Tag: Madhyom

Madhyom

  • Vasuki Indicus: গুজরাটে উদ্ধার প্রায় ৫ কোটি বছর পুরনো বিশালাকার বাসুকি সাপের জীবাশ্ম

    Vasuki Indicus: গুজরাটে উদ্ধার প্রায় ৫ কোটি বছর পুরনো বিশালাকার বাসুকি সাপের জীবাশ্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয় নয় করে প্রায় ৪ কোটি ৭০ লক্ষ বছরের পুরনো প্রাগৈতিহাসিক বাসুকি সাপের (Vasuki Indicus) জীবাশ্ম উদ্ধার হল ভারতের মাটি থেকে। গুজরাটের (Gujarat) কচ্ছ এলাকার একটি খনিতে আইআইটি রুরকির গবেষকদের দল এই জীবাশ্ম খুঁজে পেয়েছেন। আর এই জীবাশ্ম আরও একবার প্রমাণ করল যে একটা সময় তারা ছিল এই পৃথিবীতেই এবং দাপিয়ে বেড়াত এই ভারতীয় উপমহাদেশের বুকেই। কালের নিয়মে তারা বিদায় নিলেও পৃথিবীর বুকে আজও লুকিয়ে তাদের অতীতের অস্তিত্ব।

    কয়লা খনি থেকে উদ্ধার (Vasuki Indicus)

    জানা গিয়েছে, ২০০৫ সালে গুজরাটের কচ্ছ এলাকার একটি কয়লা খনি থেকে বিজ্ঞানীরা এই বাসুকির (Vasuki Indicus) জীবাশ্মটি আবিষ্কার করেছেন। প্রায় ৫ কোটি বছরের পুরনো প্রজাতি। এই প্রজাতির সাপটিকে ভারতের প্রাগৈতিহাসিক জীববৈচিত্র্যের অন্যতম বিশেষ নিদর্শন হিসেবে মেনে নিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তবে সম্প্রতি আইআইটি রুরকির জীবাশ্ম গবেষকের দল ওই সুবিশাল সাপের জীবাশ্ম সম্পর্কে এমন সব তথ্য প্রকাশ করেছেন যা শুনলে অবাক হয়ে যাবেন আপনিও।

    বিশ্বের দীর্ঘতম সাপ

    এই জীবাশ্ম পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীদের ধারণা, সাপটি (Vasuki Indicus) দৈর্ঘ্যে প্রায় ৩৫ থেকে ৫০ ফুট। ওজন প্রায় ১০০০ কিলোগ্রাম ছিল। চাঞ্চল্যকর এই আবিষ্কারে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে বৈজ্ঞানিক মহলে। অনুমান করা হচ্ছে, এখনও পর্যন্ত আবিষ্কৃত বিশ্বের দীর্ঘতম সাপ এটিই। হিন্দু দেবতা শিবের গলার থাকা সাপের নামে নয়া আবিষ্কৃত এই সাপের নাম রাখা হয়েছে বাসুকি ইন্ডিকাস (Vasuki Indicus), সাপটি মাৎসোইদাই (Madtsoiidae) প্রজাতিভুক্ত। একটি জার্নালের রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, এই সাপটি একটি স্বতন্ত্র প্রজাতিভুক্ত। যা ভারতের মাটিতে ৫ কোটি ৬০ থেকে ৩ কোটি ৪০ লক্ষ বছর আগে ইওসিন যুগে দক্ষিণ ইউরোপ থেকে আফ্রিকা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। আজকের স্তন্যপায়ী প্রজাতির প্রথম পূর্বপুরুষ এবং নিকটাত্মীয়রা ইওসিন যুগে পৃথিবীতে এসেছিল। এমনটাই মনে করেন বিজ্ঞানীরা।

    ২৭টি হাড় উদ্ধার হয়েছে

    অন্যদিকে, গবেষকরা এই জীবাশ্মকে টাইটেনোবোয়ার সঙ্গে তুলনা করছেন, একসময় যার বিচরণ ছিল পৃথিবীজুড়ে এবং পৃথিবীর দীর্ঘকায় সাপের (Longest Sake Ever Known) খেতাবও পেয়েছিল এই সাপটি। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া জীবাশ্মতে ২৭টি হাড়ের সন্ধান পান আইআইটি রুরকির বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে ২৭টি হাড় উদ্ধার হয়েছে সেগুলি সাপের (Vasuki Indicus) মেরুদণ্ডের। তার বেশিরভাগই এখনও অক্ষত। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, “এটি একটি পূর্ণ বয়স্ক সাপের হাড়। যার দৈর্ঘ্য ১১ থেকে ১৫ মিটার। আকারে বিশাল হওয়ার কারণে বর্তমান অ্যানাকোন্ডার (Anaconda) মতো ধীর ছিল এদের চলাফেরা। দীর্ঘক্ষণ ওত পেতে থেকে হঠাৎ আক্রমণ চালাতো শিকারের উপর। তারপর শিকারকে জড়িয়ে হত্যা করত।”

    আরও পড়ুনঃ “কংগ্রেস আমলে হনুমান চালিশা শোনাও অপরাধ ছিল”, তোপ মোদির

    গবেষকদের মতামত

    বিশিষ্ট গবেষক অধ্যাপক সুনীল বাজপেয়ী ও দেবজিত দত্তের নেতৃত্বে এই সংক্রান্ত নমুনা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, গবেষণা, সমীক্ষা ইত্যাদি হয়েছে। এপ্রসঙ্গে দেবজিত দত্ত বলেন, “বাসুকি (Vasuki Indicus) ছিল খুব ধীর চলন শক্তিসম্পন্ন ভারী শরীরের বিশাল আকারের এক সাপ। ঠান্ডা ভিজে জায়গায় থাকে এরা। অ্যানাকোন্ডা ও পাইথনের কায়দায় শিকার ধরে এরা।” সায়েন্টিফিক রিপোর্টে তাঁদের এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi 3.0: বিনিয়োগ ১০ লক্ষ কোটি! মোদি হ্যাটট্রিক করলে প্রথম একশো দিনে রেলে থাকবে ঢালাও চমক

    Modi 3.0: বিনিয়োগ ১০ লক্ষ কোটি! মোদি হ্যাটট্রিক করলে প্রথম একশো দিনে রেলে থাকবে ঢালাও চমক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি ২.০-এর আদলে মোদি ৩.০-এর (Modi 3.0) রোড ম্যাপ এখন থেকেই শুরু হয়েছে। যার প্রাণভোমরা ভারতীয় রেল। মোদি ৩.০-তে বঙ্গে বুলেট ট্রেন, স্লিপার বন্দে ভারত সহ বর্ধিত মেট্রো পরিষবা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    প্রথম ১০০ দিনে রেলের পরিকল্পনা (Modi 3.0)

    জানা গিয়েছে, মোদির হ্যাটট্রিক (Modi 3.0) সরকারে রেলের প্রথম ১০০ দিনের (100 days) রোডম্যাপ হিসেবে ১০ থেকে ১২ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগে কথা বলা হয়েছে। ২০২৪ এর নির্বাচন শেষ হতেই ভারতীয় রেল (Indian Railways) প্রথম ১০০ দিনের পরিকল্পনা নিয়ে সামনে এল। এই পরিকল্পনায় যাত্রীদের জন্য স্টেশনে আধুনিক ব্যবস্থাপনা, যাত্রীবান্ধব সুপার অ্যাপ (Rail App) থেকে শুরু করে ২৪ ঘন্টায় রিফান্ড স্কিম প্রদানের চিন্তাভাবনা শুরু করা হয়েছে। এছাড়াও থাকবে যাত্রাকালীন বিনামূল্যের বীমা। থাকছে তিনটি ইকোনমিক করিডোর (Economic Corridor) এবং স্লিপার বন্দে ভারত ট্রেন।

    সুপার অ্যাপ আসবে রেলে

    সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর সঙ্গে কথোপকথনে এক রেলের আধিকারিক আগামী দিনের সরকার (Modi 3.0) সম্পর্কে জানিয়েছেন, “টিকিট বাতিল করার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই রিফান্ডের ব্যবস্থা করার কথা ভাবছে রেল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে টিকিট বাতিল করলে টাকা ফেরত পেতে তিন দিন থেকে এক সপ্তাহ পর্যন্ত লাগে। এছাড়াও রেল একটি সুপার অ্যাপ আনার কথা ভাবছে। যার মাধ্যমে রেলের সমস্ত রকমের বুকিং, ট্রেনের লাইভ ট্র্যাকিং ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে। বর্তমানে আইআরসিটিসির অ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিয়ে থাকেন ব্যবহারকারীরা। কিন্তু নতুন সুপার অ্যাপে আরও অনেক প্রকার বুকিং (Booking) ও পরিষেবা গ্রহণ করা সম্ভব হবে। নয়া ১০০ দিনের পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে ‘পিএম রেল যাত্রী বীমা যোজনা’ (PM Rail Yatri Bima) লাগু করা হবে। যা সমস্ত দুরপাল্লার রেল যাত্রীদের জন্য লাগু হবে।

    আমেদাবাদ মুম্বাই বুলেট ট্রেন চলবে

    ১০ থেকে ১২ লক্ষ কোটি টাকা আগামী পাঁচ বছরে বিনিয়োগ করা হবে যাতে রেলকে আধুনিক দেশগুলোর সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মত তৈরি করা যায়। এছাড়াও বন্দে ভারত ট্রেনগুলিকে তিনটি বিভাগে ভাগ করা হবে। ১০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে চলবে এমন বন্দে ভারত (Vande Bharat) মেট্রো আনার কথা ভাবা হচ্ছে। এছাড়াও ১০০ থেকে ৫৫০ কিলোমিটার অবধি বন্দে চেয়ার কার এবং ৫৫০ কিলোমিটারের উর্ধ্বে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন আনার কথা হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় পঞ্চাশটি রুটে বন্দে ভারত ট্রেন চলছে। এছাড়াও ২০২৯ এর এপ্রিলের মধ্যে আমেদাবাদ মুম্বাই বুলেট ট্রেন (bullet Train) চালু করে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে তিনটি বুলেট ট্রেন চালু করার প্রস্তাব রয়েছে মোদি ৩.০ (Modi 3.0) সরকারের।

    আরও পড়ুনঃ ভোটের তিনদিন আগেই পাহাড়ে শিবির বদল! রাজুকে সমর্থনের বার্তা বিনয় তামাং-এর

    স্টেশনগুলি হবে বিশ্বমানের

    জানা গিয়েছে, রেলের ইকনোমিক করিডোর ৪০ হাজার কিলোমিটার বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ১৩০০-র বেশি রেলস্টেশনকে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে আধুনিক করা হবে। আধুনিক স্টেশন গুলিতে বিশ্বমানের সুবিধা পাওয়া যাবে। যেমন শপিংমল, এয়ারপোর্টের মত ওয়েটিং লাউঞ্জ, আধুনিক ক্যাফেটেরিয়া ইত্যাদি। একইসঙ্গে মেট্রো নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে ভারতে মাত্র কুড়িটি শহর আছে যেখানে নয় মেট্রোর কাজ চলছে নাহলে মেট্রো পরিষেবা রয়েছে। আরো বেশ কয়েকটি শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু করার কথা ভাবছে মোদি সরকার। দিল্লি ও মিরাট মধ্যে স্পিডরেল চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও আরো বেশ কয়েকটি জায়গায় র‍্যাপিড রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে জানা গেছে। শেষ শুক্রবার সচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে যেখানে বিভিন্ন মন্ত্রক ও বিভাগের আধিকারিকরা মোদি ৩.০-এর (Modi 3.0) প্রথম ১০০ দিনের এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “বাংলায় ৩০টি আসনে বিজেপি জয়ী হলে উত্তরবঙ্গে এইমস হবে”, ঘোষণা করলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “বাংলায় ৩০টি আসনে বিজেপি জয়ী হলে উত্তরবঙ্গে এইমস হবে”, ঘোষণা করলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রায়গঞ্জে এইমস হাসপাতাল তৈরি করাতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাধা দিয়েছিলেন। এইমস তিনি কলকাতায় নিয়ে গিয়েছেন। আমি কথা দিচ্ছি, ৩০ টি আসনে বিজেপি জিতলে উত্তরবঙ্গের জন্য আলাদা এইমস তৈরি করা হবে।” রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কার্তিক চন্দ্র পালের সমর্থনে জনসভা করতে এসে উত্তরবঙ্গে ‘এইমস’ তৈরির আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘি ব্লকের রসাখোয়া এলাকায় জনসভায় যোগদেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “মোদিজির গ্যারান্টি, ৩০টি আসন জিতিয়ে দিন, আমরা উত্তরবঙ্গের জন্য আলাদা এইমস বানানোর কাজ শুরু করব।”

    জাতীয় সড়ক তৈরিতে বাধা দিচ্ছেন মমতা, সরব শাহ (Amit Shah)

    এদিন সভামঞ্চ থেকে এইমস-এর পাশাপাশি রায়গঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি বারসই-রায়গঞ্জ সড়ক যোগাযোগের বিষয়েও সরব হন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “পার্শ্ববর্তী বিহার রাজ্যের সঙ্গেও সড়ক যোগাযোগ সুগম করার ব্যাপারে মমতাদি বাধা দিচ্ছে। বিহার সরকার এনওসি দিয়ে দিয়েছে। আমি নিজে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু, মমতাদির সরকার এই ব্যাপারে এনওসি দেয় নি।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যে ৩০ থেকে ৩৫ টা আসনে জিতলে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে।”  তিনি বলেন, “২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্য থেকে ১৮ টা আসনে মানুষ আমাদের জিতিয়েছিল। তার ফলে গত ৫০০ বছর ধরে তাঁবুতে থাকা রামকে আমরা থাকার জন্য রামমন্দির তৈরি করতে পেরেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কংগ্রেস বিরোধিতা করেও তা আটকাতে পারে নি। এবার নির্বাচনে এই রাজ্যে ৩০ থেকে ৩৫ টা আসনে আপনারা আমাদের জেতান।”

    আরও পড়ুন: “বাংলায় দুর্নীতির শাসন চলছে, চাকরি দিতে ঘুষ নিচ্ছে সরকার,” তোপ দাগলেন অমিত শাহ

    কেন্দ্রীয় সরকারের পাঠানো টাকা সাধারণ মানুষ পাননি

    অমিত শাহ (Amit Shah) এদিন বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার এই রাজ্যের সাধারণ মানুষের জন্য প্রচুর প্রকল্প বরাদ্দ করলেও তৃণমূল সরকার তা নিচুতলায় আসতে দিচ্ছে না। এই সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌছালে মানুষের জাগরণ হবে। এই রাজ্যে ৩০’ র বেশি আসনে জিতলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের এই অধিকার ছিনিয়ে নিতে পারবে না। ইউপিএ সরকারের ১০ বছরে কেন্দ্র এই রাজ্যকে ২ লক্ষ ৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিলো। বিজেপি সরকার গত ১০ বছরে এই রাজ্যকে ৭ লক্ষ ৭৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। কিন্তু, সাধারণ মানুষের কাছে এই টাকা পৌঁছায়নি। উলটে তৃনমূল কংগ্রেসের নেতাদের জীবনযাপনের মান বেড়েছে।”

    ১০ বছর ধরে গরিবদের জন্য কাজ করেছেন মোদি

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “নরেন্দ্র মোদি দেশের গরিবদের জন্য গত ১০ বছর ধরে কাজ করে গিয়েছেন। ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিয়েছেন মোদি। ১২ কোটির বেশি শৌচালয়, ৪ কোটির বেশি মানুষকে ঘর, ১০ কোটি মানুষকে উজ্জ্বলার গ্যাস, ১৪ কোটি মানুষকে পানীয় জলের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন মোদি।” প্রসঙ্গত, রায়গঞ্জ লোকসভা আসনে ভোট রয়েছে দ্বিতীয় দফায়। ২৬ এপ্রিল হবে ভোটগ্রহণ। এ বার এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে কার্তিক পালকে। ২০১৯ সালে এই আসনে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন দেবশ্রী চৌধুরী। পরে তাঁকে নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীও করা হয়েছিল। তবে এ বার বিজেপি দেবশ্রীকে আর এই আসন থেকে টিকিট দেয়নি। দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা আসন থেকে প্রার্থী করা হয়েছে তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Plastic Pollution: ফ্রিজে প্লাস্টিকের কৌটোয় খাবার রাখছেন? কোন কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে? 

    Plastic Pollution: ফ্রিজে প্লাস্টিকের কৌটোয় খাবার রাখছেন? কোন কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সোমবার ছিল ওয়ার্ল্ড আর্থ ডে। পরিবেশ, প্রকৃতি সম্পর্কে আরও একটু সতর্ক আর সচেতন হওয়ার দিন। বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে প্লাস্টিকের দাপট। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এই প্লাস্টিক শুধু জল, মাটির ক্ষতি করছে না। মারাত্মক বিপদ তৈরি করছে মানুষের স্বাস্থ্যের। প্লাস্টিকের ব্যবহার মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। কিন্তু অসচেতনতার জেরে মানুষ লাগাতার প্লাস্টিকের ব্যবহার করছেন। গরম খাবার দোকান থেকে কিনে আনার সময় হোক, কিংবা বাড়ির তৈরি খাবার অতিরিক্ত হলে ফ্রিজে ভরে রাখার সময়, দেদার ব্যবহার হচ্ছে প্লাস্টিক। প্লাস্টিকের কৌটোয় খাবার রাখার রেওয়াজ এখন প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই রয়েছে। আর তার জেরেই শরীরে একাধিক রোগের প্রকোপ বাড়ছে (Plastic Pollution)। তাই বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, প্লাস্টিকের জিনিসে খাবার খাওয়া কিংবা খাবার রাখলে সতর্ক হতে হবে। এখন দেখে নেওয়া যাক, প্লাস্টিকের জিনিসে রাখা খাবার কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ায়?

    গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্কে কুপ্রভাব

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্লাস্টিকের পাত্রে বিভিন্ন স্তর থাকে। সেগুলোতে থাকে ক্ষতিকারক মোনোমার। এই মনোমার হল এক ধরনের কৃত্রিম ইস্ট্রোজেন হরমোন। তাই প্লাস্টিকের পাত্রে রাখা খাবার গরম করে গর্ভবতীকে খেতে দিলে, তার শরীরে এই কৃত্রিম হরমোনের প্রবেশের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এর জেরে গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে বাধা হয়। বিশেষত শিশুর হাইপার অ্যাকটিভ, অবসাদের মতো সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ বাড়ে।

    হার্ট ও লিভারের রোগের ঝুঁকি বাড়ে (Plastic Pollution)

    বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার রেখে নিয়মিত খেলে হার্ট ও লিভারের রোগের ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্লাস্টিকের পাত্র হয় নরম। এই নরম করার জন্য ফ্যালেটন নামে একপ্রকার উপাদান মেশানো হয়। এটার জেরেই হার্ট ও লিভারে উপরে এক ধরনের চাপ তৈরি হয়। তাই হার্ট ও লিভারের রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

    একাধিক স্নায়ুর রোগের কারণ

    প্লাস্টিক বাড়িয়ে দেয় স্নায়ুর রোগের ঝুঁকি। এমনই জানাচ্ছেন দেশের গবেষক-চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, স্টাইরিন সহ একাধিক মনোমার প্লাস্টিকের পাত্রে ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের মনোমার স্নায়ুর উপরে প্রভাব ফেলে। দেহের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে (Plastic Pollution)। তাই মাথাব্যথা, অবসাদ, অবসন্নতার মতো একাধিক সমস্যা বাড়ে। নানান জটিল স্নায়বিক‌ রোগের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়।

    স্তন ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বাড়ায় (Plastic Pollution)

    প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার খেলে, দেহে কৃত্রিম হরমোনের প্রবেশের ঝুঁকি তৈরি হয়। আর তার জেরেই ডায়াবেটিস এবং স্তন ক্যান্সারের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। মহিলাদের দেহে কৃত্রিম ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রবেশের ফলে, দেহে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। তাই স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। আবার পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার জেরে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বাড়ে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, রোজের জীবনে বাদ দিতে হবে প্লাস্টিক। তাঁরা জানাচ্ছেন, ইউরোপ ও আমেরিকার বহু দেশের মানুষের মধ্যে প্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতা তৈরি হচ্ছে। বিশেষত খাবার কেনা ও রাখার পাত্র হিসাবে প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়েও সতর্কতা তৈরি হচ্ছে। কিন্তু ভারতে সে নিয়ে সচেতনতার হার আরও বাড়ানো‌ দরকার বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।তাঁদের পরামর্শ, নিয়মিত খাবার রাখার জন্য প্লাস্টিক একেবারেই উপযুক্ত নয়। বিশেষত খাবার গরম করা বা দীর্ঘ সময় খাবার রাখার জন্য প্লাস্টিক ব্যবহার না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, কাচের পাত্রে খাবার রাখা যেতে পারে। মাইক্রোওয়েভ ওভেনে গরম করার ক্ষেত্রেও প্লাস্টিক নয় (Plastic Pollution), বরং কাচের পাত্রে গরম করা উচিত বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hanuman Chalisa: আকবর বন্দি করেন তুলসীদাসকে! কারাগারেই রচিত হয় ‘হনুমান চালিশা’

    Hanuman Chalisa: আকবর বন্দি করেন তুলসীদাসকে! কারাগারেই রচিত হয় ‘হনুমান চালিশা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারাদেশ জুড়ে আজকে সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে হনুমান জয়ন্তী। ভগবান হনুমানকে সাহস এবং শক্তির প্রতীক বলে মনে করা হয়। হিন্দুদের বিশ্বাস রয়েছে, ভগবান হনুমানের উদ্দেশ্যে হনুমান চালিশা পাঠ করলে জীবনের সকল সমস্যার সমাধান হয়। সমস্ত বাধা বিঘ্ন থেকে ভক্তকে রক্ষা করেন হনুমান। ভক্তদের উদ্ধার করেন স্বয়ং বজরংবলী। জানা যায়, ভগবান হনুমানকে উৎসর্গ করে হনুমান চালিশা লিখেছিলেন তুলসীদাস। চল্লিশটি শ্লোকের সমাহার হল এই হনুমান চালিশা (Hanuman Chalisa)।

    কারাগারেই রচিত হয় হনুমান চালিশা

    কবি তুলসীদাস ছিলেন সম্রাট আকবরের সময়কালের। সে সময় সম্রাট আকবর তুলসীদাসকে বলেন যে রামচন্দ্রকে দর্শন করাতে হবে। এর উত্তরে তুলসীদাস দাবি করেন যে তিনি কোনও জাদু জানেন না। তবে শ্রীরামচন্দ্রের কৃপাতে অনেক কিছুই সম্ভব হতে পারে। তুলসীদাস আরও বলেন, ‘‘তাঁর দর্শন এভাবে পাওয়া যায় না। অন্তর থেকে ডাকলে তিনি সাড়া দেন।’’ তুলসীদাসের এ কথা বিশ্বাস করতে চাননি আকবর। তখনই তিনি রামচরিত মানসের রচয়িতাকে কারাগারে বন্দি করেন। সেই কারাগারে বসেই হনুমান চালিশা (Hanuman Chalisa) লেখেন তুলসীদাস। প্রচলিত গল্প অনুযায়ী চল্লিশতম শ্লোক যেদিন লেখেন তুলসীদাস, সেদিন এক বিরাট বানর বাহিনী আকবরের প্রাসাদ ভাঙচুর করে। রীতিমতো তান্ডব চালায়। পরবর্তীকালে মুঘল সম্রাট তাঁর নিজের ভুল বুঝতে পারেন, ক্ষমা চান এবং মুক্ত করেন তুলসীদাসকে।

    জীবনের অনেক সমস্যার সমাধান করে হনুমান চালিশা পাঠ

    হনুমানের (Hanuman Chalisa) আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য হনুমান চালিশা পাঠ আবশ্যিক বলেই জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদরা। মনে করা হয়, প্রতি মঙ্গলবার যে ব্যক্তি হনুমান চালিশা পাঠ করেন এবং ভগবান হনুমানের পূজা করেন তাঁর জীবনের সমস্ত সমস্যার সমাধান হয়। হনুমান চালিশা পাঠ করলে শনি সাড়ে সাতি দশা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। এ কথা বলছেন জ্যোতিষীরা। এর পাশাপাশি অতীতের আতঙ্ক যদি পিছু না ছাড়ে তাহলে দারুন কাজে দেয় হনুমান চালিশা পাঠ। নেতিবাচক চিন্তা অযথা ভয় উদ্বেগের সমস্যা রয়েছে যাঁদের, তাঁরাও হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারে।

    কখন পাঠ করবেন হনুমান চালিশা

    তবে কখন পাঠ করবেন হনুমান চালিশা (Hanuman Chalisa)? এর উত্তরে জ্যোতিষীরা জানাচ্ছেন, সকালে কিংবা সন্ধ্যায় হনুমান চালিশা পাঠ করা যেতে পারে। সকালে স্নান করে, পরিচ্ছন্ন পোশাকে হনুমান চালিশা পাঠ করুন অথবা সন্ধ্যায় যদি আপনি হনুমান চল্লিশা পাঠ করতে চান তাহলে পরিষ্কার ভাবে নিজের হাত পা ধুয়ে করতে হবে। জ্যোতিষীরা আরও জানাচ্ছেন, যদি আপনার কোনও খারাপ স্বপ্ন আসে তাহলে বালিশের নিচে হনুমান চালিশা রাখা যেতে পারে এবং এতে তৎক্ষণাৎ ফল পাওয়া যায়। প্রতিদিন হনুমান চালিশা পাঠ করলে মানসিক চাপ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। বর্তমানে দৈনন্দিন জীবনে স্ট্রেস থেকে মুক্তি পেতে হনুমান চালিশা আপনার বড় রক্ষাকবচ হতে পারে।

    কীভাবে পাঠ করবেন হনুমান চালিশা (Hanuman Chalisa)

    তবে হনুমান চালিশা পাঠ করতে গেলে বেশ কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রীতি মেনে চলাই উচিত বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদরা। কোন কোন নিয়ম মেনে হনুমান চালিশা পাঠ করবেন?

    – হনুমান চালিশা পাঠ করার সময় কুশ বা অন্য কোন আসন ব্যবহার করুন।
    – হনুমান চালিশা পাঠ শুরু করার আগে, গণেশের আরাধনা করবেন।
    – এরপরে ভগবান রাম এবং সীতা মাতাকে স্মরণ করবেন।
    – তারপরে বজরংবলীর সামনে ধূপকাঠি ও প্রদীপ জ্বালিয়ে ফুল অর্পণ করবেন।
    – এরপরে হনুমান চালিশা পাঠ শুরু করুন। তারপরে পুনরায় ভগবান রামের স্মরণ করুন।
    – সবশেষে হনুমানজিকে বোঁদে বা বেসনের লাড্ডু ভোগ নিবেদন করুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে ফের বসিরহাট এসপি অফিসে সিবিআই হানা

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে ফের বসিরহাট এসপি অফিসে সিবিআই হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও বসিরহাটের এসপি অফিসে (SP Office) সিবিআই হানা। সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডি-র উপর হামলার ঘটনায় ন্যাজাট থানায় দায়ের হওয়া দুটো অভিযোগেরই তদন্ত করছে সিবিআই। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ এই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই মামলার তদন্তে বার বার তৃণমূল নেতাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে এসেছে। বিরোধীরা বার বার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নারী নির্যাতনের ঘটনায় সন্দেশখালি উত্তাল হয়ে উঠেছিল। এলাকার মহিলাদের আন্দোলনের চাপে তৃণমূল নেতা শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের নির্দেশে সমস্ত মামলার তদন্তের ভার দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে। 

    নোটিশ জারি করেছিল সিবিআই (Sandeshkhali)

    তবে ন্যাজাট (Sandeshkhali) থানায় দায়ের হওয়া দুটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এতদিন যা তদন্ত করেছে, তাতে বাজেয়াপ্ত হওয়া জিনিস তালিকা-তথ্য ও নথি পেতে নোটিশ জারি করেছিল সিবিআই। তবে মঙ্গলবারই প্রথম নয়, এর আগে গত ১৬ এপ্রিলও এসপি অফিসে পৌঁছেছিল সিবিআই-এর একটি টিম। ওই দিন সন্দেশখালিতে হামলার ঘটনায় বসিরহাটের (Basirhat) পুলিশ সুপারকে নোটিশ দিয়েছিল সিবিআই (CBI)। একই সঙ্গে ইডির উপর হামলার ঘটনায় বেশকিছু তথ্য ও নথি চাওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে মঙ্গলবার সেই তথ্যের খোঁজেই গোয়েন্দা আধিকারিকেরা এসপি অফিসে হানা দিলেন কিনা সেই বিষয়টি স্পষ্ট নয়।

    আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের

    পুলিশের বাজেয়াপ্ত হওয়া জিনিসের খোঁজে সিবিআই

    উল্লেখ্য, সন্দেশখালিতে ইডির উপর হামলার ঘটনায় ন্যজাট থানায় যে দুটো মামলা দায়ের হয়েছিল, ওই মামলাতে কোনও দাবিদারহীন বাজেয়াপ্ত আছে কিনা, সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতে চেয়ে বসিরহাটের পুলিশ সুপারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের বাজেয়াপ্ত হওয়া জিনিসের মধ্যে দাবিদারহীন জিনিস তদন্তের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে বিজেপি শাসক দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ বার বার তুলে সরব হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে নয়া মোড়, সুপ্রিম দুয়ারে যোগ্য হয়েও চাকরিহারারা, ধর্না শহিদ মিনারে 

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে নয়া মোড়, সুপ্রিম দুয়ারে যোগ্য হয়েও চাকরিহারারা, ধর্না শহিদ মিনারে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) নতুন নতুন রূপ দেখছে রাজ্যবাসী। এতদিন চাকরিপ্রার্থীরা ধর্নামঞ্চে নিজেদের দাবি জানাতেন এবার চাকরিহারারাও শহিদ মিনারে ধর্না দিতে চলেছেন। সুপ্রমি কোর্টেও আবেদন জানানোর কথা জানিয়েছেন যোগ্যতার বলে চাকরি পাওয়া ব্যক্তিরা। তাঁদের কথায়, “ঘুষ তো দিইনি, যোগ্যতার বলেই চাকরি পেয়েছিলাম। আমাদের দোষ কোথায়? এর দায় রাজ্য সরকারকে নিতে হবে।”

    কী বলছেন চাকরিহারারা

    মঙ্গলবার সকালেই চাকরিচ্যুতদের (SSC Scam) একাংশ শহিদ মিনার চত্বরে জমায়েত শুরু করেন। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ধর্নায় বসে নিজেদের প্রতিবাদ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আদালতের দ্বারস্থও হওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা। সে ক্ষেত্রে কলকাতা হাইকোর্টের সোমবারের চাকরি বাতিলের নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন তাঁরা। চাকরিচ্যুতদের বক্তব্য, তাঁরা অবৈধ উপায়ে চাকরি পাননি। তা হলে কেন অবৈধ উপায়ে চাকরি পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য তাঁদেরও শাস্তি পেতে হবে? তাঁদের দাবি, এর দায় নিতে হবে সকলকে। এসএসসি বা সরকারের ভুলের খেসারত তারা কেন গুনবেন?

    আরও পড়ুন: জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    কী বলেছে হাইকোর্ট

    ২০১৬ সালের এসএসসির সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া (SSC Scam) বাতিল করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। শিক্ষক পদের পাশাপাশি গ্রুপ-সি এবং গ্রুপ-ডি মিলিয়ে বাতিল হয়েছে মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি। যাঁরা নিজেদের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেরই দাবি, ‘আইনি পদক্ষেপ’ করার কথা ভাবছেন তাঁরা। যাঁরা মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছিল, তাঁরা স্বাভাবিক কারণেই এই রায়ে হতাশ। কিন্তু হাইকোর্ট জানিয়েছে এছাড়া কোনও উপায় নেই। একজন যোগ্য শিক্ষকের কথায়, “যোগ্য বলে চাকরি পেলাম। নিয়ম মেনে বেতন পাচ্ছিলাম। যারা দালালের হাত ধরে চাকরি পেল, তাদের সঙ্গে একই বন্ধনীতে ফেলে দেওয়া হল আমাদের। এটা অমানবিক। এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: ভোটের তিনদিন আগেই পাহাড়ে শিবির বদল! রাজুকে সমর্থনের বার্তা বিনয় তামাংয়ের

    Darjeeling: ভোটের তিনদিন আগেই পাহাড়ে শিবির বদল! রাজুকে সমর্থনের বার্তা বিনয় তামাংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ২৬ এপ্রিল দার্জিলিং-এ (Darjeeling) ভোটগ্রহণ। তার আগে বিজেপিকে (BJP) সমর্থন জানালেন পাহাড়ের নেতা বিনয় তামাং (Binay Tamang)। শেষ পাঁচ মাস তিনি কংগ্রেস দলের সদস্য ছিলেন। এরই মাঝে কংগ্রেস (Congress) দলের সঙ্গে তার সম্পর্ক চুকিয়ে দিলেন বিনয়। ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে তিনি জানালেন দার্জিলিং কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তাকে (Raju Bista) তিনি সমর্থন করবেন।

    কী বললেন বিনয় তামাং?

    একটি ভিডিও বার্তা জারি করে বিনয় তামাং বলেছেন, “এখন দুর্নীতি আর স্বজনপোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময়। এই প্রেক্ষিতে আমি সমর্থন করছি বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তাকে। পাহাড়ের মানুষের কাছে বলব আপনারাও তাঁকে সমর্থন করুন। যা পরিস্থিতি তাতে দিল্লিতে আবার নরেন্দ্র মোদির সরকার আসবে। এ কথা নিশ্চিত দুবছর পর রাজ্য ক্ষমতায় আসতে পারে বিজেপি। তাই সব দিক বিবেচনা করে রাজু বিস্তাকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা অনেকদিন আগেই খন্ড খন্ড হয়ে গেছে। সোমবার রাতে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন বিনয়। সমর্থকরা তাঁকেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ্রহ জানান। এরপরই বিনয় জানান, “আমি রাজু বিস্তাকে সমর্থন করবো। সংগঠনের নেতারা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছিল। তাঁদের বক্তব্য ছিল তৃণমূল ছাড়া যাকে খুশি সমর্থন করা যেতে পারে।”

    টিকিট না পেয়ে কি কংগ্রেস ত্যাগ?

    প্রসঙ্গত পাহাড়ে আন্দোলন চলাকালীন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সদস্য ছিলেন বিনায় তামাং। তিনি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার তৎকালীন সুপ্রিমো বিমল গুরুং-এর অনুগামী বলে পরিচিত ছিলেন। পাহাড় থেকে বিমলের পলায়ন পর্বের পর উত্থান হয় বিনয় তামাং-এর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদে হন জিটিএ প্রধান। তবে তৃণমূলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বেশিদিন টেকেনি তাঁর। মাস পাঁচেক আগে অধীর চৌধুরীর হাত থেকে পতাকা নিয়ে কংগ্রেসে যোগদান করেন তিনি। অবশেষে কংগ্রেসের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিন্ন হল তাঁর। অন্যদিকে বিনয় কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর মনে করা হচ্ছিল তাঁকে দার্জিলিং কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করতে পারে। কিন্তু তা হয়নি। হামরো পার্টির নেতা অজয় এডওয়ার্ডের ঘনিষ্ঠ তথা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক মুনীশ তামাংকে প্রার্থী করে কংগ্রেস। মুনীশকে প্রার্থী করার পরেই ক্ষোভের কথা জানিয়েছিলেন বিনয়। শেষ পর্যন্ত তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে দিয়ে বিজেপিকে সমর্থন করলেন।

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালিকাণ্ডে ফের বসিরহাট এসপি অফিসে সিবিআই হানা

    রাজু বিস্তারের জয়ের সম্ভাবনা আরও বাড়ল

    কংগ্রেস সূত্রের খবর পাহাড় এবং সমতলের পরিচিত মুখ বিনয়কে প্রার্থী চেয়ে দিল্লিতে প্রস্তাব পাঠান হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে পরিস্থিতিতে বদল আসে। হামরো পার্টির অজয়ের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা ভিপি সিং, পবন খেরা এবং গোলাম আহমেদ মীর। মুনীশ গোর্খা পরিসংঘের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে কংগ্রেসের যোগ দেওয়ার পরেই অজয় ইন্ডিয়া জোটের শরিক হয়ে যান। এই পরিস্থিতিতে বিনয় শিবির তখনই কংগ্রেসের থেকে নিজেদের দূরত্ব বৃদ্ধি করতে শুরু করেছিল। এমনিতেই প্রত্যেকবার পাহাড়ে কংগ্রেসের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। বিনয় তামাং কংগ্রেস থেকে সরে আসায় কংগ্রেসের ভোট নোটার তুলনায় কমে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রথমদিকের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ধাক্কা কাটিয়ে রাজু বিস্তা পাহাড়ের রাজনীতির বেশ কয়েকটি মুখকে সঙ্গী করতে সক্ষম হয়েছেন। এখন বিনয় শিবির রাজু বিস্তারের সমর্থন করায় রাজুর জয়ের সম্ভাবনা আরও বৃদ্ধি পেল বলেই মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “বাংলায় দুর্নীতির শাসন চলছে, চাকরি দিতে ঘুষ নিচ্ছে সরকার,” তোপ দাগলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “বাংলায় দুর্নীতির শাসন চলছে, চাকরি দিতে ঘুষ নিচ্ছে সরকার,” তোপ দাগলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় দুর্নীতির শাসন চলছে। চাকরি দিতে ঘুষ নিচ্ছে সরকার।” মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের করণদিঘিতে সভা করে এভাবে তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “হাইকোর্ট চাকরি বাতিল করেছে সোমবার। ওঁদের এক মন্ত্রীর বাড়ি থেকে ৫১ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। কাটমানি, চাকরি নিয়ে দুর্নীতি বাংলায় আটকানো প্রয়োজন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা হয় বাংলায়, এর কারণ তৃণমূল কংগ্রেস।”

    সন্দেশখালির অভিযুক্তদের শাস্তি দিতে পারে মোদি (Amit Shah)

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “মা, মাটি, মানুষের স্লোগান দিয়ে তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছিল। আর ক্ষমতায় এসে সন্দেশখালিতে মাকে অপমান করেছে। আর বাংলার মাটি অনুপ্রবেশকারীদের হাতে মমতা দিদি তুলে দিয়েছে। আর বাংলার মানুষকে অত্যাচার, বঞ্চনা করেই চলেছে তৃণমূল সরকার।” এরপর কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “সন্দেশখালির মহিলাদের ওপর যে অবিচার হয়েছে তাদের শাস্তি পাওয়া প্রয়োজন নয় কি? তৃণমূল থাকলে অভিযুক্তরা উপযুক্ত শাস্তি পাবে না। অভিযুক্তদের শাস্তি দিতে পারে একমাত্র মোদি। আর সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে। আমরা বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ শরনার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। আর মমতা দিদি অনুপ্রবেশকারীদের এই বাংলায় জায়গা করে দিচ্ছে। অনুপ্রবেশ আটকাতে পারবেন না মমতা। বাংলাকে হিংসা থেকে মুক্ত করতে হলে নরেন্দ্র মোদিকে দরকার। তৃণমূলের নেতাদের ঘর দেখুন, যাঁরা ঝুপড়িতে থাকতেন, তাঁরা এখন চার তলায় থাকেন। বড় বড় গাড়িতে ঘোরেন। এই টাকা আপনাদের। বাংলাকে যদি হিংসা থেকে মুক্ত করতে হয়, অনুপ্রবেশ রুখতে হয়, শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে হয়, তবে একমাত্র রাস্তা হল নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী বানানো।”

    আরও পড়ুন: “রড, লাঠি ও টাঙি নিয়ে ব্যাপক হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মালদায় অমিত শাহ রোড শোয়ে জনজোয়ার

    গত লোকসভা নির্বাচনে মালদা দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে খুব কম ভোটের ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। আর এবার ফের ওই কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী হয়েছেন শ্রীরূপা। তাঁর প্রচারে রাজ্যে এসেছেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। প্রার্থীকে পাশে বসিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে রোড শো করেন শাহ। বিপুল সমর্থকদের ভিড় চোখে পড়ে সেই রোড শো-তে। দলীয় কর্মী-সমর্থদের উদ্দেশে শাহ বলেছেন, “ইংরেজবাজার থেকে দেড় লক্ষেরও বেশি লিড দিতে হবে।”ভোট ঘোষণার পর রাজ্যে এক বারই এসেছেন শাহ। লোকসভার নির্বাচনী প্রচারে প্রায়ই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কেউ না কেউ আসছেন। লোকসভা ভোট ঘোষণার পর রাজ্যে তিন দিন এসে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভোট ঘোষণার আগেও এসেছেন তিনি। অনুরাগ ঠাকুর থেকে রাজনাথ সিং- কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা একাধিক সভা করছেন বাংলায়। তবে, ভোট ঘোষণার পর শাহ এক বারই রাজ্যে এসেছিলেন। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে সভা করে গিয়েছেন তিনি। এবার দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে এসে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jihadi Tactics Decoded: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    Jihadi Tactics Decoded: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেহাদিদের (Jihadi Tactics Decoded) হাতে হিন্দু জনগোষ্ঠী যখন আক্রান্ত হয় তখন তারা হতবাক হয়ে যায়। ভাবতে থাকে যে কীভাবে এত সংগঠিত আঘাত জেহাদিরা হানতে পারে! আসলে জেহাদী আক্রমণ কোনও প্রতিক্রিয়া স্বরূপ হয় না, বরং তা দীর্ঘদিনের পরিকল্পনারই ফসল। মাসের পর মাস নিখুঁতভাবে এই পরিকল্পনা চলে। তারপরে দক্ষতার সঙ্গেই এটাকে তারা প্রয়োগ করে। তার আগে তারা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ইকো-সিস্টেমটাকে ভালোমতো অনুধাবন করে। সেটাকে বিশ্লেষণ করে। এছাড়া সেই ইকো-সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে হিন্দুদের মানসিকভাবে প্রথম থেকেই আঘাত করা, জেহাদি আক্রমণের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক। জেহাদিদের এই আক্রমণ সংঘটিত হয় বেশ কতগুলি ধাপে। ইসলামিক রীতি-নিয়মকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য জেহাদীদের এই আক্রমণ হয়ে থাকে। এই আক্রমণের পদ্ধতি জানা আমাদের দরকার।

    আবর্জনা সংগ্রহকারী সেজে জেহাদিরা 

    প্রথমেই জেহাদিরা (Jihadi Tactics Decoded) হিন্দু জনগোষ্ঠীর অঞ্চলগুলিতে প্রবেশ করে আবর্জনা সংগ্রহকারী সেজে। এর মাধ্যমে ওই অঞ্চলের হিন্দু জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থা, তাদের গতিবিধি- এই সমস্ত কিছুই নখদর্পণে নিতে থাকে আবর্জনা সংগ্রহকারী বেশে থাকা জেহাদিরা। জেহাদীদের কাছে এটা একটা বড় সুযোগ হয়। তার কারণ, তারা এই ভাবেই প্রথমে হিন্দু জনগোষ্ঠীর একেবারে বাড়িতেও পৌঁছে যেতে পারে। হিন্দুদের সামাজিক সদ্ভাবনার বাস্তব চিত্র, আর্থিক অবস্থা, ওই নির্দিষ্ট অঞ্চলে হিন্দু জনগোষ্ঠীর মধ্যে একতা, এই সবকিছুই অনুধাবন করতে থাকে জেহাদিরা। সেই মতো তথ্য সরবরাহ করতে থাকে তারা। এর পাশাপাশি ওই অঞ্চলে থাকা হিন্দু মহিলাদের গতিবিধিও অনুসরণের কাজ চালাতে থাকে এই আবর্জন সংগ্রহকারীরা।

    সুফি ভিখারির বেশে জেহাদিরা

    পরবর্তীকালে জেহাদিদের (Jihadi Tactics Decoded) বেশে হিন্দু অঞ্চলে প্রবেশ করে সুফি ভিখারিরা। নিজেদের গায়ে সবুজ চাদর জড়িয়ে তারা হিন্দু বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তাদের (হিন্দু) কোনওরকমের সমস্যা রয়েছে কিনা তা জানার চেষ্টা করে। যদি থাকে তাহলে সেই মতো ঝাড়ফুক করতে থাকে তারা। এতে কী হয় অনেক কুসংস্কারগ্রস্থ হিন্দু ওই সুফিদের কথায় বিশ্বাস করে নেয় এবং নিজেদের সমস্যার কথাগুলি জানাতে থাকে। এই ভাবেই হিন্দুরা জেহাদিদের ফাঁদে পা দেয়।

    লাভ জেহাদ সবচেয়ে বড় আঘাত

    জেহাদিদের (Jihadi Tactics Decoded) আক্রমণের সব থেকে বড় পদ্ধতি হল লাভ জেহাদ। হিন্দু মহিলাদের তারা সব থেকে বেশি টার্গেট করে। এ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মৌলবীরা হিন্দু মহিলাদের বর্ণ অনুযায়ী তাদের সেরকম মূল্য নির্ধারণ করে দিচ্ছে। হিন্দু জনগোষ্ঠী অঞ্চলে জেহাদিরা বিভিন্ন ধরনের দোকান খুলতে শুরু করে। যেমন টেলারিং দোকান, বিউটি পার্লার ইত্যাদি। যার ফলে সেগুলিতে হিন্দু মহিলাদের আনাগোনা শুরু হয় এবং সহজেই তারা ফাঁদে পা দিতে থাকে। এভাবেই শুরু হয় লাভ জেহাদ। লাভ জেহাদের এই পদ্ধতি খুবই ধীরগতিতে চলে কিন্তু তার প্রভাব অনেকটা বেশি। লাভ জেহাদের করুণ পরিণতি ইতিমধ্যেই আমাদের সামনে এসেছে একাধিক ঘটনায়। গত বছরে শ্রদ্ধা ওয়ালকরের পরিণতি সকলের জানা। সম্প্রতি কর্নাটকে কংগ্রেস নেতার কন্যাকেও চরম মূল্য দিতে হয় লাভ জেহাদের।

    কমমূল্যে জিনিসপত্র বিক্রি, ধ্বংস হয় হিন্দু অর্থনীতি

    জেহাদের (Jihadi Tactics Decoded) অন্যতম পদ্ধতি হল বেআইনিভাবে জায়গা দখল করে সেখানে দোকান দেওয়া এবং অত্যন্ত কম মূল্যে জিনিসপত্র বিক্রি করা। যাতে হিন্দুদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলা যায়। হিন্দু জনগোষ্ঠী ক্রমশই কম দামে জিনিস নেওয়ার প্রলোভনে পা দিয়ে ওই মুসলিম জেহাদিদের দোকানগুলি থেকে জিনিসপত্র কিনতে শুরু করে, যার ফলে হিন্দু দোকানদাররা মার খায় এবং হিন্দু অর্থনীতি ভেঙে পড়ে ওই অঞ্চলের।

    হিন্দু এলাকায় বাড়ি তৈরি

    এটাও দেখা গিয়েছে যে হালাল দোকানগুলি থেকে যে অর্থ লাভ হয় সেগুলি সন্ত্রাসে ফান্ডিং-এর কাজে লাগে। হিন্দুরাও হালাল মাংস কেনে এবং পরোক্ষভাবে তাদের টাকায় জেহাদীদের সন্ত্রাসের ফান্ডিং-এর কাজে লাগে। এর পাশাপাশি জেহাদিরা হিন্দু জনগোষ্ঠীর অঞ্চলে বাড়ি তৈরি করে অথবা ভাড়াতে থাকতে শুরু করে হিন্দুদের গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্য।

    জেহাদিরা হিন্দু ছেলেদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে

    জেহাদিরা হিন্দু ছেলেদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে এবং এর মাধ্যমে তাদের বাড়িতে যাতায়ত শুরু করে। যার করুণ পরিণতি হয় সেই বাড়িতে থাকা হিন্দু নাবালিকারা ওই জেহাদীদের লাভ জেহাদে ফেঁসে যায়। ওই হিন্দু নাবালিকাদের তারা বোঝাতে থাকে ইসলামের উদ্দেশ্য আদর্শ। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলে কি কি সুবিধা মিলবে সে বিষয়েও বোঝাতে থাকে জেহাদিরা। এর পাশাপাশি অন্যান্য দিকও দেখা গিয়েছে যে বাড়িতে প্রবেশ করার পরেই ওই হিন্দু নাবালিকার ছবি তুলে ফটোশপের মাধ্যমে তাকে ব্ল্যাকমেলিং করা শুরু হয়। অনেক ক্ষেত্রে এতটা মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে হিন্দু মেয়েরা আত্মহত্যা করে।

    হিন্দু এলাকায় কবরস্থান

    জেহাদিদের (Jihadi Tactics Decoded) পরের পদক্ষেপ হল তারা ছোটখাটো কবরস্থান তৈরি করতে থাকে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে। সাধারণ মানুষকে তারা বোঝাতে থাকে সেখানে এলে তারা ঠিক কতটা শান্তি পাবে। এভাবে হিন্দুরা সেই সমস্ত স্থান পরিদর্শন করতে থাকে। যখনই তারা বুঝতে পারে যে এই সমাধিস্থল সত্যিই ভালো, তখন তারা মানে জেহাদিরা আরো বড় রকমের অনুষ্ঠান সেখানে চালাতে থাকে। যা ওই হিন্দু জনগোষ্ঠীর অঞ্চলে একটি বড় রকমের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি এরকম একটি ঘটনা সামনে এসেছে ছত্তিশগড়ে। রাজ্যের ১২৫টি ঘর বেআইনিভাবে নেয় মুসলিম জনগোষ্ঠী। এই ঘরগুলি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাতে বানানো এবং এর সবগুলিতেই প্রথমে সমাধিস্থল চালু করা হয়। পরবর্তীকালে তা মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়। এই মসজিদগুলিতে হিন্দু মেয়েদের ছবি পাওয়া যায়। যে ছবিগুলির উপরে ক্রস চিহ্ন এবং সার্কেল করা ছিল। এরাই হল জেহাদীদের টার্গেট।

    জেহাদি আক্রমণ

    যখনই উপরিউক্ত সমস্ত জালে জড়িয়ে পড়ে হিন্দুরা, তখনই জেহাদিরা হিন্দুদেরকে নানাভাবে হেনস্তা করার প্রয়াস চালাতে শুরু করে। হিন্দুদের যেকোনও ধরনের অনুষ্ঠানে রামনবমী হোক, জন্মাষ্টমী হোক অথবা যে কোন শোভাযাত্রাতে পরবর্তীকালে হিংসাত্মক আক্রমণ দেখা যায়। বিগত বছরগুলি সমেত চলতি বছরেও পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় এ ধরনের ঘটনা সামনে এসেছে। হিন্দুদের শোভাযাত্রার উপর হামলার ঘটনা দেখা গিয়েছে। সম্ভাজিনগরে, গুজরাটের ভদোদরাতে সেই একই ছবি দেখা গিয়েছে। এই হামলার বেশিরভাগটাই সংঘটিত হয়েছে যখন হিন্দুদের ওই শোভাযাত্রা মসজিদকে অতিক্রম করেছে।

    সতর্ক থাকা উচিত 

    এই ধরনের বিভিন্ন জেহাদি (Jihadi Tactics Decoded) কার্যকলাপ যা হিন্দুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয় তা থেকে হিন্দু জনগোষ্ঠীকে সদা সতর্ক থাকতে হবে এবং কারণ খুঁজে বার করতে হবে। বর্তমানে তারা উপরের বলা কোন স্তরে রয়েছে, এছাড়া জেহাদিরা কীভাবে তাদের ওপরে, তাদের অঞ্চলে রেইকি করে চলেছে এবং সেই মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share