Tag: Madhyom

Madhyom

  • S Jaishankar: “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও”! উরি-পুলওয়ামা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও”! উরি-পুলওয়ামা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপারের সন্ত্রাস কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। যদি কেউ বা কারা ভাবে ভারতে সন্ত্রাস চালিয়ে কাঁটাতারের ওপারে পালিয়ে গিয়ে নিশ্চিন্তে থাকা যাবে তারা ভুল ভাবছে উরি, বা পুলওয়ামা (Uri and Pulwama Attacks) এর প্রমাণ, বলে দাবি বিদেশমন্ত্রীর। জয়শঙ্কর জানান, সন্ত্রাস মোকাবিলায় মোদি সরকারের আমলে যে স্টান্স নেওয়া হয়েছে, তা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার সময় থেকে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে।

    কড়া জবাব জয়শঙ্করের

    ভারতের মতো বিশাল দেশে নিরাপত্তা যে কতবড় চ্যালেঞ্জ সেই প্রসঙ্গ ধরেই নাম না করে ফের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। নয়া দিল্লির এক অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর বলেন,  “সন্ত্রাস মোকাবিলায় মোদি সরকারের আমলে যে স্টান্স নেওয়া হয়েছে, তা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার সময় থেকে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে। উরি হামলার পর পাকিস্তানকে পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারত। আগে ভারত সীমান্তের ওপার থেকে সন্ত্রাসবাদ সহ্য করত। ওই যুগটা পিছনে রয়েছে। ২৬/১১ মুম্বই হামলার পর থেকে আমরা কোনও বড় সন্ত্রাসবাদ হামলা দেখিনি দেশে। আজকের ভারতে যেকোনও সন্ত্রাসবাদই হোক..আমাদের জবাব বালাকোট.. উরি (হামলার পাল্টা হামলা)।’

    বোঝানোর জন্যই উরি-বালাকোট

    এদিন, কার্যত নাম না করে পাক সন্ত্রাসবাদীদের নিশানা করে জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। বিদেশমন্ত্রী বলেন, “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও। উরি আর বালাকোট করাই হয়েছিল বোঝানোর জন্য যে, না এভাবে জীবন কেটে যেতে পারে না,… মূল্য চোকাতে হবে। আর ভেবোনা যে তুমি কিছু করেছ বলে, আর ওই প্রান্তে পালিয়ে গিয়েছ বলে তুমি নিরাপদে রয়েছ। তুমি ওই প্রান্তেও নিরাপদ নও। তুমি সীমান্তের কাছেও নিরাপদ নও, তুমি আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করেও নিরাপদ নও। ফলে স্পষ্ট ও সরাসরি বার্তা দেওয়া হয়েছে তাদের , যাদের বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল, আর তারা তা বুঝেছে।” এর ফল স্বরূপ (Uri and Pulwama Attacks) দেশে সন্ত্রাসবাদের ঘটনা কমেছে বলে দাবি জয়শঙ্করের। 

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুনের হুমকি-ফোন! চেন্নাইয়ে সতর্ক এনআইএ আধিকারিকরা

    নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী পদ

    এদিন  রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ নিয়ে সম্ভাবনার কথাও বলেন বিদেশমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সবকিছু ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। এই মুহূর্তে  রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য ১৫ টি দেশ। আমেরিকা, চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইউকে সহ একাধিক দেশ রয়েছে সেখানে। স্থায়ী পদ পাওয়ার লড়াইতে রয়েছে ভারতও। অচিরেই তা মিলবে বলে মনে করেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sharada Peeth: আদি শঙ্করাচার্য পাঠ দিতেন, কেমন ছিল প্রাচীন ভারতের সারদা বিশ্ববিদ্যালয়?

    Sharada Peeth: আদি শঙ্করাচার্য পাঠ দিতেন, কেমন ছিল প্রাচীন ভারতের সারদা বিশ্ববিদ্যালয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন ভারতের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল সারদা পীঠ (Sharada Peeth)। ঐতিহাসিকদের মতে, দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত এই বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান চর্চার উল্লেখযোগ্য কেন্দ্র ছিল। এখানেই আদি শঙ্করাচার্য, কলহন শিক্ষাদান করতেন বলে জানা যায়। সারদা পীঠেই রচিত হয়েছিল অসংখ্য সংস্কৃত পান্ডুলিপি। সংস্কৃত শিক্ষার পীঠস্থান হয়ে উঠেছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয় পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীরের অবস্থিত। সারদা পীঠের বর্তমান অবস্থান পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে এবং জম্মু কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরে। সারদা পীঠে বিভিন্ন বৈদিক ধর্মের কাজ, ধর্মগ্রন্থ রচনা, অনুবাদ, ভাষ্যের কাজ চলত বলে জানা যায়। এরপাশাপাশি একাধিক বিষয়ে ছাত্ররা পাঠ নিতেন পণ্ডিতদের কাছে। অনেক ঐতিহাসিকের মতে সারদা পীঠ ছিল তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমসাময়িক এবং নালন্দার চেয়েও বহু পুরনো। 

    সারদা নামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিদ্যার দেবী অর্থাৎ দেবী সরস্বতী নাম 

    সারদা (Sharada Peeth) নামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিদ্যার দেবী অর্থাৎ দেবী সরস্বতী নাম। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন নামকরণ থেকেই বোঝা যায় জ্ঞান ও বিদ্যা চর্চার এক উৎকর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়। প্রসঙ্গত, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, দেবী সরস্বতীর আবাস ছিল কাশ্মীরে এবং সেই অনুযায়ী এই শ্লোক আজ ও উচ্চারিত হয়- 
    “नमस्ते शारदे देवी काश्मीरपुरवासिनि, त्वामहं प्रार्थये नित्यं विद्यादानं च देहि मे”

    ২৩৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থাপন করা হয়েছিল

    ঐতিহাসিকদের গবেষণা থেকে জানা যায়, ২৩৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থাপন করা হয়েছিল। আবার অনেক গবেষক মনে করেন, কুষাণদের রাজত্বকালে প্রথম শতাব্দীর দিকে এটি নির্মিত হয়েছিল। সারদা পীঠের (Sharada Peeth) সঙ্গে আদিগুরু শঙ্করাচার্যের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছে। মনে করা হয় আদিগুরু শঙ্করাচার্য সারদা পীঠের দায়িত্ব নেওয়ার আগে সেখানে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরাই শিক্ষাদান করতেন। দেশভাগের আগে পর্যন্ত সারদা পীঠ ছিল ভারতের তিনটি প্রধান মন্দিরের অন্যতম। অন্য দুটি হল মার্তন্ড সূর্য মন্দির অমরনাথ মন্দির।

    সারদা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন পাঁচ হাজারেরও বেশি পণ্ডিত ও ছাত্র 

    ঐতিহাসিকদের গবেষণা থেকে জানা যায়, সারদা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন পাঁচ হাজারেরও বেশি পণ্ডিত ও ছাত্র। সেখানে একটি লাইব্রেরিও ছিল। এই গ্রন্থাগার নালন্দার থেকে কোনও অংশে কম ছিল না। এখানে বৌদ্ধধর্মের শিক্ষা যেমন দেওয়া হতো, তেমনই ইতিহাস, ভূগোল, স্ট্রাকচারাল সায়েন্স, যুক্তিবিদ্যা, দর্শন ইত্যাদিও পড়ানো হতো। অনেক ঐতিহাসিকের মতে, প্রাচীন ভারতের সবথেকে বৃহত্তম গ্রন্থাগার সারদা বিশ্ববিদ্যালয়তেই ছিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি নিজস্ব লিপির কথাও জানা যায়, একটি হল সারদা লিপি এবং অপরটি হল নাগরী লিপি।

    সারদা পীঠে হিন্দু বৌদ্ধ ধর্মের পাশাপাশি জৈন সমাজের পণ্ডিতরাও যুক্ত ছিলেন

    সারদা পীঠে (Sharada Peeth) হিন্দু বৌদ্ধ ধর্মের পাশাপাশি জৈন সমাজের পণ্ডিতরাও যুক্ত ছিলেন বলে জানা যায়। রামানুচার্য সারদাপীঠ দর্শন করেছিলেন বলে জানা যায়। চিনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং সারদা পীঠে আসেন। এই পীঠকে জ্ঞান ও শিক্ষার এক উৎকর্ষ এবং সমৃদ্ধ কেন্দ্র হিসেবে তিনি নিজের বিবরণীতে লেখেন। দেশভাগের পরবর্তীকাল থেকেই পাকিস্তান মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীদের হানা চলতে থাকে জম্মু-কাশ্মীরে। যার ফলে এই মন্দিরটি পরিত্যক্ত হয়ে ওঠে। ২০০৫ সালে কাশ্মীরে ভূমিকম্পের ফলে মন্দিরটি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও পাকিস্তান সরকার এই মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণ এবং পুনরুদ্ধারের জন্য কোনও রকমের ব্যবস্থা নেয়নি।

    আদি শঙ্করাচার্য পাঠদান করতেন

    বহু উল্লেখযোগ্য পণ্ডিতদের নাম জড়িয়ে রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন হলেন-

    কলহন: কলহন ছিলেন প্রাচীন ভারতবর্ষের একজন ঐতিহাসিক। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ রাজতরঙ্গিনী সংস্কৃত ভাষায় লেখা। এটি কাশ্মীরের ওপর লেখা একটি ইতিহাস।

    আদি শঙ্করাচার্য: আদি শঙ্করাচার্যের নামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে হিন্দু ধর্মের পুনর্জাগরণের ইতিহাস। আদি শঙ্করাচার্যও যুক্ত ছিলেন সারদা পীঠের সঙ্গে।

    কুমারজীব: সারদা পীঠের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বৌদ্ধ পণ্ডিত কুমারজীবের নাম যিনি একজন অনুবাদক ছিলেন।

    হিন্দুদের বিশ্বাস, সতীর ডান হাত এখানে পড়েছিল

    প্রসঙ্গত, ৫১ শক্তি পীঠের মধ্যে অন্যতম হল সারদা পীঠ। হিন্দুদের বিশ্বাস, সতীর ডান হাত এখানে পড়েছিল। ঐতিহাসিকদের মতে, কলহন তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ রাজতরঙ্গিনীতে লেখেন, অষ্টম শতাব্দীতে গৌড় রাজা ললিতাদিত্যের শিষ্যরা সারদা মন্দিরের দর্শনের জন্য বাংলা থেকে কাশ্মীরে এসেছিলেন। আকবরের সভাকবি আবুল ফজলের লেখাতেও উল্লেখ মেলে সারদা পীঠের।

    সাম্প্রতিক সময়ে ফের একবার সারদা পীঠ খবরের শিরোনামে এসেছে

    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে ফের একবার সারদা পীঠ খবরের শিরোনামে এসেছে। গত বছরেই ২২ মার্চ ২০২৩ সালে কুপওয়ারাতে সারদা মন্দিরের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন অমিত শাহ এবং সে সময় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সারদা পীঠ যা বর্তমানে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত, এটি ভারত থেকে আসা হিন্দু তীর্থযাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া উচিত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য সারদা পীঠের মতোই শিখ তীর্থযাত্রী যাত্রীদের জন্য কর্তারপুরে একটি করিডোর ইতিমধ্যে খোলা হয়েছে। সেরকমই সারদা পীঠে (Sharada Peeth) হিন্দু তীর্থযাত্রীদের জন্য করিডর খোলা হবে নাকি তা ভবিষ্যতেই বোঝা যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “গরু পাচারের টাকা ঢুকেছে দেবের অ্যাকাউন্টে”, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “গরু পাচারের টাকা ঢুকেছে দেবের অ্যাকাউন্টে”, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হকের সঙ্গে ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেবের নাম আগেই জড়িয়েছিল। এই নিয়ে তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে তলব করেছিল। হাজিরাও দিয়েছিলে দেব। এবার এনামুলের ডায়রির পাতা পোস্ট করে বোমা ফাটালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। গরু পাচারের টাকা দেবের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে, এই বিষয়টি সামনে আসতেই ষষ্ঠদফা নির্বাচনের আগেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ‘দেবের কীর্তি’! (Suvendu Adhikari)

    বৃহস্পতিবার সকালে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তাঁর এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেছিলেন। তার ক্যাপশন ছিল ‘দেবের কীর্তি’। তাতে দেখা যাচ্ছে, ‘আরণ্যক ট্রেডার্স’ নামে একটি সংস্থার লেজ়ার অ্যাকাউন্ট। তার ওপরে রয়েছে অন্য একটি সংস্থার নাম। তার শুধুমাত্র ‘ভেনচার্স প্রাইভেট লিমিটেড’ অংশটি শুভেন্দুর পোস্টে দৃশ্যমান। পুরো নাম স্পষ্ট নয়। ওই লেজ়ার অ্যাকাউন্টের তথ্য অনুযায়ী, ‘আরণ্যক ট্রেডার্স’ এবং ‘ভেনচার্স প্রাইভেট লিমিটেড’ লেখা সংস্থার আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে ২০১৬ সালের ২৪ এবং ২৫ নভেম্বর ২৫ লক্ষ টাকা করে মোট ৫০ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে। অন্য একটি জায়গায় দেখা যাচ্ছে, একটি ডায়েরির পাতায় হাতে লেখা ‘দেব মোবাইল: ৭২ হাজার টাকা’ এবং ‘দেব ঘড়ি: ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা’। পাশেই একটি পাতায় ছাপানো অক্ষরে ইংরেজিতে লেখা ‘দেব মোবাইল অ্যান্ড দেব ওয়াচ’। শুভেন্দু বলেন, যে ডায়েরির পাতা আমি পোস্ট করেছি, তা এনামুল হকের। এনামুল গরু পাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত। আবার হিরণ দাবি করেছেন, ‘আরণ্যক ট্রেডার্স’ এনামুলেরই সংস্থা। এনামুলের সংস্থা থেকে দেবের সংস্থার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছিল।

    দেবের কীর্তি:

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    দেব কী বললেন?

    পাল্টা দেব এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “ও শুভেন্দুদা, তুমি নাকি কোথায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছ, হিরণের পাল্লায় পড়ে তোমাকে তো কাউন্সিলরে নামিয়ে দিচ্ছে। ভালবাসি বলে বললাম, আমিও জানি তুমি আমাকে ভালবাসো। আর রইল কথা গরু চুরির টাকা, তোমার কোলের ছেলে হিরো হিরণ, সে-ও পিন্টু মণ্ডলের থেকে টাকা নিয়েছে, তা হলে উনিও কি গরু চোর?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • OBC status in WB: ভোটব্যাঙ্ক! তৃণমূল জমানায় ওবিসি হয়েছিল যারা, খারিজ করেছে হাইকোর্ট, দেখুন তালিকা

    OBC status in WB: ভোটব্যাঙ্ক! তৃণমূল জমানায় ওবিসি হয়েছিল যারা, খারিজ করেছে হাইকোর্ট, দেখুন তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টে বড় ধাক্কা রাজ্য সরকারের। ২০১০ সাল থেকে জারি করা সমস্ত ওবিসি (OBC status in WB) সার্টিফিকেট বাতিল বলে সম্প্রতি নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট৷ বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) রায় দিয়ে জানিয়েছে, ‘এই আদালত মনে করছে যে মুসলিমদের ৭৭টি শ্রেণিকে অনগ্রসর বলে চিহ্নিত করার বিষয়টি সার্বিকভাবে পুরো সম্প্রদায়ের জন্য অপমানজনক। রাজনৈতিক স্বার্থে ওই সম্প্রদায়গুলিকে যে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি, তা নিয়ে আদালত যে সন্দেহ-মুক্ত, তা নয়। যে যে ঘটনার রেশ ধরে (ওই) ৭৭টি শ্রেণিকে ওবিসি তকমা দেওয়ার হয়েছিল, তা দেখে এটা স্পষ্ট যে (ওই শ্রেণিগুলিকে) ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল।’

    পশ্চিমবঙ্গে মোট কতগুলি সম্প্রদায় ওবিসি তালিকাভুক্ত?

    পশ্চিমবঙ্গে ওবিসির (OBC status in WB) তালিকায় ১৭৯টি সম্প্রদায়কে রাখা হয়েছে। তাদের আবার দুটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ক্যাটেগরি এ হল— অতি অনগ্রসর এবং ক্যাটেগরি বি হল অনগ্রসর। ক্যাটেগরি এতে রয়েছে ৮৩টি জাতি, যাদের মধ্যে আবার ৭৩টি জাতি মুসলিম। যেমন বৈদ্য মুসলিম, ব্যাপারী মুসলিম, মুসলিম ছুতোর মিস্ত্রি, মুসলিম দফাদার, গায়েন মুসলিম, মুসলিম জমাদার, মুসলিম কালান্দার, মুসলিম কসাই, মুসলিম মাঝি, খানসামা ইত্যাদি। অন্যদিকে ক্যাটেগরি বি তালিকায় থাকা ৯৮টি জাতির মধ্যে ৪৫টি মুসলিম। এই তালিকায় যারা রয়েছেন তারা হলেন বৈশ্য কাপালি, বংশী বর্মণ, বারুজীবী, চিত্রকর, দেওয়ান, কর্মকার, কুর্মি, মালাকার, ময়রা, গোয়ালা, তেলি ইত্যাদি।

    কী কী সুবিধা মেলে?

    যে সকল নাগরিকদের ওবিসি (OBC status in WB)  সার্টিফিকেট রয়েছে তারা সরকারি চাকরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার জন্য সংরক্ষণের সুবিধা পেয়ে থাকেন। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে মোট ১৭ শতাংশ ওবিসি সংরক্ষণ রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। যাদের মধ্যে ১০% ক্যাটাগরি এ এবং ৭% ক্যাটাগরি বি-র। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সংরক্ষণের পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রেও অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রেও যাদের ওবিসি সার্টিফিকেট রয়েছে তারা অতিরিক্ত সুবিধা পান। উদাহরণ দিয়ে বলা যেতে পারে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ওবিসি সম্প্রদায়ের মহিলারা বেশি টাকা পান, এছাড়াও কেন্দ্র সরকারের উজ্জ্বলা যোজনা সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যায়। 

    হাইকোর্টের রায়ে কোন কোন শ্রেণির উল্লেখ রয়েছে?

    চাসাট্টি (চাষা), বেলদার মুসলিম, খোট্টা (মুসলিম), সর্দার (মুসলিম), নিকারি, মহলদার, ঢুকরে (মুসলিম), বসনি (মুসলিম),  আবদাল (মুসলিম), কান (মুসলিম), টুটিয়া (মুসলিম), গায়েন (মুসলিম), ভাটিয়া মুসলিম, মিদ্যে (মুসলিম), মল্লিক (মুসলিম),  কালান্দর (মুসলিম), লস্কর (মুসলিম),বৈদ্য (মুসলিম), জমাদার (মুসলিম), ছুতোর মিস্ত্রি (মুসলিম), দফাদার (মুসলিম), মাল (মুসলিম), পাটনি/মাজি (মুসলিম), মুচি-চামার (মুসলিম), নেহারিয়া, মুসলিম হালদার, শিউলি (মুসলিম), মুসলিম মণ্ডল, মুসলিম সাঁপুই, মুসলিম বিশ্বাস, মুসলিম মালি, ঘোসি, দর্জি/ওস্তাগর/ইদ্রিসি, রাজমিস্ত্রি, ভাতিয়ারা, মোল্লা, ঢালি (মুসলিম), তালপাখা বেনিয়া, মুসলিম পিয়াদা, মুসলিম বারুজীবী/বারুই, ব্যাপারি মুসলিম, পেঞ্চি, ভাঙ্গি (মুসলিম), ধাত্রী/দাই (মুসলিম), ঘরামি (মুসলিম), ঘোরখান (মুসলিম), গোলদার (মুসলিম), হালসানা (মুসলিম), কয়াল (মুসলিম), নাইয়া (মুসলিম), শিকারি (মুসলিম), আদলদার (মুসলিম), আখান/আকান/আকুঞ্জি (মুসলিম), বাগ (মুসলিম), চাপরাশি (মুসলিম), চুরিহার (মুসলিম), দপতরি (মুসলিম), দেওয়ান (মুসলিম), ধবক (মুসলিম), গাজি (মুসলিম), খান (মুসলিম), কোলু (মুসলিম), মাজি (হিন্দু), মালিতা/মালিতা/মালিত্য (মুসলিম), মিস্ত্রি (মুসলিম), পাইক (মুসলিম), পৈলান (মুসলিম), পুরকাইত (মুসলিম), সানা (মুসলিম), সারাং (মুসলিম), সরকার (মুসলিম),  শাহ (ফকির), শাহ, শা (মুসলিম), সাহাজি (মুসলিম), ফকির, তরফদার (মুসলিম), গাভারা, মৌলি (মুসলিম), সেপাই (মুসলিম)। 

    আরও পড়ুন: ২ দশক ধরে চলা ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কেলেঙ্কারির আসল সত্য প্রকাশ্যে! কী ঘটেছিল?

    ২০১০ সাল থেকে আর কোন কোন শ্রেণিকে ‘ওবিসি’ ঘোষণা করা হয়েছিল?

    শেখ, বায়েন (মুসলিম), ভুঁইয়া (মুসলিম), বোরা (মুসলিম), গোরে (মুসলিম), হাতি (মুসলিম), জাটুয়া (মুসলিম), খন্দেকার বা খঙ্কর (মুসলিম), পাহার (মুসলিম), রাফতান (মুসলিম), বরাদি (মুসলিম), দালাল (মুসলিম), হোসেন গোয়ালা (মুসলিম), খালাসি (মুসলিম), কিচনি (মুসলিম), মুক্তি/মুফতি (মুসলিম), কালাল/ইরাকি, কালোয়ার, আট্ট (মুসলিম), খানসামা, সরলা/সারওয়ালা (মুসলিম), বাগানি (মুসলিম), ভাণ্ডারী (মুসলিম), হাওয়াইকার (মুসলিম), খাজনক্রিয়া / খাজনক্রিয়া (মুসলিম), কাথা (মুসলিম), মুদি/মেহদি (মুসলিম), সাহানা (মুসলিম), কাজি (মুসলিম), কোতল (মুসলিম), গুরুং, হাজারি (মুসলিম), লায়েক (মুসলিম), খাস, শিকদার (মুসলিম), চৌধুরী (মুসলিম), বৈরাগী/বৈষ্ণব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Srilanka Relation: “বন্ধু ভারতের ক্ষতি কাউকে করতে দেব না”, পরোক্ষে চিনকে হুঁশিয়ারি শ্রীলঙ্কার?

    India Srilanka Relation: “বন্ধু ভারতের ক্ষতি কাউকে করতে দেব না”, পরোক্ষে চিনকে হুঁশিয়ারি শ্রীলঙ্কার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা কাউকে ভারতের ক্ষতি করতে দেব না।” এই মন্তব্য দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি সাবরির (India Srilanka Relation)। তিনি বলেন, “ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শ্রীলঙ্কা। দায়িত্বশীল প্রতিবেশী হিসেবে কেউ যাতে ভারতের নিরাপত্তার ক্ষতি করতে না পারে তাও নিশ্চিত করব আমরা।”

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

    সাবরি বলেন, “শ্রীলঙ্কা যে কোনও দেশের সঙ্গে স্বচ্ছভাবে কাজ করতে চায়। তবে সেজন্য অন্য কারও ক্ষতি যাতে না হয়, সেদিকেও নজর থাকবে আমাদের।” সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী (India Srilanka Relation) বলেন, “আমরা খুব স্পষ্টভাবে বলেছি যে আমরা সমস্ত দেশের সঙ্গে কাজ করতে চাই। তবে ভারতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে কোনও যুক্তিসঙ্গত উদ্বেগকে বিবেচনা করে দেখা হবে। আমরা ভারতের নিরাপত্তার ক্ষতি করতে দেব না।” তিনি বলেন, “দায়িত্বশীল প্রতিবেশী ও সভ্যতার অংশীদার হিসেবে আমরা এমন কিছু করব না যা ভারতের নিরাপত্তার ক্ষতি করবে।”

    চিনা চর জাহাজ

    গত বছর শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে নোঙর করেছিল চিনা চর জাহাজ ইউয়ান ওয়াং ৫। তাতে প্রবল আপত্তি জানিয়েছিল ভারত। ওই বছরেরই অগাস্ট মাসে শ্রীলঙ্কায় নোঙর করেছিল হাই ইয়াং ২৪ হাও নামের আরও একটি গুপ্তচর জাহাজ। এবারও উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারত। যদিও চিনের দাবি, গবেষাণার উদ্দেশে ওই বন্দরে ভিড়েছিল তাদের জাহাজ। অবশ্য ভারত দাবি করেছিল, দু’টিই চিনের গুপ্তচর জাহাজ। ভারতের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর নজরদারি করতে বারংবার শ্রীলঙ্কার বন্দরে ভিড়ছে চিনা চর জাহাজ। এই বিষয়ে শ্রীলঙ্কাকে সাবধান করেছিল আমেরিকাও।

    আর পড়ুন: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    পরে অবশ্য হাম্বানটোটা থেকে চর জাহাজ সরিয়ে নিয়েছিল বেজিং। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, সেকথা মাথায় রেখেই শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রীর মুখে ভারতের ক্ষতি করতে না দেওয়ার অঙ্গীকার। ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। সে প্রসঙ্গে এই দ্বীপরাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ভারতে গণতন্ত্রের উদযাপন হচ্ছে। ফল যাই হোক না কেন, ভারতের সঙ্গে কাজ করবে শ্রীলঙ্কা।” তিনি বলেন, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। ভারতীয় জনগণ শিক্ষিত। ভারতীয় জনগণ জানবেন, তাঁদের জন্য কী ভালো। জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে (India Srilanka Relation)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুনের হুমকি-ফোন! চেন্নাইয়ে সতর্ক এনআইএ আধিকারিকরা

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুনের হুমকি-ফোন! চেন্নাইয়ে সতর্ক এনআইএ আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির নর্থ ব্লকে বিস্ফোরণের হুমকির পর এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) মেরে ফেলার হুমকি ফোন পেল এনআইএ ৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ের (Chennai) পুরশৈবকমে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ-র কার্যালয়ে এই ফোন আসে ৷ অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি এনআইএ-র কন্ট্রোল রুমে ফোন করে হিন্দি ভাষায় প্রধানমন্ত্রীকে খুন করার হুমকি দেয় ৷

    প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি ফোন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) মেরে ফেলার হুমকি শুনেই সতর্ক হয়ে যায় এনআইএ আধিকারিকরা। তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে চেন্নাই পুলিশে খবর দেয় ৷ যে নম্বর থেকে ফোন এসেছিল, সেই নম্বরটিও পুলিশকে দেওয়া হয়েছে ৷ চেন্নাইয়ের সাইবার ক্রাইম পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে ৷ কোথা থেকে এই ফোন এসেছিল ? ফোন করতে কোন সিম কার্ড ব্যবহার করা হয়েছে ? সাইবার ক্রাইম পুলিশ এই তথ্যগুলির সন্ধান করছে ৷ তবে মনে করা হচ্ছে বিষয়টি পুরোপুরি ভুয়ো। ভয় দেখানোর জন্য এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবুও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে কোনও প্রশ্ন তুলতে চায় না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাই সব দিক খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: শ্বাসরোধ করেই খুন বাংলাদেশি সাংসদকে, টুকরো করে লোপাট করা হয় দেহাংশ!

    বোমা হামলার হুমকি

    এর আগে বধুবার বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ দিল্লির নর্থ ব্লকে বোমা হুমকির মেল আসে ৷ সেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কার্যালয় রয়েছে ৷ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, কুকুরের স্কোয়াড, বম্ব স্কোয়াড ৷ তন্ন তন্ন করে খুঁজেও কোথাও কিছু পাওয়া যায়নি ৷ পরে এই মেলকে ভুয়ো মেল বলে জানায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ৷ দেশ এখন লোকসভা নির্বাচন চলছে। এসময় এরকম অনেক হুমকি আসে।  এর আগে দিল্লির কিছু হাসপাতালে ও ৭০ এর বেশি দিল্লি ও নয়ডার স্কুলে বোমা হামলার হুমকি এসেছিল। কলকাতাতেও কিছুদিন আগে এরকম এক উড়ো মেলের খবর রটেছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kaamya Karthikeyan: কনিষ্ঠতম ভারতীয় কন্যা! মাত্র ১৬ বছরে এভারেস্ট শৃঙ্গজয় দ্বাদশ শ্রেণির কামিয়ার

    Kaamya Karthikeyan: কনিষ্ঠতম ভারতীয় কন্যা! মাত্র ১৬ বছরে এভারেস্ট শৃঙ্গজয় দ্বাদশ শ্রেণির কামিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ১৬ বছরে এভারেস্টের (Mount Everest) চূড়ায় পা রাখলেন মুম্বইয়ের নেভি স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী কামিয়া কার্তিকেয়ন (Kaamya Karthikeyan)। এই অভিযানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাবা কমোডোর এস কার্তিকেয়ন, যিনি নৌসেনার অফিসার। টাটা স্টিল ফাউন্ডেশনের সদস্য কামিয়া নতুন রেকর্ড স্থাপন করলেন। এত অল্প বয়সে এর আগে কোনও ভারতীয় কিশোরী এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখেনি। মেয়ের কৃতিত্বে গর্বিত বাবা। 

    কামিয়ার রেকর্ড

    গত সোমবার দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে এভারেস্টের চূড়ায় পা রাখেম কামিয়া। পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গে তেরঙা পতাকা ওড়ায় কামিয়া (Kaamya Karthikeyan)। একই সঙ্গে তার হাতে ছিল টাটা স্টিলের পতাকাও। কামিয়ার পরেই দুপুর ২টো ১৫ মিনিটে তাঁর বাবা এস কার্তিকেয়ন এভারেস্টে পা রাখেন। এর আগে এখনও পর্যন্ত আফ্রিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো, ইউরোপের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রাস ও অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট কোসিয়াসকো-সহ ৫টি শিখর জয় করেছে কামিয়া।

    কবে থেকে শুরু অভিযান

    এপ্রিল মাসের ৬ তারিখ কাঠমান্ডু থেকে অভিযান শুরু করেছিল কামিয়া। প্রায় দেড় মাসের সফর শেষে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছলেন কামিয়া (Kaamya Karthikeyan)। ১৯ মে এভারেস্ট (Mount Everest) বেসক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু কামিয়া, সঙ্গে তাঁর বাবা। মাত্র ৯বছর বয়স থেকেই পাহাড়ে ওঠার নেশা কামিয়ার। এর আগে  দ্বিতীয় কনিষ্ঠ কন্যা হিসেবে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে ট্রেক করে কামিয়া। ১৮ বছরের নীচে দেশের সবচেয়ে বড় নাগরিক সম্মান প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল শক্তি পুরষ্কার পেয়েছে কামিয়া।
     
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ভোটের জন্য বন্ধ রাখা হল ছাতনার ৩০০ বছরের ঐতিহাসিক ‘রানীর গাজন’

    Bankura: ভোটের জন্য বন্ধ রাখা হল ছাতনার ৩০০ বছরের ঐতিহাসিক ‘রানীর গাজন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবছর বাঁকুড়ায় (Bankura) পালিত হয় ঐতিহাসিক রানীর গাজন। এই উৎসব প্রত্যেকবার বাংলায় ১১ জ্যৈষ্ঠ ছাতনা রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে আয়োজন হয়ে থাকে। অত্যন্ত প্রাচীন এবং মর্যাদাপূর্ণ উৎসব হিসাবে মান্যতা দেওয়া হয়। কিন্তু এই বছর ওই দিন পড়েছে ২৫ মে। আবার ওই দিনই হল ষষ্ঠ দফার ভোট গ্রহণের দিন। প্রশাসনের অনুরোধে ওই দিনে গাজন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    রাজবাড়ির বিজ্ঞাপন (Bankura)

    জানা গিয়েছে, ভোটের দিনেই ছাতনার রানির গাজনের (Bankura) অনুষ্ঠান পড়ায় এবার তা বন্ধ রাখা হবে। রাজবাড়ির বর্তমান প্রতিনিধি প্রদীপ সিংহদেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই সংবাদ সকলকে জানিয়েছেন। তবে ধর্মীয়রীতি, পরম্পরা, লোকাচার অক্ষুণ্ণ থাকবে। জান গিয়েছে, রানী আনন্দকুমারী এই অনুষ্ঠানের প্রবর্তন করেছিলেন।

    রাজবাড়ির বক্তব্য

    ছাতনা (Bankura) রাজবাড়ির বর্তমান রাজা প্রদীপ সিংহদেও বলেন, “আনুমানিক ৩০০ বছর পুরানো এই গাজন। নির্জন থাকার কারণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবে রীতি মেনেই ২৪ তারিখ সমস্ত কাজ করা হবে।” বাঁকুড়ার নানাবিধ লোকসংস্কৃতির উপাদানের মধ্যে গাজন হল একটি গুরুত্বপূর্ণ লোক উৎসব। এই গাজনকে উপভোগ করার জন্য আবার পরের বছরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি কর্মী খুনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র নন্দীগ্রাম! জ্বলল বাড়ি-দোকান, পালিত হল বন্‌ধ

    তিনশ বছরের পুরাতন এই গাজন

    আজকের দিনে রাজতন্ত্র না থাকলেও রাজার প্রবর্তিত ধর্মীয় লোকাচার এখনও অক্ষত। বাঁকুড়া (Bankura) জেলার পশ্চিম সীমান্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হল ছাতনা। সবুজ বনে ঘেরা ছাতনা রাজবাড়ির মা মৃন্ময়ীর দুর্গামন্দির। একসময় সামন্তভূমের রাজধানী আজ থেকে প্রায় তিনশো বছর আগে এই মন্দির তৈরি করেছিলেন তৎকালীন রানি আনন্দ কুমারী। রানির হাত ধরে শুরু হয়েছিল গাজন। প্রতি বছর এই গাজনে ভিড় জমান হাজার হাজার মানুষ। কিন্তু ষষ্ঠ দফার নির্বাচন থাকায় এই বছর গাজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এলাকার মানুষ এই নিয়ে মনে বিষাদের ছায়া। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Blood Transfusion Scandal: ২ দশক ধরে চলা ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কেলেঙ্কারির আসল সত্য প্রকাশ্যে! কী ঘটেছিল?

    Blood Transfusion Scandal: ২ দশক ধরে চলা ব্রিটেনের স্বাস্থ্য কেলেঙ্কারির আসল সত্য প্রকাশ্যে! কী ঘটেছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  পাঁচ দশক আগের কেলেঙ্কারি। ছ’বছর ধরে চলা তদন্ত। অবশেষে সামনে এল সত্য। সম্প্রতি শেষ হওয়া তদন্তে জানা গিয়েছে ব্রিটেনে ১৯৭০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ এইচআইভি এবং হেপাটাইটিস সি দ্বারা সংক্রামিত হয়েছিল। কিন্তু এই রোগের চিকিৎসা করাতে এলে সে দেশের স্বাস্থ্যক্ষেত্রের গাফিলতিতে (Blood Transfusion Scandal) মারা যায় প্রায় ৩০০০ মানুষ। কিন্তু এত বড় ঘটনাটি এতদিন সম্পূর্ণভাবে লুকিয়ে গেছিল সে দেশের সরকার। কিন্তু সত্য কখনো চাপা থাকেনা। সত্যি সামনে আসতেই এবার ক্ষতিপুরণ ঘোষনা করলেন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Blood Transfusion Scandal) 

    জানা গিয়েছে সরকারি স্বাস্থ্যক্ষেত্র এনএইচএসের গাফিলতিতে ১৯৭০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনে ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ এইচআইভি এবং হেপাটাইটিস সি দ্বারা সংক্রামিত হয়েছিল দূষিত রক্তের পণ্য এবং ট্রান্সফিউশন দ্বারা। অনেক হিমোফিলিয়া আক্রান্ত তাদের চিকিৎসার জন্য সংক্রামিত রক্তের নমুনা দিয়েছিলেন। এরপর সেই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অযত্ন ও অবহেলার ফলে শুদ্ধ ও দূষিত রক্তের নমুনা মিশে যায়। আর সেই রক্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত করা হলে তাদের রক্তও সংক্রমিত হয়ে যায়। ফলে দূষিত রক্তের প্রভাবে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় মারা যায় প্রায় ৩০০০ মানুষ। 

    ক্ষতিপূরণ ঘোষণা সরকারের 

    অন্যদিকে ভোটের আগে এই কেলেঙ্কারি (Blood Transfusion Scandal) ফাঁস হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। জানা গিয়েছে সরাসরিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেককে ২০ লক্ষ পাউন্ড দেওয়া হবে। আর যাদের হেপাটাইটিস সংক্রমণের ফলে লিভারের ক্ষতি হয়েছে তারা প্রায় ১০ লক্ষ পাউন্ড পাবে। 

    আরও পড়ুন: ভোট মিটে গেলেও রাজ্যে থাকবে ৩২০ কোম্পানি বাহিনী, জানাল কমিশন

    এই ক্ষতিপূরণের টাকা ধাপে ধাপে দেওয়া হবে। আপাতত চলতি মরসুমে দুলক্ষ পাউন্ড দেওয়া হবে, বছরের শেষে মিলবে মোটা অঙ্কের কিস্তি। সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত (Blood Transfusion Scandal) চার হাজার মানুষকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। দ্বিতীয় দফায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তদের অবর্তমানে তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে তদন্তের দায়িত্বে থাকা কমিটি জানিয়েছে, এই ভয়ানক কেলেঙ্কারির (Blood Transfusion Scandal) কথা গত পঞ্চাশ বছর ধরে বেমালুম চেপে রাখা হয়েছে। সংক্রামিত রক্তের এই তদন্তকে এনএইচএস এর ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ চিকিৎসা বিপর্যয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    Lok Sabha Elections 2024: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ক্যান্সারের চেয়েও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ইন্ডি ব্লক।” উত্তরপ্রদেশের শ্রাবস্তীর এক জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Lok Sabha Elections 2024)। এদিনের জনসভায় আগাগোড়াই তিনি আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি বিরোধী জোটকে। বলেন, “তারা (ইন্ডি) যদি ছড়িয়ে পড়ে, তবে গোটা ভারতকে ধ্বংস করে দেবে। ক্যান্সারের চেয়েও তিনটি রোগ দেশের পক্ষে মারাত্মক। এই রোগগুলি হল, এই লোকগুলো দারুণভাবে সাম্প্রদায়িক, এরা ভীষণভাবে বর্ণবাদী, এরা ভয়ঙ্করভাবে পরিবারবাদী।”

    বন্ধ করে দেবে জনধন অ্যাকাউন্ট! (Lok Sabha Elections 2024)

    প্রসঙ্গত, অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন হবে সাত দফায়। ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে পঞ্চম দফার নির্বাচন। ষষ্ঠ দফার নির্বাচন হবে ২৫ মে, শনিবার। দেশের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে নির্বাচন হয়ে গিয়েছে ৪৩০টি আসনে (Lok Sabha Elections 2024)। শ্রাবস্তীর ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “শ্রাবস্তীর একটি সমৃদ্ধশালী এবং পৌরাণিক আখ্যান রয়েছে। সারা বিশ্বের পর্যটকরা এই জায়গা দর্শন করতে আসেন। তা সত্ত্বেও পূর্বতন সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজবাদী পার্টি এবং কংগ্রেস কখনও এখানকার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেয়নি।” জনধন প্রকল্পে দেশে ৫০ কোটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। বিরোধীরা ক্ষমতায় এলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর। বলেন, “মোদি ৫০ কোটিরও বেশি দরিদ্র মানুষকে খুলে দিয়েছে জনধন অ্যাকাউন্ট। তারা (বিরোধীরা) আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেবে। আপনার টাকা ছিনিয়ে নেবে।”

    আর পড়ুন: স্বাতীর পাশে নির্ভয়ার মা, আপকে নিশানা ‘নির্যাতিতা’ সাংসদের

    দুই ছেলের জুটি

    তিনি যে সামান্য একটি পরিবার থেকে উঠে এসেছেন, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “মোদি কোনও রাজ পরিবার থেকে আসেনি। আমি এই মায়েদের মতো এক গরিব মায়ের সন্তান। আমি কারও জন্য কিছু অর্জন করতে চাই না। তবে আমি দেশকে এমন শক্তিশালী করতে চাই যে বংশবাদী দলগুলি যেন আর দেশকে ধ্বংস করতে না পারে। এজন্য আপনাদের আশীর্বাদ চাই।” কংগ্রেস-সমাজবাদী দলের জোটকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইউপিতে ফের চালু হয়েছে দুই ছেলের (রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদব) জুটি। একই পুরানো ফ্লপ ছবি, একই পুরানো চরিত্র, একই পুরানো সংলাপ। পুরো নির্বাচন শেষ হতে চলেছে, কিন্তু আপনি কী এই লোকদের কাছ থেকে একটিও নতুন কথা শুনেছেন (Lok Sabha Elections 2024)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share