পাওয়ার অনবরত চেষ্টা করেছেন কেজরিওয়াল। আপাতত অল্প স্বস্তি পেলেও পুনরায় তিহার জেলে ফিরে আসতে হবে। কারণ তাঁকে শর্ত সাপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। জামিন পেলেও মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। যদিও তাতে আপত্তি জানার নেই কেন্দ্রের আইনজীবী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: বেআইনি ভাবে জমি দখলের মামলায় শাহজাহান শেখের ভাইকে ফের তলব ইডির

    Sandeshkhali Incident: বেআইনি ভাবে জমি দখলের মামলায় শাহজাহান শেখের ভাইকে ফের তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি কাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) ধৃত তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের ভাই সিরাজউদ্দিন শেখকে ফের তলব করল ইডি। শাহজাহানের আরও কয়েক জন আত্মীয় এবং ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদেরও সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে। এর আগে সিরাজকেও তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি। এর পরেই তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করা হয়। সিরাজ ও শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি তলব করা হয়েছে ধৃত শিবু হাজরার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদেরও।  

    কী কারনে তলব? (Sandeshkhali Incident)

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহজাহানের ব্যাঙ্কের নথি, জমি লিজের কাগজপত্র খতিয়ে দেখতে গিয়ে এবং ধৃতদের বয়ানে যে সব নাম উঠে এসেছে, তাঁদেরই তলব করা হয়েছে। ইডি সূত্রের খবর, সন্দেশখালির সরবেড়িয়া, ধামাখালি সহ বেশ কিছু এলাকায় আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের নাম ব্যবহার করে জমির লিজ নিতেন শাহজাহান। তাঁরা অবশ্য কেউই খুব বড় মাপের ব্যবসায়ী নন। শাহজাহান শুধু তাঁদের নামটুকু ব্যবহার করতেন। সেই সব ব্যক্তিদের নামেই জমির লেনদেন হত। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সেই সব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই শাহজাহান ও শিবুর আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের ডেকে পাঠানো হয়েছে।

    সিরাজুদ্দিন শেখের বিরুদ্ধে ইডির পদক্ষেপ 

    উল্লেখ্য সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Incident)পরই শাহজাহানের ভাই সিরাজুদ্দিন শেখের নাম শিরোনামে উঠে আসে। একাধিকবার তাঁকে হাজিরা দেওয়ার জন্য সমন পাঠায় ইডি। কিন্তু প্রতিবারই হাজিরা এড়ান সিরাজউদ্দিন। ইডির (ED) তদন্তকারীদের আশঙ্কা, তদন্ত থেকে বাঁচতে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করে থাকতে পারেন সিরাজউদ্দিন। তাই তিনি যাতে দেশ ছাড়তে না পারেন, সে কারণে দেশের সব বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে সিরাজউদ্দিনের ছবি এবং তাঁর সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “সন্দেশখালির পাপ ঢাকার জন্য তৃণমূল অনেক কিছু করবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত

    প্রসঙ্গত, গত ১ মে কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) সরবেড়িয়া এলাকায় শাহজাহানদের বাড়ির সামনে যান সিবিআইয়ের একটি দল। সিরাজের বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেন তদন্তকারীরা। কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। তালাবন্ধ বাড়ির বাইরে নোটিশ সেঁটে দিয়ে আসেন সিবিআই আধিকারিকরা। আর এই ঘটনার পর আবারও সিজিও কমপ্লেক্সে শাহজাহান শেখের ভাইকে তলব করল ইডি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share