Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ০১/০৫/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ০১/০৫/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আপনার জন্য অত্যন্ত ফলদায়ক হবে। 

    ২) জীবনে বড় সুখ আসতে পারে।

    ৩) কোনও নতুন সম্পত্তি অর্জনের ইচ্ছাও পূরণ হবে।

    বৃষ

    ১) দিনটি আপনার জন্য কিছু চ্যালেঞ্জ বয়ে আনবে।

    ২) নিজের কর্মক্ষেত্রেও কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারেন, যার মোকাবিলা আপনি সাহসের সঙ্গে করতে পারবেন।

    ৩) গয়না এবং জামাকাপড় ইত্যাদি কিনতে যান, তাহলে আয়ের কথা মাথায় রেখে তবেই ব্যয় করা ভাল হবে।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) নিজের কাজকর্মের প্রতি সতর্ক থাকুন।

    ৩) ব্যক্তিগত জীবনে অনিশ্চিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি আশাজনক।

    ২) কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ জরুরি।

    ৩) পরিশ্রমের ফল পাবেন। 

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি কষ্টজনক।

    ২) সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে।

    ৩) স্বাস্থ্যের অযত্ন করলে সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি ভালো কাটবে।

    ২) কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) নিজের কাজে অতি উৎসাহী হবেন।

    তুলা

    ১) কাজে একাধিক বাধা মোকাবিলা করতে হবে।

    ২) কেউ আপনার ওপর সন্দেহ করতে পারে।

    ৩) একাধিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি চ্যালেঞ্জে ভরপুর। 

    ২) কাজে হতাশার শিকার হবেন।

    ৩) যে কোনও পরিস্থিতি ধৈর্য ধরে থাকতে হবে।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি আশাজনক।

    ২) সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) প্রচেষ্টার ভালো ফল পাবেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত আশাজনক। 

    ২) লক্ষ্য লাভের জন্য পরিশ্রম বৃদ্ধি করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) মনে মনে শান্তি লাভ করবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত কঠিন।

    ২) কাজকর্মে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন।

    ৩) কাজে সতর্ক থাকুন, কোনও ভুল করবেন না। 

    মীন

    ১) আজকের দিনটি চ্যালেঞ্জে ভরপুর।

    ২) কষ্টকর দিন।

    ৩) আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

     

     

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Covishield Vaccine: কোভিশিল্ড পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া! করোনাকালে টিকা নিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদের কতটা বিপদ?

    Covishield Vaccine: কোভিশিল্ড পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া! করোনাকালে টিকা নিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদের কতটা বিপদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার ছোবল থেকে বিশ্ববাসীকে বাঁচাতে তৈরি করা হয়েছিল কোভিড প্রতিরোধী টিকা। অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা যৌথভাবে ওই টিকা তৈরি করেছিলেন। ভারতে কোভিশিল্ড (Covishield Vaccine) নামের এই টিকা তৈরি করেছিল সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া। প্রচুর মানুষ এই টিকা নিয়েছিলেন।

    বিরল রোগের শিকার হতে পারেন!

    তবে এখন জানা গেল, যাঁরা কোভিশিল্ড নিয়েছেন, তাঁরা শিকার হতে পারেন বিরল রোগ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোমের। জানা গিয়েছে, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে সচরাচর যেসব জায়গায় রক্ত জমাট বাঁধে না, সেখানেও রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। রক্তে প্লেটলেট কমে যাবে অস্বাভাবিক হারে। যার জেরে ঘনিয়ে আসবে বিপদ। গবেষণায় জানা গিয়েছে, রক্ত জমাট (Covishield Vaccine) বাঁধার নেপথ্যে যে প্রোটিন কাজ করে, তার বিরুদ্ধেও অ্যান্টিবডি গড়ে তোলে। তার জেরে কাবু হয়ে পড়েন রোগীরা। চিকিৎসকদের মতে, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির মারাত্মক মাথার যন্ত্রণা, পেটে ব্যথা, পা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্টের সমস্যা, খিঁচুনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রসঙ্গত, অ্যাজট্রাজেনেকার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একটি মামলার প্রেক্ষিতে আদালতে কোভিশিল্ডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে এই ঝুঁকির কথা কবুল করেছে সংস্থা। ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক্সের অধ্যাপক অ্যাডাম ফিন এনওয়াই বলেন, “ব্রিটেনে এখনও পর্যন্ত এই ভ্যাকসিনের প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডোজ দেওয়া হয়েছে। রক্ত জমাট বাঁধার কারণে মারা গিয়েছেন ৪০ জন। এঁরা প্রত্যেকেই এই টিকা নিয়েছিলেন।”

    আরও পড়ুুন: তৃতীয় দফায় কী প্রচার করবেন, কৌশল বাতলে এনডিএ প্রার্থীদের চিঠি মোদির

    করোনাকালে কোভিশিল্ড টিকা নিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদের বিপদ কতটা?

    ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, ভারতে কোভিশিল্ড টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে ১৬০ কোটি। অ্যাস্ট্রাজেনেকা আদালতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা মেনে নেওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে ভারতেও। তবে চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত টিকা নেওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ভারতে টিকা দেওয়া হয়েছিল দু’বছর আগে। তাই ভারতীয়দের ভীত হওয়ার কোনও কারণ নেই। নিউরোলজিস্ট সুধীর কুমার বলেন, “টিকা নেওয়ার ১ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাই ভারতে যাঁরা দু’বছর আগে টিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই (Covishield Vaccine)।” ন্যাশনাল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের কো-চেয়ারম্যান রাজীব জয়দেবন বলেন, ‘‘প্রথম ডোজ নেওয়ার পর প্রথম মাসেই এই বিশেষ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তার পর আর হয় না।’’ তিনি জানান, ১৯২৪ সালে প্রথম এই রোগে আক্রান্ত এক রোগীর সন্ধান মেলে। বছর ষোলোর মেয়েটির নাম ইলি মস্কোকুইটজ। গত চার দশক ধরে এই রোগ সম্পর্কে পড়ানো হচ্ছে চিকিৎসাবিজ্ঞানের পড়ুয়াদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: তৃতীয় দফায় কী প্রচার করবেন, কৌশল বাতলে এনডিএ প্রার্থীদের চিঠি মোদির

    PM Modi: তৃতীয় দফায় কী প্রচার করবেন, কৌশল বাতলে এনডিএ প্রার্থীদের চিঠি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭ মে তৃতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন। তার আগে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ প্রার্থীদের চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাতে তাঁদের বলা হয়েছে, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে এসসি, এসটি এবং ওবিসিদের জন্য সংরক্ষণ কেড়ে নিয়ে তুলে দেবে তাদের ভোটব্যাঙ্কের হাতে। এই মর্মে ভোটারদের সচেতন করতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে। 

    সাত দফায় নির্বাচন (PM Modi)

    এবার সাত দফায় হবে লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে দুটি দফার ভোট। তৃতীয় দফার নির্বাচন ৭ তারিখে। এই দফায় ভাগ্য নির্ধারিত হবে এনডিএর ৯৪ জন প্রার্থীর। তাঁদের জয় নিশ্চিত করতেই প্রচারের কৌশল উল্লেখ করে ‘সঞ্জীবনী’-পত্র দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    মোদির নিশানায় ‘ইন্ডি’ জোট

    কংগ্রেস এবং ‘ইন্ডি’ জোটের (বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট) শরিকরা যে বিভাজন ও স্বেচ্ছাচারী নীতি-আদর্শের পথ নিচ্ছে, তার বিরুদ্ধে জোরলো আওয়াজ তুলতে হবে বলেও চিঠিতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘ওরা ওদের মুসলিম তোষণের ভোটব্যাঙ্ক নিয়ে ব্যস্ত। ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ অসাংবিধানিক। ওরা মানুষের কষ্টার্জিত রোজগারের অর্থ ছিনিয়ে নিয়ে ওদের ভোটব্যাঙ্কের খাতায় জমা করতে চাইছে। ওদের বিপজ্জনক ভাবনার বিরুদ্ধে দেশের মানুষকে একত্রিত করতে হবে।’

    চিঠিতে কংগ্রেসকেও নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “পাঁচ ছ’দশক ধরে এই দেশ ও আমাদের পূর্বসূরীরা যে দুর্ভোগ সহ্য করেছেন, সেখান থেকে মুক্তি ও শান্তি ফিরিয়ে দেওয়াই আমাদের কাজ। গত দশ বছরে ভারত অনেক সমস্যার সম্মুখীন হলেও, ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে এসেছি আমরা।”

    আরও পড়ুুন: “বিজেপি কর্মীর খুনিদের পাতাল থেকে বের করে শাস্তি দেব”, বললেন অমিত শাহ

    প্রধানমন্ত্রীর চিঠি যাঁরা পেয়েছেন, তাঁদেরই একজন গুজরাটের পোরবন্দরের বিজেপি প্রার্থী তথা বিদায়ী কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য মনসুখ মাণ্ডব্য। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সেই চিঠির প্রতিলিপি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন তিনি। তাতে দেখা যাচ্ছে, মেরি সাথি কার্যকর্তা সম্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ওরা মুসলমানদের সংরক্ষণ চালু করতে হকের ভাগ ছিনিয়ে নিতে চাইছে এসসি, এসটি এবং অনগ্রসর শ্রেণির। আপনারা এটাই প্রচার করুন (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Howrah: “বিজেপিকে ভোট দিলে জলের লাইন কেটে দেওয়া হবে”, হুমকি তৃণমূল বিধায়কের

    Howrah: “বিজেপিকে ভোট দিলে জলের লাইন কেটে দেওয়া হবে”, হুমকি তৃণমূল বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর হাওড়ার (Howrah) সালকিয়া অবাঙালি অধ্যুষিত বহুতল বাড়িগুলির বাসিন্দাদের মধ্যে বিজেপির প্রভাব রয়েছে। হাওড়া পুরসভা কিংবা বিধানসভা নির্বাচনের ভোটের ফলাফলেও সেটা প্রতিফলিত হয়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনেও হাওড়া উত্তর বিধানসভা এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার ভোটে এগিয়েছিল বিজেপি। তাই এ বার ওই ভোটকে নিজেদের দিকে টানতে তৎপর তৃণমূল। উত্তর হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    বিজেপিকে ভোট দিলেই জলের লাইন কেটে দেওয়া হবে (Howrah)

    দলীয় প্রার্থীর হয়ে গোলাবাড়ি (Howrah) থানার কাছে একটি আবাসনের কাছে তিনি ভোটের প্রচারে গিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরী। ওই আবাসনের ভোটার সংখ্যা প্রায় ন’শো। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওয় (যার সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) এক জনকে উদ্দেশ্য করে বিধায়ক বলেন, ওই আবাসনের বাসিন্দারা যেন ভোটের দিন বাড়ি থেকে না বের হন। আর যদি বের হন, তা হলে আমি বুঝে যাব কাকে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। তারপর তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি বিজেপিকে ভোট দেওয়া হয় তা হলে জলের লাইন কেটে দেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির রাজ্য সম্পাদক উমেশ রাই বলেন, “যেখানে নির্বাচন কমিশন কোটি কোটি টাকা খরচ করছে নির্বাচনের জন্য, মানুষকে নির্ভয়ে ভোট দিতে আবেদন করছে। সেখানে এক জন জনপ্রতিনিধি কী ভাবে মানুষকে ভোট না দিতে বলেন? তিনি কী ভাবে বলতে পারেন যে, বিজেপিকে ভোট দিলে জলের লাইন কেটে দেওয়া হবে?” আমরা এই বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করছি। আর তৃণমূল বিধায়ক (Howrah) গৌতম চৌধুরী বলেন, আমি ওই এলাকায় প্রচারে গিয়েছিলাম ঠিকই। তবে, এমন হুমকি আমি দিইনি। এরপরই তিনি বলেন, “পাঁচ বছর প্রত্যেক দিন, চব্বিশ ঘণ্টা আমি মানুষের পাশে থাকি। আমরা জল দিই, রাস্তা তৈরি করি। মানুষকে নিরাপত্তা দিই। তা হলে মানুষ কেন আমাদের ভোট দেবেন না?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: টানা তাপপ্রবাহে জ্বলছে বাংলা, কেন এবছর উধাও হল কালবৈশাখী?

    Weather Update: টানা তাপপ্রবাহে জ্বলছে বাংলা, কেন এবছর উধাও হল কালবৈশাখী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপমাত্রা (Weather Update) সব রেকর্ড তছনছ করে দিচ্ছে চলতি বছর। মঙ্গলবার কলকাতা স্পর্শ করল রেকর্ড তাপমাত্রা। কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছল ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর  গতকাল দুপুরে কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৪৪ বছর পরে এপ্রিলে এই জায়গায় পৌঁছেছিল পারদ। আজ তার থেকেও প্রায় ২ ডিগ্রি উঠে তৈরি হল এপ্রিলে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড। ১৯৮০ সালে এপ্রিলে শেষবার কলকাতার পারদ ছুঁয়েছিল ৪১.৭ ডিগ্রি। আগামী ৫ দিন তাপমাত্রার তেমন কোনও হেরফের হবে না। দেখা নেই কালবৈশাখীরও (Kalbaisakhi)। চৈত্র পার হয়ে বৈশাখের মাঝামাঝি হয়ে গেল। চলতি বছরে একদিনও ঝড়বৃষ্টি হয়নি।

    কোথায় কালবৈশাখী 

    ২০২৪ সালের মার্চ-এপ্রিল মিলিয়ে একটা কালবৈশাখীও হয়নি। পুনের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল মেটিওরোলজি (আইআইটিএম)-র তথ্য অনুযায়ী কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে মার্চ-এপ্রিল মিলিয়ে অন্তত ছ’টি এবং মে মাসে আরও ছ’টি — মোট ১২টি কালবৈশাখী হত। গত বছরও মে-র কলকাতা কালবৈশাখী (Kalbaisakhi) পেয়েছে পাঁচটি। এ ছাড়া ছ’সাত দিন ঝড়বৃষ্টি হয়। কিন্তু এবার অন্য চিত্র। মৌসম ভবনের হিসাব বলছে, এপ্রিলের কলকাতায় গড়ে অন্তত তিন দিন বৃষ্টি হয়। গড় বৃষ্টির পরিমাণ থাকে ৫৫ মিলিমিটার। তুলনায় এ বছরের এপ্রিলের হিসাব চমকে দেওয়ার মতো। কালবৈশাখী হয়নি। ছোটখাটো ঝড় হয়নি। বজ্রগর্ভ মেঘের দেখা নেই। ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হয়েছিল ৭, ৮ এবং ১১ এপ্রিল। এর মধ্যে ৭ তারিখই মাপার মতো। ০.৫ মিলিমিটার। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ৮ এবং ১১ তারিখ শুধু বোঝা গিয়েছে যে, বৃষ্টি হয়েছে। তার পর থেকে আর বৃষ্টির মুখ দেখেনি কলকাতা। ১১ তারিখের পর থেকে মঙ্গলবার ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত শুধুই গরম আর তাপপ্রবাহ। প্রতিদিন ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার নতুন নতুন রেকর্ড ভাঙছে কলকাতা।

    কেন হল না, লু-এর প্রভাব

    মৌসম ভবনের পূর্বাঞ্চলীয় শাখার উপ-মহাধ্যক্ষ সোমনাথ দত্ত বলেন, ‘উত্তর গোলার্ধে সমুদ্র থেকে বাতাস যখন কোনও দেশের মূল ভূখণ্ডে ঢোকে, তখন অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ়, অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটার উল্টো ভাবে ঘুরতে শুরু করে। বঙ্গোপসাগরের যে হাওয়া দক্ষিণবঙ্গ দিয়ে ঢোকে, সেটা বাঁ দিকে বেঁকে ওড়িশার দিকে চলে যায়। তাই বাংলার পাশাপাশি ওড়িশাও কালবৈশাখীর (Kalbaisakhi) দিকে তাকিয়ে থাকে। ঝড় শুরু হলে, হাওয়া পাশাপাশি পাক খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে মাটির এক কিলোমিটার উপর থেকে কনকনে ঠান্ডা হাওয়াও গোঁত্তা খেয়ে অতি দ্রুত নীচে নামতে থাকে। এর ফলে অনেকটা জায়গার তাপমাত্রা কয়েক মিনিটের মধ্যে ১২-১৫ ডিগ্রি পর্যন্ত কমে যায়। অনেক সময়ে শিলাবৃষ্টিও হয়।’ কিন্তু গত ক’বছরে লু-এর প্রভাবে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার উপর পর্যন্ত বাতাসের স্তর এতটাই গরম হয়ে উঠছে যে সেই উচ্চতায় মেঘ তৈরি হতে পারছে না বলেই বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ। সমুদ্রের বাতাসের জোর করে ঢোকার মতো শক্তি অর্জন করতে অতিরিক্ত প্রায় দু’মাস সময় লেগে যাচ্ছে। তাই মার্চ-এপ্রিলে ঝড়বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত কমে সবটাই মে-নির্ভর হয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    জলীয় বাষ্পের অভাব

    আবহবিদদের (Weather Update) কথায়, জলীয় বাষ্পের অভাবের কারণে এবার কালবৈশাখীর (Kalbaisakhi) দেখা নেই। জলীয় বাষ্পের পরিমাণ অর্থাৎ বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭০-৮০ শতাংশের কাছাকাছি হলে তখন বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে তা বিক্ষিপ্তভাবে হবে। এই মুহূর্তে বায়ুমণ্ডলে দক্ষিণবঙ্গ-সহ ঝাড়খণ্ড, সমগ্র মালভূমি অঞ্চলে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ২০ থেকে ৪০ শতাংশের কাছাকাছি। আবহবিদরা বলছেন, শহরাঞ্চলে গাছ, জলাশয় তো শেষ! গ্রামেও এক ছবি। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট হচ্ছে। গাছ কাটা পড়ছে, বোজানো হচ্ছে পুকুর। জলাশয় ধ্বংসের পাশাপাশি বনাঞ্চলও কমছে। উল্টে বাড়ছে কংক্রিটের জঙ্গল। জল-বনাঞ্চলের পরিমাণ না বাড়ানো হলে এই সমস্যা থেকে নিস্তার নেই। মে-এর ৫-৬ তারিখ এর আগে বৃষ্টি হবে না বলেই মত আবহবিদদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Agnimitra Paul: বসিরহাটের কায়দায় এবার দাঁতনে অগ্নিমিত্রাকে প্রচারে বাধা তৃণমূলের!

    Agnimitra Paul: বসিরহাটের কায়দায় এবার দাঁতনে অগ্নিমিত্রাকে প্রচারে বাধা তৃণমূলের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমে রেখা পাত্র। তার পর অগ্নিমিত্রা পল (Agnimitra Paul)। বিজেপি প্রার্থীকে প্রচারে বাধা দেওয়া কি তৃণমূলের (TMC) রণকৌশল। উঠছে প্রশ্ন। দুটি প্রচারে বাধা দেওয়ার ধরণে মিল রয়েছে। তিনি বলেছেন, “চোরের দল বাধা দিয়েছে, মহিলাদের শিখিয়ে পড়িয়ে এগিয়ে দিয়ে পিছনে থাকছেন তৃণমূল নেতারা।”

    গাড়ি ঘিরে ধরে তৃণমূল কর্মীরা (Agnimitra Paul)

    ভোটের প্রচারে ফের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল মেদিনীপুর লোকসভার বিজেপি (BJP) প্রার্থী অগ্নিমিত্র পল-কে। মঙ্গলবার দাঁতনে ভোটের প্রচারে এসেছিলেন অগ্নিমিত্রা (Agnimitra Paul)। স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে জনসংযোগ করছিলেন তিনি। আচমকাই তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে তৃণমূল (TMC) কর্মী সমর্থকরা। তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হয়। ওঠে গো ব্যাক স্লোগান। এমনকি অপশব্দ বলতেও শোনা গেছে কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, “হুডখোলা গাড়িতে প্রচার করতে এসেছিলেন অগ্রিমিত্রা (Agnimitra Paul )। দাঁতনের কুসমি এলাকায় তাঁর গাড়ি পৌঁছতেই অগ্নিমিত্রাকে ঘিরে ধরে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। মহিলাদের এগিয়ে দেওয়া হয় গাড়ির সামনে। তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হয়। এবং কয়েকজন মহিলা স্লোগান দিতে শুরু করেন। দেওয়া হয় গো ব্যাক স্লোগানও। তাঁর গাড়ি আটকে রাখার চেষ্টা করে কার্যত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তৃণমূলীরা।

    আরও পড়ুনঃ “বিজেপি কর্মীর খুনিদের পাতাল থেকে বের করে শাস্তি দেব”, বললেন অমিত শাহ

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা পল?

    এ বিষয়ে অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul ) বলেন, “ওদের দলের চুরি যাতে জনমানসে না বেরিয়ে যায় তাঁর জন্য একদিকে সুপ্রিম কোর্ট দৌড়াচ্ছেন অন্যদিকে আমাদের প্রচারে বাধা দিচ্ছেন। রাজ্যে সব জায়গায় দুষ্কৃতীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। যারা এতদিন চুরি করেছে তাদের আজ অসুবিধা হচ্ছে বলে বিজেপি প্রার্থীকে কালো পতাকা দেখাচ্ছে। গ্রামের মানুষ কেউ বেরিয়ে আসেনি, জনাকয়েক চোর বেরিয়ে এসেছে।” প্রসঙ্গত অগ্রিমিত্রা স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল নেতার নাম উল্লেখ করে দাবি করেন, “দলের কয়েকজন কর্মী ছাড়া ওদের পাশে কেউ নেই। এই সমস্ত তৃণমূল নেতারা চুরির সঙ্গে যুক্ত। এরপর জনগণ ওদের কাছ থেকে চাকরির জন্য দেওয়া টাকা ফেরত চাইবে।” হুঁশিয়ারী দিয়েছেন মেদিনীপুরের বিজেপি প্রার্থী (Agnimitra Paul )। প্রসঙ্গত এদিন সকালেই বসিরহাটে (Basirhat) একই কায়দায় রেখা পাত্রকে (Rekha Patra) ঘিরে ধরে কয়েকজন মহিলা তৃণমূল কর্মী সমর্থক। রেখাকে আটকে ঘেরাও করা মহিলাদের পেছনে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। এদিন দাঁতনেও দেখা গেল একই ছবি। সামনে মহিলা তৃণমূল কর্মী সমর্থক পিছনে দাঁড়িয়ে পুরুষরা। প্রচারে বাঁধার জেরে দলীয় প্রার্থীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir weather: লাগাতার তুষারপাতে যেন ধ্বংসপুরী ভূ-স্বর্গ! বন্ধ হল স্কুল, জাতীয় সড়ক

    Jammu and Kashmir weather: লাগাতার তুষারপাতে যেন ধ্বংসপুরী ভূ-স্বর্গ! বন্ধ হল স্কুল, জাতীয় সড়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সত্যিই বৈচিত্র্যময় দেশ। এদিকে যখন ৪৩ ডিগ্রি তাপমাত্রায় বাংলায় নাজেহাল পরিস্থিতি, ঠিক তখনই  দেশের উত্তরের চেহারাটা একদম বিপরীত। টানা বৃষ্টি চলছে জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir weather)। সঙ্গে তুষারপাত। তার জেরে সোমবার কাশ্মীরের (kashmir) সোনমার্গে নেমেছে বরফধস। বরফে ঢেকে রয়েছে গুলমার্গও। অন্যদিকে ভারী বৃষ্টির (Heavy rainfall) কারণে জম্মু এবং কাশ্মীরের বিভিন্ন অংশে নেমেছে ধস। ধসের কারণে সোমবার বন্ধ হয়ে যায় জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়ক। জাতীয় সড়ক বন্ধ থাকায় বিপাকে বহু মানুষ। এক কথায় ভূ-স্বর্গের চিত্র ধ্বংসপুরীর চেহারা নিয়েছে।

    সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে বন্ধ স্কুল (Jammu and Kashmir weather)

    বেশ কিছু দিন ধরেই পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত হচ্ছে। কোথাও ভারী, কোথাও আবার হালকা তুষারপাত হচ্ছে। বেশ কিছু জায়গায় ধসও (landslides) নেমেছে। তুষারপাতের মধ্যেই আবার ভারী বৃষ্টি জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতিকে আরও সঙ্কটময় করে তুলেছে। যার জেরে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে কাশ্মীর উপত্যকা (Jammu and Kashmir weather) এবং রিয়াসি জেলায় সমস্ত স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    জলমগ্ন বহু এলাকা

    সিলু কুপওয়ারায় পোহরু নালা বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। এই নালা উপচে পড়ায় সিলু কুপওয়ারার (Jammu and Kashmir weather) বহু গ্রামে জল ঢুকেছে। ইতিমধ্যেই জলের তলায় চলে গিয়েছে কুপওয়ারা হাইওয়ের (kupwara national highway) একাংশ। প্রশাসন সূত্রে খবর জলস্তর বাড়তে থাকায় ৩৩৬টি পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ২ মহিলা সহ ৭ মাওবাদী

    ত্রাণ শিবিরে ঠাঁই শয়ে শয়ে কাশ্মীরির

    কাশ্মীরি ভূমিধস, তুষারধসে ভেঙে পড়েছে বহু ঘরবাড়ি। ফলে সর্বস্ব খুইয়ে সর্বশান্ত হয়েছেন শয়ে শয়ে মানুষ। ফলে বর্তমানে তাঁদের ঠাঁই হয়েছে ত্রাণ শিবিরে (Relife camp)। জানা যাচ্ছে, জম্মু কাশ্মীরের দোদা, রিয়াসি, কিশতওয়াড় এবং রামবান জেলায় সব চেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হড়পা বানে (Harpa Ban) ভেসে গিয়ে ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে এখনও পর্যন্ত ২ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। বিগত কয়েকদিনে উপত্যকার বিপর্যয় ১২ জন শিশু সহ মোট ২২ জনের প্রাণ কেড়েছে বলে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: সরকারি লঞ্চে চড়ে দলীয় মিটিংয়ে গেলেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    South 24 Parganas: সরকারি লঞ্চে চড়ে দলীয় মিটিংয়ে গেলেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের বিতর্কে জড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা সহ তৃণমূল নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার গোসাবা বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে সাংগঠনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। গোসাবা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় সেই বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা মন্দিরবাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার এবং গোসাবা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য নেতৃত্বরা।

    সরকারি লঞ্চে তৃণমূলের মিটিংয়ে যোগ দিতে আসেন দুই বিধায়ক (South 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোসাবা (South 24 Parganas) বিডিও-র লঞ্চে করে দলীয় মিটিংয়ে যোগ দিতে আসেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা এবং মন্দির বাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার। আর এই ঘটনার সামনে আসতে সুর চরিয়েছে বিরোধীরা। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ , নির্বাচন বিধি লাগু হওয়ার পর কিভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় মিটিংয়ে বিডিও লঞ্চ ব্যবহার করে দুই বিধায়ক তাদের দলীয় মিটিংয়ে আসে। নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে তারা সরকারি লঞ্চ ব্যবহার করছে এমনটাই অভিযোগ করছে বিজেপি। তবে, এই ঘটনায় গোসাবা বিডিও বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।

    আরও পড়ুন: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তবে,এ বিষয়ে নির্বাচন বিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে নির্বাচন আধিকারিকের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে চলেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা বিকাশ সর্দার বলেন, এখন বিভিন্ন বিডিও অফিস, ডিএম অফিস, থানা থেকে ওপরে সমস্ত সরকারি দফতরগুলি শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে। তারা ভুলেই গেছে এখন নির্বাচন আচরণবিধি কার্যকরী হয়ে গিয়েছে। তারপরেও কীভাবে বিডিও অফিসের লঞ্চ নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে যেতে পারে?এই বিষয় নিয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করব। পাশাপাশি এই বিষয় নিয়ে মন্দির বাজারের বিধায়ক তথা সুন্দরবন সংগঠনিক জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জয়দেব হালদার বলেন, এমন কোনও ঘটনায় ঘটেনি। আমরা ব্যক্তিগতভাবে লঞ্চ ভাড়া করে নিয়ে প্রচার কর্মসূচিতে যাই। বিরোধী শিবির ও বিজেপির কোনও ইস্যু নেই, তাই এই ধরনের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তারা সংবাদমাধ্যমে প্রচারে আসতে চাইছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura Weather: বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা হাফসেঞ্চুরির পথে, আবহাওয়া দফতর জারি করল হাই-অ্যালার্ট

    Bankura Weather: বাঁকুড়ায় তাপমাত্রা হাফসেঞ্চুরির পথে, আবহাওয়া দফতর জারি করল হাই-অ্যালার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমের ঝোড়ো ব্যাটিং অব্যাহত। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে লাল মাটির দেশের অবস্থা আরও বেহাল। বাঁকুড়ার (Bankura Weather) তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি পার করেছে ইতিমধ্যেই। সকাল থেকেই হুহু করে বেড়েছে পারদ। বর্ষার কোনও খবর নেই আগামী সাতদিনে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই হাল থাকলে আগামী দিনে ঘরেও টেকা দায় হয়ে উঠবে। এমতাবস্থায় বাঁকুড়ার বিভিন্ন জায়গায় মাইক প্রচার চালাচ্ছে পুলিশ। তাঁদের তরফ থেকে রাস্তার বিভিন্ন মোড়ে খোলা হয়েছে জলছত্র।

    ১০টা থেকে ৪টে পর্যন্ত রাস্তায় না বের হওয়ার পরামর্শ (Bankura Weather)

    বাঁকুড়ায় (Bankura Weather) এমনিতেই গরমে নাজেহাল মানুষ। তার উপর এদিন সকাল থেকেই এতটাই রোদের তেজ যে বাইরে বের হলেই মুখ হাত পুড়ে যাওয়ার মতন অবস্থা। গরম হলকায় চোখ মুখ পুড়ে যাওয়ার মতন অবস্থা। বাইরে বেরোলেই নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা অনুভব করেছেন বহু মানুষ। বাইরে বেরিয়ে অসুস্থ বোধ করেছেন অনেকে। পুলিশের তরফ থেকে জেলা জুড়ে জারি করা হয়েছে হাই এলার্ট। মাইকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত রাস্তায় মানুষকে না বের হতে অনুরোধ করা হচ্ছে। আরও জানা গেছে গরমে বাঁকুড়ার বিভিন্ন জঙ্গলে আগুন লাগার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বসন্ত থেকে মনসুনের আগে পর্যন্ত বাঁকুড়ার জঙ্গলে গাছের পাতা পড়া অব্যাহত থাকতে। শুকনো পাতায় আগুন লেগেছে দেখলেই দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে অনুরোধ করা হচ্ছে পুলিশের তরফ থেকে। জঙ্গলে গিয়ে বিড়ি সিগারেট খেতে নিষেধ করা হচ্ছে স্থানীয় মানুষকে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    বিষ্ণুপুরের (Bankura Weather) এসডিও সুপ্রকাশ দাস বলেছেন, “প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে কেউ যেতে না বের হন তাঁর জন্য সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে। বিভিন্ন থানার পক্ষ থেকে জলছত্র খুলতে বলা হয়েছে। যে সকল পুলিশ রাস্তায় ডিউটি করছেন তাঁদের ওআরএস ও জল সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে। ছাতা ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। গরমের সময় জঙ্গলে আগুন লাগার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এবারও কয়েকটি জায়গায় আগুন লক্ষ্য করা গেছে। সঙ্গে সঙ্গে নিভিয়ে ফেলা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Thumb Shapes: হাতের আঙুলের গঠন বলে দেবে আপনি কেমন! জানেন কীভাবে?

    Thumb Shapes: হাতের আঙুলের গঠন বলে দেবে আপনি কেমন! জানেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : প্রাচীন ভারতে  সমুদ্রশাস্ত্রের (Thumb Shapes) রচয়িতা ছিলেন সমুদ্র ঋষি। সমুদ্রশাস্ত্র অনেক পুরনো এক শাস্ত্র। এই শাস্ত্র অনুসারে একজন ব্যক্তির শরীরের অঙ্গগুলির গঠন অনেক গুরুত্বপূর্ণ গোপন তথ্য প্রকাশ করে। এই শাস্ত্র অনুসারে আঙুলের গঠন দেখে বলে দেওয়া যায় ব্যক্তিটি কেমন।

    আঙুল বলবে নানা তথ্য

    বুড়ো আঙুল লম্বা : যাদের বুড়ো আঙুল লম্বা হয় তারা বেশি মননশীল এবং আদর্শবাদী হন। এই ধরনের আঙ্গুলের লোকেরা সৃজনশীল এবং কল্পনাপ্রবণ কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকনে। এই ধরনের লোকেরা তাদের সমস্ত কাজ খুব নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করেন। এছাড়া শ্রম দানের চাইতে আরও স্মার্ট উপায়ে কাজ করতে পছন্দ করেন লম্বা আঙুলধারী লোকেরা।

    বুড়ো আঙুল ছোট: যাদের হাতের বুড়ো আঙুল ছোট, তারা খুব অন্যের সেবা প্রিয় হন। ছোট আঙুলের অধিকারীরা কঠোর পরিশ্রমের উপর নির্ভর করেন এবং খুব সাবধানে যে কোনও সিদ্ধান্ত নেন। শুধু তাই নয়, এই লোকেরা খুব ভালো করে জানেন কীভাবে অন্যের কাছ থেকে কাজ আদায় করতে হয়। তবে আচার-ব্যবহারের দিক থেকে এই মানুষগুলো একটু দুর্বল প্রকৃতির হন। এরা একটু বিলাস ব্যসনে থাকতে ভালোবাসেন। নিজের শখ পূরণের জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করতেও এদের বাধে না।

    বুড়ো আঙুল মোটা: যে সকল ব্যক্তির বুড়ো আঙুল মোটা হয় তারা অনেক বেশি কৃপণ হন। এই ধরনের ব্যক্তিরা অর্থ সঞ্চয় করতে পছন্দ করেন। এরা মুখের উপর কথা বলতে ভালোবাসেন। রাজনীতি এদের পছন্দের বিষয়।

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

     বুড়ো আঙুলের গাঁট লম্বা: যাদের বুড়ো আঙুলের উপরের গাঁটের পরের অংশ লম্বা হয় থাকে তারা খুব বুদ্ধিমান হয়। এই ধরনের মানুষদের পড়া-লেখার প্রতি অনেক আগ্রহ থাকে। এই লোকের যে কোনও সমস্যার একটি ভাল সমাধান খুঁজে বের করার ক্ষমতা থাকে। বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও এদের বেশি থাকে।

    বাঁকা বুড়ো আঙুল: বাঁকা বুড়ো আঙুলযুক্ত ব্যক্তিরা খোলা মনের এবং অপ্রচলিত সমাধানগুলি অন্বেষণ করতে ইচ্ছুক হন। এই আকারটি প্রায়শই সৃজনশীলতা, নমনীয়তা এবং অভিযোজনযোগ্যতার সাথে যুক্ত থাকে। 

    প্রশস্ত বুড়ো আঙুল: একটি প্রশস্ত বুড়ো আঙুল যুক্ত ব্যক্তিদের দৃঢ়চেতা, উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং অবিচল বলে মনে করা হয়। তারা নেতৃত্বের ভূমিকায় আকৃষ্ট হতে পারে এবং তাদের সিদ্ধান্তে আস্থা প্রদর্শন করা যেতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share