Tag: Madhyom

Madhyom

  • Diamond Harbour: ডায়মন্ড হারবারে বিসর্জনে রাম গান বাজানোয় দুষ্কৃতীদের হামলা! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    Diamond Harbour: ডায়মন্ড হারবারে বিসর্জনে রাম গান বাজানোয় দুষ্কৃতীদের হামলা! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়মন্ড হারবারে (Diamond Harbour) রক্ষাকালী পুজোর বিসর্জনের সময় রাম নামের গান বাজানোয় হামলা করেছে দুষ্কৃতীরা। রাজ্যে রাম নবমীর আগে এই ধরনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছে বিজেপি। এক্স হ্যান্ডেলে ঘটনার ভিডিয়ো পোস্ট করে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মমতা সরকারকে কড়া আক্রমণ করেছে বিজেপি। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। উল্লেখ্য এই কেন্দ্র থেকেই তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

    বিজেপির অভিযোগ (Diamond Harbour)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি বছরই ডায়মন্ড হারবারের সরিষার (Diamond Harbour) কলাগাছিয়া এলাকায় গ্রামের বাসিন্দাদের তরফে রক্ষাকালী পুজোর আয়োজন করা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আর সেই কালী প্রতিমা নিরঞ্জনের (Kali Idol Immersion ) সময় দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনা করে আক্রমণ করে। কালী প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় এক যুবক গেরুয়া জামা পরেছিলেন। বাজানো হচ্ছিল শ্রীরামকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন গান (Ram Song)। সেই সময় আচমকা তাঁদের উপর হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। এরপর পুড়িয়ে দেওয়া হয় গেরুয়া গেঞ্জি। নিরঞ্জনে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষকে বেধড়ক মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একাধিক বাড়িতে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ দোষীদের গ্রেফতার না করে পাল্টা ১১ জন বিজেপি (BJP) কর্মীকে গ্রেফতার করে।

    আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে তালা পড়ল হাওড়া জুট মিলে! বিপাকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক

    পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

    এই ঘটনায় নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে রাজ্য বিজেপি (BJP) পোস করে বলা হয়েছে, “পুলিশ ঘটনাস্থলে (Diamond Harbour) এলেও তাঁরা কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করার পরিবর্তে পুলিশ বিজেপির নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করেছে। এগুলি পরিকল্পিত হামলার ছক। ভোটের কথা মাথায় রেখেই এগুলি করা হয়েছে।” উল্লেখ্য গতবারও রামনবমীর (ram navami) আগে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ অভিযুক্তদের না ধরে বেছে বেছে বিজেপি সদস্যদের গ্রেফতার করেছে। নির্বাচনে যাতে ভাইপো (abhisekh banerjee) জেতেন তার জন্যই পরিকল্পনা করে এই সব করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর ১৭ এপ্রিল রামনবমী। সেদিনও রাজ্যে অশান্তির ছবি ধরা পড়বে বলে মনে করছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (amit malviya)। সেই সময় যাতে কোনও অশান্তি না হয় তার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (election commission) কাছে বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chaitra Navratri: শুরু হয়ে গেল নবরাত্রি উৎসব, জানুন এই মহাব্রতর তাৎপর্য

    Chaitra Navratri: শুরু হয়ে গেল নবরাত্রি উৎসব, জানুন এই মহাব্রতর তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরে চারবার নবরাত্রি আসে। এর মধ্যে দু’টি গুপ্ত। সে দু’টি পুজোর অধিকার কেবল সাধু-সন্ন্যাসীদের। বাকি দু’টি নবরাত্রি প্রকট। পুজো করতে পারেন গৃহীরাও। এই দুই নবরাত্রি হল শারদীয়া নবরাত্রি ও চৈত্র নবরাত্রি (Chaitra Navratri)। শারদীয়া নবরাত্রিতে হয় দুর্গাপুজো। এর আর এক নাম অকাল বোধন। আর চৈত্র নবরাত্রিতে হয় বাসন্তী পুজো। বাসন্তীপুজোর নিয়মকানুন সব দুর্গাপুজোর মতো হলেও, এই পুজোয় দেবীর বোধন হয় না। শারদীয়া নবরাত্রির গুরুত্ব চৈত্র নবরাত্রির চেয়ে বেশি। ওই সময় দেবীর পুজো করেছিলেন স্বয়ং রামচন্দ্র। রাবণ বধের উদ্দেশ্যে বিষ্ণুর এই অবতার দেবীর ঘুম ভাঙিয়ে ঘটা করে পুজো করেছিলেন মহাশক্তির। আর বসন্তকালে রাম বধের উদ্দেশ্যে দুর্গাপুজো করেছিলেন রাবণ।

    নবরাত্রি উৎসবে কাদের পুজো হয় জানেন? (Chaitra Navratri)

    এসব পুরাণগাথা বাদ দিয়ে ফিরে আসা যাক কাজের কথায়। নবরাত্রি ন’টি দিনের দুর্গাপুজো। পুজো শুরু (Chaitra Navratri) হয় প্রতিপদে, চলে নবমী পর্যন্ত। এই ন’দিনে দেবীর ন’টি ভিন্ন ভিন্ন রূপের পুজো হয়। মহাদেবীর এই ন’টি রূপ হল শৈলপুত্রী, ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘণ্টা, কুষ্মাণ্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রি, মহাগৌরী ও সিদ্ধিদাত্রী। চৈত্রের এই নবরাত্রির নবম দিনে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ভগবান রাম। সেই থেকে এই দিনটি রামনবমী হিসেবে খ্যাত। চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমী তিথিটিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এদিন পুজো হয় দেবী অন্নপূর্ণার।

    এবার কী কী যোগ রয়েছে জানেন?

    আজ, মঙ্গলবারই শুরু হয়েছে চলতি বছরের নবরাত্রি উৎসব (Chaitra Navratri)। হিন্দুদের বিশ্বাস, আজকের এই দিনেই শুরু হয়েছিল সৃষ্টি। পণ্ডিত নন্দকিশোর মুদগল বলেন, “এবার চৈত্র নবরাত্রিতে তিরিশ বছর পর তৈরি হতে চলেছে সর্বার্থসিদ্ধি যোগ, অমৃতসিদ্ধি যোগ ও বৈধৃতি যোগ।” দেশজুড়ে এদিন থেকেই শুরু হয়েছে নবরাত্রি উৎসব। হিন্দু-বিশ্বাস অনুযায়ী, চৈত্র শুক্লপক্ষের এই ন’টি রাত মনকে শুদ্ধ করার জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মন শুদ্ধ না হলে জ্ঞানলাভ হয় না। আর জ্ঞানলাভ না হলে ইষ্টদেব অধরা থাকেন।

    গীতায় স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, “ন হি জ্ঞানেন সদৃশ পবিত্রমিহ বিদ্যতে।” জ্ঞানের সদৃশ পবিত্র বস্তু আর ইহ জগতে নেই। নবরাত্রিতে পুজিতা হন দেবী মহাসরস্বতীও। জ্ঞানের এই দেবীর পুজোর জন্য বিশেষ তিনটি তিথিও রয়েছে। এই তিন তিথি হল অষ্টমী, নবমী ও দশমী।

    নবরাত্রিতে মহাসরস্বতীর পাশাপাশি পুজো হয় মহালক্ষ্মীরও। পুজো হয় চামুণ্ডারও। যিনি আদতে মহাকালীরই একটি রূপ। আসলে আদ্যাশক্তি মহামায়ার অনন্ত রূপের মধ্যে নবরাত্রি উৎসবে পুজো হয় মূলত তিন রূপের। দেবীর এই তিন রূপ হল মহালক্ষ্মী, মহাসরস্বতী এবং মহাকালী। হিন্দুদের বিশ্বাস অনুযায়ী, চৈত্র নবরাত্রিতে (Chaitra Navratri) নিয়মনিষ্ঠা মেনে যাঁরা দেবীর ন’টি রূপের পুজো করেন, তাঁরা যা চান, দেবী তাঁদের মনস্কামনা পূরণ করেন।

    শারদীয়া নবরাত্রিই হোক কিংবা চৈত্র নবরাত্রি এই দুই পর্বেই আদ্যাশক্তির বিভিন্ন রূপের পুজো হয়। প্রতিপদে মহাশক্তি পুজিত হন শৈলপুত্রী রূপে। দেবী ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও মহেশ্বরের মূর্ত প্রতীক। দ্বিতীয়ায় দেবী পুজো পান ব্রহ্মচারিণী রূপে। পরমানন্দময় দেবী ভক্তদের সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রদান করেন। তিনি মোক্ষদাত্রীও। তৃতীয়ায় আদ্যাশক্তিকে পুজো করা হয় চন্দ্রঘণ্টা রূপে। অপার সৌন্দর্যের প্রতীক এই দেবী ভক্তদের শান্তি-সমৃদ্ধি দেন। দেবী মহাশক্তির অধিকারী। তিনি বীরত্বের প্রতীক (Chaitra Navratri)। চতুর্থীতে পুজো হয় দেবী কুষ্মাণ্ডার। তিনি নিখিল এই বিশ্বের স্রষ্টা। পৃথ্বীকে শস্যশ্যামলা করে তুলেছিলেন তিনিই। নবরাত্রির পঞ্চম দিনে পুজো হয় স্কন্দমাতার। ভগবান কার্তিকের আর এক নাম স্কন্দ। তিনি কার্তিকের মা। বীরবিক্রমের কারণে এই কার্তিককেই দেব সেনাপতি পদে বরণ করে নিয়েছিলেন দেবতারা।

    ষষ্ঠীতে পুজো হয় দেবী কাত্যায়নীর। দেবী অসীম সাহসের অধিকারী। সপ্তমীতে পুজো হয় কালরাত্রির। তিনি নির্ভীক। দেবী কালরাত্রি দেবী দুর্গার সব চেয়ে উগ্র রূপ। অষ্টমীতে পুজো হয় মহাগৌরীর। এদিনই হয় অন্নপূর্ণা পুজোও। নবমীতে পুজো হয় দেবী সিদ্ধিদাত্রীর। এদিনই পুজো হয় ভগবান রামেরও। দশমীতে হয় নবরাত্রি ব্রতের পারণ।

    এদিকে, নবরাত্রি উৎসব উপলক্ষে ব্যাপক ভক্ত সমাগম হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দিরে। জম্মুতে বৈষ্ণোদেবীর মন্দিরে ভক্তের ঢল। দিল্লিতে ঝান্ডাবালান মন্দিরে হয়েছে বিশেষ আরতি। রাজস্থানের জয়পুরের বৈষ্ণোমাতার মন্দিরেও নবরাত্রি উপলক্ষে হয়েছে বিশেষ পুজো। বারাণসীর অন্নপূর্ণা মন্দিরেও ব্যাপক ভিড়। অযোধ্যার বড়ি দেবকালী মাতার মন্দিরেও হয়েছে বিশেষ পুজো। প্রয়াগরাজের এলোপি মন্দিরেও হয়েছে বিশেষ পুজোপাঠ। প্রয়াগরাজের গঙ্গা-যমুনার সঙ্গমস্থলে পুণ্য কামনায় ডুব দিয়েছেন বহু ভক্ত (Chaitra Navratri)।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মুখ্যসচিবের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল হাইকোর্ট

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মুখ্যসচিবের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) কিছুতেই রাজ্যের রিপোর্ট খুশি নয় কলকাতা হাইকোর্ট। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় যে আধিকারিকদের নাম জড়িয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে গেলে রাজ্যের অনুমতি নিতে হবে। সেই অনুমতি না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে সিবিআই। হাইকোর্টে আবেদন করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালত (Calcutta High Court) বারবার এ বিষয়ে মুখ্যসচিব বিপি গোপালিককে সময় দিলেও তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার এক্ষেত্রে মুখ্যসচিবের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। এই মামলায় অভিযুক্ত সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমোদন নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানানোর জন্য তৃতীয় বার সময় দিল আদালত। আগামী ২৩ এপ্রিলের মধ্যে এ বিষয়ে মুখ্যসচিবকে নিজের অবস্থান জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    মঙ্গলবার আদালতে রাজ্য সরকারের আইনজীবী জানিয়েছেন, লোকসভা নির্বাচনের পরে এই মামলায় (Recruitment Scam) অভিযুক্ত সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়ে অনুমোদন নিয়ে রাজ্যের অবস্থানের সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এরপরই ক্ষুব্ধ বিচারপতি বাগচী বলেন, “আদালত মনে করছে, মুখ্যসচিব যে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন সেখানে কোনও বুদ্ধি প্রয়োগ করা হয়নি। তিনি তাঁর দায়িত্ব উপলব্ধি করতে পারেননি। আদালত (Calcutta High Court) আশ্চর্য হয়েছে যে রাজ্যে সবচেয়ে উচ্চপদে থাকা আধিকারিক কোনও অজ্ঞাত কারণে নিজের দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা আশা করব প্রভাবশালী অভিযুক্তদের পদ মুখ্যসচিবকে প্রভাবিত করবে না। একজন মুখ্যসচিব স্বাধীনভাবেই সিদ্ধান্ত নেবেন।”

    আরও পড়ুন: শিয়ালদা শাখার সব লোকাল ট্রেন ১২ কামরার! কবে থেকে মিলবে পরিষেবা জানাল পূর্ব রেল

    বিচারপতির প্রশ্ন

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর পর্যবেক্ষণ, মুখ্যসচিব তাঁর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁর জন্য তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে কিনা, সেই প্রশ্নও তুলেছে আদালত (Calcutta High Court)। বিচারপতির প্রশ্ন, “মুখ্যচিবকে ডেকে পাঠাব? নির্বাচনের সঙ্গে বিচার প্রক্রিয়ার কী সম্পর্ক? পুলিশ কি এফআইআর করা বন্ধ করেছে? তদন্ত কি বন্ধ আছে? আপনাদের বিলাসিতার জন্য কি তদন্ত থেমে থাকবে? ”  বিচারপতি বলেন, ‘‘মুখ্যসচিবকে এই সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। হয়ত, সিদ্ধান্তের কারণে কোনও রাজনৈতিক দলের কাছে তিনি অপ্রিয় হয়ে যাবেন। কিন্তু তার থেকেও অনেক বড় দায়িত্ব তাঁর উপর ন্যস্ত আছে। মুখ্যসচিব রাজ্যের আইন দফতরের সঙ্গে কথা বলছেন, কিন্তু তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে কথা বলছেন না। এরকম কেন হবে? প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি বাগচী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালি পুলিশ ক্যাম্পে হামলা, আক্রান্ত পুলিশ কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Sandeshkhali: সন্দেশখালি পুলিশ ক্যাম্পে হামলা, আক্রান্ত পুলিশ কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল সন্দেশখালির নাম। এবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পুলিশ ক্যাম্পে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে সন্দেশখালির খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শীতুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পে। ক্যাম্পের ভিতরে থাকা কনস্টেবল সন্দীপ সাহার ওপরে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তবে, কী কারণে এই হামলা তা পরিষ্কার নয়। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে গত ৫ জানুয়ারি আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকরা। তৃণমূলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে এনিয়ে ঝামলো হয়। এবার সেই তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত পুলিশ। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত ১টা নাগাদ সন্দেশখালির (Sandeshkhali) খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েতের শীতুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে বেশ কয়েকজন তৃণমূল দুষ্কৃতী। এরপর ক্যাম্পের ভিতরে থাকা কনস্টেবল সন্দীপ সাহার ওপরে হামলা চালায় তারা। লাঠি, রড দিয়ে ওই পুলিশকর্মীকে পেটানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকী তাঁর মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। অন্য পুলিশকর্মীরা সন্দীপ সাহাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয় তাঁকে। গুরুতর আহত অবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত পুলিশ কর্মীর অবস্থা গুরুতর। তিনি আইসিইউ-তে ভর্তি। তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। যার ফলে অস্ত্রোপচার করা হবে। জানা গিয়েছে, ঘটনার পর পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতারও করেছে। যদিও পরিবারের লোকজনের দাবি, হামলার ঘটনায় তারা কেউ জড়িত নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    এমনিতেই সন্ধে নামতে জনবিরল হয়ে যায় সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শীতুলিয়ার মতো এলাকা। সোমবার রাতেও সেখানে জনমানুষ ছিল না। স্থানীয়রা বাসিন্দারা বলেন, গভীর রাতে পুলিশ ক্যাম্প থেকে চিৎকার চ্যাঁচামেচি শুনতে পাই আমরা। কিন্তু, আমরা ভয়ে কেউ বাড়ি থেকে বের হইনি। সকালে পুলিশকর্মীর আহত হওয়ার ঘটনার বিষয়টি আমরা জানতে পারি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • EMU Train: শিয়ালদা শাখার সব লোকাল ট্রেন ১২ কামরার! কবে থেকে মিলবে পরিষেবা জানাল পূর্ব রেল

    EMU Train: শিয়ালদা শাখার সব লোকাল ট্রেন ১২ কামরার! কবে থেকে মিলবে পরিষেবা জানাল পূর্ব রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিয়ালদার সব শাখাতেই চলবে ১২ কামরার (EMU Train) লোকাল ট্রেন। জুন মাস থেকেই এই পরিষেবা মিলবে বলে মনে করছে পূর্ব রেল। মঙ্গলবার  পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, শিয়ালদার (Sealdah) সমস্ত শাখায় ১২ বগির লোকাল ট্রেন চালানোর জন্য যে পরিকাঠামো তৈরি করার দরকার ছিল, তা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। লোকসভা ভোট শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যেই তা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। তার পরেই চালু হয়ে যাবে নতুন পরিষেবা।

    কাজ চলছে জোর কদমে

    শিয়ালদা দক্ষিণ শাখার প্রায় ১২ কোচের লোকাল ট্রেন চালানো হয়। তবে শিয়ালদা মেন লাইন (EMU Train) এবং শিয়ালদা নর্থে এখনও অনেক ট্রেনে ১২টি কোচ থাকে না। শিয়ালদা-রানাঘাট এবং শিয়ালদা-বনগাঁ শাখার সব ট্রেনকে ১২ কোচে পরিণত করার জন্য প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। যাত্রীস্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভেবে পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ কামরার সংখ্যা বৃদ্ধির কথা ভাবলেও তা বাস্তবায়িত করা সহজ ছিল না। কারণ, ট্রেনের কামরা বাড়লে ট্রেনের দৈর্ঘ্য বাড়বে। অথচ শিয়ালদার (Sealdah) এই দুই বিভাগের সমস্ত স্টেশন দৈর্ঘ্যে তত বড় নয়। তাই প্রথমেই পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ প্ল্যাটফর্মগুলির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির কাজ শুরু করেন। পাশাপাশি চলতে থাকে সংশ্লিষ্ট ওভারহেড তারের কাজ, সিগন্যাল এবং ইয়ার্ড লে আউটের পরিবর্তনের জন্য নন ইন্টারলকিং সংক্রান্ত নানা কাজও। পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের একাংশের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। এক, দুই এবং তিন নম্বর প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণের কাজ চলছে। চলতি মাসেই সেই কাজ শেষ হয়ে যাবে। তবে ওভারহেড তার, সিগন্যালিংয়ের জন্য নন-ইন্টারলকিংয়ের মতো কাজ সম্পূর্ণ করতে আরও মাসখানেক লাগবে। 

    আরও পড়ুন: শুরু হল হিন্দু নববর্ষ ‘বিক্রম সংবত ২০৮১’, জানেন এর তাৎপর্য?

    কবে থেকে ছাড়বে ট্রেন

    আগামী জুনের মধ্যেই সব কাজ শেষ হয়ে যাবে, বলে মনে করছে পূর্ব রেল। তার পরেই শিয়ালদহের সমস্ত বিভাগে ১২ বগির লোকাল ট্রেন চলবে। পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে যে আগামী জুনের মধ্যে শিয়ালদা (Sealdah) মেন লাইনের এক, দুই, তিন, চার ও পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ১২ কোচের লোকাল ট্রেন ছাড়বে। বিষয়টি নিয়ে পূর্ব রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, শিয়ালদা মেন লাইনের প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে যত দ্রুত সম্ভব আরও বেশি সংখ্যক ১২ কোচের লোকাল ট্রেন চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই কাজের জন্য মাঝেমধ্যে ট্র্যাফিক ব্লক করতে হতে পারে। ব্যাহত হতে পারে লোকাল ট্রেনের স্বাভাবিক পরিষেবা। তাতে সাময়িকভাবে যাত্রীদের কিছুটা দুর্ভোগ পোহাতে হলেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে যাত্রীরাই উপকৃত হবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: বালুরঘাটে আসছেন অমিত শাহ, প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে, খতিয়ে দেখলেন সুকান্ত

    Amit Shah: বালুরঘাটে আসছেন অমিত শাহ, প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে, খতিয়ে দেখলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট কেন্দ্রের পদ্ম প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে আগামীকাল ১০ এপ্রিল প্রচারে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ওইদিন বংশীহারির পতরাতে সভা করবেন তিনি। সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁর সভা শুরু হবে। রবিবার থেকেই জোরকদমে সভার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এই সভায় ৬০ হাজার দলীয় কর্মী-সমর্থককে হাজির করানোর লক্ষ্য নিয়েছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।

    প্রচারে আসছেন অমিত শাহ (Amit Shah)

    বালুরঘাট এবার রাজ্যের অন্যতম নজরকাড়া কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই কেন্দ্রের মূল লড়াই তৃণমূলের বিপ্লব মিত্রের সঙ্গে বিজেপির সুকান্ত মজুমদারের। বিজেপির কাছে এই আসন যেমন ধরে রাখা চ্যালেঞ্জ, তেমনই তৃণমূলের কাছে পুনরুদ্ধারের। ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রচার সেরে গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, পরবর্তীতে এখানে ফের জনসভা করতে পারেন মমতা। প্রচারে পিছিয়ে থাকতে চাইছে না বিজেপিও। অমিত শাহ (Amit Shah) তো বটেই, সুকান্তর সমর্থনে প্রচারে আসার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও।

    আরও পড়ুন: নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    জনসভার প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে

    মহাবাড়ি পঞ্চায়েতের জোত মৌজায় ৫১২ জাতীয় সড়কের ধারে ৫০ বিঘার গমখেতে অমিত শাহর (Amit Shah) সভার আয়োজন করা হচ্ছে। জমিতে অবশ্য এখন গম আর নেই। কেটে নেওয়া হয়েছে। রবিবার রাতেই কলকাতা থেকে বেশ কিছু লরিভর্তি প্যান্ডেলের সরঞ্জাম চলে এসেছে। সাউন্ড সিস্টেমের সমস্ত সরঞ্জামও পৌঁছে গিয়েছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মূল মঞ্চের পশ্চিম দিকে ৫০০ ফুট দূরে হেলিপ্যাডের কাজ চলছে। শতাধিক শ্রমিক সভাস্থলের কাজ শুরু করে দিয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,মাঠের উত্তর প্রান্তে ৩৮ ফুট বাই ২৪ ফুটের মূল মঞ্চ তৈরি হবে। সভাস্থল সহ উপস্থিত সবার জন্য অ্যালুমিনিয়ামের ফ্রেমের ওপর ছাউনি দেওয়া হবে। মূল মঞ্চের সামনে ৫০ ফুট ডি জোন রাখা হবে। ২২০ ফুট বাই ৩২০ ফুটের আচ্ছাদন বিশিষ্ট দর্শক আসনের ব্যবস্থা করা হবে। সভাস্থলে ২১ হাজার চেয়ারের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। দুটি ক্রেন ও দুটি আর্থ মুভার দিনরাত কাজ করে চলেছে। এছাড়াও থাকছে ভিআইপি জোন এবং পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। দূর থেকে যে কর্মী-সমর্থকরা যানবাহন নিয়ে আসবেন, তাঁদের জন্য জাতীয় সড়কের দুই প্রান্তের দুটি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন মাঠে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

     প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন সুকান্ত

    জনসভার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সেই জায়গা পরিদর্শন করেন বিজেপি প্রার্থী তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে জেলার বুনিয়াদপুরের পতরাতে  সভা করতে আসবেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামীকাল অমিত শাহজির জনসভায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করছেন। আমি সেই কাজ খতিয়ে দেখতে এসেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sharmila Tagore: প্রথম ছবিতে শর্মিলা ঠাকুর কত পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়ের কাছ থেকে?

    Sharmila Tagore: প্রথম ছবিতে শর্মিলা ঠাকুর কত পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়ের কাছ থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশির দশক থেকে শুরু করে নব্বই-এর দশক পর্যন্ত বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর (Sharmila Tagore)। তাঁর অভিনয় জগতের হতেখড়ি কিংবদন্তি পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের হাত ধরেই। সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ‘অপুর সংসার’ ছিল শর্মিলা ঠাকুরের কেরিয়ারের প্রথম ছবি। সেই সময় তাঁর কাছে থেকে কত পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন, কোথায় সেই টাকা খরচ করেছিলেন, সম্প্রতি সমস্তটাই তিনি জানিয়েছেন। তাছাড়াও তৎকালীন দ্রব্যমূল্য সম্পর্কেও অনেক তথ্য দিয়েছেন তিনি।

    কী জানিয়েছেন শর্মিলা ঠাকুর? (Sharmila Tagore)

    শর্মিলা ঠাকুরের কেরিয়ারের প্রথম ছবি শুরু হয় ‘অপুর সংসার’-এর হাত ধরে। আর এই ছবিতে অভিনয় করা বাবদ তিনি সত্যজিৎ রায়ের তরফ থেকে  ৫ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পান। আর সেই টাকা তিনি কীভাবে খরচ করেন, সেটিও তিনি সবাইকে জানিয়েছেন। শর্মিলা বলেন, “আমি অনেক অল্প বয়স থেকেই রোজগার শুরু করি, তখন এখনকার মতো পারিশ্রমিক না পেলেও এটা সত্যি যে তখনকার দ্রব্যমূল্য এখনকার দ্রব্যমূল্যের সমান ছিল না। আমাকে সত্যজিৎ রায় শুধু টাকা নয়, একটি শাড়ি এবং ঘড়ি উপহার দিয়েছিলেন। যেহেতু আমি বাঙালি, তাই একজন বাঙালি হিসাবে আমি সেই টাকা নিয়ে সোনার দোকানে গিয়ে হাজির হই (Sharmila Tagore)। আমি হাতের বালা, নেকলেস ও কানের দুল কিনেছিলাম। বর্তমান সময়ের হিসাবে এই টাকার মূল্য অনেক কম হলেও সেই সময় এই টাকার মূল্য ছিল অনেক। আর সেই সময় জিনিসপত্রের দামও খুব কম ছিল।”

    নিজের বাড়ি কিনলেন কবে? (Sharmila Tagore)

    তিনি আরও বলেন, “এরপর যখন আমি হিন্দি ছবি করার জন্য মুম্বইয়ে পা রাখি, তখন আমার কাছে কোনও বাড়ি ছিল না। শুরুর কয়েকটি বছর আমি মুম্বইয়ের তাজমহল হোটেলে থাকতাম। কয়েক বছর পর আমি তিন লাখ টাকা বিনিয়োগে একটি নিজের বাড়ি কিনি (Sharmila Tagore)। কিন্তু সেই টাকা জোগাড় করতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছিল আমাকে। কারণ তখন আমাদের বিপুল হারে কর জমা দিতে হত, টাকা জমানো ছিল খুবই কঠিন ব্যাপার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: রাজ্যে আসছে আরও ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, কেন জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: রাজ্যে আসছে আরও ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ এপ্রিল দেশে প্রথম দফার নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রের সঙ্গে বাংলার তিন আসনেও ভোটগ্রহণ হবে এদিন। তার আগেই রাজ্যে আরও ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাচ্ছে সরকার। সোমবার কেন্দ্রের তরফে এ খবর জানানো হয়েছে। রাজ্যে এখন রয়েছে ১৭৭ কোম্পানি বাহিনী।

    কেন অতিরিক্ত বাহিনী? (Lok Sabha Elections 2024)

    কী কারণে সাত তাড়াতাড়ি ফের একশো কোম্পানি বাহিনী পাঠাচ্ছে কেন্দ্র? নির্বাচন কমিশনের যুক্তি, রাজ্যের সমস্ত বুথকেই স্পর্শকাতর ধরেই প্রস্তুতি নিতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তাদের দাবি, একশো শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করানোর চেষ্টা চলছে (Lok Sabha Elections 2024)। সেই কারণেই আগেভাগেই ফের পাঠানো হচ্ছে বাহিনী। প্রথম দফায় নির্বাচন হবে এ রাজ্যের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে। এই তিন কেন্দ্রের সব বুথে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা যাবে কিনা, তা নিয়ে সংশয়ে ছিল নির্বাচন কমিশনের একাংশ।

    আরও পড়ুুন: কংগ্রেসের ইস্তাহারে মিথ্যার বেসাতি, মার্গ দর্শন কোথায়?

    ২৭৭ কোম্পানি বাহিনী

    শেষমেশ চলে এসেছে ১৭৭ কোম্পানি বাহিনী। ফের আসছে ১০০ কোম্পানি। কমিশনের কর্তাদের মতে, প্রথম দফার নির্বাচনের পর আর কেন্দ্রীয় বাহিনী পেতে কোনও সমস্যা হবে না। কারণ এই দফায় অনেক কেন্দ্রে নির্বাচন হয়ে যাবে। সেই সব বাহিনীকে তুলে নিয়ে পাঠানো যাবে অন্যত্র। এবার নির্বাচন হবে সাত দফায়। দফা যত এগোবে, তত বাড়তি হবে বাহিনী। প্রসঙ্গত, সপ্তম দফায় নির্বাচন হবে কেবল পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উত্তরপ্রদেশে। নির্বাচন বিঘ্নহীন করতে প্রয়োজনীয় সবরকম ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। তবে ঠিক কত সংখ্যক বাহিনী মোতায়েন করা হবে, তা জানানো হয়নি। প্রথম দফার নির্বাচনের মুখে আরও ৭০ কোম্পানি বাহিনী আসতে পারে বলেও কমিশন সূত্রে খবর।

    এদিকে, প্রথম দফার নির্বাচনের আগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট নেওয়ার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তাতে ভোটকর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর চার জওয়ান এবং রাজ্য পুলিশের দুই থেকে চারজন কর্মী থাকবেন। কমিশনের নির্দেশ, নির্বাচনী প্রচারের সময় যে নকল ব্যালট ব্যবহার করা হবে, সেটি কাঠ, প্লাস্টিক বা প্লাইউড দিয়ে তৈরি করতে হবে। আয়তন হতে হবে আসল ব্যালটের অর্ধেক। নকল ব্যালটের রং হতে পারে হলুদ, বাদামি কিংবা ধূসর (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ কেন্দ্রে ভোটে বিশেষ চমক কী জানেন?

    Loksabha Election 2024: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ কেন্দ্রে ভোটে বিশেষ চমক কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে সব জায়গায় ভোট দেওয়ার সময় একটি মেশিন থাকলেও রায়গঞ্জে কেন্দ্রের বুথগুলিতে (Raiganj) দুটি মেশিন দেখতে পাবেন ভোটাররা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের তুলনায় এই নির্বাচনে (Loksabha Election 2024) উত্তর দিনাজপুরে অন্য চিত্র দেখতে পাবেন সাধারণ ভোটাররা। এবার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রায়গঞ্জে থাকছে দুটি করে মেশিন (Ballot Unit)। কিন্তু জানেন কী দুটি মেশিন থাকার কারণ?

    ভোট কেন্দ্রে কেন দুটি মেশিন?

    নির্বাচন কমিশন (ECI) সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার উত্তর দিনাজপুরে তুলনামূলক বেশি সংখ্যক প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছেন। সর্বোচ্চ ১৫ জন প্রার্থী ও নোটা মিলিয়ে তৈরি হয় একটি ব্যালট ইউনিট। যার মধ্যে ১৫ জন প্রার্থীকে জায়গা করে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু রায়গঞ্জে এবার বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে মোট ২০ জন প্রার্থী নির্বাচনে (Loksabha Election 2024) প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন। যার জন্য একটি ব্যালটে তাঁদের জায়গা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলের দুটি করে ইউনিট থাকবে রায়গঞ্জের সমস্ত বুথে। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) নির্দেশেই এই কেন্দ্রের সমস্ত বুথে দুটি ব্যালট ইউনিট থাকবে। এই ব্যালট ইউনিট থেকেই পছন্দের প্রার্থী কিংবা নোটায় (Nota) ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন ভোটাররা। এই লোকসভা কেন্দ্রে তুলনামূলক বেশি প্রার্থী থাকায় প্রথম মেশিনে ১৬ জন প্রার্থী ও অপর মেশিনে চারজন প্রার্থী এবং নোটার বোতাম থাকবে। সেই সঙ্গে থাকবে আরও একটি ভিভিপ্যাট। রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রের তুলনায় রায়গঞ্জের বুথে এবার অন্য চিত্র দেখা যাবে।

    আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে তালা পড়ল হাওড়া জুট মিলে! বিপাকে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার শ্রমিক

    দুটি মেশিনের প্রার্থী চয়নে সুবিধা

    কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দুটি মেশিন থাকায় ভোটারদের কোনও অসুবিধা হবে না, কারণ দুটি মেশিন পাশাপাশি থাকবে। ফলে পছন্দের প্রার্থী (Loksabha Election 2024) কিংবা নোটার বোতাম খুঁজে নিতে অসুবিধা হবে না ভোটারদের। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে আগেভাগেই ভোটারদের এবিষয়ে অবহিত করা হবে। আগেও ভারতের নানান প্রান্তে অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রার্থী ভোটে দাঁড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। তবে এক্ষেত্রে রেকর্ড হয়েছিল ১৯৯৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তামিলনাডুর মোদাকুরিচি কেন্দ্রে। সেবার ওই কেন্দ্র থেকে ১০৩৩ জন প্রার্থী হয়েছিলেন। তখন ইভিএমের বদলে কাগজের ব্যালট ব্যবহার করার চল ছিল। বইয়ের আকারে ব্যালট ছাপা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA:  ভূপতিনগরে হামলায় জখম এনআইএ আধিকারিকের স্বাস্থ্য রিপোর্ট চাইল পুলিশ

    NIA: ভূপতিনগরে হামলায় জখম এনআইএ আধিকারিকের স্বাস্থ্য রিপোর্ট চাইল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরে ভূপতিনগরে অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন এনআইএ-র আধিকারিক। ভাঙচুর করা হয় তাঁদের গাড়ি। হামলার ঘটনার জের থানা পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্তু, এখনও পুলিশ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ওপর যারা হামলা করেছিলেন, সেই হামলাকারীদের কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানা যায়নি। তবে, এনআইএ (NIA) আধিকারিক কতটা জখম হয়েছে তা নিয়ে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত রিপোর্ট চাইল পুলিশ।

    পুলিশের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (NIA)

    এমনিতেই এই হামলার ঘটনা নিয়ে লোকসভার মুখে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জলপাইগুড়ির সভায় এসে এই হামলার জন্য তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। এই ঘটনার সঙ্গে সন্দেশখালির ঘটনার তুলনা করে দোষীদের কড়া শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। আর পাল্টা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার পর হামলাকারীদের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। এনআইএ কেন গ্রামে তদন্ত করতে গেল তা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্তদের ভোটের মুখে কেন গ্রেফতার করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। স্বাভাবিকভাবে, রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা যখন এনআইএ-র (NIA) গতিবিধি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, হামলাকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছেন। সেখানে পুলিশের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা অসম্ভব বলে গেরুয়া শিবিরের কর্তারা মনে করছেন। তাই, স্বাস্থ্য রিপোর্ট চেয়ে আদৌ হামলা হয়েছে কি না তা পুলিশ জানার চেষ্টা করছে। এমনটাই মনে করছে বিরোধীরা।

    আরও পড়ুন: নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    সন্দেশখালির পর তিন মাসের মধ্যে প্রায় একই ঘটনা ঘটার অভিযোগ উঠেছে ভূপতিনগরে। এনআইএ (NIA) তাদের বিবৃতিতে দাবি করে, শনিবার অভিযানে গিয়ে তাদের এক আধিকারিক অল্প আহত হয়েছেন। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। অভিযোগ,অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য যাতে থানায় যেতে তাঁরা না পারেন, তাই ওই হামলা হয়। এ নিয়ে এনআইএ একটি এফআইআর দায়ের করে ভূপতিনগর থানায়। শনিবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে ওই থানায় ফোন আসে। পুলিশ জানায়, তারা তদন্ত শুরু করেছে। এ নিয়ে এনআইএর তরফে কী প্রতিক্রিয়া এসেছে, তা জানা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “তদন্তের নিয়ম অনুসরণ করেই এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। আপাতত এর চেয়ে বেশি কিছু বলা যাবে না।”

    বিস্ফোরণের তদন্তে গ্রামে এনআইএ

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ভূপতিনগরের নাড়ুয়াবিলা গ্রামে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রাজকুমার মান্নার বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ ওঠে। তিন জনের মৃত্যু হয়। আদালতের নির্দেশে ২০২৩ সালে ওই ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় এনআইএ। ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানাকে একাধিক বার নোটিস পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, বার বারই হাজিরা তাঁরা এড়িয়ে যান। তার পরই শনিবার অভিযান চালায় এনআইএ (NIA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share