Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ২৩/০৪/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ২৩/০৪/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২)  কর্মক্ষেত্রে সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সতর্ক থাকুন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি নানান ওঠাপড়ার মধ্য দিয়ে কাটবে।

    ২) পরিবারের কিছু বিষয়ের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ৩) আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন।

    কর্কট

    ১) জীবনে সুখ-সমৃদ্ধির আনন্দ উপভোগ করবেন।

    ২) বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) প্রাণশক্তির জোরে সাফল্যের পথে অগ্রসর হবেন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।  

    ২) নতুন সম্পর্কের সূচনার সুযোগ পাবেন।

    ৩) বাড়িতে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) অভিনব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ সম্ভব।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ থাকবে।

    ২) জীবনে নতুন সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক সমস্যার মুখে পড়বেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি কঠিন সমস্যায় ভরে থাকবে।

    ২) একাধিক সমস্যার মোকাবিলা করে হতাশ হবেন।

    ৩) শক্তি ও ক্ষমতার ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) জীবনে প্রচুর আনন্দ ও সমৃদ্ধি অনুভব করবেন।

    ৩) জীবনের স্বপ্ন পূরণ ও নতুন উচ্চতায় পৌঁছনোর সুযোগ পেতে পারেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো। 

    ২) নিজের কাজে সাফল্য লাভ করতে পারেন।

    ৩) বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ২) স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনও গাফিলতি করবেন না।

    ৩) আত্মীয়দের কাছ থেকে কিছু বিশেষ উপহার পেতে পারেন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) স্মরণীয় মুহূর্ত কাটাবেন আজ।

    ৩) কোনও অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC Chairman: ভারতে ক্যাম্পাস খুলতে উৎসাহী আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি, জানালেন ইউজিসি চেয়ারম্যান

    UGC Chairman: ভারতে ক্যাম্পাস খুলতে উৎসাহী আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি, জানালেন ইউজিসি চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, ব্রিটেন এবং অস্ট্রেলিয়া ভারতের সঙ্গে কথা এখানে তাদের ক্যাম্পাস খোলার জন্য। এ কথা জানিয়েছেন ইউজিসির চেয়ারম্যান এম জগদীশ কুমার (UGC Chairman)। সোমবারই জগদীশ কুমার এ বিষয়ে বলেন যে এ নিয়ে বিভিন্ন খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি আবেদনও জমা করেছে। কিন্তু যেহেতু আবেদন প্রক্রিয়া চলছে তাই কোনও নাম এখনও তিনি মুখে আনেননি। কিন্তু তিনি জানিয়েছেন, ভারতবর্ষে ক্যাম্পাস খোলার ক্ষেত্রে বিপুল আগ্রহ দেখা গিয়েছে খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসেই ইউজিসি নোটিশ জারি করে জানায় যে বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়গুলি চাইলে ভারতে তাদের ক্যাম্পাস খুলতে পারে।

    ভারতে আসার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে 

    এক সাক্ষাৎকারে এম জগদীশ কুমার (UGC Chairman) জানিয়েছেন, বিশ্বের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে ভারতে আসার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে দেখা যাচ্ছে। আমরা প্রতিনিধির দল পাঠিয়েছিলাম উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া এবং আরও অন্যান্য জায়গায়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আগ্রহ দেখিয়েছে ভারতে ক্যাম্পাস স্থাপনের বিষয়ে। অস্ট্রেলিয়ার ডিয়াকিন বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রথম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় যারা ভারতে তাদের শাখা স্থাপন করছে। গুজরাট ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্স টেকনোলজি সিটিতে প্রথম তাদের ক্যাম্পাস খুলছে এই বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়।

    আরও পড়ুনঃ প্রথমবার পেট্রাপোল পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছালেন মহিলা ট্রাকচালক

    চালু হয়েছে অনলাইন পোর্টাল 

    ইউজিসি চেয়ারম্যান (UGC Chairman) আরও জানিয়েছেন, অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়েছে। যে পোর্টালের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ভারতে ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। মাত্র ৬০ দিনের মধ্যে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি দেখাশোনা করবে বলে জানা গিয়েছে। বিশ্বের প্রথম ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে থেকেই আবেদন নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। পরবর্তীকালে সেই তালিকাকে অনুমোদন দেবে ইউজিসি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC NET: ৪ বছরের ডিগ্রি কোর্স করেই সরাসরি পিএইচডি! সম্মতি ইউজিসি-র, মানতে হবে এই শর্ত

    UGC NET: ৪ বছরের ডিগ্রি কোর্স করেই সরাসরি পিএইচডি! সম্মতি ইউজিসি-র, মানতে হবে এই শর্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কলেজের চার বছর পূর্ণ হলেই শিক্ষার্থীরা পিএইচডি করতে পারবেন এবং নেট পরীক্ষা দিতে পারবেন। এমনই তথ্য দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অর্থাৎ ইউজিসি চেয়ারম্যান এম জগদীশ কুমার। জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ (JRF) সহ বা ছাড়াই পিএইচডি করার জন্য, প্রার্থীদেরকে তাদের চার বছরের স্নাতক কোর্সে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ নম্বর বা সমমানের গ্রেডের প্রয়োজন হবে। এখনও পর্যন্ত, ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্টের (NET) একজন প্রার্থীর ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রয়োজন ছিল।

    নতুন নিয়ম কত নম্বর লাগবে

    নেট দিয়ে পিএইচডি করার জন্য আর তিন বছর ধরে কলেজ করে মাস্টার্স ডিগ্রি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান জগদীশ কুমার জানিয়েছেন যে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরা এখন সরাসরি নেট পরীক্ষায় উপস্থিত হতে পারবেন এবং পিএইচডি করতে পারবেন। এতদিন সাধারণ নিয়মে তিন বছরের ডিগ্রিধারী পরীক্ষার্থীদের ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট (NET) দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর সহ স্নাতকোত্তর পাস করতে হত। কিন্তু এখন চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরাও এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ (JRF) সহ বা জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ ছাড়া পিএইচডি করার জন্য, প্রার্থীদের অবশ্যই তাদের চার বছরের স্নাতক কোর্সে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ নম্বর পেতে হবে কিংবা সমমানের গ্রেডের প্রয়োজন হবে। আর যে প্রার্থীরা তিন বছর স্নাতক করেছেন বা ৭৫ শতাংশের কম নম্বর পেয়েছেন, তাঁরা আগের মতোই ৫৫ শতাংশ স্কোর সহ মাস্টার্স করে নেট এবং পিএইচডি করতে পারবেন। 

    আরও পড়ুন: জালালাবাদের মুক্তি যুদ্ধ, ভারতের ইতিহাসে এক প্রেরণা ২২শে এপ্রিল ১৯৩০

    কুমার জানিয়েছেন, ‘চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীরা এখন সরাসরি পিএইচডি করতে এবং নেট পরীক্ষা দিতে পারেন। এই ধরনের প্রার্থীরা যে বিষয়ে নিজেদের স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন তাঁর বাইরেও অন্যান্য বিষয়ে তাঁদেরকে এই পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হবে’। ইউজিসি-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসসি, এসটি, ওবিসি (নন-ক্রিমি লেয়ার), ভিন্নভাবে সক্ষম, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল বিভাগ এবং অন্যান্য বিভাগের প্রার্থীদের জন্য পাঁচ শতাংশ নম্বর বা এর সমতুল্য গ্রেডের শিথিলকরণ অনুমোদিত হতে পারে। নেট পরীক্ষা বছরে দু’বার নেওয়া হয়। প্রতি বছর জুন এবং ডিসেম্বর। এর স্কোরগুলি বর্তমানে জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ (JRF) প্রদান করতে এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের জন্য সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Spice Brands: ক্ষতিকারক! ২ দেশে নিষিদ্ধ ভারতের ২ মশলা ব্র্যান্ড, নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ কেন্দ্রের

    Indian Spice Brands: ক্ষতিকারক! ২ দেশে নিষিদ্ধ ভারতের ২ মশলা ব্র্যান্ড, নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার ফুড কমিশনারদের নির্দেশ দিয়েছে, দেশের সমস্ত মশলা কোম্পানির নমুনা সংগ্রহ করার জন্য। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, হংকং এবং সিঙ্গাপুরে ভারতের দুটি মশলাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই দুটি হল প্রভূত জনপ্রিয় এমডিএইচ এবং এভারেস্ট (Indian Spice Brands)। এই দুটি মশলা কোম্পানির প্রোডাক্টে ক্যান্সারের উপাদান পাওয়া গিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে তা নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ৩-৪ দিনের ভিতর নমুনা সংগ্রহ

    এ নিয়ে দেশের সমস্ত ফুড কমিশনারকে সতর্ক করা হয়েছে। ভারতীয় মশলা কোম্পানিগুলির নমুনা সংগ্রহ করারও কাজ শুরু  হয়েছে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে নির্দেশে জারি করা হয়েছে। আগামী তিন চার দিনের ভেতরে সমস্ত মশলা কোম্পানির নমুনা সংগ্রহ করা (Indian Spice Brands) সম্পন্ন হবে বলে কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে। শুধুমাত্র এমডিএইচ অথবা এভারেস্ট কোম্পানিরই নয়, বিভিন্ন অন্যান্য মশলা কোম্পানিরও নমুনা সংগ্রহ করার কাজ শুরু হয়েছে। এই মশলার নমুমা গুলির রিপোর্ট কুড়ি দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে বলে জানা গিয়েছে।

    হংকং এবং সিঙ্গাপুরের প্রশাসন সেদেশের মানুষজনকে সতর্ক করেছে

    প্রসঙ্গত, হংকং এবং সিঙ্গাপুরের প্রশাসন সেদেশের মানুষজনকে সতর্ক করেছে এমডিএইচ এবং এভারেস্টের ব্র্যান্ড যেন ব্যবহার না করা হয়। কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, এখানে রয়েছে ইথিলিন অক্সাইড এর উপাদান যা ক্যান্সারের প্রবণতাকে বাড়িয়ে (Indian Spice Brands) দিতে পারে। হংকং এর ‘সেন্টার ফর সেফটি ফুড’ এই মর্মে বিবৃতি দিয়েছে চলতি মাসের ৫ তারিখে। অন্যদিকে ‘সিঙ্গাপুর ফুড এজেন্সি’ একই নির্দেশ দিয়েছে।

    ইথিলিন অক্সাইড ভারতে নিষিদ্ধ রয়েছে

    প্রসঙ্গত, ইথিলিন অক্সাইড ভারতে নিষিদ্ধ রয়েছে। এই ক্ষতিকারক উপাদান যদি দেখা যায় এমডিএইচ এবং এভারেস্টে ব্যবহার করা হচ্ছে তাহলে অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইতিমধ্যে মশলা বোর্ডের কাছে আবেদন (Indian Spice Brands) জানানো হয়েছে এই মর্মে। ভারতীয় শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীনে পড়ে মশলা বোর্ড। মশলা বোর্ডকে সচেতনতা ছড়াতে বলা হয়েছে, যাতে কোনও ক্ষতিকারক উপাদান ব্যবহার করা না হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “দোকান খুলে চাকরি বিক্রি করেছিলেন মমতা ও তাঁর শাগরেদ পার্থ,” বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “দোকান খুলে চাকরি বিক্রি করেছিলেন মমতা ও তাঁর শাগরেদ পার্থ,” বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে সোমবার বিকেলে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ বরাহারে জনসভা করতে এলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতার পাশাপাশি মঞ্চে রয়েছেন বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার, জেলার তিন বিজেপি বিধায়ক, সন্দেশখালির তিন মহিলা সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।  

    তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন সুকান্ত

    মঞ্চ থেকে সুকান্ত বলেন, কয়লা চুরি, বালি চুরির পাশাপাশি সবুজ সাথির সাইকেল চুরি করে বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন মমতা। লোকসভা নির্বাচনের আগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ ব্লকে সভা করে বিজেপি। সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে এই সভা হয়।  সুকান্ত মজুমদারের হয়ে সভাতে আসেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । সভা থেকে সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, তৃণমূল মানুষদেরকে ভয় দেখাচ্ছে যে আধার কার্ড বাতিল হবে। আমি এই মঞ্চ থেকে বলছি, একটা আধার কার্ড বাতিল হবে না। আধার কার্ড বাতিল না হলে তৃণমূল নেতাদেরকে বিজেপি কর্মীরা জুতার বাড়ি মারবেন, আমি এই মঞ্চ থেকে বলে গেলাম। আমি আরও এই মঞ্চ থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের বলছি, আপনারা লাঠিতে তেল দিয়ে রাখুন, ভোটের দিন তৃণমূল খেলা হবে বলে ছাপ্পা দিতে আসলেই ছক্কা মেরে দেবেন।

    আরও পড়ুন: ভোটের পরেই কি মুখ্যমন্ত্রী বদল! ইঙ্গিত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    দোকান খুলে চাকরি বিক্রি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)

    এস‌এসসির চাকরিতে অতিরিক্ত শিক্ষক পদ তৈরিতে অভিযুক্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ২০২২ সালের ৫ মে মন্ত্রীসভায় উপস্থিত সকলকে সিবিআই হেফাজত নেওয়ার দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । সোমবার বিকেলে কুমারগঞ্জের জনসভা থেকে শুভেন্দু বলেন, “ডিভিশন বেঞ্চ অতিরিক্ত পদ তৈরি কারীদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।” তা হলে ২০২২ সালের ৫ মে মন্ত্রী সভার বৈঠক করে বাড়তি শিক্ষক পদ অনুমোদন করা হয়েছিল। ওই বৈঠকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের অবিলম্বে সিবিআই হেফাজতে নেওয়া হোক বলে শুভেন্দু দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, “যাদের চাকরি চলে গিয়েছে, তাঁদের নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু, এদের দোকান খুলে চাকরি বিক্রি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর শাগরেদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ৩০ লক্ষ কর্ম প্রার্থীর সর্বনাশ করেছিলেন যাঁরা আজ তাঁদের সর্বনাশ হয়েছে ডিভিশন বেঞ্চে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: ভোটের পরেই কি মুখ্যমন্ত্রী বদল! ইঙ্গিত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Abhijit Ganguly: ভোটের পরেই কি মুখ্যমন্ত্রী বদল! ইঙ্গিত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজব ছিলই। সেই গুজবে শান দিলেন সদ্য রাজনীতিতে আসা প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। তিনি বললেন ভোটের পর নাকি পদ ছেড়ে দিতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রী (CM) হবেন তাঁর নিকট আত্মীয়। এই নিকট আত্মীয় যে কে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু রতুয়ার (Ratua) সভা থেকে সেই কথা নিজ মুখে বলেন অভিজিৎ। তাহলে কি লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ বদল হবে? প্রশ্নটা বিজেপি নেতার তরফে ভাসিয়ে দেওয়া হলেও তৃণমূল এই ইস্যুতে এখনও চুপ।

    ঠিক কী বলেছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) ?

    তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বলেন, “আমাদের কাছে যে খবর আছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অন্তত ২৫ টা সিট বিজেপি (BJP) পাচ্ছে। এ খবর শুধু আমরা নয় রাজ্যের গোয়েন্দা দপ্তরের। নিঃসন্দেহে নির্লজ্জ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পৌঁছে দিয়েছেন। আমাদের কাছে যে খবর আছে তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের (Resign) তোড়জোড় করছেন। কারণ এই চুরির মক্ষীরানীর পক্ষে আর সম্ভব নয় এই রাজ্য চালানো। তিনি একজন চুরির রানী হিসেবে পরিচিত হয়ে গেছেন। তাঁকে এখন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ বদল করতেই হবে। আর এই জায়গায় তিনি একজন চুরির রাজাকে বসিয়ে দিয়ে যাবেন। যিনি তাঁর নিকট আত্মীয়। এভাবে তিনি হিমালয়ে চলে যাবেন। আর বাকি চুরিটা তার আত্মীয় করবে।”

    আর কী বললেন?

    রতুয়ার সভা থেকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) আরও বলেন, “তৃণমূলের দালালরা ভোট চাইতে এলে জিজ্ঞেস করবেন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি তৃণমূল সরকার দিয়েছিল সেগুলি কোথায়? এদিকে সন্দেশখালীর ইস্যুকে সামনে রেখে পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপি প্রার্থীর নির্বাচনী সভার নাম দেওয়া হয়েছে নারী শক্তি সম্মান সম্মেলন।

    আরও পড়ুনঃ “বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত”, তোপ দাগলেন অভিজিৎ

    নতুন মুখ কে হবেন?

    প্রসঙ্গত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ এক বছর থেকে বিভিন্ন মঞ্চে তাঁর অসুস্থতার কথা তুলে ধরেছেন। স্পেনে গিয়ে তিনি আঘাত পেয়েছিলেন। কিছুদিন আগেই বাড়িতে পড়ে যান। তিনি আঘাত পান মাথায়। বাম জমানাতেও বহুবার তিনি চোট আঘাত পেয়েছেন বলে দাবি করে এসেছেন নির্বাচনী প্রচার সভা থেকে। সম্প্রতি কয়েকবার মমতা বলেছেন তাঁর হাঁটতে কষ্ট হয়। তবে দল এবং প্রশাসনে তাঁর অবসরের পরেও নতুন মুখকে মেনে নিতে কি কোনও অসুবিধা হবে না? তবে এই নতুন মুখকে হতে পারেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। দলনেত্রীর পর দলের সেনাপতি যে নতুন মুখ হবেন সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। কিন্তু তৃণমূলের তরফে এখনও এবিষয়েও কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: ভোটের মুখে অর্জুনের গড়ে রক্ত ঝরল বিজেপি নেতার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Barrackpore: ভোটের মুখে অর্জুনের গড়ে রক্ত ঝরল বিজেপি নেতার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের রক্ত ঝড়ল বারাকপুর (Barrackpore) লোকসভার বাসুদেবপুর থানার জগদ্দল বিধানসভার  কাউগাছি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অম্বিকাপল্লিতে। বিজেপির জগদ্দল মণ্ডল-৪-এর  সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব করকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত বিজেপি নেতাকে তাঁর বাড়িতে দেখতে যান অর্জুন সিং।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিপ্লববাবু স্থানীয় বিজেপি নেতা। বারাকপুরে (Barrackpore) দলীয় প্রার্থীর হয়ে দেওয়াল লিখন, বাড়ি বাড়ি প্রচার করছেন তিনি। শাসক দলের স্থানীয় নেতারা তা মেনে নিতে পারছে না বলে বিজেপির অভিযোগ। হনুমান জয়ন্তী পুজো নিয়ে বিপ্লববাবুর সঙ্গে তৃণমূল কর্মী বিশাল সিংয়ের বচসা হয়। বিশাল তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন। সোমবার ভোর রাতে বাড়ির বাইরে শৌচালয়ে যেতেই তাঁর ওপর তৃণমূল কর্মী বিশালের লোকজন হামলা চালায়। বিপ্লববাবুর বাঁ হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। আক্রান্ত বিজেপি নেতা বিপ্লব কর বলেন, আসলে এলাকায় আমি বিজেপির নেতৃত্ব দিই। সেটা তৃণমূলের লোকজন মেনে নিতে পারে না। তাই, সামান্য কারণে আমার সঙ্গে ঝগড়া করে পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আসলে পাড়ার মন্দিরে হনুমান জয়ন্তী পালন করা নিয়ে তৃণমূল কর্মী বিশাল সিংয়ের সঙ্গে তাঁর বচসা হয়েছিল। সকলের অনুমতি ছাড়া হনুমান জয়ন্তী করা যাবে না বলে বিশালকে আমি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলাম। সেটা ও মেনে নিতে পারিনি। সামান্য বিষয় নিয়ে ও আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেছিল।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতি মামলায় বড় ধাক্কা রাজ্যের! কী বললেন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং বলেন, আসলে তৃণমূল এলাকায় তোলাবাজি করে। পুজোর নাম করে তোলাবাজির চেষ্টা করছিল। আমাদের ওই এলাকার দলীয় নেতা তার প্রতিবাদ করেছিল। তাই ওর ওপরে এরকম হামলা হল। আমরা দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। যদিও এই ঘটনা নিয়ে কাউগাছি-২ পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপ-প্রধান শেখ ইমতিয়াজ আলি বলেন, এটা কোনও রাজনৈতিক ঘটনা নয়। পড়শিদের মধ্যে কোনও কারণে ঝামেলা হয়েছে। অকারণে রাজনীতিকে জড়াচ্ছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chittagong : জালালাবাদের মুক্তি যুদ্ধ, ভারতের ইতিহাসে এক প্রেরণা ২২শে এপ্রিল ১৯৩০

    Chittagong : জালালাবাদের মুক্তি যুদ্ধ, ভারতের ইতিহাসে এক প্রেরণা ২২শে এপ্রিল ১৯৩০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলে মাস্টারদার সঙ্গী ছিল চারটি বই। গীতা, চণ্ডী, মহাভারত আর রবীন্দ্রনাথের ‘চয়নিকা’। খুব ভোরে উঠে ব্রহ্মসঙ্গীত গাইতেন বা স্তোত্রপাঠ করতেন। সকাল কেটে যেত গীতা পাঠে, দুপুরে পড়তেন মহাভারত। গীতা থেকেই রাজনীতির পাঠ নিতেন মাস্টারদা সূর্য সেন। গীতাই তাঁকে শিখিয়েছিল বিশ্বাস, সততা আর জেদকে সঙ্গী করে কীভাবে মুক্তির স্বপ্ন দেখা যায়। নিজের অধিকারের লড়াই লড়া যায়। সেই জেদকে সঙ্গী করেই একদল বাঙালি বিপ্লবীকে নিয়ে ব্রিটিশদের বৃহৎ সৈন্যদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন মাস্টারদা। দিনটি ছিল ২২ এপ্রিল ১৯৩০

    জালালাবাদের পাহাড়ে মুক্তিযুদ্ধ

    ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রামে হল সশস্ত্র অভ্যুত্থান। ২২শে এপ্রিল ১৯৩০। জালালাবাদ যুদ্ধ। মাস্টারদা পুরো দলবলসহ এসে পৌঁছলেন জালালাবাদ পাহাড়ের নিচে। সিদ্ধান্ত হল পাহাড়ে চড়ার। ১৮ থেকে ২২ এপ্রিল, চারটে দিন পাহাড়েই কেটেছিল বিপ্লবীদের। খাবারও জোটেনি কিছু। বিপ্লবী লোকনাথ বল জানিয়েছিলেন মাঝে মাঝে পাহাড়ের কাঁচা আম, তেঁতুল পাতা, দু একটা চুরি করে আনা বিস্কুট, একবেলা সামান্য খিচুড়ি আর ঘোলা জল খেয়ে এই চার দিন কাটিয়েছিলেন তাঁরা। সূর্য সেন, নির্মল সেন, অম্বিকা চক্রবর্তী ও লোকনাথ বল ছিলেন বিপ্লবী দলটির নেতা। তাঁদের সঙ্গী ছিলেন ৬৩ জন মুক্তি-পাগল কিশোর, ছাত্র ও তরুণ বিপ্লবীরা। সর্ব কনিষ্ঠ বিপ্লবীর বয়স ছিল ১৪ কি ১৫ বছর। 

    পাহাড় থেকে লড়াই

    ২২ এপ্রিল, ১৯৩০ ওইদিন সবাই যখন ভোরবেলা মাস্টারদার নেতৃত্বে পাহাড়ে চড়েছেন সেইদিন বিকেল চারটের সময় চট্টগ্রাম নাজিরহাট শাখা রেল লাইনের ‘ঝরঝরিয়া বটতলা’ মসজিদের পাশে এসে থামল একটি ট্রেন। রেলগাড়ি থেকে নেমে এল ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ার রাইফেলস ও সুর্মা ভ্যালি লাইট ইনফ্যান্ট্রির সশস্ত্র সেনাবাহিনীর দল। তারা রওনা হল জালালাবাদ পাহাড়ের উদ্দেশ্যে। পাহাড়ের দুদিকে অন্য দুটো উঁচু পাহাড়ের মাথায় বসানো হল মেশিনগান। ইতিমধ্যে বিপ্লবী লোকনাথ বলের নির্দেশে আটভাগে বিপ্লবীদের বাহিনীকে পাহাড়ের চারপাশে সাজানো হল। কিছুক্ষণ পর দেখা গেল জালালাবাদ পাহাড়ের দুই দিক দিয়ে বহুসংখ্যক শত্রুপক্ষের সৈন্য ওপরে উঠে আসবার চেষ্টা করছে। তারা যখন পাহাড়ের প্রায় অর্ধেকটা উঠে এসেছে, এমন সময় লোকনাথ বলের আদেশে বিদ্রোহী বাহিনী বীর বিক্রমে তাদের ওপরে প্রচন্ডভাবে গুলিবর্ষণ আরম্ভ করল। তাদের অনেকেই প্রাণ হারিয়ে গড়িয়ে নিচে পড়ে গেল এবং অনেকেই গুরুতরভাবে আহত হয়ে পড়ে রইল। বাকি সকলেই পেছনে ফিরে ছুটে পালিয়ে গিয়ে দূরে একটি গভীর নালার মধ্যে আশ্রয় নিল। কয়েক মিনিট পরে তারা আবার বেপরোয়া হয়ে পাহাড়ে উঠবার চেষ্টা করল। কিন্তু এবার তারা পাহাড়ের অর্ধেকটুকুও উঠতে পারল না। ওপরের বিপ্লবীদের প্রচন্ড গুলিবর্ষণে তাদের অনেকেই পূর্বের ন্যায় নিহত ও আহত হল এবং কয়েক সেকেন্ড পরে তারা আবার পালিয়ে গেল। তারপর অকস্মাৎ জালালাবাদ পাহাড়টির দুদিকের দুটি উচ্চতর পাহাড় থেকে জালালাবাদ পাহাড়ের ওপর মেশিনগানের গুলিবর্ষণ আরম্ভ হল। বিপ্লবীদের পক্ষ থেকেও প্রচন্ডভাবে প্রত্যুত্তর দেওয়া হল। কিন্তু শত্রুপক্ষের মেশিনগানের গুলিতে হরিগোপাল বল, নির্মল লালা, প্রভাস বল, পুলিন ঘোষ, মধুসূদন দত্ত, জিতেন দাশগুপ্ত, নরেশ রায়, বিধু ভট্টাচার্য, ত্রিপুরা সেন, শশাঙ্ক দত্ত এবং মতি কানুনগো প্রাণ হারিয়ে শহিদের অমরত্ব লাভ করেন। 

    বাঙালি বিপ্লবীদের বীর গাথা

    সে যুদ্ধে প্রথম শহীদ হয়েছিলেন লোকনাথ বলের ছোট ভাই ১৬ কি ১৭ বছরের বিপ্লবী হরিগোপাল (টেগরা) বল। ১২জন বিপ্লবী বীরের মৃত্যু বরণ করলেন। কিন্তু হার মানলেন না। রাতের অন্ধকারে যুদ্ধ-বিরতি নিতে বাধ্য হল ব্রিটিশ সেনারা। রাতের অন্ধকারেই একটা একটা করে দেহ নিয়ে আসা হল মাস্টারদার কাছে। মাস্টারদা শহিদদের নিথর বুকের ওপর কান রেখে বসে থাকেন কিছুক্ষণ, যদি হৃদপিণ্ডের স্পন্দন শোনা যায়! যদি প্রাণ থাকে, যদি বাঁচানো যায়। নির্মল লালার মুখে যেন তখনও হাসি লেগে আছে। ওর মাথাটা নিজের কোলে তুলে নিয়ে অনেকক্ষণ চেয়ে থাকেন সর্বকনিষ্ঠ এই শহিদের মুখের দিকে। তারপর নির্মলের মাথাটা অতি যত্নে মাটিতে নামিয়ে রেখে উঠে দাঁড়ালেন তিনি। সামরিক কায়দায় অভিবাদন জানিয়ে ধীরে ধীরে বললেন, চলো এবার সবাই। জালালাবাদ পাহাড়ে শহিদদের স্যালুট দিয়ে জীবিত বিপ্লবীরা ছড়িয়ে পড়লেন এ দিক-ও দিক। আহত যে সব সঙ্গীরা চলার ক্ষমতা হারিয়েছিলেন তাঁদেরকে বহন করে এনেছিলেন অন্যেরা। 

    আরও পড়ুনঃ প্রথমবার পেট্রাপোল পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছালেন মহিলা ট্রাকচালক

    মাস্টারদার আত্মত্যাগ

    যুদ্ধের পর সূর্য সেন, নির্মল সেন, লোকনাথ বল প্রমুখদের আশ্রয় দিয়েছিলেন কোয়াপাড়া গ্রামের বিনয় সেন। সূর্য সেন ছোট ছোট দলে বিভক্ত করে তার লোকজনকে পার্শ্ববর্তী গ্রামে লুকিয়ে রাখেন এবং বিপ্লবীরা পালাতে সক্ষম হয়। কলকাতা পালিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন গ্রেফতার হয়। কয়েকজন বিপ্লবী পুনরায় সংগঠিত হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৩২ সালে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের নেতৃত্বে আবারও আন্দোলন সংগঠিত করেন। মাস্টারদা-কে ধরার জন্য ব্রিটিশ সরকার ৫০০০ টাকার পরিবর্তে ১০,০০০ পুরস্কার ঘোষণা করে। ১৯৩৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ধরা পড়েন সূর্য সেন। ১৯৩৪ সালের ১১ জানুয়ারি ফাঁসি হয় সূর্য সেনের। এক চিঠিতে মাস্টারদা লিখেছেন, ‘গীতায় শ্রীকৃষ্ণ বলছেন, মানুষ যেমন জীর্ণবস্ত্র পরিত্যাগ করে নূতন বস্ত্র গ্রহণ করে, সেরূপ আত্মা জীর্ণ শরীর ত্যাগ করে অন্য নূতন দেহ ধারণ করে।’ এই উপলব্ধি থেকেই হয়ত মৃত্যুভয় না করেই মাস্টার দা ও তাঁর শিষ্যরা লড়াই করে গিয়েছেন আজীবন। তাঁদের ছিল একটাই স্বপ্ন স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন, উন্নত ভারতের স্বপ্ন, ভারতের অমৃতকালের স্বপ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: সুরাট লোকসভা কেন্দ্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল বিজেপি

    Loksabha Election 2024: সুরাট লোকসভা কেন্দ্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে (Loksabha Election 2024) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় গেরুয়া শিবিরের। মোদি-শাহের রাজ্য গুজরাটের সুরাট আসনটি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতল বিজেপি। ওই আসন থেকে ভোটের আগেই সাংসদ নির্বাচিত হয়ে গেলেন বিজেপি প্রার্থী মুকেশ দালাল। রবিবারই দক্ষিণ গুজরাতের এই কেন্দ্রের আসনে কংগ্রেস প্রার্থী নীলেশ কুম্ভনির মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। সোমবার ওই আসনে বাকি ৮ জন বিরোধী প্রার্থী নিজেরাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। যার ফলে এদিনই ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে (Loksabha Election 2024) প্রথম সাংসদ হয়ে গেলেন মুকেশ দালাল।

    ৭ মে গুজরাটের ২৬ আসনেই এক দফাতে ভোট

    প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই অরুণাচল প্রদেশে বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সেখানেও ৭ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় (Loksabha Election 2024) যেতেন বিজেপি প্রার্থীরা, যার মধ্যে ছিলেন ঐ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজেও। আগামী ৭ মে গুজরাটের ২৬ আসনেই এক দফাতে ভোট হতে চলেছে এবং সোমবারই ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। জানা গিয়েছে ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থীর প্রস্তাবকদের যে সই ছিল সেখানেই গরমিল ধরা পড়ে। তারসঙ্গে ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী নীলেশের মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং অফিসার।

    আরও পড়ুন: কেজরিওয়ালের জামিন চেয়ে জনস্বার্থ মামলা খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    কী বলছেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    দালালের জয়ে উল্লসিত গুজরাত বিজেপির সভাপতি সিআর পাটিল সোমবার এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘সুরাত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে প্রথম ‘পদ্ম’ উপহার দিল। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার জন্য সুরাত লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মুকেশভাই দালালকে অভিনন্দন।” প্রসঙ্গত, এর আগে ১৯৮০ সালের লোকসভা ভোটে (Loksabha Election 2024) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা জম্মু-কাশ্মীরে শ্রীনগর থেকে জয়ী হয়েছিলেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা। ২০১২ সালে উত্তরপ্রদেশে লোকসভার উপ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিলেন সমাজবাদী পার্টির ডিম্পল যাদব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “সিয়াচেন ভারতের বীরত্ব ও সাহসের রাজধানী”, বললেন রাজনাথ সিং

    Rajnath Singh: “সিয়াচেন ভারতের বীরত্ব ও সাহসের রাজধানী”, বললেন রাজনাথ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিয়াচেন (Siachen) ভারতের বীরত্ব ও সাহসের রাজধানী”, বলে মন্তব্য করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেন পরিদর্শনে গিয়ে এমনই বললেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Defence Ministar)। সোমবার সকালেই দিল্লি থেকে সিয়াচেনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। সিয়াচেনে পৌঁছে তিনি বেস ক্যাম্পে (Siachen base camp) বীর সৈনিকদের স্মৃতিসৌধে পুস্তস্তবক অর্পণ করে সাহসী বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    কী বললেন রাজনাথ?

    রাজনাথ সিং পৌঁছতেই জওয়ানরা ‘ভারত মাতা কি জয়’ প্রতিধ্বনিতে সিয়াচেন মুখরিত করে তোলেন। এরপর সেখানকার বীর যোদ্ধাদের সঙ্গে সময় কাটান প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। সিয়াচেন হিমবাহের কুমার পোস্টে মোতায়েন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করে মিষ্টিমুখও করেন তিনি। এরপর রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেন হিমবাহে আপনারা যেভাবে দেশকে রক্ষা করেছেন, তার জন্য আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাই। সিয়াচেন কোনও সাধারণ জায়গা নয়। এটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও অধ্যাবসার প্রতীক। আমাদের জাতীয় সংকল্পের প্রতিনিধিত্ব করে সিয়াচেন। আমাদের রাজধানী দিল্লি, মুম্বই আমাদের অর্থনৈতিক রাজধানী, আমাদের প্রযুক্তির রাজধানী বেঙ্গালুরু, কিন্তু সিয়াচেন বীরত্ব ও সাহসের রাজধানী।”

    আরও পড়ুনঃহাইকোর্টের রায়ে বিপাকে নির্বাচন কমিশন, ভোটের ডিউটি করবেন কারা?

    ৪০ বছর পূর্ণ ‘অপারেশন মেঘদূত’

    জানা গেছে, এই অঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডের সাথে এদিন সাক্ষাত করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ১৯৮৪ সালের ১৩ এপ্রিল ভারতীয় সেনাবাহিনীরা পাকিস্তানকে পরাজিত করে সিয়াচেনকে রক্ষা করে ‘অপারেশন মেঘদূত’ মিশনের মাধ্যমে। ১৩ এপ্রিল, ২০২৪ সালে ‘অপারেশন মেঘদূত’ ৪০ বছর পূর্ণ করেছে। সেই স্মৃতির উদযাপনেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সিয়াচেন পরিদর্শন। উল্লেখ্য, প্রায় ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় কারাকোরাম পর্বতমালায় অবস্থিত। সিয়াচেন হিমবাহ বিশ্বের সর্বোচ্চ সামরিক অঞ্চল হিসাবে পরিচিত, যেখানে সৈন্যদের তুষারপাত (snowfall) এবং প্রবল ঝড়ের সাথে প্রতিনিয়ত লড়াই করে দেশকে রক্ষা করতে টিকে থাকতে হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share