Tag: Madhyom

Madhyom

  • Bus Accident: অসমে পিকনিকের বাসের সঙ্গে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ১৪, আহত ২৭

    Bus Accident: অসমে পিকনিকের বাসের সঙ্গে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ১৪, আহত ২৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কাকভোরে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনা (Bus Accident) ঘটল অসমে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ২৭ জন। জানা গিয়েছে, এদিন অসমের দেরগাঁও এলাকায় পিকনিক করতে যাওয়া বাসটির সঙ্গে একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ (Bus Accident) হয়।

    পুলিশ সূত্রে খবর, বাসটিতে প্রায় ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন এবং তাঁরা সকলেই তিনসুকিয়ার তিলঙ্গা মন্দিরে পিকনিক করতে যাচ্ছিলেন। রাত তিনটে নাগাদ যাত্রা শুরু হয় পিকনিক যাত্রীদের। দুর্ঘটনাস্থল থেকে পিকনিক স্পট খুব বেশি দূরে নয় বলেই জানা গিয়েছে। উল্টো দিক থেকে আসা একটি কয়লা বোঝাই লরির সঙ্গে এই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

    আহতরা ভর্তি জোড়হাট মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে

    আহতদের জোড়হাট মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানা গিয়েছে, মৃত ১৪ জনেরই দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আহত বেশ কয়েকজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলেই শোনা যাচ্ছে। তবে দুর্ঘটনার (Bus Accident) কারণ এখনও পর্যন্ত পরিষ্কার নয়। স্থানীয়দের অনুমান, কাকভোরে বাস বা ট্রাক চালকের মধ্যে কেউ একজন সম্ভবত ঘুমিয়ে পড়েছিলেন এবং তখনই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে।

    দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। সম্পূর্ণ হলেই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। স্থানীয় গোলাঘাট জেলার পুলিশ সুপার রাজেন সিং সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘এদিন সকালে পাঁচটা নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটে৷ গোলঘাট এলাকার কামরাবান্ধা এলাকা থেকে বাসটি যাচ্ছিল তলিঙ্গা মন্দিরের দিকে৷ পর্যটকদের একটি দল ওই বাসে ছিল৷ বালিজান এলাকায় একটি ট্রাককে ধাক্কা মারে বাসটি। উল্টো দিকের ট্রাকটি জোড়হাটের (Bus Accident) দিক থেকে আসছিল।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North Bengal: উত্তরবঙ্গ জুড়ে রমরমিয়ে চলছে গরু-মহিষ পাচার! কোন পথে জানেন?

    North Bengal: উত্তরবঙ্গ জুড়ে রমরমিয়ে চলছে গরু-মহিষ পাচার! কোন পথে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন জেলে রয়েছেন। দক্ষিণবঙ্গে এই পাচারচক্র ততটা এখন সক্রিয় না হলেও উত্তরবঙ্গ (North Bengal) জুড়ে রমরমিয়ে শুরু হয়েছে মহিষ এবং গরু পাচার। পুলিশের একটা অংশকে হাতিয়ার করে এই পাচারচক্র চলছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মানুষ।

    কোন পথে পাচার? (North Bengal)

    বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত উত্তরবঙ্গের (North Bengal) উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং জেলার বিধাননগর, ঘোষপুকুর পেরিয়ে ফুলবাড়ি হয়ে জলপাইগুড়ি ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়ি, বানারহাট, বীরপাডা হয়ে বারোবিষা সীমান্ত দিয়ে অসমে ঢুকে পড়ছে বেআইনি গরু ও মহিষ বোঝাই গাড়িগুলি। অসমের কয়েকটি জেলা পার হয়ে সোজা মেঘালয়ে চলে যায় গাড়িগুলি। উত্তরের ছয়টি জেলা পার হতে পারলে কেল্লাফতে এই পাচারকারীদের। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ থেকে মহিষ এবং গরু নিয়ে এসে পাঞ্জিপাড়ায় সেগুলোকে নামানো হয়। সেখান থেকে কন্টেনার গাড়ি করে (যে গাড়িগুলি চারদিক বন্ধ) অসম এবং মেঘালয়ের উদ্দেশে রওনা করা হয়। একেবারে অস্বাস্থ্যকর এবং দমবন্ধ পরিবেশে গাড়িগুলিতে ওই মহিষগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয়। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই যে ওই গাড়ি গুলিতে গরু-মহিষ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতি গাড়িতে ২৪-২৬ টি মহিষ নিয়ে যাওয়া হয়। যার অধিকাংশেরই বৈধ কাগজ নেই। গাড়িগুলিরও লাইভ স্টক পারমিট নেই বলেই জানা গেছে।

    কীভাবে সম্ভব এই পাচার?

    সম্প্রতি, বীরপাড়ায় একটি স্পেশাল চেকিংয়ে ৬ টি কন্টেনার গাড়ি থেকে ২৩৮ টি মহিষ উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জিপাড়া ও আসামের বাসিন্দা ছিলেন। কিন্তু, কীভাবে সম্ভব এই পাচার? পাঞ্জিপাড়া থেকে গাড়ি লোড হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই গাড়ির নম্বর পাঠিয়ে দেওয়া হয় সংশ্লিষ্ট থানাগুলিতে, যে থানার অধীনের রাস্তা ব্যবহার করে গাড়িগুলি পার হবে। এই এলাকাগুলি পেরিয়ে গেলে বারোবিষা বা বক্সিরহাট সীমান্তে সেই গাড়িগুলির নম্বর মিলিয়ে দেখা হয় এবং বিনা চেকিং করেই গাড়িগুলি ছেড়ে দেওয়া হয়। পাঞ্জিপাড়া থেকে অসম রাজ্য বিনা বাধায় গাড়ি প্রতি একটা পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ হয়। সেই অর্থই সংশ্লিষ্ট থানা এবং কিছু আধিকারিকের কাছে পৌঁছে যায়। প্রতিদিন প্রায় ৩৫-৪০ টি গাড়ি করে এই ভাবেই গরু-মহিষ পাচার হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদি, দাবি রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের

    Ram Mandir: ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদি, দাবি রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম রাজ্য আসছে আর তারই সঙ্গে লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদির সমালোচকদের পরাজয়ও নিশ্চিত। এমন কথাই বলতে শোনা গেল অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্রনাথ দাসকে। তাঁর মতে, ‘‘রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠা হলে সারা দেশবাসী সুখে বাঁচবে। ২০২৪ সালে অনেকগুলি কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। একটি তো হল রামলালা তাঁর নিজের গর্ভগৃহে অধিষ্ঠান করবেন এবং অন্যদিকে লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই বছরেই এই সব কিছুই শুভভাবে সম্পন্ন হবে।’’ অযোধ্যার মন্দিরের (Ram Mandir) প্রধান পুরোহিত দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন।

    ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    রামলালাকে ছাপান্নভোগ নিবেদন করা হয় বিশেষ উৎসবগুলিতে। যেমন, হোলি, রামনবমী, বসন্ত পঞ্চমী, নতুন বছর, স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন। সে অনুযায়ী নতুন বছর শুরু হতেই তাঁকে ছাপান্ন ভোগ নিবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান পুরোহিত। এদিন রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আরও জানিয়েছেন যে ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি (মোদি) সবকা সাথ, সবকা বিকাশ এই নীতিতে চলছেন। অন্যদিকে বিরোধীরা দেশের জনগণকে নিয়ে মোটেও আগ্রহী নয়, তাঁরা শুধু ক্ষমতা দখল করতেই চিন্তিত এবং তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনার মাধ্যমে। তবে এটা সম্ভব নয়।

    মোদির তৃতীয়বারের প্রধানমন্ত্রীত্ব

    প্রসঙ্গত, মোদির ক্ষমতায় ফেরা যে নিশ্চিত, তা বিভিন্ন অরাজনৈতিক মহল থেকেই বলা হচ্ছে। দু’দিন আগেই ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘দ্য গার্ডিয়ান’ প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানিয়েছে যে ২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ফের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন। অন্যদিকে একই সুর শোনা যাচ্ছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) পুরোহিতদের মুখে।

    স্মার্ট সিটি অযোধ্যা

    অযোধ্যাতে যেন উন্নয়নের জোয়ার বইছে। ১৭৮টি প্রকল্প চলছে সেখানে। ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, স্মার্ট সিটি করার লক্ষ্যে ৮৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে আগামী ১০ বছরে। অযোধ্যাতে বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী গত ৩০ ডিসেম্বর। নতুনভাবে সেজে উঠছে অযোধ্যার রেলওয়ে স্টেশন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hamas: ইজরায়েলের নিখুঁত ড্রোন নিশানা, খতম হামাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা আল-অরৌরি

    Hamas: ইজরায়েলের নিখুঁত ড্রোন নিশানা, খতম হামাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা আল-অরৌরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় সাফল্য পেল ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। জানা গিয়েছে, লেবাননের রাজধানী বেইরুটে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছে হামাস নেতা সালেহ আল-অরৌরি। প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের (Hamas) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিল এই জঙ্গি নেতা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতাও বলা হত আল-অরৌরিকে। ইজরায়েলি গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের ড্রোনের নিশানায় খতম হল এই জঙ্গি।

    হামাস নেতার মৃত্যু নিয়ে কী বলছে হিজবুল্লা

    লেবাননের জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লার তরফে এদিন জানানো হয়েছে, রাজধানী বেইরুটের খুব কাছেই বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে হামাস (Hamas) নেতা অরৌরির। হিজবুল্লার আরও দাবি, গাজায় হামাসের কার্যকলাপ এবং গত ৭ অক্টোবরের হামলার সঙ্গে সরাসরি কোনও যোগ ছিল না এই জঙ্গি নেতার। ইজরায়েলের হানায় অরৌরির যোগ না থাকা নিয়ে এটা হিজবুল্লার দাবি মাত্র। কারণ হামাসের (Hamas) প্রতি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল হল লেবাননের এই জঙ্গি গোষ্ঠী। অরৌরি আর এক প্যালেস্তাইনি ভূখণ্ডে ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে হামাসের প্রধান ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেখানে হামাসের অন্য়তম গেরিলা বাহিনী আল কাসাম ব্রিগেড তাঁর নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হত বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ওপর আচমকাই আকাশ-স্থল-জলপথে জঙ্গি হামলা চালায় হামাস। এতে ১,৪০০ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয়। তারপরেই পাল্টা প্রত্যাঘাত শুরু করে ইজরায়েল। সেই থেকেই চলছে যুদ্ধ।

    ইজরায়েল দীর্ঘদিন ধরেই তাকে খুঁজছিল

    দীর্ঘদিন ধরেই ইজরায়েলের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় ছিল এই জঙ্গি নেতা। জানা গিয়েছে, হামাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদমর্যাদার নেতা অরৌরি। ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর আগেই ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ভাষণে উঠে আসে অরৌরির নাম। ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু থেকে প্রায় ৩ মাসের কাছাকাছি সময়ে হত হল অরৌরি। তবে শুধু হামাস (Hamas) জঙ্গি নয়, মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েলি হানায় খতম হয়েছে আরও এক জঙ্গি। গত সপ্তাহেই সিরিয়ায় অভিযান ইজরায়েলি সেনা। সেই হামলায় ইরান সেনার ‘এলিট’ বাহিনী ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর’ (আইআরজিসি)-এর শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার সইদ রাজি মৌসাভি নিহত হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Truck Strike: কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বৈঠক, উঠে গেল ট্রাক চালকদের ধর্মঘট

    Truck Strike: কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বৈঠক, উঠে গেল ট্রাক চালকদের ধর্মঘট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের আশ্বাস পেতেই উঠে গেল ট্রাকচালক ও বিভিন্ন পরিবহণ সংস্থার বিক্ষোভ-প্রতিবাদ কর্মসূচি। নতুন ন্যায় সংহিতায় গাড়ি চাপা দেওয়ার (হিট অ্যান্ড রান) শাস্তি নিয়েই আপত্তি তোলে বিভিন্ন ট্রাকচালক সংগঠন (Truck Strike Latest Update)। মঙ্গলবারই ন্যায় সংহিতায় যে সংস্থান রয়েছে তা কার্যকর হওয়ার আগে বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা। এরপরেই দেশ জুড়ে ট্রাকচালকরা (Truck Strike Latest Update) তাঁদের বিক্ষোভ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    বৈঠক অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের সঙ্গে 

    মঙ্গলবার অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব জানান, তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি আইন কার্যকর করার আগে বিবেচনা করা হবে। অজয় বলেন, ‘‘নতুন আইন এখনও কার্যকর হয়নি। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৬/২ ধারা কার্যকর করার আগে অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’ প্রসঙ্গত, গাড়ি চাপা দেওয়ার নতুন আইনের বিরুদ্ধে ভারত জুড়ে বেশ কয়েকটি পরিবহণ সমিতি প্রতিবাদ শুরু করে (Truck Strike Latest Update)। ভারতীয় দণ্ডবিধিকে সরিয়ে দিন কয়েক আগেই এসেছে ন্যায় সংহিতা। সেখানেই একটি ধারায় বলা হয়েছে, চালকের ভুলে গাড়ি দুর্ঘটনা হলে এবং সেটা পুলিশ বা প্রশাসনের কোনও আধিকারিককে না জানিয়ে যদি তিনি পালিয়ে যান, সেক্ষেত্রে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড কিংবা ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। জানা গিয়েছে, আগে আইপিসি বা ভারতীয় দণ্ডবিধিতে এই ধরনের মামলায় শাস্তির মেয়াদ ছিল দু’বছর। তবে এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের আশ্বাস মিলতেই বেশ খুশি ট্রাক চালকরা।

    কী বলছেন ট্রাক চালক সংগঠনের নেতা?

    বিক্ষোভ প্রশমনে কেন্দ্রের উদ্যোগ প্রসঙ্গে অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের সভাপতি অমিত মদন বলেন, ‘‘আপনারা শুধু চালক নন, আপনারা আমাদের সৈনিক। আমরা চাই না যে আপনারা কোনও রকম সমস্যার মুখোমুখি হন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিষয়টি এখনও মুলতুবি (Truck Strike Latest Update) রেখেছেন। অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের সঙ্গে পরবর্তী বৈঠক না হওয়া পর্যন্ত ওই আইন কার্যকর করা হবে না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ০৩/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ০৩/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বিলাসিতায় দিন কাটবে।

    ২) বাড়িতে বিবাদ হতে পারে

    বৃষ

    ১) অতিরিক্ত পরিশ্রমে ক্লান্ত।

    ২) একটু সাবধানে চলাফেরা করুন।

    মিথুন

    ১) ধর্ম বিষয়ে তর্ক এড়িয়ে চলুন।

    ২) মা-বাবাকে সম্মান করুন।

    কর্কট

    ১) নিজেকে সীমানায় বাঁধলে চলবে না।

    ২) আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করতে হবে।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায় খুব লাভ হবে আজ।

    ২) ঋণের পরিমাণ কমে আসবে।

    কন্যা

    ১) প্রেমে হতাশা।

    ২)  প্রতিবেশীর সাথে অশান্তি হতে পারে।

    তুলা

    ১) দিন ভাল যাবে।

    ২) যোগাযোগের দক্ষতা কর্মক্ষেত্রে প্রতিপত্তি বাড়াবে।

    বৃশ্চিক

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদ।

    ২) শরীরে ব্যথা বেদনা।

    ধনু

    ১) যে অভ্যাস লক্ষ্যের দিকে এগোতে দিচ্ছে না, তা ছাড়তে হবে।

    ২) মানুষের কিছু করার চেষ্টা করুন। 

    মকর

    ১) প্রেমে ব্যর্থতা।

    ২) শরীর অসুস্থ হবে।

    কুম্ভ

    ১) সমালোচনা বাড়বে।

    ২) খরচ বাড়বে খুব।

    মীন

    ১) রক্তহীনতায় ভুগবেন।

    ২) স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: পাখির চোখ লোকসভা ভোট! উত্তরবঙ্গ জুড়ে ম্যারাথন কর্মসূচি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: পাখির চোখ লোকসভা ভোট! উত্তরবঙ্গ জুড়ে ম্যারাথন কর্মসূচি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাখির চোখ লোকসভা নির্বাচন। তাই, এবার উত্তরবঙ্গ চষে বেড়াবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। লোকসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে আরও চাঙা করাই লক্ষ্য বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। আগামীকাল ৩ তারিখ থেকে ৬ তারিখ পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ জুড়ে ম্যারাথন কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির রাজ্য সভাপতির।

    সভার পাশাপাশি সাংগঠনিক বৈঠক করবেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে বিজেপি অনেকটাই শক্তিশালী। সেক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গের লোকসভা আসনগুলিকে পুনরায় ধরে রাখার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের আরও আসন বাড়াতে চাইছে বিজেপি। সেক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি জনসভার পাশাপাশি দলীয় সাংগঠনিক বৈঠক করবেন বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। আগামী ৩ তারিখ উত্তর দিনাজপুর, ৪ তারিখ আলিপুরদুয়ার, ৫ তারিখ কোচবিহার এবং ৬ তারিখ জলপাইগুড়ি জেলা সফর করবেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ৭ জানুয়ারি তিনি কলকাতা ফিরে যাবেন। মঙ্গলবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সভাপতি তাঁর ম্যারাথন কর্মসূচির কথা জানিয়েছেন। বালুরঘাট ব্লকের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন দল ছেড়ে বহু কর্মী এদিন বিজেপিতে যোগদান করেন।

    উত্তরবঙ্গ সফর নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    উত্তরবঙ্গ সফর নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন,লোকসভা নির্বাচন সামনে চলে এসেছে। নির্বাচনকে পাখির চোখ করে আগামীকাল থেকে আমার উত্তরবঙ্গ সফর শুরু হবে। প্রথমে রায়গঞ্জ তারপর আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি সব জায়গাতেই যাব।  রেশন ডিলারদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রেশন ডিলারদের নির্দিষ্ট কোনও দাবি আছে। ধর্মঘট কোনও সমস্যার সমাধান হয় না। এক জায়গায় বসে আলোচনার মধ্যে সমস্যা মেটানো ভালো। এক সময় রেশন ডিলারদের প্রচুর সুযোগ সুবিধা ছিল। কিন্তু, আসতে আসতে তাঁদের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ক্ষীণ হয়ে উঠছে। আগামীদিনে রেশন ডিলারদের আয় যেন ঠিক থাকে আমরা এই বিষয়ে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকারকে জানাব।

    নির্বাচনে ভিভিপ্যাড ব্যবহার নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    লোকসভা নির্বাচনে ১০০ শতাংশ ভিভিপ্যাডের দাবি বিরোধী জোটের। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আমাদের কোনও আপত্তি নেই ভিভিপ্যাড থাকলে। কিন্তু, অতগুলো ভিভিপ্যাড নির্বাচনের অল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন কোথায় থেকে পাবে? তাহলে নির্বাচন পিছিয়ে দিতে হবে। তাহলে আমাদের নরেন্দ্র মোদী আরো কয়েকদিন প্রধানমন্ত্রী থাকবে তা কি আমাদের বিরোধীরা মেনে নেবে!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ করায় তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীকেই খুনের হুমকি

    Barrackpore: অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ করায় তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীকেই খুনের হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকায় দিনের পর দিন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে দুষ্কৃতীরা। বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলের উত্তর বারাকপুর পুরসভার ইছাপুরের ২০ নম্বর রেলগেট এলাকার ঘটনা। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এমনকী অসামাজিক কাজকর্মের প্রতিবাদ করায় তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী সঞ্জয় দাসকে খুন করার পরিকল্পনা করেছিল ছিল দুষ্কৃতীরা। বিষয়টি জানার পরই চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তৃণমূল কাউন্সিলর। ইতিমধ্যে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    কাউন্সিলরের স্বামীকে খুনের ছক! (Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে গোবিন্দ বাঁশফোঁড় সহ দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, ইছাপুরে তৃণমূল কাউন্সিলর সুপ্রিয়া দাসের স্বামী সঞ্জয় দাসকে খুন করার ছক কষেছিল। টিটাগড়ের কয়েকজন যুবক জড়িত রয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ এই ঘটনায় মোট চারজনকে গ্রেফতার করেছে। তারমধ্যে একজন ইছাপুরের বাসিন্দা। বাকি তিনজনের বাড়ি টিটাগড় এলাকায়। কাউন্সিলরের স্বামী স্থানীয় তৃণমূল নেতা। ফলে, এলাকায় দুষ্কৃতীদের দাপট দেখাতেই তাঁকে খুন করার ছক কষা হয়েছিল বলে দলের একাংশ মনে করছে।

    কী বললেন তৃণমূল কাউন্সিলর?

    জানা গিয়েছে, বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলের উত্তর বারাকপুর পুরসভার ইছাপুর ২০ নম্বর রেলগেটে কালী মন্দিরের আছে অসামাজিক কাজকর্ম হয়। ওই এলাকা দখল করে দাপিয়ে বেড়ায় দুষ্কৃতীরা। বহিরাগতরা সেখানে এসে জড়ো হয়। ফলে চরম আতঙ্কে থাকেন এলাকাবাসী। স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সুপ্রিয়া দাস বলেন, এলাকাবাসী অভিযোগ জানানোর পরেই আমি বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের কাছে বলেছিলাম। কিন্তু, দুষ্কৃতদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হয়নি। এলাকাটি ওরা দখল করে রয়েছে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি বলে আমার পরিবারের দিকে টার্গেট করা হচ্ছে। আমার স্বামীকে খুন করার চক্রান্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় আমরা বেশ আতঙ্কে রয়েছি। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, এইসব ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে কাউকে খুন করার চেষ্টা হয়, তা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা তীব্র বিরোধিতা করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: মমতাকেও ‘ডোন্ট কেয়ার’! তৃণমূল নেতার দাদাগিরিতে দেড় মাসের ওপর বন্ধ চা বাগান

    Siliguri: মমতাকেও ‘ডোন্ট কেয়ার’! তৃণমূল নেতার দাদাগিরিতে দেড় মাসের ওপর বন্ধ চা বাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের শ্রমিক নেতার দাদাগিরিতে দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে ত্রিহানা চা-বাগান। খোদ চা বাগানের মালিক ঘনশ্যাম কাঙ্কানি বিস্ফোরক এই অভিযোগ করেছেন। শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমার এটি তরাইয়ের অন্যতম পুরানো ও বড় চা বাগান। মালিকের এই অভিযোগে ধাক্কা খাচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একের পর এক বন্ধ চা-বাগান খোলার দাবি।

     ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Siliguri)

    চা বাগান সূত্রে জানা গিয়েছে, সর্বসম্মতিক্রমে ১৮ শতাংশ পুজোর বোনাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু, আইএনটিটিইউসি দার্জিলিং জেলা সভাপতি নির্জল দে শিলিগুড়ির (Siliguri) ত্রিহানা চা-বাগানে ১৯ শতাংশ বোনাসের দাবিতে অনড় থেকে ফ্যাক্টরি থেকে চা পাতা বের করা বন্ধ করে দেন। কাঁচা পাতা, তৈরি চা পাতা চুরি করে বাইরে বিক্রি করেন। ১৯ শতাংশ বোনাসের দাবিকে অজুহাত করে আইএনটিটিইউসির দার্জিলিং জেলা সভাপতি নির্জল দে বাগানে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে ম্যানেজারকে নিগ্রহ করেন বলে অভিযোগ। গত ৯ নভেম্বর আন্দোলনের নামে ম্যানেজারকে নিগ্রহ করে মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়ার পরের দিন বাগান লক আউট করা হয়। তাই সুবিচারের জন্য বাগান মালিক উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

     তৃণমূল নেতার দাদাগিরি নিয়ে কী বললেন বাগান মালিক?

    বাগান মালিক ঘনশ্যাম কাঙ্কানি বলেন, আমার বাগানের পাশে বালাসন নদী থেকে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি অবৈধভাবে বোল্ডার উত্তোলন করত। এতে বাগানের উপর প্রভাব পড়ায় জেলাশাসককে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। তিনি সেখান থেকে বালি, পাথর উত্তোলন বন্ধ করে দেন। সেই আক্রোশে নির্জল দে বাগানে অশান্তি শুরু করেন। এখন আমার বাগানকে রুগ্ন দেখিয়ে বড় বড় শিল্পপতির হাতে বাগান তুলে দেওয়ার চক্রান্ত দেখতে পাচ্ছি।

    চা বাগানের শ্রমিকরা কী বললেন?

    এই বাগানে ১২০০ চা শ্রমিক-কর্মচারী রয়েছেন। শ্রমিকরা তৃণমূলের দাদাগিরিতে তিতিবিরক্ত। তাঁরা বলেন, তৃণমূল নেতার দাদাগিরিতে আমরা চরম সঙ্কটে পড়েছি। এই মালিকের আরও দুটি ডিভিশন রয়েছে। সেখানে কোনও সমস্যা নেই। আমরা কাজ করতে চাই। কিন্তু, তৃণমূল নেতার হুমকিতে করতে পারছি না।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল শ্রমিক নেতা নির্জল দে বলেন, বাগান মালিক ২০০৬ সাল থেকে গ্র্যাচুইটি ও ২০১৪ সাল থেকেই প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা দিচ্ছেন না। বোনাস দেওয়া নিয়ে টালবাহানা করেছেন। তবু, এতদিন শ্রমিকরা মুখ বুজে কাজ করেছেন। আসলে এই মালিক দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক বিরোধী কার্যকলাপ করে চলেছেন। বিষয়টি শ্রমমন্ত্রীকেও জানানো হয়েছে। প্রতিবাদ জানিয়েছি বলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মহকুমা হবে ধূপগুড়ি, কী হল অভিষেকের দেখানো স্বপ্নের?

    Dhupguri: ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মহকুমা হবে ধূপগুড়ি, কী হল অভিষেকের দেখানো স্বপ্নের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর ২ সেপ্টেম্বর বিধানসভা উপ নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িকে (Dhupguri) মহকুমা করার ডেডলাইন উল্লেখ করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক  অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। বলা ভালো স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। যে স্বপ্ন ফেরি করেই উপ নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী জয়লাভ করেছিলেন, তা হল, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ধূপগুড়ি মহকুমা গঠন করা হবে। কিন্তু, কথা রাখেনি তৃণমূল। কারণ, নিয়ম মেনে ধূপগুড়িকে মহকুমা করতে সরকারি বিজ্ঞপ্তি এখনও জারি হয়নি। তাই, এবার মহকুমার দাবিতে বুধবার থেকে ধূপগুড়ির বিধায়কের বাড়ির সামনে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ধর্নায় বসতে চলেছে ধূপগুড়ি মহকুমা নাগরিক মঞ্চ।

    নাগরিক মঞ্চের এক কর্মকর্তা কী বললেন? (Dhupguri)  

    ধূপগুড়ি (Dhupguri) মহকুমা নাগরিক মঞ্চের এক কর্তা অনিরুদ্ধ দাশগুপ্ত বলেন, মহকুমা গঠনের জন্য অনেক তৎপরতা দেখলাম। আমাদের এসব দেখে খুব ভালো লেগেছিল। কিন্তু, বাস্তবে এই ঘোষণা যদি শুধুমাত্র ভোটের জন্য হয়ে থাকে, তাহলে এটা ধূপগুড়ির মানুষকে অপমান করা। আমরা তো বিশ্বাস করেছিলাম। সেটা রাখা হল না। আমাদের স্বপ্নভঙ্গ হল। আমরা খুবই হতাশ। এভাবে তো মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হল। আমরা এর প্রতিবাদ করব। এটা মেনে নেওয়া যায় না।

    মহকুমা গঠনের কথা মুখ্যমন্ত্রীও বলেছিলেন

    ১১ সেপ্টেম্বর নবান্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধূপগুড়িকে (Dhupguri) মহকুমা করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ভোটের ফল প্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যেই ধূপগুড়ি মহকুমা গঠনের প্রস্তাব পাশ হয়ে যায় মমতার মন্ত্রিসভায়। একাধিক ক্ষেত্রে সংস্কারের আশা দেখে অকাল হোলিতে মেতেছিলেন ধূপগুড়িবাসী। নতুন বছর শুরু হয়ে যাওয়ার পরও গঠন হল না মহকুমা। সেই দাবিতেই এবার খোদ বিধায়কের বাড়ির সামনে ধর্নার ডাক দিল নাগরিক মঞ্চ।

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    বিধায়ক নির্মল রায় বলেন, ‘মহকুমা যে হচ্ছে, এটা জোর দিয়ে বলাই যায়। আইনি প্রক্রিয়ায় জটিলতা রয়েছে, সেই কারণেই সময় লাগছে। তবে, চিন্তার কোনও কারণ নেই। ধূপগুড়ির (Dhupguri) মানুষকে আমি আশ্বস্ত করছি, খুব শীঘ্রই সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে।’ কিন্তু, তাঁর এই আশ্বাসে নাগরিক মঞ্চ খুশি নয়। তাই, তাঁরা মহকুমার দাবি আদায়ে আন্দোলনের পথকে বেছে নিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share