Tag: Madhyom

Madhyom

  • Agasthya-1 Rocket: ২৪ ঘণ্টার নোটিসেই উৎক্ষেপণ সম্ভব! বিশ্বকে চমকে দিতে প্রস্তুত ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের তৈরি ‘অগস্ত্য-১’

    Agasthya-1 Rocket: ২৪ ঘণ্টার নোটিসেই উৎক্ষেপণ সম্ভব! বিশ্বকে চমকে দিতে প্রস্তুত ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের তৈরি ‘অগস্ত্য-১’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। ভারতের মহকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রাক্তন কয়েকজন বিজ্ঞানী মিলে এমন একটি অত্যাধুনিক রকেট তৈরি করেছেন, যাকে কিনা মাত্র ২৪ ঘণ্টার নোটিসে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত করা হতে পারে। অর্থাৎ, গবেষণাগার থেকে উৎক্ষেপণের সময় মাত্র ২৪ ঘণ্টা! এই প্রকল্পটি ভারতের দ্রুত বিকাশমান বেসরকারি মহাকাশ ক্ষেত্রকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারে।

    বদলে দিতে পারে উৎক্ষেপণের ধারনা

    ভারতের বেসরকারি মহাকাশ খাত দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, আর সেই দৌড়ে নতুন নাম হিসেবে উঠে আসছে গুজরাটের সংস্থা ভারত স্পেস ভেহিকল (Bharath Space Vehicle)। সুরাট-ভিত্তিক এই স্টার্টআপটি তৈরি করছে ‘অগস্ত্য-১’ (Agasthya-1 Rocket) নামের একটি নতুন রকেট, যা ভবিষ্যতে দেশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ধরন ও ধারনাই বদলে দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানীদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার টিমের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা ৭০ বছরেরও বেশি। ফলে এটিকে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বেসরকারি রকেট প্রকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    কী এই ‘অগস্ত্য-১’?

    ‘অগস্ত্য-১’ (Agasthya-1 Rocket) একটি ২৮ মিটার লম্বা, দুই ধাপের (টু-স্টেজ) রকেট। এটি মূলত ছোট স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য তৈরি করা হয়েছে। সূর্য-সমলয় কক্ষপথে (Sun-synchronous orbit) প্রায় ৫০০ কেজি পর্যন্ত এবং ৪০০ কিমি উচ্চতার নিম্ন-পৃথিবী কক্ষপথে (LEO) প্রায় ৮০০ কেজি পর্যন্ত স্যাটেলাইট বহন করতে সক্ষম এই রকেট। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল—মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত করা যায়। প্রতিরক্ষা, জরুরি পরিস্থিতি বা দ্রুত স্যাটেলাইট মোতায়েনের ক্ষেত্রে এটি বড় সুবিধা দিতে পারে।

    তরল জ্বালানির বিশেষ সুবিধা

    ভারতের বেশিরভাগ ছোট রকেট, যেমন এসএসএলভি, কঠিন জ্বালানি (solid fuel) ব্যবহার করে। কিন্তু ‘অগস্ত্য-১’-এ ব্যবহার করা হচ্ছে তরল অক্সিজেন (LOX) এবং কেরোসিন (RP-1)।

    এর ফলে বড় সুবিধা হল—

    • উৎক্ষেপণের আগে ইঞ্জিন পরীক্ষা করা যায়
    • ‘Test What You Fly’ পদ্ধতি অনুসরণ করা সম্ভব
    • দ্বিতীয় ধাপের ইঞ্জিন প্রায় ৪০ সেকেন্ড পর্যন্ত পরীক্ষা করা যায়
    • স্টেজ আলাদা হওয়া বা ফেয়ারিং বিচ্ছিন্ন করার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াও আগে যাচাই করা যায়

    ফলে মিশনের সময় ব্যর্থতার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে।

    অভিজ্ঞ নেতৃত্বে প্রকল্প

    এই প্রকল্পের পেছনে রয়েছেন মহাকাশ গবেষণার অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বরা। রয়েছেন এন বেদচালাম — যিনি ইসরোর লিকুইড প্রোপালশন সিস্টেমস সেন্টারের প্রাক্তন ডিরেক্টর এবং পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত। ভারতের ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন প্রযুক্তি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। রয়েছেন এসভি শর্মা — যিনি এসএলভি-৩, এএসএলভি, পিএসএলভি এবং জিএসএলভি প্রকল্পে কাজ করেছেন এবং এপিজে আুদুল কালামের সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

    গুজরাতে নতুন স্পেস হাবের সম্ভাবনা

    বিএসভি গুজরাটের কোদিনার এলাকায় একটি নতুন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটি ভারতের প্রথম পশ্চিম উপকূলীয় স্পেসপোর্ট হতে পারে। এছাড়াও সংস্থাটি ইনস্পেস-এর সঙ্গে চুক্তি করেছে, যার ফলে ইসরোর অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে—যা একটি নতুন সংস্থার জন্য বড় সহায়তা।

    ভারতের মহাকাশ ভবিষ্যতে কী প্রভাব?

    ভারতীয় মহাকাশ নীতি ২০২৩ চালু হওয়ার পর থেকেই বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য মহাকাশ খাতের দরজা খুলে গেছে। ফলে একাধিক স্টার্টআপ এখন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ পরিষেবায় প্রবেশ করছে। ‘অগস্ত্য-১’-এর (Agasthya-1 Rocket) মাধ্যমে বিএসভি দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী উৎক্ষেপণ পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে। যদি এই প্রকল্প সফল হয়, তাহলে বিশ্বব্যাপী দ্রুত বাড়তে থাকা ছোট স্যাটেলাইট বাজারে ভারতের অবস্থান আরও মজবুত হতে পারে।

  • Mahavir Jayanti 2026: আজ মহাবীর জয়ন্তী, জানুন এই বিশেষ দিনটির ইতিহাস ও মাহাত্ম্য

    Mahavir Jayanti 2026: আজ মহাবীর জয়ন্তী, জানুন এই বিশেষ দিনটির ইতিহাস ও মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মহাবীর জয়ন্তী (Mahavir Jayanti 2026)। জৈন ধর্মের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উৎসবগুলির মধ্যে একটি হল মহাবীর জয়ন্তী। এই বিশেষ দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন জৈন ধর্মের ধর্ম গুরু মহাবীর (Lord Mahavir)। তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই দিনটি পালন করা হয়। তিনি জৈন ধর্মের প্রধান গুরু ছিলেন, তিনিই এই ধর্মের প্রচারক ছিলেন। প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে মহাবীর জয়ন্তী পালিত হয়। এই বিশেষ দিনটি জৈন সম্প্রদায়ের মানুষরা আড়ম্বরের সঙ্গে পালন করে থাকেন।

    মহাবীরের জীবন: ঐতিহাসিকতা বনাম আধ্যাত্মিকতা

    ঐতিহাসিক সূত্র ও জৈন গ্রন্থ অনুযায়ী, ভগবান মহাবীর (Lord Mahavir) ৫৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বিহার-এর কুন্দলপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পারিবারিক পরিচয় ছিল রাজকীয়—পিতা সিদ্ধার্থ ও মাতা ত্রিশলা। তাঁর শৈশবের নাম ছিল “বর্ধমান”, যার অর্থ বৃদ্ধি বা সমৃদ্ধি। বলা হয়, তাঁর জন্মের পর রাজ্যে সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়—এই কারণেই এই নামকরণ। ৩০ বছর বয়সে তিনি রাজকীয় জীবন, সম্পদ, ক্ষমতা—সবকিছু ত্যাগ করেন। এই সিদ্ধান্ত কেবল ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিক অনুসন্ধান নয়, বরং তৎকালীন সামাজিক কাঠামোর বিরুদ্ধে এক মৌন প্রতিবাদ। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন— সত্যিকারের স্বাধীনতা কি বাহ্যিক ক্ষমতায়, না আত্মার মুক্তিতে? ১২ বছর কঠোর তপস্যা, উপবাস, নীরবতা ও ধ্যানের মাধ্যমে তিনি ইন্দ্রিয়জয় করেন। এরপর তিনি অর্জন করেন “কেবল জ্ঞান” (Omniscience)—যা জৈন দর্শনে সর্বোচ্চ জ্ঞান। সাধকদের মধ্যে মহাবীর (Lord Mahavir) যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁকে শান্তি, সম্প্রীতি, পবিত্রতা, ধর্ম প্রচারকের একজন বলে মনে করা হতো। নির্ভীক, সহনশীল এবং অহিংস হওয়ার কারণে তাঁকে মহাবীর নাম দেওয়া হয়েছিল। ৭২ বছর বয়সে পাওয়াপুরী-তে তিনি মোক্ষলাভ করেন—অর্থাৎ জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি। মহাবীর ছিলেন জৈন ধর্মের সব থেকে বড় গুরু এবং ২৪তম সর্বশেষ তীর্থঙ্কর।

    মহাবীর জয়ন্তী পালনের নিয়ম-আচার ও সামাজিক গুরুত্ব

    মহাবীর জয়ন্তীর (Mahavir Jayanti 2026) দিন, জৈন ধর্মের লোকেরা প্রভাতফেরি, শোভাযাত্রা বের করেন। তার পরে মহাবীরের মূর্তি সোনা ও রুপোর কলসে অভিষেক করা হয়। এই সময়, জৈন সম্প্রদায়ের গুরু ভগবান মহাবীরের (Lord Mahavir) শিক্ষার কথা বলা হয় এবং সেগুলিকে অনুসরণ করতে শেখানো হয়। পাশাপাশি, সামাজিক কার্যকলাপে যুক্ত হন জৈন ধর্মের মানুষজন। সেখানে দরিদ্রদের সাহায্য করা, পশু-পাখির প্রতি দয়া প্রদর্শন করা এবং রক্তদান ও সামাজিক সেবার মাধ্যমে মহাবীর জয়ন্তী পালন করা হয়। অর্থাৎ, এই উৎসব শুধু আচার নয়—সমাজসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।

    সত্য ও অহিংসার প্রচারক ছিলেন মহাবীর

    সর্বোপরি মহাবীর জয়ন্তীর (Mahavir Jayanti 2026) উৎসব জৈন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাকে উৎসর্গ করা হয়। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় অহিংসা ও আধ্যাত্মিক স্বাধীনতার প্রচার করেছিলেন এবং মানুষকে সকল জীবের প্রতি সম্মান করতে শিখিয়েছিলেন। তাঁর দেওয়া সমস্ত শিক্ষা ও মূল্যবোধ জৈন ধর্ম নামক ধর্মের প্রচারে ব্যবহার কোরা হয়েছিল। তিনি সত্য ও অহিংসার মতো বিশেষ শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বকে সঠিক পথ দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর অনেক বক্তৃতা দিয়ে মানুষকে সঠিকভাবে পরিচালিত করেছিলেন। জীবনের আধ্যাত্মিক মার্গের পথ তিনি দেখিয়ে ছিলেন।

    আধুনিক প্রেক্ষাপটে মহাবীরের শিক্ষার (Mahavir Teachings) তাৎপর্য

    • বর্তমান বিশ্বে—যেখানে সহিংসতা, ভোগবাদ ও পরিবেশ সংকট বাড়ছে, ভগবান মহাবীর-এর শিক্ষা নতুন করে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।
    • পরিবেশ ও ধারাবাহিক উন্নয়ন— অপরিগ্রহ ও অহিংসা পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের ভিত্তি।
    • সামাজিক সম্প্রীতি— বহুত্ববাদ বিভিন্ন মত ও সংস্কৃতির মধ্যে সহাবস্থান শেখায়।
    • মানসিক স্বাস্থ্য— সংযম ও ধ্যান মানসিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনে।

    মহাবীর জয়ন্তী (Mahavir Jayanti 2026) কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়—এটি মানবতার এক সার্বজনীন বার্তা। ভগবান মহাবীর আমাদের শিখিয়েছেন— সত্য, অহিংসা ও সংযমই প্রকৃত মুক্তির পথ। তাঁর দর্শন আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক এবং ভবিষ্যতের একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও টেকসই বিশ্বের জন্য দিকনির্দেশক।

  • Daily Horoscope 31 March 2026: মনের কোনও ইচ্ছে পূরণ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 31 March 2026: মনের কোনও ইচ্ছে পূরণ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—আজকের দিনটি কী বার্তা দিচ্ছে?

    মেষ
    ১) নতুন কিছু শেখার সুযোগ আসতে পারে।
    ২) কাজে ধীরে চললে ভালো ফল পাবেন।
    ৩) কারও কথায় প্রভাবিত না হয়ে নিজে ভাবুন।

    বৃষ
    ১) সঞ্চয়ের দিকে মনোযোগ বাড়বে।
    ২) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালে মন ভালো থাকবে।
    ৩) অযথা দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন।

    মিথুন
    ১) নতুন আইডিয়া কাজে লাগাতে পারবেন।
    ২) যোগাযোগের মাধ্যমে লাভ হতে পারে।
    ৩) নিজের সময় নিজের জন্য রাখুন।

    কর্কট
    ১) মনের কোনও ইচ্ছে পূরণ হতে পারে।
    ২) কাছের মানুষের কাছ থেকে সমর্থন পাবেন।
    ৩) আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

    সিংহ
    ১) নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
    ২) নতুন দায়িত্ব নিতে হতে পারে।
    ৩) অহংকার এড়িয়ে চলুন।

    কন্যা
    ১) কাজের ক্ষেত্রে গতি বাড়বে।
    ২) ছোটখাটো সাফল্য আনন্দ দেবে।
    ৩) অতিরিক্ত চিন্তা না করাই ভালো।

    তুলা
    ১) নতুন পরিকল্পনা শুরু করার জন্য ভালো সময়।
    ২) সম্পর্কের ক্ষেত্রে মধুরতা বাড়বে।
    ৩) নিজের মতামত স্পষ্টভাবে জানান।

    বৃশ্চিক
    ১) গোপন কোনও বিষয় প্রকাশ পেতে পারে।
    ২) কাজে মনোযোগ দিলে সাফল্য মিলবে।
    ৩) রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন।

    ধনু
    ১) দূরের কোনও খবর আনন্দ দিতে পারে।
    ২) নতুন জায়গায় যাওয়ার চিন্তা আসবে।
    ৩) খরচের হিসাব রাখুন।

    মকর
    ১) কঠোর পরিশ্রমের ফল পেতে শুরু করবেন।
    ২) বড়দের পরামর্শ কাজে লাগবে।
    ৩) নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দিন।

    কুম্ভ
    ১) সৃজনশীল চিন্তা আপনাকে আলাদা করবে।
    ২) বন্ধুমহলে প্রশংসা পেতে পারেন।
    ৩) সময় অপচয় না করাই ভালো।

    মীন
    ১) মন শান্ত রাখলে কাজ সহজ হবে।
    ২) কোনও নতুন সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।
    ৩) তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নেবেন না।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Election Commission: তৃণমূল পার্টি অফিসে ক্যারাম খেলার মাশুল! কমিশনের নির্দেশে সাসপেন্ড ৩ সিআরপিএফ জওয়ান

    Election Commission: তৃণমূল পার্টি অফিসে ক্যারাম খেলার মাশুল! কমিশনের নির্দেশে সাসপেন্ড ৩ সিআরপিএফ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্তব্যে গাফিলতি এবং নিরপেক্ষতা ভঙ্গের অভিযোগে তিন সিআরপিএফ জওয়ানকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ, রাজ্যে শাসকদল তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বসে ঘাসফুল শিবিরের কর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওই জওয়ানেরা ক্যারম খেলছিলেন। ভোটমুখী বাংলায় (West Bengal Assembly Election 2026) কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে যখন টানাপড়েন চলছে, ঠিক তখনই বীরভূমের এই ছবি ঘিরে দানা বাঁধল নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি এমনই দৃশ্য ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। উল্লেখ্য, এর আগে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নিমতিতাতেও এক তৃণমূল নেতার (TMC Iftar) ইফতার পার্টিতে যোগ দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সাতজন বিএসএফ জওয়ান। তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন।

    ভাইরাল ভিডিওয় কী ছবি

    সূত্রের খবর, শনিবার বীরভূমের এক এলাকায় টহল দেওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর। কিন্তু ডিউটি চলাকালীন আচমকাই তিন জওয়ান ঢুকে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের একটি স্থানীয় কার্যালয়ে। সেখানে বসে থাকা কর্মীদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে ওঠেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি শুরু হয় জোরদার ক্যারাম খেলা। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে সেই খেলা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একেবারে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে ঢুকে স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে ক্যারাম খেলছেন দুজন জাওয়ান। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পোশাক পরিহিত একজন পাশেই একটি চেয়ারে বসে রয়েছেন। কোনও দিকে মন না দিয়ে ক্যারামে ফোকাস করেছেন সকলেই। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি বলবৎ থাকাকালীন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জওয়ানেরা কীভাবে শাসকদলের কার্যালয়ে ঢুকে আড্ডা জমালেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    বিজেপির তরফে কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর বিষয়টি নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়। কমিশন সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্ত ও ভিডিওর সত্যতা যাচাইয়ের পর ওই তিন জওয়ানকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ছাব্বিশের নির্বাচনে আর কোনও ডিউটিতে থাকতে পারবেন না এই তিন জওয়ান। এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন ‘উদাসীন’ ও ‘পক্ষপাতমূলক’ আচরণে ক্ষুব্ধ কমিশনের কর্তারা।এর আগেও বিএসএফ-এর কয়েকজন জওয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন। কিন্তু সেই ঘটনা থেকে যে কোনও শিক্ষাই নেওয়া হয়নি, বীরভূমের ঘটনা তারই প্রমাণ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভাবমূর্তি যাতে কোনওভাবেই কালিমালিপ্ত না হয়, সে বিষয়ে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন।

  • Shabbir Ahmad Lone: পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা, বাংলাদেশ থেকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার লোন

    Shabbir Ahmad Lone: পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা, বাংলাদেশ থেকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার লোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ফের বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক বানচাল করল নিরাপত্তাবাহিনী। দিল্লি পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ দিল্লির সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করেছে লস্কর-ই-তইবা (Lashkar-e-Taiba) জঙ্গি-কমান্ডার শাব্বির আহমেদ লোনকে। অভিযোগ, বাংলাদেশে (Bangladesh) বসেই ভারতে হামলা চালানোর ছক কষেছিলেন শাব্বির (Shabbir Ahmad Lone)। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে দিল্লি পুলিশে বিশেষ শাখা তাঁকে গ্রেফতার করেছে। শাব্বির ওরফে রাজা ওরফে কাশ্মীরি আসলে শ্রীনগর জেলার কাঙ্গানের বাসিন্দা। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশে ভারত-বিরোধী জঙ্গি ক্রিয়াকলাপ পরিচালনাই ছিল তার উদ্দেশ্য।

    বাংলাদেশে ডেরা ছিল লোনের

    সূত্রের খবর, বাংলাদেশে ডেরা ছিল লোনের। অভিযোগ, বাংলাদেশে বসে সেখানকার তরুণদের লস্করের জঙ্গি হিসেবে নিয়োগ করত লোন। ভারতে যে বাংলাদেশের নাগরিকেরা বেআইনি ভাবে বসবাস করত, তাঁদেরও সন্ত্রাসের কাজে লাগানো হত। দিন কয়েক আগে লস্করের সঙ্গে যুক্ত একটি গোষ্ঠীর সদস্যদের ধরতে অভিযান চালায় পুলিশ, গোয়েন্দা। ওই গোষ্ঠী দিল্লি এবং আশপাশের এলাকায় সক্রিয় ছিল। সূত্রের খবর, ওই গোষ্ঠী দিল্লি এবং কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় দেশ-বিরোধী পোস্টার লাগিয়েছিল। সেই গোষ্ঠীর সূত্র ধরেই লোনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দু’দশকের বেশি সময় ধরে লস্করের সঙ্গে যোগ

    গোয়েন্দাদের সূত্র বলছে, দু’দশকের বেশি সময় ধরে লস্করের সঙ্গে যোগ রয়েছে লোনের। মুজফ্‌ফরাবাদে জঙ্গি শিবিরে তার প্রশিক্ষণ হয়েছিল বলেও খবর। ‘দওড়া-এ-আম’ (প্রাথমিক) এবং ‘দওড়া-এ-খাস’ (উচ্চ পর্যায়ের)— দু’ধরনের প্রশিক্ষণই তার হয়েছিল। ২০০৭ সালে অস্ত্র-সহ লোনকে প্রথম বার গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার কাছে ছিল একে-৪৭-এর মতো অস্ত্রও। আধিকারিকেরা জানিয়েছিলেন, লস্করের কমান্ডার জাকি-উর-রহমান লাকভি, জামাত-উদ-দাওয়া এবং ২৬ নভেম্বরের মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদের সঙ্গে যোগ ছিল তার। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিহাড় জেলে ছিল লোন। তার পরে জামিনে ছাড়া পায়।

    তিহাড় থেকে বাংলাদেশে

    গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, তিহাড় থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশে চলে যায় শাব্বির। সেখানে লশকরের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। সদস্যদের নিয়ে ভারতে হামলার ছক কষতে থাকে। পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে থাকে সে। সম্প্রতি লস্করের এক নয়া মডিউলের হদিশ পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। দিল্লি থেকে দক্ষিণ ভারত পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা এই সন্ত্রাসী মডিউলটি দিল্লি ও কলকাতার বহু জায়গায় ভারত বিরোধী পোস্টারও সাঁটায়। যেখানে কাশ্মীরের বুরহান ওয়ানি থেকে পাকিস্তানের উল্লেখ ছিল। এহেন জঙ্গির গ্রেফতারি নিঃসন্দেহে দিল্লি পুলিশের বিরাট সাফল্য। অনুমান করা হচ্ছে দিল্লি ও তার আশপাশ এলাকায় লোনের একাধিক সঙ্গী এখনও সক্রিয় তাদের সন্ধানে শুরু হয়েছে তল্লাশি। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশ দিল্লিতে বড় জঙ্গি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল লোন। যদিও তার আগেই গোয়েন্দা বিভাগের তৎপরতায় গ্রেফতার হল ভয়ঙ্কর এই জঙ্গি।

    পুলিশের জালে শাব্বির

    তদন্তকারীদের তরফে জানা যাচ্ছে, শুধু জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা নয় লস্করের নয়া এই মডিউলে সদস্য বাড়ানোরও দায়িত্ব ছিল লোনের উপর। ভারতে অবৈধভাবে আসা বাংলাদেশিদের জঙ্গি সংগঠনে নিয়োগ করত সে। এখন তাকে জেরা করছে পুলিশ। ভারতে কোথায় কোথায় তাদের হামলার ছক ছিল, সঙ্গে কারা ছিল, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে খবর। এখন লোনকে জেরা (interrogation) করে গোটা চক্রের খোঁজ করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি— নিয়োগের পথ (recruitment channels), অর্থের উৎস (funding routes) ও সম্ভাব্য টার্গেট (targets) সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দিল্লি ও তার আশপাশের এলাকায় তার আরও কতজন সহযোগী লুকিয়ে আছে তা জানতে তদন্তকারী সংস্থাগুলো তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

    পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা

    পুলিশ সূত্রে খবর, রাজা বাংলাদেশে বসে ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি আক্রমণের পরিকল্পনা করছিল। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর মদতে, লস্করের এই ভারত বিরোধী চক্রান্ত চলছিল। রাজার মূল কাজ ছিল ভারতে হামলার জন্য বাংলাদেশিদের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে নিয়োগ করা। পাকিস্তানের নাম এই আক্রমণে যাতে সরাসরি জড়িয়ে না পড়ে সেজন্যই এই ব্যবস্থা। এই বাংলাদেশিদের মধ্যে অনেকেই ভারতে বসবাস করত। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, যা সময়মতো ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

    পহেলগাঁও-হামলার অনুরূপ হামলা!

    উল্লেখ্য, গত বছর এপ্রিলের ২২ তারিখ পহেলগাঁও-তে জঙ্গি আক্রমণ হয়। সাধারণ পর্যটকদের উপরে গুলি করা হয়। সেই আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ জন এবং গুরুতরভাবে আহত হয়েছিলেন ২০ জন। তদন্তে জানা যায়, পরোক্ষভাবে হলেও এই আক্রমণের সঙ্গে যুক্ত ছিল লস্কর-ই-তইবা। তার সঙ্গে শাব্বিরের যোগ রয়েছে কি না তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চলতি বছর এপ্রিলে ফের এই ধরনের হামলার ছক কষছে কি না জঙ্গিরা, তা-ও জানার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। চেষ্টা চলছে গোটা লস্করের খবর জানার। ভারতে আর কোথায় কোথায় এই জঙ্গি সংগঠন ঘাঁটি তৈরি করেছে, কী ধরণের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে, দেশে জঙ্গি আক্রমণ কবে কোথায় হতে পারে ইত্যাদি জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

  • Supplementary list: বাদ ১৮ লক্ষ, দু’লক্ষ নাম-সহ চতুর্থ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ কমিশনের, মোট কত নাম কাটা গেল?

    Supplementary list: বাদ ১৮ লক্ষ, দু’লক্ষ নাম-সহ চতুর্থ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ কমিশনের, মোট কত নাম কাটা গেল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১৮ লক্ষের নাম বাদ পড়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাত পর্যন্ত ৪২ লক্ষ ভোটারের তথ্য নিষ্পত্তি হয়েছে। আর ২০ লক্ষের মতো ভোটারের নাম এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনের আগে সেগুলি নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। এবার থেকে প্রতিদিন সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের করা হবে, বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেইমতো রবিবার কমিশন চতুর্থ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা (Supplementary list) প্রকাশ করে। এদিন ২ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    ১৮ লক্ষের নাম বাদ

    গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু হয়েছিল। এরপর গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। সেইসময় ৫৮ লক্ষের নাম বাদ যায়। এর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেখানে আরও সাড়ে ৫ লক্ষের মতো নাম বাদ যায়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ৬০ লক্ষের নাম বিবেচনাধীন তালিকা রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে জুডিশিয়াল অফিসাররা বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য খতিয়ে দেখছে। গত ২৩ মার্চ প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা (Supplementary list) প্রকাশ হয়। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় ১৮ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে। অর্থাৎ খসড়া তালিকা থেকে ধরলে এখনও পর্যন্ত ৮১ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। এখনও ১৮ লক্ষের বেশি নামের নিষ্পত্তি হওয়া বাকি। শেষপর্যন্ত কত নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

    ট্রাইবুনালে আবেদন

    কমিশন জানিয়েছে, যাঁদের নাম বাদ পড়ছে, তাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারবেন। জানা গিয়েছে, কলকাতাতেই ট্রাইবুনালের অফিস হচ্ছে। জেলা থেকে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদনের জন্য কলকাতা আসার প্রয়োজন নেই। অনলাইনে আবেদন জানানোর জন্য, https://voters.eci.gov.in/ ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। অফলাইনে জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে ফর্ম ফিলাম করে আবেদন জানাতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। কিন্তু ট্রাইবুনাল কবে কাজ শুরু করবে, স্পষ্ট করেনি হাইকোর্ট। এসআইআর শুরু হওয়ার আগে রাজ্যে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯।

  • Rahul Arunoday Death: চোরাবালিতে আটকে অস্তাচলে অরুণোদয়! শ্যুটিংয়ের অনুমতি ছিল না, দাবি ওড়িশা পুলিশের

    Rahul Arunoday Death: চোরাবালিতে আটকে অস্তাচলে অরুণোদয়! শ্যুটিংয়ের অনুমতি ছিল না, দাবি ওড়িশা পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থেমে গেল “সহজ কথা”। শ্যুটিং করতে গিয়ে সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় (Rahul Arunoday Death)। রবিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ দুর্ঘটনা ঘটে। রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের অভিনেতা। জানা গিয়েছে, শ্যুটিঙের পর তালসারির সমুদ্রে নামেন তিনি। জলে ডুবেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। সূত্রের খবর, আজ সোমবার কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত হবে। তারপর দুপুরেই বাড়িতে নিয়ে আসা হবে অভিনেতার মরদেহ।

    কী ঘটেছিল রাহুলের সঙ্গে

    সূত্রের খবর, ওড়িশা পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে, আজকের গোটা ঘটনা তারা জানতে পেরেছে দিঘা থানার থেকে। এর পাশাপাশি, ওড়িশার বালাসোর জেলার পুলিশ সুপারের দাবি, যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেখানে শ্যুটিং করার, জলে নেমে শ্যুটিং করার কোনও অনুমতি পুলিশের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি। পুলিশ সূত্রে এও জানা গিয়েছে, আজ যে জায়গায় শ্যুটিং হয়েছে সেটি তালসারি বিচ। এটা তালসারি মেরিন থানার আওতাধীন। সাধারণত যেখানে এই থানা রয়েছে বা যেখানে পর্যটকরা থাকেন, তার থেকে বেশ কিছুটা দূরে, আজ দুপুরবেলায় নিরবিলি ফাঁকা জায়গায় তালসারি বিচে সমুদ্রে নেমে শ্যুটিং চলছিল। স্থানীয়দের দাবি, সমুদ্রের অনেকটা ভিতরে শ্যুটিং চলছিল। সেই সময় জোয়ারের প্রভাব ছিল। চোরাবালির খাঁজ ছিল। সেখানে পড়ে রাহুল তলিয়ে যান। উপস্থিত ক্রু মেম্বাররাই কোনওমতে রাহুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ডাক্তাররা অভিনেতাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, সমুদ্রের বেশ কিছুটা ভিতরে একটি নাচের দৃশ্যের শ্যুটিং চলছিল। অনুমান, সেই সময় চোরাবালিতে পড়ে ডুবে তলিয়ে যান অভিনেতা।

    হঠাতই জল বাড়ে

    স্থানীয় সূত্রে এও শোনা যাচ্ছে, রাহুল (Rahul Arunoday Banerjee) যখন সমুদ্রে নেমেছিলেন, তখন শান্তই ছিল সমুদ্র। তবে ৪টে নাগাদ আচমকাই জল বেড়ে যায়। অনুমান হয়তো জোয়ারের প্রভাবে এমন ঘটনা ঘটেছিল। এমনিতেও তালসারির সমুদ্র সম্পর্কে এ কথা প্রচলিত যে আচমকা সেখানে জল বেড়ে যায়। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ টলিপাড়া। সিনেমা এবং সাহিত্য জগতের অপূরণীয় ক্ষতি। ৪৩ বছর বয়সে সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ২০০০ সালে ‘চাকা’ ছবিতে অভিনয় দিয়ে কেরিয়ার শুরু। রাহুলকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছিল ‘চির দিনই তুমি যে আমার’। ২০০৮ সালে ‘আবার আসব ফিরে’ ও ‘জ্যাকপট’ ছবিতে অভিনয়। ‘জুলফিকার’, ‘বিদায় ব্যোমকেশ’, ‘ব্যোমকেশ গোত্র’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন রাহুল। ২০০৮ সাল। কৃষ্ণ ও পল্লবীর প্রেম দেখে একটা গোটা প্রজন্ম নতুন করে বাংলা ছবির প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল। পর্দার জুটির প্রেম বাস্তবেও পরিণতি পায়। ২০১০ সালে বিয়ে হয় রাহুল-প্রিয়াঙ্কার। তার পরে পুত্রসন্তানের জন্ম। দাম্পত্যে দূরত্বও আসে একসময়। কিন্তু, তখনও দর্শকের কাছে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা জুটি অটুট। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাঙা সম্পর্ক আবার জোড়া লাগতে থাকে।

    মৃত্যুর কারণে একাধিক অসংগতি

    বিভিন্ন ব্যক্তিরা যা যা বলছেন, তাতে একাধিক অসংগতি রয়েছে। শ্যুটিং সেটে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের কেউ কেউ বলছেন যে, শ্যুটিং চলাকালীনই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। তবে সেই সময়ে শট চলছিল না। শট চেঞ্জ হচ্ছিল। সেই সময়টা সমুদ্রের জলেই দাঁড়িয়েছিলেন রাহুল আর তাঁর সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা। তাঁরা ২ জনেই সমুদ্রের দিকে এগোচ্ছিলেন। হঠাৎই টাল সামলাতে না পেরে জলের মধ্যে পড়ে যান ২ জনেই। শ্যুটিং ক্রু-রা সঙ্গে সঙ্গে জলে ঝাঁপ দিয়ে পড়েন। শ্বেতাকে ধরা গেলেও, সেই সময়ের মধ্যে অনেকটা জল খেয়ে ফেলেন রাহুল। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেকেই বলছেন, যে সময়ে রাহুলকে জল থেকে উদ্ধার করা হয় ও গাড়ি করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, সেই সময় ও তাঁর জ্ঞান ছিল। কথাও বলেছেন।

    অভিনেতা, লেখক, সঞ্চালক

    টলিউডের পর্দায় এক আলাদা স্বকীয়তা নিয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় (Rahul Arunoday Banerjee)। নায়ক হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও খুব দ্রুতই প্রমাণ করেছিলেন, শুধু রোম্যান্টিক হিরো নন, চরিত্রের গভীরে ঢুকে অভিনয় করতে পারাই ছিল তাঁর প্রকৃত ইউএসপি। মঞ্চ থেকে অভিনয়ে হাতেখড়ি রাহুলের। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন লেখকও। বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর লেখালেখি প্রকাশিত হয়েছে। বহুমুখী সত্তাই যেন তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছিল। অভিনয় ছাড়াও সম্প্রতি ‘সহজ কথা’ নামক একটি পডকাস্ট শো সঞ্চালনা করতেন রাহুল। সেটিও তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল। রাহুলের অকাল প্রয়াণ যেন অসময়ে থেমে যাওয়া এক সম্ভাবনাময় যাত্রা। তবুও তাঁর কাজ, তাঁর সংলাপ বলার ভঙ্গি, আর চরিত্রের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা—সব মিলিয়ে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে থাকবেন দর্শকের স্মৃতিতে।

    শোকস্তব্ধ টলিউড

    রাহুলের প্রথম ছবি ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’। রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় প্রথম ছবিতেই নায়ক তিনি। পরিচালক হিসেবেও রাজের সেই ছবিতেই হাতেখড়ি। রাজের কথায়, “এখনও মনে হচ্ছে খবরটা ভুল। আমাদের প্রথম ছবি একসঙ্গে। ১৮ বছর হয়ে গিয়েছে সেই ছবির। ও মঞ্চেও ভালো কাজ করেছে। ভালো লেখালিখি করত। খুব গুণী ছেল। আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য বড় ক্ষতি। ওর পরিবারেরও বড় ক্ষতি।” ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। রাহুল প্রয়াণে আজ চোখে জল তাঁর। বলেন, “ওর সঙ্গে চিরদিনই তুমি যে আমারের সেটে আলাপ। বন্ধু বলব না, ভাই ছিল, বড্ড ভালো ছাত্র ছিল। শেষ একসঙ্গে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস করলাম। কী করে বুঝব এমন হবে? আমরা একসঙ্গে বসে আড্ডা দেওয়ার খাওয়া-দাওয়া করার প্ল্যান করেছিলাম ক’দিন ধরে। ওর সঙ্গে তো আত্মার সম্পর্ক ছিল।”

    বিনোদন জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি

    অভিনেতার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সমাজমাধ্যমে লেখেন, “টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মাত্র ৪৩ বছর বয়সে তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যু বাংলা বিনোদন জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর অসাধারণ অভিনয়, প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্ব এবং স্পষ্ট মতামত আমাদের মনে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে। ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা— সর্বত্র তিনি নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবার, সহকর্মী এবং অনুরাগীদের প্রতি রইল আন্তরিক সমবেদনা।”  অভিনেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • Bodyguard Satellites: মহাকাশে নিরাপত্তা বাড়াতে ‘বডিগার্ড’ স্যাটেলাইট আনছে ভারত! মহাশূন্যেও যুদ্ধের প্রস্তুতি?

    Bodyguard Satellites: মহাকাশে নিরাপত্তা বাড়াতে ‘বডিগার্ড’ স্যাটেলাইট আনছে ভারত! মহাশূন্যেও যুদ্ধের প্রস্তুতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্যাটেলাইটগুলির কক্ষপথে ধেয়ে আসা সম্ভাব্য হুমকি থেকে রক্ষা করতে নতুন ধরনের ‘বডিগার্ড’ স্যাটেলাইট (Bodyguard Satellites) তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। এই প্রকল্পে বেসরকারি স্টার্টআপ সংস্থাগুলিকে যুক্ত করা হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই সরকারের সঙ্গে তাদের আলোচনা অনেকটাই এগিয়ে গেছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, চলতি বছরের প্রথমার্ধেই প্রথম পরীক্ষামূলক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের (India Satellite Technology) লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এরপর ২০২৬ সালের শেষ অথবা ২০২৭ সালের শুরুর মধ্যে আরও কয়েকটি উৎক্ষেপণ করা হতে পারে। পরবর্তীতে সরকার নিজেই এই ধরনের প্রতিরক্ষামূলক স্যাটেলাইট তৈরির দায়িত্ব গ্রহণ করবে।

    কেন এই উদ্যোগের প্রয়োজন হল?

    ২০২৪ সালের একটি ঘটনাকে ঘিরেই এই পরিকল্পনার সূত্রপাত। সেই সময় একটি অজ্ঞাত প্রতিবেশী দেশের মহাকাশযান ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্যাটেলাইটের (India Satellite Technology) মাত্র এক কিলোমিটার দূরত্বে চলে আসে। ওই স্যাটেলাইটটি সামরিক কাজে—বিশেষ করে ভূমি পর্যবেক্ষণ ও নজরদারিতে—ব্যবহৃত হচ্ছিল বলে জানা যায়। এর পাশাপাশি, ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক স্বল্পমেয়াদি সামরিক উত্তেজনার সময়ও স্যাটেলাইটের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। উভয় দেশই লক্ষ্য শনাক্তকরণ ও ট্র্যাকিংয়ে মহাকাশ প্রযুক্তির উপর নির্ভর করেছিল। এমনকি, চিনের তরফে পাকিস্তানকে স্যাটেলাইট সহায়তা দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে, যা ইসলামাবাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতীয় স্পেস অ্যাসোসিয়েশনের মহাপরিচালক ও প্রাক্তন সামরিক আধিকারিক লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল ভাট বলেন, “স্যাটেলাইটে হস্তক্ষেপ বা বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। মহাকাশ ক্ষেত্রে শক্তিশালী হতে গেলে প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা গড়ে তোলা জরুরি।”

    কীভাবে কাজ করবে এই স্যাটেলাইট?

    জানা গিয়েছে, এই ‘বডিগার্ড’ স্যাটেলাইট (Bodyguard Satellites) মূলত দুই ধরনের হবে—

    • প্রথম ধরনের স্যাটেলাইটে থাকবে একটি রোবোটিক বাহু, যা হুমকিস্বরূপ অন্য মহাকাশযানকে ধরে সরিয়ে দিতে পারবে।
    • দ্বিতীয় ধরনের স্যাটেলাইট ছোট আক্রমণকারী স্যাটেলাইটকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে নির্দিষ্ট এলাকা থেকে দূরে সরিয়ে দেবে।

    মহাকাশ নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের মহাকাশ সম্পদের নিরাপত্তা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে চিনের সক্রিয় স্যাটেলাইট সংখ্যা ১১০০-র বেশি, যেখানে ভারতের সংখ্যা মাত্র ১০০-র কিছু বেশি। চিন ইতিমধ্যেই এই ধরনের প্রতিরক্ষামূলক প্রযুক্তি (Bodyguard Satellites) নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।

    দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

    এই প্রকল্পটি সরকারের বৃহত্তর মহাকাশ নিরাপত্তা কৌশলের অংশ। ভারত ইতিমধ্যেই ৫০টিরও বেশি উন্নত নজরদারি স্যাটেলাইট (Bodyguard Satellites) উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যা রাত ও সব ধরনের আবহাওয়ায় কাজ করতে সক্ষম হবে। ভবিষ্যতে দেশের সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি বজায় রাখতে প্রায় ১৫০টি নতুন স্যাটেলাইট (India Satellite Technology) স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি, দেশে ও বিদেশে নতুন গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি করে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও বিদেশি মহাকাশযানের উপর নজরদারি জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

  • Bengal Elections 2026: এবার ভবানীপুর সহ কলকাতার ৩১ থানার ওসি, জেলায় ১৪২ থানায় আইসি বদল কমিশনের

    Bengal Elections 2026: এবার ভবানীপুর সহ কলকাতার ৩১ থানার ওসি, জেলায় ১৪২ থানায় আইসি বদল কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের পুলিশের একাধিক পদে বড়সড় রদবদল করল নির্বাচন কমিশন। রবিবার জারি করা নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের মোট ১৭৩টি থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) ও ইনস্পেক্টর-ইন-চার্জ (আইসি) বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে কলকাতা পুলিশের আওতাধীন ৩১টি থানাও রয়েছে। কমিশনের দাবি, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। এই বদলির তালিকায় রয়েছে কলকাতার ভবানীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। পাশাপাশি কোচবিহার, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা—এই সব জেলার একাধিক থানার ওসি ও আইসি-দেরও সরানো হয়েছে।

    ভবানীপুর থানার নতুন ওসি

    কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)-এ কর্মরত সৌমিত্র বসু ভবানীপুর থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। নির্বাচনের আগে এই ধরনের রদবদল যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। ফলে এই কেন্দ্রের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের। সেই প্রেক্ষিতে ভোটের আগে এই থানার আইসি বদলি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

    কলকাতায় বহু থানার ওসি বদল

    এছাড়াও কলকাতার আলিপুর, ইকবালপুর, হরিদেবপুর, এন্টালি, জোড়াসাঁকো, গড়িয়াহাট, নিউ মার্কেট, বউবাজার, টালিগঞ্জ, অ্যামহার্স্ট স্ট্রিট, তারাতলা ও বেহালা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ থানায় নতুন ওসি নিয়োগ করা হয়েছে। এদিকে, আরজি কর-কাণ্ডের সময় টালা থানর ওসি ছিলেন অভিজিৎ মণ্ডল। তাঁকে উত্তর কলকাতার মানিকতলা থানার ওসি করেছিল কমিশন। তবে, নোটিস জারির পরে কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, অনিচ্ছাকৃত ভাবে অন্তর্ভুক্ত হওয়া অভিজিৎ মানিকতলা থানায় যোগদান করছেন না। তিনি পর্ণশ্রী থানাতেই আগের দায়িত্বে বহাল থাকবেন। মানিকতলা থানার ওসি করা হচ্ছে নিরূপম নাথকে।

    জেলাতেও বিপুল সংখ্যক আইসি বদলি

    জেলা স্তরেও একাধিক বদলি হয়েছে। দেবদুলাল মণ্ডল হালদিয়ার আইসি, কাজল দত্ত কোলাঘাটের দায়িত্বে, সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় এগরার আইসি এবং চন্দ্রকান্ত শাসমল পটাশপুরের ওসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। শুধু পুলিশ নয়, প্রশাসনিক স্তরেও বদল এনেছে কমিশন। পূর্ব মেদিনীপুরে নন্দীগ্রাম–১ ও নন্দীগ্রাম–২ সহ মোট ১৪ জন বিডিওকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নন্দীগ্রাম থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শুভব্রত নাথকে। এর আগে তিনি চন্দননগর থানায় কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি, খেজুরি, চণ্ডীপুর, হলদিয়া, কোলাঘাট, তমলুক, এগরা ও পটাশপুর-সহ একাধিক থানার ওসি পদেও রবিবার বদল আনা হয়েছে। অন্যদিকে, শীতলকুচি থানার ওসি করা হয়েছে অভিষেক লামাকে, যিনি আগে কোচবিহারের কোতোয়ালি থানায় এসআই পদে ছিলেন। এছাড়াও দিনহাটা, মাথাভাঙা, গোকসাডাঙা, রায়গঞ্জ, ইটাহার, কালিয়াগঞ্জ, করণদিঘি, চোপড়া ও ইসলামপুর-সহ একাধিক থানার ওসি বদল করেছে নির্বাচন কমিশন। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের পিন্টু মুখোপাধ্যায়কে দার্জিলিঙের ডিআইবি পদে পাঠানো হয়েছে।

    কী বলছে কমিশন?

    দেখা যাচ্ছে, একই জেলায় যাঁরা দীর্ঘদিব ধরে রয়েছেন, মূলত সেইসব পুলিস আধিকারিকদেরও সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। আবার সাইবার সেল, ট্রাফিক বা পুলিসে বিশেষ শাখার কর্মরত অফিসারদের থানায় দায়িত্বে আনা হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, এই রদবদলের মূল উদ্দেশ্য হল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং ভোটের সময় স্থানীয় প্রভাব কমানো। এর আগে কমিশন ১৮টি জেলায় ৮৩ জন বিডিও ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারকেও বদলি করেছিল। এদিকে, নির্বাচন ঘিরে এই ধরনের প্রশাসনিক বদলি নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে টানাপোড়েনও বেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার অভিযোগ করেছেন, এই বদলিগুলি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নতুন করে পুলিশে এই রদবদল হওয়ায় বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।

  • Eyesight Problems: স্ক্রিন টাইম নয়, দৃষ্টিশক্তি কমার নেপথ্যে দায়ী এই সাধারণ অভ্যাস!

    Eyesight Problems: স্ক্রিন টাইম নয়, দৃষ্টিশক্তি কমার নেপথ্যে দায়ী এই সাধারণ অভ্যাস!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কমছে দৃষ্টিশক্তি! আট থেকে আশি, চোখের সমস্যায় কাবু! স্কুলের চৌকাঠে ঢোকার আগেই অনেক শিশুর চোখে চশমা! অনেকের দূরের জিনিস ঝাপসা দেখেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জীবন যাপনের অভ্যাসের জেরেই চোখের সমস্যা বাড়ছে। কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দৃষ্টিশক্তি কমছে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে। দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার নেপথ্যে এক সাধারণ অভ্যাস রয়েছে বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক কলেজ অফ অপ্টোমেট্রি-র গবেষকেরা এক পরীক্ষা চালিয়েছেন। তার সাম্প্রতিক রিপোর্ট বিশ্ব জুড়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মানুষের দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাবে। বিশেষত, দূরের জিনিস স্পষ্ট ভাবে দেখার ক্ষমতা কমবে। শিশুদের মধ্যেও এই সমস্যা প্রবল ভাবে বাড়বে। দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের সমস্যা আর বয়সের সীমারেখায় আটকে থাকবে না। এই সমস্যার জেরে কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যা চোখের দীর্ঘমেয়াদি জটিল সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    কোন অভ্যাসের জেরে এই সমস্যা বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আধুনিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হোক কিংবা অবসর যাপনের সঙ্গী হলো ল্যাপটপ, মোবাইলের মতো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট। ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকার জেরে চোখের ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, এর থেকেও বেশি বিপদ বাড়াচ্ছে এক সাধারণ অভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই অন্ধকার ঘরে কিংবা আবছা আলোয় ল্যাপটপ‌ কিংবা মোবাইল দেখেন। অনেকেই কাজে মনোযোগ বাড়ানোর জন্য ঘর অন্ধকার করে দেন। রাতে বিনোদনের জন্য মোবাইলে সময় কাটানোর সময় অন্ধকার ঘর বেশিরভাগ কম বয়সি ছেলেমেয়েদের পছন্দ। আর তাতেই বিপদ বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্ধকারে কোনও জিনিস দেখার সময় চোখের পেশিতে মারাত্মক চাপ পড়ে। অতিরিক্ত চাপ দিয়ে চোখের পেশি সংকুচিত হয়। সেই সংকোচনের ফলেই প্রতিফলিত হয়ে, আমরা যে কোনও বস্তু দেখতে পাই। দিনের পর দিন দীর্ঘ সময় চোখের পেশিতে বাড়তি চাপ পড়লে কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দৃষ্টিশক্তি কমে। এর ফলে, চোখ ঝাপসা হয়। দূরের জিনিস দেখার ক্ষমতাও কমে যায়।

    বিপদ এড়াতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চোখের শক্তি অক্ষুন্ন রাখতে কয়েকটি অভ্যাস বদল জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাতে ঘর অন্ধকার করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার অভ্যাস বদল জরুরি। ল্যাপটপে কাজ করা হোক কিংবা মোবাইলে সিনেমা দেখা, ঘরে আলো জ্বালানো জরুরি। তাহলে চোখের পেশির উপরে বাড়তি চাপ পড়বে না। স্ক্রিন টাইম নিয়ে সচেতনতা জরুরি। দিনের কতটা সময় একটানা ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকব, সে নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। আধ ঘণ্টার বেশি একনাগাড়ে স্ক্রিনের দিকে থাকা চলবে না। চোখে বারবার জল দিতে হবে। কয়েক ঘণ্টা ল্যাপটপে বা মোবাইলের স্ক্রিনে সময় কাটালে, অন্তত আট ঘণ্টা বা চল্লিশ মিনিট বাগানে বা গাছে ঘেরা এলাকায় থাকতে হবে। তাছাড়া লেবু ও বেরি জাতীয় ফল নিয়মিত খেতে হবে, এতে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। তাহলে চোখের স্নায়ু ও পেশির প্রয়োজনীয় বিশ্রাম হবে। চোখের ক্ষমতা বজায় থাকবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share