Tag: Madhyom

Madhyom

  • Balurghat: “নির্বাচনী পরিকল্পনায় ডাকা হয় না”, বিপ্লব মিত্রের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিক্ষুব্ধ নেতা

    Balurghat: “নির্বাচনী পরিকল্পনায় ডাকা হয় না”, বিপ্লব মিত্রের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিক্ষুব্ধ নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে (Balurghat) তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই দলে পাত্তা পাচ্ছেন না বিপ্লব মিত্রের বিরোধী গোষ্ঠীর নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে নয়, অনুগামীদের নিয়ে তৈরি ‘টিম বিপ্লব’ই এই নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে নেমে পড়েছে।

    নির্বাচনী পরিকল্পনায় ডাকা হয় না (Balurghat)  

    জেলাজুড়ে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে চরম অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, দলের অভ্যন্তরে এই অবিশ্বাসের বাতাবরণে নিঃশ্বাস নিতে না পেরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে শুরু হয়েছে ফেসবুক যুদ্ধ। এরই মধ্যে তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার ফেসবুকে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে একটি টি-শার্টের বুকে লেখা, ‘যত দোষ নন্দ ঘোষ’। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বালুরঘাটের (Balurghat) তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লবের সঙ্গে মৃনালের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছে।সম্প্রতি যে নির্বাচনী কমিটি করা হয়েছে, সেখানেও বিপ্লব অনুগামীদেরই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। কার্যত গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছেন তাঁর বিরুদ্ধ অনুগামীরা। এই অবস্থার মধ্যে জেলার প্রচুর নেতা- কর্মীরা তাঁদের অবস্থান ঠিক করতে পারছেন না, চুপ করে রয়েছেন অনেকেই। কিন্তু, এর মধ্যে প্রাক্তন জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার ফেসবুকে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে ঝড় তুলেছে। এই পোস্ট প্রসঙ্গে মৃণাল সরকার এদিন বলেন, ‘দলের নির্বাচনী কোনও পরিকল্পনা বা প্রস্তুতিতে আমাকে ডাকা হয় না। আমি তাই নিজের বুথেই কাজ করছি।

    বিপ্লব অনুগামী তৃণমূল নেতা কী বললেন?

    ‘টিম বিপ্লব’ তত্ত্ব মানতে রাজি নন তৃণমূল নেতারা। বিপ্লব অনুগামী বলে পরিচিত জেলা কমিটি ও নির্বাচনী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ নেতা তথা বালুরঘাট পুরসভার পুরপ্রধান অশোক মিত্র বলেন, ‘আমাদের দলে টিম বিপ্লব বলে কোনও শব্দ নেই। আমরা সবাই টিম মমতা, টিম তৃণমূলের। যাঁরা এই দল করে তাঁরা সকলেই আমাদের দলের প্রার্থীর হয়ে প্রচারে ঝাঁপিয়েছেন। কোথাও কোনও সমস্যা নেই।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Savitri Jindal: বিজেপিতে যোগ! কংগ্রেস ছাড়লেন দেশের ধনীতম মহিলা সাবিত্রী জিন্দাল

    Savitri Jindal: বিজেপিতে যোগ! কংগ্রেস ছাড়লেন দেশের ধনীতম মহিলা সাবিত্রী জিন্দাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ধনীতম মহিলা সাবিত্রী জিন্দাল (Savitri Jindal) কংগ্রেস ছাড়লেন। প্রায় আড়াই লক্ষ কোটি টাকার মালকিন তাঁর ছেলের মতোই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বল মনে করা হচ্ছে। লোকসভা ভোটের আগে মা ও ছেলের দল ত্যাগ কংগ্রেসের কাছে একটা বড় ধাক্কা। সাবিত্রী জানান মানুষের কথা শুনেই তিনি কংগ্রেস ছাড়ছেন। 

    কেন দল ত্যাগ

    বুধবার গভীর রাতে এক্সবার্তায় সাবিত্রী (Savitri Jindal) লেখেন, ‘আমি গত ১০ বছর বিধায়করূপে হিসারের মানুষের সেবা করেছি। মন্ত্রীরূপে রাজ্যের মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ সেবা করেছি। হিসারের মানুষই আমার পরিবার। সেই পরিবারেরই পরামর্শে আজ আমি কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্যপদ ত্যাগ করছি।’ ১০ বছরের কংগ্রেস বিধায়ক সাবিত্রী জিন্দালের দলত্যাগ লোকসভা নির্বাচনের আগে হাত শিবিরের কাছে একটা বড় ধাক্কা। সূত্রের খবর, শীঘ্রই সাবিত্রী বিজেপিতে যোগ দেবেন।  উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই সাবিত্রীর পুত্র তথা ২০০৪-১৪ সাল পর্যন্ত কুরুক্ষেত্র কেন্দ্রের কংগ্রেস সাংসদ নবীন জিন্দালও দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এবার তিনি বিজেপির টিকিটে কুরুক্ষেত্র থেকেই প্রার্থী হয়েছেন।

    সাবিত্রীর পরিচয়

    সাবিত্রীর (Savitri Jindal) স্বামী ছিলেন দেশের ইস্পাত সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র অধিপতি ওমপ্রকাশ জিন্দল। ২০০৫ সালে কপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল শিল্পপতি ওমপ্রকাশের। দুর্ঘটনায় ওমপ্রকাশের অকস্মাৎ মৃত্যুর পর বসায়িক সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন সাবিত্রী। স্বামীর অকালপ্রয়াণের পর ভেঙে পড়েননি তিনি। ওপি গোষ্ঠীর দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নেন। যে বয়সে নিশ্চিন্তে সংসার করেন বেশির ভাগ মহিলা, সেই বয়সে ব্যবসার খুঁটিনাটি শিখতে হয়েছিল তাঁকে। তখন সাবিত্রীর বয়স ছিল ৫৫। সাবিত্রী বর্তমানে ওপি জিন্দল গোষ্ঠীর চেয়ারপার্সন এমিরেটা। গত দু’বছরে তাঁর হাত ধরেই এই গোষ্ঠীর রমরমা বেড়েছে।

    আরও পড়ুন: ভোটের সময় তাপপ্রবাহ! সতর্ক থাকার জন্য বিশেষ নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

    অসমের তিনসুকিয়া জেলার বাসিন্দা সাবিত্রীর জন্ম ১৯৫০ সালের ২০ মার্চ। সত্তরের দশকে ওমপ্রকাশের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। ব্যবসার পাশাপাশি স্বামীর মতো রাজনীতির আঙিনায়ও পা রাখেন সাবিত্রী। ২০০৫ সালে স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর কেন্দ্র থেকেই নির্বাচনে দাঁড়ান। কংগ্রেসের টিকিটে সেই কেন্দ্রে জয়ী হয়ে পা রাখেন হরিয়ানা বিধানসভায়। পরের বিধানসভা নির্বাচনে আবার জয়। ২০১৩ সালে হরিয়ানার ক্যাবিনেট মন্ত্রীও হয়েছিলেন সাবিত্রী। কিন্তু এবার হরিয়ানার মানুষের ইচ্ছাতেই কংগ্রেস ত্যাগ করলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election: ভোটের সময় তাপপ্রবাহ! সতর্ক থাকার জন্য বিশেষ নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election: ভোটের সময় তাপপ্রবাহ! সতর্ক থাকার জন্য বিশেষ নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election) চলাকালীন তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। যে সময় দেশজুড়ে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ,তখনই রয়েছে নির্বাচন। তাই ভোটকর্মী, ভোটার ও ভোটের প্রচারের সময় প্রার্থী বা কোনও রাজনৈতিক কর্মী যাতে অসুস্থ না হয়ে পড়ে তার জন্য বিশেষ সতর্ক থাকার কথা বলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এজন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন।

    কমিশনের নির্দেশিকা

    কোনও ভোটারের বাড়ি থেকে তাঁর ভোটকেন্দ্র ২ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে হবে না। পাশাপাশি ভোট (Lok Sabha Election) কেন্দ্রে রাখতে হবে প্রয়োজনীয় জলের ব্যবস্থা। ভোটকেন্দ্র যেকোনও ভবনের নীচের তলায় করতে হবে। সেখানে পোলিং এজেন্টদের জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রতিটি বুথে প্রবেশ ও বাহির দ্বার আলাদা রাখতে হবে ৷ যাতে ভোট কেন্দ্রের ভিতরে হাওয়া চলাচল স্বাভাবিক থাকে ৷ ভোটারদের মাথার উপর ছাউনির ব্যবস্থা করতে হবে। ভোটকেন্দ্রে টেবিল, চেয়ার এবং বেঞ্চ রাখতে হবে। প্রতিবন্ধী, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, প্রবীণদের বসার ব্যবস্থাও করতে হবে। ভোটকেন্দ্রে একজন করে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে হবে। কারও যদি সান স্ট্রোক হয়, সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। বেলা ১২টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত চড়া রোদ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের পর্যাপ্ত জল খাওয়ার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা, চশমা ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে কমিশন।

    আরও পড়ুন: সব মরশুমেই যাতায়াত সহজ! চিনকে ঠেকাতে লাদাখে নতুন রাস্তা নির্মাণ করছে কেন্দ্র

    সেক্টর অফিসারদের নির্দেশ

    মৌসম ভবন জানিয়েছে, মার্চ-জুন দেশের প্রায় অধিকাংশ রাজ্যে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র তাপপ্রবাহ শুরু হবে৷ আর এই সময় দেশজুড়ে চলবে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election)৷ আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে লোকসভা ভোট। সাত দফায় নির্বাচন চলবে ১ জুন পর্যন্ত। ৪ জুন ফলঘোষণা। ভারতের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “কমিশন সিইও বা ডিইওদের নির্দেশ দিয়েছে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধাগুলি যাতে থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে ৷ পাকাপাকিভাবে সেগুলি ব্যবস্থা ভোট কেন্দ্রে রাখার জন্য রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে ৷ এমনকী ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটদান করতে পারে, তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা রাখতে হবে ৷ প্রত্যেক সেক্টর অফিসারদের নিজ নিজ আওতাধীন সবক’টি ভোট কেন্দ্রে পর্যবেক্ষণে যেতে হবে ৷ আর কোনও পরিষেবার অভাব থাকলে, তার ব্যবস্থা করতে হবে ৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে অসুস্থ হয়ে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী রেখা, এখন কেমন আছেন?

    Sandeshkhali: বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে অসুস্থ হয়ে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী রেখা, এখন কেমন আছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে বিজেপি। তবে, প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পরও প্রচার শুরু না করায় অনেকে রেখাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিলেন। মঙ্গলবার তাঁকে ফোন করে কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর বুধবার থেকে তিনি শুরু করেন প্রচার। রেখাকে নিয়ে সন্দেশখালি জু়ড়ে বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস। তাঁকে এক পলখ দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ে। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা, আবেগের কাছে হার মানতে হয় রেখাকে। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভর্তি করা হাসপাতালে।

    বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাসের কাছে হার মানলেন রেখা! (Sandeshkhali)

    বিজেপি প্রার্থী নিয়েই চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। প্রার্থী  হওয়ার পর নিরাপত্তার অভাব বোধ করার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি। আর প্রচার শুরুর পরই অসুস্থ হয়ে পড়লেন তিনি।   বুধবার বিকেলেই অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয় কল্যাণী এইমস হাসপাতালে। বুধবার রেখা সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) পা রাখতেই ভিড় উপচে পড়ে। কারও বাড়ির মেয়ে, কারও দিদির মতো করে তিনি কথা বলেন। এলাকায় ঘুরে ঘুরে মহিলাদের সঙ্গে সকাল থেকে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। এরপরই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন ডিহাইড্রেশনের কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন রেখা পাত্র। তাঁর শরীরে জলের পরিমাণ কমে গিয়েছিল। কল্যাণী এইমসে ভর্তি হওয়ার পর তাঁর সবরকমের পরীক্ষা করা হয়। একাধিক রক্ত পরীক্ষা করা হয়, স্যালাইনও দেওয়া হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুন: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    চিকিৎসকরা কী বললেন?

    বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসকরা বলেন, রেখার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। এরপর ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। তবে এবার কবে ফের প্রচারে নামবেন, তা এখনও জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, নিরাপত্তা নিয়ে অভাব বোধ করায় তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। তিনি ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA: ভূপতিনগরে বিস্ফোরণকাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের তলব করল এনআইএ

    NIA: ভূপতিনগরে বিস্ফোরণকাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের তলব করল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর ২ ব্লকের ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার এনআইএ তলব করল। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুরের বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা এবং স্থানীয় থানার ওসিকে তলব করল এনআইএ (NIA)। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে  লোকসভা নির্বাচনের মুখে ফের শিরোনাম ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ড। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল ভূপতিনগরে? (NIA)

    ভগবানপুর ২ ব্লকের ভূপতিনগর থানা এলাকায় নাড়ুয়াবিড়লা গ্রাম। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে সেখানেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। মৃত্যু হয় ৩ জনের। বাজি তৈরি করার সময় এই বিস্ফোরণ হতে পারে বলে নিহতদের একজনের স্ত্রী থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। যে বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়, তা এক তৃণমূল নেতার বাড়ি বলেও অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি লেখা হয়। তার পরেই এনআইএ (NIA) তদন্ত শুরু হয়। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের মুখে বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতাকে তলব করেছিল এনআইএ। এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের তৃণমূল নেতাদের তলব করল এননআইএ। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিজেপি-র অঙ্গুলিহেলনে কেন্দ্রীয় সংস্থা বেছে বেছে তৃণমূল নেতাকে নোটিস পাঠাচ্ছে বলেই দাবি শাসক দলের নেতৃত্বের।

    আরও পড়ুন: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী সাফাই?

    এনআইএ সূত্রের খবর, তৃণমূল নেতাদের বৃহস্পতিবার কলকাতার এনআইএ (NIA) দফতরে তলব করেছে। শাসক শিবিরের নেতারা নোটিস পাওয়ার পরই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূল নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, “পায়ের তলা থেকে মাটি সরছে। বিজেপি হারছে। তাই ভয়ংকর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তৃণমূল নেতাদের নতুন করে এনআইএ নোটিস পাঠানো শুরু করেছে। যাতে ভোটের আগে প্রচারের সময় মাঠ ফাঁকা করা যায়। গোটাটাই ভোটের লক্ষ্যে চক্রান্ত। এর বিরুদ্ধে মানুষ গর্জে উঠবে। আমাদের কোনও কর্মী বা নেতা এই নোটিসে সাড়া দেবে না। আইনি পথে পদক্ষপ করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: বিনা লড়াইয়ে বিধায়ক নির্বাচিত অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী সহ পাঁচ বিজেপি প্রার্থী

    Arunachal Pradesh: বিনা লড়াইয়ে বিধায়ক নির্বাচিত অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী সহ পাঁচ বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হলেন অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু-সহ পাঁচ জন বিজেপি প্রার্থী। বুধবারই ছিল অরুণাচলের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। মুখ্যমন্ত্রীর আসন সমেত অন্য চার বিজেপি প্রার্থীর কেন্দ্রে অন্য কোনও মনোনয়ন জমা পড়েনি। তাই এই ৫ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় এল গেরুয়া শিবিরের।

    কোন কোন আসন থেকে বিজেপি প্রার্থীরা জিতলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়?

    প্রসঙ্গত, অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। সে রাজ্যে বিধানসভার মোট আসন ৬০টি। ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল ৪১টিতে। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু এ বারও তাঁর পুরনো কেন্দ্র, তাওয়াং জেলার মুক্তো থেকেই প্রার্থী হয়েছেন। সে রাজ্যে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ৩০ মার্চ। পেমা খান্ডু ছাড়া অন্য যে চার বিজেপি প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁরা হলেন, তালি আসন থেকে জিকে টাকো, তালিহা কেন্দ্র থেকে নিয়াতো ডুকম, সাগালি আসন থেকে রাতু তেচি এবং রোয়িং বিধানসভা কেন্দ্র থেকে মুচ্চু মিথি।

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে ‘রামধাক্কা’, আপ ছেড়ে বিজেপিতে সাংসদ, বিধায়ক

    কী বলছেন অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনও (Arunachal Pradesh) অনুষ্ঠিত হবে। অরুণাচল প্রদেশ ছাড়া বাকি রাজ্যগুলি হল- ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সিকিম। উত্তর-পূর্ব ভারতের  দুই রাজ্য, অরুণাচল এবং সিকিমে ভোটগ্রহণ এক দফাতেই হবে। তা হবে আগামী ১৯ এপ্রিল। লোকসভার ভোটগণনার তারিখ ইতিমধ্যে কমিশন ঘোষণা করেছে ৪ জুন। তবে অরুণাচল এবং সিকিমে ভোট গণনা হবে ২ এপ্রিল। অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী ছাড়া অন্য কেউ মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। আমরা আশা করি, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে আরও কয়েকটি আসনেও আমরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হব।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gaganyaan: গগনযান-এ ওঠার অপেক্ষা! কঠোর অনুশীলন চার ভারতীয় মহাকাশচারীর

    Gaganyaan: গগনযান-এ ওঠার অপেক্ষা! কঠোর অনুশীলন চার ভারতীয় মহাকাশচারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার আর মাত্র কয়েকটা দিন। ২০২৪-২০২৫ এ ‘গগনযান’(Gaganyaan) অভিযানের আওতায় চার নভোশ্চরকে মহাকাশে পাঠাতে চলেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO)।পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্ন ভাগে তিন দিন কাটিয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন ভারতীয় নভোশ্চররা। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘গগনযানে’ চেপেই এই অভিযান চলবে। তার জন্যই বেঙ্গালুরুতে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন চার মহাকাশচারী গ্রুপ ক্যাপ্টেন প্রশান্ত বালাকৃষ্ণণ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন অজিত কৃষ্ণণ, গ্রুপ ক্যাপ্টেন অঙ্গদ প্রদাপ এবং উইং কমান্ডার শুভাংশু শুক্লা। এই অভিযান সফল হলে, আমেরিকা, রাশিয়া এবং চিনের পর মহাকাশে মানুষ পাঠানো চতুর্থ দেশ হিসেবে ইতিহাসের পাতায় নাম উঠবে ভারতের। 

    কেমন চলছে প্রশিক্ষণ

    গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তিরুঅনন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার থেকে ‘গগনযান’ (Gaganyaan) অভিযানের জন্য নির্বাচিত চার নভোশ্চরের নাম প্রকাশ করা হয়। যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলায় দক্ষ এই চার জন। তবে বেঙ্গালুরুতে বায়ুসেনার নভশ্চর কেন্দ্রে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। বায়ুসেনারই ইনস্টিটিউট অফ এরোস্পেস মেডিসিনে এই চার জনকে বেছে নেওয়া হয়। বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর তাঁদের নাম ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কী কী অনুশীলন

    বর্তমানে চার মহাকাশচারীর প্রশিক্ষণ চলছে বেঙ্গালুরুতে টেস্ট পাইলটদের বেছে নেওয়া হয়েছিল, তাঁদের ক্লিনিকাল, এরোমেডিক্যাল এবং সাইকোলজিকাল পরীক্ষা হয়েছে। সেকীভাবে মহাকাশে থাকতে হবে, বরফের মধ্যে কীভাবে নিজেদের রক্ষা করতে হবে, মরুভূমিতে কীভাবে নিজেদের রক্ষা করতে হবে, জলে কীভাবে নিজেদের রক্ষা করতে হবে, সবকিছুর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। সিমুলেটরের মাধ্যমেও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। শারীরিক প্রশিক্ষণ করছেন তাঁরা। বিশেষ ধরনের যোগও করছেন বলে ইসরোর (ISRO) তরফে জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সব মরশুমেই যাতায়াত সহজ! চিনকে ঠেকাতে লাদাখে নতুন রাস্তা নির্মাণ করছে কেন্দ্র

    অবতরণের জন্য সতর্কতা

    মিশনের (Gaganyaan) একেবারে শেষ পর্যায়ে মহাকাশচারীরা যাতে নিরাপদে অবতরণ করতে অর্থাৎ পৃথিবীতে আবার ফিরে আসতে পারেন তার জন্যও বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মহাকাশচারীদের নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে আরব সাগরে প্রাথমিক ল্যান্ডিং জোন তৈরি করা হয়েছে। এজন্য ভারতীয় এজেন্সিগুলো যে কোনও জরুরির পরিস্থিতি সম্বন্ধে সম্পূর্ণ সতর্ক থাকবে। মিশনটি যাতে কোনও সমস্যার সম্মুখীন না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য, ৪৮টি আন্তর্জাতিক ল্যান্ডিং সাইট নির্বাচন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kalyani: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Kalyani: কল্যাণীতে বিজেপি প্রার্থী শান্তনুকে প্রচারে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বনগাঁ লোকসভায় তৃণমূলের থেকে গতবার ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। এই কেন্দ্রটি বিজেপি-র শক্ত ঘাঁটি। কল্যাণী (Kalyani) বিধানসভা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরকে প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    নাম ঘোষণার পর থেকেই নিজের লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার ও কর্মীসভা করছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী। বুধবার কল্যাণীর গয়েশপুরে প্রচারে আসেন তিনি। সেখানে প্রচারে বাধার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কল্যাণী (Kalyani) থানার গয়েশপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দপল্লির মাঠ থেকে বিজেপির মিছিলের কথা ছিল। সেই মতো বিজেপি কর্মীদের সঙ্গেই আনন্দপল্লি মাঠে আসেন শান্তনু ঠাকুর। তখনই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। ‘বিজেপি চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। শান্তনুকে উদ্দেশ্য করে ওঠে গো ব্যাক স্লোগানও। পালটা চোর স্লোগান দিতে থাকে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরাও। স্লোগান পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ঘটনাস্থলে যান বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে তৃণমূল কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। বিজেপি কর্মীরা তা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। পুলিশ ও সিআরপিএফ জওয়ানরা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান কল্যাণীর ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট উর্মি সান্যাল।

    আরও পড়ুন: “পাঁচ পয়সার কাজ করেননি”, তৃণমূল প্রার্থী খলিলুরকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর বলেন, “তৃণমূল ভয় পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পেয়েছেন। তাই ওদের হাজার হাজার হার্মাদদের প্রচারে বাধা দিতে পাঠিয়ে দিয়েছে। তৃণমূল বুঝতে পেরেছে আমিই জিতব। সেটা ওরা মেনে নিতে পারছে না। এই বাধায় ভয় পাওয়ার ছেলে আমি না। ৩৬ ইঞ্চি বুকের পাটা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবো।” গয়েশপুর পুরসভার পুরপ্রধান সুকান্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “শান্ত এলাকাকে অশান্ত করতে এসেছেন শান্তনু ঠাকুর। সাধারণ মানুষ শান্তনু ঠাকুরকে আর চাইছে না। তাই বাধা দিচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MGNREGA Wages: একশো দিনের কাজের মজুরি বাড়াল কেন্দ্র, কার্যকর ১ এপ্রিল থেকে, কত হল জানেন?

    MGNREGA Wages: একশো দিনের কাজের মজুরি বাড়াল কেন্দ্র, কার্যকর ১ এপ্রিল থেকে, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো দিনের কাজ প্রকল্পে মজুরি (MGNREGA Wages) বাড়াল কেন্দ্র। ২৭ মার্চ এ বিষয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্টে যেসব অদক্ষ শ্রমিক কাজ করবেন, তাঁদেরই দেওয়া হবে নয়া হারে এই মজুরি। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষেই মিলবে নয়া হারে মজুরি। এপ্রিলের প্রথম দিন থেকেই এই হারে মজুরি মিলবে বলে নোটিশ জারি করে জানিয়ে দিয়েছে রুরাল ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রক।

    কোন রাজ্যে কত মজুরি? (MGNREGA Wages)

    একশো দিনের কাজের (MGNREGA Wages) এই প্রকল্পে বিভিন্ন রাজ্যে আলাদা আলাদা হারে মজুরি দেওয়া হয়। উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে দিন প্রতি দেওয়া হয় ২৩০ থেকে ২৩৭ টাকা। নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল প্রদেশে মেলে প্রতিদিন ২৩৪ টাকা করে। সব চেয়ে বেশি মজুরি দেয় হরিয়ানা। সেখানে প্রতিদিন মেলে ৩৭৪ টাকা করে। গোয়ায় আবার প্রতিদিন ৩৫৬ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে চলতি অর্থবর্ষ থেকেই। নয়া ব্যবস্থায় এই প্রকল্পে কর্নাটকে মিলবে প্রতিদিন ৩৪৯ টাকা করে। আগে দেওয়া হত ৩১৬ টাকা করে। এখানে মজুরি বেড়েছে ১০.৪৪ শতাংশ। 

    বৃদ্ধির হার (শতাংশে)  

    অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলঙ্গনায় মজুরি হিসেবে মিলবে দৈনিক ৩০০ করে টাকা। আগে এখানে দেওয়া হত ২৭২ টাকা করে। বৃদ্ধির হার ১০.২৯ শতাংশ। মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে মজুরি বাড়ানো হয়েছে ১০ শতাংশ করে। ২২১ টাকা থেকে দৈনিক মজুরি বেড়ে হয়েছে ২৪৩ টাকা। একশো দিনের কাজ প্রকল্পে ৫ শতাংশের নীচে মজুরি বেড়েছে হরিয়ানা, অসম, মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, রাজস্থান, কেরল এবং লাক্ষাদ্বীপে। নোটিশ থেকে জানা গিয়েছে, গোটা দেশে মজুরি বাড়ানো হয়েছে গড়ে ৭ শতাংশ। এতদিন যেখানে মিলত দিন প্রতি গড়ে ২৬৭.৩২ টাকা, সেখানে এখন মিলবে ২৮৫.৪৭ টাকা করে (MGNREGA Wages)।

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ন্যূনতম মজুরির বদলে কেন্দ্র লিভিং ওয়েজ চালু করতে চলেছে বলে খবর প্রকাশিত মাধ্যমে। ২০২৫ সালের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে লিভিং ওয়েজ। তার আগেই একশো দিনের কাজ প্রকল্পে এক ধাক্কায় অনেকটাই মজুরি বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র। যেহেতু লোকসভা ভোট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, ফলত এই নোটিশ জারি করার আগে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিতে হয়েছে কেন্দ্রকে। মজুরি বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মূল্যসূচক এবং সে রাজ্যে মুদ্রাস্ফীতির হারের কথা।

    আরও পড়ুুন: “যথেষ্ট অর্থ নেই”, তাই নির্বাচনে লড়ছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Lok Sabha Elections 2024: “যথেষ্ট অর্থ নেই”, তাই নির্বাচনে লড়ছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন!

    Lok Sabha Elections 2024: “যথেষ্ট অর্থ নেই”, তাই নির্বাচনে লড়ছেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি দেশের অর্থমন্ত্রী। দেশের যাবতীয় প্রয়োজনে টাকা জোগান তিনি। সেই তিনিই কিনা আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) লড়ছেন না টাকার অভাবে! শুনে যতই চোখ কপালে উঠুক না কেন, ঘোর বাস্তব এটাই। দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী? (Lok Sabha Elections 2024)

    ‘টাইমস নাও সামিট ২০২৪’ এ অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা আমায় অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা তামিলনাড়ু থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে যে পরিমাণ টাকার প্রয়োজন, তা আমার নেই। তাই ওঁর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছি আমি।” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “নাড্ডাজির প্রস্তাব পাওয়ার পর আমি এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিন সময় নিয়েছিলাম। তারপর বললাম, না, নির্বাচনে লড়ার মতো অর্থ আমার নেই।”

    পদ্ম-পার্টিকে ধন্যবাদ

    বিজেপি তাঁর সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোয় পদ্ম-পার্টিকে ধন্যবাদ দিয়েছেন নির্মলা। বলেন, “আমি কৃতজ্ঞ যে (Lok Sabha Elections 2024) তারা আমার যুক্তিগুলি মেনে নিয়েছে। তাই আমি এবার নির্বাচনে লড়ছি না।” দেশের অর্থমন্ত্রী হয়েও তাঁর কাছে নির্বাচনে লড়ার মতো প্রয়োজনীয় অর্থ নেই কেন? প্রশ্ন শুনে নির্মলা বলেন, “দেশের অর্থ আমার ব্যক্তিগত নয়। আমার বেতন এবং সঞ্চয় অল্প। সেটা দেশের অর্থ নয়।”

    আরও পড়ুুন: “চিন-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে যদি…”, কী শর্ত দিলেন জয়শঙ্কর?

    মনে রাখতে হবে, নির্মলা রাজ্যসভার সদস্য। সেখানে দল কাউকে মনোনীত করে পাঠায়। আর লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। তবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও, তিনি যে বিজেপির হয়ে প্রচার করবেন, তা জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি অনেক মিডিয়া প্রোগ্রামে অংশ নেব। প্রার্থীদের সঙ্গেও থাকব। প্রচারেও থাকব।” লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার আরও একটি কারণ দেখিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। বলেন, “নির্বাচনে জয়ের জন্য আরও অনেক ফ্যাক্টর কাজ করে। আমাকে ভাবতে হয়েছে অন্ধ্রে দাঁড়াব নাকি তামিলনাড়ুতে। এর বাইরেও বহু প্রশ্ন রয়েছে। আপনি এই সম্প্রদায়ের নাকি অন্য সম্প্রদায়ের। এই ধর্মের নাকি অন্য ধর্মের। এই জাতির নাকি অন্য জাতির। আমার মনে হল, এসব আমার দ্বারা হবে না (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share