Tag: Madhyom

Madhyom

  • Vande Mataram in Schools: সোমবার থেকে রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে বাধ্যতামূলক রাষ্ট্র গীত ‘বন্দেমাতরম’, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Vande Mataram in Schools: সোমবার থেকে রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে বাধ্যতামূলক রাষ্ট্র গীত ‘বন্দেমাতরম’, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্কুলে এবার বাধ্যতামূলকভাবে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র পাশাপাশি রাষ্ট্র গীত ‘বন্দেমাতরম’ গাওয়ার নির্দেশ আসতে চলেছে। স্কুল শুরুর আগে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবেই গাওয়া হবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই জাতীয় গান। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) ঘোষণা করেন, “সব বিদ্যালয়ে আগামী সোমবার থেকে প্রার্থনা সঙ্গীত হচ্ছে বন্দেমাতরম। নবান্নে (Nabanna) গিয়েই এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশিকা জারি করব।”

    আগামী সোমবার থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর

    প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই শিক্ষা দফতরের তরফে এই সংক্রান্ত বার্তা রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসক, জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (ডিআই) এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন জেলার স্কুল পরিদর্শক ও শিক্ষকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও নতুন নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী সোমবার থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। বর্তমানে গরমের ছুটির কারণে অধিকাংশ স্কুল বন্ধ থাকলেও, প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক লক্ষ্মনা গোলে জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ইতিমধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপ মারফত নির্দেশ এসেছে। খুব দ্রুত লিখিত নির্দেশিকাও পৌঁছে যাবে স্কুলগুলিতে।

    নির্দেশ মানা হচ্ছে কিনা, সেই রিপোর্ট জমা করতে হবে

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শুধু ‘বন্দেমাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করাই নয়, স্কুলে এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, সেই রিপোর্টও শিক্ষা দফতরে জমা দিতে হবে। অর্থাৎ, প্রার্থনার সময় রাষ্ট্রগীত গাওয়া হয়েছে কি না, তার নজরদারিও থাকবে প্রশাসনের। এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই শিক্ষা মহল এবং অভিভাবকদের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এতদিন অধিকাংশ স্কুলে প্রার্থনার সময় জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ গাওয়া হত। অনেক স্কুলে আবার জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি নিজস্ব প্রার্থনা সঙ্গীতও ছিল। এর আগে পূর্বতন সরকারের আমলে বাধ্যতামূলকভাবে রাজ্য সঙ্গীত ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ গাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার জাতীয় সঙ্গীতের পর রাষ্ট্র গান ‘বন্দেমাতরম’ গান গাওয়া হবে।

    ‘‘জাতীয় চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ’’

    শিক্ষক সংগঠনগুলির একাংশ অবশ্য এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘ (এবিআরএসএম)-এর নেতা অসীম দাস বলেন, “সাম্প্রদায়িকতার অজুহাতে এতদিন এই রাষ্ট্রগীতকে স্কুলে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ‘বন্দেমাতরম’ আমাদের জাতীয় চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। স্কুলে এটি চালু হওয়া ইতিবাচক পদক্ষেপ।” আলিপুরদুয়ার জেলার স্কুল পরিদর্শক (প্রাথমিক) লক্ষ্মণা গোলে বলেন, ‘‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাদের একটা হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দিয়ে বিষয়টি কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন।” ওই আধিকারিকের কথায়, এরপরেই ওই নির্দেশিকা বিভিন্ন স্কুল শিক্ষকদের গ্রুপে পাঠানো হয়েছে। খুব শীঘ্রই এই সংক্রান্ত লিখিত অর্ডার হাতে আসবে। এরপরেই সমস্ত স্কুলগুলিতে তা পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

    ‘‘বিকৃত ইতিহাস বদলের এটাই সঠিক সময়’’

    রাজনৈতিক মহলেও এই সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) বলেন, “বিকৃত ইতিহাস বদলের এটাই সঠিক সময়। নতুন প্রজন্মের সামনে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।” রাজ্যের নতুন সরকারের এই পদক্ষেপ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর থাকছে, নবান্ন থেকে জারি হওয়া চূড়ান্ত নির্দেশিকায় জাতীয় সঙ্গীত, রাষ্ট্রগীত এবং স্কুলগুলির নিজস্ব প্রার্থনা সঙ্গীত নিয়ে কী স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

  • Keralam CM Race: মুসলিম লিগের পছন্দ মেনে কেরলের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন, গণনার ১০ দিন পরে নাম ঘোষণা কংগ্রেসের

    Keralam CM Race: মুসলিম লিগের পছন্দ মেনে কেরলের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন, গণনার ১০ দিন পরে নাম ঘোষণা কংগ্রেসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১০ দিনের জটিল রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর অবশেষে কেরলের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর (Keralam CM Race) নাম ঘোষণা করল কংগ্রেস। দক্ষিণের এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভিডি সতীশনকে বেছে নিয়েছেন কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে সতীশনের নাম ঘোষণা করেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা কেরলের দায়িত্বপ্রাপ্ত দীপা দাশমুন্সি। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা রমেশ চেন্নিতালা ও কে সি ভেনুগোপাল-এর সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার পর শেষ পর্যন্ত সতীশনের পক্ষেই সিলমোহর দিল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় শরিক দল ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল)।

    কেন বাছা হল সতীশনকে

    এদিন দীপা দাসমুন্সির সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেন, মুকুল ওয়াসনিক এবং জয়রাম রমেশ। কেরলে ১০২টি আসনে জয়ী হয়েছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট ইউডিএফ। অথচ ভোটগণনার পর থেকে ১০ দিন কেটে গেলেও এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা স্থির করতে পারছিলেন না কংগ্রেস নেতৃত্ব। গত বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সতীশন ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ছিলেন কংগ্রেস সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল এবং বর্ষীয়ান নেতা রমেশ চেন্নিতালা। এর আগে কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছিল যে, কংগ্রেস পরিষদীয় দল মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেণুগোপালের নাম প্রস্তাব করেছে। কিন্তু বিধায়কদের একাংশ আবার সতীশনকে মুখ্যমন্ত্রী করার দাবি জানান। এই অংশটির যুক্তি ছিল ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ইউডিএফ এবং কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয়ের পর দলকে জয়ের রাস্তায় ফিরিয়েছেন সতীশনই।

    মুসলিম লিগের দাবি মানা হল

    সতীশনকে বেছে নেওয়ার পিছনে কংগ্রেসের জোট নির্ভরতা অনেকাংশে দায়ী। কংগ্রেস সূত্রের খবর, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ইন্ডিয়ান মুসলিম লিগ (আইইউএমএল)-এর রাজ্য সভাপতি সাদিক আলি সাহেব-এর সঙ্গেও যোগাযোগ করে কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে মুসলিম লিগ প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেনি। ১৩ মে মালাপ্পুরমে বৈঠকে আইইউএমএল স্পষ্টভাবে সতীশনের পক্ষ নেয়। তাদের যুক্তি ছিল, ইউডিএফকে নিরঙ্কুশ জয়ের পথে নেতৃত্ব দিয়েছেন সতীশনই। ১৪০ আসনের বিধানসভায় ইউডিএফ পেয়েছে ১০২টি আসন। এর মধ্যে কংগ্রেসের ৬৩ এবং মুসলিম লিগের ২২টি আসন থাকায় জোট সরকার গঠনে আইইউএমএল-এর গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-র ওয়েনাড় লোকসভা কেন্দ্রেও মুসলিম লিগের প্রভাব রয়েছে। ওয়েনাড়, কোঝিকোড় ও মালাপ্পুরম জেলার একাধিক বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে লিগের সাংগঠনিক শক্তি থাকায় কংগ্রেস নেতৃত্ব তাদের বিরাগভাজন হতে চায়নি। অন্যদিকে সতীশনের উত্থান ঘিরে আদর্শগত বিতর্কও তীব্র হয়েছে। বিজেপি ও সংঘ পরিবার ঘনিষ্ঠ মহলের অভিযোগ, তিনি ইসলামপন্থী সংগঠনগুলির প্রতি নরম মনোভাব পোষণ করেন।

  • Annapurna Bhandar: নারী কল্যাণে নতুন দিগন্ত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, প্রকল্পের আবেদন পদ্ধতি ও উপভোক্তাদের যোগ্যতা কী কী জানেন?

    Annapurna Bhandar: নারী কল্যাণে নতুন দিগন্ত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, প্রকল্পের আবেদন পদ্ধতি ও উপভোক্তাদের যোগ্যতা কী কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে রাজ্যের নারীশক্তির ক্ষমতায়নে এক বড় পদক্ষেপ নিল বর্তমান বিজেপি সরকার (BJP goverment in Bengal)। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের পরিবর্তে এখন থেকে কার্যকর হতে চলেছে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ (Annapurna Bhandar)। এই প্রকল্পের আওতায় আর্থিক সহায়তার পরিমাণ দ্বিগুণ করে মাসিক ৩,০০০ টাকা করা হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এই প্রকল্পের আবেদন পদ্ধতি ও উপভোক্তাদের যোগ্যতা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন।

    ১ জুন থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে (Annapurna Bhandar)

    মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “সবাই পাবেন। যারা যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছিলেন, সবাই অন্নপূর্ণার ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) পাবেন। সবই ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারে হবে। কিন্তু দেওয়ার আগে, ১ জুন…মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ১ জুন থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে। কিন্তু, তার আগে আমরা একটা অ্যানালিসিস করতে চাই, যাদের যাদের নাম কাটা গেছে তাঁরা যদি কেউ পান তাহলে তো তাঁদের পাওয়ার কথা নয়। যিনি মারা গেছেন, তাঁর পাওয়ার কথা নয়। যিনি আমাদের দেশের নাগরিক নন, তাঁর পাওয়ার কথা নয়। সুতরাং সেই অ্যানালিসিসিটা হবে, যাদের যাদের নাম কাটা গেছে তাঁদের মধ্যে কতজন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন। তাঁদের নাম বাদ যাবে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে রাজ্যের প্রতিটি প্রকৃত নাগরিক যেন অত্যন্ত সহজে এই সরকারি সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন। শিক্ষার স্তর যা-ই হোক না কেন, অনলাইনে আবেদন করতে কারো কোনো সমস্যা হবে না।”

    প্রকল্পের মূল খুঁটিনাটি

    • ● চালু হওয়ার তারিখ: আগামী ১লা জুন থেকেই যোগ্য উপভোক্তারা এই প্রকল্পের (Annapurna Bhandar) সুবিধা পেতে শুরু করবেন।
    • ● আবেদন পদ্ধতি: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি হবে অনলাইনভিত্তিক।
    • ● সরলীকরণ: মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (BJP goverment in Bengal) জানিয়েছেন, প্রথাগত ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরের পরিবর্তে এবার প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। যারা খুব বেশি শিক্ষিত নন বা প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্ত নন, তাদের কথা মাথায় রেখে আবেদনের পোর্টালটি অত্যন্ত সহজবোধ্য করে তৈরি করা হয়েছে।

    কারা এই সুবিধার আওতায় আসবেন?

    প্রকল্পের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার কিছু নির্দিষ্ট নির্দেশিকা জারি করেছে:

    • ১> লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তা: যারা আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পেতেন, তারা সকলেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের (Annapurna Bhandar) জন্য বিবেচিত হবেন।
    • ২> নাগরিকত্ব যাচাই: ভোটার তালিকা থেকে যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই প্রক্রিয়া চালানো হবে। তবে যারা বাংলাদেশি বা অনুপ্রবেশকারী (রোহিঙ্গা), তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
    • ৩> CAA ও ট্রাইব্যুনাল আবেদনকারী: যারা সিএএ (CAA)-এর অধীনে আবেদন করেছেন বা যাদের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিষয়টি বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন, তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে না। তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন।
    • ৪> মৃত উপভোক্তা: কোনও উপভোক্তা মৃত্যুবরণ করলে স্বাভাবিকভাবেই তার পরিবার এই প্রকল্পের সুবিধা আর পাবেন না।

    আবেদন করতে যে যে তথ্য লাগবে

    • আধার কার্ডের জেরক্স কপি
    • ভোটার কার্ডের জেরক্স কপি
    • রেশন কার্ডের জেরক্স কপি
    • ব্যাঙ্কের পাসবুকে জেরক্স কপি
    • সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট মাপের একটি কালার ছবি
  • West Bengal Govt Rules: ফ্রি হ্যান্ড দেওয়া হল সিবিআই, ইডি-কে! যেখানে-সেখানে পশুহত্যা নয়, মোয়াজ্জেম ভাতা নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

    West Bengal Govt Rules: ফ্রি হ্যান্ড দেওয়া হল সিবিআই, ইডি-কে! যেখানে-সেখানে পশুহত্যা নয়, মোয়াজ্জেম ভাতা নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের রায় মেনে পশুহত্যা নিয়ে কড়া পদক্ষেপের কথা জানাল রাজ্য সরকার। সরকারি নির্দেশিকায় প্রকাশ্যে পশুহত্যা বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। বুধবার বিধায়ক হিসেবে শপথ গ্রহণ করার পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পাঁচ মন্ত্রীর দফতর বণ্টনের পর বৈঠক করেছিলেন তিনি। এবার সব দফতরের সচিবদের নিয়ে বৈঠক করলেন শুভেন্দু। বুধবার সেই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শিক্ষা দফতরে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা বলেছেন। পশুহত্যা নিয়ে সরব হয়েছেন। একই সঙ্গে জানিয়েছেন এবার থেকে রাজ্য সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করতে রাজ্য সরকারের কোনও অনুমোদন নিতে হবে না কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে। দুর্নীতি হঠাতে কড়া সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    পশুহত্যা নিয়ে কী কী শর্ত দিল রাজ্য

    গরু, মহিষ, বলদ ও বাছুর বলির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সার্টিফিকেট থাকতে হবে। পশুহত্যার আগে পুরসভার চেয়ারম্যান/পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সরকারি পশুচিকিৎসকের যৌথ শংসাপত্র থাকা বাধ্যতামূলক। কেউ সার্টিফিকেট দিতে অস্বীকার করলে, ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে অভিযোগ জানানো যাবে। প্রকাশ্য জায়গায় বা রাস্তার ধারে পশুহত্যা নিষিদ্ধ। শুধুমাত্র সরকার অনুমোদিত কসাইখানায় পশুবলি করা যাবে। নিয়ম ভেঙে পশুহত্যা করলে আইন অনুযায়ী, ৬ মাস পর্যন্ত জেল অথবা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। দুটোই হতে পারে। এই নির্দেশিকায় একটি মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে আদালত রায় দিয়েছিল। নির্দেশিকায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের রায় রাজ্য সরকারের ওয়েবসাইট খুললেই দেখা যাবে।

    শিক্ষা-স্বাস্থ্য-তথ্য-সংস্কৃতি দফতর নিয়ে সিদ্ধান্ত

    এখনও মন্ত্রী ঠিক না হলেও শিক্ষা দফতরের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্তকে। আগামী সোমবার থেকেই স্নাতক স্তরের ভর্তি প্রক্রিয়া অনলাইনে শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তীব্র গরমের কারণে স্কুলের ছুটি আরও ১৪ দিন বাড়ানো হয়েছে। স্কুল খুলবে আগামী ১ জুন। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে সাংস্কৃতিক জগতের বিধায়কদের। এই তালিকায় রয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী ও হিরণ চট্টোপাধ্যায়। স্বাস্থ্য দফতরের কাজে যুক্ত থাকবেন চিকিৎসক-বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায় ও ইন্দ্রনীল খাঁ। আগামী দু’দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের বিভিন্ন দফতরের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই মুখ্যমন্ত্রী নিজে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা দফতরে গিয়ে সচিবদের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করবেন।

    মোয়াজ্জেম ভাতা অনলাইনে

    মোয়াজ্জেম ভাতা এবার থেকে সম্পূর্ণ অনলাইনে দেওয়া হবে। সেই পরিষেবা শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার থেকেই। বিএসএফের জন্য জমি হস্তান্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে। ক্ষুদ্র শিল্প দফতরে কেন্দ্রীয় প্রকল্প সংক্রান্ত প্রায় ২৫ লক্ষ আবেদন দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে। দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জল জীবন মিশনে “কল আছে, জল নেই” পরিস্থিতি আর বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের নির্দেশিকা মেনে টেন্ডার ও দরপত্র প্রক্রিয়া চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রাজ্যের নিজস্ব আয় বৃদ্ধির ওপরও বিশেষ জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    দুর্নীতি হঠাতে কড়া সিদ্ধান্ত

    এবার থেকে রাজ্য সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করতে রাজ্য সরকারের কোনও অনুমোদন নিতে হবে না কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে। দুর্নীতি হঠাতে কড়া সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কার্যত ফ্রি হ্যান্ড দেওয়া হল সিবিআই, ইডি-র মতো তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে শিক্ষা থেকে পুরসভায় নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি সামনে এসেছে। গ্রেফতার হয়েছেন একের পর এক হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারি আমলা। কিন্তু বারবার সেই কাজে বাধা দিয়েছে তৎকালীন রাজ্য সরকার।

    কলেজগুলির পরিচালন সমিতি ভেঙে দিল রাজ্য সরকার

    রাজ্যের সব সরকারী এবং সরকারী সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলি পরিচালন সমিতি ভেঙে দিয়েছে রাজ্য সরকার। উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে গতকাল এই মর্মে নির্দেশিকা জারি হয়েছে। নতুন সরকার, অবসরপ্রাপ্তদের পুনর্নিয়োগ ও চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে। সেই অনুযায়ী কলেজগুলির পরিচালন সমিতি ভেঙে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত। এরফলে পরিচালন সমিতির সভাপতি ও অন্যান্য মনোনীত সদস্যদের মেয়াদ বাতিল হয়ে গেল। উল্লেখ্য, গত এক দশকে রাজ্যের বিভিন্ন কলেজে পরিচালন সমিতিতে শাসক দলের নেতাদের প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠছিল। স্বচ্ছতা ফেরাতেই এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে।

    রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য নির্দেশিকা

    আসি যাই মাইনে পাই কালচারে ইতি! রাজ্য সরকারি কর্মীদের (Government Employees) জন্য কড়াকড়ি শুরু করল রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। মমতা জমানার অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আর নতুন বিজেপি সরকার রাজ্যের কর্মসংস্কৃতিতে আমূল বদল আনতে চলছে বলেই মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সরকারি কর্মীদের জন্য জারি হয়েছে কড়া নির্দেশিকা। এবার থেকে সরকারি কর্মীদের প্রত্যেক কাজের দিন সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে অবশ্যই অফিসে উপস্থিত হতে হবে। ছুটির সময় নিয়েও কড়াকড়ি। বলা হয়েছে কাজ শেষ করে বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের আগে কোনও অবস্থাতেই অফিস ছাড়া যাবে না। ক্ষমতায় এসেই সরকারি পরিষেবাকে গতিশীল করতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। এতদিন সরকার চলেছে দলের নির্দেশে, কিন্তু এবার থেকে মানুষের প্রয়োজনে চলবে সরকার।

  • Shantanu Sinha Biswas: বারবার তলব এড়িয়ে শেষমেশ ইডি দফতরে হাজির কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস

    Shantanu Sinha Biswas: বারবার তলব এড়িয়ে শেষমেশ ইডি দফতরে হাজির কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির দফতরে অবশেষে হাজির হলেন কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (DCP) শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির অফিসে পৌঁছন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দুই আইনজীবী। দীর্ঘদিন ধরে একাধিক মামলায় তাঁকে তলব করলেও হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।

    লুকআউট নোটিস জারি করেছিল ইডি…

    বুধবারই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের খোঁজ পেতে নিরাপত্তা অধিকর্তাকে চিঠি পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এর পরেই বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর ইডি দফতরে হাজিরা ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়। উল্লেখ্য, কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনুকে এর আগে একাধিকবার নোটিস পাঠিয়েছিল ইডি। গত ২৮ এপ্রিলও তাঁকে তলব করা হলেও তিনি হাজির হননি বলে সূত্রের খবর। বারবার তলব এড়িয়ে যাওয়ার পর কেন্দ্রীয় সংস্থা তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলার (LOC) জারি করে। যাতে তিনি দেশ ছেড়ে বিদেশে পালাতে না পারেন, সেই উদ্দেশ্যে দেশের সমস্ত বিমানবন্দর, সীমান্তবর্তী বিএসএফ আউটপোস্ট এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।

    একাধিক অভিযোগ বিদ্ধ কলকাতা পুলিশের ডিসি…

    শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তদন্তের পরিধি একাধিক মামলাকে ঘিরে বিস্তৃত। দক্ষিণ কলকাতার গ্যাংস্টার ‘সোনা পাপ্পু’-র বিরুদ্ধে জমি দখল, তোলাবাজি এবং আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে তাঁর নাম উঠে আসে বলে ইডি সূত্রে খবর। এছাড়াও এনআরআই কোটায় ভর্তি দুর্নীতি মামলাতেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। পাশাপাশি বালি পাচার মামলাতেও তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তলব করা হয়। অন্যদিকে, আর্থিক তছরুপের অভিযোগে বেহালার নির্মাণ ব্যবসায়ী তথা সান কনস্ট্রাকশনের মালিক জয় কামদার গ্রেফতার হওয়ার পর তদন্তে নতুন তথ্য হাতে আসে বলে দাবি ইডির। সেই সূত্র ধরেই শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার চেষ্টা আরও জোরদার করে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে বৃহস্পতিবার ইডির দফতরে হাজিরা দিলেন কলকাতা পুলিশের এই শীর্ষ কর্তা। তাঁর জিজ্ঞাসাবাদে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারী মহলের।

  • West Bengal HS Result 2026: প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিকের ফল, ৪৯৬ পেয়ে প্রথম নরেন্দ্রপুরের আদৃত পাল

    West Bengal HS Result 2026: প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিকের ফল, ৪৯৬ পেয়ে প্রথম নরেন্দ্রপুরের আদৃত পাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। ৭৬ দিনের মাথায় বৃহস্পতিবার সকালে ফল প্রকাশ করল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সাংবাদিক বৈঠক করে সংসদের দফতরে এই ফল প্রকাশ করা হল। এই বছর উচ্চ মাধ্যমিকে পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ১২ ফেব্রুয়ারি। চতুর্থ সেমেস্টারের পাশাপাশি তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষাও নেওয়া হয়। আবার পুরনো বার্ষিক পদ্ধতিতেও এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়।

    পাশের হারে এগিয়ে কে?

    চলতি বছর পরীক্ষায় নাম নথিভুক্ত করেছিল ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯৩১ জন। পরীক্ষা দিয়েছে ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ২৫৮ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লক্ষ ৭১ হাজার ৩৫৫ জন। পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ। পাশের হারে এগিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর (৯৪.১৯ শতাংশ)। এর পর রয়েছে হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, নদিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতা, পুরুলিয়া, দার্জিলিং। মোট ৬৪ জন প্রথম দশের তালিকায়। প্রথম দশে ৮ জন ছাত্রী। প্রথম দশে কলকাতার ৪ জন।

    মেধাতালিকায় প্রথম কে?…

    ৪৯৬ পেয়ে প্রথম নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের আদৃত পাল। দ্বিতীয় স্থানে তিনজন রয়েছেন পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ‍্যাপীঠের জিষ্ণু কুণ্ডু, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ঋতব্রত নাথ এবং ঐতিহ‍্য পাঁচাল। তৃতীয় স্থানে ৫ জন— দেবপ্রিয় মাঝি রামকৃষ্ণ মিশন বিদ‍্যাপীঠ পুরুলিয়া, তণ্ময় মণ্ডল রামকৃষ্ণ মিশন বিদ‍্যাপীঠ পুরুলিয়া, সৌম‍্য রায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন, শুভায়ন মণ্ডল সিউড়ি পাবলিক, এবং প্রীতম বল্লভ পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশন বিদ‍্যাপীঠ। চতুর্থ স্থানে ৬ জন— অরিত্র কুমার চক্রবর্তী (হুগলি), গোলাম ফাইসল (কলকাতা), অর্কদ্যুতি ধর (দক্ষিণ ২৪ পরগনা), চন্দ্রচূড় সেন (কোচবিহার), মেঘনা মজুমদার (হুগলি) এবং ত্রিদেব চক্রবর্তী (পুরুলিয়া)।

    কী ভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

    • ● প্রথমে https://result.wb.gov.in/ এই ওয়েবসাইটে যেতে হবে।
    • ● এর পরই ফলাফল দেখার পাতাটি খুলে যাবে।
    • ● সেখানে রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে।
    • ● তা হলেই পড়ুয়ারা দেখতে পেয়ে যাবেন ফল।

    এদিন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পার্থ কর্মকার জানিয়েছেন, নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করতে চলেছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। ফল প্রত্যাশিত না হলে, চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষার্থীরা ফের পরীক্ষায় বসতে পারবেন। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই জারি করা হবে।

  • Suvendu Adhikari: বিজয় শোভাযাত্রা শুভেন্দুর, রাস্তার ধারে জনতার ঢল! ভবানীপুর রাখলেন নন্দীগ্রাম ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: বিজয় শোভাযাত্রা শুভেন্দুর, রাস্তার ধারে জনতার ঢল! ভবানীপুর রাখলেন নন্দীগ্রাম ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রাম ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ভবানীপুরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারান শুভেন্দু। ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবেই বুধবার শপথ নিলেন তিনি। বিকেলে ভবানীপুরেই রোড শো করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে দেখার জন্য রাস্তার দু’ধারে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ভবানীপুরের রাস্তায় পুষ্পবৃষ্টিতে তাঁকে স্বাগত জানান সাধারণ জনতা। বুধবার বিকেলে চেতলা লক গেট এলাকা থেকে শুরু হয় শুভেন্দুর বিজয় শোভাযাত্রা। শেষ হয় হাজরা মোড়ে। ভবানীপুরের ৭৩, ৭৪ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ড প্রদক্ষিণ করেন তিনি।

    আগামী ছয় মাসের মধ্যে উপনির্বাচন নন্দীগ্রামে

    এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে রাজনৈতিকভাবে বড় চমক দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে ভবানীপুর উপনির্বাচনে জিতে বিধায়ক পদে ফেরেন মমতা এবং তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। এরপর ২০২৬ সালের নির্বাচনে আবারও নন্দীগ্রামের পাশাপাশি মমতার পুরোনো আসন ভবানীপুর থেকেও লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জ নেন শুভেন্দু এবং দুই কেন্দ্রেই জয়লাভ করেন। এবারে নন্দীগ্রামে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৃণমূলের পবিত্র কর। শুভেন্দু ভবানীপুর আসন ছেড়ে দেওয়ায় ওই আসনে আগামী ছয় মাসের মধ্যে উপনির্বাচন হবে।

    ভবানীপুরে ভোটারদের ধন্যবাদ শুভেন্দুর

    ভবানীপুর জয়ের পরে এ বার সেখানকার ভোটারদের ধন্যবাদ জানাতে রোড শো-ও করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিকেলে সুসজ্জিত গাড়িতে করে রোড শো করেন তিনি। এ বারের নির্বাচনে শুরুর থেকেই গোটা রাজ্যের নজর ছিল ভবানীপুরে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছিলেন শুভেন্দু। জয়ের বিষয়ে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন তিনি। শেষে ১৫,১০৫ ভোটে মমতাকে পরাস্ত করে শেষ হাসি হাসেন শুভেন্দুই। বিজেপি সূত্রে খবর, ভবানীপুরে জয়ের পরই এই রোড শো করার কথা স্থির করে ফেলেছিলেন শুভেন্দু।

    কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমালেন শুভেন্দু

    এদিন শপথ গ্রহণের আগেই বড় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পথ অনুসরণ করে নিজের কনভয়ের গাড়ির সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন তিনি। শুধু মুখ্যমন্ত্রীই নন, এদিন বিধানসভায় বিধায়ক পদে শপথ নিতে বিজেপি বিধায়কদের অনেকেই বাসে করে আসেন। ভবিষ্যতে মন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও একই নীতি কার্যকর হতে পারে বলে সূত্রের খবর। এর আগে বুধবার সকালে বিধানসভায় গিয়েছিলেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথগ্রহণ আগেই হয়ে গিয়েছিল। বুধবার প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় তাঁকে বিধায়ক পদে শপথবাক্য পাঠ করান। প্রথামাফিক মুখ্যমন্ত্রীকে বিধানসভা চত্বরে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। বিআর অম্বেডকরের মূর্তিতে মাল্যদান করেন শুভেন্দু। তার পর বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ঘরে যান তিনি। সেখানে পুজো দেন। শুভেন্দুর পর শপথ নেন রাজ্য মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যেরা। তার পর অন্য বিধায়কদের শপথগ্রহণ শুরু হয়।

     

     

     

     

  • Hantavirus: হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম কী? কেন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এই রোগ? কারা আক্রান্ত হতে পারেন?

    Hantavirus: হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম কী? কেন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এই রোগ? কারা আক্রান্ত হতে পারেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    হঠাৎ করেই শরীরের উত্তাপ বাড়তে থাকে। সঙ্গে মাথার যন্ত্রণা! কয়েক দিনের এই উপসর্গের পরেই দেখা দেয়, বমি, তীব্র শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, আগাম সতর্কতা জরুরি। না হলেই বড় বিপদ ঘটতে পারে! সম্প্রতি, হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম (HPS) নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সম্প্রতি দুজন ভারতীয় এই বিরল ভাইরাস (Hantavirus) ঘটিত অসুখে আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, অযথা বিভ্রান্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে সতর্কতা জরুরি। না হলেই সংক্রামক রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে।

    হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম কী?

    হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম একটি ভাইরাস ঘটিত অসুখ। এটা মূলত ফুসফুসে হয়। হান্টা ভাইরাস থেকে ফুসফুসের সংক্রমণ ঘটে। এই রোগ ইঁদুরের থেকে মানুষের শরীরে সংক্রামিত হয়।

    কীভাবে এই রোগ সংক্রামিত হতে পারে?

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ইঁদুরের থেকেই মানুষের শরীরে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে। ইঁদুরের লালা, মল কিংবা মূত্র থেকেই এই ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে‌। এমনকি ইঁদুর কামড়ালেও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। আক্রান্তের শরীর থেকে আরেকজনের দেহে হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

    কীভাবে এই রোগ চিহ্নিত করা সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নির্দিষ্ট শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম সনাক্ত করা সম্ভব। তবে, তার আগে এই রোগের উপসর্গ সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি। প্রচন্ড জ্বর, মাথা ব্যথা, পেটের সমস্যার মতো প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দেয়। এরপরে বমি এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। কাশিও হয়। এছাড়া বুকের মধ্যে ভারি কিছু জমে থাকার অনুভূতি হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দিলেই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতো রক্ত পরীক্ষা করা উচিত। সাধারণত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই আক্রান্ত চিহ্নিত করা সম্ভব। তবে অনেক সময় সিটি স্ক্যান এবং বুকের এক্স রে করার প্রয়োজন হয়। রোগী দ্রুত চিহ্নিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।

    কাদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি?

    যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম ইঁদুর থেকে হয়। তাই গ্রামাঞ্চলে এই রোগের প্রকোপ বেশি হতে পারে। বিশেষত যাঁরা গম ও চালের গুদামে কাজ করেন। তাঁদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। তবে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি বিদেশের একটি ক্রুজ জাহাজে ভ্রমণকালে দুই ভারতীয়র শরীরে এই ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। তাই শুধু গ্রামীণ এলাকার মানুষ নন, শহুরে ভারতীয়দের ও সতর্ক থাকা জরুরি।

    এই ভাইরাস কেন উদ্বেগ বাড়াতে পারে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম প্রাণঘাতী একটি ভাইরাসজনিত অসুখ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিশ্বের একাধিক দেশের তথ্য অনুযায়ী, ১০ জন হান্টা পালমোনারি সিনড্রোম আক্রান্তের মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু হয়। এই রোগে আক্রান্তের মৃত্যু হার অনেকটাই বেশি। শ্বাসকষ্ট জনিত এই অসুখে বড় জটিলতা তৈরি হয়। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে জটিলতা বেশি দেখা যায়। যাদের ফুসফুসের অসুখ রয়েছে, এই রোগ তাদের জন্য বাড়তি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। কারণ এই ভাইরাস ফুসফুসকের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। ভারতে স্বাস্থ্য বিপর্যয় হয়নি। তবে আগাম সচেতনতা জরুরি। তবেই বড় বিপদ আটকানো‌ যাবে।

  • Daily Horoscope 14 May 2026: কাজকর্মে একাধিক বাধার সম্মুখীন হবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 14 May 2026: কাজকর্মে একাধিক বাধার সম্মুখীন হবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) নিজের চিন্তাভাবনা উন্নত করুন।

    বৃষ

    ১) আজ ভালো ফল পাবেন।

    ২) আধিকারিকরা কাজের প্রশংসা করবে।

    ৩) কর্মশৈলীর দ্বারা বরিষ্ঠদের প্রভাবিত করতে সফল হবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি প্রতিকূল প্রমাণিত হবে।

    ২) কাজকর্মে একাধিক বাধার সম্মুখীন হবেন।

    ৩) বন্ধু ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারেন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) কর্মক্ষেত্রে উৎসাহের সঙ্গে কাজ করুন।

    ৩) নিজের কাজে অঢেল সাফল্য লাভ করতে পারবেন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) সতর্ক থাকুন।

    ৩) আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি প্রতিকূলতায় কাটবে।

    ২) ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক জীবনে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।

    ৩) ধৈর্য ধরে কাজ করুন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো কাটবে।

    ২) কাজে সফল হবেন।

    ৩) মেজাজ ভালো থাকবে।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি আপনার জন্য ভালো।

    ২) কাজে সফল হবেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে উৎসাহের সঙ্গে কাজ করবেন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) কাজকর্মে সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) ব্যবসায়ে নতুন প্রকল্পে লগ্নি করতে পারেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি অশুভ পরিণাম নিয়ে আসছে।

    ২) অনিয়ন্ত্রিত কিছু ঘটনার মুখোমুখি হতে পারেন।

    ৩) নিজের কাজে সতর্ক থাকুন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো পরিণাম নিয়ে আসছে।

    ২) নিজের কার্যশৈলীর দ্বারা বরিষ্ঠদের প্রভাবিত করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) আধিকারিকরা আপনার কাজের প্রশংসা করবেন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) নতুন সম্ভাবনা আপনার সামনে প্রকাশিত হবে, তা স্বীকার করার জন্য প্রস্তুত থাকুন।

    ৩) নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য সময় ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Pakistan: পাকিস্তানের ১৫,০০০ শ্রমিকের পাসপোর্টে ‘জেল খাটা’ ও ‘পলাতক’ তকমা, ফেরত পাঠাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত

    Pakistan: পাকিস্তানের ১৫,০০০ শ্রমিকের পাসপোর্টে ‘জেল খাটা’ ও ‘পলাতক’ তকমা, ফেরত পাঠাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) থেকে গণহারে পাকিস্তানি শ্রমিকদের ফেরত পাঠানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ এবং অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমে প্রায় ১৫,০০০ পাকিস্তানি (Pakistan) শ্রমিককে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে জানা গিয়েছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হল, এই শ্রমিকদের পাসপোর্টে ‘জেল খাটা’ (Jailed) এবং ‘পলাতক’ (Absconding)-এর মতো নেতিবাচক সিল মেরে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে ভবিষ্যতে তাঁদের অন্য কোনও দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই নিয়ে বিশ্বদরবারে পাকনাগরিকদের ফের আরও একবার মুখপুড়ল।

    ঘটনার নেপথ্যে আসিম মুনিরের ইরান নীতি(Pakistan)?

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গণ-ডিপোর্টেশনের পেছনে শুধুমাত্র প্রশাসনিক কারণ নেই, বরং এর গভীরে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ। পাকিস্তানের (Pakistan) সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সাম্প্রতিক ইরান নীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের (UAE) দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন এর অন্যতম কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইরান ও পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    শ্রমিকদের ওপর প্রভাব

    যেসব শ্রমিকদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের অধিকাংশেরই অভিযোগ যে তাঁদের কোনও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। পাসপোর্টে ‘পলাতক’ বা ‘অপরাধী’ তকমা লাগিয়ে দেওয়ার ফলে এই বিশাল সংখ্যক মানুষ এখন কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। পাকিস্তানের (Pakistan) বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম উৎস হল রেমিট্যান্স, আর মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা এই অর্থ। এবার সেই অর্থ কমে গেলে পাকিস্তানের (UAE) নড়বড়ে অর্থনীতি আরও বড় সংকটের মুখে পড়বে।

    নিরাপত্তা ও আইনি জটিলতা

    সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিসার নিয়ম লঙ্ঘন এবং নিরাপত্তার কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান যেভাবে ইরানের সঙ্গে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বৃদ্ধি করছে, তার পাল্টা জবাব হিসেবেই আমিরাত এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের (UAE) দেশগুলো এখন পাকিস্তানের (Pakistan) ওপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে তাদের বিদেশ নীতি পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে।

    পাকিস্তান সরকারের নীরবতা

    এই বিশাল সংকটের মুখেও পাকিস্তান (Pakistan) সরকার বা সে দেশের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও জোরালো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। লক্ষাধিক শ্রমিকের ভবিষ্যৎ যখন অন্ধকারে, তখন সেনাপ্রধানের কৌশলগত অবস্থান পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের রুটিরুজিতে টান দিচ্ছে বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল (UAE)। এই পরিস্থিতি পাকিস্তান ও আরব বিশ্বের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর এক বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছ।

LinkedIn
Share