Tag: Madhyom

Madhyom

  • Chhattisgarh: মোদি জমানায় অতীত মাও আতঙ্ক, প্রথমবার ভোট দেবে ছত্তিশগড়ের বস্তার

    Chhattisgarh: মোদি জমানায় অতীত মাও আতঙ্ক, প্রথমবার ভোট দেবে ছত্তিশগড়ের বস্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মোদি জমানায় মাওবাদী অধ্যুষিত ছত্তিশগড়ের বস্তারের মানুষজন স্বাধীনতার পরে প্রথমবার ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে চলেছেন। দক্ষিণ ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) সাতটি জেলা মাওবাদী উপদ্রত বলেই পরিচিত। এখানে ১২৬টি নতুন পোলিং বুথ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ৫৪ হাজার মানুষ ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। এর আগে এই অঞ্চলের মানুষজনকে ১০ কিলোমিটার দূরে ভোট দিতে যেতে হতো বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, বস্তারের ৩৫ হাজার মানুষ তাঁদের নিজেদের গ্রামের পোলিং স্টেশনে ভোট দিতে পারবেন। ১২৬টি পোলিং স্টেশনের মধ্যে এমন বুথের সংখ্যা রয়েছে ৮০টি। 

    বস্তারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো হয়েছে বিগত বছরগুলিতে

    বিগত বছরগুলিতে, বস্তারের (Chhattisgarh) নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। বস্তারের উপদ্রুত অঞ্চলের মানুষজনের স্বার্থে ৬৫টি নতুন পুলিশ ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। নকশালদের সঙ্গে সংঘর্ষে ১৭৫ জন নাগরিকের যেমন মৃত্যু হয়েছে তেমনি মাওবাদী খতম হয়েছে ১৯৭ জন। এর পাশাপাশি বস্তারের ১,৬৩০ জন মাওবাদী ইতিমধ্যে আত্মসমর্পণও করেছে বলে খবর পুলিশ সূত্রে।

    কী বলছেন বস্তার রেঞ্জের ইনস্পেক্টর জেনারেল 

    বস্তার রেঞ্জের ইন্সপেক্টর জেনারেল সুন্দর রাজ পি বলেন, ‘‘নতুন ১২৬টি পোলিং স্টেশন এই বার্তায় দিল যে ব্যালটের স্থান বুলেটের ওপরে।’’ এই ১২৬টির মধ্যে বেশিরভাগ পোলিং স্টেশনই যে একসময়ের মাওবাদীদের অধ্যুষিত অঞ্চলের (Chhattisgarh) ওপর তাও জানিয়েছেন সুন্দর রাজ পি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী নভেম্বর মাসেই রয়েছে ছত্তিশগড়ের বিধানসভা নির্বাচন। এই রাজ্যে দু’ দফায় ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফায় কুড়িটি কেন্দ্রে ভোট হবে ৭ নভেম্বর। এর মধ্যে বারটি কেন্দ্র রয়েছে বস্তার অঞ্চলে। বস্তারের অন্যতম প্রত্যন্ত গ্রাম চন্দামেতা। যা মাওবাদীদের ঘাঁটি বলেই পরিচিত ছিল। এখানকার গ্রামবাসীরা নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন যে তাঁদের গ্রামে ভোট কেন্দ্র করতে। তাঁদের সেই দাবিও মানা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C V Ananda Bose: পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ভারত, টিম ইন্ডিয়াকে রাজভবনে আমন্ত্রণ রাজ্যপালের

    C V Ananda Bose: পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ভারত, টিম ইন্ডিয়াকে রাজভবনে আমন্ত্রণ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বিশ্বকাপে পাকিস্তান বধের পর কলকাতার রাজভবন থেকে রোহিত শর্মাদের কাছে গেল শুভেচ্ছা বার্তা। এর পাশাপাশি সংবর্ধনা জানানোর জন্য গোটা ভারতীয় টিমকে রাজভবনে আমন্ত্রণও জানিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। পাকিস্তানকে দুরমুশ করেই পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে ভারত। আপাতত তিনটি ম্যাচে তিনটিতে জিতেছে রোহিত বাহিনী। যার ফলে ভারতের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট।

    আমন্ত্রণ রাজ্যপালের (C V Ananda Bose)

    শনিবারে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বিপুল জয় পায় ভারতীয় দল। প্রথমে ব্যাট করে ১৯১ রানেই অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। কুড়ি ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। যদিও বা বিশ্বকাপ জিততে এখনও অনেকটা পথ চলতে হবে ভারতীয় দলকে, তবুও আগেভাগেই রাজভবনে আমন্ত্রণ কেন?  রাজ্যপালের (C V Ananda Bose) বার্তা, পাকিস্তানকে হারানোর কারণেই রাজভবনে টিম ইন্ডিয়াকে সংবর্ধনা দিতে চান তিনি। জানা গিয়েছে, রাজভবনের তরফ থেকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করা হয়েছে এনিয়ে। সেখানে টিম ইন্ডিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    পয়েন্ট তালিকায় কোন জায়গায় কোন দেশ

    বর্তমানে বিশ্বকাপের পয়েন্ট তালিকায় ভারতের পর রয়েছে নিউজিল্যান্ড। তিনটি ম্যাচ খেলে তাদেরও পয়েন্ট ৬। তবে টিম ইন্ডিয়ার নেট রান রেট নিউজিল্যান্ডের থেকে বেশি থাকায় শীর্ষে রয়েছে ভারত। রোহিত শর্মা বিরাট কোহলিদের নেট রান রেট ১.৮২১। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের নেট ১.৬০৪। নেট রান রেটের দিক থেকে তিন নম্বরে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দুটি ম্যাচে তাদের পয়েন্ট চার কিন্তু নেট রান রেট ২.৩৬০। অপরদিকে গতকাল হারের পর চার নম্বরে রয়েছে পাকিস্থান। বাবর আজমদের তিন ম্যাচে পয়েন্ট ৪ এবং নেট রান রেট -০.১৩৭।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (রবিবার, ১৫/১০/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (রবিবার, ১৫/১০/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য–কেমন কাটবে দিন?

    মেষ

    ১) আত্মীয়দের প্রতারণার শিকার হতে পারেন।

    ২) জীবনসঙ্গীর স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখুন। 

    বৃষ

    ১) ছাত্রছাত্রীরা কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করলে, তাতে সফল হবেন।

    ২) অনাবশ্যক ব্যয় এড়িয়ে চলুন, তা না-হলে ভবিষ্যতে আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হতে পারেন।

    মিথুন

    ১) পরিবারের কোনও সদস্য হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে।

    ২) জীবনসঙ্গীর সঙ্গে বিবাদের সমাধান হবে।

    কর্কট

    ১) সরকারি চাকরিজীবীরা নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পাবেন। তবে এর জন্য কঠিন পরিশ্রম করতে হবে।

    ২) পারিবারিক জিনিস কেনাকাটা করতে পারেন।

    সিংহ 

    ১) সামাজিক ক্ষেত্রে মানসম্মান বাড়বে।

    ২) অবিবাহিত জাতকদের জন্য পরিবারের সদস্যরা কোনও ভালো প্রস্তাব পেতে পারেন। 

    কন্যা

    ১) বাড়ির দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ পূরণে প্রস্তুত থাকবেন।

    ২) ব্যবসায়ীরা কোনও ঝুঁকি নিলে সমস্যায় পড়তে পারেন।

    তুলা 

    ১) চাকরি ও অফিসে সকলে আপনার পরামর্শ গ্রহণ করবে। আধিকারিকরা আপনার প্রশংসা করবে।

    ২) নিজের বন্ধুর জন্য উপহার কিনতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) ফোনে আত্মীয়ের কাছ থেকে কোনও সুসংবাদ পেতে পারেন।

    ২) সন্তানের শিক্ষার কারণে স্বল্প দূরত্বের যাত্রা করতে হতে পারে।

    ধনু

    ১) শ্বশুরবাড়ির তরফে সম্মান লাভ করবেন।

    ২) নতুন কাজের প্রতি রুচি বাড়বে।

    মকর

    ১) চাকরিজীবীরা পদোন্নতি ও বেতনবৃদ্ধির সুসংবাদ পেতে পারেন।
     
    ২) আর্থিক পরিস্থিতি উন্নত হবে।

    কুম্ভ

    ১) জীবনসঙ্গীর পরামর্শ আপনার জন্য সহায়ক হবে।

    ২) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জনসমর্থন পাবেন। এর দ্বারা পরবর্তীকালে লাভ হবে।

    মীন

    ১) ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা ক্ষেত্রে আগত সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করবেন।

    ২) সন্তানকে ভালো কাজ করতে দেখে আনন্দ অনুভব করবেন।

     

     

     
    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Navaratri 2023: নবদুর্গার তৃতীয় রূপ মাতা চন্দ্রঘণ্টা, কেন এমন নামকরণ জানেন?

    Navaratri 2023: নবদুর্গার তৃতীয় রূপ মাতা চন্দ্রঘণ্টা, কেন এমন নামকরণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিষাসুরের দখলে তখন সম্পূর্ণ স্বর্গরাজ্য। দেবতা, মুনি, ঋষি কেউই রম্ভাপুত্রের ভয়ঙ্কর অত্যাচারে টিকতে পারছেন না। দেবতারা পরাস্ত এবং বিতাড়িত। ব্রহ্মার বরদানে মহিষাসুরকে প্রতিহত করার কেউ নেই। মহিষাসুর জানতেন, ব্রহ্মার আশীর্বাদে কোনও পুরুষ তাঁকে হত্যা করতে পারবে না। বিতাড়িত দেবতা, মুনি, ঋষিরা শরণাপন্ন হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরের। মহিষাসুরের অত্যাচারের কাহিনি শোনার পর ক্রোধান্বিত হলেন ত্রিদেব অর্থাৎ ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর। ক্রোধাগ্নির প্রচণ্ড তেজ সম্মিলিত হয়ে মহর্ষি কাত্যায়ন ঋষির আশ্রমে সৃষ্টি হল এক নারীর। তিনি মা দুর্গা। নবরাত্রির (Navaratri 2023) ন’দিনে মা দুর্গার নয়টি রূপ ধারণ করে অসুরদের সঙ্গে প্রচণ্ড যুদ্ধ করেছিলেন। নবরাত্রির তৃতীয় দিনে পূজিতা হন মাতা চন্দ্রঘণ্টা। পৌরাণিক সাহিত্যের ভাষায়-
    পিণ্ডজপ্রবরারূঢা চন্দকোপাস্ত্রকৈর্য়ুতা ।
    প্রসাদং তনুতে মহ্য়ং চন্দ্রঘণ্টেতি বিশ্রুতা ।।

    মাতা চন্দ্রঘণ্টা নামকরণ কেন?

    প্রবল তেজসম্পন্না দেবী চন্দ্রঘণ্টা (Navaratri 2023), ঘণ্টা বাজিয়ে অসুরদের সতর্ক করেন। এখনকার ভাষায় ওয়ার্নিং বলা যেতে পারে। তাই দেবীর নাম চন্দ্রঘণ্টা। কালিকাপুরাণে দেবীর এমন নামকরণের উল্লেখ পাওয়া যায়। কাত্যায়ন মুনির আশ্রমে, ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বরের তেজ থেকে সৃষ্ট নারীমূর্তিকে যখন সমস্ত দেবতা একে একে অস্ত্র দ্বারা সজ্জিত করছিলেন, তখন দেবতাদের রাজা ইন্দ্র তাঁর বাহন ঐরাবৎ হাতির গলার ঘণ্টা থেকে একটি ঘণ্টা নিয়ে দেবীর একটি হাতে দিলেন।

    দেবী চন্দ্রঘণ্টার পৌরাণিক আখ্যান (Navaratri 2023)

    পুরাণে উল্লেখ রয়েছে, অসুরদের সঙ্গে প্রবল যুদ্ধ চলাকালীন মাতা চন্দ্রঘণ্টার এই তীব্র ঘণ্টানাদ বিকট শব্দ সৃষ্টি করেছিল। ঘণ্টার শব্দেই দৈত্যদের প্রাণ ভয়ে খাঁচাছাড়া অবস্থা হয়েছিল। অসুরদের অশুভ শক্তিকে হরণ করার জন্যই মাতা চন্দ্রঘণ্টা ঘণ্টা বাজিয়েছিলেন। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে কল্যাণকারী মাতা তাঁদের জীবন থেকে সমস্ত পাপবোধ, ভয়, শত্রুতা, বাধান, বিঘ্ন হরণ করে নেন। 
    পৌরাণিক কাহিনিতে আরও উল্লেখ রয়েছে, দেবী চন্দ্রঘণ্টা আসলে হিমালয়কন্যা ও শিবের স্ত্রী মাতা পার্বতী। শিব-পার্বতীর বিবাহ পণ্ড করতে তারকাসুর দৈত্য, দানবদের মিলিত এক বাহিনী (Navaratri 2023) নিয়ে আক্রমণ করে। এই অবস্থায় বিবাহকে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে দেবী পার্বতী, মাতা চন্দ্রঘণ্টার রূপ ধারণ করেন। তিনি ছিলেন বাঘের পিঠে সওয়ার। চন্দ্রের মতো বিশালাকার ঘন্টা তিনি বাজাতে থাকেন। ঘণ্টার তীব্র আওয়াজে ভীত হয়ে দানবরা রণেভঙ্গ দেয়।

    মাতা চন্দ্রঘণ্টা কোন ভোগে সন্তুষ্ট হন? 

    ভক্তদের বিশ্বাস, মাতা চন্দ্রঘণ্টা জীবনের সকল বাধাবিঘ্ন দূর করে চলার পথকে সুগম করে তোলেন। এই দেবীর পছন্দের রং কমলা বলেই মনে করেন ভক্তরা (Navaratri 2023)। তাই এই নির্দিষ্ট রঙের পোশাক পরিধান করে মাতা চন্দ্রঘণ্টার আরাধনা করলে সুফল বা শুভ ফল মেলে বলে ভক্তদের ধারণা। মাতার উদ্দেশে তাঁর ভক্তরা সাধারণত দুগ্ধজাত ভোগ নিবেদন করেন মায়ের নৈবেদ্যতে, এটা সাধারণত মিষ্টি, ক্ষীর বা রাবড়ি হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এতে মাতা চন্দ্রঘণ্টা প্রসন্ন হন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: ভুয়ো পাসপোর্ট কেলেঙ্কারির তদন্তে মহালয়ার দিনও শিলিগুড়ি-সিকিমে একযোগে অভিযান চালাল সিবিআই

    CBI: ভুয়ো পাসপোর্ট কেলেঙ্কারির তদন্তে মহালয়ার দিনও শিলিগুড়ি-সিকিমে একযোগে অভিযান চালাল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তৎপর সিবিআই (CBI)। রাজ্যের একাধিক পুরসভায় অভিযান চালাচ্ছে সিবিআই-ইডি। এবার সেই জের মিটতে না মিটতেই এবার ভুয়ো পাসপোর্ট কেলেঙ্কারির তদন্তে তেঁড়ে ফুঁড়ে নামল সিবিআই। শনিবার মহালয়ার দিনও শিলিগুড়ি জুড়ে দিনভর অভিযান চালায় সিবিআই। শিলিগুড়ির একাধিক জায়গা-সহ সিকিমেও পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা।

    শিলিগুড়ির কোথায় কোথায় অভিযান চালাল সিবিআই ?(CBI)

    সিবিআই সূত্রের খবর, শুক্রবার দুপুরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী (CBI) সংস্থার একটি দল বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামে। সেখান থেকে তারা দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে একটি দল সিকিমের উদ্দেশে রওনা দেয় এবং আরও একটি দল শিলিগুড়ি মহকুমায় অভিযানে নামে। ভুয়ো পাসপোর্ট কেলেঙ্কারির তদন্তেই বাংলা এবং সিকিমে একযোগে অভিযান চালান গোয়েন্দারা। এমনিতেই শুক্রবার দুপুর থেকে শিলিগুড়ির বিভিন্ন জায়গায় সিবিআই হানা শুরু হয়। শনিবারেও জারি রয়েছে তল্লাশি অভিযান। এদিন শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের মাটিগাড়া, বাগডোগরা, নকশালবাড়ি, শিবমন্দির- সহ বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযানে নামে। এদিন সকালে সিবিআই আধিকারিকদের দলটি প্রথমে বাগডোগরার বাবুপাড়ায় উদয়শঙ্কর রায়ের বাড়িতে হানা দেয়। সেখান থেকে অটল চা বাগানের অফিসে তল্লাশি চালায় সিবিআই। এ ছাড়া আরও কয়েক জনের বাড়িতে এবং অফিসে হানা দিয়েছে সিবিআই।

    তল্লাশিতে কী মিলল?

    সিবিআই সূত্রের খবর, শিলিগুড়ির পাশাপাশি, ভুয়ো পাসপোর্ট মামলায় সিকিমেও সিবিআই হানা চলছে। জানা গিয়েছে, তল্লাশিতে ভুয়ো পাসপোর্ট-সহ বহু নথি উদ্ধার হয়েছে। অর্থের বিনিময়ে নেপালের নাগরিকদের ভারতের ভুয়ো পাসপোর্ট এবং ভুয়ো নথি তৈরি করিয়ে দেওয়ার চক্র চলছিল। সেই কেলেঙ্কারির শিকড়ে পৌঁছতেই চলছে সিবিআই (CBI) অভিযান। শুক্রবার নিউ জলপাইগুড়ি এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে মনে করছে সিবিআই। শিলিগুড়ির পাশাপাশি, ভুয়ো পাসপোর্ট মামলায় সিকিমেও সিবিআই হানা চলছে। জানা গিয়েছে, তল্লাশিতে ভুয়ো পাসপোর্ট-সহ বহু নথি উদ্ধার হয়েছে। মোটা টাকার বিনিময়ে এসব কারবার চলত বলে তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fish: দিঘায় ২০০ কেজির বিশালাকৃতির কই ভোলা জালে! বিক্রির দাম কত জানেন?

    Fish: দিঘায় ২০০ কেজির বিশালাকৃতির কই ভোলা জালে! বিক্রির দাম কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারে দিঘায় ফের বিশাল আকৃতির কই ভোলা (Fish) জালে পড়েছে। এই মাছ নিয়ে বাজারে বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মাছের ওজন ছিল ২০০ কেজি এবং বিক্রির দাম ছাপিয়ে গেছে লাখ টাকা। লাভবান হয়েছেন এক ওড়িশার মত্স্যজীবী। বিশাল এই মাছ দেখতে প্রচুর মানুষ জমায়েত হন বাজারে। ভোজন রসিক বাঙালির পাতে মাছ না পড়লে খাওয়া ঠিক জমে না। কই ভোলা মাছের চাহিদাও বাজারে অনেক বেশী। এই মাছের পাতুরি, ফিস ফ্রাই, ফিস ফিঙার ভোজন রসিকদের বেশ তৃপ্তি দিয়ে থাকে। সাধারণত এই মাছ সমুদ্রের গভীর জলে বসবাস করে।

    মৎস্যজীবীদের বক্তব্য (Fish)

    দিঘার মোহনার মাছ বাজারে এই বিশালাকৃতির মাছকে (Fish) ঘিরে রীতিমতো মানুষের মধ্যে উত্তেজনা লক্ষ করা যায়। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, “এই কই ভোলা গভীর সমুদ্রে থাকে। এই মাছ শিকার করতে গেলে সমুদ্রের অনেক গভীরে যেতে হয়। তবে ঝুঁকি থাকে শিকারের কাজে। মাছটি ধরেন ওড়িশার এক মৎস্যজীবী, এরপর এশিয়ার সবথেকে বড় মাছের বাজার, দিঘা মোহনা বাজারে নিয়ে আসেন। সুজিত কর নামক এক মাছের আড়তের মালিকের দোকানে মাছটির নিলামের ডাক ওঠে। অনেক সময় ধরে দরদামের পর বেশ লাভজনক মূল্যে বিক্রি হয় কই ভোলাটি। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবরে এমনই একটি দৈত্যের মতো কই ভোলা পাওয়া গিয়েছিল। সেই মাছটির ওজন ছিল ১১০ কেজি। এবারের কই ভোলা মাছের ওজন ২০০ কেজি।

    দিঘা ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য

    দিঘার ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান নবকুমার পয়ড়্যা বলেন, “প্রায় ২ কুইন্টাল ওজনের বিরাট মাছ (Fish) দিঘার মোহনা বাজারে আসে। নিলামে মাছের দাম ওঠে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। এই মাছ যাঁদের কপালে পড়ে তাঁদের ভাগ্য বদলে যায়। এই মাছের চাহিদা বাজারে প্রচুর। বিশেষ করে বাংলাদেশে চাহিদা ব্যাপক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarpan: তর্পণ করার সময় গঙ্গায় বানের জল আসতেই হুগলিতে তলিয়ে গেলেন চারজন, বেলুড়-পানিহাটিতেও বিপত্তি!

    Tarpan: তর্পণ করার সময় গঙ্গায় বানের জল আসতেই হুগলিতে তলিয়ে গেলেন চারজন, বেলুড়-পানিহাটিতেও বিপত্তি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিতৃপক্ষ শেষ হয়ে মাতৃপক্ষের সূচনার দিনই ঘটল বিপত্তি। গঙ্গার দুপারে তর্পণ (Tarpan) করতে নেমে তলিয়ে গেলেন বেশ কয়েকজন। এরমধ্যে হুগলিতে জেলায় চারজন তলিয়ে যাওয়ার খবর রয়েছে। আর বারাকপুর মহকুমার পানিহাটিতে একজন তলিয়ে যান। বেলুড় ঘাটে এক মহিলা তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভরা গঙ্গায় জলে নেমে তর্পণ করতে গিয়ে শনিবার সাত সকাসকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মহালয়ার দিন এভাবে গঙ্গায় তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে।

    বান আসতেই তলিয়ে যান চারজন (Tarpan)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার মহালয়ার শুভ লগ্নে পূর্বপুরুষদের জল দেওয়ার তর্পণ (Tarpan) করতে গঙ্গার দুপারের হাজার হাজার বাসিন্দা সামিল হয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, হুগলির হিন্দমোটরের বিবি স্ট্রিট ঘাটে এদিন ভোর থেকে তর্পণ করতে বহু মানুষ ভিড় করেছিলেন। সেই সময় গঙ্গায় বান আসতেই বেশ কয়েকজন তলিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, বান আসার পর বাঁশি বাজিয়ে পুলিশ সতর্ক করে। সেই সময় চারজন তলিয়ে যায়।

    স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তর্পণ করতে গঙ্গায় নেমে তলিয়ে গেলেন বৃদ্ধ

    পানিহাটি পুরসভার আগরপাড়া ইলিয়াস রোডে গিরিবালা ঘাটে সকল 8 টার সময় তর্পণ (Tarpan) করতে আসেন মধ্যমগ্রামের মেঘদূত ঘোষপাড়ার বাসিন্দা শেখর মণ্ডল। তাঁর বয়স ৬১ বছর। তাঁর সঙ্গে স্ত্রী মহুয়া মণ্ডলও তর্পণ করতে আসেন। আগরপাড়া গিরিবালা ঘাটে ভোর 8 টা নাগাদ গঙ্গার ঘাটে স্নান করতে নামেন শেখরবাবু। কয়েকটা ডুব দেবার পরেই তিনি তলিয়ে যান। এর পরেই খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। এলাকার মানুষেরা খড়দা থানায় খবর দেন। বিপর্যয় মোকাবিল দফতরের কর্মীরা উদ্যোগী হন। ডুবুরি নামিয়ে গঙ্গার ঘাটে খোঁজা শুরু হয়। জানা গিয়েছে, শেখরবাবু কাশিপুর অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন। এ বছর জানুয়ারি মাসে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি সাঁতার জানতেন। কীভাবে তলিয়ে গেল তা কেউ বলতে পারছেন না। দেবীপক্ষের সূচনা দিন গঙ্গার ঘাট থেকে স্বামীর খোঁজ না পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন মহুয়াদেবী।

    বেলুড় ঘাটেও এক মহিলা তলিয়ে যান

    অন্যদিকে, হাওড়ার বেলুড়ের পাল ঘাটে তর্পণ (Tarpan) করতে এসে এদিন তলিয়ে যান এক মহিলা। পরে, খোঁজাখুঁজির পর তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সত্যবালা ঘোষ (৫৩)। তাঁর বাড়ি বেলুড়ের নেতাজি নগর এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: দুর্নীতি-স্বজনপোষণের অভিযোগে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে ঘেরাও বিজেপির

    Murshidabad: দুর্নীতি-স্বজনপোষণের অভিযোগে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে ঘেরাও বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানকে পঞ্চায়েতে অফিসের মধ্যে দুর্নীতি-স্বজনপোষণের বিরুদ্ধে ঘেরাও করে, বিক্ষোভ করল বিজেপি জয়ী সদস্যরা। প্রথমে বিজেপির জয়ী সদস্যরা, মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিনব প্রতিবাদ জানান। এরপর ক্রমেই বচসার জেরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। জেলায় তীব্র শোরগোল পড়েছে এই নিয়ে।

    কোথায় ঘটল ঘটনা (Murshidabad)?

    এবার মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বড়ঞায় সাহোড়া গ্ৰাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান, উপ-প্রধানকে কার্যত পঞ্চায়েত অফিসের মধ্যে ঘেরাও করে রাখে বিজেপি। প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখায় ১০ টি গ্ৰামের জয়ী বিরোধী সদস্যরা। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে সামাল দিতে মাঠে নামতে হয়েছে বড়ঞা থানার পুলিশকে।

    বিজেপির অভিযোগ

    বিজেপি জয়ী পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা অমর দেবংশী বলেন, “আমাদের প্রধান অভিযোগ হল, পঞ্চায়েত প্রধান, বিরোধী দলের সদস্যদের মতামতের কোনও গুরুত্ব না দিয়ে নিজের মতো করেই বিলি করছে ত্রিপল এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। সাহোড়া (Murshidabad) গ্ৰাম পঞ্চায়েতে নবনিযুক্ত প্রধান, নিজের মতো করে সরকারি বিভিন্ন সুবিধা প্রাপ্যকারীদের তালিকা তৈরি করছেন। ফলে সেগুলি শুধুমাত্র তৃণমূলেরাই পাচ্ছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি সাহায্যে থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। কথায় কাজ না হলে, আজ সন্ধ্যায় পঞ্চায়েতের প্রায় ৯ জন বিজেপি সদস্যরা একত্রিত হয়ে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলি।

    তৃণমূল প্রধানের বক্তব্য

    এলাকার (Murshidabad) গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত প্রধান গোষ্ঠ গোপাল ঘোষ বলেন, বিরোধী দলের জয়ী সদস্যদের সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন, আমাকে কালিমালিপ্ত করার জন্য এমন অভিযোগ আনা হচ্ছে। উপযুক্ত ব্যক্তিরা যাতে সরকারি সুবিধা পায়, সেই কথা মাথায় রেখেই সমস্ত কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু বিজেপির সদস্যরা তা করতে দিচ্ছেন না।

    পরিস্থিতি সামাল দিতে পৌঁছায় পুলিশ

    শুক্রবার সন্ধ্যার এই ঘটনায় এতটাই চাঞ্চল সৃষ্টি হয় যে ঘটনাস্থলে আসতে হয় বড়ঞা থানার (Murshidabad) পুলিশকে। বিজেপির বিক্ষোভের কারণে দীর্ঘক্ষণ কার্যত প্রধানকে পঞ্চায়েত দফতরে নিরাপত্তা দিয়ে রাখে পুলিশ প্রশাসন। কিছুক্ষণ পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: পুজোর আগে বেহাল রাস্তা সংস্কারের কাজে নেই গতি! ক্ষোভে ‘মলম’ দিতে রাস্তায় তৃণমূল বিধায়ক

    Hooghly: পুজোর আগে বেহাল রাস্তা সংস্কারের কাজে নেই গতি! ক্ষোভে ‘মলম’ দিতে রাস্তায় তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি বোলপুরে অবরোধে আটকে পড়েছিলেন রাজ্যের ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, ছিল বেহাল রাস্তা। তাতে তিতি বিরক্ত হয়ে বিভিন্ন ক্লাবের ছেলেরা বেহাল রাস্তা সংস্কারের দাবিতে পথ অবরোধ করেছিলেন। পরিস্থিতি এমন হয়েছিল যে আশিসবাবু গাড়ি বসেই প্রশাসনের বিভিন্ন কর্তা থেকে শুরু করে পূর্ত মন্ত্রীকে ফোন করে সে যাত্রায় বিক্ষোভের হাত থেকে রেহাই পান। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার হুগলির (Hooghly) চুঁচুড়ায় বেহাল রাস্তা নিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ। পুজোর আগে খানাখন্দে ভরা রাস্তা নিয়ে অনেকে ক্ষোভও জানিয়েছে। আর এসবের জন্য কার্যত মুখ পুড়ছে তৃণমূলের। তাই, তৃণমূল বিধায়ক অসতি মজুমদার লোক দেখানো করে বেহাল রাস্তা দেখতে বের হন। আর বেহাল রাস্তার জন্য পূর্ত দফতরের আধিকারিকদের কাঠগ়ড়ায় দাঁড় করান তিনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Hooghly)

    হুগলির (Hooghly) ব্যান্ডেল চার্চ, বালির যোড় ,স্ট্যান্ড রোড, তালডাঙা, তোলাফটক, মিয়ারবের, নেতাজি সুভাষ রোড, টাউন গার্ড রোড, ব্যারাক রোডসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ সব রাস্তায় বড় বড় গর্ত হয়ে রয়েছে। শুরু হয়েছে সংস্কারের কাজও। রাস্তা সংস্কারের গতি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে। এক দোকানদার বলেন, রাস্তার কাজের জন্য খোঁড়াখুড়ি চলছে। দোকানের সামনে কয়েকদিন ধরে পাথর ফেলে রেখে। ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দারাও ক্ষুব্ধ। পুজোর আগে রাস্তা ঠিক হবে বলে মনে হচ্ছে না। মানুষ যে ক্ষোভে ফুঁসছে আঁচ করেই চুঁচুড়া পুরসভার পূর্ত দফতরের সিআইসি সৌমিত্র ঘোষ, কেএমডিএ ও পূর্ত দফরের আধিকারিকদের নিয়ে শহরে বিভিন্ন বেহাল রাস্তা ঘুরে দেখেন তৃণমূল বিধায়ক। পরিস্থিতি দেখে রীতিমতো বিরক্তি প্রকাশ করেন অসিত। ধীর গতিতে রাস্তা সংস্কারের কাজ দেখে রাগ চেপে রাখেননি তিনি। পূর্ত দফতরের এক্সিকিউটিভ অফিসারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন অসিত। চতুর্থী থেকে পঞ্চমীর মধ্যে রাস্তার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পুজোর আগে বেহাল রাস্তা নিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ীদের মধে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তৃণমূল বিধায়ক লোক দেখানো এসব করে তা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, পুলিশ- প্রশাসন ও পূর্ত দফতরের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। তাই, রাস্তা সংস্কারের কাজে কোনও গতি নেই। পুজো পুরোদমে শুরু হয়ে গেলে আর রাস্তার কাজ করা যাবে না। তাই চতুর্থী অথবা পঞ্চমীর আগে রাস্তার কাজ শেষ করতে হবে। প্রয়োজনে দিন রাত কাজ করতে হবে। আধিকারিকদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমি তাঁদের এমনটা করার জন্য বলে দিয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: মুক্তি পেল প্রধানমন্ত্রীর লেখা কবিতা দিয়ে তৈরি ‘গর্ব’ গান, দেখুন সেই মিউজিক ভিডিও

    Narendra Modi: মুক্তি পেল প্রধানমন্ত্রীর লেখা কবিতা দিয়ে তৈরি ‘গর্ব’ গান, দেখুন সেই মিউজিক ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) শুধু রাজনীতির ময়দানেই নেই, তিনি সংস্কৃতিতেও সমান বিরাজমান। কয়েক বছর আগে তিনি, নবরাত্রি নিয়ে গান লিখেছিলেন। এই বছর সেই গান ‘গর্ব’ মুক্তি পেল। সারা ভারত জুড়ে শুরু হয়েছে পুজো, উৎসবের আবহ। নবরাত্রি, দুর্গাপুজো, দশেরা, কালীপুজো, দীপাবলি ভাতৃদ্বিতীয়া, ছট ইত্যাদি পরপর আসবে। মানুষের মনে খুশির আনন্দ। নবরাত্রিতে মায়ের ‘আরাধনা’য় যে সঙ্গীত পরিবেশিত হয়, তাকেই গুজরাতিতে ‘গর্ব’ বলা হয়। এই সময়ে মোদির লেখা গান প্রাকশিত হওয়ায় ভক্ত মহলে উন্মাদনা দ্বিগুণ হতে শুরু হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি নিজের এক্স ট্যুইটারে গানের মুক্তির কথা ঘোষণা করে ‘নবরাত্রি স্পেশালে’র কথা জানিয়ে দিলেন।

    মুক্তি পেল ‘গর্ব’ (Narendra Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) নিজে যেমন রাজনীতিবিদ, বিশ্বের প্রথম সারির অন্যতম ক্ষমতাবান ব্যক্তিত্ব, সেই সঙ্গে একজন লেখক এবং গীতিকারও। তবে তিনি যে গীতিকার, সেই পরিচয়ের কথা অনেকেই জানেন না। বেশ কয়েক বছর আগে লিখেছিলেন এই গান। আজ ইউটিউবে সেই গান মুক্তি পেল। তাঁর গানের কথায় সুর দিয়েছেন ধ্বনি ভানুশালী। উৎসবের আবহে এই গানের জনপ্রিয়তা ব্যাপক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রে, জানা গেছে মাত্র দুই ঘণ্টায় গানটিকে দেখে ফেলেছেন ১৮৯ হাজার মানুষ। যত সময় এগিয়ে যাচ্ছে, গানের ভিউ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    সঙ্গীত শিল্পীর বক্তব্য

    সঙ্গীত শিল্পী ধ্বনি ভানুশালী সামজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) গান সম্পর্কে বলেন, “আপনার লেখা ‘গর্ব’ গানটি আমার এবং তনিস্কা বাগচী, দু’জনেরই খুব পছন্দ হয়েছে। আমরা প্রাণবন্ত একটি তাল, সুর এবং আমেজ চেয়েছিলাম। গানের লেখনী ভিডিয়ো আকারে ফুটে ওঠার পর, তা আরও চমকপ্রদ সাফল্য পেয়েছে।”

    ‘জাস্ট মিউজিক’ সূত্রে জানা গিয়েছে, নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) ‘গর্ব’ গানের মাধ্যমে গুজরাট এবার চোখ ধাঁধানো নবরাত্রি উদযাপন করবে। তনিস্কা বাগচী এবং ধ্বনি ভানুশালীর সুরের যাদুতে মেতে উঠবে দর্শক। এই গানের পরিচালক নাদিম শাহ্‌। হাতে ডান্ডিয়া এবং গানের তালে তালে ব্যাপক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ নির্মিত হবে।

    প্রধানমন্ত্রী কী বলেন

    মোদি (Narendra Modi) নিজে তাঁর সামজিক মাধ্যমে গানের কথা বিনিময় করে মুক্তির কথা জানান। সেই সঙ্গে গানের গায়ক, সুরকার এবং পরিচালকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “এই গান আমি বেশ কিছুদিন আগে লিখেছিলাম, এই গান অনেক স্মৃতিকে বহন করে আনে। এরপর বহু বছর ধরে কিছু লিখিনি। নতুন গরবা গানটি নবরাত্রির সময় সকলের সঙ্গে বিনিময় করে নেব।”

    দর্শকদের উচ্ছ্বাস

    মোদির (Narendra Modi) এই গান মুক্তির পর সামজিক মাধ্যমে অনেকেই নানান কথা লেখালেখি করছেন। একজন পাঠক লিখেছেন, “স্যার আপনার মুকুটে নতুন পালক সংযুক্ত হল।” আরেক জন লিখেছেন, “মাতারানির চরণে নেবেদিত গানের কথা বেশ চমৎকার। সঙ্গীতের ভাষা বেশ সুন্দর, অনেক মানুষকে একত্রিত করা যায়। প্রধানমন্ত্রীর লেখা এই গান বেশ দুর্দান্ত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share