Tag: Madhyom

Madhyom

  • Lok Sabha Election 2024: প্রথম দফায় বাংলার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে শুরু ভোটগ্রহণ

    Lok Sabha Election 2024: প্রথম দফায় বাংলার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে শুরু ভোটগ্রহণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রের উৎসব শুরু হয়ে গেল বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্র ভারতবর্ষে। সাত দফার লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) আজ প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। গোটা দেশে ১০২ আসনে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া। পশ্চিমবঙ্গেও ভোটগ্রহণ হবে সাত দফাতেই। আজ প্রথম দফায় (West Bengal Phase 1) পশ্চিমবঙ্গের তিনটি লোকসভা আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। তিনটিই উত্তরবঙ্গে। এই তিনটি আসন হল— কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক এই তিন আসনের খুঁটিনাটি। তিন আসনের জন্য ২৭৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ১২ হাজার ৩১০ জন রাজ্য পুলিশ থাকছে তিন আসনের মোট ৫ হাজার ৮১৪টি বুথের জন্য।

    কোচবিহার

    প্রথম দফায় (West Bengal Phase 1) ভোট হচ্ছে কোচবিহারে। বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া উত্তরবঙ্গের কোচবিহার আসনটির অন্তর্গত সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা এবং নাটাবাড়ি — কোচবিহার লোকসভা আসনের অন্তর্গত (Lok Sabha Election 2024)। এই আসনে মোট বৈধ ভোটারের সংখ্যা ১৯ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৯৩। এর মধ্যে, ১০ লক্ষ ১৪ হাজার ৮৬৪ জন পুরুষ। প্রায় ৯ লক্ষ ৫২ হাজার মহিলা। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে মোট ৩৩ জন। 

    পোলিং স্টেশন বা ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৪৩। স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ১৯৬। মডেল বুথের সংখ্যা ২১। প্রতিটি বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যে ভোটকেন্দ্রে দুটি বুথ রয়েছে সেখানে অন্তত চারজন কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং যেখানে তিন থেকে পাঁচটি বুথ রয়েছে সেখানে আটজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হবে। এর পাশাপাশি, সব বুথেই চলবে ওয়েব-কাস্টিং। মোট ১১২ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে কোচবিহারে। এছাড়া, আরও ৪ হাজার রাজ্য পুলিশ থাকবে। মোট ভোট-কর্মীর সংখ্যা ১২,১৮০। কোচবিহারের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এই আসনে মাইক্রো অবজারভার থাকছেন ৩২৮ জন। সকাল থেকে পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখবেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক।

    কোচবিহার আসনটি সংরক্ষিত আসন (Lok Sabha Election 2024)। এই আসনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১৪। এর মধ্যে বিজেপি প্রার্থী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। তৃণমূল কংগ্রেসের জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। ফরোয়ার্ড ব্লকের নীতীশ চন্দ্র রায় এবং কংগ্রেসের পিয়া রায় চৌধুরী। গত লোকসভা নির্বাচনে এই আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি। 

    আলিপুরদুয়ার

    প্রথম দফায় (West Bengal Phase 1) ভোট হচ্ছে আলিপুরদুয়ারে। উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার আসনটির অন্তর্গত সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র (Lok Sabha Election 2024) রয়েছে। সেগুলি হল— কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা, মাদারিহাট, তুফানগঞ্জ (জেলা কোচবিহার) এবং নাগরাকাটা (জেলা জলপাইগুড়ি)। এই আসনে মোট বৈধ ভোটারের সংখ্যা ১৭ লক্ষ ৭৩ হাজার ২৫২। এর মধ্যে, ৮ লক্ষ ৮৯ হাজার ০১৯ জন পুরুষ। ৮ লক্ষ ৮৪ হাজার ১৭১ জন মহিলা। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে মোট ৬২ জন। 

    এই আসনে পোলিং স্টেশন বা ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ৮৬৭। প্রতিটি বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর পাশাপাশি, সব বুথেই চলবে ওয়েব-কাস্টিং। মোট ৬৩ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে আলিপুরদুয়ারে। এছাড়া, আরও ২ হাজার ৭৫৮ জন রাজ্য পুলিশ থাকবে। আলিপুরদুয়ারে ১৮০ জন মাইক্রো অবজারভার থাকছেন। 

    আলিপুরদুয়ার আসনটি সংরক্ষিত আসন। এই আসনে বিজেপি প্রার্থী মনোজ টিগ্গা। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রকাশ চিক বরাইক। আরএসপির মিলি ওরাওঁ। ২০১৯ সালে লোকসভা আসন দখল করে বিজেপি। 

    জলপাইগুড়ি

    প্রথম দফায় (West Bengal Phase 1) ভোট হচ্ছে জলপাইগুড়িতে। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি আসনটির অন্তর্গত সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। সেগুলি হল— ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, মাল এবং মেখলিগঞ্জ (জেলা কোচবিহার)। এই আসনে মোট বৈধ ভোটারের (Lok Sabha Election 2024) সংখ্যা ১৮ লক্ষ ৮৫ হাজার ৯৬৩। এর মধ্যে, পুরুষ ভোটার ৯ লক্ষ ৫৮ হাজার ৬১১ জন।মহিলা ভোটার ৯ লক্ষ ২৭ হাজার ৩৩৯ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১৩ জন।

    পোলিং স্টেশন বা ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ৯০৪। স্পর্শকাতর বুথে আছে ২৯৬টি। যার মধ্যেই ১৯৮টি অতিস্পর্শকাতর বুথ আছে। মহিলা পরিচালিত বুথের সংখ্যা ১৪৯টি। থিম বুথের সংখ্যা ১৩টি। ৮ হাজার ভোটকর্মী এই কেন্দ্রে থাকছেন। প্রতিটি বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর পাশাপাশি, সব বুথেই চলবে ওয়েব-কাস্টিং। মোট ৭৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে জলপাইগুড়িতে। জলপাইগুড়িতে ২০২ জন মাইক্রো অবজারভার থাকছেন। 

    জলপাইগুড়ি আসনটি সংরক্ষিত আসন। এই আসনে বিজেপি প্রার্থী (Lok Sabha Election 2024) জয়ন্ত রায়। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নির্মলচন্দ্র রায়। সিপিএমের দেবরাজ বর্মণ। ২০১৯ সালে লোকসভা আসন দখল করে বিজেপি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sujay Krishna Bhadra: ইডির হাতে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষার রিপোর্ট, কী আছে তাতে? ডরাচ্ছে তৃণমূল

    Sujay Krishna Bhadra: ইডির হাতে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষার রিপোর্ট, কী আছে তাতে? ডরাচ্ছে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কালীঘাটের কাকু’র (Sujay Krishna Bhadra) কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা রিপোর্ট হাতে পেল ইডি। বৃহস্পতিবার কলকাতার কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরি থেকে মুখবন্ধ একটি খামে করে রিপোর্টটি এসে পৌঁছেছে ইডির দফতরে। তবে ওই রিপোর্টে ঠিক কী বলা হয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে তা জানানো হয়নি ইডির তরফে।

    কালীঘাটের কাকু (Sujay Krishna Bhadra)    

    শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে কলকাতার পিজি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গিয়েছিলেন কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। তার পর থেকে দীর্ঘদিন তাঁর কণ্ঠস্বর পরীক্ষার সুযোগ মেলেনি। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর শেষমেশ ৪ জানুয়ারি জোকা ইএসআই হাসপাতালে ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট হয় তাঁর। সুজয়ের স্বর ডিজিটালি রেকর্ড করে রাখা হয়। অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, পরীক্ষাগারে দেখা গিয়েছে দু’টি স্বরই এক ব্যক্তির (Sujay Krishna Bhadra)। রিপোর্ট হাতে পেতেই যারপরনাই উচ্ছ্বসিত ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। এবার ফাঁসবে নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে দুর্নীতির পর্দা।

    ইডির হাতে গ্রেফতার কাকু

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গত ৩০ মে সুজয়কে গ্রেফতার করে ইডি। তার পর থেকে অনেকটা সময় হাসপাতালে কাটিয়েছেন তিনি। ভর্তি ছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে। নিয়োগ কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস করতে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সুজয়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করতে চায় ইডি। এজন্য আদালতের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। হাইকোর্টে নমুনা সংগ্রহে গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হলেও, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেন, সুজয়ের শারীরিক অবস্থা ঠিক না হওয়া অবধি তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করা যাবে না। ফের একবার আদালতের দ্বারস্থ হয় ইডি। ইএসআই হাসপাতালে সুজয়ের শারীরিক সুস্থতা পরীক্ষা করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। শেষমেশ ৪ জানুয়ারি জোকা ইএসআই হাসপাতালে ভয়েস স্যাম্পেল টেস্ট হয় কাকুর।

    আরও পড়ুুন: দিনহাটাতেই ‘বন্দি’ থাকতে হবে উদয়নকে, ফরমান কমিশনের, বিপাকে তৃণমূল!

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলার যে রিপোর্ট হাইকোর্টে জমা দেয় ইডি, সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সংস্থা ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সম্পত্তি সংক্রান্ত খতিয়ানও দিয়েছিল ইডি। অভিষেকের এই সংস্থায়ই কাজ করতেন সুজয়। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এই ভয়েস স্যাম্পেল যে মিলবে, সেটা সকলের জানা। তবে এই ভয়েস স্যাম্পেলের ওপর নির্ভর করে হরিপালের বড় কোনও ডাকুকে ধরবে, মানুষ আর সেটা নেবে না (Sujay Krishna Bhadra)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Recruitment Scam: এসএসসি দুর্নীতিতে শতাধিক অভিযুক্ত! ১৭০০০ পাতার নথি-সহ চার্জশিট ইডির

    Recruitment Scam: এসএসসি দুর্নীতিতে শতাধিক অভিযুক্ত! ১৭০০০ পাতার নথি-সহ চার্জশিট ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় আদালতে প্রথম চার্জশিট জমা দিল ইডি। এসএসসির নবম-দশম, একাদেশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতিতে বৃহস্পতিবার ইডির বিশেষ আদালতে এই চার্জশিট জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ৩০০ পাতার মূল চার্জশিটে অভিযুক্তের সংখ্যা ১০০ জনের বেশি। তালিকায় রয়েছে এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা, প্রসন্ন রায় সহ ১৮ জন এবং ৯০ টি সংস্থার নাম। 

    চার্জশিটে কী বলা হয়েছে

    ইডি মনে করছে, এই মামলায় (Recruitment Scam) একাদশ-দ্বাদশ অযোগ্য প্রার্থীদের সংখ্যা ১১২০ জনের কাছাকাছি। নবম-দশমে সেই সংখ্যা ৯৪৬ জনের কাছে। এই মামলায় একাধিক মিডলম্যান জড়িত রয়েছে বলেও চার্জশিটে দাবি করেছে ইডি। মূল চার্জশিটের পাশাপাশি ১৭ হাজার পাতারও বেশি নথি আদালতে জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার শান্তিপ্রসাদ ও প্রসন্ন রায়-সহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে ইডি চার্জশিট দাখিল করেছে। এছাড়াও প্রসন্ন রায়ের সঙ্গে যুক্ত ৯৩টি সংস্থার বিরুদ্ধেও চার্জশিট পেশ করেছে ইডি। চার্জশিটে মূল পাতার সংখ‌্যা প্রায় ৩০০। যদিও নথি-সহ ১৭ পাতার চার্জশিট পেশ করা হয়। সাক্ষীর সংখ‌্যা ২০ জনেরও বেশি। চার্জশিটে উল্লেখ করা আছে যে, ২৩০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। নগদ ও প্রচুর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে প্রসন্ন রায় তাঁর নিজের এজেন্টদের মাধ‌্যমে বিপুল টাকা তুলতেন। প্রত্যেকটি জেলা থেকেই বিপুল টাকা তোলা হয়। এর পর সেই কালো টাকা ৯৩টি ভুয়ো সংস্থার মাধ‌্যমে সাদা করা হয়। এই চক্রের কাণ্ডারী ছিলেন শান্তিপ্রসাদ সিনহা, এমনই অভিযোগ ইডির।

    আরও পড়ুন: বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের পরীক্ষা! প্রথম পর্বের প্রচার শেষ, শুক্রে ১০২ আসনে ভোটগ্রহণ

    ইডির দাবি

    নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Case) অভিযোগে ২০২২ সালের ১০ অগস্ট এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন প্রধান শান্তিপ্রসাদকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তার আগে ওই বছরের ৩ এপ্রিল নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হন তিনি। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে ভুয়ো নিয়োগপত্র দেওয়ার অভিযোগ ছিল শান্তিপ্রসাদের বিরুদ্ধে। গ্রুপ সি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। নিয়োগ সংক্রান্ত যে উপদেষ্টা কমিটি তৈরি করেছিলেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তার চেয়ারম্যান পদে বসানো হয়েছিল শান্তিপ্রসাদকে। অভিযোগ, তাঁর আমলেই মূলত নিয়োগ দুর্নীতি হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: দিনহাটাতেই ‘বন্দি’ থাকতে হবে উদয়নকে, ফরমান কমিশনের, বিপাকে তৃণমূল!

    Lok Sabha Elections 2024: দিনহাটাতেই ‘বন্দি’ থাকতে হবে উদয়নকে, ফরমান কমিশনের, বিপাকে তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপাকে পড়ে গেল তৃণমূল! এলাকাবন্দি হয়ে গেলেন ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া উদয়ন গুহ। শুক্রবার নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) চলাকালীন নিজের এলাকা ছেড়ে বেরোতে পারবেন না তৃণমূলের এই মন্ত্রী। কমিশনের নির্দেশ, ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট চলাকালীন কোচবিহারের এই তৃণমূল নেতা নিজের এলাকা ছেড়ে বেরতে পারবেন না। তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র দিনহাটায়ই ‘বন্দি’ থাকতে হবে। অন্য কোথাও যাতায়াত করতে পারবেন না।

    কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন নিশীথ (Lok Sabha Elections 2024)

    দিন কয়েক আগে কমিশনকে উদয়নের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে চিঠি দিয়েছিলেন নিশীথ প্রামাণিক। তিনি (Lok Sabha Elections 2024) লিখেছিলেন, “আপনারা জানেন উদয়ন গুহই যাবতীয় অশান্তি পাকিয়ে থাকেন। আদর্শ আচরণ বিধি চালু থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া মিছিলে আমায় দু’বার আক্রমণ করেছেন।” একুশের বিধানসভা নির্বাচনে অশান্তির প্রসঙ্গও তোলেন বিদায়ী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, “নির্বাচনোত্তর হিংসা নিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে উদয়ন গুহর নাম ছিল। তাঁর ঘৃণাভাষণের জেরে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হিংসায় উদ্বুদ্ধ করছেন উদয়ন গুহ।” আরও লিখেছেন, “উনি তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের মধ্যে ঘৃণা ভাষণের জন্য খ্যাত।” নিশীথ জানিয়েছিলেন, নির্বাচনের সময় উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়নের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করা মুশকিল।

    আরও পড়ুুন: সনাতন ধর্মের যজ্ঞের আগুনেই জন্ম গণিত-বিজ্ঞান-কলাশাস্ত্রের বহু সূত্রের!

    উদয়নের ‘উত্তরণ’

    এক সময় ফরওয়ার্ড ব্লক করতেন উদয়ন। তাঁর বাবা কমল গুহ বামফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ছিলেন। কমল প্রয়াত হওয়ার পর রাজ্যে পালাবদলের পর ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে নাম লেখান উদয়ন। বাম আমলে উদয়নের দল যাঁদের ওপর অত্যাচার করত, তাঁরা কখনওই চাননি উদয়ন তৃণমূলে যোগ দিন। তবে দলনেত্রী উদয়নকে তৃণমূলে নেওয়ায় ছুঁচো গিলতে বাধ্য হন হার্ডকোর তৃণমূল নেতারা। তার প্রমাণ মিলেছিল একুশের বিধানসভা নির্বাচনে। দিনহাটা কেন্দ্রে বিজেপির নিশীথ প্রামাণিকের কাছে গোহারা হেরে যান উদয়ন। সাংসদ পদ ছেড়ে বিধায়ক হতে না চাওয়ায় বিধায়ক পদে ইস্তফা দেন নিশীথ। তার পরেই হয় উপনির্বাচন। এবার উদয়ন জেতেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯ ভোটে। সেই সময় বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, উপনির্বাচনে বাম কায়দায় ভোট করিয়ে জয়ের মার্জিন দেড় লাখেরও বেশি করে ফেলেছেন একুশের নির্বাচনে ‘হেরো’ উদয়ন (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: গত ১০ বছরে একদিনও ছুটি নেননি! ৬৫৭০০ ঘণ্টা কাজ করেছেন প্রধানমন্ত্রী, জানাল পিএমও

    PM Modi: গত ১০ বছরে একদিনও ছুটি নেননি! ৬৫৭০০ ঘণ্টা কাজ করেছেন প্রধানমন্ত্রী, জানাল পিএমও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসার পর থেকে এখনও পর্যন্ত একটি দিনের জন্যও ছুটি নেননি নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী কতদিন ছুটি নিয়েছিলেন তা জানতে চাওয়া হয়েছিল তথ্য জানার অধিকার আইনে। তার উত্তরেই প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে, নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসার পরে, ১০ বছরে একদিনের জন্যও ছুটি নেননি। ১০ বছরে ছিল শতাধিক সরকারি ছুটি। কিন্তু তিনি মোদি, জনগনের জন্য সদা জাগ্রত প্রহরী। 

    কতক্ষণ কাজ করেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রীর ছুটি প্রসঙ্গে জানার জন্য বারাণসীর (Varanasi) বাসিন্দা, পেশায় শিক্ষক শেখর খান্না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দফতরে একটি আরটিআই করেছিলেন। জানতে চেয়েছিলেন বিগত ১০ বছরে কতদিন ছুটি নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। আরটিআই-এর উত্তর ১৫ এপ্রিল শেখর খান্নার কাছে আসে। উত্তর দেখে চমকে যান শেখর বাবু। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তারপর থেকে একদিনও ছুটি নেননি তিনি। এমনই জবাব এসেছে প্রতি উত্তরে।  কয়েকবছর আগে একটি ইন্টারভিউ চলাকালীন অভিনেতা অক্ষয় কুমার প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর কাজের সময় সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। তখন নরেন্দ্র মোদির উত্তর দিয়েছিলেন তিনি তিন থেকে চার ঘন্টা ঘুমোন। বাকি ১৮ ঘন্টা কাজ করেন। 

    আরও পড়ুন: এবছর কি আপনার প্রথম ভোট? তাহলে জেনে নিন ভোটকেন্দ্রে কী কী করণীয়?

    এক মাসের মধ্যেই শেখার খান্নার কাছে চলে আসে আরটিআই-এর জবাব। শেখার খন্না জানিয়েছেন ১৬ই মার্চ ২০২৪ শুধুমাত্র জিজ্ঞাসাবশত তিনি প্রধানমন্ত্রীর ছুটি সম্পর্কে তারই কার্যালয়ে  (PMO) এই সম্পর্ক জানতে চেয়েছিলেন। এক মাসের মধ্যেই কার্যালয়ের সচিব প্রবেশ কুমারের তরফে তাকে উত্তর সম্বলিত চিঠি পাঠানো হয়। দশ বছরে অর্থাৎ ৩৬৫০দিনে ৬৫ হাজার ৭০০ ঘন্টা দেশের জন্য সমর্পণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থাৎ তিনি ১৮ ঘন্টা দেশের জন্য কাজ করেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindu Rituals: সনাতন ধর্মের যজ্ঞের আগুনেই জন্ম গণিত-বিজ্ঞান-কলাশাস্ত্রের বহু সূত্রের!

    Hindu Rituals: সনাতন ধর্মের যজ্ঞের আগুনেই জন্ম গণিত-বিজ্ঞান-কলাশাস্ত্রের বহু সূত্রের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতির যুগ। হিসেবি মানুষের ভিড়। তাই ইদানিং কোনও ধর্মীয় রীতি পালন করাকে আধুনিক সমাজ সময় নষ্ট এবং অর্থের অপচয় বলে মনে করে। অথচ যুগ যুগ ধরেই বিশ্বের সব দেশেই পালিত হয়ে আসছে ধর্মীয় আচার পালন (Hindu Rituals)। সেটা যেমন পালন করেন সনাতনীরা, তেমনি পালন করেন খ্রিস্টান ধর্মের মানুষও। ইসলাম, শিখ, ইহুদি কিংবা বৌদ্ধ – বিশ্বের এমন কোনও সম্প্রদায় নেই, যারা কোনও না কোনও ধর্মীয় রীতি পালন করে না।

    সনাতনীদের অবদান (Hindu Rituals)

    সনাতনীদের এই ধর্মীয় রীতিই বিশ্বকে দিয়েছে অনেক কিছুই। জ্যামিতির ধারণা কিংবা মহাশূন্যে দ্বাদশ রাশির অবস্থান, শূন্যের ধারণা এসবই সনাতনীদের গভীর তপস্যার ফসল। তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ বলে যাঁরা দাবি করেন, তাঁরাও কোনও কোনও ধর্মীয় রীতি পালন করেন – কখনও জেনে, কখনও আবার অজান্তেই। বিশ্বের বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে যেহেতু সনাতন ধর্মই সব চেয়ে বেশি প্রাচীন, তাই সনাতন ধর্মের অবদান কম নয়।

    চলুন, বেদের যুগে

    চলুন, টাইম মেশিনে চড়ে আমরা ফিরে যাই বেদের যুগে (Hindu Rituals)। সেই যুগে তখনও ঈশ্বরের কল্পনা আসেনি মানুষের মাথায়। যদিও এক অনির্বচনীয় নিয়মই (বেদের ভাষায় ‘ঋক’) যে জগতের নিয়ন্ত্রক, পালনকর্তা, মানবজীবনের মূল লক্ষ্যই হল, মহাবিশ্বের এই মহাশক্তিকে খুঁজে বের করা, তাঁর সান্নিধ্য লাভ করা, তা জানতেন বৈদিক ঋষি। এই মহাশক্তির উদ্দেশে সেই সময় যজ্ঞে আহুতি দিতেন উপনিষদের ঋষিও। যজ্ঞাগ্নির মধ্যে দিয়েই যে হবি (আহুতি) দেবতার কাছে পৌঁছে যায়, তা বিশ্বাস করতেন তাঁরা। সেই কারণেই যজ্ঞে আহুতি হিসেবে বৈদিক ঋষি দিতেন কখনও পশু, কখনওবা গাছের ডাল-পালা। এই যজ্ঞের আগুনেই কার্যত জন্ম হয়েছে বিজ্ঞান, গণিত কিংবা অন্যান্য কলাবিদ্যার।

    গণিতের সূত্র রহস্য

    বিশ্বে যে সময় মানুষ জানতেন না জ্যামিতি খায় না মাথায় দেয়, তখনই যজ্ঞবেদীর (Hindu Rituals) জন্য জ্যামিতিক চিত্র আবিষ্কার করে ফেলেছিলেন বৈদিক যুগের ঋষিরা (Hindu Rituals)। সে যুগে ঋষিরা যে বিভিন্ন মনস্কামনা পূরণের উদ্দেশ্যে নানা যজ্ঞ করতেন, তা আমরা জানি। যুদ্ধ জয়ের আগে-পরে তাঁরা করতেন কখনও অশ্বমেধ যজ্ঞ, কখনও আবার বাজপেয় যজ্ঞ। সন্তান কামনায় করতেন পুত্র্যেষ্টি যজ্ঞ। এমন নানা কামনায় করতেন হাজারো যজ্ঞ। প্রতিটি যজ্ঞের বেদি হত আলাদা। এই বেদির নকশাই পরবর্তীকালে জন্ম দিয়েছে বহু জ্যামিতিক নীতিসূত্রের। আজ যে পিথাগোরাসের সূত্র মুখস্ত করতে হচ্ছে বিশ্বের সব দেশের ছেলেমেয়েদের, সেই সূত্র তাঁর জন্মের দুশো বছরেরও বেশি আগে তৈরি করে ফেলেছিলেন সনাতন ধর্মের ঋষি।

    যখন দূরবীক্ষণের জন্মই হয়নি, তখনই বৈদিক ঋষি পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন জ্যোতিষশাস্ত্র এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের মধ্যে। এই দুই শাস্ত্রের চর্চার ফলেই তাঁরা জানতে পারতেন, কবে এবং কখন কোন মহাজাগতিক ঘটনা ঘটবে। সূর্যগ্রহণ কবে, চন্দ্রগ্রহণই বা কবে, পূর্ণগ্রাস না খণ্ডগ্রাস, উল্কাপতনই বা কখন হবে, এসবেরই নির্ভুল ক্ষণ জানিয়ে দিতেন বেদের যুগের ঋষিরা। আর্য ঋষিদের সেই সব সূত্রের ওপরই ভিত্তি করে আজও পাওয়া যায় মহাজাগতিক বিভিন্ন ঘটনার পূর্বাভাস। অঙ্কের বহু সূত্রেরও জন্ম দিয়েছে আর্য ঋষির সেই যজ্ঞকুণ্ড। বর্গক্ষেত্র, আয়তক্ষেত্র, রম্বস মায় ফ্যালকন-শেপড নকশাও তৈরি করা হত যজ্ঞকুণ্ডে। মণ্ডল, যন্ত্র এবং কলামের জ্ঞান আজও প্রয়োজন হয় জ্যামিতির জটিল রহস্য বুঝতে। ‘সুলভ সূত্রজ’ নামক গ্রন্থে এসবের বিস্তৃত উল্লেখ রয়েছে।

    সময় নির্ধারণ

    বিজ্ঞানের যখন এত অগ্রগতি হয়নি, তখনও আর্য ঋষি সময় নির্ধারণ করতে পারতেন। পারতেন ক্যালেন্ডার তৈরি করতে। যেহেতু শুভক্ষণে শুভ কাজটি সম্পন্ন করতে হয়, মাহেন্দ্রক্ষণে করতে হয় বিভিন্ন যজ্ঞ, সন্ধিক্ষণে করতে হয় আদ্যাশক্তির আরাধনা, তাই সময়ের সূক্ষ্ম হিসেব কষতে পারতেন বৈদিক যুগের ঋষিরা। পরবর্তীকালে যা জন্ম দেয় ক্যালেন্ডারের। চাঁদের ক্ষয় দেখেই এই ক্যালেন্ডারে উল্লেখ করা হত, কবে শুক্লপক্ষ, কৃষ্ণপক্ষই বা কবে। অষ্টমী কবে, নবমীই বা কখন থেকে, এর মাঝের কোন সময়টুকু সন্ধিক্ষণ, তা নির্ণয় করে ফেলেছিলেন সনাতনীদের পূর্বপুরুষরা। জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার সময় এ দেশে কমবেশি তিরিশটি ক্যালেন্ডার চালু ছিল।

    আরও পড়ুুন: রাম নবমীতে অশান্তি, এনআইএ তদন্ত দাবি শুভেন্দু-দিলীপের

    জন্ম ছন্দ ও সুরের

    সনাতনীরা যেহেতু যজ্ঞের সময় মন্ত্রোচ্চারণ করতেন, সেখান থেকেই জন্ম হয় বিভিন্ন সুরের। পয়ার, ত্রিপদী-সহ নানা ছন্দের জন্মও হয়েছিল সেই যুগে। সুরের আঁতুড়ঘরও বৈদিক ঋষির মন্ত্রোচ্চারণ। হিন্দুরা নানা প্রাকৃতিক শক্তির পুজো করতেন। জল, বায়ু, অগ্নি মায় প্রস্তরখণ্ডের মধ্যেও মহাশক্তিকে খুঁজে বেড়াতেন তাঁরা। তাঁদের এই খোঁজের কাছেই অনেক ক্ষেত্রে ঋণী হয়ে রয়েছে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ও রসায়ন শাস্ত্র।

    গাছগাছড়ার পাতা-রস-শেকড় খেয়ে যে মানুষের রোগ নিরাময় হয়, তা জানতেন আর্য ঋষি। দেবযুগে অশ্বিনী কুমারদ্বয় কিংবা বেদের যুগে চরক, সুশ্রুতের চিকিৎসা পদ্ধতির কাছে আজও অনেক সময় হার মানে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান। ব্যাকরণের জন্মও তো হয়েছিল সেই আর্য ঋষির যুগে। পাণিনীর ‘অষ্টাধ্যায়ী’কে তো ‘ভাষাতত্ত্বের জনক’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। কে বলল সনাতন ধর্ম রক্ষা করা প্রয়োজন শুধুই রাজনীতির স্বার্থে? গণিত-বিজ্ঞান-কলাশাস্ত্রকে সমৃদ্ধ করতে নয় (Hindu Rituals)!

    কথায় বলে না, অর্বাচীনের অশেষ দোষ!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Diabetes: নববর্ষের ঢালাও মিষ্টিমুখের জেরে ডায়াবেটিসের বিপদ বাড়িয়ে তুলছেন না তো!

    Diabetes: নববর্ষের ঢালাও মিষ্টিমুখের জেরে ডায়াবেটিসের বিপদ বাড়িয়ে তুলছেন না তো!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাঙালির নতুন বছরের শুরুতে মিষ্টি খাওয়ার রেওয়াজ চিরন্তন। পেট পুজো আর মিষ্টি মুখ, নতুন বছর বরণে এই দুইয়ের জুটি সুপারহিট। কিন্তু উৎসবের খানাপিনা অনেক সময়েই বাঙালির বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে। বিশেষত এই আবহাওয়ায় তাই সচেতনতা আরও বেশি দরকার বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ বাংলা নতুন বছরের শুরু থেকেই আবহাওয়ার পারদ চড়ছে। তার উপরে অতিরিক্ত ভুরিভোজ, বাঙালির ডায়াবেটিস (Diabetes) আর দেহের ওজন নিয়ে আরেকটু চিন্তা বাড়িয়ে দিল। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরের এই সময়ে গরম আবহাওয়ায় অনেকের রক্তচাপ ওঠানামা করে। তার উপরে নতুন বছরের শুরুর বাড়তি খাওয়াদাওয়া সেই বিপদ আরও বাড়ায়‌। এর জেরে অনেকেরই রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ে। পাশপাশি ওজন বাড়ে। তাই এই সময়ে শরীর সুস্থ রাখতে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।

    কীভাবে এই দুই সমস্যার সমাধান সম্ভব? (Diabetes) 

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করতে এবং শরীরের ওজন ধরে রাখতে নিয়মিত হাঁটা জরুরি। গরমের জেরে দিনের অন্যান‌্য সময় শারীরিক কসরত করা কঠিন হয়ে যেতে পারে। কিন্তু ভোরে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকে। তাই ভোরে অন্তত চল্লিশ মিনিট হাঁটা জরুরি। এতে শরীরের ক্যালরি ক্ষয় হবে। আবার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে‌।কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারে লাগাম টানা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, আলু, গাজর, ভাতের মতো খাবারে কার্বোহাইড্রেট প্রচুর পরিমাণে থাকে। তাই দ্রুত ওজন ও ডায়াবেটিসে নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে এই ধরনের খাবারে লাগাম টানতে হবে। তাহলে দুই সমস্যাই সমাধান হবে (Diabetes) ।

    দুই সবজিতেই ডায়াবেটিস কাবু

    পটল, করলার মতো সবজি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই দুই সবজিতেই ডায়াবেটিস কাবু হয়। আর পটলে রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম। যা শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই এই আবহাওয়ায় শরীর সুস্থ রাখতে, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই ধরনের সবুজ সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। প্রাণীজ প্রোটিন বিশেষ করে মটন, বিরিয়ানি, কেক জাতীয় খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে বলে সাফ জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ এই ধরনের খাবারে দ্রুত ওজন বাড়ে। আবার এগুলো ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় (Diabetes)।

    অতিরিক্ত রাত জাগার অভ্যাস বিপদ বাড়াচ্ছে (Diabetes) 

    পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঘুমের ব্যাঘাত একদিকে স্থূলতার সমস্যা তৈরি করে। আরেক দিকে ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। অতিরিক্ত রাত জাগার অভ্যাস বিপদ বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, রাতের ঘুম না হলেই শরীরের একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। তাই রাতে আট ঘণ্টা ঘুম জরুরি। তবেই শরীর সুস্থ থাকবে। খুব প্রয়োজন ছাড়া বেশি রাত পর্যন্ত না‌ জাগার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এছাড়াও ঘুম থেকে উঠে নিয়মিত গরম জলে লেবু মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই উপাদান ওজন কমাতে বিশেষ সাহায্য করে‌ (Diabetes)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: রাজ্য জুড়ে চাঞ্চল্য! ভোটের মুখে বাংলা থেকে উদ্ধার হাজারেরও বেশি বোমা

    Lok Sabha Election 2024: রাজ্য জুড়ে চাঞ্চল্য! ভোটের মুখে বাংলা থেকে উদ্ধার হাজারেরও বেশি বোমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটের আবহ। ভোট আসতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বাংলা। ভোটের (Lok Sabha Election 2024) মুখে গত এক মাসে বাংলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে হাজারেরও বেশি বোমা। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে বোমার পাশাপাশি বহু বিস্ফোরক পদার্থও উদ্ধার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে দুশো কোটিরও বেশি টাকার সম্পত্তি। ফলে ভোটের দোরগোড়ায় এসে প্রতিনিয়ত রাজ্য থেকে এমন বেআইনি জিনিস উদ্ধারের খবরে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সাধারণ জনগণের মধ্যে।

    কী কী জিনিস বাজেয়াপ্ত

    নির্বাচন কমিশনের(Election Commission) তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, ১ মার্চ থেকে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ২৩৬ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকার জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে শুধু নগদ টাকার পরিমাণই ১৩ কোটি ৮২ লক্ষ। এছাড়াও বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে মোট ২২ লক্ষ ১৫ হাজার ২৭ লিটার মদ। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫৫ কোটি টাকা। একই সঙ্গে ২৭ কোটি টাকার বাজার মূল্যের ৬,৫৫৩ কেজি মাদকও উদ্ধার করা হয়েছে।

    ১০০৪টি বোমা উদ্ধার

    এছাড়াও নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক মাসে রাজ্য পুলিশ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১০০৪টি বোমা উদ্ধার করেছে। উদ্ধার করেছে ৪১.৩৬ কেজি বিস্ফোরক সহ ৩৭৮টি অস্ত্র ও ৫৪৩টি কার্তুজ। তবে কেবলমাত্র নগদ টাকা, মদ কিংবা বোমাতেই থেমে নেই, কমিশনের তথ্য অনুযায়ী,বোমা ও কার্তুজের পাশাপাশি বাংলা (West Bengal) থেকে ১৬৯.৮১ কেজি মূল্যবান ধাতু উদ্ধার করেছে পুলিশ। যার বাজারমূল্য ৩৪.২৮ কোটি টাকা। এ ছাড়াও উপঢৌকন হিসাবে বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ২ কোটি ১৬ লক্ষ ৮৯ হাজার ৭৬২টি জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। হিসাব করে দেখা গিয়েছে, সেগুলির বাজারমূল্য ৫২.৯৬ কোটি টাকা। এ ছাড়াও ১ কোটি ৪২ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪৯৮টি অন্যান্য জিনিস উদ্ধার করা হয়েছে। যার বাজারমূল্য ৫৩.৫১ কোটি টাকা।

    আরও পড়ুন: এবছর কি আপনার প্রথম ভোট? তাহলে জেনে নিন ভোটকেন্দ্রে কী কী করণীয়?

    অতএব বোঝাই যাচ্ছে, ভোটের(Lok Sabha Election 2024) আগে বেশ আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার মধ্যে রাজ্যকে মুড়ে রেখেছে নির্বচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিরা। আর তাদের সঙ্গে সঙ্গ দিতে পিছিয়ে নেই রাজ্য পুলিশও (state police), ভোটের আগে বা ভোট চলাকালীন যাতে কোনও রকম অশান্তির ছায়া রাজ্যের ওপর না পড়ে সেই দিকে সব সময় সজাগ হয়ে নজর রাখছে নির্বাচন কমিশনের(Election Commission) আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: “বিজেপির ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে”, তোপ মিঠুনের, রোড শোয়ে জনজোয়ার

    Mithun Chakraborty: “বিজেপির ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে”, তোপ মিঠুনের, রোড শোয়ে জনজোয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে মিঠুন চক্রবর্তীর (Mithun Chakraborty) রোড শোয়ে জনজোয়ার। এদিন বেলা ১২ নাগাদ দার্জিলিং লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার সমর্থনে শিলিগুড়ির গুরুং বস্তি থেকে চম্পাসারি মোড় পর্যন্ত রোড শো করেন মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁকে সামনে থেকে দেখার জন্য এদিন সকাল থেকেই রাস্তার দু’ধারে নানা ভাষা, বর্ণ ও বয়সের মানুষ প্রতীক্ষায় ছিলেন। মিঠুন চক্রবর্তীর কনভয় ঢুকতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন জনতা। আর জনতার এই উন্মাদনা দেখে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, সবখানেই বিজেপির মিটিং, মিছিলে প্রচুর ভিড় হচ্ছে। আর বিজেপির এই ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

    মমতার গর্দার বলার জবাব দিলেন মিঠুন (Mithun Chakraborty)

    এদিন শিলিগুড়ির রোড শো থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষকে আক্রমণ করেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপির সমর্থনে প্রচার শুরু করার পর থেকেই মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty) নিশানা করেছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আক্রমণ করতে গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীকে গর্দার বলেছেন। এদিন এই প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, হ্যাঁ, আমি গর্দার, সর্দার সবই। বিজেপির মিটিং মিছিলের ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। যতদিন যাবে  বিজেপির মিটিং মিছিলে ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রীর মাথা আরও খারাপ হবে। তৃণমূলের রাজ্য নেতা কুণাল ঘোষও তাঁকে আক্রমণ করেছেন। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কুণাল ঘোষ একটা নর্দমা। ওর নাম নেবেন না। ওর নাম নিলে দিন খারাপ যায়।

    আরও পড়ুন: এবছর কি আপনার প্রথম ভোট? তাহলে জেনে নিন ভোটকেন্দ্রে কী কী করণীয়?

    রাজু বিস্তা জিতবে, বললেন মিঠুন

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয় তথা আসন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। এদিন রোড শো’র ফাঁকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, আমি চার জায়গায় প্রচারে গিয়েছি, সবখানে মানুষের কাছ থেকেই পজিটিভ রেসপন্স পাচ্ছি। মানুষ বিজেপিকে চাইছে। এদিন শিলিগুড়িতেও যেভাবে মানুষের মধ্যে উন্মাদনা দেখলাম তাতে আমি নিশ্চিত বিজেপি সব জায়গাতেই জিতবে। আর রাজু বিস্তা গত পাঁচ বছরে এখানে যে কাজ করেছে তাতে দার্জিলিং লোকসভা আসনে যোগ্য প্রার্থী রাজু। এবারও বিপুল ভোটে জিতবে রাজু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: এও কি সম্ভব? কাল ভোট দেবেন অসমের এই পরিবারের ৩৫০ জন!

    Lok Sabha Elections 2024: এও কি সম্ভব? কাল ভোট দেবেন অসমের এই পরিবারের ৩৫০ জন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক পরিবারে ১২০০ সদস্য। সেই বাড়িতে ৩৫০ জন ভোটার। ছোট পরিবারের সংজ্ঞা এঁরা এখনও জানে না। এক পরিবারে হাজারের বেশি সদস্য এই যুগে ভাবাই যায় না। তবে এমনও হয়। শুক্রবার লোকসভা ভোটের প্রথম দফায় অসমের (Assam) সোনিতপুর (Sonitpur) কেন্দ্রের ফুলগুড়ি নেপালি পাম এলাকার বাসিন্দা রন বাহাদুর থাপার পরিবার থেকে ৩৫০ জন ভোট দেবেন। কয়েক পুরুষ যাবত এই এলাকাতেই তাঁদের বাস। দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটার থাকার রেকর্ড এই পরিবারের পকেটে। 

    রন বাহাদুর থাপার বৃহৎ পরিবার

    জানা গেছে রন বাহাদুর থাপা ইতিমধ্যেই প্রয়াত হয়েছেন। রেখে গেছেন ১২টি ছেলে এবং ৯টি মেয়ে। তাঁর পাঁচ জন স্ত্রী। চলতি মাসের ১৯ তারিখ অসমের সোনিতপুর লোকসভা ভোটের (LOksabha Seat) প্রথম দফার নির্বাচন হবে। এদিনই নিজেদের ভোট দেবেন থাপা পরিবারের সাড়ে ৩৫০ জন সদস্য। রন বাহাদুরের ১৫০ জনের বেশি নাতি নাতনি। প্রয়াত রন বাহাদুর থাপার ছেলে তিল বাহাদুর থাপা জানিয়েছেন তাঁর বাবা ১৯৬৪ সালে এখানে বাড়ি তৈরি করেছিলেন। বাবার পাঁচ স্ত্রী এবং তাঁরা ১২ জন ভাই এবং ৯ জন বোন। সবমিলিয়ে ৬৫ জন নাতি নাতনি। 

    সরকারি সুবিধার আশা

    সংখ্যাতত্ত্বের বিচারে রেকর্ড গড়া এই পরিবার আজও সেভাবে সরকারি সুবিধা পাননি। যেহেতু রন একাধিক বিবাহ করেছিলেন তাই এই পরিবারের সদস্যরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, বলে দাবি পরিবারের। তিল বাহাদুর জানিয়েছেন পরিবারের ছেলে মেয়েরা উচ্চশিক্ষা পেলেও সরকারি চাকরি পাননি। তিনি বলেন, “আমাদের পরিবারের অনেক সদস্য রাজ্য ছেড়ে বাইরে চলে গেছেন। কিছু সদস্য বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru) চলে গেছেন। সেখানে প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করছেন কেউ কেউ। আবার দিনমজুরের কাজ করছেন অনেকে। কিন্তু সরকারি চাকরি কেউই করতে পারেনি।” 

    আরও পড়ুন: এবছর কি আপনার প্রথম ভোট? তাহলে জেনে নিন ভোটকেন্দ্রে কী কী করণীয়?

    রন বাহাদুর থাপা ১৯৯৭ সালে মারা যান। তাঁর ছেলেরাও বাবার পথের পথিক। প্রত্যেকেই একাধিক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ। তবে রনের রেকর্ড এখনও অক্ষত। মোট ৯ টি বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে গঠিত সোনিতপুর লোকসভা কেন্দ্রে। ১৬ লক্ষ ২৫ হাজারের বেশি ভোটার রয়েছে এই কেন্দ্রে। শুক্রবার সবাই নিজেদের জনমত দান করবেন। একই সঙ্গে নজির গড়ে ভোট দিতে যাবেন থাপা পরিবারের সদস্যরাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share