Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sukanta Majumdar: ‘পুলিশ মন্ত্রী ঘুমোচ্ছেন, এবার লড়াইয়ে নামতে হবে’, হুঁশিয়ারি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘পুলিশ মন্ত্রী ঘুমোচ্ছেন, এবার লড়াইয়ে নামতে হবে’, হুঁশিয়ারি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার মহাত্মা গান্ধী রোড এলাকায়। পুলিশের সঙ্গে রাজ্য সভাপতি বচসায় জড়িয়ে পড়েন। পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    গত ২৪ তারিখ রাতে হাওড়া টিকিয়াপাড়া সংলগ্ন বেলিলিয়াস রোডে একটি গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। একটি মিছিল থেকে এলাকায় তাণ্ডব চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির অভিযোগ, কিছু ব্যানার-পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়। ঘটনায় বেশ কিছু স্থানীয় বাসিন্দা আহত হন বলে জানা যায়। কারও মাথা ফাটে, হাত ভাঙে। তারপর থেকেই এলাকায় চলছে ১৪৪ ধারা। ওইদিনের ঘটনায় আহতদের দেখতে শনিবার হাওড়ায় যান সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। কিন্তু, হাওড়ার মহাত্মা গান্ধী রোডে আটকে দেওয়া হয় সুকান্তকে। দু’টি স্তরের ব্যারিকেড টেনে পথ আটকায় পুলিশ। তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সুকান্ত। পুলিশের দাবি, এলাকায় ১৪৪ ধারা রয়েছে সে কারণেই কোনও জমায়েত করা যাবে না।

    পুলিশ মন্ত্রী তো ঘুমোচ্ছেন! লড়াইয়ে নামার ডাক দিলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত বলেন, “পুলিশ ১৪৪ ধারা তখনই লাগায় যখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তার মানে এই পুলিশ প্রশাসন স্বীকার করে নিচ্ছে যে ঘটনার পর ৭২ ঘণ্টা কেটে গেলেও আইন-শৃঙ্খলা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে নেই। সে কারণেই ১৪৪ ধারা। এটা নিজেরাই স্বীকার করছে। এই পুলিশ থেকে কী লাভ? পুলিশ সরে যাক না। দেখি তারপর কত বোমা-গুলি আছে। সেন্ট্রাল হাওড়াকে পাকিস্তান বানাতে দেব না।”ঘটনার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও কেনও কেউ গ্রেফতার হয়নি সেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিজেপি। সরাসরি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের বিরুদ্ধে তোপ দেগে সুকান্ত বলেন, “পুলিশ মন্ত্রী তো ঘুমোচ্ছেন। এবার আমাদের লড়াইয়ে নামতে হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: প্রজাতন্ত্র দিবসে সোশ্যাল মিডিয়াতে শুভেচ্ছাবার্তা শাহজাহানের! কী করছে পুলিশ?

    Sheikh Shahjahan: প্রজাতন্ত্র দিবসে সোশ্যাল মিডিয়াতে শুভেচ্ছাবার্তা শাহজাহানের! কী করছে পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হামলা চালানোর ১৯ দিনের মাথায় ফের ইডি সন্দেশখালিতে হানা দিয়েছিল। ১৯ খানা তালা ভেঙে তৃণমূলের বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে ঢুকেছিলেন ইডি আধিকারিকরা। শাহজাহান ও তাঁর বাড়ির লোকজন কারও কোনও হদিশ মেলেনি। তাঁর অনুগামীরাও উধাও। সেই বেপাত্তা শাহজাহান ফের সক্রিয় সমাজ মাধ্যমে। সাধারণতন্ত্র দিবসে সমাজ মাধ্যমে দলীয় কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সন্দেশখালির দাপুটে এই তৃণমূল নেতা।

    সোশ্যাল মিডিয়াতে শুভেচ্ছা বার্তা দেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)

    পুলিশ প্রশাসনের দাবি, তারা শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) হন্যে হয়ে খুঁজছে। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় থাকার পরও পুলিশ তার নাগাল পাচ্ছে না। ফেরার তৃণমূল নেতা কোথায়, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। অন্তরালে থেকে শেখ শাহজাহান ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানান। শুধু তাই নয় ফেসবুকের প্রোফাইল পিকচারও বদল করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি সচল রাখার জন্য ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তাঁর অনুগামীরা চালিয়ে যাচ্ছেন? না অন্য কেউ ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছেন? আর তৃণমূল নেতা যদি নিজেই এসব করে থাকেন, তাহলে পুলিশ তাঁর গতিবিধির হদিশ পাচ্ছে না কেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান কোথায় তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জোর চর্চা চলছে। এরমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর শুভেচ্ছা বার্তা নিয়ে ফের সরগরম বঙ্গের রাজনীতি।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    সন্দেশখালি কাণ্ডের পর তৃণমূল নেতাকে কেন এখনও গ্রেফতার করতে পারল না পুলিশ, সরব বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এর আগে বলেছিলেন, শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) কোথায় আছে তা পুলিশ জানে। তাই, পুলিশ তাঁকে ধরছে না। শুক্রবার বসিরহাটের হাসনাবাদ ব্লকে মিছিল করেন। সেখানে শাহজাহান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শাহজাহান গর্তে ঢুকে আছেন।” তবে, পুলিশের ভুমিকা নিয়ে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: জাতীয় পতাকা তোলা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কোন্দল প্রকাশ্যে

    Asansol: জাতীয় পতাকা তোলা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণতন্ত্র দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল। ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোল (Asansol) দক্ষিণের ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডে ফতেপুর গ্রামে। পুলিশের নির্দেশে অনুষ্ঠান সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?(Asansol)

    আসানসোল (Asansol) পুরসভার ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডে ফতেপুর গ্রামের ষোলোআনা কমিটি নামে স্থানীয় কমিটির উদ্যোগে সাধারণতন্ত্র দিবস পালন করা হয়। এই কমিটির কর্মকর্তারা সকলেই তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক। আর এই কমিটিকে না জানিয়ে গ্রামের একটি অংশ সাধারণতন্ত্র দিবস পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। তারাও তৃণমূল সমর্থক। তারা কম্বল বিলির সিদ্ধান্ত নেয়। আর এই অনুষ্ঠানের অতিথি হিসেবে পাশের ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা বর্তমান তৃণমূল কাউন্সিলর সঞ্জয় নুনিয়ার বাবা রোহিত নুনিয়াকে। অথচ ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমিত মাঝিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। রোহিতবাবুর বিরুদ্ধে পাশের ওয়ার্ডে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ রয়েছে। এই দাবিতে ফতেপুর গ্রামের একটি অংশ এর আগে আন্দোলনও করেছিলেন। তাঁকে গ্রামে আমন্ত্রণ জানানোই তৃণমূলের অন্যপক্ষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। উত্তেজনার খবরের আঁচ আগেই পেয়েছিল পুলিশ। তাই এই অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু রোহিত দলবল নিয়ে সকালে ঢুকে পড়ে গ্রামে। আর তখনই উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলে আসানসোল দক্ষিণ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছয়। গ্রামের এক পক্ষের অভিযোগ স্থানীয় কাউন্সিলরকে আমন্ত্রণ না জানিয়ে রোহিত নুনিয়াকে কেন আমন্ত্রণ করা হল? সেই নিয়ে বিবাদ শুরু হয়। পরে দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক ঝামেলা হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে যে জায়গায় অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল সেখান থেকে পতাকা স্তম্ভ তুলে নিয়ে যাওয়া হয় অন্য একটি জায়গায়।  সেখানে পতাকা উত্তোলন করেন রোহিত নুনিয়া। কম্বল বিলি হয় গ্রামের বাইরে।

    স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর কী বললেন?

    স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সুমিত মাঝি বলেন, রোহিত নুনিয়া একজন তোলাবাজ, জমি মাফিয়া। জোর করে জমি কেড়ে নেওয়ার তাঁর কাজ। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রামের ষোলোআনা কমিটি। দলের উচ্চ নেতৃত্বকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি কী বললেন?

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, কোনও গোষ্ঠীকোন্দল নেই। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর স্থানীয় কাউন্সিলর খুব ভাল ছেলে। প্রয়োজনে এই বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলে নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: খাদ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নিজের দফতরের দুর্নীতির কথা ভালোভাবে জানতেন বালু, দাবি ইডির

    Ration Scam: খাদ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নিজের দফতরের দুর্নীতির কথা ভালোভাবে জানতেন বালু, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) এসএসকেএম থেকে দিন কয়েক আগেই জেলে ফিরেছেন রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এরই মধ্যে ইডির পেশ করা রিপোর্টে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সূত্রমারফত জানা গিয়েছে, আদালতে পেশ করা রিপোর্টে ইডি দাবি করেছে, খাদ্যমন্ত্রী থাকাকালীন নিজের দফতরের রেশন বণ্টনের দুর্নীতির কথা ভালোভাবে জানতেন বালু।

    চুরির কথা জানতেন বালু, তা ধামাচাপা দেওয়ারও চেষ্টাও করেন তিনি

    ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে চালকল, গমকল মালিক থেকে শুরু করে ডিলার ডিস্ট্রিবিউটরের একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে রেশন চুরির। এবিষয়ে এফআইআর দায়ের হওয়া, সিআইডি তদন্ত এই সব কিছুই বিষয়েই অবহিত ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় এবং তা তিনি গত ৩১ অক্টোবর জেরায় স্বীকার করেছেন। কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রহণ করেননি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আরও দাবি, তদন্ত ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন মন্ত্রী। প্রসঙ্গত, এটাই নতুন নয় এর আগেও ইডি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Ration Scam) নির্দেশে টাকা তুলতেন তাঁর প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক।

    গত বছরের ২৬ অক্টোবর গ্রেফতার হন বালু

    রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে তাঁর বাড়িতে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর গত ২৬ অক্টোবর দুর্গাপুজোর পরেই গ্রেফতার করা হয়েছিল রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। সম্প্রতি রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। এবং সেখানে কয়েকশো কোটি টাকা দুর্নীতির কথা উল্লেখ করা হলেও ইডি এখন জানাচ্ছে যে দুর্নীতির পরিমাণ হাজার কোটি। এক দশক ধরে এই দুর্নীতি চলছে বলেও তদন্তকারী অফিসারদের দাবি। বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘একা জ্যোতিপ্রিয় এই বিরাট বড় স্ক্যামটার সঙ্গে যুক্ত ছিল, একথাটা আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না। এই চক্রের সঙ্গে পুরো তৃণমূলই জড়িত। আসলে দল এবং প্রধান মাথাদের বাঁচাতেই তদন্তকারীদের কাছে এমন কৌশলী মন্তব্য করেছেন।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘আমি গর্বিত, সবাইকে ধন্যবাদ’’, পদ্মভূষণ পেয়ে আপ্লুত মিঠুন চক্রবর্তী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টে দুই বিচারপতির বেনজির সংঘাত, বিশেষ বেঞ্চ গঠন শীর্ষ আদালতের

    Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টে দুই বিচারপতির বেনজির সংঘাত, বিশেষ বেঞ্চ গঠন শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দুই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং বিচারপতি সৌমেন সেনের সংঘাত নিয়ে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের ওই বিশেষ বেঞ্চ শনিবার অর্থাৎ আজই শুনানি করবে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, মোট পাঁচ বিচারপতিকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ওই বিশেষ বেঞ্চ। শনিবার আদালত ছুটি রয়েছে, তবুও ওই দিনেই বসবে বিশেষ বেঞ্চ। আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুনানি শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে।

    সংঘাতের কারণ কী 

    মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির বিষয়ে অনিয়ম সামনে আসতেই, মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি (Calcutta High Court) গঙ্গোপাধ্যায়। কিন্তু বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ সেই নির্দেশের উপর প্রথমে স্থগিতাদেশ দেয়। পরে সিবিআইয়ের দায়ের করা এফআইআর-ও খারিজ করে দেয় বিচারপতি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। এর পরেই ডিভিশন বেঞ্চের এই নির্দেশ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা কার্যকর হবে না বলে তখন জানিয়ে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্য়ায়। অর্থাৎ, এই মামলায় সিবিআইকে তিনি তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে বলেন। এখানেই শুরু দয় সংঘাত।

    পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দুই বিচারপতির সংঘাতের ঘটনায় শনিবার আদালত ছুটির দিনেও বসবে পাঁচ বিচারপতির বিশেষ বেঞ্চ। তাতে থাকবেন, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি সঞ্জীব খন্না, বিচারপতি বিআর গাভাই, বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় এই মামলার শুনানি।

    রাজনৈতিক নেতার মতো আচরণ করছেন বিচারপতি সেন, অভিযোগ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর নির্দেশনামায় জানিয়েছিলেন, বড়দিনের ছুটির আগে বিচারপতি সেন তাঁর চেম্বারে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে ডেকে পাঠান। সেখানে বিচারপতি সেন বলেন, প্রথমত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ রয়েছে। তাঁকে বিরক্ত করা চলবে না। দ্বিতীয়ত, অমৃত সিংহের এজলাসের ‘লাইভ স্ট্রিমিং’ বন্ধ করতে হবে। তৃতীয়ত, নিয়োগ দুর্নীতির দু’টি মামলা খারিজ করতে হবে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মতে, বিচারপতি সেন ব্যক্তিগত স্বার্থে ওই সব নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবারও বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বিচারপতির সেন স্পষ্টতই একটি রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছেন। ওই মামলায় রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত থাকা ব্যক্তির মতো আচরণ করছেন বিচারপতি সেন। তিনি কয়েক জন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। তাই সুপ্রিম কোর্টের উচিত তাঁর (বিচারপতি সেনের) সমস্ত নির্দেশ খারিজ করা।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শনিবার ২৭/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শনিবার ২৭/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) নিজের অজান্তেই এমন কিছু কাজ করবেন, যাতে সকলের প্রীতি সম্ভব হবে।

    ২) বন্ধুরা আপনাকে ঠকাতে পারেন।

    বৃষ

    ১) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে।

    ২) ভ্রমণের ব্যাপারে বাড়িতে আলোচনা হতে পারে। 

    মিথুন

    ১) বন্ধুদের জন্য অশান্তি বাধতে পারে।

    ২) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা। 

    কর্কট

    ১) অশান্তি থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে। 

    সিংহ

    ১) ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে। 

    কন্যা

    ১) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

    ২) ব্যবসায় সমস্যার পরিমাণ বাড়তে পারে। 

    তুলা

    ১) দাম্পত্য জীবনে অশান্তির সময়।

    ২) স্ত্রীর জন্য মায়ের সঙ্গে বিবাদ ও মনঃকষ্ট। 

    বৃশ্চিক

    ১) অর্শের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে। 

    ধনু

    ১) ব্যবসায় অশান্তি হতে পারে।

    ২) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    মকর

    ১) শারীরিক কারণে ব্যবসায় সময় দিতে পারবেন না।

    ২) স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভাল থাকবে।

    কুম্ভ

    ১) চিকিৎসার জন্য খরচ নিয়ে চিন্তা।

    ২) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে। 

    মীন

    ১) স্ত্রীর কথায় বিশেষ ভাবে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

    ২) খেলাধুলায় নাম করার ভাল সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indo–Myanmar Border: পাকিস্তান, বাংলাদেশের পরে মায়ানমার সীমান্তে বসছে কাঁটাতারের বেড়া

    Indo–Myanmar Border: পাকিস্তান, বাংলাদেশের পরে মায়ানমার সীমান্তে বসছে কাঁটাতারের বেড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণা মতো এবার বেড়া বসছে ভারত মায়ানমার সীমান্তে (Indo–Myanmar Border)। প্রসঙ্গত, এতদিন পর্যন্ত এই সীমান্তে কোনও বেড়া ছিল না। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ বর্ডারেই ছিল বেড়া। জানা গিয়েছে, উত্তর-পূর্ব ভারতের জঙ্গল ঘেরা মায়ানমারের দুর্গম সীমান্তে বেড়া দেওয়ার কাজের বরাত দেওয়া হয়েছে একটি রাষ্ট্রের সংস্থাকে। যার নাম, ‘বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন’। ভারতবর্ষের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বেশিরভাগ সড়ক এবং পরিকাঠামো নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে এই সংস্থা। সাধারণভাবে ভারতীয় সেনার এক উচ্চ পদস্থ আধিকারিককে ‘বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন’- এর দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    গত সপ্তাহেই ইঙ্গিত দেন অমিত শাহ 

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে উত্তর-পূর্ব সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অসমের তেজপুরে সভায় তিনি জানিয়েছিলেন, মায়ানমার সীমান্তকে কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা হবে। আবার গুয়াহাটিতে অসম পুলিশের একটি কর্মসূচিতে অমিত শাহ নিজের বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশ সীমান্তের (Indo–Myanmar Border) মতোই মায়ানমার সীমান্তকে সুরক্ষিত করা হবে।” একই সঙ্গে তিনি বলেন, “অসমের সমস্ত বন্ধুকে জানাতে চাই, নরেন্দ্র মোদীর সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মায়ানমার সীমান্ত ধরে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হবে।”

    মায়ানমারের অনুপ্রবেশ কেন্দ্রের কাছে চিন্তার বিষয়

    জানা গিয়েছে, মায়ানমারে বর্তমানে যে সামরিক জুন্টা সরকার চলছে, সেই সরকারের সঙ্গে তিন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সংঘর্ষ চলছে। শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ। এর ফলে অসংখ্য শরণার্থী মিজোরামে আশ্রয় নিয়েছেন। এটাই কেন্দ্রের কাছে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, মায়ানমার সীমান্তের (Indo–Myanmar Border) কয়েকটি এলাকায় ইতিমধ্যে বেড়া বসানোর কাজ শুরুও হয়ে গিয়েছে। মণিপুরের দশ কিলোমিটার সীমান্তে বেড়া বসানোর কাজ প্রায় শেষের দিকে চলছে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত ভারতের সঙ্গে মায়ানমারের স্থল সীমান্ত রয়েছে ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার। মায়ানমারের সীমান্তে (Indo–Myanmar Border) ভারতের রাজ্যগুলি হল নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ এবং মণিপুর।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Smriti Irani: “রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই”, হাওড়ায় তোপ স্মৃতি ইরানির

    Smriti Irani: “রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই”, হাওড়ায় তোপ স্মৃতি ইরানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান রামের বিজয় হল অধর্ম ও অসত্যের বিনাশের সংকেত। যিনি রামচন্দ্রের অপমান করছেন, অধর্মের সাথ দিচ্ছেন, অসত্যের পথে হাঁটছেন, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশাসন কতদিন চলে দেখব। বৃহস্পতিবার হাওড়ায় সাংগঠনিক  বৈঠকে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি জুবিন ইরানি। মধ্য হাওড়ার সতেরো নম্বর ওয়ার্ডের অশান্তির ঘটনার জন্য কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Smriti Irani)। তিনি বলেন, অযোধ্যায় রামলালার মূর্তি স্থাপন নিয়ে যখন আনন্দ-সমারোহ হচ্ছিল, তখন হাওড়ায় এই ওয়ার্ডে শিব মন্দিরে পাথর ছোড়া হয়। রাম ভক্তদের ওপর হামলা হয়। রামের ছবি ছেঁড়া হয়। যে গুন্ডারা এই কাজ করেছে, তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্রয় পায়।

    এটা কি মুখ্যমন্ত্রীর লোকতন্ত্র? প্রশ্ন স্মৃতি ইরানির (Smriti Irani)

    সনাতন ধর্মে ইন্ডি জোট ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থা নেই, রয়েছে বিদ্বেষ। হামলার সময় পুলিশ ছিল না। কিন্তু জাতীয় ভোটার দিবসে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবার সময় পুলিশ টিভি বন্ধ করতে হাজির হয়। এটা কি মুখ্যমন্ত্রীর লোকতন্ত্র? প্রশ্ন তোলেন স্মৃতি ইরানি। তিনি আরও বলেন, যেখানে যেখানে ইন্ডি জোটের নেতারা আছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছে, সেখানে রামচন্দ্রের প্রতি অপমান আছে, এটা পরিষ্কার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই। পুলিশ চুপচাপ তামাশা দেখেছে। কেন নরেন্দ্র মোদির প্রতি রাগ, কেন ভগবান রামের প্রতি অপমান-এর জবাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিতে হবে। এদিন ডুমুরজলার সাংগঠনিক বৈঠকে এসে টিকিয়াপাড়ার ঝামেলায় আক্রান্তদের সাথে কথা বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাদের পাশে থাকার ভরসা দেন। তাঁর (Smriti Irani) আশ্বাসে খুশি আক্রান্তরা।

    অযোধ্যা বিশ্বাসস্থল (Smriti Irani)

    স্মৃতি ইরানি বলেন, মন্দিরে প্রাণপ্রতিষ্ঠার ঠিক আগে প্রধানমন্ত্রী শিখদের উৎসব উদযাপন করছিলেন। আমিও মদিনায় গিয়েছিলাম। অনেক অহিন্দু প্রাণপ্রতিষ্ঠা উৎসবে শামিল হয়েছিলেন। পার্সিদের প্রধান পুরোহিতও অযোধ্যায় ছিলেন। কিন্তু সনিয়া গান্ধী গেলেন না। স্মৃতি (Smriti Irani) বলেন, অযোধ্যা বিশ্বাসস্থল। ভারতীয় হিন্দুরা ১৮৮০র দশক থেকে এই নিয়ে লড়াই করেছেন। ঈশ্বরের ইচ্ছায় এই ভাবে রামমন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল। রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে সব হিন্দুই সুযোগ পেলে অযোধ্যা যেতেন। আস্থার এই জায়গাটিই কেউ কেউ বোঝেন না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dacoits: রানাঘাট সেনকো গোল্ডে ডাকাতি, চার দুষ্কৃতীর যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা

    Dacoits: রানাঘাট সেনকো গোল্ডে ডাকাতি, চার দুষ্কৃতীর যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনে দুপুরে নদিয়া রানাঘাটে সেনকো গোল্ড এর শোরুমে ভয়াবহ ডাকাতির (Dacoits) ঘটনার দুই মাস পর অভিযুক্তদের সাজা ঘোষণা করল আদালত। বৃহস্পতিবার রানাঘাট মহকুমা আদালতের বিচারপতি চার অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেন। অনাদায়ে আরও একমাস কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Dacoits)

    আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই মাস আগে বিকাল তিনটে নাগাদ কয়েকজনের ডাকাত (Dacoits) আচমকা সেনকো গোল্ড এর শোরুমে হানা দেয়। রিভলভার দেখিয়ে লুটপাট করতে থাকে গয়না। কিছুক্ষণের পরেই খবর পৌঁছায় রানাঘাট থানায়। রানাঘাট থানার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপরই শুরু হয় প্রকাশ্যে ওই দুষ্কৃতীদের সঙ্গে গুলির লড়াই। দিনের বেলায় দুষ্কৃতীদের সঙ্গে পুলিশের গুলি বিনিময়ের দৃশ্য সংবাদ মাধ্যমের সৌজন্যে দেখেছিলেন রাজ্যবাসী। পুলিশের গুলিতে জখম হয় এক দুষ্কৃতী। বাকিরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়। সোনার দোকান থেকে কয়েক কোটি টাকার গয়না হাতিয়ে নিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, এরপরই পুলিশ জখম ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরবর্তীকালে পুলিশ তদন্তে নেমে আরও চারজনকে গ্রেফতার করে। তাদেরকে প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, তারা ভিন রাজ্যের বাসিন্দা। অভিযুক্তদের নাম নন্দন কুমার যাদব, রাজকুমার পাশওয়ান, ছোট্ট পাশওয়ান এবং রিক্কি পাসওয়ান। দীর্ঘ দুই মাস ধরে বিচার চলতে থাকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। ২৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়। এই ঘটনায় বুধবার বিচারপতি অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করেন। বৃহস্পতিবার আদালতের বিচারক ওই চার অভিযুক্তের সাজা ঘোষণা করেন।

    আসামীপক্ষের আইনজীবী কী বললেন?

    এ বিষয়ে আসামীপক্ষের আইনজীবী বাসুদেব মুখোপাধ্যায় বলেন, এর আগে আমরা দেখেছিলাম চার্জশিটে মৃত ব্যক্তির নাম দেওয়া হয়েছিল। আমরা বেশকিছু বিষয় নিয়ে আসামীর হয়ে আদালতে প্রশ্ন করেছিলাম। কিন্তু, এদিন আদালত তাদের বিরুদ্ধে এই সাজা ঘোষণা করেছে। আগামী দিনে আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে যাব কিনা সেটা পরবর্তীকালে আসামীপক্ষের সঙ্গে কথা বলেই সিদ্ধান্ত নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: মমতার নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! অনুব্রত-কাজল অনুগামীদের সংঘর্ষ

    Anubrata Mondal: মমতার নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! অনুব্রত-কাজল অনুগামীদের সংঘর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমের জেলা নেতৃত্বকে জেলায় অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ও তাঁর অনুগামীদের গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এমনকী জেল থেকে বীরভূমে ফিরলে সব দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়। ফলে, অনুব্রত অনুগামীদের দলে গুরুত্ব পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, তৃণমূল সুপ্রিমোর নির্দেশই সার। দলীয় সুপ্রিমোর নির্দেশকে অমান্য করার অভিযোগ উঠেছে। বীরভূম জেলার কোর কমিটির ঘোষণা হতেই ফের তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে উঠল অনুব্রতের খাসতালুক। অনুব্রত গোষ্ঠী ও কাজল গোষ্ঠী একে অপরের বিরুদ্ধে পালটা আক্রমণের অভিযোগ তুলছে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বোলপুরের নাহিনা গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?(Anubrata Mondal)

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) গোষ্ঠীর চার তৃণমূল কর্মী বোলপুরে খেলা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, গ্রামে ঢোকার পথেই কাজল গোষ্ঠীর লোকজন তাঁদের উপর চড়াও হয়। যদিও কাজল শেখ গোষ্ঠীর সদস্যদেরও একই অভিযোগ। বোমা, গুলি নিয়ে হামলা করা হয়েছে বলেই দাবি দুপক্ষের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। দুপক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বেশ কয়েকজনের মাথা ফেটেছে ও পা ভেঙেছে। সাতজনেরও বেশি বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বোলপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    নতুন কোর কমিটি গঠনের পরই কোন্দল প্রকাশ্যে

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবারই বীরভূমের ৯ সদস্যের কোর কমিটি ভেঙে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদলে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন হয়। কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন অনুব্রত (Anubrata Mondal) বিরোধী হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ। নানুরের দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হয়েছে। দলের তরফে জানানো হয়েছে, তৃণমূলের জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ স্বাভাবিক নিয়মে পদাধিকার বলেই বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির আমন্ত্রিত সদস্য। তবে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ দেওয়ার পরই ফের কাজল-অনুব্রত অনুগামীদের দ্বন্দ্বে শাসক দলের ঐক্যে ফাটল দেখা দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে কাজল শেখ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share