Tag: Madhyom

Madhyom

  • Barrackpore: ‘মায়ের আশীর্বাদে অসুর শক্তিকে নাশ করব’, তৃণমূলকে আক্রমণ অর্জুনের  

    Barrackpore: ‘মায়ের আশীর্বাদে অসুর শক্তিকে নাশ করব’, তৃণমূলকে আক্রমণ অর্জুনের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নৈহাটিতে বড়মার মন্দিরে পুজো দিয়ে নির্বাচনের প্রচার শুরু করলেন বারাকপুরের (Barrackpore) বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। গতকাল চতুর্থ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। এরপর আজ থেকেই প্রচারে নেমে পড়লেন বিজেপি প্রার্থীরা। তৃণমূলের প্রার্থী পার্থ ভৌমিককে আক্রমণ করে নির্বাচনে জয়ের সঙ্কল্প নিলেন অর্জুন। তিনি বললেন, “মায়ের আশীর্বাদে অসুর শক্তিকে নাশ করব।” পাল্টা তৃণমূল কটাক্ষ করেছে বিজেপিকে।

    কী বললেন অর্জুন সিং (Barrackpore)?

    বারাকপুরের (Barrackpore) বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “মায়ের কাছে প্রার্থনা করলাম, মা আমাকে সফল করুন। যত অসুর শক্তি আছে, তাদের নাশ করবেন।” এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “পার্থ ভৌমিক এই এলাকার ভূমিপুত্র নন। ভূমিপুত্র হলে নৈহাটি ছেড়ে সোদপুরে যেতেন না। তাঁর বাড়ি ওখানেই। নৈহাটিতে মোহভঙ্গ হয়েছে তাই বেশির ভাগ সময় বাইরে থাকেন। এই শিল্পাঞ্চলের মানুষ ২০১১ থেকে ভূমিপুত্র হিসাবে অর্জুনকেই পেয়েছেন। মানুষের সুখে দুঃখে আমাকেই পায় কাছে। তাই মায়ের কাছ থেকে আমার উপর আশীর্বাদ যেন বর্ষিত হয়।”

    আর কী বললেন?

    বারাকপুরের (Barrackpore) প্রার্থী অর্জুন আরও বলেন, “আমার পরিবার ১৪০ বছরের পরিবার। এই এলাকায় আমরা ১৪০ বছর ধরে মানুষের সেবা করে আসছি। এই এলাকার মানুষের আশীর্বাদ আমার উপরে থাকবে।” অপর দিকে তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক বলেন, “৪ জুন ফলাফল আসবে। অর্জুন সিং নিজে চোখে সর্ষে ফুল দেখবেন।”

    উল্লেখ্য তৃণমূলের ব্রিগেডের জনগর্জন সভায় বারাকপুরের প্রার্থী হিসাবে পার্থ ভৌমিকের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই সময়ে অর্জুন বলেন আমার সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে। আগে জানতে পারলে আসতাম না সভায়। কিন্তু অর্জুন সিং প্রথম বারের জন্য ২০১৯ সালে সাংসদ হয়েছিলেন বিজেপির টিকিটেই। পরে ২০২১ সালের পর নিজে আবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলের ফিরে যান। কিন্তু ফের এবার লোকসভার আগে তৃণমূল থেকে টিকিট না পেয়ে আরেকবার দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। লোকসভা নির্বাচনের আবহে বারাকপুর  এখন বেশ সরগরম।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir Ayodhya: প্রথমবার রঙের উৎসবে রামলালা, অযোধ্যায় মহাসমারোহে পালিত দোল

    Ram Mandir Ayodhya: প্রথমবার রঙের উৎসবে রামলালা, অযোধ্যায় মহাসমারোহে পালিত দোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir Ayodhya) ভিতরে দোল উৎসব উদযাপন করলেন ভক্তরা। চলতি বছরেই বালক রামের মূর্তির সামনে প্রথম রঙের উৎসবে সামিল হন পুণ্যার্থীরা। রাম মন্দিরের দোল উৎসব উদযাপনের সেই দৃশ্য ইতিমধ্যেই নিজেদের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছে ‘শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’। এর পাশাপাশি মন্দিরের অদূরে অবস্থিত হনুমানগড়িতেও রঙ উৎসবে মেতে ওঠেন ভক্তরা। দোলেরর দিন সকালেই রামলালাকে পরানো হয় নতুন পোশাক। দেওয়া হয় ৫৬ ধরনের ভোগ। এরপর রামচন্দ্রের (Ram Mandir Ayodhya) পায়ে আবির নিবেদনের মাধ্যমে সূচনা হয় দোল উৎসবের।

    রাম মন্দিরে দোল উৎসব

    বিপুল সংখ্যায় ভক্তরা এদিন রাম মন্দিরে (Ram Mandir Ayodhya) হাজির হন বিগ্রহ দর্শনে। পাশাপাশি রঙ উৎসবে মেতে ওঠেন তাঁরা। দোল উৎসব উদযাপনের সময় ভক্তিমূলক গানও গাইতে থাকেন ভক্তরা। প্রসঙ্গত ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে (Ram Mandir Ayodhya) প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। তারপরে চলতি বছরে এমন জাঁকজমক পূর্ণ রঙের উৎসবের সাক্ষী থাকল গোটা অযোধ্যা। দোল উৎসব পালন করতে গিয়ে এদিন ভক্তরা নিজেদের মধ্যে মিষ্টিমুখও করেন। প্রসঙ্গত চলতি বছরের দোল উৎসব যে মহাসমারোহে পালিত হতে চলেছে, তা গতকালই বলেন মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস। গতকাল তিনি বলেন, “দোলের দু’দিন আগে থেকেই মানুষ উদযাপনে মেতেছেন। একে অপরকে রঙ মাখানো শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর, রাম মন্দিরে (Ram Mandir Ayodhya) এবার জমকালো ভাবে দোল উদযাপনের আয়োজন করবে রাম মন্দির ট্রাস্ট।”

    ফুলের আবিরে দোল উৎসব

    দোল উৎসব উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে মন্দির চত্বরে। পৌরাণিক মত অনুসারে, ত্রেতা যুগে ফুলের আবিরে দোল খেলা হত। ঠিক সেইভাবেই এবছর কাচনার ফুলের আবির দিয়ে খেলা হল। গতকাল রাত থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে জোর কদমে শুরু হয় প্রস্তুতি। গবেষকদের মতে,  ত্রেতাযুগ থেকেই এই কাচনার ফুলকে অযোধ্যার রাজ্যবৃক্ষ বলা হত। গোরখপুর মন্দিরের দেওয়া ফুল থেকে তৈরি করা হয়েছে ভেষজ আবির। যা মানুষের ত্বকের জন্য অত্যন্ত নিরাপদ বলে মনে করা হচ্ছে।

    বালক রামের ছোট মূর্তি গড়লেন অরুণ যোগীরাজ

    রামলালার (Ram Mandir Ayodhya) বিগ্রহ তৈরি করেই দুনিয়া জুড়ে প্রচারের আলোয় এসেছিলেন অরুণ যোগীরাজ। জানুয়ারি মাসের পর ফের একবার রামলালার মূর্তি গড়লেন অরুণ। এবার ছোট আকৃতির রামলালা তৈরি করলেন শিল্পী। এক্স হ্যান্ডেলে সেই মূর্তির ছবিও শেয়ার করেছেন তিনি। সেখানে মূর্তি হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে অরুণকে। বিগ্রহটি ৫১ ইঞ্চি লম্বা। অরুণ যোগীরাজ লেখেন, “আমার তৈরি রামলালার প্রধান মূর্তি নির্বাচিত হওয়ার পর, অবসর সময়ে আমি আরও একটি ছোট রামলালার পাথরের মূর্তি তৈরি করেছি।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: কর্মীদের সঙ্গে আবির খেলে, দেওয়াল লিখন করে চুটিয়ে জনসংযোগে রানিমা অমৃতা রায়

    Nadia: কর্মীদের সঙ্গে আবির খেলে, দেওয়াল লিখন করে চুটিয়ে জনসংযোগে রানিমা অমৃতা রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির রানিমা অমৃতা রায় বিজেপিতে যোগ দেন। সেই রানিমাকে এবার কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে প্রার্থী করল বিজেপি। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই গেরুয়া আবির নিয়ে খেলায় মেতে উঠলেন কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির রানিমা। রাজবাড়ির চত্বরে দেখা গেল স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব থেকে শুরু করে কর্মী সমর্থকদের। সকলের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় সহ গেরুয়া আবিরে হোলি খেললেন তিনি। এমনকী রং তুলি হাতে দেওয়াল লিখতেও দেখা গেল কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়কে।

    কলকাতার লা মার্টিনের ছাত্রী রানিমা (Nadia)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অমৃতার জন্ম ১৯৬১ সালের ডিসেম্বরে। তাঁর স্বামী সৌমিশ চন্দ্র রায়। তিনি কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির ৩৯তম কুলবধূ। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সময় কাল থেকে ধরলে অমৃতা রায় নবম কুলবধূ। নদিয়া (Nadia) রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পরিবারের নবম পুরুষ সৌমিশ চন্দ্র রায়। তাঁরই স্ত্রী অমৃতা। আর অমৃতা রায়ের একমাত্র পুত্র মণীশ চন্দ্র রায়। তিনি পেশায় আইনজীবী। অমৃতার স্বামী এয়ার ইন্ডিয়াতে চাকরি করতেন। কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির ঐতিহ্যের সম্পত্তি দেখভালের জন্য লন্ডনে থাকাকালীন স্বেচ্ছা অবসর নিয়ে কৃষ্ণনগরে চলে আসেন তিনি। বর্তমানে কৃষ্ণনগরের পাশাপাশি কলকাতা বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডেও বসবাস করেন বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়। শিক্ষা ক্ষেত্রে রানিমা বিড়লা উইমেন্স কলেজ থেকে আইএসসি পাশ করেন তিনি। লা মার্টিন স্কুলেও পড়াশোনা করেছেন অমৃতা। কলেজ পাশ করার পর মন্তেশ্বরী দেবী শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও ধন্তেশ্বরী টিচার্স ট্রেনিং স্কুল তৈরি করেন। শিল্পকলার অত্যন্ত পৃষ্ঠপোষক অমৃতা রায়। ডেকোরেশনের বিষয়েও তাঁর যথেষ্ট পারিদর্শিতা রয়েছে বলে জানা যায়। এক্ষেত্রে ইন্টিরিয়র ডেকোরেশনে তিনি বিশেষ পারদর্শী অমৃতা রায়। ক্রিয়েটিভ ডিজাইন নিয়েও কনসালট্যান্টের কাজ করেছেন তিনি। অমৃতা রায়ের বাবা কিশোরপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী ছিলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাজতন্ত্র উঠে যায়। তবুও, আজও রাজবাড়ি ঘিরে আবেগ জড়িয়ে রয়েছে কৃষ্ণনগরের মানুষের।

    আরও পড়ুন:’নিজের মনে করেই সকলে আবির মাখাচ্ছে’, দোলে জনসংযোগ করে বললেন সুকান্ত

    দোল উৎসবে রাজবাড়িতে কর্মীদের সঙ্গে আবির খেললেন রানিমা

    এদিন সকাল থেকে রানিমার সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিজেপি কর্মীরা। রাজবাড়ির মধ্যে এই প্রথম কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মীরা আবির খেলায় মেতে ওঠেন। এ বিষয়ে রাজবধূ অমৃতা রায় বলেন, দোল উৎসবের এই শুভদিনে সকলের মঙ্গল কামনা প্রার্থনা করি। তবে, দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমি একটা জায়গা খুঁজছিলাম। সেই বৃহত্তর একটা জায়গা আমি খুঁজে পেলাম। বিগত দিনে আমাদের বংশধররা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, ঠিক সেইভাবে আমিও মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। আমার দলের স্ট্যাটেজি যাই হোক আমি একজন সাধারণ মানুষ হয়েই মানুষের পাশে থাকবো। এদিনের বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে আবির খেলায় উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগর উত্তর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস সহ একাধিক দলীয় নেতৃত্বরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Krishna Nagar: রানিমার নাম ঘোষণা হতেই দেওয়ালে লিখন শুরু, রাজবাড়ীতে বিজেপির উচ্ছ্বাস

    Krishna Nagar: রানিমার নাম ঘোষণা হতেই দেওয়ালে লিখন শুরু, রাজবাড়ীতে বিজেপির উচ্ছ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষ্ণনগর (Krishna Nagar) লোকসভায় রানিমার নাম ঘোষণা হতেই দেওয়ালে রঙ তুলি দিয়ে লিখন শুরু। গতকাল বিজেপির চতুর্থ প্রার্থী তালিকায় বাংলায় ১৯ আসনের নাম ঘোষণা হয়েছে। এই তালিকায় কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী হিসাবে রানীমা অমৃতা রায়ের নাম ঘোষণা হতেই রাজবাড়িতে কর্মী সমর্থকদের উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেল। রাজবাড়িতে গেরুয়া আবিরে হোলি খেললেন সকলে মিলে। একই সঙ্গে দেওয়াল লিখনে অংশ গ্রহণ করলেন রানিমা। সেই সঙ্গে তৃণমূল প্রার্থীকে দিলেন হুঙ্কার।

    কী বলেন বিজেপি প্রার্থী রানি মা (Krishna Nagar)

    কৃষ্ণনগরের (Krishna Nagar) বিজেপি প্রার্থী রানিমা অমৃতা রায়, তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে প্রচার করার অনেক ইস্যু রয়েছে। সব কিছুকেই তুলে ধরব আমরা। জয় বিষয়ে আমি ১০০ শতাংশ সুনিশ্চিত।” এই রানিমার জন্ম ১৯৬১ সালে। তিনি কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির ৩৯ তম কুলবধূ। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সময় ধরলে তিনি নবম কুলবধূ। পরিবারের নবম পুরুষ হলেন সৌমিশ চন্দ্র রায়। তাঁর স্ত্রী হলেন অমৃতা। তাঁর একমাত্র পুত্র মনীশ চন্দ্র রায়। পুত্র পেশায় একজন আইনজীবী। তাঁর স্বামী এয়ার ইন্ডিয়াতে চাকরি করতেন। রাজবাড়ির সম্পত্তি দেখার জন্য স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে কৃষ্ণনগরে চলে আসেন।

    রানিমার পড়াশুনা

    রানিমা অমৃতা রায় কৃষ্ণনগরের (Krishna Nagar) পাশাপাশি বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের একটি বাড়িতেও থাকেন। তিনি বিড়লা উইমেন্স কলেজ থেকে আইএসসি পাশ করেন। লামার্টিন স্কুলে পড়াশুনা করেছেন। কলেজ শেষ করে মন্তেশ্বরী দেবী শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও ধন্তেশ্বরী টিচার্স ট্রেনিং স্কুল তৈরি করেন। শিল্পকলায় নিজে অসাধারণ পারদর্শী ছিলেন। ক্রিয়েটিভ ডিজাইনের উপর অনেক কাজ করেছেন। তাঁর বাবা ছিলেন কিশোর প্রসাদ মুখোপাধ্যায়। তিনি কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের একজন স্বনামধন্য আইনজীবী ছিলেন। সম্প্রতি শুভেন্দু অধিকারীর হাত থেকে বিজেপির পতাকা নিয়ে দলে যোগদান করেছেন রানিমা। এবার লোকসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘নিজের মনে করেই সকলে আবির মাখাচ্ছে’, দোলে জনসংযোগ করে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘নিজের মনে করেই সকলে আবির মাখাচ্ছে’, দোলে জনসংযোগ করে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্ত উৎসবের দিন সকালেই  জনসংযোগে বেরিয়ে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সোমবার সকালে বালুরঘাটের একাধিক ক্লাবে ক্লাব সদস্যদের সঙ্গে আবির খেলায় অংশগ্রহণ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এরই মাঝে চুটিয়ে জনসংযোগ সারেন তিনি।

    দোল উৎসবে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    রবিবার বিকেলে দিল্লি থেকে ফিরে বিভিন্ন ব্লকে অঞ্চল কমিটির মিটিং এ অংশগ্রহণ করেছিলেন। সোমবার সকাল থেকে গোটা জেলাবাসী বসন্ত উৎসবে মেতেছেন। বালুরঘাট শহরের একাধিক ক্লাবে তাঁর অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণ করার কথা। সকাল ১১ টা নাগাদ তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রথমেই যান বালুরঘাট নিউটাউন ক্লাবে। এরপর অভিযাত্রী ক্লাব, বালুরঘাট হাইস্কুলসহ আরও বিভিন্ন ক্লাবে যান তিনি। দুপুরে পার্টি অফিসে দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গেও বসন্ত উৎসবে যোগ দেন বিজিপি রাজ্য সভাপতি। বসন্ত উৎসবের দিন সুকান্ত মজুমদারকে পেয়ে খুশি বালুরঘাটবাসী। এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, রঙের উৎসব আজকের দিনটা সবার ভালো কাটুক। আমি সকালে বালুরঘাটে বিভিন্ন জায়গার দোল উৎসবে হাজির হয়েছি। পাশাপাশি জনসংযোগ করলাম। এই উৎসবে বারুদ-গুলি বাদে শুধু রঙ উড়ুক। আজ আমাকে বালুরঘাটবাসী নিজে এসে আবির মাখাচ্ছে। নিজের মনে করেই আমাকে আবির মাখিয়েছে। বালুরঘাটসহ পুরো জেলাবাসী আমার আত্মীয়। আমি তাঁদের পাশে সবসময় থাকবো।

    আরও পড়ুন: তমলুকে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে প্রার্থী করে বড় চমক দিল বিজেপি

    সন্দেশখালিতে বিজেপি প্রার্থীর নামে পোস্টার নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    সন্দেশখালিতে বিজেপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে পোস্টার পড়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, যারা প্রার্থী হতে পারে না তারা একটু বিক্ষোভ দেখায়। সন্দেশখালির ক্ষেত্রে যে প্রার্থী হয়েছেন তার বদলে অন্য প্রার্থী চায় এইরকম দাবি অনেক ওঠে, অনেকের ইচ্ছে থাকে প্রার্থী হওয়ার। আমরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। বিজেপি একবার যখন প্রার্থী ঘোষণা করে, তখন সেই সিদ্ধান্ত সবাইকে বোঝাতে হয়। আমরা বিভিন্ন দিক থেকে মানুষকে বোঝাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Student: লন্ডনে ট্রাকের ধাক্কায় ভারতীয় পিএইচডি ছাত্রীর মৃত্যু! 

    Indian Student: লন্ডনে ট্রাকের ধাক্কায় ভারতীয় পিএইচডি ছাত্রীর মৃত্যু! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিদেশের মাটিতে ভারতীয় পড়ুয়ার (Indian Student) মৃত্যু। লন্ডনে সাইকেলে করে নিজের ঘরে ফেরার সময় ট্রাকের ধাক্কায় ছাত্রীটির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃত ছাত্রীর নাম চেস্থা কোছার। বয়স হয়েছিল মাত্র ৩১ বছর। চেস্থা আগে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, অশোকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা করেছিলেন। ঘটনার কথা আজ প্রকাশিত হলেও গত সপ্তাহেই এই মৃত্যু ঘটেছিল বলে জানা গিয়েছে।

    গতকালই আবার আমেরিকার পেনসিলভ্যানিয়ায় একটি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ২১ বছরের এক ভারতীয় তরুণীর। নিহত তরুণীর নাম হল আর্শিয়া জোশি। এই বিষয়ে নিউ ইয়র্কের ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তরুণীর দেহ যত দ্রুত সম্ভব ভারতে ফেরানো হবে। সূত্রে জানা গিয়েছে ওই তরুণী নিজে দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন। ঘটনায় পরিবারে ব্যাপক শোকের ছায়া। 

    নীতি আয়োগ দফতরের কর্মী ছিলেন চেস্থা (Indian Student)

    গবেষক ছাত্রী (Indian Student) চেস্থা কেন্দ্র সরকারের নীতি আয়োগ দফতরের কর্মী ছিলেন। ২০২১ সালের জুন থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত এই দফতরে কাজ করেছেন। লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সে বিহেভিয়ারল সায়েন্স নিয়ে গবেষণা করছিলেন তিনি। এই কাজের সূত্রেই লন্ডনে থাকছিলেন। তাঁর বাবা ছিলেন অবসর প্রাাপ্ত লেফটন্যান্ট জেনারেল ডক্টর এস পি কোছার। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সেলুলার অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার মহানির্দেশক ছিলেন লেফটেন্যান্ট কোছার। তিনি অবশ্য প্রথমে সামাজিক মাধ্যমে মেয়ের মৃত্যুর খবর পান।

    ১৯ মার্চ ঘটেছিল দুর্ঘটনা

    কোছারের একটি পোস্ট থেকে জানা যায়, গত ১৯ মার্চ একটি দুর্ঘটনা ঘটেছিল। সাইকেল করে লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স থেকে ফেরার সময় এই ঘটনা ঘটে। লেফটেন্যান্ট কোছার এখন লন্ডনে রয়েছেন। মেয়ের (Indian Student) মৃতদেহ ফিরে পাওয়ার প্রশাসনিক কাজ শেষ হলে ভারতে ফিরবেন বলে জানা গিয়েছে। অপরদিকে লন্ডন পুলিশ জানিয়েছে ফেরিংডন ও ক্লার্কেনওয়েলের মাঝে দুর্ঘটনা ঘটে রাত সাড়ে আটটা নাগাদ। ঘটনায় গুরুতর আঘাত পান চেস্থা। হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতেই তাঁর মৃত্যু ঘটে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়নি।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: রেখা পাত্র বিজেপি-র প্রার্থী হতেই বক্স বাজিয়ে রং খেলায় মাতলেন সন্দেশখালিবাসী

    Sandeshkhali: রেখা পাত্র বিজেপি-র প্রার্থী হতেই বক্স বাজিয়ে রং খেলায় মাতলেন সন্দেশখালিবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) নারী নির্যাতন নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে পথে নেমে আন্দোলন করেছিলেন। সেই প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে বসিরহাট লোকসভায় প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে বিজেপি। রেখা পাত্র প্রার্থী ঘোষণা হতেই সন্দেশখালিতে রবিবার রাত থেকে রং খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    সাউন্ড বক্স বাজিয়ে উৎসবে মেতে ওঠেন সন্দেশখালিবাসী (Sandeshkhali)

    গত কয়েকমাস ধরে জ্বলছে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। সেখানকার দাপুটে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তবে ভয়ে মুখ খোলার সাহস ছিল না কারও। পরবর্তীতে ইডি হানাকে কেন্দ্র করে খানিকটা বিপাকে পড়েন শেখ শাহজাহান। বাধ্য হন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করতে। কিন্তু, শাহজাহানের শাগরেদরা তখনও রীতিমতো নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ। এক পর্যায়ে এই দ্বীপ এলাকার বাসিন্দাদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে। জনরোষ ব্যাপক আকার নেয়। রেখা পাত্রের নেতৃত্বে পথে নেমে আন্দোলন করেন মহিলারা। লোকসভায় এই সন্দেশখালিকে শাসকদলের বিরুদ্ধে হাতিয়ার করে বিজেপি। প্রতিবাদী মুখ রেখার ওপর আস্থা রাখে পদ্মশিবির। আর তারপরই সন্দেশখালির বাসিন্দারা আনন্দে মেতে ওঠেন। রং খেলায় সামিল হন। সন্দেশখালির পুকুরপাড়ায় এদিন সকাল থেকে জোরে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে মহিলাদের নাচ গান চলছে। রং খেলায় মেতে ওঠেন সকলে। তাঁরা বলছেন, “রেখা পাত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাই খুশিতে নাচছি। আমাদের গর্ব যে সন্দেশখালির আন্দোলনকারী মহিলা প্রার্থী হয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: তমলুকে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে প্রার্থী করে বড় চমক দিল বিজেপি

    ১৩ বছর হোলি খেলা হয়নি!

    বিজেপি প্রার্থী রেখা বলেন, “সন্দেশখালিতে রবিবার রাত থেকেই রং খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে। ১৩ বছর ধরে আমি যে হোলি খেলা চোখে দেখতে পাইনি, সেই হোলি খেলা দেখলাম।”কেন এত বছর রং ছিল না সন্দেশখালিতে? বিজেপি প্রার্থী রেখার কথায়, “আমাদের সন্দেশখালির পরিস্থিতিটাই এমন ছিল। কেউ সাহসই পাননি রাস্তায় বেরিয়ে হোলি খেলবেন। মা বোনেদের বুকে সেই সাহসই ছিল না। এই আন্দোলনের পর সেই সাহসটা বেরিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Holi 2024: “বৈচিত্র্যময় সমাজে প্রাণবন্ত রঙ সহনশীলতার চেতনার প্রতীক”, হোলিতে বার্তা দ্রৌপদী মুর্মুর

    Holi 2024: “বৈচিত্র্যময় সমাজে প্রাণবন্ত রঙ সহনশীলতার চেতনার প্রতীক”, হোলিতে বার্তা দ্রৌপদী মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু হোলিতে (Holi 2024) দেশের সকল নাগরিকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই ভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক বার্তায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, “হোলির শুভ উপলক্ষ্যে, আমি ভারতে এবং বিদেশে বসবাসকারী সমস্ত ভারতীয়দের আমার শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানাই।” সারা দেশ রঙের উৎসবে মেতে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গে পালিত হচ্ছে দোল পূর্ণিমা এবং বসন্ত উৎসব। ছোট থেকে বড় সকল কচিকাচারা মেতে উঠেছে এই রঙের উৎসবে। উত্তর ভারতে পালিত হয়েছে হোলিকা দহন।

    রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বার্তা (Holi 2024)?

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু শুভেচ্ছা বিনিময় করে বলেন, “হোলির (Holi 2024) উত্সব আমাদের বৈচিত্র্যময় সমাজে প্রাণবন্ত রঙ এবং সহনশীলতার চেতনার প্রতীক। আনন্দের এই উৎসব মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিকে আরও উন্নত করার সুযোগ নিয়ে আসে। রঙের এই অনন্য উৎসব সবার মধ্যে ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও দৃঢ় করে। তাই সকলের জন্য মঙ্গল কামনা করি। এই আনন্দময় অনুষ্ঠানে, আসুন আমরা আমাদের সমাজ ও জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার করি।”

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    দেশবাসীকে শুভেচ্ছা বিনিময় করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছেন, “আমি আমার দেশের সকল দেশবাসীকে হোলির (Holi 2024) শুভেচ্ছা জানাই। স্নেহ ও সম্প্রীতির রঙে সজ্জিত এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব আপনার জীবনে বয়ে আনুক নতুন শক্তি ও উদ্দীপনা।” আবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সকলের জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি, সম্প্রীতি এবং নতুন শক্তি কামনা করে রঙের উত্সব হোলিতে জনগণকে নিজের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “সকল দেশবাসীকে রং ও আনন্দের মহান উৎসব হোলির শুভেচ্ছা। সুখের এই উত্সবটি আপনার সকলের জীবনে সমৃদ্ধি এবং সম্প্রীতির রঙ নিয়ে আসুক। নতুন শক্তি সঞ্চারণের মাধ্যম হয়ে উঠুক।”

    একই ভাবে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং হোলি (Holi 2024) উপলক্ষে দেশবাসীকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি এক বার্তায় বলেছেন, “হোলি উৎসবে আপনাদের সকলকে শুভেচ্ছা। রঙের এই উৎসব আপনার জীবনে আনন্দ, উদ্দীপনা এবং নতুন শক্তি যোগাবে।”এই হোলির দোল পূর্ণিমায় নবদ্বীপে শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু মর্তে আবির্ভূত হয়েছিলেন। বাঙালির ঘরে ঘরে হরিনাম সংকীর্তন এবং নারায়ণ পুজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: চন্দ্রযানের ল্যান্ডিং পয়েন্টকে ‘শিবশক্তি’ নাম দেন মোদি, মিলল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    Chandrayaan 3: চন্দ্রযানের ল্যান্ডিং পয়েন্টকে ‘শিবশক্তি’ নাম দেন মোদি, মিলল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ গবেষণায় বড় সাফল্য আসে গত অগাস্টে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3)। আর চাঁদে যে পয়েন্টে গিয়ে ভারতের চন্দ্রযান-৩ ল্যান্ড করেছিল, সেই জায়গার নাম ‘শিবশক্তি’ রেখেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া সেই নাম ‘শিবশক্তি’কে অনুমোদন দিল আন্তর্জাতিক মঞ্চ। ২০২৩ সালের ২৮ অগাস্ট ইসরোর দফতরে প্রধানমন্ত্রী মোদি এই ঘোষণা করেন। শিবশক্তি নামকরণের কারণ হিসাবে প্রধানমন্ত্রী তখন জানিয়েছিলেন, শিব শব্দের অর্থ মানব সভ্যতার কল্যাণ। শক্তি শব্দ মানব কল্যাণকে টেনে নিয়ে যায়।

    সিলমোহর দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন

    চন্দ্রযান-৩ এর ল্যান্ডিং পয়েন্টকে এবার থেকে আন্তর্জাতিকভাবে শিবশক্তি পয়েন্ট হিসাবে গণ্য করা হবে। শিবশক্তি নামটিতে সিলমোহর দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন। জানা গিয়েছে, ১৯ মার্চ এই অনুমোদন মিলেছে প্রতিষ্ঠানের তরফে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক মঞ্চের তরফে এই অনুমোদন যে কোনও দেশের মহাকাশ বিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বলে মনে করা হয় (Chandrayaan 3)। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়নের তরফে যে সমস্ত মহাজাগতিক বিষয়গুলির নামকরণ করা হয়, সেই ‘গেজেটার অফ প্ল্যানেটারি নোমেনক্লিচার’-এ শিবশক্তি নামকরণকে মান্যতা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, চাঁদের মাটিতে ওই জায়গাতেই প্রথম নামে চন্দ্রযান-৩ এর বিক্রম ল্যান্ডার।

    চন্দ্রযান মহাকাশে পাড়ি দেয় ২০২৩ সালের জুলাইতে

    ২০২৩ সালের ২৩ অগাস্ট, চাঁদের মাটিতে প্রথম নামে বিক্রম ল্যান্ডার। গায়ে কাঁটা দেওয়া মুহূর্তে গোটা দেশ উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছিল। শুরু হয় উৎসব। সফল হয় ইসরোর পরিশ্রম। ২০২৩ সালের ১৪ জুলাই শ্রীহরিকোটার ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে রওনা হয় চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) । ১ মাস ৯ দিনের মাথায় দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণ বিক্রম। ভারতই হয় প্রথম দেশ যা দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। চন্দ্রপৃষ্ঠে ১০ দিনের অন্বেষণ চালায় রোভার। তার ক্যামেরায় তোলে ল্যান্ডার বিক্রমের ছবিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohamed Muizzu: চিন থেকে ঋণ নেওয়াই কি কাল হল দেশটির? কী বললেন মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি

    Mohamed Muizzu: চিন থেকে ঋণ নেওয়াই কি কাল হল দেশটির? কী বললেন মালদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একরোখা মনোভাব ত্যাগ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত করতে পরামর্শ মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতিকে। মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ মুইজুকে (Mohamed Muizzu) তাঁর পূর্বসূরি রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ তাঁর অবস্থানের দৃঢ়তা ত্যাগ করার এবং দেশের আর্থিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রতিবেশী দেশগুলির সাথে বার্তালাপ করার পরামর্শ দিয়েছেন। সেইসঙ্গে তিনি প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে কথাবলার জন্য অনুরোধ করেছেন। মালদ্বীপের এই আর্থিক সমস্যা মোকাবেলার জন্য এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কী বললেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি?

    এদিন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি সোলিহ ভারতের সাথে ঋণ পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনায় জন্য বর্তমান রাষ্ট্রপতি মুইজ্জুকে (Mohamed Muizzu) পরামর্শ দেন। সোলিহ যুক্তি দিয়েছেন যে মালদ্বীপের আর্থিক চ্যালেঞ্জগুলি প্রাথমিকভাবে চীনের পাওনা ঋণ থেকেই মূলত তৈরি হয়েছে। তিনি বলেছেন, “ভারতের তুলনায় মালদ্বীপের ঋণ চীনের কাছে দ্বিগুণেরও বেশি। মালদ্বীপকে সাহায্য করার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী ইসলামিক দেশগুলির ইচ্ছার প্রতিও আস্থা প্রকাশ করে কথাবার্তার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।” এই প্রসঙ্গে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, “মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রাপ্ত সীমিত সহায়তা বলতে ৫০ টন খেজুর মাত্র। আর কিছুই লাভ হয়নি। আমাদের একগুঁয়ে হওয়া বন্ধ করে সংলাপের জন্য চেষ্টা করতে হবে। অনেক দেশ আছে, যারা আমাদের সাহায্য করতে পারে। কিন্তু মুইজ্জু আপোস করতে চান না। আমি মনে করি বর্তমান সরকার এখন এই পরিস্থিতি বুঝতে শুরু করেছে। তাই পদক্ষেপ জরুরি দেশের জন্য।”

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে অবনতি

    মুইজ্জু (Mohamed Muizzu) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়ে এবং পরে ভারত সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করায় ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ভারতীয় সামরিক সেনা নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্যে করেছিলেন তিনি। চার মাস আগে দায়িত্ব নেওয়া সত্ত্বেও, মুইজ্জু এখনও ভারত সফর করেননি। মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতিদের ভারতে প্রথম বিদেশ সফরের ঐতিহ্যকে ভেঙে মুইজু তার প্রথম সফর উপলক্ষে জানুয়ারি মাসে চীন গিয়েছিলেন। তার ভারত বিরোধী বক্তব্য সত্ত্বেও, মালদ্বীপকে ভারত ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসাবে স্বীকার করে ঋণ-ত্রাণ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানায়। গত বছরের শেষ নাগাদ মালদ্বীপকে ভারত প্রায় ৪০০.৯ মিলিয়ন ঋণ দিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share