Tag: Madhyom

Madhyom

  • Jyotipriya Mallick: পার্থর যেমন ছিলেন অর্পিতা, বালুরও তেমন ছিলেন নন্দিনী! হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন স্বামীই

    Jyotipriya Mallick: পার্থর যেমন ছিলেন অর্পিতা, বালুরও তেমন ছিলেন নন্দিনী! হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন স্বামীই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অর্পিতার সম্পর্কের কথা আজ আর কারও অজানা নয়। অনেকেই আড়ালে বলাবলি করছেন, তৃণমূলের প্রতিটি ‘সফল’ ব্যক্তির পিছনেই নাকি একজন ‘নারীর’ অবদান থাকে। আর তৃণমূল নেতাদের উত্থানের সঙ্গে এমন ‘নারী’দের জড়িয়ে থাকার ঘটনার খবরও তো আকছা্র হচ্ছে। তাহলে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) মাথায় কার স্নেহমাখা হাত? এমন একটা গুঞ্জন গত কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। এবার সেই রহস্যেরও কিনারা হল। হ্যাঁ, জানা গেল, জ্যোতিপ্রিয় তথা বালুরও বান্ধবী ছিলেন, যিনি কিনা তাঁর সঙ্গে দার্জিলিং পর্যন্ত ঘুরে এসেছেন। আবার এই তথ্য যে কারও দেওয়া, এমনটা নয়, হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন ওই মহিলারই স্বামীই।

    কী তথ্য সামনে এল? (Jyotipriya Mallick)

    বিধাননগর পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নন্দিনী বন্দ্যোপাধ্যায়ই এখানে মূখ্য চরিত্র। তাঁর স্বামী হলেন জয়ব্রত। এক ভিডিওতে তিনি দাবি করেছেন, ২০১৭ সাল থেকেই তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়র অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল। তাঁর একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। কিন্তু তাঁকে ফেলেই স্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) সঙ্গে চলে গিয়েছিলেন দার্জিলিং ঘুরতে। এমনকী সেই সম্পর্কের জেরেই তিনি বিধাননগর পুরসভার টিকিট পেয়ে কাউন্সিলর পর্যন্ত হয়ে যান। এখানেই থেমে থাকেননি। ‘বালুদা’র জন্য বাড়ির তৈরি খাবার নিয়ে যাওয়া, মুড়ি মেখে নিয়ে যাওয়া এসব তো চলতই। এভাবেই ধীরে ধীরে বালুর প্রিয়জন হয়ে উঠেছিলেন তিনি। পুরস্কার হিসেবে মেলে ফ্ল্যাটও। এরপরই তাঁর আসল চেহারা বেরিয়ে পড়ে। তিনি তাঁর স্বামীর সঙ্গে ক্রমশ দূরত্ব বাড়াতে থাকেন। স্বামীকে তাঁর ফ্ল্যাটে আসতেও বারণ করেন। স্বামীর অভিযোগ, গত সেপ্টেম্বরে স্ত্রীর নতুন ফ্ল্যাটে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকী স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের করেন। ভিডিও বার্তায় তাঁর দাবি, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুরও আবেদন জানিয়েছেন।

    কী বললেন অভিযুক্ত কাউন্সিলার?

    ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই চারদিকে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বাধ্য হয়ে মুখ খুলেছেন কাউন্সিলার নন্দিনী। তিনি সংবাদ মাধ্যমে বলেন, তাঁর স্বামী যা যা বলেছেন সবটাই মিথ্যা। তাছাড়া বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। এভাবে আমাকে উনি অসম্মান করেছেন। এর বিরুদ্ধেও আমি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। তিনি আরও বলেছেন, তিনি এবং জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) একসঙ্গে জেলায় রাজনীতি করেছেন। তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক এইটুকুই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bayron Biswas: আয়কর কর্তাদের জেরার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বাইরন! বাড়ি থেকে উদ্ধার ৭২ লক্ষ

    Bayron Biswas: আয়কর কর্তাদের জেরার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বাইরন! বাড়ি থেকে উদ্ধার ৭২ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের বাড়িতে দিনভর চলে আয়কর দফতরের আধিকারিকদের তল্লাশি। বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসকে (Bayron Biswas) জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। আর জেরার মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। প্রথমে বাড়িতে চিকিৎসক এনে চিকিৎসা করা হয়। পরে, অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যার পর সাগরদিঘির বিধায়ককে নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিক হারে কমে যাওয়ার কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিধায়ক।

    বাড়ি থেকে উদ্ধার ৭২ লক্ষ টাকা (Bayron Biswas)

    বুধবার সকাল ৬টা নাগাদ বাইরনের সামশেরগঞ্জের বাড়িতে যান আয়কর আধিকারিকেরা। তখন থেকে বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলছে। রাতের দিকেও বাইরনের (Bayron Biswas) বাড়িতে আয়কর কর্তারা তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যান। রাতের দিকে বিধায়কের বাড়িতে টোটোতে বালিশ, কম্বল নিয়ে আসা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আয়কর কর্তাদের জন্যই আনা হয়েছে এগুলি। কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর, বাইরনের বাড়ি থেকে এখনও পর্যন্ত নগদ ৭২ লক্ষ টাকার হদিশ মিলেছে। বাড়ি ছাড়াও আয়কর আধিকারিকদের কয়েক জন বিধায়কের বিড়ি কারখানা, স্কুল ও হাসপাতালে গিয়ে তল্লাশি চালান। বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলাকালীন বিধায়কের পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।  

    আয়কর হানা নিয়ে মুখ খুললেন বিধায়কের বাবা

    আয়কর হানার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিধায়ক অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু, আয়কর আধিকারিকদের অভিযান নিয়ে মুখ খুললেন বিধায়কের (Bayron Biswas) বাবা বাবর বিশ্বাস। তিনি বলেন, আয়কর আধিকারিকদের কেউ কেউ আমাকে নিজের বাবার মতো মনে করে সম্মান দিয়েছেন। আমার খুব ভালো লেগেছে। আমাদের পারিবারিক ব্যবসা নিয়ে অনেক কথা বলেছেন তাঁরা। এলাকার গরিব মানুষের উন্নতিসাধনে আমাদের যা অবদান, তার প্রশংসাও করেছেন তাঁরা। আমাকে খুব ভালো লোক, খুব দয়ালু লোক বলেছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। আমাদের স্কুলে অনেক গরিব ছেলে ফ্রি- তে পড়াশোনা করে। গরিব মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাঁর প্রশংসা করেছেন আয়কর কর্তারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: জেলে বসেই পাক সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ইমরান! ঘোষণা দলের

    Imran Khan: জেলে বসেই পাক সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ইমরান! ঘোষণা দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দরজায় কড়া নাড়ছে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে সব রাজনৈতিক দলই।  জানা গিয়েছে, আজিআলা জেল থেকেই পাকিস্তানের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। পাকিস্তান ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়কের পার্টি তেহরিক-ই-ইনসাফের তরফ থেকে বুধবারই একথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

    ৩টি কেন্দ্র থেকে নির্বাচন লড়বেন ইমরান

    সে দেশের বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণ নির্বাচনে লাহোর, ইসলামাবাদ এবং মিঁয়াওয়ালি এই তিনটি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ইমরান খান (Imran Khan)। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ইমরান খানের বিরুদ্ধে ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’ বা রাষ্ট্রীয় স্তরে যে তথ্য গোপন রাখা দরকার তা ফাঁস করার অভিযোগেই মামলা চলছে। এছাড়া পাকিস্তানের তোশাখানা মামলাতেও তিনি অভিযুক্ত। পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিসেম্বরের গোড়াতেই ‘তেহরিক-ই-ইনসাফ’-এর নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয় ইমরান খানের (Imran Khan) ঘনিষ্ঠ নেতা গৌহর আলি খানকে। সংগঠনের মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয় ওমর আয়ুব খানকে।

    আরও পড়ুন: সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পেলেন দুই বঙ্গ-সন্তান স্বপ্নময় চক্রবর্তী, টুরিয়াচাঁদ বাস্কে

    কী বলছেন ইমরানের আইনজীবী?

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালে তেহরিক-ই-ইনসাফ গঠন করা হয়। এই দল গঠিত হওয়ার পর থেকেই টানা এতদিন পর্যন্ত চেয়ারম্যান ছিলেন ইমরান খান। এই প্রথমবার জেলবন্দি থাকার কারণে ইমরানের পরিবর্তে সে দলের চেয়ারম্যান অন্য কাউকে করা হল। ইমরানের (Imran Khan) আইনজীবী সংবাদমাধ্যমকে বুধবার বলেন, ‘‘তোশাখানা মামলার রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ইমরানের আবেদনের ওপর ইসলামাবাদ হাইকোর্ট দ্রুত রায় ঘোষণা করবেন বলে আমরা আশা করছি। রায় ইমরানের পক্ষে গেলে ভোটে লড়তে কোনও বাধা থাকবে না।’’ পিটিআই-এর নতুন চেয়ারম্যান গৌহর বলেন, ‘‘সর্বশক্তিমান আল্লাহ চাইলে আমাদের খানসাহেব অবশ্যই এই ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।’’ 

    আরও পড়ুুন: গ্যাসেও কাটমানি! আধার সংযোগ করতে মন্ত্রীর স্ত্রী নিচ্ছেন ২০০ টাকা! বাড়ির সামনে বিক্ষোভ

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sahitya Akademi Awards: সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পেলেন দুই বঙ্গ-সন্তান স্বপ্নময় চক্রবর্তী, টুরিয়াচাঁদ বাস্কে

    Sahitya Akademi Awards: সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পেলেন দুই বঙ্গ-সন্তান স্বপ্নময় চক্রবর্তী, টুরিয়াচাঁদ বাস্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ সালের সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার (Sahitya Akademi Awards) পেলেন দুই বঙ্গ-সন্তান। একদিকে তাঁর ‘জলের উপর পানি’ উপন্যাসের জন্য এই পুরস্কার জিতেছেন সাহিত্যিক স্বপ্নময় চক্রবর্তী। অন্যদিকে, ‘জবা বাহা’ গল্প সঙ্কলনের জন্য এ রাজ্যের সাঁওতালি ভাষার সাহিত্যিক টুরিয়াচাঁদ বাস্কে জিতে নিয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।

    কলোনি জীবনের কাহিনি বলে ‘জলের উপর পানি’

    ‘চতুষ্পাঠী’- উপন্যাসের পরবর্তী অধ্যায় ‘জলের উপর পানি’। প্রকাশের পর থেকেই পাঠকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল এই উপন্যাস। পরবর্তীতে তা বই আকারে প্রকাশিত হয়। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বাঙালি সাহিত্যিক বলেন, ‘‘প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারিনি। এটা যে সত্যি হতে পারে ভাবা ছিল না। খবরটা সাহিত্য অকাদেমি থেকে নয়, এক বন্ধু প্রথম জানায়। তারপর সাহিত্য অকাদেমি ফোনে খবরটি নিশ্চিত করে।’’ সাহিত্যিক আরও বলেন, ‘‘এই বইটি আমি খুব খেটেখুটে লিখেছিলাম। দেশভাগ পরবর্তী পর্ব নিয়ে লেখা এই উপন্যাস। এখানে রয়েছে মূলত কলোনি জীবনের কাহিনি। তার মধ্যে সংস্কৃতির সম্বন্বয়ও রয়েছে। এর জন্য পুরস্কার পেয়ে খুব ভালো লাগছে।’’ এর আগে, আনন্দ ও বঙ্কিম পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। এবার পেলেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার (Sahitya Akademi Awards)। 

    ইংরেজির শিক্ষকের সাহিত্য-জয়

    স্বপ্নময় একা নন। এবছর সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার জিতে নিয়েছেন আরও এক বঙ্গ সন্তান। তিনি হলদিয়ার বাবুপুর এগ্রিকালচার হাইস্কুলের ইংরেজির শিক্ষক টুরিয়াচাঁদ বাস্কে। আদতে ঝাড়গ্রামের লালগড়ের পানপুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা টুরিয়াচাঁদ। ‘জবা বাহা’ গল্প সঙ্কলনের জন্য এ রাজ্যের সাঁওতালি ভাষার সাহিত্যিক টুরিয়াচাঁদ জিতে নিয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার। তারাসিন বাস্কে ছদ্মনামে বই লেখেন তিনি। 

    পুরস্কার (Sahitya Akademi Awards) জিতে স্বভাবতই খুশি টুরিয়াচাঁদ। বলেন, ‘‘স্কুলে শিক্ষকতা করার পাশাপাশি সাহিত্য নিয়ে চর্চা করি। সাঁওতালি ভাষায় বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ পেয়েছে। এই ধরনের পুরস্কার আমাকে আগামী দিনগুলিতে আরও বেশি করে লেখার জন্য উদ্যমী করে তুলবে।’’ প্রসঙ্গত,  এবছরই ‘শিক্ষারত্ন’ পেয়েছেন টুরিয়াচাঁদ। এর আগে, তিনি ২০১৫ সালে সাঁওতালি অ্যাকাডেমি প্রদত্ত সারদাপ্রসাদ কিস্কু পুরস্কার, ২০১৯ সালে সাধুরাম চাঁদ স্মৃতি পুরস্কারও পান।

    ঘোষিত ২০২৩ সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার

    বুধবারই, কেন্দ্রের তরফে ঘোষিত হয়েছে এবছরের সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার প্রাপকদের নাম। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো এই ঘোষণা করেছে। ২৪টি ভাষায় সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার প্রাপকদের নাম ঘোষণা করা হয়। কবিতা, উপন্যাস, ছোট গল্প, প্রবন্ধ এবং সাহিত্য অধ্যয়ন— এই কটি বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ৯টি কবিতার বই, ৬টি উপন্যাস, ৫টি ছোট গল্প, ৩টি প্রবন্ধ এবং ১টি ক্ষেত্রে সাহিত্যকর্মের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

    বিশেষ নির্বাচকমণ্ডলী এই পুরস্কার প্রাপকদের বেছে নিয়েছেন। তাতে সিলমোহর দিয়েছে সাহিত্য অকাদেমি এক্সিকিউটিভ বোর্ড। সেই বোর্ডে রয়েছেন সাহিত্যিক শ্রীমতী বাণী বসু, শ্রীনলিনী বেরা এবং শ্রীশিবাশিস মুখোপাধ্যায়। এখন সাহিত্য একাদেমির সভাপতি শ্রী মাধব কৌশিক। জুরি সদস্যদের সুপারিশে এই অনুমোদন দিয়েছে সাহিত্য অকাদেমির (Sahitya Akademi Awards) কার্যনির্বাহী পর্ষদ। পুরস্কারের মধ্যে রয়েছে তামার একটি মানপত্র, একটি শাল এবং নগদ ১ লক্ষ টাকা। আগামী ১২ মার্চ দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: সিবিআইকে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মনে করাল হাইকোর্ট, নিয়োগ-তদন্ত শেষ কবে?

    Calcutta High Court: সিবিআইকে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মনে করাল হাইকোর্ট, নিয়োগ-তদন্ত শেষ কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদীর বেঞ্চ সিবিআইকে নিয়োগ দুর্নীতির যাবতীয় তদন্ত দু’মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই মোতাবেক দু’মাস শেষ হতে আর বাকি রয়েছে কয়েকটা দিন মাত্র। বুধবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে সেই কথা ফের একবার মনে করিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক আগামী বছরের ৯ জানুয়ারির মধ্যে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা তদন্তকারী সংস্থার।

    ২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে সিবিআইকে 

    বুধবার হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ সব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে ৯ জানুয়ারির মধ্যেই তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে হাইকোর্টে অর্থাৎ আর ২০ দিনের মধ্যে সিবিআইকে তদন্ত শেষ করতে হবে। নভেম্বরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দেওয়া এই নির্দেশের সময় কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে যাবতীয় মামলা নিষ্পত্তি করারও সময় বেঁধে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। এবং সে ক্ষেত্রে শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয় যে চূড়ান্ত রিপোর্ট কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জমা দেওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। প্রসঙ্গত, হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ মেনেই বুধবার নিয়োগ সংক্রান্ত রিপোর্ট মুখ বন্ধ খামে আদালতে পেশ করে স্কুল সার্ভিস কমিশন। বুধবার এই রিপোর্ট পাওয়ার পরে  হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ জানায়, চাকরিহারাদের কেউ চাইলে এই মামলায় যুক্ত হতে পারেন।

    মামলার পরবর্তী শুনানি ১৫ জানুয়ারি 

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতির মামলার শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তৈরি হয়েছে বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ। সেখানেই চলছে যাবতীয় মামলার শুনানি। চলতি সপ্তাহের সোমবার স্কুল সার্ভিস কমিশনকে ভর্ৎসনা করে ডিভিশন বেঞ্চ। স্কুল সার্ভিস কমিশনের আইনজীবীকেও হাইকোর্ট জানায়, কিছু লুকোতে চাইছে এসএসসি। সোমবার তৃতীয় রিপোর্ট জমা দেয় এসএসসি, তাতে সন্তুষ্ট হয়নি উচ্চ আদালত (Calcutta High Court)। পরবর্তীকালে বুধবার স্কুল সার্ভিস কমিশন ফের রিপোর্ট জমা দিল। জানা গিয়েছে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৫ জানুয়ারি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ২১/১২/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ২১/১২/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।  

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    বৃষ

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন। 

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    মিথুন

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন। 

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে। 

    সিংহ

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভাল সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সম্পত্তির ভাগ পেতে পারেন।

    কন্যা

    ১) কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য আপনাকে বিপদে পড়তে হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ।

    তুলা

    ১) কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম লাভ ও প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ধনু

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে। 

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    মকর

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    কুম্ভ

    ১) বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা আছে।

    ২) কর্মস্থলে নিজের মতামত প্রকাশ না করাই ভাল হবে।

    মীন

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Birbhum: বালি তোলার সরকারি চালান নকল করে বিক্রি! লক্ষ লক্ষ টাকা আয়, তারপর কী হল জানেন?

    Birbhum: বালি তোলার সরকারি চালান নকল করে বিক্রি! লক্ষ লক্ষ টাকা আয়, তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম (Birbhum) জেলার বৈধ বালিঘাট মালিকদের অনলাইনে চালান কেটে তা ছাপিয়ে রাখতে হয়। বিক্রির সময়ে সেই চালান ট্রাক চালকদের হাতে দিয়ে দিলেই বালি নেওয়ার ছাড়পত্র মেলে। গড়ে প্রতিটি ট্রাক চালককে তিন হাজার টাকার রাজস্ব আদায়ের চালান নিতে হয়। সরকারি সেই চালান নকল ছাপিয়ে তা কম দামে বিক্রি করা হত। আর এই নকল চালানের চাহিদা ছিল তুঙ্গে। রাতারাতি মালামাল হয়ে যায় নকল চালান তৈরির মালিক। লক্ষ লক্ষ টাকা আয়ও করেছে বেআইনি এই কারবার ফেঁদে। বছর দেড়েক ধরে এই কারবার চালানোর পর অবশেষে পুলিশ তদন্তে নামে। নকল কারবারির হদিশ পায় পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে ময়ূরেশ্বর থানার কলেশ্বরে হানা দিয়ে একটি ছাপাখানা ও তার মালিককে গ্রেফতারও করা হয়।

    কীভাবে চলত এই চক্র? (Birbhum)  

    বীরভূমের (Birbhum) ময়ূরেশ্বর থানার কলেশ্বরের কুনুটিয়া গ্রামের মোড়ে রয়েছে একটি সাইনবোর্ড। সেখানে লেখা রয়েছে, বই বাঁধানো হয়। এই বই বাঁধানোর ছাপাখানার আড়ালেই চলত নকল চালানের কারবার। দিনে রাতে লাখ লাখ টাকার লেনদেন চলত। আর নকল চালানের কারণে জেলাজুড়ে রাজস্ব আদায় কমে যাচ্ছিল। তিন হাজার টাকার চালান পাঁচশো টাকায় বিক্রি করত বলে অভিযোগ। রাস্তার পাশের দোকানে হাত গলিয়ে ‘বালি’ বললেই হুবহু আসল চালানের মতো ছাপ দেওয়া কাগজ মিলছিল এতদিন। ট্রাকচালকরা ওই নকল চালান ব্যবহার করছিলেন বলেই খবর। দিব্যি কারবার চালাচ্ছিলেন কুনুটিয়া গ্রামের আলতামাস কবির মল্লিক। অভিযোগ, গোটা পরিবারই এই কাজে যুক্ত। তদন্তে নেমে পুলিশ এই নকল কারবারির হদিশ পায়।

    ধৃতের কাছে থেকে কী কী বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ?

    মঙ্গলবার গভীর রাতে অতিরিক্ত জেলাশাসক অসীম পাল, ময়ূরেশ্বর থানার ওসি-সহ যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। বেআইনি কারবারে অভিযুক্ত আলতামাসের বাড়ি থেকে দামি মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ছাপার যন্ত্র-সহ একধিক জিনিস বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। বীরভূম (Birbhum) জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, এর সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত আছে  কিনা তারও তদন্ত করবে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: পাচারে যুক্ত পুলিশ! ব্রাউন সুগার সহ গ্রেফতার ক্রাইম ব্রাঞ্চের কর্মী

    Cooch Behar: পাচারে যুক্ত পুলিশ! ব্রাউন সুগার সহ গ্রেফতার ক্রাইম ব্রাঞ্চের কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের হাতেই পুলিশকর্মী গ্রেফতারের ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ব্রাউন সুগার সহ দু’জনকে গ্রেফতার করল কোচবিহারের (Cooch Behar) কোতোয়ালি থানার পুলিশ। যার মধ্যে একজন পুলিশ কনস্টেবল রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত কনস্টেবলের নাম শেখ আজিজুল। অন্য জনের নাম শেখ শাহবাজ। দু’জনের বাড়ি মালদহের রতুয়ার বাহারাল-সাহাপুরে। শাহবাজ সম্পর্কে আজিজুলের শ্যালক। পুলিশের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে একশো গ্রামের বেশি ব্রাউন সুগার উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য দেড় লক্ষ টাকার মতো।

    পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ ছিল? (Cooch Behar)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শেখ আজিজুল বছর তিরিশের যুবক। বছর চারেক আগে পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি পান তিনি। এক বছর আগে, কোচবিহার ক্রাইম ব্রাঞ্চের সদস্য করা হয় তাঁকে। অভিযোগ, তারপর থেকেই একাধিক অভিযান ব্যর্থ হতে শুরু করে ক্রাইম ব্রাঞ্চের। তার মধ্যে সবগুলিই ‘ব্রাউন সুগার’ সম্পর্কিত ঘটনা। বেশ কয়েকটি ঘটনায় নির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়ে অভিযান শুরু করা হয়। ওই অভিযানের প্রত্যেকটিতে শামিল ছিলেন আজিজুল। কিন্তু নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানোর আগেই দেখা যায়, দুষ্কৃতীরা পালিয়ে গিয়েছে। তাদের মোবাইলও বন্ধ। এক পুলিশ অফিসার বলেন, অনেক ক্ষেত্রে আমরা গ্রাহক সেজে অভিযান করি। কিন্তু দেখা যায়, আগে থেকেই সব জেনে যাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। তখনই আমাদের সন্দেহ দানা বাঁধে, পুলিশকর্মীদের মধ্যে থেকেই পাচার করে দেওয়া হচ্ছে অভিযানের তথ্য। তদন্তে নেমে আজিজুলকে সন্দেহ করা হয়। তাঁর মোবাইলে ফাঁদ পাততেই উঠে আসে একের পরে এক তথ্য। জানা গিয়েছে, আশ্রমঘাটে ফাঁদ পাতে কোচবিহারের (Cooch Behar) কোতোয়ালি থানার পুলিশ। ব্রাউন সুগার-সহ গ্রেফতার করা হয় দু’জনকে। রতুয়ায় বেশ অবস্থাপন্ন আজিজুলের পরিবার। বেশ কিছু জমিজমাও রয়েছে তাঁদের। কিন্তু আজিজুল ব্রাউন সুগারের কারবারের সঙ্গে জড়িত তা বিশ্বাস করতে পারছেন না গ্রামবাসীরা।

    জেলা পুলিশ সুপার কী বললেন?

    কোচবিহারের (Cooch Behar) পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য জানান, ধৃতদের তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তাতে আরও নতুন তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IAF Pilot: মোদির ভারতে এও এক অভিমন্যুর গল্প, শুনবেন?

    IAF Pilot: মোদির ভারতে এও এক অভিমন্যুর গল্প, শুনবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর নাম অভিমন্যু। মহাভারতের চরিত্র। অর্জুন-পুত্র অভিমন্যু। আজ আমরা জানব মহান ভারতের আর এক অভিমন্যুর (IAF Pilot) কথা। যিনি একটা গ্রাম বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন বলি দিয়েছেন। ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের বছর তেত্রিশের এই পাইলটের বাড়ি দেরাদুনে।

    অভিমন্যুর গল্প

    হায়দরাবাদে এয়ারফোর্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমি থেকে উড়িয়েছিলেন জেট বিমান। ওড়ানোর পরে পরেই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয় বিমানে। বিপদ বুঝে বিমানটিকে উড়িয়ে নিয়ে যান একটি ফাঁকা জায়গায়। কারণ পড়শি গ্রামে বিমান ভেঙে পড়লে প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল। সেই কারণেই বিমানটি উড়িয়ে নিয়ে তিনি যান ফাঁকা জায়গায়। সেখানেই গোত্তা খেয়ে পড়ে বিমান। দাউ দাউ করে জ্বলে যায় আস্ত বিমান। পুড়ে খাক হয়ে যায় স্কোয়াড্রন লিডারের শরীর (IAF Pilot)। অভিমন্যু রাইয়ের স্ত্রীও এয়ারফোর্সে কর্মরত। তাঁরও পোস্টিং হায়দরাবাদে। তিনি ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে কর্মরত। নাম অক্ষয়িতা রাই।

    অভিমন্যুর পরিবার মিলিটারিতে

    অভিমন্যুর পুরো পরিবারই জড়িয়ে রয়েছে মিলিটারির পরতে পরতে। তাঁর বাবা ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের গ্রুপ ক্যাপ্টেন ছিলেন। তাঁর শ্বশুর ইন্ডিয়ান নেভির ভাইস অ্যাডমিরাল। অভিমন্যুর বৃহত্তর পরিবারের প্রায় ৪০ জনই মিলিটারির সঙ্গে যুক্ত। কেউ চাকরি করছেন এখনও। কেউ আবার অবসরপ্রাপ্ত। তাঁরাই অভিমন্যুর সহকর্মীদের কাছ থেকে শুনেছেন তাঁর নায়কোচিত কাজের কথা। কীভাবে পড়শি গ্রামের বাসিন্দাদের বাঁচাতে প্রাণের ঝুঁকি নিয়েছিলেন অভিমন্যু। কীভাবে নিরীহ গ্রামবাসীদের বাঁচাতে নিজের জীবন বলি দিয়েছেন এই ভারতের অভিমন্যু। বিমান বাহিনীতে সবে ন’ বছর হয়েছে অভিমন্যুর। তাঁর বাবা অমিতাভ রাই শোনাচ্ছিলেন কীভাবে অভিমন্যু বায়ুসেনায় যোগ দিয়েছিলেন। কীভাবে বিভিন্ন ধরনের একের পর এক বিমান ওড়ানো শিখেছিলেন তাঁর ছেলে।

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন লঙ্গরখানা খুলবেন রসুলপুর, কেন জানেন?

    তিনিই জানান, অভিমন্যু সব মিলিয়ে ছ’ ধরনের বিমান চালাতে পারতেন। এটা সহজ কথা নয়। অমায়িক ব্যবহার ও ভালো ব্যবহারের জন্য সহকর্মী ও জুনিয়রদের কাছেও ভালোবাসার পাত্র ছিলেন অভিমন্যু। অভিমন্যুর মা বলেন, “জীবন বাঁচাতে অভিমন্যু লাফ দিয়ে পালাতে পারত। কিন্তু গ্রামবাসীদের বাঁচাতে তিনি তা করেননি। মহাভারতের অভিমন্যুর মতোই নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা আমার ছেলে করেনি।” তিনি বলেন, “আমার ছেলে জুনিয়রদের বলত, জীবন অনিশ্চিত। তাই যতদিন বাঁচ, ঠিকঠাক করেই বাঁচ (IAF Pilot)।”

    মোদির ভারতে এও এক অভিমন্যুর গল্প!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

      

  • Drinking Water: ৭৫ বছরের বৃদ্ধা, টানা ৫০ বছর দিব্যি বেঁচে আছেন চিনি মেশানো জল খেয়ে!

    Drinking Water: ৭৫ বছরের বৃদ্ধা, টানা ৫০ বছর দিব্যি বেঁচে আছেন চিনি মেশানো জল খেয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জলই জীবন”। প্রাণী জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা হল জল (Drinking Water)। কিন্তু আপনি কি সারা জীবন শুধু জল খেয়েই কাটাতে পারবেন? উত্তর অবশ্যই, না। আর শুধু জল খেয়ে মানুষের বাঁচার মেয়াদই বা কতদিন হতে পারে! কিন্তু যদি এমনটা হয়, শুধুমাত্র জল খেয়েই ৫০ বছর বেঁচে আছেন একজন? এমনটাই ঘটেছে বাস্তবে। জানা গিয়েছে, বুই তি লোই নামক বছর ৭৫ এর ভিয়েতনামের এক মহিলা বিগত ৫০ বছর ধরে শুধুমাত্র জল খেয়েই জীবন যাপন করছেন। আর এই খবর সম্প্রতি নেট দুনিয়াতে ছড়িয়ে পড়তেই উত্তাল গোটা বিশ্ব। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বিগত ৫০ বছর তিনি কোনও খাবারই মুখে দেননি। কিন্তু কোনও খাবার ছাড়া তিনি কীভাবে বেঁচে আছেন, এই প্রশ্ন সবাইকে ভাবাচ্ছে। কারণ, তাঁর শারীরিক কোনও পরিবর্তন বা রোগজ্বালাও নেই।

    কেন এমন সিদ্ধান্ত তাঁর? (Drinking Water)

    ১৯৬৩ সালে ভিয়েতনামে এক যুদ্ধের সময় স্থানীয় অন্যান্য মহিলা সৈন্যদের সঙ্গে চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য তিনিও পাহাড়ে ওঠেন। কিন্তু এর পরে শুরু হয় বিপত্তি। হঠাৎ বজ্রপাত শুরু হওয়াতে তিনি সেখানেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন ও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অন্যদিকে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ আরও বাড়তে থাকে, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে তাঁদের পাহাড়ের ওপর আটকে থাকতে হয়। পরে জ্ঞান ফিরলেও তিনি এই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা থেকে নিজেকে ভুলিয়ে রাখতে পারেননি। তিনি জানান, সেই মুহূর্তে জ্ঞান ফেরার পর থেকেই কিছু খেতে পারতেন না। তখন এক বন্ধু তাঁকে মিষ্টি পানীয় খাওয়াতে শুরু করেন। এর কিছু দিন পর আস্তে আস্তে তিনি অন্যান্য খাবারও খেতে শুরু করেন। কিন্তু খাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অসুস্থতা আরও বাড়ছিল। এমনকী খাবারের গন্ধ নাকে এলে বমি পর্যন্ত আসছিল বুইয়ের। এরপর ১৯৭০ সাল থেকে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে, তিনি আর খাবার খাবেন না। আর নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তিনি সম্পূর্ণ পানীয়ের ওপর নির্ভরশীল হন। চিনি যুক্ত পানীয় (Drinking Water) তিনি খেতে শুরু করেন। যার ফলে এর থেকেই তাঁর শরীরে শক্তি উৎপন্ন হয়।

    ঘর ভর্তি শুধু পানীয়ের বোতল (Drinking Water)

    বুইয়ের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, তাঁর বাড়ির বিভিন্ন প্রান্তে এবং রান্নাঘরে নানা রকম পানীয়ের (Drinking Water) বোতল। এমনকী ফ্রিজের ভিতর পানীয় বোতল ছাড়া আর কিছু থাকে না। বর্তমানে বুইয়ের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার সূত্রে বাইরে থাকেন। বাড়িতে তিনি একাই থাকেন। তাই রান্না করারও কোনও প্রয়োজন পড়ে না বলেই তিনি জানান। তাই গোটা ঘর ভর্তি পানীয়ের বোতলই তাঁর বেঁচে থাকার একমাত্র রসদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share