Tag: Madhyom

Madhyom

  • Bankura: রাতে বিছানা-বালিশ নিয়ে ঢোকেন আয়কর প্রতিনিধিরা! ম্যারাথন তল্লাশি বিধায়কের রাইস মিলে

    Bankura: রাতে বিছানা-বালিশ নিয়ে ঢোকেন আয়কর প্রতিনিধিরা! ম্যারাথন তল্লাশি বিধায়কের রাইস মিলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্য জুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। এবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিধায়ক তন্ময় ঘোষের বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুরের রাইস মিলে চলছে আয়কর তল্লাশি। টানা দুদিন ধরেই চলছে এই তল্লাশি। বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার সকালেও রাইস মিলে হাজির হন বিধায়ক তন্ময়। তলব করা হয় তাঁর হিসাবরক্ষক অরূপ সামন্তকেও। সূত্রের খবর, দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন আয়কর দফতরের আধিকারিকেরা।

    রাতে বিছানা-বালিশ নিয়ে ঢোকেন আয়কর প্রতিনিধিরা (Bankura)

    দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তন্ময় ঘোষ পেশায় ব্যবসায়ী। ২০১৫ সালে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুর পুরসভার কাউন্সিলার হন তিনি। ২০২০ সালের মে মাসে বিষ্ণুপুর পুরসভার নির্বাচিত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হলে তাঁকে প্রশাসকমণ্ডলীতে আনা হয়। পাশাপাশি, ওই বছরই তন্ময়কে বিষ্ণুপুর শহরের যুব তৃণমূলের সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হয়। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটে বিষ্ণুপুর বিধানসভায় তিনি তৃণমূলের টিকিটের অন্যতম দাবিদার ছিলেন। কিন্তু দল তাঁকে টিকিট না দিয়ে বিষ্ণুপুর বিধানসভায় প্রার্থী করে অর্চিতা বিদকে। এর পরই বিজেপিতে যোগ দেন তন্ময়। গত বিধানসভা ভোটে বিজেপির টিকিটে ওই কেন্দ্র থেকেই জয় পান তন্ময়। কিন্তু এ বছরের অগাস্টে তিনি আবার তৃণমূলে ফেরেন। বৃহস্পতিবার দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে এসেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির সেই মঞ্চ থেকেই বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময়কে খাদ্য দফতরের দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত বাকিবুরের সঙ্গে তুলনা টেনে শুভেন্দু বলেছিলেন, বাকিবুরের মতোই এই রাইস মিলকে কাজে লাগিয়ে দুর্নীতি করেছেন বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। অন্যদিক রাইস মিলে আয়কর দফতরের ম্যারাথন তল্লাশি অভিযান শুরু হয় বুধবার। জানা গিয়েছে, ওইদিনই রাতে আয়কর প্রতিনিধিদের রাইস মিলে ঢুকতে দেখা গিয়েছিল বিছানা, বালিশ নিয়ে। সেগুলিই ব্যবহার করেছেন আয়কর দফতরের প্রতিনিধিরা। তাঁদের জন্য খাবারও আসছে বাইরে থেকে।

    আয়কর হানা নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের বড়জোড়ার বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায় বলেন, এই চালকলের ব্যবসা তন্ময়ের বাবার আমলের। তাই আয়কর দফতর যত চেষ্টাই করুক, আদপে তা টিকবে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষ তা বুঝতে পারছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: এখানেই সিদ্ধিলাভ করেছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপা, জানুন শক্তিপীঠ তারাপীঠের গল্প

    Kali Puja 2023: এখানেই সিদ্ধিলাভ করেছিলেন সাধক বামাক্ষ্যাপা, জানুন শক্তিপীঠ তারাপীঠের গল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শক্তিপীঠ, সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ (Tarapith)। কালীপুজোয় (Kali Puja 2023) জমজমাট বীরভূমের তারাপীঠ। অনেকে ভাবেন এটি সতীপীঠ কিন্তু তারাপীঠ সতীপীঠ নয়। কথিত আছে, একবার দেবীর মাতৃরূপ দর্শন চান বশিষ্ঠ মুনি৷ দেবীও নিরাশ করেননি৷ এখানেই তাঁকে মাতৃরূপে দর্শন দেন দেবী। এখানেই তপস্যা করে সিদ্ধিলাভ করেন তারা মায়ের ভক্ত বামাক্ষ্যাপা। ফলে এটি সিদ্ধপীঠ হিসেবেও পরিচিত। অমাবস্যায় রীতি মেনে পুজো হয় এখানে।

    কালীপুজোয় কেমন হয় তারা মায়ের ভোগ?

    সকালে স্নানের পর দেবীর শিলাব্রহ্মময়ী মূর্তিকে রাজবেশে সাজিয়ে তোলা হয়। পরানো হয় চুনরি। এরপর পঞ্চ উপাচারে মঙ্গলারতি এবং নিত্যপুজো সম্পন্ন হয়। কালীপুজোর দিন খুব সকালে ডাবের জল দিয়ে শুরু হয় মায়ের ভোগ। সকালের ভোগে থাকে পাঁচ রকম বা ন’রকমের ভাজা, সাদা অন্ন, পায়েস ও মিষ্টি। এখানে মাকে পঞ্চব্যঞ্জন সহযোগে ভোগ নিবেদন করা হয়৷ আমিষ ভোগের মূল উপাদান হল শোল মাছ। ভোগের পাতে এই মাছ না থাকলে ভোগ গ্রহণ করেন না মা তারা। কালীপুজোর দিন ভোগ হিসেবে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, পাঁচ মিশালি তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস এবং মিষ্টি। এখানকার অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা।

    সন্তানকে না খাইয়ে ভোগ গ্রহণ করেন না তারা মা

    দীপান্বিতা অমাবস্যা উপলক্ষ্যে নিয়ম-নিষ্ঠা মেনে হয় বিশেষ সন্ধ্যারতি। এরপর নিবেদন করা হয় লুচি, পায়েস, সুজি দিয়ে শীতল ভোগ। তারা মায়ের যেভাবে ভোগ পুজো হয়, সেই একই ভাবে পুজো করা হয় শ্মশান কালীকে। শ্মশানেই রয়েছে মায়ের আসল শিলা পাদুকা। তার পাশে বামদেবের সমাধি। তারাপীঠের নিয়ম অনুযায়ী, সন্তানকে খাইয়ে তবেই তারা মা ভোগ গ্রহণ করেন। তাই বামদেবের ভোগ আগে দেওয়া হয়। ভোগের তালিকায় রয়েছে প্রেত ভোগও। ডাকিনী-যোগিনীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এই ভোগ শ্মশানেই দেওয়া হয়। রাতে এক বারই এই ভোগের আয়োজন থাকে। বামদেবের খুব প্রিয় কুকুর ছিল শিবা। তার জন্যও থাকে বিশেষ ভোগের আয়োজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘সামনের বছর শহিদ দিবসে চোরমুক্ত বাংলা দেখবেন’, নন্দীগ্রামে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘সামনের বছর শহিদ দিবসে চোরমুক্ত বাংলা দেখবেন’, নন্দীগ্রামে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহিদ স্মরণে শুক্রবার বিজেপি এবং তৃণমূলের আলাদা সভা ছিল নন্দীগ্রামে। কিন্তু বিজেপির সভা শেষ করতে পুলিশি তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ওই সভায় হাজিরও ছিলেন। তবে, বিজেপির সভা কিছুটা দীর্ঘয়িত হওয়ার অভিযোগ তুলে মঞ্চ থেকে কর্মীদের তাড়া করে নামিয়ে দেয় পুলিশ। শহিদ বেদি থেকে মালাও সরিয়ে দেওয়া হয়। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Suvendu Adhikari)  

    ২০০৭ সালের ১০ নভেম্বর ‘সূর্যোদয়’ অভিযানের ডাক দিয়েছিল রাজ্যের তৎকালীন শাসকদল সিপিএম। রক্তাক্ত অভিযানে প্রাণ গিয়েছিল জমি আন্দোলনের একঝাঁক নেতা-কর্মীর। এখনও বেশ কয়েকজনের হদিশ মেলেনি। তারপর থেকেই প্রতি বছর এই দিনটিতে নন্দীগ্রামের করপল্লিতে শহিদ স্মরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শুভেন্দু দলে যোগ দেওয়ার পর থেকে বিজেপিও এখন এই কর্মসূচি করে। গত বছর এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এবার অবশ্য পরিস্থিতি ছিল শান্ত। সূত্রের খবর, তৃণমূল-বিজেপির সঙ্গে পুলিশের বৈঠকে প্রথমে সভা করার অনুমতি চায় বিজেপি। সেই মতো শুক্রবার সকাল ৮টায় করপল্লিতে শহিদ বেদিতে স্মরণসভার আয়োজন করার কথা তাদের। এরপর ৯টা নাগাদ সভায় যোগ দেওয়ার কথা শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। ১০টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কথা। ৯টা ৪৫ মিনিটে যান শুভেন্দু। যার জেরে সভা দীর্ঘায়িত হয়। শহিদ স্মরণে ভাষণ শেষ হতেই পুলিশ তৎপর হয়ে বিজেপি কর্মীদের তাড়া করে সরিয়ে দেয়। এমনকী মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। এমনকী, এরপরে  শহিদ বেদিতে থাকা ফুলের মালা দ্রুত খুলে ফেলা হয়। পরে, সেখানে তৃণমূল শহিদ স্মরণ কর্মসূচি পালন করে। যদিও সময় মতো সভা শেষ না করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। পুলিশ ইচ্ছাকৃত বিজেপি কর্মীদের হেনস্থা করতে এসব করেছে, অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের।

    তৃণমূল নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    ভাষণের শেষে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘এবার আমাদের হাইকোর্টে যেতে হয়নি। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষী নামাতে হয়নি। ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। আর পরের বছর যখন শহিদ স্মরণ হবে, তখন পশ্চিমবাংলায় আর এই চোরগুলো থাকবে না। ২৪ সালের ১০ নভেম্বর যখন শহিদ দিবস হবে, চোরমুক্ত বাংলা দেখবেন। আপনাদের কথা দিয়ে গেলাম’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: বিকট শব্দে কেঁপে উঠল এলাকা, হাত উড়ল যুবকের, আতঙ্কিত পানিহাটিবাসী

    Bomb Blast: বিকট শব্দে কেঁপে উঠল এলাকা, হাত উড়ল যুবকের, আতঙ্কিত পানিহাটিবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়াল খড়দা থানার পানিহাটি পুরসভার দু’নম্বর ওয়ার্ডে। পুরসভার তেজপাল নগর এলাকায় বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) গুরুতর জখম হন এক যুবক। আক্রান্ত যুবকের নাম জিতেন্দ্র গুপ্তা। তাঁর বয়স ২২ বছর। ঘনবসতি এলাকার মধ্যে এভাবে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পানিহাটি পুরসভা এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bomb Blast)

    দুদিন আগেই পুরানো বিবাদকে কেন্দ্র করে টিটাগড় পুরসভার উড়ানপাড়া এলাকায় এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে এক যুবককে খুন করে দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই খড়দা থানার পানিহাটি এলাকায় বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনা ঘটল। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দুদিন আগে দিনের বেলায় প্রকাশ্যে গুলিকাণ্ডের পরই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বোমায় জখম যুবক জিতেন্দ্র গুপ্তা ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন। আচমকাই বিকট আওয়াজে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। প্রতিবেশী সুমনা চক্রবর্তী বলেন, আমি ঘরের মধ্যেই ছিলাম। সামনেই বাড়ি জিতেন্দ্রদের। বিকট আওয়াজে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। আমি  বাইরে বেরিয়ে দেখি, চারদিকে ধোঁয়ায় ভর্তি। পাড়ার লোকজন জিতেন্দ্রকে কোলে করে তুলে নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে। ওর হাতে অঝরে রক্ত ঝরছে। সম্ভবত, হাত উড়ে গিয়েছে। পরে পুলিশ আসার পর জানতে পারলাম, বোমা পাওয়া গিয়েছে বাড়ি থেকে।  আক্রান্ত যুবকের এক আত্মীয় বলেন, জিতেন্দ্র ঘর পরিষ্কার করছিল। সেই সময় সে একটি কৌটো দেখতে পায়। কৌটোটা খুলতে গিয়েই বিপত্তি বাধে। বাড়িতে কোনও বোমা রাখা ছিল বলে জানা নেই।  বাইরে থেকে কেউ বোমা বাড়িতে রেখে যেতে পারে। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, বোমা রাখা ছিল, না বাইরে থেকে কেউ বোমা রেখেছিল, তা আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জখম যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DGP: যাকে খুশি ডিজি করা যাবে না, কমিশনের নয়া গাইডলাইনে রাজ্যের স্বেচ্ছাচারিতায় কোপ

    DGP: যাকে খুশি ডিজি করা যাবে না, কমিশনের নয়া গাইডলাইনে রাজ্যের স্বেচ্ছাচারিতায় কোপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের ডিজি (DGP) নিয়োগ নিয়ে নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করল ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন। এই গাইডলাইন থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার, রাজ্য সরকার চাইলেই যাকে খুশি আর ওই পদে বসাতে পারবে না। এতদিন তৃণমূল সরকার রাজ্য পুলিশের এই সর্বোচ্চ পদটিতে বেছে বেছে তাঁবেদারদেরই বসিয়ে এসেছে। সেই অর্থে পদটির কোনও গুরুত্বই রাখা হয়নি। যাঁদেরই এই পদে বসানো হয়েছে, তাঁরা কার্যত জো-হুজুরপনা করেই দায় এড়িয়েছেন। এবার এই পদের গুরুত্ব অনুযায়ী কড়া গাইডলাইন জারি করা হয়েছে গত ২৬ সেপ্টেম্বর। তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পাশাপাশি সমস্ত রাজ্যের মুখ্যসচিবদের। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই সংক্রান্ত ২০০৯ সালের যে গাইডলাইন ছিল, তা বাতিল হয়ে এটি এখন থেকেই কার্যকর করতে হবে।

    কী রয়েছে নয়া গাইডলাইনে? (DGP)

    প্রথমত, ডিজি নিয়োগে রাজ্য সরকারের একাধিপত্য খর্ব করতে একটি এমপ্যানেলমেন্ট কমিটি গঠন করার কথা বলে দেওয়া হয়েছে। তাতে থাকবেন ইউপিএসসি’র চেয়ারম্যান, কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র সচিব, সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজি প্রমুখ। এই সংক্রান্ত যে কোনও বৈঠক বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে কমিশনের চেয়ারম্যানকে।

    গাইডলাইনে সাফ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, স্রেফ পছন্দের ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশের ওই রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বোচ্চ পদে (DGP) কাউকে বসিয়ে দেওয়া যাবে না। যাকে বসানে হচ্ছে, দেখে নিতে হবে, এমন একটি বাহিনীকে পরিচালনা করার মতো যোগ্যতা তাঁর আছে কি না। তাঁর কাজের রেকর্ডকেও গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করতে হবে। অর্থাৎ, এই পদে কেউ নির্বাচিত হবেন মেরিটের ভিত্তিতে, তাঁবেদারি করে নয়।

    তিনমাস আগে পাঠাতে হবে প্রস্তাব (DGP)

    গাইডলাইনে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ডিজির পদ যেদিন ফাঁকা হওয়ার কথা, তার অন্তত তিন মাস আগে নয়া কমিটির মিটিং ডাকার জন্য কমিশনকে জানাতে হবে। তাতে প্যানেল হিসেবে রাজ্য কাকে কাকে চাইছে, তাদের নাম, ধাম, রেকর্ড, কর্মদক্ষতা, পড়াশোনা ইত্যাদি একগুচ্ছ তথ্যও দিতে হবে। এমনকী ওই অফিসারের বিরুদ্ধে কোনও শৃঙ্খলাভঙ্গ বা ফৌজদারি মামলা অমীমাংসিত থাকলে, জানাতে হবে সেটাও। কোনও সময় ওই অফিসার জরিমানার সম্মুখীন হলে সেটাও চেপে গেলে চলবে না। এতকিছু বিচার বিবেচনা করার পরই ওই কমিটি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের জন্য ডিজি নিয়োগের প্যানেল তৈরি করে রাজ্যকে পাঠাবে। আরও একটি বিষয় ওই গাইডলাইনে জানানো হয়েছে। তা হল, প্যানেলে থাকা কোনও অফিসারের বিরুদ্ধে যদি ভিজিল্যান্স বা বিভাগীয় তদন্ত চলে, তবে তাঁকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হবে না। কিন্তু প্যানেলে সর্বোচ্চ তিনজনের বেশি নাম দেওয়া যাবে না।
    কমিশনের ওই গাইডলাইন থেকে পরিষ্কার, রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ পদে (DGP) নিয়োগে রাজ্যের স্বেচ্ছাচারিতার আর কোনও জায়গা থাকবে না। যোগ্যতা এবং কর্মদক্ষতা থাকলে তবেই কাউকে ওই রকম একটি পদে বসানো যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘দুবাইয়ের প্রতি তাঁর বেশি প্রেম’, মহুয়াকে টেনে অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘দুবাইয়ের প্রতি তাঁর বেশি প্রেম’, মহুয়াকে টেনে অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এথিক্স কমিটি ইস্যুতে মহুয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই মহুয়াকে টেনে অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। হাওড়ায় দলীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পরই তিনি মহুয়াকে তীব্র আক্রমণ করেন।

    মহুয়াকে নিয়ে ঠিক কী বলেছেন অভিষেক?

    টাকার বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে প্রথমবার মুখ খুলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তিনি বলেছিলেন, ‘এথিক্স কমিটিতে অনেকগুলি অভিযোগ পড়ে রয়েছে। আপনারা দেখেছেন, নতুন সংসদ ভবনে বিজেপি সাংসদ রমেশ বিদুরি কুকথা বলে কী করে সংসদের গরিমা নষ্ট করেছেন। বিজেপির এমন বহু সাংসদ রয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশের শুনানি বকেয়া রয়েছে। কিন্তু, যদি কেউ সরকারের বিরোধিতা করে, সরকারকে প্রশ্ন করতে চায়, আদানির অপকর্ম নিয়ে প্রশ্ন করতে চায়, তাহলে কী করে তাঁকে সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়’। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমার মনে হয় মহুয়া নিজেই নিজের লড়াই লড়ার জন্য যথেষ্ট। আমাকেও এরা ৪ বছর ধরে ডাকছে। আলাদা আলাদা কেসে নাম জড়াচ্ছে। একটা কেসে কিছু পাওয়া না গেলে আরেকটায় জড়াচ্ছে। এটা প্রতিহিংসার রাজনীতি ছাড়া আর কিছু নয়।’

    অভিষেককে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    হাওড়ায় সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘বিষয়টার মধ্যে যখন দুবাই রয়েছে, তখন উনি (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) তো পাশে দাঁড়াবেনই। দুবাইয়ের প্রতি তাঁর বিশেষ প্রেম। চোখ দেখাতেও দুবাই যান, পেট দেখাতেও দুবাই যান। খেতেও দুবাই যান। আর কী কী করতে যান আমি জানি না’। মূলত এই প্রসঙ্গে টেনে অভিষেক মহুয়াকে নিয়ে যে কথা বলেছেন, তার যে কোনও গুরুত্ব নেই, তা বোঝাতে চেয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    মহুয়া ইস্যুতে এনআইএ তদন্তের কেন দাবি জানালেন সুকান্ত?

    মহুয়াকে নিয়ে এথিক্স কমিটির সুপারিশ প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, আমরা যতদূর জানতে পেরেছি, তাতে শুধু খারিজ করার সুপারিশ করেনি কমিটি। তার সঙ্গে বলেছে যে প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত করানোর জন্য অর্থাৎ ইডি বা সিবিআইকে দিয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তদন্ত করানোর জন্য বলেছে। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, মহুয়া মৈত্র সাংসদ হিসেবে লোকসভার ওয়েবসাইটের যে লগ-ইন আইডি ও পাসওয়ার্ড পেয়েছেন, তা তিনি দর্শন হিরানন্দানি নামে এক ব্যবসায়ীকে দেন বলে অভিযোগ। তারপর দুবাই থেকে সেই লগ-ইন আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লোকসভার ওয়েবসাইট ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। সুকান্ত বলেন, একজন সাংসদের লগ ইন আইডি চলে যাচ্ছে অন্য একজনের কাছে। তাও তাঁর পিএ-র কাছে গেলে বুঝতাম। কিন্তু, জানতে পেরেছি, সেই লগ ইন আইডি চলে যাচ্ছে দুবাইয়ে। তৃণমূল কংগ্রেস গ্যারান্টি দিতে পারবে যে এই লগ ইন আইডি দুবাইয়ের কোনও নাগরিক ব্যবহার করেননি বা দুবাইয়ের কোনও নাগরিকের উপস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়নি। দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার সঙ্গে সমঝোতা করেছেন মহুয়া মৈত্র। এর এনআইএ তদন্ত হওয়া উচিত’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madan Mitra: ‘লেবুতলা পার্কের রাম মন্দিরের দিকে যাচ্ছেন সৌগত’, কেন বললেন মদন?

    Madan Mitra: ‘লেবুতলা পার্কের রাম মন্দিরের দিকে যাচ্ছেন সৌগত’, কেন বললেন মদন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে নাজেহাল অবস্থা তৃণমূল পরিচালিত কামারহাটি পুরসভার। ইডি-র ডাকে বার বার সিজিওতে ছুটতে হচ্ছে পুর চেয়ারম্যান গোপাল সাহাকে। এরই মধ্যে বিজয়া সম্মেলনীতে প্রকাশ্যে গোপালকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। গোপালের পাশে দাঁড়িয়ে কার্যত বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের মতো দলের বিধায়ক তথা ‘কালারফুল বয়’ মদন মিত্র (Madan Mitra) বেলাগাম আক্রমণ করেছেন। সৌগতবাবুর মতো বর্ষীয়ান নেতাকে যে ভাবে আক্রমণ করা হয়েছে. বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারাও সেই ঢঙে কথা বলেন না। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগেই কি কামারহাটি কাণ্ড নিয়ে দমদম লোকসভায় তৃণমূলের চেহারা বেআব্রু হয়ে গেল। সাংসদের নাম করে বিধায়ক মদনের কড়া সমালোচনার ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে চলে এল।

    কামারহাটি নিয়ে সৌগত রায় ঠিক কী বলেছেন?

    কামারহাটিতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজয়া সম্মেলনীর আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে হাজির ছিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। মঞ্চে উপস্থিত গোপাল সাহার পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, কামারহাটি পুরসভায় ঠিকমতো কাজ হচ্ছে না। কোন অর্ডার পাস হচ্ছে না। মানুষ কোনও পরিষেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ জানাচ্ছেন। পরিষেবা দেওয়াটা সবার আগে দরকার। এই পুরসভায় এত কাউন্সিলার আছে, নিজেদের মধ্যে অন্য গল্প না করে নাগরিক পরিষেবা যাতে আরও উন্নত করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা করা উচিত। এমনকী পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহাকে নাগরিক পরিষেবা উন্নত করার জন্য ধমক দেন তিনি।

    সৌগত রায়কে নিয়ে ঠিক কী বলেছেন মদন? (Madan Mitra)

    সৌগত রায়ের বক্তব্য সামনেই আসতেই মুখ খুলেছেন তৃণমূলের ‘কালারফুল বয়’ (Madan Mitra)। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, ওনার (সৌগত রায়) একটাই উদ্দেশ্য, যেই গোপালকে ইডি ডাকল, তখন উনি বলতে শুরু করলেন, ঠাকুর ঘরে কে? আমি তো কলা খাইনি’। ‘কী বোঝাতে চাইছেন? পুর দুর্নীতিতে আমি নেই! গোপালরা দুর্নীতি করেছে? যা বলার স্পষ্ট বলুন’। ‘আর ৯ বছরে এসব চোখে পড়ল না, এসব ভোটের আগে ঠিক মনে হল আপনার, কোথায় একটা গন্ধ আছে মনে হচ্ছে’। ‘দলের খাবেন আর সুযোগ পেলেই দলের পিছনে পিন বাজি? অথচ, আপনার বাংলোটা শ্রেষ্ঠ বাংলো, আপনি মন্ত্রী থাকাকালীন ম্যানেজ করে নিয়েছেন, আর এখন গোপাল ভূত, আর আপনি রাজা হয়ে গেলেন’। ‘কিছু বলার থাকলে পার্টির মধ্যে বলুন, তবে আপনার গুণ আছে, পিসি সরকারের ম্যাজিকের মত পাল্টি খাওয়া’।

    লেবুতলা পার্কের রাম মন্দিরের দিকে যাচ্ছেন সৌগত, দাবি মদনের

    তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে মদন মিত্র (Madan Mitra) বলেন, ‘সৌগত রায় ১৫ বছরে ১০টা ছেলে দেখান, যারা আপনার কাছ থেকে সাহায্য পেয়েছে’। ‘বেশি কিছু বলবেন না, দিনকাল ভালো নয় তো’। ‘হঠাৎ আপনি মেরুকরণ করে গিরগিটির মতো পাল্টাচ্ছেন কেন? জেনে রেখে দেবেন, মদন মিত্র আছে’। ‘আপনার ডানদিকে বাঁদিকে যাঁরা ঘোরেন, ওরা তো সব চোর’ । কংগ্রেস আমলে পুরানো ইতিহাস মনে করিয়ে দিয়ে মদন বলেন,  ‘লোকে জানে আপনি শিক্ষিত, কিন্তু ৭৭ সালে এমন রিগিং করেছিলেন, যে এসডিপিওকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তারপর থেকে বারাকপুর হাতছাড়া হয়ে গেল’। এরপর এসব বলার জন্য দল ব্যবস্থা নেবে ধরে নিয়ে মদন মিত্র বলেন. ‘পার্টির কাছে ক্ষমা চাইছি, এইসব কথা বলার জন্য আমার শাস্তি হতে পারে, উত্তর চাইতে পারে, কিন্তু উত্তর আমি দেব’। ‘তবে এটাও বলে রাখি, স্পেসিফিক কিছু না পেলে মদন মিত্ৰ বলে না’। ‘ওনার (সৌগত রায়) বলার স্টাইলটা যেন মনে হচ্ছে, লেবুতলা পার্কের রাম মন্দিরের দিকে এগোচ্ছে। তবে, কিছু যায় আসে না, তুড়ি মারব, উড়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যার রামমন্দিরের ‘অক্ষত চাল’ এল বাংলায়, ডিসেম্বরে পৌঁছাবে গ্রামে গ্রামে

    Ram Mandir: অযোধ্যার রামমন্দিরের ‘অক্ষত চাল’ এল বাংলায়, ডিসেম্বরে পৌঁছাবে গ্রামে গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রামমন্দির (Ram Mandir) থেকে তিনটি কলসিতে ‘অক্ষত চাল’ এল বাংলায়। গত রবিবার অযোধ্যায় রামজন্মভূমিতে বিশেষ পুজোর আয়োজন করে তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। এরপরেই দেশের সমস্ত রাজ্যে সেই অক্ষত চাল পাঠানোর কাজ শুরু হয়। সাংগঠনিকভাবে সারা দেশে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ৪৫টি প্রদেশ রয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে তিনটি উত্তরবঙ্গ, মধ্যবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ। উত্তরবঙ্গের জন্য অক্ষত চালের কলসি শিলিগুড়িতে পৌঁছে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মীরা। অন্যদিকে মধ্য এবং দক্ষিণবঙ্গের অক্ষত চাল আনা হয়েছে জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেসের মাধ্যমে।

    ডিসেম্বরের মাঝামাঝি অক্ষত চাল যাবে বাংলার গ্রামে গ্রামে

    জানা গিয়েছে, এই অক্ষত চাল আপাতত সংরক্ষিত থাকবে সঙ্ঘ পরিবারের কাছেই। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে তা গ্রামে গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রসঙ্গত, ৫ থেকে ৭ নভেম্বর গুজরাটের ভুজে বসেছিল আরএসএসের সর্বভারতীয় কার্যকারিণী বৈঠক। সেখানেও মূল অ্যাজেন্ডা ছিল রামমন্দির। বৈঠকের শেষ দিনে আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘১ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে রামমন্দিরের (Ram Mandir) ছবি নিয়ে ভারতবর্ষের ৫ লাখ গ্রামে যাবেন স্বয়ংসেবকরা।’’ অর্থাৎ একদিকে অক্ষত চাল যেমন পৌঁছাবে গ্রামে গ্রামে, তেমনই পরবর্তীকালে নির্মিত রামমন্দিরের ছবি নিয়েও জনসংযোগ করবেন স্বয়ংসেবকরা।

    অক্ষত চালকে শুভ মানা হয়

    আগামী ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরের (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে গিয়েছে আমন্ত্রণপত্র। সেদিন প্রধানমন্ত্রী রামলালাকে কোলে নিয়ে ৫০০ মিটার পথও অতিক্রম করবেন। দেশের সব প্রান্ত থেকে মানুষ সেদিন অযোধ্যায় সমবেত হবেন। আমন্ত্রণের চিঠিতে অক্ষত চাল দেওয়ার রীতি রয়েছে হিন্দু সমাজে। হলুদ এবং ঘি মাখিয়ে তৈরি করা হয় এই অক্ষত। কোনও শুভ অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে যা মঙ্গলজনক বলেই মনে করা হয়। ১০০ কুইন্টাল চাল এনে গত রবিবারই অক্ষত পুজো সম্পন্ন হয় অযোধ্যায়। এই অক্ষত চাল রামলালার সামনে রেখে পুজো করা হয়। পরের দিন থেকেই তা পাঠিয়ে দেওয়া হয় দেশের প্রতিটি প্রান্তে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: মোদি জমানায় গত ৯ বছরে নিয়োগ ৫ লক্ষ! পরিসংখ্যান পেশ ভারতীয় রেলের

    Indian Railways: মোদি জমানায় গত ৯ বছরে নিয়োগ ৫ লক্ষ! পরিসংখ্যান পেশ ভারতীয় রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় বেড়েছে কর্মসংস্থান। গত ৯ বছরে ৫ লাখ নিয়োগ করেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। শুক্রবারই প্রেস বিবৃতি দিয়ে একথা জানিয়েছে পূর্ব রেল। ওই প্রেস বিবৃতিতে পূর্বতন ইউপিএ সরকারের সঙ্গে তুলনাও টানা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মনমোহন সরকার ১০ বছরে নিয়োগ করতে পেরেছিল ৪ লাখ ১১ হাজার প্রার্থীকে। অর্থাৎ কংগ্রেস জমানায় প্রতি বছর গড়ে নিয়োগ হয়েছিল ৪১ হাজার। অন্যদিকে মোদি জমানায় প্রতি বছর গড়ে নিয়োগ হয়েছে ৫২ হাজার।

    গত ১ বছরে রেলে নিয়োগ দেড় লাখ

    এর মধ্যে করোনার সময়কালে দেশে সব ধরনের নিয়োগ বন্ধ ছিল। তাই ২ বছর বাদ দিলে প্রতি বছর নিয়োগের গড় দাঁড়াচ্ছে ৬২ হাজার। যা মনমোহন জমানার থেকে অনেকটাই বেশি। শুক্রবার রেলের (Indian Railways) তরফ থেকে প্রকাশিত ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এও বলা হয়েছে, গত বছরে রেল রেকর্ড সংখ্যক নিয়োগ করতে পেরেছে। এই সংখ্যা দেড় লাখ। ৯ নভেম্বর প্রকাশিত ওই প্রেস বিবৃতিতে রেল জানিয়েছে, ৫ লাখ নিয়োগই হয়েছে স্বচ্ছভাবে। কোথাও কোনও দুর্নীতি হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের একাধিক নিয়োগ দুর্নীতি যখন সামনে আসছে, সেই আবহে রেলের স্বচ্ছ নিয়োগ কেন্দ্র সরকারের প্রতি চাকরি প্রার্থীদের আস্থা আরও দৃঢ় করল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বছর ঘুরলেই রয়েছে লোকসভা ভোট।

    নতুন ৫,৬০০ কিমি রেলপথ সম্প্রসারণ ১ বছরে

    রেলে এই বিপুল কর্মসংস্থান মোদি সরকারকে অ্যাডভান্টেজ দেবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রেলের তরফে বলা হয়েছে, করোনাকালে বিশ্বের সর্বত্র আর্থিক মন্দা চললেও রেলের (Indian Railways) নিয়োগের গড় প্রতি বছর ৫০ হাজারের নিচে নামেনি। এছাড়াও  গত ১ বছরে ৫,৬০০ কিমি নতুন রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল। এর ফলে পরোক্ষভাবে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: এবার গবেষণার বিষয় ‘নরেন্দ্র মোদি’! বারাণসীর মুসলিম ছাত্রী জমা দিলেন থিসিস

    Narendra Modi: এবার গবেষণার বিষয় ‘নরেন্দ্র মোদি’! বারাণসীর মুসলিম ছাত্রী জমা দিলেন থিসিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় নেতা। বিদেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাও ভূয়সী প্রশংসায় ভরিয়ে দেন তাঁকে। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এবার রিসার্চ করলেন বারাণসীর এক গবেষক। জানা গিয়েছে, নাজমা পারভিন নামে ওই ছাত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) তাঁর পিএইচডির বিষয় হিসেবে বেছেছেন। ইতিমধ্যে শেষও হয়েছে নাজমার পিএইচডি। নরেন্দ্র মোদির উত্থান, তাঁর রাজনৈতিক জীবন এবং সংঘর্ষ এই কাহিনীই লিপিবদ্ধ রয়েছে নাজমার পিএইচডি থিসিসে। কেন নাজমা নরেন্দ্র মোদিকে পিএইচডির বিষয় হিসেবে বাছলেন? এর উত্তর গবেষক দিয়েছেন যে, নরেন্দ্র মোদির সংগ্রামী জীবন তাঁকে আকৃষ্ট করেছে।

    আরও পড়ুন: বিশ্বভারতী ক্যাম্পাসে তৃণমূলের অকাল হোলিতে বিতর্ক, শিক্ষাঙ্গনে এ কেমন রাজনীতি?

    ২০১৪ সালে শুরু গবেষণা

    বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সঞ্জয় শ্রীবাস্তবের অধীনে এই পিএইচডি শুরু করেন নাজমা। সেটা ছিল ২০১৪ সাল। ৯ বছর ধরে নাজমা গবেষণা চালিয়েছেন নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) জীবনের ওপর। ২০২৩ সালের নভেম্বরে শেষ হল তাঁর গবেষণা। সংবাদমাধ্যমকে নাজমা জানিয়েছেন, তাঁর গবেষণার বিষয় হল ‘নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক নেতৃত্ব-একটি বিশ্লেষণাত্মক পাঠ’। জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেছেন নাজমা।

    নাজমার থিসিসে ৫টি অধ্যায়

    নাজমার পাঁচটি অধ্যায় রয়েছে থিসিসে। পাঁচটি অধ্যায় হল- পরাধীন ভারতে কংগ্রেসের ক্ষমতা, ভারতের স্বাধীনতালাভ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) রাজনৈতিক জীবন, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর কাজ, বিরোধীদের অভিযোগ এবং সমালোচনার সময়কাল ও জনসমর্থন। নাজমার থিসিসে উঠে এসেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রচারক থাকাকালীন মুসলিম সমাজের প্রতি নরেন্দ্র মোদির মনোভাবও। নাজমার দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তা যে কোনও ব্যক্তিকে আকর্ষণ করতে পারে। তাই পিএইচডির থিসিসে তাঁকে বেছেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা পাচার কাণ্ডে ১০ রাজ্যে এনআইএ অভিযান! গ্রেফতার ৪৪, বাংলা থেকে ধৃত ৩

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share