Tag: Madhyom

Madhyom

  • Purulia: জৈন মন্দির বলে পরিচিত, তবুও ভৈরবনাথ জ্ঞানে পুজো করেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা!

    Purulia: জৈন মন্দির বলে পরিচিত, তবুও ভৈরবনাথ জ্ঞানে পুজো করেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা তথা ভারতের অন্যতম প্রাচীন হল পাকবিড়রা মন্দির (Purulia)। পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার পুঞ্চা সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকে অসাধারণ স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এক প্রত্নস্থল এই পাকবিড়রা মন্দির। প্রকৃতপক্ষে পাকবিড়রার এই জৈন মন্দিরটি তিনটি মন্দির নিয়ে গড়া। নবম এবং দশম শতাব্দী থেকেই মন্দিরটির অস্তিত্বের কথা জানা যায়। এখানকার একটি স্মৃতি ফলকে তার উল্লেখ পাওয়া যায়।

    শিল্পশৈলীর উৎকৃষ্ট উদাহরণ (Purulia)

    এখানকার অধিকাংশ ভাস্কর্যই বেশ উঁচু। তার মধ্যে শীতলনাথ মূর্তিটি প্রায় সাড়ে সাত ফুট এবং পদ্মপ্রভা মূর্তিটি প্রায় ৮ ফুট উঁচু। এখানে রয়েছে জৈন তীর্থঙ্কর ধর্মাচরণ, মহাবীর, রিষভনাথ, সম্ভবনাথ, চন্দ্রপ্রভা প্রভৃতি ভাষ্কর্য। যদিও এটি মূলত একটি জৈন মন্দির বলেই পরিচিত, তবুও এখানকার পদ্মপ্রভা মন্দিরটিকে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ভৈরবনাথ জ্ঞানে বিশ্বাস এবং পুজো করেন। এছাড়াও পাকবিড়রা মন্দিরে (Purulia) রয়েছে দেবি অম্বিকা, পদ্মাবতী প্রভৃতি ভাস্কর্য। মন্দিরের মোল্ডিং এবং প্রাচীরের কুলুঙ্গী এখানকার বিশেষ আকর্ষণ। প্রধান মন্দিরে রয়েছে প্রাথমিক কক্ষ এবং পবিত্র স্থান, কঞ্চি মন্দির, আটজন তীর্থঙ্করের ভাস্কর্য। সব মিলিয়ে মন্দিরটি যেন প্রাচীন ভারতের ইতিহাস এবং শিল্পশৈলীর এক অনন্য দক্ষতা ও নিপুণতার এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

    যাবেন কীভাবে? (Purulia)

    যাতায়াত-পাকবিড়রা যাওয়া যায় পুরুলিয়া থেকেও। পুরুলিয়া থেকে দূরত্ব প্রায় ৪০ কিমি। আর এখান থেকে তুলনামূলক ভাবে কাছে হয় পুরুলিয়ারই আর এক দারুণ সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর স্থান “ফুটিয়ারি ড্যাম”। দূরত্ব প্রায় ৩৬ কিমি। যেতে সময় লাগে প্রায় ৫০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা। সেক্ষেত্রে রাস্তা হবে এই রকম “ফুটিয়ারি-হুড়া-লালপুর-বাগদা-দাদখা-পুঞ্চা রোড-পাকবিড়রা।” আর কলকাতা থেকে ট্রেনে গেলে রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস, হাওড়া-পুরুলিয়া এক্সপ্রেস (Purulia) প্রভৃতি ট্রেনে পুরুলিয়া এসে সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে যেতে হবে পাকবিড়রা মন্দির।

    থাকা খাওয়া-ফুটিয়ারি থেকে ঘুরে আসতে চাইলে থাকতে পারেন “ফুটিয়ারি রিট্রিট”-এ । ফোন-৯০৫১১৬৬৫৬৩। আর পুরুলিয়ায় থাকতে চাইলে এখানে রয়েছে বেশ কিছু হোটেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MGNREGS Attendance: ১০০ দিনের কাজের জব কার্ডে দুর্নীতি বন্ধে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা আনছে কেন্দ্র

    MGNREGS Attendance: ১০০ দিনের কাজের জব কার্ডে দুর্নীতি বন্ধে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর লড়াই দুর্নীতি ও পরিবারবাদের বিরুদ্ধে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে প্রায়ই বলেন একথা। বাস্তবেও একই চিত্র দেখা যায়। এবার ১০০ দিনের কাজে (MGNREGS Attendance) দুর্নীতি বন্ধে নয়া বায়োমেট্রিক ফিচার আনছে কেন্দ্র। ফেস রেকগনিশনের মাধ্যমেই নথিভুক্ত হবে শ্রমিকদের নাম। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সব থেকে অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান সবেতেই ভুরি ভুরি অভিযোগে বিদ্ধ শাসক দল। ইতিমধ্যে একাধিক মন্ত্রীও রয়েছেন জেলে। দুর্নীতির অভিযোগে ১০০ দিনের কাজ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকায় অনুদান বন্ধ করেছে মোদি সরকার। দুর্নীতির গোড়ায় আঘাত করতে এবার বড় পদক্ষেপ হতে চলেছে এই বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা (MGNREGS Attendance)।

    স্বচ্ছতা আসবে কাজে

    জানা গিয়েছে, আগামী বছরেই মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি স্কিমের কর্মীদের উপস্থিতি যাচাই করতে এই ফেস রেকগনিশন প্রযুক্তি কাজে লাগানো হবে। অর্থাৎ ক্যামেরার সামনে সুবিধাভোগী শ্রমিকরা নিজেদের মুখ দেখিয়ে তাঁদের কাজের উপস্থিতি প্রমাণ দেবেন। ভুয়ো জব কার্ডধারীদের সরকারি সুবিধা থেকে বাদ দিতেই এই ব্যবস্থা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন ব্যবস্থা চালু হলে এই প্রকল্প (MGNREGS Attendance) আরও স্বচ্ছ হয়ে উঠবে। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে, যেখানে দুর্নীতি একদম শিকড় গেড়ে বসেছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    জানা গিয়েছে, ফেস রেকগনিশনের মাধ্যমে কর্মী উপস্থিতির প্রমাণ আপাতত ঐচ্ছিক থাকতে পারে। দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এই ব্যবস্থা আগে যাচাই করতে বলা হয়েছে। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক আধিকারিক বলেন, “এই প্রকল্প (MGNREGS Attendance) বাস্তবায়িত হলে, পুরো ব্যবস্থায় আরও স্বচ্ছতা আসবে। শুধুমাত্র প্রকৃত কর্মীরাই কাজ করছেন, তা নিশ্চিত করা যাবে। পরিকল্পনাটি শীঘ্রই চালু করা হবে। তবে আপাতত এটি ঐচ্ছিক হিসেবে থাকে।”

    আধার তথ্যের সঙ্গে লিঙ্ক করা হবে ছবি

    জানা গিয়েছে নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথমে ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের মুখ স্ক্যান করা হবে। তাঁদের আধার তথ্য যাচাই করা হবে এবং ওই স্ক্যান করা মুখের ছবির সঙ্গে আধারের তথ্যকে লিঙ্ক করা হবে। প্রসঙ্গত, তেলঙ্গনা, কর্নাটকের মতো বেশ কিছু রাজ্যে এই ধরনের ফেস রেকগনিশনের ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এই ব্যবস্থার (MGNREGS Attendance) মাধ্যমে অনেক সরকারি কাজ করা হয়। কিছু কিছু বিমানবন্দরেও এমন বায়োমেট্রিক এবং কন্টাক্টলেস নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। মোদি জমানায় প্রতি গ্রামে পৌঁছেছে ইন্টারনেট ব্য়বস্থা। তাই এমন উদ্যোগ সাফল্যের মুখ দেখবে বলেই আশাবাদী ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: সংসদের কাজ মঙ্গলবারও ভেস্তে দিল বিরোধীরা, সাসপেন্ড ৪৯ সাংসদ, কড়া প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: সংসদের কাজ মঙ্গলবারও ভেস্তে দিল বিরোধীরা, সাসপেন্ড ৪৯ সাংসদ, কড়া প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারের পর মঙ্গলবারও বিরোধীদের তুমুল বিশৃঙ্খলা এবং হই-হট্টগোলের জেরে বন্ধ হয়ে গেল সংসদের কাজ। এদিন আরও ৪৯ জন বিরোধী সাংসদকে তাঁদের অসংসদীয় আচরণের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। বারংবার কোনওরকম ইস্যু ছাড়াই সংসদের অধিবেশন চলতে না দেওয়ার জন্য বিরোধীদের এক হাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (PM Modi) এবং তিনি বিরোধীদের সমালোচনা করে বলেন, ‘‘বিরোধীদের এই আচরণ তাদেরকে ক্ষমতায় ফিরতে বাধা দেবে।’’ প্রসঙ্গত, লোকসভায় স্মোককাণ্ডের পর থেকেই কোনও রকমের ইস্যু ছাড়াই এভাবে বিরোধীরা ভবনের কাজ ভেস্তে দিচ্ছে বারবার।

    সংবিধান, সংসদ মানেনা বিরোধীরা

    স্মোক কাণ্ডের পরপরেই উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটিও তৈরি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবং তার মাথায় বসানো হয়েছে সিআরপিএফ-এর আক শীর্ষ আধিকারিককে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যে বিবৃতিও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বাড়ানো হয়েছে সংসদের নিরাপত্তাও। গ্যালারি রুম এবং ভবনের মাঝখানে বসছে পুরু কাচের দেওয়াল। এ সমস্ত কিছুর মাঝখানে ফের বিরোধীদের এমন আচরণ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। প্রধানমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, ‘‘সংসদে যা ঘটেছে, সেই ঘটনার নিন্দা করার প্রয়োজন যৌথভাবে সবার ছিল।’’ বিরোধীদের এমন আচরণে তিনি হতাশ বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘জনসমর্থন রয়েছে আমাদের সরকারের প্রতি। বিরোধীরা সংবিধান এবং পার্লামেন্টের কোনও কিছুই মানছে না। কিন্তু আমরা সেই সংবিধানের জন্যই কাজ করে চলেছি। বিরোধীরা শুধুমাত্র সংবিধান এবং সংসদের ক্ষমতাকে খাটো করতে চায়।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিরোধী জোট যখন মোদি সরকারকে উপড়ে ফেলার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন তাঁর সরকার এই দেশকে সাফল্যের এক নতুন শিখরে নিয়ে যেতে চাইছে।’’

    তিনদিনে সাসপেন্ড ১৪১ সাংসদ

    লোকসভা ও রাজ্যসভা সোমবারও চরম বিশৃঙ্খলা সাক্ষী থেকেছে, যার নেপথ্যে কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি। সোমবারও স্মোককাণ্ড নিয়ে তুমুল হই-হট্টগোল শুরু করেন বিরোধী সাংসদরা। আর এ কারণেই ওইদিন দুই কক্ষ মিলিয়ে মোট ৭৮ জন সাংসদকে চলতি শীতকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। যার মধ্যে রয়েছেন বিরোধী দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। তার আগে, গত সপ্তাহে সাসপেন্ড করা হয়েছিল ১৪ জন সাংসদকে। অর্থাৎ, এদিনের ধরে, তিনদিনে মোট ১৪১ জন বিরোধী সাংসদ সাসপেন্ড হলেন।

    এদিন সাসপেন্ড হলেন যাঁরা

    মঙ্গলবার সাসপেন্ড হওয়া সাংসদদের তালিকায় রয়েছেন তৃণমূলের মালা রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাজদা আহমেদ, খলিলুর রহমান। কংগ্রেসের শশী তারুর, মণীশ তিওয়ারি, কার্তি চিদম্বরম, এনসিপির সুপ্রিয়া সুলে, এনসি-র ফারুখ আবদুল্লা, এসপির ডিম্পল যাদব, ডিএমকে-র এস সেন্থিল কুমার, বিএসপির সাসপেন্ড হওয়া সাংসদ দানিশ আলি, আপের সুশীল কুমার রিঙ্কু প্রমুখ। সোমবার সাসপেন্ড হয়েছিলেন— তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অপরূপা পোদ্দার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল মণ্ডল, সৌগত রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, প্রতিমা মণ্ডল, অসিত মাল, শতাব্দী রায়। এ ছাড়া এই তালিকায় ছিলেন ডিএমকের তিন সাংসদ টিআর বালু, এ রাজা এবং দয়ানিধি মারান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Animal Movie: ব্লকবাস্টার ‘অ্যানিম্যাল’-এর অভিনেত্রী তৃপ্তি ডিমরিও রাতারাতি জনপ্রিয়!

    Animal Movie: ব্লকবাস্টার ‘অ্যানিম্যাল’-এর অভিনেত্রী তৃপ্তি ডিমরিও রাতারাতি জনপ্রিয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে বলিউডের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘অ্যানিম্যাল’ (Animal Movie)। ইতিমধ্যে ছবিটি এত জনপ্রিয় হয়েছে, বিশ্ব বক্স অফিসে এখনও পর্যন্ত ৮০০ কোটির বেশি ব্যবসা করে ফেলেছে। ছবিতে অসামান্য অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে রণবীর কাপুর, রশ্মিকা মান্দানা এবং খলনায়ক চরিত্রে ববি দেওলকে। ববি দেওলের এই কামব্যাককে ঘিরেও চরম উত্তেজনা ছিল অনুরাগীদের মধ্যে। আর এই অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মাঝে সিনেমার আরও এক অভিনেত্রী রাতারাতি জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন অনুরাগীদের কাছে, তিনি তৃপ্তি ডিমরি। পর্দাতে খুব একটা বেশি সময় দেখা না গেলেও ছবি মুক্তির কয়েক দিনের মধ্যে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় ফলোয়ার সংখ্যা ৬ লক্ষ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৯ লক্ষতে।

    এই বিষয়ে কী জানিয়েছেন তৃপ্তি? (Animal Movie)

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তৃপ্তি তাঁর সমাজ মাধ্যমে এই ফলোয়ারের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে মুখ খোলেন। তিনি বলেন, “আমার পরিবার রোজ আমার ফলোয়ার সংখ্যার দিকে নজর রাখে। ওরা আমাকে প্রায় জিজ্ঞাসা করে, তোর ফলোয়ার সংখ্যা কত। হঠাৎ এই সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আমার পরিবার অনেক খুশি ও তাঁরা গর্ববোধও করেছেন। মানুষ আমাকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছে। আশা করি ভবিষ্যতেও আরও বেশি ভালোবাসা পাব। দর্শকদের কাছে এই রাতারাতি প্রিয় হয়ে ওঠা আমাকে খুব খুশি করেছে। আজকাল আমার ফোন বেজেই চলেছে, অনেকে ফোন করে আমাকে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন। সবাইকে উত্তর দিতে দিতে আমার রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে।” (Animal Movie)

    এর আগে কোন সিনেমায় অভিনয় করেছেন তৃপ্তি? (Animal Movie)

    এর আগেও অসামান্য অভিনয়ের পরিচয় দিয়েছেন তৃপ্তি। এর আগে কিছু ওয়েব সিরিজ এবং সিনেমাতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তৃপ্তি। তার মধ্যে ‘লয়লা মজনু’, ‘বুলবুল’, ‘কলা’-র মতো ছবি খুব জনপ্রিয় হয়েছে অনুরাগীদের কাছে। এর পর অ্যানিম্যাল (Animal Movie) ছবিতে অভিনয় করার পর যেন আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন তৃপ্তি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “ক্ষমতায় এসে দেশকে অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করব, গ্যারান্টি দিলাম”, বললেন মোদি

    PM Modi: “ক্ষমতায় এসে দেশকে অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করব, গ্যারান্টি দিলাম”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে দেশকে অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করব। এই গ্যারান্টি দিলাম।” সোমবার বারাণসীতে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার দু’দিনের সফরে নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্র বারাণসীতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই দেশকে অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করার গ্যারান্টি দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আর কয়েক মাসের মধ্যেই দেশজুড়ে হবে সাধারণ নির্বাচন। এবং মোদি আপনাদের গ্যারান্টি দিচ্ছে, তৃতীয় দফায় ক্ষমতায় এসে দেশকে অর্থনৈতিক শক্তিকে পরিণত করবে। আপনাদের জন্য দেশকে এই গ্যারান্টি দিচ্ছি। বারাণসীবাসী আমার পাশে দাঁড়াবেন। তাঁরাই আমায় শক্তিশালী করবেন।”

    উন্নয়নের জোয়ার

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। তার পরেই দেশে কার্যত আসে উন্নয়নের জোয়ার। যার জেরে ইতিমধ্যেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশের তালিকায় পাঁচ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা দখল করে রেখেছিল ব্রিটেন। তালিকায় ভারতের জায়গা ছিল ১০ নম্বরে। মোদি (PM Modi) জমানায় ব্রিটেনকে নিচে নামিয়ে পাঁচ নম্বর জায়গাটি দখল করে মোদির ভারত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের মহিলা, যুব, কৃষক এবং দরিদ্রদের উন্নয়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার কাছে এরাই হল চারটি সম্প্রদায়। যদি এই চার সম্প্রদায় শক্তিশালী হয়, তাহলে দেশও শক্তিশালী হবে।” তিনি বলেন, “দশকের পর দশক ধরে উপেক্ষিত ছিল দেশের পূর্বাঞ্চল। সেই এলাকায়ও উন্নয়ন করা হয়েছে। মহাদেবের আর্শীবাদে আমি রয়েছি আপনাদের সেবায়।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পরাধীনতার সময় যে অত্যাচারীরা ভারতকে দুর্বল করতে চেয়েছিল, তারা প্রথমেই আমাদের প্রতীককেও টার্গেট করেছিল। স্বাধীনতার পরে আমাদের সাংস্কৃতিক এই প্রতীককে পুনর্নির্মাণ করা জরুরি ছিল। আমরা যদি আমাদের সাংস্কৃতিক অস্বিত্বকে শ্রদ্ধা করতাম, তাহলে আমাদের ঐক্য ও আত্ম-শ্রদ্ধা আরও শক্তিশালী হত। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এটা হয়নি। স্বাধীনতার পরে সোমনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণের বিরোধিতাও করা হয়েছিল।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশ এখন মনের ক্রীতদাসত্বের মুক্তির বার্তা দিচ্ছে। ভারত তার ঐতিহ্য নিয়ে গর্বিত।” তিনি (PM Modi) বলেন, “সোমনাথ থেকে যে কাজ শুরু হয়েছে, সেটাই এখন প্রচার করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলায় ধাক্কা খেল মসজিদ কমিটি, কী বলল হাইকোর্ট?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Registry Marriage: আঙুলের ছাপ দিতে বর-কনেদের কলকাতায় তলব, দুর্ভোগে বাড়ছে ক্ষোভ

    Registry Marriage: আঙুলের ছাপ দিতে বর-কনেদের কলকাতায় তলব, দুর্ভোগে বাড়ছে ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে রেজিস্ট্রি বিয়ে (Registry Marriage) করতে গিয়ে ফাঁপড়ে পড়ছেন নবদম্পতিরা। ঘরে বসে সুবিধা লাভের আশায় পরিবারের লোকজন যে উদ্যোগ নিচ্ছেন, তা কার্যকরী করতে গিয়ে  নবদম্পতির কালঘাম ছুটছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রি বিয়ে নিয়ে জেলায় জেলায় ক্ষোভ বাড়ছে।

    আঙুলের ছাপ দিতে কলকাতায় দৌড়তে হচ্ছে নবদম্পতিদের (Registry Marriage)

    অনলাইনে রেজিস্ট্রি বিয়ে (Registry Marriage) চালু হয়েছিল ২০১৯ সালে। চলতি বছরের ১ নভেম্বর নতুন নির্দেশিকা জারি করে ‘রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ম্যারেজেস’-এর দফতর। বিয়ে নথিভুক্ত করতে গেলে পাত্র-পাত্রীর আঙুলের ছাপ নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পরেও রেজিস্ট্রির দিন দেখা যাচ্ছে যে, আঙুলের ছাপ মিলছে না। ফলে ওই দিন রেজিস্ট্রি বিয়ে নাকচ হয়ে যাচ্ছে। রাজ্যজুড়ে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রি বিয়ে করতে গিয়ে নাকাল হতে হচ্ছে অনেককেই। যাঁদের আঙুলের ছাপ মিলছে না তাঁদের ম্যারেজ রেজিস্ট্রি আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে জেলা থেকে ডেকে পাঠানো হচ্ছে কলকাতায়। আচমকা কলকাতা যাওয়ার ডাক পেয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়ছেন। এরই মধ্যে ১৪ ডিসেম্বর রাজ্যের ‘রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ম্যারেজেস’ বিভিন্ন জেলার ৩১ জন ম্যারেজ রেজিস্ট্রি আধিকারিককে নোটিস পাঠিয়েছেন। বলা হয়েছে, আঙুলের ছাপ মেলেনি এ রকম পাত্র-পাত্রীকে ২১ ডিসেম্বর কলকাতায় আরজিএম (রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ম্যারেজেস) অফিসে নির্দিষ্ট দিনে এসে আঙুলের ছাপ দিয়ে যেতে হবে। ওই তালিকায় পূর্ব মেদিনীপুরের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের কালিম্পং, দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, মালদা জেলার অনেকে রয়েছেন। পাশাপাশি পুরুলিয়া, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া জেলার লোকেদের ১৮-২০ ডিসেম্বর ডাকা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির ক্ষেত্রে এখনও দিন নির্ধারণ হয়নি।

    কলকাতায় নবদম্পতিদের তলব নিয়ে কর্তৃপক্ষের কী সাফাই?

    এ বিষয়ে ‘রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ম্যারেজেস’ দীপ্তার্ক বসু জানিয়েছেন, বিবাহ আইনে উল্লেখ রয়েছে, বাম আঙুলের ছাপ বাধ্যতামূলক। যেহেতু ৩০ জন অফিসারের কাছে কোনওভাবেই পাত্র-পাত্রীরা বাম আঙুলের ছাপ দিতে পারছিলেন না, তাই নির্দিষ্ট ভাবে শুধু তাঁদেরকেই কলকাতায় ডেকে পাঠানো হয়েছে। সরকারি আধিকারিকের সামনে তাঁরা অন্য আঙুলের ছাপ দিয়ে রেজিস্ট্রি বিয়ে (Registry Marriage) সম্পূর্ণ করতে পারেন। যদি তাঁদের অসুবিধে থাকে সে কথা আমাদের জানালে ভিডিও কনফারেন্স হতে পারে। বা উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী মাসের শিবির আয়োজন করে তা সমাধান করা যেতে পারে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Swasthya Sathi: স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে বাড়ছে হয়রানি! শুধু অস্ত্রোপচার নয়, সাধারণ পরীক্ষাতেও জটিলতা!

    Swasthya Sathi: স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে বাড়ছে হয়রানি! শুধু অস্ত্রোপচার নয়, সাধারণ পরীক্ষাতেও জটিলতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য‌বাসী নিখরচায় পাবেন স্বাস্থ্য পরিষেবা।‌ শুধু সরকারি হাসপাতালেই নয়, বেসরকারি হাসপাতালেও অস্ত্রোপচার থেকে যে কোনও শারীরিক পরীক্ষা হবে বিনামূল্যে। এমনই প্রতিশ্রুতি ছিল রাজ্য সরকারের। কিন্তু বাস্তবের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। স্বাস্থ্য সাথী (Swasthya Sathi) কার্ড নিয়ে হয়রানি বাড়ছে। বেসরকারি হাসপাতালে তো বটেই। অভিযোগ উঠছে, সরকারি হাসপাতালেও পিপিপি মডেলে গড়ে ওঠা পরীক্ষা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য সাথীর কার্ডে পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না।‌ ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্বাস্থ্য সাথী পরিষেবা রাস্তার হোর্ডিংয়েই আটকে রয়েছে। 

    কী সমস্যায় পড়ছেন ভুক্তভোগীরা? (Swasthya Sathi) 

    ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, বেসরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে ভর্তি করাতে বিস্তর হয়রানি পোহাতে হয়। অনেক ক্ষেত্রেই জরুরি পরিস্থিতিতেও স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে ভর্তি নিতে নারাজ বেসরকারি হাসপাতাল।‌ আবার যে কোনও অস্ত্রোপচার, গলব্লাডার থেকে হৃদযন্ত্র, স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে করাতে হলে অতিরিক্ত সময় অপেক্ষা করতে হয়। এবার সেই তালিকায় সংযোজন হচ্ছে নানা শারীরিক পরীক্ষা। এমআরআই, সিটি স্ক্যানের মতো শারীরিক পরীক্ষার পাশপাশি যে কোনও সাধারণ রক্ত পরীক্ষার ক্ষেত্রেও ভোগান্তি বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, যে কোনও স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে যে কোনও শারীরিক পরীক্ষা করাতে হলে সহকারী অধ্যাপক পর্যায়ের শিক্ষক-চিকিৎসকের অনুমতি প্রয়োজন। এমন কর্তৃপক্ষ লিখিত অনুমতি দিলে তবেই স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে (Swasthya Sathi) শারীরিক পরীক্ষা করানো যাবে। কিন্তু ভুক্তভোগীদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ জায়গায় সহকারী অধ্যাপক স্তরের শিক্ষক-চিকিৎসক থাকেন না। এমন বহু সরকারি হাসপাতালে এই পর্যায়ের চিকিৎসক নেই। সেখানে তাই সাধারণ মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেন না। সরকারি হাসপাতালের পিপিপি মডেলে তৈরি পরীক্ষাগারেও মোটা টাকার বিনিময়ে একাধিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে বাধ্য হচ্ছেন রাজ্যবাসী। ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন, এমন সরকারি জটিলতা যেখানে, সেখানে কেন বারবার খোদ প্রশাসনিক প্রধান বলেন, এ রাজ্যের মানুষ বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা পান।

    কী বলছেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা? (Swasthya Sathi) 

    স্বাস্থ্যকর্তারা অবশ্য হয়রানির অভিযোগ মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, স্বাস্থ্য সাথীর (Swasthya Sathi) অপব্যবহার রুখতেই এই কড়া পদক্ষেপ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক ক্ষেত্রেই অপ্রয়োজনীয় ভাবে সিটি স্ক্যান, এমআরআই সহ একাধিক ব্যয়বহুল স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। যার জেরে সাধারণ মানুষের পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের সুবিধা রাজ্যবাসী ঠিক মতো পান। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশের বক্তব্য, কোন ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা রোগীকে কখন করাতে হবে, সেটা তো চিকিৎসকেরা সিদ্ধান্ত নেবেন।‌ অনেক জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হয়। তখন কীভাবে নির্দিষ্ট পদাধিকারীর লিখিত অনুমতির জন্য রোগী অপেক্ষা করবেন। এই ধরনের সিদ্ধান্তে আসলে সাধারণ মানুষের হয়রানি বাড়বে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bharat Sevashram Sangha: লক্ষ্য বিনামূল্যে চিকিৎসা, ফের স্থায়ী সেবাকেন্দ্র গড়ছে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ

    Bharat Sevashram Sangha: লক্ষ্য বিনামূল্যে চিকিৎসা, ফের স্থায়ী সেবাকেন্দ্র গড়ছে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামীণ অঞ্চলে গরিব ও পিছিয়ে পড়া মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ। মোবাইল মেডিক্যাল ইউনিট ছাড়াও সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় স্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র তৈরি হয়েছে। এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পাথরপ্রতিমার দূর্বাচটীর কৃষ্ণপুর গ্রামে সঙ্ঘের গ্রামীণ সেবাকেন্দ্র মন্মথপুর প্রণব মন্দিরের উদ্যোগে একটি স্থায়ী সেবাকেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রবিবার এক অনুষ্ঠানে সেবাকেন্দ্র ও ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের শুভ ভিতপুজো হয় ৷ সঙ্ঘের পক্ষে স্বামী অন্বেষানন্দজী মহারাজ এর সূচনা করেন (Bharat Sevashram Sangha)।

    কবে চালু হবে? (Bharat Sevashram Sangha)

    এই উপলক্ষ্যে শতাধিক দুঃস্থ পরিবারের হাতে শীতবস্ত্র এবং মায়েদের শাড়ি তুলে দেওয়া হয় সঙ্ঘের পক্ষ থেকে, এলাকার দুই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব প্রয়াত হারাধন দাস ও প্রয়াত বিমলা দাসের স্মৃতির উদ্দেশ্যে৷ এছাড়া ২৫ জন বিশিষ্ট মানুষের হাতে স্বামী প্রণবানন্দ ভাবপ্রচার পরিষদের পক্ষে সঙ্ঘবাণী সম্মিলিত একটি স্মারক সম্মান তুলে দেওয়া হয়৷ আগামী ২০২৫ সালের জন্মাষ্টমীর সময় এই মন্দির ও সেবাকেন্দ্র সাধারণ মানুষের জন্যে খুলে দেবেন সঙ্ঘের প্রধান সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দজী মহারাজ (Bharat Sevashram Sangha)।

    কী জানালেন সঙ্ঘের প্রধান সম্পাদক? (Bharat Sevashram Sangha) 

    স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ বলেন, পাথরপ্রতিমা ব্লকের বহু গ্রাম পিছিয়ে পড়া। সেখানে উপযুক্ত চিকিৎসা পরিষেবা গড়ে ওঠেনি। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ ইতিমধ্যেই এই সব পিছিয়ে পড়া গ্রামে মোবাইল মেডিক্যাল পরিষেবা শুরু করেছে। এবার সেখানে স্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের উদ্যোগে ইতিমধ্যেই জোকাতে দ্বিতীয় ফেজের হাসপাতাল চালু করা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আরও বেশ কয়েকটি চিকিৎসা কেন্দ্র তৈরি হয়েছে৷ ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের (Bharat Sevashram Sangha) গ্রামীণ সেবাকেন্দ্রের উদোগে এবার পাথরপ্রতিমায় এই নতুন সেবাকেন্দ্র গড়ে উঠবে। যেখানে চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য প্যাথলজিক্যাল টেস্টের সুবিধা থাকবে৷ বিনামূল্যে দেওয়া হবে ওষুধ। এই কেন্দ্র থেকে এলাকার মানুষের সেবার কাজও হবে বলে তিনি জানান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: বর্ধমান স্টেশনের বিপর্যয়কাণ্ড! পূর্ব রেলের কতগুলি জলের ট্যাঙ্ক ভাঙা পড়ছে জানেন?

    Burdwan: বর্ধমান স্টেশনের বিপর্যয়কাণ্ড! পূর্ব রেলের কতগুলি জলের ট্যাঙ্ক ভাঙা পড়ছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে চারজনের মৃত্যু হয়। ৩৪ জন যাত্রী জখম হন। সেই ঘটনার পরই এবার নড়েচড়ে বসল রেল কর্তৃপক্ষ। নতুন করে এই ধরনের বিপর্যয় যাতে না হয়, তার জন্য রেলের পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

    রেলের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল?

    পূর্ব রেলের অধীনে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে একটি করে জলাধার আছে। এর মধ্যে একাধিক জলের ট্যাঙ্ক ব্রিটিশ আমলে তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে হাওড়া ডিভিশনের তিনটি, আসানসোল ডিভিশনের আটটি এবং মালদা ডিভিশনের একটি জলের ট্যাঙ্ক। বিপদ এড়াতে এই সব ক’টি ট্যাঙ্ককেই ভেঙে ফেলা হবে। পূর্ব রেলের অধীনে বিভিন্ন স্টেশন চত্বরে সব মিলিয়ে মোট ৪৮টি জলাধার আছে। সেগুলির সব ক’টিকেই নষ্ট করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই তালিকায় আছে শিয়ালদা ডিভিশনের সাতটি, আসানসোল ডিভিশনের ২৩টি, হাওড়া ডিভিশনের ১৪টি এবং মালদা ডিভিশনে চারটি ট্যাঙ্ক। প্রসঙ্গত, হেরিটেজ তকমা পাওয়া বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনে গত ১৩ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা নাগাদ বিপর্যয় ঘটে। স্টেশনের ২ এবং ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের মধ্যে থাকা ১৮৯০ সালে তৈরি ট্যাঙ্ক আচমকা ভেঙে পড়ে। ভিড়ে ঠাসা প্ল্যাটফর্মের শেডের উপর আছড়ে পড়ে বিপুল পরিমাণ জল ও ভাঙা ট্যাঙ্কের ধাতব অংশ। ওই দুর্ঘটনায় চার জনের মৃত্যু হয়। মৃতদের নাম ক্রান্তি বাহাদুর (১৪), সোনারাম টুডু (৩৫), মফিজা বেগম (৩৫) এবং সুধীর সূত্রধর। ক্রান্তি এবং সোনারাম দু’জনেই ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। বর্ধমান শহরের লাকুড্ডির বাসিন্দা ছিলেন মফিজা। এই ঘটনার পরই রেল কর্তৃপক্ষ বহু পুরানো জলাধার ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    পূর্ব রেলের আধিকারিক কী বললেন?

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, বর্ধমান (Burdwan) স্টেশনের বিপর্যয়ের পর বিভিন্ন স্টেশনে আরও কিছু জলাধার চিহ্নিত করা হয়েছে। বিপজ্জনক হিসেবে সেগুলিকেও পরে নষ্ট করে ফেলা হবে। আপাতত নষ্ট করার আগে সব চিহ্নিত জলাধারগুলিতে ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক জল ভরা হবে। যদি মনে হয় কোনওটির রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন, সেগুলির সংস্কার করা হবে। সে কাজেও হাত দেওয়া হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফেলা হবে বলে আশা করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fiscal Health: বাংলা সহ অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির আর্থিক স্বাস্থ্য দুর্বল! বলছে গবেষণা

    Fiscal Health: বাংলা সহ অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির আর্থিক স্বাস্থ্য দুর্বল! বলছে গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সস্তায় ভোট কুড়োতে খয়রাতি চালু করেছে বাংলার শাসক দল। এতে ঝুলি পূর্ণ হচ্ছে ঘাসফুলের। তবে ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে আর্থিক স্বাস্থ্য (Fiscal Health)। কেবল বাংলা নয়, একই অবস্থা পঞ্জাব এবং কেরলেরও। বলা বাহুল্য, এই তিনটি রাজ্যই শাসন করছে বিজেপি বিরোধী দল। ইএসি-পিএম ও ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের তথ্যে ধরা পড়েছে বিজেপি বিরোধী দলগুলি পরিচালিত রাজ্যগুলির কঙ্কালসার দশার ছবি।

    খয়রাতির রাজনীতি

    ফি বার নির্বাচনের আগে নানা রকম প্রতিশ্রুতি দেয় রাজনৈতিক দলগুলি। ভোটের পরে সেগুলি পূরণ করার একটা দায়বদ্ধতা থাকে। আর তা করতে গিয়েই ফতুর হয়ে যায় রাজকোষ। স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল হয় আর্থিক স্বাস্থ্য। পশ্চিমবঙ্গের কথাই ধরা যাক। এখানে লক্ষ্মীর ভান্ডারে অনুদান পান মহিলারা। দুর্গাপুজো করতে ক্লাবগুলিকে অনুদান দেওয়া হয় মোটা টাকা। এসব করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় হারে রাজ্য সরকারের কর্মীদের ডিএ দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ। কোনও রাজ্য আবার ভর্তুকিযুক্ত গ্যাস সিলিন্ডার দেয়। নিখরচায় জল, বিদ্যুৎও দেওয়ার কথা ঘোষণা করে কোনও কোনও রাজ্য। সদ্য সমাপ্ত পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেও খয়রাতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কংগ্রেস। এই সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হলে বিস্তর খরচ করতে হয়। ফাঁকা হয়ে যায় রাজকোষ (Fiscal Health)। বিভিন্ন সময় এই খয়রাতি রাজনীতির কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। তাই বিজেপি এই জাতীয় প্রতিশ্রুতি না দিলেও, পদ্ম-বিরোধী দলগুলি দেয়।

    কী বলছে গবেষণা?

    ইএসি-পিএম (প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কমিটি)-এর সদস্য শমিকা রবি ও ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের মুদিত কাপুর ‘ভারতে রাজ্যের বিজেট: ১৯৯০-২০২০ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণমূলক সময়ের প্রবণতা বিশ্লেষণ’ শীর্ষক এক গবেষণাপত্রে ভারতের রাজ্যগুলির আর্থিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতের একমাত্র রাজ্য হিসেবে বিহারের প্রবৃদ্ধির হার ক্রমশ কমেছে। বিহারের প্রকৃত মাথাপিছু আয় ১৯৯০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত অপরিবর্তিত ছিল।

    আরও পড়ুুন: ‘গীতাপাঠ’-এর পোস্টারে গেরুয়া বসনে মোদি, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

    কোনও রাজ্য উন্নয়নমূলক ব্যয় বেশি করলে সেই রাজ্যের আর্থিক স্বাস্থ্য ভাল ধরে নেওয়া হয়। ওই গবেষণাপত্র থেকে জানা গিয়েছে, ১৯৯০ সালে উন্নয়ন ব্যয় ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ। ২০২০ সালে সেটাই নেমে এসেছে প্রায় ৬০ শতাংশে। পঞ্জাব ও কেরলে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ ৫০ শতাংশেরও কম। অথচ অন্য রাজ্যগুলিতে এটি ৫০ শতাংশের বেশি।

    কেরল ও পঞ্জাবে গত এক দশকে সুদের অর্থ প্রদান ও ঋণ পরিষেবার অংশও বেড়েছে। কেরলে এর পরিমাণ ২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩০ শতাংশ। আর পঞ্জাবে ৩০ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে উন্নয়ন ব্যয়ের সুদ পরিশোধ ও ঋণ দেওয়ার পরিমাণ সর্বভারতীয় স্তরের চেয়ে বেশি। রবির মতে, পঞ্জাব ও কেরলের এই প্রবণতা (উন্নয়ন ব্যয় কমে যাওয়া) তাদের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধ ও বিকাশের জন্য ভাল ইঙ্গিত নয় (Fiscal Health)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share