Tag: Madhyom

Madhyom

  • Ram Navami 2024: রাজ্যের আপত্তি ধোপে টিকল না, হাইকোর্টের নির্দেশে হাওড়ায় দুদিন হবে রাম নবমীর শোভাযাত্রা

    Ram Navami 2024: রাজ্যের আপত্তি ধোপে টিকল না, হাইকোর্টের নির্দেশে হাওড়ায় দুদিন হবে রাম নবমীর শোভাযাত্রা

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার জিটি রোড দিয়ে রাম নবমীর শোভাযাত্রায় আপত্তি জানিয়েছিল রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন। রাজ্যের সেই আপত্তি ধোপে টিকল না। উদ্যোক্তারা পরে শোভাযাত্রা বের করার জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। অবশেষে রাম নবমীর (Ram Navami 2024) শোভাযাত্রা করার অনুমতি পেলেন উদ্যোক্তারা। আদালতের নির্দেশে দুদিন শোভাযাত্রা হবে হাওড়ায়।

    কী নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট? (Ram Navami 2024)

    রামনবমীর (Ram Navami 2024) মিছিল নিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট জিটি রোড দিয়ে শোভাযাত্রার অনুমতি দিয়েছে সোমবার। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও অঞ্জনিপুত্র সেনার পক্ষ থেকে কোর্টে আবেদনের ভিত্তিতে এই রায় দেন বিচারপতি। ১৭ এপ্রিল রামনবমী দিন ও ২১ এপ্রিল মহাবীর জয়ন্তীর দিন শোভাযাত্রা বের করা হবে। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি পাওয়ার পরই রাম নবমীর শোভাযাত্রার প্রস্তুতি শুরু করে দিল অঞ্জনিপুত্র সেনা। হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, শিবপুর কাজীপাড়া থেকে ২০০ ভক্ত জিটি রোড দিয়ে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত শোভাযাত্রা করতে পারবেন। আগামী ১৭ এপ্রিল শিবপুর এবং হাওড়া থানা এলাকায় শোভাযাত্রা যাতে জিটি রোড দিয়ে যায় সে ব্যাপারে কোর্টের পক্ষ থেকে অনুমতি দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: “তোলাবাজ ভাইপোকে উত্তরসূরি হিসাবে প্রতিষ্ঠা করাই একমাত্র এজেন্ডা মমতার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    উদ্যোক্তাদের কী বক্তব্য?

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের হাওড়া জেলার সভাপতি ইন্দ্রদেও দুবে বলেন, “কলকাতা হাইকোর্ট ১০০ লোক নিয়ে শোভাযাত্রার (Ram Navami 2024) অনুমতি দিয়েছে। তবে, বেশি লোক হলে পুলিশের সাহায্যে বাকিদের ফরশোর রোড দিয়ে মিছিল করে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। তা প্রশাসনকে জানানোও হয়েছে।” অঞ্জনিপুত্র সেনার তরফে সুরেন্দ্র বর্মা বলেন, “কলকাতা হাইকোর্টে আমাদের মামলার শুনানি ছিল। আদালত জানিয়েছে ১৭ তারিখ ও ২১ তারিখ শোভাযাত্রা করতে পারবে। আমরা ২১ তারিখ শোভাযাত্রা করব। প্রশাসন আদালতে বলে, একদিনে তারা দু’টো শোভাযাত্রা মেনটেন করতে পারবে না। আদালতই বলেছে তাহলে দু’দিন করে দিন। আমরা সঙ্গে সঙ্গে রবিবার চেয়ে নিই। অবনী মল থেকে হাওড়া ময়দান অবধি আমাদের শোভাযাত্রা যাবে। ২০০ জন অঞ্জনিপুত্র সেনার সদস্য এই শোভাযাত্রা করবেন। বাইরের লোক থাকবেন না। এ নিয়ে আমরা জিটি রোড দিয়ে যেতে পারি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: দক্ষিণবঙ্গের ১০ জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা আবহাওয়া দফতরের, কোন কোন জেলা?

    Weather Update: দক্ষিণবঙ্গের ১০ জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা আবহাওয়া দফতরের, কোন কোন জেলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খর বৈশাখের শুরুতেই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় (Weather Update)। ইতিমধ্যেই সাতটি জেলায় তাপমাত্রা বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। আপাতত বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি হাওয়া অফিসের তরফে। আজ, মঙ্গলবার থেকেই তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা রাজ্যজুড়ে।

    দক্ষিণবঙ্গের পূর্বাভাস

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, পশ্চিমের জেলাগুলিতে আগামী চার দিনে তাপমাত্রা বাড়তে পারে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে অস্বস্তি। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সাত জেলায় তাপমাত্রা পেরিয়ে গিয়েছে ৪০ ডিগ্রির চৌকাঠ (Weather Update)। পানাগড়ের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি। ১৯ এপ্রিল প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন। এদিন নির্বাচন হবে এ রাজ্যেরও তিন আসনেও। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, সেদিন পর্যন্ত তপ্ত থাকবে বঙ্গের আবহাওয়া। ১৮-১৯ এপ্রিল দক্ষিণবঙ্গের ১০ জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা রয়েছে। কলকাতার তাপমাত্রা এই সময় উঠতে পারে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। শুক্র ও শনিবার নাগাদ তৈরি হতে পারে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। এদিন কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩৯ ডিগ্রি, সর্বনিম্ন ২৯ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ হতে পারে ৩৯ থেকে ৮৯ শতাংশ।

    কোন কোন জেলায় সতর্কতা

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এই জেলাগুলিতে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি না হলেও, বজায় থাকবে অস্বস্তি। শুক্রবারও দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পুরুলিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং দুই বর্ধমানেও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সেদিনও জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা জারি করা হলেও, ১৬ ও ১৯ এপ্রিল বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। 

    আরও পড়ুুন: ডায়মন্ড হারবারে অভিষেককে মাত দিতে বিজেপির বাজি শ্রমিক নেতা অভিজিৎ দাস

    এদিকে, তাপপ্রবাহ নিয়ে সাবধানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত রোদে না বেরনোর পরামর্শ দিয়েছে তারা। প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। খেতে হবে অন্যান্য পানীয়ও। পোশাক হবে হালকা, সূতির পোশাক পরাই ভালো (Weather Update)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Ram Navami 2024: অভিষেকের পর অযোধ্যায় প্রথম রাম নবমীতে পূজিত হবেন রামলালা, চলছে বিশেষ প্রস্তুতি

    Ram Navami 2024: অভিষেকের পর অযোধ্যায় প্রথম রাম নবমীতে পূজিত হবেন রামলালা, চলছে বিশেষ প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেকের পর এবার প্রথম অযোধ্যায় রাম নবমীতে (Ram Navami  2024) পূজিত হবেন রামলালা। গত ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার পরে এই কয়েকমাসে এত বড় ইভেন্ট আর আসেনি। সেই হিসেবে মন্দির-কমিটি, রামভক্তগণ, অযোধ্যাবাসী (Ayodhya Ram Temple) তো বটেই সারা দেশই গভীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে! পুরাণ অনুযায়ী, দশরথপুত্র শ্রীরাম, যিনি আবার শ্রীবিষ্ণুর অংশজাত পূর্ণাবতার, তিনি চৈত্র নবরাত্রির শেষ দিনেই, নবমীতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সেই হিসেবে দিনটি রামের জন্মদিন, যেটি ‘রামনবমী’ বলে চিহ্নিত ও পরিচিত। 

    ৪০ লাখ ভক্ত সমাগম

    রাম নবমীতে (Ram Navami  2024) ৪০ লাখ ভক্তের সমাগম হতে পারে অযোধ্যায়। ফৈজাবাদ জেলা প্রশাসন এবং উত্তরপ্রদেশ সরকার এই বৃহৎ অনুষ্ঠানের আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি দিচ্ছে। মন্দির চত্বরে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।  ইতিমধ্যে, নয়া ঘাট জোন, নাগেশ্বরনাথ জোন, হনুমানগড়ী মন্দির জোন, কনক ভবন মন্দির জোনে যথাযথ নিরাপত্তা নিয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য আধিকারিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল মন্দির ২০ ঘণ্টা করে দর্শনের জন্য খোলা থাকবে রামলালার দরজা। প্রত্যাশিত ভক্তের সংখ্যা বিবেচনা করে ট্রাস্টের তরফে সাতটি সারি করে দর্শকদের দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

    রাম নবমীর দিন কখন কী 

    রাম মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ওইদিন ভোর সাড়ে তিনটে মঙ্গল আরতির মধ্য দিয়ে শুরু হবে বিশেষ পুজো৷ এরপর রাত ১১টা পর্যন্ত অর্থাৎ, ১৯ ঘণ্টা দর্শনার্থীদের (Ayodhya Ram Temple) জন্য মন্দিরের দরজা খোলা থাকবে। এর মধ্যে ভগবানকে চারবার ভোগ নিবেদনের সময় মন্দিরের পর্দা পাঁচ মিনিটের জন্য শুধু বন্ধ হবে। রাম নবমীর দিন ব্রাহ্ম মুহূর্ত সাড়ে তিনটেয় বিশেষ পুজো শুরু হবে (Ram Navami  2024)৷ ভক্তদের দর্শনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও করা হচ্ছে ৷ দর্শনের সময় ভক্তদের তাদের মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র সঙ্গে না রাখতে বলা হয়েছে৷ সুগ্রীব কুইলায় ট্রাস্টের তরফে তীর্থযাত্রীদের জন্য একটি পরিষেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সরযূ নদীতে স্নানের ক্ষেত্রেও নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন৷ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে দুই হাজার কর্মী নিযুক্ত করা হয়েছে।

    সূর্য তিলক

    রামলালার কপালে ঠিক দুপুর ১২টার সময় এসে পড়বে সূর্যের আলো। যা ললাটে এঁকে দেবে সূর্যতিলক। সূত্রের খবর, প্রতি রাম নবমীর দুপুরেই সূর্যের আলোর একটি রশ্মি সরাসরি রামলালার মূর্তির কপালে এসে পড়বে (Ram Navami  2024)। আর এই কাজ সম্ভব হবে বহু বিজ্ঞানীর অক্লান্ত গবেষণায়। কারণ সূর্যরশ্মিকে প্রতিফলিত করাতে হবে রামলালার কপালে। আবার ওই নির্দিষ্ট সময়েই। মাত্র ৪ মিনিটের জন্য থাকবে এই তিলক। সূর্যের আলোর তিলক পরবেন রামলালা।

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্রে’ করা হয়েছে কোন কোন সঙ্কল্প, জানেন?

    বিশেষ লাড্ডু নিবেদন

    আগামী ১৭ এপ্রিল রাম নবমীতেই বিশেষ রেকর্ড গড়তে চলেছে রাম মন্দির। ওই দিন রাম মন্দিরে পাঠানো হবে ১,১১,১১১ কেজি লাড্ডু। তা রামলালাকে নিবেদন করা হবে। তারপর তা প্রসাদ হিসেবে ভক্তদের মধ্যে বিলি করা হবে! দেবরাহা হংস বাবা ট্রাস্টের তরফে রাম মন্দিরে রাম নবমীতে (Ram Navami) পাঠানো হবে এই ১ লক্ষ ১১ হাজার ১১১ কেজি লাড্ডু! হংস ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়েছে, তারা প্রতি সপ্তাহেই দেশের কোনও না কোনও বিখ্যাত মন্দিরে লাড্ডু পাঠান বিগ্রহকে নিবেদন করার জন্য। এর আগে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির, তিরুপতি বালাজি মন্দিরেও এই রকম লাড্ডু পাঠানো হয়েছে। এবার পাঠানো হচ্ছে অযোধ্যার রামমন্দিরে রামলালার উদ্দেশে।

    ঘরে বসেই দর্শন

    তবে যাঁরা কষ্ট করে মন্দিরে (Ayodhya Ram Temple) উপস্থিত থাকতে পারছেন না তাঁদের জন্য ঘরে বসেই রামলালার দর্শন মিলবে। প্রসার ভারতী এর লাইভ টেলিকাস্ট করবে। এদিনের জন্য অযোধ্যায় ১০০ টিরও বেশি জায়গায় এলইডি স্ক্রিন বসানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: ডায়মন্ড হারবারে অভিষেককে মাত দিতে বিজেপির বাজি শ্রমিক নেতা অভিজিৎ দাস

    Lok Sabha Election 2024: ডায়মন্ড হারবারে অভিষেককে মাত দিতে বিজেপির বাজি শ্রমিক নেতা অভিজিৎ দাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) সর্বশেষ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। এই প্রার্থী লড়বেন ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে। বাংলায় লোকসভা আসন রয়েছে ৪২টি। ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে ৪১টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম। মঙ্গলবার অন্নপূর্ণা পুজোর পুণ্যলগ্নে ঘোষণা করা হল ডায়মন্ড হারবারের প্রার্থীর নাম।

    রণাঙ্গনে অভিজিৎ-অভিষেক (Lok Sabha Election 2024)

    অভিজিৎ দাস ওরফ ববিই লড়বেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। অভিজিৎ বিজেপির শ্রমিক নেতা। রাজনীতিতে তিনি নতুন মুখ নন। ২০১৪ সালেও ডায়মন্ড হারবারে অভিষেকের বিরুদ্ধে পদ্ম-প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। সেবার অবশ্য হেরে গিয়েছিলেন। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে ‘ভাইপো’কে মাত দিতে প্রার্থী বদল করে বিজেপি। সেবার প্রার্থী হন নীলাঞ্জন রায়। এবার ফের শ্রমিক নেতা তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রাক্তন জেলা সভাপতির ওপরই আস্থা রাখলেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা (Lok Sabha Election 2024)।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা

    শিক্ষাগত যোগ্যতায় বিরোধী প্রার্থীদের অনেকের চেয়ে ঢের এগিয়ে অভিজিৎ। এমএসসি পাশ করার পর করেছেন এলএলবি। আরএসএসের জেলা প্রচার প্রমুখও ছিলেন তিনি। বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “অভিজিৎ দাস ওরফে ববি আমাদের বহুদিনের সংগঠক। ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন সংগ্রাম করে লড়ে চলেছেন তিনি। এমন ভাবার কোনও কারণ নেই যে আমরা কমজোরি প্রার্থী বা কম ওজনের প্রার্থী দিয়েছি।“

    আরও পড়ুুন: “দেশকে কালো টাকার দিকে ঠেলে দেওয়া হল”, বললেন মোদি

    ডায়মন্ড হারবারে রুদ্রণীল ঘোষ বা কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া কৌস্তুভ  বাগচিকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে চর্চা চলছিল। সব জল্পনায় জল্পনায় জল ঢেলে দিয়ে এই কেন্দ্রে প্রার্থী বেছে নেওয়া হল অভিজিৎকে। ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সাংগঠনিক কাজ করছেন অভিজিৎ৷ কেন্দ্রের আনাচ-কানাচ হাতের তালুর মতো চেনেন তিনি৷ তাঁর জনসংযোগও দারুণ। সেই কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর (Lok Sabha Election 2024)৷ ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের প্রার্থী প্রসঙ্গে সম্প্রতি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, প্রার্থী তো নিমিত্ত মাত্র। ভোট হবে প্রধানমন্ত্রীর নামে। ডায়মন্ড হারবারে পুরো বিজেপি ভোট করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sukanta Majumdar: মমতা-অভিষেকের প্রচার বন্ধ করার দাবিতে কমিশনের কাছে আর্জি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: মমতা-অভিষেকের প্রচার বন্ধ করার দাবিতে কমিশনের কাছে আর্জি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলপাইগুড়ির টর্নেডো পীড়িতদের সহায়তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের বিধি ভেঙে রাজনীতি করার অভিযোগ তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সুকান্তবাবু তৃণমূলের এই দুই সর্বোচ্চ নেতা-নেত্রীর বিরুদ্ধে প্রচার বন্ধের দাবি তুলেছেন নির্বাচন কমিশনের কাছে।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করা উচিত (Sukanta Majumdar)

    মঙ্গলবার বালুরঘাটে এক সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “নির্বাচন কমিশন মুখ্যসচিবকে উপভোক্তাদের সহায়তা করতে বলেছেন। কিন্তু, এনিয়ে রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ম ভাঙায় তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি কমিশনের কাছে।” পাশাপাশি বেঙ্গালুরুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে জড়িতদের পশ্চিমবাংলায় গ্রেফতার প্রসঙ্গে সুকান্তবাবু বলেন, ‘বিজেপি সংকল্পপত্রে ভারতবর্ষকে ওয়েডিং ডেস্টিনেশন হিসেবে অযোধ্যা নগরীর ধাঁচে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে সন্ত্রাসবাদীদের ডেস্টিনেশন হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছেন। নইলে এমন কুখ্যাত জঙ্গিরা রাজ্যের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত ঘুরে বেড়াল, অথচ পুলিশের কাছে খবর পর্যন্ত ছিল না। পুলিশ মন্ত্রী হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ করা উচিত।’

    আরও পড়ুন: “তোলাবাজ ভাইপোকে উত্তরসূরি হিসাবে প্রতিষ্ঠা করাই একমাত্র এজেন্ডা মমতার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মুখ্যমন্ত্রী ভাঁওতা দিচ্ছেন

    বালুরঘাট জেলা পার্টি অফিসে সাংবাদিক সম্মেলন করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। উপস্থিত ছিলেন বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ি, স্বরূপ চৌধুরী। জেলার এয়ারপোর্ট, মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে রাজ্যকে আক্রমণ করেছেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অশোকবাবু বলেন, “উনি সব জায়গায় বলছেন সবকিছু করে দিয়েছি। বাস্তবে বালুরঘাটের বিশ্ববিদ্যালয় চোখে দেখা যায় না। এমনকী মেডিক্যাল কলেজও রাজ্য সরকার করতে পারেনি। ভোটের সময় মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের নেতারা এসে শুধু ভাঁওতা দিচ্ছেন।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মোদিজি বালুরঘাটে প্রথম আসছেন। বালুরঘাটে মোদি ঝড় হবে। রাস্তায় তৃণমূল বাদে সবাই মাঠে থাকবে। সবাইকে বলব, তাড়াতাড়ি মাঠে যাওয়ার জন্য। নাহলে পরে আর জায়গা থাকবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ভোটের প্রচারেই আবাস যোজনার বাড়ির প্রতিশ্রুতি তৃণমূল নেতার, আচরণবিধি ভঙ্গ!

    Jalpaiguri: ভোটের প্রচারেই আবাস যোজনার বাড়ির প্রতিশ্রুতি তৃণমূল নেতার, আচরণবিধি ভঙ্গ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছলে বলে কৌশলে চলছে তৃণমূলের রাজনীতি। রাজনীতি কথাটায় যে নীতি আছে, তার তোয়াক্কা অনেকেই করেন না। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ির (jalpaiguri) একটি ঘটনাকে ঘিরে এমনই অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি (BJP)। বিজেপির অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। ভোটের দুদিন আগে আবাস (PM Awas) যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করাচ্ছেন মমতার এই দূতেরা। ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ এলাকার পানকৌড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। টেবিল-চেয়ার পেতে রীতিমতো শিবির খুলে আবাস যোজনার ফর্ম পূরণ করানোর প্রক্রিয়া চলছে। উদ্যোক্তা পানকৌড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত প্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) নেত্রী পাপিয়া দে। শিবির খোলার আগে এলাকায় প্রচার করা হয় আবাস যোজনার বাড়ি পেতে আগ্রহীরা শিবিরে যোগাযোগ করুন।

    রাজনৈতিক তরজা কেন?

    এই ঘটনা আদর্শ আচরণ (MCC) বিধি ভঙ্গের শামিল বলে দাবি বিজেপির। ভোটের মুখে এই ধরনের কাজ করা যায় না। যারা শিবিরে আসছে না তাদের বাড়ি গিয়ে ফরম পূরণ করানো হচ্ছে। বাড়িতে পৌঁছে তৃণমূল কর্মীরা বলছেন, “আমরা দিদির হয়ে এসেছি। এবার দিদিই ঘর দেবেন। বাংলার আবাস যোজনার একটা ফর্ম দিয়ে যাচ্ছি। ভোটের পর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অর্থাৎ এবছরের মধ্যেই আপনি ঘরের টাকা পেয়ে যাবেন। এবার কেন্দ্রের ভরসায় থাকতে হবে না।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় তৃণমূল নেত্রী পাপিয়া দে সরকার বলেন, “২০১৮ সালে একটি সার্ভে করা হয়েছিল। ২০২৪ সাল হয়ে গেলেও কেন্দ্রের টাকা আটকে থাকায় অনেকে ঘর পাননি। মুখ্যমন্ত্রী আগেই বলেছেন রাজ্যই এবার থেকে বাড়ি বানিয়ে দেবে। সেই মতোই স্থানীয়দের মধ্যে যারা ঘর পায়নি তাদের ঘর পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। দিদি যেমন ১০০ দিনের টাকা দিচ্ছেন, লোকসভা ভোট মিটে গেলে আবাস যোজনার টাকাও দেবেন। ২০১৮ সালে যাদের তালিকা নাম ছিল, যারা প্রকৃত দরিদ্র সীমার নীচে, তারা ঘর যাতে পায় সেই ব্যবস্থাই করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে নিখোঁজ স্বামীর খোঁজ পেতে সিবিআই তদন্তের দাবি স্ত্রী’র

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির দাবি, তৃণমূল নির্বাচনে বিধি ভেঙে এসব কাজ করছে। স্থানীয় বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য নিতাই কর বলেন, “ভোট ঘোষণা হয়ে গেলে এসব করা যায় না। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও এসব কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। কিন্তু তার দলের লোকেরা পাড়ায় পাড়ায় এসব করে বেড়াচ্ছে। আসলে তৃণমূল হতাশায় ভুগছে। তারা জানে উত্তরবঙ্গে তারা ভালো ফল করতে পারবে না। তাই এসব করছে ওরা। একাধিক এলাকায় পঞ্চায়েতেও হেরেছে তৃণমূল। ঘর দেবে বলে সাধারণ মানুষকে দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করানো হচ্ছে। আর বাড়ি যখন আসবে তখন পঞ্চায়েত প্রধানের আত্মীয়, স্বজনেরা বাড়ি পাবে। যারা ঘর পাওয়ার যোগ্য তারা বঞ্চিত হবে। আমরা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Vote 2024: কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর নজর রাখতে জেলাস্তরে নোডাল অফিসার নিয়োগ কমিশনের

    Lok Sabha Vote 2024: কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর নজর রাখতে জেলাস্তরে নোডাল অফিসার নিয়োগ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Vote 2024) এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতি জেলায় একজন করে নোডাল অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। শনিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফে সব জেলাশাসক তথা জেলার নির্বাচনী আধিকারিককে এই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর নজরদারি (Lok Sabha Vote 2024)

    সম্প্রতি ভোটে (Lok Sabha Vote 2024) বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল অবজারভার ও পুলিশ অবজারভার। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কমিশন সূত্রের খবর, সিএপিএফ-এর জন্য এই নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। জানা গেছে এই নোডাল অফিসারেরা (nodal officers) মূলত কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর নজরদারি চালাবেন। এর আগে ৬ এপ্রিল দুই বিশেষ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে বৈঠকে এই একই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ঠিক করা হয়েছিল জেলাস্তরে একজন নোডাল অফিসারকে নিযুক্ত করা হবে, যিনি জেলায় জেলায় সবকটি কন্ট্রোল রুমের (Control Room) মধ্যে যোগসূত্র বজায় রাখবেন। এবার সেই সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুন: ফের বাংলায় সফট টার্গেট বন্দে ভারত! কাচ ভাঙল ইটে, চিন্তায় রেল

    প্রথম দফায় ভোট ১৯ এপ্রিল

    উল্লেখ্য আগামী ১৯ এপ্রিল প্রথম দফায় ভোট (Lok Sabha Vote 2024) হবে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে। উত্তরবঙ্গের ওই তিনটি লোকসভা কেন্দ্রে ৫,৮১৪ টি ​​বুথ রয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, সুষ্ঠুভাবে ভোট (Election) সম্পন্ন করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রথম দফার আগে রাজ্যে এসে পৌঁছেছে ২৭৭ কোম্পানি। যার মধ্যে ২৬৩ কোম্পানি ব্যবহার করা হবে প্রথম দফার নির্বাচনে। বাহিনীর পাশাপাশি ভোটের কাজে লাগানো হচ্ছে রাজ্য পুলিশকেও। কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হতে পারে প্রথম দফার ভোটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মমতার আসল এজেন্ডা ঠিক কী, খোলসা করলেন শুভেন্দু, কী বললেন তিনি?

    Suvendu Adhikari: মমতার আসল এজেন্ডা ঠিক কী, খোলসা করলেন শুভেন্দু, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নরেন্দ্র মোদিজি যেটা ভেবেছেন, যেটা করছেন, জনস্বার্থে করছেন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেন, যা ভাবেন, ধান্দার জন্য ভাবেন। আর কীভাবে তোলাবাজ ভাইপোকে প্রতিষ্ঠা করা যায় তাঁর উত্তরসূরি হিসাবে, এটাই তাঁর একমাত্র এজেন্ডা।” সোমবার উত্তর দিনাজপুর জেলায় ইসলামপুরের কোর্ট ময়দানে দলীয় প্রার্থী কার্তিকচন্দ্র পালের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে এসে  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এভাবেই তীব্র কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ।

    মোদিজি জনস্বার্থে সব কিছু করছেন (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রাক্তন হবেন তা জানেন। তাই, তিনি এক দেশ এক ভোটের বিরোধিতা করছেন। এক একটা রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন করতে কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ হয় দেশের। এই টাকা যদি সাশ্রয় হয়, এই টাকা দিয়ে নতুন কয়েকশো মেডিক্যাল কলেজ, কয়েক হাজার কিলোমিটার রেললাইন, কয়েক হাজার কিলোমিটার জাতীয় সড়ক, একাধিক নতুন এয়ারপোর্ট, কয়েক কোটি জনগণের পাকা বাড়ি তৈরি করে দেওয়া যেতে পারে। তাই নরেন্দ্র মোদিজি যেটা ভেবেছেন, যেটা করছেন, জনস্বার্থে করছেন।”

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    তৃণমূল চুরি-দুর্নীতি ছাড়া কোনও কাজ করেনি

    পাশাপাশি ইসলামপুরকে আলাদা জেলার দাবি প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “সঠিক দাবি। ইসলামপুরে কোনও উন্নয়ন হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে পুরবোর্ডের নির্বাচন হয় না। এখানে মাঝে মাঝেই উচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু, উন্নয়ন হয় না। একটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল হয়েছে, না আছে নিউরো সার্জেন, না আছে এমআরআই মেশিন, না আছে আইসিইউ। ওটাকে বলা হয় রেফার হসপিটাল। যে আসবে তাকে নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজে রেফার করাই হচ্ছে কাজ। তৃণমূল চুরি-দুর্নীতি ছাড়া কোনও কাজ করেনি।”

    মন্ত্রীর পরিবারের লোক চাকরি পেয়েছেন

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী তথা গোয়ালপোখরের বিধায়ক গোলাম রব্বানী ও চোপড়ার দাপুটে বিধায়ক হামিদুল রহমানকেও তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। তিনি বলেন, “চাকরি দুর্নীতি, গরু পাচার, জমি দখল, এইদিকে হামিদুল রহমানের। আদিবাসীদের জমি পর্যন্ত দখল করেছে। আর যত চাকরি রব্বানীর পরিবার, হামিদুল রহমানের পরিবারের লোকজন পেয়েছে।” পাশাপাশি চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমানকে তীব্র হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। তিনি বলেন, “হামিদুল রহমানকে বলে যাই, তোমার থেকেও বড় গুন্ডা ছিল শাহজাহান। তার যা অবস্থা হয়েছে তোমার অবস্থা তার থেকেও খারাপ হবে।” অন্যদিকে, দাড়িভিটে দুই ছাত্র খুনের বিচার প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেহেতু বাংলা ভাষার পক্ষে লড়েছিল, মমতা ব্যানার্জি সেই কারণে তার লোক দিয়ে খুন করিয়েছে, এনআইএ, সিট তদন্তে বাধা দিয়েছে। আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি কথা দিতে পারি, বিচার হবে, খুনিরা শাস্তি পাবে।”

    রাম নবমী নিয়ে মমতাকে তোপ

    এদিকে রাম নবমী প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছে ১৭ তারিখ দাঙ্গা ডে। এই রকম একটা জালি হিন্দুর পক্ষে এই ধরনের কথা বলা সম্ভব। গোটা ভারতবর্ষে ২২ শে জানুয়ারি রামমন্দির উদ্বোধনের দিন এমনকী বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীরাও ছুটি দিতে বাধ্য হয়েছেন। আর উনি পাল্টা মিছিল করেছেন। জনগণ সব দেখছে। এগুলো করছেন সংখ্যালঘু ভোটকে নিজের কাছে আনার জন্য। আর শাহজাহান, আরাবুল, শওকত মোল্লা, গোলাম রব্বানীদের সৃষ্টি করার জন্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: ৪০ ওভারে প্রায় ৫৫০ রান! আইপিএলে রেকর্ড রান তুলে জয় হায়দরাবাদের, হার বেঙ্গালুরুর

    IPL 2024: ৪০ ওভারে প্রায় ৫৫০ রান! আইপিএলে রেকর্ড রান তুলে জয় হায়দরাবাদের, হার বেঙ্গালুরুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চরিত্র বদলাচ্ছে ২২ গজের। দশ বছর আগেও টেস্ট ক্রিকেটে ২দিন ব্যাট করে সাড়ে পাঁচশো রান তুলত কোনও দল। এখন ঝোড়ো ক্রিকেটের যুগে ৪০ ওভারে প্রায় ৫৫০ রান উঠল! সোমবার চলতি আইপিএল-এ (IPL 2024) হায়দরাবাদ বনাম বেঙ্গালুরুর ম্যাচে রানের বন্যা বয়ে গেলো। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (RCB vs SRH)  তোলা রেকর্ড ২৮৭ রানের জবাবে বেঙ্গালুরুর ইনিংস শেষ হল ৭ উইকেটে ২৬২ রানে। সেটাও রেকর্ড। খেলা কোথায় যাচ্ছে। খুব দেরি নেই, যখন টি-২০ ম্যাচের একটি ইনিংসে ৩০০ রান এবং একদিনের ম্যাচে ৫০০ রান উঠবে, ম্যাচ শেষে এমনই অভিমত ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের।

    রানের বন্যা

    আইপিএলে (IPL 2024) ফের রেকর্ড রান তুলল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ২৫ রানে হারাল আরসিবিকে। এদিন ট্র্যাভিস হেডের ১০২ ও হেনরিখ ক্লাসেনের ৬৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করেই আইপিএলের সর্বকালের সর্বোচ্চ ২৮৭ রান তুলেছিল সানরাইজার্স। নিজেদের তিন ম্যাচে আগে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ২৭৭ রান তুলে যে রেকর্ড গড়েছিল সানরাইজার্স, তা কামিন্সরা নিজেরাই ভেঙে ফেলেন।  চিন্নাস্বামী ফের দেখল ব্যাটারদের তাণ্ডব কাকে বলে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ম্যাচে দুই দল ৪০ ওভারে করল ৫৪৯ রান। যা আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা রেকর্ড। তবে শেষ হাসি হাসল কামিন্সরাই। এই নিয়ে আইপিএলের সাতটি ম্যাচ খেলে ছ’টিতেই হারল বেঙ্গালুরু। দীনেশ কার্তিকের লড়াইও বেঙ্গালুরুর হার বাঁচাতে পারল না। অন্য দিকে, ছ’টি ম্যাচ খেলে চারটিতে জয় পেল হায়দরাবাদ।

    লড়াই বেঙ্গালুরুর

    বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আগ্রাসী মেজাজে শুরু করেন কোহলিরাও (RCB vs SRH)। কিন্তু ধারাবাহিক ভাবে উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছতে পারলেন না তাঁরা। ওপেন করতে নেমে কোহলি করলেন ২০ বলে ৪২। ৬টি চার এবং ২টি ছয় মারলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। অপর ওপেনার ডুপ্লেসি ছিলেন বেশি আগ্রাসী। তাঁর ব্যাট থেকে এল ২৮ বলে ৬২ রানের ইনিংস। বেঙ্গালুরু অধিনায়ক নিজের ইনিংস সাজালেন ৭টি চার এবং ৪টি ছক্কা দিয়ে। শুরুর ভালটা ধরে রাখতে পারলেন না বেঙ্গালুরুর পরের ব্যাটারেরা। পর পর আউট হলেন উইল জ্যাকস (৭), রজত পাটীদার (৯) এবং সৌরভ চৌহান (শূন্য)। ফলে বিনা উইকেটে ৮০ থেকে ৫ উইকেটে ১২২ হয়ে যায় বেঙ্গালুরু। এই চাপ আর সামলাতে পারেনি ডুপ্লেসির দল। শেষ দিকে ব্যাট হাতে লড়াই করলেন কার্তিক। কিন্তু উইকেটের অন্য প্রান্তে সঙ্গীর অভাবে দলকে জয়ের চৌকাঠ পার করে দিতে পারলেন না। ২৩ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত কার্তিকের ব্যাট থেকে এল ৩৫ বলে ৮৩ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস। মারলেন ৫টি চার এবং ৭টি ছক্কা। রানের ফোয়ারার মাঝেও তিন উইকেট নিয়ে বল হাতে বেশ প্রভাবিত করলেন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনের পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে, হিংসা রুখতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনের পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে, হিংসা রুখতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট (Lok Sabha Election 2024) চলাকালীন ও পরবর্তী সময়ে হিংসা ঠেকাতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে একগুচ্ছ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সেই মতোই কাজ চলছে। কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, ভোট পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফার মতো নির্বাচনের দ্বিতীয় দফাতেও ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। প্রয়োজনে আরও বাহিনী আনা হবে।

    ভোট পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    আগামী শুক্রবার প্রথম দফায় আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি— রাজ্যের এই তিন আসনে ভোটগ্রহণ (Lok Sabha Election 2024)। কমিশন সূত্রে খবর, ভোট পরবর্তী হিংসা ঠেকাতে ওই তিন কেন্দ্রে দু’কোম্পানি করে মোট ৬ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন থাকবে। দু’কোম্পানির মধ্যে এক কোম্পানি করে বাহিনী স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হবে। ভোট পরবর্তী সময়ে যাতে প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করবে আর এক কোম্পানি বাহিনী। দ্বিতীয় দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে সোমবার বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতর। সেখানেই কমিশনের তরফে এই কথা জানানো হয়েছে।

     ১০০ শতাংশ বুথে বাহিনী

    কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় দফাতেও ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। দ্বিতীয় দফায় ২৬ এপ্রিল ভোট (Lok Sabha Election 2024) নেওয়া হবে রায়গঞ্জ, বালুরঘাট ও দার্জিলিং আসনে। কমিশন সূত্রের খবর, দক্ষিণ দিনাজপুর ৭৩ কোম্পানি ফোর্স থাকবে। একইভাবে রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৬০ কোম্পানি, ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৫১ কোম্পানি, দার্জিলিং পুলিশ  জেলায় ৫১ কোম্পানি, শিলিগুড়ি পুলিশ  জেলায় ২১ কোম্পানি এবং কালিম্পং পুলিশ জেলায় ১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। মোট ২৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে দ্বিতীয় দফা ভোটের পাহারায়।

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্রে’ করা হয়েছে কোন কোন সঙ্কল্প, জানেন?

    আরও ফোর্স আসছে

    ইতিমধ্যেই প্রথম দফার আগে রাজ্যে এসেছে পৌঁছেছে ২৭৭ কোম্পানি। যার মধ্যে ২৬৩ কোম্পানি ব্যবহার করা হবে প্রথম দফায়। সংশ্লিষ্ট তিনটি কেন্দ্রে বাহিনীর রুটমার্চও শুরু হয়ে গেছে। দ্বিতীয় দফার জন্য রাজ্যে আরও অতিরিক্ত ২২ কোম্পানি ফোর্স আসছে। এর মধ্যে ৯ কোম্পানি আসবে সিকিম থেকে এবং ১৩ কোম্পানি আসবে মেঘালয় থেকে। কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত ২২ কোম্পানি ফোর্স আসার ফলে রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে মোট বাহিনীর সংখ্যা দাঁড়াবে ২৯৯ কোম্পানি। এর মধ্যে সরাসরি বুথ পাহারায় ব্যবহার করা হবে ২৭২ কোম্পানি। বাকি ২৭ কোম্পানির মধ্যে ৬ কোম্পানি ফোর্স থাকবে স্ট্রং রুম এবং পোস্ট পোল ভায়োলেন্স সামলাতে। বাকি ২১ কোম্পানি তৃতীয় দফার বিভিন্ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

    চার জেলায় বাহিনী নেই

    প্রথম দফা পর্যন্ত রাজ্যের চার জেলায় আপাতত কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখছে না নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ওই জেলাগুলিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে থাকবে রাজ্য পুলিশ। কমিশন সূত্রে খবর, আপাতত প্রথম দফার ভোটের আগে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া- এই চার জেলায় কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হচ্ছে না। সেইসব বাহিনীকে অন্যত্র সরানো হচ্ছে। কমিশনের যুক্তি, ওই জেলাগুলিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী আগেই রুটমার্চ করেছে। তাই তাদের অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যেহেতু একসঙ্গে বহু বুথে ভোট। ফলে সব মিলিয়ে হিসাব করেই বাহিনী রাখা হচ্ছে। আর ওই জেলাগুলিতে ভোটও দেরি আছে, তাই এই সিদ্ধান্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share