Tag: Madhyom

Madhyom

  • Navaratri 2023: মহাচতুর্থীর মাহাত্ম্য কী? জানুন দেবী কুষ্মাণ্ডার পৌরাণিক আখ্যান

    Navaratri 2023: মহাচতুর্থীর মাহাত্ম্য কী? জানুন দেবী কুষ্মাণ্ডার পৌরাণিক আখ্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরাণে কথিত আছে, হাসির দ্বারা তিনি এ জগৎ বা বিশ্বসংসার সৃষ্টি করেছিলেন। প্রকৃতপক্ষে তাঁকেই জগজ্জননী মানেন ভক্তরা। তিনিই সূর্যের তেজ স্বরূপা। তিনিই আসুরিক শক্তির বিনাশক। নবরাত্রির চতুর্থীতে (Navaratri 2023) ভক্তদের দ্বারা পূজিতা হন দেবী কুষ্মাণ্ডা।

    দেবী কুষ্মাণ্ডার পৌরাণিক আখ্যান  

    পুরাণ অনুযায়ী, এ বিশ্ব যখন তৈরি হয়নি, প্রাণের স্পন্দন যখন কোথাও ছিল না, চারদিকে যখন ঘন অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই ছিল ন, তখন এক মহাজাগতিক দৈব আলোকরশ্মি ক্রমশ নারী মূর্তির আকার ধারণ করতে থাকে। দৈব ক্ষমতার অধিকারী, জগতের সৃষ্টিকর্ত্রী এই নারী মাতা কুষ্মাণ্ডা নামে পরিচিত। মহাবিশ্বে প্রাণের উৎস, শক্তির উৎস, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথের সৃষ্টিকর্ত্রী তিনি (Navaratri 2023)‌। তিনি সূর্যের কেন্দ্রে অবস্থান করেন। দিন ও রাত্রি তাঁর জন্যই হয়। জীবনের সমস্ত কর্মকাণ্ডের গতি তাঁর দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয় বলে মনে করেন ভক্তরা।

    কুষ্মাণ্ডা শব্দের অর্থ জানেন?

    সৌরমণ্ডলকে পরিচালিত করেন দেবী কুষ্মাণ্ডা (Navaratri 2023)। তাঁর মুখমণ্ডল সূর্যের মতোই দীপ্তিমান, তেজোদীপ্ত। পণ্ডিতমহলের মতে, ‘কু’ শব্দের অর্থ কুৎসিত এবং ‘উষ্মা’ শব্দের অর্থ ‘তাপ’; ‘কুষ্মা’ শব্দের অর্থ তাই দুঃখ। দেবী জগতের সমস্ত দুঃখ এবং কষ্ট হরণ করে নিজের উদরে ধারণ করেন বলে তাঁর নাম ‘কুষ্মাণ্ডা’ মনে করা হয়। দেবাদিদেব মহাদেব যেমন সমুদ্র মন্থনের সময় সমস্ত বিষ নিজের শরীরে ধারণ করে দেবতাদের রক্ষা করেছিলেন, একই ভাবে মাতা কুষ্মাণ্ডা এ জগতের সকল অশুভ প্রভাব, দুঃখ, কষ্ট, রোগ, যন্ত্রণা, পীড়াকে হরণ করে তাঁর ভক্তদের রক্ষা করেন।

    দেবী কুষ্মাণ্ডার বিবরণ

    ভক্তরা মনে করেন, যখন এ বিশ্বে অসুরদের অত্যাচার বেড়ে গিয়েছিল, তখন আবির্ভূত হয়েছিলেন দেবী কুষ্মাণ্ডা। দেবী সিংহে সওয়ার। তিনি অষ্টভূজা। আটটি হাত সাজানো রয়েছে অস্ত্র তথা অন্যান্য সামগ্রী দ্বারা। চারটি হাতে রয়েছে-চক্র, গদা, তির ও ধনুক। অন্য চারটি হাতে রয়েছে জপমালা, পদ্ম, কলস এবং কমণ্ডলু। দেবীর হাতে অস্ত্র ছাড়াও দুটো পাত্রের উল্লেখ করা হয়েছে। একটিতে থাকে অমৃত ও অপরটিতে থাকে রক্ত। অর্থাৎ দেবী কুষ্মাণ্ডার এক হাতে সৃষ্টি ও অপর হাতে ধ্বংস। দেবীর বাহন সিংহকে ধর্মের প্রতীক বলে মনে করা হয়। ধর্মের স্থাপন (Navaratri 2023) এবং ধর্মকে বহন করে মাতা কুষ্মাণ্ডার সিংহ।

    কীভাবে সন্তুষ্ট হন দেবী কুষ্মাণ্ডা 

    মাতা কুষ্মাণ্ডার সামনে কুমড়ো বলির প্রথা চালু আছে। দেবী কুষ্মাণ্ডার ভক্তরা মায়ের উদ্দেশে যে সব সামগ্রী নিবেদন বা অর্পণ করে থাকেন, সেগুলি হল-সিঁদুর, কাজল, চুড়ি, বিন্দি, পায়ের আংটি, চিরুনি, আয়না, পায়ের পাতা, সুগন্ধি, কানের দুল, নাকের পিন, গলার মালা, লাল চুনরি ইত্যাদি। ভক্তদের বিশ্বাস, মাতা কুষ্মাণ্ডাকে মালপোয়া, দই থেকে তৈরি যে কোনও পদ এবং হালুয়া নৈবেদ্যতে ভক্তিপূর্বক অর্পণ করলে মাতা প্রসন্ন হন। তিনি তাঁর ভক্তদের জীবনকে সুখী, শান্তি, সমৃদ্ধি, যশ, আয়ু দ্বারা পরিপূর্ণ করে তোলেন। ভক্তদের ব্রহ্ম জ্ঞানও তিনিই দান করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: নন্দীবাড়িতে বৃহৎ শঙ্খ বাজানোর পর শঙ্খচিল উড়তে দেখেই শুরু হত পুজো

    Durga Puja 2023: নন্দীবাড়িতে বৃহৎ শঙ্খ বাজানোর পর শঙ্খচিল উড়তে দেখেই শুরু হত পুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগের প্রাচীনতম বনেদি বাড়ির ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপুজোগুলির মধ্যে অন্যতম হল হাটবসন্তপুর গ্রামের নন্দীবাড়ির দুর্গাপুজো। প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগে এই নন্দীরা ছিলেন জমিদার। সেই সময় তাঁদের কোনও এক বংশধর পরিবারের সুখশান্তি কমনায় দালান বানিয়ে শিবদুর্গার আরাধনা (Durga Puja 2023) শুরু করেছিলেন। তখন থেকে একই ভাবে এই পুজো হয়ে আসছে। এই পুজোর বিশেষত্ব হল, এখানে হরপার্বতী অর্থাৎ শিবদুর্গার শান্ত মূর্তি পূজিত হয় এবং প্রাচীনতম বৃহৎ আকারের একটি শঙ্খ ও তামার জালা আছে সেই সময়কার, যা এখনও ব্যবহার করা হয় এই পুজোতে। কথিত আছে, ওই বৃহৎ শঙ্খ বাজানোর পর আকাশে শঙ্খচিল উড়তে দেখেই শুরু হত পুজো। এছাড়াও ওই বড় তামার জালায় নৌকায় করে গঙ্গা থেকে জল আসে পুজোর জন্য। সেই গঙ্গা জল দিয়েই চার দিন ধরে চলে পুজো।

    ভগ্নদশা প্রাচীন দুর্গাদালানের (Durga Puja 2023)

    পরিবারের সদস্যরা জানান, এখন জমিদারি প্রথা না থাকলেও আজও প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই পূজিত হন হরপার্বতী। তবে এখানে কোনও পশু বলি হয় না। এক সময় গোটা গ্রামের মানুষ পুজোর চার দিন নিমন্ত্রিত থাকত নন্দীবড়িতে। তবে তা এখন আর হয় না। পরিবারের সদস্যরা কর্মসূত্রে অনেকেই সারা বছর বাইরে থাকলেও পুজোর সময় সবাই ফিরে আসেন এই বাড়িতে। সকলে মিলে একসাথে পুজোর (Durga Puja 2023) অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা, একে অপরের সাথে দেখা করা, সারা বছর ধরে জমিয়ে রাখা কথা, চার দিন ধরে চলে খুব আনন্দ। দশমীতে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠে বাড়ির আট থেকে ৮০ সকলেই। তবে নন্দীবাড়ির বতর্মান সদস্যরা পুজোয় আধুনিকত্ব বাড়ালেও এবং ভগ্নদশা প্রাচীন দুর্গাদালানের রক্ষণাবেক্ষণের চেষ্টা করলেও বেশিরভাগটাই নষ্ট হয়ে গেছে। চুনসুরকি দেওয়া ইটের দেওয়াল। শালের কড়িকাঠের উপর চুনসুরকির বানানো ছাদে ফাটল ধরেছে অনেক জায়গাতেই। প্রাচীন ঐতিহ্যকে আগামী প্রজন্মের কাছে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন নন্দী পরিবারের সদস্যরা।

    হই হই করে কাটে পুজোর দিনগুলো (Durga Puja 2023)

    নন্দী পরিবারের সব থেকে বয়স্ক সদস্য বর্তমানে প্রশান্ত নন্দী। বয়স প্রায় ৮৬ বছর। তিনি বলেন, আমার ঠাকুরদা, দাদু, বাবা সবাই একই ভাবে পুজো করেছে, তা দেখে এসেছি। তাই আমিও সেই দায়িত্ব পালন করছি। এখন পরিবারের বেশির ভাগ সদস্যই কর্মসূত্রে বাইরে চলে গেছে। কিন্তু পুজোর (Durga Puja 2023) সময়ে সবাই ফিরে আসে। আনন্দে হই হই করে কাটে পুজোর দিনগুলো। তবে আগের মতো এখন আর সেই জৌলুস নেই। গোটা গ্রাম নিমন্ত্রণ করে খাওয়ানো হয় না। পুজোয় আধুনিকত্ব বেড়েছে, কিন্তু কোথাও যেন একটা ভাটা পড়েছে। এই এত বড় দুর্গাদালান রক্ষণাবেক্ষণের চেষ্টা করেও সম্ভব হচ্ছে না, বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ধরেছে। ভেঙে ভেঙে পড়ছে চুনসুরকির ছাদ। আগামী দিনে হয়তো এই দুর্গাদালান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মৃতি হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: পুজোয় সুরুলের সরকার বাড়ি আলোকিত হয়ে ওঠে বিদ্যুৎ নয়, তেলের প্রদীপে!

    Durga Puja 2023: পুজোয় সুরুলের সরকার বাড়ি আলোকিত হয়ে ওঠে বিদ্যুৎ নয়, তেলের প্রদীপে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরের জাঁকজমক থেকে দূরে সরে আমাদের গ্রাম বাংলায় এমন দুর্গাপুজো হয়, যেগুলি গোটা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের নজর কাড়ে। ঠিক সেরকম একটি ঐতিহ্যবাহী পুজো হল সুরুলের রাজবাড়ি তথা সুরুলের সরকার বাড়ির পুজো (Durga Puja 2023)। এই জমিদার বাড়ির প্রত্যেকটি দেওয়ালে আছে ইতিহাসের ছোঁয়া। পুজোর কটা দিন যেন অন্য রূপে সেজে ওঠে সরকার বাড়ি। ষষ্ঠীর দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় পুজো।

    কী এই রাজবাড়ির ইতিহাস?

    সুরুল রাজবাড়ির ইতিহাস জানতে গেলে একটা কথা প্রথমেই বলে রাখা দরকার। তা হল, এই রাজবাড়ির সমস্ত সদস্যর পদবী সরকার। কিন্তু এটি এঁদের আসল পদবী নয়। ইংরেজদের থেকে পাওয়া পদবী। এঁদের আসল পদবী ঘোষ। প্রায় অষ্টাদশ শতকের প্রথম দিকে বর্ধমানের নীলপুর থেকে সুরুলে আসেন ভরতচন্দ্র সরকার। এখানে বাসুদেব ভট্টাচার্যের বাড়িতে তিনি আশ্রয় নেন। সেখানে তাঁদের একটি পুত্রসন্তান হয়, যার নাম কৃষ্ণ হরি। এর পর থেকে সুরুলেই থাকতে শুরু করে সরকার পরিবার। কৃষ্ণ হরির পরবর্তী প্রজন্ম তাঁর ছেলে শ্রীনিবাস ইংরেজদের সাথে ব্যবসার কাজে যুক্ত ছিলেন এবং খুব সুনাম অর্জন করেছিলেন। এতে তাঁর প্রভাব ও প্রতিপত্তি বেড়েছিল। জাহাজের পাল তৈরির কাপড় এবং নীল চাষের ব্যবসার সাথে তিনি যুক্ত ছিলেন। সুরুলের সরকার বাড়ির দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) ভরতচন্দ্রের আমল থেকেই শুরু হয়েছিল।

    জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের সম্পর্ক

    ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, সুরুল রাজ পরিবারের সঙ্গে জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারের খুব ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। রবীন্দ্রনাথ নিয়মিত এই সরকার বাড়িতে আসতেন। একবার মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে কবিগুরু এই রাজবাড়িতে একটি রাতও কাটিয়েছেন। এখনও সুরুল রাজবাড়িতে (Durga Puja 2023) তাঁর স্মৃতি ধরে রাখা হয়েছে। শোনা যায়, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এই রাজ পরিবারের কাছ থেকে শান্তিনিকেতনের বেশ অনেকটা জমি পেয়েছিলেন।

    কীভাবে হয় সরকার বাড়ির দুর্গাপুজো?

    সরকার পরিবারের এক সদস্য জানান, রথের দিন থেকেই প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়ে যায়। প্রতিমাকে ডাকের সাজে সাজিয়ে তোলা হয়। এছাড়াও পুজোর (Durga Puja 2023) কয়েকটি দিন রাজবাড়ির সোনার গহনা দিয়ে মা দুর্গাকে সাজানো হয়। পঞ্চমীর দিন নাটমন্দির থেকে সমস্ত রাজবাড়িতে বেলজিয়াম থেকে আনা রঙিন বাতি আর ঝাড়বাতিতে সাজিয়ে তোলা হয়। আর দেবীর হাতে থাকে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো অস্ত্রশস্ত্র। এখানে আরও একটি বিশেষত্ব হল, পুজোর দিনগুলিতে কোনও ইলেকট্রিক লাইট ব্যবহার না করে গোটা রাজবাড়িকে তেলের প্রদীপে আলোকিত করা হয়। এখানে সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমী–তিন দিনই বলি হয়। সপ্তমীতে চালকুমড়ো, অষ্টমীতে পাঁঠা, আর নবমীতে চালকুমড়ো ও আখ বলি দেওয়া হয়। এখানে দুর্গা প্রতিমা ছাড়াও নারায়ণের পুজো করা হয়। আর নারায়ণ যেহেতু বলি প্রথার বিরুদ্ধে, তাই বলির সময় নারায়ণকে সরিয়ে অন্য মন্দিরে রেখে আসা হয়। অন্য সময়ে তাঁর নিজের স্থানে ফিরিয়ে আনা হয়। গোটা গ্রাম এই পুজোর কয়েকটা দিন এই  রাজবাড়িতে মেতে থাকে। রোজ সন্ধ্যায় মন্দিরের সামনে নাটমন্দিরে যাত্রার আসর বসে। দেশ-বিদেশ থেকে সরকার পরিবারের বর্তমান প্রজন্মরা পুজোর কয়েকটা দিন এখানে আসেন। এভাবেই প্রায় ৩০০ বছরের বেশি দিন ধরে একই ঐতিহ্য বহন করে নিয়ে চলেছে এই সরকার বাড়ি বা সুরুল রাজবাড়ির পুজো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ধর্ষণ করে মুখে অ্যাসিড মেরে মহিলাকে নৃশংসভাবে খুন! চাঞ্চল্য

    Malda: ধর্ষণ করে মুখে অ্যাসিড মেরে মহিলাকে নৃশংসভাবে খুন! চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কুশিদা অঞ্চলের নসরপুর এলাকায় এক মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালেই গ্রামের মাঠে ওই মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। রবিবার দুপুর পর্যন্ত ওই মহিলার নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। তবে, প্রাথমিক তদন্তে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে মুখে অ্যাসিড দিয়ে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কুশিদা অঞ্চলের নসরপুর গ্রামের রাস্তার ধারে এক চাষের জমিতে মৃতদেহটি দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।  মুখে  অ্যাসিড দিয়ে মহিলার মুখ বিকৃত করা হয়েছে। ফলে, পরিচয় এখনও জানা যায় নি। শরীরে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মৃতদেহের আশেপাশে পাওয়া গেছে নিরোধের প্যাকেট। ধারালো অস্ত্র, গ্লাভস। বিহার রাজ্যের সীমান্ত লাগোয়া রয়েছে এই নসরপুর গ্রাম। বিহার থেকে কোনও গ্যাং এসে এসব করেছে কি না তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ওই মহিলার সঙ্গে একাধিক জন ছিল। মশা মারার কয়েল পাওয়া গিয়েছে। ফলে, তারা এই এলাকায় বেশ কিছুক্ষণ ছিল। এখানেই ওই মহিলার উপর শারীরীকভাবে অত্যাচার করে প্রমাণ লোপাট করতে মুখে অ্যাসিড দিয়ে মুখ পুড়িয়ে দিয়েছে।

    স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য কী বললেন?

    স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন,নসরপুর গ্রামের রাস্তার ধারে এক চাষের জমিতে মৃতদেহটি দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে যাই। দেখে মনে হচ্ছে, ওই মহিলাকে গণ ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। তবে, ওই মহিলা এই এলাকার নন। পাশের বিহারের হতে পারেন। সেখান থেকে এসে এসব অপকর্ম করে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে গিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনকে অভিযোগ জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raja Surath: বাংলায় প্রথম দুর্গাপুজো কোন রাজা প্রচলন করেছিলেন জানেন?

    Raja Surath: বাংলায় প্রথম দুর্গাপুজো কোন রাজা প্রচলন করেছিলেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরাণ অনুযায়ী, সমাধি নামক বৈশ্যের সঙ্গে মিলে রাজা সুরথ (Raja Surath) বসন্তকালে ঋষি মেধসের আশ্রমে দেবী দুর্গার আরাধনা করেন। যা পরে বাসন্তী পুজো নামে প্রসিদ্ধ হয়। দেবী দুর্গার প্রথম পূজারি হিসাবে চণ্ডীতে রাজা সুরথের উল্লেখ রয়েছে। পরে রাবণ বধের উদ্দেশ্যে শ্রীরামচন্দ্র অকাল বোধন করেন এবং তখন থেকে দুর্গাপুজো শরৎকালে শুরু হয়।

    রাজা সুরথের কাহিনি

    রাজা সুরথকে (Raja Surath) চিত্রগুপ্তবংশী রাজা (চিত্রগুপ্তের বংশধর) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে দুর্গা সপ্তশতী দেবী মাহাত্ম্য এবং মার্কণ্ডেয় পুরাণে। সুরথ সুশাসক ও যোদ্ধা হিসেবে বেশ খ্যাত ছিলেন। কোনও যুদ্ধে নাকি তিনি কখনও হারেননি। কিন্তু প্রতিবেশী রাজ্য একদিন তাঁকে আক্রমণ করে এবং সুরথ পরাজিত হন। এই সুযোগে তাঁর সভাসদরাও লুটপাট চালায়। কাছের মানুষের এমন আচরণে স্তম্ভিত হয়ে যান সুরথ। বনে ঘুরতে ঘুরতে তিনি মেধাসাশ্রমে পৌঁছোন। ঋষি তাঁকে সেখানেই থাকতে বলেন। কিন্তু রাজা শান্তি পান না। এর মধ্যে একদিন তাঁর সমাধির সঙ্গে দেখা হয়। তিনি জানতে পারেন, সমাধিকেও তাঁর স্ত্রী এবং ছেলে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। তবুও তিনি স্ত্রী-ছেলের ভালোমন্দ এখনও ভেবে চলেছেন।

    বোলপুরেই কি দেবীর পুজো করেছিলেন রাজা সুরথ?

    তাঁরা দুজনেই (সুরথ ও সমাধি) তখন ভাবলেন, যাদের কারণে তাদের সব কিছু হারিয়েছে, তাদের ভালো আজও তাঁরা কামনা করছেন। ঋষিকে একথা বলায়, তিনি বলেন সবই মহামায়ার ইচ্ছা। এরপর ঋষি মহামায়ার কাহিনি বর্ণনা করেন। ঋষির উপদেশেই রাজা কঠিন তপস্যা শুরু করেন। কথিত রয়েছে এরপরেই রাজা সুরথ (Raja Surath) ও সমাধি বৈশ্য নিজেদের হারানো সব কিছু ফিরে পান। পরে মহামায়ার আশীর্বাদ পেতেই বসন্ত কালের শুক্ল পক্ষে রাজা সুরথ দেবীর পুজো শুরু করেন। মার্কণ্ডেয় পুরাণ বা শ্রী শ্রী চণ্ডী পুরাণ মতে বলিপুরের রাজা, যা বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় শান্তিনিকেন বোলপুর, সেখানকার রাজা সুরথ প্রথম দুর্গাপুজো করেন। তিনি মা দুর্গার মহিষাসুরমর্দিনী রূপকে পুজো করে। এই রূপেই দেবী দুর্গা বঙ্গে অধিক পূজিতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mount Kailash: আর দুর্গম পথে হাঁটতে হবে না, এবার সরাসরি  সড়ক পথে গাড়ি পৌঁছাবে কৈলাসে

    Mount Kailash: আর দুর্গম পথে হাঁটতে হবে না, এবার সরাসরি সড়ক পথে গাড়ি পৌঁছাবে কৈলাসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৈলাসে (Mount Kailash) যাওয়ার নতুন রাস্তা চালু হল। দুর্গম পথে আর পায়ে হেঁটে যেতে হবে না পুণ্যার্থীদের। এবার থেকে সরাসরি গাড়ি পৌঁছে যাবে কৈলাস পর্বতে। হিন্দুদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় স্থান হল উত্তরাখণ্ডের আদি কৈলাস মন্দির। পুরাণে রয়েছে কৈলাসে সমাধিস্থ হওয়ার আগে ভগবান শিব এবং মা পার্বতী এখানেই কিছুটা সময় অতিবাহিত করেন। এখানেই মা পার্বতীর মন্দির রয়েছে। পৌরাণিক মতে মা পার্বতী স্নান করেন এই মন্দিরের কুণ্ডে।  

    সরাসরি গাড়ি পৌঁছে যাবে কৈলাসে (Mount Kailash)

    কৈলাস (Mount Kailash) মন্দিরে পুণ্যার্থীদের আগে পায়ে হেঁটে যাত্রা করতে হতো। দিনের পর দিন লেগে যেতো, দুর্গম পথ অতিক্রম করে মন্দির দর্শন করতে। কিন্তু এবার লেপুলেখ পর্যন্ত সড়ক পথ নির্মিত হওয়ার ফলে, এই ধর্মস্থলের যাত্রাপথ অনেক সহজ হয়ে গেছে। উল্লেখ্য লেপুলেখের পাশেই ইন্দো-নেপাল-তিব্বত সীমান্ত। সীমান্তের পাশে থেকে দেখা যায় মাউণ্ট কৈলাস। ধরাচুল থেকে তাওয়াঘাট পর্যন্ত গাড়ি চলাচল করে। এর পরের স্থান থেকে কৈলাস মন্দির পর্যন্ত পথ, পায়ে হেঁটে ভক্তদের যেতে হতো। প্রায় ১০ দিনের বেশী সময় লাগতো ভক্তদের মন্দিরস্থলে পৌঁছাতে। এই এলাকার মানুষের একটা বড় আয়ের উৎস হল পুণ্যার্থীদের আদি কৈলাস ভ্রমণ।

    ৫ হাজার ৯৪৫ মিটার উচু আদি কৈলাস পর্বত

    উত্তরাখণ্ডের পিথোরগড়ে অবস্থিত এই আদি কৈলাস পর্বত (Mount Kailash), যার উচ্চতা ৫৯৪৫ মিটার। ধরচুল থেকে যাত্রা করে যাওয়া যায় কৈলাস সরোবর এবং আদি কৈলাস মন্দিরে। তবে আদি কৈলাস ভারত সীমান্তের মধ্যে হলেও কৈলাস সরোবর, আবার তিব্বত সীমান্তের মধ্যে অবস্থিত। যদিও এই অংশকে চিন নিজের বলে দাবি করে থাকে। সীমান্ত জটিলতার কারণে এই কৈলাস সরোবরে পুণ্যার্থীদের প্রবেশাধিকার সাময়িক ভাবে বন্ধ রয়েছে। এই আদি কৈলাসের কাছে জলিকংয়ে রয়েছে ভারতীয় সেনার আইটিবিপি বেস ক্যাম্প। এখান থেকে মাত্র ৪০ কিমি দূরে ভারত-নেপাল-তিব্বত বর্ডার। ভক্তরা এই স্থান পর্যন্তই পরিদর্শন করতে যেতে পারেন।

    মোদির আদি কৈলাস যাত্রা

    সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদি দেবভূমি আদি কৈলাসে (Mount Kailash) পুজো দিতে গিয়েছিলেন। দেশের মানুষের জন্য মঙ্গল কামনা করেন তিনি। স্থানীয় গুঞ্জি নামক গ্রামে যান প্রধানমন্ত্রী। এরপর উত্তরাখণ্ডের জন্য একগুচ্ছ নতুন প্রকল্প ঘোষণা করেন। রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কেন্দ্র সরকারের প্রতিশ্রুর কথা মনে করিয়ে দেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘দলীয় কর্মীদের উপর হামলা হলে খেজুরি স্তব্ধ হবে’, থানায় ঢুকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘দলীয় কর্মীদের উপর হামলা হলে খেজুরি স্তব্ধ হবে’, থানায় ঢুকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে যদি হামলা হয়, তাহলে খেজুরি স্তব্ধ হবে। পুলিশ সুপারকে নন্দীগ্রামের ইতিহাসটা পড়তে বলবেন।’ রীতিমতো থানায় ঢুকে পুলিশকে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার কাঁথির ভবতারিণী মন্দির থেকে পদযাত্রায় পা মেলান শুভেন্দু। প্রায় দু’কিলোমিটার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক কাঁথির রামকৃষ্ণ মিশনে পৌঁছান। তারপর নাম না করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন। খেজুরিতে পুলিশের মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন বিজেপির মণ্ডল সভাপতি শিক্ষক বাঁটুল দাস। তারপরই শুভেন্দু খেজুরি থানায় হাজির হন।

    থানা ঢুকে ঠিক কী বললেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

     সম্প্রতি, খেজুরিতে পুলিশের ওপর হামলা ও বোমাবাজি ঘটনায় বিজেপি মণ্ডল সভাপতি বাঁটুল দাস- সহ কয়েকজন বিজেপি কর্মী-সমর্থক গ্রেফতার হয়েছেন। তারপরই খেজুরি থানায় হাজির হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানেই তিনি পুলিশকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ভাইপোর কথাতে এসপি কথা শুনে পালিয়েছেন! শ্যামাপ্রসাদ দাসকে গ্রেফতার করে তদন্তকারী পুলিশ অফিসার বিপদে পড়েছেন ! তিনি এখন শ্যামাপ্রসাদের হাতে- পায়ে ধরছেন। বাটুল দাসকে গ্রেফতার করেছে, তারও পরিণতিও একই হবে! তিনি আরও বলেন, বাংলায় বিজেপির সরকার হবে। আপনাদেরকে আমাদের অধীনেই চাকরি করতে হবে। বিজেপি কর্মীর বাড়িতে যদি অত্যাচার হয়, খেজুরি স্তব্ধ হবে। নন্দীগ্রামের ইতিহাস পুলিশ সুপারকে পড়তে বলবেন।’ বিরোধী দলনেতার এমন হুঁশিয়ারির পর রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক জেলায় ভার্চুয়াল দুর্গাপুজো উদ্বোধন নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    উদ্বোধন নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, আমাদের দুর্গোপুজোকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালচারাল প্রোগ্রামের পরিণত করতে চাইছেন। নন্দীগ্রামের ৪৮টি পুজো কমিটির মধ্যে ৪৭টি পুজো কমিটির প্যান্ডেল কমপ্লিট হয়নি। একটি মাত্র করেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করতে চাই? ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন! আপনি ২৩ ডিসেম্বর পালন করতে পারবেন? ইদের চাঁদ দেখার আগে রেড রোজে নামাজ পড়তে পারবেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vaishno Devi Temple: পুরীর পর বৈষ্ণোদেবী, অশালীন পোশাক পরে প্রবেশ নিষেধ মন্দিরে

    Vaishno Devi Temple: পুরীর পর বৈষ্ণোদেবী, অশালীন পোশাক পরে প্রবেশ নিষেধ মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে অশালীন পোশাক পরে প্রবেশ আগেই নিষিদ্ধ হয়েছে। এবার জম্মু-কাশ্মীরের বৈষ্ণোদেবী মন্দিরেও (Vaishno Devi Temple) একই নিয়ম জারি করল সরকার। বর্তমানে শুরু হয়েছে বৈষ্ণোদেবী দর্শনের ভিড়। নেমেছে ভক্তদের ঢল। আর ঠিক এই সময়ে নতুন নিয়মবিধি লাগু করল সরকার। জারি হয়েছে নতুন ড্রেস কোড। সরকারের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই সমস্ত নিয়ম পালন করতে হবে অন্যথায় ভক্তদেরকে মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।  

    রবিবার ১৫ অক্টোবর থেকে জারি হচ্ছে নতুন নিয়মবিধি

    প্রসঙ্গত, রবিবার ১৫ অক্টোবর থেকেই এই নয়া নিয়মবিধি চালু হতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। সরকারের তরফ থেকে জারি করা নয়া পোশাক বিধিতে জানানো হয়েছে যে টি-শার্ট কিংবা বারমুডা, শর্ট প্যান্ট পরে কোনওভাবেই মন্দিরের প্রবেশ করতে পারবেন না ভক্তরা। চলবে না স্কিন ফিট পোশাকও। এই পোশাক পরে কেউ মন্দিরে প্রবেশ করতে চাইলে তাঁকে গেট থেকে ফিরে যেতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। শালীন পোশাক পরেই মন্দিরে প্রবেশ করতে হবে, এসংক্রান্ত নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই সাইন বোর্ড আকারে টাঙানোও হয়েছে। মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দির (Vaishno Devi Temple) চত্বরের বাইরেও দেখা যাচ্ছে এই সাইনবোর্ড। মন্দিরে যাওয়ার রাস্তাতেও একাধিক এলাকায় ভক্তদের সুবিধার্থে সাইন বোর্ড টাঙানো (Vaishno Devi Temple) হয়েছে। এ ছাড়াও পুণ্যার্থীদের জন্য মাইকে পোশাকবিধি নিয়ে প্রচারও করা হচ্ছে।

    জগন্নাথ মন্দিরে আগেই লাগু ড্রেস কোড

    পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে আগেই চালু হয়েছে ড্রেস কোড। ছেঁড়াফাটা জিন্সের প্যান্ট পরে কোনও ভক্তকে আর জগন্নাথ দর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় না। দিনকয়েক আগেই এরকম পোশাক বিধি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জগন্নাথ টেম্পেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। তবে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের নয়া পোশাক বিধি চালু হতে চলেছে আগামী ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। জগন্নাথ মন্দির প্রশাসনের বক্তব্য, ‘‘ধর্মীয় ভাবাবেগ এবং পবিত্র মন নিয়ে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে দেশ-বিদেশ থেকে বহু পুণ্যার্থী আসেন। ফলে কোনওভাবেই মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষা নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Fire: পুজোর আগে হাওড়ায় বিধ্বংসী আগুন, বাড়িতেই বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝলসে গেল এক বছরের শিশুও

    Howrah Fire: পুজোর আগে হাওড়ায় বিধ্বংসী আগুন, বাড়িতেই বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝলসে গেল এক বছরের শিশুও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই বিধ্বংসী আগুনে একই পরিবারে এক বছরের শিশু সহ তিনজনের প্রাণ কেড়ে নিল। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার (Howrah Fire) উলুবেড়িয়া ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের পারিজাত পদ্মপুকুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে,  মৃতদের নাম ইয়াসিন মল্লিক (৩২), মহিমা বেগম (২৭), হুমায়রা খাতুন (১)। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় নূরজাহান বেগমকে (৫৫)। তাঁকে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah Fire)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ার (Howrah Fire) উলুবেড়িয়া ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের পারিজাত পদ্মপুকুর এলাকায় ইয়াসিন মল্লিকের বাড়িতে আচমকা আগুন লেগে যায়। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। ইয়াসিন মল্লিক সহ পরিবারের লোকজন সকলেই বাড়িতেই ছিলেন। ঘুমে আচ্ছন্ন থাকায় আর তাঁরা বাড়ি থেকে বের হতে পারেননি।  মুহূর্তেই মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করে নেয় গোটা বাড়ি। পুড়ে ছারখার হয়ে যায়  আস্ত একটি পরিবার। বাবা-মায়ের সঙ্গেই রক্ষা পেল না তাঁদের ১ বছরের সন্তানও। স্থানীয় বাসিন্দারা খবর দেন পুলিশে। খবর যায় দমদলে। খবর পাওয়া মাত্রই ছুটে আসে দমকল। নেভানো হয় আগুন। কিন্তু, ততক্ষণে সব শেষ। উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ এসে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে বাড়ির ভিতর থেকে। একজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পুলিশের অনুমান শর্টসার্কিট থেকেই আগুন লেগেছিল ওই বাড়িতে। তারপরই তা ছড়িয়ে পড়ে বাড়ির আনাচে-কানাচে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ভোরবেলায় ঘর থেকে বের হতেই দেখি আচমকা ধোঁয়ায় ভরে যাচ্ছে এলাকা। বাড়ি থেকে বের হতেই দেখি, ইয়াসিনের গোটা বাড়িটা দাউদাউ করে জ্বলছে। ধোঁয়ায় ভর্তি চারপাশ। ঘরে ঢুকে দেখি ওদের তিনজনের ঝলসানো দেহ পড়ে আছে। একই ঘরে ওরা তিনজনই ছিল। দমকল, পুলিশ যতক্ষণে এল ততক্ষণে সব শেষ। কেউই আর বেঁচে ছিল না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India-Sri Lanka: ৪০ বছর পরে ভারত-শ্রীলঙ্কা ফেরি পরিষেবা চালু, উদ্বোধন করলেন মোদি

    India-Sri Lanka: ৪০ বছর পরে ভারত-শ্রীলঙ্কা ফেরি পরিষেবা চালু, উদ্বোধন করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৪০ বছর পরে মোদি জমানায় চালু হল ভারত শ্রীলঙ্কার ফেরি পরিষেবা (India-Sri Lanka)। ভ্রমণ পিপাসু  পর্যটকদের কাছে এ যেন এক বড় উপহার। এর ফলে সহজেই ঘুরে চলে আসা যাবে শ্রীলঙ্কা থেকে। পর্যটকরা দেখতে পাবেন এককালে রাবণের লঙ্কা, অশোক বাটিকা সমেত একাধিক দর্শনীয় স্থান। 

    ফেরি পরিষেবা সূচনা করে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    শনিবার ভারত শ্রীলঙ্কা ফেরি সার্ভিসের (India-Sri Lanka) সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তামিলনাড়ুর নাগাপট্টিনম থেকে শ্রীলঙ্কার কাঙ্কেসান্থুরাইয়ের জাফনার মধ্যে চালু হয় এই পরিষেবা। নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সংযোগ কেবল দুটি শহরকে কাছকাছি আনছে না, এটা আমাদের দেশ, আমাদের জনগণকেও কাছাকাছি আনছে এবং আমাদের হৃদয় সংযোগও গভীর হচ্ছে।”
    এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর আরও সংযোজন, “দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করার ক্ষেত্রে এটি দুই দেশের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন।” প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই ফেরি পরিষেবা সমস্ত ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক সংযোগকে আরও জীবন্ত করে তুলবে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ব্যবসা পর্যটন সমেত সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের এক নতুন দিকের উন্মোচন করল এই নয়া ফেরি পরিষেবা।

    ‘চেরিয়াপানি’ নৌকার মাধ্যমে চালু ফেরি পরিষেবা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশাপাশি এদিনের ফেরি পরিষেবা অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রম সিংহ। নিজের বক্তব্যে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জানান, এই ফেরি পরিষেবা সত্যিকারের বড় পদক্ষেপ। এর পাশাপাশি বিদেশমন্ত্রী জানান, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আগামী দিনে পাইপলাইন এবং অর্থনৈতিক করিডরের দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।  প্রসঙ্গত এদিন ‘চেরিয়াপানি’ নামের একটি নৌকার মাধ্যমে এই ফেরি পরিষেবা চালু হল। এই নৌকাটিতে দেড়শো জন যাত্রী ধারণ ক্ষমতা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভারত থেকে শ্রীলঙ্কা পৌঁছাতে সময় নেবে প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টা। প্রতিদিনই দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করবে এই নৌকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share