Tag: Madhyom

Madhyom

  • ISKCON Mayapur: মায়াপুর ইসকনে হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত দোল উৎসবে মাতলেন

    ISKCON Mayapur: মায়াপুর ইসকনে হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত দোল উৎসবে মাতলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৫৩৮ তম মহাপ্রভুর আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে সকাল থেকেই কৃষ্ণ নামে মেতে উঠল নদিয়ার মায়াপুর ইসকন (ISKCON Mayapur)। বেলা বাড়তেই হাজার হাজার ভক্তদের উপস্থিতি দেখা গেল মায়াপুরে। দোল উৎসবের দিন সকাল থেকেই গোটা মায়াপুর জুড়ে কৃষ্ণ নামে মেতে উঠলেন ভক্তরা।

    হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত সমাগম (ISKCON Mayapur)

    শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ৫৩৮ তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে এক মাস আগে থেকেই বিভিন্ন অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল মায়াপুর ইসকন (ISKCON Mayapur) মন্দিরে। মণ্ডল পরিক্রমা থেকে শুরু করে প্রভাত ফেরি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কৃষ্ণ নাম করতে দেখা গিয়েছে ইসকনের প্রভুদের। এদিন দোল পূর্ণিমায় উপলক্ষে ছিল মূল অনুষ্ঠান। প্রায় ৫ হাজারেরও দেশি-বিদেশি ভক্তরা অংশগ্রহণ করেছেন এদিনের এই অনুষ্ঠানে। শুধু তাই নয় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্ত এদিন কৃষ্ণ নামে মেতে উঠলেন। এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন ভাষায় গীতা পাঠ করা হয়। পাশাপাশি আজকের দিনে রাধা এবং শ্রীকৃষ্ণের অভিষেক করা হয়। মধুসূদন দাস নামে এক ভক্ত বলেন, আমার বাড়়ি বাঁকুড়ায়। গতবার দোলযাত্রার দিন এসেছিলাম। তখন থেকে মায়াপুরে রয়েছি। এবারও দোল উৎসবের দিন সকাল থেকেই নগর প্ররিক্রমায় হাজার হাজার ভক্তদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছি। দোলের দিন সারা পৃথিবীর সব প্রান্তের মানুষ এই মায়াপুরে জমায়েত হন। এখানে আসলেই মন আনন্দে মেতে ওঠে।

    আরও পড়ুন: মহুয়ার বিরুদ্ধে রানিমা অমৃতা রায়কে প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিল বিজেপি

    দোলের দিন মায়াপুরে রং খেলা হয় না!

    এ বিষয়ে মায়াপুর ইসকনের (ISKCON Mayapur) জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেন, ৫৩৮ তম আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে গোটা দেশজুড়ে এবং বিদেশি ভক্তরাও মায়াপুরে এসে উপস্থিত হন। মায়াপুর ইস্কনে ভিতরে কোনও বাহ্যিক রঙের ব্যবহার হয় না, শুধুমাত্র কৃষ্ণ নামের যে প্রেম সেই প্রেমের খেলা এখানে হয়। মহাপ্রভু যে কৃষ্ণ নাম জাতির উদ্দেশ্যে ছড়িয়ে দিতে চাইছিলেন মূলত তার সেই চিন্তা ভাবনাকে সামনে রেখেই এই অনুষ্ঠান করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: তমলুকে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে প্রার্থী করে বড় চমক দিল বিজেপি

    Abhijit Ganguly: তমলুকে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে প্রার্থী করে বড় চমক দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিচারপতি হিসেবে তাঁর ভূমিকা দেখেছেন রাজ্যবাসী। বহু বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীদের কাছে তিনি “ভগবান” হয়ে উঠেছিলেন। স্বচ্ছ ভাবমূর্তির সেই প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Abhijit Ganguly) তমলুক কেন্দ্রে প্রার্থী করে বড় চমক দিল বিজেপি। তবে, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে তাঁর তমলুক কেন্দ্রে দাঁড়়ানোর বিষয়ে জল্পনা চলছিল। এবার সেই জল্পনাই সত্যি হল।

    প্রাক্তন বিচারপতির ওপর আস্থা রাখল বিজেপি (Abhijit Ganguly)

    গত ৩ মার্চ, বিচারপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। তার পরদিনই কলকাতা হাইকোর্টে ছিল তাঁর শেষ দিন। গত ৫ মার্চ রাষ্ট্রপতিকে ইস্তফাপত্র পাঠান তিনি। আদালত কক্ষ ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতির ময়দানে পা রাখেন। হাতে তুলে নেন পদ্মশিবিরের পতাকা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিলিগুড়ির জনসভার মঞ্চেও দেখা যায় তাঁকে। সেই  সভায় দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলকে ভোট না দেওয়ার জন্য রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন রেখেছিলেন। ইতিমধ্যে প্রার্থীর নাম ঘোষণার আগেই নন্দীগ্রামে ১ নম্বর ব্লকের হরিপুরে দেওয়াল লিখনও শুরু হয়। এবার সেই প্রাক্তন বিচারপতির ওপর আস্থা রাখল বিজেপি।

    আরও পড়ুন: মহুয়ার বিরুদ্ধে রানিমা অমৃতা রায়কে প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিল বিজেপি

    তমলুকের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন রাজ্যবাসী

    তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে এবার তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য। রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের তুলনায় তমলুক বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। গতবার লোকসভা নির্বাচনে সেখানে জয়ী হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী। যিনি বর্তমানে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে, বিচারপতি থাকাকালীন নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। রাতারাতি হাজার হাজার চাকরি প্রার্থীর ‘মসিহা’ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। সেই ক্যারিশ্মাকে কাজে লাগিয়ে তমলুক কেন্দ্রে গেরুয়া শিবির ভোট বৈতরণী পার করার চেষ্টা করছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো জনপ্রিয় স্বচ্ছ ভাবমূর্তির বিরুদ্ধে ভালো কোনও প্রার্থী খুঁজে পায়নি। তাই, তরুণ প্রার্থী দিয়ে তৃণমূল কতটা লড়াই করতে পারে সেটাই এখন দেখার। রাজ্যের মানুষ এখন সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Holi 2024: রঙের উৎসবে মেতেছে বঙ্গবাসী, জানুন দোল পূর্ণিমার পৌরাণিক মাহাত্ম্য

    Holi 2024: রঙের উৎসবে মেতেছে বঙ্গবাসী, জানুন দোল পূর্ণিমার পৌরাণিক মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোলের উৎসবে মেতেছে বঙ্গবাসী (Holi 2024)। রঙের উৎসবে মেয়েরা সামিল হলুদ শাড়িতে, ছেলেরা পাঞ্জাবিতে। বসন্ত এসে গেছে গানের তালে তালে পালিত হবে দোল। শান্তিনিকেতনের দোল (Holi 2024) আবার বিশেষ জনপ্রিয়। সারা রাজ্য থেকেই মানুষের ভিড় দেখা যায় বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত এই স্থানে। রবি ঠাকুরের গানে, বসন্তের আগমনে এক আলাদা মাত্রা পায় শান্তিনিকেতনের দোল। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, দোল পূর্ণিমার দিন শ্রীকৃষ্ণ রঙ এবং আবির দিয়ে রাধা ও অন্যান্য গোপিনীদের সঙ্গে উৎসবে মেতে উঠেছিলেন। বিশ্বাস মতে, দোল খেলার উৎপত্তি সেখান থেকেই শুরু। যা আজও সমানভাবে এগিয়ে চলেছে।

    বাংলায় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু দোলযাত্রার (Holi) শুভ সূচনা করেন

    হিন্দু শাস্ত্রবিদরা বলছেন, এই দোল (Holi 2024) পূর্ণিমার দিনটিকে গৌড় পূর্ণিমাও বলা হয়। তার কারণ ১৪৮৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার দোল পূর্ণিমা তিথিতে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম হয়েছিল। পাশাপাশি এই বাংলাতে দোল উৎসবের সূচনাও শ্রীচৈতন্যদেবের হাত ধরে হয়েছিল। ১৫১৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি গৃহত্যাগ করে অর্থাৎ নবদ্বীপ ত্যাগ করে বৃন্দাবনে গিয়ে সেখানে রং খেলা দেখে অভিভূত হয়েছিলেন তখন থেকেই নাকি বাংলাতে দোল (Holi) উৎসবের সূচনা হয় ভক্তদের বিশ্বাস এই দোল খেলায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণও হাজির হতেন মহাপ্রভুর সঙ্গে দোল খেলতে।

    রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন

    আবার কোনও কোনও গবেষক মনে করেন, প্রায় ২০০০ বছর আগে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন প্রচলন করেছিলেন দোল উৎসব। সপ্তম শতাব্দীতে সম্রাট হর্ষবর্ধনের লেখা রত্নাবলী নাটকেও হোলি (Holi 2024) খেলার উল্লেখ রয়েছে। শুধু উত্তর ভারত নয় দক্ষিণ ভারতের বিজয়নগরের একটি মন্দিরের গায়ে এক রাজকুমার রাজকুমারীর রং খেলার চিত্রকলা রয়েছে। এখান থেকে বলা হয় যে দোল সারা ভারতবর্ষ ব্যাপী প্রচলিত ছিল।

    পৌরাণিক কাহিনীগুলি জানা যাক……

    ভক্ত প্রহ্লাদের আখ্যান এবং হোলিকা দহন

    অন্যদিকে পৌরাণিক আখ্যান অনুযায়ী ভগবান বিষ্ণুর পরমভক্ত ছিলেন অসুর রাজ হিরণ্যকশিপুর পুত্র প্রহ্লাদ। নিজেকে ঈশ্বর ঘোষণা করেছিলেন রাক্ষসরাজা। অহংকারী রাজার ওপর ব্রহ্মার বরদান ছিল দিন বা রাত, গৃহের ভিতর বা বাইরে, মানুষ বা পশু কেউই হিরণ্যকশিপুকে বধ করতে পারবেনা। এরপর নিজের পুত্র প্রহ্লাদকে হত্যার পরিকল্পনা নেন রাক্ষসরাজা। নিজের বোন হোলিকার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন। হোলিকার ওপর আবার ব্রহ্মার বরদান স্বরুপ একটি চাদর ছিল, যেটি ছিল একধরনের রক্ষা কবচ। এই চাদর গায়ে জড়িয়ে প্রহ্লাদকে নিয়ে অগ্নিকুণ্ডে বসেন হোলিকা। ঠিক তখনই ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় চাদর উড়ে গিয়ে পড়ে প্রহ্লাদের গায়ে। অগ্নিকুণ্ডে দগ্ধ হয়ে যান হোলিকা। এই কারণে দোল উৎসবের আগের দিন হয় হোলিকা দহন। বাংলাতে এটাই প্রচলিত ন্যাড়াপোড়া নামে। ভক্তদের বিশ্বাস, এইদিনে সকল অশুভ শক্তির নাশ হয়। ভগবান বিষ্ণু তথা কৃষ্ণের পূজা করলে জীবনে সমৃদ্ধি নেমে আসে ভক্তদের।

    পুতনা রাক্ষসী বধ

    পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, দোল (Holi 2024) পূর্ণিমার দিনে শ্রীকৃষ্ণকে স্মরণ করার কথা কোথাও কোথাও বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে হোলিকাকে পুতনার ভূমিকায় রাখা হয় এবং পুতানার বিষ দুধে শ্রীকৃষ্ণ পান করেনি বরং তার রক্ত পান করেন, এইভাবেই ভগবান বধ করেন পুতনাকে। এরফলে শ্রীকৃষ্ণের গায়ের রং নীল হয়ে যায়। বিশ্বাসমতে দোল পূর্ণিমা হল পুতনা বধের পর উৎসব। বিবাহিত নারীরা তাদের পরিবারের কল্যাণ এবং মঙ্গল কামনায় দোল উৎসবে মাতেন এদিন। ভারতের বাইরেও দোল উৎসব ব্যাপকভাবে পালিত হয়।  বৈষ্ণব ধর্ম ছাড়াও শাক্ত-শৈবরাও এই উৎসব পালন করেন। পরিবারিক, বৃহত্তর সমাজ জীবনের ক্ষেত্রে দোল পূর্ণিমার গুরুত্ব অনেক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: মহুয়ার বিরুদ্ধে রানিমা অমৃতা রায়কে প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিল বিজেপি

    Nadia: মহুয়ার বিরুদ্ধে রানিমা অমৃতা রায়কে প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পরিবারের রাজবধূ অমৃতা রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরই তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা চলছিল। বিজেপি-র দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ হতেই সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিল পদ্মশিবির। রাজবধূ তথা নদিয়ার (Nadia) রানিমাকে কৃষ্ণনগরে কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিল বিজেপি।

    রানিমাকে প্রার্থী করে বাজিমাত করতে চাইছে বিজেপি (Nadia)

    গত লোকসভা নির্বাচনে মহুয়ার জয়ের নেপথ্যে ছিল নদিয়ার (Nadia) চাপড়া, পলাশীপাড়া ও কালীগঞ্জ বিধানসভা। ওই তিনটি বিধানসভা থেকে বিপুল ভোট পেয়েছিলেন মহুয়া। গত পাঁচ বছরে কালীগঞ্জ বিধানসভায় বিজেপির সংগঠন অনেক মজবুত হয়েছে। পলাশীপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য দুর্নীতির দায়ে জেলবন্দি হওয়ায় ওই বিধানসভায় ছন্নছাড়া অবস্থায় শাসকদল। একমাত্র কাঁটা চাপড়া বিধানসভা। সেখানে এত দিন তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থাকলেও ভোটের মুখে দলত্যাগী নেতাদের আবার দলে এনে বড় ব্যবধানে জিততে চাইছে তৃণমূল। তাই বিজেপিও পাল্টা চাইছে কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বড় ব্যবধানে জিততে। কৃষ্ণনগর উত্তর বিজেপির শক্ত ঘাঁটি বলেই পরিচিত। পদ্ম-শিবির সূত্রে খবর, সেখানে ভোটের ব্যবধান বৃদ্ধি করতে ‘রানিমা’র মতো এক জন স্থানীয়, প্রভাবশালী ও পরিচিত এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মুখকে প্রার্থী করে বাজিমাত করতে চাইছে গেরুয়া শিবির। জেলায় বিজেপির এক নেতা বলেন, “অমৃতা রায় রাজপরিবারের বিভিন্ন সামাজিকঅনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে জনসংযোগ করেন। এ ছাড়াও জগদ্ধাত্রী পুজো, দুর্গাপুজা ও রাজবাড়ির বিভিন্ন অনুষ্ঠানের রাশ এখন তাঁর হাতে। ভোটারদের মধ্যে আবেগ রয়েছে রাজপরিবার নিয়ে।”

    আরও পড়ুন: বসিরহাট কেন্দ্রে চমক বিজেপির, সন্দেশখালির প্রতিবাদী রেখার ওপর ভরসা মোদির

    প্রার্থী হয়ে কী বললেন রানিমা?

    দ্বিতীয় দফায় রাজ্যে ১৯ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। সেই তালিকায় অমৃতার নাম রয়েছে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর রানিমা অমৃতা রায় বলেন, “নদিয়ার (Nadia) ইতিহাসে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের অবদান সকলে জানেন। ভারতে অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের ভূমিকা আজও সবাই মনে রেখেছেন। রাজবধূ নয়, সাধারণ জনতার কণ্ঠ হওয়ার জন্যই ভোটের ময়দানে আসা। আশা করি, মানুষ দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bashirhat: বসিরহাট কেন্দ্রে চমক বিজেপির, সন্দেশখালির প্রতিবাদী রেখার ওপর ভরসা মোদির

    Bashirhat: বসিরহাট কেন্দ্রে চমক বিজেপির, সন্দেশখালির প্রতিবাদী রেখার ওপর ভরসা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে বড় চমক বিজেপির। বসিরহাটে কেন্দ্রে গেরুয়া শিবির প্রার্থী করল সন্দেশখালি আন্দোলনের অন্যতম প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে। বসিরহাট কেন্দ্র (Bashirhat) নিয়ে সকলের আগ্রহ তুঙ্গে ছিল। কারণ এই কেন্দ্রের অন্তর্গত সন্দেশখালির মহিলাদের আন্দোলন বেশ কয়েকমাস ধরে সারা দেশে খবরের শিরোনামে রয়েছে। বিজেপি কাকে প্রার্থী করে! সেদিকেই ছিল সকলের নজর। অবশেষে সন্দেশখালির প্রত্যন্ত গ্রামের প্রতিবাদী মুখকেই বিজেপি বেছে নিল প্রার্থী হিসাবে। রাতারাতি প্রত্যন্ত গ্রামের রেখা পাত্র সারাদেশের খবরে শিরোনামে উঠে এলেন। রেখা পাত্রের নামে সিলমোহর দেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। এমনটাই দাবি বিজেপির।

    কে এই রেখা পাত্র? সন্দেশখালির কোথায় বাড়ি তাঁর? 

    রেখা পাত্রের বাড়ি সন্দেশখালির (Bashirhat) পাত্র পাড়ায় বলে জানা গিয়েছে। সন্দেশখালির মহিলারা যখন শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছিলেন তখন একেবারে সামনের সারিতে ছিলেন রেখা। আন্দোলনের অন্যতম মুখ হিসাবে উঠে এসেছিলেন তিনি। শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে নেমেছিলেন রাস্তায়। সামনের সারিতে থেকে দিতেন স্লোগানও। প্রার্থী হয়ে রেখা বলেন, ”নরেন্দ্র মোদিজীকে ধন্যবাদ আমার মতো গ্রাম্য মহিলাকে প্রার্থী হিসাবে বেছে নেওয়ার জন্য।”

    রেখা পাত্রের নামে সিলমোহর দেন প্রধানমন্ত্রী?

    সূত্রের খবর, সন্দেশখালি থেকেই নাম খুঁজছিল বিজেপি। তখনই উঠে আসে রেখা পাত্রের নাম। সেটা রাজ্য বিজেপির নেতারা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখেন। এরপর সেই মতো দলের রাজ্যস্তরে এনিয়ে আলোচনাও হয়। এরপর সেই নাম পাঠানো হয় কেন্দ্রীয় বিজেপির কাছে। সূত্রের খবর, রেখা দেবীর নামে সিলমোহর দেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগেই বারাসতে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। সভার পর সন্দেশখালির ৫ মহিলার সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি। সেই মহিলাদের মধ্যেই নাকি ছিলেন রেখা পাত্রও। সূত্রের খবর, সেই সময়ই বসিরহাটের প্রার্থী হিসেবে রেখাদেবীকে (Bashirhat) ভাবতে শুরু করে বিজেপি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • JNU: প্রথম কোনও নির্বাচনে জেএনইউ-তে চ্যালেঞ্জের মুখে বাম জোট, উল্লেখযোগ্য শক্তিবৃদ্ধি এবিভিপির

    JNU: প্রথম কোনও নির্বাচনে জেএনইউ-তে চ্যালেঞ্জের মুখে বাম জোট, উল্লেখযোগ্য শক্তিবৃদ্ধি এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম কোনও নির্বাচনে জেএনইউ-তে (JNU) চ্যালেঞ্জের মুখে বাম জোট। রবিবার ভোট গণনা চলাকালীন একাধিক সংবাদমাধ্যম পূর্বাভাস দিতে শুরু করে বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার গেরুয়া হতে চলেছে। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ব্যালট বাক্স খুলতেই বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। প্রাথমিক ট্রেন্ডে অনেকটাই এগিয়ে ছিলেন এবিভিপির প্রার্থীরা। রবিবার ২৫ মার্চ গণনা শুরু হতেই লড়াইতে একেবারে ‘কাঁটে কি টক্কর’ দেখা যায়। কিন্তু, রাত ১১টার পর আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা হতেই দেখা যায়, সেন্ট্রাল প্যানেলের চার আসনেই জিতেছেন বাম জোটের প্রার্থীরা। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন জেএনইউতে উল্লেখযোগ্যভাবে অনেকটাই শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে এবিভিপির।

    জোর টক্কর

    এত ভোট আগে কখনও পায়নি আরএসএস অনুপ্রাণিত এই ছাত্র সংগঠন। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এবিভিপি-কে রুখতে সমস্ত বাম ও অতিবাম সংগঠনগুলি নিজেদের মধ্যে জোট করে। এর ফলে বাম ভোট কোনওভাবে ভাগ হয়নি। এতকিছুর পরেও দেখা যায়, এবিভিপির প্রার্থীরা জোর টক্কর দিয়েছেন। ১৯৬৯ সালে সালে জেএনইউ (JNU) প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বাম ছাত্র সংগঠনগুলির দাপট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিতে ছিল ব্যাপক। এবার প্রথম নির্বাচন যখন তাদের দাপট চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল।

    একনজরে ভোটের ফলাফল

    প্রেসিডেন্ট পদ

    ধনঞ্জয় (বাম)- ৩,১০০
    উমেশ চন্দ্র আজমীরা (এবিভিপি)- ২,১১৮

    ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ

    অভিজিৎ ঘোষ (বাম)- ২৭৬২
    দীপিকা শর্মা (এবিভিপি)- ১৮৪৮

    সাধারণ সম্পাদক পদ

    অর্জুন আনন্দ (এবিভিপি)- ২৪১২
    প্রিয়ংশী আর্য (বাপসা)- ৩৪৪০

    যুগ্ম সম্পাদক পদ

    গোবিন্দ ডাঙ্গি (এবিভিপি)- ২৫৯১
    মহঃ সাজিদ (বাম)- ৩০৩৫

    রেকর্ড ভোট চলতি বছরে

    জেএনইউ-র (JNU) ছাত্র ইউনিয়নের ভোটে গত ১২ বছরে রেকর্ড ভোট পড়েছে চলতি বছরের ভোটগ্রহণে। ৭৩ শতাংশ ভোট পড়ে। ৭৭৫১ সংখ্যক ভোটার সংখ্যা নিয়ে চার পদের জন্য ভোট হয় জেএনইউয়ের ছাত্র ইউনিয়নে। শেষবার ২০১৯ সালে জেএনইউএর ভোটে ভোট পড়েছিল ৬৭.৯ শতাংশ। এমনটাই বলছে, ‘দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া’র প্রতিবেদন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, ভোট বেশি পড়লে তা প্রতিষ্ঠান বিরোধিতারই প্রতিফলন হয় সাধারণত। এবারেও তাই হল। উল্লেখযোগ্য শক্তিবৃদ্ধি হল এবিভিপির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ২৫/০৩/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ২৫/০৩/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে জড়িত তাঁদের আজকের দিনটি ভালো। 

    ২) ধর্মীয় আস্থা বাড়বে, গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন।

    ৩) গুরুত্বপূর্ণ কাজে বহিরাগত ব্যক্তির পরামর্শ গ্রহণ করবেন না।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি মিশ্র পরিণাম প্রদান করবে।

    ২) শ্বশুরবাড়ির তরফে আর্থিক লাভ অর্জন করতে পারেন।

    ৩) আলোচনার মাধ্যমে পারিবারিক কলহ সমাপ্ত করতে পারবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ২) কেরিয়ারের ভালো উন্নতি হবে।

    ৩) বাড়ির ও বাইরের লোকেদের বিশ্বাস জয় করতে পারবেন।

    কর্কট

    ১) কারও কথায় এসে কোনও প্রকল্পে অর্থ লগ্নি করবেন না।

    ২) সম্পত্তি সংক্রান্ত কোনও কাজে অগ্রসর হলে তাতে কোনও আপোস করবেন না।

    ৩) কারও কাছ থেকে টাকা ধার নেবেন না।

    সিংহ

    ১) গাড়ি চালানোর সময়ে সতর্ক থাকুন।

    ২) একাধিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত আপনার পক্ষে আসবে।

    ৩) ব্যবসায়ে মন্দার কারণে চিন্তিত থাকলে তা দূর হবে।

    কন্যা

    ১) অতীত ভুল থেকে শিক্ষাগ্রহণ করে অগ্রসর হবেন।

    ২) এক সঙ্গে একাধিক কাজ করার চিন্তাভাবনা করবেন, যার ফলে সমস্যা বাড়বে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে নিজের চিন্তাভাবনার দ্বারা লাভান্বিত হবেন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি ভালো কাটবে।

    ২) সমস্ত ক্ষেত্রে ভালো প্রদর্শন করবেন। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কর্মরত জাতকরা কোনও বড়সড় পদ লাভ করতে পারেন।

    ৩) সমস্ত ক্ষেত্রে ভালো প্রদর্শন করবেন। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কর্মরত জাতকরা কোনও বড়সড় পদ লাভ করতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি মিশ্র পরিণাম প্রদান করবে।

    ২) পরিবারের কোনও সদস্যের বিবাহ প্রস্তাবে সকলে সম্মতি দেবে।

    ৩) কোনও বড় কাজে মনোনিবেশ করতে পারবেন না।

    ধনু

    ১)  কর্মক্ষেত্রের জন্য কিছু পরিকল্পনা তৈরি করতে ব্যস্ত থাকবেন।

    ২) সম্পর্কে সামঞ্জস্য বজায় রাখা উচিত হবে।

    ৩) টিম ওয়ার্ক করলে যে কোনও বড়সড় কাজ সহজে পূরণ করতে পারেন।

    মকর

    ১) কর্মক্ষেত্রে গাফিলতি করবেন না, বড়সড় লোকসান হতে পারে।

    ২) চাকরিজীবীরা ভালো প্রদর্শন করবেন।

    ৩) পরিশ্রম অনুযায়ী ফলাফল পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি কাজে উন্নতি নিয়ে আসবে।

    ২) আধুনিক জগতে রুচি থাকবে, আর্থিক গতিবিধিতেও আপনার প্রভাব থাকবে।

    ৩) বদলির কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের স্থানান্তর করতে হবে।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি লাভজনক প্রমাণিত হবে।

    ২) আগের কোনও কাজের কারণে চিন্তিত হতে পারেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে কোনও কাজ পেলে তা দায়িত্বসহকারে পূরণ করুন। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ভোটের মুখে বিজেপি-র কর্মিসভায় হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: ভোটের মুখে বিজেপি-র কর্মিসভায় হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে বিজেপির কর্মিসভায় তৃণমূলের হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) জীবনতলার মাঠেরদিঘি এলাকায়। হামলার জেরে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী জখম হন। পরে, বিজেপি প্রতিহত করার চেষ্টা করে। তাতে জখম হয়েছেন দুপক্ষের অন্তত সাতজন। আহতদের মধ্যে তৃণমূলের তিনজন এবং বিজেপির চারজন বলেই জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    সরকারি অনুমতি নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) জীবনতলার মাঠেরদিঘি এলাকায় বিজেপি-র কর্মিসভা হচ্ছিল। সেখানেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ঢুকে পড়ে। বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর করে হামলাকারীরা। বিজেপির দাবি, পুলিশকে হামলার কথা জানানো হয়। তা সত্ত্বেও আহত দলীয় কর্মীদের উদ্ধারে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যদিও হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। ভোটের আগে এই অশান্তিকে কেন্দ্র করে থমথমে জীবনতলা থানার মাঠেরদিঘি এলাকা। বিজেপির হাতাহাতিতে জখম দুপক্ষের অন্তত সাতজন। আহতদের মধ্যে তৃণমূলের তিনজন এবং বিজেপির চারজন বলেই দাবি। ক্যানিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বিজেপির দুই কর্মীকে। যাঁদের মধ্যে সুব্রত দাস নামে এক মণ্ডল সভাপতির অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে ক্যানিংয়ের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রামকুমার মণ্ডলের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্যানিং থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: বিজেপি প্রার্থীর গাড়িতে হামলা, কর্মীদের মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জয়নগর সাংগঠনিক জেলার (South 24 Parganas) সাধারণ সম্পাদক বিকাশ সর্দার বলেন, দলীয় কর্মিসভায় তৃণমূল পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। কর্মীরা জখম হন। সন্ত্রাস করে সব কিছু শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল। তৃণমূলের ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক শওকত মোল্লা বলেন, “আমাদের দলীয় কর্মীরা বাইকে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় বিজেপির লোকজনেরা কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করে। তা থেকে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। অশান্তির জেরে আমাদের কয়েকজন কর্মীও আহত হয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ইডি হামলার তদন্তে সন্দেশখালিতে ফের সিবিআই, মুদি ব্যবসায়ীকে আটক

    Sandeshkhali: ইডি হামলার তদন্তে সন্দেশখালিতে ফের সিবিআই, মুদি ব্যবসায়ীকে আটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ফের সিবিআই হানা দেয়। ইডি হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ধৃত দুই অভিযুক্তকে সঙ্গে করে সিবিআই দল সন্দেশখালিতে পা রাখেন। সঙ্গে ছিলেন ইডি হামলার সময় উপস্থিত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। রবিবার সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় শাহজাহান শেখের নামাঙ্কিত বাজারে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা। সেখানে দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।

    মুদি ব্যবসায়ীকে আটক করল সিবিআই (Sandeshkhali)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) সরবেড়িয়া হানা দেয় সিবিআই। সেখানে শাহাবুদ্দিন মোল্লা নামে এক মুদি দোকানের মালিককে বেশ কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে আটক করে গাড়িতে তুলে নেয় সিবিআই। তার পর সিবিআইয়ের ওই দল চলে যায় সরবেড়িয়ায় ‘শেখ শাহজাহান মার্কেট’-এ। সেখানকার দোকানদারদের সঙ্গে সিবিআই আধিকারিকরা কথা বলেন। জানা গিয়েছে, মুদি দোকানদারের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ ধরে কথা বলার পর  গাড়িতে তুলে বেরিয়ে যায় সিবিআই। সিবিআইয়ের একটি গাড়ি কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয়। আর একটি দল সন্দেশখালির বাজারে ‘শেখ শাহাজাহান মার্কেট’ ঘুরে ঘুরে দোকানদারের সঙ্গে কথা বলে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে রয়েছেন গত ৫ জানুয়ারি ইডির সঙ্গে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীর কয়েক জন জওয়ানও। তাঁদের সঙ্গে নিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা এলাকায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপি প্রার্থীর গাড়িতে হামলা, কর্মীদের মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    ইডি হামলার তদন্তে ফের সন্দেশখালিতে সিবিআই

    রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে গত ৫ জানুয়ারি তৎকালীন তৃণমূল নেতা শাহজাহানের বাড়িতে যায় ইডি। কিন্তু, সেখানে তাদের উপর আক্রমণ করা হয়। ইডির পাঁচ সদস্যের মধ্যে তিন জন জখম হন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়। এমনকী, ইডি আধিকারিকদের ল্যাপটপ, মোবাইল এবং নগদ টাকা কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। আক্রমণের অভিযোগ ওঠে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ এবং অনুগামীদের বিরুদ্ধে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের ইডির ওপর হামলার মামলা হাতে নিয়ে এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। ইতিমধ্যে শাহজাহান ও তাঁর ভাই সহ ঘনিষ্ঠরা রয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আর কারা রয়েছে তা জানতেই ফের সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha elections 2024: বায়ুসেনার প্রাক্তন প্রধান আরকেএস ভাদৌরিয়া যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Lok Sabha elections 2024: বায়ুসেনার প্রাক্তন প্রধান আরকেএস ভাদৌরিয়া যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বিজেপিতে যোগ দিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন প্রধান, এয়ার চিফ মার্শাল আরকেএস ভাদৌরিয়া। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ সিং। প্রসঙ্গত, আরকেএস ভাদৌরিয়া হলেন উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, যোগী রাজ্যের কোনও আসন (Lok Sabha elections 2024) থেকেই তিনি ভোটে লড়তে পারেন। সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে তাঁকে গাজিয়াবাদ আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।

    বায়ুসেনার প্রধান ছিলেন ২০১৯-২০২১ পর্যন্ত

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় বায়ুসেনার (Lok Sabha elections 2024) যে সমস্ত শীর্ষ স্থানীয় পাইলটরা প্রথম রাফাল যুদ্ধবিমান চালিয়েছিলেন, তাঁদের অন্যতম ছিলেন আরকেএস ভাদৌরিয়া। জানা গিয়েছে, এই যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ফ্রান্সের সঙ্গে ভারত যে চুক্তি করেছিল, সেই চুক্তি চূড়ান্ত করতেও তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি বায়ুসেনার প্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন।

    কী বললেন প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান

    বিজেপিতে যোগ (Lok Sabha elections 2024) দিয়ে তিনি বলেন, “ফের দেশ গঠনে আমায় অবদান রাখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য, দলীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি চার দশকেরও বেশি সময় ধরে আইএএফ-এর চাকরি করেছি। কিন্তু আমার চাকরির সেরা সময় ছিল শেষ ৮ বছর, বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে। সশস্ত্র বাহিনীকে ক্ষমতায়িত করতে এবং বাহিনীর আধুনিকীকরণ এবং বাহিনীকে স্বনির্ভর করতে, এই সরকার যে সকল কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে, তা বাহিনীতে এক নতুন সক্ষমতার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি, তাদের নতুন করে আত্মবিশ্বাসও জুগিয়েছে।”

    মোট ৪ হাজার ঘণ্টারও বেশি বিমান উড়িয়েছেন

    উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় জন্ম আরকেএস ভাদৌরিয়ার। তাঁর পিতাও কর্মরত ছিলেন বায়ুসেনায়। পুনের ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির অত্যন্ত কৃতী ছাত্র হিসেবে বায়ুসেনায় যোগ দিয়েছিলেন (Lok Sabha elections 2024) ভাদোরিয়া। মোট চার হাজার ঘণ্টারও বেশি, সব মিলিয়ে ছাব্বিশ রকমের বিমান ওড়ানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। কাজ করেছেন দক্ষিণাঞ্চল বা ‘সাদার্ন এয়ার কমান্ড’-এর কর্তা হিসেবেও। এর পরে মস্কোয় ভারতের কূটনৈতিক মিশনের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share