Tag: Madhyom

Madhyom

  • Anant Ambani: আম্বানি-পুত্রের প্রাক-বিবাহের প্রস্তুতি, ১০ দিনের জন্য আন্তর্জাতিক তকমা বিমানবন্দরের

    Anant Ambani: আম্বানি-পুত্রের প্রাক-বিবাহের প্রস্তুতি, ১০ দিনের জন্য আন্তর্জাতিক তকমা বিমানবন্দরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা জামনগর জুড়ে এখন উৎসবের মরশুম। কারণ একটাই, সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন রিলায়েন্সের কর্ণধার মুকেশ আম্বানির পুত্র অনন্ত আম্বানি। রাধিকা মার্চেন্টের সঙ্গে অনন্ত আম্বানির (Anant Ambani) প্রাক-বিবাহের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে এরই মধ্যে। শুধুমাত্র দেশের ভিভিআইপিরা নয়, সুদূর বিদেশের মাটি থেকেও আসছেন ভিভিআইপি নানা আমন্ত্রিত মানুষজন। আর তাঁদের স্বাগত জানাতে অভিনব ভাবে ফুলমালা দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে জামনগর বিমানবন্দর। শুধু তাই নয়, মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে যে বিষয়টি সেটি হল, গত ১০ দিনের জন্য এই জাতীয় বিমানবন্দরটিকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করে দেওয়া হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক ভিভিআইপি’দের স্বাগত জানতেই সিদ্ধান্ত (Anant Ambani)

    জামনগর বিমানবন্দরকে আগামী ১০ দিনের জন্য আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তকমা দিল ভারতীয় বায়ু সেনা। আম্বানি পুত্র অনন্ত আম্বানির বিবাহ অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বহু ভিভিআইপি আমন্ত্রিত আছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই দেশে এসে পৌঁছেছেন। তাঁদের যাতে কোনও রকম অসুবিধা না হয়, তাই নিরাপত্তার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছেন রক্ষীরা। প্রাক্‌-বিবাহ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন মাইক্রোসফ্‌ট কর্তা বিল গেটস, মেটার সিইও মার্ক জুকারবার্গ, ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্পের মতো ভিভিআইপি অতিথিরা। ১০ দিন বিমানবন্দরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমানের ওঠানামা হচ্ছে, যার ফলে বায়ুসেনার এমন সিদ্ধান্ত (Anant Ambani)। সমস্ত ভিভিআইপি আমন্ত্রিতদের যাতে কোনও রকম অসুবিধা না হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রক, অর্থ মন্ত্রক এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উদ্যোগে জামনগর বিমানবন্দরে আলাদা শুল্ক দফতর, অভিবাসন দফতর এবং কোয়ারেন্টাইন বিভাগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাছাড়াও এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে একটি যাত্রী টার্মিনাল বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছে।

    জুলাই মাসেই গাঁটছড়া বাঁধবেন আম্বানিপুত্র (Anant Ambani)

    প্রি ওয়েডিং সেলিব্রেশনের পর অবশেষে ১২ জুলাই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন দু’জন। এই তারিখটিকেই কেন বেছে নেওয়া হল, তার পিছনেও রয়েছে কারণ। এই দিনটি সমৃদ্ধি ও দাম্পত্য জীবনের জন্য খুবই সুখকর বলে মনে করা হচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্রের বিচারে। তাছাড়া বৃহস্পতিবারের বিবাহ লগ্নকে জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী শুভ বলে ধরা হয়। এছাড়াও ১২ জুলাই দুপুর ১২টা ৩২ মিনিট থেকে সপ্তমী তিথি শুরু হচ্ছে,  যা বিবাহ অনুষ্ঠানের (Anant Ambani) জন্য নাকি শুভ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: বিয়েবাড়িতে যোগদান করে মোদির প্রশংসা লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার

    Cooch Behar: বিয়েবাড়িতে যোগদান করে মোদির প্রশংসা লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে (Cooch Behar) বিয়েবাড়িতে এসে মোদির প্রশংসা করলেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। এই জেলার গোপালপুরের ইকরচালা গ্রামের বাসিন্দা দীনবন্ধু প্রায় পনেরো বছর ধরে ওম বিড়লার পার্সোনাল অ্যাটেন্ড্যান্ট হিসাবে কাজ করছেন। তাঁর আমন্ত্রণে লোকসভার অধ্যক্ষ এদিন বিয়েবাড়িতে আসেন। স্বাভাবিকভাবেই এলাকার বিজেপির কর্মীরা সাক্ষাৎ করেন তাঁর সঙ্গে। 

    বিয়েবাড়িতে লোকসভার অধ্যক্ষ (Cooch Behar)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভার অধ্যক্ষের পার্সোনাল অ্যাটেন্ড্যান্ট হিসাবে কাজ করেন দীনবন্ধু বর্মণ। তাঁরই নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদান করতে আসেন ওম বিড়লা। এই কোচবিহারের বিয়ে বাড়িতে যোগদান করে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাজের ব্যাপক প্রশংসা করেন তিনি। তিনি জোরালো ভাবে বলেন, “দেশে তৃতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।”

    ঠিক কী বললেন ওম বিড়লা? (Om Birla)

    এদিন কোচবিহারের বিয়েবাড়িতে গিয়ে ওম বিড়লা বলেন, “গত দশ বছরে আর্থিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশে বিরাট পরিবর্তন এসেছে। দেশের মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস এবং ভরসা অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের প্রান্তিক এলাকার মানুষের জীবনের মান বদলে অনেক সক্রিয় হয়েছে সরকার। গরিব এবং বঞ্চিত মানুষের জন্য সরকারের বহু নীতি, যোজনা এবং পরিকল্পনাকে ব্যাপক ভাবে বাস্তবায়নের কাজ করতে সার্থক প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। আজ দেশে তীব্র গতিতে বেড়ে চলছে অর্থ ব্যবস্থার গতি-প্রকৃতি, ফলে সামাজিক এবং আর্থিক পরিসরে নতুন ভারত নির্মাণের লক্ষ্যে ভারত উন্নত রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে বিকশিত ভারতের যাত্রা সুদূর প্রসারী হবে।”

    দীনবন্ধুর পরিবারের বক্তব্য (Cooch Behar)

    কোচবিহারে (Cooch Behar) দীনবন্ধুর পরিবারের সদস্যরা বলেন, “দীনবন্ধুর বাবা এবং মা পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন জয়পুরে। সেই সময় ওম বিড়লার কাছে কাজের সুযোগ রয়েছে জানতে পেরে ছেলেকে নিয়ে তাঁর বাড়িতে যান। এরপর থেকে দীনবন্ধু ওম বিড়লার বাড়িতে কাজ শুরু করেন। স্পিকার যেখানে যেখানে যান, সেখানে সেখানে সঙ্গে সঙ্গে থাকেন দীনবন্ধু।” এদিন বিয়েবাড়িতে অধ্যক্ষের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তিনি ঘণ্টা খানেক উপস্থিত থাকেন, তারপর বেরিয়ে যান। এদিকে তাঁকে দেখার জন্য গ্রামের মানুষ ভিড় করেন। জেলার বিজেপির নেতৃত্বরা পৌঁছালে, তাঁদের সঙ্গে কথাও বলেন স্পিকার।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘সন্দেশখালির ঝড় সারা বাংলায় আছড়ে পড়বে’, বারাসতে বললেন মোদি

    Narendra Modi: ‘সন্দেশখালির ঝড় সারা বাংলায় আছড়ে পড়বে’, বারাসতে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা-বোনেদের সঙ্গে অত্যাচার করে তৃণমূল ঘোর পাপ করেছে। সন্দেশখালিতে যা যা হয়েছে, তাতে যে কারোর মাথা লজ্জায় ডুবে যাবে। সন্দেশখালির ঝড় সারা বাংলায় আছড়ে পড়বে। বারাসতের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সন্দেশখালি ইস্যুতে তৃণমূলকে এই ভাষাতেই কড়া আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তিনি বলেন, আপনাদের দুঃখে তৃণমূলের সরকারের কিছু যায় আসে না। বাংলার তৃণমূল সরকার দোষীদের বাঁচাতে পুরো শক্তি লাগিয়েছে। কিন্তু, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য।

    সারা বাংলায় আছড়ে পড়বে সন্দেশখালির ঝড় (Narendra Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, গরিব, দলিত আদিবাসী মহিলাদের তৃণমূলের নেতারা জায়গায় জায়গায় অত্যাচার করছে। কিন্ত, তৃণমূল সরকারের ভরসা রয়েছে অত্যাচারী নেতার ওপর, বাংলার মা-বোনেদের ওপর এই সরকারের কোনও ভরসা নেই। এই কারণেই বাংলার মেয়েরা ক্ষোভে ফুঁসছেন। মহিলাদের সেই আক্রোশ শুধু সন্দেশখালি পর্যন্তই সীমিত নেই, সারা বাংলাতেই সন্দেশখালির ঝড় আছড়ে পড়বে। আমি দেখছি তৃণমূলের মাফিয়ারাজ ধ্বংস করতে বাংলার নারীশক্তি জেগে উঠবে। তুষ্টিকরণ আর তোলাবাজদের জন্য রয়েছে তৃণমূল সরকার। এই সরকার মা-বোনেদের রক্ষা করবে না। সন্দেশখালির মহিলারাই দেখিয়েছেন, তাঁদের আওয়াজ শুনবে কেবল বিজেপি। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে সন্দেশখালির মানুষ বারাসতের সভায় এসেছিলেন। সন্দেশখালি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কড়া বক্তব্য শুনে তাঁরা খুশি। সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের হয়ে মোদি তৃণমূলকে আক্রমণ করায় বেজায় খুশি হয়েছেন নির্যাতিতারা।

    মহিলাদের জন্য হেল্পলাইন রাজ্যে চালু হতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার

    তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদি বলেন, তোলাবাজদের হয়ে কাজ করা তৃণমূল সরকার মেয়েদের কথা শুনবে না। কেন্দ্রীয় সরকার ধর্ষণের মতো অভিযোগের জন্য ফাঁসির সাজার ব্যবস্থা করেছে। মহিলারা যাতে অভিযোগ জানাতে পারে, তাই মহিলা হেল্পলাইন বানিয়েছে। কিন্তু এখানে এই সুবিধা লাগু হতে দিচ্ছে না। তৃণমূল সরকার মহিলা বিরোধী। মহিলাদের ভালো করতে পারে না এই সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Obesity: কোন দিকে নজর দিলে দ্রুত কমবে ওজন? ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি ডে-তে কী পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞরা? 

    Obesity: কোন দিকে নজর দিলে দ্রুত কমবে ওজন? ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি ডে-তে কী পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞরা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাড়তি ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তা অনেকের। আবার কেউ কেউ শরীরের অতিরিক্ত ওজনকে (Obesity) বিশেষ পাত্তা দিতে নারাজ। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শরীরের ওজনে নজরদারি জরুরি। দুশ্চিন্তা নয়, বরং সতর্কতা দরকার। তবেই বড় বিপদ এড়ানো‌ যাবে। ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি ডে-তে একাধিক কর্মশালায় চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ওজন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে একাধিক শারীরিক সমস্যা হতে পারে। হৃদরোগ থেকে কিডনির অসুখ, একাধিক শারীরিক সমস্যায় বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করে স্থূলতা। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। কিন্তু প্রশ্ন হল, কোন চারটি দিকে বাড়তি নজর দিলেই দ্রুত নিয়ন্ত্রণে থাকবে ওজন? চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চারটি বিষয়ে বাড়তি বিশেষ নজরদারি জরুরি। তবেই দ্রুত শরীরের ওজন কমানো যাবে। স্থূলতার সমস্যার সহজে মোকাবিলা করা যাবে।

    সকালে নিয়মিত চল্লিশ মিনিট দৌড়ানো (Obesity)

    তরুণ প্রজন্মের একাংশ মারাত্মক স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন। আর তার অন্যতম কারণ অস্বাস্থ্যকর জীবন‌যাপন। তাই চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, স্বাস্থ্যকর জীবন‌যাপন জরুরি। স্থূলতা রুখতে প্রথম শর্ত স্বাস্থ্যকর জীবনের অভ্যাস। তাই নিয়মিত অন্তত চল্লিশ মিনিট দৌড়ানো দরকার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত সকালে এই দৌড়ানোর অভ্যাস থাকলে দ্রুত শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি ক্ষয় হবে। যার জেরে শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমবে (Obesity)। পাশপাশি খোলা মাঠে দৌড়লে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। শরীরের পেশি মজবুত হবে। তাই কম বয়সীদের সুস্থ থাকার অন্যতম শর্ত সকালে ঘুম থেকে উঠে অন্তত চল্লিশ মিনিট দৌড়ানো।

    অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার একেবারেই বাদ 

    শরীর সুস্থ রাখতে খাদ্যাভ্যাসে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের বড় অংশের মধ্যেই এই সচেতনতার অভাব রয়েছে। তাই স্থূলতা থেকে হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা বাড়ছে। স্থূলতার (Obesity) দ্রুত মোকাবিলা করতে অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত পরিমাণে মাংস জাতীয় খাবার কিংবা রাসায়নিক দিয়ে প্রিজারভেটিভ দেওয়া খাবার শরীরে স্থূলতার সমস্যাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই স্থূলতা রুখতে হলে পিৎজা, বার্গার, হটডগ কিংবা মটনকারির মতো পদ মেনু থেকে বাদ দিতে হবে।

    সপ্তাহে অন্তত তিনদিন শারীরিক কসরত (Obesity)

    তরুণ প্রজন্মের অনেকেই কাজের চাপে নিয়মিত শারীরিক কসরত করতে পারেন না। অফিসে ল্যাপটপের সামনে দীর্ঘ সময় বসে থাকতে হয়। কিন্তু শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে সপ্তাহে অন্তত তিনদিন শারীরিক কসরত জরুরি। জুম্বা, অ্যারোবিক কিংবা যোগাভ্যাস, যে কোনও ধরনের শারীরিক কসরত করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, স্থূলতা রুখতে হলে অন্যান্য কাজের মতোই শারীরিক কসরতের জন্য সপ্তাহে কিছু সময় ব্যয় করতে হবে। কিন্তু সেটা হতে হবে নিয়মিত। তাই রুটিন জরুরি। অন্তত তিনদিন নির্দিষ্ট কিছু সময় শারীরিক কসরতের জন্য ব্যয় করতে হবে।

    দিনে একাধিকবার কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার নয়

    শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে লাগাম টানতে হবে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারে। ভাত, রুটি কিংবা আলুর তরকারি কতখানি পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে সেদিকে নজর জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে এনার্জির জোগান বজায় রাখতে দিনে অন্তত একবার ভাত, আলু জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরি। তবে ওজন‌ নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে একাধিকবার কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া চলবে না।‌ তার পরিবর্তে শরীর সুস্থ রাখতে (Obesity) সব্জি, ফল কিংবা ড্রাই ফ্রুটস খেতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barasat PM Modi Meeting: বারাসতে মোদির জনসভায় বিজেপি কর্মীদের জন্য থাকছে নিরামিষ থালি

    Barasat PM Modi Meeting: বারাসতে মোদির জনসভায় বিজেপি কর্মীদের জন্য থাকছে নিরামিষ থালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সভায় ডিম ভাত নয়, থাকছে নিরামিষ থালি। বিজেপি কর্মীদের বারাসতের (Barasat) সভায় থাকছে এই খাবারের মেনু। আজ সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাকে ঘিরে জেলার নানা প্রান্ত থেকে বিজেপি কর্মীদের আসার ঢল নেমেছে। সন্দেশখালি কাণ্ড নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে মোদি তোপ দাগবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    তালিকায় থাকছে ডাল, ভাত ও সবজি (Barasat)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজকের প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) জনসভায় কর্মীদের জন্য থাকবে নিরামিষ থালি। মধ্যাহ্ন ভোজনের তালিকায় থাকছে ডাল, ভাত এবং সবজি। রাজ্যে যেকোনও বড় রাজনৈতিক জনসভায় নানা খাবারের তালিকা লক্ষ্য করা যায়। তৃণমূলের রাজনৈতিক সভা মানেই ডিম ভাত, আবার বামেদের সভায় থাকে রুটি আলুর দম। এই ক্ষেত্রে বিজেপির তালিকা একটু অন্যরকম।

    লোকসভার আগেই ভোটের প্রস্তুতি

    এদিকে লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) ইতিমধ্যে একাধিক সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা, শিলান্যাস এবং বড় বড় জনসভা করছেন। এই রাজ্যে গত ১ এবং ২ মার্চ আরামবাগ-কৃষ্ণনগরে রাজনৈতিক সভা করেছিলেন তিনি। তিনি ঘোষণা করেছেন রাজ্যের জন্য একাধিক বড় প্রকল্প। আবার আজ বুধবার ইষ্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পে এসপ্লেনেড থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত মেট্রো রেলের সূচনা করেছেন। ইতিমধ্যে রাজ্যের ২০ টি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হয়ে গিয়েছে বিজেপির। প্রার্থীরা নিজের নিজের কেন্দ্রে দেওয়াল লিখন, মন্দিরে পুজো দিয়ে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করে দিয়েছেন।

    কাছারি ময়দান সংলগ্ন এলাকায় খাওয়া-থাকার ব্যবস্থা (Barasat)

    মোদির (Narendra Modi) সভাকে ঘিরে বারাসতের (Barasat) সভায় প্রচুর মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। দলের তরফ থেকে আগত কর্মী-সমর্থকদের জন্য খাওয়া এবং থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাছারি ময়দান সংলগ্ন এলাকায় সব কিছুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সভাকে কেন্দ্র করে এলাকায় যানজটের সম্ভাবনাও তৈরী হয়েছে। দলের তরফ থেকে গতকাল দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বারাসতে গিয়েছিলেন সভাস্থল পরিদর্শন করতে। সেখানে গিয়ে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে যে দেশের রাজনীতিতে মোদিই একমাত্র ভরসা। আগামী দিনে মানুষের জন্য কাজ করতে গেলে মোদির গ্যারান্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। সারা দেশে মোদিই একমাত্র বিকল্প।       

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: জাল সার্টিফিকেট দেখিয়ে প়ঞ্চায়েত প্রধান! বিপাকে তৃণমূল নেত্রী, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Murshidabad: জাল সার্টিফিকেট দেখিয়ে প়ঞ্চায়েত প্রধান! বিপাকে তৃণমূল নেত্রী, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধান হওয়ার জন্য ওবিসি শংসাপত্র জাল করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। সিপিএম ইতিমধ্যে তা নিয়ে সরব হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে পালটা হাইকোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল প্রধান। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ফরাক্কা ব্লকের বাহাদুরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। জঙ্গিপুরের মহকুমাশাসক পঞ্চায়েত প্রধান কুসুম সাহার বিষয়ে তদন্ত করে সেই রিপোর্ট মুর্শিদাবাদের জেলাশাসককে পাঠিয়েও দিয়েছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে কুসুম সাহা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে  বাহাদুরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সিপিএম প্রার্থী হিমাংশুশেখর সাহাকে তিনি পরাজিত করেন। কুসুম পরে ওবিসি সার্টিফিকেট দেখিয়ে বাহাদুরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হন। তারপরই পরাজিত বামপ্রার্থী হিমাংশু প্রধানের সার্টিফিকেট জাল বলে প্রশাসনের কে কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। হিমাংশু জানিয়েছেন, কুসুম সাহার বাপের বাড়ি বিহারে। তিনি ওবিসি সার্টিফিকেট জাল করে পঞ্চায়েত ভোটে লড়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জঙ্গিপুরের মহকুমাশাসকের নির্দেশের একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। ওই কমিটি তদন্ত শুরু করে। গত বছর নভেম্বর মাসে মহকুমাশাসক কুসুম সাহাকে ওবিসি সার্টিফিকেট জাল করার জন্য শোকজ করেন। তারপর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা প্রশাসন তদন্ত করে কুসুম সাহার শংসাপত্র বাতিল করে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান কুসুম সাহা বলেন, ‘আমাদের কাছের ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিলের চিঠি এসেছে। আর এই চিঠি নিয়ে আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছি। হাইকোর্ট সব বিচার করবে।’ অভিযোগকারী সিপিএম নেতা হিমাংশুশেখর সাহা বলেন, ‘কুসুম সাহা হাইকোর্টে যাবেন কি না, সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু আমরা জানি, তিনি জাল সার্টিফিকেট দেখিয়েছেন। এমনকী, আধার কার্ডও এডিট করা। তথ্য জানার অধিকার আইনে আবেদন করেছিলাম। তারপরই আমরা সেখান থেকে প্রধান সম্পর্কে যাবতীয় সব নথি জানতে পারি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: প্রধানমন্ত্রীর সভায় যেতে বাধা! সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সমন, পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ

    Sandeshkhali: প্রধানমন্ত্রীর সভায় যেতে বাধা! সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সমন, পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসতের কাছারি ময়দানের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পাঁচ নির্যাতিতাকে সাক্ষাৎ করানোর পরিকল্পনা রয়েছে বঙ্গ বিজেপির। সেই সভায় যাওয়া থেকে নির্যাতিতাদের আটকাতে আগেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছিল। এবার একই অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধেও। অভিযোগ, যাঁদের মোদির সভায় যাওয়ার কথা, বেছে বেছে সেই মহিলাদের সমন পাঠিয়েছে পুলিশ।

    পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ (Sandeshkhali)

    তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলারা। ঝাঁটা হাতে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলেন মহিলারা। তৃণমূল নেতাদের তাড়া করেছিলেন। বেছে বেছে আন্দোলনকারীদের পুলিশ গ্রেফতার করলে মহিলারা রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। ১০ ফেব্রুয়ারি দায়ের হওয়া একটি মামলায় বয়ান রেকর্ডের জন্যই এই সমন। এর জন্য ৬ মার্চ, বুধবার সকাল ১০টায় তাঁদের থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে ওই নোটিসে। ঘটনাচক্রে ওইদিন ঠিক ওই সময়ই বারাসতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা। ফলে মোদির সভায় যাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। যদিও নির্যাতিতারা জানিয়েছেন, যত বাধাই আসুক, প্রধানমন্ত্রীর সভায় তাঁরা যাবেনই। পাশাপাশি এই নোটিস জারি করার পরই পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান গ্রামের মহিলারা।

    পুলিশের সমন নিয়ে কী বললেন নির্যাতিতা?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বারাসতের সভায় যাওয়ার কথা রয়েছে যাঁদের, তাঁদের মধ্যে অন্যতম সন্দেশখালির এক মহিলার কাছে পুলিশ আসে। তাঁর বক্তব্য, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমার বাড়িতে আচমকাই হাজির হয় সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার পুলিশ। আমাকে একটি কাগজ দিয়ে তাতে সই করে দিতে বলে পুলিশ। কাগজে কী লেখা রয়েছে, তা জানার চেষ্টা করি। কিন্তু, তিনি অভিযোগ জানিয়ে বলেন, কাগজে কী লেখা আছে, তা পড়ার সময়টুকুও দেওয়া হয়নি। একপ্রকার জোর করে কাগজে সই করে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে, আইনজীবীকে বিষয়টি জানাই। তাঁর মাধ্যমে জানতে পারি, ১০ ফেব্রুয়ারি একটি মামলা বয়ান রেকর্ডের জন্যই পুলিশের এই সমন। এসব বাধা তৈরি করে কোনও লাভ হবে না। প্রধানমন্ত্রীর সভায় আমরা যাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ০৬/০৩/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ০৬/০৩/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) পরিবারের বন্ধু ও সদস্যদের সঙ্গে পার্টি করতে পারেন।

    ২) প্রেম জীবনে সঙ্গীর সঙ্গে রোম্যান্টিক ডিনারে যেতে পারেন।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতির কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    বৃষ

    ১) কোনও কাজ করতে নিজের শক্তি ব্যবহার করতে পারেন, তা না-হলে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    ২) রেগে গিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিলে সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) চাকরিতে কোনও সমস্যার সম্মুখীন হলে এবার স্বস্তি পাবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি অবসাদপূর্ণ থাকবে।

    ২) সন্তানের কেরিয়ারের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ বাড়তে পারে। 

    কর্কট

    ১) শারীরিক সমস্যা থাকলে তাতে উন্নতি হবে।

    ২) আর্থিক পরিস্থিতির কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ৩) বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায়ীদের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ২) কাজের কারণে দৌড়ঝাপ করতে হবে।

    ৩) তখনই ভালো অর্থ উপার্জনে সফল হবেন।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে প্রতারণার শিকার হতে পারেন।

    ২) সব পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকুন।

    ৩) নিজের কাজের চেয়ে বেশি অন্যের কাজে মনোনিবেশ করবেন, যার ফলে সমস্যায় পড়তে পারেন।

    তুলা

    ১) পারিবারিক জীবনে সঙ্গীর সঙ্গে একা কিছু সময় কাটাবেন, তাঁর চিন্তাভাবনা বুঝবেন।

    ২) সাবধানে গাড়ি চালান, তা না-হলে দুর্ঘটনা সম্ভব।

    ৩) বাবার স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন থাকতে হবে, শারীরিক কষ্ট বাড়তে পারে। 

    বৃশ্চিক

    ১) আজ কোনও নতুন কাজ শুরু করতে পারেন।

    ২) অংশীদারীর কাজ করবেন না।

    ৩) জীবনসঙ্গীর পরামর্শের দ্বারা লাভ হবে।

    ধনু

    ১) জীবনসঙ্গীর সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন।

    ২) জীবনসঙ্গীর সঙ্গে সমস্ত বিবাদের সমাধান হবে।

    ৩) কোনও পুরনো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে, যার জন্য বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে রয়েছেন।

    মকর

    ১) কর্মক্ষেত্রে ভালো কিছু করার জন্য কেউ আপনাকে উৎসাহিত করতে পারে।

    ২) ছোটখাটো বিষয়ের কারণে অবসাদগ্রস্ত থাকবেন।

    ৩) আপনার কোনও ভুল পরিবারের সদস্যদের সামনে আসতে পারে।

    কুম্ভ

    ১)  সহকর্মীরা কাজে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, এর ফলে চিন্তিত হবেন।

    ২) পরিবারে নতুন অতিথি আগমনের সুসংবাদ পেতে পারেন।

    ৩) ভাই-বোনের মধ্যে বিবাদ সমাপ্ত হবে।

    মীন

    ১) সরকারি চাকরিজীবীরা লাভান্বিত হবেন।

    ২) ভালো কাজে নিজের শক্তি ব্যবহার করুন।

    ৩) এদিক-ওদিক বসে সময় নষ্ট করবেন না। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nirmal Kumar Saha: ‘নির্মলবাবু অত্যন্ত ভালো মানুষ’, বিজেপি প্রার্থীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ তৃণমূল বিধায়ক

    Nirmal Kumar Saha: ‘নির্মলবাবু অত্যন্ত ভালো মানুষ’, বিজেপি প্রার্থীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদে চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত মুখ নির্মলকুমার সাহাকে (Nirmal Kumar Saha) এ বারের লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করে রীতিমতো চমক দিয়েছে বিজেপি । আর বিজেপি-র প্রার্থী তথা জনপ্রিয় চিকিৎসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। যা নিয়ে জেলা রাজনীতিতে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে।

    কে এই নির্মল সাহা? (Nirmal Kumar Saha)

    প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে এত দিন না থাকলেও সঙ্ঘ পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ পারিবারিক সম্পর্ক নির্মল সাহার (Nirmal Kumar Saha) । কাকা মণিগোপাল সাহা সঙ্ঘের দীর্ঘ দিনের কর্মী ছিলেন। মুর্শিদাবাদ জেলায় আরএসএসের সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। নির্মলের বড় দাদা কল্যাণকুমার সাহা মুর্শিদাবাদ চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি। সেই সঙ্গে জেলায় আরএসএস পরিচালিত একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বও রয়েছে তাঁর কাঁধে। তবে, বিজেপি প্রার্থী নির্মলকে কোনওদিনই রাজনীতির আঙিনায় সেভাবে দেখা যায়নি। শল্যচিকিৎসক হিসেবে জেলা জুড়ে খ্যাতি তাঁর। প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকার রোগীদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার করেন তিনি। লোকমুখে এসব কথা মুর্শিদাবাদ জেলায় শোনা যায়। তাই, হিন্দু-মুসলিম, সকলের কাছেই তিনি ডাক্তারবাবু। এ বার রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় মেরুকরণের ঊর্ধ্বে ব্যক্তি নির্মলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তিকে ব্যবহার করেই বৈতরণী পেরোতে চাইছে বিজেপি।

    বিজেপি প্রার্থীকে নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    মঙ্গলবার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, নির্মলবাবুকে (Nirmal Kumar Saha) ব্যক্তিগতভাবে আমি যতটা চিনি তাতে তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ। এটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়র, অধ্যাপকদের রাজনীতিতে দরকার রয়েছে। সেদিক দিয়ে তাঁর মতো মানুষকে রাজনীতিতে স্বাগত। বিজেপি তাঁকে হেভিওয়েট হিসেবে প্রচার করছেন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, চিকিৎসক হিসেবে তিনি হয়তো হেভিওয়েট। তবে, রাজনীতি ময়দানে তিনি সমস্ত এলাকা চেনেন কি না সেটা তিনি ভালো বলতে পারবেন।

    ভোট কাটাকাটির অঙ্কে বাজিমাত করতে চাইছে বিজেপি

    বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে সাতটি বিধানসভা- বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রানিনগর, বেলডাঙা, নওদা এবং বহরমপুর। গত লোকসভা ভোটে তৃণমূল ও কংগ্রেসের দ্বিমুখী লড়াই হয়েছিল। আরএসপি প্রার্থী দিলেও বামফ্রন্টগতভাবে লড়াইয়ে নামতে দেখা যায়নি। কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীই জেতেন। যদিও গত বিধানসভা ভোটে উল্টে যায় অঙ্ক। ভোট প্রাপ্তির নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে বিজেপি, তৃতীয় স্থানে নেমে যায় কংগ্রেস। বহরমপুর বিধানসভায় জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী। একাধিক বিধানসভায় বিজেপি-র প্রাপ্ত ভোটও অনেকটাই বেড়ে যায়। এ বার সেই আসনেই ভোট কাটাকাটির অঙ্কে বাজিমাত করতে চাইছে বিজেপি। বহরমপুর বিধানসভা-সহ সংখ্যালঘু কম এমন বিধানসভা এলাকাগুলিতে নিজেদের ভোট ধরে রেখে, চিকিৎসক নির্মলের ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাতেও বাজিমাত করতে চায় বিজেপি। বিজেপি প্রার্থী তথা চিকিৎসক নির্মল সাহা বলেন, সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কিছু হয় না। প্রত্যেকেই মানুষ। মানুষই ঠিক করে দেবেন তাঁদের প্রতিনিধি কে হবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Child Nutrition: সন্তানকে খাওয়াতে নাজেহাল! কোন দিকে নজর দিলে সমস্যা মিটবে?

    Child Nutrition: সন্তানকে খাওয়াতে নাজেহাল! কোন দিকে নজর দিলে সমস্যা মিটবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    জন্মের প্রথম ছ’মাসের পর থেকেই অধিকাংশ বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তার কারণ হয় সন্তানের খাবার। কী খাবার খাওয়ানো হবে, সেই চিন্তার পাশপাশি অনেকেই নাজেহাল হন খাওয়ানোর সময় নিয়ে। দীর্ঘ সময় ধরে খাওয়া, খেতে বসে টিভি কিংবা মোবাইল ছাড়া খাওয়ানো যায় না অনেককেই। আর এর জেরে ভোগান্তি বাড়ে। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ছোট থেকেই খাওয়ানোর অভ্যাস স্বাস্থ্যকর না হলে পুষ্টি (Child Nutrition) পর্যাপ্ত হবে না। কী খাবার খাচ্ছে, তার পাশপাশি কীভাবে খাচ্ছে সেটাও জরুরি। অনেক সময়েই শিশুর খাবারের প্রতি অনিহা তৈরি হয়ে যায়। এর জেরে পুষ্টি ঠিকমতো হয় না। তার সরাসরি প্রভাব পড়ে শিশুর বিকাশে। তাই চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয় নজরে রাখলে শিশুর খাবার খাওয়ার সুঅভ্যাস তৈরি করা সহজ হবে। অভিভাবকদেরও ভোগান্তি কমবে।

    কোন দিকগুলি নজরে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? (Child Nutrition)

    পরিবার নিয়ে একসাথে বসে খাওয়া!

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ সময়েই শিশুকে আলাদা ভাবে খাওয়ানো হয়। প্রথম থেকেই বাড়ির সকলের সঙ্গে বসে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি। খাবার খাওয়া শুধু কাজ নয়। বরং খাওয়ার সময় পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো‌ যায়। একসঙ্গে সময় কাটানোর আনন্দ অনুভব করানো দরকার। তাহলে শিশুদের মধ্যেও এক ধরনের আনন্দ কাজ করবে। পাশপাশি অনেকেই শিশুকে কোলে নিয়ে ঘুরে ঘুরে খাওয়ায়। এটা একেবারেই সুঅভ্যাস নয়। প্রথম থেকেই পরিবারের সঙ্গে বসে খাওয়ার অভ্যাস থাকলে, খাওয়ানো অনেক সহজ হবে‌।পাশপাশি পরিবারের সঙ্গে একসাথে খাবার খেলে মোবাইল বা টিভি দেখার অভ্যাস এড়ানোও সহজ হয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গল্প করার অভ্যাস তৈরি হলে সহজেই সব কিছু ভাগ করে নেওয়ার অভ্যাস হবে। এতে মোবাইলে বা টিভির পর্দায় চোখ আটকে থাকবে না (Child Nutrition)।

    নানা রকমের খাবারে অভ্যস্ত করা জরুরি!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রথম থেকেই শিশুকে নানান রকমের খাবারে অভ্যস্ত করা জরুরি। এতে শিশুর খাবারের প্রতি একঘেয়েমি লাগবে না। অনেক সময়েই দেখা যায়, শিশুদের প্রত্যেক দিন এক ধরনের খাবার দেওয়া হয়‌। এর জেরে একঘেয়েমি তৈরি হতে পারে। পুষ্টিকর নানা রকমের খাবার দেওয়া হলে শিশুদের স্বাদবোধ সহজে তৈরি হবে। নানা রকমের সব্জি, ফল, দুধের নানান পদ, মাছ, মাংসের স্ট্রু জাতীয় নানান পদ খেতে দিলে তাদের পুষ্টি (Child Nutrition) ঠিকমতো হবে। আবার বিভিন্ন রকমের খাবারের সঙ্গে পরিচিত হবে। এতে খাবারের প্রতি আগ্রহ থাকবে‌।

    খাবারের সময়ের মধ্যে ব্যবধান জরুরি!

    শিশুকে সময় মতো খেতে দেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি দরকার শিশুর খিদে (Child Nutrition) অনুভব করা। এমনটাই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাদের পরামর্শ, শিশুর খাবার সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট ব্যবধান জরুরি। খাবারের চাহিদা অনুভব করানোও দরকার। খিদে পাওয়ার আগেই সব সময় পেট ভরে খেলে, অনেক সময়েই খাবার ইচ্ছে তৈরি হয় না। তাই কতক্ষণ পরে খেতে দেওয়া হচ্ছে, সেদিকেও নজর দিতে হবে। অনেক সময়েই আপাতভাবে হাল্কা খাবার বারবার শিশুকে দেওয়া হলে দিনের বা রাতের ভারী খাবার খাওয়ার ইচ্ছে চলে যায়। তাই শিশুকে কখন কী খাবার দেওয়া হবে, কত সময় অন্তর খাবার দেওয়া হচ্ছে, সেদিকেও নজরদারি জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share