Tag: Madhyom

Madhyom

  • World Liver Day: নিয়মিত কুকিজ, চকোলেট কিংবা ঠান্ডা পানীয়? কোন‌ বিপদ হতে পারে জানেন? 

    World Liver Day: নিয়মিত কুকিজ, চকোলেট কিংবা ঠান্ডা পানীয়? কোন‌ বিপদ হতে পারে জানেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হজমের গোলমাল নিত্যসঙ্গী? প্রায় দিন‌ খাওয়ার পরে বমি হয়? চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, সতর্ক হতে হবে। পরবর্তীতে বাড়তে পারে বিপদ। লিভারের রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। নন অ্যালকোহলিক লিভারের অসুখ ভারতে আরও বাড়ছে বলেই জানাচ্ছে একাধিক সর্বভারতীয় সমীক্ষা। দেশের সাম্প্রতিক এক স্বাস্থ্য সমীক্ষায় জানা‌ গিয়েছে, নন অ্যালকোহলিক লিভারের রোগ এ দেশে কয়েকগুণ বেড়েছে। ১৯৯০ সালে এ দেশে নন অ্যালকোহলিক লিভারের রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪০ লাখ। সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, এখন দেশে ৯৮ লাখ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হন। মদ্যপান না করেও লিভারের একাধিক রোগে ভুগছেন পুরুষ, মহিলা। এমনকী শিশুরাও লিভারের নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে (World Liver Day)। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, প্রথম থেকেই সতর্কতা জরুরি। তবেই লিভারের রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। ঠিকমতো‌ খাদ্যাভ্যাস থাকলে‌ এই রোগের প্রকোপ কমানো সম্ভব বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

    লিভারের বিপদ কে বাড়াচ্ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মদ্যপানে লিভারের রোগের বিপদ বাড়ে। এই কথা অনেকেই জানেন। সে নিয়ে সচেতনতাও রয়েছে। কিন্তু মদ্যপান না করেও লিভারের একাধিক রোগ হতে পারে। আর তার জন্য কিছু খাদ্যাভ্যাস দায়ী। একথা অবশ্য অনেকেই জানেন না। তাই দেশজুড়ে নন অ্যালকোহলিক লিভারের রোগের প্রকোপ বাড়ছে (World Liver Day)। এমনকী শিশুরাও এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই ওয়ার্ল্ড লিভার ডে উপলক্ষে একাধিক কর্মশালায় চিকিৎসকেরা এই বিষয় সম্পর্কে সচেতন করেছেন।

    চিনি খাওয়ার অভ্যাসে বদল জরুরি (World Liver Day)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চিনি লিভারের জন্য ক্ষতিকারক। তাঁরা জানাচ্ছেন, সরাসরি চিনি খাওয়ার অভ্যাস শরীরে একাধিক রোগের কারণ হয়। পাশপাশি ক্যান্ডি, ললিপপ জাতীয় খাবার, যা মূলত চিনি দিয়েই তৈরি করা হয়, সেগুলোও লিভারের ক্ষতি করে।‌ তাই নিয়মিত অতিরিক্ত পরিমাণ চিনি কিংবা ক্যান্ডি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে, তা বদল জরুরি। না হলে লিভারের অসুখ হতে পারে।

    অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবারে ‘না’ (World Liver Day)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশজুড়ে নন অ্যালকোহলিক লিভারের রোগ বাড়ার অন্যতম কারণ এই অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবারের অভ্যাস। তরুণ প্রজন্মের একাংশ বিরিয়ানি, মোগলাই কিংবা চাইনিজ খাবারে অভ্যস্ত। জলখাবার কিংবা সন্ধ্যার খাবার বলতে অনেকেই বোঝে ফাস্টফুড। এমনকী কলেজ বা অফিস ফেরত খাবারের তালিকায় থাকে চাউমিন, এগরোল কিংবা পিৎজা, ফ্রেঞ্চফ্রাইয়ের মতো খাবার‌। এই ধরনের খাবার একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। এগুলো লিভারে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই রকম অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবারে ‘না’ বলা জরুরি।

    কুকিজ, পেস্ট্রিতে লাগাম জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, যে কোনও ধরনের বেকড করা খাবার অতিরিক্ত খেলে লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়ে। তাই কুকিজ, পেস্ট্রির মতো খাবারে লাগাম জরুরি।‌ নিয়মিত কখনই এই ধরনের খাবার খাওয়া উচিত নয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ (World Liver Day)।

    নরম পানীয় সবচেয়ে বিপজ্জনক

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মদ্যপানে লিভারের ক্ষতি হয়, এই নিয়ে সচেতনতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু সোডামিশ্রিত নরম পানীয় যে একই রকম ক্ষতিকারক, সে নিয়ে সচেতনতা খুবই কম। তাই গরম হোক কিংবা যে কোনও উৎসব উদযাপনের আনন্দে, এই ধরনের সোডামিশ্রিত ঠান্ডা পানীয় লাগাতার খাওয়া হয়। এমনকী পরিবারের খুদে সদস্যেও এই ধরনের পানীয় খায়। তাই লিভারের রোগের বিপদ বাড়ে।

    কীভাবে সুস্থ থাকবে লিভার?

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কিছু খাবার বাদ দেওয়ার পাশপাশি লিভার সুস্থ রাখতে কিছু খাবার নিয়মিত খাওয়া জরুরি। তবেই রোগের ঝুঁকি কমবে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়মিত সবুজ সবজি খেতে হবে।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রাণীজ প্রোটিনের তুলনায় সবজির থেকে শরীর প্রোটিন পেলে লিভারের রোগের ঝুঁকি কমে। কারণ সবুজ সবজি থেকে পাওয়া প্রোটিন সহজপাচ্য হয়। তাই পালং শাক, লাউ, ব্রোকলির মতো সবজি নিয়মিত খাওয়া জরুরি। এতে লিভার ভালো থাকে।

    তাছাড়া নিয়মিত লেবু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ লেবুতে ভিটামিন সি থাকে। ভিটামিন সি লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে (World Liver Day)।

    প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন লিভার সুস্থ রাখতে শরীরে পর্যাপ্ত জল জরুরি। তাই নিয়মিত ৫-৬ লিটার জল খেতে হবে। পাশপাশি ডাবের জল, ফলের রস খেলে লিভারের রোগের ঝুঁকি কমে। কারণ এগুলো‌ শরীরে জলের চাহিদা মেটায়। আবার প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থের জোগান দেয়। ফলে লিভার সুস্থ থাকে।

    লিভার সুস্থ রাখতে এবং কার্যক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ বাদামে থাকে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো উপাদান। এগুলো‌ লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

    ওমেগা থ্রি ও ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত মাছ লিভারের জন্য উপকারী। তাই লিভার সুস্থ রাখতে বড় মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ (World Liver Day)।‌

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC: অনলাইন, ডিস্ট্য়ান্সে উচ্চশিক্ষায় আর প্রয়োজন নেই এআইসিটিই-র অনুমোদন, জানাল ইউজিসি

    UGC: অনলাইন, ডিস্ট্য়ান্সে উচ্চশিক্ষায় আর প্রয়োজন নেই এআইসিটিই-র অনুমোদন, জানাল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে ওপেন অ্যান্ড ডিস্ট্যান্স লার্নিং (ODL) এবং অনলাইনে প্রোগ্রামের মাধ্যমে কোনও বিষয়ে পঠনপাঠন শুরু করার জন্য বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এমনই জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন (UGC)।

    ইউজিসির বক্তব্য (UGC)

    এর আগে অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন বা এআইসিটিই (AICTE )-এর অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সবিস্তার একটি চিঠি পাঠানো হয় ইউজিসিকে (UGC)। এবার ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই ১৩ মার্চ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমিশনের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইউজিসি-র জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “এবার থেকে এআইসিটিই-এর অনুমোদন ছাড়াই কোনও বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজমেন্ট শাখার যেকোনও বিষয় সংশ্লিষ্ট পদ্ধতিতে পড়াতে পারবে।” এছাড়াও ইউজিসি-র (University Grants Commission) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “সরকারি হোক বা বেসরকারি, যেকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই এবার থেকে এআইসিটিই (All India Council of Technical Education)-এর অনুমোদন ছাড়াই টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজমেন্ট শাখার যেকোনও বিষয়ে দূরশিক্ষা এবং অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর স্তরে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করতে পারবে পড়ুয়াদের।” জানা গেছে এই সুবিধার আওতায় রয়েছে ম্যানেজমেন্ট, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন ও ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজমের মত বিষয়গুলি। অর্থাৎ উল্লিখিত বিষয়গুলি নিয়ে অনলাইন (online mode) প্রোগ্রাম কিংবা দূরশিক্ষার মাধ্যমে পড়াশোনা করতে পারবেন পড়ুয়ারা।

    আরও পড়ুনঃশাহজাহানের ভাই সিরাজের বিরুদ্ধে এবার লুক আউট নোটিশ জারি করল ইডি

    ভুয়ো বিষয়ে পঠনপাঠনে সতর্কতা

    তবে ইউজিসির (UGC) তরফে জারি হওয়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র ‘ডিমড টু বি ইউনিভার্সিটিজ’-এর ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমোদন ছাড়া উল্লিখিত বিষয়ে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করা যাবে না। উল্লেখ্য, দূরশিক্ষার মাধ্যমে ভুয়ো বিষয়ে পঠনপাঠন নিয়ে আগেই সতর্কতা জারি করেছিল ইউজিসি। এবার কোন কোন বিষয় দূরশিক্ষা কিংবা অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে পড়ানো যাবে এবং তার জন্য আলাদা করে কোনও অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে কী না, সেই বিষয়ে ইউজিসি-র ওয়েবসাইটে সম্প্রতি এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    SSC Scam: জারি হতে পারে অবমাননা রুল, নিয়োগ-মামলায় মুখ্যসচিবকে ‘শেষ সুযোগ’ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় ধৃত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়ে আবারও কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়লেন রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। নিজের অবস্থান জানানোর জন্য তাঁকে শেষ সুযোগ দিল আদালত। এই নিয়ে চতুর্থ বার সময় দেওয়া হল। এবার যদি আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে মুখ্যসচিব পদক্ষেপ না করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করা হবে বলেও মঙ্গলবার জানায় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ২ মে মামলার পরবর্তী শুনানি।

    কী বলল আদালত

    মঙ্গলবার নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্য-সহ শিক্ষা দফতরের কয়েক জন প্রাক্তন আধিকারিকের জামিনের মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। সিবিআইয়ের অভিযোগ ছিল, রাজ্যের মুখ্যসচিবের অনুমতি না পাওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি। এই সংক্রান্ত মামলার গত শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর পর্যবেক্ষণ ছিল, মুখ্যসচিব তাঁর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। ২৩ এপ্রিল অর্থাৎ মঙ্গলবারই এই বিষয়ে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারকে। কিন্তু মঙ্গলবারও মুখ্যসচিব কোনও রিপোর্ট জমা দেননি। গোটা বিষয়টি নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত তাঁকে আর মাত্র ১০ দিন সময় দিয়েছে। এরপর মুখ্যসচিবের রিপোর্ট না পেলে রুল ইস্যুর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।  

    আরও পড়ুন: ১৭টি বিভিন্ন উপায়ে নিয়োগে দুর্নীতি করেছে এসএসসি! কী বলল হাইকোর্ট?

    রাজ্যের যুক্তি

    মঙ্গলবারও আগের শুনানির (SSC Scam) মতো একই যুক্তি দেখায় রাজ্য সরকার। বলা হয়, লোকসভা ভোটের কাজে ব্যস্ত মুখ্যসচিব। তাই তিনি জবাব দিতে পারেননি। রাজ্যের যুক্তি শুনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি বাগচী। তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া মসৃণ ভাবে চলছে কি না, সেটা দেখা আদালতের কাজ। যদি দেখা যায় সেখানে কোনও বাধা আসছে, তবে তা সরানোর কাজ করতে হবে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘নির্বাচনের সঙ্গে মুখ্যসচিবের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোনও সম্পর্ক নেই। অযথা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তিনি দেরি করছেন। তিনি হয় এই মামলার গুরুত্ব বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন। নতুবা আমাদের কি এটা ধরে নিতে হবে যে এই অভিযুক্তরা এতই প্রভাবশালী যে, রাজ্যের মুখ্যসচিবও বিচার শুরু করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না?’’  বিচারের কাজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্যসচিবকে প্রভাবমুক্ত থাকার নির্দেশ দেয় আদালত। মুখ্যসচিবকে তাঁর বিধবদ্ধ দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের

    Sandeshkhali: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বিভিন্ন অভিযোগের সিবিআই তদন্তে মামলার সংখ্যা শতাধিক হয়ে যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এক দশকের বেশি সময় ধরে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ও আশপাশের অঞ্চলে ত্রাস হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan)। মহিলাদের আন্দোলনের চাপে গ্রেফতার হয়েছেন শাহজাহান এবং অনুগামী শিবু-উত্তম সহ আরও কয়েকজন দুষ্কৃতী। একই সঙ্গে শতাধিক অভিযোগের মামলা দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। উল্লেখ্য বেআইনি অর্থ লগ্নী সংস্থা সারদার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রাজ্যজুড়ে ১৯৬টি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। কিন্তু এবার সন্দেশখালিতেই মোট মামলা এখনই শতাধিক। আগামী দিনে আরও মামলা দায়ের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  

    শতাধিক অভিযোগ জমা

    প্রসঙ্গত সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাসিন্দাদের কাছ থেকে সিবিআইকে সরাসরি অভিযোগ নিতে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে সিবিআইকে ইমেইল আইডি এবং অ্যাপের মাধ্যমে এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে সরাসরি অভিযোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার এই ইমেইল আইডি ও অ্যাপ থেকে নেওয়া অভিযোগ মিলিয়ে মামলার সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    তদন্তকারী অফিসারের বক্তব্য

    সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali) তদন্তে এক তদন্তকারী অফিসার বলেছেন, “৫ জানুয়ারি ইডির (ed) অফিসার ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের উপরে হামলার ঘটনার পর ফেরার হয়ে গিয়েছিলেন সন্দেশখালির ত্রাস শেখ শাহজাহান ও তাঁর সঙ্গীরা। তখন থেকেই সন্দেশখালীর এই তৃণমূল নেতা ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল, খুন, খুনের চেষ্টা, মারধর, রাজনৈতিক সন্ত্রাস, শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের মতো অভিযোগ দায়ের হতে শুরু করে। এমনকী বিভিন্ন গ্রামে শিবির খুলে বসিরহাট জেলা পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করা শুরু করেছিল। কিছু অভিযোগের নিষ্পত্তি অবশ্য পুলিশ এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফে তৎক্ষণাৎ করা হয়েছিল।” অন্যদিকে সিবিআই এর হাতে গ্রেফতার শেখ শাহজাহানের ভাই আলমগীর শাহজাহানের দুই সাগরেদ শিবু হাজরা ও দিদার বক্স মোল্লাকে হেফাজতে নিলেন ইডি আধিকারিকেরা। যেহেতু তিনজনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাই তাঁদের ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানো হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা ও বিভিন্ন সম্পত্তিগত বিষয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    আরও পড়ুনঃ এই ৫টি উপায় মেনে চললেই এসির বিদ্যুতের খরচ কম হবে

    সারদা মামলার সঙ্গে যোগ

    প্রসঙ্গত বছর দশেক আগে বেআইনি অর্থ লগ্নী সংস্থা সারদার ২৪০০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রাজ্যজুড়ে ১৯৬টি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেখানে শুধু সন্দেশখালিতেই (Sandeshkhali) শাহজাহানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বর্তমানে। তবে এত মামলা একসঙ্গে হলে তদন্তকারী সংস্থার বেশ কিছু সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে তদন্ত দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সারদার ক্ষেত্রে ১৯৬টি মামলা একজোট করে পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই। ১১ বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও সারদার পাঁচটি মামলা এখনও চলছে। এই মামলাগুলিতে এখনও চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে পারেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আরও জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একজন ডিআইজির নেতৃত্বে সিট গঠন করা হয়েছে এবং আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছে।

    লুক আউট নোটিশ (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালি (Sandeshkhali) মামলায় এবার শেখ শাহজাহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করল ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তদন্তকারী অফিসারেরা জানিয়েছেন, “আমাদের আশঙ্কা তাঁর ভাই সিরাজউদ্দিন দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে পারেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করে দেশের সমস্ত বিমানবন্দরকে সতর্ক করা হয়েছে। সিরাজের বিরুদ্ধে জমি দখল করে ভেড়ি বানানো, সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন সহ শেখ শাহজাহানকে বিভিন্ন মামলায় সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তদন্তকারীরা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সিরাজুদ্দিনের খোঁজ পাওয়া যায়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “রড, লাঠি ও টাঙি নিয়ে ব্যাপক হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    Bankura: “রড, লাঠি ও টাঙি নিয়ে ব্যাপক হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে তৃণমূলের ফতোয়ার বিরোধিতা করায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের শিবডাঙা গ্রামে। সোনামুখী থানার ওই গ্রামে দেওয়াল দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূলের হামলায় এক শিশু সহ সাতজন জখম হন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bankura)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার বাঁকুডার (Bankura) সোনামুখী থানার শিবডাঙা গ্রামে বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁর সমর্থনে দেওয়াল লিখনের প্রস্তুতি নেন স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। গ্রামের একাধিক দেওয়ালে চুনের প্রলেপ লাগানো হয়। অভিযোগ, সোমবার রাতে বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয়ে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা ফতোয়া দেয় গ্রামে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে কোনও দেওয়াল লিখন করা চলবে না। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, তৃণমূলের ফতোয়ার  প্রতিবাদ জানালে তৃণমূল কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে রড, লাঠি ও টাঙি নিয়ে আমাদের ওপর চড়াও হয়ে ব্যাপক মারধর করে। অভিযোগ, পরিবারের মহিলা ও শিশুদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। পরে, আহত অবস্থায় ৭ জন বিজেপি কর্মীকে স্থানীয় সোনামুখী ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এক বিজেপি কর্মীর আঘাত গুরুতর থাকায় রাতেই তাঁকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: “আমি যে যোগ্য কেউ তা বিশ্বাস করবে না”, চাকরি হারিয়ে আক্ষেপ চন্দননগরের কার্তিক ধারার

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, বিষ্ণুপুর লোকসভায় নিজেদের হার নিশ্চিত জেনে এখন তৃণমূল কর্মীরা মরিয়া হয়ে এই হামলা চালাচ্ছে। সন্ত্রাস করে ওরা বাজিমাত করতে চাইছে। এসব করে কোনও লাভ হবে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, বিজেপি কর্মীরাই তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেছে। যে সমস্ত এলাকায় পায়ের তলায় মাটি পাচ্ছে না, সেই জায়গায় লড়াই লাগিয়ে সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করছেন বিজেপি কর্মীরা। কেউ আহত হয়ে থাকলে তা বিজেপির কোন্দলের জের। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • AC Bill: এই ৫টি উপায় মেনে চললেই এসির বিদ্যুতের খরচ কম হবে

    AC Bill: এই ৫টি উপায় মেনে চললেই এসির বিদ্যুতের খরচ কম হবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র থেকেই নিজের তেজ দেখাতে শুরু করেছিল সূর্যদেব। আর বৈশাখ পড়তেই সূর্যের অস্বাভাবিক তেজে জ্বলেপুড়ে যাচ্ছে বাংলা। আর এই নাজেহাল করা পরিস্থিতি থেকে বাঁচতেই একমাত্র সম্বল এসি (AC-Air Conditioner)। গরমকাল আসতেই এসির উপর নির্ভরতা বেড়েছে অনেক বেশি। কিন্তু সব সময় এসি চালানোয় বেলাগামভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে বিদ্যুৎ বিলও (AC Bill)। তবে কিছু সতর্কতা মেনে চললে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ থাকবে বিদ্যুৎ বিল। কিন্তু কীভাবে কমাবেন বিদ্যুৎ বিল জানেন?

    আয়ত্তে রাখা যাবে বিদ্যুৎ বিল (AC Bill)

    আসুন আজকের এই প্রতিবেদনে দেখে নেওয়া যাক কীভাবে খুব সহজেই কয়েকটি পদ্ধতি মেনে এসি চালিয়েও আয়ত্তে রাখা যাবে বিদ্যুৎ বিল।

    ১। এসির (air conditioners) সঙ্গে সিলিং ফ্যান চালালে ঠান্ডা হাওয়া সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে অনেক্ষণের জন্য এসি চালানোর দরকার পড়বে না।

    ২। সব সময় চেষ্টা করতে হবে এসির তাপমাত্রা যেন কখনই ২০ ডিগ্রির কম না থাকে। তাপমাত্রা বেশির দিকে থাকলে নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে বিদ্যুৎ বিল (AC Bill)।

    ৩। এসির ফিল্টারে নোংরা থাকলে হাওয়া আটকে যায়। ফলে এসি চললে ঘর ঠান্ডা হতে অনেক সময় লাগে। তাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর অবশ্যই এসির সার্ভিসিং করাতে হবে। 

    ৪। দিনের বেলায় অল্প কিছু সময় চালিয়ে জানলায় পর্দা দিয়ে রাখলে ঘর ঠান্ডা থাকবে দীর্ঘক্ষণ। অন্যদিকে রাতে সারারাত এসি না চালিয়ে ঘুমানোর আগে এসি চালিয়ে ঘর ঠান্ডা করে পাখা চালিয়ে ঘুমানো যেতে পারে। তাতে রাতভর ঘর ঠান্ডা থাকবে। আর এসির বিদ্যুৎ বিলও (AC Bill) কম আসবে।

    ৫। সব সময় এসি না চালিয়ে টাইমার সেট করা যেতে পারে। ফলে নির্দিষ্ট সময় এসি চললে বেশি বিদ্যুৎ বিল আসার আশঙ্কা কমে।

    আরও পড়ুনঃ “শেষ জীবনেও মুখ্যমন্ত্রীকে চোর চোর শুনতে হবে”, কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

    বারবার এসি অন-অফ নয়

    এই পদ্ধতিগুলি মেনে চলার পাশাপাশি মাথায় রাখতে হবে কয়েকটি বিষয়। মেনে চললেই অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে বিদ্যুৎ বিল (AC Bill)। অনেকেই মনে করেন বারবার এসি অন অফ করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় কিন্তু বারবার এসি অন-অফ করবেন না। বারবার এসি অন অফ করার ফলে এসির কম্প্রেসারের উপর চাপ তৈরি হয়। কম্প্রেসার বারবার ঠান্ডা হয়। তাতে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসার সম্ভাবনা থাকে। অন্যদিকে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা (temperature) কমালে ৩ থেকে ৪ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল বাড়ে। তাই সেই বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। পাশাপাশি এসি কখনই ১৬ থেকে ১৮ ডিগ্রির মধ্যে রেখে চালাবেন না। পরিবর্তে ২৬ থেকে ২৭ ডিগ্রির মধ্যে এসি চালান। এর ফলে বিদ্যুতের বিল (AC Bill) এক ধাক্কায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমানো সম্ভব হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recrutment Scam: “আমি যে যোগ্য কেউ তা বিশ্বাস করবে না”, চাকরি হারিয়ে আক্ষেপ চন্দননগরের কার্তিক ধারার

    SSC Recrutment Scam: “আমি যে যোগ্য কেউ তা বিশ্বাস করবে না”, চাকরি হারিয়ে আক্ষেপ চন্দননগরের কার্তিক ধারার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা সেলুন চালিয়ে সংসার চালান। বাম আমলে প্রাথমিকে চাকরি পান। কিন্তু, হাইস্কুলের চাকরি পেয়ে হুগলির কার্তিক ধাড়া এসে ওঠেন শিলিগুড়িতে। ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি প্রাথমিকের চাকরি ছেড়ে হাইস্কুলে যোগ দেন। ৭ বছরের বেশি সময়ের নিশ্চিত চাকরি ছেড়ে, বাড়ি ছেড়ে এসেছিলেন শিলিগুড়ি। এসএসসির নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) মামলায় হাইকোর্টের রায়ে এবার গেল সেই চাকরিও। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল কার্তিকের। দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

    প্রাইমারির চাকরি ছেড়ে হাইস্কুলে যোগ দিয়েছিলেন (SSC Recruitment Scam)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কার্তিকবাবুর বাড়ি হুগলির চন্দননগরে। বাড়িতে বয়স্ক বাবা-মা। বাবার সেলুন আছে। কার্তিক গ্র্যাজুয়েশন করার পর বাবা বলেছিলেন, এবার একটু কাজের খোঁজ করতে। সেলুন চালিয়ে আর তিনি একা এত কিছু টানতে পারছিলেন না। কার্তিকবাবু টিউশন করে এম কম করেন। পরে, ফর্ম ফিলআপ করে হরিপালে প্রাইমারি স্কুলে চাকরি পান তিনি। ২০১১ সালে চাকরিতে যোগদান করেন তিনি। পরে, এডুকেশনে আবার এম.এ করেন। কমার্সে দু’বার নেট ক্লিয়ারও করেছেন তিনি, দাবি পরিবারের সদস্যদের। ইচ্ছা ছিল কলেজেও পড়ানোর। বিভিন্ন পরীক্ষার ফর্ম ফিলআপ করতেন তিনি। ২০১৬তে এসএসসির ফর্ম বেরোল। লিখিত পরীক্ষায় বসলেন তিনি। ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন, ভাইভা সবেতেই  পাশ করে ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রাথমিকের চাকরি ছেড়ে হাইস্কুলে যোগ দেন। প্রাথমিকের প্রায় সাড়ে সাত বছরের চাকরি ছেড়ে এসএসসি দিয়ে হাইস্কুলে পড়াতে শিলিগুড়ি এসেছিলেন তিনি। সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগের (SSC Recruitment Scam) গোটা প্যানেল বাতিল করে দেওয়ার পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

    আরও পড়ুন: ১৭টি বিভিন্ন উপায়ে নিয়োগে দুর্নীতি করেছে এসএসসি! কী বলল হাইকোর্ট?

    আমি যে যোগ্য কেউ তা বিশ্বাস করবে না

    কার্তিক বলেন, “তালিকায় নিশ্চয়ই কিছু গোলমাল হয়েছে। তা নিয়ে কোনও বক্তব্য নেই। কিন্তু, যারা কিছু করেনি, তাদের কথা কোর্ট একবারও ভাবল না। আমার তো মাথাই কাজ করছে না, কী করব। এখন মনে হচ্ছে আগের প্রাইমারি চাকরিটা না ছাড়লে আজ আমার এরকম অবস্থা হতো না। পরিবারের চিন্তা, সঙ্গে আবার লোনও নিয়েছেন। বাড়ি থেকে আমাকে ফোনও করেছে। তাঁরা ভয় পাচ্ছেন, আমি যদি কিছু করে বসি। খুব বড় ধাক্কা। আমরা যারা যোগ্য, তাদের কাছে তো এই রায় মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো। সবাইকে বাতিল করে দিল, তাতে তো আমরাও খাদে পড়লাম। কী করব তো বুঝতেই পারছি না। এবার লোকজনও অন্য চোখে দেখবে। আমি যে যোগ্য কেউ তো বিশ্বাসই করবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “শেষ জীবনেও মুখ্যমন্ত্রীকে চোর চোর শুনতে হবে”, কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

    Dilip Ghosh: “শেষ জীবনেও মুখ্যমন্ত্রীকে চোর চোর শুনতে হবে”, কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে হাইকোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি ভোটের প্রচারে বলেন, “অপকর্ম করলে ফল পাবেন। এখানেও পাবেন, ভগবানের কাছেও পাবেন। আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উচিত তাঁর নেতাদের বলা যে সুদ সমেত টাকা ফেরত দিয়ে দাও। নাহলে যাঁদের চাকরি গেছে তাঁদের টাকাও যাবে। তবে এখন টাকা দিতে গেলে বাপের জমি বেচতে হবে। যাঁরা গরিব ছেলে-মেয়ের টাকা নিয়েছে, প্রত্যেকের সাজা না হওয়া পর্যন্ত এই তদন্ত এবং এই রায় ফলপ্রসূ হবে না।” মঙ্গলবার দুর্গাপুর স্টিল টাউনশিপের আশিষ মার্কেটে চায়ে পে চর্চায় যোগ দিয়েছিলে বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।

    কী বললেন দিলীপ (Dilip Ghosh)?

    ওই কর্মসূচিতে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) মাইক হাতে নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে (CM) আক্রমণ করে বলেন, “ইডি (ED), সিবিআই (CBI) নেতাদের বাড়ি থেকে টাকা বের করে নিয়ে যাচ্ছে। তাতে তাঁর খুব কষ্ট। মানুষ আপনাকে মানে না, মানবে না। তাই রাস্তায় চোর চোর স্লোগান শুনতে হয়। তাঁর পার্টির ছিঁচকে চোররা শুনত চোর চোর। এখন মুখ্যমন্ত্রীকেও চোর শুনতে হচ্ছে। তাঁদের জলে ডুবে মরা উচিত। ৫০ বছর রাজনীতি করার পরে শেষ জীবনে চোর চোর শুনে যেতে হবে। এ জীবনের কোনও মূল্য নেই। দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) অশ্বত্থ গাছে নিচে দাঁড়িয়ে বলছে, ডুবে মরো, ডুবে মরার জলও নেই পশ্চিমবঙ্গে। খাওয়ার জল পাওয়া যাচ্ছে না ডুববে কোথায়।”

    ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল

    প্রসঙ্গত সোমবার কলকাতা উচ্চ আদালতের (Calcutta High Court) দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে একসঙ্গে ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি চলে গিয়েছে। এ যেন ঢাকি সমেত বিসর্জন! সাম্প্রতিক কালে এত সংখ্যক সরকারি কর্মচারীর দুর্নীতির (Recruitment Scam) অভিযোগে চাকরি যাওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন। এরই মাঝে চাকরি যাওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)? সহ একাধিক বিজেপি নেতা।

    আরও পড়ুনঃ ভাঙল ১০০ বছরের ইতিহাস! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পেল প্রথম মহিলা উপাচার্য

    মমতার অভিযোগ বিচারব্যবস্থার দিকে

    আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার ভোটের প্রচার কর্মসূচি থেকে যে বক্তব্য রাখেন তাতে তাঁর অভিযোগ ছিল বিচারব্যবস্থার দিকেই। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, কুণাল ঘোষ সহ একাধিক তৃণমূল নেতারা যে বক্তব্য রেখেছেন, তাতে দুর্নীতির অভিযোগে তাঁদের দলের নেতারা গ্রেফতার হলেও তাঁরা এই দায় নিতে নারাজ। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে যদি সমস্ত ওএমআর শিট আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার কাছে জমা দিত কমিশন, তাহলে যোগ্য-অযোগ্য বাছাইয়ের কাজ আরও ভালোভাবে করা যেত। এখানেই প্রশ্ন তাহলে কি এসএসসি তদন্তকে গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে? এদিন নির্বাচনী প্রচারে চোর চোর বলে তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: তাপপ্রবাহ চলবেই জানিয়ে দিল হাওয়া অফিস, বুধবার থেকে আরও পারদ চড়ার ইঙ্গিত

    Weather Update: তাপপ্রবাহ চলবেই জানিয়ে দিল হাওয়া অফিস, বুধবার থেকে আরও পারদ চড়ার ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপপ্রবাহের দ্বিতীয় স্পেল শুরু হতে চলেছে। বুধবার থেকে আবার বাড়বে তাপমাত্রা, জানিয়ে দিল আলিপুর হাওয়া অফিস (Weather Update)। সপ্তাহান্তে তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণের অন্তত ছয়টি জেলায়। বাকি জেলায় মডারেট বা মৃদু তাপপ্রবাহ হবে। কলকাতাতেও বইবে লু।

    বাড়বে তাপমাত্রা

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা এবং হাওড়া জেলায় তাপপ্রবাহ (Weather Update) না হলেও গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া সারা দিন জুড়ে বজায় থাকবে। কলকাতা এবং হাওড়া তাপপ্রবাহের হাত থেকে নিস্তার পেলেও গরমের হাত থেকে বাঁচতে পারবে না। এই দুই জেলা ছাড়া দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় মঙ্গলবার তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার থেকে কলকাতা এবং হাওড়ার পাশাপাশি দক্ষিণের সমস্ত জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। আগামী দু’দিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা দু’এক ডিগ্রি সেলসিয়াস কমলেও দু’দিন পর তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

    অতীতে দীর্ঘস্থায়ী গরম কলকাতায়

    ১৯৮০ সালের এপ্রিল মাসে তাপমাত্রা ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল। সেবার রেকর্ড গরম পড়েছিল কলকাতায়। সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় হয়েছিল রেকর্ড। এখনও পর্যন্ত কলকাতার পারদ ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস স্পর্শ করেছে। একটানা ৪০ এর উপর কলকাতার তাপমাত্রা আট দিন ছিল ২০১৬ য় ও ২০০৯ সালে। ২০২৩ সালেও কলকাতায় ৫ দিন ছিল ৪০-এর উপর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা । ২০২৪ এ মাত্র দুদিন কলকাতায়  টানা ৪০ ডিগ্রির উপরে ছিল তাপমাত্রা ।  

    আরও পড়ুন: ঝাঁঝাঁ রোদ! ভোট দেবেন কী ভাবে? বৈঠক নির্বাচন কমিশনের

    উত্তরেও বাড়বে তাপমাত্রা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, বুধবার থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহের (Weather Update) সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে। তাপপ্রবাহের কারণে বুধবার থেকে দক্ষিণের জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি চলবে সপ্তাহভর। ছিটেফোঁটা বৃষ্টিরও সম্ভাবনা নেই। এবার স্বস্তি পাবে না পাহাড়ও। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি কমবে, বাড়বে গরম। সমতলে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে। মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ এই দুই জেলাতেও তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি   হবে মঙ্গলবার। বুধবার থেকে এই তিন জেলায় তাপপ্রবাহ চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Aligarh Muslim University: ভাঙল ১০০ বছরের ইতিহাস! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পেল প্রথম মহিলা উপাচার্য

    Aligarh Muslim University: ভাঙল ১০০ বছরের ইতিহাস! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পেল প্রথম মহিলা উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলা উপাচার্য পেল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (AMU)। ১০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার কোনও মহিলা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ আসনে বসলেন। এএমইউ-এর (Aligarh Muslim University) উপাচার্য হিসাবে নিযুক্ত হলেন অধ্যাপিকা নাইমা খাতুন। আগামী পাঁচ বছর তিনিই এই পদে থাকবেন। শিক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদনের পরই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নতুন উপাচার্যের নিয়োগপত্রে সই করেন। নিয়োগপত্র পেয়ে সোমবার সন্ধ্যায় এএমইউ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তিতে নাইমা খাতুনকে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (woman Vice-Chancellor) হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়কে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, “ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শক হিসাবে তাঁর ক্ষমতায়, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাইমা খাতুনকে পাঁচ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ করেছেন।” ভোট চলাকালীন যেহেতু এখন নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি রয়েছে, তাই এই নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনেরও (ECI) অনুমতি নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কমিশন শর্ত আরোপ করে জানিয়েছে, “এই নিয়োগ নিয়ে কোনও প্রচার হবে না এবং এর থেকে কোনও রাজনৈতিক ফায়দা তোলা যাবে না।”

    আরও পড়ুনঃ শতাব্দীর ওপর ক্ষোভ জানিয়ে তিনশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্রী ছিলেন নাইমা

    উল্লেখ্য, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্রী ছিলেন নাইমা (Naima Khatoon), এখান থেকে সাইকোলজিতে পিএইচডি করেন তিনি। ১৯৮৮ সালে সেই বিভাগেই লেকচারার হিসাবে যোগ দেন। ২০০৬ সালে প্রফেসর হন। এরপর ২০১৪ সালে ওমেন্স কলেজের প্রিন্সিপাল হিসাবে যোগ দেন। প্রসঙ্গত এর আগে ১৯২০ সালে এএমইউ-তে আচার্য হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন বেগম সুলতান জাহান। সেই সময় তিনি ছিলেন একমাত্র মহিলা আচার্য। আর এবার প্রথম মহিলা উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ হলেন অধ্যাপিকা নাইমা খাতুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share