Tag: Madhyom

Madhyom

  • ED Raid: আরও চাপে কেজরিওয়াল, আবগারি দুর্নীতিতে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিবের খোঁজে ইডি

    ED Raid: আরও চাপে কেজরিওয়াল, আবগারি দুর্নীতিতে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিবের খোঁজে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ক্রমশই চাপ বাড়ছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ওপর (ED Raid)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবার খোঁজ চালাচ্ছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ব্যক্তিগত সচিব বিভাব কুমারের। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মোট ১০ টি জায়গায় এই তল্লাশি অভিযান চলছে। আবগারি দুর্নীতি মামলা বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে বর্তমানে জেলে রয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। প্রসঙ্গত, গত রবিবারই আম আদমি পার্টির মহল্লা ক্লিনিক এর দুর্নীতিও (ED Raid) সামনে এসেছে। সরকারি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, ৬৫ হাজার ভুয়ো ব্যক্তির রক্ত পরীক্ষা করানোর। যাদের বাস্তবে কোনও অস্তিত্ব নেই।

    পাঁচবার সমন কেজরিওয়ালকে, একবারও হাজির হননি

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই আবগারি দুর্নীতি মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে সমন পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এ নিয়ে পাঁচ বার সমান পাঠানো হলেও কোনও বারই হাজির হননি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী (ED Raid)। শেষবার গত ২ ফেব্রুয়ারি তাঁকে তলব করা হয়েছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের তার ব্যক্তিগত সচিবের আস্তানাগুলিতে হানা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বিষয়টিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

    রেডারে রয়েছেন আপের রাজ্যসভার সাংসদও

    জানা গিয়েছে কেবল আপ নেতা নয়, এদিন সকাল থেকে একসঙ্গে দিল্লির ১২টি জায়গায় ইডি-র তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। ইডি-র গোয়েন্দারা বেশ কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে সূত্রের খবর। এখনও পর্যন্ত অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ব্যক্তিগত সচিব বিভব কুমার-সহ দিল্লি জল পর্ষদের প্রাক্তন সদস্য শলভ কুমার এবং রাজ্যসভার সাংসদ তথা আপ নেতা এনডি গুপ্তার বাড়িতেও অভিযানে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। এক দেড়মাসের মাথায় লোকসভা ভোট, তার আগে দুর্নীতি ইস্যুতে বেশ কোনঠাসা হয়ে রয়েছে কেজরিওয়ারেল দল।

     

  • ED: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি! রাজ্যের চার জেলায় সাত সকালেই হানা ইডি-র

    ED: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি! রাজ্যের চার জেলায় সাত সকালেই হানা ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন কাণ্ডের পর এবার ১০০ দিনের দুর্নীতি নিয়ে সক্রিয় ইডি (ED)। এই দুর্নীতির তদন্তে এবার রাজ্যের চার জেলায় হানা দিল ইডি। মঙ্গলবার সাত সকালেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ইডি আধিকারিকরা হানা দেন। ঝাড়গ্রামের এক সরকারি আধিকারিকের কোয়ার্টারে, হুগলির চুঁচুড়ায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে এবং মুর্শিদাবাদের একটি জায়গায় তল্লাশি চলছে। তল্লাশি চলছে সল্টলেকের একটি আবাসনেও। সকাল থেকেই চলছে তল্লাশি পর্ব।

    মুর্শিদাবাদে ইডি (ED)

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে মুর্শিদাবাদে বহরমপুর শহরের বিষ্ণুপুর রোডে বাড়ি রথীন দে নামে প্রাক্তন পঞ্চায়েত কর্মীর বাড়িতে ইডি (ED) হানা দেয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে বাড়ি। সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নওদা পঞ্চায়েতে কর্মরত ছিলেন। নওদা পঞ্চায়েতে নির্মাণ সহায়ক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ, ১০০ দিনের কাজের প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে নিজের এবং তাঁর বোনের অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করে। এছাড়াও একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় চাকরি যায় তাঁর।

    ঝাড়গ্রামেও হানা দেয় ইডি

    মঙ্গলবার সকালে ইডির (ED) ছ’জন আধিকারিকের একটি দল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে হানা দেন ঝাড়গ্রামের বাছুরডোবার একটি সরকারি আবাসনে। জেলার সংখ্যালঘু দফতরের এক প্রশাসনিক আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ খবর পেয়ে এলাকায় যান। কিন্তু, পুলিশ আধিকারিকদের আবাসনের ভিতর ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ইডি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, রাজ্যে ১০০ দিনের কাজে জাতিগত শংসাপত্র নিয়ে ‘দুর্নীতি’র বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে তারা।

    হুগলি ও উত্তর ২৪ পরগনায় হানা ইডি-র

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ইডি (ED) হানা দেয় হুগলির চুঁচুড়ার ময়নাডাঙায় সন্দীপ সাধুখাঁ নামে এক নির্মাণ সহায়কের বাড়িতে। সেই বাড়িতে চলছে তল্লাশি। যদিও তিনি বাড়িতে ছিলেন না। পাশাপাশি সল্টলেকের একটি আবাসনে চলছে তল্লাশি। সেই আবাসনে  ধনেখালির প্রাক্তন বিডিও এসকে পান থাকেন। প্রসঙ্গত, ১০০ দিনের দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে তারা আগেই তদন্ত শুরু করেছিল। তদন্তে দেখা যায়, ১০০ দিনের কাজে যে কোটি কোটি টাকার কেন্দ্রীয় বরাদ্দ এসেছিল, তা নয়ছয় কর হয়েছে। টাকা নয়ছয় করতে ভুয়ো জব কার্ড তৈরি করা হয়েছিল বলে তদন্তকারী সংস্থাটি সূত্রে খবর। এবার সেই দুর্নীতির তদন্তে জেলায় জেলায় হানা দিল ইডি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মুখর স্টেশন, হাওড়া থেকে ছেড়ে গেল অযোধ্যা ধাম স্পেশাল

    Ram Mandir: জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মুখর স্টেশন, হাওড়া থেকে ছেড়ে গেল অযোধ্যা ধাম স্পেশাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন করেন। এই উদ্বোধনের পর গোটা দেশ যেন রামময় হয়ে উঠেছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং আরএসএস এর পক্ষ থেকে রাম ভক্তদের অযোধ্যায় মন্দির দর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। সোমবার রাতে হাওড়া স্টেশন থেকে দুটি ট্রেন, হাওড়া-অযোধ্যা ধাম স্পেশাল রওনা হয় রামনগরীর (Ram Mandir) উদ্দেশে। মোট ৩৫০০ রাম ভক্ত অযোধ্যার উদ্দেশ্যে রওনা হন। আরও একটি ট্রেন উত্তরবঙ্গের এনজিপি স্টেশন থেকে ছাড়ে। মঙ্গলবার দুপুরে এই ট্রেনগুলি অযোধ্যায় পৌঁছাবে। সেখানে এইসব ভক্তদের থাকা এবং খাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে ভক্তরা সরযূ নদীতে স্নানের পর রাম লালার মূর্তি এবং মন্দির (Ram Mandir) দর্শন করবেন। এছাড়াও অযোধ্যার হনুমানগড়ি মন্দির সহ বড় বড় মন্দিরগুলির দর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারি রাতেই ওই একই ট্রেনে উঠবেন রাম ভক্তরা। ৮ তারিখ ফিরবেন হাওড়ায়। স্টেশন থেকে ট্রেন সর্বত্র জয় শ্রী রাম ধ্বনি তুললেন ভক্তরা।

    উৎসবের আমেজ স্টেশনে 

    সোমবার সন্ধ্যায় হাওড়া স্টেশন চত্বরে রাম ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রত্যেক রাম ভক্তই ১,৩০০ টাকা খরচ করেন এই যাত্রার জন্য। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে স্টেশন চত্বরে তাঁদের স্বাগত জানানো হয়। তাদের গলায় মালা পরানোর পাশাপাশি কপালে তিলক এঁকে দেওয়া হয়। স্টেশন চত্বরে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। রাম ভক্তরা আনন্দে নাচতে থাকেন। এক রাম ভক্ত (Ram Mandir) ও কর সেবক অশোক সাহা জানিয়েছেন, তাঁদের দীর্ঘ আন্দোলনের পর অবশেষে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়েছে। জীবনে রাম মন্দির দর্শনের সুযোগ পেয়ে তারা দারুন খুশি। আইআরসিটিসির পক্ষ থেকে ভক্তদের জন্য ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়। গোটা ট্রেন বুক করা হয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে।

    রাম ভক্তদের ট্রেনে রাজকীয় ব্যবস্থা

    আস্থা স্পেশালে রামভক্তদের জন্য একেবারে রাজকীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভক্তদের জন্য নতুন বালিশ ও কম্বল দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকেও রাম ভক্তরা রাম নগরীর (Ram Mandir) উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছেন। আবার দক্ষিণবঙ্গের রাম ভক্তরা হাওড়া বর্ধমান প্রভৃতি স্টেশন থেকে পাড়ি দিয়েছেন। আস্থা স্পেশাল ট্রেনের এক রাম ভক্ত অলোকা মুন্সির কথায়, ‘‘আজকে সুযোগ পেলাম তাই স্পেশাল ট্রেনে অযোধ্যা যাচ্ছি। স্টেশনে আসার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের রেড কার্পেট পেতে বরণ করে নেওয়া হল। আমাদের টিফিনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দুপুরের খাবার দেওয়া হল। নিরাপত্তারও জোরদার আয়োজন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘চোর মমতাকে টাইট দিতে গিয়েছিলাম, টাইট দিয়ে এসেছি’’, দিল্লি থেকে ফিরে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘চোর মমতাকে টাইট দিতে গিয়েছিলাম, টাইট দিয়ে এসেছি’’, দিল্লি থেকে ফিরে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই দিল্লি থেকে ফিরে কলকাতা বিমানবন্দরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানেই মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘‘চোর মমতাকে টাইট দিতে গিয়েছিলাম, টাইট দিয়ে এসেছি।’’ তবে এখানেই থামেননি বিরোধী দলনেতা। মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফর বাতিল প্রসঙ্গে তাঁর মত, ‘‘উনি কোথায় যাবেন, না যাবেন সেটা আমি বলব কেন। ওনাকে নিয়ে আমরা অত চিন্তিত নই।’’

    পিসি-ভাইপোর কোম্পানি 

    বছর ২ আগেই নিজের পুরনো দল তৃণমূলে ফিরেছেন বারাকপুরের বিজেপির প্রতীকে নির্বাচিত সাংসদ অর্জুন সিং। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে কার্যত কোণঠাসা অর্জুন। বারাকপুরে এখন চর্চার বিষয়, অর্জুন-সোমনাথ দ্বন্দ্ব। এ নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘এর উত্তর অর্জুন সিং দিতে পারবেন। অর্জুন সিং জেনেশুনে ওদের সঙ্গে গেছে। বারাকপুর আসন ভারতীয় জনতা পার্টির, নরেন্দ্র মোদির। বারাকপুর আসন থেকে যিনি পদ্মফুলে দাঁড়াবেন, তিনি জিতবেন। ব্যক্তি ফ্যাক্টর নয়।’’ অর্জুন সিং এর দলবদল জল্পনা নিয়ে বলেন, ‘‘এরকম কোনও প্রস্তাব আমাদের কাছে নেই, তাছাড়া আমরা কোন ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল নই।’’ তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়ক দ্বন্দ্ব নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘‘ওটা কোন দলই নয় কোম্পানি। দুইজন মিলে চালায় পিসি ও ভাইপো।’’

    দিল্লিতে শাহি সাক্ষাতে শুভেন্দু

    সোমবার সকালেই শুভেন্দু পৌঁছে যান সংসদে। সেখানে প্রথমে তিনি বৈঠক করেন অমিত শাহের সঙ্গে। শাহি বৈঠক শেষে তিনি সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে। সেখানে একপ্রস্ত বৈঠক হয় দুজনের। সোম-দুপুরের জোড়া বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে মুখ খোলেননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। কেবল বলেন, “যে আলোচনা হয়েছে, তাতে যে রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলব না। শুধু আপনাদের অ্যাকশন আর রিঅ্যাকশনে নজর রাখতে হবে।” শাহের সঙ্গে শুভেন্দুর বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা জানা না গেলেও, অর্থমন্ত্রীর কাছে গিয়ে ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: ‘‘বর্তমান প্রজন্ম ভাগ্যবান, তাঁরা রামলালাকে মন্দিরে দেখতে পেলেন’’, মন্তব্য মোহন ভাগবতের

    Ram Mandir: ‘‘বর্তমান প্রজন্ম ভাগ্যবান, তাঁরা রামলালাকে মন্দিরে দেখতে পেলেন’’, মন্তব্য মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনকে ভগবানের আশীর্বাদ বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। প্রসঙ্গত ৫০০ বছরের সংঘর্ষের পর অযোধ্যায় স্থাপিত হয়েছে রাম মন্দির (Ram Mandir) । এই ঘটনাকে সর্বশক্তিমানের ইচ্ছা বলেও মন্তব্য করেন মোহন ভাগবত। সোমবারই মোহন ভাগবত হাজির ছিলেন মহারাষ্ট্রের পুনেতে। গীতা ভক্তি অমৃত মহোৎসব নামের একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে তিনি জানান, ভারতবর্ষের উত্থান হতেই হবে,  সারা পৃথিবীর মঙ্গলের জন্য। তিনি আরও বলেন, ‘‘২২ জানুয়ারি রাম লালা প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন মন্দিরে, বহু সংঘর্ষের পরে এই সফলতা মিলেছে। বর্তমান প্রজন্ম ভাগ্যবান, তাঁরা রাম লালাকে মন্দিরে দেখতে পেলেন।’’

    শীঘ্রই শুরু হবে রামের দরবার নির্মাণের কাজ

    শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজ। রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণ কমিটির তরফে জানানো হয়েছে রামের দরবার-এর প্রথম এবং দ্বিতীয় তলের নির্মাণকাজ খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে। জানা গিয়েছে, প্রভু রামের দরবারে এই কাজ শেষ হয়ে যাবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস নাগাদ। নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র শনিবারই মন্দির চত্বর (Ram Mandir) পরিদর্শন করেন। তিনি জানিয়েছেন, গত ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন নির্মাণ কাজ শুরু হবে। একইসঙ্গে, ‘পরকোটা’-র কাজও শেষ করতে হবে। ৭৯৫ মিটার দীর্ঘ পরিক্রমা প্রাচীরের কাজও তাড়াতাড়ি সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রথম ১১ দিনে পা পড়েছে ২৫ লাখ ভক্তের

    প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিন ৮ হাজার অতিথি সামিল হয়েছিলেন এই অনুষ্ঠানে। তারপর থেকেই ভক্তদের ঢল নেমেছে অযোধ্যায়। হিসাব বলছে, প্রথম ১১ দিনে ২৫ লাখ ভক্তের পা পড়েছে রাম জন্মভূমিতে এবং মোট প্রণামী সংগৃহীত হয়েছে ১১ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৮ কোটি টাকা এসেছে শুধু প্রণামী বাক্স থেকেই এবং অনলাইনের মাধ্যমে প্রণামী পাঠানো হয়েছে সাড়ে তিন কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ০৬/০২/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ০৬/০২/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) দিনের অধিকাংশ সময় সর্বাঙ্গীণ অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত হবে।

    ২) কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে দুশ্চিন্তা বর্তমান থাকবে।

    ৩) সামান্য আয় বাড়লেও ব্যয় চাপ কমবে না।
     
    বৃষ
     
    ১) কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে প্রছন্ন উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা থাকলেও আর্থিক উন্নতি ও নতুন যোগাযোগ উৎসাহিত করবে।
     
    ২) অপ্রত্যাশিত যোগাযোগে টুকটাক অর্থ হাতে আসবে।

    ৩) আপনার সাথে কেউ বিরুদ্ধাচরণ করবে।
     
    মিথুন
     
    ১) অবিশ্বাসী ও সন্দেহবাতিক মনোভাব ক্ষতি করতে পারে।
      
    ২) শারীরিক মানসিক, আর্থিক পারিবারিক, কর্ম ও আয়ের ক্ষেত্রে বিপর্যয় বলে মনে হবে।
     
    ৩) কোনও ঘটনায় অপমানসূচক কথা শুনতে পারেন।
     
    কর্কট
     
    ১) দ্বন্দ্বপূর্ণ মানসিক অবস্থা কাজকর্মের ক্ষতি করতে পারে।
     
    ২) টুকটাক অর্থাগম হলেও ব্যয় বৃদ্ধি পাবে।
     
    ৩)  শারীরিক অবস্থা ভাল থাকবে না। 
     
    সিংহ
     
    ১) কর্মক্ষেত্রে হঠাৎ কোনও ঝামেলা কিংবা কোনও সমস্যা দেখা দিতে পারে।
     
    ২) নতুন কোনও যোগাযোগ আসলেও আর্থিক দিক থেকে বিশেষ কোনও উন্নতি হবে না।
     
    ৩) টুকটাক কিছু অর্থ হাতে আসবে।
     
    কন্যা
     
    ১) কর্মক্ষেত্র ও আর্থিক বিষয়ে দুশ্চিন্তার অবসান ঘটবে না।
     
    ২) সামান্য অর্থ হাতে এলেও আর্থিক টান থেকে যাবে।
     
    ৩) মনটা বিচলিত ও অশান্ত থাকবে।
     
    তুলা
     
    ১) মানসিক চাপ থাকলেও পূর্বের তুলনায় কর্ম ও আর্থিক ক্ষেত্রে সামান্য যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।
     
    ২) কোনও বিশিষ্ট ব্যক্তির সাথে পরিচয় হবে।
     
    ৩) কোনও দূর স্বজনের জন্য উৎকণ্ঠা।
     
    বৃশ্চিক
     
    ১) মনের উপর চাপ বৃদ্ধি।

    ২) কারও কাছে অবিশ্বাসী ও অপমানিত হতে পারেন।

    ৩) শারীরিক, মানসিক, পারিবারিক, আর্থিক, কর্ম ও আয়ের ক্ষেত্র বিশেষ উদ্বেগসূচক।
     
    ধনু
     
    ১) কোনও কারণে হঠাৎ মানসিক আনন্দ নষ্ট হবে।
     
    ২) প্রেমিক প্রেমিকাদের অভিমানের জন্য মানসিক অশান্তি ভোগ করতে হবে।
     
    ৩) দেবালয় ভ্রমণ যোগ।

    মকর
     
    ১) কর্মক্ষেত্রে লক্ষণীয় কোনও পরিবর্তন না হলেও যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।
     
    ২) অর্থভাগ্য চলনসই থাকবে আজকে।
     
    ৩) কোনও সংবাদ মানসিক উদ্বেগ সৃষ্টি করবে।
     
    কুম্ভ
     
    ১) দিনটায় মানসিক দিক থেকে একটা ভীতি ও উদ্বেগের ভাব বর্তমান থাকবে।
     
    ২) কর্ম ও আর্থিক ক্ষেত্র কোনওরকম চলনসই।
     
    ৩) কোনও দুর্নামের ভাগীদার হতে হবে।
     
    মীন
     
    ১) সর্বাঙ্গীণ সতর্ক হয়ে চলুন।
     
    ২) হঠাৎ কোনও সমস্যা জটিলতা বৃদ্ধি করতে পারে।
     
    ৩) বিশ্বাসীজন আপনার বিরুদ্ধাচরণ করতে পারে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Digha: দিঘায় হাড়হিম করা ঘটনা! বন্ধুকে গাছে বেঁধে বেধড়ক মার, মহিলা পর্যটককে গণধর্ষণ

    Digha: দিঘায় হাড়হিম করা ঘটনা! বন্ধুকে গাছে বেঁধে বেধড়ক মার, মহিলা পর্যটককে গণধর্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায় (Digha) প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক যান। পর্যটকদের ওপর ভিত্তি করেই ওই এলাকার অর্থনীতি অনেকটাই নির্ভর করে। সেই সৈকত শহরে পর্যটকদের কোনও নিরাপত্তা নেই! রবিবার রাতে দিঘার ঘটনা সেই প্রশ্ন উস্কে দিয়েছে। দিঘায় ঘুরতে গিয়ে গণ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক মহিলা পর্যটক। আর এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সৈকত শহরে। প্রশ্নের মুখে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Digha)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিঘাতে (Digha) অনেকেই ফোনে বা অনলাইনে হোটেল বুক করে যান। অনেকে আবার দিঘায় গিয়ে হোটেল ঠিক করেন। ভাল হোটেল করে দেওয়ার জন্য এক শ্রেণির দালালও সেখানে গজিয়ে উঠেছে। অনেকে সস্তায় ভাল হোটেল পাওয়ার আশ্বাস তাঁদের দ্বারস্থ হন। অনেক সময় ভাল হোটেলও পান। তবে, নির্যাতিতা মহিলা বন্ধুদের সঙ্গে দিঘা ঘুরতে এসেছিলেন। তাঁদের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেই। ফলে, আগে থেকে হোটেল বুক করে নিয়ে আসেননি। দিঘায় বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে এসে হোটেল খোঁজা শুরু করেন তাঁরা। অভিযোগ, হোটেল ঠিক করে দেওয়ার নাম করে তাঁদেরকে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। বন্ধুর সঙ্গে একটি বাইকে ছিলেন মহিলা। অভিযোগ, ফাঁকা জায়গায় বাইক আটকে জোর করে তাঁদেরকে নির্জন জায়গায় টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। যুবককে গাছে বেঁধে বেধরক মারধর করতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। পাশাপাশি মহিলাকে জঙ্গলে টেনে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা অপকর্ম করে ওই মহিলাকে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে, মহিলার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দিঘা থানার পুলিশ রতনপুর গ্রাম থেকে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। আরও একজন ফেরার বলে জানা গিয়েছে। তাদের এই চক্রের পিছনে আর কেউ রয়েছে কি না তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Public Examination Bill: সরকারি চাকরির পরীক্ষায় জালিয়াতি করলে ন্যূনতম ৩ বছরের জেল, জরিমানা ১ কোটি

    Public Examination Bill: সরকারি চাকরির পরীক্ষায় জালিয়াতি করলে ন্যূনতম ৩ বছরের জেল, জরিমানা ১ কোটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার কেন্দ্র সরকার সংসদে পেশ করল একটি নয়া বিল। যার মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় এবার থেকে প্রশ্ন ফাঁস (Public Examination Bill) অথবা যে কোনও ধরনের জালিয়াতি করলে কঠিন সাজা হবে। জানা গিয়েছে, যে কোনও ধরনের জালিয়াতি অথবা অসাধুপন্থা অবলম্বন কিংবা প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় যারা জড়িত থাকবে তাদের ন্যূনতম তিন বছরের জেল হবে। তার সঙ্গে ১ কোটি টাকা জরিমানা হবে। প্রসঙ্গত বর্তমানে কোনও নির্দিষ্ট আইন নেই যার দ্বারা প্রশ্ন ফাঁস অথবা সরকারি চাকরির পরীক্ষায় জালিয়াতিতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এদিন ৫ ফেব্রুয়ারি ‘পাবলিক এক্সামিনেশন বিল ২০২৪’ (Public Examination Bill) পেশ করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    জিতেন্দ্র সিং এদিন বলেন, ‘‘এবার থেকে প্রশ্ন ফাঁস হলে অথবা ওএমআর শিট ফাঁস হলে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে যে সমস্ত প্রার্থীরা জড়িত থাকবে এবং যারা এই অসাধু পন্থা অবলম্বন করবে তাদের কঠিন সাজা হবে।’’ এর পাশাপাশি ভুয়ো ওয়েবসাইট খুলেও বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা চক্র কাজ করে। এবং সেখান থেকে আর্থিক দুর্নীতি সংঘটিত হয়। এই সমস্ত ওয়েবসাইটগুলি (Public Examination Bill) ভুয়ো পরীক্ষারও আয়োজন করে। যার মাধ্যমে প্রতারিত হন দেশের হাজার হাজার বেকার। এর বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে এই আইনে।

    চাকরির পরীক্ষায় স্বচ্ছতা আনাই লক্ষ্য কেন্দ্রীয় সরকারের

    জানা গিয়েছে, সরকারি চাকরির পরীক্ষায় দুর্নীতি হলে যে অথরিটি, পরীক্ষার ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকবে তাদেরকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত ফাইন করা হতে পারে। এই ধরনের দুর্নীতিতে যে এজেন্সি, অর্গানাইজেশন, অ্যাসোসিয়েশন জড়িত থাকবে তাদের প্রত্যেককে ফাইন করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই বিলকে পেশ করার উদ্দেশ্য হল, সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সমস্ত ধরনের স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং যেকোনও ধরনের চাকরির পরীক্ষা সম্পর্কে জনসাধারণের মনে বিশ্বাসকে অক্ষুন্ন রাখা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Subhranshu Roy: ‘কাজ নেই বলে পুরসভায় যাই না’, তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মুকুলপুত্র

    Subhranshu Roy: ‘কাজ নেই বলে পুরসভায় যাই না’, তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মুকুলপুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদাধিকার অনুযায়ী কাঁচরাপাড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তৃণমূলের এক সময়ের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু রায় (Subhranshu Roy)। বাড়ি থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে কাঁচরাপাড়া পুরসভা। অথচ তিনি সেই পুরসভাতেই আর যান না। কার্যত কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে মুকুলপুত্রকে। পুরসভায় কেন যান না, তার কারণ ব্যাখ্যা করলেন তিনি নিজেই।

    ঠিক কী বলেছেন শুভ্রাংশু? (Subhranshu Roy)

    শুভ্রাংশু (Subhranshu Roy) বলেন, আমি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান। আমাকে ট্রেড লাইসেন্স, অ্যাসেসমেন্ট দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই দফতরে বেশিরভাগই অনলাইনে কাজ হয়ে যায়। ফলে, পুরসভায় আমার কোনও কাজ নেই। পুরসভায় গিয়ে চুপচাপ বসে থাকতে হয়। এমনকী বিল্ডিং-এর অনুমোদনের দায়িত্ব রয়েছে আমার ওপর। তবে, সেটা দোতলা পর্যন্ত। তার ওপরে বিল্ডিং হলে তার দায়িত্ব চেয়ারম্যানের ওপরে রয়েছে। ফলে, এই দফতরে আমার বিশেষ কোনও কাজ নেই বললেই চলে। থাকল পড়ে বিজ্ঞাপনের দায়িত্ব। তবে, এই কাজ করতে গেলে চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে করতে হবে। সেখানেও আমার কোনও স্বাধীনতা নেই। অথচ পুরসভাকে আরও অনেক ভালোভাবে চালানো যেতে পারত। অনেক বেশি রাজস্ব আদায় করা যেত। কিন্তু, কোনও কিছুই করা হচ্ছে না। আর পুরসভায় গিয়ে ঠুঁটো হয়ে চুপচাপ বসে থাকতে আমি রাজি নই। আমি এসবের কোনও তোয়াক্কা করি না। আর কাজ নেই বলে পুরসভায় যাই না। বোর্ড মিটিংয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। জানা গিয়েছে, কাঁচরাপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান হচ্ছেন কমল অধিকারী। তিনি বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারীর ভাই।

    অর্জুনের পাশে দাঁড়িয়ে সোমনাথ-সুবোধকে তুলোধনা

    দিন দুয়েক আগে অর্জুন সিং-এর পাশে দাঁড়িয়ে শুভ্রাংশু (Subhranshu Roy) বীজপুরের তৃণমূল বিধায়ক সুবোধ অধিকারী এবং জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যামকে তুলোধনা করেছিলেন। দলের অনুমতি পেলে দুজনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে প্রস্তুত বলে তিনি জানিয়েছিলেন। আর অর্জুনের বিরুদ্ধে বারবার সোমনাথ শ্যাম মুখ খোলার প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন তিনি। কারণ, সাংসদ তৃণমূলের শীর্য নেতৃত্বের কথা মতো দলে এসেছেন। যা বলার তা দলের ভিতরে বলা উচিত। সবমিলিয়ে শুভ্রাংশু রায়ের এই কোণঠাসা নিয়ে বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পে আরও ২১০ কোটি টাকা বরাদ্দ, খুশি জেলাবাসী

    Balurghat: বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পে আরও ২১০ কোটি টাকা বরাদ্দ, খুশি জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের বাজেটে বালুরঘাট (Balurghat)-হিলি রেল প্রকল্পে আরও ২১০ কোটি টাকা মঞ্জুর করল রেলমন্ত্রক। জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ মূল্য বরাদ্দের পরেই চলতি বাজেট  বরাদ্দ দিয়ে লাইন পাতার কাজ করবে রেল। ওই অর্থ বরাদ্দের পরে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজে বরাত প্রক্রিয়া শুরু করতে তৎপর হয়েছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের নির্মাণ সংস্থা। তবে ওই প্রকল্পে ফের ২১০ কোটি টাকা বরাদ্দ হতেই উচ্ছ্বসিত সব মহল। বিশেষ করে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাসিন্দারা খুশি।

    এই প্রকল্পে মোট কত টাকা বরাদ্দ করল রেলমন্ত্রক (Balurghat)

    ২০১০ সাল বালুরঘাট (Balurghat)-হিলি রেল প্রকল্পের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরে ওই প্রকল্পের কাজ এগোচ্ছিল। কিন্তু ২০১৪ সাল থেকে জমিজটে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ থমকে যায়। মানুষের দীর্ঘদিনের আন্দোলন, হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ ও সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের উদ্যোগী হতেই ২০২২ সাল থেকে পুনরায় ওই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ওই প্রকল্প বাস্তবায়নে ৬৩৩ কোটি লক্ষমাত্রা ধার্য করে রেল। ২০২২-২৩ অর্থ বর্ষের বাজেটে ওই প্রকল্পে ২০ কোটি ১ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। ২০২৩-২৪ অর্থ বর্ষের বাজেটে ওই প্রকল্পে পুনরায় ১৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। যদিও ওই অর্থ বর্ষেই ওই প্রকল্পে অতিরিক্ত ৩১০ কোটি খরচ করে রেল। তারপরেই চলতি বছরের বাজেটে আরও ২১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল। এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পে ৫২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল।

    রাজ্য সরকারের সহযোগিতা দাবি

    এই প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ ও বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক কুমার লাহিড়ী বলেন, ‘এই বাজেটে বালুরঘাট-হিলি রেলের জন্য ২১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রেল। ২০১০ সালে এই প্রকল্পের খরচ ছিল ২৩৮ কোটি টাকা। কিন্তু এখন তা দ্বিগুণ হয়েছে। যুগের সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। আর্থসামাজিক কারণে দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকারকে সহযোগিতা করতে অনুরোধ করব।

    এই প্রকল্পে আরও টাকা দিতে প্রস্তুত রেল

    বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘ওই প্রকল্প বাস্তবায়নে অধিকাংশ টাকাই বরাদ্দ হয়ে গেল। রাজ্য সরকারকে দ্রুত জমি দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে অনুরোধ করছি। ওই প্রকল্পে টাকার কোনও খামতি নেই। আমি নিজে রেলমন্ত্রক থেকে টাকা আনার দ্বায়িত্ব নিয়েছি। আরও টাকা লাগলে রেল দিতে প্রস্তুত রয়েছে।‘

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    জেলা তৃণমূলের সহসভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, ‘এই বছরের জন্য বরাদ্দ হয়েছে কথাটি সঠিক নয়। ২০২৪-২৫ অর্থ বর্ষের জন্য ধার্য করা হয়েছে। সুকান্ত মজুমদার ও অশোক কুমার লাহিড়ী রাজনৈতিক কারণে কথাবার্তা বলছে। সামনে লোকসভা ভোটকে নজরে রেখে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এসব করা হচ্ছে। প্রচুর মানুষ টাকা পেয়েছেন। নথি যাচাইয়ের কাজ চলছে। উন্নয়নের কাজে রাজনৈতিক অভিপ্রায় অনভিপ্রেত।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share