Tag: Madhyom

Madhyom

  • Abhijit Ganguly: “সুপ্রিম কোর্টে আমার নাম নিয়ে দুই গালে চড় খেয়ে এসেছে”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Abhijit Ganguly: “সুপ্রিম কোর্টে আমার নাম নিয়ে দুই গালে চড় খেয়ে এসেছে”, তোপ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রীম কোর্টে এসএসসি মামলা শুনানিতে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) নাম ওঠায় তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন এই প্রাক্তন বিচারপতি। মঙ্গলবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামালা সুপ্রিম কোর্টে উঠলে কয়েকজন আইনজীবী অভিজিৎবাবুর নাম নিয়ে তাঁর রায়কে পক্ষপাতদুষ্ট বলে মন্তব্য করেন। কিন্তু এই নাম নেওয়ায় প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচুড়ের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়। পাল্টা বিজেপি প্রার্থী এই অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তৃণমূলের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে আমার নাম নিয়ে দুই গালে চড় খেয়ে এসেছে।”

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি (Abhijit Ganguly)?

    মঙ্গলবার, সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচুড়ের বেঞ্চে এসএসসি মামলার শুনানি ছিল। শুনানির সময় কিছু তৃণমূল সমর্থিত আইনজীবীর পক্ষ থেকে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) নাম তোলা হয়। এমনকী তিনি বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন এই বিষয়ে বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করা হয়। এখানেই থেমে থাকেননি আইনজীবীরা, প্রয়োজনে এই প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি প্রার্থীকে শাস্তি দেওয়ার দাবিও করা হয়। এমন কথা শুনেই তীব্র ভর্ৎসনার মধ্যে পড়তে হয় তাঁদের। প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা মূল বিষয় থেকে সরে যাচ্ছি। এখানে কোনও প্রাক্তন বিচারপতির আচরণ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে না।”

    আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রীর চাপেই চাকরিহারাদের পাশে এসএসসি, তোপ শুভেন্দুর

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বক্তব্য

    ঘটনায় বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বলেন, “আজ তৃণমূলের উকিলরা আমার নাম করে সুপ্রিম কোর্টে বলতে গিয়েছিল, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলে একজন ছিলেন, তিনি বিজেপিতে যোগদান করেছেন। তখন প্রধান বিচারপতি তাঁদের মুখের ওপরে বলে দিয়েছেন, কাদা ছোড়াছুড়িত জায়গা এটা নয়। এখানে কাদা ছুড়বেন না। এতে তৃণমূলের খুব মন খারাপ হয়েছে। কারণ চোরগুলোকে আমিই ধরা শুরু করেছিলাম।”

    এদিন শুনানিতে ২৫৭৫৩ জনের চাকরি খারিজের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদলত। চাকরিতে এখন বহাল থাকবেন। একই সঙ্গে অযোগ্যদের বেতন ফেরতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদলাত। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে যোগ্য এবং অযোগ্যদের মধ্যে পার্থক্য করতে পারলে সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিলের প্রয়োজন নেই।     

          

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Economy: বেজিংয়ের অর্থনীতিকে টেক্কা! ভারতীয় অর্থনীতি ও ইক্যুইটি মার্কেট ছাড়াল চিনকে

    Indian Economy: বেজিংয়ের অর্থনীতিকে টেক্কা! ভারতীয় অর্থনীতি ও ইক্যুইটি মার্কেট ছাড়াল চিনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শি জিনপিংয়ের দেশের অর্থনীতিকে মাত দিল নরেন্দ্র মোদির ভারত (Indian Economy)! আজ নয়, গত তিন বছর ধরে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চিনকে টেক্কা দিয়ে চলেছে ভারত। ডিএসপির মিউচ্যুয়াল ফান্ডের রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, চিনের ইক্যুইটি মার্কেট ভারতের ইক্যুইটি মার্কেটের চেয়ে ঢের এগিয়ে। চিনের বর্তমান ইক্যুইটি মার্কেট ভারতের চেয়ে দ্বিগুণ। এটা এমন একটা সময়, যখন চিনের জিডিপি ভারতের জিডিপির চেয়ে পাঁচগুণ বেশি।

    চড়ছে ভারতীয় অর্থনীতি ও ইক্যুইটি মার্কেটের পারদ (Indian Economy)

    ২০০৪ সাল থেকে ২০২১ এই সতেরো বছরে চিনের অর্থনীতি ভারতের জিডিপিকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তার পর থেকে গতি হারায়। এর পরেই চড়চড়িয়ে উঠতে থাকে ভারতীয় অর্থনীতি ও ইক্যুইটি মার্কেটের পারদ। গত তিন বছরে তা ছাপিয়ে গিয়েছে চিনের অর্থনীতি ও ইক্যুইটি মার্কেটকে। জানা গিয়েছে, গত তিন বছর ধরে লোকসানে চলছে চিনা শেয়ার বাজারও। অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, বিশ্বের চোখে ধুলো দিতে এতদিন সঠিক পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আনত না চিন। ফলতে শুরু করেছে (Indian Economy) তারই বিষময় ফল।

    স্টক ইনডেক্স 

    ভারতের ফ্রন্টলাইন স্টক ইনডেক্স, নিফটি ৫০ ইনডেক্স ব্যবসা করেছে ২৩ গুণ ট্রেইলিং। সেখানে সাংহাইয়ের সূচক করেছে মাত্র ১১ গুণ ট্রেইলিং। জানা গিয়েছে, কোয়ালিটির দিক থেকে ভারতীয় মার্কেট উচ্চ শ্রেণির এবং ব্যয়বহুল বলে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে, তুলনায় সস্তা চিন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মার্কেট। ভারতীয় স্টক মার্কেটগুলি একের পর এক রেকর্ড করে চলেছে। স্বল্প মেয়াদ থেকে দীর্ঘ মেয়াদের রিটার্নের ক্ষেত্রে দেওয়া হচ্ছে রেকর্ড ব্রেকিং। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের স্টক মার্কেট দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো বলে প্রমাণিত হতে চলেছে। ভারতের বুক রেসিওর দরও চড়া, প্রায় আমেরিকার সমান। এর রিটার্নও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিটার্নের সমান। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারত যদি তাৎপর্যপূর্ণভাবে সস্তা হত, তাহলে এটি দীর্ঘমেয়াদি লগ্নিকারীদের জন্য এক্সেলেন্ট এন্ট্রি পয়েন্ট হত।

    আরও পড়ুুন: ভোটের মধ্যেই ‘ভাইপো’কে দলীয় উত্তরসূরীর পদ থেকে সরালেন ‘পিসি’!

    বর্তমানে বিশ্ববাজার উল্লেখযোগ্যভাবে আশাবাদ-পর্বের মধ্যে দিয়ে চলছে। কর্পোরেট পারফরমেন্সও ভালো। আর্নিংস গ্রোথও চলছে সমানতালে। এহেন দৃশ্যপটে ব্রাজিল উঠে এসেছে ব্যতিক্রমী হিসেবে। এই দেশের আর্নিংস গ্রোথই যে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে তা নয়, ভ্যালুয়েশন ট্রেন্ডের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলেছে। ইন্ডিয়ান ইক্যুইটিতে সেফটির মার্জিনের অভাব রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে (Indian Economy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রীর চাপেই চাকরিহারাদের পাশে এসএসসি, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রীর চাপেই চাকরিহারাদের পাশে এসএসসি, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রধানমন্ত্রীদের চাপেই এসএসসির চাকরিহারাদের মধ্যে যোগ্য শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছে এসএসসি কমিশন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন নির্বাচনী সভা থেকে। গতকাল মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থেকে বিজেপি প্রার্থী অসীম সরকারের সমর্থনে প্রচারেও গিয়ে রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তোপ দাগেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

    আবার মঙ্গলবার দীর্ঘ শুনানির পর ২০১৬ এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরির মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের ওপরে স্থগিতাদেশ বজায় রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। যোগ্য-অযোগ্য মিলিয়ে মোট ২৫৭৫৩ জনের চাকরি আপাতত বাতিল হচ্ছে না। তবে কেউ অযোগ্য বলে বিবেচিত হলে ওই সময়কালে পাওয়া বেতন সুদ সমেত ফেরত দিতে হবে।

    ঠিক কি বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    পূর্ব বর্ধমানের সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, বিজেপি যোগ্য চাকরিহারাদের পাশে থাকবে। তাঁদের জন্য বিজেপি বিশেষ লিগাল সেল এবং পোর্টাল খুলবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এই সব কিছু করা হচ্ছে। ঠিক তারপরই এসএসসি সুপ্রিম কোর্টে যোগ্যদের সংখ্যা জানিয়েছেন। তবে আদলাতের পর্যবেক্ষণ নিয়ে কিছু বলার নেই। তবে ২ মে ২০২২ সালে যাঁরা মন্ত্রীসভার বৈঠকে অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করে ছিলেন তাঁদের সবার জেলা থাকা উচিত।”

    আরও পড়ুনঃপ্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে তারকারাও সমানভাবে দায়ী, জানাল দেশের শীর্ষ আদালত

    প্রধানমন্ত্রী কী বলেছিলেন?

    গত শুক্রবার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নদিয়া, বীরভূম এবং বর্ধমানে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে নির্বাচনী সভায় এসএসসি নিয়োগের দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন। তিনি নির্বাচনী প্রচার সভায় বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে যাঁরা অকারণে সাজার কবলে পড়েছেন তাঁদের জীবন লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে। আমি রাজ্য বিজেপি সভাপতিকে পরামর্শ দিতে চাই, দুর্নীতির মধ্যে অনেক যোগ্য রয়েছেন। বাকিদের পাপ এই নির্দোষরা ভোগ করছেন। সৎ এবং যোগ্যদের পাশে পার্টি দাঁড়াবে। আমি রাজ্য বিজেপিকে বলছি, রাজ্য স্তরে একটি লিগাল সেল এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম তৈরী করতে হবে। দুর্নীতির শিকার হওয়া প্রার্থীদের পাশে থাকা দরকার।” এই প্রসঙ্গে মোদি আরও বলেন, “যাঁরা দুর্নীতিগ্রস্থ তাঁদের সাজা হোক। কিন্তু অনেক সৎ মানুষ আছেন যাঁদের কাছে আসল ডিগ্রি রয়েছে এখন তাঁরা ফেঁসে গিয়েছেন। সৎ লোকেদের জন্য পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি কাজ করবে, এটা মোদীর গ্যারান্টি”। এবার মোদির বক্তব্যকে হাতিয়ার করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ফের রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন এদিন।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে তারকা, প্রভাবীরাও সমানভাবে দায়ী, জানাল শীর্ষ আদালত

    Supreme Court: প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনে তারকা, প্রভাবীরাও সমানভাবে দায়ী, জানাল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও শিরোনামে এল পতঞ্জলি মামলা। নিষিদ্ধ করার পরেও বেশ কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে সেই নিষিদ্ধ বিজ্ঞাপন। তাই পতঞ্জলিতে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ও অনলাইন বিজ্ঞাপন সরানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। পাশাপাশি বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের (Misleading Ads Case) মুখ হওয়ার জন্য মোটা টাকা নিলে তারকারাও সমানভাবে দায়ী থাকবেন বলে মঙ্গলবার এমনই জানায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত। 

    সুপ্রিম কোর্টের রায় (Supreme Court)

    কোনও পণ্যের বিষয়ে সমপ্রচারিত বিজ্ঞাপন যদি প্রতারণামূলক (Misleading Ads Case) প্রমাণিত হয়, তাহলে এর সঙ্গে জড়িত তারকা এবং ইনফ্লুয়েন্সাররাও (প্রভাবী) সমানভাবে দায়ী থাকবেন। ৭ মে মঙ্গলবার পতঞ্জলি মামলার শুনানিতে এই রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। এদিন পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বলেছে, কোনো বিজ্ঞাপনে অংশ নেওয়ার আগে সম্প্রচারকদের একটি স্ব-ঘোষণা ফর্ম ফাইল করতে হবে, যেখানে বিজ্ঞাপনে প্রাসঙ্গিক নিয়মাবলী মেনে চলার কথা উল্লেখ থাকবে।

    শুনানি চলাকালীন বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন (Misleading Ads Case) প্রতিরোধের নির্দেশিকা, ২০২২ সালের কথা উল্লেখ করেন বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি এ আমানুল্লাহর বেঞ্চ। তারা বলেন, কোনো পণ্য বা দ্রব্যের প্রচারণার সঙ্গে জড়িত হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তিকে অবশ্যই সেগুলো সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য বা অভিজ্ঞতা থাকতে হবে যে, সেটি প্রতারণামূলক নয়।  

    আরও পড়ুন: “স্টিং ভিডিওটি পুরোটাই সাজানো,” বলছেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারা

    পতঞ্জলি মামলা

    উল্লেখ্য সম্প্রতি কোভিড-১৯ টিকাকরণ অভিযান এবং আধুনিক ওষুধের বিরুদ্ধে পতঞ্জলি এবং তার প্রতিষ্ঠাতাদের প্রচারের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (IMA)  দ্বারা দায়ের করা একটি আবেদনের শুনানিতে এমনটা জানায় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আইএমএ অভিযোগ করে, অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক প্রচার করা হয়েছে পতঞ্জলীর বিজ্ঞাপনে। আইএমএ আরও বলেছিল, পতঞ্জলীর বিজ্ঞাপনে (Misleading Ads Case) ক্রমাগত পদ্ধতিগতভাবে ভুল তথ্য প্রচার করা হয়। পতঞ্জলি পণ্যগুলির ব্যবহার করে, নির্দিষ্ট কিছু রোগ নিরাময় হয় বলে, মিথ্যা দাবি করা হয়। এবার সেই মামলার শুনানিতেই তারকা ও ইনফ্লুয়েন্সারদের সাবধান করল সুপ্রিম কোর্ট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • HS Result 2024: প্রকাশিত হল উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, পাশের হার ৯০ শতাংশ, এগিয়ে ছেলেরা

    HS Result 2024: প্রকাশিত হল উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, পাশের হার ৯০ শতাংশ, এগিয়ে ছেলেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত হয়ে গেল। আজ, দুপুর ৩ টে থেকে ওয়েবসাইটে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রেজাল্ট দেখা যাবে। এবছর মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৭,৬৪,৪৪৮ জন। এ বার পরীক্ষায় পাশ করেছেন ৬,৭৯,৭৮৪ পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ পাশের হার ৯০ শতাংশ। পাশের হারে এগিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর। দ্বিতীয় দক্ষিণ ২৪ পরগনা। কলকাতা পাঁচ নম্বরে। এবছর পাশের হারে এগিয়ে ছেলেরা। প্রথম হয়েছেন আলিপুরদুয়ারের অভীক দাস। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। 

    প্রযুক্তির ব্যবহার

    উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানান, এ বছর সব নম্বর অনলাইনে নেওয়া হয়েছে। এবার মার্কশিটে কিউআর কোড স্ক্যান করলেই নাম, রোলনম্বর, ক্যান্ডিডেট কোড সব জানা যাবে। এবার অনলাইন রেজাল্ট, ডিজিটাইজড পদ্ধতিতে করা হয়েছে, সেই কারণে দ্রুত ফল বের হয়েছে। প্রথমবার এভাবে করা হল। এই পরীক্ষামূলক পদ্ধতি সফল হলে ভবিষ্যতে এভাবেই করা হবে।

    মেধাতালিকা

    এবছর উচ্চমাধ্যমিকে পাশের হারে এগিয়ে ছেলেরা। ছেলেদের পাশের হার ৯২.৩২ শতাংশ। মেয়েদের পাশের হার ৮৮.১৮ শতাংশ। ১৫টি জেলা থেকে ৫৮ জন পরীক্ষার্থী প্রথম দশে রয়েছেন। যার মধ্যে ছাত্র রয়েছেন ৩৫ জন, ছাত্রী ২৩ জন। ৫৮ জনের মধ্যে হুগলি থেকে ১৩ জন, বাঁকুড়া থেকে ৯ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ৭ জন, কলকাতা থেকে ৫ জন, পূর্ব বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর থেকে ৪ জন, কোচবিহার এবং মালদা থেকে ৩ জন রয়েছেন। পাশের হারে প্রথম পূর্ব মেদিনীপুর। এরপর দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, কালিম্পং, কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি, বীরভূম। বিজ্ঞান বিভাগে এবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ৫ হাজার ৮১০ জন। পাশের হার- ৯৭.১৯ শতাংশ।

    কে প্রথম, কে দ্বিতীয়

    উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম হয়েছেন অভীক দাস। আলিপুরদুয়ারের ম্যাকউইলিয়াম হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের ছাত্র। পেয়েছেন ৪৯৬। দ্বিতীয় হয়েছেন সৌম্যদীপ সাহা। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের পড়ুয়া। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫। তৃতীয় হয়েছেন অভিষেক গুপ্ত। মালদার রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরের পড়ুয়া। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৪। মেয়েদের মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিকে যুগ্মভাবে প্রথম হয়েছেন প্রতীচী তালুকদার এবং স্নেহা ঘোষ। সব মিলিয়ে চতুর্থ স্থানে।  তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩। প্রতীচী কোচবিহারের সুনীতি অ্যাকাডেমির এবং স্নেহা চন্দননগরের কৃষ্ণভাবিনী নারীশিক্ষা মন্দিরের পড়ুয়া। 

    শেষ ৫ বছরে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হার—

    ১) ২০১৯ সাল: ৮৬.২৯ শতাংশ।
    ২) ২০২০ সাল: ৯০.১৩ শতাংশ।
    ৩) ২০২১ সাল: ১০০ শতাংশ (করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে পরীক্ষা হয়নি, সেজন্য পাশের হার ১০০ শতাংশ ছিল)।
    ৪) ২০২২ সাল: ৮৮.৪৪ শতাংশ।
    ৫) ২০২৩ সাল: ৮৯.২৫ শতাংশ।

    ফলাফল কী ভাবে দেখবেন?

    এদিন দুপুর ৩টে থেকে পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে তাঁদের রেজাল্ট দেখতে পারবেন। ওয়েবসাইটে ফল দেখার সময় হাতের কাছে রাখতে হবে অ্যাডমিট কার্ড।

    ১) পরীক্ষার্থীদের প্রথমে https://wbresults.nic.in/ ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

    ২) এর পর ‘হোমপেজ’-এ দেওয়া ‘রেজ়াল্ট’-এর লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে।

    ৩) এর পর নিজেদের রোল নম্বর-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেই স্ক্রিনে রেজ়াল্ট দেখা যাবে।

    ৪) ভবিষ্যতের জন্য পরীক্ষার্থীরা এর পর রেজ়াল্ট ডাউনলোড করে প্রিন্ট আউট নিয়ে নিজেদের কাছে রাখতে পারেন।

    নির্ধারিত ওয়েবসাইট ছাড়াও ‘WBCHSE Results’ অ্যাপের মাধ্যমেও নিজেদের ফলাফল দেখতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।

    আরও পড়ুন: গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি, জেলায় জেলায় ঝড়বৃষ্টি চলবে কতদিন?

    কবে থেকে মার্কশিট বিলি

    লোকসভা ভোটের কারণে এবার ফল ঘোষণার দিনেই মার্কশিট (HS Result 2024) বিলি করবে না সংসদ। ১০ মে সকাল ১০টা থেকে তা হাতে পাবেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকা ও টিচার ইনচার্জরা। রাজ্যজুড়ে মোট ৫৫ টি ক্যাম্প অফিস থেকে বিলি করা হবে মার্কশিট ও শংসাপত্র। ওই দিনই স্কুল থেকে তা সংগ্রহ করতে পারবে পড়ুয়ারা। চলতি বছরে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় উচ্চ মাধ্যমিক। শেষ হয় ২৯ ফেব্রুয়ারি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “স্টিং ভিডিওটি পুরোটাই সাজানো,” বলছেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারাই

    Sandeshkhali: “স্টিং ভিডিওটি পুরোটাই সাজানো,” বলছেন সন্দেশখালির নির্যাতিতারাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বিজেপি নেতার স্টিং ভিডিও নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র থেকে শুরু করে রাজ্যস্তরের নেতারা একে ফেক ভিডিও বলেছেন। এই আবহের মধ্যে সন্দেশখালির নির্যাতিতারা স্টিং ভিডিওকে পুরো ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

    স্টিং ভিডিওটি পুরোটাই সাজানো (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনার পর থেকেই নির্যাতিতারা রাজ্য জুড়ে বিজেপির সভা মঞ্চে গিয়ে তৃণমূলের অত্যাচারের কাহিনি তুলে ধরেছেন। শাহজাহান বাহিনী মহিলাদের ওপর কীভাবে অত্যাচার করেছে তা নির্যাতিতাদের মুখে রাজ্যবাসী শুনেছেন। উত্তরবঙ্গ-সহ একাধিক জেলায় বিজেপির প্রচারে থাকার পরে সন্দেশখালির নির্যাতিতারা ঝাড়গ্রামে এসেছেন। তাঁরা তাঁদের অত্যাচারের কাহিনি শোনাচ্ছেন ও জাগ্রত করছেন অন্য মহিলাদের। ভোট আবহের মধ্যে সম্প্রতি সন্দেশখালিতে বিজেপি নেতার স্টিং-ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেই ভিডিওতে বিজেপি নেতার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, শুভেন্দুর পরিকল্পনাতেই টাকার বিনিময়ে সন্দেশখালির মেয়েদের দিয়ে নির্যাতনের মিথ্যা অভিযোগ করানো হয়েছে। তবে, শুভেন্দু এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে দাবি করেছেন, ভিডিওটি ডিপফেক প্রযুক্তিতে তৈরি হয়ে থাকতে পারে। ওই ভিডিও প্রসঙ্গে ঝাড়গ্রামে এসে সন্দেশখালির নির্যাতিতারাও বলেন, “ওই স্টিং ভিডিওটি পুরোটাই সাজানো। তৃণমূলের মন্ত্রীরা চোর। মেয়েদের নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। হাজার হাজার মহিলা কি মিথ্যা কথা বলছেন?” কারণ, সন্দেশখালির নির্যাতিতারা শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন। ফলে, তাঁদের এই বক্তব্যে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে, তৃণমূল পরিকল্পিতভাবে ভিডিও তৈরি করে হারানো মাটি ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছে।

    আরও পড়ুন: “রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    কী বললেন বিজেপির মহিলা মোর্চার নেত্রী?

    বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী পুষ্প চেট্যালের বক্তব্য, “সন্দেশখালির (Sandeshkhali) নির্যাতিতাদের ওপর কী ধরনের অত্যাচার হয়েছে তা তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে মহিলাদের শোনাচ্ছেন। এক হাজার টাকার লক্ষ্মীর ভান্ডারের পরিণতি মহিলারা শুনছেন। মহিলারা জেগে উঠছেন। এসব ফেক ভিডিও দেখিয়ে তৃণমূলের কোনও লাভ হবে না। মহিলা ভোট আমাদের পক্ষেই থাকবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mayawati: ভোটের মধ্যেই ‘ভাইপো’কে দলীয় উত্তরসূরীর পদ থেকে সরালেন ‘পিসি’!

    Mayawati: ভোটের মধ্যেই ‘ভাইপো’কে দলীয় উত্তরসূরীর পদ থেকে সরালেন ‘পিসি’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার উলটপুরাণ উত্তরপ্রদেশে! এ রাজ্যে অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও ‘ভাইপো’কে উত্তরসূরি বানিয়ে ফেলেছেন ‘পিসিমণি’! যার জেরে তৃণমূল স্তর থেকে রাজনীতি করে আসা পোড়খাওয়া অনেক রাজনীতিকই দলের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে ঘাসফুল শিবির ছেড়েছেন। কংগ্রেসের ডিএনএ থেকে জন্ম নেওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও উঠেছে ‘পরিবারতন্ত্রে’র অভিযোগ। বাংলার এই ছবিরই উল্টো চিত্র দেখা গেল উত্তরপ্রদেশে, মায়াবতীর (Mayawati) বহুজন সমাজবাদী পার্টিতে। সেখানেও অবশ্য পরিবারতন্ত্রই বহাল, তবে ভিন্ন রূপে।

    ভাইপোকে সরালেন মায়াবতী (Mayawati)

    ফেরা যাক খবরে। মঙ্গলবার বিএসপি সুপ্রিমো সাফ জানিয়েছেন, রাজনৈতিকভাবে পরিপক্ক না পর্যন্ত তিনি তাঁর উত্তরসূরি ও দলের জাতীয় সমন্বয়কারীর পদ থেকে ভাইপো আকাশ আনন্দকে সরিয়ে দিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী লিখেছেন, “আকাশ আনন্দকে বিএসপির জাতীয় সমন্বয়কারী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল এবং এই আন্দোলনকে গতি দেওয়ার জন্য তাঁকে তাঁর উত্তরসূরি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু দল ও আন্দোলনের বৃহত্তর স্বার্থে পূর্ণ পরিপক্কতা অর্জন না করা পর্যন্ত তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দুটি দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।” তিনি (Mayawati) বলেন, “তাঁর ভাই এবং আকাশের বাবা আনন্দ কুমার আগের মতোই তাঁর দায়িত্ব পালন করে যাবেন।”

    আকাশের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পরে দলীয় সংগঠন ঢেলে সাজান মায়াবতী। সেই সময় আকাশকে বিএসপির জাতীয় সমন্বয়কারী ঘোষণা করা হয়। গত ডিসেম্বরে লখনউয়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মায়াবতীর উত্তরসূরি হিসেবে আকাশের নামও ঘোষণা করা হয়। যে রাজ্যগুলিতে সংগঠন দুর্বল ছিল সেখানে দলীয় কাজকর্ম পরিচালনার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল আকাশকে। অথচ বছর ঊনত্রিশের আকাশের রাজনীতিতে অভিজ্ঞতা বছর সাতেকের। এর আগে দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন তিনি। ২০১৭ সালে লন্ডনে পড়াশোনার পাট চুকিয়ে ভারতে ফিরেছিলেন আকাশ। তার পর থেকেই পিসিমণির দলের নেতা হয়ে উঠতে থাকেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুইজ্জুর দল, তবুও ভারত-নির্ভর থাকতে হবে মলদ্বীপকে
    ঠিক যেমন বাংলায়। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ এবং এমবিএ পাশ করার পর কিছুদিন চাকরিও করেন। পরে ঢুকে পড়েন ‘পারিবারিক’ দলে। দ্রুত হয়ে ওঠেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। অভিষেক বেশি বয়সে রাজনীতিতে যোগ দিলেও, তাঁর পিসি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (যাঁকে তিনি দিদি বলে ডাকেন) অবশ্য দাবি করেন, “অভিষেক দু’বছর বয়স থেকে রাজনীতি করে। আমায় যখন সিপিএম মেরেছিল, তখন বাড়িতে একা একা ঝান্ডা হাতে মিছিল করত, দিদিকে মারলে কেন সিপিএম জবাব দাও বলত।” রাজনৈতিক মহলের মতে, দলে যাতে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে অভিষেকের ‘অভিষেক’ নিয়ে কোনও প্রশ্ন না ওঠে, তাই আগাম গাওনা গেয়ে রেখেছিলেন (Mayawati) তৃণমূল নেত্রী।

    সত্য সেলুকস, কি বিচিত্র এই …!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Supreme Court Judgement: ‘অন্যান্য লিঙ্গের মানুষও গর্ভধারণ করতে পারেন’, সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়

    Supreme Court Judgement: ‘অন্যান্য লিঙ্গের মানুষও গর্ভধারণ করতে পারেন’, সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তঃসত্ত্বাকে তার লিঙ্গ পরিচয় দিয়ে সম্বোধিত করতে নারাজ দেশের সর্বোচ্চ আদালত সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court)। আদালতের মতে অন্তঃসত্ত্বা কেবলমাত্র লিঙ্গ পরিচয়ে মহিলারাই হতে পারেন এমন নয় বরং পুরুষ, মহিলা, রূপান্তরকামী বা অন্যান্য লিঙ্গের যে কেউই হতে পারেন। গত সপ্তাহে গর্ভপাতের একটি মামলার শুনানি শেষে রায়ের (Supreme Court Judgement) ফুটনোটে এমনটাই জানিয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি (CJI of India) ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি মনোজ মিশ্র ও বিচারপতি জেবি পাদ্রিওয়ালার বেঞ্চ। এই মন্তব্যকে কার্যত ঐতিহাসিক বলে মনে করছেন লিঙ্গ সাম্য অধিকার রক্ষা আন্দোলনের কর্মীরা।

    সবোর্চ্চ আদালতের ঐতিহাসিক রায় (Supreme Court Judgement)

    প্রসঙ্গত দেশের সর্বোচ্চ আদালতে ১৪ বছরের এক কিশোরীর যৌন হেনস্থার ফলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার মামলার শুনানি চলছিল। এর আগে মামলাটি বম্বে হাইকোর্টে থাকাকালীন মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছিল হাইকোর্টের অনুমতি থাকলে কিশোরীর গর্ভপাত করানো যেতে পারে। বম্বে হাইকোর্টে যখন  মামলাটি উঠে তখন কিশোরী ২৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। ভারতের মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগন্যান্সি আইনে প্রাণঘাতী ঝুঁকি না থাকলে ২০ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত আইনসিদ্ধ বলে স্বীকৃতি রয়েছে। তবে তার বেশি হয়ে গেলে বিচারবিভাগের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হয়।

    কিন্তু বম্বে হাইকোর্ট কিছু ডাক্তারি অভিমত দেখে গর্ভপাতের সম্মতি দিতে অস্বীকার করে। ফলে এই মামলা গড়ায় দেশের সর্বোচ্চ আদালতে। পুনরায় মেডিক্যাল বোর্ডকে পরীক্ষা করতে বলে সুপ্রিম কোর্ট। কিশোরীর শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখে মেডিক্যাল বোর্ড জানায় ওই কিশোরী গর্ভপাতে সক্ষম। সুপ্রিম কোর্ট কাল বিলম্ব না করে গর্ভপাতের সম্মতি দেয় (Supreme Court Judgement)। ততদিনে কিশোরী রীতিমত ৩০ সপ্তাহের বেশি গর্ভবতী। তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিন্তায় ছিল পরিবার পরিজনেরা। আদালতকে পরিবারটি জানায় এই অবস্থায় সে গর্ভপাত করাতে চাইছে না। সে চায় সন্তানের জন্ম দিয়ে শিশুটিকে দত্তক নিতে। গর্ভজাত শিশুর সঙ্গে আবেগে জড়িয়ে পড়েছিল কিশোরী মা। বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং কিশোরীর মানসিক অবস্থার সঙ্গে জড়িয়ে বিষয়টি বুঝতে পেরে সুপ্রিম কোর্ট সম্মতি প্রত্যাহার করে করে নেয়।

    আরও পড়ুন: এসএসসি দুর্নীতিতে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে রাজ্য, আপাতত চাকরি বাতিল নয়

    গর্ভবতীর ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্যমূলক শব্দ ব্যবহার নয়

    এই মামলার শুনানিতে কিশোরীকে ‘ব্যক্তি’ বলে সম্বোধন করার পক্ষে সহমত হন বিচারকরা। রায়ের (Supreme Court Judgement)  ফুটনোটে তাঁরা লেখেন, “আমরা গর্ভবতী ‘ব্যক্তি’ শব্দ ব্যবহার করেছি এবং মহিলা লিঙ্গ পরিচিতির বাইরে নন-বাইনারি ব্যক্তি বা রূপান্তরকামী পুরুষ বা অন্য লিঙ্গ পরিচয় যে কেউই গর্ভবতী হতে পারেন বলে স্বীকৃতি দিয়েছি। প্রসঙ্গত এই মামলায় ২১ পাতার রায় দেন বিচারকরা। এই রায়কে ঐতিহাসিক বলে মনে করছেন আইনজ্ঞরা। কারণ গর্ভধারণের ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্যমূলক শব্দ না ব্যবহার করার পক্ষেই রায় এসেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের তরফে। এমনকি রায়ের ফুটনোটে বিচারপতিরা লিখেছেন যে, তাঁদের বিচার দেশের গণপরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সসদ্যদের (Founding Parents) মতামতকে প্রতিফলিত করে। তাঁরা এক্ষেত্রে ‘ফাউন্ডিং ফাদার্স’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। যা যথেষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফায় ভোটের হার ৬১.৪৫%, প্রথম সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফায় ভোটের হার ৬১.৪৫%, প্রথম সারিতে পশ্চিমবঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নেই শেষ হয়েছে ভারতের লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) তৃতীয় ধাপ। ৭ মে মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের ১০ রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে মোট ৯৩ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় পর্যায়ে (third phase of Lok Sabha polls) বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬১.৪৫%। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, তৃতীয় দফার লোকসভা ভোটও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোটের সময় অশান্তির অভিযোগ ওঠানো হয়েছিল, কিন্তু সে রাজ্যেও নির্বিঘ্নেই মিটেছে তৃতীয় পর্ব।

    তৃতীয় দফায় যে ৯৩টি আসনে ভোট হচ্ছে, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৪টির পাশাপাশি গুজরাতের ২৫, কর্নাটকের ১৪, মহারাষ্ট্রের ১১টি, উত্তরপ্রদেশের ১০টি, মধ্যপ্রদেশের ৯টি, ছত্তিশগড়ের ৭টি, বিহারের ৫টি, অসমের ৪টি, গোয়ার ২টি, দাদরা ও নগর হভেলীর ১টি এবং দমন ও দিউয়ের ১টি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। 

    তৃতীয় দফায় ৬০ শতাংশের বেশি ভোট (Lok Sabha Election 2024) 

    লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় পর্বে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৬১.৪৫% ভোট পড়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিহারে ৫৬.০১%, ছত্তিশগড়ে ৬৬.৮৭%, মহারাষ্ট্রে ৫৩.৪০%, অসমে ৭৫.২৬%, গোয়ায় ৭৪.২৭%, কর্নাটকে ৬৬.০৫%, মধ্যপ্রদেশে ৫৫.১৩%, উত্তরপ্রদেশে ৬২.২৮%, পশ্চিমবঙ্গে ৭৩.৯৩% এবং গুজরাটে ৫৫.২২% ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। 

    উল্লেখ্য বড় বড় রাজ্যগুলিতে যেখানে ভোটের (Lok Sabha Election 2024) হার অত্যধিক পরিমাণে কম, সেখানে কার্যত উলটো পথে হাঁটছে বাংলা। প্রথম তিন দফাতেই অসম ও গোয়ার পর বাংলায় ভোটের হার অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে। পাশাপাশি মহিলা ভোটারের হারও পুরুষদের তুলনায় বেশি। 

    কোন দফায় কত ভোট পড়ল? 

    প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা তথ্য অনুযায়ী, ৬১.৪৫% ভোট পড়েছে তৃতীয় পর্বে। ২০১৯ সালে যে পরিসংখ্যান ছিল ৬৭.৩৩ শতাংশ। এবারের প্রথম দফার নির্বাচনে ১০২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024) হয়। ভোটের হার ছিল ৬৬.১৪%। আর দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ভোটের হার ছিল ৬৬.৭১%।

    আরও পড়ুন: নির্বিঘ্নেই সাঙ্গ তৃতীয় দফার ভোট, তৃণমূলের গা-জোয়ারি দেখল বাংলা

    সব মিলিয়ে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) ১১ কোটির বেশি ভোটার দেশের ১ হাজার ৩৫১ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করেছে। এবার ভারতের ৫৪৩ আসনে নির্বাচন হবে সাত ধাপে। চলবে প্রায় দুই মাস ধরে। শুরু হয়েছে ১৯ এপ্রিল। শেষ হবে ১ জুন। ৪ জুন ভোটের ফল ঘোষণা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jangipur: “রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    Jangipur: “রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের শেষে রক্ত ঝরল জঙ্গিপুর (Jangipur) লোকসভা এলাকায়। বিজেপি কর্মীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে জঙ্গিপুরের গণকর এলাকার। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি প্রার্থী ধনঞ্জয় ঘোষ হামলাকারী তৃণমূলীদের গ্রেফতারের দাবিতে রঘুনাথগঞ্জের দাদা ঠাকুর মোড়ে রাস্তা অবরোধ করেন। সেই অবরোধে পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে।

    বিজেপি কর্মীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটায় তৃণমূল (Jangipur)

    মঙ্গলবার সকালে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পর পরই ধনঞ্জয় ঘোষের ওপর হামলা করার অভিযোগ উঠে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তৃণমূল নেতা বুথের মধ্যে দাঁড়িয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন। বিজেপি প্রার্থী তাঁর প্রতিবাদ করলে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। এই ঘটনার পর জঙ্গিপুর (Jangipur) লোকসভার একাধিক এলাকা থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোট করার অভিযোগ উঠেছে। বিরোধী এজেন্টদের মারধরের অভিযোগ রয়েছে একাধিক জায়গায়। জানা গিয়েছে, জঙ্গিপুরের গণকর ২৬৮ নম্বর বুথে বিজেপি এজেন্টকে মারধর করে বের করে দেয় তৃণমূলের লোকজন। চোখের সামনে দলীয় এজেন্টকে মারতে দেখেই বিজেপি কর্মী অশোক কর্মকার বুথের মধ্যেই ছুটে যান। বিজেপি কর্মী অশোকবাবু বলেন, আমার অপরাধ আমার দলের এজেন্টকে আমি বাঁচাতে গেছি। এরপরে ওরা বুথ থেকে আমাকে তাড়া করে। রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেঠায়। মেরে আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়। তৃণমূল বুথে ভোট লুট করেছে। আমরা নেতৃত্বকে জানিয়েছি।

    পুলিশ বিজেপির অবরোধে লাঠিচার্জ করে

    বিজেপি প্রার্থী (Jangipur) ধনঞ্জয় ঘোষ বলেন, পুলিশ দলদাস হিসেবে কাজ করছে। বুথের মধ্যেই আমাদের দলের এজেন্টকে মেরে বের করে দিয়েছে। দলীয় কর্মীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। তার প্রতিবাদে আমরা রাস্তা অবরোধ করে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাই।  পুলিশ আমাদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। বিষয়টি কমিশনে জানিয়েছি। এই ধরনের অন্যায় মেনে নেয়া যায় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share