Tag: Madhyom

Madhyom

  • Sheikh Shahjahan: জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে সরানো হল শাহজাহানকে

    Sheikh Shahjahan: জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে সরানো হল শাহজাহানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) ও তাঁর বাহিনী ইডি আধিকারিকের ওপর হামলা করে নিজের দাপট দেখিয়েছেন। আগে অপকর্ম করেই কিছুদিন গা ঢাকা দিয়ে ফের স্বমহিমায় দলে ক্ষমতা দেখাতেন। সেই পুরানো ছকে ঘটনার পর থেকে উধাও হয়ে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু, তাঁর এই কুকর্মের জন্য শাসক দল চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে। তাই, এবার আর পিঠ চাপড়ে বাহবা না দিয়ে দল তাঁকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে। তারই প্রতিফলন হল, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষর পদ থেকে শাহজাহানকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল। সূত্রের খবর, শাহজাহানের পরিবর্তে এখন থেকে ওই পদ সামলাবেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী। তবে, কি শাহজাহানের ডানা ছাঁটা শুরু করল দল? এমন গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে।

    জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে সরানো হল শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)

    ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে সন্দেশখালি থেকে তৃণমূলকে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিল শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) বাহিনী। ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পর পরই তিনজন বিজেপি কর্মীকে গুলি করে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। বিজেপি কর্মীদের পরিবারের লোকজন থানায় অভিযোগ করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশে গা ঢাকা দিয়েছিলেন কিছুদিনের জন্য। পরে, মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে একই মঞ্চে তাঁকে দেখা গিয়েছিল। মাথায় মন্ত্রীর হাত থাকায় পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করার সাহস দেখায়নি। তিনি শুধু আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। বিজেপি কর্মীদের খুন করার পুরস্কার হিসেবে পঞ্চায়েত সদস্য থেকে জেলা পরিষদের টিকিট পান। আর বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এবার ইডি কাণ্ডে দলের মুখ পুড়িয়েছেন শাহজাহান। তাই দলও তাঁর পাশ থেকে সরে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল।

    পরিবারের লোকজনকে জেরা করা হতে পারে!

    বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) ছবি দিয়ে ইতিমধ্যে বিএসএফকে সতর্ক করেছে ইডি। শাহজাহান পালিয়ে গেলেও তাঁর বাড়িতে ফের তল্লাশি অভিযান চালানোরও প্রস্তুতি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। শাহজাহানের খোঁজ পেতে তাঁর পরিবারের লোকজনকেও জেরা করা হতে পারে। তবে তার আগে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আধা সামরিক বাহিনীর কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন ইডি কর্তারা। হতে পারে এরপর থেকে আরও বড় বাহিনী নিয়ে তল্লাশি চালানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: বাবরি মসজিদের আইনজীবী ইকবালও বাড়িতে বসে বললেন, “রাম আমাদের সকলের’’

    Ram Mandir: বাবরি মসজিদের আইনজীবী ইকবালও বাড়িতে বসে বললেন, “রাম আমাদের সকলের’’

    রামনগরী অযোধ্যা-সাত

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা থেকে ফিরে: ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে উৎসবের মেজাজে দেখছিলাম অযোধ্যাকে (Ram Mandir)। বাড়ির দেওয়াল থেকে দোকানের দরজা, সর্বত্র লেখা জয় শ্রীরাম। তরুণ প্রজন্ম স্মার্ট ফোনের গেম ভুলে মেতেছে রামের নামে। সকাল সন্ধ্যা কপালে তিলক এঁকে ঘুরছে তারা। কর্মযজ্ঞের অযোধ্যাকে পর্যবেক্ষণ করতে ভাড়া করলাম টোটো। গেলাম স্টেশন এবং এয়ারপোর্টে। সেখানেও তুঙ্গে ব্যস্ততা। রাম রাজ্যে রাম ফিরবেন। ব্যস্ততা তো স্বাভাবিক। নতুনভাবে সেজে উঠছে অযোধ্যা। মন্দির উদ্বোধন হলে ৩ লাখ ভক্তের পা পড়বে প্রতিদিন। বেশিরভাগ ভিড়ই সামাল দিতে হবে স্টেশন এবং বিমানবন্দরকে। তাই সাজো সাজো রব। স্টেশন দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটা রেলওয়ে প্ল্যাটফর্ম। দেখে মনে হচ্ছিল এ যেন আস্ত একটা বিশ্বমানের বিমানবন্দর। আধিকারিকরা বললেন, প্রতিদিন ৬০ হাজার মানুষ গড়ে যাতায়াত করতে পারবেন অযোধ্যা স্টেশনের মাধ্যমে। বিমানবন্দরে গিয়ে দেখলাম সেখানেও একই চিত্র। আমরা যখন গিয়েছিলান তখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেননি। হোটেলে ফেরার পথে টোটো চালক বললেন, সামনেই বাবরি মসজিদের আইনজীবী থাকেন, যাবেন সেখানে? আমরা উত্তর দিলাম, অবশ্যই। রাস্তার ধারে টোটো দাঁড়াল। আঙুল দিয়ে টোটো চালক দেখিয়ে দিলেন ইকবাল আনসারির বাড়ি।

    ইকবাল আনসারির বাড়িতে

    রামপথের (Ram Mandir) ঠিক বাঁদিকে যেখানে রাস্তা ভেঙে গিয়েছে, সেখানেই পড়ছে ইকবাল আনসারির বাড়ি। বাড়ির সামনে বেশ কয়েকটি গাড়ি মেরামতির দোকান। জানা গেল এগুলি তাঁরই (ইকবাল আনসারির)। বাড়ির অদূরে বর্জ্য পদার্থ ফেলার জায়গা। আমরা পৌঁছাতেই দেখলাম ইকবাল আনসারির বসার চেম্বারে সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের ভিড়। বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে মিডিয়ার গাড়ি। উত্তরপ্রদেশের স্থানীয় একটি ইউটিউব চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন ইকবাল। বয়স প্রায় ষাট ছুঁইছুঁই। শরীরে মেদ নেই বললেই চলে। মাঝারি উচ্চতার ইকবাল আনসারি স্বাগত জানালেন আমাদের। আলাপচারিতায় জানলেন, আমরা কোথা থেকে এসেছি। প্রসঙ্গত, ইকবাল আনসারির বাবা ছিলেন হাসিম আনসারি। যিনি বাবরি মসজিদের আইনজীবী ছিলেন প্রথম থেকেই। মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন থাকার সময়ই মৃত্যু হয় হাসিম আনসারির। তার পর থেকেই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ইকবাল। সাক্ষাৎকার শুরুর প্রথমেই জিজ্ঞেস করলাম ‘‘শরীর কেমন রয়েছে?’’ স্মিত হেসে উত্তর দিলেন, কোনও অসুবিধা নেই। এবার আসল প্রসঙ্গে ঢুকলাম। রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হচ্ছে কেমন লাগছে? ইকবাল আনসারি জবাব দিলেন, ‘‘রামের মন্দির তৈরি হওয়াতে অযোধ্যার মুসলিম সমাজের মতো আমিও খুশি। রাম আমাদের সকলের।”

    সকল ধর্মের মেলবন্ধন ঘটাচ্ছেন রামচন্দ্র

    এরপরেই তিনি নিজের মোবাইল বের করে দেখাতে থাকলেন, হিন্দুধর্মের বিভিন্ন উৎসবে তাঁর সামিল হওয়ার চিত্র। তাঁর সাক্ষাৎকারের সময় প্রশ্ন করেছিলাম, উদ্বোধনের দিন আমন্ত্রণ পেলে যাবেন? জানালেন, নিশ্চিত যাব। (প্রসঙ্গত জানুয়ারির প্রথমেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা-কর্মীরা ইকবাল আনসারির বাড়ি গিয়ে দিয়ে এসেছেন আমন্ত্রণপত্র)। অযোধ্যার হিন্দু মুসলিম সম্প্রীতির কথাও শোনা গেল ষাট ছুঁইছুঁই ইকবালের মুখে। পরবর্তীকালে সংবাদমাধ্যমের সুবাদে জেনেছি, অযোধ্যার বিমান বন্দরের উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপরে ফুলও ছোড়েন তিনি। এবার রাম মন্দিরের উদ্বোধনে সামিল হবেন ইকবাল। রামের ঘরে ফেরা সত্যই তাৎপর্যপূর্ণ। জাতি-ধর্ম-বর্ণের মেলবন্ধন ঘটাচ্ছে রাম মন্দির (Ram Mandir)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বালু ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে হবে! সিদ্ধান্ত তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে

    North 24 Parganas: বালু ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে হবে! সিদ্ধান্ত তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকহীন জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর গড়ে দেওয়া তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠক হল সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মধ্যমগ্রামের দলীয় কার্যালয়ে। সন্দেশখালি, বনগাঁর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হলেও কোর কমিটির কেউই এদিন তা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাননি। পাশাপাশি লোকসভা  নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে দলের কর্মীদের আরও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপরেই এদিন জোর দিয়েছেন দলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়।

    প্রথম বৈঠকে গরহাজির জেলার একাধিক শীর্ষ নেতা (North 24 Parganas)

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) চাকলায় দলের কর্মীদের নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংগঠনিক বৈঠকের পর মধ্যমগ্রামের দলীয় কার্যালয়ে প্রথম কোর কমিটির বৈঠক হল সোমবার। আগের বৈঠকে সোমনাথ শ্যামের আসার পরেই বৈঠক থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন অর্জুন সিং। ভাটপাড়ার তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনের পর সংঘাত শুরু হয়েছিল সাংসদ ও বিধায়কের মধ্যে। দু’জনের এই দ্বন্দ্ব অনেকদূর গড়িয়েছিল। দ্বন্দ্ব মেটাতে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতিকেও আসতে হয়েছিল নৈহাটিতে। সেই বৈঠকও শেষ পর্যন্ত হয়নি। এদিনের বৈঠকে অবশ্য অর্জুন-সোমনাথ দু’জনেই সভা শেষ হওয়া পর্যন্ত ছিলেন। এদিনের বৈঠকে সৌগত রায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, নির্মল ঘোষ, ব্রাত্য বসু, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অর্জুন সিং, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাতো-সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু, খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী, বিশ্বজিৎ দাস, সুজিত বসু, তাপস রায়ের মতো জেলার শীর্ষ নেতারা গরহাজির ছিলেন।

    বালু ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরির নির্দেশ

    দু’ঘণ্টার বৈঠকে কীভাবে এই জেলার কোর কমিটি আরও সফলভাবে কাজ করতে পারে, দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনায় ১৬ জন সদস্য বক্তব্য রেখেছেন। এ-নিয়ে দু’টি প্রস্তাব উঠে এসেছে। একটা হল, চার সাংগঠনিক জেলার সকলকে নিয়ে কনফারেন্স করতে হবে। অন্যটি হল, লোকসভার আগে বিজেপি শাসিত রাজ্যে দুর্নীতি বেশি করে দলের কর্মীদের তুলে ধরতে হবে সাধারণ মানুষের কাছে। সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে কোর কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের অনুপস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বনগাঁর শংকর আঢ্য, সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানের মতো জেলায় বালু ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে দলের দূরত্ব তৈরি করতে হবে বলেও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

    বৈঠক নিয়ে কী বললেন সাংসদ?

    সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘গোটা ভারতে বিজেপি শাসিত রাজ্যের দুর্নীতি মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য কর্মীদের বলা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘ভোটার তালিকা থেকে বহু প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য বিজেপি প্রশাসনের ওপর চাপ তৈরি করছে। এটা আমাদের কাছে চিন্তার। আমরা প্রশাসনকে বলেছি, পুরো বিচার না করে কোনও ভোটারের নাম তালিকা থেকে যেন বাদ না যায়।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Medical College: দুর্নীতির আখড়া আর জি কর হাসপাতাল! হাইকোর্টে মামলা সুকান্তর

    RG Kar Medical College: দুর্নীতির আখড়া আর জি কর হাসপাতাল! হাইকোর্টে মামলা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ এবং রেশন দুর্নীতির অভিযোগ আগেই উঠেছে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। প্রভাবশালী মন্ত্রীরা গ্রেফতারও হয়েছেন এই মামলাগুলিতে। বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন বিষয়গুলি। এবার স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়েও বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ তুলল রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। কলকাতার সরকারি হাসপাতাল আর জি করের (RG Kar Medical College) পরিষেবা নিয়ে মামলা দায়ের হল হাইকোর্টে। সোমবার এই মর্মে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। আগামী সপ্তাহে মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে। 

    কেন এই মামলা দায়ের করলেন সুকান্ত মজুমদার?

    বালুরঘাটের সাংসদের অভিযোগ, কলকাতার অন্যতম সরকারি হাসপাতাল আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ (RG Kar Medical College) দুর্নীতির আঁতুরঘর হয়ে উঠেছে। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার উদাহরণ হিসেবে টেনে আনেন আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষের নাম। বঙ্গ বিজেপির প্রধানের দাবি, এই কলেজের প্রিন্সিপাল যাবতীয় দুর্নীতির পরেও, এমনকী তাঁর পদ থেকে বারবার বদলি হওয়া সত্ত্বেও ফিরে আসছেন। অন্যদিকে সুকান্তর আরও অভিযোগ, মৃতদেহগুলি এই হাসপাতালে বেআইনিভাবে ব্যবহার হয়। মৃতদের পরিবারের অনুমতি ছাড়াই তাতে কাটাছেঁড়া করা হয়। হাসপাতালের (RG Kar Medical College) বর্জ্য পদার্থও বেআইনিভাবে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ সুকান্তর। হাসপাতালের বর্জ্য পদার্থ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ কার্যত নজিরবিহীন। বালুরঘাটের সাংসদের মতে, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সেগুলি পুনর্ব্যবহার করেন।

    কাটমানি নেওয়া হয় টেন্ডার পাশ করতে

    রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবাও যে কাটমানির অপসংস্কৃতির বাইরে নয়, তা সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগেই স্পষ্ট। সুকান্তর দাবি, আর জি করে টেন্ডার পাশ করাতে গেলে লাগে মোটা অঙ্কের কাটমানি। এর পাশাপাশি ছাত্রদের জন্য আসা অ্যাকাডেমিক ফান্ডের টাকা অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হয় যা বেআইনি। পরিকাঠামো উন্নয়নের দ্বিগুণ খরচ দেখানো হয় আবার কম দামি যন্ত্রপাতি বেশি দামে কেনা হয় বলেও অভিযোগ বালুরঘাটের সাংসদের। এর পাশাপাশি বেশিরভাগ কাজের বরাত পায় একটি বিশেষ সংস্থা। এই গোটা দুর্নীতি চক্র কাজ করছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের (RG Kar Medical College) নির্দেশে। এমনটাই অভিযোগ সুকান্তর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: সরকারি বাংলো এখনও খালি করেননি কেন? মহুয়াকে শো-কজ নোটিশ কেন্দ্রের

    Mahua Moitra: সরকারি বাংলো এখনও খালি করেননি কেন? মহুয়াকে শো-কজ নোটিশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে তিনি প্রশ্ন করতেন। তাঁর এই ‘কীর্তি’ সামনে আসতেই সাংসদ পদ খারিজ হয় তৃণমূলের মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra)। ছাড়তে বলা হয় দিল্লির সরকারি বাংলো। তবে এখনও সরকারি বাংলো খালি করেননি মহুয়া। সোমবার ঠিক এই কারণেই তাঁকে শো-কজ নোটিশ পাঠাল কেন্দ্রের ডাইরেক্টরেট অফ এস্টেটস (ডিওই)। কেন্দ্রীয় আবাসন এবং নগরোন্নয়ন মন্ত্রক সূত্রে বিষয়টি সামনে এসেছে। লোকসভায় প্রশ্ন করার বিনিময়ে শিল্পপতি দর্শন হিরানন্দানির থেকে ঘুষ নিতেন তিনি। এই অভিযোগে লোকসভা থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন মহুয়া। সংসদের ওয়েবসাইটের আইডি, পাসওয়ার্ড দুবাইকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী হিরানন্দানিকে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল কৃষ্ণনগরের প্রাক্তন সাংসদের বিরুদ্ধে।

    ৭ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো খালি করার কথা ছিল

    প্রসঙ্গত, গত ৮ ডিসেম্বর সাংসদ পদ খারিজ হয় মহুয়ার (Mahua Moitra)। তখনই তাঁকে বলা হয়েছিল, ৭ জানুয়ারির মধ্যে দিল্লিতে সরকারি বাংলো খালি করে দিতে হবে। কেন এখনও তিনি খালি করেননি বাংলো, তা তিনদিনের মধ্যে তা জানাতে বলা হয়েছে তাঁকে। মহুয়ার দাবি ছিল, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর তিনি দিল্লির বাংলো খালি করবেন। যদিও সেটা সম্ভব ছিল না। কারণ সাংসদ পদ চলে যাওয়ার পরে সরকারি ওই বাংলোতে থাকা যায় না। এই নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন করা একদা সাংসদ।

    দিল্লি হাইকোর্ট খারিজ করে মহুয়ার দাবি 

    মহুয়ার (Mahua Moitra) আইনজীবী জানিয়েছিলেন, যদি তাঁর মক্কেলকে সংশ্লিষ্ট সময়ের জন্য বাংলোয় থাকার অনুমতি দেওয়া হয়, তা হলে বর্ধিত সময়ের জন্য প্রযোজ্য যে কোনও খরচ দিতেও প্রস্তুত। তবে কার্যত মহুয়ার আবেদন খারিজ করে দেয় কোর্ট। বিচারপতি সুব্রহ্মণ্যম প্রসাদ গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছিলেন, সরকারি আবাসনে থাকার জন্য ডিওই-র কাছেই আবেদন করতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারকে এই বিষয়ে আইন মেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আদালত কিছু করতে পারবে না।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ০৯/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ০৯/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কর্মদক্ষতায় চাকরির স্থানে সুনাম অর্জন করতে পারবেন।

    ২) বিষয়-সম্পত্তি নিয়ে সংসারে অশান্তি। 

    বৃষ

    ১) আর্থিক ব্যাপারে ভাল সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) সারা দিন কোনও ভয় আপনাকে চিন্তায় ফেলতে পারে।

    মিথুন

    ১) বেকারদের নতুন কিছু করার চেষ্টা বাড়তে পারে।

    ২) সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে। 

    কর্কট

    ১) মানসিক কষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও কোনও ভাল জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ। 

    সিংহ

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে আত্মত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন। 

    কন্যা

    ১) ধর্মালোচনায় সুনাম বৃদ্ধি পাবে।

    ২) মাত্রাছাড়া আবেগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। 

    তুলা

    ১) সসম্মান নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে ঝামেলা বাধতে পারে। 

    বৃশ্চিক

    ১) সঞ্চয়ের ইচ্ছা বাড়তে পারে।

    ২) সকলের সঙ্গে কথা খুব বুঝে বলবেন।

    ধনু

    ১) ব্যবসায় লাভ হলেও অর্থ অপচয়ের সম্ভাবনাও আছে।

    ২) ছাত্রছাত্রীরা বহুমুখী প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন। 

    মকর

    ১) কুচিন্তা থেকে দূরে থাকুন।

    ২) চাকরির ক্ষেত্রে দিনটি খুব ভাল। 

    কুম্ভ

    ১) কোনও আধ্যাত্মিক কাজ করতে হতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে কেউ  আপনাকে ঠকাতে পারে। 

    মীন

    ১) বিদেশযাত্রার ব্যাপারে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) অতিরিক্ত ক্রোধের জন্য হাতে আসা কাজ নষ্ট হতে পারে। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: শাহজাহানকেই ধরতে পারল না পুলিশ, ডিজি নাকি কড়া ব্যবস্থা নেবেন!

    Sheikh Shahjahan: শাহজাহানকেই ধরতে পারল না পুলিশ, ডিজি নাকি কড়া ব্যবস্থা নেবেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) ডেরায় রেশন দুর্নীতি তদন্তে হানা দিয়েছিল ইডি। শাহজাহানের বাহিনীর হাতে ইডি আধিকারিকরা আক্রান্ত হন। রাজ্যে প্রথম কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দুর্নীতির তদন্তে গিয়ে এভাবে বাধার মুখে পড়তে হয়। যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় পড়ে যায়। শাহজাহান সুন্দরবন এলাকাতেই ঘাপটি মেরে রয়েছেন। ঘটনার পর প্রায় চারদিন হতে চলল পুলিশ তাঁর টিকি ছুঁতে পারেননি। এতদিন পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। ঘটনার চারদিন পর ডিজি রাজীব কুমার যা বললেন তা শাহজাহান কবে গ্রেফতার হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

    কী বললেন ডিজি?

    সোমবার গঙ্গাসাগর মেলার নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে যান ডিজি রাজীব কুমার। সন্দেশখালিতে ইডি-র হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যে বা যাঁরা আইনভঙ্গ করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এমনিতেই শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করেছে ইডি। বিএসএফকে সতর্ক করা হয়েছে। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেশখালিতেই এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে লুকিয়ে রয়েছেন তিনি। তারপরও গত চারদিন হতে চলল তাঁকে গ্রেফতার করার সাহস দেখায়নি পুলিশ। এতদিন পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করার জন্য কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে মনে হয় না। তবে, চারদিন পর অভিযুক্ত শাহজাহানকে গ্রেফতার করে এভাবে প্রকাশ্যে ডিজি মুখ খুললে ভালো হত, এমনই মনে করছে বিরোধীরা।

    ঠিক কী হয়েছিল সন্দেশখালিতে? (Sheikh Shahjahan)

    ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে রেশন দুর্নীতি মামলার সূত্রে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে বেনজির হামলার শিকার হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির আধিকারিকরা। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন ইডি আধিকারিক। তারপর থেকেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তবে শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎই শেখ শাহজাহানের একটি অডিও টেপ সামনে আসে। সেখানে সিবিআই বা ইডিকে যাতে সন্দেশখালি তথা তাঁর অনুগামীরা ভয় না পান, সেই হুঙ্কার দিয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে শেখ শাহজাহান সন্দেশখালির এক তৃণমূল নেতার বাড়িতেই লুকিয়ে রয়েছেন বলে বিস্ফোরক দাবি করলেন শুভেন্দু। ঘটনা হল, শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করেছে ইডি। সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের পাশাপাশি প্রত্যেকটি বিমানবন্দরকে এ-ব্যাপারে প্রয়োজনীয় বার্তা দেওয়া হয়েছে। কোনওমতেই যাতে তৃণমূল নেতা পালাতে না পারেন। রবিবার রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। ইডি-র হামলার নিন্দা করেছেন। শাহজাহানকে কেন গ্রেফতার করা হয়নি তা পুলিশ প্রশাসনের কাছে জবাব তলব করেছেন। এরপরই ডিজিপি মুখ খুললেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: খেলার মাঠে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Khardah: খেলার মাঠে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে কামারহাটি এলাকায় দিনের বেলায় প্রকাশ্যে এক তৃণমূল কর্মীকে গুলি করার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অবাধেই আগ্নেয়াস্ত্র ঘোরাফেরা করছে দুষ্কৃতী থেকে সাধারণ যুবকদের হাতে। খড়দার (Khardah) খেলার মাঠে গন্ডগোলের ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়দা (Khardah) পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে শিবমন্দির এলাকায় রবিবার রাতে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা চলছিল। সেখানে অনেক দর্শকও ছিল। খেলার কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে আচমকা দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা বাধে। গন্ডগোলের কারণে মাঝপথেই খেলা বন্ধ হয়ে যায়। খেলোয়াড়রা ব্যাট, বল ছেড়ে একে অপরের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। অভিযোগ, সেই সময় খেলোয়াড়দের এক পক্ষের হয়ে বাইর থেকে দলবল নিয়ে খেলার মাঠে হাজির হয়। অন্যপক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন বিকাশ রাজভর নামে এক খেলোয়াড়। তারা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে বিকাশ রাজভর নামে ওই খেলোয়াড়ের উপর চড়াও হন। বন্দুকের বাঁট দিয়ে বিকাশের মাথায় আঘাত করা হয়। হামলার জেরে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় খড়দা থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি ওয়ান শটার বন্দুক উদ্ধার করে। যদিও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার আগেই হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালায়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, খেলার মাঠে কোনও বিষয় নিয়ে গন্ডগোল হতেই পারে, তার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এসে হামলা চালাতে হবে? সেখানে প্রচুর দর্শক ছিল। গুলি চললে বড় বিপদ হতে পারত। পুলিশ প্রশাসনের নজরদারি অভাবের কারণেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। নাহলে এই ধরনের ঘটনা আগামীদিনে আরও অনেক বাড়বে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: তৃণমূলের দাদাগিরি! সেমেস্টারের পরীক্ষা দিতে পারলেন না মেডিক্যাল পড়ুয়ারা

    Kamarhati: তৃণমূলের দাদাগিরি! সেমেস্টারের পরীক্ষা দিতে পারলেন না মেডিক্যাল পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামারহাটির (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি। তৃণমূলের ছাত্র নেতাদের হুমকির জেরে প্রথম বর্ষের পরীক্ষার্থীরা সেমেস্টার পরীক্ষায় বসতে পারলেন না। বলা ভালো, তৃণমূলের বাধায় সেমেস্টারের পরীক্ষা দিতে পারলেন না পড়ুয়ারা। যা নিয়ে জোর আলোড়ন তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

    গত ৫ই জানুয়ারি কামারহাটির (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রথম বর্ষের ছাত্রদের সেমেস্টার পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আগাম তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো পড়ুয়ারা প্রস্তুতি শুরু করেন। কিন্তু, ৩ জানুয়ারি থেকে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে ছাত্রদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরীক্ষা দিতে না যাওয়ার জন্য ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাতে পরীক্ষার দিন সকালে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের হস্টেলের ডর্মেটরিতে এসে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়। আর এটা বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়। ফলে, ১২৫ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া কেউ সেমেস্টারের পরীক্ষা দেননি।

    প্রতিবাদে বাম ছাত্র সংগঠন

    তৃণমূল ছাত্র নেতাদের এই দাদাগিরির বিরোধিতা করেছে সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের (এআইডিএসও) সদস্যরা। এদিন সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের সদস্য বিক্রম মণ্ডল, সায়ন দাসেরা এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে লিফলেট বিলি করেন। তাঁদের বক্তব্য, মেডিক্যাল কলেজে এই ধরনের দাদাগিরি মেনে নেওয়া যায় না।

    তৃণমূল ছাত্র নেতা কী সাফাই দিলেন?

    কামারহাটি (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র প্রামাণিক বলেন, এই অভিযোগ একেবারে মিথ্যে। ছাত্ররা যদি পরীক্ষা দিতে না চান তার দায় আমাদের নয়। শুধু একটা মেসেজ এসেছিল সেটা ফরওয়ার্ড করেছি। তার মানে তো এটা নয় যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ওই মেসেজ করেছে। আসলে বাংলার শাসক দলের নাম বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: গৌড়বঙ্গে নেট পরীক্ষার সেন্টারের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: গৌড়বঙ্গে নেট পরীক্ষার সেন্টারের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট বা নেট পরীক্ষার সেন্টার মালদায় করার দাবিতে সরব হয়েছেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar) উদ্যোগ নিয়েছেন। এনিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে লিখিতভাবে জানাতে চলেছেন।

    দুবছর আগেও মালদার সেন্টারে হত নেট পরীক্ষা

    কলেজে অধ্যাপনা ও উচ্চশিক্ষার জন্য নেট পরীক্ষা আবশ্যক। বছরে দু’বার করে এই পরীক্ষা হয়। দু’বছর আগেও পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, মালদা ও শিলিগুড়িতে নেট পরীক্ষা নেওয়া হত। গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের জন্য মালদার একটি পরীক্ষার কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেওয়া হত। তবে, ২০২২ সালের পর থেকে গৌড়বঙ্গে আর কোনওরকম পরীক্ষা কেন্দ্র রাখা হয়নি। শুধুমাত্র গৌড়বঙ্গ নয়, মুর্শিদাবাদেও কোনওরকম পরীক্ষা কেন্দ্র নেই। বর্তমানে কলকাতা ও শিলিগুড়িতে নেট পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। গৌড়বঙ্গে তিন জেলা মিলিয়ে প্রায় ১৫-২০ হাজার পরীক্ষার্থী নেট পরীক্ষায় বসেন। মালদায় পরীক্ষা কেন্দ্র হলে দুই দিনাজপুর ও মালদার পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হত। গত দুবছর ধরে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে, গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হয় কলকাতা অথবা শিলিগুড়িতে যেতে হচ্ছে। পরীক্ষার দু-তিন দিন আগে পরীক্ষা কেন্দ্র জানানো হয়। যার ফলে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে সমস্যায় পড়তে হয়। পরীক্ষা দিতে গিয়ে থাকা খাওয়া ও যাওয়াটা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। তাই, পড়ুয়ারা সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দ্বারস্থ হয়েছেন।

    পরীক্ষার্থীদের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে বালুরঘাটের নেট পরীক্ষার্থী প্রদ্যুৎ মণ্ডল বলেন, বালুরঘাট থেকে কলকাতা বা শিলিগুড়িতে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়াটা অনেকটাই ব্যয়বহুল। আগের মতো মালদাতে যদি একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়, তাহলে পরে আমাদের জেলার পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হবে। এবিষয়ে নেট পরীক্ষার্থী অসীম বর্মন বলেন, বছরে দুবার করে নেট পরীক্ষা হয়। একটা সময় মালদায় পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল। এখন আর মালদায় পরীক্ষা হয় না। গৌড়বঙ্গে যদি পরীক্ষার কেন্দ্র হয়, তাহলে আমাদের মতো সকলের সুবিধা হবে।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বললেন? (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে গৌড়বঙ্গের তিন জেলার যে কোনও একটিতে যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র করা হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে চিঠি দেব। প্রয়োজনে এনিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share