Tag: Madhyom

Madhyom

  • Khardah: সৌগতর সভায় গরহাজির নেতারা! ভোটের মুখে খড়দায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে

    Khardah: সৌগতর সভায় গরহাজির নেতারা! ভোটের মুখে খড়দায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দমদম লোকসভার খড়দা (Khardah) বিধানসভা এলাকায় নির্বাচনী রণকৌশলের থেকে খড়দার গোষ্ঠী কোন্দল মেটানো এখন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে মস্তবড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূলত খড়দার ক্ষেত্রে লড়াইটা এবার যত না বেশী বিজেপি ও সিপিএমের সঙ্গে, তার থেকেও বেশি তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূলের! আর এটাই এখন তৃণমূলের প্রার্থীর কাছে মস্তবড় মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করতেই ব্যস্ত (Khardah)

    দমদম লোকসভা কেন্দ্রের অধীন খড়দায় (Khardah) দলের কোন্দল মেটা তো দূরে থাক, উল্টে যত দিন যাচ্ছে তত বেআব্রু হচ্ছে কোন্দল। সিপিএম প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী এবং বিজেপির শীলভদ্র দত্ত যখন খড়দহে চুটিয়ে প্রচার সারছেন তখন তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করতেই ব্যস্ত। দলীয় প্রার্থী সৌগত রায়কে নিয়ে কে কোথায় প্রচার করবেন, দেশের সরকার নির্বাচনে খড়দায় প্রচারের রণকৌশল কী হবে সেদিকে যেন কোনও ভ্রুক্ষেপই নেই স্থানীয় স্তরের নেতা কর্মীদের একটা বড় অংশের। প্রার্থী হিসেবে সৌগত রায়ের ভূমিকা কি, কি ই বা ভূমিকা স্থানীয় বিধায়ক তথা কৃষি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন দলেরই একাংশ। দিন কয়েক আগে রহড়া বাজারে দলীয় একটি সভায় স্থানীয় এক নেতার সঙ্গে মঞ্চে বিতর্কে জড়ান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    সৌগত রায়ের সভায় গরহাজির একাধিক নেতা

    কিছুদিন আগে ব্যবসায়ীকে তোলা চেয়ে মারধরের ঘটনায় প্রকাশ্যে আসে তৃণমূলের কোন্দল। সেখানে একপক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল। তারও কয়েক মাস আগে খড়দহ গ্রামীণ এলাকায় দুপক্ষ নিজেদের মধ্যে প্রকাশ্যে মারপিটে জড়িয়ে পড়েছিল। অন্যদিকে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারের একটি হোটেল মালিকের কাছে তোলা চেয়ে না পেয়ে সেখানে ঢুকে মারপিট এবং ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল স্থানীয় তৃণমূলের এক নেতার ভাই ও তার দলবলের বিরুদ্ধে। সেটিতেও প্রতিবাদের সুর শোনা গিয়েছিল শোভনদেবের গলায়। পরিস্থিতি যা তাতে খড়দা (Khardah) শহর এবং গ্রামীণ উভয় এলাকাতেই তৃণমূলের প্রতিপক্ষ এখন তৃণমূলই। মিটিং মিছিল থেকে দলীয় সভায় লোক হাজির করাতে গিয়ে কার্যত হিমশিম অবস্থা! রবিবার খড়দহ রবীন্দ্রভবনে দলের প্রার্থী সৌগত রায়ের সমর্থনে একটি কর্মী সভার আয়োজন করা হয়েছিল। যার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেখানেও দলের কতিপায় কাউন্সিলর যেমন গরহাজির ছিলেন, তেমনি গ্রামীণ এলাকার কয়েকজন নেতাকেও সেখানে দেখা যায়নি।

    কী বললেন সৌগত?

    গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করে নিয়ে  সৌগত রায় বলেন, ‘ কারও কারও অভিযোগ আছে। ইতিমধ্যেই দু তিন বার তাদের নিয়ে বসেছি এবং অনুরোধ করেছি। রবিবারের মিটিংয়েও কেউ কেউ অনুপস্থিত ছিল। আবার ওদের সঙ্গে বসবো এবং ওদের বোঝাবো নির্বাচনটা একটা আলাদা প্রেক্ষিত। এখানে ব্যক্তির কোনও বিষয় নেই, দলের বিষয় থাকে’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Commercial Gas: ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমাল কেন্দ্র, জানেন কোথায় দাম কত?

    Commercial Gas: ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমাল কেন্দ্র, জানেন কোথায় দাম কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রান্নার গ্যাসের (Commercial Gas) পর বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও কমাল কেন্দ্র। দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি বাণিজ্যিক এবং এফটিএল গ্যাসের মূল্য হ্রাসের কথা জানিয়েছে। ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস এবং পাঁচ কেজির ফ্রি-ট্রেড এলপিজি (এফটিএল) সিলিন্ডারের দাম (Gas Cylinder Price) কমানো হয়েছে। কলকাতায় বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম কমেছে ৩২ টাকা।

    কোথায় কত দাম কমল

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাসের (Commercial Gas) দাম সিলিন্ডার প্রতি ৩০.৫০ টাকা কমানো হয়েছে। এ ছাড়া, পাঁচ কেজির এফটিএল সিলিন্ডারের দামও আগের চেয়ে সাড়ে ৭ টাকা কমানো হয়েছে। সোমবার দিল্লিতে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম হয়েছে ১,৭৬৪.৫০ টাকা। মার্চ মাসে এই গ্যাসের দাম দিল্লিতে ছিল ১,৭৯৫ টাকা। দাম কমার ফলে কলকাতায় এখন ১৯ কেজি বাণিজ্যিক গ্যাসের একটি সিলিন্ডারের দাম ১,৮৭৯ টাকা। মার্চে যা ছিল ১,৯১১ টাকা। মুম্বইয়ে ওই সিলিন্ডার মিলছে ১,৭১৭.৫০ টাকায়। মার্চে তার দাম ছিল ১,৭৪৯ টাকা। চেন্নাইতে বাণিজ্যিক গ্যাসের একটি সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ১,৯৩০ টাকা। মার্চে দাম ছিল ১,৯৬০ টাকা।

    আরও পড়ুন: আরও এক বছর সস্তায় মিলবে গ্যাস, ভর্তুকি কত জানেন?

    কোথায় প্রভাব পড়বে

    বাণিজ্যিক এলপিজি (Commercial Gas) ব্যবহার করা হয় হোটেল, রেস্তোরাঁয়। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম (Gas Cylinder Price) কমলে এর প্রভাব সরাসরি মধ্যবিত্তের রান্নাঘরে না পড়লেও কমতে হোটেলে খাবার খরচ। গ্যাসের দাম বাড়লে বা কমলে ছোট ছোট হোটেল রেস্তোরাঁগুলিও তাদের খাবারের দাম অল্প বিস্তর বাড়ায় বাকমায়। শেষ বার বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমেছিল গত জানুয়ারি মাসে। ৩৯.৫০ টাকা দাম কমানো হয়েছিল। ভারত পেট্রোলিয়াম, হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়ামের মতো রাষ্ট্রীয় তৈল সংস্থাগুলি প্রতি মাসের প্রথম দিন আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে হিসাব করে দেশে গ্যাসের দাম হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “যাঁরা এটা নিয়ে নাচানাচি করছেন, তাঁদের পস্তাতে হবে”, কাকে খোঁচা মোদির?

    PM Modi: “যাঁরা এটা নিয়ে নাচানাচি করছেন, তাঁদের পস্তাতে হবে”, কাকে খোঁচা মোদির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাঁরা এটা নিয়ে নাচানাচি করছেন এবং অহংকার করছেন, শীঘ্রই তাঁদের পস্তাতে হবে।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ইলেক্টোরাল বন্ড সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রকাশ করেছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। তাতে যা তথ্য প্রাকাশ্যে এসেছে, তা নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। এদিনের সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে বিরোধীদের তাক করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমি কখনওই নির্বাচনে লড়ার কথা ভাবিনি। এটা আমার জীবনে হঠাৎ করেই ঘটেছে। আমি বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। সেই জন্যই আজ বলতে পারছি, কে, কাকে কত টাকা দিয়েছে এবং কীভাবে দিয়েছে। তা না হলে জানাই যেত না।” তিনি বলেন, “কোনও সিস্টেমই নিখুঁত হতে পারে না। কিছু ঘাটতি থাকতেই পারে। কিন্তু সেই ত্রুটিগুলি দূর করা যায়।”

    ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই থামবে না’

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে তাঁর লড়াই থামছে না, এদিনের সাক্ষাৎকারে তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ইডি একটি স্বাধীন সংস্থা, স্বাধীনভাবে কাজ করছে। আমরা তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করি না। ইডিতে প্রায় সাত হাজার মামলা রয়েছে। এর মধ্যে রাজনীতিবিদদের সংক্রান্ত মামলা তিন শতাংশেরও কম।” তাঁর প্রশ্ন, “আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই কি ইডি গঠন করা হয়েছিল?”

    আরও পড়ুুন: আরও এক বছর সস্তায় মিলবে গ্যাস, ভর্তুকি কত জানেন?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারের আমলে ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এজেন্সিগুলির কার্যক্রম ফাঁস হয়ে যাচ্ছে না। তাই এসব প্রকাশ্যে আসছে। রাশি রাশি নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওয়াশিং মেশিনের ভিতরে রাখা নগদ টাকাও উদ্ধার করা হচ্ছে। টাকা থাকছে জলের পাইপ, বিছানার নীচে। কংগ্রেসের এক সাংসদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। বাংলায় নেতা-মন্ত্রীদের কাছ থেকেও বাজেয়াপ্ত হয়েছে নগদ টাকা। আমার মনে হয় না এ দেশের মানুষ এসব সহ্য করতে প্রস্তুত।” তিনি (PM Modi) বলেন, “বাংলায় আমরা প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছি। এটা কার টাকা? এই টাকা গরিবদের ফেরত দেওয়া যায় কিনা, তা দেখছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে মোদির লড়াই থামবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Singur: সিঙ্গুরের তৃণমূলে বিরাট ধস! ২০০ জন কর্মী লকেটের হাত ধরে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Singur: সিঙ্গুরের তৃণমূলে বিরাট ধস! ২০০ জন কর্মী লকেটের হাত ধরে যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের প্রচারের আবহেই হুগলিতে তৃণমূলে বিরাট ভাঙন। রবিবার সিঙ্গুরে (Singur) তৃণমূলনেত্রী প্রতিমা দাস এবং তাঁর অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে পদ্মশিবিরে পতাকা নিয়ে তৃণমূলকে উৎখাত করার হুঙ্কার দেন প্রতিমা। অবশ্য এই ঘটনায় তৃণমূল খুব একটা চিন্তিত নয় বলে জানিয়েছে জেলা তৃণমূল।

    পশ্চিম বারুইপাড়ায় যোগদান মেলা (Singur)

    গতকাল রবিবার সিঙ্গুরের (Singur) পশ্চিম বারুইপাড়া এলাকায় বিজেপির তরফ থেকে আয়োজিত যোগদান মেলায় তৃণমূল থেকে আগত কর্মীদের বিজেপির পদ্ম আঁকা পতাকা তুলে দেন লকেট। সদ্য বিজেপিতে যোগদান করা তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে প্রতিমা হলেন সিঙ্গর পঞ্চায়েত সমিতির দুই বারের প্রাক্তন সভাপতি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বারুইপাড়া পলতাগড় এলাকার তৃণমূল কর্মী প্রদীপ দাস, শুকদেব দাস, রূপশ্রী পাত্র-সহ আরও অনেকে যোগদান করলেন। ওই দিন যোগদান পর্বের আগে পশ্চিম বারুইপাড়া এলাকার কালীমন্দিরে পুজো দেন বিজেপি প্রার্থী লকেট।

    কী বললেন লকেট?

    হুগলি (Singur) লোকসভার বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আজ প্রায় ২০০ জন তৃণমূল কর্মী এবং সিপিএম কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন। প্রত্যেকেই নরেন্দ্র মোদির কাজে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিজেপিতে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। এই যোগদানে মহিলাদের একটা বড় সংখ্যা ছিল। সংগঠন আরও শক্তিশালী হল। তৃণমূলের দুর্নীতি মানুষের মনে জাগরণ ঘটিয়েছে।”

    প্রতিমার বক্তব্য

    বিজেপিতে যোগদান করে প্রতিমা এদিন বলেন, “তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্থ তৃণমূলকে উৎখাত করতে হবে। সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচার, বগটুইয়ের গণহত্যা সব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আজ আমি বিজেপিতে যুক্ত হয়েছি। তৃণমূলে থাকার সময়েও আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। কিন্তু এই লড়াইয়ে একা ছিলাম। সুশাসনের কামনায় বিজেপিতে যোগদান করলাম।” তবে এই প্রতিমা সিঙ্গুরের (Singur) মাস্টারমশাই রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের অনুগামী ছিলেন। প্রতিমা ২০১৮ সাল পর্যন্ত সমিতির সভাপতি এবং ২০১৮ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত সহকারী সভাপতি ছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার সইফুদ্দিনের গোপান জবানবন্দি নিতে কোর্টে আবেদন সিবিআই-এর

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বিজেপির এই যোগদান সভাকে ঘিরে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সিঙ্গুর (Singur) ব্লক সভাপতি আনন্দমোহন ঘোষ বলেন, “প্রতিমা আগে দলে থাকেলও সম্প্রতি তাঁর কাজ দলে সক্রিয়তা ছিল না। সেই জন্য দল গতবারের পঞ্চায়েতে টিকিট দেয়নি। ফলে তাঁর না থাকা তৃণমূলে কোনও প্রভাব ফেলবেনা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রাম নবমীর ছুটি দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ সুকান্তর, হল যোগদানপর্ব

    Sukanta Majumdar: রাম নবমীর ছুটি দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ সুকান্তর, হল যোগদানপর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন যিনি জয় শ্রীরাম ডাক শুনতে পারতেন না, তিনি এখন রামনবমী ছুটি দিয়েছেন। কথায় বলে ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। এভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনওদিনই পূরণ হবে না, হতে পারে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। বালুরঘাটের জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের ফতেপুর এলাকায় নির্বাচনী জনসভায় এসে এইভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি।  

    তৃণমূল ছেড়ে প্রায় আড়াইশো জন কর্মীর বিজেপিতে যোগদান (Sukanta Majumdar)

    এদিনের নির্বাচনী প্রচার সভায় আরএসপি-র পঞ্চায়েত সদস্য ও তৃণমূলের প্রায় আড়াইশো জন কর্মী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। মূলত, এদিন বালুরঘাট ব্লকের জলঘর গ্রামপঞ্চায়েতের ফতেপুর এলাকায় একটি যোগদান কর্মসূচি ও একটি সভার আয়োজন করা হয়। সেই সভাতে প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, তৃণমূলের থেকে কর্মীদের মোহভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে, এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। ভোটের মুখে দলে দলে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক আমাদের দলে নাম লেখাচ্ছেন। এতে আমাদের সংগঠন আরও অনেক মজবুত হল। আগামীদিনেও আরও বহু তৃণমূল কর্মী আমাদের দলে যোগদান করবেন। মানুষ তিতি বিরক্ত। তৃণমূলের মতো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের সঙ্গে কেউ আর থাকতে চাইছে না।

    আরও পড়ুন: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) এই কটাক্ষককে উড়িয়ে দিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন , সুকান্তবাবু শিক্ষিত অধ্যাপক, তিনি মুখ্যমন্ত্রী প্রসঙ্গে যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন তা কাম্য নয়। পাশাপাশি বাম পঞ্চায়েত সদস্যের বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বামেরা বিজেপিকে সাহায্য করছে, তা জানি। তবে, যত সংখ্যা বলছেন, তত সংখ্যায় যোগদান করেনি। মাত্র কয়েকজন যোগদান করেছেন। তৃণমূল থেকে কেউ যোগদান করেনি। ওরা মিথ্যা দাবি করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: পন্থের অর্ধশতরান, শেষ বলে ছয় ধোনির! চেন্নাইয়ের হারে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে কলকাতা

    IPL 2024: পন্থের অর্ধশতরান, শেষ বলে ছয় ধোনির! চেন্নাইয়ের হারে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঠে নামলে গ্যালারি তাঁর। রবিবারও ব্যতিক্রম ঘটেনি। বিশাখাপত্তনমের গ্যালারির রঙ ছিল হলুদ। জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনের ট্যাগ লাইনে আইপিএলে (IPL 2024) দল আগে হলেও, যখন ধোনি খেলতে নামেন তখন আপামর ভারতবাসী তাঁর জন্যই গলা ফাটান।  সোনালি চুলের রাজপুত্রকে ব্যাট হাতে দেখার আকুল প্রার্থনা। এদিনও ব্যাট চলল ধোনির। কিন্তু জয় এল না চেন্নাইয়ের। দিল্লির কাছে ২০ রানে হেরে আইপিএল পয়েন্ট টেবিলে দুই নম্বরে নেমে এল ধোনির (MS Dhoni) চেন্নাই। নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে উঠে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

    চেন্নাইয়ের হারে সুবিধা কলকাতার

    দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে চেন্নাই সুপার কিংস হারায় লাভ হল কলকাতা নাইট রাইডার্সের। আইপিএলের (IPL 2024) পয়েন্ট তালিকায় সবার উপরে উঠে এল তারা। রবিবারের দিল্লি-চেন্নাই ম্যাচের পরে কেকেআরের পয়েন্ট ২ ম্যাচে ৪। শ্রেয়স আয়ারদের নেট রানরেটও সব থেকে বেশি (১.০৪৭)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চেন্নাই। ৩ ম্যাচে ধোনিদের পয়েন্টও ৪। তবে তাদের নেট রানরেট (০.৯৭৬) কলকাতার থেকে কম। তিন নম্বরে থাকা রাজস্থান রয়্যালস ও চার নম্বরে থাকা গুজরাট টাইটান্সের পয়েন্টও ৪। রাজস্থান খেলেছে ২টি ম্যাচ। গুজরাট ৩টি। পয়েন্ট তালিকার একেবারে শেষে রয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ২ ম্যাচ খেলে ২টিতেই হেরেছেন হার্দিকরা। আইপিএলে প্রথম ম্যাচ জিতে পয়েন্ট তালিকায় খাতা খুলল দিল্লি। ৩ ম্যাচ খেলে ২ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে দিল্লি ক্যাপিটালস। 

    মাহিময় গ্যালারি, পন্থের অর্ধশতরান

    যেখানে খেলতে নামছেন, সেটাই যে তাঁর ঘরের মাঠ হয়ে যায়। গত বার আইপিএলে (IPL 2024) খুব পরিচিত দৃশ্য ছিল ধোনির ম্যাচ মানেই চেন্নাইয়ের জার্সি ভর্তি গ্যালারিতে। সঙ্গে পতাকাও। সে কলকাতা, জয়পুর, দিল্লি, যেখানেই খেলা হোক না কেন। রবিবার সেই দৃশ্য আবার ফিরল বিশাখাপত্তনমে। ভারতকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, এক দিনের বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতিয়েছেন ধোনি। তাই তাঁকে নিয়ে আবেগ তো চির পরিচিত। ২০১৯ সালে ভারতের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলা ধোনিকে (MS Dhoni) এখনও দেশের সব মাঠে দর্শক বরণ করে নেয় আবেগ দিয়ে। রবিবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে সমর্থন চেন্নাই পেলেও এদিন ম্যাচ জিতে নিল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির তোলা ১৯১ রানের জবাবে ধোনির চেন্নাই থেমে গেল ১৭১ রানে। দুর্ঘটনার পর খেলতে নেমে ফের স্বপ্রতিভভ ঋষভ পন্থ। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ৩২ বলে ৫১ রান করেন পন্থ। তিনটি ছক্কা এবং চারটি চার মারেন তিনি।

    জয়ী গুজরাট

    ফের জয়ে ফিরল গুজরাট টাইটান্স। ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচ জিতেছিল তারা। দ্বিতীয় ম্যাচে চেন্নাইয়ের মাটিতে গিয়ে হারতে হয়েছিল। তৃতীয় ম্যাচে আবার ঘরের মাঠে ফিরতেই জয়ে ফিরল শুভমন গিলের দল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে সহজেই ৭ উইকেটে হারাল গুজরাট। ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬২ রান করে হায়দরাবাদ। গুজরাটের বোলারদের মধ্যে সব থেকে সফল মোহিত। ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তিনি। ওমরজাই, উমেশ, রশিদ ও নুর ১টি করে উইকেট নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ujjwala Gas Yojana: আরও এক বছর সস্তায় মিলবে গ্যাস, ভর্তুকি কত জানেন?

    Ujjwala Gas Yojana: আরও এক বছর সস্তায় মিলবে গ্যাস, ভর্তুকি কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাল ফিরছে দেশের অর্থনীতির। অবস্থার উন্নতি হচ্ছে আমজনতার। তাদের আর্থিক স্বাস্থ্য যাতে আরও পোক্ত হয়, তাই আরও এক বছরের জন্য ভর্তুকি বাড়ানো হল এলপিজি সিলিন্ডারে (Ujjwala Gas Yojana)। ১ এপ্রিল থেকে আগামী এক বছর এলপিজি সিলিন্ডার পিছু ভর্তুকি মিলবে ৩০০ টাকা করে।

    মোদি সরকারের উদ্যোগ (Ujjwala Gas Yojana)

    পরিবেশ দূষণ রুখতে এবং হেঁশেলে থাকা মহিলাদের ধোঁয়ার হাত থেকে রেহাই দিতে ঘরে ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। এই প্রকল্পের পোশাকি নাম উজ্জ্বলা যোজনা। এই প্রকল্পে ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারে ভর্তুকি দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। বছরে ১২টি সিলিন্ডারে ওই ভর্তুকি মেলে। ভর্তুকির টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই জমা পড়ে। উজ্জ্বলা যোজনার (Ujjwala Gas Yojana) মেয়াদ ছিল ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

    বাড়ল ভর্তুকির পরিমাণ

    মার্চ মাসের শুরুতেই কেন্দ্রের অর্থনৈতিক বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হয় ভর্তুকি বৃদ্ধির কথা। জানিয়ে দেওয়া হয়, সিলিন্ডার পিছু ভর্তুকি মিলবে ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। গত অক্টোবর মাসেই কেন্দ্রের তরফে ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারে ভর্তুকির পরিমাণ ২০০ থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, এক বছরে এই প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির ফলে সরকারের কোষাগার থেকে মোট ব্যয় হবে ১২ হাজার কোটি টাকা।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীতে কী হবে? কী বলছেন অযোধ্যার রাম মন্দির কর্তৃপক্ষ?

    দেশের দরিদ্র পরিবারের মহিলারাও যাতে গ্যাসে রান্নার সুবিধা ভোগ করতে পারেন, তাই ২০১৬ সালের মে মাসে উজ্জ্বলা যোজনার সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০২৪ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত এই প্রকল্পে সংযোগ পেয়েছেন ১০.২৭ কোটিরও বেশি মানুষ।

    ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। এই উপলক্ষে কেন্দ্র দাম কমিয়েছিল এলপিজি সিলিন্ডারের। সিলিন্ডার পিছু দাম কমানো হয়েছে ১০০ টাকা করে। দিল্লিতে সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ৮০৩ টাকা। কলকাতায় সিলিন্ডার মিলছে ৮২৯ টাকায়। মুম্বই ও চেন্নাইতে সিলিন্ডার মিলছে যথাক্রমে ৮০২ টাকা ও ৮১৮ টাকায় (Ujjwala Gas Yojana)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    Jalpaiguri: “গাছ-বাঁশঝাড়, বাড়ি-ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে, এরকম ঝড় দেখিনি”, বললেন ক্ষতিগ্রস্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখের সামনে দেখলাম, ধুলোয় ধুলোয় এলাকা ঢেকে গেল, চোখের সামনেটা অন্ধকার হয়ে এল। মূহূর্তের মধ্যে ঘরের বাড়ির আশপাশের বড় বড় গাছ, সুপারি গাছ ভাঙতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যে বাড়ি ও আশপাশের সব গাছ ভেঙে যাচ্ছে, দেখতে পাচ্ছি। ঝড়ের তান্ডবের পর জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ির বার্ণিশ গ্রামের বাসিন্দারা তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা বলছিলেন।

    হাওয়ার দাপটে ঘরের চাল উড়ে গেল (Jalpaiguri)

    গ্রামের (Jalpaiguri) এক বাসিন্দা ঘটনার সময় মাঠে ছিলেন। তিনি বলেন, প্রথমে হালকা হাওয়া হচ্ছিল। মাঠের গরু-ছাগল সব বাড়িতে নিয়ে এসেছিলাম। আচমকাই প্রচণ্ড হাওয়া সঙ্গে ধুলো উড়ছিল আশপাশে। এ রকম হাওয়া আগে কোনও দিন দেখিনি। শুধু কি হাওয়া! সঙ্গে বিকট শব্দ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, পাহাড় ভেঙে যেন আমাদের দিকে তেড়ে আসছে। বৃষ্টি হচ্ছিল না, শুধু প্রচণ্ড হাওয়া বইছিল। মানে, যেন উড়িয়ে নিয়ে যাবে! বেশ ভয় হচ্ছিল তখন।  নিজের ঘরে আশ্রয় নিয়েও পার পেলাম না। ঘরের টিনের চালের উপরে ভেঙে পড়ল পাশের একটা বড় গাছের ডাল। এর পরে ঘরের সব টিন উড়ে গেল। সে কী শব্দ! আমার মাথায় ও ঘাড়ে ঘরের একাংশ ভেঙে পড়ল। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছি বলতে পারেন। প্রায় কুড়ি মিনিটের মধ্যে ঘর-বাড়ি সব ভেঙে গেল চোখের সামনে।

    আরও পড়ুন: জলপাইগুড়ির ঝড়ে নিহতদের প্রতি শোক বার্তা মোদির, বিজেপিকে পাশে থাকার পরামর্শ

    প্রাণ বাঁচাতে খাটের তলায় আশ্রয় নিই

    বার্ণিশ অঞ্চলের বাসিন্দা ভবেন রায় কোনোক্রমে প্রাণে রক্ষা পান। তিনি বলেন, তখন বিকেল সাড়ে তিনটা, দুপুরের আহার সেরে একটু বিশ্রাম নিয়ে মাঠে  যাবেন বলে বাড়ি থেকে বেড় হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই প্রবল জোড়ে  আওয়াজ শুনতে পাই। প্রথমে বুঝতে পারিনি। কিন্তু নিমেশেই বুঝতে পারি ঝড় আসছে। গোটা এলাকা অন্ধকার করে দিয়ে এলাকার গাছ, বাঁশ ঝাড় বাড়ি ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ঝড়ের গতি দেখেই হতচকিত হয়ে পড়ি। সম্বিত ফিরে পেতেই বাঁচার জন্য ফের বাড়িতে ঢুকে পড়ি। কিন্তু তাতেই নিস্তার পাইনি প্রকৃতির রোষ থেকে। ঝড়ের তান্ডবে আমার বাড়ির একটি গাছ ভেঙ্গে পড়ে ঘরের ওপর। প্রাণ বাঁচাতে ঘরে ঢুকে খাটের তলায় আশ্রয় নিই। কিন্তু তাতেও রক্ষা পাইনি। গাছ পড়ায় বেশ আহত হয়েছি। ঝড় থামার পর যখন বাইরে বের হই তখন সব শেষ। গোটা এলাকা তখন চিনতে পারছি না। এলাকার ঘর বাড়ি গুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। কোনো বাড়ি ঘর আস্ত নেই। কারো বাড়ির টিন উড়ে গেছে, কারো বাড়ির দেওয়াল ভেঙ্গে গেছে। রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি উলটে গেছে। আশের পাশের ২০০ ও বেশী বাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। চারিদিকে শুধু আর্তনাদ কেউ গাছের তলায় চাপা পড়েছে কেউ আবার প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। কারও গায়ে আবার চালের টিন উড়ে এসে পড়েছে।

    ঝড়ের দাপটে ধান-ফসলের ক্ষতি হয়েছে

    পনেরো মিনিট ধরে ঝড় হয়। আর তারপরই গ্রাম জুড়ে শুধু চিৎকার-আর্তনাত। কারও মাথায় গাছের ডাল ভেঙে পড়েছ। কেউ আবার ঘরের একাংশ ভেঙে পড়়ায় জখম হয়েছেন। সবমিলিয়ে কে কাকে উদ্ধার করবেন তার লোক পাওয়া যাচ্ছিল না। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধার কার্য শুরু করে। তবে, ঝড়ের তাণ্ডবে জমিতে ধান সব মাটিতে শুয়ে পড়েছে। বেগুন ক্ষেত আর নেই, বিরাট ক্ষতি হয় চাষের জমিতে। ঝড়ের মধ্যেই গ্রামে ছোটাছুটি শুরু হয়ে যায়। চারজনের মৃত্যু হয়েছে। শতাধিক মানুষ জখম হয়েছে। ময়নাগুড়ি হাসপাতালে জখমদের ভিড় উপচে পড়েছে। অনেকের অবস্থার অবনতি হওয়ায় জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: উত্তরবঙ্গে চলবে ঝড়বৃষ্টি! বলছে হাওয়া অফিস, দক্ষিণে কী পূর্বাভাস?

    Weather Update: উত্তরবঙ্গে চলবে ঝড়বৃষ্টি! বলছে হাওয়া অফিস, দক্ষিণে কী পূর্বাভাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ জুড়ে ঝড়বৃষ্টি (Weather Update) চলতেই থাকবে। এমনটাই জানাল হাওয়া অফিস। আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় আরও দু’দিন চলবে বৃষ্টি। সোমবার, ১ এপ্রিলও জলপাইগুড়ি-সহ উত্তরের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। সেই সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া।

    কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া?

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে। মঙ্গলবারও ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি চলতে পারে। তবে মঙ্গলবার বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা কম বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। বুধবার থেকে ফের একবার উত্তরের জেলাগুলিতে শুকনো আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে উত্তরের মালদা, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে সোম বা মঙ্গলবারে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস দেয়নি হাওয়া অফিস।

    দক্ষিণবঙ্গের খবর

    দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে আপাতত কোথাও বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়নি আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী বেশ কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আবহাওয়া (Weather Update) শুকনোই থাকবে। সেই সঙ্গে বাড়তে থাকবে গরমও। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে দুই ডিগ্রি বেশি বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। রবিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা আগামী কয়েক দিনে আরও বেশ খানিকটা বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণবঙ্গে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে তাপমাত্রা। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম-সহ বাংলার পশ্চিমের জেলাগুলিতে চলতি সপ্তাহেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির গণ্ডিও পেরিয়ে যেতে পারে। বাঁকুড়ায় আগামী শনিবারের মধ্যে তাপমাত্রা হতে পারে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    আচমকা ঝড় জলপাইগুড়িতে (Weather Update)

     রবিবারই বিকেলে জলপাইগুড়িতে হঠাৎ ঝড় শুরু হয়ে যায়। মাত্র চার মিনিট স্থায়ী ছিল এই ঝড়। জলপাইগুড়ি শহর, ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে এই ঝড়ের কারণে। পাঁচ জনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। আহতের সংখ্যা শতাধিক পেরিয়েছে। ঝড়ে বহু গাছ উপড়ে গিয়েছে জলপাইগুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকায়। ঘরহীন হয়ে পড়েছেন বহু মানুষ। তাঁদের বাড়িঘর সমস্ত কিছু তছনছ করে দিয়েছে ৪ মিনিটের ঝড়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri Storm: জলপাইগুড়ির ঝড়ে নিহতদের প্রতি শোক বার্তা মোদির, বিজেপিকে পাশে থাকার পরামর্শ

    Jalpaiguri Storm: জলপাইগুড়ির ঝড়ে নিহতদের প্রতি শোক বার্তা মোদির, বিজেপিকে পাশে থাকার পরামর্শ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার হঠাতই ঘূর্ণিঝড়ে (Jalpaiguri Storm) লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে জলপাইগুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা। ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ আহত হয়েছেন দুশোর বেশি মানুষ। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাতকাটা ও ময়নাগুড়ি এলাকার ডেঙ্গুয়াঝাড় চা-বাগান ও ধূপগুড়ি অঞ্চলে। আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন বহু মানুষ। এই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিজেপি নেতা-কর্মীদের দ্রুত বিপদগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। 

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা 

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri Storm) ঘটনার খবর পেয়েই এক্স হ্যান্ডলে মোদি লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি-ময়নাগুড়ি এলাকায় বহু পরিবার ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।” বঙ্গ বিজেপিকে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার এবং ত্রাণকাজে নামার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি লেখেন, “রাজ্যের আধিকারিকদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এই ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ সহায়তা নিশ্চিত করতে বলেছি।” 

    ঝড়ে বিধ্বস্ত জলপাইগুড়ি

    রবিবার বিকেল সাড়ে ৩ টে নাগাদ জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri Storm) ঝড় শুরু হয়। মাত্র ১৫ মিনিটেই জলপাইগুড়ি শহর, ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ির বেশ কিছু এলাকা ঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ময়নাগুড়িতে ৫০০ গ্রাম ওজনের শিল পড়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীদের। ঝড় ও শিলাবৃষ্টির জেরে গাছ চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৫ জনের৷ একাধিক জায়গায় গাছের ডাল ভেঙে রাস্তা বন্ধ হয়ে রয়েছে৷ পুলিশ, দমকল ও পৌরসভার বিপর্যয় মোকাবিলা দল পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে৷ বেশ কয়েকটি ঝুপড়ি ও ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, গাছ উপড়ে এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়ার কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অনেক জায়গায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রাজারহাট, বার্নিশ, বাকালি, জোড়পাকদি, মাধবডাঙ্গা এবং সাপ্তিবাড়ি। কয়েক একর কৃষি জমি এবং ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের পরই রাতে জলপাইগুড়ি যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

    আরও পড়ুন: ইদের আগে ভারত থেকে পেঁয়াজের প্রথম চালান বাংলাদেশে পৌঁছল

    জলপাইগুড়িতে রাজ্যপাল

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও (CV Anand Bose) সোমবার জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri Storm) উদ্দেশে রওনা হয়েছেন৷ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন রাজ্যপাল৷ পাশাপাশি জলপাইগুড়ির পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজভবনে একটি জরুরি সেলও খোলা হয়েছে বলে রাজভবনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন। রাজভবনের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল দিল্লির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন ৷ জলপাইগুড়িকাণ্ডে যাবতীয় সাহায্যের জন্য অনুরোধও করেছেন করেছেন তিনি। উত্তরবঙ্গে আগামী দু’তিন দিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share