Tag: Madhyom

Madhyom

  • World Hemophilia Day 2024: এখনই সতর্ক হোন, হিমোফিলিয়ার সমস্যা গুরুতর আকার নিতে পারে!

    World Hemophilia Day 2024: এখনই সতর্ক হোন, হিমোফিলিয়ার সমস্যা গুরুতর আকার নিতে পারে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেটে যাওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাওয়াই তো স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় রক্তপাত বন্ধ হতেই চায় না। এই সমস্যা গুরুতর আকার নিতে পারে। আজ অর্থাৎ ১৭ এপ্রিল বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস (World Hemophilia Day 2024)। হিমোফিলিয়া বা রক্ত বন্ধ না হওয়ার সমস্যায় ভুগছে সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা ও অল্পবয়সী মেয়েরা। হিমোফিলিয়ার সমস্যা সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা প্রায় নেই বললেই চলে। তাই এই সমস্যায় সচেতনতা (awareness) গড়ে তুলতে ১৭ এপ্রিলকে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। একটি রিপোর্ট অনুসারে, ভারতে প্রতি ১০,০০০ জন্মে ১ জন (পুরুষ ও মহিলা) হিমোফিলিয়ায় ভুগছেন।

    কেন হয় হিমোফিলিয়া(World Hemophilia Day 2024)?

    সাধারণত বাবা অথবা মা, অথবা উভয়ের কাছ থেকেই এই রোগ শিশুর দেহে বাহিত হয়। আসলে, কখনও কখনও জন্মের পরে, অটোইমিউন ডিসঅর্ডার, ক্যানসার, মাল্টিপল স্কলেরোসিস, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও কখনও কখনও গর্ভাবস্থায়, ক্লোটিং ফ্যাক্টর প্রোটিন তৈরিকারী জিনটির সমস্যা হতে শুরু করে। যা এই রোগের কারণ হতে পারে । এমন অনেক জন্মগত রোগ রয়েছে, যেগুলির সময়মতো চিকিৎসা (Treatment) না হলে পরে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এরকম একটি মারাত্মক রোগ হল হিমোফিলিয়া (World Hemophilia Day 2024)।

    রোগের লক্ষণ

    যে শিশুরা হিমোফিলিয়া (World Hemophilia Day 2024) নিয়ে জন্মায় তাদের শরীরে সহজে কালশিটে পড়ে বা ভিতরে ভিতরে রক্তপাত হওয়ার সমস্যা দেখা যায়। সাধারণত শরীরের বিভিন্ন গাঁটের কাছে রক্তপাত হয়। রক্তপাতের সময় গাঁটে অস্বস্তি বা কোনও রকম ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এছাড়াও দুর্ঘটনা বা আঘাতের পরে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষত থেকে অবিরাম রক্তপাত৷ ঘন ঘন নাক থেকে রক্তপাত (Bleeding)৷ মাড়ি থেকে রক্তপাত এবং দাঁত অপসারণ বা ভাঙার পরে বা যেকোনও ধরনের অস্ত্রোপচারের পরে রক্তপাত বন্ধ করতে দেরি বা অক্ষমতা। টিকা বা ইনজেকশনের পরে রক্তপাত এই রোগের লক্ষণ৷

    আরও পড়ুনঃ তাপপ্রবাহের সতর্কতা কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায়, বিশেষ বুলেটিন হাওয়া অফিসের

    যদি চিকিৎসা না করা হয় তা হলে জয়েন্ট স্টিফনেস হতে পারে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে গাঁট ফুলে উঠতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, হিমোফিলিয়া (Hemophilia) নামের মারাত্মক রোগটি শিশুর জন্মের পর থেকেই ৮ এবং ৯ ফ্যাক্টরের অভাবের কারণে ঘটে। এমতাবস্থায় প্রাথমিক পর্যায়ে এটি শনাক্ত এবং চিকিৎসা না করা হলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই রোগ মারাত্মক আকার ধারণ করে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, হিমোফিলিয়া কখনই সম্পূর্ণ সারানো সম্ভব নয়। তবে সচেতন থাকলে চিকিৎসার মাধ্যমে গুরুতর সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Basanti Puja 2024: হাজার বছরের পুরানো কান্দির দত্ত পরিবারের বাসন্তী পুজো, প্রথা মেনে হল কুমারী পুজোও

    Basanti Puja 2024: হাজার বছরের পুরানো কান্দির দত্ত পরিবারের বাসন্তী পুজো, প্রথা মেনে হল কুমারী পুজোও

    মাধ্যম নিউজ ডেস: হাজার বছরের প্রাচীন প্রথা মেনে নবমী তিথিতে কুমারী পুজো হল কান্দির (Kandi) দত্ত পরিবারের বাসন্তী পুজো (Basanti Puja 2024)। মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি শহরের দোহালিয়া ধর্মরাজ তলা সংলগ্ন এলাকার দত্ত বাড়ির বাসন্তী পুজো সুপ্রাচীন। পারিবারিক এই বাসন্তী পুজোয় চিরাচরিত প্রথা অনুযায়ী নবমী তিথিতে কুমারী পুজো (kumari puja) অনুষ্ঠিত হল। বাড়িতে প্রচুর ভক্ত সমাগম।

    দুর্গাপুজোর মতো বাসন্তী পুজো

    শরৎকালে যেমন দুর্গাপুজো (Durga puja) হয়, ঠিক তেমনই বসন্ত কালে বাসন্তী পুজোর রীতি আছে আজও। হোম যজ্ঞ সহকারে বৈষ্ণব মতে এই বাসন্তী পূজা হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে। বাসন্তী পূজা কবে আসবে সারাবছর ধরে তারই অপেক্ষায় থাকেন দত্ত পরিবারের সদস্যরা। বাসন্তী পুজোর চার দিন ব্যাপক আনন্দ উৎসবের সঙ্গে কাটান দত্ত পরিবারের সদস্যরা, আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব সকলেই। এই বাসন্তী পুজো উপলক্ষে দোহালিয়া মুখী হন শুধু দত্ত পরিবারি নয়, এলাকার আট থেকে আশি সকলেই। সবাই এই বাসন্তী পুজো উপলক্ষে মেতে উঠেন।

    আরও পড়ুনঃ “অভিষেকই আমাকে বার বার ফোন করে ডেকেছিলেন”, দাবি হিরণের

    পরিবারের বক্তব্য

    এই পুজোর প্রসঙ্গে কান্দির দত্ত বাড়ির এক সদস্য বলেন, “এই পুজো শুরু করেছিল কেশব চন্দ্রের পিতা মথুর দত্ত। জমিদারি প্রথা মেনে গ্রামবাসীর কল্যাণ চেয়ে এই পুজো স্থাপন করেছিলেন তিনি।” দোহালিয়া (Dohalia) গ্রামের দত্ত পরিবারের প্রাচীন এই বাসন্তী পুজো কান্দি শহরের ঐতিহ্য বহন করে চলেছে যুগ যুগ ধরে। দীর্ঘ প্রাচীন আমলের রীতি-প্রথা ও ঐতিহ্য মেনে প্রতিবছর এই পুজোর আয়োজন করে আসছে দত্ত পরিবার। হাজার বছর আগে পারিবারিক ভাবে এই পুজোর সূচনা করা হয়েছিল। তারপর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ অনেকটা সময়। তবে পুজোর নিয়ম-নীতি বিন্দুমাত্র বদল হয়নি। বংশ পরম্পরায় আজও মহাসমারোহে চলছে এই বাসন্তী পুজো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: রাম নবমীর শোভাযাত্রায় বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে পা মেলালেন তৃণমূল নেত্রী!

    Ram Navami 2024: রাম নবমীর শোভাযাত্রায় বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে পা মেলালেন তৃণমূল নেত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট বড় বালাই। অবশেষে রামকে আঁকড়ে ধরল তৃণমূল। বুধবার শিলিগুড়িতে (Siliguri) বিজেপি প্রভাবিত রামনবমী মহোৎসব কমিটির মিছিলে বিদায়ী সাংসদ তথা দার্জিলিংয়ের বিজেপি প্রার্থী রাজুর বিস্তার সঙ্গে হাঁটলেন দার্জিলিং জেলা (সমতল) তৃণমূলের সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ। রাজু বিস্তা একা নন। সেই মিছিলে ছিলেন শিলিগুড়ি মহকুমার বিজেপির তিন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, আনন্দময় বর্মন ও দুর্গা মুর্মু। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই মিছিলে পা মেলালেন পাপিয়া ঘোষ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের ধারণা, লোকসভা নির্বাচনের দোরগোড়ায় ধসে যাওয়া ভোট ব্যাঙ্ক মেরামতের মরিয়া চেষ্টাতেই এদিন পাপিয়া ঘোষ বিজেপির রাম নবমীর মিছিলে হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটল? (Siliguri)

    এদিন সকাল থেকে শিলিগুড়িতে (Siliguri) রাম নবমীকে ঘিরে ছিল বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস। রামভক্তদের একের পর এক মিছিলে সরগরম হয়ে ওঠে গোটা শহর। আরএসএস প্রভাবিত রাম নবমী মহোৎসব কমিটির মিছিল তারই একটি। এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন রাজু বিস্তা, বিজেপির তিন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ,  আনন্দময় বর্মন ও দুর্গা মূর্মু। ছিলেন বিজেপির একাধিক নেতা।  শহরের কেন্দ্র স্থল এয়ারভিউ মোড়ে সেই মিছিলেই  পা মেলাতে দেখা গেল দার্জিলিং জেলা( সমতল) তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ, জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি নির্ণয় রায় সহ তৃণমূলের বেশ কয়েকজন নেতাকে। দু’পক্ষকই একে অপরকে উত্তরীয় পরিয়ে, প্রসাদ বিনিময় করেন। বিজেপি বিরোধিতায় এই রামনবমী ও রাম নাম নিয়ে সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাম নাম শুনে তাঁকে মেজাজ হারাতেও দেখা গিয়েছে।  তাই এদিন রাম নামে সব ছুৎমার্গ ভুলে পাপিয়া ঘোষ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে হাঁটায় শহরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিস্মিত হন সাধারণ মানুষ। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের একাংশের কাছে এটা প্রত্যাশিত। তাদের বক্তব্য, রাম নাম ও রাম নবমী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের আচরণে তৃণমূলের ভোটেব্যাঙ্কে বড় ধস নেমেছে। ভোটের মুখে রাম নবমী নিয়ে সেই অবস্থান ধরে রাখলে বিপদ বাড়বে। সেটা বুঝতে পেরেই ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য এদিন পাপিয়া ঘোষ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে রাম নবমীর মিছিলে হাঁটেন।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর খাসতালুকে রাম নবমীতে তৃণমূল নেতাদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ বুলি, হতবাক বালুরঘাটবাসী

     কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    দার্জিলিংয়ের বিদায়ী সাংসদ এবারেরও বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা পাপিয়া ঘোষের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, অবশেষে তৃণমূলের বোধোদয় হয়েছে। তৃণমূল বুঝতে পেরেছে রাম নাম ছাড়া সব কিছু অসম্পূর্ণ। ধর্ম নিয়ে আমরা রাজনীতি করি না। এদিন সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাসই বলে দিচ্ছে ভারত দ্রুত রাম রামরাজ্যে পরিনত হতে চলেছে।

     রাম কারও একার নয়, বললেন তৃণমূল নেত্রী

    পাপিয়া ঘোষ বলেন, রাম কারও একার নয়। আমরা হিন্দু, আমরাও রামের ভক্ত। এদিন সকাল থেকে রামের পুজো দিয়েছি। আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি না। তাই রাম নবমীর মিছিলে কে আছে দেখিনি। রামভক্ত হিসেবেই রামনবমীর মিছিলে হেঁটেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vrindavan: বৃন্দাবনে ৭০ তলা আকাশচুম্বী কৃষ্ণ মন্দির নির্মাণ করবে ইসকন

    Vrindavan: বৃন্দাবনে ৭০ তলা আকাশচুম্বী কৃষ্ণ মন্দির নির্মাণ করবে ইসকন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বৃন্দাবনে তৈরি হবে গগনচুম্বী মন্দির। ৭০ তলা সমান উঁচু এই বিশালকায় মন্দির তৈরি করছে ইসকন। সংস্থার এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, এই মন্দির হবে আন্তর্জাতিকস্তরে ভারতীয় সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান নিদর্শন। একইসঙ্গে, ভারতে পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতিকে বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করবে এই মন্দির। আন্তর্জাতিক হরে কৃষ্ণ মুভমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইসকন বেঙ্গালুরুর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট চঞ্চলপতি দাসের মতে, আধ্যাত্মিক সাধনার জন্য জীর্ণ মন্দিরের কাঠামো সুদুর প্রসারী হয় না। তাই দরকার স্থাপত্য মন্দিরের।

    কেমন হবে মন্দির (Vrindavan)?

    চঞ্চলপতি দাস বলেছেন, “এই মান্দির বৃন্দাবনে (Vrindavan) ৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৬৬৮ কোটি) ব্যয়ে নির্মিত হবে। মন্দিরটি ৭০ তলা উঁচু এবং ২১০ মিটার চওড়া হবে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিচ্ছেন যে অনুগ্রহ করে আমেরিকা থেকে পাঁচজন মার্কিনীকে ভারতে নিয়ে এসে ভারত দেখান। তাঁদের ভারতে নিয়ে এসে অবশ্যই আধ্যাত্মিকতার সন্ধান করান। তাই এই মন্দির হবে ভব্য এবং দিব্য। যে সমস্ত জিনিসগুলি চিত্তাকর্ষক, আকর্ষণীয় সে সবকিছুই থাকবে। তাঁরা আধ্যাত্মিকতাও খুঁজছেন। তাই আমাদের অবশ্যই আধ্যাত্মিক স্থাপত্য, ধর্মীয় স্থাপত্য থাকতে হবে, যা নিয়ে আপনি গর্বিত হতে পারেন। বিদেশিদের নিয়ে আসতে এবং তাঁদের দেখানোর জন্য এটাও একটা বড় কাজ হতে পারে। আপনি যখন তাঁদের বৃন্দাবনে নিয়ে আসবেন, তখন আপনি অবশ্যই কৃষ্ণের বার্তাকে ঘিরে এই ধরনের বিশ্ব-মানের স্থাপত্য দেখাতে সক্ষম হবেন।’’

    ব্রজ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে

    চঞ্চলপতি দাস এই প্রসঙ্গে আরও বলেছেন, “বৃন্দাবনে (Vrindavan) এই পর্যটনের মাধ্যমে দেশের সংস্কৃতি ও উন্নয়নের মধ্যে যোগসূত্রকে শক্তিশালী করবে। এই মন্দিরের স্থাপত্য প্রকল্পটি ব্রজ অঞ্চলের দ্রুত আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। স্থানীয় মানুষের জন্য জীবন-জীবিকায় ব্যাপক পরিবর্তন আনবে। ভারতের ঐতিহ্যের স্থাপত্য, দার্শনিক চিন্তাবিদের জ্ঞান, আধ্যাত্মিক সাধনা অন্যদেরকে বিশেষ করে বহিঃর্বিশ্বে দার্শনিক আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের বিশেষ ক্ষেত্র নির্মাণ করবে। বৃন্দাবন হেরিটেজ টাওয়ার হল একটি অষ্টভুজাকৃতির কাঠামো যার উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব এবং পশ্চিম ভাগে এই চারটি মন্দির বিরাজমান হবে। মন্দিরে একটি স্মারক শ্রীলা প্রভুপাদের নামে থাকবে। মন্দির কমপ্লেক্সে আরামদায়ক আবাসনের সুবিধাও থাকবে।”

    আরও পড়ুনঃ সঙ্ঘের শিবিরগুলিতে কী শেখানো হয়? গান্ধী থেকে অম্বেডকর কী ভাবতেন আরএসএস সম্পর্কে?

    ২০,০০০ মানুষ প্রতিদিন সমাগম হবে

    ইসকনের ওই কর্তার দাবি, ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যে একটি সত্যিকারের জাগরণ নিয়ে আসবে এই মন্দিরের (Vrindavan) নির্মাণ। প্রতিভা, সৃজনশীলতা, শক্তিতে পূর্ণ, উচ্চ মূল্যবোধ ও চরিত্রে সজ্জিত একটি জাতি তৈরি করবে। বর্তমানে, বলা হয়েছে যে ২ কোটি মানুষ বৃন্দাবনে আসেন। উত্তরপ্রদেশ সরকারের পর্যটন অনুমান বলছে যে, আগামী ৬ থেকে ১০ বছরের মধ্যে এটি পাঁচগুণ বেশি হতে চলেছে। যা সংখ্যায় হবে ১০ কোটি। চঞ্চলপতি দাস বলেন, ‘‘আমাদের পরিকল্পনা হল একটি খুব বড় সংখ্যায় ভক্ত সমাগম করতে সক্ষম হবে এই মন্দিরে। বড় পার্কিং সুবিধাগুলির মধ্যে একটি তৈরি হবে এখানে। মাল্টি-লেভেল পার্কিং, যা একবারে ৩০০০ গাড়ি পার্ক করতে পারে এমন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। মন্দির নির্মাণ হলে, প্রতিদিন প্রায় ২০,০০০ মানুষ যাতে একত্রে সমাগম করতে পারেন, তেমনভাবেই পরিকল্পনা করা হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Eknath Shinde: “লরেন্স বিষ্ণোইকে খতম করা হবে”, সলমনের বাড়িতে গিয়ে হুঁশিয়ারি শিন্ডের

    Eknath Shinde: “লরেন্স বিষ্ণোইকে খতম করা হবে”, সলমনের বাড়িতে গিয়ে হুঁশিয়ারি শিন্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “লরেন্স বিষ্ণোইকে খতম করা হবে।” মঙ্গলবার চিত্রতারকা সলমন খানের বাড়িতে বসে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী শিবসেনার একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। বিষ্ণোই গ্যাং মাঝে মধ্যেই প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছিল সলমনকে।

    গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে গুলি

    রবিবার নিরাপত্তার ফাঁক গলে মুম্বইয়ে সলমনের বাড়ি গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুই দুষ্কৃতী। গুলি লাগে সলমনের বাড়ির বারান্দায়। ঘটনার পরে পরেই দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয় বিষ্ণোই গ্যাং। দুষ্কৃতীদের দ্রুত গ্রেফতার করে পুলিশ। মঙ্গলবার সলমনের বাড়িতে যান শিন্ডে। সেখানেই বিষ্ণোইকে খতমের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। সলমনের বাবা সেলিম খানের সঙ্গে করমর্দনও করেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী। সলমনের সঙ্গে কথাবার্তা বলে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী (Eknath Shinde) বলেন, “আমি সলমনকে বলেছি, সরকার তোমার সঙ্গে রয়েছে। দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মামলার মূল শিকড় খুঁজে বের করা হবে। কাউকে ছাড়া হবে না। সলমনকে কারওর টার্গেট করা ঠিক হয়নি।”

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কোনও গ্যাং বা গ্যাং-ওয়ার বরদাস্ত করা হবে না। আমরা এগুলো হতে দেব না। লরেন্স বিষ্ণোইকে খতম করা হবে।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যারা এই গুলি চালনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোরতম পদক্ষেপ করা হবে। মুম্বইতে গ্যাংস্টারদের মধ্যে কোনও যুদ্ধ নেই। মুম্বইয়ে আন্ডারওয়ার্ল্ডের কোনও জায়গা নেই। এটা মহারাষ্ট্র, এটা মুম্বই। আমরা এটা শেষ করব। যাতে ভবিষ্যতে কেউ আর এমন কিছু করার সাহস না দেখায়।”

    আরও পড়ুুন: “অভিষেকই আমাকে বার বার ফোন করে ডেকেছিলেন”, দাবি হিরণের

    প্রসঙ্গত, রবিবার কাকভোরে গুলি চলে সলমনের বাড়ির বাইরে। দুষ্কৃতীরা পাঁচ রাউন্ড গুলি চালায়। এর মধ্যে দু’টি গিয়ে লাগে অভিনেতার বাড়ির বারান্দায়। হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয় জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই, আনমোল বিষ্ণোই। হুমকি দেয়, পরেরবার গুলি লাগবে না বারান্দায়। ঘটনার পরে পরেই সরকারের তরফে সলমনের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে ওয়াই প্লাস নিরাপত্তার। সলমনকে বারান্দায় আসতে নিষেধ করা হয়েছে। গুলি চালনার ঘটনায় যে দু’জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে, তারা হল বছর চব্বিশের ভিকি গুপ্তা ও বছর একুশের সাগর পাল। গুজরাটের মাতা নো মাধ গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের (Eknath Shinde)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Heat Wave: তাপপ্রবাহের সতর্কতা কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায়, বিশেষ বুলেটিন হাওয়া অফিসের

    Heat Wave: তাপপ্রবাহের সতর্কতা কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায়, বিশেষ বুলেটিন হাওয়া অফিসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখের প্রথম সপ্তাহে ঝলসে যাচ্ছে শহরবাসী। এরই মধ্যে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের (Heat Wave) কমলা  সতর্কতা জারি করল আবহাওয়া দফতর। শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে শুরু হবে তাপপ্রবাহ। সপ্তাহান্তে ৩ দিন কলকাতাতেও রয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা। ৪০-৪১ ডিগ্রিতে থাকতে পারে আলিপুর-দমদমের তাপমাত্রা। সামনেই লোকসভা ভোট। রাজ্যে প্রথম দফায় ১৯ এপ্রিল ভোট হবে উত্তরবঙ্গে। যখন ভোট উত্তাপে গরম হচ্ছে উত্তরের আবহাওয়া তখনই দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে উপরে থাকার ইঙ্গিত দিল হাওয়া অফিস। 

    হাওয়া অফিসের সতর্ক বার্তা

    বৃহস্পতিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় তাপমাত্রা (Heat Wave) স্বাভাবিকের থেকে অনেকটা বাড়বে। এর মধ্যে আটটি জেলায় শুক্রবার থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ চলবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। কয়েকটি জায়গায় শুক্রবারই রাজ্যের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রিও ছুঁয়ে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা। এই মর্মে কলকাতা-সহ দক্ষিণের ১৫টি জেলায় বিশেষ সতর্কতা জারি করেছেন আবহবিদেরা। সেই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বুধবার থেকে রাজ্যের ছ’টি জেলায় তাপপ্রবাহ চলবে। এই ছয় জেলার মধ্যে রয়েছে দুই মেদিনীপুর, হুগলি, বাঁকুড়া এবং দুই বর্ধমান। শুক্রবার থেকে তাপপ্রবাহ চলবে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে। এর মধ্যে আটটি জেলা— পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং বীরভূমে ‘সিভিয়ার হিটওয়েভ’ বা অতি তীব্র তাপপ্রবাহ চলতে পারে।  

    নবান্নে বিশেষ বৈঠক

    পরিস্থিতি বুঝে নবান্নে বিশেষ বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। ভার্চুয়াল বৈঠকে ছিলেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের সচিব, জেলাশাসকরাও। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের পানীয় জলের যে পাউচ প্যাকেট আছে সেগুলি পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রাখার কথা বলা হয়েছে। প্রতিটি জেলার কন্ট্রোল রুমকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রশাসনকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেলা ১২টার পর থেকে বিকাল চারটে পর্যন্ত রাস্তায় প্রয়োজন ছাড়া না বেরনোরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সাধারণত স্বাভাবিকের থেকে তাপমাত্রা সাড়ে চার ডিগ্রি বেশি হলে তাপপ্রবাহ (Heat Wave) পরিস্থিতি তৈরি হয়। আর স্বাভাবিকের থেকে সাড়ে ৬ ডিগ্রি বেশি হলে তৈরি হয় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ (Severe Heat Wave) পরিস্থিতি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দু’দিন দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২-৫ ডিগ্রি বেশি থাকবে। তার পরের তিন দিনের পারদ থাকবে স্বাভাবিকের থেকে ৪-৭ ডিগ্রি বেশি।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় জন-জোয়ার! রাম নবমী উপলক্ষে রামলালার মন্দিরে শুরু পূজা-অর্চনা

    উত্তরে শিলাবৃষ্টি

    দহন জ্বালায় (Heat Wave) জ্বলছে দক্ষিণবঙ্গবাসী। প্রায় ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা কোথাও তেতাল্লিশ ডিগ্রির পথে, আবার কোথাও তা বিয়াল্লিশ ডিগ্রি। সেই সময় একদম উল্টো চিত্র উত্তরের। মঙ্গলবার মাঝ রাতে জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন জায়গায় কালবৈশাখী ঝড়-সহ প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। সেইসঙ্গে চলে শিলাবৃষ্টি। শিলাবৃষ্টির দাপটে জমিতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: ‘‘কোনও একতা নেই, ছন্নছাড়া’’, ইন্ডি জোটকে তুলোধনা অমর্ত্য সেনের

    Lok Sabha Elections 2024: ‘‘কোনও একতা নেই, ছন্নছাড়া’’, ইন্ডি জোটকে তুলোধনা অমর্ত্য সেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ছন্নছাড়া হয়ে গিয়েছে, কোনও একতা নেই।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। হাতে গোনা আর দু’দিন পরেই শুরু হয়ে যাচ্ছে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। তার ঠিক আগে অমর্ত্যর এই বক্তব্যে জাস্ট অ্যাডভান্টেজ বিজেপি।

    অমর্ত্য উবাচ (Lok Sabha Eelections 2024)

    নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, “বিরোধী জোট সেভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি। নীতীশ কুমার ও জয়ন্ত চৌধুরীর মতো শরিকরা রাতারাতি বেরিয়ে গিয়েছেন। নিজেদের মধ্যে কোনও একতা নেই। ছন্নছাড়া হয়ে গিয়েছে বিরোধী জোট। একজোট হতে পারলে তারা আরও শক্তিশালী হতে পারত।” তাঁর সংযোজন, “কংগ্রেসের অনেকগুলি সমস্যা রয়ে গিয়েছে।” ক্ষমতায় (Lok Sabha Elections 2024) এলে দেশে জাতিগত জনগণনা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। এ প্রসঙ্গে অমর্ত্য সেনের মতে, জাতিগত জনগণনার চেয়ে এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে দেশে পিছিয়ে পড়া মানুষের কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের আবশ্যিকতা রয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ প্রয়োজন সমাজের সমস্ত স্তরেই।

    আরও পড়ুুন: অন্ধকার গর্ভগৃহে রামলালার ললাটে তিলক আঁকল সূর্যরশ্মি, বিজ্ঞানের আশ্চর্য প্রয়োগ

    ঘেঁটে ঘ ‘ইন্ডি’

    বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বাঁধে দেশের ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয় ‘ইন্ডি’। জন্মলগ্ন থেকেই ইন্ডির অন্দরে ঘনিয়েছে অশান্তির কালো মেঘ। কখনও নির্বাচনের আগেই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে দানা বেঁধেছে বিতর্ক, কখনও আবার (Lok Sabha Elections 2024) কংগ্রেসের নেতৃত্ব নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। একটি অনুষ্ঠানে ইন্ডির শরিক শারদ পাওয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করায়ও হয়েছিল বিতর্ক। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গেলেও, জোটের অন্দরে আসন রফা হয়নি। বাংলায় একলা চলো নীতি নিয়েছে ইন্ডির শরিক তৃণমূল।

    পাঞ্জাবে আবার একলা লড়ছে আম আদমি পার্টি। ঝাড়খণ্ডে একলা লড়ার কথা ঘোষণা করেছে ‘ইন্ডি’র আর এক শরিক সিবিআইও। একলা চলোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা। ‘ইন্ডি’ জোটের শরিক হলেও, জম্মু-কাশ্মীরের আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির দলও আলাদা করে প্রার্থী দিচ্ছে। সব মিলিয়ে ঘেঁটে ঘ ‘ইন্ডি’ জোট। ‘ইন্ডি’র অন্দরে নিরন্তর চলা অশান্তির জেরে ‘ইন্ডিয়া’ ব্লক ছেড়ে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ শিবিরে ফিরে গিয়েছেন জেডিইউ নেতা নীতীশ কুমার। আরএলডি নেতা জয়ন্ত চৌধুরীও ইঙ্গিত দিয়েছেন এনডিএতে যোগ দেওয়ার (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Hiran Chatterjee: “অভিষেকই আমাকে বার বার ফোন করে ডেকেছিলেন”, দাবি হিরণের

    Hiran Chatterjee: “অভিষেকই আমাকে বার বার ফোন করে ডেকেছিলেন”, দাবি হিরণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে রাজ্যে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Vote 2024)। আর এরই মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) পাল্টা জবাব দিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chatterjee)। সম্প্রতি ঘাটালে দেবের (Dev) সমর্থনে প্রচার করতে গিয়েছিলেন অভিষেক। প্রচার চলাকালীন ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। এবার অভিষেকের সেই কটাক্ষের পাল্টা জবাব দিলেন হিরণ।

    অভিষেকের বক্তব্য (Hiran Chatterjee)

    গত ৭ এপ্রিল ঘাটালে হিরণের (Hiran Chatterjee) নাম না করেই অভিষেক বলেছিলেন, ‘‘এখানে যাঁকে বিজেপি (BJP) দাঁড় করিয়েছে, তিনি ছ’-আট মাস আগে আমার দফতরে এসেছিলেন। তৃণমূলে (TMC) ঢোকার জন্য এলেও আমি দরজা বন্ধ করে দিয়েছি।” এখানেই তিনি থেমে থাকেননি। অভিষেক সেদিন আরও জানিয়েছিলেন, দরকার হলে সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ্যে আনবেন তিনি।

    হিরণের পাল্টা বক্তব্য

    তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই দাবি খারিজ করে বিজেপি প্রার্থী হিরণ (Hiran Chatterjee) পাল্টা দাবি করে বলেন, “অভিষেকই আমাকে বার বার ফোন করে ডেকেছিলেন। তাই আমি তাঁর দফতরে গিয়েছিলাম। দলকে পুরো বিষয়টি জানিয়ে গিয়েছিলাম। অভিষেক যেদিন সিসিটিভির ফুটেজ দেবেন, আমি সেদিন সমস্ত প্রমাণ দেব। উনি কত বার আমায় ফোন করেছেন, কেন আমায় ডাকছিলেন, কী কী বলেছেন, সমস্ত রেকর্ড আমার কাছেও আছে। আমাদের পার্টির কিছু নির্দিষ্ট কৌশল আছে। আমরা কিছু জিনিস মেনে চলি। আমরা পাবলিসিটির জন্য ভুলভাল কথা বলি না।”

    আরও পড়ুনঃ অন্ধকার গর্ভগৃহে রামলালার ললাটে তিলক আঁকল সূর্যরশ্মি, বিজ্ঞানের আশ্চর্য প্রয়োগ

    ‘প্রমাণ’ হাজির করার হুঁশিয়ারি

    উল্লেখ্য, গত বছর একটি ছবি ঘিরে তৈরি হয়েছিল জল্পনা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে গিয়েছিলেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়, এমনই দাবি করা হয়েছিল। এবারের লোকসভা ভোটের প্রচার চলাকালীন সেই বিষয়টিই তুলে ধরেন অভিষেক। আর তাঁর পাল্টা জবাব দিয়ে ‘প্রমাণ’ হাজির করানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঘাটালের (Ghatal) এই বিজেপি প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: সঙ্ঘের শিবিরগুলিতে কী শেখানো হয়? গান্ধী থেকে অম্বেডকর কী ভাবতেন আরএসএস সম্পর্কে?

    RSS: সঙ্ঘের শিবিরগুলিতে কী শেখানো হয়? গান্ধী থেকে অম্বেডকর কী ভাবতেন আরএসএস সম্পর্কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা বছর ধরেই নানা কার্যক্রমের আয়োজন করে থাকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। এর পাশাপাশি সংগঠনকে শক্তিশালী করতে এবং কর্মীদের শারীরিক এবং বৌদ্ধিক বিকাশের লক্ষ্যে সঙ্ঘের তরফে আয়োজন করা হয় প্রশিক্ষণ শিবিরেরও। এই প্রশিক্ষণ শিবিরগুলি সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ নামেই পরিচিত। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রশিক্ষণ শিবির রয়েছে তিনটি স্তরে। এই তিনটি স্তর হল, সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ-প্রথম বর্ষ, সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ-দ্বিতীয় বর্ষ, সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ-তৃতীয় বর্ষ। প্রতিটি প্রশিক্ষণ শিবিরই চলে দুই থেকে চার সপ্তাহ পর্যন্ত।

    শিবিরগুলিতে নিত্য প্রয়োজন সামগ্রী সমেত স্বয়ংসেবকরা হাজির হন

    শিবিরগুলিতে নিত্য প্রয়োজন সামগ্রী সমেত স্বয়ংসেবকরা (RSS) হাজির হন। তবে প্রত্যেকেই যে এই শিবিরগুলিতে অংশগ্রহণ করতে পারেন, এমনটা নয়। সারা বছর ধরে শাখার মাধ্যমে বাছাই করা স্বয়ংসেবকদের প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশগ্রহণ করানো হয়। প্রতিটি শিবিরে স্বয়ংসেবকদের ভোর চারটে নাগাদ উঠতে হয়। শিবির চলে রাত্রি দশটা পর্যন্ত। সকাল এবং সন্ধ্যা এই দুটি সময় রাখা হয় শারীরিক অনুশীলনের জন্য। এর পাশাপাশি বিকাল এবং সন্ধ্যার পরের সময়টিকে ব্যবহার করা হয় নানা রকমের বৌদ্ধিক আলোচনার জন্য। বৌদ্ধিক আলোচনায় দেশ-কাল-সমাজের বিভিন্ন ইস্যু, ইতিহাস যেমন থাকে তেমনই দেশ গঠনের স্বয়ংসেবকদের (RSS) ভূমিকা কী হতে পারে, সেটাও থাকে। এর পাশাপাশি দেশের সভ্যতা এবং সনাতন সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন এমন মহাপুরুষদের জীবনী বিষয়ক পাঠও দেওয়া হয় স্বয়ংসেবকদের। পাঠ দেওয়া হয় ভারতের সুমহান প্রাচীন ঐতিহ্য, দেশের প্রাচীন সংস্কৃতির বিষয়েও।

    স্বয়ংসেবকদের একটি দল থাকে ভোজন ব্যবস্থার দায়িত্বে

    সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গে স্বয়ংসেবকদের (RSS) ডায়েট মেনেই চলতে হয়। তাঁদেরকে নিরামিষ ভোজন পরিবেশন করা হয়। কম তেল-মশলাযুক্ত খাবার স্বয়ংসেবকদের পাতে দেওয়া হয়। এই খাবার রান্নার জন্য আলাদা করে কোনও রাঁধুনি থাকে না। বরং স্বয়ংসেবকদের মধ্যে থেকেই একটি দল ভোজন ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকে। প্রতিদিন শিবিরগুলিতে কী কী হবে, তার দৈনন্দিন রুটিন শিবির চালুর আগে থেকেই স্বয়ংসেবকদের হাতে পৌঁছে যায়। স্বয়ংসেবকরা শিবির শেষে রাত্রিতে যখন ঘুমাতে যান তখন একটি হলঘরে একসঙ্গে তাঁদেরকে ঘুমাতে হয়। সাধারণভাবে যেকোনও প্রতিষ্ঠান ভাড়া করেই এমন শিবিরগুলির আয়োজন করে তাকে আরএসএস। সারি দিয়ে বিছানা তৈরি করা থাকে। বিছানার চাদর থেকে আরম্ভ করে শোবার সামগ্রী স্বয়ংসেবকদের আনতে হয়।

    কারা হতে পারেন প্রচারক

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষের ট্রেনিং ক্যাম্পগুলি প্রাদেশিক এবং জেলা স্তরে অনুষ্ঠিত হয়। তবে তৃতীয় বর্ষের ট্রেনিং ক্যাম্প একেবারে সঙ্ঘের সদর কার্যালয় নাগপুরেই অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় বর্ষের ট্রেনিং ক্যাম্পে কারা অংশগ্রহণ করবেন, তার বাছাই পর্ব চলে সারা দেশ জুড়ে। এই প্রশিক্ষণ পর্ব ৩০ দিনের হয়ে থাকে। সাধারণভাবে প্রতিবছর গ্রীষ্মকালের মে জুন মাসেই তৃতীয় বর্ষের প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হয় নাগপুরে। প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষের প্রশিক্ষণ পর্ব শেষ করেছেন এমন স্বয়ংসেবকরাই যোগ্য হন তৃতীয় বর্ষের ট্রেনিং ক্যাম্পে অংশগ্রহণের বিষয়ে। সাধারণভাবে ১৬ বছরের উর্ধ্বে যে কোন যুবকই প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষের প্রশিক্ষণ পর্বে অংশগ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু তৃতীয় বর্ষের প্রশিক্ষণ পর্বে অংশগ্রহণ করতে গেলে ন্যূনতম বয়স লাগে ১৮ বছর। তৃতীয় বর্ষ প্রশিক্ষণ পর্ব সমাপ্ত হওয়ার পরে যে সমস্ত স্বয়ংসেবক আজীবন ব্রহ্মচর্য ব্রত পালনে রাজি থাকেন এবং দেশের জন্য কাজ করব এই মানসিকতা স্থির করেন, পূর্ণ সময়ের জন্য তাঁরা প্রচারক হিসেবে হন।

    ১৯২৯ সালে নাগপুরে হয়েছিল প্রথম শিবির

    সঙ্ঘের ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে তাদের প্রথম প্রশিক্ষণ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯২৯ সালে নাগপুরে (RSS)। ৪০ দিনের এই প্রশিক্ষণ শিবির চলেছিল ১ মে থেকে ১০ জুন পর্যন্ত। তখন এই শিবিরের নাম সঙ্ঘ প্রশিক্ষণ বর্গ ছিল না বরং তা গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্প নামেই পরিচিত ছিল। ১৯৫০ সালের পর থেকে সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ-এই শব্দ চালু হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিবর্তিত হয়েছে সঙ্ঘের প্রশিক্ষণ পর্বের ধরনেরও। প্রথমদিকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রশিক্ষণ শিবিরগুলিতে বিভিন্ন সামরিক ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো এবং প্রশিক্ষণের ভাষা হিসেবে ব্যবহার করা হত ইংরেজি।

    ক্যাম্পের নামকরণের ইতিহাস 

    বিএন বারাদপান্ডে ছিলেন নাগপুরের একজন আরএসএস কার্যকর্তা। তিনি একটি বই লিখেছিলেন ‘সঙ্ঘ কার্যপদ্ধতি কা বিকাশ’। ওই বইতে তিনি লিখছেন, ‘‘একটি বৈঠকে (RSS) আমরা আলোচনা করছিলাম যে কিভাবে আমরা গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পকে সম্বোধন করব। কেউ একজন প্রস্তাব দিয়েছিলেন এটার নাম হওয়া উচিত ‘ট্রেনিং ক্লাসেস’। অন্য একজন স্বয়ংসেবক বলেন, ক্যাম্প হল আরএসএস-এর শাখারই বিস্তৃত রূপ তাই আমাদের এটা বলা উচিত ‘সঙ্ঘ ট্রেনিং ক্লাস’। কিন্তু ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার বলেন,  এই ক্যাম্পগুলি চালানো হয় সেই সমস্ত কর্মীদের জন্য, যাঁরা সংগঠনকে সর্বোচ্চ সময় দেবেন। তাই এই ক্যাম্পের নাম হওয়া উচিত অফিসার্স ট্রেনিং ক্যাম্প বা ওটিসি।’’ প্রসঙ্গত, আজও ওটিসি সঙ্ঘের সংগঠনের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় শব্দ হয়ে রয়েছে। যদিও এই নামে এখন আর কোনও ক্যাম্প নেই। গুরুজি গোলওয়ালকর এই ক্যাম্পের নামকরণ করেন সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গ।

    প্রথম দিকের শিবিরগুলি কোথায় অনুষ্ঠিত হত

    জানা যায়, ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত বেশ কিছু বিনোদনমূলক কার্যক্রমও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) ক্যাম্পগুলিতে আয়োজিত হত। এগুলি হত শনিবার সন্ধ্যায় এবং রবিবারে। কিন্তু ১৯৩৮ সাল থেকেই তা পাল্টে যায় কারন সেই বছর থেকেই সঙ্ঘের প্রশিক্ষণ শিবিরের সময়সীমা ৪০ থেকে কমিয়ে ৩০ দিন করা হয়। ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হতো নাগপুরে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষের প্রশিক্ষণ শিবিরগুলি পুনেতে শুরু হয় ১৯৩৫ সাল থেকে। ১৯৩৮ সাল থেকে প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষের ক্যাম্পগুলি চালু করা হয় লাহোরে।

    জাতপাতহীন শিবির

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) প্রশিক্ষণ শিবর গুলিতে জাতপাতহীন সমাজ ব্যবস্থার প্রতিফলন দেখা যায়। যাঁরা অংশগ্রহণ করেন শিবিরে, তাঁরা নিজেদেরকে সামাজিক দিক থেকে একই রকম ভাবেন। তাঁদের মধ্যে কোনও ভেদাভেদ কাজ করে না। সঙ্ঘের প্রশিক্ষণ শিবিরগুলিতে যাঁরা প্রশিক্ষণ দেন এবং যাঁরা প্রশিক্ষণ নেন, প্রত্যেকের মধ্যেই ভ্রাতৃত্ববোধ কাজ করে। তাঁরা একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া করেন। একসঙ্গে চলাফেরা করেন।

    মহাত্মা গান্ধীর চোখে সঙ্ঘের শিবির

    ১৯৩৪ সালে মহাত্মা গান্ধী ওয়ার্ধাতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের শিবির পরিদর্শন করেন এবং স্বয়ংসেবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বক্তব্য রাখেন। পরবর্তীকালে শিবির পরিদর্শনের কথা মহত্মা গান্ধীর বলেন ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে। তিনি বলেন, ‘‘আমি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের শিবির পরিদর্শন করেছিলাম বেশ কয়েক বছর আগে। যখন ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার জীবিত ছিলেন। আমি খুবই আশ্চর্য হয়েছিলাম সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকদের এমন নিয়মানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা পরায়ণতা এবং জাতপাতহীন সমাজ ব্যবস্থা দেখে। তারপর থেকে সঙ্ঘের অনেকটা বিকাশ হয়েছে। আমি নিশ্চিত যে সংগঠনে এমন মহান আদর্শ এবং আত্মত্যাগের মন্ত্র রয়েছে তারা শক্তিশালী হবেই।’’

    বাবা সাহেব অম্বেডকরের চোখে সঙ্ঘের শিবির

    বাবা সাহেব অম্বেডকর সঙ্ঘের শিবির পরিদর্শন করেন ১৯৪৯ সালে পুনেতে। বাবাসাহেব অম্বেডকর ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারকে জিজ্ঞাসা করেন যে সঙ্ঘের শিবির গুলিতে অস্পৃশ্যতা সংক্রান্ত অসুবিধা রয়েছে নাকি! তখন আরএসএস প্রতিষ্ঠাতা তাঁকে উত্তর দেন, এখানে কোনও অস্পৃশ্যতা নেই। যাঁরা এখানে আসেন তাঁরা প্রত্যেকেই শুধু হিন্দু। প্রত্যুত্তরে অম্বেডকর বলেন, আমি এই শিবির পরিদর্শন করে আশ্চর্য হলাম। স্বয়ংসেবকরা অন্যদের জাতপাত না জেনেও তাঁদের সঙ্গে ভ্রাতৃত্ববোধ নিয়ে চলাফেরা করেন। বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী জয়প্রকাশ নারায়ণ যিনি সোসালিস্ট ছিলেন এবং সত্তরের দশকে ঐতিহাসিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী সরকারের বিরুদ্ধে, তিনিও ১৯৭৭ সালের ৩ নভেম্বর পাটনাতে আরএসএস-এর (RSS) ট্রেনিং ক্যাম্পে সম্মোধন করেন। ২০১৮ সালের জুন মাসে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ও সঙ্ঘের তৃতীয় বর্ষের ট্রেনিং ক্যাম্পে সম্বোধন করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “জেলটাই ওনার বৃদ্ধাশ্রম হবে”, মমতাকে উদ্দেশ্য করে তোপ দাগলেন দিলীপ

    Dilip Ghosh: “জেলটাই ওনার বৃদ্ধাশ্রম হবে”, মমতাকে উদ্দেশ্য করে তোপ দাগলেন দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জেলটাই ওনার বৃদ্ধাশ্রম হবে।” ফের প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে এই মন্তব্য করলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। পাশাপাশি মমতার হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাবও দিলেন তিনি। একই সঙ্গে  দিলীপ তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় তৃণমূলকে ফের কড়া আক্রমণ করেন।

    জেলটাই মমতার বৃদ্ধাশ্রম হবে! (Dilip Ghosh)

    বুধবার দুর্গাপুরের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের এবিএস অ্যাকাডেমির মাঠে প্রাতঃভ্রমণে যান বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ দিলীপ ঘোষ। ফের প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। কয়েকদিন আগে উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে জলপাইগুড়িতে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে দেখে চোর চোর স্লোগান দিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সেই প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার একটি সভা থেকে বলেছিলেন,”আমাকে উদ্দেশ্য করে চোর স্লোগান তোলা হয়। কিন্তু, আমি কারও পয়সায় চা-ও খাই না।” সুযোগ থাকলে জিভ টেনে ছিঁড়ে নেওয়ার কথাও তিনি বলেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর সেই হুঁশিয়ারির পাল্টা দিলীপ এদিন বলেন, “সেদিন আপনার চলে গিয়েছে। এবার মানুষ তৃণমূলের নেতাদের প্রকাশ্যে জুতো, ঝাঁটা, লাঠি দেখাচ্ছে। শেষ জীবনে এটাও সহ্য করতে হবে।” এখানেই শেষ নয়। মুখ্যমন্ত্রীর জেলযাত্রা মন্তব্য নিয়ে খোঁচা দিয়ে দিলীপ বললেন, “জেলটাই ওনার বৃদ্ধাশ্রম হবে।” তিনি আরও বলেন, “পাপীদের নিয়ে রাজনীতি করছেন। ৪০ বছর রাজনীতি করার পর কাউকে যদি চোর স্লোগান শুনতে হয়, তাঁর সন্ন্যাস নিয়ে নেওয়া উচিত।”

    আরও পড়ুন: সুকান্তর খাসতালুকে রাম নবমীতে তৃণমূল নেতাদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ বুলি, হতবাক বালুরঘাটবাসী

    টাকা নিয়ে ঘুরলেই গাড়িতে তল্লাশি হবে

    এদিন প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় দিলীপ ঘোষকে। রাম নবমী নিয়ে তিনি (Dilip Ghosh) বলেন,  “৫০০ বছর রামলালা প্রতিষ্ঠা হয়েছে। তারপর এবার প্রথম রাম নবমী। তাই, সারা বিশ্বের হিন্দু সমাজ এই দিনটিকে বিজয় উৎসব হিসেবে পালন করছে। রাম মন্দিরকে কেন্দ্র করে আলাদা উন্মাদনা রয়েছে।” আর গাড়িতে তল্লাশি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “টাকা নিয়ে ঘুরলেই তাঁর গাড়িতে তল্লাশি হবে। এখন দিলীপ ঘোষের গাড়িতে তল্লাশি করেও কোনও লাভ নেই। কারণ, কিছুই পাবে না। তবে, যার গাড়িতে টাকা থাকবে তার গাড়িতে তল্লাশি চালানো হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share