Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sandeshkhali: “পানীয় জলের টাকাও হজম করেছে শাহজাহান-উত্তম-শিবু”, শাস্তির দাবি গ্রামবাসীদের

    Sandeshkhali: “পানীয় জলের টাকাও হজম করেছে শাহজাহান-উত্তম-শিবু”, শাস্তির দাবি গ্রামবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির তৃণমূল দুষ্কৃতীরা পানীয় জলটুকুও দেয়নি বলে অভিযোগ তুলে বিস্ফোরক হয়েছেন গ্রামের প্রতিবাদী মহিলারা। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) দাড়ির জঙ্গলের মানুষের পানীয় জল আনতে যেতে হয় প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে। বাড়ির কাছে কল বসলেও এক বছরের বেশি সময় ধরে জল আসছে না বলে অভিযোগ তোলেন তাঁরা। ঘরে ঘরে জল পৌঁছানোর প্রকল্পের গোটা টাকাটাই হজম করে নিয়েছে তৃণমূলের পলাতক নেতা শাহজাহান শেখ এবং তাঁর অনুগামী শিবু-উত্তমরা।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ কী (Sandeshkhali)?

    এলাকার মানুষের অভিযোগ, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরকারি জলের প্রকল্পের গোটা টাকা হজম করেছে শাহজাহান-উত্তম-শিবুরা। গ্রামবাসীরা হাতেনাতে প্রমাণ দিয়ে বলছেন, “এই যে কল আছে, পাইপ আছে কিন্তু নেই জল। সন্দেশখালির বিরাট এলাকা জুড়ে একই অবস্থা। এলাকার মানুষের পানীয় জলের সুবিধার কোনও বিশেষ ব্যবস্থা করেনি প্রশাসন এবং তৃণমূলের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। গ্রীষ্মের গরমে এই জলের সঙ্কটে হাহাকার ব্যাপক মাত্রা নেবে। কিন্তু প্রশাসনকে বলে কী লাভ? প্রশাসন চলে শাহজাহানের কথায়।”

    মুখ খুললেই রক্ষা নেই

    এলাকার (Sandeshkhali) বাসিন্দাদের বক্তব্য হল, “এক বছরের বেশি সময় হয়ে গেল পাইপ বসানো হয়েছে। কিন্তু জল নেই। আগেও পাইপ বসানো হয়েছিল কিন্তু জল নেই। মাত্র একটাই টিউবওয়েল। আর এলাকার ১০০টি পরিবার জল খায়। এলাকার নেতা হলেন শিবু-উত্তম। অভিযোগ, সমস্যার কথা বলে বলে লাভ নেই। রাত হলেই বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করে ওরা। মুখ খুললেই রক্ষা নেই। আমরা নিরুপায়।”

    শিবু-উত্তমরাই মেরে খাচ্ছে টাকা

    আরও এক বাসিন্দা (Sandeshkhali) বলেন, “এলাকায় জলের ভীষণ সমস্যা। পানীয় জল নেই। অনেক দূর থেকে জল আনতে হয়। নির্বাচনের সময় নিজেদের পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করার জন্য ভোট দিতে দেয় না এই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। আমাদের জন্য সরকারের বরাদ্দ টাকা শিবু-উত্তমরাই মেরে খাচ্ছে। পানীয় জলের টাকা, ঘরের টাকা সব কিছু লুট করেছে এই তৃণমূলের নেতারা। গ্রেফতার হয়েছে, এবার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই ওদের।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kangaroo Lizard: ভারতে আবিষ্কৃত হল ক্যাঙ্গারু টিকটিকির নতুন প্রজাতি

    Kangaroo Lizard: ভারতে আবিষ্কৃত হল ক্যাঙ্গারু টিকটিকির নতুন প্রজাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যালিকট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে একটি গবেষণা দল ভারতের কেরল রাজ্যের আগামিডে টিকটিকির একটি নতুন প্রজাতির কথা বর্ণনা দিয়ে সন্ধান দিয়েছেন। নতুন শনাক্ত করা এই প্রজাতিটি হল আগস্তিয়াগামার অন্তর্গত। এটি আগামিডে প্রজাতির স্থলজ, কীটনাশকারী টিকটিকির একটি পূর্ববর্তী প্রজাতি বলে জানা গিয়েছে। এই প্রজাতির টিকটিকিকে মূলত ভারতের তামিলনাড়ু এবং কেরল রাজ্যের ক্যাঙ্গারু টিকটিকির (Kangaroo Lizard) প্রজাতির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    গবেষকদেরর মতামত

    কালিকট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সন্দীপ দাস এই প্রজাতির সম্পর্কে বলেছেন, “দক্ষিণ ভারত ও শ্রীলঙ্কার বনাঞ্চলের স্থলভাগে এই আগামিডগুলিকে জিনগত এবং রূপগত ভিত্তিতে দুটি পৃথক শ্রেণী যথা-অগাস্থ্যাগামা এবং ওটোক্রিপ্টিসের শ্রেণীতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। ২০১৮ সালের একটি গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছিলেন যে শ্রীলঙ্কা থেকে আসা ক্যাঙ্গারু টিকটিকিগুলি (Kangaroo Lizard) পশ্চিমঘাটের টিকটিকির সঙ্গে একত্রিত ছিল। নতুন এই প্রজাতির টিকটিকি ৩ থেকে ৪.৩ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের মধ্যে ছোট আকারের হয়ে থাকে। এটি সামগ্রিক আকৃতি, আকার এবং রঙে অগস্ত্যগামা বেডডোমির মতোই দেখতে হয়।”

    চিরহতিৎ বনে বাসস্থান

    বর্তমানে ভারতের কেরল রাজ্যের ইদুক্কি জেলার চিরহরিৎ বনের ৬৩৬-৮৩৫ মিটার উচ্চতার গাছের মধ্যে দেখা যায় এই টিকিটিকির প্রজাতি। রাস্তার পাশে লাগানো গাছপালার মধ্যে লক্ষ্য করা যায়। মার্চ থেকে মে মাস হল এদের প্রজননের সময়। পুরুষদের গলায় ক্রিমি দাগ দেখা যায়। জুন এবং জুলাই মাসে সদ্য জন্ম নেওয়া এই প্রজাতির ক্যাঙ্গারু টিকটিকিকে (Kangaroo Lizard) পর্যবেক্ষণ করা যায়। অগাস্থ্যগামার দ্বিতীয় প্রজাতির এই টিকটিকিগুলি সরীসৃপ প্রজাতির হয়ে থাকে।

    গ্রীষ্মমন্ডলীয় এলাকায় দেখা যায়

    অগস্ত্যগামা বেডডোমিগুলি বিভিন্ন প্রকারের আবাসস্থলে বাস করে থাকে। যেমন দক্ষিণ ভারতের পাহাড়ের চূড়ায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন, পশ্চিম উপকূলীয় গ্রীষ্মমন্ডলীয় চিরহরিৎ বন এবং পশ্চিম উপকূলীয় গ্রীষ্মমন্ডলীয় আধা-চিরসবুজ বনে লক্ষ্য করা যায়। তবে এখন কেবলমাত্র দক্ষিণ ভারতের আর্দ্র মিশ্র পর্ণমোচী বন, গ্রীষ্মমন্ডলীয় আধা-চিরসবুজ এবং চিরহরিৎ বন থেকেই সমীক্ষা করে ক্যাঙ্গারু টিকটিকি (Kangaroo Lizard) প্রজাতির তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা বাতিল, হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানালেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা বাতিল, হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানালেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি প্রসঙ্গে হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। একই ভাবে তৃণমূলের গ্রেফতার হওয়া নেতাদের প্রশ্নে প্রশাসনকে রাজধর্ম পালনের পরামর্শ দিলেন তিনি। সেই সঙ্গে সাংবাদিক গ্রেফতার প্রসঙ্গে অসন্তোষ প্রকাশ করতেও দেখা গেল রাজ্যপালকে। বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর এই ধরনের মনোভাব ব্যক্ত করার পর ইসলামপুর সার্কিট হাউস থেকে চোপড়ার চেতনাগছের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।

    চোপড়ায় মাটি ধসে চার শিশুমৃত্যুর ঘটনা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। এদিন দার্জিলিং মেলে কিষাণগঞ্জ রেল স্টেশনে নামেন রাজ্যপাল। এরপর তিনি সড়কপথে ইসলামপুরের সার্কিট হাউসে পৌঁছান এবং সেখানে তাঁকে অভিনন্দন জানান রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানী। সেখানে ছিলেন উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল। ইসলামপুর সার্কিট হাউসে রাজ্যপালকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। 

    চোপড়ায় গেলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    ইসলামপুর (Uttar Dinajpur) সার্কিট হাউসে ঘন্টাখানেক বিশ্রাম নেওয়ার পরে সড়কপথে চোপড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তিনি। সার্কিট হাউস থেকে বের হওয়ার পথে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। তিনি সন্দেশখালিতে সাংবাদিক গ্রেফতার প্রসঙ্গে উস্মা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীকে ফের পুলিশের বাধা দেওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গেও সরব হন। ১৪৪ ধারা প্রসঙ্গে হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানান। চোপড়ায় গোটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিএসএফের সাথে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

    তৃণমূল মন্ত্রীর বক্তব্য

    রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানী বলেন, “আমাদের প্রতিনিধি দল রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) কাছে গিয়ে চোপড়ায় (Uttar Dinajpur) চার শিশুমৃত্যুর ঘটনার কথা জানিয়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁকে চোপড়ার ওই এলাকা পরিদর্শনের কথাও বলেছিলাম আমরা। আমাদের কথায় সাড়া দিয়ে রাজ্যপাল ইসলামপুরে এসেছেন। রাজ্যপালের এই উদ্যোগে আমরা খুশি। বিএসএফের সঙ্গে সাধারণ মানুষের লড়াই হয়েছে। ড্রেনে পড়ে চারটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আশা করি তিনি এই বিষয়ে নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে পদক্ষেপ করবেন।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: সন্দেশখালির আঁচ লাগল হাওড়ায়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ঝাঁটা-লাঠি হাতে মহিলারা

    Howrah: সন্দেশখালির আঁচ লাগল হাওড়ায়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ঝাঁটা-লাঠি হাতে মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় বুথে লাইনে দাঁড়িয়ে তৃণমূল প্রার্থীকে ভোটে জিতিয়েছিলেন। আশা ছিল উন্নয়ন করবেন। কিন্তু, জেতার কয়েক মাসের মধ্যেই পঞ্চায়েত সদস্য শেখ খলিল স্বমূর্তি ধারণ করেছেন। উন্নয়ন তো দূরের কথা, এলাকার মানুষের নিত্য প্রয়োজনের ব্যবহার করা দিঘি ভরাট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতা ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার (Howrah) পাঁচলার দিঘির পাড় এলাকায়। সন্দেশখালির মতো তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এলাকার মহিলারা গর্জে উঠেছেন।

    তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ঝাঁটা-লাঠি হাতে মহিলারা (Howrah)

    হাওড়ার (Howrah) পাঁচলায় ৩৬০ বিঘা এলাকা জুড়ে দিঘিটি রয়েছে। এই দিঘির ওপর ভর করেই আশপাশের এলাকায় চাষবাস হয়। কারণ, আশেপাশের তিন ফসলি জমির চাষবাস থেকে শুরু করে পুজোর সমস্ত জলের সরবরাহ এই দিঘি থেকেই করা হয়। সেই দিঘি বুজিয়ে দিলে সমস্যায় পড়বেন বাসিন্দারা। দিঘির জলই দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, দিঘি ভরাটের প্রতিবাদ করায় খলিলের গুন্ডাবাহিনী গ্রামের মহিলাদের ওপর নির্যাতন শুরু করে। এমনকী মহিলা ও বৃদ্ধাদের মারধর করা হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় শাড়ি-ব্লাউজ। দিঘি ভরাটের প্রতিবাদ করায় তাঁদের ক্ষেতের ফসল নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন বাসিন্দারা। পাশপাশি এলাকার মহিলা ও পুরুষদের মারধর করা হয়েছে। স্থানীয় এক বাসিন্দার বলেন, রবিবার তৃণমূল নেতা খলিল এসে আমার চাষের জমি নষ্ট করে দিয়ে গেছে। দিঘি থেকে জল নিতে পারছি না। সারা বছর আমাদের সব কাজ এই দিঘির জল দিয়েই করতে হয়। এই অবস্থায় বড় সমস্যাতে পড়েছি আমরা। মহিলাদের ওপর তৃণমূল বাহিনী নির্যাতন করায় সোমবার হাতে লাঠি, ঝাঁটা নিয়ে প্রতিবাদে সামিল হন স্থানীয় মহিলারা। বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পাঁচলা থানার পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে এই দিঘি ভরাট বন্ধ করতে হবে। এর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিও জানান বাসিন্দারা। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: তৃণমূল নেতাদের ‘কাটমানি’ না দেওয়ার অপরাধে বন্ধ হয়ে গেল আবাস যোজনার বাড়ি

    Durgapur: তৃণমূল নেতাদের ‘কাটমানি’ না দেওয়ার অপরাধে বন্ধ হয়ে গেল আবাস যোজনার বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়ম মেনে আবেদন করে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ঘর পেয়েছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের (Durgapur) ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের রায়ডাঙার একাধিক বাসিন্দা। তালিকায় নাম দেখে তাঁরা খুশিও হয়েছিলেন। বাড়ি তৈরির জন্য তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকাও ঢোকে। শুরু হয় ঘর তৈরির কাজ। কিন্তু স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের ‘কাটমানি’ না দেওয়ায় কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Durgapur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দুর্গাপুরের (Durgapur) রায়ডাঙার প্রায় ২০ জন বাসিন্দা পুরসভায় চিঠি দেন। তাঁদের বক্তব্য, আবাস যোজনায় আমাদের নাম চূড়ান্ত হওয়ার পরে পুরসভা পরিদর্শন করে। এর পরে পুরসভা থেকে বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়। বাড়ির নির্মাণকাজও শুরু হয়। কিন্তু, একতলার কিছুটা দেওয়াল গাঁথার কাজ হওয়ার পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। আসলে নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই এলাকার চারজন স্থানীয় তৃণমূল নেতা তাঁদের কাছে টাকা চাইতে শুরু করেন। কাজ কিছুটা এগিয়ে যাওয়ার পরে তাঁদের সবার কাছে ২০ হাজার টাকা করে চাওয়া হয়। তাঁরা দাবি মতো সেই টাকা দিতে রাজি হননি। তারপর থেকে তাঁদের গালিগালাজ করা হয়। এমনকী বাড়ি তৈরির কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। আর তাঁদের সেই হুমকি সত্যি হল। সরকারি প্রকল্পের কাজ কাটমানি না দেওয়ায় বন্ধ হয়ে গেল। এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা ভাঙা টালির চালের ঘরে বসবাস করি। পাকা বাড়ি পেলে নিশ্চিন্ত হব। কাটমানি দিতে পারিনি বলে আমাদের বাড়ি হবে না।” পুর কর্তৃপক্ষের কাছে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার তাঁরা আর্জি জানিয়েছেন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    তৃণমূল নেতৃত্ব কাটমানি চাওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। দুর্গাপুর (Durgapur) পুরসভার প্রশাসক অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি পুলিশকে খোঁজ নিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। পুরসভার সচিব ও সংশ্লিষ্ট দফতরের ইঞ্জিনিয়ারদেরও খোঁজ নিতে বলা হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা আমরা সমর্থন করি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maha Shivratri 2024: চলতি বছরে মার্চের ৮ ও ৯ তারিখ শিবরাত্রির তিথি, জানুন পুজোর শুভক্ষণ

    Maha Shivratri 2024: চলতি বছরে মার্চের ৮ ও ৯ তারিখ শিবরাত্রির তিথি, জানুন পুজোর শুভক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে গোনা কয়েকটা দিন, তারপরেই আসছে মহা শিবরাত্রি। শিবভক্তরা ওই দিন মেতে উঠবেন দেবাদিদেবের (Maha Shivratri 2024) আরাধনায়। নিয়ম হল, ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে মহা শিবরাত্রি পালিত হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এদিন শিবলিঙ্গ রূপে প্রকট হয়েছিলেন মহাদেব। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন পার্বতীর সঙ্গে। এই তিথিতে শিব-পার্বতীর পুজো করলে ব্যক্তিগত জীবন সুখ, সৌভাগ্যে ভরে ওঠে বলে ভক্তদের বিশ্বাস। মহা শিবরাত্রির তারিখ ও মাহাত্ম্য সম্পর্কে এখানে জেনে নেওয়া যাক। এছাড়াও এ বছরের মহা শিবরাত্রি একাধিক শুভ যোগের উপস্থিতিতে পালিত হবে। সে বিষয়েও এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হল। ২০২৪ সালের ৮ মার্চ রাত ৯টা ৫৭ মিনিটে শুরু হচ্ছে মহা শিবরাত্রি (Maha Shivratri 2024), সমাপ্ত হবে পরের দিন ৯ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা ১৭ মিনিটে।

    চার প্রহরের পুজো

    ৮ মার্চ সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয়ে যাবে মহা শিবরাত্রির চার প্রহরের পুজো। প্রথম প্রহর শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিট থেকে রাত ৯টা ২৮ মিনিট পর্যন্ত। দ্বিতীয় প্রহর শুরু হবে রাত ৯টা ২৮ মিনিট থেকে রাত ১২টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত। তৃতীয় প্রহরের পুজো শুরু হবে মাঝরাত ১২টা ৩১ মিনিট থেকে ভোররাত ৩টে ৩৪ মিনিট পর্যন্ত। চতুর্থ প্রহর ভোররাত ৩টে ৩৪ মিনিট থেকে সকাল ৬টা ৩৭ মিনিট পর্যন্ত চলবে। পুজোর সময় মনে রাখবেন শিবের (Maha Shivratri 2024)  পুজোর ক্ষেত্রে কিছু বিধি নিষেধ রয়েছে। হিন্দুশাস্ত্র মতে, কয়েকটি জিনিস আছে, যেগুলি অন্য দেবদেবীকে অর্পণ করা গেলেও, শিবকে করা যায় না। যেমন হলুদ ও সিঁদুর প্রায় সব দেবদেবীকে অর্পণ করা গেলেও, কখনই দেওয়া যায় না শিবকে।

    মহা শিবরাত্রির পুজোর নিয়ম

    শিবরাত্রিতে (Maha Shivratri 2024)  ব্রহ্ম মুহূর্তে উঠে শিব ও পার্বতীকে প্রণাম করে পুজোর সংকল্প গ্রহণ করুন। এর পর গঙ্গায় স্নান করুন। গঙ্গা দূরে থাকলে গঙ্গাজল মেশানো জলে স্নান করুন। নতুন ও পরিষ্কার পোশাক পরে সূর্যকে অঞ্জলি দিন। মন্দিরে গিয়ে দুধ, গঙ্গাজল দিয়ে শিবের অভিষেক করুন। এ ছাড়াও বাড়িতে একটি চৌকিতে লাল কাপড় বিছিয়ে দিন। তার উপর রাখুন শিব মূর্তি। দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে সেই প্রতিমার অভিষেক করুন। এর পর পঞ্চোপচার নিয়মে শিব ও পার্বতীর অভিষেক করুন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: অবশেষে সন্দেশখালি পৌঁছালেন শুভেন্দু, ফুল ছড়িয়ে, শাঁখ বাজিয়ে নেতাকে বরণ

    Suvendu Adhikari: অবশেষে সন্দেশখালি পৌঁছালেন শুভেন্দু, ফুল ছড়িয়ে, শাঁখ বাজিয়ে নেতাকে বরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশ মেনেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)  সন্দেশখালির পথে রওনা দেন। যাওয়ার পথে পুলিশি বাধার মুখে পড়তে পারেন বলে তিনি আশঙ্কা করেছিলেন। তাঁর সেই আশঙ্কা সত্যি হল। সন্দেশখালি যাওয়ার পথে ধামাখালিতে আদালতের নির্দেশকে অমান্য করে শুভেন্দু অধিকারী কে আটকালো পুলিশ। সেখানেই দলের অন্যান্য বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভে বসে যান বিরোধী দলনেতা। সন্দেশখালি যেতে বাধা নেই রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। জানিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হীরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। শর্তসাপেক্ষে শুভেন্দু ঢুকতে পারবেন সন্দেশখালি। শুভেন্দুর সঙ্গে কেবল যেতে পারবেন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। আদালতের অনুমতি পেতেই শঙ্কর ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারী সন্দেশখালি যান। বিরোধী দলনেতা বললেন, “এটি সংবিধানের জয়।” আর শুভেন্দু সন্দেশখালির পথে যেতেই উচ্ছাসে ফেটে পড়লেন বিজেপি কর্মীরা।

    শাঁখ বাজিয়ে শুভেন্দুকে বরণ সন্দেশখালিতে (Suvendu Adhikari)  

    সন্দেশখালি পৌঁছতেই ফুল ছড়িয়ে, শাঁখ বাজিয়ে বরণ শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। মানুষের ভিড়ে কার্যত এগোতে পাচ্ছেন না তিনি। টোটোয় চড়ে গ্রামের মানুষের কাছে যান বিরোধী দলনেতা। শোনেন অভাব অভিযোগ। শুভেন্দু অধিকারী গ্রামে প্রবেশ করতেই বেরিয়ে এলেন বাড়ির মহিলারা। নিজেদের অভাব-অভিযোগ জানালেন বিরোধী দলনেতাকে। একই সঙ্গে বরণ করে নিলেন তাঁকে। কেউ কেউ আবার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন। শুভেন্দু তাঁদের কাছে জানতে চাইলেন, তাঁরা এখন কেমন আছেন? লড়াই চালানোর বার্তাও দিলেন বিরোধী দলনেতা। এরপর সন্দেশখালির মাটিতে বসে জয় শ্রীরাম স্লোগান দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, শাহজাহান সিপিএমের প্রোডাক্ট। এর আগে বৃন্দা কারাট শাহজাহানের সঙ্গে মিটিং করে গিয়েছেন। বামেদের নিচুতলার কর্মীরা বিজেপিকে সমর্থন করে। জানা গিয়েছে, আদালতের অনুমতি পেতেই বৃন্দা কারাট ও সিপিএম-এম মহিলা ব্রিগেডও সন্দেশখালিতে যায়।

    সন্দেশখালির একাধিক জায়গায় ১৪৪ ধারা

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আসার আগে তৎপর পুলিশ প্রশাসন। মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্দেশখালিতে নতুন করে ১২টা জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয় বলে জানালেন বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার   মেহেদী হাসান রহমান। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে সন্দেশখালি থানার পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৯ টি পয়েন্টে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে চারটি জায়গা থেকে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করা হয়। জানা গেছে , মঙ্গলবা আবার নতুন করে ১২টি জায়গায় ফের ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এই মুহূর্তে মোট ২৭ টি জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raids: ভুয়ো ডিরেক্টর মামলার তদন্তে মঙ্গলবার সকালে তিন জায়গায় অভিযান ইডির

    ED Raids: ভুয়ো ডিরেক্টর মামলার তদন্তে মঙ্গলবার সকালে তিন জায়গায় অভিযান ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো ডিরেক্টর নিয়োগ মামলার তদন্তে মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের তল্লাশি অভিযানে নামল ইডি (ED Raids)। এদিন সকাল ৭টা থেকে এক সঙ্গে তিন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাওড়ার সাঁকরাইলের ডেল্টা জুটমিল, বালিগঞ্জে জুটমিলটির মালিকের বাড়ি এবং কলকাতার কাউন্সিল হাউস স্ট্রিটে ‘ডেল্টা’ সংস্থার অফিসে চলছে তল্লাশি। প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় ইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: ৩ সেনা কর্তাকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিল মায়ানমারের জুন্টা সরকার, জানেন কেন?

    ঠিক কী অভিযোগ?

    ‘ডেল্টা লিমিটেড’ এবং ‘ওলিসা রিয়্যালিটি প্রাইভেট লিমিটেড’ নামক দুই সংস্থার বিরুদ্ধে কয়েক জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তাঁদের অভিযোগ, সংস্থার তরফে তাঁদের প্রাপ্য প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তাঁরা পাচ্ছেন না। এই খাতে প্রায় ২১ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরেই এই দুই সংস্থার ৫ ডিরেক্টরকে (ED Raids) আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তখন পর্যবেক্ষণে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কিছুই জানেন না এঁরা। সংস্থার আয়-ব্যয় বা কার্যপ্রণালী নিয়েও বিচারপতির কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি তাঁরা। এঁরা সবাই জুট মিলের সুপারভাইজার থেকে ডিরেক্টর হয়েছেন। এমনকী, কে এঁদের ডিরেক্টর (ED Raids) হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন সেটাও জানেন না।’’

    ৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা নাগাদ এজলাস বসেছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    অভিযুক্ত দুই সংস্থার বিরুদ্ধে ইডিকে (ED Raids) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। প্রসঙ্গত, ৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টায় বসেছিল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস। সেদিনকার নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার চলছে তল্লাশি। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সেসময় এসএফআইও-কে এফআইআর দায়ের করার জন্য থানায় অভিযোগ জানাতে বলেন। এই নির্দেশের পরেই কলকাতার হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। বিচারপতি আরও বলেন, ‘‘এর নেপথ্যে পাট শিল্পের বড় বড় মাথা রয়েছেন। তাঁরা আমার বদলিও করতে পারেন। লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতি হচ্ছে। এসব আমি বরদাস্ত করব না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Myanmar: ৩ সেনাকর্তাকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিল মায়ানমারের জুন্টা সরকার, জানেন কেন?

    Myanmar: ৩ সেনাকর্তাকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিল মায়ানমারের জুন্টা সরকার, জানেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মায়ানমারের (Myanmar) জুন্টা সরকার তাদের তিন সামরিক অফিসারকে মৃত্যুদণ্ড দিল। জানা গিয়েছে, চিন সীমান্তে বিদ্রোহীদের জোট ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ শান প্রদেশের লাউকাই শহর দখল করে এবং গোটা ঘটনায় জড়িত ছিলেন ওই তিন সামরিক আধিকারিক। ওই শহরের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে তুলে দেওয়ার অপরাধে সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে ব্রিগেডিয়ার স্তরের ওই তিন সেনা অফিসারকে। 

    বিদ্রোহীদের দখলে গিয়েছে লাউকাই শহর

    এইভাবে আত্মসমর্পণের ফলে জুন্টা সরকারের সামরিক বাহিনীর বড় পরাজয় হয় এবং প্রশ্নের মুখে পড়ে জুন্টা সরকারের নীতি। প্রবল সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয় জুন্টা সরকারকে। ইতিমধ্যে মায়ানমারের সামরিক সূত্র থেকে জানা গিয়েছে যে, লাউকাই শহরের কমান্ডার সমেত তিনজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, এর পাশাপাশি অন্য তিন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মায়ানমার (Myanmar) ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ), আরাকান আর্মি (এএ) এবং তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) নিয়ে গঠিত থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের দখলে গিয়েছে লাউকাই শহর।

    মায়ানমারের ৫০ শতাংশের বেশি অংশ বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে

    গত বছরের অক্টোবরে শেষের দিক থেকেই উত্তর মায়ানমারের বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে আক্রমণ শানাতে থাকে থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স। পরে জুন্টা-বিরোধী যুদ্ধে শামিল হয় ‘চিন ন্যাশনাল আর্মি’ (সিএনএ) এবং চায়নাল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স (সিডিএফ), ‘কাচিন লিবারেশন ডিফেন্স ফোর্স’ (কেএলডিএফ), পিপল’স ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ)। মায়ানমারের ৫০ শতাংশের বেশি অংশ বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে বলে খবর। রাজধানী নেপি-দ, প্রধান শহর ইয়াঙ্গন এবং আরও কিছু বড় জনপদ-শিল্পাঞ্চলেই এখন জুন্টা সমর্থক সেনা টহল দিচ্ছে। বিদ্রোহীদের হামলার মুখে বহু সেনা আত্মসমর্পণও করেছেন। প্রাণ বাঁচাতে ভারত ও বাংলাদেশে পালানোর ঘটনাও ঘটেছে সেনা অফিসারদের। বর্তমানে জুন্টা সরকারের প্রধান হলেন মিন অন হ্লাইং। তিনি ছিলেন মায়ানমারের (Myanmar) রিজিওনাল কমান্ডার। সে সময় তিনি মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মিকে ওই লাউকাই শহর থেকে তাড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    আরও পড়ুন: ‘পাকিস্তানের মতো অবস্থা বাংলার মহিলাদের’, সন্দেশখালি নিয়ে মমতাকে আক্রমণ লকেটের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Prasanna Roy: দিনভর জেরা ইডির, গ্রেফতার নিয়োগ-দুর্নীতির ‘মিডলম্যান’ প্রসন্ন

    Prasanna Roy: দিনভর জেরা ইডির, গ্রেফতার নিয়োগ-দুর্নীতির ‘মিডলম্যান’ প্রসন্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন ‘মিডলম্যান’ প্রসন্ন রায় (Prasanna Roy)। গতকাল সোমবার রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রসঙ্গত, এসএসসি নিয়োগ-দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন প্রসন্ন রায় (Prasanna Roy)। বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত ছিলেন। নভেম্বর মাসেই তাঁকে জামিন দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে প্রসন্নকে জামিন দিলেও, শীর্ষ আদালত তখন জানিয়েছিল নিয়োগ-দুর্নীতির তদন্ত একইভাবে চলবে। প্রসন্ন রায়ের জামিনের আগে গত নভেম্বরে নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছিল মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্য ও নীলাদ্রি ঘোষকে। সিবিআইয়ের হেফাজত থেকে সুপ্রিম নির্দেশে মুক্তি পেলেও, এবার ইডির জালে পড়লেন প্রসন্ন। এদিন দিনভর জেরার পরে তাঁকে গ্রেফতার করল ইডি।

    জানুয়ারি মাসেই প্রচুর নথি উদ্ধার হয় প্রসন্নর বাড়ি থেকে

    ইডির সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি মাসেই প্রসন্নর (Prasanna Roy) ফ্ল্যাট, অফিস-সহ মোট সাত জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেসময় প্রচুর নথিপত্র উদ্ধার করা হয়। সেই নথির ভিত্তিতে প্রসন্নকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করে ইডি। তবে জানুয়ারি মাসে তিনি ইডি দফতরে হাজিরা দেননি। সোমবার ফের তাঁকে তলব করেছিল ইডি।

    আরও পড়ুন: ‘পাকিস্তানের মতো অবস্থা বাংলার মহিলাদের’, সন্দেশখালি নিয়ে মমতাকে আক্রমণ লকেটের

    নামে-বেনামে ৮০টির উপর সংস্থা

    ইডি এবং সিবিআই সূত্রে খবর, নামে-বেনামে কমপক্ষে ৮০টিরও বেশি সংস্থা রয়েছে প্রসন্নর (Prasanna Roy)। আরও জানা যাচ্ছে, প্রসন্নর স্ত্রী এবং নিজের নামে রয়েছে বিপুল সম্পত্তি। এসএসসির উপদেষ্টা কমিটির প্রাক্তন প্রধান শান্তিপ্রসাদ সিনহার ‘ঘনিষ্ঠ’ বলেই পরিচিত ছিলেন প্রসন্ন। সিবিআইয়ের দাবি, প্রসন্ন একজন ‘মিডলম্যান’। তাঁর হাত ধরেই টাকা পৌঁছাত। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ ছিল বলে জানা গিয়েছিল। বিধাননগর, নিউটাউন সমেত একাধিক জায়গায় প্রসন্নর সম্পত্তি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share