Tag: Madhyom

Madhyom

  • Bangladesh Temple Attacked: আগুন লাগানো হল কালী মন্দিরে! ফের বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মস্থানে হামলা

    Bangladesh Temple Attacked: আগুন লাগানো হল কালী মন্দিরে! ফের বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মস্থানে হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা। এবারে ঘটনাস্থল বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশের (Bangladesh) ফরিদপুরের একটি মন্দিরে (Bangladesh Temple) আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার পর ক্ষিপ্ত জনতা হামলা চালায় মন্দিরের পাশে নির্মাণ কাজে নিযুক্ত শ্রমিকদের উপর। ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে বাংলাদেশে হিন্দুমন্দিরে আগুন বা ভাংচুর নতুন ঘটনা নয়। দুষ্কৃতীদের লক্ষ্য থাকে হিন্দু মন্দিরগুলিতে। ঘটনায় গোটা হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

    মধুখালী উপজেলায় মন্দিরে আগুন (Bangladesh Temple)?

    ফরিদপুরের (Faridpur) মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের পঞ্চপল্লী মূলত হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। সেখানে রয়েছে একটি কালী মন্দির (Kali Temple )। মন্দিরের পাশেই রয়েছে একটি প্রাথমিক স্কুল। সেখানেই শৌচাগার নির্মাণের কাজ করছিলেন কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক। স্থানীয়দের দাবি, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ তাঁরা দেখেন মন্দিরে আগুন (Bangladesh Temple) লেগে গিয়েছে। জানা গেছে, এর পরই কয়েকশ উন্মত্ত জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলে থাকা ওই শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায়। ক্ষুব্ধ জনতার অভিযোগ নির্মাণ কাজে নিযুক্ত ওই দুষ্কৃতীরাই মন্দিরে আগুন লাগিয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে ফরিদপুরের ডিসি কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, “ওই ঘটনায় (Bangladesh Temple) দুজন শ্রমিক মারা গিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। হামলার পরেই আহতদের নিয়ে আসা হয় ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় ওই দুজনের। এই ঘটনায় হতাহতরা সবাই মধুখালী এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।”

    ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে ডুমাইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান তপন সাংবাদিকদের বলেন,”খবর (Bangladesh Temple) পেয়েই আমরা সেখানে আসি। উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারিনি। পরে পুলিশ এবং প্রশাসনের লোকজন এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।”

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালির ছায়া বীরভূমে, বউ সুন্দরী না হলে মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা!

    কিন্তু ওই মন্দিরে (Bangladesh Temple) কীভাবে আগুন লাগলো? কেউ কী সেখানে আগুন লাগিয়েছিল সেটা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি সেখানের পুলিশ সুপার মোরশেদ আলম। তবে সেখানে যাতে আর নতুন করে উত্তেজনা না ছড়ায় সেদিকে নজর রাখতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত বিজিবি (Border Guard Bangladesh-BGB)। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: সুকান্তর সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার, দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে তোপ

    Mithun Chakraborty: সুকান্তর সমর্থনে মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার, দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে তোপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের হয়ে জেলায় এসেছেন বলিউডের সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) । শুক্রবার তপন বিধানসভা এলাকায় মিঠুন জনসভা করার পর এদিন গঙ্গারামপুরে রোডশো করলেন। বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে জনসভা ও রোডশো করলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী। সঙ্গে ছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। সুকান্ত মজুমদার ও গঙ্গারামপুরের বিধায়ক সত্যেন রায়।

    গঙ্গারামপুরে মিঠুনের রোডশো (Mithun Chakraborty)

    এদিন গঙ্গারামপুরের প্রধান সড়ক ধরে রোড শো চলতে থাকে। হাজার হাজার বিজেপি কর্মী-সমর্থক মিছিলে হাঁটেন। দেখা গেল, গঙ্গারামপুরের জনপ্রিয় ক্ষীর দই মিঠুন (Mithun Chakraborty) চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার। গঙ্গারামপুরে সিপিএমের জেলা পার্টি অফিসের সামনে অনেকক্ষণ মিঠুন চক্রবর্তীর রোডশো দাঁড়িয়ে যায়। পার্টি অফিসে অনেকেই দেখা গেল ব্যালকনিতে। বালুরঘাট লোকসভায় তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছে বিপ্লব মিত্র। আর গঙ্গারামপুরে তাঁর বাড়ি। তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ির এলাকায় রোড শো করেন বিজেপির রাজ্য জেলা সভাপতি তথা বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার ও মিঠুন চক্রবর্তী। জেলার রাজনীতিতে গঙ্গারামপুরকে তৃণমূলের গড় হিসেবে ধরা হয়। সেই এলাকায় মিঠুন চক্রবর্তী ও সুকান্ত মজুমদারের  রোড শোয়ে সাধারণ মানুষের ভিড় ও উৎসাহ দেখে জয় নিশ্চিত বলে  বিজেপি কর্মীরা আশা করছেন।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালি গেল সিবিআই টিম, কথা বললেন গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে

    দুর্নীতিগ্রস্তদের উচিত শিক্ষা দিয়ে দিন

    গঙ্গারামপুরের রোডশোর পাশাপাশি কুশমন্ডিতে এক জনসভা করেন সুকান্ত মজুমদার ও মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। মিঠুন নাম না করে কয়লা চুরি বালি চুরি, গরু চুরি কিছুই বাদ রাখেননি। মহাগুরু বলেন, যে দল কয়লা, বালি, গরু চুরি সঙ্গে যুক্ত সেই দলের প্রার্থীকে ভোট না দিয়ে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারকে ভোটে জেতানো আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, আমি সাপের ডায়লগটা বলার জন্য আমার ওপর মামলা করেছিল। তাই আমি কিছু ডায়লগ ঘুরিয়ে বলছি। আমি জল ঢোরা নই, বালি বড়াই নই, আমি সেই সাপ যে ছোট ছোট ইঁদুর খুঁজে বেরোচ্ছি। আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত নই। রেশন চুরি, কয়লা চুরি ও মানুষের লেখাপড়া বিদ্যা চুরি করি না। আমরা সুন্দর বাংলা প্রদান করব। ওরা দুর্নীতিগ্রস্ত। মেয়েদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। তাই এবারে সময় বুঝে দুর্নীতিগ্রস্তদের উচিত শিক্ষা দিয়ে দিন। আর সুকান্ত মজুমদারকে দ্বিতীয় বারের জন্য সাংসদ করুন।

    ৫০ হাজার লিড পাব!

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, গঙ্গারামপুরে মিঠুনের রোড শোয়ে যেরকম মানুষের ভিড় ও উৎসাহ দেখলাম তাতে গঙ্গারামপুর থেকে ৫০ হাজার ভোটে লিড পাবো। আমরা মিঠুন চক্রবর্তীকে গঙ্গারামপুরের বিখ্যাত ক্ষীর দই উপহার দিলাম। তিনি দই খেয়ে সুনাম করলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Karnataka: কর্নাটকে লাভ জিহাদ, কলেজেই কংগ্রেস নেতার মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা মুসলিম সহপাঠীর

    Karnataka: কর্নাটকে লাভ জিহাদ, কলেজেই কংগ্রেস নেতার মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা মুসলিম সহপাঠীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্য়েই কর্নাটকে (Karnataka) কংগ্রেস নেতার মেয়েকে কুপিয়ে খুন করা হল। ছুরির কোপ মেরে কংগ্রেস নেতা নীরঞ্জন হিরেমাথের মেয়েকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযুক্তর প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার তাঁকে খুন করা হয়, দাবি নিহত নেহা হীরেমাথের পরিবারের। এই ঘটনাকে লাভ-জিহাদের (Love Jihad) আখ্যা দিয়েছে নিহতের পরিবার। তবে ঘটনাটিকে আড়াল করতে উঠে পড়ে লেগেছে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার। এই নিয়ে সিদ্দারামাইয়া প্রশাসনকে তুলোধনা করেছে কর্নাটক বিজেপি। 

    কী ঘটেছিল

    কর্নাটকের কেএলই টেকনোলজিক্যাল বিশ্ববিদ্য়ালয়ে কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনের স্নাতকোত্তরের (MCA) প্রথম বর্ষে পড়তেন নেহা। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত ফয়াজ নেহার পরিচিত। বেলাগাভি জেলার সাভাদত্তির বাসিন্দা ফয়াজও ওই একই কলেজে পড়ত। তবে ছয় মাস আগে পরীক্ষায় ফেল করার পর কলেজে আসা বন্ধ করে দিয়েছিল সে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে কলেজে আসে ফয়াজ। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, নেহা পিছনের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ফয়জের সঙ্গে সামান্য কথোপকথনে জড়ান। হঠাৎই ফয়াজ তাঁর উপর আক্রমণ চালায়। পরপর এলোপাথাড়ি ছুরির কোপ মারতে থাকে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন নেহা। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। খুনের পর ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা হয়নি। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে অভিযুক্ত। হুব্বালি ধরওয়াদের পুলিশ কমিশনার রেনুকা সুকুমার জানিয়েছেন, অপরাধের পর পালিয়ে গেলেও তাকে ৩০ মিনিটের মধ্য় গ্রেফতার করা হয়েছে। 

    নিজের সরকারের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কাউন্সিলর 

    কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন নিহত নেহার বাবা কংগ্রেস কাউন্সিলর নিরঞ্জন হিরেমাথ। সম্প্রতি সিদ্দারামাইয়া বলেন, ব্যক্তিগত কারণে নেহাকে খুন করা হয়েছে। নিরঞ্জন এই বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, “এই মন্তব্য হতাশাজনক। পরিস্থিতির সম্পূর্ণ না বুঝে এই ধরনের বিবৃতি দেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করছি।”  “ব্যক্তিগত কারণ” শব্দটি অন্যায়ভাবে হিরেমাথ পরিবার এবং তার মেয়ের সুনামকে কলঙ্কিত করতে পারে, বলে মনে করেন নিরঞ্জন। তাঁর কথায়, কোনওদিনই নেহা ও অভিযুক্ত ফয়াজের মধ্যে কোনও সম্পর্ক ছিল না।তাঁরা শুধু এক কলেজে পড়তেন। ফয়াজ নেহাকে বিরক্ত করত। নেহা প্রত্যাখ্যান করায় তাঁকে খুন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারতে বিক্রিত বেবি ফুডে অতিরিক্ত চিনি! নেসলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    ন্যায়বিচারের জন্য প্রতিবাদ

    দলিত সংগঠনের সদস্যরা নেহার ন্যায়বিচারের দাবিতে এবং অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে শহরে বিক্ষোভ করেছে। শ্রী রাম সেনার প্রধান প্রমোদ মুতালিকও এই জঘন্য অপরাধের তীব্র নিন্দা জানিয়ে নেহার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন।  এবিভিপি সদস্যরা বিভিবি কলেজের কাছে ব্যস্ত হুবলি-ধারওয়াদ রোড অবরোধ করে হুব্বলিতে বিক্ষোভ করেছে। বেলাগাভিতেও বিক্ষোভ দেখিয়েছে এবিভিপি কর্মীরা। বজরং দলের কর্মীরা এবং হিন্দু জন জাগৃতি সমিতির সদস্যরা অভিযুক্তদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছে। সিদ্দারামাইয়া প্রশাসনের আমলে কর্নাটকের আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরব বিজেপি। দলের মুখপাত্র শেহজাদ পুনেওয়ালা ও গৌরব ভাটিয়া কংগ্রেসের সংবেদনহীনতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালি গেল সিবিআই টিম, কথা বললেন গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে

    Sandeshkhali: সন্দেশখালি গেল সিবিআই টিম, কথা বললেন গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ঘটনার তদন্তভার সিবিআই নেওয়ার পর বেশ কয়েক বার থানায় এসেছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারী আধিকারিকেরা। শনিবারও তদন্তের সন্দেশখালি যায় সিবিআই টিম। জানা গিয়েছে, সন্দেশখালিতে সিবিআই ইতিমধ্যে নিজস্ব একটি পোর্টাল চালু করেছে। সেখানে সন্দেশখালির মানুষ তাদের অভাব অভিযোগ, নারী নির্যাতন, জমি লুট সহ একাধিক অভিযোগ জানাতে পারবে বলা হয়েছিল। ইতিমধ্যে সিবিআই সূত্রের খবর, সেখানে বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে। একটি দল থানায় যায়। আর অন্য একটি দল যায় গ্রামে।

    কেন সন্দেশখালিতে সিবিআই? (Sandeshkhali)

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পোর্টালে অভিযোগের তদন্ত করতে এদিন ১০ জন সিবিআই আধিকারিক সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার সুন্দরখালি, কর্ণ খালি, মাঝেরপাড়া, পাত্রপাড়া, নতুন পড়াসহ একাধিক পাড়ায় গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে সত্যতা জানার চেষ্টা করেন। সন্দেশখালি কান্ড নিয়ে ইতিমধ্যে বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার হোসেন মেহেদি রহমান ও ন্যাজাট থানার পুলিশ আধিকারিকের কাছ থেকে ১৬ এপ্রিল সিবিআই তথ্য নিতে এসেছিল। তারপর এবার সন্দেশখালিতে সিবিআই টিম হানা দিল। প্রসঙ্গত, বসিরহাট পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে ন্যাজাট ও সন্দেশখালি থানার দশটি জায়গায় পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। সেখানে প্রচুর অভিযোগ জমা পড়েছিল, সেই অভিযোগগুলো সিবিআই আধিকারিকরা রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে হস্তান্তর করে নিজের দায়িত্বে নেন। তারপর এদিন সেই অভিযোগের সত্যতা জানতে সন্দেশখালিতে হাজির হন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে সিবিআই টিম

    সিবিআই আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্তে এর আগে ওই এলাকায় সিবিআই গিয়েছে বলে শোনা যায়নি। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হামলার ঘটনায় ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্র ধরেই সুন্দরীখালিতে অভিযান বলে মনে করা হচ্ছে। সন্দেশখালি এবং ন্যাজাট থানায় ২০১৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মহিলা নির্যাতন, জমির জবরদখল, স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর জুলুমবাজির যে সমস্ত অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তার মধ্যে শাহজাহান শেখ ছাড়া নাম ছিল শিবু হাজরা এবং অন্যদের। যাঁদের বেশিরভাগই শাসকদলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অথবা এখনও রয়েছেন। সেই বিষয়ে জানতে এদিন আধিকারিকরা সন্দেশখালি যান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nestle India: ভারতে বিক্রিত বেবি ফুডে অতিরিক্ত চিনি! নেসলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    Nestle India: ভারতে বিক্রিত বেবি ফুডে অতিরিক্ত চিনি! নেসলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাদ্যসুরক্ষা নিয়ে বিরাট প্রশ্নের মুখে পড়ল নেসলে ইন্ডিয়া (Nestle India)। অভিযোগ, ভারতের বাজারে বিক্রিত শিশুখাদ্যে চিনি মেশাচ্ছে নেসলে সংস্থা। যা শিশুদের পক্ষে একাধিক সমস্যার কারণ হতে পারে। ‘পাবলিক আই’ নামক এক সুইস সংস্থার অনুসন্ধানে এই তথ্য উঠে এসেছে। এর ফলে এবার কড়া শাস্তির মুখে পড়তে পারে নেসলে। কোম্পানির বিরুদ্ধে এবার তদন্তে নামছে কেন্দ্রীয় সংস্থা ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্য়ান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI)। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ভারত থেকে ব্যবসা গোটানোর নির্দেশ জারির রয়েছে সমূহ সম্ভাবনা। 

    কেন চিনি খারাপ

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে দুই বছরের কম বয়সি শিশুদের চিনি না খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে এই নিয়ে কড়া নির্দেশ জারি করে বলা হয়, শিশুরা খেতে পারে এমন কোনও খাবারে চিনি মেশানো যাবে না। অল্প বয়সে চিনি খেলে পরবর্তীকালে চিনিজাতীয় খাবারের দিকেই আসক্তি বাড়ে। যা থেকে ওবেসিটি, ডায়াবেটিস, পেটের সমস্যা, হার্ট ও লিভারের সমস্যা তৈরি হয়।

    নেসলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    অভিযোগ, ভারতের বাজারে বিক্রিত শিশুখাদ্যে চিনি মেশানো হলেও ব্রিটেন ও ইউরোপীয় বাজারে বিক্রিত শিশুখাদ্যে কোনও চিনি মেশানো হয় না। পাবলিক আই ও ইন্টারন্যাশনাল বেবিফুড অ্যাকশন নেটওয়ার্কের যৌথ গবেষণায় এই পার্থক্য ধরা পড়েছে। এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকা থেকে নেসলের শিশুখাদ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই নমুনা বেলজিয়ামের গবেষণাগারে পাঠানো হয়। সেখানেই দেখা যায়, ব্রিটেন ও ইউরোপে বিক্রিত খাবারের মধ্যে চিনি নেই। অথচ এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলিতে বিক্রিত খাবারের মধ্যে চিনি মেশানো হয়। ভারতে প্রতি পরিবেশনে ২.২ গ্রাম চিনি মেশায় নেসলে ইন্ডিয়া।

    আরও পড়ুন: ‘‘সংরক্ষণ থাকবে, মোদির নামেই প্রথম দফায় বাম্পার ভোট’’, বললেন শাহ

    ভারত সরকারের পদক্ষেপ

    এই তদন্ত রিপোর্টে বিষয়টি সামনে আসার পরই নড়েচড়ে বসে ভারত সরকার। এর পরই ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্য়ান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া-কে (FSSAI) পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণাধীন সেন্ট্রাল কনজিউমার প্রোটেকশন অথরিটি (CCPA)। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন কেন্দ্রের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের সচিব ও সিসিপিএ-র ডিরেক্টর নিধি খারে। তাঁর কথায়, ‘আমরা নেসলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সঠিক তদন্তের জন্য FSSAI-কে চিঠি লিখেছি। সেখানে সেরেল্যাকের উল্লেখ্য রয়েছে।’ তদন্ত রিপোর্ট পেশ হলে সংস্থার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এর আগে শিশু অধিকার রক্ষার জাতীয় কমিশন এনসিপিসিআর-ও তদন্তের বার্তা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল এফএসএসএআইয়ের উদ্দেশে।

    নেসলের সাফাই

    ইতিমধ্যেই এই বিষয় নিয়ে সাফাই দিয়েছে সুইজারল্যান্ডের বহুজাতিক কোম্পানি। নেসলের দাবি, গত পাঁচ বছরে ধীরে ধীরে চিনির পরিমাণ কমানো হয়েছে শিশুদের জন্য উৎপাদিত খাবারে। গত পাঁচ বছরে ধীরে ধীরে চিনির পরিমাণ কমানো হয়েছে শিশুদের জন্য উৎপাদিত খাবারে। আগেও বিতর্কে জড়িয়েছে নেসলে। ২০১৫-য় এই সংস্থার তৈরি জনপ্রিয় খাদ্যপণ্য ম্যাগিতে লেড এবং মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট মেশানোর অভিযোগ ওঠে। ফলে কিছুদিনের জন্য ম্যাগিকে নিষিদ্ধ করে ভারত সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Saokat Molla: “আরাবুল জেলে, শওকত বাইরে কেন?”, পোস্টারে শোরগোল ভাঙড়ে

    Saokat Molla: “আরাবুল জেলে, শওকত বাইরে কেন?”, পোস্টারে শোরগোল ভাঙড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শুরু হয়ে গেছে লোকসভা নির্বাচন (Lok sabha vote 2024), আর এরই মধ্যে ভাঙড়ে শোরগোল পড়েছে। শওকত মোল্লার (Saokat Molla) বিরুদ্ধে পড়ল পোস্টার। ক্যানিং পূর্বের এই তৃণমূল বিধায়ক গ্রেফতারির দাবিতে কলকাতা পুলিশের (Kolkata police) পোলেরহাট থানা এলাকার শ্যামনগরে পড়ল পোস্টার। ঘটনার জেরে শনিবার সকাল থেকে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

    কী লেখা পোস্টারে?

    সাদা কাগজে কালো কালিতে কম্পিউটার প্রিন্টের পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছে গোটা এলাকা। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে পোস্টারে। পোস্টারে লেখা রয়েছে, “ক্যানিং ও জীবনতলা থেকে লোক এনে ভাঙড়ে (Bhangar) সন্ত্রাস করে খুন করা হল। আর ওই খুনের দায়ে আরাবুল (Arabul Islam) জেলে কিন্তু শওকত মোল্লা বাইরে কেন? প্রশাসন জবাব দাও!” এর পাশাপাশি পোস্টারে আরও লেখা রয়েছে, “জনগনের প্রকল্পের টাকা চুরি করে নেতা-মন্ত্রীরা সব জেলে কেন? কয়লাকাণ্ডের অভিযুক্ত শওকাত মোল্লা জবাব দাও।” এর পাশাপাশি শওকতকে ভাঙড়ে বোমা-গুলির ‘মাস্টার মাইন্ড’ বলেও পোস্টারে কটাক্ষ করা হয়েছে। পোস্টারে লেখা হয়েছে, “‌মুখ্যমন্ত্রী দ্বারা স্বীকৃত বোমা, গুলির মাস্টারমাইন্ড শওকত মোল্লার ভাঙড়ে ঠাঁই নাই।”‌

    শওকত বিরোধী গোষ্ঠীর পোস্টার?

    তবে রাতের অন্ধকারে কে বা কারা ওই পোষ্টার (posters) লাগাল তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা কেউ দিল, নাকি শাসক দলে শওকতের কোনও বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর কাজ এটা, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর ৷ কারণ, পোস্টারে কারও নাম না থাকলেও একাধিক ইস্যুতে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে শুধু শওকতকেই ৷

    আরও পড়ুনঃ মমতার বিরুদ্ধে এবার উস্কানি ও হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে কমিশনে দ্বারস্থ বিজেপি

    শওকতের বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা শওকত বলেন, “আমি জানি না কারা এই সব করেছে। পক্ষের লোক নাকি বিপক্ষের লোক। তবে যারাই করছে তারা আমাদের আশীর্বাদ করেছে, দোয়া করছে। কারণ এইসব করলে তৃণমূল (TMC) আরও বেশি শক্তিশালী হবে। ভাঙড়ের মানুষ মিথ্যাকে কখনও প্রশ্রয় দেবে না।” তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, পোলেরহাট ২ পঞ্চায়েত এলাকা জমি কমিটির আঁতুড়ঘর বলেই পরিচিত। তবে আইএসএফ শ্যামনগর এলাকায় যথেষ্ট শক্তি অর্জন করে রয়েছে। ফলে ওই এলাকায় শওকতের (Saokat Molla) বিরুদ্ধে এমন বিদ্বেষমূলক পোস্টার লাগানোর পিছনে জমি কমিটি নাকি আইএসএফ যুক্ত সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “আমার বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর বোমা মারল তৃণমূলের দৃষ্কৃতীরা”, বললেন বিজেপি নেতা

    Ranaghat: “আমার বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর বোমা মারল তৃণমূলের দৃষ্কৃতীরা”, বললেন বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ করল বিজেপি। এমনিতেই রানাঘাটের (Ranaghat) বিজেপির প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের গাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার তৃণমূলের বুথ সভাপতির বাড়ির সামনে বোমাবাজি করার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    শুক্রবার রাতে রানাঘাট (Ranaghat) শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপির ২৩৮ বুথ সভাপতি কল্যাণ কুমার ঘোষের বাড়ির সামনে বোমাবাজির করা হয় বলে অভিযোগ। নদিয়ার রানাঘাটে বিজেপি নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাতে শহরের ভট্টাচার্য পাড়ায় নিজের বাড়িতেই স্ত্রীকে নিয়ে ছিলেন বিজেপির বুথ সভাপতি কল্যাণ কুমার ঘোষ। অভিযোগ, আচমকাই তিনি পরপর তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান পান। এমনকী বোমাবাজির পর তিনজনকে এলাকা ছেড়ে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখেন তিনি। এই বিষয়ে বিজেপির বুথ সভাপতি কল্যাণবাবু বলেন,আমি যখন বাড়ি থেকে স্কুটি করে দলের কাজে বের হবো বলে প্রস্তুতি নিচ্ছি। সেই সময়ই বাড়ির সামনে পরপর তিনটি বোমা ছোড়া হয় আমার বাড়ি লক্ষ্য করে। বাড়ি থেকে বেরিয়েই দেখি, তিনজন দুষ্কৃতী ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালায়। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। বিষয়টি নিয়ে রানাঘাট থানায় অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেও অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। রাতে শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করে বিজেপি পক্ষ থেকে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও এই বোমাবাজির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।

    আরও পড়ুন: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    বিজেপি প্রার্থীর গাড়ির ওপর হামলা

    প্রসঙ্গত, রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী তথা  প্রাক্তন সংসদ জগন্নাথ সরকারের গাড়িতে দুষ্কৃতীরা হামলার ঘটনা ঘটে। পরে, তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার  বিরুদ্ধে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক শান্তিপুর ঘোড়ালিয়া বাইপাস মুখে রাস্তা অবরোধ করা হয়। তাদের দাবি, অবিলম্বে মিথ্যে মামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে সাজানো সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: মমতার বিরুদ্ধে এবার উস্কানি ও হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

    Mamata Banerjee: মমতার বিরুদ্ধে এবার উস্কানি ও হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে দ্বারস্থ হল বিজেপি (BJP)। মমতার বক্তব্য নিয়ে আপত্তি তুলে ইতিমধ্যেই কমিশনকে চিঠি দিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে। বিজেপির অভিযোগ, “জলপাইগুড়ির সভায় মমতা ভোটারদের হিংসায় প্ররোচনা দিয়েছেন। সেই সঙ্গে দিয়েছেন উস্কানি, যা আদর্শ আচরণবিধির বিরোধী।”

    ঠিক কী বলেছিলেন মমতা (Mamata Banerjee)?

    গত মঙ্গলবার ১৭ এপ্রিল জলপাইগুড়িতে সভা ছিল মমতার (Mamata Banerjee)। সেই সভা থেকেই ওইদিন বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, ”আমার গাড়ি দেখে ওঁরা চোর বলছে। সেদিন ওঁদের জিভ টেনে নিতে পারতাম। কিন্তু ভোট (Lok sabha Election 2024) বলে কিছু বলিনি! তা ছাড়া আমি নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ নই। ওঁরা বলেন, বেছে বেছে জেলে পাঠাব। উল্টো ঝুলিয়ে সিধে করে দেব’। আমি সেটা বলব না। জিভ টেনে নিতে পারলেও সেটা করব না।’’

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ারের চালসায় বিজেপির সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি লক্ষ্য করে বিজেপির কয়েক জন কর্মী ‘চোর চোর’ স্লোগান (Slogan) দিয়েছিলেন। সেই ঘটনার পাল্টা জবাব দিতে গিয়েই মঙ্গলবারের সভা থেকে এমন মন্তব্য করে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এবার মুখ্যমন্ত্রীর সেই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই কমিশনে দারস্থ হয় পদ্ম শিবির।

    বিজেপির অভিযোগ

    জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যে মন্তব্য করেছেন তাতে স্পষ্ট, এখন ভোটের জন্য তিনি সংযত থাকছেন। তবে ভোট মিটে যাওয়ার পর হিংসা শুরু হতে পারে। আদর্শ আচরণ বিধি অনুযায়ী, ভোটের আগে এমন কথা বলা যায় না। এই ধরনের উস্কানিমূলক মন্তব্যের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃদায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    মোদি ও শাহ কেও নিশানা মমতার

    তবে শুধু বিজেপি কর্মীদেরই নয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকেও নিশানা করেছিলেন মমতা (Mamata Banerjee)। গত বিধানসভা নির্বাচনে কোমরের দড়ি আর পাথরের মিষ্টি উপহার দেওয়ার কথা বলেছিলেন মমতা। একই ভাবে এই রাজ্যের মোদি-শাহের ভোট প্রচারকে বার বার ‘বহিরাগত’ বলে ছিলেন তিনি। এমন কী ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মহিলাদের দ্বারা ঘেরাও করার কথা বলে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন খোদ মমতা।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ‘‘সংরক্ষণ থাকবে, মোদির নামেই প্রথম দফায় বাম্পার ভোট’’, বললেন শাহ

    Lok Sabha Election 2024: ‘‘সংরক্ষণ থাকবে, মোদির নামেই প্রথম দফায় বাম্পার ভোট’’, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি ক্ষমতায় এলে সংবিধান পরিবর্তন করে তফশিলি জাতি, জনজাতি ও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ বাতিল করার কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার গুজরাটের গান্ধীনগর (Lok Sabha Election 2024) থেকে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শাহ। শুক্রবার রাজস্থানের যোধপুরের ভোপালগড়ের একটি নির্বাচনী জনসভা থেকে শাহ বলেন, ‘দেশে লোকসভা নির্বাচনের প্রথম পর্যায়ে বাম্পার ভোটিং হয়েছে। মোদি, মোদি জয়ধ্বনি দিয়ে মানুষ ভোট দিয়েছেন।’ 

    সংরক্ষণের সুবিধা প্রসঙ্গে শাহ

    সংবিধান পরিবর্তন প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, ‘‘বিরোধীরা বলছেন, সংবিধানে যে সংরক্ষণের সুবিধা রয়েছে তা তুলে দিতেই চারশো আসনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে বিজেপি। আমি স্পষ্ট বলে দিতে চাই, চারশো আসনের সঙ্গে সংবিধান বা সংবিধানে থাকা সংরক্ষণ নীতির পাল্টানোর সম্ভাবনা নেই। বিজেপি সংরক্ষণের পক্ষে। কোনও ভাবেই সংরক্ষণের সুবিধা প্রত্যাহার করা হবে না এবং কাউকে তা করতেও দেওয়া হবে না। জনতার প্রতি বিজেপির দায়বদ্ধতা রয়েছে। বিরোধীরা ভুলে যাচ্ছেন, ২০১৪ সালে এনডিএ-র যা সদস্য সংখ্যা ছিল, তা সংবিধানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট ছিল। আর ২০১৯ সালে বিজেপি একাই নিজের শক্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। তার পরেও বিজেপি সংরক্ষণ নীতি পাল্টানোর চেষ্টা করেনি।’’

    আরও পড়ুন: দুঃসহ জ্বালা! আজই কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪২ ডিগ্রি, চরম সতর্কতা জেলায় জেলায়

    ভোট নিয়ে স্মৃতিচারণায় শাহ

    ২০১৯ সালে গান্ধীনগর থেকে তিনি লোকসভা ভোট (Lok Sabha Election 2024) জিতেছিলেন ৫.৫ লাখ ভোটে। এবার ফের একবার গান্ধীনগরের মাটিতে ভোট-ভাগ্য পরীক্ষা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। আর তার লক্ষ্যে শুক্রবার মেগা রোড শো করে মনোনয়ন জমা দেন অমিত শাহ। শুক্রবার গুজরাটের নরেন্দ্রপুরা থেকে সরখেজ হয়ে গান্ধীনগর পৌঁছায় শাহের রোডশো। এই রোড শো নিয়ে অমিত শাহ বলছেন, ‘আমার জন্য স্পেশ্যাল এটাই যে যে জায়গা দিয়ে রোড শো গিয়েছে, সেখানে এককালে আমি পোস্টার মেরেছি, দেওয়াল লিখন করেছি পার্টির জন্য, আমার সফর এই এলাকায় স্থানীয় পার্টি কর্মী থেকে শুরু হয়েছিল আর সেখান থেকে আজ যেখানে আমি আছি…।’ রাজনৈতিক সফর নিয়ে অকপট অমিত শাহ বলছেন, ‘৩০ বছর ধরে এখানের মানুষ আমায় বিধায়ক, সাংসদ বানিয়েছেন। আর পরে আমি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হয়েছি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছি। আমি নরেন্দ্র মোদির সঙ্গী হিসাবে গুজরাটে তাঁর মন্ত্রিসভায় ছিলাম, কেন্দ্রেও আছি। আমি এটার জন্য গর্বিত। আমি বিশ্বাস করি গান্ধীনগরের মানুষের ভালোবাসা আর আশীর্বাদ আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “১ লক্ষ ভোটে সুকান্ত মজুমদারকে আমরা জয়ী করব”, বললেন বিজেপিতে যোগদানকারীরা

    Balurghat: “১ লক্ষ ভোটে সুকান্ত মজুমদারকে আমরা জয়ী করব”, বললেন বিজেপিতে যোগদানকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের বালুরঘাটে (Balurghat)  তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাল তৃণমূল। সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতি সহ শতাধিক তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন। ভোটের মুখে এই যোগদানের ঘটনায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা চাঙা হয়ে উঠেছে।

    কারা যোগদান করলেন? (Balurghat)  

    ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি রঞ্জিত সরকার, ওয়ার্ডের যুব সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস, মহিলা তৃণমূল সভাপতি টুম্পা সান্যাল সরকার, তৃণমূলের বুথ সভাপতি রবীন সূত্রধর-সহ শতাধিক কর্মী, সমর্থক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের (Balurghat) বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আজ ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের ওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট রঞ্জিত সরকারের নেতৃত্বে ওয়ার্ডের মহিলা প্রেসিডেন্ট টুম্পা সরকার, বুথ সভাপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন বুথের তৃণমূলের মহিলা নেত্রী এসেছেন। আরও অনেকে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিজেপির পতাকা তুলে নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদির কাজ দেখে। এতে ভোটের আগে আমাদের অনেকটাই শক্তিবৃদ্ধি হল।

    আরও পড়ুন: দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ! ভোটের মধ্যেই মুর্শিদাবাদের দুই ওসিকে সাসপেন্ড করল কমিশন

    ১ লক্ষ ভোটে জয়ী করাই লক্ষ্য

    তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করে রঞ্জিত সরকার বলেন, আমি তৃণমূলে  নানা পদে থেকেছি। কিন্তু বিজেপি এখানে যা কাজ করেছে, তা দেখেই আমরা দল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিই। সুকান্ত মজুমদার বিভিন্ন পরিষেবা দিয়েছেন এই বালুরঘাটকে। অমৃত ভারত স্টেশন দিয়েছেন। তাই আমরাও বিজেপিতে এলাম। আর অনেকে আসতে চান, নানা কারণে আসতে পারছেন না। আমাদের টার্গেট সুকান্ত মজুমদারকে ১ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জেতানোর। সেই লক্ষ্যপূরণে আমরা নিজের এলাকায় কাজ করা শুরু করেছি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বালুরঘাট লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্বাচনী প্রচারে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় নরেন্দ্র মোদি এসে ঝড় তুলেছিলেন। এবার মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী সুকান্তর সমর্থনে বালুরঘাটে প্রচারে আসেন। শুক্রবার তপনে জনসভা করেছেন। এদিন রোড শো করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share