Tag: Madhyom

Madhyom

  • Ashwini Kumar Choubey: ‘বাংলা দুর্নীতির আখড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে’, বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনীকুমার চৌবে

    Ashwini Kumar Choubey: ‘বাংলা দুর্নীতির আখড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে’, বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনীকুমার চৌবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় রেশনে বড় ধরনের দুর্নীতি হয়েছে। কেন্দ্রের পাঠানো সম্পূর্ণ রেশন সামগ্রী পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে পৌঁছায়নি। রেশন সামগ্রী লুট হয়েছে। বুধবার বীরভূমের তারাপীঠে পুজো দিতে এসে কেন্দ্রীয় সরকারের উপভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও জনবন্টন এবং পরিবেশ দফতরের প্রতিমন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে (Ashwini Kumar Choubey) এই মন্তব্য করেন। এমনিতেই রেশন দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জেলে রয়েছেন। মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীও জেলে রয়েছেন। জেলায় জেলায় একাধিক রেশন ডিলার এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। ইতিমধ্যেই অনেক রেশন ডিলারের বাড়িতে ইডি হানা দিয়েছে। এখনও অভিযান চলছে। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রেশন দুর্নীতি নিয়ে মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। রেশন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার যে যথেষ্ট কড়া, তা মন্ত্রীর বক্তব্যে পরিষ্কার।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? (Ashwini Kumar Choubey)

    বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বীরভূমের তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দেন। সঙ্গে ছিলেন বীরভূমের দুবরাজপুরের বিজেপির বিধায়ক অনুপ কুমার সাহা। মুখ্যমন্ত্রী প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে বলেন, বাংলা দুর্নীতির আখড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দুর্নীতি আটকাতে অসফল। তাঁর ভাইপোর বিরুদ্ধে বড় বড় অভিযোগ রয়েছে। ও সেই অভিযোগ থেকে বের হতে পারবে না। বাংলার জনতা তাঁদের তুলে ফেলে দেবে। ব্যক্তি স্বার্থে সোনার বাংলাকে পুড়িয়ে দিয়েছে। বাংলায় গুণ্ডারাজ চলছে। বিজেপি সেই গুন্ডারাজ নির্মূল করবে। বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করবে।

    ইন্ডি জোটকে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Ashwini Kumar Choubey) বলেন, লোকসভার ভোটের আগে ইন্ডি জোট হয়েছে। এই জোট বাস্তবায়িত হবে না। এই জোটের অন্যতম শরিক কংগ্রেস। সেই কংগ্রেসের কালচার দুর্নীতি করা। ইন্ডি জোট আসলে দুর্নীতিদের জোট হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদের বাড়ি থেকে চারশো কোটিরও বেশি কালো টাকা উদ্ধার হয়েছে। এই দল কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত তা দেশবাসী দেখতে পাচ্ছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: সংসদের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের, গ্রেফতার পঞ্চম অভিযুক্ত

    Parliament Security Breach: সংসদের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের, গ্রেফতার পঞ্চম অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সংসদ ভবনে (Parliament Security Breach) যে ঘটনা ঘটে, তার তদন্তের নির্দেশ দিল অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ওই তদন্তের দায়িত্বে থাকবেন সিআরপিএফের ডিরেক্টর অনীশ দয়াল সিং। অন্যদিকে সংসদ হামলার ঘটনায় গত কালই চারজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এবার পঞ্চম জনকেও গ্রেফতার করতে সমর্থ হল দিল্লি পুলিশ। বুধবার রাতেই হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে পঞ্চম অভিযুক্ত বিশাল শর্মাকে। বিশাল শর্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে সংসদে যারা স্মোক গ্রেনেড নিয়ে হামলা চালিয়েছে এবং বাইরে যারা স্লোগান দিয়েছে, তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছিল সে (Parliament Security Breach)। গোটা ঘটনায় ৬ জনের যুক্ত থাকার কথা জানতে পেরেছে দিল্লি পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত ললিত ঝা নামের সেই ষষ্ঠ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ বা রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতি

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “লোকসভার সচিবালয়ের অনুরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সংসদের (Parliament Security Breach) নিরাপত্তায় গলদের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ জারি করেছে। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। যার দায়িত্বে থাকবেন সিআরপিএফের ডিরেক্টর জেনারেল অনীশ দয়াল সিং। অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা এবং বিশেষজ্ঞরা এই কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।” বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “এই কমিটি সংসদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার কারণগুলি খতিয়ে দেখবে। এ ছাড়া কোথায় খামতি রয়ে গিয়েছে সেই সব দিক খতিয়ে দেখে তাদের সুপারিশ জানাবে। এই সংক্রান্ত রিপোর্ট যত দ্রুত সম্ভব জমা দেবে কমিটি।”

    বুধবারের ঘটনা

    প্রসঙ্গত, বুধবার শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Security Breach) চলাকালীন দুপুর একটা নাগাদ হঠাৎই লোকসভার গ্যালারি থেকে ভবনে ঝাঁপ দেয় ২ যুবক। তাদের হাতে ছিল স্মোক গ্রেনেড। জানা যায়, এক সাংসদের অতিথি কার্ড ব্যবহার করে তারা সেখানে ঢুকেছিল। অপরদিকে বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল এক মহিলা ও এক যুবক। পুলিশের দাবি তারা ঠিক করে যে দু জন সংসদের ভিতরে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। আর দুজন থাকবে সংসদের বাইরে। চারজনের মধ্যে কেউই দিল্লির বাসিন্দা নয়। এই পুরো পরিকল্পনাটি তারা করে গুরুগ্রামে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohan Yadav: মধ্যপ্রদেশে ধর্মীয় স্থানে নিষিদ্ধ মাইক, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বড় নির্দেশ মোহনের

    Mohan Yadav: মধ্যপ্রদেশে ধর্মীয় স্থানে নিষিদ্ধ মাইক, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বড় নির্দেশ মোহনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের ধর্মীয় স্থান এবং জনবহুল এলাকাতে মাইক বাজানো নিষিদ্ধ হল। বুধবারই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন মোহন যাদব (Mohan Yadav)। তারপরেই এমন বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে শোনা গেল মধ্যপ্রদেশের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের সমস্ত ধর্মস্থান এবং জনবহুল এলাকায় মাইক নিষিদ্ধ করা হল। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এটাই তাঁর প্রথম জারি করা নির্দেশ। বুধবার থেকেই নিজের দফতরে কাজে মনোনিবেশ করেছেন মোহন যাদব। কাজ শুরু করার আগে এদিন তাঁর দফতরে পুজোও করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তিনবারের বিধায়ক মোহন যাদব

    প্রসঙ্গত, উজ্জয়নী দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে পরপর তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হলেন মোহন যাদব (Mohan Yadav)। এর আগে শিবরাজ মন্ত্রিসভার শিক্ষামন্ত্রীও ছিলেন তিনি। মোহন যাদব ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মধ্যপ্রদেশের ৪৮ শতাংশ মানুষই ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত। তাই সে রাজ্যের বৃহত্তম জনগোষ্ঠী থেকেই বেছে নেওয়া হল মুখ্যমন্ত্রী। ৫৮ বছর বয়সী মোহনকে মধ্যপ্রদেশের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয় গত ১১ ডিসেম্বর। তিন রাজ্যে বিপুল জয়ের পরে মুখ্যমন্ত্রী স্থির করতে পর্যবেক্ষক দল নিয়োগ করে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। গত ১৭ নভেম্বর এক দফাতেই মধ্যপ্রদেশের সমস্ত আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ৩ ডিসেম্বর ফলাফল বের হতে দেখা যায় বিজেপির জয়জয়কার। ২৩০ টির মধ্যে ১৬৩ টি আসনে জেতে বিজেপি এবং কংগ্রেস জেতে ৬৬ আসনে।

    ১৯ তম মুখ্যমন্ত্রী হলেন মোহন

    প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রদেশের ১৯তম মুখ্যমন্ত্রী হলেন মোহন যাদব (Mohan Yadav)। এর আগে শিবরাজ সিং চৌহ্বান ছিলেন এই রাজ্যের চারবারের মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার মোহন যাদব শপথ নেওয়ার আগে ভোপালের একটি মন্দিরে গিয়ে পুজোও দেন। এর পাশাপাশি ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম দুই স্থপতি পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধাও জানান তিনি রাজ্য বিজেপির কার্যালয়ে গিয়ে। মোহন যাদবের সঙ্গে এদিন উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রাজেন্দ্র শুক্লা এবং জগদীশ দেওরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: সংসদ হানায় ধৃত ৪, খোঁজ চলছে গ্যাং-এর আরও ২ জনের

    Parliament Security Breach: সংসদ হানায় ধৃত ৪, খোঁজ চলছে গ্যাং-এর আরও ২ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সংসদের (Parliament Security Breach) গ্যালারি থেকে স্লোগান দিতে দিতে কয়েকজন আগন্তুক ভবনে ঝাঁপ দেয়। সংসদে হানার এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। তবে উঠছে নানা প্রশ্ন। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত পুলিশের হাতে যে তথ্য এসেছে, তাতে জানা গিয়েছে, গ্যালারি থেকে ভবনে ঝাঁপ এবং রং বোমা দেখানোর নেপথ্যে রয়েছে মোট ছ’জন। অন্যদিকে যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, তারা কোনও সংগঠনেরই সদস্য নয়। ধৃতরা বুধবার দুপুরে সংসদে আচমকা গ্যালারি রুম থেকে ভবনে লাফ দেয়, দুই যুবককে বিভিন্ন দলের সাংসদরা ধরে ফেলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুজনের নাম সাগর শর্মা এবং মনোরঞ্জন ডি। সংসদে ঢোকার জন্য যে কোনও সাংসদের পাশ নিতে হয়। এক্ষেত্রে সাংসদ প্রতাপ সিমহার অতিথি হিসেবে তারা ঢোকে।

    ধৃত চারজন পূর্বপরিচিত

    আবার পুলিশি তথ্যে উঠে এসেছে ধৃত চারজন পরস্পরের পূর্ব পরিচিত। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই তাদের পরিচয় হয়। পুলিশের দাবি, তারা ঠিক করে যে দু’জন সংসদের (Parliament Security Breach) ভিতরে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। আর দুজন থাকবে সংসদের বাইরে। চারজনের মধ্যে কেউই দিল্লির বাসিন্দা নয়। এই পুরো পরিকল্পনাটি তারা করে গুরুগ্রামে। সেখানে ললিত ঝা নামে একজনের বাড়িতে তারা আশ্রয় নেয়। সংসদে হানা দেওয়া সাগর নামে একজনের মা বর্তমানে লখনউতে ই-রিক্সা চালান। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমার কোনও ধারণাই নেই। আমি এ সব দেখে অবাক হয়ে গিয়েছি। ও বন্ধুদের সঙ্গে কোথায় একটা যাবে বলে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। বলেছিল, দু’দিনের মধ্যে ফিরবে।’’ অন্যদিকে মনোরঞ্জনের বাড়ি কর্নাটকের মাইসুরুতে। বেঙ্গালুরু বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সে কম্পিউটারে বি টেক পাশ করেছে। সংসদের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা নিলমের বাড়ি হরিয়ানাতে। সেখানে হস্টেলে থাকে সে। অন্যদিকে আনমোল শিন্ডের বাড়ি মহারাষ্ট্রে।

    ১৩ ডিসেম্বর ছিল সংসদ হামলার ২২ বছর পূর্তি

    সংসদের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল নিলম ও আনমোল। তারা নতুন ভবনের সামনে স্লোগান দিচ্ছিল, ‘তানাসাহি নেহি চলেগা’। সংসদের বাইরে দাঁড়িয়ে স্লোগান দেওয়া ওই দুই আগন্তুকের পরিচয় সামনে এসেছে। তাদের নাম আনমোল এবং নিলম। এখনও পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে জানা যাচ্ছে, তাদের হাতে যে রং বোমা ছিল, সেটি আসলে স্মোক গ্রেনেড। প্রসঙ্গত ১৩ ডিসেম্বর ২০০১ সালেই সংসদে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার ২২ বছর পূর্তি ছিল বুধবার (Parliament Security Breach)। তাই ওই একই দিনে সংসদে হানা দেওয়ার কোনও যোগ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আবার খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা পান্নুন বেশ কয়েকদিন আগেই ১৩ ডিসেম্বর সংসদে (Parliament Security Breach) জঙ্গি হামলার হুমকি দিয়েছিল। সেটার সঙ্গেও এই ঘটনার কোনও যোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhatar: অডিটের পরই পঞ্চায়েত অফিসে চুরি, প্রচুর নথি লোপাট

    Bhatar: অডিটের পরই পঞ্চায়েত অফিসে চুরি, প্রচুর নথি লোপাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের দুর্নীতির কারণে কেন্দ্র বরাদ্দ টাকা আটকে দিয়েছে। একই অবস্থা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার। কেন্দ্রীয় টিম রাজ্যের একাধিক জেলায় পরিদর্শন করে বেড়াচ্ছেন। এরইমধ্যে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে (Bhatar) বলগোনা গ্রাম পঞ্চায়েতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি সামনে আসতেই দুর্নীতি ধামা চাপা দিতেই পঞ্চায়েতে চুরি করানো হয়েছে কি না তা নিয়ে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    পঞ্চায়েতের হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা (Bhatar)

    ভাতারের (Bhatar) বলগোনা রেলস্টেশনের কাছাকাছি বলগোনা গ্রামপঞ্চায়েত কার্যালয়। দোতলা ওই পঞ্চায়েত ভবনের উপরতলায় রয়েছে পাশাপাশি চারটি ঘর। তার মধ্যে একটি প্রধানের এবং আর একটি উপপ্রধানের। বাকি দুটি ঘরে অন্য কর্মীরা কাজ করেন। উপপ্রধানের ঘর এবং বাকি তিনটি ঘরে মোট ১২টি ছোট এবং বড় আলমারি আছে। পঞ্চায়েত কার্যালয়ে আটটি সিসি ক্যামেরাও আছে। সেগুলির হার্ডডিস্ক ছিল প্রধানের ঘরে। দিন চারেক আগে গ্রাম পঞ্চায়েতে বার্ষিক অডিটের কাজ শেষ হয়েছে। তারপরই পঞ্চায়েতের তালা ভেঙে চুরি করেছে দুষ্কৃতীরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, পঞ্চায়েতের কর্মী প্রদ্যুৎ সাঁতরা অন্যদিনের মতো প্রধানের কাছ থেকে চাবি এনে যখন অফিস খুলতে যান, তখন দেখেন এক তলায় মূল গেটের তালা ভাঙা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধানের ঘরে যে টেবিল ছিল, তার ড্রয়ারও ভাঙা হয়েছে। তার ঘর থেকে বেরনোর সময় সিসিটিভির হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে পালিয়েছে তারা। এ ছাড়া বাকি তিনটি ভাঙা হয়েছে। তার ঘর থেকে বেরনোর সময় সিসিটিভির হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে পালিয়েছে তারা। এ ছাড়া বাকি তিনটি ঘরের মোট নয়টি আলমারি খুলে নথিপত্র নয়ছয় করেছে তারা। তিনটি আলমারির চাবি খুঁজে বের করে তারা। বাকি আলমারিগুলোর লক ভেঙে জিনিসপত্র চুরি করা হয়েছে।

    পঞ্চায়েত প্রধান কী বললেন?

    পঞ্চায়েত প্রধান লায়লা বেগম চৌধুরী বলেন, মূল দরজার পাশাপাশি দোতলার চারটি ঘরেরই তালা ভাঙা। সবগুলি আলমারির লণ্ডভণ্ড দশা। ঘরের জিনিসপত্র তছনছ হয়ে রয়েছে। পাশেই পড়ে রয়েছে ভাঙা তালা। অনেক নথি চুরি গিয়েছে। আমরা পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করেছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ১৪/১২/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ১৪/১২/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কাজের জায়গায় আঘাত লাগতে পারে।

    ২) সংসারে খুব সংযত ভাবে থাকতে হবে।

    বৃষ

    ১) ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পাবেন।

    মিথুন

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    কর্কট

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুসঙ্গে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    সিংহ

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    কন্যা

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    তুলা

    ১) ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ।

    ২) কাজের জন্য বাড়ির কেউ বাইরে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    বৃশ্চিক

    ১) সুন্দর কথা বলায় সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ রয়েছে।

    ধনু

    ১) পড়াশোনার খুব ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    মকর

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য শান্তি পাবেন না। 

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা আসতে পারে।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    মীন

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: বিজেপি কর্মীদের ঝাঁটা মারার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার

    Paschim Medinipur: বিজেপি কর্মীদের ঝাঁটা মারার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বিজেপি কর্মীদের মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার নিদান দিয়েছিলেন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার পশ্চিম মেদিনীপুরে (Paschim Medinipur) দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বিজেপি কর্মীদের ঝাঁটা মারার নিদান দিলেন। লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে বাংলায় ততই যেন চড়ছে রাজনৈতিক পারদ। তার সঙ্গে কুকথার বুলি ছুটছে নেতাদের মুখে। তৃণমূল নেতার এই বক্তব্যে জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র? (Paschim Medinipur)  

    পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) চন্দ্রকোনা বিধানসভার উদ্যোগে চন্দ্রকোনার শ্রীনগর এলাকায় একটি তৃণমূলের প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সভা থেকেই কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে সুড় চড়ান তৃণমূলের মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি নিদান দেন ঝাঁটা মারার। তিনি বলেন, ‘ভোট চাইতে এলেই ঝাঁটা মেরে তাড়াবেন বিজেপি-কে। এ রাজ্য থেকে ওদের তাড়াতে আমাদের দরকার হবে না। মায়েরাই যথেষ্ট, ঝাঁটা মেরে ওদের তাড়াতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিজেপি নেতারা বাড়িতে ভোট চাইতে এলে আগে বলবেন, দিন টাকা, না হলে মারব ঝাঁটা।’ প্রসঙ্গত, একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্র। এই অভিযোগ তুলে বারংবার সরব হয়েছে তৃণমূল। আগামী ১৭ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলতে দিল্লি যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় এই বঞ্চনার অস্ত্রে ধার দিয়েই ২৪-এর লোকসভা ভোটের বৈতরণী পার করতে চাইছে এ রাজ্যের শাসকদল।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন?

    এভাবে কুকথা বলে সাধারণ মানুষের সমর্থন আদায় করতে পারবে না তৃণমূল। এমনই দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। চন্দ্রকোনা বিধানসভার বিজেপি নেতা সুদীপ কুশারি বলেন, তৃণমূল দলটা কেমন তা রাজ্যের মানুষ দেখতে পাচ্ছেন। এভাবে কুকথা বলে মানুষের থেকে ওরা আরও দূরে সরে যাচ্ছে। এবার লোকসভায় মানুষ ওদেরই ঝাঁটা মেরে বের করে দেবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বেহাল রাস্তা! স্ট্রেচারে করে রোগী নিয়ে যান গ্রামবাসীরা, হুঁশ নেই তৃণমূল সরকারের

    Murshidabad: বেহাল রাস্তা! স্ট্রেচারে করে রোগী নিয়ে যান গ্রামবাসীরা, হুঁশ নেই তৃণমূল সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পার হয়ে গিয়েছে। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দির ভবানন্দপুর গ্রাম এখনও স্বাধীন হয়নি। যেখানে সরকারের নানা রকম প্রকল্পের কথা শোনা যায় এবং সেগুলি বাস্তবায়িত হতেও দেখা যায়, তাহলে কেন মুর্শিদাবাদের ভবানন্দপুর গ্রামের এরকম অবস্থা? কেন এখানে পথশ্রী প্রকল্প শুরু হচ্ছে না, এর কারণ কেউ সঠিক বলতে পারছে না।

    বেহাল রাস্তা, স্ট্রেচারে করে রোগী নিয়ে যান গ্রামবাসীরা

    গত ২৪ ঘণ্টা আগেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) এই গ্রামের একটি দৃশ্য ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। কী সেই ভাইরাল দৃশ্য? এক মুমূর্ষু রোগীকে নিয়ে স্ট্রেচারে চাপিয়ে চারজন কাঁধে নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাচ্ছে। রাস্তার অবস্থা এতটাই বেহাল এই গ্রামে যে চারচাকা গাড়ি ঢোকার রাস্তা নেই। অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে পারে না গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, মাটির রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে বেহাল হয়ে পড়েছে। ফলে, খানাখন্দে ভরে রয়েছে রাস্তা। গ্রামে কোনও গাড়িও ঢোকে না। গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যেতে হয়। বহুবার বলার পরও কোনও কাজ হয়নি। ভোটের সময় নেতারা রাস্তা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোট মিটে যেতেই কারও আর দেখা মেলে না।  

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    এ বিষয়ে তৃণমূল পরিচালিত কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্থপ্রতিম সরকার বলেন, কোনওকালেই এখানে পাকা রাস্তা ছিল না। স্বাধীনতার পর থেকেই ফেরিঘাট হয়ে গ্রামবাসীরা যাতায়াত করতেন। আর কেন্দ্রীয় সরকার টাকা না ছাড়লে কীভাবে রাস্তা হবে?

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    জেলার বিজেপি নেতা শংকর তরফদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রচুর টাকা বরাদ্দ করেছে। তৃণমূল সেই টাকা লুটপাট করে খাচ্ছে। আর তারজন্য গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা তৈরি হচ্ছে না। মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই রাস্তা হয়তো অনুমোদন হয়ে গিয়েছে অথচ রাস্তার কাজ তৃণমূল নেতারা শুরু করেননি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malnutrition: নাবালিকা মায়ের জন্য অপুষ্টিতে শিশুমৃত্যু? কন্যাশ্রী আর আশাকর্মীরা কোথায়?

    Malnutrition: নাবালিকা মায়ের জন্য অপুষ্টিতে শিশুমৃত্যু? কন্যাশ্রী আর আশাকর্মীরা কোথায়?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্যে একাধিক শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।‌ বিশেষত মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল ‌কলেজে পর পর সদ্যোজাত শিশুমৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। তার জেরেই একাধিক প্রশ্ন উঠছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ খোদ জানিয়েছেন, জেলায় বাড়ছে নাবালিকা মায়ের সংখ্যা।‌ তার জেরেই শিশুমৃত্যু। আবার স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জানিয়েছেন, প্রয়োজনের তুলনায় কম ওজনের শিশুর জন্ম হচ্ছে (Malnutrition)। আর তার জেরেই নবজাতকের দেহে নানান জটিলতা দেখা দিচ্ছে।‌ মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। আর এর পরেই রাজ্য জুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    কোন তিন প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে? (Malnutrition) 

    শিশুমৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, নাবালিকা মায়ের সংখ্যা বাড়ছে কেন? আগে একাধিকবার কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, নাবালিকা মায়ের নিরিখে দেশের মধ্যে প্রথম সারিতে পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু রাজ্যের যুক্তি, নাবালিকা বিয়ে কমছে। কন্যাশ্রী রুখে দিয়েছে নাবালিকা বিয়ের সমস্যা। কিন্তু মুর্শিদাবাদে পর পর শিশু মৃত্যুর ঘটনার পরে খোদ কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, জেলা জুড়ে বাড়ছে নাবালিকা মায়ের সংখ্যা। তাই শিশুমৃত্যু বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছেন, এই সমস্যা শুধু মুর্শিদাবাদ জেলার নয়। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, মালদা সহ একাধিক জেলায় নাবালিকা মায়ের সংখ্যা বাড়ছে। তাহলে প্রশ্ন, কন্যাশ্রী কি আদৌও কার্যকর হয়েছে?
    স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রয়োজনের তুলনায় কম ওজন (Malnutrition) নিয়ে নবজাতকের সংখ্যা রাজ্যে বাড়ছে। তাই শিশুমৃত্যুর ঘটনাও বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, তাহলে কি রাজ্য সরকার আশাকর্মীদের ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারছে না? 
    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছেন, গর্ভবতী মহিলাদের জন্য কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্প রয়েছে। গর্ভাবস্থায় মা যাতে পুষ্টিকর খাবার খেতে পারে, তা সুনিশ্চিত করতেও একাধিক প্রকল্প রয়েছে। গর্ভবতীর বাড়ি গিয়ে আয়রন ট্যাবলেট ও ফলিক অ্যাসিড পৌঁছে দেওয়ার কথা প্রশাসনের।‌ আর এই কাজগুলোর দায়িত্বে থাকেন আশাকর্মীরা।‌ তাহলে মায়েরা ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছেন না কেন? কেন প্রয়োজনের তুলনায় কম ওজনের শিশুর জন্ম হচ্ছে (Malnutrition)? তাহলে প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাব কি এর কারণ? 
    আবার প্রশাসনের অন্দরেই জানা যাচ্ছে, অসুস্থ নবজাতকদের অনেক ক্ষেত্রেই এক হাসপাতাল থেকে আর এক হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে।‌ দূরত্বের ধকল সহ্য করতে পারছে না একরত্তি। ফলে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে বাধ্য হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, কবে রেফার রোগ থেকে মুক্তি পাবে সরকারি হাসপাতাল? জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজ‌ খোলার পরেও‌ কেন‌ অসুস্থ শিশুকে নিয়ে মাইলের পর মাইল পাড়ি দিতে হচ্ছে?

    কী বলছেন প্রশাসনের কর্তারা? (Malnutrition)

    নাবালিকা মায়ের প্রসঙ্গে প্রশাসনের কর্তারা জানাচ্ছেন, এই সমস্যা সামাজিক, রাতারাতি মিটবে না। তাই এখনও নাবালিকা মায়েরা রয়েছেন। তবে, কন্যাশ্রী এই সমস্যা মোকাবিলা করতে সব চেয়ে বড় অস্ত্র। 
    আশাকর্মীরা‌ যথেষ্ট‌ সক্রিয় বলে সাফ জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। তাঁরা জানাচ্ছেন,‌ ডেঙ্গি হোক কিংবা গর্ভবতীদের বাড়িতে আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড পৌঁছে দেওয়ার কাজ, যথেষ্ট সক্রিয় ভাবেই আশাকর্মীরা তা করছেন। সেই কাজে নজরদারিও রয়েছে। কিন্ত তার পরেও কেন বাড়ছে শিশুমৃত্যু, সেই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি (Malnutrition)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purbo Bardhaman: বর্ধমান স্টেশনে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে বিপত্তি, মৃত ৩, জখম বহু, ব্যাহত ট্রেন চলাচল

    Purbo Bardhaman: বর্ধমান স্টেশনে জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে বিপত্তি, মৃত ৩, জখম বহু, ব্যাহত ট্রেন চলাচল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েক বছর আগে বর্ধমান (Purbo Bardhaman) স্টেশনে ফুট ওভারব্রিজে যাত্রীদের ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে বহু যাত্রী জখম হয়েছিলেন। এমনকী মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছিল। এরপর ২০২০ সালে এই বর্ধমান রেল স্টেশনেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল একটি পুরনো বারান্দা। এতে দু’জন আহত হয়েছিলেন। এই সব ঘটনার স্মৃতি উসকে দিল বুধবার দুপুরে বর্ধমান রেল স্টেশনে আস্ত একটি জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে যাওয়ার ঘটনা। জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে আরপিএফ এবং দমকল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ। জখমদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। যাত্রীদের মধ্যে ছড়িয়েছে আতঙ্ক।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Purbo Bardhaman)

    স্থানীয় সূত্রের খবর, বুধবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ বর্ধমান (Purbo Bardhaman) স্টেশনের দুই এবং তিন নম্বর প্ল্যাটফর্মের মাঝখানে একটি ওভারহেড জলের ট্যাঙ্ক হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সেই সময় দু’টি প্ল্যাটফর্মেই গাদাগাদি ভিড়। আচমকা ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়ায় মুহূর্তে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। জানা যাচ্ছে, ওই প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের বসার একটি শেড ছিল। জলের ট্যাঙ্কটি হুড়মুড় করে সেই শেডের উপর পড়ে যায়। তাতেই বিপত্তি। তিনজনের মৃত্যু হয়। জখম হন বেশ কয়েকজন। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আমরা সবাই প্ল্যাটফর্মের কাছে শেডের নিচে বসেছিলাম। সেই সময় আচমকাই বিকট শব্দে শেডের উপর ভেঙে পড়ে জলের ট্যাঙ্কটি। আমরা যে দিকে পারি, ছুটে পালানোর চেষ্টা করি। প্রচণ্ড হুড়োহুড়ির মধ্যে কয়েক জনকে মাটিতে পড়ে যেতেও দেখি। কী করে আচমকা জলের ট্যাঙ্কটি ভেঙে পড়ল তা বুঝতে পারছি না।

    রেল আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন,’ কী করে ঘটল তা এখনও পরিষ্কার নয়। আহতদের দ্রুত বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করানো হয়েছে। দুর্ঘটনার জেরে ট্রেন চলাচল কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। তবে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share