Tag: Madhyom

Madhyom

  • Lotus: অতিবৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কুঁড়ি, দুর্গাপুজোয় কতটা মিলবে অপরিহার্য পদ্মফুল?

    Lotus: অতিবৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কুঁড়ি, দুর্গাপুজোয় কতটা মিলবে অপরিহার্য পদ্মফুল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় দুর্গাপুজোয় পদ্মফুলের সঙ্কট দেখা দিতে পারে, এমনটাই আশঙ্কা করছেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পদ্মফুল চাষিরা। সময়ে বৃষ্টির অভাব এবং অসময়ের বৃষ্টিতে পদ্মফুল (Lotus) চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই কারণেই দুর্গাপুজোয় পদ্মফুল পাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জেলার পদ্ম চাষিরা। সেক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথাও অনেকে উড়িয়ে দিতে পারছেন না। কারণ, পুজোয় পদ্মফুল একটি অতি আবশ্যিক উপকরণ। পরিস্থিতি প্রতিকূল হলে চাহিদা এবং জোগানের মধ্যে যে ভারসাম্য থাকবে না, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

    ফুল চাষে পর্যাপ্ত বৃষ্টির অভাব (Lotus)

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট ও পাঁশকুড়া ফুল উৎপাদনে রাজ্যের প্রথম সারিতে। অন্যান্য ফুলের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পদ্মফুলের চাষ হয় কোলাঘাটের সাগরবাড় সহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামে। মূলত, রেল লাইনের পাশের জলাশয়গুলিতে পদ্মফুল (Lotus) চাষ হয়। চৈত্র মাস থেকে শুরু করে পদ্মফুলের চাষ চলে আশ্বিন-কার্তিক মাস পর্যন্ত। এই সময়ে অন্যান্য পুজোর পাশাপাশি মূলত দুৰ্গাপুজোকে লক্ষ্য রাখেন জেলার পদ্মচাষিরা। কারণ, এই ফুল দুর্গাপুজোয় অপরিহার্য হওয়ায় বাড়তি লাভের আশায় মুখিয়ে থাকেন পদ্মচাষিরা। কিন্তু এবার সেই আশায় বাধা হয়েছে প্রকৃ্তির বিরূপ আচরণ। পদ্মফুল চাষের জন্য এ বছর পর্যাপ্ত বৃষ্টির অভাব দেখা দেয় জুন-জুলাই মাসে। আর তাতেই জোগানে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

    ফুল চাষিদের কী বক্তব্য?

    ফুল চাষিদের বক্তব্য, জলহাওয়া খুব খারাপ। জল বেড়ে গিয়েছে। কুঁড়িগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পুজোয় জোগান খুব কম থাকবে। এখানকার যা পরিস্থিতি, তা দেখে মনে হচ্ছে, পুজোয় বাজার ভালো যাবে না। বারবার নিম্নচাপ হচ্ছে। আবহাওয়া তো সব খেয়ে যাচ্ছে। গাছ বাড়ছে, কুঁড়িও আসছে, কিন্তু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে, পুজোয় ফুলের চাহিদা অনুযায়ী জোগান দেওয়া যাবে কি না সন্দেহ রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Breathing Problem: অজানা শ্বাসকষ্টে বারবার আক্রান্ত হচ্ছে ছেলেমেয়েরা, আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সিউড়িতে

    Breathing Problem: অজানা শ্বাসকষ্টে বারবার আক্রান্ত হচ্ছে ছেলেমেয়েরা, আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সিউড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। আক্রান্ত হয়ে রোজ মানুষ মারা যাচ্ছেন। বর্ষার জমা জল, যত্রতত্র ময়লা, আবর্জনা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতিতে বারবার রাজ্য প্রশাসন এবং পুরসভার বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছেন সাধারণ মানুষ। সেই সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা সরব হয়েছেন সর্বত্র। এবার ফের বীরভূমের সিউড়ি ব্লকের বেশ কিছু গ্রামের মানুষ অজানা এক শ্বাসকষ্ট (Breathing Problem) রোগে আক্রান্ত হওয়ায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। কম বয়সের ছেলেমেয়েরাই বারবার এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে রোগের কারণ জানা যাচ্ছে না। আর তাই আতঙ্ক বাড়ছে।

    অজানা শ্বাসকষ্টে (Breathing Problem) আতঙ্ক

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের ছেলেমেয়েরা বারবার শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে। এক পরিবারের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি এই শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু রোগের কারণ সম্পর্কে কেউ কিছু বলতে পারছে না। সিউড়ির ২ নম্বর ব্লকের অবিনাশপুর, ভোলাইপুর, ক্ষতিপুর সহ বেশ কিছু এলাকার মানুষ রোজ আক্রান্ত হচ্ছে, এই অজানা শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে। যারা এই অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের মধ্যে বেশির ভাগের বয়স ১২ থেকে ২০ বছর। এলাকায় এখনও পর্যন্ত ৪০ থকে ৫০ জন ছেলেমেয়ে আক্রান্ত হয়েছে। রোগের কারণ জানতে না পারায় এলাকায় আতঙ্ক বাড়ছে।

    অভিভাবকদের বক্তব্য

    এলাকার অভিভাবকদের বক্তব্য, “এলাকার এক একটি পরিবারের দুই থেকে তিনজন ছেলেমেয়ে এই রোগে বারবার আক্রান্ত হচ্ছে। শ্বাসকষ্ট (Breathing Problem) উঠলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অবিনাশপুর হাসপাতালে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে নিয়ে যেতে হচ্ছে আবার সিউড়ি কিংবা বর্ধমানেও। আক্রান্তদের মধ্যে ছেলের তুলনায় মেয়েদের সংখ্যা অনেক বেশি। এলাকায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষ।”

    চিকিৎসকদের বক্তব্য

    এলাকায় স্বাস্থ্য দফতর থেকে বিশেষ মেডিক্যাল টিম পৌঁছালেও এখনও পর্যন্ত রোগের (Breathing Problem) কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মানসিক চাপের জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। সেই সঙ্গে আরও বলেন, সম্পূর্ণ রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি স্বাস্থ্য দফতর।

    সিউড়ি দুই নম্বর ব্লকের বিএমওএইচ (BMOH) বলেন, বেশ কিছু মেয়ের সমস্যার কথা জানা গেছে। আমরা চিকিৎসার কাজ চালাচ্ছি। অনেক বাইরের ডাক্তার এসে চিকিৎসা করছেন। তবে কারণ পুরোপুরি এখন বলা সম্ভব হচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: বীরভূমে কি কেষ্ট-রাজ খতম! একের পর এক সরিয়ে ফেলা হচ্ছে ছবি

    Anubrata Mondal: বীরভূমে কি কেষ্ট-রাজ খতম! একের পর এক সরিয়ে ফেলা হচ্ছে ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে এখন জেলবন্দি তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বছরখানেক ধরেই তিনি জেলার বাইরে। দলের রাশ এখন কেষ্ট বিরোধী হিসেবে জেলায় পরিচিত কাজ সেখের হাতে। অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) কি সত্যিই ঝেড়ে ফেলতে চাইছে দল? একের পর এক ঘটনায় কার্যত সেই তত্ত্বেই পড়ছে সিলমোহর। এতদিন বীরভূম জেলায় একাধিক জায়গায় তার নাম, ছবি মুছে ফেলা কিংবা ছবি ব্যবহার না করা হলেও কেষ্টর খাসতালুক বোলপুরে কখনও হয়নি। এবার বোলপুরে সেটাই ঘটল।

    ঠিক কী হয়েছে বোলপুরে? (Anubrata Mondal)

    বীরভূমের বেতাজ বাদশা ছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। গ্রেফতারির পরও একুশের বিধানসভা ভোটের পর জেলা তৃণমূলের পোস্টার বয় ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলই। তাঁক সামনে রেখে নির্বাচনী বৈতরনী পার করার চেষ্টা করেছিল দল। এখন সেই কেষ্ট কিনা দলে ব্রাত্য হয়ে পড়ছেন। বোলপুর থানার বাহিরী পঞ্চায়েতের তৃণমূল কার্যালয়ে এতদিন জ্বল জ্বল করত অনুব্রত মণ্ডলের ছবি। সেই ছবি মুছে ফেলা হয়েছে আগেই। এবার ফাঁকা দেওয়ালে পুরানো ছবির অস্তিত্বটুকুও মুছে ফেলা হল। যেটা বোলপুরের মাটিতে এতদিন ভাবা যেত না। অনুব্রতের সেই ছবির জায়গায় বোলপুরের বাহিরী পঞ্চায়েতের তৃণমূল কার্যালয়ের দেওয়ালে এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাজল শেখের ছবি দেওয়া ব্যানার লাগিয়ে দেওয়া হয়। আর যা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

    ছাঁটাই-পর্ব চলছে ক’দিন ধরেই

    দুদিন আগেই নানুরের হোসেনপুরে অনুব্রতের ছবি মুছে ফেলা হয়েছিল। তার আগে দুবরাজপুরে একটি দুয়ারে সরকারের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেকের সঙ্গে কাজল সেখের ছবি শোভা পেলেও ঠাঁয় হয়নি কেষ্টর ছবি। সম্প্রতি, পঞ্চায়েতে স্থায়ী সমিতি গঠনেও জেলা তৃণমূলের পর পর পদক্ষেপ দেখে প্রশ্ন উঠেছিল অনুব্রত ছোঁয়া কি এড়াতে চাইছে তৃণমূল? কারণ-কাজল শেখের হাতে জেলার রাশ যাওয়ার পরই একের পর এক অনুব্রত অনুগামীদের এক ঘরে করে দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসছে। স্থায়ী সমিতিতে বহু বছর ধরে থাকা সদস্য হওয়া সত্ত্বেও অনুব্রত অনুগামী হিসেবে পরিচিতরা এবার স্থায়ী সমিতিতে জায়গা পাননি। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে সপ্তাহখানেক আগেই খয়রাশোল এর ব্লক সভাপতি কাঞ্চন অধিকারী পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বলেই জেলায় পরিচিত। পার্টি অফিস থেকে ছবি মুছে ফেলার পাশাপাশি কেষ্ট ঘনিষ্ঠদের ধীরে ধীরে ডানা ছাঁটা শুরু হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Asian Games: এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের পর দুরমুশ বাংলাদেশ, এক ডজন গোল ভারতীয় হকি দলের

    Asian Games: এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের পর দুরমুশ বাংলাদেশ, এক ডজন গোল ভারতীয় হকি দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানকে গুনে গুনে দশ গোল দিয়েছিল ভারতের হকি দল (Asian Games)। এবার সোমবারের ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে করা গোলের সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গেল ভারতীয় দল। এক ডজন গোলে পরাস্ত হল বাংলাদেশ। এর পাশাপাশি দিন হ্যাট্রিকও করলেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত এবং মনিন্দর সিংহ। এতদিন চলছিল গ্রুপ পর্বের লড়াই। সেই পর্বে নিজেদের পাঁচটি ম্যাচই জিতল ভারত। গ্রুপের সর্বোচ্চ জায়গায় থেকে সেমিফাইনালে উঠল হরমনপ্রীতরা। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মোট ৫৮টি গোল করেছেন ভারতীয় খেলোয়াড়রা।

    সোনা জয়ের লক্ষ্যে ভারতের হকি দল

    যেভাবে ভারতীয় দল (Asian Games) এগোচ্ছে তাতে এশিয়ান গেমসে সোনা জয় নিশ্চিত বলেই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। ভারত ছিল এ গ্রুপে, অন্যদিকে বি গ্রুপের ম্যাচ এখনও শেষ হয়নি। তাই সেমিফাইনালে কার বিরুদ্ধে ভারত খেলবে সেটা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। তবে সেমিফাইনালে মালয়েশিয়া কিংবা চিনের মুখোমুখি হতে পারেন হরমনপ্রীতরা। যে গতিতে ভারতীয় দল এশিয়ান গেমসে এগিয়ে চলেছে তাতে তাদের আটকানো খুব কঠিন বলেই মনে করছে ক্রীড়া মহলের একাংশ। যে কোনও এশিয়ান (Asian Games) টিমগুলোর ক্ষেত্রেই ভারতকে রোখা সহজ হবে না। তা সে গতবারের চ্যাম্পিয়ন জাপান, চিন কিংবা কোরিয়ার মত দেশ হোক। সেমিফাইনালে ওঠার ধাপ অবশ্য পাকিস্তানকে ১০ গোল দিয়েই পূরণ করে ফেলে ভারতীয় দল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ছিল তাই নিয়মরক্ষার লড়াই।

    ম্যাচের খুঁটিনাটি

    শুরু থেকেই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মকভাবে খেলতে থাকে ভারতীয় দল। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে থেকে গোল করেন হরমনপ্রীত (Asian Games)। দু মিনিট পরে আবার পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করেন ভারতীয় হকি দলের অধিনায়ক। এভাবেই শেষ হয় প্রথম কোয়ার্টার। অন্যদিকে দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও ৬-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় ভারত। এরপর ৮-০ গোলে শেষ হয় ভারতের তৃতীয় কোয়ার্টার এবং চতুর্থ কোয়াটার যখন শেষ হয় তখন দেখা গেল বাংলাদেশ ১২ গোল খেয়ে ফেলেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gandhi Jayanti: গান্ধী-শাস্ত্রী জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা নিবেদন, ভারতকে শক্তিশালী করার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Gandhi Jayanti: গান্ধী-শাস্ত্রী জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা নিবেদন, ভারতকে শক্তিশালী করার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ নয়াদিল্লিতে গান্ধীজি এবং লালা বাহাদুর শাস্ত্রীজিকে জন্ম জয়ন্তীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাপুর স্বপ্নপূরণে দেশের একতা এবং সম্প্রীতি রক্ষায় দেশকে শক্তিশালী করতে যুব সমাজকে এগিয়ে আসার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। 

    গান্ধীজি-শাস্ত্রীজির জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা নিবেদন (Gandhi Jayanti)

    মহাত্মা গান্ধী এবং দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালা বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মদিনে (Gandhi Jayanti) এদিন দিল্লির রাজঘাট এবং বিজয়ঘাটে পুষ্পার্ঘ্যের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজঘাটে গান্ধীজির স্মৃতিস্মারকে শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি বলেন, “গান্ধীজি আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছেন। তাঁর মানবতাবাদকে সারা বিশ্ব গ্রহণ করেছে।” শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের পাশাপাশি কিছুক্ষণ ধর্মীয় ভজন সঙ্গীতও শ্রবণ করেন মোদি।

    কী বার্তা দিলেন মোদি?

    গান্ধীজির (Gandhi Jayanti) প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মোদি বলেন, “গান্ধীজির জীবন এবং তাঁর শিক্ষা আমাদের চলার পথে বিশেষ আলো সঞ্চার করে। আজকের দিনে গোটা বিশ্ব, তাঁর মানবতাবাদ দ্বারা ঐক্যবদ্ধ। সেই সঙ্গে সমাজে তাঁর সহানুভূতির চেতনা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবে। আমরা তাঁর স্বপ্ন পূরণে নিরন্তর যেন কাজ করি। দেশের তরুণ প্রজন্মকেই  এই স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব নিয়ে দেশে একতা এবং সম্প্রীতি গড়ে তুলতে হবে।”

    অপর দিকে লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, “শাস্ত্রীজির জয় জাওয়ান জয় কিষাণ শ্লোগান আজকের দিনেও ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি ভারতের খুব কঠিন সময়ে দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর সঠিক দৃঢ় সিদ্ধান্তকে পাথেও করে, ভারতকে শক্তিশালী করার আরও কাজ করতে হবে।”

    গান্ধীজির পছন্দের ভজন জার্মান গায়িকার কণ্ঠে

    জার্মান গায়িকা ক্যাসমে, যিনি ক্যসান্দ্রা মে স্প্রিটম্যান নামে পরিচিত, তিনি গান্ধীজির (Gandhi Jayanti) অত্যন্ত প্রিয় ভজন “বৈষ্ণব জানা তো” নিজের কণ্ঠে গেয়েছেন। এই গানের ভিডিও সামজিক মাধ্যমে শেয়ার করে গান্ধীজির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন স্বয়ং মোদি। এই গানের তাৎপর্য এতটাই প্রাসঙ্গিক যে গান্ধীজির আদর্শ এবং তাঁর পছন্দের ভজন, সারা বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করছে। মোদি তাই বলেছেন, “গান্ধীজির প্রভাব এখন বিশ্বব্যাপী, সমগ্র মানব জাতিকে ঐক্য আর সহানুভূতির ভাবনা মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছেন। বাপুর স্বপ্নকে পূরণ করতে দেশের যুব সমাজকে দারুণ ভাবে কাজ করতে হবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দেখতে চাইছেন অভিষেকের গ্রেফতারি’’, তীব্র আক্রমণ দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দেখতে চাইছেন অভিষেকের গ্রেফতারি’’, তীব্র আক্রমণ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দেখতে চাইছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কবে গ্রেফতার হবেন! ঠিক এই ভাষাতেই তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সোমবারই খড়গপুরে ‘চায়ের সঙ্গে চর্চা’-এর একটি অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মেদিনীপুরের সাংসদ। সেখানেই তাঁকে এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শোনা গেল। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ধর্না কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দিল্লিতে চলছে তাদের অবস্থান। এনিয়েও রীতিমতো কটাক্ষ শোনা গেল বিজেপি সাংসদের গলায়।

    হাল্লাগোল্লা করে হাওয়া তোলার চেষ্টা করছে তৃণমূল 

     অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে তৃণমূলের অবস্থান কর্মসূচিকে ‘ডু অর ডাই’ আন্দোলন বলে অভিহিত করেছিলেন। এনিয়ে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) কটাক্ষ, ‘‘দিল্লি পৌঁছলে তো ডু অর ডাই। তার আগেই তো অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে মারা যাচ্ছেন মানুষরা। যাঁদেরকে লোভ দেখিয়ে এসি বাসে নিয়ে গিয়েছেন। তাঁরা নিশ্চিন্তে আগে দিল্লি পৌঁছন। তার আগে তো ধরনাকারি টিচাররা পৌঁছে যাচ্ছেন। আসলে দিদি প্রধানমন্ত্রী হবে এটা কেউ খাচ্ছে না। তাই দিল্লিতে হাল্লাগোল্লা করে হাওয়া তোলার চেষ্টা করছে। যাতে বোঝাবে টিএমসি লড়াইতে আছে।’’

    পুরো পশ্চিমবাংলার মানুষ দেখতে চাইছে অভিষেক কবে অ্যারেস্ট হবে  

    অন্যদিকে, দিল্লি যাত্রার আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ছিল যে কোনও কর্মীর গায়ে হাত পড়লে তৃণমূল ছেড়ে কথা বলবে না। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত মন্ত্রীকে গ্রেফতারির দাবিও তোলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) মন্তব্য, ‘‘এসব ফাঁকা আওয়াজ দিয়ে কি লাভ। পুলিশ দিয়ে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেন। সাংবাদিকদের ছাড়ছেন না, বিরোধীদের ছাড়ছেন না। তার বেশি কিছু করতে পারবেন না। কারণ আপনাদের পিছনে কোন লোক নেই। যাঁদেরকে টিকিট দিয়েছেন, যাঁরা লুটপাট করে খাচ্ছে, তাঁরাই দিল্লি যাচ্ছে। কয়েকটা গুন্ডা, বদমাশ, সমাজবিরোধী। আর দু’‌একটা দুর্নীতিগ্রস্ত নেতা। কে আছে ওনাদের সঙ্গে?‌ পুরো পশ্চিমবাংলার মানুষ দেখতে চাইছে অভিষেক কবে অ্যারেস্ট হবে। সে আবার অন্যকে অ্যারেস্ট করার কথা বলছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ইডি-র নজরে এবার মার্বেল মোড়া তৃণমূলের কার্যালয়, কেষ্ট ঘনিষ্ঠ চারজনকে দিল্লিতে তলব

    Anubrata Mondal: ইডি-র নজরে এবার মার্বেল মোড়া তৃণমূলের কার্যালয়, কেষ্ট ঘনিষ্ঠ চারজনকে দিল্লিতে তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত বীরভূম জেলায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এখন তিহার জেলে রয়েছেন। দিল্লিতে এই মামলার বিচার চলছে। এরমধ্যে অনুব্রতের ‘ঘনিষ্ঠ’ হিসাবে পরিচিত বোলপুর শহরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শিবনাথ রায় সহ চার জনকে দিল্লিতে তলব করেছে ইডি। ৩ অক্টোবর থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে তাঁদের হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যা নিয়ে বীরভূম জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন ইডি-র তলব? (Anubrata Mondal)

    পাঁচ বছর আগে রথযাত্রার দিন বোলপুর শহর তৃণমূলের কার্যালয়ের উদ্বোধন করেছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) । তিন তলা ভবনটির অধিকাংশ ঘর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। মেঝেয় দামি মার্বেল। রয়েছে ফলস সিলিং। বিল্ডিং জুড়ে বসানো রয়েছে সিসি ক্যামেরা। ঝাঁ চকচকে পার্টি অফিস দেখে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একবার অনুব্রত উত্তর দিয়েছিলেন, ‘২০১৩ সালে আমি এই বাড়ি ন্যায্য মূল্যে কিনেছিলাম।’ এবার সেই বাড়িই এ বার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) নজরে! কার টাকায় এই বিলাসবহুল দলীয় অফিস তৈরি হল, তারই তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সূত্রের খবর, ভবন তৈরিতে কয়েক কোটি টাকা খরচের উৎস কী, তা তদন্ত করে দেখতে চায় ইডি। সেই সূত্রেই  কোন পথে এত টাকা এসেছিল, মূলত সেটা জানতেই এই চার জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে ইডি। ওই দলীয় কার্যালয়ে থাকা মা কালীর বিপুল অঙ্কের গয়নাও তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বোলপুরের বিশাল দলীয় কার্যালয়টি প্রথমে তৃণমূল নেতা তথা কাউন্সিলার শিবনাথ রায় এবং বোলপুর পুরসভার তিন কর্মীর নামে কেনা হয়েছিল। পরে অনুব্রতের তৈরি করে দেওয়া ট্রাস্টের নামে সেটি হস্তান্তর করা হয়। শিবনাথ-সহ ওই চার জনকেই তলব করা হয়েছে।

    অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলার কী বললেন?

    তৃণমূল কাউন্সিলার শিবনাথ বলেন, ইডির সমন পেয়েছি। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় কেনার সময় অনুব্রত আমাদের কয়েক জনকে বেশ কিছু জায়গায় সই করিয়েছিলেন। আমার মনে হয় তার জন্যই ডেকে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে সবরকমভাবে সহযোগিতাও করব। তবে এত তাড়াতাড়ির মধ্যে দিল্লি যাওয়া সম্ভব নয় বলে ই-মেল করে জানিয়েছি ইডি-কে।

    রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তরজা

    সিপিএমের জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, যা কালো টাকা বা যা বেআইনি সম্পদ, তার সবটা অনুব্রত একা নয়, সবাই মিলেই করেছেন। সুতরাং সত্য উদ্ঘাটন করতে গেলে সকলকেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। বিজেপির বোলপুর সংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসীচরণ মণ্ডলের দাবি, অনুব্রতের অনুগামীরা কালো টাকার সঙ্গে যুক্ত আছেন। শুধু সময়ের অপেক্ষা। আরও বহু জনকে ডাকবে। তৃণমূলের জেলা সহ- সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, বোলপুরের জেলা পার্টি অফিসের ট্রাস্টি সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ওই চার জনকে ডাকা হয়েছে বলে জেনেছি। বিরোধীরা ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন।

    অন্যদিকে, ইডি-র নজরে পার্টি অফিস থাকার পাশপাশি  নানুরের হোসেনপুরের পরে এ বার বোলপুরের বাহিরি-পাঁচশোয়া এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে অনুব্রতের নাম ও ছবি আগেই মোছা হয়েছিল বলে খবর। সেই চুনকাম করা অংশের উপরে সম্প্রতি সাঁটানো হয়েছে তৃণমূলে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও নবনির্বাচিত জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের ছবি। এমন ঘটনায় ফের তৃণমূলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে, দলের জেলা সভাপতি থাকা সত্ত্বেও কি অনুব্রতের অস্তিত্ব ধীরে ধীরে  মুছে ফেলতে চাইছে দল?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: শারদোৎসবে দুর্গাপুজো নয়, মনসা পুজোয় মাতেন বালুরঘাটের ফুলঘরাবাসী

    Durga Puja 2023: শারদোৎসবে দুর্গাপুজো নয়, মনসা পুজোয় মাতেন বালুরঘাটের ফুলঘরাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথিত আছে, প্রায় তিনশো থেকে সাড়ে তিনশাে বছরেরও বেশি সময় ধরে দুর্গার (Durga Puja 2023) আসনে মা মনসার পুজো হয়ে আসছে বালুরঘাটের ফুলঘরা গ্রামে। পুরনাে নিয়ম-রীতি এবং রেওয়াজ কিছুই বদলায়নি আজও। মায়ের কাছে নিষ্ঠা সহকারে কোনও কিছু চাইলে তা পূর্ণ হয়, এমনটাই বিশ্বাস গ্রামবাসীদের।

    কীভাবে শুরু?

    জনশ্রুতি রয়েছে, বহুকাল আগে ফুলঘরা গ্রামের অনেকেই সর্পাঘাতে মারা গিয়েছিলেন। শুধুমাত্র মানুষ নয়, সর্পাঘাতে অনেক পশুও মারা গিয়েছিল। অনেক কিছু করেও সর্পাঘাতে মৃত্যু প্রতিরােধ করতে পারছিলেন না গ্রামবাসীরা। সেই সময় গ্রামের এক ব্যক্তি স্বপ্ন দেখেন, গ্রামে মনসা পুজো করলেই কেউ আর সর্পাঘাতে মারা যাবে না। এর পর আত্রেয়ী নদীতে এক দিন স্নান করতে গেলে মা মনসার কাঠামো ভেসে যেতে দেখেন তিনি। গ্রামবাসীরা সেই কাঠামো তুলে নিয়ে এসে মন্দিরে স্থাপন করে মা মনসার পুজো শুরু করেন। প্রথমে শ্রাবণ মাসে এই পুজো শুরু হয়। গােটা এলাকায় কোনও দুর্গাপুজো না হওয়ায় সেই পুজোর সময়টা বদলে শারদোৎসবে (Durga Puja 2023) মা মনসার পুজো শুরু হয়। সেই থেকে শুরু হয় দুর্গার আসনে মা মনসার পুজো।

    সবাই একত্রিত হন পুজোয়

    এখনও সেই একই নিয়ম-রীতিতেই এই পুজো করে আসছে ফুলঘরা বারােয়ারি মনসা পুজো কমিটি। পুজোর কয়েকটা দিন চন্ডী ও মনসামঙ্গল গান হয়। মেয়ে-আত্মীয়রা সব এই সব গ্রামে আসে। এখানে মা মনসার এক পাশে থাকেন দেবী লক্ষ্মী। অপর পাশে থাকেন দেবী সরস্বতী (Durga Puja 2023)। পুজোর চার দিন নিয়ম মেনে গ্রামের সকলে নিরামিষ খাবার খান। দেবী দুর্গার সমস্ত নিয়ম মেনেই ফুলঘরা গ্রামে মা মনসা পূজিতা হন। পুজোর সময় গ্রামে সবাই একত্রিত হন। আজও এই পুজোকে ঘিরে মেতে ওঠেন গ্রামের আট থেকে আশি সকলেই। বহিরাগত শিল্পী ও স্থানীয় শিল্পীদের দ্বারা পুজো প্রাঙ্গনে নাটক থেকে যাত্রাগান অনুষ্ঠিত হয়। পুজোর কয়েকটা দিন মেলাও বসে ফুলঘরা গ্রামে। স্থানীয় ছেলেমেয়েরাও বেশির ভাগ সময় গ্রামেই কাটান। 

    আর কেউ সাপে কেটে মারা যাননি

    এবিষয়ে সান্ত্বনা মণ্ডল জানান, তাঁদের পূর্বসূরি গুদর মণ্ডল এই পুজোর প্রতিষ্ঠাতা। তাঁদের জায়গাতেই পুজোটা হয় এখনও। তবে এখন বারােয়ারি হিসেবেই পুজোটা হয়। গুদর মণ্ডল বহু দিন আগে স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই পুজো শুরু করেন। তার পর থেকে এই গ্রামে সাপে কেটে বা বিষে কেউ আর মারা যায়নি। বংশ পরম্পরায় বাদ্যকর, পুরােহিত ও মৃৎশিল্পী কাজ করে আসছেন। এমনকি পুজোর বায়না দিতেও হয় না বা ডাকতে হয় না। সময় মতো চলে আসেন সকলেই। পুরােনাে সেই রীতি রেওয়াজ মেনেই আজও পুজো হয় এখানে। এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা শিরিষ মাহাতো জানান, পুজোর কয়েক দিন গ্রামে ফিরে আসে সব বাড়ির ছেলেমেয়েরা। পাশাপাশি গ্রামবাসীরা পুজোর কয়েকটা দিন আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে। পুজোয় দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসেন। মানত করেন তাঁরা। মানত পূরণ হলে মাকে বিভিন্ন অলঙ্কার দেন (Durga Puja 2023)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: পড়ুয়ার সংখ্যা শূন্য, শিক্ষক দশ জন! হাওড়ার স্কুলে আজব কাণ্ড, কী করছে প্রশাসন?

    Howrah: পড়ুয়ার সংখ্যা শূন্য, শিক্ষক দশ জন! হাওড়ার স্কুলে আজব কাণ্ড, কী করছে প্রশাসন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলে মাত্র দশ জন শিক্ষিকা। দুজন অশিক্ষক কর্মচারী। প্রত্যেকেই নিয়ম করে প্রতি মাসে মোটা টাকা বেতন পাচ্ছেন। এই স্কুল চালু রাখতে রাজ্য সরকারকে গুণতে হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। অথচ পড়ুয়ার সংখ্যা শূন্য। এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে হাওড়ার (Howrah) শিবপুরের যমুনাবালা বালিকা বিদ্যালয়ে। তাই শিক্ষিকারা কার্যত আসি যাই মাইনে পাই পরিস্থিতিতে কাজ করে চলেছেন। এভাবে টাকা জলে দেওয়ার অর্থ খুঁজে পাচ্ছেন না এলাকাবাসী।

    পড়ুয়াহীন স্কুলে এসে কী করেন শিক্ষকরা? (Howrah)

    স্কুলটি রাজ্যের প্রশাসনিক হেড কোয়ার্টার নবান্ন থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে। স্কুলে প্রাথমিকের পাশাপাশি মাধ্যমিক বিভাগও চালু আছে। একটা সময় এই স্কুলে দুটি বিভাগে বেশ ভালই ছাত্রী ছিল। কিন্তু, গত কয়েক বছরে ছাত্রীর সংখ্যা কমতে থাকে। কোভিড পরিস্থিতির পর স্কুল খুললে পড়ুয়ার সংখ্যা তলানিতে ঠেকে যায়। এই মুহূর্তে প্রাথমিক বাংলা মাধ্যম বিভাগে শুধু ১৬ জুন পড়ুয়া আছে। প্রধান শিক্ষক ও সহ শিক্ষক মিলিয়ে তিনজন। বাকি সব বিভাগে পড়ুয়া শূন্য। জানা গিয়েছে, প্রাথমিকের ইংরেজি বিভাগে পড়ুয়ার সংখ্যা শূন্য। এই বিভাগে দুজন শিক্ষিকা রয়েছেন। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মাধ্যমিক বিভাগে। সেখানে দশ জন শিক্ষিকা এবং দুজন অশিক্ষক কর্মচারী রয়েছে। ছাত্রী সংখ্যা সেখানেও শূন্য। ফলে, শিক্ষিকারা প্রতিদিন স্কুলে এলেও কার্যত কোনও ক্লাস না করেই বেতন পাচ্ছেন। তারা স্কুলে এসে বেশিরভাগ সময়ই কেউ মোবাইলে ব্যস্ত অথবা কেউ  গল্পের বই পড়ে সময় কাটাচ্ছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, একটা সময় এই স্কুলের দুটি বিভাগে ভালো সংখ্যক পড়ুয়া ছিল। কিন্তু, কয়েক বছর পড়ুয়ার সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে কমতে থাকে। কোভিডের  পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। তারা জানাচ্ছেন প্রাথমিকের হাতে গোনা পড়ুয়া থাকলেও মাধ্যমিক বিভাগে পড়ুয়ার সংখ্যা শূন্য। স্কুল বিল্ডিং এর অবস্থা জরাজীর্ণ। স্কুল প্রাঙ্গনে ঝোঁপঝাড়ে ভর্তি। চারদিকে আবর্জনার স্তুপ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ক্লাসরুমগুলি স্যাতস্যাতে ও অন্ধকার। হাওড়ার (Howrah) কোণা এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ওই স্কুলটি হওয়ায় সেখানে বাচ্চাদের পাঠাতে তারা ভয় পান। তার ওপরে স্কুল ভবনটির এতটাই জরাজীর্ণ অবস্থা যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দ্রুত মেরামতি দরকার। স্থানীয় বাসিন্দারা চাইছেন সরকার ব্যবস্থা নিক যাতে স্কুল যেন তার পুরানো অবস্থায় ফিরে আসে।

    স্কুলের এক শিক্ষিকা কী বললেন?

    এদিকে প্রাথমিকের এক শিক্ষক বলেন, আশেপাশে বেশ কয়েকটি স্কুল হয়ে যাওয়ায় এবং সামনে কোণা এক্সপ্রেসওয়ের কারণে অনেক অভিভাবকরা স্কুলে বাচ্চাকে পাঠাচ্ছেন না। এছাড়াও স্কুল বাড়ির অবস্থা ভালো নয়। মাধ্যমিক বিভাগের টিচার ইনচার্জ এ ব্যাপারে কিছু বলতে অস্বীকার করেন।

    স্কুল কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    হাওড়া (Howrah) জেলা মাধ্যমিক বিভাগের ডিআই অজয় কুমার পাল জানিয়েছেন, ওই স্কুলটি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। পড়ুয়া না থাকায় শিক্ষিকাদের অন্য স্কুলে সরিয়ে দেওয়া হবে।  ডিস্ট্রিক্ট প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, হাওড়া শহর এলাকায় বেশ কিছু প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা কমে যাওয়ায় শিক্ষক শিক্ষিকাদের অন্য স্কুলে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে, স্কুলগুলোকে পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না। ফের যদি পড়ুয়ারা স্কুলে ভর্তি হয় তবে স্কুলগুলোতে শিক্ষক দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sundarbans: ম্যানগ্রোভ অরণ্য, অজস্র দ্বীপ, ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে দেখা মিলতে পারে ‘মহারাজেরও’!

    Sundarbans: ম্যানগ্রোভ অরণ্য, অজস্র দ্বীপ, ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে দেখা মিলতে পারে ‘মহারাজেরও’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়ঙ্কর কি কখনও সুন্দর হতে পারে? হ্যাঁ, পারে। আর যে জায়গায় বেড়াতে গেলে ভয়ঙ্করকেও সুন্দর বলে মনে হয়, তা আর কোনও জায়গা নয়, আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গেরই এক জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র “সুন্দরবন”। এখানে জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ, আর গাছে সাপ। তবু এই অরণ্য সুন্দর। বলা হয়, সুন্দরী গাছের আধিক্য থাকার কারণেই নাকি এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যের নাম হয়েছে সুন্দরবন (Sundarbans)।

    ১০২টি ছোট-বড় দ্বীপ

    সুন্দরী গাছ ছাড়াও এই ম্যানগ্রোভ অরণ্যে আছে ধূধূল, কেওড়া, গরান, গেওয়া, গোলপাতা আর বাঘেদের লুকিয়ে থাকার জন্য অত্যন্ত প্রিয় “হেতাল” গাছ। সুন্দরবনের (Sundarbans) মোট ১০২ টি ছোট-বড় দ্বীপের মধ্যে ৫৪ টি দ্বীপে জনবসতি আছে। বাকি দ্বীপগুলিতে শুধুই বাদাভূমির ওপর ম্যানগ্রোভের জঙ্গল, আর সেই জঙ্গলে বসবাসকারী অরণ্যাচারী প্রাণীর দল, যার মধ্যে আছে হরিণ, শজারু, বাঁদর, বুনো শুয়োর, বন বিড়াল, আর হ্যাঁ আছেন তিনি! বনের রাজা, স্বয়ং রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। তবে তিনি চট করে কাউকে দেখা দেন না। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে তবেই মহারাজের দেখা মেলে। আর নদীর বুকে আছে কুমির। শীতকালে প্রায়শই দেখা যায়, নদীর চরে শুয়ে রোদ পোহাচ্ছে বিশালাকার কুমির।

    ওয়ার্ল্ড ন্যাচারাল হেরিটেজ সাইট (Sundarbans)

    আর আছে বিভিন্ন প্রকারের পাখি। এখানে দেখা মেলে বক, শামুকখোল, নানান প্রজাতির মাছরাঙা, সিগাল, মাছ ধরা ঈগল, পানকৌড়ি প্রভৃতি পাখির। প্রায় ৪২১০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল নিয়ে গড়ে ওঠা এই অরণ্যকে ১৯৮৪ সালে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৭ সালে মেলে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি। ইউনেস্কো এই অরণ্যকে গ্লোবাল বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ফরেস্ট বলে ঘোষণা করে। ১৯৮৭ সালের ১২ ডিসেম্বর এই সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড ন্যাচারাল হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। গভীর অরণ্যের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে মাতলা, হোগল, বিদ্যাধরী, রায়মঙ্গল প্রভৃতি নদী। সুন্দরবনের (Sundarbans) প্রাণকেন্দ্র হল সজনেখালি। এখান থেকেই জঙ্গলে প্রবেশের অনুমতিপত্র দেওয়া হয়।

    ঘোরা এবং থাকা-খাওয়া (Sundarbans)

    ঘোরার জায়গা বলতে রয়েছে পাখিরালয়, বনবিবি ভাড়ানি, নেতি ধোপানির ঘাট, পীরখালি, বুড়ির ডাবরি, দোবাকি, পঞ্চ মুখানি প্রভৃতি। এগুলোর মধ্যে বহু জায়গাতেই ওয়াচ টাওয়ার আছে।যাতায়াতের উপায় কী? এক সময় ক্যানিং থেকে লঞ্চ নিয়ে সুন্দরবন (Sundarbans) যেতেন পর্যটকরা। এখন প্রায় অধিকাংশই যান গদখালি দিয়ে। এখানে থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের ট্যুরিস্ট লজ “সজনেখালি ট্যুরিস্ট লজ”। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন প্যাকেজকারী সংস্থার নিজস্ব লজ। তবে যেহেতু এই সফরের প্রায় অধিকাংশটাই নদীবক্ষে এবং এখানে অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রর মতো থাকা-খাওয়ার হোটেল নেই, তাই এই ভ্রমণটি প্যাকেজ ট্যুরে ঘুরে নেওয়াই ভালো। অন্যথায় খরচ ও ঝামেলা, দুই-ই অনেকখানি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share