Tag: Madhyom

Madhyom

  • Lok Sabha Election 2024: শান্তনু ঠাকুরের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর, প্রতিবাদে হেলেঞ্চায় অবরোধ বিজেপির

    Lok Sabha Election 2024: শান্তনু ঠাকুরের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর, প্রতিবাদে হেলেঞ্চায় অবরোধ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠল। ভোটের ( Lok Sabha Election 2024) মুখে সোমবার সকালে বাগদার পুরাতন বাজার এলাকায় এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। মহিলারা বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায়। বিজেপির অভিযোগ, মহিলাদের সামনে রেখে তৃণমূল এই কাজ করেছে। সোমবার সকালে এই ঘটনার জেরে বাগদার হেলেঞ্চায় পথ অবরোধে বসেন বিজেপি কর্মীরা।

    বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে বাধা! ( Lok Sabha Election 2024)

    চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের ( Lok Sabha Election 2024) প্রচারে বেরিয়ে সোমবার সকালে বাগদার পুরাতন বাজারের কাছে তৃণমূল সমর্থিত মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন শান্তনু ঠাকুর। পাশাপাশি তাঁর প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। তৃণমূলের লোকজনই এসব করেছে বলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি। যদিও বিক্ষোভকারী মহিলারা বলেন, “আমরা বিক্ষোভ দেখাতে আসিনি। আমফান-করোনা মহামারী গিয়েছে, সাংসদকে আমরা পাইনি। আমরা শুধু দেখা করতে এসেছিলাম, জানতে এসেছিলাম। শান্তনু ঠাকুরই বিজেপির গুন্ডাবাহিনী নিয়ে এসে আমাদের মহিলাদের ওপরে আক্রমণ করেন।” যদিও বিজেপি নেতৃত্ব তা অস্বীকার করে।

    গাড়ি থামিয়ে পুলিশের তল্লাশি

    জানা গিয়েছে, সিএএ-এনআরসি কার্যকর হলে মুসলিমরা বিপদে পড়লে খুন হবেন, ঠাকুরবাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হবে। এমন হুমকি চিঠি আগেই পেয়েছিলেন বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। আর এবার প্রচারে গিয়ে তৃণমূলীদের হামলার মুখে পড়লেন তিনি। পরে, বনগাঁ বিডিও অফিসের সামনে শান্তনুর গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি করে পুলিশ। তা নিয়েও ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী।

    আরও পড়ুন: ‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    আমাকে খুনের চেষ্টা হচ্ছে, বললেন শান্তনু

    এদিকে শান্তনু ঠাকুর বলেন, মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার করার সময় তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী বন্দুক, লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা করার পরিকল্পনা করেছে। পাশাপাশি ফিরে আসার সময় আমার গাড়ি লক্ষ্য করে পাথর মারা হয়, আহত হয় কয়েকজন মহিলা। আমাকে খুনের চেষ্টাও করা হয়। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছয়। পুলিশের সঙ্গে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন শান্তনুর কর্মীরা। রাস্তায় বসে অবরোধ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন মমতা, অবিলম্বে পদত্যাগ চাই”, দাবি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন মমতা, অবিলম্বে পদত্যাগ চাই”, দাবি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি গেল একসঙ্গে। রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা তৃণমূলের শাসনে একটি বড় দুর্নীতি। তাহলে তৃণমূলের ঢাকি সমেত বিসর্জন কি একেই বলে? ফেসবুকে একথা ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাল গতিতে। সাম্প্রতিক কালে এত সংখ্যক সরকারি কর্মচারীর দুর্নীতির (Recruitment Scam) অভিযোগে চাকরি যাওয়া নজিরবিহীন ঘটনা। এরই মাঝে চাকরি যাওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করে তাঁর পদত্যাগ দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন মমতা, অবিলম্বে পদত্যাগ চাই।”

    কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বালুরঘাটে (Balurghat) তীব্র দাবদাহ উপেক্ষা করে চলছে প্রচার। প্রচারের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় মাস্টার মশাইদের চাকরি গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগির মতো বিক্রি হয়েছে। তার ফল আজ এই পরিবারগুলোকে ভুগতে হচ্ছে। ২৬ হাজার পরিবার অথৈ জলে পড়ে গেল। ক্যাবিনেটের শীর্ষে থাকা মুখ্যমন্ত্রীকে (CM) এর দায় নিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত। তিনি এই পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ অন্ধকারের দিকে যাচ্ছে এবং পশ্চিমবঙ্গকে এই অন্ধকার থেকে বের করে আনতে হবে।”

    ব্রাত্য বসুর প্রতিক্রিয়া

    একসঙ্গে প্রায় ২৬ হাজার সরকারি কর্মচারীর চাকরি গেল। যার মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। এর প্রভাব পড়বে ছাত্রদের পড়াশুনায়। প্রভাব পড়বে সমাজেও। স্বাভাবিক ভাবে চাপে শাসকদল। চাপে শিক্ষা দফতর। এরই মাঝে সুকান্তের (Sukanta Majumdar) পাশাপাশি প্রতিক্রিয়া এসেছে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। তিনি বলেছেন, “রায়ের কপি হাতে পাইনি। তবে রায়ের কপি হাতে পেলে আরও বিস্তৃতভাবে বলতে পারব। এসএসসির কর্তাদের সঙ্গে আমার প্রাথমিক কথা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া রিপোর্ট থেকে আমি বলতে পারি প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ছিল। প্রায় ২৬ হাজার লোকের চাকরি গেল। অর্থাৎ যারা যোগ্য এরকম প্রায় ১৯ হাজারেরও চাকরি চলে গিয়েছে। অথচ এসএসসি কমিশনকে মাননীয় বিচারপতি বলছেন টেন্ডার প্রক্রিয়া ডেকে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করতে। যে ওএমআর শিট আছে সেগুলো নতুন করে যাচাই করতে। আমরা আইনি পরামর্শ নেব যে আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারি কিনা। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে বলতে পারি প্রায় ১৯ হাজার জনের যদি চাকরি চলে যায়, তাহলে সেটা অত্যন্ত চিন্তার। যেভাবে বিজেপির নেতারা যোগ্য মানুষদের চাকরি যাওয়াতে আনন্দ প্রকাশ করছে সেটা সমাজের পক্ষে এবং যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষে খুবই বেদনার বলে আমরা মনে করি।”

    আরও পড়ুনঃ “বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত”, তোপ দাগলেন অভিজিৎ

    দিলীপ ঘোষের বক্তব্য

    এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে যে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি হয়েছে এদিনের হাইকোর্টের রায়ের ফল তাতে সিলমোহর পড়ল। এই রায় ঐতিহাসিক বলেছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে ঢাকি সমেত বিসর্জন ও দুর্নীতির কথা বলে আসছিলেন সেই তত্ত্ব পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মনে করা হয়েছে। এর প্রভাব পড়বে আসন্ন নির্বাচনেও। এত সংখ্যক চাকরি যাওয়ার ফল ভুগতে হবে তৃণমূলকে। এদিকে সুকান্তের পাশাপাশি, বর্ধমান দুর্গাপুরে প্রচার শেষে দিলীপ ঘোষ (Sukanta Majumdar) বলেন, “হাজার হাজার কোটি টাকা যাঁরা কামিয়েছেন দুর্নীতি করে, তাঁদের জেলে যেতে হবে। যে অন্যায় করেছেন তাঁদের ফল ভুগতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI-New Loan Policy: শীঘ্রই ঋণ সংক্রান্ত নিয়মে বদল আসছে! বিরাট ঘোষণা আরবিআই-এর

    RBI-New Loan Policy: শীঘ্রই ঋণ সংক্রান্ত নিয়মে বদল আসছে! বিরাট ঘোষণা আরবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের আর্থিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবার ব্যাঙ্কগুলিকে নতুন নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (Reserve Bank)। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১ অক্টোবর থেকে ব্যাঙ্ক, এনবিএফসিগুলিতে (NBFC) খুচরো এবং এমএসএমই (MSME) মেয়াদি ঋণের জন্য ঋণগ্রহীতাদের সব তথ্য জমা দিতে হবে। এতে ঋণের (RBI-New Loan Policy) সুদ ও অন্যান্য খরচসহ ঋণের নথি (KFS) সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। এবার থেকে নতুন নিয়মের আওতায় ঋণ পাবেন গ্রাহকেরা। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়েছে, ব্যাঙ্ক, এনবিএফসিগুলিতে খুচরো ও এমএসএমই ঋণের নিয়ম আগামী অক্টোবর থেকেই পরিবর্তিত হচ্ছে।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশ (RBI-New Loan Policy)

    আরবিআই জানিয়েছে, নতুন নিয়মে ঋণগ্রহীতাকে সুদ এবং অন্য খরচ সহ ঋণের সব তথ্য (KFS) অবশ্যই সরবরাহ করতে হবে। এই নিয়মের ফলে বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলি গ্রাহকদের যাবতীয় তথ্য জানাতে বাধ্য থাকবে। বিশেষ করে পার্সোনাল লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে ডিজিটাল ঋণ এবং স্বল্প পরিমাণের ঋণ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য প্রদান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। উল্লেখ্য এই ধরনের ঋণে (RBI-New Loan Policy) স্বচ্ছতা বাড়াতে আরবিআই-এর আওতাধীন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রোডাক্ট সম্পর্কিত তথ্যের অভাব দূর করার জন্য এই নিয়মটি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে, ঋণগ্রহীতারা সমস্ত তথ্য খতিয়ে চিন্তা ভাবনা করে লোন নিতে পারবেন। আরবিআই-এর নিয়ন্ত্রণাধীন সমস্ত সংস্থা যেগুলো খুচরো ও এমএসএমই লোন দেয়, তাঁদের জন্য এই ঋণ প্রযোজ্য হবে। একই ভাবে ব্যাঙ্কগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, লোন সংক্রান্ত সব তথ্য ও চার্জ গ্রাহকদের লিখিত আকারে জানাতে হবে। কেইএস উল্লেখ করা নেই এমন কোনও চার্জ নেওয়া যাবে না। অর্থাৎ কোনও লুকনো চার্জ দিতে হবে না গ্রাহককে। ফলে ঝঞ্জাটহীন লোনের সুবিধা পাবেন গ্রাহকেরা।

    আরও পড়ুনঃ নিয়মিত পুজো করেন? জেনে নিন ঠাকুরের সামনে কতক্ষণ প্রসাদ রাখা যায়

    নতুন নিয়ম

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বলেছে,“এবার থেকে থার্ড পার্টি পরিষেবা প্রদানকারীদের পক্ষ থেকে আরবিআই-এর আওতাধীন ঋণ (RBI-New Loan Policy) গ্রহণকারী সংস্থাগুলি থেকে সংগৃহীত বিমা এবং আইনি ফিগুলির (এপিআর) অংশ হবে। এটি আলাদাভাবে প্রকাশ করতে হবে। অন্যদিকে নতুন ঋণগ্রহীতাদের সঙ্গে যদি বর্তমান গ্রাহকরাও নতুন করে ঋণ নেন, তাহলেও সেই ঋণ এই নিয়মের আওতাতেই আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: “বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত”, তোপ দাগলেন অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: “বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত”, তোপ দাগলেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি মামলার রায় ঘোষণা করেছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শাব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। ২০১৬ সালের সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এরফলে বাতিল হয়ে গিয়েছে ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি। রায় নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় চলছে। আর আদালতের এই রায় ঘোষণার পরই মুখ খুললেন প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) । এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ  ভূমিকা রয়েছে তাঁর। রায় শোনার পরই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলেন।

    বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি (Abhijit Ganguly)

    প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ (Abhijit  Ganguly) বলেন, “যাঁরা যোগ্য প্রার্থী তাঁদের বঞ্চিত করা হয়েছে। তাঁদের ঠকিয়েছেন এই মিথ্যাচারী মুখ্যমন্ত্রী। বঞ্চিতদের মধ্যে হিন্দু, মুসলমান সকলে আছেন। সকলের উচিত মমতাকে বয়কট করা। ওঁকে এখনই পদত্যাগ করতে হবে। আমার খারাপ লাগছে, এমন একজন মুখ্যমন্ত্রীর রাজ্যে আছি। তিনি জোচ্চুরিকে প্রশ্রয় দেন। বিন্দুমাত্র লজ্জা থাকলে পদত্যাগ করা উচিত। যোগ্যদের বঞ্চিত করেছেন। তাতে হিন্দু-মুলসিম সকলেই ছিলেন। হিন্দু মুসলিম সকলের উচিত মুখ্যমন্ত্রীকে বয়কট করা। রাষ্ট্রপতি শাসনের অধীনে নির্বাচন হওয়া উচিত। আমাদের দেশের বিচারব্যবস্থা সাধারণত অবিচার থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিরাও সেই কাজ করেছেন। এখন আমাদের আনন্দের দিন নয়। আমি যখন বিচার করছিলাম, অনাচার ধরা পড়েছিল। আবার ধরা পড়েছে। উপযুক্ত রায় দিয়েছে আদালত।”

    আরও পড়ুন: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

     মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন অভিজিৎ

    এসএসসি মামলার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে অভিজিতের (Abhijit Ganguly)। তিনিই প্রথম এই মামলা শোনেন এবং ৮১৬১টি চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন। ডিভিশন বেঞ্চেও সেই নির্দেশ বহাল ছিল। পরে রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে যায়। সেখান থেকে এসএসসি মামলা আবার ফেরানো হয় হাই কোর্টে। বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে মে মাসের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া শেষের নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। সাড়ে তিন মাসেই সেই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ২০ মার্চ বিচার শেষে রায় স্থগিত রেখেছিল আদালত। এদিন আদালত রায় ঘোষণা করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Incident: কর্নাটকে লাভ জিহাদ কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি, কংগ্রেস কাউন্সিলরের বাড়িতে নাড্ডা

    Karnataka Incident: কর্নাটকে লাভ জিহাদ কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি, কংগ্রেস কাউন্সিলরের বাড়িতে নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকে কংগ্রেস কাউন্সিলরের (Karnataka Incident) কন্যাকে কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যেই কুপিয়ে খুন করার ঘটনায় প্রথম থেকেই সরব বিজেপি। এবার কন্যাহারা কংগ্রেস কাউন্সিলরের বাড়িতে গেলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। কন্যাহারা পিতাকে সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি ওই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন তিনি। রাজ্য পুলিশ যদি ঘটনার গুরুত্ব বুঝে তদন্ত না করে তাহলে এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত করানো হোক।

    কী বললেন নাড্ডা

    নিহত নেহার (Karnataka Incident) পরিবারের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে নাড্ডা বলেন, ‘‘আমি এই পরিবারটিকে সান্ত্বনা দিতে এসেছিলাম। এটা একটা মারাত্মক ঘটনা, আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করছি। এই ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন, তা আপত্তিকর। এতে তদন্তের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে। এই ধরনের রাজনীতির জন্য কর্নাটকের মানুষ এই সরকারকে ক্ষমা করবে না। যদি কর্নাটক পুলিশ তদন্ত করতে সক্ষম না হয়, রাজ্য সরকারের উচিত সিবিআইয়ের হতে তদন্তভার তুলে দেওয়া। পুলিশের উপর আস্থা নেই মৃত তরুণীর বাবারও। তিনিও সিবিআই তদন্ত চান।’’

    আরও পড়ুন: ‘বিজেপি একাই পেতে পারে ৩৫০টি আসন’, দাবি শীর্ষ অর্থনীতিবিদের

    লাভ-জিহাদের ঘটনা

    কর্নাটকের কংগ্রেস কাউন্সিলর (Karnataka Incident) নিরঞ্জন হিরেমথের কন্যা নেহাকে কিছু দিন আগে কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে তাঁর এক প্রাক্তন সহপাঠী কুপিয়ে খুন করেন। এই ঘটনায় ‘লাভ জিহাদ’-এর অভিযোগ তুলে প্রথম থেকেই সরব হয়েছে বিজেপি। কলেজের বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপিও দোষীর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ চালাচ্ছে। ‘লাভ জিহাদ’-এর কথা বলেছেন নেহার বাবা কর্নাটকের হুবলী জেলার কংগ্রেস কাউন্সিলর নিরঞ্জন হিরেমথেও। তিনি বলেন, ‘‘আজকাল এই ধরনের নৃশংস খুনের ঘটনা বাড়ছে। আমি জানি না, কম বয়সিরা এমন ভুল পথে কেন যাচ্ছে। কেন ওদের এমন মানসিকতা তৈরি হচ্ছে। আমি চাই গরিব ঘরের কোনও মেয়েকে যেন এই হেনস্থার শিকার হতে না হয়। আমার মনে হয় ‘লভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। দেখুন আমি এবং আমার পরিবার কী অবস্থায় এসে পড়লাম। সব মায়ের কাছে আমার আবেদন, মেয়েদের সাবধানে রাখুন। ওদের কলেজে পাঠালে সঙ্গে সঙ্গে আপনিও যান। কেউ ওদের পিছু নিচ্ছে কি না, নজর রাখুন।’’ কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া অবশ্য ‘লাভ জিহাদ’-এর কথা অস্বীকার করে বলেছিলেন ব্যক্তিগত কারণেই এই হত্যাকাণ্ড। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Puja Rituals: নিয়মিত পুজো করেন? জেনে নিন ঠাকুরের সামনে কতক্ষণ প্রসাদ রাখা যায়

    Puja Rituals: নিয়মিত পুজো করেন? জেনে নিন ঠাকুরের সামনে কতক্ষণ প্রসাদ রাখা যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মে (Hindu religion) পুজো-অর্চনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রীতি। বাড়িতে পুজো করলে একটা গঠনমূলক ভাবনা প্রবাহিত হয়। এছাড়া ভক্তি সহকারে ঠাকুরের আরাধনা করলে মনে শান্তি লাভ করা যায়। যে বাড়িতে নিয়মিত পুজো-অর্চনা (Puja Rituals) হয়, সেখানে ঈশ্বরের আশীর্বাদ বজায় থাকে। ঠাকুরের দয়ায় জীবনের সব সমস্যা কেটে যায় ও সাফল্য লাভ করা সম্ভব হয়। এই কারণেই সনাতন ধর্মে সঠিক নিয়ম মেনে পুজো করার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যে, দু-বেলা পুজো করা উচিত। মন্ত্র জপের পাশাপাশি পুজোয় অন্নদানের গুরুত্ব রয়েছে। সঠিক পদ্ধতিতে নৈবেদ্য দিলেই ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন। তবে কতক্ষণ ঠাকুরের সামনে প্রসাদ (Pujo Prasad Rules) রাখা উচিত, তা জানেন কি?

    ভোগ দেওয়ার সময় (Puja Rituals)

    ধর্মীয় শাস্ত্র অনুসারে, পুজো (Puja Rituals) দেওয়ার পর অবিলম্বে ঠাকুরের কাছ থেকে প্রসাদ সরিয়ে নেবেন না, বা দীর্ঘ সময়ের জন্যও ঠাকুরের সামনে প্রসাদ রেখে দেবেন না। পুজোর পর ঠাকুরের সামনে মাত্র ৫ মিনিটের জন্য ভোগ রাখা ভালো। এরপরে, ভোগ গ্রহণ করুন এবং প্রত্যেকে এটি প্রসাদ হিসাবে গ্রহণ করুন। তবে ভোগকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠাকুরের সামনে ফেলে রাখবেন না। কারণ এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। উল্লেখ্য ঠাকুরকে ভোগ নিবেদন করার পর এই প্রসাদ মাটিতে রাখবেন না। আবার ঠাকুরের ভোগ প্রসাদ হয়ে গেলে তা আর মূর্তির খুব বেশি কাছাকাছি রাখবেন না। এছাড়া ঠাকুরকে খাবার দেওয়ার সময় সঙ্গে জল নিবেদন করতে ভুলবেন না। ঠাকুরের ভোগ সব সময় পিতল, রূপো, সোনা বা মাটির বাসনে নিবেদন করবেন। একই ভাবে কলাপাতায় প্রসাদ (Prasad) বিতরণ করা শুভ বলে মনে করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ প্রথমবার পেট্রাপোল পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছালেন মহিলা ট্রাকচালক

    নৈবেদ্যর জন্য মন্ত্রপাঠ

    তবে যদি আপনি উপবাস রেখে পুজো (Puja Rituals) করেন, তাহলে ভগবানকে অন্ন নিবেদনের জন্য মন্ত্র (Mantra) পাঠ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা বিশ্বাস করা হয় যে নৈবেদ্যর জন্য মন্ত্রপাঠ করলেই ঈশ্বর নিবেদন গ্রহণ করেন। তাই অন্নভোগ অর্পণ করার সময় মন্ত্রপাঠ করা উচিত। তবে পুজোর পর নিজের জন্য নিজে প্রসাদ নেবেন না। এই প্রসাদ আপনি প্রথমে সবার মধ্যে ভাগ করে দিন। এরপর নিজে প্রসাদ নিন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Scam: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    SSC Recruitment Scam: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ-মামলায় হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় অনেক দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি’’, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সাফ জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (SSC Recruitment Scam) আদালতের নির্দেশে সোমবারই চাকরি খোয়া গিয়েছে ২৩ হাজার ৭৫৩ জনের। মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক দু’টি বিষয়ের উল্লেখ করেন।

    কী বললেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক? (SSC Recruitment Scam)

    তিনি বলেন, “আমাদের আর কোনও উপায় ছিল না। তাই গোটা প্যানেল বাতিল করা হয়েছে। তাছাড়া এই প্যানেলে যে কোথাও কোনও দুর্নীতি হয়েছে রাজ্য সরকার তা জানত। সেই কারণেই তারা আবেদন করেছিল সুপার নিউমেরিক পোস্টের।” কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রায় পাঁচ হাজার জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে আইনজীবী সুদীপ্ত বসাক বলেন, “বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ উঠেছিল, যে তিনি প্রভাবিত হয়ে এই ধরনের রায় দিয়েছিলেন। কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে এটাও স্পষ্ট, দুর্নীতি হয়েছিলই। তাই পুরো প্যানেল বাতিল করল।”

    অভিজিতের সম্পর্কে কী বলছে আদালত?

    এর পরেই তিনি বলেন, “বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় অনেক দয়ালু, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করেননি।” তিনি বলেন, “শুনানির সময় রাজ্য সরকার ও এসএসসিকে আদালত বারংবার জিজ্ঞাসা করেছিল, কারা প্রকৃত, তার হিসেবটা দিতে। রাজ্য সরকার তা দিতে পারেনি। এসএসসি যতজনকে রেকমেন্ডেশন দিয়েছিল, তার চেয়েও বেশি লোক চাকরি করছে। সেই কারণেই বিচারপতি বলেছেন, প্যানেল বাতিল করা ছাড়া আরও কোনও উপায় নেই।”

    আরও পড়ুন: ‘ইন্ডি’ জোটকে ‘ঝগড়ুটে জোট’ আখ্যা বিজেপির, কেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, অভিজিৎ যখন বিচারপতি ছিলেন তখন প্রচুর অযোগ্য (SSC Recruitment Scam) শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে রাজ্য সরকারের আবেদনের প্রেক্ষিতে অভিজিতের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পরে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা অভিজিতের বেঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠন করা হয় বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শাব্বার রাশিদির বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ। ৯ নভেম্বর গঠিত হয় ওই বেঞ্চ। ছ’মাসের মধ্যে মামলার প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশও দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্ত করছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা জেনেছে, নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক পদে নিয়োগের পাশাপাশি এসএলএসটি ২০১৬-র মাধ্যমে গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র নিয়োগেও দুর্নীতি হয়েছিল। নিয়োগ কেলেঙ্কারির (SSC Recruitment Scam) ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে রাজ্যের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Alipurduar: কথা রাখল বিজেপি, দুর্গতদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিলেন বিধায়ক

    Alipurduar: কথা রাখল বিজেপি, দুর্গতদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিলেন বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটে গেলে নেতারা ফিরেও চায় না। এরকম অভিযোগ অনেকে করে থাকেন। কিন্তু, ভোটপর্ব মিটে যাওয়ার পরও যে দুর্গত মানুষের পাশে নেতারা থাকেন, তার জ্বলন্ত উদাহরণ হচ্ছে আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজ ওঁরাও। তিনি নিজে উদ্যোগী হয়ে ঝড়ে বিধ্বস্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন। বিজেপি বিধায়কের এই পদক্ষেপে খুশি দুর্গতরা।

    দুর্গতদের ত্রাণ বিলি করলেন বিজেপি বিধায়ক (Alipurduar)

    প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরুর আগে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলার কুমারগ্রাম বিধানসভা এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ের দাপটে বাড়ির টিনের চাল ফুটো হয়ে গিয়েছিল। ভেঙে পড়েছিল বাড়ি। কিন্তু, সে সময় নির্বাচনের বিধিনিষেধ থাকার কারণে বিজেপি বিধায়ক দুর্গতদের কাছে গেলেও ত্রাণ-সাহায্য করতে পারেননি। তবে, পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে এসেছিলেন। এবার ভোট মিটতেই দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিলেন কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বিধ্বস্ত মানুষের পাশে সাহায্য নিয়ে গেলেন কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজ ওঁরাও।

    আরও পড়ুন: স্বস্তির বার্তা, তাপপ্রবাহের মধ্যেই তিন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) ভোট হয়ে যাওয়ার পর রবিবার কুমারগ্রামের রায়ডাক, খোয়ারডাঙা-১, ধনতলি টাপুতে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। সঙ্গে নিয়ে যান ত্রিপল ও শুকনো খাবার। যদিও দুর্যোগের খবর পেয়ে আগেই এলাকায় গিয়েছিলেন শাসকদলের তৃণমূল প্রার্থী প্রকাশ চিক বরাইক। নির্বাচনী বিধিনিষেধ থাকায় তাঁকেও খালি হাতেই যেতে হয়েছিল। তবে আশ্বাস দিয়ে এসেছিলেন ভোট মিটলে যাবেন। কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজ ওঁরাও বলেন, আসলে ঝড়ে এলাকায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমি নিজে গিয়ে দেখে এসেছিলাম। ভোট পর্ব মিটে যাওয়ার পর আমরা দুর্গতদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছি।

    দুর্গতদের কী বক্তব্য?

    দুর্গতদের বক্তব্য, ঝড়ে বাড়ি-ঘর সব ভেঙে গিয়েছে। বিজেপি বিধায়ক নিজে নদী পেরিয়ে আমাদের কাছে ত্রাণ পৌছে দিয়েছেন। সকলের অভাব অভিযোগ শুনেছেন। আমরা এলাকার সমস্যার কথা জানিয়েছি। তিনি প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “এতদিন বাঘিনী ছিলেন, এখন বিড়াল হয়ে গিয়েছেন”, মমতাকে তোপ দিলীপ ঘোষের

    Dilip Ghosh: “এতদিন বাঘিনী ছিলেন, এখন বিড়াল হয়ে গিয়েছেন”, মমতাকে তোপ দিলীপ ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এতদিন বাঘিনী, ভোট হয়ে গেলেই বিড়াল হয়ে মেউ মেউ। আমি মেয়ে, আমি মহিলা, আমাকে একা দেখুন ঘিরে ফেলেছে। যা কর্ম করেছেন, তার ফল ভোগ করতে হবে, আর কোনও সহানুভূতি পাবেন না।” নির্বাচনী প্রচারে বের হয়ে ফের তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতাকে কটাক্ষ করলেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghsoh)।

    মমতাকে ঠিক কী বললেন?

    সোমবার পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) মির্জাপুরে মাঠে প্রাতঃভ্রমণে আসেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এরপর চায় পে চর্চা অনুষ্ঠানে দেওয়ানদিঘির মোড়ে আসেন দিলীপ। সেখানে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) লক্ষ্য করে বলেন, “ভোট হয়ে গেলেই নাকি তিনি টার্গেট হন। এতদিন বাঘিনী ছিলেন, এখন বিড়াল হয়ে গিয়েছেন। তিনি কোনও ভাবেই রেহাই পাবেন না। যা কর্ম করেছেন, তার ফল পাবেন। নেতাদের চোর বানিয়েছেন, চোরেদের নেতা বানিয়েছেন। যত ইলেকশন এগিয়ে আসছে ততই নির্বাচনে হারার ভয়ে হিংস্র হয়ে যাচ্ছে তৃণমূল।”

    শত্রুঘ্নকে আক্রমণ

    প্রধানমন্ত্রীর প্লেনে চড়া নিয়ে আসানসোলের (Asansol) তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার (Satrughna Sinha) মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ বলেন, “কারও বাপের টাকায় চড়ছেন নাকি? ১৪০ কোটির দেশের প্রধানমন্ত্রী, তাঁর জো বাইডেনের থেকেও দামী প্লেনে চাপা উচিত। আমরা ভিখারি পার্টি নই, ভিখারি দেশও নয়। যারা ভিখারি বানিয়েছে তারা এটা করছে। শত্রুঘ্ন সিনহা এবং কীর্তি আজাদ (Kirti Azad) ওনার এখানকার পরিস্থিতি জানেন না। বাইরে থেকে এসেছেন, ফরেনার তো আগে ভোটটা লড়ুন। শুনলাম একজন বিহার যাচ্ছেন। আর-একজন ভয়ে বেরাচ্ছেন না। এরা কী রাজনীতি করবেন।”

    আরও পড়ুনঃ নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বাতিল ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি

    অভিষেককে আক্রমণ

    অন্যদিকে, অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কেও কড়া আক্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপিকে ২ নম্বর বলার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, “তিনি একমাত্র ভদ্রলোক! যার বাড়ির বউ থেকে চাকর বাকর, কুকুর সবাইকে ইডি ডাকছে। সোনা নিয়ে যাচ্ছে, রাস্তায় চোর চোর বলে সবাই ডাকছে। ওঁর চোদ্দপুরুষ চোর। আজ মুখ্যমন্ত্রীকেও চোর চোর শুনতে হচ্ছে।”

    সোমবার এসএসসির রায়দান নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “এরাজ্যের লোক তাকিয়ে থাকে আদালতের দিকে আর কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে। কেন্দ্রীয় সরকার উন্নয়ন করে আর আদালত ন্যায় বিচার করে। এই তৃণমূল সরকার কিছু করে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lady Truck Driver: প্রথমবার পেট্রাপোল পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছালেন মহিলা ট্রাকচালক

    Lady Truck Driver: প্রথমবার পেট্রাপোল পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছালেন মহিলা ট্রাকচালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমবার পেট্রাপোল (Petrapole Border) পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছালেন মহিলা ট্রাকচালক (Lady Truck Driver)। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক পণ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে বনগাঁ সীমান্তের পেট্রাপোল বন্দরে এদিন তৈরি হল এক ইতিহাস। নারীর প্রগতিতে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ভারত। 

    মহিলা ট্রাকচালকের পরিচয় (Lady Truck Driver)

    বন্দর সূত্রে খবর, ওই মহিলা ট্রাকচালকের (Lady Truck Driver) নাম অন্নপূর্ণা রানি রাজকুমার। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর বাসিন্দা তিনি। রবিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট নাগাদ তামিলনাড়ুর ওই মহিলা ছয় চাকার একটি কন্টেনার ট্রাক নিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বাংলাদেশে (Bangladesh) যান। সেই সময় বন্দরে উপস্থিত ছিলেন পেট্রাপোল ল্যান্ড পোর্ট অথরিটির ম্যানেজার কমলেশ সাইনি। সাইনি বলেন, “পেট্রাপোল বন্দরের ক্ষেত্রে এটি একটি ঐতিহাসিক দিন। প্রথম মহিলা ট্রাকচালক পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে গেলেন। তাঁর জন্য বন্দরের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল।”

    পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং ফরওয়ার্ডিং সম্পাদকের বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং ফরওয়ার্ডিং-এর সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, “গত ১৯ শে মার্চ পেট্রাপোলে ভারত সরকারের অর্থ মন্ত্রকের সদস্য রেখা রায়কর কুমার বিষয়টি নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও (Lady Truck Driver) সমানভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে ট্রাক নিয়ে যাতে যেতে পারে, সে দিকে নজর দিতে হবে। সেই মতোই রবিবার সকালে প্রথম কোনও মহিলা ট্রাকচালক (Lady Truck Driver) ভারত থেকে বাংলাদেশ পণ্য বোঝাই ট্রাক নিয়ে পাড়ি দিলেন।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে মহিলা চালকদের ট্রাক চলাচলে বিশেষ নিরাপত্তাও দেওয়া হবে। আগামী দিনে এই পেশাতেও মহিলাদের প্রাধান্য দেখা যাবে।”

    আরও পড়ুনঃ “এতদিন বাঘিনী ছিলেন, এখন বিড়াল হয়ে গেছেন”, মমতাকে তোপ দিলীপ ঘোষের

    জানানো হল অভ্যর্থনা

    উল্লেখ্য প্রতিদিন পেট্রাপোল বন্দর (Petrapole Border) দিয়ে যে পণ্যবাহী ট্রাক যায়, এত দিন সেই সমস্ত ট্রাকের চালক ছিল পুরুষ। তবে এবার সেই রেকর্ড ভাঙল। এই প্রথম বার কোনও মহিলা ট্রাকচালক পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য নিয়ে গেলেন। প্রথম মহিলা ট্রাকচালক (Lady Truck Driver) হিসেবে পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ায় বন্দরের পক্ষ থেকে তাঁকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। সব মিলিয়ে এদিনের এই পদক্ষেপ ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করল বলেই মনে করছেন সীমান্ত এলাকার মানুষজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share