Tag: Madhyom

Madhyom

  • Suvendu Adhikari: হুগলির ভোটপ্রচারে টাটাকে এরাজ্যে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হুগলির ভোটপ্রচারে টাটাকে এরাজ্যে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Vote 2024) আবহের মধ্যেই বিরাট আশ্বাস বিরোধী দলনেতার। সরকার বদলের ডাক দিয়ে আগামী দিনে ফের টাটাকে (TATA) এ রাজ্যে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    ঠিক কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    সোমবার সন্ধ্যেয় হুগলির (Hooghly) ধনিয়াখালিতে লোকসভা ভোটের প্রচারে (Election campaign) একটি সভা করেন তিনি। সেই সভামঞ্চ থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “লোকসভা ভোটে বাংলা থেকে ৩৫টি আসন বিজেপি জিতলে, ২০২৬ সাল পর্যন্ত যেতে হবে না। কয়েক মাসের মধ্যেই সরকার বদলে যাবে। আমরা এমন এক সরকার উপহার দেব, যে সরকার টাটাকে ফিরিয়ে আনবে।”

    ২০০৮ সালে কারখানা নির্মাণের কাজ স্থগিত হয়

    প্রসঙ্গত, সিঙ্গুরে ন্যানো প্রকল্পের (Singur Nano Plant) জন্য ৯৯৭ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল তৎকালীন বাম সরকার। তার মধ্যে প্রায় ৪০০ একর জমির দাতা ছিলেন অনিচ্ছুক। যা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। এরপর ২০০৬ সালে ২৫ মে থেকে ৯৯৭ একর কৃষিজমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। পরবর্তীকালে ২০০৮ সালে সিঙ্গুরে কারখানা নির্মাণের কাজ স্থগিত করে টাটা মোটরস। তাই শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এবার হুগলিতে সরব হয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বাংলায় ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে সরকার বদলের ক্ষেত্রে অনুঘটকের মতো কাজ করেছিল সিঙ্গুর আন্দোলন। সিঙ্গুরের আমজনতাও টাটা গোষ্ঠী চলে যাওয়া নিয়ে দ্বিধা বিভক্ত। এসবের মধ্যেই এবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা প্রতিশ্রুতি দিলেন, বাংলায় বিজেপির (BJP Government) সরকার ক্ষমতায় এলে আবার টাটাকে এ রাজ্যে ফিরিয়ে আনবেন।

    আরও পড়ুনঃ “লাঠি, ইট দিয়ে হামলা চালায় তৃণমূল”, বললেন প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র

    হুগলি লোকসভা আসনে লকেট বনাম রচনা

    প্রসঙ্গত, এবার হুগলি লোকসভা আসনে (Hooghly Lok Sabha Seat) তারকাদের লড়াই। একদিকে বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায় অন্যদিকে তৃণমূলের রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও এর আগে ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে, হুগলি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের সাক্ষী হয়েছিল। সেবার এই আসনে বিজেপি প্রার্থী লকেট চ্যাটার্জি (Locket Chatterjee) ৭৩,৩৬২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। এবার এবারে তার প্রতিদ্বন্দ্বী রচনা। তাই লড়াইয়ের ময়দানে জয়ী হতে ভোট প্রচারে এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর সিঙ্গুরের মাটিতে টাটা ফিরবে কিনা সে জবাব ৪ জুন ভোটের ফল প্রকাশেই মিলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে জমি লুট করত শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মীজানুর”, বললেন সন্দেশখালির জমিহারারা

    Sandeshkhali: “আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে জমি লুট করত শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মীজানুর”, বললেন সন্দেশখালির জমিহারারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর করে জমি দখল করত শাহজাহান বাহিনী। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের পর এবার মুখ খুলছেন জমি হারারা। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ উত্তম, শিবু হাজরার পর এবার মীজানুর মোল্লা তান্ডব চালানোর  কথা বললন সন্দেশখালির বঞ্চিতরা। সিবিআই-এর কাজে ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন জমিহারারা।

    জমি লুট করত মীজানুর, তার ওপরে শাহজাহান (Sandeshkhali)

    ২৬ এপ্রিল সরবেড়িয়ায় (Sandeshkhali) শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আবু তালেব মোল্লার বাড়ির মাটি খুঁড়ে কার্যত অস্ত্র ভান্ডারের হদিশ পেয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। নেমেছিল এনএসজি কমান্ডো। উদ্ধার হয় একাধিক দেশি-বিদেশি অস্ত্র, বোমা। এই আবহের মধ্যেই আবার সিবিআই-এর কাছে অভিযোগ করলেন জমিহারারা। জমিহারাদের বক্তব্য, এই সব অস্ত্রের জোরেই দশ বছর আগে জমি দখল করেছিল শাহজাহানের সঙ্গী মীজানুররা। আনসার মোল্লা নামে এক জমিহারা বলেন, “ওদের অনেক দাপট। সব সময় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরে। কখন কোন সময় গুলি করে দেবে ঠিক নেই। কার কাছে কত আগ্নেয়াস্ত্র আছে হিসাব পাবে না। কোমরে গোঁজা থাকত মেশিন। মেশিন দেখিয়ে ওরা জমি দখল করত। অন্য এক জমিহারা বলেন, প্রশাসনকে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হলে আমাদের বলা হয়েছিল শেখ শাহজাহানকে জানাও। ওইখানে গেলে সব সমস্যা মিটে যাবে। আর শাহজাহানকে বললে বলত, ওই জমির কাগজ নেই, ওই জমি তোমাদের নয়। মীজানুরকে দায়িত্ব দেওয়া রয়েছে। ও যেটা করবে সেইটাই। জমির ধারে যাবে না। জমি লুট করত এখানে মীজানুর। আর তার ওপরে শেখ শাহজাহান। দিনের পর দিন জমি দখল হয়েছে। মানুষ বলতে গিয়ে মার খেয়েছে।

    আরও পড়ুন: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    কে এই মীজানুর মোল্লা?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) আগারহাটি পঞ্চায়েতের একসময় সদস্য ছিলেন মীজানুর মোল্লা। এদের মতো আরও অনেক মীজানুর প্রতিটি অঞ্চলে রয়েছে। বেড়মজুরে যদি শেখ শাহজাহানের ভাই শেখ সিরাজুদ্দিন হয়, সরবেড়িয়া অঞ্চলে জিয়াউদ্দিন মোল্লা, মীজানুর মোল্লারা হলেন শাহজাহানের জমি দখলের অন্যতম সাগরেদ। অভিযুক্ত মীজানুর বললেন, “আমরা কোনও দিন অস্ত্র চোখেই দেখিনি। এখন টিভিতে দেখছি। আর আমরা জমি লুট করার মতো লোক নই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Narendra Modi: “পাকিস্তানকে সবার আগে ফোনে জানিয়েছিলাম”, বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে বড় খোলসা মোদির

    PM Narendra Modi: “পাকিস্তানকে সবার আগে ফোনে জানিয়েছিলাম”, বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে বড় খোলসা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ময়দানে ফিরে এল বালাকোটের (Balakot Air Stikre) স্মৃতি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) কর্নাটকের নির্বাচনী প্রচারে বলেন, “বিশ্বের কাছে প্রকাশের আগেই পাকিস্তানকে ফোনে জানিয়েছি, মারার হলে সামনে থেকেই মারি।” পুলবামায় জঙ্গি হামলার পর পাক অধিকৃত কাশ্মীরে এয়ার স্ট্রাইক করেছিল ভারত। বিশ্বকে জানানোর আগে পাকিস্তানকে নিজেই টেলিফোনে এয়ার স্ট্রাইকের কথা জানিয়েছিলেন মোদি। 

    কী বললেন মোদি (PM Narendra Modi)?

    কর্নাটকের বগলাকোটের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) বলেন, “মোদি কাউকে পিছন থেকে মারে না। যদি মারার হয় সামনে থেকে মারে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News) এদিন বলেন আমি নিজেই সেনাবাহিনীকে বলেছিলাম সংবাদমাধ্যমকে জানাতে। গোটা বিষয়টি উপস্থাপন করতে। তার আগে পাকিস্তানকে আমি ফোনে জানাই, গতকাল রাতে যা হয়েছে তা আমরা ঘটিয়েছি। তাদের জানানোর পর আমরা সারা বিশ্বকে স্ট্রাইক (Balakot Air Strike) সম্পর্কে জানিয়েছিলাম।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “মোদি কখনই কোনও কিছু লুকোয় না। পিঠ পিছনে হামলা করে না। মোদির যা করার সব সামনে থেকে করে। যারা নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে তারা সাবধান হয়ে যাক। কারণ এটা নতুন ভারত। ঘরে ঢুকবেও মারবেও।”

    ২৫০ থেকে ৩০০ জঙ্গি মারা যায়

    প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের বায়ুসেনা (Indian Air Force) পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বালাকোটের (Balakot Air Strike) জয়েশ-ই-মহম্মদের (Jaish-E-Mohammad) জঙ্গি শিবিরে হামলা চালায়। ২৫০ থেকে ৩০০-র মত জঙ্গি এই হামলায় মারা গিয়েছিল। যদিও পাকিস্তান প্রথমে এই হামলার কথা স্বীকার করেনি। পরে অবশ্য চাপে পড়ে তারা ভারতের হামলার কথা স্বীকার করে। যদিও যত সংখ্যক জঙ্গি সেদিন মারা গিয়েছিল তা আজও স্বীকার করেনি পাকিস্তান। ভারতীয় বায়ুসেনা সেসময় জানিয়েছিল বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের ফলে জয়েশ-ই-মহম্মদের প্রশিক্ষণরত, প্রশিক্ষিত এবং সিনিয়র কামান্ডার র‍্যাঙ্কের অনেক জঙ্গিরা মারা গিয়েছিল। ওই জঙ্গি শিবিরের দায়িত্বে ছিল জয়েশ প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহারের শ্যালক মাওলানা ইউসুফ আজহার ওরফে ওস্তাদ ঘোরি। সে-ও ওই হামলায় মারা যায়। প্রসঙ্গত এই হামলায় ভারতের ১২টি মিরাজ ২০০০ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছিল। এই বিমানগুলিকে এস্কর্ট করে ভারতের সুখোই-৩০এমকেআই বিমান। মৌলানা ইউসুফ আজহার ও মাসুদ আজহার ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স আইসি-৮১৪ বিমান অপহরণকাণ্ডে অভিযুক্ত। বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের ঘটনায় মোদির (PM Narendra Modi) নেতৃত্বে পাকিস্তান যে ভয় পেয়েছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    আরও পড়ুনঃ হাতে অলঙ্কার পরে আর চিকিৎসা নয় ! নয়া নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    উদ্দেশ্য কী ছিল?

    বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের (Balakot Air Strike) উদ্দেশ্য ছিল, কোনও সাধারণ মানুষকে ক্ষতি না করে, শুধুমাত্র জঙ্গি শিবিরে হামলা করা। ভারত এর আগে এত বেশি সংখ্যায় বিমান বিদেশের মাটিতে এয়ার স্ট্রাইকের জন্য ব্যবহার করেনি। সফলভাবে এর স্ট্রাইক করার জন্য বায়ুসেনাকে ধন্যবাদ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। সেই সময় সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, বালাকোটে ঘন জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত ছিল জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির। এই এয়ার স্ট্রাইকের পর পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ওই জায়গা ঘিরে ফেলে এবং সাধারণ মানুষ কিংবা সাংবাদিক কাউকেই সেখানে প্রবেশ করার অধিকার দেয়নি। মাসখানেক পরে সব মেরামত করে সেখানে পছন্দের কয়েকজন সাংবাদিককে নিয়ে গিয়েছিল পাক সেনা। পরে ওই জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরকে স্কুল ও মাদ্রাসা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে পাকিস্তান। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL 2024: চার ম্যাচ সাসপেন্ড সাদিকু! ফাইনালে চিন্তায় মোহন শিবির, হাবাসের চোখ কাপে

    ISL 2024: চার ম্যাচ সাসপেন্ড সাদিকু! ফাইনালে চিন্তায় মোহন শিবির, হাবাসের চোখ কাপে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্মান্দো সাদিকু-কে ছাড়াই আইএসএল ফাইনালে (ISL 2024) দল গড়তে হবে আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস-কে। ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের প্রথম পর্বের দ্বৈরথে ৬৭ মিনিটে লাল কার্ড (দ্বিতীয় হলুদ) দেখেছিলেন সাদিকু। রবিবার ওড়িশার বিরুদ্ধে ফিরতি ম্যাচেও খেলেননি তিনি। সোমবার সাদিকু-কে চার ম্যাচ নির্বাসিত করল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। তাঁকে ছাড়াই ফাইনালে নামতে হবে মোহনবাগানকে।

    সাদিকুর অভাব

    চলতি আইএসএলে  (ISL 2024) দেখা গিয়েছে হাবাস প্রায়শই সাদিকুকে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামিয়ে বাজিমাত করেছেন। কখনও তিনি মনবীর সিং, কিংবা লিস্টন কোলাসোকে তুলে নামিয়েছেন আলবানিয়ার স্ট্রাইকারকে। সাদিকু না থাকায় তাই কিছুটা হলেও সমস্যায় পড়তে হবে হাবাসকে। অনেক সমর্থক আবার মনে করছেন, সাদিকু মোহনবাগানের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। তাঁকে সামনের মরশুমে আর রাখবে না দল কর্তৃপক্ষ। সাদিকু এবার বহু ম্যাচে গোল করে দলকে উদ্ধার করলেও তাঁর সার্বিক পারফরম্যান্স ভাল নয়। তাই কামিন্স ও দিমিত্রিকে রেখে দিলেও সাদিকু বাতিল হতে পারেন। 

    ফাইনাল প্রসঙ্গে 

    ওড়িশাকে হারিয়ে সরাসরি আইএসএল ফাইনালে (ISL 2024) উঠেছে সবুজ-মেরুন। মোহনবাগান লিগ শিল্ড জয় করার ফলে ফাইনাল ম্যাচ হবে যুবভারতীতেই। কলকাতায় ঘরের মাঠে ফাইনাল হচ্ছে বলে উচ্ছ্বসিত কামিংস। তিনি বলেন,‘‘নিজেদের সমর্থকদের সামনে খেলার অনুভূতিই আলাদা। ঘরের মাঠে বাড়তি সুবিধে পাব আমরা।’’ সেমির আর এক নায়ক সাহাল আব্দুল সামাদের কথায়, ‘‘সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে চলেছি আমরা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াইয়ে জন্য তৈরি।’’ শনিবার দশম আইএসএলের ফাইনালে যুবভারতীতে থাকতে পারেন নীতা অম্বানী। 

    আরও পড়ুন: গরমে ৪৪ বছরের রেকর্ড ভাঙল কলকাতা! চাতক পাখির মতো বৃষ্টির অপেক্ষায় বাংলা

    কী ভাবছেন স্যার হাবাস

    কলকাতায় খুব গরম। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকালে যুবভারতীতে হাল্কা অনুশীলন করেন মনবীর সিংরা। হাবাস জানালেন, টানা ম্যাচ খেলার ক্লান্তিই প্রধান চিন্তা তাঁর। এই কারণেই ফুটবলারদের এক দিন বিশ্রাম দিয়ে বুধবার থেকে ফাইনালে মুম্বই সিটি এফসি-কে হারানোর প্রস্তুতি শুরু করবেন তিনি। ফাইনাল নিয়ে হাবাস বলেন, ‘‘দলের মানসিক শক্তি দুর্দান্ত বলেই এখানে পৌঁছেছি। ছেলেদের উপরে পূর্ণ আস্থা রয়েছে। বিশ্বাস করি, আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্যতা আমাদের রয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India US Relation: পান্নুনকে হত্যার চেষ্টা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন, সাফ জানাল ভারত

    India US Relation: পান্নুনকে হত্যার চেষ্টা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন, সাফ জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোস্ট ওয়ান্টেড খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরুপতওয়ান্ত সিং পান্নুন খুনের চেষ্টার নেপথ্যে রয়েছেন র-এর এজেন্ট। মার্কিন (India US Relation) এক দৈনিকে প্রকাশিত এই রিপোর্ট খারিজ করে দিল ভারত। সাফ জানিয়ে দিল, মার্কিন দৈনিকের অভিযোগ অযৌক্তিক, ভিত্তিহীন।

    বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া (India US Relation)

    প্রতিবেদনটির প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “সংগঠিত অপরাধী, সন্ত্রাসী ও অন্যদের নেটওয়ার্ক নিয়ে মার্কিন সরকারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু উদ্বেগের কথা আমাদের জানানো হয়েছিল। তা খতিয়ে দেখতে ভারত সরকার একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটির তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। এই আবহে বিষয়টি সম্পর্কে অনুমানমূলক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য একদমই সহায়ক নয়।”

    র-কে নিশানা

    সম্প্রতি মার্কিন (India US Relation) দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টের একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, বিক্রম যাদব নামে র-এর এক এজেন্ট নাকি পান্নুন হত্যার জন্য একটি হিট টিমকে টাকা দিয়েছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের চেষ্টার পরিকল্পনায় নাকি অনুমোদন দিয়েছিলেন তৎকালীন র-এর প্রধান সমন্ত গোয়েল। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও বিষয়টি জানতেন। ওয়াশিংটন পোস্টের এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে ভারত।

    গত বছরের শেষের দিকেও পান্নুন খুনের চেষ্টায় যে ভারত জড়িত নয় তা জানিয়ে দিয়েছিল নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বলেছিলেন, “খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা খুনের ষড়যন্ত্রে ভারত যোগের অভিযোগ সংক্রান্ত প্রমাণ দিলেই সরকার তা খতিয়ে দেখতে প্রস্তুত।” আইনের শাসনের প্রতি তাঁর সরকারের দায়বদ্ধতার কথাও সেদিন মনে করিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানের দাবিতে স্লোগান, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    পান্নুন খুনের চেষ্টায় ভারতকে দোষারোপ আগেও করা হয়েছিল। এর আগেও একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, পান্নুন হত্যার ছক নিয়ে মার্কিন দাবির প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে ভারত। সেই তদন্ত থেকেই জানা গিয়েছিল, র-এর এক প্রাক্তন এজেন্ট নাকি এই হত্যার ছক কষার নেপথ্যে থাকতে পারেন। যদিও ভারত সরকার নাকি এই ধরনের কোনও অভিযানের অনুমতি দেয়নি (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Justin Trudeau: ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানের দাবিতে স্লোগান, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Justin Trudeau: ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানের দাবিতে স্লোগান, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালসা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো (Justin Trudeau)। টরেন্টোর সেই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা চলাকালীনই স্বাধীন ও সার্বভৌম খালিস্তান রাষ্ট্রের দাবিতে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে। রবিবারের ওই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে ভারত।

    কী বলছে বিদেশমন্ত্রক? (Justin Trudeau)

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ঘটনা ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মাস সাতেক আগেই খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনের ঘটনায় কানাডার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ভারতকে নিশানা করেছিলেন ট্রুডো (Justin Trudeau)। তার জেরে ভারত-কানাডা সম্পর্ক গিয়ে ঠেকে তলানিতে। গত সাত মাসেও উন্নতি হয়নি নয়াদিল্লি-অটোয়ার(কানাডার রাজধানী) সম্পর্ক। এহেন পরিস্থিতিতে কানাডার মাটিতে ফের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন মাথা চাড়া দেওয়ায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ ভারত। ট্রুডোর বক্তৃতা চলাকালীনই খালিস্তানপন্থীদের এই ‘ঔদ্ধত্য’ ভালো চোখে দেখেনি নয়াদিল্লি।

    কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    সোমবার ভারতে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ ও কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে বলে বলা হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতে। জানা গিয়েছে, ট্রুডো সরকারের প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী তথা বর্তমান প্রিভি কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট হরজিৎ সিং সজ্জন খালিস্তানপন্থী হিসেবেই পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে খালিস্তানপন্থীদের মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কানাডার পার্লামেন্টে একটি সংখ্যালঘু সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ট্রুডো। গদি বাঁচাতে তাঁকে সাহায্য নিতে হচ্ছে নিউ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা জগমীত সিংয়ের। জগমীত নিজেও ঘোষিত খালিস্তানপন্থী। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই ভারতের চাপ সত্ত্বেও কার্যত অসহায় ট্রুডো। তাই খালিস্তানপন্থীদের বিরুদ্ধে ট্রুডো সরকার কড়া কোনও পদক্ষেপ করতে পারছে না বলেও ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুুন: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    কানাডার মাটিতেই খুন হন খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নিজ্জর। তার পরেই অটোয়ার পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ভারতকে আক্রমণ শানান ট্রুডো। ঘটনার জেরে কানাডার এক কূটনীতিককে বহিষ্কার করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে মোদি সরকার কানাডার এক শীর্ষ কূটনীতিককে পাঁচ দিনের মধ্যে দিল্লি ছাড়ার নির্দেশ দেয়। নিজ্জর খুনে ভারতের যে কোনও হাত নেই, তাও সাফ জানিয়ে দেয় মোদি সরকার (Justin Trudeau)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Basirhat: “লাঠি, ইট দিয়ে হামলা চালায় তৃণমূল”, বললেন  প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র

    Basirhat: “লাঠি, ইট দিয়ে হামলা চালায় তৃণমূল”, বললেন প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসিরহাটের (Basirhat) বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাটের মাটিয়া থানার খড়িডাঙা এলাকায়। দলীয় প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার ছিলেন। তিনিও আক্রান্ত হন। পরে, ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, গোলমালের কারণে বিজেপি প্রার্থীর প্রচার বানচাল হয়ে যায়। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়িডাঙ্গা গ্রামের তৃণমূলের প্রধান সমীর বাছার, তাঁর ভাই মৃণাল বাছার ও সিভিক ভলান্টিয়ার বাবলু বাছার আক্রমণ চালায়। বিজেপি প্রার্থী রেখার উপর লাঠি নিয়ে হামলা করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Basirhat)

    সোমবার বসিরহাট (Basirhat) ২ নম্বর ব্লকের খড়িডাঙ্গায় বিজেপি প্রার্থী রেখার দেওয়াল লিখনে কালি দেওয়ার অভিযোগকে ঘিরে গন্ডগোল শুরু হয় এলাকায়। বিজেপি কর্মীরা প্রতিবাদ করলে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। তৃণমূলের হামলায় কালীদাস বাছার নামে এক বিজেপি কর্মী জখম হন। আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁকে বসিরহাট মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের পাশাপাশি, সেখানে কালীদাসকে দেখতে গিয়েছিলেন রেখাও। নতুন করে গোলমালের সূত্রপাত মঙ্গলবার সকালে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা নাগাদ রেখা পাত্র খড়িডাঙায় ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রচার করতে যান। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার। আর নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন। কিন্তু, সকালে গ্রামে বিজেপি প্রার্থীকে দেখে তৃণমূলের লোকজন মহিলাদের সামনে এগিয়ে দিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। রেখা পাত্র কথা বলতে গেলে তৃণমূলের মহিলা বাহিনী হামলা চালায়। অর্চনা মজুমদারও আক্রান্ত হন। গাড়ি করে বের করে নিয়ে যাওয়ার সময় গাছের গুঁড়ি ফেলে পথ আটকানো হয়। লাঠি, ইট দিয়ে গাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূলের লোকজন।

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    বিজেপি (Basirhat) প্রার্থী রেখা পাত্র বলেন, বিক্ষোভকারীরা সকলেই তৃণমূলের লোক। বিক্ষোভ দেখানো নয়, আমার প্রচার ভন্ডুল করাই তাঁদের উদ্দেশ্য। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে তরজায় জড়িয়ে পড়েন আমাদের দলের কর্মী-সমর্থকেরা। তর্কাতর্কি গড়ায় হাতাহাতিতে। এরপরই পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূলের লোকজন। লাঠি, ইট দিয়ে তৃণমূল হামলা চালায়।

    নিরাপত্তা বাড়ল রেখা পাত্রের

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রেখা পাত্রের ওপর হামলার আগেই তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁকে এক্স ক্যাটাগরি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই তাঁর নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে বাড়তে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Health News: হাতে অলঙ্কার পরে আর চিকিৎসা নয়! নয়া নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    Health News: হাতে অলঙ্কার পরে আর চিকিৎসা নয়! নয়া নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা ক্ষেত্রে এবার বড় নির্দেশিকা (Health News)। কর্তব্যরত অবস্থায় কনুইয়ের নীচে কোনও অলঙ্কার (jewellery) পরতে পারবেন না চিকিৎসক, নার্স , স্বাস্থ্য কর্মীরা। নয়া নির্দেশিকা (New guidelines) পাঠাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। অর্থাৎ এবার থেকে কোনও রকম অলঙ্কার পরে চিকিৎসা করতে পারবেন না চিকিৎসকরা (Doctors)। এমনকি ব্যবহার করা যাবেনা মোবাইল, পরা যাবে না ঘড়িও। সব কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) অধীনস্থ হাসপাতালের সুপার ও ডিরেক্টরকে এমনই নির্দেশিকা পাঠাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

    ঠিক কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায় (Health News)?

    স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Health Ministry) তরফে যে নির্দেশিকা (Health News) দেওয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, এবার থেকে কর্তব্যরত অবস্থায় কনুইয়ের নীচে কোনও অলঙ্কার পরতে পারবেন না চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীরা (Health workers)। কারণ চুড়ি, ব্রেসলেট, আংটি, ঘড়ি, মোবাইল ফোন থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। আইসিইউ (ICU), এইচডিইউ (HDU), অপারেশন থিয়েটার (OT), পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে এই নির্দেশ কড়া ভাবে মানতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ “মাস্টার দেখিলেন, একঘর লোক নিস্তব্ধ হইয়া তাঁহার কথামৃত পান করিতেছেন”

    কী কারণে এই নির্দেশিকা?

    অনেক সময়ই হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী সেরে ওঠার শেষ মুহূর্তে অন্য কোনও সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। রক্তে সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে মৃত্যু পর্যন্ত হয়। তাই এবার সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এই পদক্ষেপ (Health News) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্র সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ডিরেক্টর জেনারেল অতুল গয়াল বলেছেন,”কনুইয়ের নিচে গয়না পড়লে তা থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। এছাড়াও কর্মরত অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার করায় তা থেকেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে।”

    এর পাশাপাশি গোয়েল জানিয়েছেন যে, এর আগে অতীতে এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে ডাক্তারের অবহেলার কারণে অস্ত্রোপচারের পর রোগীদের (patient) গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই সেই সব ঘটনা পর্যালোচনা করেই এবার এমন সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্য মন্ত্রক। উল্লেখ্য করোনার ফার্স্ট ওয়েভেও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, হাতের চুড়ি, আংটি, ঘড়ি, ইত্যাদির মাধ্যমেও সংক্রমণ (infections) হতে পারে করোনা ভাইরাসের। তখন সংক্রমণ এড়াতে এসব অলঙ্কারের ব্যবহার কমিয়েছিলেন মানুষ। কিন্তু সংক্রমণ তো নানা ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার হতে পারে। তাই এবার সচেতনতা বাড়াতে এই নির্দেশিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: গরমে ৪৪ বছরের রেকর্ড ভাঙল কলকাতা! চাতক পাখির মতো বৃষ্টির অপেক্ষায় বাংলা

    Weather Update: গরমে ৪৪ বছরের রেকর্ড ভাঙল কলকাতা! চাতক পাখির মতো বৃষ্টির অপেক্ষায় বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র দহনজ্বালায় জ্বলছে বাংলা। আজও রক্ষা নেই বঙ্গবাসীর। সোমবারই ৪৪ বছরের রেকর্ড ভেঙে এক লাফে কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update) পৌঁছেছিল ৪১.৭ ডিগ্রিতে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে। আজও রেহাই নেই। বরং আজ মঙ্গলবার তাপপ্রবাহের মাত্রা আরও চড়বে বলেই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। কলকাতাতে আজ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির কাছে যেতে পারে।

    রেকর্ড গরম কলকাতায়

    ইতিমধ্যেই নিয়মিত ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে থেকেছে কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update)। আবহবিদরা বলছেন, ১০০ বছরে এমন টানা তাপপ্রবাহ কলকাতা দেখেনি। ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে। টানা চলছে! কলকাতায় ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড তৈরি হয়েছে এপ্রিল মাসে। ১৯৮০ সালের ২৫ এপ্রিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল বেলা আড়াইটার সময় সেই তাপমাত্রা ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৫৪ সালের ২৫ এপ্রিল কলকাতায় ৪৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পারদ উঠেছিল। এখনও পর্যন্ত সেটাই সর্বকালীন রেকর্ড। আজ, মঙ্গলবারও কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বেলা ৩টের পর পারদ উঠতে পারে ৪২ ডিগ্রির ঘরে। দমদমে একটানা ৪২ ডিগ্রি যাচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    চাতক পাখির মতো বৃষ্টি বৃষ্টি করলেও আবহাওয়া দফতর (Weather Update) বলছে, দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আরও পাঁচ দিন চলবে তাপপ্রবাহ। অতি তীব্র তাপপ্রবাহের চরম সতর্কবার্তা দক্ষিণবঙ্গের ৮ জেলায়। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও বাঁকুড়া এই আট জেলায় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ। উত্তর ২৪ পরগনা-তেও চরম তাপপ্রবাহ। বেশিরভাগ জেলায় ‘লু’ বইবে। আজও বেলা বাড়লেই গরম হাওয়ার দাপটে নাস্তানাবুদ হতে হবে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি যেভাবে এগোচ্ছে, এপ্রিলেই ৪৫ পার, তাতে আগামী দিনগুলোয় কোথায় গিয়ে থামবে, তা অনুমান করাও দুরূহ হয়ে যাচ্ছে।

    ৩০.০৪.২৪ থেকে ০১.০৫.২৪ (লাল সতর্কতা): তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি বাঁকুড়া, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে।

    ৩০.০৪.২৪ থেকে ০১.০৫.২৪ (কমলা সতর্কতা):  দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও তাপপ্রবাহের সতর্কতা রয়েছে।

    ০২.০৫.২৪ (লাল সতর্কতা)বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে জারি করা হয়েছে তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা।

    ০২.০৫.২৪ (কমলা সতর্কতা): বাকি সব জেলাতে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থাকবে।

    ০৩.০৫.২৪ (কমলা সতর্কতা): তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমানে। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি বজায় থাকবে।

    কবে থেকে বৃষ্টি

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার ৩ মে অবধি তাপপ্রবাহ চলবে। ৪ মে বৃষ্টি হলেও হতে পারে। ৪-৫ তারিখ নাগাদ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে রাজ্যে। রবিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায়। কারণ, বঙ্গোপসাগরে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়বে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭০-৮০ শতাংশের কাছাকাছি হলে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nadia: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    Nadia: “লোহার রড, শাবল দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপ। হামলার জেরে তিনজন বিজেপি কর্মী জখম হন। তাঁদের কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। ভোটের মুখে এই হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তাপস দেবনাথ পঞ্চায়েত নির্বাচনে নদিয়া (Nadia) জেলা পরিষদের ২৬ নম্বর আসনে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন। বর্তমানে তিন নম্বর মণ্ডলের সভাপতি। তাপস দেবনাথ সহ তিনজন বিজেপি কর্মী নদিয়ার স্বরুপগঞ্জ ঘাটে গঙ্গায় স্নান করতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, হঠাৎই তাদের ওপর তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী চড়াও হয়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী তাপস দেবনাথ বলেন, “লোহার রড, শাবল দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। ঘটনাস্থলে আমরা তিনজন জখম হয়ে পড়ি। এরপর দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।” ঘটনাস্থল থেকে বিজেপি কর্মীদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় নবদ্বীপ হাসপাতালে। সেখানে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকেরা কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। এই ঘটনায় সোমবার রাতে আহত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে যান রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। অন্যদিকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধরের ঘটনায় সোমবার রাতে নবদ্বীপের স্বরুপগঞ্জ ঘাট সংলগ্ন এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। দফায় দফাই চলে বিক্ষোভ। যদিও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নবদ্বীপ।

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    শুরু রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, “পরিকল্পিতভাবে বিজেপি কর্মী তাপস দেবনাথ সহ আরও তিন জন বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যেভাবে মারধর করা হয়েছে সেখানে পরিষ্কার তাদের প্রাণে মেরে ফেলার পরিকল্পনা ছিল। জেলা হাসপাতালে বিজেপি কর্মীরা যন্ত্রণায় কাতড়ালেও চিকিৎসকেররা সঠিকভাবে চিকিৎসা করছে না, প্রশাসন নির্বিকার।”এ বিষয়ে জেলা তৃণমূল নেতা সনৎ চক্রবর্তী বলেন, “এই ঘটনায় তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বিজেপি বুঝতে পেরেছে এবারে তাদের হার নিশ্চিত। তাই তৃণমূলকে কালিমালিপ্ত করার জন্য এইসব কর্মকাণ্ড করছে বিজেপি। বিজেপি যত এই নোংরামো করবে ততই মানুষ তাদের কাছ থেকে সরে আসবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share