Tag: Madhyom

Madhyom

  • Artificial Intelligence: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে অগ্রণী ভারত, জানাল বিশেষ রিপোর্ট

    Artificial Intelligence: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে অগ্রণী ভারত, জানাল বিশেষ রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ব্যবহারে অগ্রণী দেশ হিসেবে উঠে আসছে ভারত। একটি বেসরকারি সংস্থার সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে এমনই তথ্য সামনে এসেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) সংক্রান্ত পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা ‘নেট অ্যাপ’ (Net App)  সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানির মত দেশকে পিছনে ফেলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত ব্যবহার ও গবেষণায় এগিয়ে গিয়েছে ভারত (India)।

    ভারতের অবস্থান (Artificial Intelligence)

    সমীক্ষায় বিভিন্ন দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) ক্ষেত্রে গবেষণা, অগ্রগতি, তৎপরতা, সমস্যা সমাধান এবং ব্যবহারের বিষয় মাথায় রাখা হয়েছিলে। সমস্ত ক্ষেত্রেই ভারত এগিয়ে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক দেশ এখনও চিন্তায় রয়েছে। তা সত্বেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই যে ভবিষ্যৎ তা মানছেন গবেষকরা। সাম্প্রতিক রিপোর্ট দেখা যাচ্ছে ভারত, সিঙ্গাপুর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত আবিষ্কার ও ব্যবহারে অগ্রণী স্থানে রয়েছে। ঠিক পিছনেই রয়েছে স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং জার্মানির মত আধুনিক দেশ। দশটি দেশে এই সংস্থা তাদের সমীক্ষা চালিয়েছিল। রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, প্রথম চারটি দেশের ৬০ শতাংশ কোম্পানি সমস্ত স্তরে কোনও না কোনও ভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে। বাকি দেশ যেমন- স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জার্মানি ও জাপানের মত দেশে  এর ব্যবহার ৪০ শতাংশের নীচে। রিপোর্টে প্রকাশিত হয়েছে যে, যারা অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে এবং যারা পিছিয়ে রয়েছে এমন দেশের সংস্থাগুলির তফাৎ মানসিকতায়। যারা এগিয়ে রয়েছে তারা নতুন হাইব্রিড এনভায়রনমেন্ট এবং নয়া পদ্ধতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম। যারা পিছিয়ে পড়েছে তারা এখনও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে ভয় পাচ্ছে এবং তাঁদের জড়তা রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ এনআইটিতে ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে বিক্ষোভ! দায় নিয়ে পদত্যাগ ডিরেক্টরের

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপকারিতা

    প্রসঙ্গত আইটি ইন্ডাস্ট্রি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে ৫০ শতাংশের বেশি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারে যে কাজ আগে কয়েক ঘণ্টায় হতো তা এখন মিনিটে করা সম্ভব হচ্ছে। প্রসঙ্গত ভারতের মত দেশের যখনই আইটি সহ অন্য ইন্ডাস্ট্রিতে কোন বড় রদবদল হয়েছে কর্মীরা সেই বদলকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে না নিয়ে খুব সহজে গ্রহণ করেছে। দেশের কর্মসক্ষম মানুষের বেশিরভাগ যুবক। ফলে এই ক্ষেত্রে যতই বড় বদল আসুক না কেন ভারতীয়রা ঠিক তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম। আইটি ও ডেটা ইন্ডাস্ট্রিতে এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ছাড়া যেন কাজ করাই অসম্ভব। উন্নত বহু দেশে এখনও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে জড়তা রয়েছে। যা এ দেশে নেই। সেই কারণেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গবেষণা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারত অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ব্যাগভর্তি অস্ত্র নিয়ে আদালতে পেশ করল সিবিআই, দাবি জানালো এনআইএ তদন্তের

    Sandeshkhali: ব্যাগভর্তি অস্ত্র নিয়ে আদালতে পেশ করল সিবিআই, দাবি জানালো এনআইএ তদন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনএসজি কমান্ডো নামিয়ে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আবু তালেবের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করেছিল সিবিআই। সোমবার সেই বাজেয়াপ্ত করা অস্ত্র তোলা হয় বসিরহাট আদালতে। সিবিআই সূত্রে খবর, শাহজাহানের সঙ্গে অস্ত্রের কারবারের যোগ পাওয়া গিয়েছে। শুধু জমি কেনাবেচা বা জমির চরিত্র বদল করে টাকা নয়ছয় নয়, সেই টাকা বিদেশি অস্ত্র কারবারে ব্যবহার করেছেন শাহাজাহান। তাই তাঁর বিরুদ্ধে মামলায় অস্ত্র আইন যোগ করা হতে পারে।

    এনআইএ তদন্তের দাবি জানালো সিবিআই (Sandeshkhali)

    আবু তালেবের সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাড়ি থেকে পরিচয়পত্র উদ্ধার করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেখান থেকে শাহজাহানের পরিচয়পত্রও পাওয়া গিয়েছিল। এমনকী, কলকাতার দোকান থেকে শাহজাহানের নামে কেনা কার্তুজের রসিদও পেয়েছিলেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা। সিবিআই সূত্রে খবর, বাজেয়াপ্ত করা অস্ত্রের মধ্যে একটি তাঁর ভাই আলমগিরের কেনা। এ ছাড়া, শাহজাহানের নামে অস্ত্রের লাইসেন্সও পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সিবিআই মনে করছে, সন্দেশখালিতে শাহজাহান এবং তাঁর অনুগামীদের মজুত করা আরও অস্ত্র থাকতে পারে। আন্তর্জাতিক অস্ত্র কারবারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে শাহজাহান। কারণ, যে সব বিদেশি অস্ত্র পাওয়া গিয়েছে তা নিলামে কেনা হয়েছিল। তাঁর ডেরা থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে পুলিশের রিভলভারও ছিল। শাহজাহান শেখের বিরুদ্ধে মামলায় এ বার অস্ত্র আইন যোগ করার কথা ভাবছে তারা। বাজেয়াপ্ত করা অস্ত্র নিয়ে আদালতে রিপোর্ট জমা দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই সঙ্গে ওই অস্ত্র তদন্তের স্বার্থে নিজেদের হেফাজতে রাখার আবেদনও জানায়। পাশাপাশি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় ব্যাগ ভর্তি আগ্নেয়াস্ত্র এদিন বসিরহাট মহকুমা আদালতে সিবিআই আধিকারিকরা আনেন। বসিরহাট মহকুমা আদালতের বিচারকের কাছে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র নথিপত্র সবকিছু তাঁরা দেখান। সিবিআই আধিকারিকের আইনজীবী বোঝান, বিদেশি অস্ত্র রাখার অপরাধে শাহজাহানের বিরুদ্ধে এনআইএ তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানের জমি দখলের টাকা নিয়েছেন রাজ্যের আরও ২ মন্ত্রীও, বিস্ফোরক দাবি ইডির

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার

    ২৬ শে এপ্রিল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ আবু তালেব মোল্লার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। সেখান থেকে পাওয়া যায় বেশ কিছু অস্ত্র। সেই সূত্রেই এনএসজি-কে ডেকে পাঠানো হয়। উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু বোমা। ‘ক্যালিবার’ যন্ত্র দিয়ে সন্দেশখালিতে আরও বোমার খোঁজে তল্লাশি চলে দিনভর। বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করেছিল সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UPI transaction: ডিজিটাল ভারতের পথে আরও একধাপ, অনলাইন পেমেন্টে রেকর্ড গড়ল ইউপিআই

    UPI transaction: ডিজিটাল ভারতের পথে আরও একধাপ, অনলাইন পেমেন্টে রেকর্ড গড়ল ইউপিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিআই অর্থাৎ ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস অনলাইন পেমেন্টের (UPI transaction) জন্য বেশ বিখ্যাত। সেই খ্যাতিই এবার রেকর্ড গড়ল অনলাইন পেমেন্টের বাজারে। সোমবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন,  ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট ২০০ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ১৩ হাজার কোটি ইউপিআই (UPI) লেনদেন করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে ভারত। ইউপিআই পরিচালনাকারী ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে জানা গিয়েছে, আগের ২০২২-২৩ অর্থবছরে, ইউপিআই-এর মাধ্যমে ১৩৯ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের লেনদেন হয়েছিল।

    সীতারামনের বক্তব্য (UPI transaction)

    সম্প্রতি বিশাখাপত্তনমে ‘বিকশিত ভারত অ্যাম্বাসাডর’-এর একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সীতারামন বলেন, “অনলাইন পেমেন্ট (UPI transaction) এখন সব জায়গায় চলেছে। শহর থেকে গ্রাম— সব জায়গার মানুষই অনলাইন পেমেন্টের (Online Payment) প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে। শুধু আদানি-আম্বানিরাই নন, সাধারণ ক্রেতা থেকে বিক্রেতা— সকলেই নির্ভর করছে অনলাইন লেনদেনের উপর।” এদিন সীতারামন আরও বলেছেন যে, সরকার ইতিমধ্যেই ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতবর্ষকে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। যার ফলে আগামী বছরগুলিতে দেশটি তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে।

    আরও পড়ুনঃ শাহজাহানের জমি দখলের টাকা নিয়েছেন রাজ্যের আরও ২ মন্ত্রীও, বিস্ফোরক দাবি ইডির

    ৫৫ শতাংশ বেড়েছে

    এনপিসিয়াই-এর তথ্য অনুসারে, জানা গিয়েছে বর্তমানে লেনদেনের সংখ্যার নিরিখে ইউপিআই (UPI transaction)-এর বাজার শেয়ার প্রায় ৮৬%। যার মধ্যে ফোন পে ৪৮.৩% এবং গুগুল পে ৩৭.৬%। যদিও জানুয়ারি মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) পেটিএম পেমেন্টসের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করার পরে বাজারের এর শেয়ার হ্রাস পেয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইউপিআই লেনদেনের সংখ্যা ১০ হাজার কোটি অতিক্রম করেছে এবং এবছর তা ১৩ হাজার কোটিতে পৌঁছেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: শাহজাহানের জমি দখলের টাকা নিয়েছেন রাজ্যের আরও ২ মন্ত্রীও, বিস্ফোরক দাবি ইডির

    Sheikh Shahjahan: শাহজাহানের জমি দখলের টাকা নিয়েছেন রাজ্যের আরও ২ মন্ত্রীও, বিস্ফোরক দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকই নয়, শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) দুর্নীতির টাকা রাজ্যের আরও দুই মন্ত্রীর কাছে গিয়েছে। আদালতে এমন অভিযোগই করল ইডি। কেন্দ্রীয় ওই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, উপরমহল পর্যন্ত এই জমি দখলের টাকা পৌঁছেছে। কলকাতার নগর দায়রা আদালতে সোমবার শাহজাহানের মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই ইডির আইনজীবী নতুন অভিযোগ তোলেন। এদিন ১৩ মে পর্যন্ত ফের শেখ শাহজাহানের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আবার জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে আলমগির, শিবু হাজরা ও দিদার বক্স মোল্লাকেও।

    কী বলল ইডি

    সোমবার আদালতে ইডি দাবি করে, শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) এবং তাঁর অনুগামীরা সন্দেশখালিতে যত জমি দখল করেছিলেন, তার টাকা পেয়েছেন রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীও। ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী আদালতে জানান, সন্দেশখালির জমি দখলের টাকার সঙ্গে উপরমহলেরও যোগ রয়েছে। সেই টাকা পেয়েছেন রাজ্যের দু’-তিন জন মন্ত্রীও। ইডির আইনজীবী আদালতে জানান, সরকারি টেন্ডার নিয়ে বেনিয়ম করেছেন শাহজাহান। প্রভাব খাটিয়ে নিজের অনুগামীদের ওই টেন্ডার তিনি পাইয়ে দিয়েছেন। ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সময়ে পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে ফেরি পারাপার, বিভিন্ন সরকারি টেন্ডার ঘুরপথে শাহজাহান এবং তাঁর সঙ্গীদের পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে তাঁরা লাভবান হয়েছেন। সূত্রের খবর, শাহজাহানের স্ত্রী এবং আত্মীয়েরা জেরার মুখে এ কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    অস্ত্র কারবারের সঙ্গে যুক্ত

    শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) দুর্নীতির টাকা অস্ত্র ব্যবসাতে খাটানো হত বলেও ইডি সূত্রে খবর। কালো টাকা ঘুরিয়ে অস্ত্র ব্যবসা করা হতো বলেও অভিযোগ করা হয়েছে বিশেষ ইডি আদালতে। কিছুদিন আগেই সন্দেশখালি থেকে যে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র পাওয়া গিয়েছে, এদিন ইডির আইনজীবী আদালতে সে বিষয়েও বলেন। তিনি বলেন, তদন্তে আগেই তাঁরা জানতে পারেন, অস্ত্র ব্যবসাতেও টাকা খাটানো হয়েছে। এবার সন্দেশখালির গ্রাম থেকে অস্ত্র উদ্ধার বিষয়টি আরও জোরাল করল। এদিনই বসিরহাট আদালতে আসে সিবিআইয়ের একটি দল। বিশাল ব্যাগ, তথ্য নিয়ে ভিতরে ঢোকে তারা। সূত্রের খবর, দু’দিন আগে সন্দেশখালি থেকে উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বসিরহাট কোর্টে হাজির হয় সিবিআই। ইডির বক্তব্য শুনে শুনে শাহজাহানদের আগামী ১৩ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIT student: এনআইটিতে ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে বিক্ষোভ! দায় নিয়ে পদত্যাগ ডিরেক্টরের

    NIT student: এনআইটিতে ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে বিক্ষোভ! দায় নিয়ে পদত্যাগ ডিরেক্টরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুরে এনআইটি (National Institute of Technology Durgapur) দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রের (NIT student) রহস্য মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে চাঞ্চল্য। ছাত্রমৃত্যুর জেরে ডিরেক্টরকে ঘিরে প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয় ক্যাম্পাসে। অভিযোগ, রবিবার ডিরেক্টরকে কার্যত ধাক্কা মেরে ক্যাম্পাসের বাইরে বের করে দেন পড়ুয়াদের একাংশ। এরপর ঘটনার দায় নিয়ে পদত্যাগ করেন ডিরেক্টর।

    ঠিক কী ঘটেছিল (NIT student)?

    মৃত ছাত্রের নাম অর্পণ ঘোষ (NIT student)। সে মেকানিক্যাল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। কলেজ সূত্রে খবর,এদিন তাঁর একটি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। অভিযোগ, পরীক্ষাহলে নিজের আইডি কার্ড (ID Card) নিয়ে যেতে ভুলে যান অর্পণ। তাই তাঁকে পরীক্ষায় বসতেই দেওয়া হয়নি। এরপরই ঘরে ফিরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।

    ঘটনার তদন্তে পুলিশ

    ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তে নেমেছে দুর্গাপুর (Durgapur) থানার পুলিশ। পরীক্ষা বাতিলের কারণেই কি অবসাদ না ছাত্র (NIT student) মৃত্যুর পেছনে আছে অন্য কোনও কারণ? তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের (Police) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    কলেজের পড়ুয়াদের দাবি

    এ ঘটনায় কলেজের পড়ুয়াদের (NIT student) দাবি, অর্পণকে যখন তাঁর ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়, তখনও তাঁর হৃদযন্ত্র সচল ছিল। অ্যাম্বুল্যান্স আনা হলেও তারা বলে রিপোর্ট লেখাতে হবে, আইডি কার্ড দেখাতে হবে। অভিযোগ, অর্পণকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করার পর অনেকক্ষণ বেঁচে ছিলেন। কিন্তু এনআইটির নিজস্ব হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র না থাকা এবং দীর্ঘ ২০ মিনিট অর্পণকে ফেলে রাখার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    আরও পড়ুনঃ মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে গেলেন দেবাশিস ধর

    ডিরেক্টরের পদত্যাগের দাবি 

    এদিকে ঘটনার পরেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে কলেজ ক্যাম্পাসে। ছাত্ররা (NIT student) ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা ডিরেক্টরের পদত্যাগের দাবি জানাতে থাকেন। তাঁদের অভিযোগ, পড়াশুনার পাশাপাশি চাকরি নিয়ে অত্যধিক মানসিক চাপ (Mental pressure) তৈরি হচ্ছে তাদের মধ্যে। কলেজে নেই মেডিকেলের কোনও সুবিধা। এছাড়া এই ছাত্রের উপর মানসিক চাপ ছিল। পরীক্ষা বাতিল হওয়ার কারণেই তাঁর মানসিক চাপ তৈরি হয় বলে মনে করছেন সহপাঠীরা। এমন অবস্থায় বিক্ষোভের মুখে পড়ে ঘটনার দায় নিয়ে পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিরেক্টর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Debashis Dhar: মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে গেলেন দেবাশিস ধর

    Debashis Dhar: মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে গেলেন দেবাশিস ধর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের তরফে নো ডিউ সার্টিফিকেট না মেলায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার। সরকারের বৈমাতৃসুলভ আচরণের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হলেন প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর (Debashis Dhar)। রাজ্য প্রশাসনের অঙ্গুলিহেলনে পুলিশের দীর্ঘদিন কোনঠাসা ছিলেন। পুলিশের চাকরি ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছিলেন তিনি। অভিযোগ ছিল শীতলখুচিকান্ডের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্দেশেই তাঁকে পুলিশে কোণঠাসা করে রাখা হয়।

    একাধিক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ (Debashis Dhar)

    দেবাশিস (Debashis Dhar) আগেই জানিয়েছেন শীতলখুচি (Sitalkuchi) কান্ডর পর বিভিন্ন মামলায় সাক্ষী করা হলেও আসামীর মত ব্যবহার করা হয় তাঁর সঙ্গে। একাধিক অনিয়মের মামলায় ফাঁসানো হয় তাঁকে। যদিও সাজানো মামলা ঠান্ডা ঘরে চলে গিয়েছে। চাকরি থেকে সাসপেন্ড ছিলেন দীর্ঘকাল। রাজনৈতিক জীবনেও তাঁর পথে কাঁটা বিছিয়ে রেখেছে রাজ্য। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন দিয়েছিলেন দেবাশীষ ধর (Debashis Dhar)। পুলিশের চাকরি ছেড়ে দলে আসা দেবাশিসকে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে টিকিট দিয়েছিল বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী শতাব্দী রায়। ভয় না পেয়ে তিনি কার্যত জোর কদমে লড়াই শুরু করেছিলেন। গত সপ্তাহে তিনি মনোনয়ন জমা দেন। কিন্তু সরকারের তরফে নো ডিউ সার্টিফিকেট তাঁকে না দেওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। বিকল্প প্রার্থী হিসেবে দেবতনু ভট্টাচার্যকে (Debtanu Bhattacharya) এই কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন দিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুনঃ “টানা ৬দিন পানীয় জল নেই,” সৌগত রায়কে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ মহিলাদের

    বিজেপির বক্তব্য

    প্রসঙ্গত বীরভূমের প্রার্থীর (Debashis Dhar) মনোনয়ন বাতিল হওয়ার পর বিজেপির (BJP) রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (Jagannath Chattopadhyay) সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)) চ্যালেঞ্জ জানানো হবে। এরপরই সোমবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন দেবাশীষ বাবু। বিজেপি নেতার আইনজীবী জানিয়েছেন, “লোকসভা নির্বাচন যেহেতু আসন্ন। তাই এই মামলার যাতে দ্রুত শুনানি হয় এবং আদালত যাতে মক্কেলকে রাজ্য সরকারকে দ্রুত নো ডিউ সার্টিফিকেট প্রদান করে সেই আবেদন করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment: এসএসসি মামলায় প্যানেল বাতিল! স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    SSC Recruitment: এসএসসি মামলায় প্যানেল বাতিল! স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি মামলায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ (SSC Recruitment) দিল না সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পর্দিওয়ালা, বিচারপতি মনোজ মিশ্রের এজলাস জানিয়েছে, আগামী সোমবার ফের এই মামলার শুনানি হবে। এর ফলে চাকরি বাতিলের নির্দেশই বহাল রইল। শুনানিতে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‘প্যানেলের বাইরে নিয়োগ করা হয়েছে। এটা তো সম্পূর্ণ জালিয়াতি।’’

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ

    এর পাশাপাশি দেশের শীর্ষ আদালত এদিন পর্যবেক্ষণে (SSC Recruitment) বলে, ‘‘কেন সুপার নিউমেরারি পোস্ট তৈরি করা হল?’’ এদিন চাকরিহারাদের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, নির্বাচনের ডিউটিতে অনেকেই রয়েছেন তাই এই মামলার স্থগিতাদেশ দেওয়া হোক। কিন্তু তা শোনেনি সুপ্রিম কোর্ট। অন্যদিকে এসএসসির তরফ থেকে যোগ্য এবং অযোগ্যদের বাছাই করার বিষয়ে বলা হয়। সেক্ষেত্রে বিচারপতিদের বেঞ্চ প্রশ্ন করেন, ‘‘ওএমআর শিট তো সম্পূর্ণভাবে নষ্ট করা হয়েছে, তাহলে কীভাবে আপনারা কারা যোগ্য সেটাকে আলাদা করবেন!’’ তবে ওএমআর শিট সম্পূর্ণ হবে নষ্ট হয়ে গেলেও আজব দাবি জানিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং তাদের আইনজীবী বলেন, ‘‘আমরা যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করতে প্রস্তুত রয়েছি।’’

    সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসিত এসএসসি

    রাজ্যের আইনজীবী শীর্ষ আদালতের এদিন সওয়াল করে বলেন, ‘‘এই সময় নির্বাচন চলছে, এখন সিবিআই তদন্ত করলে পুরো মন্ত্রিসভা জেলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে সুপার নিউমেরিক পোস্ট তৈরি নিয়ে তদন্তে স্থগিতাদেশ চায় রাজ্য (SSC Recruitment)। সুপ্রিম কোর্ট তা মঞ্জুর করে। এসএসসির আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী আদালতে প্রশ্ন তোলেন জানান, ৮ হাজার জনের নিয়োগ বেআইনি ভাবে হলেও ২৩ হাজার চাকরি কেন বাতিল করা হল?’’ পাল্টা প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, ‘‘বেআইনি ভাবে নিয়োগ হয়েছে, এমন অভিযোগ জানার পরেও কী ভাবে সুপার নিউমেরিক পোস্টের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা? কেন সুপার নিউমেরিক পোস্ট (বাড়তি পদ) তৈরি করা হল?’’

    হাইকোর্টের রায়

    প্রসঙ্গত, সোমবারই এসএসসি মামলা (SSC Recruitment) ২০১৬ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ বাতিল করে দেয়। কলকাতা হাইকোর্ট বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির রায়ের ফলে ২৫ হাজার ৭৫৩ জন  শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীর চাকরি চলে যায়। সাদা খাতা জমা দিয়ে যারা মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি পেয়েছিলেন, তাদেরকে ১২ শতাংশ সুদসহ বেতন ফেরত দিতে বলা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: সম্পদের পুনর্বণ্টন, সম্পত্তি কর, কংগ্রেসকে একেবারে ধুয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: সম্পদের পুনর্বণ্টন, সম্পত্তি কর, কংগ্রেসকে একেবারে ধুয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদির (PM Modi) নিশানায় ফের কংগ্রেস। সম্পদের পুনর্বণ্টণের যে প্রতিশ্রুতি কংগ্রেস দিয়েছে নির্বাচনী ইস্তাহারে (পোশাকি নাম ‘ন্যায়পত্র’), তাকে আরও একবার প্রধানমন্ত্রী বিদ্ধ করলেন সমালোচনার তিরে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, “(এগুলি) সমাধানের ছদ্মবেশে ভয়ঙ্কর সব সমস্যা।”

    সম্পদের পুনর্বণ্টন (PM Modi)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনি যদি জানেন যে সম্পদের পুনর্বণ্টনের নামে সরকার আপনার কষ্টার্জিত অর্থ কেড়ে নেবে, তাহলে কি আপনি দিনরাত পরিশ্রম করবেন?” কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীকে ‘যুবরাজ’ সম্বোধন করে তিনি বলেন, “বিরোধীদের এই জাতীয় কার্যকলাপ পৃথিবী জ্বালাও নীতির উদাহরণ।” তাঁর মতে, সম্পদ করের এই আইডিয়া স্টার্টআপকে হত্যা করবে। এটি প্রকৃতপক্ষে বিরোধীদের ভোটব্যাঙ্ককে খুশি করার একটি পদ্ধতি। এই জাতীয় আইডিয়া সমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করবে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি মনে করি না এগুলি কোনও সমাধান। কল্পনাপ্রসূতও কোনও সমাধান এগুলি নয়।” তার পরেই তিনি বলেন, “এগুলি হল সমাধানের ছদ্মবেশে ভয়ঙ্কর সব সমস্যা।”

    ‘বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা যদি প্রকৃতই মানুষের শ্রীবৃদ্ধি কামনা করি, তাহলে আমাদের প্রথমেই সরাতে হবে বাধাগুলি, তাঁদের ক্ষমতায়ন করতে হবে। এটি তাঁদের উদ্যোগ-শক্তিকে প্রকাশ করে। যেমনটা আমরা দেখেছি দেশের টু কিংবা থ্রি-টায়ার শহরগুলিতে। একঝাঁক স্টার্টআপ ও স্পোর্টস স্টার বিকশিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।” সম্পদ কর এবং সম্পদের পুনর্বণ্টন যে কখনওই সাফল্যের মুখ দেখেনি, সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, “এগুলি দারিদ্র দূর করতে পারে না। এগুলি বিলি করা হয়েছিল যাতে প্রত্যেকেই সমানভাবে গরিব থাকে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গরিবরা দারিদ্রের জ্বালায় জর্জরিত, সম্পদ তৈরি থেমে গিয়েছিল, দারিদ্র হয়ে উঠেছিল সর্বজনীন। এই নীতি অনৈক্যের বীজ বপন করেছিল, রুদ্ধ করে দিয়েছিল সাম্যের লক্ষ্যে পৌঁছানোর সমস্ত রাস্তা। দেশের মধ্যে তারা প্রোথিত করেছিল বিদ্বেষের বীজ, নড়বড়ে করে তুলেছিল অর্থনীতির ভিত।”

    “মাওবাদী চিন্তাভাবনা”

    গত সপ্তাহেই আমেরিকার ধাঁচে এদেশেও উত্তরাধিকার ট্যাক্স চালুর বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করার কথা বলেছিলেন কংগ্রেসের ওভারসিজ নেতা শ্যাম পিত্রোদা। তিনি বলেছিলেন, “আমেরিকায় উত্তরাধিকার ট্যাক্স রয়েছে। কারও যদি ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্পদ থাকে, তাহলে তাঁর মৃত্যুর পর ৫৫ শতাংশ সম্পদ নিয়ে নেবে সরকার, বাকি ৪৫ শতাংশ পাবেন মৃতের উত্তরাধিকারীরা।” এদিন তাঁকেও আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “কংগ্রেসের প্রস্তাব এক্স-রে-র মতো অথবা সম্পদ পুনর্বণ্টনের জন্য আর্থ-সমাজিক সার্ভে।” প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “মাওবাদী চিন্তাভাবনা এবং দর্শনের পরিষ্কার উদাহরণ। এটা দেখে দুঃখ হচ্ছে যে কংগ্রেস এবং তার যুবরাজ এমন মাওবাদী দৃষ্টিভঙ্গি বহন করে চলেছেন, যা আদতে বিপর্যয় ডেকে আনবে। আপনারা হয়ত শুনেছেন, যুবরাজ বলছেন আমরা এক্স-রে করব। এই এক্স-রে কিছুই নয়, প্রত্যেকের বাড়িতে রেইড করবে। কৃষকের বাড়িতে রেইড করে তারা জানতে চাইবে, তাঁদের কত জমিজমা রয়েছে। সাধারণ মানুষের বাড়িতে রেইড করতে গিয়ে তারা দেখবে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে তাঁরা কত সম্পদ করেছেন। তারা আমাদের বাড়ির মা-বোনেদের গয়নাও রেইড করবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সংবিধান প্রতিটি সংখ্যালঘুর সম্পত্তি রক্ষা করে। এর অর্থ হল, কংগ্রেস যখন সম্পদের পুনর্বণ্টনের কথা বলে, তখন তা সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে বর্তায় না, ওয়াকফ সম্পত্তি পুনর্বণ্টনের কথা তারা বলে না, তাদের শ্যেন দৃষ্টি কেবল অন্য সম্প্রদায়ের (পড়ুন সংখ্যাগুরুদের) সম্পত্তির ওপর। এভাবে তারা দেশে অনৈক্যে বীজ বপন করবে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    ভারতের মর্যাদাহানি

    বিজেপি গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক বলে লাগাতার প্রচার করে চলেছেন বিরোধীরা। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধীরা ক্ষমতায় আসতে পারছেন না। তাই বিশ্বমঞ্চে তারা ভারতের মর্যাদাহানি করতে শুরু করেছে।” তিনি বলেন, “তাঁরা (বিরোধীরা) আমাদের নাগরিকদের সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলছেন, আমাদের গণতন্ত্র, আমাদের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মিথ্যা রটাচ্ছেন। ভারতে নির্বাচনী স্বৈরাচার কখনওই আসবে না, যদি না যুবরাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষমতায় চলে আসেন। এর কারণ তাঁকে নির্বাচনে লড়াই করতে হবে। আর তাঁর কথায় ভরসা করে ভারতবাসী নষ্ট হতে দেবেন না তাঁদের গণতন্ত্রকে।” পাবলিক সেক্টর, প্রাইভেট সেক্টর এবং এন্টারপ্রেনিয়রশিপ এই তিন ক্ষেত্রে ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় দেশবাসী তাঁর দশ বছরের রাজত্বকালকে মনে রাখবেন বলেও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী। তাঁর জমানায় যে ভারতের প্রতি বিশ্ব নেতাদের সম্ভ্রম বাড়ছে, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: নবাবিয়ানার সাক্ষী মুর্শিদাবাদে অজস্র দ্রষ্টব্য, ইতিহাস যেন এখানে কথা বলে!

    Murshidabad: নবাবিয়ানার সাক্ষী মুর্শিদাবাদে অজস্র দ্রষ্টব্য, ইতিহাস যেন এখানে কথা বলে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad)। প্রায় ৫৪ বছরের নবাবিয়ানার সাক্ষী বাংলা, বিহার, ওড়িশার শেষ স্বাধীন রাজধানী এই মুর্শিদাবাদ। এখানকার সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় দ্রষ্টব্য হল হাজারদুয়ারি। ১৮২৪ থেকে ১৮৩৮ সালে নগদ ১৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেন নবাব নাজিম হুমায়ূন জা। আসল নকল মিলিয়ে প্রাসাদটির ১০০০টি দরজা থাকার জন্য এর নাম হয়েছে হাজারদুয়ারি। প্রাসাদের অভ্যন্তরে রয়েছে সংগ্রহশালা। সেখানে প্রদর্শিত হয়েছে তৎকালীন সময়ের নবাবদের ব্যবহৃত তৈজসপত্র, পোশাক, বিভিন্ন দলিল-দস্তাবেজ। এর আর্ট গ্যালারিতে রয়েছে মার্শাল, টিটো প্রমুখ বিশিষ্ট শিল্পীদের আঁকা অপূর্ব সব ছবি। অস্ত্রাগারে রয়েছে প্রায় ২৯০০০-রও বেশি অস্ত্র।

    বৃহত্তম ইমামবাড়া, কাটরা মসজিদ, জগৎ শেঠের বাড়ি (Murshidabad) 

    হাজারদুয়ারির বিপরীতেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম ইমামবাড়া। ১৮৪৬-এ সিরাজের তৈরি কাঠের ইমামবাড়াটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিনষ্ট হলে পরবর্তী কালে এটি নির্মাণ করেন নবাব নাজিম ফেরাদুন জা। হাজারদুয়ারির প্রাঙ্গণেই রয়েছে ঘড়ি মিনার, সিরাজের তৈরি মদিনা, বাচ্চেওয়ালি তোপ নামের বিশাল এক কামান। মুর্শিদাবাদের পরবর্তী আকর্ষণ কাটরা মসজিদ। নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ ১৭২৩-২৪ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মাণ করেন। এখানেই রয়েছে তাঁর সমাধি। পাশেই তোপখানায় জাহানকোষা কামান। এছাড়াও এখানকার অন্যতম দ্রষ্টব্য কাঠগোলা বাগান, মোতিঝিল, জগৎ শেঠের বাড়ি, নসীপুরে দেবী সিং-এর প্রাসাদ (এই তিনটি স্থানেই বর্তমানে সংগ্রহশালা হয়েছে), ভাগীরথী নদীর ওপারে কীরিটকণা গ্রামে গ্রামে রয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের পবিত্র তীর্থস্থান একান্ন সতীপীঠের অন্যতম কিরীটেশ্বরী মন্দির, খোশবাগে নবাব সিরাজউদ্দৌলা, নবাব আলিবর্দী খানের সমাধি, বড়নগরে রানি ভবানীর তৈরি মন্দির প্রভৃতি (Murshidabad)। 

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Murshidabad)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেস, ভাগীরথী এক্সপ্রেস ছাড়াও শিয়ালদা থেকে যাচ্ছে লালগোলা প্যাসেঞ্জার। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) দূরত্ব প্রায় ২১৫ কিমি।
    থাকা খাওয়া-হাজারদুয়ারির আশেপাশে থাকাটাই সুবিধার। তাতে বেড়ানোর ঝামেলা এবং খরচ অনেকটাই কমে। এখানে আছে হোটেল হিস্টোরিক্যাল, হোটেল অন্বেষা (দুটিরই ফোন ৯৪৩৪১১৫৪৭০), হোটেল ফ্রেন্ডস এবং হোটেল পাপিয়া (এই দুটির ফোন ৯৭৩২৬০৯০৮৪), হোটেল যাত্রিক (৯৭৩৩৯৭৫০২৪), হোটেল মঞ্জুষা (৯৫৯৩৯৫০৯৭৩) প্রভৃতি। আর ঐতিহাসিক স্থানে ঠিকঠাক ঘোরার প্রয়োজনে দরকার হয় অভিজ্ঞ গাইডের। গাইডের প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ৯৭৭৫৮৫৬৭০৫, ৯৪৭৫০৬৪৮৮৯ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Akshaya Tritiya 2024: অক্ষয় তৃতীয়ায় কেনা ধনসম্পদের ক্ষয় হয় না, জানেন এই বিশেষ দিনের গুরুত্ব?

    Akshaya Tritiya 2024: অক্ষয় তৃতীয়ায় কেনা ধনসম্পদের ক্ষয় হয় না, জানেন এই বিশেষ দিনের গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালির বারো মাসে ১৩ পার্বণ। অক্ষয় তৃতীয়া (Akshaya Tritiya 2024) তার মধ্যে একটি। পাঁজি মতে, পয়লা বৈশাখের পর বাংলা বছরের প্রথম শুভদিন অক্ষয় তৃতীয়া। সনাতন ধর্ম মতে, এদিন ব্রহ্মার পুত্র অক্ষয় কুমারের জন্ম হয়। এদিন ধরাধামে আর্বিভূত হয়েছিলেন ভগবান পরশুরাম। পরশুরামকে ২৪ দেবতার মধ্যে ষষ্ঠ অবতার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র ও হিন্দুধর্মে অক্ষয় তৃতীয়ার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। যেকোনও শুভ কাজ যদি এই দিনে করা হয় তাহলে সে কাজে সাফল্য আসে। এতে দেবী লক্ষ্মীর বিশেষ কৃপা পাওয়া যায় বলে মনে করা হয়। বৈশাখ মাসের শুক্ল পক্ষের তৃতীয়ায় এই দিনটিতে যে ধনসম্পদ ক্রয় করা হয়, তার ক্ষয় হয় না।

    চলতি বছরে কবে অক্ষয় তৃতীয়া

    চলতি বছর অক্ষয় তৃতীয়া পড়েছে শুক্রবার, ১০ মে (Akshaya Tritiya 2024)। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে এই দিনে সূর্য এবং চন্দ্র তাদের সর্বোচ্চ রাশিতে থাকে। শাস্ত্রে অক্ষয় তৃতীয়ার তিথিকে স্বয়ংসিদ্ধ মুহূর্ত বলা হয়। কথায় বলে এর মানে বৈশাখের মতো কোনও পুণ্য-মাস নেই, সত্যযুগের মতো কোনও যুগ নেই, বেদের মতো কোনও শাস্ত্র নেই এবং গঙ্গার মতো কোনও তীর্থযাত্রা নেই। একইভাবে অক্ষয় তৃতীয়ার মতো কোনও তিথি নেই। কথিত আছে, অক্ষয় তৃতীয়ায় রোহিণী নক্ষত্র থাকলে এই দিনের গুরুত্ব হাজার গুণ বেড়ে যায় এবং এবার ১০ মে অক্ষয় তৃতীয়ার দিন রোহিণী নক্ষত্র থাকবে সকাল ১০টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত। বছরে মাত্র একবার, অক্ষয় তৃতীয়ায়, বৃন্দাবনে বাঁকেবিহারীর পা দেখা যায় বলে বিশ্বাস। 

    অক্ষয় তৃতীয়ার গুরুত্ব

    বিশ্বাস করা হয় ,অক্ষয় তৃতীয়ার (Akshaya Tritiya 2024) দিনে শুরু করা কাজ শুভ ফল দেয়। এই কারণেই এই তিথিতে মানুষ নতুন ব্যবসা শুরু করেন। হালখাতার পুজো হয়। এই দিনে নতুন কিছু কেনাও শুভ। অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে আপনি যে কাজই করুন না কেন, তার ফল অবশ্যই পাবেন। তাই এই দিনে কোনও খারাপ বা অন্যায় কাজ করবেন না। অক্ষয় তৃতীয়া  থেকে সত্যযুগ, দ্বাপরযুগ ও ত্রেতাযুগের সূচনা হয়। কেনাকাটার পাশাপাশি অক্ষয় তৃতীয়া দান ধ্যানের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।  অক্ষয় তৃতীয়ায় যব দান করা স্বর্ণদানের সমতুল্য বলে বিবেচিত হয়। সেই সঙ্গে জমি, সোনা, পাখা, ছাতা, জল, সত্তু, কাপড় ইত্যাদিও এই দিনে দান করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: নিয়মিত পুজো করেন? জেনে নিন ঠাকুরের সামনে কতক্ষণ প্রসাদ রাখা যায়

    এদিন কী কী নিয়ম মানবেন

    ব্যবসা থেকে কেরিয়ারে উন্নতির জন্য আপনি অক্ষয় তৃতীয়ার (Akshaya Tritiya 2024) দিন সোনার গয়না কিনুন। সোনার গয়না বাড়ির উত্তর দিকে রাখুন। এতে আপনার ঘরে মা লক্ষ্মী বিরাজ করবে। দেবীর আশীর্বাদে আপনি জীবনে এগিয়ে যেতে পারবেন। আয়ের নতুন পথ খুলবে এবং জীবনে উন্নতি হবে আপনার। আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অক্ষয় তৃতীয়ায় দেবী লক্ষ্মীকে জাফরান ও হলুদ নিবেদন করুন। এতে আপনারা আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। শুধু তাই নয়, নতুন সম্পত্তি করতে পারেন এবং নয়া চাকরির সুযোগ পাবেন আপনি। যদি আপনি ভাগ্যের পূর্ণ সমর্থন পেতে চান এবং সেই সঙ্গে দেবী লক্ষ্মীর কৃপা পেতে চান তাহলে অক্ষয় তৃতীয়ার দিন আপনি বাড়ির প্রধান দরজায় কাঁচা আম এবং অশোক পাতা একই সঙ্গে বেঁধে রাখুন। এতে আপনারা ভাগ্যের পূর্ণ সমর্থন পাবেন আপনি। পরিবারের উপর ইতিবাচক শক্তি বজায় থাকবে। দূর হবে নেতিবাচক শক্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share