Tag: Madhyom

Madhyom

  • Kalpataru Utsav: আজ রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘কল্পতরু উৎসব’, জানুন এই দিনটির মাহাত্ম্য

    Kalpataru Utsav: আজ রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘কল্পতরু উৎসব’, জানুন এই দিনটির মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের পয়লা দিন বলে কথা। বাঙালি মেতেছে বর্ষবরণের আনন্দে। এ আর নতুন কী! তবে ফি বছর ১ জানুয়ারির গুরুত্ব বাঙালির কাছে অন্যভাবেও রয়েছে, এদিন কল্পতর উৎসব (Kalpataru Utsav)। এদিনই বিশ্ববন্দিত হিন্দু ধর্মের প্রচারক স্বামী বিবেকানন্দের গুরু, ঠাকুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব তাঁর শিষ্যদের উদ্দেশে বলেছিলেন, “তোমাদের চৈতন্য হউক”। সকাল থেকেই দক্ষিণেশ্বর মন্দির থেকে শুরু করে রাজ্যের সর্বত্র ভক্তরা পালন করছেন কল্পতরু দিবস। ভোর থেকেই ভক্তদের ঢল দক্ষিণেশ্বর-কাশীপুর উদ্যানবাটিতে। এই দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেবের স্মৃতি। আজ থেকে ১৩৮ বছর আগে, ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি কল্পতরু রূপে ভক্তদের আশীর্বাদ করেছিলেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ।

    ঠাকুরের সংক্ষিপ্ত জীবনী

    পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার আরামবাগ মহকুমার কামারপুকুর গ্রামে ১৮৩৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এক দরিদ্র বৈষ্ণব ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায় এবং চন্দ্রমণি দেবীর সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কথিত আছে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে গয়া তীর্থ ভ্রমণে গিয়ে ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায়, গদাধর বিষ্ণুকে স্বপ্নে দর্শন করেন। তাই নিজের চতুর্থ সন্তানের নাম তিনি রাখলেন গদাধর চট্টোপাধ্যায়। দাদা রামকুমার চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে ১৮৫৫ সালে গদাধর চট্টোপাধ্যায়ের কলকাতায় আগমন ঘটে। কারণ মাহিষ্য সমাজের জমিদার পত্নী রানি রাসমণি দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছেন। রানিমা প্রধান পুরোহিতের দায়িত্বভার অর্পণ করেছেন কামারপুকুরের রামকুমারের হাতে। তরুণ গদাধর দাদাকে পূজা-অর্চনাতে সাহায্য করবেন। ১ বছরের মধ্যে ছন্দপতন। আকস্মিকভাবেই ১৮৫৬ সালে মৃত্যু হল রামকুমার চট্টোপাধ্যায়ের। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন গদাধর চট্টোপাধ্যায়।

    দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দিরের প্রধান পুরোহিতের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন তিনি। মন্দিরের ঠিক উত্তর-পশ্চিম কোনে তরুণ পুরোহিতের জন্য একটি ছোট্ট ঘর বরাদ্দ করা হল। শোনা যায় এরপরেই রানি রাসমনির জামাতা মথুরামোহন গদাধর চট্টোপাধ্যায়ের নামকরণ রামকৃষ্ণ করেন, তবে এ নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে, কেউ কেউ বলেন যে তাঁর এই নামকরণ করেন ঠাকুরের অন্যতম গুরু তোতাপুরী। প্রথাগত শিক্ষা তাঁর কিছুই ছিল না সেভাবে। কিন্তু মুখে মুখে বলে দিতেন হিন্দু শাস্ত্রের সমস্ত গূঢ়তত্ত্ব, অতি সরলভাষায়, একেবারে গল্পের ছলে। এজন্য তাঁকে গল্পের রাজাও বলা হয়। পরবর্তীকালে তাঁর এই বাণী সংকলিত হয় কথামৃত নামক গ্রন্থে। এরমধ্যে ঠাকুরের (Kalpataru Utsav) বিবাহ সম্পন্ন হয় কামারপুকুরের তিন মাইল উত্তর-পশ্চিমে জয়রামবাটী গ্রামের রামচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের কন্যা সারদাদেবীর সঙ্গে। সেটা ১৮৫৯ সালে। এতদিনে বঙ্গীয় শিক্ষিত সমাজ তাঁকে গুরুর আসনে বসিয়ে ফেলেছে। শিষ্য তালিকায় স্থান পেয়েছেন কেশব চন্দ্র সেন সমেত অন্যান্য গন্যমান্যরা। 

    ১ জানুয়ারী ১৮৮৬

    শরীরে মারণ রোগ বাসা বাঁধলে, ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকারের নির্দেশে তিনি নিজেকে গৃহবন্দি রাখেন প্রায় এক মাস। ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দের ১ জানুয়ারি কাশীপুর উদ্যানবাটিতে উপস্থিত রয়েছেন প্রায় ৩০ জন মতো গৃহী ভক্ত। সকলে হাতে ফুল নিয়ে উপস্থিত। আজ ঠাকুরের দর্শন পাওয়া যাবে। ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক দুপুর তিনটে। দোতলা ঘর থেকে তিনি নেমে এলেন বাগানে। পরনে সেই চিরাচরিত পোশাক। লাল পেড়ে ধুতি। উপস্থিত গৃহী ভক্তরা তাঁদের হাতে রাখা ফুল ঠাকুরের চরণে অঞ্জলি দিতে থাকেন। কথিত আছে, ঠাকুর তখন নাট্যকার গিরিশ ঘোষকে বলেন, “হ্যাঁ গো, তুমি যে আমার নামে এত কিছু চারিদিকে বলো, তো আমি আসলে কী?” গিরিশ ঘোষ উত্তর দিলেন, “তুমিই নররূপ ধারী পূর্ণব্রহ্ম ভগবান, আমার মত পাপী-তাপীদের মুক্তির জন্যই তোমার মর্ত্যে আগমন।” সবাই তখন ঠাকুরের চরণ স্পর্শ করল এবং ঠাকুর বললেন, “তোমাদের চৈতন্য হউক”।

    এদিনের উৎসবকে কল্পতরু (Kalpataru Utsav) কেন বলা হয়?

    এর জন্য অবশ্য আমাদের পুরাণে ফিরতে হবে। হরিবংশ ইত্যাদি পুরাণে ‘কল্পতরু’র উল্লেখ রয়েছে। দেবতা এবং অসুরদের মধ্যে সমুদ্র মন্থন হয়েছিল, পুরাণ অনুযায়ী সমুদ্র মন্থনকালে অমৃত, লক্ষ্মীদেবী, ঐরাবত ইত্যাদির সঙ্গে উঠে আসে একটি বৃক্ষ-ও। যাকে পারিজাত বৃক্ষ বলা হত। পরবর্তীতে দেবরাজ ইন্দ্রের বিখ্যাত নন্দনকাননের স্থান পায় এই পারিজাত বৃক্ষ এবং সেখান থেকে স্ত্রী সত্যভামার আবদারে শ্রীকৃষ্ণ পৃথিবীতে নিয়ে আসেন এই বৃক্ষ। এই পারিজাত বৃক্ষকে-ই ‘কল্পতরু’ বলা হয়েছে। অর্থাৎ সেই বৃক্ষ, যার কাছে যা চাওয়া হয় তাই পাওয়া যায়। কল্পতরু উৎসবের (Kalpataru Utsav) দিন ঠাকুরের ভক্তরা তাঁকে অবতার রূপে মেনে নেন। কথিত আছে, সেদিন উপস্থিত সমস্ত ভক্তের মনোবাঞ্ছা ঠাকুরের কৃপায় পূরণ হয়েছিল। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে, এই দিন ঠাকুর রামকৃষ্ণদেব সকলের মনের ইচ্ছা পূরণ করেন।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

  • New Rules: মোবাইল সিমের পেপারলেস কেওয়াইসি থেকে ইউপিআই নিয়মে বদল, নতুন বছরে কী কী পরিবর্তন?

    New Rules: মোবাইল সিমের পেপারলেস কেওয়াইসি থেকে ইউপিআই নিয়মে বদল, নতুন বছরে কী কী পরিবর্তন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি মাসের প্রথম দিনে সরকারিভাবে কোনও না কোনও নিয়ম কার্যকর হয়ে থাকে। এই নিয়মগুলি (New Rules) জনগণের প্রতিদিনকার জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। প্রত্যেকেই তাই নজর রাখেন নতুন নিয়মে। আমাদের জানতে হয় যে কোন কোন নিয়ম সংশোধিত হচ্ছে এবং কোন কোন নিয়ম সংযোজিত হচ্ছে। কোন নিয়মগুলি বাতিল হয় সেদিকেও নজর রাখতে হয়। দেখতে দেখতে চলে এল ২০২৪। নতুন বছরে ১ জানুয়ারি থেকে বেশ কিছু নিয়ম কার্যকর হচ্ছে, কিছু নিয়মের পরিবর্তনও হচ্ছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্যগুলি নীচে আলোচনা করা হল।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যা পাহাড়ে শ্রীরামচন্দ্রের ‘পাতালভেদী’ বাণে সৃষ্টি হয়েছিল সীতাকুণ্ডের

    পেপারলেস কেওয়াইসি চালু হচ্ছে মোবাইল সিমের ক্ষেত্রে

    ১ জানুয়ারি থেকে বদল হচ্ছে মোবাইল সিমের কেওয়াইসি। বর্তমানে যে নিয়ম (New Rules) চালু রয়েছে কেওয়াইসির ক্ষেত্রে, তা পরিবর্তিত হয়ে এবার পেপারলেস কেওয়াইসি হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে নতুন মোবাইল কানেকশনের ক্ষেত্রে নিয়ম অপরিবর্তিত থাকছে বলে জানা গিয়েছে।

    ১ বছর ধরে অব্যবহৃত ইউপিআই আইডিগুলি নিষ্ক্রিয় করা হবে 

    ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন নির্দেশ দিয়েছে, এক বছরের বেশি সময় ধরে অব্যবহৃত ইউপিআই আইডিগুলি বাতিল করার জন্য। এর সময়সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর।

    রাজস্থানে কমল এলপিজি সিলিন্ডারের দাম

    ১ জানুয়ারি থেকে রাজস্থানে এলপিজি সিলিন্ডার অর্থাৎ যেগুলি প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে পাওয়া যায়, সেগুলির দাম ৫০০ টাকা থেকে কমে ৪৫০ টাকা হচ্ছে।

    বর্ধিত সময়সীমায় আইটিআর জমার সময়সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর

    ৫০০০ টাকা জরিমানা দিয়ে দেরিতে আইটিআর ফাইল করার বর্ধিত সময়সীমা ছিল ৩১ ডিসেম্বর। তবে, রিভাইসড (সংশোধিত) আইটিআর দাখিল করার ক্ষেত্রে কোনও জরিমানা ধার্য করা হয়নি। প্রসঙ্গত রেগুলার আইটিআই জমা দেওয়ার সময়সীমা ছিল ৩১ জুলাই।

    পরিবর্তন ব্যাঙ্ক লকার এগ্রিমেন্টের ক্ষেত্রেও

    যে সমস্ত ব্যক্তির ব্যাঙ্ক লকার রয়েছে, তাঁদেরকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন ব্যাঙ্ক লকার এগ্রিমেন্টের সিগনেচার (New Rules) করতে হত। যাঁরা করেননি, আজ থেকে তাঁদের ব্যাঙ্ক লকারগুলি ‘ফ্রোজেন’ করা হবে।

    আরও পড়ুুন: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Puri: নতুন বছরের ভিড় সামলাতে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দরজা খুলল রাত ১টায়

    Puri: নতুন বছরের ভিড় সামলাতে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দরজা খুলল রাত ১টায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা বছর পুরীর (Puri) জগন্নাথ মন্দির ভক্তদের ভিড়ে ঠাসা থাকে। প্রভুকে দর্শন করতে প্রত্যেকদিন হাজার হাজার পুণ্যার্থী আসেন মন্দিরে। এত বেশি ভিড় হয় যে ভক্তদের গর্ভগৃহে পৌঁছানো মাঝে মধ্যে অসম্ভব হয়ে পড়ে। এবার সেই সমস্যারই সুরাহা হতে চলেছে। ঝঞ্ঝাট এড়িয়ে অনায়াসেই জগন্নাথদেবের দর্শন মিলবে পুরীতে। চালু হচ্ছে হেরিটেজ করিডর। অন্যদিকে ভক্তদের জন্য মন্দিরের দরজা ৩১ ডিসেম্বরই খুলে গেল রাত ১ টায় এবং খোলা থাকবে ১ জানুয়ারি রাত ১১ টা পর্যন্ত।

    নয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    ভিড় সামাল দিতে নবীন পট্টনায়েকের সরকার নয়া উদ্যোগ নিয়েছে। এবার থেকে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবেন স্পেশাল সিকিউরিটি ব্যাটালিয়নের ১,১৯০ জন কর্মী। নবীন পট্টনায়ক সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, বিশ্ব বিখ্যাত জগন্নাথ মন্দিরের জন্য এবার থেকে স্পেশাল ব্যাটালিয়ন ফোর্সের নিরাপত্তারক্ষীদের মোতায়েন করা হবে। দর্শনার্থীরা আরও সহজে জগন্নাথধামে প্রবেশ করতে পারবেন। আরও মজবুত হবে নিরাপত্তা। ভিড় সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। ওড়িশা সরকারের বিবৃতি অনুযায়ী, পুরীর মন্দিরে হেরিটেজ করিডর নির্মাণ হওয়ার পর দর্শনার্থীদের সংখ্যা আরও বাড়বে। ৯৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে জগন্নাথ মন্দিরের চতুর্দিকে মেঘনাদ পচেরি ঘিরে একটি পাঁচিল নির্মাণ করা হচ্ছে। ৭৫ মিটার এলাকা জুড়ে তৈরি হচ্ছে এই করিডর। যানবাহন চলাচলের ওপরেও নিয়ন্ত্রণ লাগানো হচ্ছে। হাফপ্যান্ট পরে মন্দিরে প্রবেশ আগেই বন্ধ হয়েছে। এর পাশাপাশি বাতানুকূল সেডও তৈরি হচ্ছে যেখানে আরামদায়কভাবে লাইনে দাঁড়াতে পারবেন পুণার্থীরা (Puri)।

    হেরিটেজ করিডরের উদ্বোধন ১৭ জানুয়ারি

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে কেবলমাত্র সিংহদুয়ার দিয়ে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশ করেন ভক্তরা। ভিড় বেশি হওয়াতে ভক্তদের খুবই কষ্ট হয়। গর্ভগৃহের কাছে পৌঁছনো তো দূর, ভিতরে মিনিট খানেকও সময় পান না দর্শনের জন্য। জানা গিয়েছে প্রায় দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ শ্রীমন্দিরের বাকি তিন দিকের গেট। এই নিয়েও পুণার্থীরা (Puri) অনুযোগ জানাতেন এতদিন। তবে হেরিটেজ করিডর উদ্বোধন হলে ভিড় ঠেলে জগন্নাথদেবের দর্শন অনেকটাই সহজ হবে। ১৭ জানুয়ারি এই করিডরের উদ্বোধন হওয়ার কথা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ০১/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ০১/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) নম্র স্বভাবের জন্য কর্মস্থলে পদন্নোতি।

    ২) বাসস্থান পরিবর্তন নিয়ে খরচ বৃদ্ধি।

    বৃষ

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভাল হবে।

    ২) ভ্রমণে সমস্যা বাড়তে পারে, একটু সাবধান থাকুন।

    মিথুন

    ১) বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন। 

    ২) শরীরে ব্যথা বৃদ্ধি পারে।

    কর্কট

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের সদুপদেশে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি। 

    সিংহ

    ১) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি ও বিপুল অর্থপ্রাপ্তির যোগ।

    ২) গুরুজনের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    কন্যা

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে কষ্ট বাড়তে পারে। 

    তুলা

    ১) সব কাজেই সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীর দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

    বৃশ্চিক

    ১) স্ত্রীর কারণে মন চঞ্চল হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পরে। 

    ধনু

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন। 

    মকর

    ১) শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

    ২) ব্যবসায় ফল নিয়ে চিন্তা থাকবে। 

    কুম্ভ

    ১) কাজের ক্ষেত্রে প্রচুর চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে। 

    মীন

    ১) বাড়তি ব্যবসার কথা না ভাবাই শ্রেয়।

    ২) দিনটি ভালো যাবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Hiran Chatterjee: পুলিশকে তৃণমূলের ‘গুন্ডা’ বলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন হিরণ

    Hiran Chatterjee: পুলিশকে তৃণমূলের ‘গুন্ডা’ বলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন হিরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার ইনচার্জ তথা বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chatterjee)। দলের নেতার সঙ্গে পুলিশ অমানবিক আচরণ করায় কার্যত ক্ষোভ উগরে দেন যুব মোর্চার এই নেতা। পুরাতন মালদার সেতু মোড়ে সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশকে আক্রমণ করেন তিনি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় দলীয় নেতা-কর্মীরা মনোবল ফিরে পেয়ে গিয়েছে।

    যুব মোর্চার নেতাকে অমানবিক অত্যাচার চালায় পুলিশ!

    গত, ২৫ ডিসেম্বর গাজলের শহিদপুর মোড়ের বাড়ি থেকে যুব মোর্চার জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত মাহাতকে মোটর বাইক চুরির অপবাদ দিয়ে তাঁর উপরে অমানবিক অত্যাচার চালায় পুলিশ। এমনই অভিযোগ বিজেপি নেতা-কর্মীদের। পুলিশের মারে অচৈতন্য হয়ে পড়েন বিজেপির এই যুব মোর্চার নেতা। গাজল গ্রামীণ হাহপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। তবে, সরকারি হাসপাতালে শারীরিক নির্যাতনের কথা উল্লেখ থাকলেও পুলিশ যে হামলা চালিয়েছে তা অভিযোগে কোথাও লেখা হয়নি বলে সরব হন বিজেপি নেতৃত্ব। প্রশান্তকে পাশে নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন যুব মোর্চার রাজ্য নেতা (Hiran Chatterjee)।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার ইনচার্জ? (Hiran Chatterjee)

    দলীয় নেতাকে মোটর বাইক চুরির মিথ্যে অপবাদ দিয়ে মারধরের অভিযোগ তুলে পুলিশকে ‘গুন্ডা’ বলে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার ইনচার্জ হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, যুব মোর্চার উপর অত্যাচার করে কর্মীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ। তৃণমূলের দলদাস পুলিশ। তাই, পুলিশ গুন্ডার মতো কাজ করছে। আমাদের নেতাকে নৃশংসভাবে থানায় নিয়ে গিয়ে পুলিশ মারধর করেছে। এরই প্রতিবাদে আমরা আগামীদিন আন্দোলন শুরু করব। এছাড়া রাজ্যের ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল সলমন খানের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর নাচ নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেন, সলমন খান রাজ্যের পরিস্থিতি জানলে তিনি নাচা তো দূরের কথা বাংলাতেই আসতেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: নাম না করে অর্জুনকে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন তৃণমূলেরই বিধায়ক!

    Arjun Singh: নাম না করে অর্জুনকে গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন তৃণমূলেরই বিধায়ক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম না করে অর্জুন সিংকে (Arjun Singh) গ্রেফতারির হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। শুধু তাই নয়, নোয়াপাড়া শহর তৃণমূলের সভাপতি গোপাল মজুমদার খুনের ঘটনায় নতুন করে মামলাটির তদন্ত করারও তিনি দাবি জানিয়েছেন। এই খুনের ঘটনার মূলচক্রীকে গ্রেফতার করা হয়নি। আমার কাছে সমস্ত তথ্য রয়েছে। সবকিছু হলুদ ফাইলে জমা রয়েছে। পুলিশ কমিশনারকে এ বিষয়ে আবেদন জানাব। মূলত তার বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে এই খুনের পিছনে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের দাপুটে নেতা রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত করেন। অর্জুন সিং ইস্যুকে সোমনাথ শ্যাম ফের মুখ খোলায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    বারাকপুরে জিইয়ে রইল তৃণমূলের দ্বন্দ্ব (Arjun Singh)

    বেশ কিছুদিন ধরে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) সঙ্গে সোমনাথের দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কোন্দল ঠেকাতে রাজ্য নেতৃত্ব সরাসরি হস্তক্ষেপ করে। রাজ্য নেতা সুব্রত বক্সির নির্দেশ মেনে সোমনাথ ইস্যুতে অর্জুন মুখে কুলুপ এঁটেছেন। শনিবার সুব্রত বক্সি নিজে উদ্যোগী হয়ে নৈহাটি উৎসবে এসে অর্জুন-সোমনাথ দ্বন্দ্বে ইতি টানতে চেয়েছিলেন। দুপক্ষকে একসঙ্গে বসিয়ে সমঝোতা করার চেষ্টা করেছিলেন এই রাজ্য নেতা। সমঝোতা বৈঠকে হাজির হয়ছিলেন অর্জুন। তবে, গড়হাজির ছিলেন সোমনাথ। ফলে, বৈঠক ভেস্তে যায়। ফলে, বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের দ্বন্দ্ব জিইয়ে রইল তা বলাবাহুল্য।  এই ঘটনার মধ্যেই সোমনাথ সিং এর অর্জুনের নাম না করে এই বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     ফের বিস্ফোরক সোমনাথ, ঠিক কী বললেন?

    সোমনাথ শ্যাম বলেন, ২০১৯ সালের পর থেকে বহু কর্মী আমাদের দলে খুন হয়েছেন। এমনকী বিকাশ বসু খুনের ঘটনার পিছনে কারা রয়েছেন তা খুঁজে বের করা দরকার। কারণ, আমাদের দলের মধ্যে থেকেই কেউ কেউ কর্মীদেরকে খুন করে আমাদের দলকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। আমরা তা হতে দেবো না। আমার কাছে যে হলুদ ফাইল রয়েছে, তাতে এই ধরনের তথ্যই রয়েছে। সেইসব তথ্যই এবার সামনে আনব। নোয়াপাড়া তৃণমূল নেতা গোপাল মজুমদারকে যারা খুন করেছিল তাদের কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। শুধু ভাড়াটে খুনিরাই ধরা পড়েছিল। কিন্তু, এই খুনের পিছনে যারা রয়েছে, তাদের এখনও ধরা হয়নি। আমরা এই খুনের মামলাটির পুনরায় তদন্ত করার জন্য পুলিশকে বলবো। তবে, তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ইঙ্গিত অর্জুনের (Arjun Singh) দিকে।

    অর্জুনকে তোপ দাগলেন বীজপুরের বিধায়ক

    সোমনাথ শ্যামের মতোই অর্জুন সিংয়ের নাম না করে তোপ দাগলেন বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী। তিনি বলেন, ২০১৯ সালের পর আমাদের একাধিক কর্মী খুন হয়েছেন, দেড় হাজার কর্মী ঘর ছাড়া ছিলেন। বহু বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। ৭০ থেকে ৮০টি পার্টি অফিস দখল করে নিয়েছিল বিজেপি। এখন বিজেপি থেকে আমাদের দলে আসা হনু কোন ডালে বসে সেটার দিকে আমাদের নজর রাখতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: অযোধ্যা পাহাড়ে শ্রীরামচন্দ্রের ‘পাতালভেদী’ বাণে সৃষ্টি হয়েছিল সীতাকুণ্ডের

    Purulia: অযোধ্যা পাহাড়ে শ্রীরামচন্দ্রের ‘পাতালভেদী’ বাণে সৃষ্টি হয়েছিল সীতাকুণ্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পুরুলিয়া (Purulia) জেলার অযোধ্যা পাহাড়। পুরুলিয়া শহর থেকে ৪০-৪২ কিমি দূরে সবুজের গালিচায় মোড়া আর ঢেউ খেলানো পাহাড় দিয়ে সাজানো অযোধ্যা শুধুমাত্র প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকেরই নয়, ট্রেকার এবং পাখি দেখতে যাঁরা ভালোবাসেন, তাঁদের জন্যও এক আদর্শ স্থান। আদিবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলটি শাল, শিরীষ, মহুয়া, সেগুন প্রভৃতি গাছের ছায়ায় আবৃত। চারদিকে উঁকি দিচ্ছে একের পর এক পাহাড়ের সারি। এখানকার সর্বোচ্চ গিরিশিখরটির নাম “গোর্গাবুরু, যার উচ্চতা প্রায় ২৮৫০ ফুট। অযোধ্যা পাহাড়ের অরণ্যের ব্যাপ্তি প্রায় ৩৪৫১৭ একর। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসা এই অরণ্যে বাস হরিণ, নেকড়ে, বুনো শুকর, হাতি প্রভৃতি প্রাণীর। আর দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির।

    পুরাণে কী বলা আছে?

    পুরাণ মতে, অজ্ঞাতবাসকালে দণ্ডক যাওয়ার পথে শ্রীরামচন্দ্রের সঙ্গে এই পাহাড়ের পথে যাচ্ছিলেন সীতাদেবী। সেই সময় তাঁর হঠাৎ-ই খুব তৃষ্ণা পায়। সেই তৃষ্ণা মেটানোর জন্য তখন “পাতালভেদী” বাণ প্রয়োগ করে মাটি-পাথরের বুক থেকে জল নির্গত করেন শ্রীরামচন্দ্র। সৃষ্টি হয় এক কুণ্ড বা কূপ (Purulia)। এখনও বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন “দিসুম সেন্দ্রা” অর্থাৎ শিকার উৎসবে দূর-দূরান্ত থেকে আসা আদিবাসী মানুষ এখানে থাকা দুটি জলপ্রপাত, বামনি ফলস আর তুরগা ফলসে স্নান করেন। তারপর এই সীতাকুণ্ড, যার অপর নাম “বুড়বুড়ি”, তার পবিত্র জল পান করে পবিত্র হয়ে ” বুইয়া” নিনাদে মেতে ওঠেন শিকার করার জন্য। এই বুড়বুড়ি কুণ্ডের সামনের শাল জঙ্গলে রয়েছে “সীতাকেশ”। সীতাদেবীর পায়ের চিহ্নও রয়েছে “সীতা চাতালে”। দেখে নেওয়া যায় যোগিনী বা ময়ূরী পাহাড়ের চূড়ায় বসে চারদিকের অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

    আর কী কী দেখবেন? (Purulia)

    এছাড়াও এক যাত্রাতেই দর্শন করে নেওয়া যায় অযোধ্যা পাহাড়ে চড়ার শিক্ষাপ্রদান কেন্দ্র, এশিয়ার দ্বিতীয় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি, ঠান্ডেশ্বরী ফলস, মুরগুমা ড্যাম প্রভৃতি। আর প্রাণ ভরে উপভোগ করে নেওয়া যায় প্রকৃতির অমলিন, অনাবিল, সবুজ সৌন্দর্য।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Purulia)

    যাতায়াত–হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে যেতে হবে পুরুলিয়া। যাচ্ছে ১২৮২৭ পুরুলিয়া এক্সপ্রেস , ১২৮৮৩ রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। পুরুলিয়া থেকে বাস অথবা গাড়ি নিয়ে যেতে হবে অযোধ্যা পাহাড়। থাকা খাওয়া–এখানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বন উন্নয়ন নিগমের বনবাংলো, পুরুলিয়া (Purulia) পাম্পড স্টোরেজ প্রজেক্টের গেস্ট হাউজ, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের আশ্রম। এছাড়াও রয়েছে কয়েকটি হোটেল। প্রয়োজনে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে নেওয়া যায় এগুলিতেও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: বন্ধ পার্টি অফিস খুলে মন্ত্রী উদয়ন গুহ শুনলেন, অনেকেই চলে গেছে বিজেপিতে

    Cooch Behar: বন্ধ পার্টি অফিস খুলে মন্ত্রী উদয়ন গুহ শুনলেন, অনেকেই চলে গেছে বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটার ভেটাগুড়িতে তৃণমূলের দুটি কার্যালয় বন্ধ ছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনর পর থেকে কার্যালয় খুলতে পারেনি তৃণমূল। পুলিশ-প্রশাসনের উপর ভরসা করেও সেভাবে কোনও লাভ হয়নি। এমনই অভিযোগ তৃণমূলের। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভেটাগুড়িতে একাধিক কার্যালয় খুললেন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। পার্টি অফিস খুলে দাপট দেখাতে গিয়ে ফের মুখ থুবড়ে পড়ল তৃণমূল। কারণ, ভেটাগুড়ির কাছে শীতলকুচির লালবাজার এলাকায় ধস নামল তৃণমূলে। শনিবার রাতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের হাত ধরে স্থানীয় অঞ্চল তৃণমূলের সহ সভাপতি বিনোদ বর্মন সহ শখানেক কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই উত্তপ্ত ছিল কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটার ভেটাগুড়ি এলাকা। তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে দফায় দফায়। ভেটাগুড়ির সব্জি বাজার এবং রেলগেটের পাশে অবস্থিত তৃণমূলের দুটি কার্যালয়ই বন্ধ ছিল। শনিবার মন্ত্রী উদয়ন গুহ, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক-সহ জেলা নেতৃত্ব ওই দুটি কার্যালয়ে খোলার জন্য যান ভেটাগুড়িতে। দলীয় কার্যালয় খোলাও হয়। পাশেই পথসভা করছিল তৃণমূল। অভিযোগ, সেই সময় আচমকা তৃণমূলের কার্যালয় এবং পথসভায় পর পর দুটি বোমা মারা হয়। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি এই বোমাবাজির ঘটনায় জড়িত। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, বিজেপির লাগামহীন সন্ত্রাসের কারণে স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সহ এলাকার মানুষ নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন। তৃণমূলের দুটি দলীয় কার্যালয় বন্ধ রয়েছে। ব্লক সভাপতিকে তির মারা হয়েছে। পুলিশের কাছ থেকে যে সহযোগিতা পাওয়ার কথা, তা পাও যাচ্ছে না। অন্যদিকে, মন্ত্রী উদয়ন গুহ বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে শান্ত ভেটাগুড়িকে অশান্ত করছেন। এই অভিযোগে মিছিল বের করেন ভেটাগুড়ির বিজেপি মহিলা সমর্থকেরা। মিছিল থেকে মন্ত্রীকে ঝাঁটাপেটা করার স্লোগান ওঠে। দিনভর দলীয় কার্যালয় খুলে তৃণমূল নিজেদের হারানো মাটি ফিরে পেয়েছে বলে দলীয় কর্মীদের বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু, কিছুক্ষণ পরই লালবাজার এলাকায় তৃণমূলের ধস নামে। অঞ্চল তৃণমূলের সহ সভাপতি বিনোদ বর্মন বিজেপিতে যোগদান করেন।

    বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে কী বললেন বিনোদ বর্মন?

    বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতা বিনোদ বর্মন বলেন, তৃণমূল দলটা কোন্দলে ভরে গিয়েছে। পদে থেকে আমি কোনও কাজ করতে পারছিলাম না। তাই, আমি দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলাম। দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করব।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক বলেন, এদিন বিনোদবাবুর নেতৃত্বে বহু কর্মী তৃণমূল ছেড়ে আমাদের দলে যোগদান করলেন। দলের সংগঠন আমাদের আরও মজবুত হল। যতদিন যাবে তৃণমূলের জমি তত আলগা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sunlight: দিনেও অন্ধকারাচ্ছন্ন গোটা গ্রাম! কীভাবে প্রবেশ করানো হল সূর্যের আলো?

    Sunlight: দিনেও অন্ধকারাচ্ছন্ন গোটা গ্রাম! কীভাবে প্রবেশ করানো হল সূর্যের আলো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানুষের কারিগরি প্রতিভা ও চিন্তাধারা কতটা উন্নতমানের হতে পারে, তা ইতালির ভিগানেলা গ্রামের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। পৃথিবীর মানচিত্রে এই গ্রামের নাম খুঁজে না পাওয়া গেলেও এর এক বিশেষত্ব বর্তমানে ইন্টারনেট জগতে খুবই চর্চিত হয়েছে। ইতালিতে অবস্থিত মিলান থেকে প্রায় ১৩০ কিমি উত্তরে গভীর উপত্যকায় অবস্থিত এই ভিগানেলা গ্রাম। এই গ্রামের নিকটবর্তী পাহাড়গুলি প্রায় ১৬০০ মিটার উঁচু হওয়ার কারণে গ্রামে ৬ মাস পর্যন্ত সূর্যালোকের (Sunlight) দেখা মেলে না। ফলে নানান রোগের প্রাদুর্ভাব সেখানে দেখা দিতে থাকে। প্রত্যেক বছরের ১১ ই নভেম্বর থেকে সূর্যালোক প্রায় অদৃশ্য হয়ে যায় বললেই চলে। ফলে গোটা গ্রাম সব সময় অন্ধকার হয়ে থাকে। এই গ্রামটিকে তাই সাইবেরিয়ার সঙ্গে অনেকে তুলনা করে থাকেন। দিনের বেলাতেও অন্ধকার হয়ে থাকে গোটা গ্রাম। এর ফলে যে শুধু রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ে তা নয়, চাষ-আবাদের ক্ষেত্রেও বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হয় গ্রামবাসীরা। বিভিন্ন ধরনের বিকল্প পদ্ধতির মাধ্যমে সূর্যালোক প্রবেশ করানোর কথা ভাবলেও প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সেই উদ্যোগ বিফলে যায়। পরবর্তীতে এমন এক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যাতে গোটা গ্রামে বর্তমানে দিনের বেলার অন্ধকার সময়েও সূর্যালোক প্রবেশ করানো সম্ভব হয়েছে।

    কী এমন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে সেখানে? (Sunlight)

    ২০০৬ সালে এই সমস্যার সমাধান করে গ্রামবাসীরা গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। এক কথায় বলতে গেলে গ্রামবাসীরা তাদের নিজস্ব সূর্য (Sunlight) তৈরি করে ফেলেছিল। আর এই ধারণাটি হল, সূর্যের আলোকে প্রতিবিম্বের মাধ্যমে গ্রামের মধ্যে ফেলা। আর এটি সফল করার জন্য একটি কম্পিউটার পরিচালিত আলোকে প্রতিবিম্বিত করে একটি আয়না স্থাপন করা হয় পাহাড়ের চূড়াতে। ২০০৬ সালে এটিকে বাস্তবায়িত করা হয়।

    কীভাবে আয়নাটি স্থাপন করা হয়? (Sunlight)

    ২০০৫ সালে ১০ লাখ ইউরো ব্যয় করে আয়নাটি তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন ভিগানেলারের মেয়র পিয়েরফ্র্যাঙ্কো মিডালি। আর ২০০৬ সালে এটি সম্পূর্ণ হয়। আয়নাটি ৪০ বর্গমিটার ও যার ওজন ১.১ টন। সূর্যের আলোকে সঠিকভাবে প্রতিবিম্বিত করে গ্রামে প্রবেশ করানোর জন্য সেটিকে পাহাড়ের ১১০০ মিটার উচ্চতায় স্থাপন করা হয়। আর আয়নাটি সম্পূর্ণরূপে কম্পিউটার পরিচালিত হওয়ায় এটি সূর্যের গতিপথ অনুসরণ করে সেই মতো সূর্যালোককে (Sunlight) প্রতিফলিত করে গ্রামের উপর ফেলে। প্রতিটি আয়না হিলিওস্ট্যাটস, কম্পিউটার চালিত মোটর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তারা দিগন্ত জুড়ে সূর্যের গতিপথ ট্র্যাক করে। এই আয়নাটি দিনে অন্তত ছয় ঘণ্টা গ্রামের আড়াইশো বর্গমিটার অঞ্চল আলোকিত করে। গ্রামে রোগের প্রাদুর্ভাব কমতে থাকে এবং চাষ-আবাদের ক্ষেত্রেও বিশেষ পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। মানসিক ও শারীরিক দিক থেকেও অনেক পরিবর্তন আসতে থাকে।

    গ্রামে উদযাপিত হয় আলোর দিন (Sunlight)

    ২০০৬ সালের ১৭ ডিসেম্বর ভিগানেলায় এই বিশাল আকারের আয়নাটির প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং এই দিনটিকে তারা “আলোর দিন” হিসাবে উদযাপন শুরু করে।  প্রাচীন মধ্যযুগীয় গ্রাম ভিগানেলা নিজস্ব সূর্যের দেশ হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। নিজস্ব তৈরি সূর্যের (Sunlight) কারণে এই গ্রাম এখন অনেক ভ্রমণ পিপাসুদের আকর্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

    Arabul Islam: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় তাঁর দাপটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় এলাকায় কারও কথা বলার সাহস ছিল না। তৃণমূলের সেই দাপুটে নেতা আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam) এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পুলিশ-প্রশাসন ও জেলার দলীয় নেতৃত্বকে এ বিষয়ে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। এবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তার আবেদনও করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    কেন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন আরাবুল? (Arabul Islam)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে আরাবুলের (Arabul Islam) দাপট কমছে। এর আগে পঞ্চায়েতে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিল। দুদিন আগে ফের নিজের খাসতালুকে বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৮ ডিসেম্বর ভাঙড়-২ নম্বর ব্লকে একটি সভা ছিল। সেখানে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে বক্তব্য রাখতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যার নেতৃত্বে ছিলেন তৃণমূল নেতা আরাবুল। তার জেরে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। দীর্ঘক্ষণ বিডিও অফিসে আটকে রাখা হয়। এই ঘটনা ভাঙড়ে প্রথম নয়। পঞ্চায়েতে ভোটপর্বেও বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন আরাবুল। ফলে, নিজের খাসতালুকে জমি হারাতে শুরু করেছেন আরাবুল। তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। এবার আইএসএফের কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পরার পর  থেকেই নিরাপত্তাহীনতা ভুগতে শুরু করেছেন তিনি।

    কী বললেন আরাবুল?

    আরাবুল বলেন, আমরা বারবার প্রশাসনকে জানাচ্ছি। প্রশাসন কতটা নিরাপত্তা আমাদের দিতে পারে সেটা প্রশাসন জানে। সেটা নিয়ে আর কিছু বলব না। আমি রাজ্য নেতৃত্ব থেকে শুরু করে আমাদের জেলা নেতৃত্বকে বারবার বলেছি। আমাদের যে কোনও সময় প্রাণহানির আশঙ্কা আছে। আচমকা আমার তিনজন সিকিউরিটিকে তুলে নেওয়া হল। কোনও কারণ নেই। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন, আমাদের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখুন।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বলেছেন?

    এই প্রসঙ্গে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজমুদার বলেন, আরাবুলের (Arabul Islam) ভয়ে এলাকায় মানুষ কথা বলতে পারতেন না। তিনি এখন ভয় পাচ্ছেন। এটা ভাবতেও অবাক লাগছে। তৃণমূলের জমি যে আলগা হচ্ছে এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share