Tag: Madhyom

Madhyom

  • CV Ananda Bose: দিল্লি থেকে সোজা রাজ্যে বন্যা দুর্গতদের পাশে রাজ্যপাল, দেখা নেই মুখ্যমন্ত্রীরই!

    CV Ananda Bose: দিল্লি থেকে সোজা রাজ্যে বন্যা দুর্গতদের পাশে রাজ্যপাল, দেখা নেই মুখ্যমন্ত্রীরই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিমে বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গও। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিলিগুড়ি, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি। তিস্তা পাড়ের বাসিন্দারা হারিয়েছেন ভিটেমাটি। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দরকার ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি সে পথে হাঁটেননি। বরং, তাঁর দলের নেতানেত্রীরা এখন রাজভবন অভিযানের নামে রাজনীতি করতে ব্যস্ত। জলপাইগুড়ির দুর্গতদের দেখতে দিল্লি থেকে সরাসরি উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। উত্তরবঙ্গের বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। তবে, রাজ্যপালের মতো রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গেলেও সেখানে রাজ্যের কোনও মন্ত্রী যাওয়া তো দূরের কথা জেলার পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসককে দেখা যায়নি। স্থানীয় থানার পুলিশ কর্মীরা ছিলেন। বিপর্যয়ের সময় শাসক দলের মন্ত্রী থেকে আমলাদের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    দুর্গতদের জন্য এক মাসের বেতন দান করলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) এদিন বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে সরাসরি হরপা বানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি পরিদর্শন করতে যান। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সেবক কালিঝোরা সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনে করেন। কালিঝোরায় তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে এই  অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেকোনও সময় আসতে পারে। প্রকৃতির বিরুদ্ধে গেলে এ ধরনের বিপর্যয় ঘটবে। উদ্ধারকার্য চলছে। এখন  সমালোচনা করার সময় নয়।’ পরে, তিনি সোজা জলপাইগুড়ি জেলার উদ্দেশ্যে রওনা হন। তিনি আটমাইল এলাকায় ধস বিধ্বস্ত এলাকাগুলি ঘুরে দেখেন। রাজ্যপাল দুর্গতদের জন্য নিয়ে আসেন মিষ্টির প্যাকেট। সকলকে মিষ্টি বিতরণ করেন তিনি। রংধামালি ক্যাম্পে আশ্রিত দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেন। রাজ্যপালকে দেখে নিজেদের অবস্থার কথা জানান দুর্গতরা। দুর্গতদের এক হাজার টাকা করে অ্যাকাউন্টে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাজ্যপাল। বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ কোনও সাহায্য পাচ্ছেন না সে কথা রাজ্যপালের কাছে দুর্গতরা নালিশ জানান। একশো দিনের কাজ নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তোলেন। কেন একশো দিনের কাজ বন্ধ? কেনই বা তাঁরা টাকা পাচ্ছেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। রাজ্যপাল তাঁদের অভাব অভিযোগ শুনেছেন। দুই সরকারের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাজ্যপাল। মুখ্যসচিবের কাছে বন্যা কবলিত এলাকার রিপোর্ট তলব করেছিলেন রাজ্যপাল। বোসের কাছে রিপোর্টও পাঠিয়েছেন মুখ্যসচিব। সিকিমের রাজ্যপালের সঙ্গেও কথা বলেছেন বোস। ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে রাজ্যপাল তিস্তার বাঁধ পরিদর্শন করেন। সেখানে দাঁড়িয়ে রাজ্যপাল জানিয়ে দেন, দুর্গতদের জন্য তিনি তাঁর এক মাসের বেতন দান করবেন।

    তিস্তায় ভেসে এল ১৫টি দেহ, হতবাক এলাকাবাসী

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জলপাইগুড়ি জেলায় তিস্তার জলে ভেসে আসতে শুরু করেছে দেহ। জেলায় মোট ১৫ টি মৃতদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। ময়নাগুড়ি থানা এলাকা থেকে ১২ জন, মালবাজার থানা এলাকা থেকে ১ টি এবং ক্রান্তি ফাঁড়ি এলাকা থেকে ২ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এদিন সকালে ময়নাগুড়ি দক্ষিণ ধর্মপুর এলাকার বাসিন্দারা তিস্তার চর এলাকায় নিজেদের কাজে গিয়ে মৃত দেহগুলি দেখতে পান। তারাই খবর দেন পুলিশে। ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ এসে দেহগুলি উদ্ধার করে। সেগুলিকে ময়না তদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এলাকার বাসিন্দা শ্যামল রায় বলেন, দেহগুলি দেখে তাদের অত্যন্ত খারাপ লাগছিল। এই মৃতদেহ গুলির মধ্যে কিছু দেহ সেনাবাহিনীর নিঁখোজ হওয়া জওয়ানদের রয়েছে। বাকীরা সাধারণ নাগরিক। এদিন মোতিয়ার চর এলাকা থেকে তিনটি  রকেট লঞ্চার উদ্ধার হয়। সেগুলিকে  তিস্তা নদীতেই পুঁতে দেওয়া হয়। তিস্তার ঘোলাটে জল গ্রাস করেছে সব কিছু।  চটি, জামাকাপড়, বাসনপত্র, রান্নার গ্যাসের অর্ধেক সিলিন্ডার। তিস্তা পাড়ের দু’পাড়ের বাসিন্দাদের জীবিকা মূলত নির্বাহ হয় চাষাবাদ আর চা বাগানে কাজ করে। সঙ্গে বাড়িতে থাকা পোষ্য গরু, ছাগল, হাঁস পালন করে। এখন সবই তিস্তার গ্রাসে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: উত্তরবঙ্গ ভাসছে, রাজভবন অভিযানে ব্যস্ত তৃণমূলের নেতারা, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: উত্তরবঙ্গ ভাসছে, রাজভবন অভিযানে ব্যস্ত তৃণমূলের নেতারা, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল উত্তরবঙ্গে থাকতে পারেন, রাজভবন তো নিয়ে চলে আসেননি। রাজভবন ওখানেই আছে। রাজভবনের সামনে গিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করবেন, চলে আসবেন। বৃহস্পতিবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করে তৃণমূলের রাজভবন অভিযানকে তীব্র কটাক্ষ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তৃণমূলের সাংসদদের দেখা করার কথা বললেও তাঁদের দেখা করার সাহস হয়নি। রাজ্যপাল রাজভবনের ভেতরে থাকেন। তৃণমূল বাইরে রাস্তায় কী কীর্তন করল, তা তো আর রাজ্যপাল দেখতে যাবেন না, শুনতেও যাবেন না। উত্তরবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতি খারাপ। তৃণমূল হয়তো উত্তরবঙ্গকে গুরুত্ব দেয় না, তাই তৃণমূলের নেতারা আন্দোলন করছেন দক্ষিণবঙ্গে। কিন্তু, রাজ্যপাল যে সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে উত্তরবঙ্গে এসে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, উত্তরবঙ্গের মানুষ হিসেবে আমরা সবাই ওনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

    পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির হানা নিয়ে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির হানা নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে কর্পোরেশন এবং পুরসভাগুলিতে যে নিয়োগ হয়েছিল, সেই নিয়োগে চুরি করেছে তৃণমূল। টাকা দিয়ে চাকরি বিক্রি করেছে। রথীনবাবু চালাক লোক, প্রচুর সম্পত্তির মালিক। কিন্তু, মানুষকে বুঝতে দেন না। চুপচাপ থাকেন, খুব সহজ সাধারণ থাকার চেষ্টা করেন। কিন্তু, ইডির চোখে এইভাবে ধূলো দেওয়া যাবে না। ইডি মাত্র ৬ জন অফিসার নিয়ে যেভাবে কাজ করছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমার বিশ্বাস, ইডি এই চোরগুলোকে উপযুক্ত জায়গায় পৌঁছে দেবে।

    সিকিম বিপর্যয় নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতির (Sukanta Majumdar) কী বক্তব্য?

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, সিকিমের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। যেভাবে তিস্তা ফুলেফেঁপে উঠেছে, তাতে আমরা চিন্তিত। আমি পার্টির তরফ থেকে সিকিমের পর্যবেক্ষক ছিলাম। সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি আমার সম্পূর্ণভাবে সহানুভূতি এবং সব রকম সমর্থন থাকল। আমাদের বিজেপি সিকিম ইউনিটের সভাপতি সহ বিভিন্ন কর্মীরা উদ্ধারকার্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজে লেগে রয়েছেন। দ্রুত ভালো হয়ে উঠুক সিকিমের পরিস্থিতি। তার জন্য আমরা ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি। কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে এনডিআরএফ থেকে শুরু করে সমস্ত সাহায্য সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে। সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

     তৃণমূলী হামলা নিয়ে থানায় অভিযোগ বিজেপির

    গতকাল রাতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কনভয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে হিলি থানায় অভিযোগ করতে চলেছে বিজেপি। এমনটাই জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Corruption: মোদি জমানায় রাজ্যের বরাদ্দ বেড়েছে কয়েক গুণ, তারপরেও দিল্লিতে দরবার!

    TMC Corruption: মোদি জমানায় রাজ্যের বরাদ্দ বেড়েছে কয়েক গুণ, তারপরেও দিল্লিতে দরবার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দিল্লিতে তৃণমূল (TMC Corruption) নাটকবাজি করছে, এমন অভিযোগ বারবার উঠেছে। বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে, আসল তথ্য অন্য কথা বলছে। বিগত ইউপিএ জমানার থেকে এ রাজ্যে ফান্ডের পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়িয়েছে মোদি সরকার। রিপোর্ট বলছে, রাজ্যের উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করতে ২০১৪ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে মোদি জমানায় পশ্চিমবঙ্গকে দেওয়া হয়েছে ৫.১৬ লক্ষ কোটি টাকা। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ইউপিএ-২ সরকার রাজ্যের জন্য বরাদ্দ করেছিল ৮৯ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। মনমোহন সরকারের থেকে মোদি জমানায় রাজ্যের উন্নয়ন খাতের বরাদ্দ যে অনেক বেশি, তা পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট। পরিসংখ্যান বলছে, বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ ৪৭৪ শতাংশ বেড়েছে মোদি সরকারের আমলে। ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, তাহলে কীসের ভিত্তিতে দিল্লিতে বাজার গরম (TMC Corruption) করতে গেলেন অভিষেক ও তাঁর দলবল?

    কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিতে দরাজ হস্ত

    কেন্দ্রীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, বরাদ্দের পরিমাণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শাসক দলের (TMC Corruption) নেতাদের দুর্নীতি পরিমাণও। কেন্দ্রীয় টিমও বিভিন্ন সময় রাজ্যে এসে হদিশ পেয়েছে বিভিন্ন প্রকল্পের দুর্নীতির। ২০২২ সালে কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করে যে আগামী তিন বছরে রাজ্যকে উন্নয়নের জন্য ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হবে। ওই ঘোষণায় এও বলা হয়, বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত দু’ লাখ কোটি টাকা রাজ্য সরকার পাবে, যদি প্রকল্পের কাজে জমি অধিগ্রহণ এবং পরিকাঠামো রাজ্য দেখাতে পারে (TMC Corruption)।

    আরও পড়ুন: বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থ রাজ্য, বঞ্চিত পরিযায়ী শ্রমিকরাও, বলছে রিপোর্ট

    সড়ক নির্মাণেও ঢেলে বরাদ্দ

    এরাজ্যে সড়ক নির্মাণে ঢেলে বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। রিপোর্ট বলছে, ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে ১,৮৬৮ কিলোমিটার সড়কপথ নির্মাণের জন্য। ২০১৪ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে এই বিপুল অর্থ বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি ৩,২৬২ কোটি টাকা কেন্দ্র সরকার বরাদ্দ করেছে ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে, ‘স্কিম ফর স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট টু স্টেটস ফর ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট’ প্রকল্পে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PMAY Scam: বঞ্চিত প্রকৃত গরিব, শাসক দলের কর্মীরাই পায় আবাস যোজনার বাড়ি! উল্লেখ রিপোর্টে

    PMAY Scam: বঞ্চিত প্রকৃত গরিব, শাসক দলের কর্মীরাই পায় আবাস যোজনার বাড়ি! উল্লেখ রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। ২০১৯ সালের মধ্যবর্তী সময়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে তৃণমূল নেতাদের বাড়ি ঘেরাও করতেও দেখা যায় কাটমানি ইস্যুতে। আবাস যোজনায় (PMAY Scam) কাটমানির পরিমাণ জেলায় জেলায় অবশ্য আলাদা। কোথাও ৫০ হাজার তো কোথাও আবার ২৫ হাজার। অথচ কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার প্রতিবাদে দিল্লিতে একপ্রস্থ নাটক করতে দেখা গেল তৃণমূল নেতৃত্বেকে। কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্ট বলছে, ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ১১ লাখ ৩৭ হাজার বাড়ি বানানোর লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয় পশ্চিমবঙ্গের জন্য। এই খাতে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ ৮,২০০ কোটি টাকা। বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র।

    কেন্দ্রীয় রিপোর্ট কী বলছে 

    শুধুমাত্র শাসকদলের কর্মী হওয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PMAY Scam) ঘর পাইয়ে দেওয়া হয়েছে এমন অজস্র অভিযোগ জমা পড়তে থাকে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। শুধু তাই নয়, ভুতুড়ে নামও উঠে এসেছে এই প্রকল্পের উপভোক্তা হিসেবে। তালিকাতে দেখানো হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘরের যিনি উপভোক্তা, বাস্তবে দেখা যাচ্ছে তাঁর দোতলা বাড়ি। কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ সঠিক উপভোক্তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর দিনাজপুর এবং মালদা জেলাতে। পূর্ব বর্ধমান, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদে আসল দাবিদাররা ঘর পায়নি, এমন সংখ্যা ১০ শতাংশেরও বেশি। সবক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে উপভোক্তারা আসলে শাসক দলের অনুগ্রহপুষ্ট। দিন কয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PMAY Scam) তৈরি ঘর দোকানঘর হিসেবে ভাড়া দিয়ে বিপাকে পড়েন শাসক দলের এক নেতা।

    খবরের শিরোনামে  আবাস যোজনার দুর্নীতি

    শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় রিপোর্টেই নয়, জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যমগুলির শিরোনামেও উঠে এসেছে তৃণমূলের এমন দুর্নীতির কথা। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর ২৫ জানুয়ারি ২০২৩ এর প্রতিবেদনে ছাপা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় দুর্নীতি। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক ইতিমধ্যে এনিয়ে চিঠিও লিখেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে। চিঠির বিষয় হল, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PMAY Scam) রূপায়ণে কেন্দ্রীয় টিম পশ্চিমবঙ্গে প্রচুর অনিয়ম খুঁজে পেয়েছে। এই চিঠি সংক্রান্ত খবর ছাপাও হয়েছে চলতি বছরের ৪ অগাস্ট ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-এর প্রতিবেদনে। অন্যদিকে ১৯ অগাস্ট ২০২৩-এ ‘ইন্ডিয়া টুডে’-এর প্রতিবেদনে ছাপা হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার নারায়ণীতলা গ্রামের কথা। এই গ্রামে কীভাবে প্রকৃত উপভোক্তাদের বঞ্চিত রেখে শাসকদলের অনুগতদের ঘর পাইয়ে দেওয়া হয়েছে সেই কথাই উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। তবে শুধু ১০০ দিনের কাজের টাকাতে বা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা ঘরের দুর্নীতি নয়, এমন অসংখ্য কেন্দ্রীয় প্রকল্পের দুর্নীতির সামনে আসছে। যেমন পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার সঙ্গে রাজ্যকে সংযুক্ত করতে ব্যর্থ হয়। যার ফল ভোগ করছেন প্রায় ৭০ লাখ কৃষক। ২০১৯ সালে যাঁদের জন্য ক্ষতিপূরণ বাবদ ৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISL 2023-24: সুনীলের পেনাল্টি নিয়ে বিতর্ক! বেঙ্গালুরুর কাছে হারলেও দলের খেলায় খুশি ইস্টবেঙ্গল কোচ

    ISL 2023-24: সুনীলের পেনাল্টি নিয়ে বিতর্ক! বেঙ্গালুরুর কাছে হারলেও দলের খেলায় খুশি ইস্টবেঙ্গল কোচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে ১-২ গোলে হার ইস্টবেঙ্গলের। তবে জোর করে পেনাল্টি পাইয়ে দেওয়া হল বেঙ্গালুরুকে। সেই গোলেই সমতা ফেরান সুনীল, এমনই দাবি ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লোস কুয়াদ্রতের। বুধবার বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে এক গোলে এগিয়ে গিয়েও, তিন পয়েন্ট হাতছাড়া করেছে লাল হলুদ। নওরেম মহেশের গোলে শুরুতেই এগিয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। এর চার মিনিটের মধ্যে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান সুনীল ছেত্রী। যে পেনাল্টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি জাভি হার্নান্ডেজের বিশ্বমানের গোল ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়। 

    কী বললেন কুয়াদ্রত

    ম্যাচের পর সাংবাদিক বৈঠকে কুয়াদ্রত বলেন, ”আমার ভাল লাগছে যে, আমরা আজ সব দিক থেকেই আধিপত্য বিস্তার করেছি। বেঙ্গালুরু যেখানে চারটে শট মেরেছে, সেখানে আমরা ১২টা শট মেরেছি। এর মধ্যে দুটো শট আমরা লক্ষ্যে রাখতে পেরেছি। এই সংখ্যাটা আমাদের বাড়াতে হবে। তবে আমার দলের ছেলেদের কোনও দোষ দেব না। তাদের চাপে ফেলতেও চাই না আমি। সমর্থকদের এবং আমাদেরও সবাইকে বুঝতে হবে, ফুটবল এ রকমই। বক্সের মধ্যে কে কী রকম খেলছে, তার ওপর নির্ভর করে সব কিছু। ওরা দুটো শট গোলে রেখেছে, দুটো থেকেই গোল পেয়েছে। আমরা কিন্তু অনেক সুযোগ হাতছাড়া করেছি। সুনীল আজ খুবই স্মার্টগেম খেলেছে। পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিয়েও সন্দেহ রয়েছে আমার। আমাদেরও এই ম্যাচে ও গত ম্যাচে নিশ্চিত পেনাল্টি দেওয়া হয়নি। এই দুটো পেনাল্টি পেলে হয়তো আমরা অন্য জায়গায় থাকতাম।” 

    লাল-হলুদ সমর্থক দেখে অভিভূত

    প্রাক্তন ক্লাবের ঘরের মাঠে অন্য দল নিয়ে নামার অনুভূতি প্রসঙ্গে এ দিন আইএসএল চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু এফসি-র কোচ কুয়াদ্রত জানান, ”বেঙ্গালুরুর সঙ্গে আমার অনেক আবেগ জড়িয়ে আছে। এখানে এসে অনেক কিছু মনে পড়ে যাচ্ছে। তবে এই ম্যাচে বেঙ্গালুরুকে আমি শেষ করে দিতে চেয়েছিলাম, যা সম্ভব হয়নি। অন্য ক্লাবে চলে যাওয়া সত্ত্বেও এখানকার সমর্থকেরা যে এখনও আমাকে ভালবাসে, শ্রদ্ধা করে, তা দেখে খুব ভাল লাগছে।” 

    বেঙ্গালুরুর মাঠেও এক ঝাঁক লাল-হলুদ সমর্থক দেখে অভিভূত কুয়াদ্রাত বলেন, ”ম্যাচের পর আমরা সমর্থকদের কাছে গিয়ে ধন্যবাদ জানিয়ে আসি। সব ম্যাচেই সমর্থকদের সাহায্য পাচ্ছি আমরা। ওরা আমার নাম লেখা একটা জ্যাকেটও উপহার দিয়েছে আমাকে। আমার খুবই ভাল লেগেছে। তবে ওদের জয় এনে দিতে না পেরে খুব খারাপ লাগছে। আশা করি, আমাদের ছেলেদের পারফরম্যান্স ওদের গর্বিত করবে। এই ম্যাচে আমাদেরই তিন পয়েন্ট পাওয়ার কথা ছিল।”

    আরও পড়ুন: বাইশ গজে বিশ্বযুদ্ধ! আজ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধন, তুমুল উন্মাদনা দেশে

    প্রথম হার ইস্টবেঙ্গলের

    চলতি আইএসএলে এটাই প্রথম হার ইস্টবেঙ্গলের। প্রথম দু’টি ম্যাচে অপরাজিত থাকলেও বেঙ্গালুরু এফসি-র বিরুদ্ধে তাদের মাঠে গিয়ে হারতে হল লাল-হলুদকে। লিগে পাঁচ নম্বরে রয়েছে কার্লেস কুয়াদ্রতের দল। এ বারের লিগে প্রথম জয় পেল বেঙ্গালুরু। তিন ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিয়ে সুনীলেরা আট নম্বরে। লিগ শীর্ষে রয়েছে মোহনবাগান।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: শঙ্খচিলের ডাকে হত অষ্টমীর বলি! ভোগে কাঁচকলা দিয়ে শুক্তো আর কচুশাক 

    Durga Puja 2023: শঙ্খচিলের ডাকে হত অষ্টমীর বলি! ভোগে কাঁচকলা দিয়ে শুক্তো আর কচুশাক 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান জেলার বুদবুদ থানার খাণ্ডারী গ্রাম। এখানকারই অভিজাত পরিবার চট্টরাজ পরিবার। এই পরিবারে দেবী দুর্গার পুজো (Durga Puja 2023) হয় মহা ধুমধাম করে। আজও প্রাচীন রীতি মেনে দুর্গার আরাধনা হয় চট্টরাজ পরিবারে। খাণ্ডারীর চট্টরাজ পরিবারের দেবী দুর্গার প্রতিষ্ঠা হয় ১৫২৬ সালে। এ বছর চট্টরাজ পরিবারের দেবী দুর্গা ৪৯৭ বছরে পা দিল। সাবেক বর্ধমান জেলার (বর্তমানে দুই বর্ধমান জেলা) প্রাচীন দুর্গাপুজোগুলির মধ্যে অন্যতম একটি দুর্গাপুজো হল খাণ্ডারী গ্রামের চট্টরাজ পরিবারের দুর্গাপুজো। পুজোর প্রতিষ্ঠা করেন চট্টরাজ পরিবারের বৈদ্যনাথ চট্টরাজ।

    অষ্টমীর বলির প্রথা (Durga Puja 2023)

    চট্টরাজ পরিবারের দেবীর আরাধনায় (Durga Puja 2023) অষ্টমীর বলির একটি প্রথা ছিল। প্রাচীন কালের এই প্রথা এখন আর মেনে চলা সম্ভব হয়নি। কারণ, আকাশে এখন আর শঙ্খচিল দেখা যায় না। প্রাচীন কালে আকাশে উড়ত শঙ্খচিল। আর সেই শঙ্খচিল ডাকলে তবেই অষ্টমীর মাহেন্দ্রক্ষণে বলি হত। এখন আর অবশ্য সেই প্রাচীন প্রথা মেনে চলা সম্ভব হয় না।

    ভোগেও ব্যতিক্রমী ছোঁয়া (Durga Puja 2023)

    চট্টরাজ পরিবারের দেবীর আরাধনায় ভোগের মধ্যেও বেশ ব্যতিক্রমী ছোঁয়া রয়েছে। চট্টরাজ পরিবার সুত্রে জানা গিয়েছে, বহুকাল আগে কোনও এক অজ্ঞাত ব্যক্তি পুজোর সময় দেবী দুর্গার মন্দিরের সামনে একটি ছাগল, এক কাঁদি কাঁচকলা আর কচু শাক রেখে দিয়ে যায়। অদ্ভুদভাবে চট্টরাজ পরিবারের এক কর্তা দেবীর স্বপ্নাদেশ পান, নবমীর দিন ছাগলটিকে বলি দিতে হবে এবং এবং সেই ছাগলের মাংস ভোগে দিতে হবে ও তার সাথে কাঁচকলা দিয়ে শুক্তো আর কচুশাক রান্না করে দিতে হবে। নবমীর দিন দেবীর নির্দেশ মতো ছাগ বলি দেওয়া এবং তার মাংস ভোগে দেওয়া এবং কাঁচকলা দিয়ে শুক্তো ও কচু শাক দেওয়া হয়। সেই প্রাচীন প্রথা (Durga Puja 2023) আজও মেনে চলে চট্টরাজ পরিবার। সিঁদুর খেলারও রেওয়াজ রয়েছে এই পরিবারের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Flood: বৃষ্টির জেরে দক্ষিণবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি, বহু পুজোমণ্ডপ জলের তলায়! দুশ্চিন্তায় উদ্যোক্তারা

    Flood: বৃষ্টির জেরে দক্ষিণবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি, বহু পুজোমণ্ডপ জলের তলায়! দুশ্চিন্তায় উদ্যোক্তারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো শুরু হতে আর দু’সপ্তাহ বাকি। এখনও আকাশের মুখ ভার হয়ে রয়েছে। বৃহস্পতিবারও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বীরভূমে জারি রয়েছে লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দক্ষিণের বাকি সব জেলায় জারি কমলা সতর্কতা। বৃহস্পতিবারও দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ইতিমধ্যেই এদিন বেলা ১১টা নাগাদ ডিভিসি-র মাইথন থেকে ৩০ হাজার কিউসেক এবং পাঞ্চেত থেকে ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছিল। এদিকে ইতিমধ্যেই বন্যার (Flood) জলে ভেঙে পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের জমিনদারি বাঁধ। পশ্চিম মেদিনাপুর, হুগলি সহ একাধিক জেলায় পুজোমণ্ডপ জলের তলায়। জল না নামলে পুজো কীভাবে হবে, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় উদ্যোক্তারা।

    জলমগ্ন পুজোমণ্ডপ! (Flood)

    নিম্নচাপের লাগাতার বৃষ্টিপাত ও ডিভিসির ছাড়া জলে আরামবাগ মহকুমায় কয়েক হাজার হেক্টর কৃষিজমি চলে গিয়েছে জলের তলায়। তাতেই মাথায় হাত এলাকার কৃষকদের। এরই মধ্যে মেদিনীপুর থেকে আরামবাগ, রাজ্যের একাধিক প্রান্তে ভারী বর্ষণের জেরে তৈরি হয়েছে বন্যা (Flood) পরিস্থিতি। একই অবস্থা পাশের এলাকা জাঙ্গিপাড়ারও। দামোদর নদের জলে প্লাবিত হুগলির জাঙ্গিপাড়া ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা। সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতেও মিলছে না সরকারি সহযোগিতা। এমনই অভিযোগ বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের। জাঙ্গিপাড়া ব্লকের রশিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আকনা, সেনপুর, হরিহরপুর এবং পশপুর গ্রাম জলমগ্ন। পাশাপাশি রাজবলহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ছিটখোলা গ্রামও চলে গিয়েছে জলের তলায়। এই সব এলাকার একাধিক মণ্ডপ জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের কলমিজোড় এলাকায় জলস্তর বিপদসীমায় পৌঁছেছে। ঘাটাল মহকুমার বাঁকা, গদাইঘাট, গোপিগঞ্জ, কলমিজোড়, রানিচক প্রভৃতি এলাকায় প্রায় বিপদ সীমার উপর দিয়ে জল বইছে যথাক্রমে শিলাবতী ও রূপনারায়ণে। কেলেঘাই, কপালেশ্বরীর ভয়ঙ্করী রূপে কপাল পুড়তে পারে বেলদা-নারায়ণগড় থেকে গোটা সবং-পিংলার। ঘাটালের হরিশপুর থেকে বন্দর যাওয়ার খেয়াঘাট সহ রূপনারায়ণের প্রায় সব খেয়াঘাট বন্ধ। জলের তলায় কয়েকশো হেক্টর চাষযোগ্য জমি। ফুঁসছে কপালেশ্বরী নদী। নন্দপুরা, চক খুনখুনিয়া সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। এই সব এলাকায় মণ্ডপ তৈরির জন্য বাঁশের কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। সেই মণ্ডপও এখন জলমগ্ন হয়ে রয়েছে।

    পুজোর উদ্যোক্তারা কী বললেন?

    পুজোর এক উদ্যোক্তা বললেন, মণ্ডপ থেকে জল কবে নামবে, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কারণ, পুজোর প্যান্ডেল আদৌ করা যাবে কি না তা বুঝতে পারছি না। নতুন করে বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হবে। প্লাবিত এলাকায় জল নামতে কতদিন সময় লাগবে তা নিয়ে ধন্দে রয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: জনাইয়ের চৌধুরী বাড়ির পুজো ৩৫০ বছরের পুরনো, দেবীর এখানে মাত্র চারটি হাত!

    Durga Puja 2023: জনাইয়ের চৌধুরী বাড়ির পুজো ৩৫০ বছরের পুরনো, দেবীর এখানে মাত্র চারটি হাত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বনেদি বাড়ির দুর্গাপুজো, যে পুজোর মধ্যে আড়ম্বর কম, নিষ্ঠা বেশি। যে পুজোগুলিকে ঘিরে ইতিহাস জড়িয়ে আছে পরতে পরতে। এরকম একটি বনেদি বাড়ি হল হুগলির জনাইয়ের অন্তর্গত বাকসা গ্রামের চৌধুরী বাড়ি। প্রায় সাড়ে তিনশো বছরের পুরনো এই বাড়ি। পুজোর বয়সও প্রায় সমান (Durga Puja 2023)। জনশ্রুতি, নিশিপদ্ম ছায়াছবিতে উত্তম কুমারের লিপে মান্না দে’র সেই বিখ্যাত গান, “শুনেছি চৌধুরী বাড়িতে নাকি বসেছে আসর, এসেছে কলকাতারই নামকরা সেই নট্ট কোম্পানি” রচিত হয়েছিল এই চৌধুরী বাড়িকে ঘিরেই। রাধগোবিন্দ এই চৌধুরী বাড়ির কুলগুরু হওয়ায় দুর্গাপুজোর পাশাপাশি দোলযাত্রাও প্রসিদ্ধ। আর এই দোলযাত্রাকে ঘিরে গ্রামে মেলা থেকে শুরু করে কলকাতার বিখ্যাত যাত্রাদল নিয়ে অনুষ্ঠান করা প্রথম থেকেই এই বাড়ির রেওয়াজ।

    কাশী পৌঁছনোর আগেই মায়ের স্বপ্নাদেশ (Durga Puja 2023)

    লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশের অর্থমন্ত্রী শচিন্দ্র চৌধুরী ছিলেন এই চৌধুরী বংশেরই সন্তান। এই বাড়ির দুর্গাপুজোর বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। এখানে দেবীর দশ নয়, চার হাত। এখানে পুজোর কোনও উপাচার মহিলারা করতে পারেন না। সবই পুরুষরা করেন। এই বাড়ির এক বংশধর সুশান্ত চৌধুরী জানান, তাঁদের পূর্ব পুরুষ জগৎনারায়ণ চৌধুরী বর্ধমান রাজার দেওয়ান ছিলেন। বর্ধমান মহারাজাই এই বাকসা গ্রামে শতাধিক বিঘা জমি জগৎনারায়ণকে উপহার দেন। জগৎনারায়ণ ঠিক করেন, তিনি সেখানে দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) করবেন। কীভাবে মূর্তি হবে মায়ের, সেই ধারণা নিতিই তিনি কাশী রওনা হন। কিন্তু কাশী পৌঁছনোর আগেই তিনি মায়ের স্বপ্নাদেশ পান। এরপর তিনি বাকসা ফিরে এসে মায়ের পুজো চালু করেন।

    চালচিত্রে রাধাগোবিন্দের স্থান (Durga Puja 2023)

    যেহেতু তাঁরা রাধাগোবিন্দের ভক্ত, তাই চালচিত্রের উপর জয়া-বিজয়ার জায়গায় রাধাগোবিন্দের স্থান দেওয়া হয়। আসলে এই পুজো ছিল শাক্ত ও বৈষ্ণব মতের মেলবন্ধন। পুজোর শুরুতে পাঁঠাবলিও হত। কিন্তু এখন ফল বলি হয়। সুদূর কসবা থেকে এসেছিলেন রঞ্জনা বসু। দীর্ঘদিন ধরে এই বাড়ির পুজো (Durga Puja 2023) তিনি দেখে আসেন। পুজোর প্রাক প্রস্তুতি দেখতে অনেকের সঙ্গে তিনিও আসেন।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: বন্ধ কোণা এক্সপ্রেসওয়ের একটি লেন, কোমর জল কোটি টাকার আন্ডারপাসে, ভোগান্তি

    Howrah: বন্ধ কোণা এক্সপ্রেসওয়ের একটি লেন, কোমর জল কোটি টাকার আন্ডারপাসে, ভোগান্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগাড়ে বৃষ্টির জেরে গত তিনদিন ধরে জলে ডুবে রয়েছে হাওড়ার (Howrah) কোণা এক্সপ্রেসওয়ের উপর গড়পা সেতুর আন্ডারপাস। যার জেরে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। হাওড়া জেলা প্রশাসন এবং পূর্ত দফতরের জাতীয় সড়ক শাখার পদস্থ ইঞ্জিনিয়ারদের পাশাপাশি হাওড়া সিটি পুলিশ ও পুরসভার কর্তারা একাধিক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেও পরিস্থিতির বিন্দুমাত্র উন্নতি ঘটাতে পারেননি। ফলে, ভোগান্তির শেষ নেই।

    আন্ডারপাসে কোমর সমান জল, ভোগান্তি (Howrah)

    কোণা এক্সপ্রেসওয়ের গড়পা এলাকায় একটি সেতুর পাশাপাশি সেখানকার সবচেয়ে নিচু জমিতে এই আন্ডারপাস তৈরি করেছিল রাজ্য পূর্ত দফতরের জাতীয় সড়ক বিভাগ। কয়েক কোটি টাকা খরচ করে মাত্র মাস পাঁচেক আগে সেটির উদ্বোধন করেছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাওড়ার (Howrah) কোণা এক্সপ্রেসওয়ের উপরে গড়পা সেতুর সেই আন্ডারপাসে কোমর সমান জল হওয়ায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে, কোণা এক্সপ্রেসওয়ের কলকাতামুখী একটি লেন পুরো বন্ধ রেখে অন্য লেন দিয়ে দু’দিকে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। চরম নাকাল হতে হচ্ছে পথচারীদের। পাশাপাশি গত তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে হাওড়া পুরসভার ২০টি ওয়ার্ড। বেলগাছিয়া ভাগাড়ে ধস নামার কারণে মূল নিকাশি নালা এখনও বুজে আছে। তাই পুজোর আগে জলে প্লাবিত উত্তর হাওড়া, বেলগাছিয়া ও টিকিয়াপাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ওই জায়গাটি অত্যন্ত নিচু হওয়ায় আগে ভারী বৃষ্টি হলে সেই জল উনসানি, নয়াবাজ বা শীতলাতলা দিয়ে বেরিয়ে যেত। কিন্তু, জগাছায় একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ তৈরি হওয়ার সময় কয়েক একর জলাজমি বুজিয়ে ফেলা হয়। ফলে, বৃষ্টির সব জল এসে জমতে শুরু করে নিচু ওই এলাকায়। মূল জলাধার বলতে ছিল ওই জলাজমিটি। সেটি বেআইনিভাবে বুজিয়ে দেওয়ায় সব জল এসে জমা হচ্ছে এই আন্ডারপাসে। তা আর বের হওয়ার পথ পাচ্ছে না।

    প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    পূর্ত দফতরের জাতীয় সড়ক বিভাগের এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, আন্ডারপাসে যাতে এলাকার জল না ঢোকে, তার জন্য বিভিন্ন নিকাশি নালার মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় লোকজন সেগুলি খুলে দেওয়ায় এই বিপত্তি। হাওড়া (Howrah) পুরসভার চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী বলেন, টানা বৃষ্টির জন্য জল জমছে। বেলগাছিয়া ভাগাড়ে ধসের জন্য মূল নিকাশি নালাটি অবরুদ্ধ হয়ে থাকায় জলমগ্ন হয়েছে উত্তর হাওড়া ও বেলগাছিয়া। জল বের করতে ৫০টি পাম্প কাজ করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MGNREGA: সীমাহীন দুর্নীতি একশো দিনের কাজে, ২৫ লাখ ভুয়ো জব কার্ডে কত টাকা আত্মসাৎ?

    MGNREGA: সীমাহীন দুর্নীতি একশো দিনের কাজে, ২৫ লাখ ভুয়ো জব কার্ডে কত টাকা আত্মসাৎ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের টাকা ব্যাপক নয়ছয়ের অভিযোগ রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে। যতই দিল্লিতে আত্মপ্রচারের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের সাংসদরা ধর্না দিক, রিপোর্ট বলছে অন্য কথা। ‘ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট’ (MGNREGA)-এ চূড়ান্ত দুর্নীতি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সন্ধান মিলেছে লাখ লাখ ভুয়ো জব কার্ডের। এর পাশাপাশি কয়েক মাস আগে এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও গড়িয়েছিল। অভিযোগ, উত্তর দিনাজপুর জেলায় জেসিবি দিয়ে পুকুর খনন হয়েছে বলে যে জায়গা দেখানো হয়েছে, সেখানে আদতে রয়েছে একটি ভুট্টার ক্ষেত। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতিতে সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছেন। কত টাকা শাসক দল আত্মসাৎ করেছে, সেবিষয়ে জানতে চেয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘২৫ লাখ ভুয়ো জব কার্ডে কত টাকা আত্মসাৎ?’’

    ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে হাজার হাজার অভিযোগ

    ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে দুর্নীতির ৩,৩৫৮টি অভিযোগ জমা পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। কীভাবে টাকা নয়ছয় করা হয়েছে, ওই অভিযোগপত্রগুলিতে সেই সংক্রান্ত খতিয়ান তুলে ধরা হয়েছে! শুধু তাই নয়, সারা দেশের মধ্যে একমাত্র রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ যেখানে ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। ২০১৯ সালেই কেন্দ্রীয় টিম তাদের রাজ্য সফরে এমন ভুরি ভুরি অভিযোগ পায়।

    খবরের শিরোনামে ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতি

    বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবরের শিরোনামেও ১০০ দিনের (MGNREGA) কাজে ভুয়ো জব কার্ডের তথ্য উঠে আসতে থাকে। ওই প্রতিবেদনগুলিতে দেখা যায়, পশ্চিমবঙ্গই একমাত্র রাজ্য যেখানে মৃত ব্যক্তিদেরও জব কার্ড রয়েছে। বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র ‘দ্য সানডে গার্ডিয়ান’-এর ২০২৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সংস্করণে এই সংক্রান্ত খবর বের হয়। ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়, কীভাবে ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তিদেরও জব কার্ড বানানো হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার ২০২৩ সালের ১৮ জুনের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে একজন প্রাক্তন বিডিওকে ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতির অভিযোগে সিবিআই গ্রেফতার করেছে। ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-এর ২০২৩ সালের ১৫ জুলাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে ইডি একজন তৃণমূল নেতার বাড়িতে হানা দেয় ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতির তদন্তে। সর্বভারতীয় নিউজ নেটওয়ার্ক ‘ইন্ডিয়া টুডে’-র ২২ অগাস্ট ২০২৩ এর প্রকাশিত খবরে দেখা যাচ্ছে সিবিআই ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গে, যারা ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। এছাড়াও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসেই সিবিআই গ্রেফতার করে একজন প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানকে। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের এই সীমাহীন দুর্নীতি (MGNREGA) আজকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে গরিব এবং অসহায় মানুষদের জীবন জীবিকার অধিকারকে, এমনটাই বলছেন ওয়াকিবহল মহলের একাংশ। দুর্নীতি থেকে নজর ঘোরাতেই শাসক দল এখন টাকা আদায়ের দাবিতে ব্যস্ত।

    কীভাবে টাকা নয়ছয় হচ্ছে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে?

    ১) বিগত বছরে সেন্ট্রাল টিমের ভিজিটে যে দুর্নীতিগুলি উঠে এসেছিল, তার উদ্ধারের পরিমাণ সেন্টাল টিম ঠিক করে দিয়েছিল। এখনও পর্যন্ত কোনও পঞ্চায়েত এই টাকা জমা করেনি।

    ২) নতুন পুকুর (MGNREGA) মূলত জেসিবি মেশিনে কাটা হয়েছে, পরে লেবারের নামে মাস্টার রোল তৈরি করে টাকা তোলার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। যদিও নারেগার গাইডলাইন অনুযায়ী কোনও মেশিন ব্যবহার করে কাজ করা যায় না। মুষ্টিমেয় কিছু পেটোয়া শ্রমিক বা নিজেদের লোকেদের নামে মাস্টার রোল করা হয়েছে এবং কিছু মানুষকে ভয় দেখিয়ে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকানোর পর জোরপূর্বক ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে।

    ৩) নারেগা রিপোর্ট দেখলে স্পষ্ট বোঝা যায়, ১০০ দিনের কাজের যারা প্রকৃত লেবার, তারা ১০০ দিনের কাজ পায়নি, কেউ ১০ দিন, ২০ দিন বা ৩০ দিন সারা বছরে কাজ পেয়েছে। কিন্তু মুষ্টিমেয় কিছু লেবার যারা দলের কর্মীও বটে, ১০০ দিন কাজ সম্পূর্ণ করেছে। তাদের ব্যাঙ্কে টাকা ঢোকানোর পর টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

    ৪) বর্তমানে জব কার্ড (MGNREGA) আধার সিডিং বা যুক্ত হওয়ার আগে একই লেবারকে বিভিন্ন জব কার্ডে ঢুকিয়ে টাকা তোলা হয়েছে।

    ৫) নারেগার নিয়ম অনুযায়ী একটি পরিবারের একটি জব কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, একটি পরিবারের একাধিক জব কার্ড তৈরি করা হয়েছে এবং ঠিক সেগুলিতেই ১০০ দিনের কাজ সম্পূর্ণ করা হয়েছে।

    ৬) কাজগুলির জায়গায় পার্মানেন্ট ডিসপ্লে বোর্ড নেই। ঠিক যখন সেন্ট্রাল টিম ভিজিটে আসছে, তখনই তড়িঘড়ি রাতারাতি ডিসপ্লে বোর্ড জায়গায় জায়গায় লাগানো হয়েছে।

    ৭) যে সব নতুন পুকুর কাটা হয়েছে, সেগুলি সব চাষযোগ্য জমির উপরে কাটা হয়েছে। কিন্তু কোনও জমিকেই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শ্রেণি পরিবর্তন না করেই পুকুর তৈরি করা হয়েছে।

    ৮) কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতের গ্রামসভা বা সংসদ সভাতে কোনরূপ আলোচনা বা বেনিফিশিয়ারি তৈরি না করেই নিজেদের লোকেদের জায়গায় নারেগা IBS স্কিমগুলি করা হয়েছে। কিন্তু গ্রামসভাতে আলোচনা বাধ্যতামূলক।

    ৯) নারেগা বিষয়ক গ্রাম পঞ্চায়েতের স্তরে যে কন্ট্রাকচুয়াল ওয়ার্কার কাজ করে, (মূলত প্রতি বছর কন্ট্রাক্ট রিনিউয়াল হয়) তাদের পরের বছর রিনিউয়াল না করার ভয় দেখিয়ে বা চাকরি খাওয়ার ভয় দেখিয়ে স্কিমগুলিতে দুর্নীতি করতে বাধ্য করা হয়েছে।

    ১০) নারেগা বিষয়ক জেলায় জেলায় ডেভেলপমেন্ট মিটিংয়ে সরকারি আধিকারিকরা গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মচারীদের প্রতিনিয়ত অপমান, মাইনে বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি, চোখ রাঙানি ইত্যাদি করে জোরপূর্বক শ্রম দিবস জেনারেট করতে বলেছেন। এঁদের দিয়েই লাখ লাখ ভুয়ো মাস্টার রোল এবং কর্মদিবস তৈরি করে টাকা তোলা হয়েছে। আধাআধি ভাগাভাগিও করা হয়েছে সেই টাকা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share