Tag: Madhyom

Madhyom

  • Firhad Hakim: আদর্শ আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন ফিরহাদ হাকিম, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    Firhad Hakim: আদর্শ আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন ফিরহাদ হাকিম, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগ। কমিশনের দ্বারস্থ বঙ্গ বিজেপি। জানা গিয়েছে, ফিরহাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠিও দিয়েছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, রবিবার মধ্যরাতে গার্ডেনরিচে বেআইনি নির্মাণ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। মারা যান ৯ জন। আহতও হন বহু। যে এলাকায় এই ঘটনা ঘটে তা, মেয়রের খাস তালুক বলেই পরিচিত। ঘটনার পরে সোমবারই গার্ডেনরিচকাণ্ডে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। বিজেপির অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করে আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছেন মেয়র।

    বিজেপির চিঠি

    মেয়র ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করার পর পরেই বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত  সিইওকে চিঠি লেখেন। সেখানে শিশির লেখেন, ‘‘কলকাতা বন্দর এলাকার বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম আদর্শ আচরণ বিধি অমান্য করেছেন। কলকাতা পুরনিগমের ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ড মেটিয়াবুরুজে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট বা আদর্শ আচরণবিধি চালু হওয়ার ৪৮ ঘন্টাও অতিবাহিত না হতেই, ১৮৫এসি কলকাতা বন্দরের টিএমসি বিধায়ক (Firhad Hakim), পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী এবং কেএমসির মেয়র ফিরহাদ হাকিম আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।’’ বিজেপি ওই চিঠিতে আরও জানিয়েছে, মেটিয়াবুরুজের কেএমসি ১৩৪ ওয়ার্ডে একটি বেআইনি ভবন ধসে পড়ে যে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। ফিরহাদ হাকিম দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্য ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ১ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেন। এতে বিজেপির কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু রাজ্য সরকারের যেকোনও উচ্চপদস্থ আধিকারিক ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করতেই পারতেন। কিন্তু টিএমসির একজন রাজনৈতিক নেতা যিনি স্থানীয় বিধায়কও, তিনি কীভাবে এই ঘোষণা করছেন? এমন প্রশ্ন তুলেছে গেরুয়া শিবির।

    কমিশনের ব্যাখা

    বিজেপির অভিযোগ যে অযৌক্তিক নয়, তা কমিশনের ব্যাখাতেই পরিষ্কার। কমিশনের ব্যাখা হল, আদর্শ নির্বাচনী আচরণ বিধি চালু হওয়ার পর কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করতে পারেন না। অর্থাৎ জনপ্রতিনিধিরা কোনও ধরনের ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা করতে পারেন না। প্রয়োজন পড়লে মুখ্যসচিব বা কোনও অফিসারকে এই ঘোষণা করতে হয়। কিন্তু এই কাজ আধিকারিকদের বদলে ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) নিজে করলেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • PM Modi News: ‘মিনডুম মোদি-ভেনডুম মোদি’! কোর্টের নির্দেশে কোয়েম্বাটোরে রোডশো প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi News: ‘মিনডুম মোদি-ভেনডুম মোদি’! কোর্টের নির্দেশে কোয়েম্বাটোরে রোডশো প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরে হুডখোলা গাড়িতে রোডশো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন ১৯৯৮ সালে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫৮ জন মানুষের প্রতি। প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ু সরকার প্রধানমন্ত্রীর রোডশো-এর কোনওরকম অনুমতি দেয়নি। এবং এক্ষেত্রে পুলিশর যুক্তি ছিল যে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নাকি বিঘ্ন হবে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে। কিন্তু পুলিশের এমন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণে জল ঢেলে দেয় মাদ্রাজ হাইকোর্ট। প্রধানমন্ত্রীর রোডশো-কে সবুজ সংকেত দেয় কোর্ট। ‘মিনডুম মোদি-ভেনডুম মোদি’- এই স্লোগানে মুখর ছিল রোডশো। তামিল ভাষায় যার অর্থ, স্বাগতম মোদি-আবার মোদি।

    আরও পড়ুুন: “দায়বদ্ধতা থেকেই সিএএ চালু করা হয়েছে”, আমেরিকাকে ‘বার্তা’ জয়শঙ্করের

    হুডখোলা জিপে চেনা রোডশো দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর

    হুডখোলা জিপে চেনা রোডশো দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীর। রাস্তার দুপাশে অসংখ্য মানুষ মোদি মোদি (PM Modi News) চিৎকার করতে থাকেন। এর পাশাপাশি তামিলনাড়ুর কিছু জনপ্রিয় গানও বাজানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে। রোডশো-তে হাজির ছিলেন বিজেপির তামিলনাড়ুর রাজ্যের সভাপতি কে আন্নামালাই, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান এবং কোয়েম্বাটোর দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক তথা বিজেপি মহিলা মোর্চার জাতীয় সভাপতি বনথী শ্রীনিবাসন। প্রসঙ্গত, নির্বাচন ঘোষণার পর এই প্রথম দক্ষিণী এই রাজ্যে প্রচার করলেন নরেন্দ্র মোদি। কোয়েম্বাটুরের মেত্তুপালায়াম রোড থেকে এই রোডশো শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। আরএস পুরমে গিয়ে শেষ হয় যাত্রা।

    এনডিএ-তে সামিল পিএমকে

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi News) এই সফরের মাঝেই এনডিএ জোটে সামিল হল তামিলনাড়ুর পিএমকে দল। প্রসঙ্গত, আঞ্চলিক দল পিএমকে-এর উত্তর তামিলনাড়ুতে বেশ ভালো প্রভাব রয়েছে বলেই জানা যায়। জানা গিয়েছে, বিজেপির তরফ থেকে তৃতীয় মোদি সরকার গঠিত হলে পিএমকে-কে ক্যাবিনেট মন্ত্রকের অফার দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা আনবুমানি রামাদশ আগেও কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন।

     

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ১৯/০৩/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ১৯/০৩/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজ কেরিয়ারের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) সুসংবাদ পেতে পারেন।

    ৩) সম্পত্তি সওদার সময়ে সমস্ত জরুরি কাগজপত্রে ভেবেচিন্তে সাক্ষর করুন।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি কর্মক্ষেত্রে ভালো প্রদর্শন করবেন।

    ২) পরিবারের কোনও সদস্যের সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    ৩) কোনও বড় লক্ষ্য পূরণে কঠিন পরিশ্রম করতে হবে।

    মিথুন

    ১)  আজকের দিনটি পদ-প্রতিষ্ঠা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) দীর্ঘদিন পর কোনও বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারে, যা আপনার জন্য লাভজনক প্রমাণিত হবে।

    ৩) কোনও কাজে সমস্যা এলে বাবার সঙ্গে কথা বলুন।

    কর্কট

    ১) খালি সময় নষ্ট না-করে নিজের কাজে মনোনিবেশ করুন।

    ২) ইচ্ছাপূরণ হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের জন্য পার্টি আয়োজন করতে পারেন।

    ৩) বাড়িতে ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনে ব্যস্ত থাকবেন।

    সিংহ

    ১) আজ ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হাতে নেবেন না।

    ২) কারও পরামর্শ ও শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে অগ্রসর হবেন।

    ৩) ব্যবসায়ীদের জন্য দিন বিশেষ ভালো নয়।

    কন্যা

    ১)  নতুন সম্পত্তি ক্রয়ের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ২) অংশীদারীর কাজে ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারবেন।

    ৩) নতুন অভিজ্ঞতার দ্বারা আনন্দিত হবেন।

    তুলা

    ১) নিজের দায়িত্বপূরণে কোনও ত্রুটি রাখবেন না, এর ফলে প্রশংসা লাভ করবেন।

    ২) অংশীদারীর কাজ করেন যাঁরা তাঁরা আনন্দিত হবেন।

    ৩) কথা বলার সময়ে বাণী মাধুর্য বজায় রাখুন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি প্রাণশক্তিতে ভরপুর থাকবে।

    ২) কেরিয়ারের বিষয়ে ভালো সংবাদ শুনতে পাবেন।

    ৩) সকলকে সঙ্গে নিয়ে চলার পরামর্শ পাবেন।

    ধনু

    ১) আজ মিশ্র ফলাফল লাভ করবেন।   

    ২) কর্মক্ষেত্রে নিজের অভিজ্ঞতার দ্বারা লাভান্বিত হবেন।

    ৩) সকলে আপনার পরামর্শ মান্য করবে।

    মকর

    ১) সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে জড়িত, তাঁদের আজকের দিনটি ভালো কাটবে।

    ২) সকলকে সঙ্গে নিয়ে চলার চেষ্টা করবেন।

    ৩) পরিবারের সদস্যকে দিয়ে থাকা প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি অর্থ উপার্জনের জন্য ভালো থাকবে।

    ২) কোনও পুরনো লগ্নির দ্বারা লাভান্বিত হবেন।

    ৩)  চাকরিজীবীদের সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে, তা না-হলে ভুল হতে পারে।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি আত্মবিশ্বাসে ভরপুর থাকবে।

    ২) আটকে থাকা কাজ পূর্ণ হওয়ায় প্রসন্ন থাকবেন।

    ৩) সমস্ত কাজ পূর্ণ করার জন্য প্রস্তুত থাকুন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ‘ইউসুফ পাঠানের হয়ে প্রচার করব না’, ফিরহাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাফ জানালেন হুমায়ুন

    Murshidabad: ‘ইউসুফ পাঠানের হয়ে প্রচার করব না’, ফিরহাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাফ জানালেন হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানকে প্রথমদিন থেকে মেনে নিতে পারেননি ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। নির্দল হিসেবে ভোটে দাঁড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। বিদ্রোহ সামাল দিতেই রাজ্যের মন্ত্রী তথা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ফিরহাদ হাকিম তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন। কিন্তু, তাতে বরফ গলেনি। বহরমপুরের প্রার্থী নির্বাচনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সিলমোহর দিয়েছেন। সেই শীর্ষ নেতৃত্বকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে হুমায়ুন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইউসুফের হয়ে তিনি প্রচার করবেন না। মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক ফিরহাদ হাকিম বলেন, “বড় সংসারে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি থাকে। আলোচনায় সবটা মিটে গেছে। দলের হয়ে সবাই প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়বে।”

    ফিরহাদের সঙ্গে বৈঠকেও কাটল না জট (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) তিনটি লোকসভা আসনে তৃণমূলের সাংগঠনিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সাংগঠনিক নেতৃত্ব, বিধায়ক এবং সাংসদদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন ফিরহাদ হাকিম। স্বাভাবিকভাবে তাতে আমন্ত্রিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ এবং ভরতপুরে বিধায়ক হুমায়ুন। বহরমপুরের প্রার্থী পছন্দ-না হওয়ায় প্রথমে ওই দু’জনই দলের লোকসভা প্রস্তুতি বৈঠকে যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছিলেন। ঘটনাক্রমে প্রস্তুতি বৈঠক থেকে মুর্শিদাবাদের তাঁদের নাম না করে হুঁশিয়ারি দেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, “যারা এখন বিদ্রোহ করছেন, তাঁরা যেন এটা ভুলে না-যান ২০২৬ সালে তাঁদেরও ভোট আছে।” সাংগঠনিক বৈঠক শেষে দলের জেলা চেয়ারম্যান নিয়ামত শেখ এবং বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে একটি বেসরকারি হোটেলে একান্তে বৈঠকও করেন ফিরহাদ। কিন্তু, সেই বৈঠক শেষেও দেখা গেল নিজেদের অবস্থানে অনড় দুই তৃণমূল বিধায়ক। বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানকে কোনও ভাবেই তাঁরা মেনে নেবেন না বলে জানিয়ে দিলেন দু’জন।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলে মোহভঙ্গ,ভোটের মুখে একঝাঁক ছাত্র-যুব নেতা যোগ দিলেন বিজেপিতে

    কী বললেন বিক্ষুব্ধ বিধায়ক?

    তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন বলেন, “রাগ-অভিমান কারও ওপর করিনি। তাই সেটা ভঞ্জন হওয়ারও কারণ নেই। আমার কাছে অনেক ‘অফার’ রয়েছে। তবে অন্য কোনও দলে আমি যাব না। এই দলেই থাকব এবং এই দলেরই অন্যায় দেখলে, ভুল দেখলে প্রতিবাদ করব। বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর হয়ে আমি কখনও প্রচার করব না। অন্য প্রার্থীর হয়ে প্রচার করব, না কি নিজের জন্যই প্রচার করব, সেটা সময় বলবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saumitra Khan: লোকাল ট্রেনে চেপে চুটিয়ে প্রচার সারলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ

    Saumitra Khan: লোকাল ট্রেনে চেপে চুটিয়ে প্রচার সারলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকাল ট্রেনে চেপে চুটিয়ে প্রচার সারলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan)। একেবারে হালকা মেজাজে ছিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী। সোমবার ট্রেনে চেপে মশাগ্রাম যাওয়ার পথে প্রচার সারলেন। ট্রেনের ঝালমুড়ি কিনে খান। ঝালমুড়ি খেতে খেতে শুনলেন ট্রেন যাত্রীদের কথা। তিনি বলেন, “ট্রেনের টিকিট কেটে বাঁকুড়া থেকে সোনামুখী বিধায়কের সঙ্গে সফর একটা আলাদা অনুভূতি।”

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী? (Saumitra Khan)

    এদিন বিধায়ক দিবাকর ঘরামি ও কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সোনামুখী স্টেশনে পৌঁছে গেছিলেন বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র (Saumitra Khan)। অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটেন তিনি। স্টেশনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষাও করতে দেখা যায় তাঁকে। ট্রেনে ওঠার পরে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন সৌমিত্র। কেন্দ্রীয় সরকারে উন্নয়নের কাজগুলি তুলে ধরেন তিনি। সৌমিত্রর কথায়, “জনতা বলছে মোদি গ্যারান্টি।” আমরা বার বার বিষয়টি নিয়ে দরবার করেছিলাম। মোদীজি গ্যারেন্টি দিয়েছিলেন মশাগ্রাম হয়ে হাওড়া পর্যন্ত পৌঁছবে ট্রেন। সেই কথা রেখেছেন। আগামী ৩০ মার্চ হাওড়ার সঙ্গে মশাগ্রাম হয়ে বাঁকুড়ার রেল পরিষেবাকে যুক্ত করতে চলেছে রেল। এতে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরত্ব কমে আসবে। আগামী পাঁচ বছরে বাঁকুড়ার রেল পরিষেবা নিয়ে আরও পরিকল্পনাও রয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সোনামুখী-মশাগ্রাম ডবল লাইন করা। আর বেশ কিছু এক্সপ্রেস ট্রেন এবং লোকাল ট্রেন চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    যাত্রীরা কী বলেন?

    মনোজ সিনহা নামে এক যাত্রী বলেন, মশাগ্রাম হয়ে হাওড়া ট্রেন চলাচল করলে আমাদের মতো বাঁকুড়াবাসীর অনেক সুবিধা হবে। সৌমিত্রবাবু (Saumitra Khan) আমাদের কাছে এসে আমাদের সমস্যার কথা জানতে চান। আমরা এলাকার কিছু সমস্যার কথা বলেছি। তিনি সব শুনেছেন। আমার মতো অনেক যাত্রীর সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। সাধারণ যাত্রীর মতোই লোকাল ট্রেনে দাঁড়িয়ে সকলের সঙ্গে কথা বলেছেন বিজেপি প্রার্থী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Railways: প্রতিনিয়ত উন্নত পরিষেবার লক্ষ্যে রেল, যাত্রীসুরক্ষায় জনপ্রিয় হচ্ছে এলএইচবি কোচ

    Indian Railways: প্রতিনিয়ত উন্নত পরিষেবার লক্ষ্যে রেল, যাত্রীসুরক্ষায় জনপ্রিয় হচ্ছে এলএইচবি কোচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল দৈনন্দিন কয়েক কোটি মানুষকে পরিষেবা দিয়ে আসছে। আর এই পরিষেবা যাতে সুখকর হয়, আরামদায়ক হয়, সে কথা মাথায় রেখে রেল প্রতিনিয়ত তাদের পরিষেবা উন্নত থেকে উন্নততর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান যুগে দাঁড়িয়ে ভারতের রেল (Indian Railways) পরিষেবা অনেকটাই উন্নতমানের। কয়েক হাজার কিমি যাত্রা করলেও মানুষের শরীরে তার কোনও ছাপ পড়ে না। আর এই সবকিছু নির্ভর করে একটি ট্রেনের কোচ কী ধরনের, তার ওপর। আগে ভারতীয় রেলে নীল রঙের আইসিএফ কোচের দেখা মিলত, এখনও অনেক ট্রেনেই এই আইসিএফ (ICF) কোচ দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে মানুষের কাছে সব থেকে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এলএইচবি(LHB) কোচ, ঝাঁ চকচকে, রং বেরংয়ের কোচ, যেগুলিতে মানুষ সাধারণত চাপতে খুবই ভালোবাসে। বর্তমানে রাজধানী সহ বহু দূরপাল্লার ট্রেনে এই এলএইচবি (LHB) কোচের দেখা মেলে। শুধু সুখ স্বাচ্ছন্দ্য, ঝাঁ চকচকে বলে নয়, এই কোচের আছে অনেক গুরুত্ব যা ট্রেনকে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে। তাই যাত্রী নিরাপত্তার দিক থেকে এই কোচগুলি শীর্ষে। এই প্রতিবেদনে আমরা জানব সেইসব বিশেষত্বের কথা।

    কেন আলাদা এই এলএইচবি (LHB) কোচ?

    এলএইচবি-র পুরো নাম লিঙ্ক হফম্যান বুশ। এই কোচ জার্মানির কোম্পানি লিঙ্ক-হফমান-বুশ এর দ্বারা উৎপাদন করা হয়, যা বর্তমানে ভারতে কপুরথলাতে তৈরি হওয়া শুরু হয়েছে। ভারত সরকারের তরফ থেকে ২০০০ সালে প্রথম ভারতে এই কোচ নিয়ে আসা হয়েছিল। প্রথমে সাধারণত রাজধানীর সমগোত্রীয় ট্রেনে এর ব্যবহার  শুরু হয়। এই কোচের ট্রেনগুলি দুর্ঘটনার কবলে পড়লে খুব কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই কোচের (Indian Railways) ব্যবহার শুরু হয়। এই এলএইচবি কোচের কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন এই কোচ অ্যান্টি রোল, অ্যান্টি কোলাপ্স এবং অ্যান্টি টেলিস্কোপিক। এই কোচগুলি সাধারণত মাইল্ড স্টাইল দিয়ে তৈরি হওয়ায় এগুলি আইসিএফ (ICF) কোচের তুলনায় অনেকটাই হালকা। কারণ পুরানো কোচগুলিতে স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা হয়। এই ট্রেনে যাত্রা খুবই আরামদায়ক হয়। এই কামরাগুলিতে চাকায় লাগানো আছে উন্নতমানের ডিস্ক ব্রেক, যা দ্রুততম ট্রেনকে সহজেই ব্রেক করে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে। আইসিএফের তুলনায় দ্রুত গতিতে ছুটতে সক্ষম এই কোচের ট্রেনগুলি বর্তমানে ১৬০কিমি প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত গতিতে ছুটতে পারে। অপরদিকে ICF কোচের ট্রেনগুলি ঘণ্টায় ১১০ কিমির বেশি দৌড়াতে পারে না। আইসিএফ কোচে বসে থাকলে ট্রেন চলার সময় অনেক বেশি ঝাঁকুনি  অনুভব হত। কিন্তু এই উন্নত কোচগুলিতে সেই ঝাঁকুনির পরিমাণ অনেক কম।

    দুর্ঘটনার সময়ও এই কোচ দেয় বিশেষ নিরাপত্তা (Indian Railways) 

    পূর্বের অনেক রেল দুর্ঘটনার সময় আমরা লক্ষ্য করেছি একটি কোচের ওপর আরেকটি কোচের উঠে পড়া, ফলে অনেক মানুষ আহত এবং নিহত হন এবং দুর্ঘটনা এক ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। কিন্তু বিশেষ এলএইচবি কোচে এই সমস্যা হয় না। এই কোচের ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়লে তা আড়াআড়ি ভাবে লাইনচ্যুত হয়ে যায়। ফলে যাত্রীদের প্রাণহানির ঘটনা অনেকটাই কম হয়। বর্তমানে রেল মন্ত্রকের (Indian Railways) তরফ থেকে জানা গিয়েছে, যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ভবিষ্যতে আইসিএফ কোচগুলির পরিবর্তে সমস্ত ট্রেনকেই এলএইচবি (LHB) কোচে রূপান্তরিত করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হলেও আরামবাগে প্রচারে, দেওয়াল লিখনে এগিয়ে বিজেপি

    Arambagh: প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হলেও আরামবাগে প্রচারে, দেওয়াল লিখনে এগিয়ে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হলেও আরামবাগে (Arambagh) প্রচারে, দেওয়াল লিখনে এগিয়ে বিজেপি। এই লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে এমনই চিত্র। আরামবাগে দেওয়াল লিখন নিয়ে টক্করে তৃণমূল -বিজেপির। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের প্রার্থী মিতালি বাগের নাম ঘোষণা করেছে। আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে মোট সাতটি বিধানসভা রয়েছে। চারটি বিধানসভা রয়েছে বিজেপির দখলে,তিনটি রয়েছে তৃণমূলের দখলে।

    দেওয়াল লিখন-প্রচারে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি (Arambagh)

    লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেওয়াল লিখন শুরু হয়েছে আরামবাগ (Arambagh) কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে। আর সেই দেওয়াল লিখন, প্রচারে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো হাতের রং তুলি নিয়ে খোশ মেজাজেই ছুটছে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। এই মুহূর্তে আরামবাগ মহকুমার অলিতে গলিতে যেদিকে ঘুরবেন বিজেপির প্রতীক পদ্মফুল দেওয়ালে ফুটে উঠেছে। যদিও এখনও বিজেপির দলীয়ভাবে কোন প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি। একপ্রকার বলা যায়, নির্বাচনী প্রচারে বিজেপির দেওয়াল লেখনে টক্কর দিচ্ছে তৃণমূলকে। রাজ্যের শাসক দলের ক্ষমতায় তৃণমূল থাকলেও একপ্রকার বলাই যায় আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্র এখন বিজেপির দখলে। কারণ, এই লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভার মধ্যে আরামবাগ মহাকুমার চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভায় এখন বিজেপির দখলে। যার জেরে একপ্রকার তৃণমূল অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। যদিও বিজেপির দাবি তারা ইতিমধ্যেই লোকসভা কেন্দ্রের বেশিরভাগ অংশই দেওয়াল লিখন এর কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।

    আরও পড়ুন: লোকাল ট্রেনে চেপে চুটিয়ে প্রচার সারলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ

    ১৬ হাজার দেওয়াল লিখন সম্পূর্ণ

    গেরুয়া শিবিরের দাবি, ইতিমধ্যে ১৬ হাজার দেওয়াল-লিখন হয়ে গিয়েছে। আরও হবে। ১০ লক্ষ মানুষের সঙ্গে ‘সম্পর্ক স্থাপন’ও সম্পূর্ণ। বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, “দু’মাস সময় পাওয়ায় তৃণমূলের ফাঁকফোকর আরও বাড়বে। মানুষকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে যে সব ভুল ওরা বোঝাচ্ছে, তা নিয়ে আমরা সঠিক তথ্য-সহ আরও প্রচারের সময় পাচ্ছি।” বিমানের দাবি, গত ৫ দিনেই ৭২টি পথসভা করা হয়েছে। তা ধারাবাহিকভাবে চলবে। দু‘মাস সময় পাওয়ায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে আরও জোর দেওয়া হবে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান স্বপন নন্দী  বলেন, ‘‘ইতিমধ্যে হাজার পাঁচেক দেওয়াল-লিখন সম্পূর্ণ হয়েছে। বাকি আরও প্রায় হাজার দশেক দেওয়ালে রং হয়ে গিয়েছে। আগামী দু’দিনের মধ্যে দেওয়াল লিখনে ভরে যাবে লোকসভা কেন্দ্র।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: তৃণমূলে মোহভঙ্গ,ভোটের মুখে একঝাঁক ছাত্র-যুব নেতা যোগ দিলেন বিজেপিতে

    BJP: তৃণমূলে মোহভঙ্গ,ভোটের মুখে একঝাঁক ছাত্র-যুব নেতা যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকেই জেলায় জেলায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগদানের হিড়িক শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক জেলায় সংখ্যালঘুরা ঝাঁকে ঝাঁকে বিজেপিতে যোগদান করছেন। এবার পূর্ব বর্ধমান জেলায় তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসালো বিজেপি। লোকসভা ভোটের মুখে তৃণমূলের ছাত্র-যুব নেতারা বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় দলীয় কর্মীরা চাঙা হয়ে উঠেছেন।

    কেন বিজেপিতে? (BJP)

    সন্দেশখালি সহ নানা জায়াগায় মহিলাদের অসম্মান ও দলের কার্যকলাপে বীতশ্রদ্ধ হয়ে ‘ সোমবার বিজেপি’তে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কিছু ছাত্র-যুব নেতা। বিজেপি জেলা দফতরে তাদের দলে যোগদান করান বিজেপি-র বর্ধমান জেলার সভাপতি অভিজিৎ তা। সোমবার দুপুরে ৫০ জন ছাত্র ও যুব নেতা তৃণমূল থেকে যোগ দিলেন বিজেপিতে (BJP)। এদের মধ্যে আছেন বর্ধমান রাজ কলেজের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সুরজ ঘোষ সহ অনেকে। বিজেপিতে যোগদানকারী নেতা সুরজ ঘোষ বলেন, ‘চাকরির নামে দুর্নীতি। সব কিছুতেই দুর্নীতি তৃণমূলে। আত্মসন্মান নিয়ে তৃণমূল দলটা করা যায় না। তাই, আমরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার সঙ্গে তৃণমূলের ছাত্র-যুব নেতা সহ ৫০ জন বিজেপিতে যোগ দিলেন। আগামীদিনে আরও অনেকে বিজেপিতে যোগ দেবেন।’

    আরও পড়ুন: ‘তৃণমূল পরিচয় দিয়ে ভোট চাইতে লজ্জা পাচ্ছেন কর্মীরা’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা

    বিজেপি’র জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা জানান,’মোদিজীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এরা দলে যোগ দিলেন। তৃণমূলের প্রতি তাঁরা তিতি বিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন। এরা এতই আগ্রহী ছিলেন যে তড়িঘড়ি এদের দলে নেওয়া হল। সামাজিক রাজনৈতিক কাজে এরা যুক্ত হবেন।’ দলবদলের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি স্বরাজ ঘোষ বলেন, যাদেরকে আমরা ছুঁড়ে ফেলে দিই, তাদেরকে বিজেপি (BJP) নিচ্ছে দলে। তাতে তৃণমূলের কোনও ক্ষতি হবে না। বিজেপির  বর্ধমান জেলায় কোন সংগঠন নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Laxmi Bhandar: কোড অফ কনডাক্টকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-জব কার্ডের ফর্ম ফিলাপ

    Laxmi Bhandar: কোড অফ কনডাক্টকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-জব কার্ডের ফর্ম ফিলাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এবার এই কমিশনের বিজ্ঞাপনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে সরকারি ফর্ম ফিলাপ। গত শনিবার থেকেই মডেল কোড অফ কনডাক্টকে উপেক্ষা করে রাজ্যের তৃণমূল সরকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, জব কার্ডের জন্য প্রকাশ্যে করে চলেছে আবেদন পত্র গ্রহণ। ঘটনায় ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছে বিজেপি। ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman)।

    মমতার ছবি লাগিয়ে চলেছে ফর্ম ফিলাপ? (Laxmi Bhandar)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) গলসি ১ নম্বর উচ্চগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কোলকোল শিক্ষা নিকেতনে গতকাল রবিবার একাধিক সরকারি প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপের (Laxmi Bhandar) কাজ সম্পন্ন হয়েছে। একেবারে সরকারি স্কুলে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা লাগিয়ে এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি লাগিয়ে জয় বাংলা ফর্ম ফিলাপ করেন তৃণমূলের নেতারা। এই ফর্ম পূরণের জন্য ১০ টাকা করে নেওয়া হয়।

    তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার বক্তব্য

    স্থানীয় (Purba Bardhaman) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মাত্র দুই দিন আগেই এলাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) এবং কর্মশ্রী অর্থাৎ পঞ্চাশ দিনের জব কার্ডের জন্য মাইকিং করা হয়। জানা গিয়েছে, এই প্রচারের পিছনে রয়েছে গলসি ১ নম্বর ব্লকের উচ্চগ্রাম অঞ্চল সভাপতি নিখিল রায়। তিনি দায়িত্ব নিয়ে তৃণমূল দলের হয়ে এই প্রচার করেন। পঞ্চায়েত সদস্যা দুলালী বাউরি বলেন, “এদিনের ফর্ম ফিলাপের কাজ সরকারি দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে হয়েছে। আমাকে ওই ফর্ম অঞ্চল সভাপতি দিয়েছেন। সরকারি প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করতে শুধু মাত্র ১০ টাকা করে নেওয়া হয়।” অপরদিকে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি নিখিল রায় জানান, “ফর্ম ফিলাপের সম্পর্কে কিছু জানিনা। কিছু মানুষের টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকছে না। রবিবারে এমন কাজের কোনও অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এই বিষয়ে তদন্ত করতে বলব।

    বিজেপির বক্তব্য 

    ঘটনায় কথা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয় (Purba Bardhaman) বিজেপি নেতা বলেন, “নির্বাচন ঘোষণার পর মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তোলাবাজি করা হচ্ছে। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা অভিযোগ করব।” জেলা শাসক বিধান রায় বলেন, “খোঁজ নিয়ে দেখবো। প্রয়োজনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ‘নির্বাচন কমিশনকে বসিয়ে, জলটল দিয়ে দেবেন’, কেষ্টর বুলি মালদার তৃণমূল প্রার্থীর গলায়

    Malda: ‘নির্বাচন কমিশনকে বসিয়ে, জলটল দিয়ে দেবেন’, কেষ্টর বুলি মালদার তৃণমূল প্রার্থীর গলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট আসলেই বিরোধী রাজনৈতিক দলকে নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের গলায় গরমাগরম ডায়গল শোনা যেত। গরু পাচার কাণ্ডে তিনি এখন তিহার জেলে রয়েছেন। কেষ্টকে দেখেও শিক্ষা হয়নি তৃণমূলের নেতাদের। এবার লোকসভা ভোটের প্রচারে মালদা (Malda) উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেও কেষ্টর বুলি শোনা গেল। নির্বাচন কমিশনকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাক্তন এই আইপিএস। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্যের বিরোধিতা করে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল প্রার্থী? (Malda)

    এমনিতেই তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে বড় কোনও নেতা প্রচারে নামা শুরু করেননি। বিশেষ করে তৃণমূল নেত্রী মৌসুম বেনজির নূরকে এখনও পর্যন্ত প্রচারে সেভাবে দেখা যায়নি। ফলে, দলের মধ্যে কোন্দল একেবারে সামনে চলে এসেছে। এই অবস্থায় অনুব্রতের মতো গরামগরম বুলি বলে তৃণমূল প্রার্থী বাজিমাত করতে চাইছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। হরিশচন্দ্রপুরে উত্তর মালদার (Malda) তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারে গিয়েছিলেন। এই প্রসূনকে এক সময় মালদাবাসী পুলিশকর্তা হিসাবে চিনতেন। এবার তিনি ভোটের প্রার্থী। ভোট প্রচারে নেমে প্রসূন কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “প্যারামিলিটারি যদি ভয় দেখায় আমার নাম প্রসূন ব্যানার্জি। ম্যায় হুঁ না। নির্বাচন কমিশনকে বসিয়ে রাখতে হবে এখানে। ভাল করে জলটল দিয়ে দেবেন। ওদের অযত্ন করবেন না। ওনারাও চাকরি করেন। কোনও অযত্ন করবেন না। শুধু বলবেন প্রসূন ব্যানার্জি খেলতে এসেছে। বুটের দপদপানি, একে-৪৭ দিয়ে কোনও লাভ নেই। বুঝে নেবো সব। আইনকানুন, অবজারভার বুঝে নেবে। সকলকে সম্মান দেবেন। প্রতিপক্ষকে সম্মান দেবেন, কাউকে কুকথা বলবেন না।”

    আরও পড়ুন: রচনার কর্মিসভায় গরহাজির বহু তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    মালদা (Malda) উত্তরের বিদায়ী সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ” যিনি আজ এখানে ধমকাচ্ছেন, ভাবছেন সকলে ঘরে ঢুকে যাবে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। আমরা তৃণমূলের প্রতিটা চমকানো ধমকানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনে জানাব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share