Tag: Madhyom

Madhyom

  • BJP: আজ বিজেপির সভায় প্রথম বক্তা তফশিলি মুখ চন্দনা বাউড়ি, শেষে ভাষণ দেবেন অমিত শাহ

    BJP: আজ বিজেপির সভায় প্রথম বক্তা তফশিলি মুখ চন্দনা বাউড়ি, শেষে ভাষণ দেবেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মতলায় আজ বিজেপির ‘শাহি সভা’। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি দেখতে গত কাল রাতেই মঞ্চে হাজির হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কিছু পরে সেখানে হাজির হন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তীও। বুধবার ঠিক দুপুর দুটোর সময় বিজেপির সভাতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের।

    তফশিলি সমাজের প্রতিনিধি চন্দনা বাউড়ি

    বিজেপি (BJP) সূত্রে খবর, মঞ্চে প্রথম বক্তা হিসেবে দেখা যাবে শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরিকে। সাধারণ নিম্নবিত্ত পরিবারের চন্দনাকে গত বিধানসভা নির্বাচনে শালতোড়ার টিকিট দেয় বিজেপি। তিনি জিতেও আসেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে একাধিকবার রাজ্যে প্রচারে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সে সময় প্রধানমন্ত্রীকেও বলতে শোনা যায় চন্দনার কথা। তফশিলি সমাজের এই মুখকে রাজ্য বিজেপি প্রথম বক্তা হিসেবে রেখেছে।

    বক্তব্য রাখার সময়সীমা

    জানা গিয়েছে, একেবারে শেষে বক্তব্য রাখবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মাঝখানে প্রত্যেক বিজেপি (BJP) নেতা, সাংসদ এবং বিধায়কদের বক্তব্য রাখতে দেখা যাবে। তবে প্রত্যেকেরই বক্তব্য রাখার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। বক্তাদের তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষেরও। উত্তরবঙ্গের কর্মীদের ট্রেনে চাপার ভিডিও ট্যুইট করেছেন বিজেপি নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী।

    অমিত শাহকে স্বাগত জানাবেন সুকান্ত-শুভেন্দু

    সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারীকে প্রথম থেকেই মঞ্চে দেখা যাবে না। তার কারণ তাঁরা দুজনেই কলকাতা বিমানবন্দরে অমিত শাহকে স্বাগত জানাতে হাজির থাকবেন। কলকাতা বিমানবন্দরে অমিত শাহ নামবেন ঠিক বেলা ১টার সময়। জানা গিয়েছে, দিল্লি থেকে তাঁর বিশেষ বিমান রওনা দেবে ১১ টা ৫ মিনিটে। কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পরে তিনি হেলিকপ্টারে আসবেন রেসকোর্সের মাঠে। সেখান থেকে সড়কপথে অমিত শাহের কনভয় ঠিক দুপুর দুটোর সময় যাবে সভার স্থলে। বিমানবন্দর থেকে সভাস্থল পর্যন্ত অমিত শাহের সঙ্গী হিসেবেই দেখা যাবে সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারীকে। বেলা দুটোর সময় অমিত শাহ মঞ্চে আসার পরে বক্তব্য রাখবেন সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারী। ঠিক দুপুর আড়াইটার সময় মঞ্চে বক্তব্য রাখবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরপর জনসভা থেকে ফের রেসকোর্সের দিকে তিনি রওনা দেবেন বিকাল সওয়া তিনটে নাগাদ।

    সকাল ১০টা থেকে শুরু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান 

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বঞ্চিত উপভোক্তাদের নিয়ে বিজেপির সভা অবশ্য কাল ১০টা থেকেই শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দলের বিধায়ক তথা খ্যাতনামা কবিয়াল অসীম সরকার গান গাইবেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিজেপির (BJP) কালচারাল সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত পদাধিকারী তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ কবিতা আবৃত্তি করবেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষ হলে রাজ্য নেতারা (BJP) বক্তব্য রাখতে শুরু করবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel: উদ্ধারকাজ সফল হতেই শ্রমিকদের কুর্নিশ জানিয়ে ট্যুইট রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    Uttarkashi Tunnel: উদ্ধারকাজ সফল হতেই শ্রমিকদের কুর্নিশ জানিয়ে ট্যুইট রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১৭ দিনের পর যুদ্ধ জয়। শ্রমিকরা বেরিয়ে আসতেই আবেগে ভেসেছে গোটা দেশ। উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের সঙ্গে টেলিফোনে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি উদ্ধারকাজ (Uttarkashi Tunnel) সফল হতেই এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) ৪১ জন শ্রমিককে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মুকে। নিজের ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া শ্রমিকদের সাহস প্রত্যেকের কাছে অনুপ্রেরণা। অন্যদিকে, শ্রমিকদের সাহস ও ধৈর্যকে কুর্নিশ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘অবশেষে সুড়ঙ্গ (Uttarkashi Tunnel) থেকে বেরোতে পেরেছেন সকলে। প্রত্যেকের সুস্থতা কামনা করি। এতদিন পর তাঁরা সবাই পরিবারের কাছে ফিরতে পারবেন। এই পরিবারগুলিও যে সাহস এবং ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন, তা প্রশংসনীয়। আর যাঁরা তাঁদের উদ্ধার করলেন, তাঁদের এই সাহসকে কুর্নিশ (Uttarkashi Tunnel)। আপনাদের সাহসিকতার জন্যই সব শ্রমিকরা শীঘ্রই বাড়ি ফিরবেন। আজকের এই দিন মানবতা আর পরিশ্রমের মেলবন্ধনের সাক্ষী হল।’’

    রাষ্ট্রপতির ট্যুইট

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক ট্যুইটার) রাষ্ট্রপতি লেখেন, ‘‘গত ১৭ দিন ধরে উদ্ধারকারী দলকে নানা ঝুঁকি, নানা প্রতিকূলতার (Uttarkashi Tunnel) মধ্যে দিয়ে এগোতে হয়েছে। কিন্তু এঁরা কেউ হাল ছাড়েননি। শ্রমিকদের উদ্ধার করার জন্য শেষ অবধি লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন সবাই। আজ আমি দারুণ খুশি। সকলকে অভিনন্দন। এই জয় আমায় আবেগপ্রবণ করে তুলেছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: আজ ধর্মতলায় ‘শাহি’ সভা, মঞ্চ ঘুরে দেখলেন শুভেন্দু, সুকান্ত রাঁধলেন খিচুড়ি

    BJP: আজ ধর্মতলায় ‘শাহি’ সভা, মঞ্চ ঘুরে দেখলেন শুভেন্দু, সুকান্ত রাঁধলেন খিচুড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ধর্মতলায় ‘শাহি সভা’। বিজেপি কর্মীরা গতকাল রাত থেকেই কলকাতায় পৌঁছাতে শুরু করেছেন। জেলাগুলি থেকে রাতের ট্রেন ধরেই আসছেন বিজেপি কর্মীরা। ধর্মতলায় মঙ্গলবার রাতেই সভামঞ্চ পরিদর্শন করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে দেখা যায় বিজেপির (BJP) রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে। অন্যদিকে, শিয়ালদা স্টেশনেই করা হয়েছে দূর-দূরান্ত থেকে আগত বিজেপি কর্মীদের বিশ্রাম ও খাবারের ব্যবস্থা। সেই স্থান তদারকি করেন সুকান্ত মজুমদার। সেখানে তাঁকে খিচুড়ি রান্নাতে হাত লাগাতেও দেখা যায়।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?

    ধর্মতলার সভাস্থানে শুভেন্দু অধিকারী জানান, দূর-দূরান্ত থেকে যে সমস্ত বিজেপি (BJP) কর্মীরা আসছেন, তাঁদের থাকার ও খাবার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ছয় নম্বর মুরলিধর সেন লেনের রাজ্য দফতরের সামনেও রাতে কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়। বাঁকুড়া থেকেই রাতে পৌঁছে যায় একটি বিশেষ ট্রেন। বিজেপির (BJP) বাঁকুড়া জেলা সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডল বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চিত উপভোক্তাদের অমিত শাহের সভায় হাজির করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিজেপি সূত্রের খবর, ওই বিশেষ ট্রেনে এসেছেন ১৫ হাজার লোক। এছাড়াও উত্তরবঙ্গ এবং জঙ্গলমহল থেকে আরও ন’টি ট্রেন ভাড়া করেছে বিজেপি। ধর্মতলায় অমিত শাহ ঠিক ৯ বছর আগে ২০১৪ সালে ৩০ নভেম্বর সমাবেশ করেছিলেন। তখন অবশ্য তিনি শুধুই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দায়িত্ব ছিল না। সেই সময় বিজেপি রাজ্যে উত্থান দিবস পালন করে। তারপর থেকে যথেষ্ট সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি হয়েছে রাজ্যে। গেরুয়া শিবির বর্তমানে বিরোধী দলের জায়গায় রয়েছে। এইরকম অবস্থায় আজকের বিজেপির সভা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

    সভা ঘিরে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক জনসংযোগ বিজেপির

    সভা ঘিরে ব্যাপক জনসংযোগের কর্মসূচিও গ্রহণ করে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী থেকে সুকান্ত মজুমদার, প্রত্যেকেই রাজ্য চষে বেরিয়েছেন সভা সফল করতে। নানা ছোট-বড় পথসভা, দেওয়াল লিখন সবটাই করেছে গেরুয়া শিবির। গতকাল মঙ্গলবারও বাংলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে মাইক বেঁধে টোটোতে প্রচার করে বিজেপি (BJP)। বিজেপির সভা সফল করতে কয়েকদিন আগেই প্রকাশিত হয়েছিল একটি থিম সং। এবার প্রকাশিত হল একটি মিউজিক ভিডিও। ওই মিউজিক ভিডিওতে যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ, রুদ্রনীল ঘোষ, তরুণজ্যোতি তেওয়ারি, প্রীতম দত্তদের দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ওই ভিডিও সমাজ মাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে তরুণ নেতারা বিজেপির সভায় যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার, ২৯/১১/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার, ২৯/১১/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) শরীরের সমস্যায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    বৃষ

    ১) সম্পত্তির ব্যাপারে আইনি কাজে সাফল্য আসতে পারে।

    ২) বাড়িতে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো হবে।

    মিথুন

    ১) কোনও বিবাদ হাতাহাতি পর্যন্ত গড়াতে পারে।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও চিন্তা থাকবে।

    কর্কট

    ১) সকালের দিকে অশান্তির জন্য মন ভালো থাকবে না।

    ২) কর্মজগতে জনপ্রিয়তা পেতে পারেন।

    সিংহ

    ১) বাড়িতে সুসংবাদ আসতে পারে।

    ২) নতুন কাজের সন্ধান করতে হতে পারে।

    কন্যা

    ১) অতিরিক্ত পরিশ্রমে ক্লান্তি আসতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর দ্বারা ব্যবসায় উপকার পেতে পারেন।

    তুলা

    ১) উদ্বেগের কারণে কোনও কাজ পণ্ড হতে পারে।

    ২) প্রিয়জনের চিকিৎসায় অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে আত্মত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ধনু

    ১) গানবাজনার ক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে। 

    ২) অতিরিক্ত লোভ আপনার জীবনে বিপদ ডেকে আনতে পারে

    মকর

    ১) বন্ধুদের থেকে একটু সাবধান থাকুন, অশান্তি হতে পারে।  

    ২) অপরের সমালোচনা করতে যাবেন না, সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় শ্রীবৃদ্ধির যোগ।

    ২) কারও উপকার করতে গিয়ে অপমানিত হতে হবে।

    মীন

    ১) কোনও বিশেষ ব্যক্তির দ্বারা সংসারে উন্নতির যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ২) সন্তানদের পরীক্ষার ফল ভালো হবে। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Poush Mela: পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষমেলা! উপাচার্য-ট্রাস্টি বৈঠকে কী আলোচনা হল?

    Poush Mela: পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষমেলা! উপাচার্য-ট্রাস্টি বৈঠকে কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত বেশ কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর এবার শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লির মাঠেই বসতে চলেছে পৌষমেলা (Poush Mela)। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সম্মত হয়েছেন বলে খবর। মেলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও উদ্যোক্তাদের ভাবাচ্ছে পরিকাঠামোর অভাবের দিকটি। মঙ্গলবার এই বিষয় নিয়ে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয়কুমার মল্লিকের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক সারে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট।

    বৈঠকে কী আলোচনা হল? (Poush Mela)

    ট্রাস্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন পৌষমেলায় (Poush Mela) প্রায় দু’হাজার দোকান বসে। খড়্গপুর আইআইটি সফটওয়ারের মাধ্যমে এতদিন পৌষমেলায় স্টল বণ্টনের বিষয়টি সামাল দিত। কিন্তু, বেশ কয়েক বছর মেলা হয়নি। এরমধ্যে বিশ্বভারতীর সঙ্গে খড়্গপুর আইআইটির চুক্তির মেয়াদ পেরিয়ে গিয়েছে। ফলে, নতুন করে আবার চুক্তি করতে হবে। তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। কারণ, হাতে ততটা সময় নেই। এই অবস্থায় কী করে পরিকাঠামোর হাল ফেরানো যায় তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে ক্যাম্পাসে। জলের সমস্যা নিয়েও ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের কথা হয়েছে। আশপাশের পুকুর, জলাশয় সংস্কার করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য। পাশাপাশি,পরিকাঠামোগত কী কী কাজ এখনই করা দরকার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। পৌষমেলা হওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করায় খুশি সকলেই।

    পৌষমেলা নিয়ে ট্রাস্টের সম্পাদক কী বললেন?

    ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার বলেন, এদিন উপাচার্যের সঙ্গে মেলা (Poush Mela) নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে সবিস্তারে আলোচনা করা হয়েছে। হাতে সময় খুব কম। সফটওয়ার নিয়ে আজই উপাচার্য খড়্গপুর আইআইটিকে চিঠি লিখবেন। ওটা হয়ে গেলে আমরা দেখব কী কী করা যায়। যা বললেন, যা যা আলোচনা হল তা লিখিতভাবে আমরা দিয়ে দিচ্ছি। লিখিত আকারে তা পাওয়ার পরেই কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে পদক্ষেপ করবে। তারপর যথাযথ জায়গায় তিনি তা নিয়ে আলোচনা করবেন।   মেলা সংগঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাও হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Rally: ধর্মতলায় অমিত শাহের সভা, ট্রেনে-বাসে জেলা থেকে দলে দলে আসছেন বিজেপি কর্মীরা

    BJP Rally: ধর্মতলায় অমিত শাহের সভা, ট্রেনে-বাসে জেলা থেকে দলে দলে আসছেন বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল কলকাতার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে বিজেপির (BJP Rally) বিক্ষোভসভা। সভায় যোগদান করবেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যদিও এই সভায় প্রথমে রাজ্য প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। পরবর্তীকালে হাইকোর্টে মামলা হয় এবং বিচারপতির নির্দেশে এই সভার অনুমতি মেলে। বিজেপির এই সভার মূল উদ্দেশ্য হল রাজ্য জুড়ে চলা তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। সেই সঙ্গে কেন্দ্র সরকারের প্রকল্পের সুবিধাকে কার্যকর না করে সাধারণ মানুষকে প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদসভা। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রত্যেক জেলা থেকে আসবেন বিজেপি কর্মীরা। উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ থেকে আসবে বিশেষ ট্রেন। জমায়েত হবেন লক্ষ লক্ষ বিজেপি কর্মী।

    উত্তরবঙ্গ থেকে আসবে বিশেষ ট্রেন (BJP Rally)

    উত্তরবঙ্গের বিজেপি কর্মীদের আনার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে একাধিক ট্রেনের। মঙ্গলবার রাতে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে একটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই ট্রেনে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং এবং উত্তর দিনাজপুর থেকে দলে দলে বিজেপি কর্মীরা কলকাতার সভায় যোগদান করবেন। এদিন রাতেই মালদা থেকে আরও একটি ট্রেন বিজেপি (BJP rally) কর্মীদের নিয়ে আসবে। এই ট্রেনে দক্ষিণ মালদা, উত্তর মালদার সাংগঠনিক কার্যকর্তা এবং কর্মীরা আসবেন বলে জানা গিয়েছে। সাড়ে চার হাজার কার্যকর্তা এই ট্রেনে আসবেন বলে জানা গিয়েছে। ট্রেনে মোট ২২টি বগি থাকবে। মালদা থেকে ট্রেনটি ফরাক্কা হয়ে একে একে জঙ্গিপুর, আজিমগঞ্জ, কাটোয়া, ব্যান্ডেল, নৈহাটি হয়ে শিয়ালদা স্টেশনে পৌঁছবে ভোর পাঁচটায়। পাশাপাশি, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট থেকে মঙ্গলবার রাত দশটায় একটি স্পেশাল ট্রেন ছাড়া হবে। ট্রেনটি গঙ্গারামপুর, গাজোল, মালদা, আজিমগঞ্জ কাটোয়া, ব্যান্ডেল, নৈহাটি হয়ে ভোর ছ’টায় শিয়ালদা স্টেশনে পৌঁছাবে। এই ট্রেনে আসবেন বিজেপির(BJP Rally) বুথ, মণ্ডল এবং জেলাস্তরের অসংখ্য কর্মী।

    দক্ষিণবঙ্গেও ব্যবস্থা করা হয়েছে ট্রেনের

    উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়া, আসানসোল, নদিয়া থেকে একটি করে ট্রেনে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আসা হবে। এছাড়াও মেদিনীপুর থেকে ২টি বিশেষ ট্রেনে বিজেপি (BJP Rally) সমর্থকরা কলকাতায় পৌঁছবেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর, বীরভূমের বোলপুর থেকে একটি পৃথক ট্রেনে করে গেরুয়া সমর্থকরা আসবেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কলকাতা সংলগ্ন শহর-শহরতলি থেকে বহু বাস, লরি, ম্যাটাডোর ভাড়া করা হয়েছে। আসবেন লক্ষ লক্ষ বিজেপির কর্মী সমর্থরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: জামতাড়া গ্যাংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজ্যে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা! কীভাবে জানেন?

    Fraud: জামতাড়া গ্যাংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজ্যে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা! কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামতাড়া গ্যাংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে জাল প্যান কার্ড তৈরি করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার (Fraud) অভিযোগ উঠল এক চক্রের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই প্রতারণা চক্রের দুই পান্ডাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম অনুজ শর্মা এবং সুনীল পাটওয়া। অনুজের বাড়ি কলকাতার ট্যাংরায়। সুনীলের বাড়়ি মানিকতলায়। তাদের কাছে থেকে একাধিক মোবাইল, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

    কীভাবে প্রতারণা? (Fraud)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রতারকরা বিভিন্ন পরিচিতদের নামে জাল প্যান কার্ড তৈরি করতো। আর সেই প্যান কার্ড দিয়ে গ্রামীণ এলাকায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলত। আর বেসরকারি ব্যাঙ্কে তারা এই ধরনের অ্যাকাউন্ট খুলত। সেখানে নিয়ম মেনে বেশ কিছু টাকা ব্যাঙ্কে জমা রাখত। সেই টাকার জোগান দিত জামতাড়া গ্যাং। এরপরই নিয়ম মেনে ব্যাঙ্ক থেকে ক্রেডিট কার্ড পেয়ে যেত প্রতারকরা। সেই ক্রেডিট কার্ড নিয়েই লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করতো। মূলত তাদের টার্গেট পয়েন্ট ছিল সোনার দোকান। সোনার দোকানে গয়না কিনে টাকা মেটানোর সময় ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতো। এরপর সেই সোনা ব্যাঙ্কে মডগেজ রেখে সেখান থেকে টাকা নিয়ে নিত। আর লোন তারা শোধ করত না। নিউ বারাকপুরে একটি সোনার দোকানে ৩৮ হাজার টাকার সোনা কিনেছিল প্রতারকরা। ক্রেডিট কার্ডে বিলও মিটিয়েছিল। পরে, লোন পরিশোধ না করায় প্রতারণার (Fraud) বিষয়টি জানাজানি হয়। কারণ, নতুন করে আরও একজন ওই সোনার দোকানে একই কায়দায় ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সোনা কিনতে এসে ধরা পড়ে। তার সূত্র ধরেই আরও একজনের হদিশ পায় পুলিশ।

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের আধিকারিক কী বললেন?

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৫৫ লক্ষ টাকার প্রতারণার (Fraud) হিসেব আমাদের কাছে এসেছে। যদিও এই পরিমাণটা যৎসামান্য বলে মনে করছেন ঘটনার তদন্তকারী আধিকারিকরা। তাঁদের ধারণা, এর থেকে অনেক বেশি প্রতারণা করছে এই প্রতারকরা। বাগুইআটি, মধ্যমগ্রাম মিলে তিনটে অফিস রয়েছে প্রতারকদের। সেখান থেকে মূলত জালিয়াতি কারবার চালাতে প্রতারকরা। সেখানেও পুলিশ হানা দিয়ে বেশ কিছু জিনিস বাজেয়াপ্ত করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: কেন্দ্রীয় প্রকল্প রাজ্যের নামে! মামলায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানার হুঁশিয়ারি হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: কেন্দ্রীয় প্রকল্প রাজ্যের নামে! মামলায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানার হুঁশিয়ারি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় প্রকল্প বন্ধ করে রাজ্যের নামে প্রকল্প করার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। মঙ্গলবার কমন সার্ভিস সেন্টারের একটি জনস্বার্থ মামলায় রাজ্যকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার হুঁশিয়ারি দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ।

    উল্লেখ্য রাজ্য সরকার কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ যে বন্ধ করে দিয়েছে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি আদালতে দাবি করেছিলেন রাজ্যে প্রায় ৪০ হাজার সিএসসি বন্ধ করে দিয়েছে মমতার সরকার।

    আদালতের নির্দেশ কী (Calcutta High Court)?

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)  প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট করে নির্দেশ দিয়ে রাজ্য সরকারকে জানিয়েছে যে আগামী ১২ ডিসেম্বর রাজ্যকে হলফনামা দিতে হবে। উত্তরে, রাজ্য হলফনামা দেওয়ার বিষয়ে অতরিক্ত সময় চাইলে বিচারপতি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার হুঁশিয়ারি দেন। প্রধান বিচারপতি বলেন, “সব কিছুতে রাজনীতির রঙ না দেখাই ভালো। এটা যে পিপলস ওয়েলফেয়ার স্কিম।” যদিও এই মাসের প্রথম সপ্তাহে মামলাটি বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের বেঞ্চে উঠেছিল। সেই সময় রাজ্যকে হলফনামা দেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিলেন বিচারপতিরা।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    রাজ্যে পঞ্চায়েত স্তরে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে মানুষকে বঞ্চনা করা হচ্ছে। কেন্দ্রের সকল প্রকল্পগুলির জন্য ই-পরিষেবার মাধ্যমে সকলকে পরিষেবা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ২০২০ সাল থেকে এই ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ নাম বদল করে ‘বাংলা সহায়তা কেন্দ্র’ রাখা হয়। এরপর সুকান্ত মজুমদার হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রকল্প বন্ধের ফলে অনেকের কাজ চলে গিয়েছে। এখানে অনেক তরুণ-তরুণীর কাছে একটা কাজের সুযোগ ছিল। রাজ্য সরকারের রাজনীতির কারণে মানুষ নিজের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। যেমন-কেন্দ্রের বেটি পড়াও বেটি বাঁচাও প্রকল্পকে রাজ্য সরকার কন্যাশ্রী প্রকল্প নাম দিয়েছে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করে ফিরেও তাকাননি মমতা, মহিলা কলেজের দয়ায় হচ্ছে ক্লাস!

    Dakshin Dinajpur: বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করে ফিরেও তাকাননি মমতা, মহিলা কলেজের দয়ায় হচ্ছে ক্লাস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের আগে ঘটা করে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ভোটপর্ব মিটতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কী হাল, তার খোঁজও নেননি মুখ্যমন্ত্রী। কারণ, জেলার অর্ধেক আসনে বিজেপি জয়ী হয়েছে। এমনই মত রাজনৈতিক মহলের। তাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ ঝুলে রয়েছে। এদিকে, মেয়াদ ফুরোচ্ছে বালুরঘাট মহিলা কলেজের দেওয়া ভবনের। অথচ আজও নতুন ভবনের ব্যবস্থা করা যায়নি। তাই ফের সংকটের মুখে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) বিশ্ববিদ্যালয়ের অফলাইন ক্লাস। আগামী এক মাসের মধ্যেই কোনও নতুন ভবনের ব্যবস্থা করা না গেলে অফলাইন ক্লাস বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যার কথা ভেবে নভেম্বর মাস পর্যন্ত কয়েকটি ঘর ব্যবহার করতে দিয়েছিল বালুরঘাট মহিলা কলেজ। ওই ঘরগুলিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অফলাইন ক্লাস চালু করা হয়েছিল। কিন্তু নভেম্বর মাস শেষ হতে চললেও, এখনও নতুন ঘরের ব্যবস্থা না করতে পারায়, কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে আরও একমাস ঘর চেয়ে আবেদন জানিয়ে রেখেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ওই এক মাসের মধ্যে নতুন ঘরের ব্যবস্থা না করা গেলে সমস্যা বাড়বে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া পড়ুয়াদের অভিভাবকদের বক্তব্য, পরিকাঠামো তৈরি না করে বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা করে কী লাভ? এভাবে ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজ্য সরকার ছিনিমিনি খেলছে।

    কবে থেকে চালু হয়েছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়? (Dakshin Dinajpur)

    ২০২০ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Dakshin Dinajpur) ঘোষণা হওয়ার পর মাহিনগরে জমি চিহ্নিত করা হয়েছিল। কিন্তু, অর্থের অভাবে সেখানে আজও কোনও ভবন তৈরি করা হয়নি। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবনের জন্য অপেক্ষা না করে,  ২০২১ সালে ১ লা ফেব্রুয়ারি বালুরঘাট শহরে বাড়ি ভাড়া নিয়ে অস্থায়ী ক্যাম্পাস গড়ে কাজ শুরু করা হয়। নিয়োগ হওয়া দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য সঞ্চারী  রায় মুখোপাধ্যায়। ওই শিক্ষাবর্ষ থেকেই পঠন পাঠন শুরু হয়ে যায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। অঙ্ক, ইংরেজি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান -এই তিনটি বিষয়ে  পঠন পাঠন শুরু হয়ে যায়। কিন্তু, ক্লাসরুমের মতো ভবন না থাকায় অনলাইনেই ওই শিক্ষাবর্ষ গুলি চলতে থাকে। মাস কয়েক আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের  নতুন উপাচার্য হিসেবে দেবব্রত মিত্র কাজে যোগ দেবার পর থেকে অনলাইন ক্লাস বন্ধ করে অফলাইন ক্লাস করানোর বিষয়ে বদ্ধপরিকর হন উপাচার্য। তিনি বিভিন্নভাবে ক্লাস করাবার জন্যে ভবন সংগ্রহের জন্য ছোটাছুটি করতে থাকেন। এগিয়ে আসে বালুরঘাট গার্লস কলেজ। তারা তাদের অব্যবহৃত একটি হোস্টেলে এই অফলাইন ক্লাস চালু করার জন্য অনুমতি দেয়। তবে, তা নভেম্বর মাস পর্যন্ত দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dakshin Dinajpur) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অমিত রায় বলেন, আমরা পুরসভার কাছে একটি ভবন চেয়েছিলাম। কিন্তু, তারা ওই ভবনের যে পরিমাণ ভাড়া চাইছে, তা আমাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়, তাই এখনও ওই চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। তবে, কথা চলছে। এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নাট্য উৎকর্ষ কেন্দ্রর একাংশ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে ব্যবহার করার জন্য দেওয়ার কথা রয়েছে। তাও এখনও চূড়ান্ত হয়নি। উপাচার্য দেবব্রত মিত্র বলেন, বেশ কয়েকটি ভবন দেখার কাজ চলেছে। এখনও কোনওটাই আমাদের হাতে আসেনি।

    বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে পুর কর্তৃপক্ষ এবং জেলা প্রশাসনের কী অবস্থান?

    বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন,আমরা ওই ভবনের ভাড়া সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিওসিতে আলোচনা করার পরেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানাবো। জেলা শাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, নাট্য উৎকর্ষ কেন্দ্রের একাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুমের জন্য দেওয়ার চিন্তা ভাবনা করছি। একটু আলোচনা প্রয়োজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: গোসাবায় তৃণমূল নেতা খুনে গ্রেফতার ৪, গোষ্ঠী সংঘর্ষেই কি খুন?

    South 24 Parganas: গোসাবায় তৃণমূল নেতা খুনে গ্রেফতার ৪, গোষ্ঠী সংঘর্ষেই কি খুন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে খুনের ঘটনা যেন রাজ্যে থামছেই না। জয়নগরের পর ফের গোসাবা (South 24 Parganas)! তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে তৃণমূল নেতার খুনে গ্রেফতার হল ৪ জন। খুনের অভিযোগে গ্রেফতার ৪ জনেই তৃণমূলের কর্মী বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের মঙ্গলবার আদালতে তোলা হবে। গতকাল সোমবার রাস্তা সারাইয়ে ব্যবহার করা সামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন করলে এলাকার তৃণমূলের বুথ সভাপতিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ তদন্তে নেমে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে। এরপর ধৃতদের রাজনৈতিক পরিচয়ে স্পষ্ট হল। প্রত্যেকে এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসাবে পরিচিত।

    অভিযুক্ত চার জনের পরিচয় কী (South 24 Parganas)?

    বারুইপুর (South 24 Parganas) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের বুথ সভাপতি মোছাকুলি মোল্লাহত্যার পিছনে যে চারজন রয়েছে তারা হল, রউফ মোল্লা, ইমরান মোল্লা, ফারুক বৈদ্য এবং আনার জমাদার। হত্যার পিছনে তৃণমূল দলের দুষ্কৃতীরাই জড়িত ছিল বলে আগে থেকেই অনুমান করা হচ্ছিল। পুলিশ সূত্রে পরিচয়ে আরও স্পষ্ট হল এলাকায় ধৃতরা সকলেই তৃণমূলের হয়ে কাজ করতেন।

    কীভাবে ঘটেছিল খুনের ঘটনা?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারুইপুর (South 24 Parganas) পুলিশের অধীনে পূর্ব রাধানগর এলাকায় তৃণমূলের বুথ সভাপতি ছিলেন মোছাকুলি মোল্লা। এলাকায় এক কিলোমিটার রাস্তা ঢালাইয়ের কাজ চলছিল। কিন্তু নিম্নমানের জিনিস ব্যবহারের কারণে, বচসা বাঁধে বাকিবুর মোল্লা নামক এক ব্যক্তির সঙ্গে। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, লোহার রড দিয়ে মোছাকুলিকে ব্যাপাক মারধর করা হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

    উল্লেখ্য, রাজ্যে গত কয়েক মাসে একাধিক গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে। বিরোধীরা বার বার শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে জানিয়েছে জয়নগর বা বগটুইয়ের মতো জায়গাগুলিতে শাসক দলের নেতাদের মধ্যে গোষ্ঠীসংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠেছিল। প্রত্যেক ক্ষেত্রে যারা খুন করছে তারা তৃণমূলের কর্মী এবং যাঁদের মৃত্যু হয়েছে তাঁরাও তৃণমূলের কর্মী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share