Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sheikh Shahjahan: ফেরার তৃণমূল নেতা শাহজাহান নাকি ‘জাতির জনক’! অনুগামীদের গানে বিতর্ক তুঙ্গে

    Sheikh Shahjahan: ফেরার তৃণমূল নেতা শাহজাহান নাকি ‘জাতির জনক’! অনুগামীদের গানে বিতর্ক তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি হানার পর থেকে সন্দেশখালির ‘ডন’ শেখ শাহজাহান এখন গর্তে ঢুকে রয়েছেন। পুলিশ তার টিকি ছুঁতে পারছে না। শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন এলাকার মহিলারা। আর তাকে কেন্দ্র করেই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে সন্দেশখালি। এই আবহের মাঝে তৃণমূলের ফেরার নেতা শাহজাহানকে নিয়ে গান ভাইরাল হয়েছে। আর সেই গানে তৃণমূল নেতাকে ‘জাতির জনক’ হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    ভাইরাল হওয়া গানে কী রয়েছে? (Sheikh Shahjahan)

    এমনিতেই এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন হতে অনেকেই তাঁকে নানা মণীষীর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। অনেক সময় মণীষীদের সঙ্গে তাঁর ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চাও হয়েছে। এবার সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর অত্যাচারকারী তৃণমূল নেতা শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) ‘জাতির জনক’ বলায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। মহাত্মা গান্ধীকে জাতির জনক বলা হয়। শাহজাহানের মতো কুখ্যাত নেতাকে জাতির জনক বলায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভাইরাল গানটিতে দেখা যাচ্ছে রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে সিএএ বিরোধী আন্দোলনে হাঁটছেন। কোথাও আবার ঝাঁঝালো বক্তৃতা দিচ্ছেন। আর তাতেই মন মজেছে শাহজাহানের অনুগামীদের। গানের প্রতিটি লাইনে বারবার বলা হয়েছে, ‘বাদশা তুমি শাহজাহান ভাই, উত্তর ২৪ পরগনা তোমাকেই চায়’। কোথাও তিনি ‘বাদশা’, কোথাও ‘জাতির জনক’, কোথাও ‘নারীদের ত্রাতা” থেকে ‘গরিবের রবিন হুড’ হেন কোনও বিশেষণ বাদ দেননি তাঁর অনুগামীরা। আর এই নিয়ে একটি গানও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শাহজাহান বাহিনী সুন্দরী মহিলাদের পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করত। সেই সময় তৃণমূল নেতার অনুগামীদের তৈরি করা গানে বলা হচ্ছে তিনিই নারীদের ত্রাতা। গানের লাইন ঠিক এই রকম, ‘বাজি রেখে প্রাণ, যে বাঁচায় নারীর সম্মান, রাখি মন কুটিরে, স্বপ্ন জুড়ে ভাই শাহজাহান।’ এখানেই শেষ নয়, অনুগামীরা মজেছেন শাহজাহানের হাসিতেও। গানে-গানে তাই গাইতে শোনা গিয়েছে, ‘তোমার মিষ্টি হাসি-ভালবাসি লাভ ইউ সুলতান।’

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    শাহজাহানের অন্যতম সাগরেদ উত্তম সর্দারকে সাসপেন্ড করে বার্তা দিয়েছে তৃণমূল। এখন শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) মাথা থেকে হাত সরায়নি শাসক দল। তবে, সন্দেশখালি ইস্যুতে যেভাবে দিনে দিনে পায়ের তলায় মাটি হারাচ্ছে তৃণমূল, তাতে শাহজাহানের ওপর কতদিন দল আস্থা রাখতে পারে, তা নিয়ে অনুগামীরাও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তাই, শাহজাহানের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে ধরার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁর অনুগামীরা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, জাতির জনক বলতে আমরা মহাত্মা গান্ধীতে বুঝি। এভাবে মহিলাদের ওপর নির্যাতনকারী, তোলাবাজকে জাতির জনক বলায় মহাত্মা গান্ধীকে অপমান করা। এই ধরনের গান অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandipur: পূর্ণিমার রাতে ওড়িশার চাঁদিপুর যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি!

    Chandipur: পূর্ণিমার রাতে ওড়িশার চাঁদিপুর যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নিকটতম প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার এক অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র চাঁদিপুর (Chandipur)। ওড়িশার বালাসোর জেলার সৈকত পর্যটন কেন্দ্র এই চাঁদিপুর। অখণ্ড নির্জনতা, সুনীল আকাশ, বিস্তীর্ণ সোনালী বালুকাবেলা আর বঙ্গোপসাগরের নীল জল, এই হল চাঁদিপুরের সংসার। এই অনুপম সৌন্দর্যের মাঝেই ইতিউতি দেখা মেলে সাগরের বুকে ভেসে যাওয়া পাল তোলা নৌকা, মাছ ধরার ট্রলার, নাম না জানা বিভিন্ন প্রজাতির পাখির। আর পূর্ণিমার রাতে চাঁদিপুর যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা কোনও ছবি। এখনও এখানে কিছুটা হলেও রয়ে গেছে গ্রাম্য জীবনের সহজ-সরল ছবি। দেখা মেলে জেলেদের বাড়ি-ঘরেরও। আর আছে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ঝাউগাছের সারি। চাঁদিপুর থেকে মাত্র ২ কিমি দূরে বলরামগড়ি। এখানেই বুড়িবালাম নদী এসে মিশেছে সাগরের সঙ্গে।

    চাঁদিপুরের অন্যতম দিক (Chandipur)

    এখানকার বঙ্গোপসাগরের বুকের জোয়ার-ভাটার খেলা দেখার মতো। জোয়ারের সময় এখানে সাগরের জল যেন “চরণ ছুঁয়ে যায়”, আবার সেই সাগরের জলই ভাটার টানে সরে যায় প্রায় ৫ কিমি দূরে। সাধারণত এতখানি দূরে সমুদ্রের জল সরে যেতে অন্য কোথাও বড় একটা দেখা যায় না। সেই দিক থেকে দেখলে চাঁদিপুরের (Chandipur) সমুদ্রকে একটু ব্যতিক্রমী বলা যেতেই পারে। দেখে নেওয়া যায় এখানকার মৎস্য বন্দরটি, বিভিন্ন রকমের সামুদ্রিক মাছের পসরা নিয়ে মাছের আড়ত প্রভৃতি। হাতে সময় এবং ইচ্ছে থাকলে দেখে নেওয়া যায় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর পদধূলিধন্য রেমুনার ক্ষীরচোরা গোপীনাথ মন্দির অথবা চাঁদিপুর থেকে প্রায় ৫০ কিমি দূরে ওড়িশার আর এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পঞ্চ লিঙ্গেশ্বরও।

    যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়া (Chandipur)

    হাওড়া থেকে কটক, ভুবনেশ্বর, পুরীগামী সব ট্রেন যাচ্ছে বালাসোরের ওপর দিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে পুরী এক্সপ্রেস, জগন্নাথ এক্সপ্রেস, ধৌলি এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। এছাড়াও দক্ষিণ ভারতগামী প্রায় সব ট্রেনই যায় বালাসোরের ওপর দিয়ে। হাওড়া থেকে রেলপথে বালাসোরের দূরত্ব প্রায় ২৩৪ কিমি। বালাসোর থেকে প্রায় ১৫-১৬ কিমি দূরে চাঁদিপুর (Chandipur)। স্টেশন থেকে যেতে হবে অটো বা গাড়িতে।

    এখানে রয়েছে ওটিডিসি-র হোটেল “পান্থনিবাস”। ফোন-০৬৭৮২ ২৭০০৫১। এছাড়াও এখানে (Chandipur) থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে বিভিন্ন দামের ও বিভিন্ন মানের প্রচুর হোটেল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Santipur: স্কুল ছাত্রদের নিয়ে সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করতে ব্যস্ত শান্তিপুরের কলেজ পড়ুয়া অতনু

    Santipur: স্কুল ছাত্রদের নিয়ে সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করতে ব্যস্ত শান্তিপুরের কলেজ পড়ুয়া অতনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদবী পাল নয়। বংশে কেউ কোনওদিন প্রতিমা তৈরি করেননি। তাতে কী হয়েছে? মনের মধ্যে ইচ্ছা ছিল মৃৎশিল্পী হওয়ার। পড়াশুনার পাশাপাশি নিজের শিল্প সত্তাকে ফুটিয়ে তুলেছেন নদিয়ার শান্তিপুরের (Santipur) অতনু বিশ্বাস। গত চার বছর আগে বিদ্যালয়ের সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করার জন্য আগ্রহী হয়েছিলেন তিনি। যদিও তখন তিনি স্কুল ছাত্র ছিলেন। এক সময় তিনি শান্তিপুর তন্তুবাই হাইস্কুলের ছাত্র ছিলেন। তাঁর ইচ্ছের কথা জানিয়েছিলেন প্রধান শিক্ষককে। এরপর প্রধান শিক্ষকের অনুমতি মেলায় শুরু করে সরস্বতী প্রতিমা তৈরির কাজ।

    কী বললেন কলেজ পড়ুয়া প্রতিমা শিল্পী? (Santipur)

    প্রথম বছরই প্রতিমা তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষিকাদের। তারপর চার বছর ধরে সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করছেন অতনু। ২০২৩ এ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি এখন শান্তিপুর (Santipur) কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। কিন্তু, বিদ্যালয়ের প্রতি ভালোবাসা এতটুকুও কমেনি তাঁর। এবছরও বিদ্যালয়ে তৈরি করছেন সরস্বতী প্রতিমা। তবে, অতনুর সঙ্গে হাতে হাত লাগিয়েছেন অন্যান্য ছাত্ররা। এখন দিনরাত এক করে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত অতনুসহ তাঁর সহকারীরা। অতনু বলেন, আমার এই অদম্য ইচ্ছা শক্তির একটাই কারণ হচ্ছে, প্রতিমা তৈরির জন্য কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীদের প্রাধান্য দেওয়া হয়, সেখানে শান্তিপুরেও স্বনামধন্য অনেক মৃৎশিল্পী থাকলেও তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া হয় না। আমরা দেখিয়ে দিতে চাই, মৃৎ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত না হয়েও শুধু ইচ্ছা শক্তি থাকলে সবই সম্ভব।

    শিল্পীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধান শিক্ষক

    অতনুর এই আত্মবিশ্বাসকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনুপ সাহা। তিনি বলেন, ও বরাবরই শিল্পপ্রেমী। পড়াশোনাতে খুব একটা ভালো না হলেও ওর মধ্যে অদ্ভুত পাগলপনা আছে। সব থেকে বড় কথা অতনু বরাবরই খুবই বাধ্য ছেলে। প্রথমবার প্রতিমা তৈরি করে সকলের নজর কেড়েছিল। অন্যবারের মতো এবারও আমাদের স্কুলে ও প্রতিমা তৈরি করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Honey: রাতে ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে না? নিয়ম মেনে মধু খেলেই মিলতে পারে সমাধান!

    Honey: রাতে ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে না? নিয়ম মেনে মধু খেলেই মিলতে পারে সমাধান!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ মধু কিংবা রাতে রুটির সঙ্গে সামান্য মধু (Honey) মিশিয়ে খেলেই পাওয়া যাবে নানা উপকার। এমনকী একাধিক জটিল শারীরিক সমস্যাও কমবে‌। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত মধু খেলে শরীর ভালো থাকে। তবে, কয়েকটি নিয়ম মেনে তবেই মধু খাওয়া উচিত। না হলে আবার বিপত্তি ঘটতে পারে।

    নিয়মিত মধু খেলে কী উপকার পাওয়া যায়? (Honey)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনিদ্রার সমস্যা কমাতে মধু বিশেষ সাহায্য করে। তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশ অনিদ্রার সমস্যায় ভোগে। রাতে ঠিকমতো ঘুম না হওয়ায় অনেকেই উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের মতো একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। আবার মানসিক অস্থিরতাও বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে গরম দুধে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্যে প্রভাব পড়ে। এতে ঘুম ভালো হয়। 
    অনেকেই মুখের ভিতরে ঘায়ের সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভিটামিনের অভাবে অনেকের মুখের ভিতরে ঘা হয়। যার জেরে খেতে অসুবিধা হয়। জ্বালা অনুভব হয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মধু খেলে মুখের ঘা দ্রুত কমে। কারণ, মধুতে (Honey) রয়েছে অ্যান্টি-বায়োটিক। তাই তা ঘা সারাতে বিশেষ সাহায্য করে। 
    পাশপাশি, মধু ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ত্বকের একাধিক রোগ প্রতিরোধে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। ত্বকে লাল দাগ হলে কিংবা ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে গেলে মধু খাওয়ার পাশপাশি মধু ত্বকে লাগালেও বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে। তাই ত্বকের সমস্যায় মধু বিশেষ কাজ করে। 
    ফুসফুসের সংক্রমণ রুখতে মধু বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন হলে অনেকেই সর্দি-জ্বর-কাশির সমস্যায় ভোগেন। এর জেরে ফুসফুসের একাধিক সমস্যা দেখা যায়। নিয়মিত মধু খেলে এই ধরনের সমস্যা আটকানো‌ সম্ভব। কারণ, মধুতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল যৌগ।‌ তাই সংক্রমণ রুখতে মধু বিশেষ উপকারী।

    মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে কোন দিকে নজর দিতে হবে? (Honey)

    মধু খুবই উপকারী। কিন্তু মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে বিশেষ‌ ভাবে নজর দেওয়া জরুরি। কারণ, অতিরিক্ত মধু খেলে দাঁত ও মাড়ির সমস্যা হতে পারে। তবে, ডায়াবেটিস থাকলে মধু খাওয়ায় বিশেষ সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মধুতে থাকে ফ্রুকটোস। তাই রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি‌ থাকলে মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে রাশ টানতে হবে। 
    পাশপাশি ফ্যাটি লিভারের সমস‌্যা থাকলেও নিয়মিত মধু খাওয়া যাবে না। কারণ, মধু্তে হজমের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ১২ মাসের কম বয়সী শিশুদের একেবারেই মধু খাওয়ানো যাবে না। কারণ, মধুর একাধিক উপাদান শিশুদের পেটে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সদ্যোজাত থেকে জন্মের প্রথম এক বছর মধু (Honey) না‌ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপি কর্মীর নামে থাকা বার্ধক্য ভাতা হাতিয়ে নিতেন তৃণমূল নেতা!

    South 24 Parganas: বিজেপি কর্মীর নামে থাকা বার্ধক্য ভাতা হাতিয়ে নিতেন তৃণমূল নেতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্ধক্য ভাতা নিয়ে বড়সড় দুর্নীতি অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তৃণমূল পঞ্চায়েতকে হাত করে একসঙ্গে দুটি বার্ধক্য ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন এক তৃণমূল নেতা। হাতিয়ে ছিলেন অন্যের আবাস যোজনার বাড়িও। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার বাবুরমহল গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপুর গ্রামে। এতদিন এই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল। এবার পঞ্চায়েতে ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। আর তার পরই দুর্নীতি পর্দাফাঁস হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার বাবুরমহল গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপুর গ্রামে স্থানীয় তৃণমূল নেতার নাম বাসুদেব মাইতি। তাঁর দাদা বসুদেব মাইতি বিজেপি কর্মী। তৃণমূল নেতা নিজের নামে বার্ধক্য ভাতার ব্যবস্থা করেন। আর তাঁর দাদা বার্ধক্য ভাতার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু, তাঁর নামে কোনও টাকা এলেও তিনি তা পেতেন না। সরাসরি সেই টাকা তৃণমূল নেতার অ্যাকাউন্টে ঢুকে যেত। বিজেপি কর্মী বসুদেব মাইতি বলেন, বহুবার এই বিষয়ে পঞ্চায়েতে আবেদন করেছি। কিন্তু, কোনও লাভ হয়নি। এমনকী তাঁর আরও অভিযোগ, আমার নামে আসা আবাস যোজনার বাড়িও হাতিয়ে নিয়ে তৃণমূল নেতা ভাই। তবে, এই বিষয়ে তৃণমূল নেতা বাসুদেব মাইতির সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে তিনি কোনও কিছুই বলতে রাজি হননি। বিজেপি বোর্ড ক্ষমতায় এসে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গিয়ে জানতে পারেন, তালিকায় নাম আলাদা হলেও অ্যাকাউন্ট নম্বর তৃণমূল নেতার ছিল। ফলে, বিজেপি কর্মী ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কুলপির বিডিও সৌরভ গুপ্ত বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে কুলপি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা কুলপি ব্লকের শিক্ষার কর্মাধ্যক্ষ সুপ্রিয় হালদার বলেন, এই ধরনের কোনও অভিযোগ এখনও আমাদের কাছে এসে পৌঁছায়নি। তবে, ওই ব্যক্তি ব্লকে এসে যোগাযোগ করলে অবশ্যই তিনি তাঁর টাকা ফেরত পাবেন। বিজেপি নেতা বিকাশ মণ্ডল বলেন, ওই বৃদ্ধ আমাদের দলের কর্মী বলে তাঁর বার্ধক্য ভাতা পরিকল্পিতভাবে বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া অন্য কোনও কিছুই কারণ নয়। আমাদের দাবি, বকেয়া সমস্ত টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indi Alliance: ভাঙন পাঞ্জাবেও, ইন্ডি জোটে না থেকে একা লড়ার বার্তা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের

    Indi Alliance: ভাঙন পাঞ্জাবেও, ইন্ডি জোটে না থেকে একা লড়ার বার্তা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের একাধিক রাজ্যে আসন বোঝাপড়া নিয়ে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র (Indi Alliance) শরিক দলগুলির মধ্যে মতান্তরের বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ইতিমধ্যেই বিরোধী জোট ছেড়ে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে নাম লিখিয়েছেন জেডিইউ নেতা নীতীশ কুমার। এনডিএ-তে শামিল হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন আরএলডি নেতা জয়ন্ত চৌধুরীও। এই আবহের মধ্যে লোকসভায় পাঞ্জাবে কংগ্রেসের তেমন কোনও জোট হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় খারিজই করে দিলেন আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। চণ্ডীগড়ের মেয়র নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে জোট বেঁধে লড়াই করেছিল কংগ্রেস এবং আপ। তাই, পাঞ্জাবে লোকসভায় আপের ভূমিকা কী হয় তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল, তারমধ্যে আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়ে দিয়েছেন,পাঞ্জাবের সব আসনেই লড়াই করবে আপ। শীঘ্রই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

    পাঞ্জাবে সব আসনে এককভাবে প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা আপের (Indi Alliance)

    পাঞ্জাবে ১৩টি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল চণ্ডীগড়ে একটি লোকসভা আসন রয়েছে। গত লোকসভায় কংগ্রেস পাঞ্জাবে ৮টি আসনে জয়ী হয়েছিল। শিরোমণি অকালি দল (এসএডি) এবং বিজেপি জোট বেঁধে লড়াই করে মোট ৪টি আসন পেয়েছিল। আপ পেয়েছিল একটি আসন। ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলে অবশ্য চমক দেয় আপ। ১১৭টি আসনের মধ্যে ৯২টিতে জয়ী হয়ে সে রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তারা। মাত্র ১৮টি আসন পেয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় কংগ্রেসকে। শনিবার পাঞ্জাবে দাঁড়িয়ে কেজরিওয়াল বলেন, “রাজ্যের ১৩টি আসনে এবং চণ্ডীগড়ের একটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করবে আপ।” ফলে, কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে (Indi Alliance) জল ঢেলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন আপ প্রধান

    এ দিন কংগ্রেসকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি কেজরিওয়াল। তিনি বলেন, ‘কংগ্রেস এত বছর ধরে শাসন করেছে। আপনারা যদি বলেন কংগ্রেসের একটা ভাল কাজ বলতে, আমার মনে পড়বে না। অকালি দল এত বছর ক্ষমতায় ছিল, তাদের কোনও ভাল কাজের কথা আপনাদের মনে পড়বে না।’ আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি ফের আপের একটি বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকেই গোয়া, হরিয়ানা, গুজরাতে দলের রণকৌশল ঠিক করবে। ইতিমধ্যেই গুজরাতের ভারুচ আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা কংগ্রেসের সঙ্গে আদৌ সমঝোতার পথে হাঁটবে কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘গুন্ডারাজ চলছে’, কড়া বার্তা রাজ্যপালের, রিপোর্ট তলব তফসিলি কমিশনের

    Sandeshkhali: ‘গুন্ডারাজ চলছে’, কড়া বার্তা রাজ্যপালের, রিপোর্ট তলব তফসিলি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইতিমধ্যেই অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। ঘটনার প্রতিবাদে সরব রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। শনিবারই শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে মিছিল করে রাজভবনে গিয়েছিল বিজেপি। সন্দেশখালি ঘটনা নিয়ে রাজ্যপালের পদক্ষেপ দাবি করেন তিনি। এর পরই রাজ্যের থেকে সন্দেশখালির পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এরইমধ্যে আবার শাহজাহান-উত্তম-শিবুদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করল জাতীয় তফসিলি কমিশন। সবমিলিয়ে সন্দেশখালি এখন রাজ্য রাজনীতিতে হটকেক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    গুন্ডাগিরি বন্ধ করতে হবে (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ভিডিওবার্তায় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, “সভ্য সমাজে কতটা কুৎসিত ঘটনা ঘটতে পারে তা সন্দেশখালিতে দেখা যাচ্ছে। মহিলাদের হেনস্থা এবং নিগ্রহ করা হচ্ছে। গুন্ডারাজ চলছে সেখানে। নির্বাচিত সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। কার্যকরী পদক্ষেপ করতে হবে। কেউ আইনকে নিজের হাতে নিতে পারে না। গুন্ডাগিরি সেখানে বন্ধ করতে হবে। তা বন্ধ করতে সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে। আমাকে সরকারের থেকে রিপোর্ট পেতে দিন। এবিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এ বিষয়ে রিপোর্টের পাশাপাশি দ্রুত ব্যবস্থা নিতেও রাজ্য সরকারকে আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

    রিপোর্ট তলব জাতীয় তফসিলি কমিশনর চেয়ারম্যান

    এরইমধ্যে এবার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) কেসে নড়েচড়ে বসল ন্যাশনাল কমিশন ফর সিডিউলড কাস্ট কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে খবর। তিনদিনের মধ্যে তার জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে কমিশনের ফুল বেঞ্চ সন্দেশখালি যাবে বলে জানান জাতীয় তফসিলি কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। প্রসঙ্গত, এখনও খোঁজ মেলেনি শেখ শাহজাহানের। এদিকে তাঁর দুই শাগরেদ উত্তম সর্দার, শিবু হাজরাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা সন্দেশখালি। তৃণমূল মাথা থেকে হাত তুলতেই চাপে পড়ে অবশেষে পুলিশ গ্রেফতার করেছে উত্তমকে। শাসক নেতাদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন সন্দেশখালির মহিলারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহান এখনও অধরা! তৃণমূল মুখ ফেরাতেই গ্রেফতার সাগরেদ উত্তম সর্দার

    Sandeshkhali: শাহজাহান এখনও অধরা! তৃণমূল মুখ ফেরাতেই গ্রেফতার সাগরেদ উত্তম সর্দার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান ফেরার। তাঁর অন্যতম দুই সাগরেদ শিবু হাজরা আর উত্তম সর্দারের নেতৃত্বে চলত তাণ্ডব। আর তার জেরেই গত তিনদিন ধরে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। আর এই সব ঘটনার জন্য আদতেই মুখ পুড়ছিল তৃণমূলের। তাই, তড়িঘড়ি শনিবার সকালে সাসপেন্ড করা হল উত্তমকে। দল মাথা থেকে হাত তুলে নিতেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠল পুলিশ। গত তিনদিন ধরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া তৃণমূল নেতা উত্তমকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পাশাপাশি সন্দেশখালিতে অশান্তির ঘটনায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিকাশ সিংহ নামের এক বিজেপি নেতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকাশ বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার অন্যতম পর্যবেক্ষক পদে ছিলেন।

    সাসপেন্ডের পরই গ্রেফতার উত্তম (Sandeshkhali)

    শনিবার দুপুরে রেড রোডের ধর্নামঞ্চ থেকে পার্থ ভৌমিক ঘোষণা করেছিলেন, আগামী ছ’বছরের জন্য তৃণমূল থেকে উত্তমকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি রিপোর্ট দেওয়ার পরই এবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হল। আর দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হন উত্তম। তবে, সবটাই লোক দেখানো বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ৭ জানুয়ারি জনরোষ আছড়ে পড়েছিল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali)। উত্তমকে ধরে ফেলেছিলেন উত্তেজিত জনতা। পুলিশই তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে, ছেড়ে দেয়। তারপর থেকে রহস্যজনকভাবে তিনি ফেরার ছিলেন। কেউ তাঁর আর হদিশ পাচ্ছিলেন না। অনেকের মতে, পুলিশের নিরাপত্তায় গা ঢাকা দিয়েছিলেন উত্তম। দল মাথা থেকে হাত তুলে নিতেই উত্তম গ্রেফতার হয়ে যায়।

    গ্রামবাসীদের জমি দখল করে উত্তমের ভেড়ি!

    শাহজাহান শেখ এবং তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ নেতা শিবু হাজরা আর উত্তমের বিরুদ্ধেও এলাকায় ‘অত্যাচার’-এর অভিযোগ রয়েছে। পার্টি অফিসে সুন্দরী মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে রাতভর নির্যাতন চালানো হত। প্রকাশ্যেই তৃণমূল নেতাদের এই অত্যাচারের বিষয়ে মহিলারা গর্জে ওঠেন। উত্তম-শিবুর গ্রেফতারের দাবি নিয়ে রাস্তায় নামেন তাঁরা, ঘেরাও করা হয় থানা। বিক্ষোভে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন মহিলারা। বাঁশ, কাটারি, দা, হাতা, খুন্তি, লাঠি নিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয় সন্দেশখালির (Sandeshkhali) অলিগলিতে। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একের পর এক পোলট্রি ফার্ম, বাগানবাড়িতে। অভিযোগ, গ্রামবাসীদের জমি জোর করে দখল করে ওই ফার্ম তৈরি করেছিলেন উত্তমেরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ৯০ শতাংশ ভেড়ি গ্রামবাসীদের জমি দখল করে তৈরি করা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: সিভিক ভলান্টিয়ারকে ব্যাজ খুলে নেওয়ার হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা, শোরগোল

    Birbhum: সিভিক ভলান্টিয়ারকে ব্যাজ খুলে নেওয়ার হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইন মেনে কাজ করতে গিয়ে তৃণমূল নেতার হুমকির মুখে পড়তে হল এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে অনুব্রতের গড় বীরভূমের (Birbhum) সিউড়ি এলাকায়। প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’ দেখলেন এলাকাবাসী। হুমকি সেই ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। সিভিক ভলান্টিয়ারকে হুমকি দিলেও কোনও পুলিশ আধিকারিক তার প্রতিবাদ করার সাহস দেখায়নি। এই ঘটনা নিয়ে জেলা জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালবেলা বীরভূমের (Birbhum) সিউড়ি শহরে দুজন বাইক আরোহী হেলমেট ছাড়া গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তা দেখতে পেয়ে কর্তব্যরত সিভিক ভলান্টিয়ার কৃষ্ণ গোপাল মণ্ডল ওই বাইক আরোহীদের জরিমানা করার জন্য গাড়ির ছবি তোলেন। অভিযোগ, এরপর বাইক থেকে নেমে অভিযুক্তরা কৃষ্ণকে হেনস্থা করে। শুধু তাই নয়, যে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে এই ঘটনাটি ঘটেছে সেখানকার আইএনটিটিইউসির সাধারণ সম্পাদক শেখ ডালিম কাছে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি বিষয়টি জানার পরই সিভিক ভলান্টিয়ারকে ব্যাজ খুলে নেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ। সিভিক ভলান্টিয়ার কৃষ্ণ গোপাল মণ্ডল বলেন, “রাস্তা দিয়ে বাইক চড়ে হেলমেট ছাড়া যাচ্ছিল দেখে আমি ছবি তুলছিলাম। তখন ওরা বলল ভাল করে ছবি তোল। দেখে নেব বাকিটা। তারপর ডালিম বলে একজন এসে আমাকে বললেন, তোর ব্যাজ খুলে নেব। আমায় চিনিস তুই। আমি বললাম, না চিনি না। আইন মেনে কাজ করার জন্য আমাকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হল। আমি বিষয়টি ওপরতলায় জানিয়ে দেব।”

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    সিউড়ির ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের আইএনটিটিইউসির সাধারণ সম্পাদক শেখ ডালিম বলেন, “আমাদের ড্রাইভার বাইক নিয়ে যাচ্ছিলেন। ওর গাড়ির ছবি তোলে ওই সিভিক। তারপর ড্রাইভার বলেন দাদা আমি ভুলে গিয়েছি হেলমেট নিতে। ও স্বীকারও করে। তারপরও ওই সিভিক তাকে ছাড়েনি। আমি কোনও হুমকি দিইনি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: রেশন দুর্নীতির পর্দাফাঁস! নদিয়ায় ব্যবসায়ীর কালোবাজারি ধরলেন বাসিন্দারা

    Nadia: রেশন দুর্নীতির পর্দাফাঁস! নদিয়ায় ব্যবসায়ীর কালোবাজারি ধরলেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশনের চাল এবং আটা সরকারি আধিকারিক, রেশন ডিলারদের কাছ থেকে ক্রয় করে চলে গোডাউন ভরাটের কাজ। কিন্তু, সাধারণ মানুষ তাদের প্রাপ্য গম, আটা পায় না। নিম্নমানের রেশন সামগ্রী যখন সাধারণ মানুষদেরকে দেওয়া হচ্ছে, তখন সরকারি আধিকারিকদের কাছ থেকে উন্নতমানের রেশন সামগ্রী গোডাউনে মজুদ করার অভিযোগ উঠছে নদিয়ার (Nadia) রানাঘাটের মধু বণিক নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোডাউনে দিনের পর দিন সাধারণ মানুষের রেশনের চাল,গম,আটা প্রতিদিন গাড়ি গাড়ি মাল মজুদ করা হয় ব্যবসায়ীর ওই গোডাউনে। কিন্তু, সাধারণ মানুষ সেই রেশন সামগ্রী পায় না। অপরদিকে, কালোবাজারি করে রেশন সামগ্রী কিনে কীভাবে তিনি গোডাউনে মজুদ রাখছে তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। যদিও রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ইতিমধ্যে রানাঘাটে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিযান চালিয়েছে। তারপরেও দিনের পর দিন জনসমক্ষে এইভাবে রেশনের কালোবাজারি উঠে এল নদিয়ার (Nadia) কুপার্স এলাকা থেকে। তবে, স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,  গাড়ি করে রেশনসামগ্রী ব্যবসায়ীর গোডাউন থেকে রেশনসামগ্রী ট্রাকে মজুদ করা হচ্ছিল। এরপরই এলাকার মানুষ বাধা দেন। রেশন সামগ্রী কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা জানতে চান। কিন্তু, কেউ তার উত্তর দিতে পারেনি। এরপরই এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। দোকানের সামনে ভিড় করে গাড়ি সমেত রেশন সামগ্রী আটকে দেন এলাকাবাসী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    বিষয়টি জানাজানি হতেই সেখান থেকে পালিয়ে যান সেই গোডাউনের মালিক মধু বণিক। তবে, প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে কীভাবে এই রেশন সামগ্রীর কালোবাজারি চলছে তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এলাকাবাসীর বক্তব্য, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই সমস্ত ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত দিয়ে রেখেছে বলেই দিনের পর দিন এইভাবে রেশন সামগ্রীর কালোবাজারি নদিয়া (Nadia) জুড়ে চলে আসছে। তাদের দাবি অবিলম্বে এই কালোবাজারি বন্ধ হোক এবং সাধারণ মানুষ তাদের ন্যায্য রেশন যাতে পায় তা দেখা দরকার। যদিও এই ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share