Tag: Madhyom

Madhyom

  • Balurghat: কাটমানির খেলা? রাস্তা তৈরির পর দিনই উঠে যাচ্ছে পিচের চাদর, বেরিয়ে আসছে পাথর!

    Balurghat: কাটমানির খেলা? রাস্তা তৈরির পর দিনই উঠে যাচ্ছে পিচের চাদর, বেরিয়ে আসছে পাথর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ত দফতর রাস্তা তৈরিতে ব্যবহার করছে নিম্নমানের সামগ্রী। রাস্তা তৈরির পর দিনই উঠে যাচ্ছে পিচের চাদর। ফাটল ধরছে রাস্তার মাঝে। শুক্রবার সকালে এমন ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়াল বালুরঘাটের কুড়মাইলে (Balurghat)। খারাপ রাস্তার বিষয়টি জানতে পেরে এদিন পূর্ত দফতরে (রাস্তা) লিখিত অভিযোগ দায়ের করল বিজেপি। সরকারি নিয়ম মেনেই রাস্তার কাজের দাবির পাশাপাশি পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে তারা। এদিকে সরকারি নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে এবং কোনও অভিযোগ নেই বলেই পূর্ত দফতরের দাবি।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ (Balurghat)

    বালুরঘাট ব্লকের কামারপাড়া থেকে চিঙ্গিশপুর পর্যন্ত রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল৷ রাস্তা খানাখন্দে ভরে গিয়েছিল। অবশেষে বেহাল রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়। মাস দুয়েক আগে কামারপাড়া থেকে চিঙ্গিশপুর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে দশ কিলোমিটার রাস্তায় নতুন করে পিচের প্রলেপ দেওয়ার কাজ শুরু হয়৷ এর জন্য বরাদ্দ করা হয় প্রায় ৩ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। রাস্তার কাজ প্রায় শেষের দিকে। কামারপাড়া ও চিঙ্গিশপুর, দুই দিক থেকেই রাস্তার কাজ চলছিল। গতকাল কুড়মাইল এলাকায় রাস্তার কাজ হয়। অভিযোগ, রাস্তায় পিচের প্রলেপ দেওয়ার পরই তা উঠে যেতে থাকে। কিছু কিছু জায়গায় রাস্তা তৈরির পর তা ফেটে যায়। হাত দিলেই উঠে যাচ্ছে পাথর৷ নিম্নমানের রাস্তা তৈরির বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয় বাসিন্দারা (Balurghat) এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ জানাতে থাকেন।

    কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি

    ওই এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, “গতকাল আমাদের এলাকায় (Balurghat) রাস্তা হয়েছে। কিন্তু সেই রাস্তায় আজ থেকেই পাথর উঠে যাচ্ছে। হাত কিংবা পা দিলেই উঠে যাচ্ছে পাথর। আমরা মনে করছি, এই রাস্তার কাজ অতি নিম্নমানের করা হয়েছে। আগের রাস্তা পাঁচ বছর টিকেছে। কিন্তু এবারের রাস্তা পাঁচ মাসও টিকবে না। আজ আমরা এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে জানিয়েছি। এভাবে রাস্তা যাতে না করা হয়, সে কথাই তাকে জানানো হয়েছে।” আর এক বাসিন্দা বলেন, “এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করে, বড় যানবাহনও যায়। কিন্তু যেভাবে রাস্তা হচ্ছে, তা অতি নিম্নমানের। পিচ কম দেওয়া হচ্ছে, যে খোয়াগুলি উঠে যাচ্ছে। সেখানে আবার নতুন করে পিচ স্প্রে করে দেওয়া হচ্ছে। এটা কখনও কাজের পদ্ধতি হতে পারে না। এটা প্রশাসনের দেখা উচিত। তা না হলে আমরা কাজ আটকে দেব।”

    গলদ দেখছে না পূর্ত দফতর (Balurghat)

    পূর্ত দফতরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিয়ার (রাস্তা) দেবব্রত সরকার বলেন, “আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিম্নমানের কাজ হচ্ছে না। সরকারি নির্দিষ্ট তালিকা মেনেই কাজ হচ্ছে। যদি কোথাও কোন সমস্যা হয়, তা খতিয়ে দেখা হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: চাষিদের ধান কেনায় সরকারি অফিসারদের সামনেই কাটমানি! ব্যাপক শোরগোল

    South 24 Parganas: চাষিদের ধান কেনায় সরকারি অফিসারদের সামনেই কাটমানি! ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বিভিন্ন জায়গায় রাজ্য সরকারের ধানকেনায় চলেছে চরম দুর্নীতি। পাথরপ্রতিমায় সরকারি অফিসারদের সামনে মিল মালিককে কুইন্টাল পিছু আড়াই কিলো কাটমানি দিতে হচ্ছে গরিব চাষিদের। অবশ্য কর্তৃপক্ষের দাবি, ধানে তুষ বা খোসা রয়েছে। যার জন্য আড়াই কিলো করে ধান বাদ দিতে হচ্ছে চাষিদের। এনিয়ে চাষিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ লক্ষ্য করা গিয়েছে। এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। 

    কৃষকদের বক্তব্য (South 24 Parganas)

    সুন্দরবনের (South 24 Parganas) চাষি সুনীল মণ্ডল বলেন, “বর্ষায় বাঁধ ভেঙে মাঠে নোনা জল ঢুকে চাষের বড় ক্ষতি হয়ে গিয়েছিল। অন্য দিকে চাষের সময় অনাবৃষ্টি, আবার ধান কাটার সময় অকাল বর্ষনে ধান নষ্ট হয়েছে। এর পরেও কিছু ধান তুলে বাড়ি ফিরেছি আমরা। আর সেই ধান এবার রাজ্য সরকারের খামারে বিক্রি করে করতে গিয়ে দিতে হচ্ছে কাটমানি। আমাদের ভাতে মারার কাজ করছে প্রশাসন।” আরেক চাষি সুভাষচন্দ্র মণ্ডল বলেন, “একে প্রকৃতির মারও, তারপরে চলছে প্রকাশ্যে চুরি।”

    সরকারি কর্মচারী-মিল মালিকের বক্তব্য

    এলাকার (South 24 Parganas) সরকারি এক আধিকারিক শেখ কুতুবুদ্দিন বলেন, “এই বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। যা ধান বেশি নেওয়া হচ্ছে, তার সবটাই মিল মালিকের পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে, এমনকি ধানের খোসা বা তুষের জন্য মেশিন ঠিক করেছে মিলের মালিকেরাই। কিন্তু অন্যদিকে মিল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে চাঁদু হাতি বলেন, “এই বিষয় নিয়ে সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়েই চাষিদের সাথে কথা হয়েছে এবং আড়াই কেজি করে ধান বেশি নেওয়ার কাজ চলছে।” ফলে একদিকে যখন চাষের ক্ষতির কারণে চাষিদের মাথায় হাত পড়েছে, তখন এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দোষারোপ করলেও কেউই দায় নিতে চাইছে না কাটমানির বিষয়ে। কিন্তু কৃষকদের বক্তব্য, তাঁরা ধান বিক্রির মূল্য পাচ্ছেন না।

    বিজেপির বক্তব্য

    ঘটনায় স্থানীয় (South 24 Parganas) বিজেপির নেতা অরুণাভ দাস অভিযোগ করে বলেন, “রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী নিজেই জেলে। তাঁর চেলারা আর কতটা ভালো হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে সমস্যার সমাধান চাই আমরা। পরোক্ষভাবে কাটমানির মতো ধানও দিতে হচ্ছে মিল মালিকদের। সরকারি আধিকারিকদের পাশে বসে মিল মালিকরা সেই ধান কড়ায় গন্ডায় বুঝে নিচ্ছে চাষিদের কাছ থেকে। অবিলম্বে এই দুর্নীতি বন্ধ না হলে বড় আন্দোলনের পথে নামবো আমরা ।” স্থানীয় তৃণমূল কর্মী মৃণালকুমার মাঝি বলেন, “অভিযোগ সম্পর্কে আমি জানি না। খোঁজ নেবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: তৃণমূল কংগ্রেস নেতার দাদাগিরি, হম্বিতম্বির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    Asansol: তৃণমূল কংগ্রেস নেতার দাদাগিরি, হম্বিতম্বির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলার জামুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির (Asansol) সহ-সভাপতি সিদ্ধার্থ রানার দাদাগিরির ভাইরাল ভিডিও এল প্রকাশ্যে। ব্লক সভাপতির উপস্থিতিতে তাঁরই গাড়ির চালক অন্য এক গাড়ির চালককে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত ওই দৃশ্য দেখে প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন পথচলতি মানুষ। ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতির গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এই সময় ওই নেতা নিজের গাড়ি থেকে নেমে রীতিমতো দাদাগিরি শুরু করে দেন এবং হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ। আর ওই তৃণমূল নেতার হম্বিতম্বির ভিডিও রেকর্ডিং করে বিক্ষুব্ধ জনতা ছড়িয়ে দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে আসানসোলের জামুড়িয়ায় তপসি রেল ব্রিজের নিচে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে। যদিও ওই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি ‘মাধ্যম’।

    ঘটনার বিবরণ (Asansol)

    আসানসোল থেকে জামুড়িয়া ফিরছিলেন জামুড়িয়ার তৃণমূল কংগ্রেসের দু’নম্বর ব্লকের সভাপতি তথা জামুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সিদ্ধার্থ রানা। তপসি ব্রিজের কাছে রেলগেট পড়ে যায় এবং তা খোলার পরই যানজট লেগে যায়। অনেকেই রং সাইডে ঢুকে পড়েন। এরকমই এক গাড়ির চালককে গালিগালাজ করে বেধড়ক মারধর করেন সভাপতির গাড়ির চালক, এমনটাই অভিযোগ এবং ওই চালক হুমকি দিয়ে বলেন যে তাঁর মাথার উপর তৃণমূল নেতাদের হাত রয়েছে। কেউ কিছু করতে পারবে না। এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাধারণ পথচলতি মানুষ (Asansol)।

    কী বললেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি? (Asansol)

    সিদ্ধার্থ রানা বলেন, “আমি গাড়ি পাশে দাঁড় করিয়ে বাথরুম গিয়েছিলাম। এসে দেখি ঝামেলা হচ্ছে। এক ভদ্রলোকের মাথা ফাটা রয়েছে। আমি বলি, চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ ছাড়াও যদি সাত-দশ দিন চাকরিতে অনুপস্থিত থাকেন, তার যাবতীয় খরচও বহন করবো। তা সত্ত্বেও তারা মারমুখী হয়ে উঠেছিল। আমার গাড়ির চালক গাড়ি থেকে বাইরে বের হয়নি। তাহলে কে উনাকে মারল, তা উনি ভালো বলতে পারবেন।”

    সাধারণ মানুষ বিপদে, তোপ বিজেপির

    বিজেপির আসানসোল (Asansol) জেলা সভাপতি বাপ্পা চট্টোপাধ্যায় বলেন, “যেভাবে কংগ্রেস গোটা দেশ থেকে এক প্রকার শেষ হয়ে যাচ্ছে, ঠিক সেই ভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস শেষ হয়ে যাবে। কেউ তাদের নেতাকর্মীকে খুঁজে পাবে না। তাদের সম্বন্ধে কারও কাছে কোনও খবর থাকবে না। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী থেকে নেতা সকলেই যে ভাবে গোটা রাজ্য জুড়ে অত্যাচার শুরু করেছে, তাতে সাধারণ মানুষ চরম বিপদে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Actor Shreyas Talpade: শ্যুটিং থেকে ফিরে হৃদরোগে আক্রান্ত শ্রেয়স তলপড়ে, কেমন আছেন অভিনেতা?

    Actor Shreyas Talpade: শ্যুটিং থেকে ফিরে হৃদরোগে আক্রান্ত শ্রেয়স তলপড়ে, কেমন আছেন অভিনেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শ্যুটিং থেকে ফেরার পথে হৃদরোগে আক্রান্ত হন ৪৭ বছর বয়সী বলিউড অভিনেতা শ্রেয়স তলপড়ে (Actor Shreyas Talpade)। জানা গিয়েছে, এরপরেই অভিনেতাকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে ভর্তি করানো হয়েছে মুম্বইয়ের অন্ধেরি এলাকার বেলভিউ হাসপাতালে এবং এখানেই তার অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করা হয়েছে। শেষ খবর মিলেছে, অভিনেতা আগের থেকে সুস্থ রয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার শ্যুটিং সেটে বেশ তরতাজা ছিলেন শ্রেয়স

    সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার গোটা দিনই সুস্থ এবং তরতাজা ছিলেন শ্রেয়স (Actor Shreyas Talpade)। ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’-এর শ্যুটিং করছিলেন তিনি। বেশ চনমনে ভাবেই সেটে সবার সঙ্গেই তাঁকে হাসি ঠাট্টা মজা করতে দেখা যায়। শ্যুটিং শেষ করে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন এবং স্ত্রীকে জানান তাঁর অস্বস্তি বোধের কথা। এরপরেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, পথে অভিনেতার অবস্থা আরও খারাপ হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সন্ধ্যার কিছু পরেই অভিনেতা ভর্তি হন এবং তাঁর অপারেশন হয় রাত্রি দশটা নাগাদ। বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হবে।

    অসংখ্য জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেছেন শ্রেয়স

    অসংখ্য জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে এই অভিনেতাকে। মূলত হিন্দি এবং মারাঠি ছবিতেই তাঁকে বেশিরভাগ দেখা গিয়েছে। ২০০৫ সালে তাঁর অভিনীত ‘ইকবাল’ ছবি সুপার-টুপার হিট হয়। এই ছবিতে তাঁকে (Actor Shreyas Talpade) প্রত্যন্ত গ্রামের একজন মূক বোলারের ভূমিকায় দেখা যায়। প্রতিভাবান বোলার, কোচের (ভূমিকায় ছিলেন নাসিরুদ্দিন শাহ) প্রশিক্ষণে দেশের হয়ে খেলার সুযোগ পান। পরবর্তীকালে ২০০৭ সালের বক্স অফিসে রিলিজ হয় ‘ওম শান্তি ওম’। সেখানে শাহরুখ খানের সহ অভিনেতা হিসেবে নিজের অভিনয় প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন শ্রেয়স (Actor Shreyas Talpade)। ‘গোলমাল রিটার্ন’, ‘হাউসফুল-টু’ এ সমস্ত সিনেমাতেও তাঁকে দেখা গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gita: গীতা পাঠে আসছেন মোদি, শনিবার শুরু মঞ্চ বাঁধার কাজ, নজরুলগীতি দিয়ে সূচনা অনুষ্ঠানের

    Gita: গীতা পাঠে আসছেন মোদি, শনিবার শুরু মঞ্চ বাঁধার কাজ, নজরুলগীতি দিয়ে সূচনা অনুষ্ঠানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪ ডিসেম্বর ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’ (Gita) কর্মসূচি। শনিবারই ব্রিগেডে ভূমি পূজন করে মঞ্চ বাঁধার কাজ শুরু হবে। জানা গিয়েছে, দুটি পৃথক মঞ্চ বাঁধা হবে। একটিতে হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, অন্যটি হবে অতিথিদের বসার জন্য। অতিথিদের মঞ্চে দেখা যাবে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দ্বারকা মঠের বর্তমান শংকরাচার্য স্বামী সদানন্দ সরস্বতী এবং রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে।  এর পাশাপাশি অনুষ্ঠান শুরুর আগে একটি শোভাযাত্রা হবে। শোভাযাত্রায় থাকবে কুরুক্ষেত্রর মাটি। মূল অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে নজরুলগীতির মাধ্যমে। সেসময় বেজে উঠবে ৬০ হাজার শঙ্খ।

    প্রধানমন্ত্রী কখন আসবেন?

    জানা গিয়েছে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে আসবেন বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ। পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ধুতি পোশাক, মহিলারা পরবেন শাড়ি। গীতা পাঠের (Gita) কর্মসূচিতে আমন্ত্রিত রয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ও। বৃহস্পতিবার এবিষয়ে অন্যতম উদ্যোক্তা নির্গুণানন্দ ব্রহ্মচারী বলেন, ‘‘আমাদের কর্মসূচির সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। প্রধানমন্ত্রী নিজে থেকেই অনুষ্ঠানে আসতে চেয়েছিলেন। সকলের সঙ্গে গীতাপাঠ (Gita) করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী রাজি হলে তাঁকেও যথাযথ সম্মানে স্বাগত জানানো হবে।’’

    নজরুল গীতি দিয়ে শুরু হচ্ছে অনুষ্ঠান

    ২৪ ডিসেম্বর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’ (Gita) কর্মসূচি শুরু হবে কাজী নজরুল ইসলামের লেখা, ‘‘হে পার্থসারথি! বাজাও বাজাও পাঞ্চজন্য শঙ্খ, চিত্তের অবসাদ দূর কর কর দূর….’’ গানের মাধ্যমে। হঠাৎ এধরনের নজরুল গীতি দিয়ে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’-এর আয়োজন কি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দিতেই? এমন প্রশ্ন শুনে আয়োজক কমিটির সভাপতি স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ গত রবিবার ‘মাধ্যম’-কে বলেন, ‘‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ কর্মসূচি কখনও নির্দিষ্ট ধর্ম বা বর্ণের মধ্যে বেঁধে দেওয়া হয়নি। নেই কোনও রাজনৈতিক বাছবিচারও। ‘গীতা’ জীবন বোধ, তা যেমন মানুষের কী খাওয়া উচিত সেটাও বলে, তেমনি সুশৃঙ্খল জীবন গঠনের উপায়ও শেখায়। নজরুল ইসলামের এই গান আমাদের কাছে বর্তমানে সময়োপযোগী বলে মনে হয়েছে, তাই রাখা। এই গানের প্রতিটি কথা গীতাকে সরল ও সুন্দরভাবে ব্যাখা করেছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: দিল্লি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ ললিতের, আজ তোলা হবে কোর্টে

    Parliament Security Breach: দিল্লি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ ললিতের, আজ তোলা হবে কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে হানার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝা’কে গ্রেফতার করতে সমর্থ হল দিল্লি পুলিশ। আজ শুক্রবার তাকে পেশ করা হবে পাতিয়ালা কোর্টে। বৃহস্পতিবার রাতেই দিল্লির কর্তব্যপথ থানায় আত্মসমর্পণ করে ললিত। বুধবার সংসদের (Parliament Security Breach) ভিতরে রঙ বোমা (স্মোক গ্রেনেড) নিয়ে হানা দেয় ২ যুবক এবং বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে স্লোগান দিতে থাকে অন্য দুই যুবক-যুবতী। তাদেরকে ধরে ফেলে পুলিশ। জেরা করে সেই সূত্রে জানা যায় ললিতের কথা। জানা যায়, ললিত ওই ঘটনার ভিডিও করতে সংসদের বাইরে উপস্থিত ছিল। এই ঘটনায় উঠে আসে কলকাতা যোগও। সেই ভিডিও কলকাতার এক কলেজ পড়ুয়াকেও পাঠায় ললিত। এরপর থেকে গা ঢাকা দিয়েছিল সে।

    ঘটনার পরে রাজস্থানে যায় সে

    বুধবার ১৩ ডিসেম্বরের এই ঘটনার পরেই ললিতকে খুঁজতে থাকে পুলিশ। তার মোবাইল নেটওয়ার্ক ধরে তার অবস্থান জানার চেষ্টা করছিল পুলিশ যে সে কোথায় কোথায় গিয়েছে, সেই সব তথ্য জোগাড় করছিল (Parliament Security Breach)। সদা সক্রিয় ছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ, বিহার পুলিশ সমেত অন্যান্য সমস্ত রাজ্যের পুলিশ। ললিতের সন্ধান দিতে মাঠে নেমেছিল হরিয়ানা ও রাজস্থান পুলিশও কারণ হরিয়ানা যোগও ইতিমধ্যে উঠে এসেছে এবং গুরুগ্রাম থেকে গ্রেফতার হয়েছে পঞ্চম অভিযুক্ত বিশাল শর্মা। এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর বাসে চেপে রাজস্থান চলে যায় ললিত। সেখানে দুই বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে এবং রাতে একটি হোটেলে কাটায়।

    সংসদের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কী কী বদল

    এদিকে ঘটনার পরপরেই সংসদ সচিবালয়ের তরফে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে সংসদ ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটসাঁট করতে দেওয়া হয়েছে গুচ্ছ প্রস্তাব। এর মধ্যে রয়েছে লোকসভায় যাঁরা ঢুকবেন, বিমানবন্দরের ধাঁচে তাঁদের শরীর পরীক্ষা করতে বডি স্ক্যানার বসানো, সাংসদ, সংসদ কর্মী, সাংবাদিক এবং দর্শকদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ নির্দিষ্ট করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। 

    বুধবার হানাদারেরা লাফ দিয়েছিল (Parliament Security Breach) দর্শক গ্যালারি থেকে। তাই মূল অধিবেশন কক্ষ ও দর্শক আসনের মধ্যে বসানো হবে কাচের দেওয়াল। দর্শকরা যাতে বেপরোয়া আচরণ করতে না পারেন, তাই অধিবেশন চলাকালীন বাড়ানো হচ্ছে নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সাংসদদের নিরাপত্তায় এসব ব্যবস্থা যতক্ষণ না বাস্তবায়িত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত দর্শকদের পাশ দেওয়া হবে না। দর্শকদের যখন ফের নতুন করে পাস দেওয়া হবে, তখন তাঁদের ঢুকতে হবে সংসদের চতুর্থ গেট দিয়ে। সাংসদদের প্রবেশের জন্য স্মার্ট কার্ড চালুর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে সচিবালয়ের তরফে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: দুয়ারে রেশন চলাকালীন সামগ্রীর পাচার আটকে বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়কই

    Hooghly: দুয়ারে রেশন চলাকালীন সামগ্রীর পাচার আটকে বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়কই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন সামগ্রী পাচারের অভিযোগ তুলে বিস্ফোরক হলেন তৃণমূলেরই বিধায়ক। মাঠের মধ্যে দুয়ারে রেশন দিচ্ছিলেন ডিলার বাচ্চু মুখোপাধ্যায়। কিন্তু রেশনের সামগ্রী পাচারের অভিযোগ তুলে রেশন সামগ্রী আটক করলেন হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। উল্লেখ্য বিধায়ক আগেও শাসক দলের বিরুদ্ধে পঞ্চায়েত নির্বাচনে টাকা নিয়ে টিকিট দেওয়ার কথা বলে দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। ফের এবার রেশন দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়ে তৃণমূল সরকারের দুয়ারে রেশন প্রকল্পের বাস্তব সত্যতাকে তুলে ধরলেন। উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। শাসক দল রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে আরও চাপের মুখে। 

    বলাগড়ের কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Hooghly)?

    বলাগড়ের (Hooghly) বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ডুমুরদহ নিত্যান্দপুর ২ পঞ্চায়েত কুন্তিঘাট শেরপুর স্কুল মাঠে ঘটনা ঘটেছে। রেশন সামগ্রী পাচারের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে সামগ্রী আটক করেছে। এরপর থেকে এলাকায় তীব্র উতেজনা শুরু হয়েছে। 

    বিধায়কের বক্তব্য

    বলাগড়ের (Hooghly) তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী বলেন, “দলের কাছে আগেও জানিয়েছি এখানে রেশন বিলির সময় রেশনের সামগ্রী পাচার করা হচ্ছে। আজ খবর পেয়ে হাতেনাতে ধরলাম। রেশনের সামগ্রী সাধারণ মানুষের জন্য। তাকে এই ভাবে পাচার করা যায়না। প্রশানকে আরও শক্ত হতে হবে।” খুব স্পষ্ট যে তাঁর এই বক্তব্যে দলের কাছে জানালেও কোনও লাভ হচ্ছিলনা। অবশেষে নিজেই রেশন পাচার ধরলেন। এমনটাই অভিযোগ করছে বিজেপি। 

    উপভোক্তাদের বক্তব্য

    এলাকার (Hooghly) রেশন উপভোক্তাদের বক্তব্য, “রেশনে দেওয়া চাল এবং আটার মান অত্যন্ত খারাপ। বেশিরভাগ রেশন সামগ্রীর মধ্যেই পোকা থাকে। আমরা এই সামগ্রী খাবারের কাজে ব্যবহার করতে পারিনা। সরকারের ভালো জিনিস অন্যত্র পাচার করে আমাদের খারাপ জিনিস দেওয়া হচ্ছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    ঘটনায় (Hooghly) স্থানীয় বিজেপি নেতা মণ্ডল সম্পাদক নেপাল দাস বলেন, “সরকারের প্রত্যক্ষ মদতে রেশন পাচার চলছে। তৃণমূল বিধায়ক লোকসভার ভোটের আগে শিরোনামে আসতে দুর্নীতি নিয়ে একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। কিন্তু দলের বিরুদ্ধে সার্বিক অভিযোগ তুলছেন না। তৃণমূলের সবাই চোর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: দোতলা বাড়িতে থেকেও তৃণমূল নেতা ১০০ দিনের শ্রমিক, পেলেন ‘অভিষেকের টাকা’!

    Burdwan: দোতলা বাড়িতে থেকেও তৃণমূল নেতা ১০০ দিনের শ্রমিক, পেলেন ‘অভিষেকের টাকা’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এলাকায় পড়ল পোস্টার। আর সেটাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের (Burdwan) কাঁকসা মলানদিঘি এলাকায়। যে তৃণমূল নেতার নামে পোস্টার পড়েছে তাঁর নাম সুকুমার সাহা। তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির দু’বারের সদস্য। এক সময় পঞ্চায়েত সমিতির স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষও ছিলেন তিনি।

    পোস্টারে কী লেখা রয়েছে? (Burdwan)

    তৃণমূল নেতার নামে দেওয়া পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘৮ লক্ষ টাকার গাড়ির মালিক জব কার্ডধারী, ভাঁওতাবাজ তৃণমূল নেতা সুকুমার সাহা গরিব মানুষের টাকা আত্মসাৎকারী।’ আবার কোনও পোস্টারে ব্লক সভাপতি যে টাকা দিচ্ছেন সুকুমারকে, সেই ছবিও রয়েছে। এ রকম পোস্টার পশ্চিম বর্ধমানের (Burdwan) কাঁকসার মলানদিঘি হাটতলা, পেট্রল পাম্পের সামনে-সহ বিভিন্ন জায়গায় সাঁটানো রয়েছে। আর এই পোস্টার সামনে আসতেই এলাকায় চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কেন পোস্টার?

    সুকুমারের দোতলা পাকা বাড়ি রয়েছে। হাটতলা এলাকায় প্রসাধনী সামগ্রীর একটি দোকানও রয়েছে। তিনি আবার ১০০ দিনের প্রকল্পের শ্রমিক। কয়েক মাস আগে একশো দিনের বকেয়া টাকা চেয়ে তৃণমূলের দিল্লির কর্মসূচিতেও যোগ দিয়েছিলেন সুকুমার। কিছুদিন আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, কেন্দ্র টাকা না দিলে, দলের তরফেই একশো দিনের বকেয়া টাকা সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের দেওয়া হবে। সেই মতো তাঁকেই সম্প্রতি অর্থ সাহায্য করা হয়েছে। তৃণমূল নেতা সুকুমার সাহাকে টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন দলের ব্লক সভাপতি ভবানী ভট্টাচার্য। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকার মানুষ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। এলাকার (Burdwan) মানুষের বক্তব্য, তৃণমূল নেতা লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক। ১০০ দিনের প্রকল্পে যে দুর্নীতি হয়েছে তা জ্বলন্ত হল এই ঘটনা।

    কী সাফাই দিলেন তৃণমূল নেতা?

    সুকুমারবাবু বলেন, ২০১০ থেকে আমার ‘জব কার্ড’ রয়েছে। তখন থেকে একশো দিনের শ্রমিক হিসাবে কাজ করি আমি। মাটির বাড়িতে বাস করি আমি। যে দোতলা বাড়ির কথা বলা হচ্ছে, সেটি আমার মামাদের। আমার বাবা দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টে (Burdwan) কাজ করতেন। বর্তমানে আমার দাদা ডিএসপিতে কাজ করেন। আমি শ্রমিক।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    পোস্টার প্রসঙ্গে বিজেপির কাঁকসা ৪ নম্বর মণ্ডলের সহ- সভাপতি সপ্তম দাস বলেন, আসলে তৃণমূলের চুরির জন্য যাঁরা একশো দিনের টাকা পাচ্ছেন না, তাঁরা ক্ষোভে এই কাজ করেছেন। এটা ওদের গোষ্ঠী কোন্দল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: পেটের দায়ে কাজের খোঁজে কলকাতায় যাচ্ছিলেন বিট্টু, স্টেশনেই বিপত্তি!

    Purba Bardhaman: পেটের দায়ে কাজের খোঁজে কলকাতায় যাচ্ছিলেন বিট্টু, স্টেশনেই বিপত্তি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্ল্যাটফর্মে উপর হাঁটতে এখনও বুক কাঁপছে। বর্ধমান স্টেশনে (Purba Bardhaman) দাঁড়ানো যাত্রীদের আতঙ্ক এখনও কাটছেনা। বুধবার জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ায় আজ স্টেশন চত্বর প্ল্যাটফর্মে থমথমে ভাব রয়েছে। সকল ব্যস্ততার মধ্যে যাত্রীরা অত্যন্ত সাবধান। কেউ কেউ এদিক ওদিক তাকিয়ে ভাবছেন আবার বিপত্তি নেমে আসবে না তো?

    অপর দিকে পেটের দায়ে কাজের খোঁজে কলকাতায় যাচ্ছিলেন বছর চল্লিশের বিট্টু দাস। কিন্তু জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে গুরুতর আহত হয়েছেন তিনি। পেশায় তিনি একজন রাজমিস্ত্রী, বাড়ি বিহারের কাটারিয়া গ্রামে। তাঁর বাড়িতে দুই সন্তান এবং স্ত্রী। সংসারের পুরো দায়িত্ব তাঁর উপরেই। বর্তমানে বর্ধমান মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। স্ত্রী মালতী এখন কঠিন উৎকণ্ঠার মধ্যে দিনপাত করছেন। কীভাবে চলবে সংসার এটাই এখন বড় প্রশ্ন?

    আতঙ্ক এখনও কাটেনি (Purba Bardhaman)!

    গতকাল বুধবার থেকে আজ বৃহস্পতিবার ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত আতঙ্ক কাটছে না বর্ধমান স্টেশনের (Purba Bardhaman) প্ল্যাটফর্মের যাত্রীদের। এক যাত্রী বলেন, “আমি আজ দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে দিয়ে যাওয়ার সময় গায়ে শিহরণ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল আরেকবার কিছু একটা বিপত্তি ঘটবে না তো! ভাবতেই অবাক লাগছে সুস্থ সবল মানুষ নিজেদের গন্তব্যে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু গন্তব্য পৌঁছানোর আগেই সময় তাঁদের জীবন কেড়ে নিল জলের ট্যাঙ্ক।”

    হাকারদের বক্তব্য

    সূত্রে জানা গিয়েছে, স্টেশনের (Purba Bardhaman) হকারদের বক্তব্য, অনেক দিন ধরে জলের ট্যাঙ্ক নিয়ে একটা আশঙ্কা ছিল। কিন্তু আচমকা ভেঙে পড়বে কেউ ভেবে উঠতে পারেনি। অপর দিকে দুর্ঘটনায় মৃত মাফিজা খাতুনের স্বামী মেমারির বাসিন্দা আব্দুল মফিজ শেখ বলেন, “রেলের বিরুদ্ধে এফআইআর করবো। রেলের কর্তব্যে গাফিলতি ছিল।”

    রেলের তরফ থেকে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা

    গতকাল জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়লে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তিন জনের। সেইও সঙ্গে মোট চল্লিশ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। রেলের তরফ থেকে মৃতদের পাঁচ লাখ এবং আহতদের ৫০ হাজার করে টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ঘটনার পর অনেক সময় স্টেশনে ট্রেন চলাচলে ব্যঘাত ঘটেছিল। সাময়িক ভাবে স্টেশনে ব্যাপক ভিড় জমায়েত হয়ে গিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohammed Shami: “আমি গর্বিত ভারতীয়”! সজদা-বিতর্কে পাকিস্তানি ট্রোলারদের কড়া জবাব শামির

    Mohammed Shami: “আমি গর্বিত ভারতীয়”! সজদা-বিতর্কে পাকিস্তানি ট্রোলারদের কড়া জবাব শামির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে গেলে কারুর অনুমতি নিতে হয় না। সজদা বিতর্কে পাকিস্তানকে কড়া জবাব  দিলেন মহম্মদ শামি। বিশ্বকাপে (ICC World Cup 2023) শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৫ উইকেট নেওয়ার পর চর্চায় উঠে এসেছিল তাঁর সেলিব্রেশন। খেলার মাঠে সজদা করতে গিয়েও থেমে যেতে হয়েছে মহম্মদ শামিকে, এমনটাই মনে করেছিল পাকিস্তানি নেট দুনিয়া। অবশেষে সেই বিতর্কে মুখ খুললেন শামি (Mohammed Shami)। সাফ জানিয়ে দিলেন, মাঠের মধ্যে সজদা করতে চাইলে তিনি অবশ্যই করতেন, কেউ তাঁকে বাধা দিত না।

    ভারতে নিজ ধর্মাচরণে বাধা নেই

    সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে ভারতের তারকা পেসারকে  জিজ্ঞাসা করা হয়, সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পরেই পাকিস্তানিদের একাংশ দাবি করেন যে ভারতীয় মুসলিম বলেই খেলার মাঠে সজদা করতে পারেননি শামি। কারণ ভারতে থেকে প্রকাশ্যে সজদা করতে ভয় পেয়েছিলেন তিনি। এর উত্তরে শামি বলেন, “সজদা করতে চাইলে তো কেউ বাধা দিতে পারে না। আমার ধর্ম পালনে কেউ বাধা দেবে না। আমিও কারোওর ধর্ম পালনে বাধা দেব না। যদি সজদা করতে ইচ্ছা হয় তাহলে অবশ্যই করব। গর্বের সঙ্গে বলতে পারি আমি ভারতীয় মুসলিম। আগেও তো পাঁচ উইকেট নিয়েছি, কখনও কি সজদা করতে দেখেছেন? যদি মনে হয় তাহলে আমি যেখানে খুশি সজদা করতে পারি।”

    আরও পড়ুন: আইপিএলে নাইটদের ব্যাটন শ্রেয়সের হাতেই! সহকারী হলেন কে?

    অযথা বিতর্ক তৈরির প্রয়াস

    পাকিস্তানে থাকা একদল মানুষের কাজই  অযথা বিতর্ক সৃষ্টি করা। এসব থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন। অযথা বিতর্ক বন্ধ করা দরকার। শামির কথায়, “সজদা করার জন্য় অনুমতি নিতে হলে আমি ভারতে থাকতাম না। আসলে এরা সবসময় বিতর্ক তৈরি করে সেখান থেকে খবর বের করতে চায়। এরা কাউকেই ভালোবাসে না। আসলে ওইদিন আমি নিজের ক্ষমতার বাইরে গিয়ে বোলিং করছিলাম। তাই ক্লান্ত হয়ে মাঠে বসে পড়েছিলাম।” 

    বল বিকৃত করার অভিযোগ

    পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার হাসান রাজা বিশ্বকাপে ভারতীয় বোলারদের বিশেষ বল দেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ভারতীয় বোলারেরা বলে অতিরিক্ত সুইং পাচ্ছেন, তাঁদের বলে বিশেষ যন্ত্র লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর  জবাবে শামি বলেন, ‘‘বলে কি কোনও যন্ত্র লাগানো যায়? আমি যখন এই কথা শুনেছিলাম তখন অবাক হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, কেউ কী ভাবে এ কথা বলতে পারে। আমি হাসি চেপে রাখতে পারিনি। আমি ভেবেছিলাম একটা ভিডিয়ো করব। সেখানে বল ফাটিয়ে দেখাব যে ভিতরে কিছু রাখা যায় না। কিন্তু তেমন করলে প্রচণ্ড বিতর্ক হত। সেই কারণে করিনি।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share