Tag: Madhyom

Madhyom

  • BJP News: রাজ্যের ২ বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, বরানগরে লড়বেন সজল ঘোষ

    BJP News: রাজ্যের ২ বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, বরানগরে লড়বেন সজল ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের সঙ্গে এই রাজ্যের দুই আসনে অনুষ্ঠিত হবে বিধানসভার উপনির্বাচন। একটি উত্তর ২৪ পরগনার বরানগর এবং অপরটি মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা। মঙ্গলবারই এই দুই কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP News)। তৃণমূলের ত্যাগী বিধায়ক তাপস রায় বরানগর আসন থেকে ইস্তফা দেন। বর্তমানে তিনি উত্তর কলকাতা লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী। তাঁর ছেড়ে যাওয়া আসনে গেরুয়া শিবির প্রার্থী করেছে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা বিজেপি নেতা সজল ঘোষকে। অন্যদিকে তৃণমূল বিধায়ক ইদ্রিস আলির মৃত্যুর ফলে খালি হওয়া ভগবানগোলা কেন্দ্রে বিজেপির (BJP News) প্রার্থী হয়েছেন ভাস্কর সরকার।

    কোথায় কবে ভোট?

    ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত হতে চলা ১৮তম লোকসভা নির্বাচন ৭ দফায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি দফাতেই কোনও না কোনও আসনে ভোট হবে বাংলায়। এর মধ্যে তৃতীয় দফার ভোটের দিন অর্থাৎ ৭ মে মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। সেদিনই উপনির্বাচন হবে ভগবানগোলায়। অন্যদিকে, বরানগরের উপনির্বাচন হবে সপ্তম দফার ভোটের দিন অর্থাৎ ১ জুন। প্রার্থী (BJP News) হওয়ার পর সজল ঘোষ বলেন, ‘‘আমার উপরে আস্থা রাখায় দলকে ধন্যবাদ৷ আমার রাজনৈতিক গুরু তাপস রায়। তাঁর আশীর্বাদ নিয়েই আমি এগোব। উত্তর কলকাতায় আমাদের সংগঠন শক্তিশালী৷ আশা করছি দলকে আমি নিরাশ করব না।’’

    সব থেকে আগে প্রার্থী ঘোষণা গেরুয়া শিবিরের

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই দুটি পর্যায়ে রাজ্যের লোকসভার ৩৮টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা হয়ে দিয়েছে বিজেপির (BJP News)। গেরুয়া শিবিরের বাকি রয়েছে চারটি আসনের প্রার্থী ঘোষণা। আসানসোল, ডায়মন্ডহারবার, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রাম। মঙ্গলবার উপনির্বাচনের দুটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। যদিও এখনও পর্যন্ত এই দুই আসনে কোনও প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি তৃণমূল, বামফ্রন্ট বা কংগ্রেস শিবির। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, সব থেকে আগে প্রার্থী ঘোষণা করায় প্রচারে বেশ খানিকটা এগিয়ে থাকবেন ২ কেন্দ্রের উপনির্বাচনের বিজেপি (BJP News) প্রার্থীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Serampore: “চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে, বাউন্ডারি নয় উনি বোল্ড আউট”, কল্যাণকে আক্রমণ কবীরের

    Serampore: “চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে, বাউন্ডারি নয় উনি বোল্ড আউট”, কল্যাণকে আক্রমণ কবীরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ময়দানে প্রাক্তন শ্বশুর-জামাইয়ের লড়াই ব্যাপক ভাবে জমে উঠেছে। কেউ কারুর জমি এক ইঞ্চি ছেড়ে দিতে নারাজ। শ্রীরামপুর (Serampore) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন কবীর শঙ্কর বোস অপরদিকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যাণ নির্বাচনের প্রচারে বলেছিলেন বাউন্ডারি হাঁকাবেন। এবার পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে কবীর বলেন, ‘বোল্ড আউট হবেন।”

    মাহশে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু কবীরের (Serampore)

    শ্রীরামপুরে (Serampore) পরপর তিনবারের তৃণমূল সাংসদ হলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারেও তাঁর আশা জয়ের। অপরদিকে বিজেপি প্রার্থী আইনজীবী কবীর ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছিলেন। এবারের লোকসভায় দুই প্রার্থী পুরোদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। এদিন বিকেলে মাহেশে জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দিয়ে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে প্রচার শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী কবীর। ঘটনাচক্রে বিজেপি প্রার্থী কবির শঙ্কর বোস হলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেয়ের প্রাক্তন স্বামী। প্রাক্তন শ্বশুরকে আক্রমণ করে কবির শঙ্কর বলেন, “চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে। বাউন্ডারি নয় উনি বোল্ড আউট হবেন। ৪ জুন ব্যাগপত্র গুছিয়ে চলে যেতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃ “যেখানেই দাঁড়াব সেখানেই জিতব”, কেন্দ্র বদলেও স্বমহিমায় দিলীপ ঘোষ

    কী বললেন কবীর?

    এদিন শ্রীরামপুরের (Serampore) বিজেপি প্রার্থী কবীর শঙ্কর, কল্যাণকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “সব মানুষের একটা অতীত থাকে এবং বর্তমানও থাকে। এই প্রেক্ষিতে ভবিষ্যৎ থাকে। আমি একজন আইনজীবী, তিনিও আইনজীবী। উনার প্রতি আমার সম্মান রয়েছে। কিন্তু তিনি যে দলে রয়েছেন, সেই দল মাথা থেকে পা পর্যন্ত দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে। এই বাংলায় তাঁদের মুখ দেখানোর জায়গা নেই।”

    উপরাষ্ট্রপতিকে বিকৃত অঙ্গভঙ্গি করেছিলেন কল্যাণ

    উল্লেখ্য শ্রীরামপুরের (Serampore) তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাম্প্রতিক সময়ে সংসদ থেকে সাসপেন্ড হয়ে রাজ্যসভার অধ্যক্ষ তথা দেশের উপরাষ্ট্রপতিকে বিকৃত অঙ্গভঙ্গী করে সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। আবার বিভিন্ন সময়ে সমাজিক মাধ্যমে ঠাকুরের সামনে বাঁধ ভাঙা কান্নার ভিডিও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল। আবার একটা সময় দলের অন্দরে অভিষেকের সঙ্গে সংঘাত চরমে উঠলে এলাকায় কল্যাণের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ে। ফলে তৃণমূলের অন্দরের কোন্দলকে বিজেপি কতটা কাজে লাগাতে পারে, সেটাই এখন দেখার।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Russia Ukrane war: “আমায় বাঁচান”, আর্তি চাকরির খোঁজে রাশিয়ায় গিয়ে ‘ফেঁসে’ যাওয়া বঙ্গবাসীর

    Russia Ukrane war: “আমায় বাঁচান”, আর্তি চাকরির খোঁজে রাশিয়ায় গিয়ে ‘ফেঁসে’ যাওয়া বঙ্গবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রাশিয়ায়। সেখানে তাঁদের জুতে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধে (Russia Ukrane war)। তার জেরে না জেনে অনেকেই শরিক হয়ে যাচ্ছেন বছর দুয়েকেরও বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের। এ খবর আপনাদের অনেক আগেই জানিয়েছে মাধ্যম

    উদ্ধারের করুণ আর্তি (Russia Ukrane war)

    সম্প্রতি ফের প্রকাশ্যে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের আরও এক বাসিন্দার উদ্ধারের করুণ আর্তি। উর্জেন তামাং কালিম্পংয়ের বাসিন্দা। সম্প্রতি তাঁর একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। সেই ভিডিও দিয়ে তাঁর স্ত্রী অম্বিকা কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের কাছে তাঁর স্বামীকে দেশে ফিরিয়ে আনার আবেদন করেছেন। ওই ভিডিওয়ও একই আবেদন করতে দেখা গিয়েছে উর্জেনকে (Russia Ukrane war)। দার্জিলিংয়ের বিদায়ী সাংসদ বিজেপির রাজু বিস্ত বিদেশমন্ত্রক ও রুশ দূতাবাসে কথা বলে উর্জেনকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

    গহীন জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণ

    উর্জেন প্রাক্তন সেনাকর্মী। তাঁর দাবি, চাকরির জন্য জানুয়ারি মাসে একটি সংস্থার মাধ্যমে ভায়া দিল্লি হয়ে রাশিয়া গিয়েছিলেন তিনি। ১৭-১৮ দিন ধরে তাঁকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বন্ড পেপারে সই করিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় জঙ্গলের মধ্যের এক প্রশিক্ষণ শিবিরে। সেখানে ফের একপ্রস্ত প্রশিক্ষণ চলে। ১০-১২ দিন ধরে বন্দুক চালানো শেখানো হয়। তার পরেই তাঁকে জানানো হয়, ইউক্রেনের সঙ্গে লড়তে তাঁকে যেতে হবে রণাঙ্গনে। ভিডিও-বার্তায় উর্জেনকে বলতে শোনা যায়, ভারত সরকারকে অনুরোধ করছি, দয়া করে আমায় বাঁচান। এজেন্টদের কথায় ভরসা করে ফেঁসে গিয়েছি।

    আরও পড়ুুন: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    রাশিয়ায় গিয়ে ফেঁসে গিয়েছিলেন কর্নাটকের কালবুর্গির বাসিন্দা সুফিয়ানও। ভিডিও-বার্তায় সুফিয়ান তাঁকে নিয়ে মোট চারজনের দুর্দশার কাহিনি শুনিয়েছিলেন। এই চারজনকেও অনিচ্ছা সত্ত্বেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে। সুফিয়ান বলেছিলেন, “দয়া করে আমাদের বাঁচান। আমরা হাইটেক জালিয়াতির শিকার।” সুফিয়ানের ভিডিও-বার্তা প্রকাশ্যে চলে আসার দিন কয়েক পরেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হায়দরাবাদের মহম্মদ আসফান নামে বছর ত্রিশের এক যুবকের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। কেন্দ্রের তরফে চলতি মাসেই এই বিষয়ে জানানো হয়েছিল, রাশিয়ায় এভাবে আটকে রয়েছেন আনুমানিক ২৪ জন। তাঁদের সেখান থেকে উদ্ধার করে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে (Russia Ukrane war)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “অন্য পার্টির লোক আমাদের ভুল বুঝিয়ে ছিল, রেখার পাশে রয়েছি”, বললেন বিক্ষোভকারীরা

    Sandeshkhali: “অন্য পার্টির লোক আমাদের ভুল বুঝিয়ে ছিল, রেখার পাশে রয়েছি”, বললেন বিক্ষোভকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহজাহান বাহিনীর নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। পুলিশের পোশাক পরে বাড়িতে ঢুকে অত্যাচার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। সেই প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে এবার বসিরহাট কেন্দ্রের প্রার্থী করা হয়েছে। কিন্তু, রেখা প্রার্থী হতেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বিক্ষোভ। সন্দেশখালির মহিলারাই আবার পথে নামে। পোস্টারে লেখা থাকে, “সন্দেশখালির আন্দোলনকারীরা রেখা পাত্রকে চায় না।” যা নিয়ে ফের চর্চায় চলে আসে সন্দেশখালি। তবে, প্রতিবাদের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই আবার ভোলবদল। এবার সেই মহিলারাই বলছেন, “আমাদের ভুল বোঝানো হয়েছিল…”

    রেখা পাত্রের পাশেই রয়েছি, বললেন বিক্ষোভকারীরা (Sandeshkhali)  

    সোমবার রাস্তায় নেমে বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়। আন্দোলনের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ভোলবদল করলেন রেখা পাত্রের প্রার্থীপদের বিরোধিতায় থাকা মহিলারা। যে মহিলা সোমবার বলেছিলেন, “যে নিজের নামটুকুই সই করতে পারে না, সে লোকসভা কী বিধানসভা কোথাওই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য নয়।” তিনিই রাতারাতি অবস্থান বদল করে বললেন, “আমরা রেখার পাশে আছি। আমাদের ভুল বোঝানো হয়ছিল। রেখা পাত্র আমাদেরই একজন। রেখা প্রার্থী হওয়ায় আমরা খুশি।” বিরোধিতা করা এক মহিলা সোমবার বলেছিলেন, “আমরা পরিশ্রম করেছি বলেই ও আজকে এখানে। ওর কোনও যোগ্যতাই নেই। প্রার্থী হয়ে অহংকার হয়ে গিয়েছে। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ভোট প্রয়োজন নেই বলছে। এলাকাতে নেই ও।” সেই মহিলা আবার মঙ্গলবার বললেন, “গতদিনের জন্য আমরা রেখার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমাদেরকে ভুল বোঝানো হয়েছিল। অন্য লোকের দ্বারা, অন্য পার্টির লোক আমাদের ভুল বুঝিয়ে ছিল। আমরা সেটা বুঝেছি। আমরা রেখার পাশে রয়েছি।” তবে, কোন পার্টির লোক ভুল বুঝিয়েছে সেই বিষয়ে খোলসা করে তাঁরা কিছু বলেননি। আরেক বয়স্ক মহিলা বলেন, রেখার সঙ্গে আমাদের অনেক পুরনো সম্পর্ক। আমরা প্রথম থেকেই ওর পাশে রয়েছি। আমাদের বাড়িতে লোক এসেছিল। ওরা বলেছিল, আমরা নাকি বিজেপিকে ভোট দিয়েছি। আমরা বললাম না. তারপরও আমাদের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গেল।” আরেক মহিলা বললেন, “যাঁরা আমাদের ওর সম্পর্কে ভুলভাল বোঝাতে আসবে, ঝাঁটা মেরে বিদায় করব। প্রয়োজনে রেখার বাড়ি গিয়ে পায়ে ধরে ক্ষমা চাইব আমরা।”

    আরও পড়ুন: মন্দিরে পুজো দিয়ে হোলি খেলে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী কার্তিক পাল

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    এ প্রসঙ্গে অবশ্য রেখা পাত্র বলেন, “আমি শুনলাম আমি নাকি বলেছি, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ভোট আমার লাগবে না। আমি তো একথা বলতে পারি না। সন্দেশখালির মায়েরাই তো আমাকে এই অবধি পৌঁছেছে। তাই একথা আমি কোনওদিনও বলতে পারব না। সন্দেশখালির মুখ আমি। সন্দেশখালির যত মা রয়েছেন, সবাই প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: “ভুয়ো জবকার্ডের টাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার!”, বিস্ফোরক দাবিতে প্রচার শুরু অসীমের

    Purba Bardhaman: “ভুয়ো জবকার্ডের টাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার!”, বিস্ফোরক দাবিতে প্রচার শুরু অসীমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভুয়ো জবকার্ডের টাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হচ্ছে” বলে বিস্ফোরক দাবি তুলে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করলেন বিজেপি প্রার্থী অসীম সরকার। পূর্ব বর্ধমান (Purba Bardhaman) লোকসভায় বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার। রবিবার প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর সোমবার থেকে সংসদীয় ক্ষেত্রে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন তিনি। নিজের গানের মাধ্যমে এলাকায় প্রচার শুরু করেছেন তিনি। একই ভাবে রাজ্যে মমতা সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে তীব্র আক্রমণ করেন।

    কী বলেছেন অসীম সরকার (Purba Bardhaman)?

    পূর্ব বর্ধমান (Purba Bardhaman) কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন শর্মিলা সরকার। অপরদিকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন অসীম সরকার। তিনি এদিন লোকসভার ভোটে প্রচারে গিয়ে বলেন, “১০০ দিনের টাকা চুরি করে তৃণমূল সরকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিচ্ছে। ১ কোটি ২৫ লক্ষ ভুয়ো জব কার্ড করে যে টাকা নিয়েছে সেই টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে দেওয়া হয়েছে। টাকার হিসেব দিলেই সব বোঝা যাবে। জেতা সিট হলেই তৃণমূল জয়ী হবে এমন কোনও কথা নেই। বামেদের অনেক আসন জেতা ছিল, আজ কি আর আছে? বর্তমান পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে ভোট দিতে হবে। তবে মানুষ যদি গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তাহলে তৃণমূল আরব সাগরে গিয়ে পড়বে। প্রতি বুথে এবার থেকে ৬ জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। সঠিক ভাবে ভোটের গণনা হবে। মানুষের রায়ে গেরুয়া ঝড় উঠবে রাজ্যে।”

    আরও পড়ুনঃ রানিমার নাম ঘোষণা হতেই দেওয়ালে লিখন শুরু, রাজবাড়ীতে বিজেপির উচ্ছ্বাস

    শর্মিলাকে আক্রমণ

    এদিন গানের মাধ্যমে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) তৃণমূল প্রার্থীকে তীব্র আক্রমণ করেন অসীমবাবু। তিনি তৃণমূল প্রার্থীকে নিজের স্বরচিত কবি গানের মাধ্যমে ভোটের প্রচারে আক্রমণ করে বলেন, “ও মা শর্মিলা সরকার তুমি নাকি মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, তুমি অদৃশ্য মন দেখতে পার, কিন্তু চোর দেখার চোখ নেই।” তিনি কালনার ১০৮ শিব মন্দিরে পুজো দেন এবং কালনা শহরে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আবিরও খেলেন।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অপর দিকে জেলার (Purba Bardhaman) তৃণমূলের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ বলেন, “অনেক তদন্ত বিজেপি করাচ্ছে। কিন্তু কোনও ভাবেই তৃণমূলকে দোষী প্রমাণ করতে পারবেন না। অসীম সরকার এই এলাকার মানুষ নন। তাঁর অনেক ভিডিও ভাইরাল হয়। তাঁকে বিজেপির লোকজন পাত্তা দেয় না। আমি আর কী পাত্তা দেবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ বিজেপির

    Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। বর্তমানে তিনি রয়েছেন ইডি হেফাজতে। গ্রেফতার হলেও এখন পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী পদে তিনি ইস্তফা দেননি। হেফাজত থেকে রাজ্য চালাচ্ছেন। এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করল বিজেপি। অন্যদিকে, এদিনই বিক্ষোভ দেখায় আম আদমি পার্টিও। প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের সামনের এই বিক্ষোভকে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা মানজিন্দর সিং সিরসা বলেন, ‘‘আবগারি দুর্নীতি থেকে নজর ঘোরাতেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে আপ।’’

    কী বলছেন বিজেপি নেতা?

    বিজেপি নেতা মানজিন্দর সিং বলেন, ‘‘অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) নাটক করছেন ইডি হেফাজতে থেকে। আমি এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি ইডি ডিরেক্টরকে এবং দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে। গ্যাংস্টাররা জেলে বসে যেভাবে নিজেদের গ্যাংকে চালায়। সেই একইভাবে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরকে চালানো হচ্ছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মতো একটি দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষকে মুখ্যমন্ত্রী পদে রাখা যায় না। তাঁকে ইস্তফা দিতেই হবে।’’

    অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি

    আবগারি দুর্নীতি মামলায় ২১ মার্চ গ্রেফতার হন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এই মামলায় ৯ বার ইডি-র সমন এড়িয়েছিলেন কেজরিওয়াল। গত বৃহস্পতিবারই এই মামলায় কেজরিওয়ালকে কোনও প্রকার রক্ষাকবচ দিতে অস্বীকার করে দিল্লি হাইকোর্ট। এর পরই, ২১ মার্চ সন্ধ্যায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দলটিতে ছিলেন ১২ জন আধিকারিক। জানা যায়, একেবারে, ওয়ারেন্ট নিয়ে শুরু হয় তল্লাশি। রাত ৯টা নাগাদ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয় সেদিন। বাজেয়াপ্ত করা হয় তাঁর মোবাইল ফোনও।

    প্রসঙ্গত, আবগারি নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টির কয়েকজন নেতাকে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন (Arvind Kejriwal) দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া ও আপের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং। এছাড়া, এই মামলায় মঙ্গলবার ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয় ভারত রাষ্ট্রীয় সমিতি (বিআরএস) নেত্রী কে কবিতাকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Living Wage: ন্যূনতম মজুরির বদলে ‘লিভিং ওয়েজ’ চালু করার ভাবনা কেন্দ্রের, বিষয়টা কী?

    Living Wage: ন্যূনতম মজুরির বদলে ‘লিভিং ওয়েজ’ চালু করার ভাবনা কেন্দ্রের, বিষয়টা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পাঁচ বছরের রোডম্যাপ তৈরি হয়ে রয়েছে বলে দিন কয়েক আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার জানা গেল, ২০২৫ সালের মধ্যেই ন্যূনতম মজুরি তুলে দিয়ে লিভিং ওয়েজ (Living Wage) চালু করতে চলেছে মোদি সরকার। এজন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠনের সাহায্যও চেয়েছে নয়াদিল্লি। সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় দৈনিকে এমনই দাবি করা হয়েছে। তবে ঠিক কবে থেকে লিভিং ওয়েজ চালু করা হবে, তা জানা যায়নি ওই প্রতিবেদনটি থেকে।

    লিভিং ওয়েজ (Living Wage)

    প্রশ্ন হল, কী এই লিভিং ওয়েজ? মানুষের মৌলিক চাহিদা – অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো বিষয়গুলির ক্রয়ক্ষমতা যাতে মানুষের তৈরি হয়, সেই পরিমাণ বেতন দেওয়াকেই লিভিং ওয়েজ (Living Wage) বলে। ন্যূনতম মজুরির পরিবর্তে লিভিং ওয়েজের ভাবনাকে সমর্থন করে আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠনও। ন্যূনতম মজুরি হল যে পরিমাণ মাইনে দিতেই হয়। আর লিভিং মজুরি হল, মৌলিক চাহিদার জিনিসগুলি কিনতে যত টাকা লাগে, ততটা বেতন দেওয়া। প্রত্যাশিতভাবেই প্রশ্ন উঠবে, ন্যূনতম মজুরির চেয়ে কি লিভিং ওয়েজ বেশি হবে? প্রতিবেদনটি থেকে জানা গিয়েছে, ন্যূনতম মজুরিতে ভারতে এখন যত টাকা বেতন দেওয়া হয়, তার চেয়ে বেশি বেতন পাওয়া যাবে লিভিং ওয়েজ চালু হলে।

    কী বলছে সরকার?

    সরকারের তরফে এক আধিকারিক বলেন, “এক বছরের মধ্যেই ন্যূনতম মজুরি ছাপিয়ে গিয়ে মাইনে দেওয়ার নীতি চালু হতে পারে।” লিভিং ওয়েজের ইতিবাচক অর্থনৈতিক প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরতেও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সাহায্য চাইছে কেন্দ্র। সম্প্রতি জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার গভর্নিং বডিতেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারতে ৫০ কোটিরও বেশি কর্মী, সংখ্যায় যাঁরা ৯০ শতাংশ, তাঁরা কাজ করেন অসংগঠিত ক্ষেত্রে। তাঁরা দৈনিক মজুরি পান ১৭৬ টাকা কিংবা তার কিছু বেশি। এই পরিমাণের ফারাক ঘটে রাজ্য থেকে রাজ্যান্তরে।

    আরও পড়ুুন: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ভারত। ২০৩০ সালের মধ্যে লিভিং ওয়েজ চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। যদিও তা কার্যকরী হবে আগামী বছরের মধ্যেই। জানা গিয়েছে, মোদি সরকার ন্যূনতম মজুরি থেকে লিভিং ওয়েজ (Living Wage) চালু করতে চাইছে দেশ থেকে দারিদ্র দূর করতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Raiganj: মন্দিরে পুজো দিয়ে হোলি খেলে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী কার্তিক পাল

    Raiganj: মন্দিরে পুজো দিয়ে হোলি খেলে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী কার্তিক পাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে আর বেশি দেরি নেই। স্বাভাবিকভাবেই দলের তরফে নাম ঘোষণা হতেই রঙের উৎসবের দিনেই জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়লেন রায়গঞ্জ (Raiganj) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কার্তিক পাল। দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন কর্মী-সমর্থকরা। মন্দিরে পুজো দিয়ে দিনভর চুটিয়ে জনসংযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী। মঙ্গলবার দলীয় কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে হোলি খেলায় মেতে ওঠেন বিজেপি প্রার্থী।

    কে এই কার্তিক পাল? (Raiganj)

    রবিবার রাতেই দিল্লি থেকে রায়গঞ্জ (Raiganj) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে কার্তিক পালের নাম ঘোষণা করা হয়। বিদায়ী সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীকে দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রে টিকিট দেওয়া হয়েছে। ফলে, রায়গঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণীর বিরুদ্ধে ভোট যুদ্ধে সামিল কার্তিকবাবু। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কার্তিকবাবু ভূমিপুত্র। একসময় তিনি পুরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন তিনি এলাকায় প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজ করেছিলেন। ২০১৯ সালের পর তিনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এলাকায় তাঁর নিবিড় জনসংযোগ রয়েছে। এলাকায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। ফলে, কার্তিকবাবু প্রার্থী হওয়াতে শুধু বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা খুশি হয়েছেন তা নয়, সাধারণ মানুষও বেজায় খুশি।

    আরও পড়ুন: চন্দ্রনাথের বাড়িতে উদ্ধার ৪১ লাখ, চলতি সপ্তাহেই মন্ত্রীকে তলব ইডির

    দোল ও হোলিতে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার কালিয়াগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বয়রা কালী মন্দিরে পুজো দেন বিজেপি প্রার্থী। এরপরেই জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার ও দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে প্রচারে বেরিয়ে পড়েন কার্তিক পাল। মাড়োয়ারি পট্টিতে দোল উৎসবে সামিল হন তিনি। তারপর  কালিয়াগঞ্জের শ্রীকলোনিতে অবস্থিত প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রায়গঞ্জের সাংসদ প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির মূর্তিতে মাল্যদান করেন। দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাহেবঘাটা এলাকায় এক নাবালিকার সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানান। সেখান থেকে রাধিকাপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের সমাধিস্থলেও মাল্যদান করেন। পাশাপাশি পরিবারের লোকেদের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। মঙ্গলবার শেঠ কলোনি, মহেন্দ্রগঞ্জ এলাকায় হোলি খেলার পাশাপাশি চুটিয়ে জনসংযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী। পরে, কার্তিকবাবু বলেন, এই লোকসভায় তৃণমূল কোনও ফ্যাক্টর হবে না। আমার বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থীর সঙ্গে আমারপ মূল লড়াই হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে, হোলি খেলে বর্ধমানে লোকসভার প্রচারে দিলীপ ঘোষ

    Dilip Ghosh: শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে, হোলি খেলে বর্ধমানে লোকসভার প্রচারে দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বর্ধমানে হোলি খেলে লোকসভার প্রচারে অংশ গ্রহণ করলেন বিজেপি প্রার্থী। এই ভোটের প্রচার উপলক্ষে বর্ধমানের ১০৮ শিব মন্দিরে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে পুজো দিলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিন সকালে দুর্গাপুরে প্রাতঃভ্রমন সেরে কর্মীদের সাথে দেওয়াল লিখনে যোগদান করলেন তিনি। তারপর সেখানে চায়েপে চর্চা সেরে বর্ধমানে আসেন তিনি। চা পানের সময় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় নেতা কর্মীদের সঙ্গে হোলির শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। মঙ্গলবারে পুজো দিয়েই প্রচার শুরু করে দেন তিনি।

    কী বললেন দিলীপ (Dilip Ghosh)?

    এই দিন নিজের লোকসভা কেন্দ্রে পৌঁছে প্রচার অভিযান শুরু করে দেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। আগের বারে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির জয়ী প্রার্থী ছিলেন এই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। তবে কেন্দ্র বদল হলেও জয় বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী। তিনি এদিন বলেন, “শক্ত আসন বুঝেই দল আমাকে প্রার্থী করেছে। এই কেন্দ্রে বিজেপিই বিপুল ভোটে জয়ী হবে। বাংলায় লোক কম পড়েছে তাই বিহার থেকে তৃণমূলকে প্রার্থী ভাড়া করে আনতে হচ্ছে। আমাদের কর্মীরা রীতিমত ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। জয় আমাদের নিশ্চিত।”

    আরও পড়ুনঃ ‘মায়ের আশীর্বাদে অসুর শক্তিকে নাশ করব’, তৃণমূলকে আক্রমণ অর্জুনের

    মানুষের হয়ে লোকসভায় প্রশ্নের আশ্বাস

    এদিন দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারে একটি বেসরকারি হোটেল থেকে বেরিয়ে শহরের প্রাণ কেন্দ্র সিটি সেন্টার, বেঙ্গল অম্বুজা এলাকায় রাস্তায় হেঁটে প্রচার করেন দিলীপ (Dilip Ghosh)। চলতি পথে লোকের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর তিনি চতুরঙ্গ মাঠে পৌঁছান। তিনি মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং আশ্বাস দেন মানুষের হয়ে লোকসভায় প্রশ্ন করবেন, সমস্যার কথা তুলে ধরবেন। আগামী দিনেও মাঠে মায়দানে থেকে লড়াই করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে শাসকদল সন্ত্রাস করবে না এমনটা হতে পারে না। আর এটা কমিশন খুব ভালো করে জানে। আর তাই ১০০ কোম্পানি বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। সিপিএমের অত্যাচারের থেকেও বেশি তৃণমূল অত্যাচার করছে। মানুষ ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন আনবেন।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    Joe Biden: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোলি উপলক্ষে রঙিন শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। এক্স হ্যান্ডেলে এই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, “আজ, বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ রঙের উৎসবে মাতবেন।

    বাইডেন-বার্তা (Joe Biden)

    এই উৎসব ঘোষণা করে বসন্তের আগমনী বার্তা। আবির ও ভাইব্রান্ট রঙের উৎসব এটি। যাঁরা আজকের রঙের উৎসবে মেতেছেন জিল এবং আমি তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই।” হোলির শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানার টাঙানো হয়েছে নিউ ইয়র্ক শহরের (Joe Biden) টাইমস স্কোয়্যারে। ভারতীয় দূতাবাসের তরফে ওই ব্যানার টাঙানো হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে লেখা হয়েছে, “নিউ ইয়র্ক শহরের হৃদয় থেকে প্রত্যেককে রঙিন ও আনন্দময় হোলির শুভেচ্ছা জানাই। রঙের এই উৎসব আপনার জীবনে সুখ, ভালোবাসা এবং শান্তি আনুক।”

    হোলির শুভেচ্ছা গারসেট্টিরও

    ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেট্টিও হোলির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভিডিও-বার্তায় তিনি বলেছেন, “আমি প্রত্যেককে হোলির শুভেচ্ছা জানাই। আমাদেরও বিস্ময়কর গুজিয়া রয়েছে। তাতে রয়েছে মার্কিন মোচড়। খেলা হয় গোলাপ জলে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে হোলি উৎসব পালনের সমতুল আর কিছুই নেই।”

    রঙিন টাইমস স্কোয়্যারও

    হোলি উপলক্ষে নিউ ইয়র্ক শহরের বিখ্যাত টাইমস স্কোয়্যার সাজানো হয়েছিল রঙিন আলোয়। হোলির শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানারে ব্যানারে ছয়লাপ করা হয়েছিল টাইমস স্কোয়্যার। আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। তাতে ডু-পন্ট সার্কেলের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে লোকজন মেতেছেন রঙের উৎসব। নাচছেন, গাইছেন, নানা রঙে রঙিন হচ্ছেন, রাঙিয়ে দিচ্ছেন একে অন্যকে (Joe Biden)।

    আরও পড়ুুন: “আমেঠির মতো রাহুলের পরিণতি হবে এখানেও”, বললেন ওয়েনাড়ের বিজেপি প্রার্থী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share