Tag: Madhyom

Madhyom

  • Election Commission: ভোটের দিন কি সবেতন ছুটি আপনার প্রাপ্য? কী বলছে কমিশনের আইন?

    Election Commission: ভোটের দিন কি সবেতন ছুটি আপনার প্রাপ্য? কী বলছে কমিশনের আইন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিল মাসের ১৯ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে ১৮তম লোকসভা নির্বাচন। চলতি মাসের ১৬ তারিখ লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সারা দেশে সাত দফায় ভোট হবে দেশে। প্রতিটি দফায় পশ্চিমবঙ্গের কোনও না কোনও আসন থাকবে। ভোট শেষ হবে ১ জুন। ৪ জুন প্রকাশিত হবে লোকসভা ভোটের ফল। সরকারি ও বেসরকারি কর্মচারীরা কি ছুটি পাবেন ভোটের দিনগুলিতে? কী বলছে কমিশন? কী সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য?

    কী বলছে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম?

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেক ভোটারের নিজের কেন্দ্রের ভোটের দিন সবেতন ছুটি প্রাপ্য। ১৯৫১ সালের ‘রিপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপলস অ্যাক্ট’ অনুযায়ী এই ছুটি পেতে পারেন ভোটাররা। এই আইনের ১৩৫বি ধারায় তা উল্লেখও করা রয়েছে। সরকারি, বেসরকারি, আধা সরকারি এবং সমস্ত প্রকারের অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই সবেতন ছুটির কথা বলা রয়েছে সেখানে। শুধু তাই নয়, কর্তৃপক্ষ ছুটি না দিলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে জরিমানাও করা যেতে পারে। লোকসভা নির্বাচন, বিধানসভা নির্বাচন সমেত সমস্ত নির্বাচনের ক্ষেত্রেই এই ছুটি পাবেন ভোটাররা। কোনও ভোটার যদি কর্মসূত্রে অন্য রাজ্যে বাস করেন, সে ক্ষেত্রেও নিজের কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার জন্য তাঁকে সবেতন ছুটি দেওয়া বাধ্যতামূলক। 

    বাংলায় ছুটি ঘোষণা

    প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের দিনগুলিতে ইতিমধ্যে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে নবান্ন। বৃহস্পতিবারই এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি সামনে আসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে (Election Commission)। যে যে কেন্দ্রে যেদিন নির্বাচন রয়েছে সেই কেন্দ্রগুলিতে সেদিন ভোটাররা সবেতন ছুটি পাবেন। ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কেবলমাত্র সরকারি দফতর নয়, বেসরকারি কর্মীদেরও ওই দিনগুলিতে ছুটি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। জানা গিয়েছে, শ্রম দফরের তরফে এ নিয়ে একটি পৃথক বিজ্ঞাপ্তি জারি করা হবে শীঘ্রই।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: সিঙাড়া থেকে হেলিপ্যাড তৈরির খরচ, ভোট প্রচারে রেট বেঁধে দিল কমিশন

    Election Commission: সিঙাড়া থেকে হেলিপ্যাড তৈরির খরচ, ভোট প্রচারে রেট বেঁধে দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও অবাধ করার ঘোষণা কমিশন (Election Commission) আগেই করেছিল। সেই মতো একের পর এক পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে কমিশনকে। এবার ভোটের খরচকে স্বচ্ছ করতে বিভিন্ন রেট বেঁধে দিতে চলেছে কমিশন। এমনটাই জানা গিয়েছে। এবিষয়ে এক কদম এগিয়ে ২৮১টি সামগ্রীর মূল্য বেঁধে দিল যোগী রাজ্যের গৌতম বুদ্ধ নগর জেলা প্রশাসন। তবে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্থানীয় দরকে মাথায় রেখে এই রেট চার্টে সামান্য অদলবদল করেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।  কিন্তু, কেন এমন মূল্য বেঁধে দেওয়ার প্রয়োজন হল?

    কেন এমন সিদ্ধান্ত? 

    গৌতম বুদ্ধ নগরের এক আধিকারিকের কথায়,  “কেউ হিসাবে গরমিল দেখাতে পারবে না। ধরুন কোনও দল ১ হাজার সিঙাড়া বা মিষ্টি বিতরণ করেছে, তখন এর মূল্য এই রেট তালিকার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।” নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নিয়ম অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্বাচনী খরচের জন্য একটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করে রাখতে হবে। প্রচারের প্রতিটি খরচ সেই অ্যাকাউন্ট থেকেই হওয়া বাঞ্ছনীয়। ২০ হাজার টাকার বেশি খরচ করলে তা চেকের মাধ্যমে করতে হবে প্রার্থীদের। এই হিসাবে দেখা যাচ্ছে ২০১৯ সালের তুলনায় ১৮তম লোকসভা নির্বাচন প্রার্থীদের ২০% খরচ বাড়তে চলেছে। কারণ গত পাঁচ বছরে সিঙাড়া থেকে থেকে স্পেশাল থালি, কফি, পোহা, পুরি-সবজি সমেত অন্যান্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে।

    সিঙাড়া, পোহা, পুরি-সবজির রেট বেঁধে দেওয়া হল

    নির্বাচনে কমিশনের (Election Commission) একটি সূত্র জানাচ্ছে, ২০১৯ সালে যে সিঙাড়ার দাম ৮ টাকা ছিল বর্তমানে তা পৌঁছেছে ১০ টাকায়। এইভাবে ১০০ টাকার স্পেশাল থালি ২০২৪ সালে হয়েছে ১৬০ টাকা। পোহার দামও বেড়েছে পাঁচ টাকা। এক কাপ চায়ের দাম ধরা হচ্ছে ১৪ টাকা। পুরি-সবজির দাম ৬০ টাকা, লাঞ্চ প্যাকেট ১২০ টাকা, ভিআইপি লাঞ্চ প্যাকেট ২০০ টাকা, জলের বোতল ২০ টাকা, কোল্ড-ড্রিঙ্কস ১৫ টাকা। একইভাবে, বরফি ২০০ টাকা কিলো, বিস্কুট ১৫০ টাকা কিলো, ব্রেড পকোড়া ১০ টাকা, স্যান্ডউইচ ১৫ টাকা এবং জিলিপি ১৪০ টাকা কিলো ধার্য করেছে কমিশন। 

    ধার্য করা হয়েছে হোটেল, গাড়ি ভাড়ার খরচও

    হোটেলে রুম বুক করলে এসি সিঙ্গেল বেডের ভাড়া ধরা হয়েছে ১,৬৫০ টাকা। আর ডবল বেডে ভাড়া ধরা হয়েছে ২,১০০ টাকা, এসি ছাড়া হোটেল রুমের খরচ ধরা হচ্ছে ৯০০ টাকা। ডাবল বেডে ১,৩০০ টাকা। এর পাশাপাশি, নির্বাচনের প্রচারের (Election Commission) কাজে ব্যবহৃত যানবাহনগুলির খরচাও বেড়েছে। এই যানবাহনগুলির একদিনের ভাড়া আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা হয়েছে। জীপ গাড়ির দর ঘণ্টাপ্রতি ১০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। একইভাবে টেম্পো ৮৫০ টাকা, টাটা সুমো ১২০০ টাকা, ইনোভা ২৭০০ টাকা, স্করপিও ১৫০০ টাকা, ইন্ডিগো, সুইফ্ট এবং বোলেরো ১২০০ টাকা, টাটা সাফারি ১৬০০ টাকা এবং টাভেরা ১৭০০ টাকা। গাড়ি চালকের মজুরি ধরা হয়েছে ৫৪০ টাকা হয়েছে।

    হেলিপ্যাড তৈরির খরচ

    বড় বড় তারকা প্রচারকরা (Election Commission) সাধারণত হেলিকপ্টারে উড়ে প্রচারে আসেন। তাঁদের জন্য নির্মাণ করতে হয় হেলিপ্যাড। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও হেলপ্যাড তৈরিতে খরচ ছিল ১০,০০০ টাকা। ২০২৪ সালে এটা ধরা হয়েছে ১২ হাজার টাকা। এর পাশাপাশি প্যান্ডেল, মঞ্চ, ব্যানার ইত্যাদির খরচও বেশি ধরা হয়েছে আগের থেকে। ড্রোন ক্যামেরার খরচ ১৫ মিনিটের জন্য ১৬ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।

    নেতাদের জন্য গাঁদা-গোলাপ ফুলের মালা

    রেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে ফুলের মালাতেও (Election Commission)। গাঁদা ফুলের মালার এক পিসের দাম ধরা হয়েছে ২৫ টাকা। ফুলের তোড়ার দাম ধার্য করা হয়েছে ১৮০ টাকা। ভিভিআইপি নেতারা মঞ্চে এলে দৈত্যকায় ফুলের মালা ব্যবহার করতে দেখা যায়। এর দাম ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত ধরা হয়েছে। গোলাপ ফুলের বুকের দাম ৪০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। খরচ বেড়েছে প্রজেক্টরেরও। ৪৪ ইঞ্চি এলইডি’র ডিসপ্লে ২০২৪ সালে ৫০০০ টাকা ভাড়া হিসাবে ধরা হচ্ছে প্রতি ১২ ঘণ্টায়। ২০১৯ সালে যা ৩,০০০ টাকা ছিল।

    ঢোল-করতাল থেকে নাচগানের আসরও তালিকায়

    প্রচারে জনসংযোগ বাড়াতে বহু প্রার্থী খোল-করতাল থেকে শুরু করে ডিজে ও নাচগানের আয়োজন করেন। নির্ধারিত হয়েছে তার খরচও। জানা যাচ্ছে, ঢোল-নাগাড়ার জন্য ঘণ্টাপ্রতি ৫৫০ টাকা এবং নাচগানের আসরের জন্য ৯,৫০০ টাকা নির্ধারিত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শুক্রবার ২৯/০৩/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শুক্রবার ২৯/০৩/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সামাজিক ক্ষেত্রে কর্মরত, তাঁরা আজ কোনও সুসংবাদ পেতে পারেন।

    ২) ভালো পদ লাভ করতে পারেন।

    ৩) ভাইদের সঙ্গে চলতে থাকা কথা কাটাকাটি সমাপ্ত হবে।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি আনন্দে ভরপুর থাকবে।

    ২) ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে কর্মরত জাতকরা সতর্ক থাকুন, প্রতারণার শিকার হতে পারেন।

    ৩)  আপনার দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে সকলে আপনার সঙ্গে বন্ধুত্ব করার চেষ্টা করবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল পরিণাম নিয়ে আসবে।

    ২) সুযোগ পেলে অসহায় ব্যক্তির সাহায্য করুন।

    ৩) কোনও নতুন কাজে অগ্রসর হতে পারেন।

    কর্কট

    ১)  লোকদেখানোর স্বভাব ত্যাগ করুন, অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করবেন না।

    ২) কারও কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে থাকলে তা শোধ করতে পারবেন।

    ৩) আয় বৃদ্ধি হবে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।

    ২) বন্ধুদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ৩) ব্যবসায় ভালো লাভ করবেন।

    কন্যা

    ১)  ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি প্রতিকূল।

    ২) দিনের শেষে সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি হওয়ায় আনন্দিত থাকবেন।

    ৩) কেরিয়ারে উন্নতির চেষ্টা করলে তার গতি বাড়বে।

    তুলা

    ১) ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনায় আগত সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

    ২) একাধিক উৎস থেকে আয় হবে।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) যে কোনও কাজে নিয়মনীতি মেনে চলতে হবে।

    ২) ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা পাবেন।

    ৩) অংশীদারীর কাজে ভালো প্রদর্শন করবেন।

    ধনু

    ১) জাতকদের মান-সম্মান বৃদ্ধি পাবে।

    ২)  কর্মক্ষেত্রে কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ পেলে সকলকে সঙ্গে নিয়ে সেই কাজ করে তা সময়ের মধ্যে পূর্ণ করবেন।

    ৩) সম্পত্তি লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    মকর

    ১) জাতকদের আশপাশের পরিবেশ আনন্দে পরিপূর্ণ থাকবে।

    ২) কিছু ব্যক্তিদের থেকে সতর্ক থাকুন।

    ৩) নিজের টাকা অন্য কাজে ব্যয় করবেন না।

    কুম্ভ

    ১)  ত্যাগ ও সহযোগিতার অনুভূতি থাকবে। 

    ২) আধুনিক বিষয়ে রুচি থাকবে।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা বন্ধুর সঙ্গে শিক্ষায় আগত বাধা সম্পর্কে আলোচনা করবে।

    মীন

    ১) জাতকদের তাড়াহুড়োয় ও আবেগতাড়িত হয়ে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন না।

    ২) ভাইদের পরামর্শ নিয়ে ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নিন।

    ৩) ব্যক্তিগত বিষয়ে ধার্মিকতা পালন করে চলুন।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Central Force: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে সব বুথে নাও থাকতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী, খবর কমিশন সূত্রে

    Central Force: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে সব বুথে নাও থাকতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী, খবর কমিশন সূত্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে (Central Force) সব বুথে নাও থাকতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশন সূত্রের খবর, প্রথম দফার রাজ্যের তিনটি আসনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে প্রায় ৩৫০ কোম্পানি আধাসেনা প্রয়োজন, যা পাওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করছে কমিশন। প্রসঙ্গত, প্রথম দফার ভোটে উত্তরবঙ্গের কোন জেলায় কত বাহিনী থাকবে তাও জানা গিয়েছে কমিশনের তরফে। কমিশন জানিয়েছে, কোচবিহারে থাকবে ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ৬ কোম্পানি বাহিনী থাকবে আলিপুরদুয়ারে। জলপাইগুড়িতে মোতায়েন থাকবে ৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে গড়ে প্রয়োজন ১৬ কোম্পানি বাহিনী

    প্রসঙ্গত, ১৯ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। ওই দিন উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি আসনে ভোট রয়েছে। কমিশনের হিসাব বলছে, একটি বিধানসভা কেন্দ্রে  সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) দিতে হলে গড়ে কমপক্ষে ১৬ কোম্পানি বাহিনী প্রয়োজন। এর ফলে একটি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য দরকার পড়বে ১১২ কোম্পানি বাহিনী। ওই হিসাব অনুযায়ী, ৩৩৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন পড়বে তিনটি আসনের জন্য।

    ২০১৯ সালেও প্রথম দফার ভোটে সব বুথে ছিল না বাহিনী 

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে প্রথম দফার দু’টি আসনে সব বুথে কেন্দ্রীয় দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। কমিশনের একটি সূত্র আবার এও জানিয়েছে, রাজ্যের প্রথম এবং দ্বিতীয় দফার ভোটেও সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েন করা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কারণ, ওই দুই দফায় দেশের বাকি অংশ জুড়ে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন। কারণ প্রথম দফায় ২১ রাজ্যের ১০২ আসনে ভোট রয়েছে।

    এপ্রিলের শুরুতে আসছে আরও ২৭ কোম্পানি বাহিনী

    ইতিমধ্যেই দু’দফায় মোট ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসেছে। প্রথম দফায়, ১ মার্চ ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। ৭ মার্চ দ্বিতীয় দফায় এসেছিল আরও ৫০ বাহিনী (Central Force)। জেলায় জেলায় বাহিনী রুটমার্চও করছে। সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ নির্মাণ ও সাধারণ মানুষের মনোবল বৃদ্ধি করতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন রুটমার্চ বলে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের দাবি, ইতিমধ্যেই জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল শুরু হয়েছে। এপ্রিলের শুরুতে আসছে আরও ২৭ কোম্পানি বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ভোটপ্রচারে  শাহজাহানের শাগরেদদেরও অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি তুললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ভোটপ্রচারে শাহজাহানের শাগরেদদেরও অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি তুললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেশখালির সমস্যা এখনও মেটেনি। শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হলেও ওর সাগরেদরা এখনও গ্রেফতার  হয়নি। সাগরেদগুলোকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।” বৃহস্পতিবার ভোট প্রচারে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই বললেন বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। উত্তর দিনাজপুরের জেলার ইটাহার ব্লকে নির্বাচনী প্রচারে আসেন বিজেপি প্রার্থী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন সহ ইটাহার ব্লকের একাধিক জায়গায় জনসংযোগ কর্মসূচিতে যোগ দেন সুকান্ত বাবু। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত বাবু বলেন, “অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। ভেবেছিলাম আগের মতো ইটাহার এলাকায় পিছিয়ে আছি।  কিন্তু, এবার আমরা ইটাহারে লিড পাব।”

    ইউসুফ পাঠান নিয়ে মুখ খুললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

     ইউসুফ পাঠান প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “ইউসুফ পাঠান বাংলা জানেন না বোঝেন না। গুজরাট থেকে এসেছেন। রাজনীতির ‘র’ জানেন না। ভেবেছেন এখানে ভালো পয়সা কড়ি কামাই হবে। তাই চলে এসেছেন এখানে। তিনি নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করবে এটাই তো স্বাভাবিক। জানেনই তো না যে নির্বাচনী বিধি কি! ভোট কীভাবে হয় সেটাও জানেন কিনা সন্দেহ আছে।” অপরদিকে গার্ডেনরিচে পুরসভার পক্ষ থেকে বাড়ি ভাঙ্গা প্রসঙ্গে সুকান্ত বাবু বলেন, ” বাড়ি ভেঙে কি হবে? বাড়ি ভাঙতে পারবে নাকি গার্ডেনরিচে? ওখানে বাড়ি ভাঙতে গেলে পুরসভার টিমকে ভেঙে বাড়ি পাঠিয়ে দেবে। ওখানে সব বাড়িই তো অবৈধ। সব তো পুরসভার কাউন্সিলরকে টাকা দিয়ে হয়েছে। কটা বাড়ি ভাঙবে?

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে দলীয় কর্মীদের ওপর হামলা, বাড়ি ভাঙচুর, থানা ঘেরাও করল বিজেপি

    মহুয়া মৈত্রকে ইডির তলব নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    মহুয়া মৈত্রকে ইডির তলব প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ” ইডি ডাকলে পরে, ইডির বাঁশি হচ্ছে কৃষ্ণের বাঁশির মতো। শুনলে পরে অথবা কানে প্রবেশ করলে আজ না হয় কাল দৌড়ে যেতেই হবে। রাধা যেমন দৌড়ে যেত। এই রাধাও দৌড়োবে চিন্তা নেই। কৃষ্ণ সবে বাঁশি বাজাতে শুরু করেছে।” এদিকে বিজেপি প্রার্থীর রেখা পাত্রের সরকারি সাহায্য নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” সরকারি সাহায্য নেওয়া অপরাধ নাকি? তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন ভারতবর্ষের পাসপোর্ট ব্যবহার করেন? ভারতবর্ষে তো মোদির সরকার। আধার কার্ড দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার তার মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আধার কার্ড তৈরি করবে না? তৃণমূলের কোন নেতার আধার কার্ড থাকা উচিত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election: বাংলার জন্য পুলিশ পর্যবেক্ষক,  লোকসভা ভোটে নজর রাখতে বিশেষ পর্যবেক্ষক আনছে কমিশন

    Lok Sabha Election: বাংলার জন্য পুলিশ পর্যবেক্ষক,  লোকসভা ভোটে নজর রাখতে বিশেষ পর্যবেক্ষক আনছে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election) কড়া নজর রাখতে সক্রিয় নির্বাচন কমিশন। বুধবার বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অনিল শর্মাকে নিয়োগ করেছিল কমিশন। এবার ভোটে নজরদারির জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক আইএএস আধিকারিক অলোক সিনহাকে নিয়োগ করা হল। বৃহস্পতিবার কমিশন এ কথা জানিয়েছে। 

    কেন বিশেষ পর্যবেক্ষক

    সাধারণভাবে, ভোটের (Lok Sabha Election) সময় বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে কমিশন, তবে নির্বাচনের এতটা আগে থাকতে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ হয় না। তবে এবার লোকসভা ভোট শুরুর আগে থেকেই বাংলার আইন-শৃঙ্খলার উপর বাড়তি জোর দিতে চাইছে কমিশন। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের সময় বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে শর্মার। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক শর্মার রিপোর্ট করার কথা বিশেষ পর্যবেক্ষক অলোক সিনহার কাছে। 

    কেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন রাজ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থাকার কারণেই অনিল শর্মাকে চণ্ডীগঢ় থেকে বাংলায় নিয়ে আসা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে ভোট পর্ব শুরু হচ্ছে রাজ্যে। লোকসভা ভোট (Lok Sabha Election) ঘোষণার আগে থেকেই বঙ্গের বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, গ্রেফতারি বা টাকা উদ্ধারের মতো ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। তা বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের সুপারিশ করাই বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষকের মূল কাজ। এবারের লোকসভা নির্বাচনে গোটা দেশে মোট ২১০০ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে আয়-ব্যয় পর্যবেক্ষক, পুলিশ ও সাধারণ পর্যবেক্ষক রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ! কংগ্রেস ছাড়লেন দেশের ধনীতম মহিলা সাবিত্রী জিন্দাল

    আয়-ব্যয় পর্যবেক্ষক

    প্রথম দফায় ১৯ এপ্রিল বাংলায় তিনটি আসনে ভোট (Lok Sabha Election) রয়েছে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে। ইতিমধ্যেই এই তিনটি জায়গার জন্য তিন জন আয়-ব্যয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন। কোচবিহারের জন্য আইআরএস সঞ্জয় কুমার, জলপাইগুড়ির জন্য মদনমোহন মীণা ও আলিপুরদুয়ারের জন্য শালম কে দুর্গেশ যাদবকে আয়-ব্যয় পর্যবেক্ষক হিসেবে আনা হয়েছে। প্রসঙ্গত বিগত কয়েক বছরে বিভিন্ন ভোটে এই রাজ্যে অশান্তির ছবি স্পষ্ট ধরা পড়েছে। তাই এই বছর সরকার এই ব্যাপারে আগাম সতর্ক বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: কেজরিওয়াল ইস্যুতে মার্কিন মন্তব্য, কড়া প্রতিক্রিয়া বিদেশ মন্ত্রকের

    Arvind Kejriwal: কেজরিওয়াল ইস্যুতে মার্কিন মন্তব্য, কড়া প্রতিক্রিয়া বিদেশ মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) গ্রেফতারি নিয়ে মার্কিন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সে দেশের কূটনীতিকে ডেকে পাঠানোর ঠিক একদিন পরেই ফের বিবৃতি দিল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। বৃহস্পতিবারই বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন যে ভারতের আইনি ব্যবস্থা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে কোনও বিদেশি দাবিকে মানা হবে না। প্রসঙ্গত, গতকালই ভারত কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি নিয়ে মার্কিন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কড়া অবস্থান নেয়। প্রসঙ্গত, কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) গ্রেফতারি এবং কংগ্রেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মার্কিন সরকারের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। এনিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমরা চাইছি, আইনি প্রক্রিয়া যাতে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়। এছাড়া এই প্রক্রিয়ার ওপরে আমরা নজর রাখছি।’’

    কী বললেন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র?

    এ নিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘‘আমাদের দেশ গর্বিত রয়েছে তার স্বাধীন এবং শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা দায়বদ্ধ দেশের সার্বভৌমত্বকে বিদেশি শক্তি থেকে রক্ষা করার জন্য। ভারতবর্ষের আইনি প্রক্রিয়া সবসময় ‘রুল অফ ল’- এর ওপরে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সবথেকে উল্লেখযোগ্য উপাদান হল পারস্পরিক শ্রদ্ধা।’’

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    আবগারি নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। বর্তমানে জেলে রয়েছেন তিনি। কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি নিয়ে মন্তব্য করেছে আমেরিকা। তার জেরে বুধবারই ভারতের মার্কিন দূতাবাসের এক শীর্ষ কূটনীতিককে তলব করে ব্যাখ্যা চায় সাউথ ব্লক। ভারত সরকার বুধবার দেশে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি চিফ অফ মিশনের সঙ্গে ৪০ মিনিট ধরে বৈঠকও করে। তার আগে তাঁকে সাউথ ব্লকে বিদেশ মন্ত্রকের অফিসে তলব করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই বিবৃতি দিয়েছিল আমেরিকা। মার্কিন এক কূটনীতিক মন্তব্য করেছিলেন, তাঁরা পুরো ঘটনার ওপর নজর রাখছেন (Arvind Kejriwal)। এই ঘটনায় স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও দ্রুত আইনি পদক্ষেপও আশা করছেন তাঁরা। এর পরেই মার্কিন ওই কূটনীতিককে ডেকে পাঠায় নয়াদিল্লি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ভোটের মুখে দলীয় কর্মীদের ওপর হামলা, বাড়ি ভাঙচুর, থানা ঘেরাও করল বিজেপি

    Malda: ভোটের মুখে দলীয় কর্মীদের ওপর হামলা, বাড়ি ভাঙচুর, থানা ঘেরাও করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় বিজেপি কর্মীদের ওপর তৃণমূলের হামলার ঘটনার প্রতিবাদে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা ঘেরাও করলেন উত্তর মালদার বিজেপি-র বিদায়ী সাংসদ খগেন মুর্মু। বৃহস্পতিবার কয়েকশো বিজেপি কর্মী দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। যদিও পুলিশি নিরাপত্তা অটুট থাকায় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এদিন বিক্ষোভ স্থলে খগেন মুর্মু অভিযোগ তোলেন, এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী পূজন দাসের নেতৃত্বে তৃণমূল নেতা সাহেব দাস, দুর্জয় দাস সহ আরও অনেকে পিপল কাশিমপুর এলাকায় বিগত দুই দিন ধরে ক্রমাগত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার পিপলা গ্রামের শাসকদলের পঞ্চায়েত সদস্য মন্দিরা দাসের পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে গন্ডগোল চলছিল এলাকার বিজেপির যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক কমল থোকদারের পরিবারের সঙ্গে। অভিযোগ আর এই গন্ডগোলের জেরে মঙ্গলবার গভীর রাত্রে শাসকদলের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য মন্দিরা দাসের স্বামী তথা তৃণমূল নেতা পূজন দাস ধারালো অস্ত্রশস্ত্র সহ দলবল নিয়ে বিজেপি নেতা কমলের বাড়িতে হামলা চালায়। সেখানে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এই মারধরের জেরে গুরুতর আহত হয়ে কমলবাবুর মা তুলি থোকদার হরিশ্চন্দ্রপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়েই হরিশ্চন্দ্রপুরের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত পোহাতেই আবার সেই গন্ডগোল মাথাচাড়া দেয়। বুধবারও ফের হামলা চালায়।

    আরও পড়ুন: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    শুরু হয়ে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির বিদায়ী সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ভোটের আগে সন্ত্রাস তৈরির জন্য তৃণমূল হামলা চালিয়েছে। কর্মীরা আতঙ্কে রয়েছেন। দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে আমরা বিক্ষোভ দেখায়। এদিকে এ প্রসঙ্গে ব্লক সভাপতি জিয়াউর রহমান বলেন, ওরা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে। বিজেপি কর্মীরাই আমাদের কর্মীর বাড়িতে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে। ওই গ্রামে বিগত ১০ বছর ধরে তৃণমূল জয় লাভ করছে। এখন সামনে ভোট। বিজেপির পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে, তাই এই সমস্ত অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: বিচারপতির নাম ভাঙিয়ে টাকা নেওয়া! ট্রাফিক পুলিশকে তলব হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বিচারপতির নাম ভাঙিয়ে টাকা নেওয়া! ট্রাফিক পুলিশকে তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠল কলকাতার এক ট্রাফিক গার্ডের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের নাম পলাশ দাস। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) এক আইনজীবীর কাছ থেকে তিনি টাকা নেন বলে অভিযোগ। আর এই ঘটনাতেই অভিযুক্ত ওই ট্রাফিক গার্ডকে হাইকোর্টে সশরীরে হাজির হতে নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি (Calcutta High Court) অমৃতা সিংহ। বৃহস্পতিবারই এমন নির্দেশ দেন অমৃতা সিংহ। তাঁর নির্দেশ, আগামী ২ এপ্রিল আদালতে হাজিরা দিতে হবে ট্রাফিক গার্ডকে।

    এক হাজার টাকা দাবি করা হয়

    অভিযোগ, গত মঙ্গলবারই দ্বিতীয় হুগলি সেতু দিয়ে যাচ্ছিলেন হাইকোর্টের (Calcutta High Court) আইনজীবী শুভ্রাংশু পান্ডা। অভিযোগ, সেসময়ই তাঁর কাছে এক হাজার টাকা দাবি করেন ট্রাফিক গার্ড পলাশ দাস। আইনজীবী টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল করার হুমকি দেন ওই পলাশ দাস। আইনজীবী জানান, এ ভাবে টাকা নেওয়া যায় না। এ সংক্রান্ত দীপঙ্কর দত্ত বনাম রাজ্য সরকারের মামলার রায় ওই ট্রাফিক কর্মীকে দেখানো হয়।

    বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দারের নাম উল্লেখ

    প্রসঙ্গত, বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি। আইনজীবীর অভিযোগ, ওই ট্রাফিক পুলিশকর্মী পাল্টা দাবি করেন, কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দারের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন। আইন শেখানোর দরকার নেই। আইন ভাল করেই জানেন তিনি। তাঁর অনেক ক্ষমতা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বিচারপতি সমাদ্দার বর্তমানে সিকিম হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘ বাগ্‌বিতণ্ডার পরে ওই পুলিশকর্মী আইনজীবীর লাইসেন্স জোর পূর্বক কেড়ে নেন বলে অভিযোগ।

    এমন কাণ্ড আগেও করেছেন ওই ট্রাফিক পুলিশ

    বৃহস্পতিবার ওই আইনজীবীর কাছে পুরো ঘটনা শুনে কার্যত বিস্মিত হন বিচারপতি সিংহ। তারপরেই তিনি ওই ট্রাফিক পুলিশকে আদালতে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। তবে এমনটা প্রথম নয়, শুভ্রাংশুর দাবি, এর আগেও বিচারপতি সমাদ্দারের নাম করে দেবোত্তম দাস নামের এক আইনজীবীর (Calcutta High Court) কাছ থেকে ওই পুলিশকর্মী ৫০০ টাকা নিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: ফের ৪ দিনের ইডি হেফাজতে আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল

    Arvind Kejriwal: ফের ৪ দিনের ইডি হেফাজতে আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও ৪ দিন ইডি লক আপেই কাটাতে হবে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal)। আবগারি মামলায় (Liquor Policy Case) আগামী ১ এপ্রিল পর্যন্ত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ইডি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্ট।  ১৫ মার্চ গ্রেফতারির পর থেকে ইডির দিল্লি দফতরের লক আপেই আছেন আপ সুপ্রিমো। যদিও এদিন দিল্লি হাইকোর্ট মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে কেজরিওয়ালকে অপসারণের মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে। 

    ইডির দাবি

    এদিন আদালতে ইডির তরফে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু বলেন, কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিচ্ছেন না। ডিজিটাল নথি নিরীক্ষণ করা বাকি রয়েছে। এখনও কয়েকজনের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ বাকি। গোয়ার কয়েকজনকে সমন করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এখনও পর্যন্ত অরবিন্দ কেজরিওয়াল তাঁর মোবাইলের পাসওয়ার্ড দেননি। যদি উনি পাসওয়ার্ড না দেন তাহলে পাসওয়ার্ড ব্রেক করে মোবাইল খুলতে হবে। আরও এক সপ্তাহের জন্য অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে হেফাজতে নিতে চায় ইডি।

    আরও পড়ুন: গগনযান-এ ওঠার অপেক্ষা! কঠোর অনুশীলন চার ভারতীয় মহাকাশচারীর

    কেজরির সওয়াল

    আদালতে নিজেই নিজের হয়ে সওয়াল করেন কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। অভিযোগ করেন, আপের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাঁকে গ্রেফতার করার মতো কোনও প্রমাণ ইডির হাতে নেই। কতগুলি ধারণার ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্টে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের কোনও যুক্তিই খাটেনি। ইডির আইনজীবী এসভি রাজু বলেন, “আমাদের কাছে প্রমাণ আছে, আম আদমি পার্টি হাওলার মাধ্যমে টাকা পেয়েছে। সেই টাকা গোয়ার নির্বাচনে খরচ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আইনের উর্ধ্বে নন। আর পাঁচজনের মতোই নাগরিক।” এরপরই কেজরিওয়ালের ইডি হেফাজতের মেয়াদ আরও চারদিন বাড়িয়ে দেয় আদালত। আগামী ১ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতেই থাকতে হবে কেজরিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share