Tag: Madhyom

Madhyom

  • Lemon in Winter: শীতে রোজ দেদার লেবু! অতিরিক্ত খেলে কি বাড়তি বিপদ হতে পারে? 

    Lemon in Winter: শীতে রোজ দেদার লেবু! অতিরিক্ত খেলে কি বাড়তি বিপদ হতে পারে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শীতের আমেজ চলে এসেছে। যদিও তাপমাত্রার পারদ ওঠানামা করছে। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার খেসারত দিচ্ছে শরীর। কিন্ত বাজারে পাওয়া যাচ্ছে নানা রকমের লেবু। শীতের সকালের জলখাবার হোক কিংবা দুপুরের খাবার শেষে, চলছে দেদার লেবু খাওয়া (Lemon in Winter)। কমলালেবু হোক কিংবা মাল্টা।‌ নানান রকমের লেবু এখন নিত্যদিনের মেনুতে থাকছে। এই অভ্যাস শরীরের জন্য বাড়তি কোনও উপকার করছে, নাকি নিয়মিত লেবু খাওয়ার অভ্যাস পরবর্তীতে উদ্বেগ বাড়াবে? চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, লেবু খাওয়ার ক্ষেত্রেও পরিমাণে নজরদারি জরুরি। সবার জন্য লেবু উপকারী নয়।

    নিয়মিত লেবু খেলে‌ শীতে কী সুবিধা হতে পারে? 

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, লেবুতে থাকে ভিটামিন সি।‌ কমলালেবু হোক কিংবা মাল্টা, যে কোনও ধরনের লেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হয়। এই আবহাওয়ায় অধিকাংশই সর্দি-কাশিতে ভুগছেন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার সর্দি-কাশির দাপট কমাতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত লেবু খেলে এই ধরনের সমস্যা কমবে। 
    তাছাড়া, কমলালেবু কিংবা মাল্টা জাতীয় ফলে থাকে ক্যালসিয়াম। যা হাড়ের জন্য খুব উপকারী। তাই নিয়মিত লেবু খেলে হাড়ের রোগের সমস্যা কমে। বিশেষত, মধ্যবয়সী মহিলারা‌ অনেকেই হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। শীতে তাঁদের সমস্যা বাড়ে। তাই শীতকালে নিয়মিত লেবু খাওয়ার অভ্যাস (Lemon in Winter) তাঁদের জন্য বাড়তি উপকারী হবে।‌
    শীতে অনেকেই ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। শীতে শুষ্কতা বাড়ে।‌ শুষ্ক ত্বকের সমস্যা কমাতে লেবু বিশেষ সাহায্য করে। শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন থাকলে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা কমে। বিশেষত কমলালেবু নিয়মিত খেলে ত্বকের শুষ্কতা কমে। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ধরনের আবহাওয়ায় অনেকেই রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন। তাই মাল্টার মতো‌ লেবু খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

    নিয়মিত লেবু খাওয়ার অভ্যাস কোনও বিপদ ডেকে আনছে কি? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, লেবু উপকারী।‌ কিন্ত তা সত্ত্বেও‌ পরিমিত খাওয়া (Lemon in Winter) জরুরি‌। তা না হলেই পরবর্তীতে একাধিক সমস্যা তৈরি করতে পারে।‌ তাই লেবু খাওয়ার ক্ষেত্রে সেসবে নজর জরুরি। 
    কিডনির সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত কমলালেবু খাওয়া বিপজ্জনক।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, কমলালেবুর উপাদান কিডনির সমস্যা বাড়িয়ে দিতে‌ পারে। তাই কিডনি রোগীর দিনে একাধিক কমলালেবু খাওয়া উচিত নয়। 
    শীতে অনেকেই পেটের সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ, পেটের ‌গোলমাল হলে‌ লেবু (Lemon in Winter) এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ, অনেক সময়েই অতিরিক্ত লেবু ‌খেলে হজমের সমস্যা হয়।‌ তাই পেটের সমস্যায় লেবু খাওয়া একেবারেই চলবে না বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 
    পাশপাশি মাল্টা জাতীয় লেবু খাওয়ার ক্ষেত্রেও কতখানি খাওয়া হচ্ছে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ, চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাল্টা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তাই অতিরিক্ত মাল্টা লেবু খেলে রক্তচাপ ওঠানামা করতে পারে। তাই সেদিকে খেয়াল রেখেই খাওয়া জরুরি। 
    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, দিনে‌ একটা লেবু খাওয়া যেতেই পারে। কিন্ত উপকারী ফল বলে একাধিক লেবু খেলে সমস্যা হতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Winter Disease: অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় শীতের আমেজে ছন্দপতন ! সতর্ক না হলেই বড় বিপদ 

    Winter Disease: অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় শীতের আমেজে ছন্দপতন ! সতর্ক না হলেই বড় বিপদ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়ার খামখেয়ালি মেজাজ বাড়াচ্ছে ভোগান্তি‌। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে তাপমাত্রার পারদ কমতে শুরু করেছিল। শহর থেকে জেলায় শীতের আমেজ চলে এসেছিল। কিন্তু ডিসেম্বরের শুরুতেই ছন্দপতন। তাপমাত্রার পারদ বাড়ে। সঙ্গে ঘাম আর অস্বস্তি। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, অন্ধ্র উপকূলের নিম্নচাপের জেরেই আবহাওয়ার এই মেজাজ। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, হালকা শীতের আমেজের মাঝে এরকম হঠাৎ ঘাম আর অস্বস্তিকর আবহাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক (Winter Disease)। তাই বাড়তি সতর্ক না থাকলে বিপদ বাড়বে।

    কাদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের জন্য এই আবহাওয়া বাড়তি সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, সকাল কিংবা রাতের দিকে ঠান্ডা, অথচ সন্ধ্যা বা দুপুরে ঘাম হচ্ছে, এর জেরে একাধিক ভাইরাস বাতাসে শক্তিশালী হচ্ছে। তাই জ্বর, সর্দির মতো সমস্য দেখা দেওয়ার ঝুঁকি বেশি। তাছাড়া, যাদের শ্বাসকষ্ট জাতীয় সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এই আবহাওয়া একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। এই আবহাওয়ায় শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই কাশি হলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিশেষত শিশুদের কাশি হলে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, অনেক ক্ষেত্রে শ্বাসনালীর সংক্রমণের সমস্যা ফুসফুসের গুরুতর সঙ্কট তৈরি করে (Winter Disease)। নিউমোনিয়ার মতো জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ায়। শ্বাসনালীর সংক্রমণ শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই শিশুদের পাশাপাশি যারা অ্যাজমা বা হাঁপানির অসুখে ভুগছেন, এই আবহাওয়ায় তাদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই পরামর্শ বিশেষজ্ঞ মহলের।

    কীভাবে কমবে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি? (Winter Disease)

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, এই আবহাওয়ায় পোশাক নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, খুব মোটা পোশাক এই আবহাওয়ায় অস্বস্তিকর। ঘাম হবে। তাতে সমস্যা বাড়বে। আবার পাতলা পোশাকও চলবে না। তাই পোশাক নির্বাচনে একটু সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষত, কান এবং গলায় যাতে ঠিকমতো ঢাকা থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ, এই ঠান্ডায় অধিকাংশ মানুষ আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনে (Winter Disease) ভুগছেন।  অর্থাৎ, শ্বাসনালীর উপরের অংশে সংক্রমণ হচ্ছে। তার জেরেই সর্দি-কাশির মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। 

    খাবারের ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকদের পরামর্শ, গরম লাগলেও একেবারেই আইসক্রিম,  ঠান্ডা পানীয় খাওয়া চলবে না। এতে শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে। পাশাপাশি হালকা খাবার খেতে হবে। যাতে হজমের গোলমাল না হয়। কারণ, আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের জেরে বাড়ে হজমের সমস্যা। ভাইরাস ঘটিত সর্দি-জ্বর পেটের সমস্যা তৈরি করে। তাই অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার বিপদ বাড়াতে পারে। বিভিন্ন ধরণের স্যুপ কিংবা স্ট্রু জাতীয় খাবার এই আবহাওয়ায় উপকারী বলেও জানাচ্ছেন পু্ষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সহজপাচ্য অথচ গরম খাবার এই আবহাওয়ায় খুব উপকারী। 

    নিয়মিত মধু, গোলমরিচ আর তুলসিপাতা খাওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এতে দেহের প্রতিষেধক ক্ষমতা বাড়বে। ফলে যে কোনও ভাইরাস আর ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হবে (Winter Disease)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WHO: মিষ্টি পানীয় ও মদের ওপর বেশি কর চাপানোর প্রস্তাব দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, কেন জানেন?

    WHO: মিষ্টি পানীয় ও মদের ওপর বেশি কর চাপানোর প্রস্তাব দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যালকোহল এবং মিষ্টি জাতীয় সমস্ত রকমের অস্বাস্থ্যকর খাদ্য-পানীয়ের ওপর বেশি করে কর চাপানোর পরামর্শ দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। মঙ্গলবারই বিশ্ব সংস্থা সংস্থার তরফে একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে। সেখানে বিশ্বের প্রায় সমস্ত দেশেরই মদ এবং মিষ্টি পানীয়ের উপরে যে কর রয়েছে বর্তমানে, তা পর্যালোচনা করা হয়েছে। ওই রিপোর্টে বলা হচ্ছে, অস্বাস্থ্যকর এই সমস্ত পানীয়ের ওপর যে কর দেশগুলি চাপিয়েছে, তা খুবই কম। বিশেষত ইউরোপের দেশগুলির ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে মদের উপরে তারা কোনও করই চাপায়নি।

    মদ্যপানের কারণে প্রতিবছর মারা যান ২৬ লাখ মানুষ

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিবছরই ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় শুধুমাত্র অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে। ৮০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় অস্বাস্থ্যকর খাবারের কারণে। তাই ‘হু’ (WHO) মনে করে এই সমস্ত খাদ্য পানীয়গুলির উপরে অতিরিক্ত পরিমাণে কর চাপালে মানুষের মৃত্যুর হার অনেকটাই হ্রাস পাবে। এবং সারা বিশ্বের সামগ্রিক স্বাস্থ্য অনেকটাই ভালো হবে। এর পাশাপাশি মদ এবং মিষ্টি জাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলার জন্যও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে ‘হু’ (WHO)।  অন্যদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা উদাহরণ দিয়েছে, মদ্যপানের কারণে মৃত্যুর ঘটনা বাড়তে থাকে লিথুয়ানিয়া নামক দেশে। ২০১৭ সালে সেদেশের সরকার অ্যালকোহল জাতীয় পানীয়ের ওপর করের পরিমাণ অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে সে দেশের মৃত্যুর হার দু’ বছরে ২৩.৪ শতাংশ থেকে কমে ১৮.১ শতাংশ নেমে আসে।

    মদ্যপান এড়িয়ে গেলে কমে আসে নানা রোগের ঝুঁকি

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটাও মনে করে যে মানুষের ওপর মদ বা মিষ্টি পানীয়গুলির খারাপ প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়লে ক্যানসার, ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্থূলত্বের মতো সমস্যাগুলিও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তরফে রাডিগার ক্রেচ এবিষয়ে বলেন, “অস্বাস্থ্যকর পানীয়ের উপর কর ধার্য করলে যদি মানুষের হুঁশ ফেরে। শুধু স্বাস্থ্যই নয়, সমাজের উপরেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে যদি মানুষ একটু সচেতন হন। মদের উপর করের পরিমাণ বাড়লে রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনা কিংবা ট্র্যাফিক আইন ভাঙার প্রবণতাও কমবে বলে মনে হয়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: গ্রামে জল নেই! আসন ছেড়ে মামলাকারীদের কথা শুনলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    Abhijit Ganguly: গ্রামে জল নেই! আসন ছেড়ে মামলাকারীদের কথা শুনলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পানীয় জলের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন গ্রামবাসীরা। আর গ্রামবাসীদের সেই মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের এজলাসে। আর বিচারের দায়িত্ব পড়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) ওপর। স্বাভাবিকভাবে তাঁর উপর আস্থা ছিল মামলাকারীদের। কিন্তু, বিচারপতির ব্যবহারেই আপ্লুত মামলাকারীরা।

    বিচারপতি আসন ছেড়়ে মামলাকারীদের সঙ্গে কথা বললেন (Abhijeet Ganguly)

    আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সাল থেকে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের নকশালবাড়ি ব্লকের হাতিঘিষা গ্রাম পঞ্চায়েতের সেবদুল্লা গ্রামে পানীয় জলের অভাবের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, বহু আবেদন এবং নিবেদনের পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয় জলকষ্টে থাকা কিছু পরিবার। মামলাকরীদের অধিকাংশই আদিবাসী চা-শ্রমিক পরিবারের। সোমবার ওই মামলার শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) এজলাসে। সমস্যা বুঝতে অভিযোগকারীদের এজলাসে ডেকে পাঠান বিচারপতি। কিন্তু, শুনানির শুরুতেই গ্রামবাসীদের বক্তব্য ভালো করে শুনতে পাচ্ছিলেন না তিনি। তাই বিচারপতির আসন ছেড়ে নিচে নেমে আসেন তিনি। গ্রামবাসীদের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা কথা বলেন। শুনানির দিন কলে জল পড়ে। অন্য সময় আর জলে বের হয় না। অভিযোগ শুনলেন বিচারপতি। একজন বিচারপতির এমন ব্যবহারে মামলাকারীরা আপ্লুত। মামলাকারীদের কাছে সব শোনার পর শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দফতর, প্রকল্প রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার-সহ আরও কয়েক জনকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেন বিচারক।

    মামলাকারীদের কী বক্তব্য?

    মামলাকারীদের বক্তব্য, আদালতে মামলা করার পর অদ্ভুত ভাবে লক্ষ্য করা যায়, ওই মামলার যখনই শুনানির দিন আসে, তখনই কল দিয়ে জল পড়তে শুরু করে। যেই শুনানি হয়ে যায় আবার জল বন্ধ হয়ে যায়। দীপু হালদার নামে এক মামলাকারী বলেন, আমাদের গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে জলকষ্ট। আমরা পিএইচই দফতরে আবেদন করলে আমাদের গ্রামে কল লাগিয়ে দেওয়া হয়। জল সমস্যা মিটে যায়। বাড়ি বাড়ি জলের সংযোগ দিয়ে জল পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টা শুরু হয়। আমার বাড়িতেও সংযোগ দেওয়া হয়। তার পর আমার বাড়ির কল দিয়ে জল পড়ছে দেখিয়ে দিয়ে আমার থেকে আধার কার্ডের ফটোকপি নিয়ে নেওয়া হয়। তারপর থেকে আর জল পাচ্ছিলাম না। বিষয়টি বিভিন্ন মহলে দরবার করে সুরাহা না হওয়ায় আমরা আদালতের দ্বারস্থ হই।

    সরকারি আইনজীবী কী বললেন?

    সরকারি আইনজীবী হীরক বর্মণ বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজ এখনও চলছে। মাঝেমধ্যে হাতির হানা কিংবা ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য পাইপ ফেটে জল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিচারপতি (Abhijit Ganguly) মামলাকারীদের ডেকেছিলেন। অভিযোগকারীদের মধ্যে পাঁচ জন জানিয়েছেন যে তাঁরা জল পাচ্ছেন। ফলে, মামলাকারীরা জল না পাওয়ার যে অভিযোগ করছে তা ঠিক নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ফের কুমিরছানা! জঙ্গলে ভরা বিমানবন্দর পরিদর্শনে তৃণমূল সরকারের রাজনীতিরই গন্ধ

    Dakshin Dinajpur: ফের কুমিরছানা! জঙ্গলে ভরা বিমানবন্দর পরিদর্শনে তৃণমূল সরকারের রাজনীতিরই গন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে লোকসভা নির্বাচন। ভোট রাজনীতিকে সামনে রেখে ফের বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) থেকে বিমান চালুর উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। যদিও ভোট পেরোলে আবার সেই উদ্যোগ ধামাচাপা পড়ে যায়। বুধবার তিনজনের একটি দল বালুরঘাট বিমানবন্দরের পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখে। যদিও খবর, বালুরঘাট বিমানবন্দরের পরিকাঠামোগত বহু ঘাটতি রয়েছে। উড়ান চালাতে গেলে আরও একাধিক পরিকাঠামো প্রয়োজন। সেই জায়গা থেকে বালুরঘাট বিমানবন্দর থেকে উড়ান আদৌ চলবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েই গেল। তবে, জেলা প্রশাসনের তরফে দাবি করা হচ্ছে, বিমান চলার সম্ভাবনা প্রবল। 

    ঘন জঙ্গলে পরিপূর্ণ

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মাহিনগরে রয়েছে বালুরঘাট বিমানবন্দর (Dakshin Dinajpur)। প্রায় ১৫২ একর জমির মধ্যে রয়েছে ১৩৮০ মিটার রানওয়ে। বড়মাপের বিমান না চললেও ছোট বিমান চলতে পারবে। তবে বৃহৎ এলাকার বিস্তীর্ণ জমি, এয়ার স্ট্রিপ, প্যাসেঞ্জার লাউঞ্জ, এয়ার ট্রাফিক সহ বিমান পরিষেবার সমস্ত সুবিধাযুক্ত বালুরঘাট বিমানবন্দরটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। প্রায় ৩৫ বছরের উপরে এই বিমানবন্দর থেকে বিমান চলাচল করেনি। বর্তমান রাজ্য সরকারের ১১ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দে বিমানবন্দরের ভেঙে যাওয়া রানওয়ে থেকে শুরু করে এয়ার স্ট্রিপ, প্যাসেঞ্জার লাউঞ্জ, এয়ার ট্রাফিক, ক্রু এবং পাইলটদের রেস্ট রুম, প্রয়োজন মতো রেস্তোরাঁ, রিফ্রেশমেন্ট কাউন্টার এবং অন্যান্য সমস্ত কিছু একেবারে নতুনভাবে তৈরি হয়েছে। কিন্তু আধুনিকমানের পরিকাঠামো তৈরির পরেও বর্তমানে এয়ারপোর্টের রানওয়ে ছাড়া বাকি অংশ ঘন জঙ্গলে পরিপূর্ণ। দিনের বেলাতেও লোকে ঢুকতে ভয় পাবে। প্রকাশ্য দিবালোকে বিমানবন্দরে ঘুরছে শিয়াল। রানওয়ের আশেপাশেও গজিয়ে উঠেছে বড় বড় গাছ, ঘাসে ঢেকেছে অন্যান্য এলাকা। অথচ পরিকাঠামো উন্নয়নের খাতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

    সরাতে হবে ইটভাটা

    এরকম একটা পরিস্থিতিতেই এদিন বালুরঘাট বিমানবন্দর পরিদর্শনে আসেন রাজ্য পরিবহণ দফতরের আধিকারিক মানস গাঙ্গুলি ও রেল ইন্ডিয়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক সার্ভিসের আধিকারিকরা। রাজ্য আধিকারিকদের সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও রাজস্ব) সঞ্জয় পণ্ডিত প্রমুখ। বিমানবন্দর পরিদর্শনের পাশাপাশি পরিবহণ ও রাইটসের আধিকারিকরা জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণার সঙ্গে দেখা করেন এবং এনিয়ে আলোচনা করেন। এরপর আবার প্রতিনিধিদল বালুরঘাট বিমানবন্দর পরিদর্শনে আসেন। তবে উড়ান চালু করতে গেলে বেশ কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। বিমানবন্দর চত্বরে কোনও পুকুর বা ইটভাটা থাকার কথা নয়। কিন্তু বালুরঘাট বিমানবন্দরের (Dakshin Dinajpur) ভিতরে বেশ কয়েকটি ডোবা ও পাশেই ইটভাটা রয়েছে। এছাড়াও পাশে রয়েছে বিদ্যুতের সাব-স্টেশন।

    কটাক্ষ বিধায়কের

    রাজ্য সরকারের এই পরিদর্শনকে কটাক্ষ করেছেন বালুরঘাটের (Dakshin Dinajpur) বিধায়ক অশোককুমার লাহিড়ি। তিনি বলেন, “এটা আনন্দের কথা হলেও, সবটাই লোক দেখানো। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্য সরকার এই বিমানবন্দর চালুর চেষ্টা করছে, এটাই শুধু শুনছি। বিমানবন্দর চালু করতে যা যা উদ্যোগ বা যা যা প্রয়োজন, সেইসব কোনও কিছুই দেখছি না। সামনে ভোট, তাই হয়তো আবার উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য।”

    কী জবাব মন্ত্রী এবং প্রশাসনের?

    রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র বলেন, “উড়ান চালুর জন্য বালুরঘাট বিমানবন্দরে যথেষ্ট পরিকাঠামো রয়েছে। কিছু পরিকাঠামো হয়তো বাকি রয়েছে। সেটা খুবই নগণ্য। মুখ্যমন্ত্ৰী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিমানবন্দর চালুর জন্য সবরকমভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করছেন।” অতিরিক্ত জেলাশাসক সঞ্জয় পণ্ডিত বলেন, বালুরঘাট বিমানবন্দর থেকে উড়ান চালুর সম্ভাবনা রয়েছে। জেলাশাসকের নির্দেশমতো আজ আমরা বিমানবন্দরে (Dakshin Dinajpur) এসেছি। রাজ্য পরিবহণ দফতর এবং রাইটসের কর্তারা বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন। বিমানবন্দরে আর কী কী প্রয়োজন, তা নিয়ে তাঁরা রিপোর্ট দেবেন। সেই মতো পরবর্তীতে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 parganas: এই কি তৃণমূলের ‘উন্নয়নের জোয়ার’? দীর্ঘ ৩৫ বছরেও বাঁশের সেতু পাকা হল না!

    South 24 parganas: এই কি তৃণমূলের ‘উন্নয়নের জোয়ার’? দীর্ঘ ৩৫ বছরেও বাঁশের সেতু পাকা হল না!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরু একটি বাঁশের সেতু। আর তার ওপর দিয়েই নিত্যদিন প্রাণ হাতে করে যাতায়াত করতে হচ্ছে এলাকার মানুষকে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপ বিধানসভার নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। এর অধীনে বটতলা এলাকায় এমনই ছবি দেখা গেল। এলাকার স্থানীয় মানুষদের (South 24 parganas) দাবি, দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে একটি বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়েই প্রাণ হাতে করে পারাপার করতে হয় ২০০ থেকে ২৫০টি পরিবারকে। আর এই বেহাল সাঁকো এখনও পর্যন্ত বেহাল হয়েই পড়ে রয়েছে। এটি বটতলা ও দুর্গানগর-দুটি গ্রামের সংযোগকারী সাঁকো। নিত্যদিনই এলাকার মানুষজনকে পড়তে হয় বহু অসুবিধায়। স্কুল, কলেজ পড়ুয়া, প্রসূতি মা কিংবা রোগীর পরিবারের লোকজনের এই বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়েই নিত্যদিন যাতায়াত করতে হয়। এমনকি কয়েকবার পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনাও ঘটেছে। তারপরেও হেলদোল নেই প্রশাসন থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের। এলাকার মানুষজনের আরও অভিযোগ, ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি মেলে এই বেহাল সাঁকো মেরামতের কাজ হবে। শুধু প্রতিশ্রুতি মেলে, কিন্তু কাজ আর হয় না।

    রাজনীতির টানাপোড়েন (South 24 parganas)

    তবে বিষয়টি নিয়ে বর্তমান নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের (South 24 parganas) প্রধান প্রিয়াঙ্কা দাস জানান, এই বিষয়টি নজরে এসেছে। তিনি তাঁর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে এই বেহাল সাঁকো মেরামতের আশ্বাস দেন। তবে এই বিষয়টি নিয়ে বিজেপির কাকদ্বীপ বিধানসভার কনভেনর অভিজিৎ দাস বলেন, শাসক দল যতই প্রতিশ্রুতি দিক না কেন, কোনও দিন এরা চুরি ছাড়া অন্য কাজ করে না। তবে এই বিষয় নিয়ে তাঁরা বিডিওকে জানিয়েছেন আগেও। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কাজ হয়নি। আবার একবার জানাবেন। যদি কোনও কাজ না করেন, তাহলে এলাকাবাসীদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন ছাড়া পথ নেই।

    একাধিক প্রশ্ন (South 24 parganas)

    তবে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে এই বেহাল অবস্থা কেন? উন্নয়নের জোয়ারে শাসক দলের কেন নজরে এল না এই সেতু? শুধুই কি তাহলে ভোটের রাজনীতি? উঠছে একাধিক প্রশ্ন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়িতে একই দিনে মমতা-শুভেন্দু! বিজেপি কর্মীদের হাত-পা ভাঙার নিদান গৌতমের

    Siliguri: শিলিগুড়িতে একই দিনে মমতা-শুভেন্দু! বিজেপি কর্মীদের হাত-পা ভাঙার নিদান গৌতমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির (Siliguri) মাটিতে একই দিনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভা হতে চলেছে। স্বাভাবিকভাবেই দুই হেভিওয়েট নেতার সভা ঘিরে শিলিগুড়ির রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। যুযুধান দুই রাজনৈতিক দলের সভা ঘিরে গন্ডগোলের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজনৈতিক মহল। ১২ ডিসেম্বর শিলিগুড়িতে বিজেপি এবং তৃণমূলের সভা, পাল্টা সভা হতে চলেছে। যা নিয়ে জেলাজুড়ে শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ফুটবল লিগের খেলা বন্ধ করে মমতার সভা, প্রতিবাদে বিজেপি (Siliguri)

    বুধবার শিলিগুড়ি (Siliguri) পৌঁছে কার্শিয়াং যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে আগামী ৭ তারিখ অবধি পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এরপর আগামী ৮ তারিখ কার্শিয়াং, ১০ তারিখ আলিপুরদুয়ারে, ১১ তারিখ বানারহাটে এবং ১২ তারিখ শিলিগুড়িতে সভা করবেন। শিলিগুড়ির এই সভা নিয়েই যত প্রশ্ন। কারণ, এখন শিলিগুড়ি স্টেডিয়ামে লিগের খেলা চলছে। আর তা চলাকালীন খেলা বন্ধ করে স্টেডিয়ামে মমতার সভা করতে গিয়ে মাঠ খুঁড়ে নষ্ট করা হচ্ছে বলে বিরোধীদে অভিযোগ। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েই ওই দিন শিলিগুড়িতে পাল্টা সভার ডাক দিয়েছে বিজেপি। সেই সভায় হাজির থাকবেন শুভেন্দু অধিকারী। যাত্রাপথে মুখ্যমন্ত্রীকে কালো পতাকা দেখানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। ওই দিন বিজেপির সভায় আসবেন শুভেন্দু অধিকারী। আজই এ নিয়ে আবেদন করা হবে। অনুমতি মিলবে না ধরে নিয়েই আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে বিজেপি।

    বিজেপি কর্মীদের হাত-পা ভাঙার নিদান গৌতমের

    মেয়র গৌতম দেব বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর সভার পর মাঠ ঠিক করে দেওয়া হবে বলেছিলাম। খেলাধূলো আমার হৃদয়ে রয়েছে। তবে এটাকে নিয়ে রাজনীতি করা নিন্দাজনক। বিজেপির অধিকার আছে বিক্ষোভ দেখানোর। তবে তা কীভাবে মোকাবিলা করতে হয় জানি। আমরা হাতে চুড়ি পরে বসে নেই। হাত-পা ভেঙে দেব।’

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি নেতা শঙ্কর ঘোষ বলেন, এটা মুখ্যমন্ত্রীর গা জোয়ারি মনোভাব প্রকাশ পায়। এর আগে এই স্টেডিয়ামে (Siliguri) গায়ক অরিজিৎ সিংয়ের গানের অনুষ্ঠানের সময় প্রতিবাদ করেছিলাম। তখন বলেছিলাম খেলা ছাড়া আর কোনও অনুষ্ঠান হবে না। এখন শুনছি তৃণমূলের প্রধান স্টেডিয়ামের মাঠে এসে কর্মসূচি করছেন। যদি সেটা হয় আমি নিজে এর প্রতিবাদ করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tamluk: সভা থেকেই তৃণমূল নেতার উস্কানি! বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতে ভাঙচুর

    Tamluk: সভা থেকেই তৃণমূল নেতার উস্কানি! বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতে ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে তৃণমূলের সভা। আর সেই সভা থেকেই বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতে চড়াও হওয়ার ঘটনা ঘটল। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের (Tamluk) উত্তর সোনামুই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে। সেখানে ঢুকে হামলা এবং ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল শতাধিক তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Tamluk)

    মঙ্গলবার তমলুক (Tamluk) ব্লকের উত্তর সোনামুই অঞ্চল অফিসের ঠিক উল্টো দিকে বিক্ষোভ সভার আয়োজন করে তৃণমূল। সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক, তৃণমূল নেতা সোমনাথ বেরা প্রমুখ। সোমনাথবাবু বক্তব্য শেষ হওয়ার মুখেই সভাস্থলে থাকা মহিলা এবং পুরুষ নির্বিশেষে দলে দলে ছুটে যান বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত অফিসের দিকে। ১০০ দিনের বকেয়ার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। চলে পঞ্চায়েত অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর। পঞ্চায়েত অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।

    গন্ডগোল, ভাঙচুরের সময় পুলিশ ছিল নীরব দর্শক, সরব বিজেপি

    পুরো ঘটনার পিছনে তৃণমূলের উস্কানিকেই দায়ী করেছেন বিজেপির তমলুক (Tamluk) সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি আশিস মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ওই পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় ছিল তৃণমূল। এবার তাদের হারিয়ে পঞ্চায়েতের দখল বিজেপির হাতে গিয়েছে। তারই শোধ তুলতে সাধারণ মানুষকে উস্কে দেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েতে হামলা চালানোর জন্য। তৃণমূলের সভাস্থল থেকে সামান্য দূরে দাঁড়িয়ে ছিল পুলিশ। গন্ডগোল, ভাঙচুরের সময় তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। মঙ্গলবার রাতেই বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে তমলুক থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।’ এই ঘটনার প্রতিবাদে লাগাতার আন্দোলনে নামার ডাক দিলেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    জেলা তৃণমূলের এক নেতা বলেন, ১০০ দিনের কাজের বকেয়ার টাকা চক্রান্ত করে আটকে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর তার জন্য দায়ী এই রাজ্যের বিজেপি নেতারাই। এলাকার মানুষ নিজেদের দাবি আদায়ে প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Memari: দলেরই আদিবাসী নেত্রীকে জাত তুলে অপমান তৃণমূল নেতার! থানার সামনে ধুন্ধুমার

    Memari: দলেরই আদিবাসী নেত্রীকে জাত তুলে অপমান তৃণমূল নেতার! থানার সামনে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস আগেই বোর্ড গঠন হয়েছে। এরই মধ্যে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে হেনস্থা, জাতিগত বৈষম্য সহ একাধিক অভিযোগ করলেন দলেরই মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ময়না হালদার টুডু। এমনকী, মেমারি (Memari) থানার সামনে তৃণমূল কর্মীরা একে অপরকে প্রকাশ্যে হুঙ্কার দিতে থাকেন। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গফ্ফর মল্লিক, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সদস্য তথা সহ সভাপতির স্ত্রী ডালিয়া খাতুন, তৃণমূল কর্মী শেখ রহিম, জ্যোর্তিময় মণ্ডলের নামে মেমারি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Memari)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের মেমারির (Memari) কুচুট পঞ্চায়েত প্রধান মদনমোহন দাস তাঁর ঘরে এলাকার সদস্যদের নিয়ে কথা বলছিলেন। সেই সময় সভাপতি ময়না হালদার টুডু তাঁর অনুগামীদের নিয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা হয়। তারপর সভাপতি পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে ফিরে আসেন। বিকেলে মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গফফর মল্লিক তাঁর অনুগামীদের নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে এলে দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বচসা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেমারি থানার পুলিশ।

    মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কী বললেন?

    এ-বিষয়ে মেমারি (Memari) ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ময়না হালদার টুডু বলেন, ‘আমি সভাপতি পদে বসার পর থেকেই জাতিগত বৈষম্যের শিকার হতে হয়। আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতপাত তুলে কটূক্তি করা হয়। এদিনের ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ। শুধু তাই নয়, মন্তেশ্বর বিধানসভার বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী-সহ শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নির্দেশে সহ-সভাপতি গফ্ফর মল্লিক ঠিকাদারদের কাজের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করার জন্য প্রভাব খাটায়।’

    মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি কী বললেন?

    পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গফ্ফর মল্লিক বলেন, এ-ধরনের কোনও ঘটনাই ঘটেনি। এটি মিথ্যে অভিযোগ। যদি কোনও ঘটনা ঘটে থাকে, পুলিশ তদন্ত করবে। জাতিগত বিদ্বেষ সংক্রান্ত অভিযোগের প্রশ্নে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে আমি এবং আমার অনুগামীরা দীক্ষিত। সব জাতিকে শ্রদ্ধা, সম্মান করা দলের কাজ। জাতিগত বৈষম্য বিজেপি-সিপিএম করে, আমরা নই।  

    আদিবাসী সমাজের কর্তারা কী বললেন?

    আদিবাসী সমাজের পক্ষ থেকে অশোক হেমব্রম বলেন, মহিলা সভাপতির প্রতি এই দুর্ব্যবহার, কটূক্তি, জঙ্গলমহল তুলে কথাবার্তার বিচার যদি না হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pannun: পাশে আফজলের ছবি, সংসদ ভবন ওড়ানোর হুমকি দিল খালিস্তানপন্থী নেতা পান্নুন

    Pannun: পাশে আফজলের ছবি, সংসদ ভবন ওড়ানোর হুমকি দিল খালিস্তানপন্থী নেতা পান্নুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সংসদ ভবন উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিল খালিস্তানি জঙ্গি নেতা পান্নুন (Pannun)। এক ভিডিওবার্তায় বিচ্ছিন্নতাবাদী খালিস্তানি জঙ্গি নেতাকে বলতে শোনা যাচ্ছে ১৩ ডিসেম্বরের আগে ভারতের সংসদ ভবন ওড়ানোর কথা। প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে ১৩ ডিসেম্বর জঙ্গি হামলা হয়েছিল দেশের সংসদ ভবনে। সেই ঘটনার ২২ বছর পূর্তি হতে চলেছে আগামী ১৩ ডিসেম্বর। তার আগেই পান্নুনের (Pannun) এই ভিডিওবার্তা সামনে এল।

    পান্নুনের ভিডিও বার্তায় আফজল গুরুর পোস্টার

    এদিন পান্নুনের (Pannun) যে ভিডিওবার্তা সামনে এসেছে, সেখানে দেশের সংসদ ভবন হামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত আফজল গুরুর একটি পোস্টার দেখা যাচ্ছে। ওই ভিডিওবার্তার ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘দিল্লি বনেগা খালিস্তান’। অর্থাৎ দিল্লিও হবে খালিস্তান। ভিডিওবার্তায় পান্নুন (Pannun) আরও বলছে যে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে তাকে খুন করার। ভিডিওবার্তায় এদিন পান্নুন বারংবার জোর দিয়ে বলতে থাকে, ‘‘১৩ ডিসেম্বর-এর আগে অথবা ১৩ ডিসেম্বর, সংসদ ভবনে হামলা হবেই।’’ বর্তমানে শীতকালীন অধিবেশন চলছে সংসদ ভবনে। যা শুরু হয়েছে গত সোমবার থেকেই। সংসদের শীতকালীন অধিবেশন চলবে আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

    সংসদের নিরাপত্তা বিষয়ে উচ্চ সতর্কতা জারি

    পান্নুনের ভিডিও সামনে আসতেই সংসদের নিরাপত্তার বিষয়ে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্র। নয়া সংসদ ভবনেই চলছে শীতকালীন অধিবেশন। ভারতবর্ষের গণতন্ত্রের মন্দির হল সংসদ। সেই সংসদ ভবনে সারা বছর ধরেই জোরদার নিরাপত্তার বলয় থাকে। তবুও নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর নির্দেশ মতো কাজ করছে পান্নুন (Pannun)। কাশ্মীর-খালিস্তান ইস্যুতে ভারতে অশান্তি ছড়ানোই পাক সংস্থার মূল উদ্দেশ্য। এদিন পান্নুনের ভিডিওতে আফজল গুরুর ছবি সেই যোগসূত্রের প্রমাণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। গত মাসে ভারত-অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ ফাইনালের সময়ও এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে নাশকতা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন পান্নুন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share