Tag: Madhyom

Madhyom

  • Paschim Medinipur: জিমন্যাস্টিক্সের ফাইনালে পৌঁছলেন পিংলার প্রণতি নায়েক, উচ্ছ্বসিত বাবা-মা

    Paschim Medinipur: জিমন্যাস্টিক্সের ফাইনালে পৌঁছলেন পিংলার প্রণতি নায়েক, উচ্ছ্বসিত বাবা-মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়ে প্রথম দিনেই একটি রাউন্ডে জয়ী হয়ে ফাইনালে উঠলেন পিংলার মেয়ে প্রণতি নায়েক। ফাইনাল খেলায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করলেন তিনি। পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) পিংলা ব্লকের করকাই চককৃষ্ণদাস গ্রামের মেয়ে হলেন প্রণতি নায়েক। গত ২০২১ সালের ২৫ জুলাই মাসে টোকিওতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল তিনি। এবার খেলছেন এশিয়ান গেমসে। পরিবার এবং এলাকাবাসীরা তাঁর ফাইনাল ম্যাচকে ঘিরে অত্যন্ত আশাবাদী।

    আগামী বৃহস্পতিবার ফাইনাল খেলবেন (Paschim Medinipur)

    চিনে ১৯ তম এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) প্রণতি। সোমবার সকালে একটি রাউন্ডে ওমেন্স আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্স ভল্টে জেতার পরেই ৯ টা নাগাদ ফোন করেন পিংলার বাড়িতে। বাবা শ্রীমন্ত নায়েক এবং মা প্রতিমা নায়েকের সাথে কথা বলেন। আগামী বৃহস্পতিবার ২৮ সেপ্টেম্বর হবে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রতিযোগিতার ম্যাচ।

    পরিবারের বক্তব্য

    বাবা পেশায় বাসের চালক ছিলেন। কিন্তু কয়েক বছর হল সেই কাজ তিনি আর করেন না। এদিকে মা গৃহবধূ (Paschim Medinipur)। প্রণতিরা তিন বোন। মেয়ের সাফল্যে বাবা শ্রীমন্তবাবু বলেন, “মেয়ে এদিনের প্রতিযোগিতায় জেতার পর ফোন করেছিল। আমাদের দুজনের সাথেই কথা হয়েছে। মেয়েকে সাবধানে থাকতে বলেছি আর মনোযোগ দিতে বলেছি চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার দিকে। প্রণতি জানিয়েছে প্রথম, দ্বিতীয় স্থানের মধ্যে থাকার চেষ্টা করবে। আমরা আশীর্বাদ যেমন করেছি, তেমন অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছি। এই খেলার ফাইনাল প্রতিযোগিতা নিয়ে আমরা খুব আশাবাদী । একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে ওখানে দেশের মুখ উজ্জ্বল করুক প্রণতি, এটাই আমরা চাই।”

    মায়ের বক্তব্য

    ফাইনাল খেলার উচ্ছ্বাসে আশাবাদী মা প্রতিমা নায়েক (Paschim Medinipur) বলেন, “ছোটবেলা থেকেই প্রণতির, খেলার সঙ্গে মন ছিল পড়াশোনাতেও। মামী, প্রণতিকে হাত ধরে ভর্তি করে দিয়েছিল জিমন্যাস্টিক্সে। আমি গর্বিত যে মেয়ে এত দূর পৌঁছতে পেরেছে।”

    মেয়ের সাফল্যে গর্বিত মা আরও বলেন, “অভাবের সংসারে ঠিক মতো খাবার দিতে পারিনি। তার পরেও মেয়ে এত দূর যেতে পেরেছে, আমি তাতেই গর্বিত। দেশের নাম উজ্জ্বল করুক প্রণতি।” মেয়ের হার না মানা জেদে ভরসা আছে বাবা-মায়ের। ভালো কিছু করে দেখাবেন প্রণতি, এমনটাই আশা তাঁদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: সাড়ে চারশো বছরের বনেদি বাড়ির পুজো, বন্ধ হয়ে গিয়েছিল অর্থের অভাবে!

    Durga Puja 2023: সাড়ে চারশো বছরের বনেদি বাড়ির পুজো, বন্ধ হয়ে গিয়েছিল অর্থের অভাবে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭৫৫ সালে জনৈক গঙ্গোপাধ্যায় বাংলাদেশের বরিশালের ২০০ বছরের প্রাচীন বুড়ো মা নামে দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) তরফদার বাড়িতে সূচনা করেন। এ দেশ ও দেশ মিলিয়ে প্রায় সাড়ে চারশো বছরের পুরনো এই দুর্গাপুজো। তরফদার বাড়ির সদস্যরা জীবন-জীবিকা এবং পেশার টানে রাজ্য এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাস করেন। বেশ কয়েক বছর আগে তাঁরা মাঝে মধ্যে এক-আধবার আসলেও শেষ কুড়ি বছর তাঁদেরও আর দেখা যায়নি। স্থানীয় বসবাসকারী এক শরিক প্রদীপ তরফদারদের পক্ষে ব্যয়বহুল দুর্গাপুজো চালানো অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। তার উপর পরিবারের এক সদস্যের মৃত্যু হওয়ায় বন্ধ ছিল এক বছর।

    কীভাবে এল ক্লাব?

    তবে পাড়ার লিডার্স ক্লাবের সদস্যরা ঠাকুরদালান এবং সংলগ্ন ছোট্ট একটু জায়গা, অর্থের বিনিময়ে শরিকদের কাছ থেকে কিনে নেন। ফের মহা সাড়ম্বরে পুজো শুরু করেন তাঁরা। এ বিষয়ে বর্তমান এক শরিক জানাচ্ছেন, পরিবারের এক সদস্যের মৃত্যুতে ক্লাব এই পুজোর (Durga Puja 2023) দায়িত্ব নেয়। তারপর থেকে তা আর ফেরেনি পরিবারের হাতে। যদিও এতে তাঁদের প্রবল আপত্তি আছে, এমন নয়। বিভিন্ন সমস্যার কথা স্বীকার করে নিয়ে তিনি জানান, বর্তমানে ক্লাব পরিচালিত পুজোয় তাঁরাও অংশগ্রহণ করেন প্রতি বছরই। যদিও বিগত দু’বছর করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আর পাঁচটা পুজোর মতোই, আড়ম্বরবিহীন ভাবে পুজো করেছিল ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর এ বছর তাদের বাড়তি পাওনা, সরকারি অনুদান। সম্প্রতি শান্তিপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ সরকারি সহযোগিতার অনুমতিপত্র দিয়ে গেছেন তাঁদের হাতে। তাই ক্লাবের মহিলা সদস্যরা ঠিক করেছেন, চার দিন ধরে চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তবে বহিরাগত কোনও শিল্পী নয়, পাড়া এবং শান্তিপুরের বিভিন্ন কলাকুশলীরা অংশগ্রহণ করবে তাতে।

    রীতি মেনে ভোগ (Durga Puja 2023)

    পুরনো রীতি অনুযায়ী, অষ্টমীতে মহাভোগ বিতরণ করা হবে সকলের জন্য। থোরের তরকারি, চালতার টক এবং চাল-কুমড়োর ভোগ হবে নবমী ও দশমীতে। তবে ডাকের সাজ বর্জিত, সম্পূর্ণ সাবেকিআনায় একচালার দুর্গা প্রতিমা নির্মাণ করতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় উদ্যোক্তাদের। কারণ মাটির সাজে সময় এবং ধৈর্য লাগে অনেক। তাই মৃৎশিল্পীর অভাব হয়ে পড়ছে ইদানিং। তাই আরও বেশি সময় নিয়ে রীতি অনুযায়ী জন্মাষ্টমীতে পাট পুজোর বদলে, পয়লা বৈশাখে পাট পুজোর (Durga Puja 2023) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল প্রতিমা নির্মাণের উদ্দেশ্যে। যদিও রংয়ের কাজ বাদে সমস্তটাই মোটামুটি ভাবে প্রস্তুত হয়ে গেছে। একই সাথে প্রস্তুত রয়েছে কালী প্রতিমাও। কালীপুজোর আগে তা রং হবে।

    সিঁদুর খেলার বিশেষ রীতি 

    এই পুজোর আরও এক বিশেষ রীতি, ষষ্ঠীর দিন পুজো (Durga Puja 2023) শুরুর আগে এবং দ্বাদশীতে বিসর্জনের আগে বরণ পরিবারেরই কোনও সধবা মহিলা করে থাকেন প্রথমে। তারপর পাড়া-প্রতিবেশী বহিরাগত সকলেই। এখানে সিঁদুর খেলতে আসেন শান্তিপুরের বিভিন্ন পাড়ার মহিলারা । 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: পুজো কমিটিকে ঢালাও টাকা, নজর নেই নিত্য যাতায়াতের রাস্তায়, হাওড়া যেন মরণফাঁদ

    Howrah: পুজো কমিটিকে ঢালাও টাকা, নজর নেই নিত্য যাতায়াতের রাস্তায়, হাওড়া যেন মরণফাঁদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো কমিটিগুলিকে ৭০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই পুজো উদ্যোক্তারা সেই টাকা পেতে শুরু করেছেন। এই খাতে রাজ্য সরকার কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। অথচ এবার হাওড়া (Howrah) শহরে একটি দুর্গাপুজোর মণ্ডপ থেকে অন্য পাড়ার পুজোমণ্ডপে ঠাকুর দর্শন করতে গেলে কার্যত পা ভাঙার অবস্থা হবে। কারণ বহু জায়গায় রাস্তা বলে কিছু নেই। পিচ উঠে পাথর বেরিয়ে গিয়েছে। কোথাও আবার রাস্তা ভেঙে এতটাই গর্ত হয়ে গিয়েছে যে সামান্য বৃষ্টি হলে তা ডোবায় পরিণত হচ্ছে।

    কোন কোন রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ?  (Howrah)

    হাওড়া (Howrah) পুর এলাকায় জল জমার সমস্যা দীর্ঘদিনের। বাম আমলেও নানা পরিকল্পনা নেওয়া হলেও সেই জল জমার সমস্যার সমাধান হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের আমলেও হাওড়া শহরের জমা জলের সমস্যা মেটাতে বেশ কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ,কিন্তু তাও খুব বেশি কাজ হয়নি। যার ফলে বেশিরভাগ রাস্তাতেই বৃষ্টির জল জমে যাচ্ছে। আর সেই জমা জলের উপর দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে গিয়ে ভেঙে চৌচির হচ্ছে বিভিন্ন রাস্তা। এর ফলে বড় বড় রাস্তার মাঝখানে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। আর তার ওপর দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে গিয়ে নাজেহাল হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। প্রায় প্রতিদিনই ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটছে বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। তাঁরা জানান, সামান্য কয়েকটি রাস্তায় প্যাচওয়ার্কের মতো করে গর্ত বোঝানো হয়েছে। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটাই কম। শালিমার রেলগেট, বামুনগাছি, লিলুয়া, বেনারস রোড, ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাস সহ বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। অনেক জায়গায় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় যাতায়াত বন্ধ করে দিতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। ঘুর পথে পৌঁছাতে হচ্ছে গন্তব্যে। অন্যদিকে, হাওড়া শহরের সংযোজিত এলাকা বলে পরিচিত কোণা, ভূতবাগান, পেয়ারাবাগান, বালির জয়পুর বিল এলাকার নিচু এলাকাগুলির অবস্থা আরও খারাপ। এখানে অনেক জায়গায় এখন কাঁচা রাস্তা রয়ে গিয়েছে। সেই সমস্ত রাস্তায় জল জমে যাচ্ছে।

    পুজো উদ্যোক্তারা কী বললেন?

    সালকিয়া বাজলপাড়া প্রতিরোধ বাহিনী দুর্গাপুজো কমিটির এক উদ্যোক্তা অভিজিৎ মণ্ডল বলেন, পুজোর জন্য ক্লাবগুলিকে টাকা দেওয়ার উদ্যোগ খুব ভাল। কিন্তু, পুজোর আগে রাস্তা এভাবে দাঁত, নখ বেরিয়ে থাকবে?  সালকিয়া এলাকায় রাস্তার যা হাল তাতে দর্শনার্থীরা কী করে প্রতিমা দর্শন করবে তা নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি।

    বেহাল রাস্তা নিয়ে অবরোধে বিজেপি

    হাওড়া (Howrah) জুড়ে রাস্তার অবস্থা এতটাই বেহাল যে রাজনৈতিক দলকে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার সালকিয়া সীতানাথ বোস লেনে বিজেপি কর্মীরা সকালে রাস্তা অবরোধ করেন। বিজেপির জেলা নেতা উমেশ রায় বলেন, মেলা, খেলায়, পুজো কমিটির জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোটি কোটি টাকা খরচ করছেন। আর রাস্তাগুলির দিকে তাঁর কোনও নজর নেই। শহরের সব রাস্তা মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

    হাওড়া পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান কী বললেন?

    যদিও হাওড়া (Howrah) পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বর্ষার মধ্যে পুরোপুরি নতুন করে রাস্তা করা যাবে না। তারপর পুরসভার পক্ষ থেকে সমস্ত ভাঙা রাস্তা মেরামতির কাজ শুরু করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: হাওড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, রাশ টানতে পারছে না প্রশাসন

    Howrah: হাওড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, রাশ টানতে পারছে না প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া (Howrah) শহরে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। হাওড়া পুরনিগম সূত্রে খবর, গত বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত যেখানে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৫০ জন, এবারে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯০ জন। এলাকার বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টির জমাজল এবং যত্রতত্র আবর্জনার কারণে ডেঙ্গির মশা বাড়ছে। যদিও হাওড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক নিতাইচন্দ্র মন্ডল জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত গোটা জেলায় কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। অপর দিকে বিজেপি, ডেঙ্গির সংক্রমণ নিয়ে শাসক দলকে নিশানা করে বলে, জেলায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, তৃণমূল পরিচালিত হাওড়া পুরসভা রাশ টানতে ব্যর্থ। 

    বালি, জগাছা এবং সাঁকরাইলে ডেঙ্গি আক্রান্ত অধিক (Howrah)

    হাওড়া (Howrah) পুরসভা এলাকা, বালি পুরসভা এলাকা, বালি জগাছা ব্লক এবং সাঁকরাইলে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি। ডেঙ্গু রুখতে মানুষকে সচেতন করার কাজ চলছে বলে জানা গেছে। হাওড়া পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবারে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। হাওড়া পুরসভার ৪, ৩৯, ২৯, ৩১  এবং ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে অনেক জায়গায় বৃষ্টির জল জমে রয়েছে এবং এই এলাকাগুলিতে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি। মূলত বাড়িতে জল জমে থাকার কারণেই ওইসব এলাকায় ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়ছে। তবে হাওড়া পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন এবং নাগরিকদের বোঝাচ্ছেন। একই সঙ্গে ভেক্টর কন্ট্রোল টিম মশা মারার তেল স্প্রে করছে।

    বিজেপির অভিযোগ

    এদিকে শহরের (Howrah) ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। উত্তর হাওড়ার বিজেপি নেতা উমেশ রাই, এই ডেঙ্গি সংক্রমণের অভিযোগ করে তৃণমূলকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, “ডেঙ্গির পরিসংখ্যানের তথ্য গোপন করা হচ্ছে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা জানানো হচ্ছে না। একই সঙ্গে ডেঙ্গিতে মারা গেলে ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গির উল্লেখ করা হচ্ছে না। সরকার তথ্য গোপন করে মানুষকে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রেণে সচেতন করছে না। শাসক দল ডেঙ্গি প্রতিরোধে ব্যর্থ।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ডেঙ্গি সংক্রমণ নিয়ে হাওড়া (Howrah) পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “পুরসভার পক্ষ থেকে নিয়মিত রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরকে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে। যা বাস্তবে ঘটছে তাই পাঠানো হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে হাওড়া পুরসভা। কোথাও যাতে জল জমে না থাকে, সেই জন্য যেমন বাড়ি বাড়ি সচেতন করার কাজ চলছে, একইভাবে বর্ষায় জমা জল যাতে দ্রুত নেমে যায়, তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কিছু কিছু এলাকায় রাস্তা ভেঙে গিয়ে, ছোট ছোট গর্তে যাতে জল জমতে না পারে, সেই জন্য বর্ষার মধ্যেই রাস্তা মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • World Lung Day: হাঁপানি, নিউমোনিয়ার মতো ফুসফুসের একাধিক রোগে জেরবার? সুস্থ থাকবেন কীভাবে?

    World Lung Day: হাঁপানি, নিউমোনিয়ার মতো ফুসফুসের একাধিক রোগে জেরবার? সুস্থ থাকবেন কীভাবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে ফুসফুসের সমস্যা। তবে, ভারতীয়দের নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে। কারণ, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ফুসফুসের সমস্যার বোঝা বাড়ছে এ দেশে! তাই ওয়ার্ল্ড লাং ডে (World Lung Day) উপলক্ষ্যে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিশেষ কিছু দিকে নজর দিলেই পরিস্থিতি বদলে যাবে। কমবে ফুসফুসের রোগের ঝুঁকি।

    ভারতে কোন ধরনের ফুসফুসের রোগ বাড়ছে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ফুসফুসের রোগ মানেই ক্যান্সার নয়। ক্যান্সার ছাড়াও একাধিক ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছেন বিভিন্ন বয়সীরা। তবে, ফুসফুসের রোগের তালিকায় প্রথমেই আছে হাঁপানি। দেশ জুড়ে বাড়ছে হাঁপানির সমস্যা। শিশুকাল থেকেই অনেকে হাঁপানির সমস্যায় ভুগছে। প্রত্যেক বছর ৪-৫ শতাংশ শিশু হাঁপানির সমস্যায় ভুগছে। 
    হাঁপানির পরেই ফুসফুসের যে রোগের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে, তা হল নিউমোনিয়া। শিশু থেকে বৃদ্ধ, ভারতে সবচেয়ে বেশি ফুসফুসের রোগে মৃত্যুর কারণের পিছনে থাকে নিউমোনিয়া। ফুসফুসে জল জমে বিকল হয়ে যাওয়ার এই সমস্যা ক্রমশ বাড়ছে। 
    এর পাশাপাশি ক্রনিক পালমোনারি অবস্ট্রাক্টিভ ডিসঅর্ডার (সিওপিডি) ভারতে অন্যতম ফুসফুসের রোগ (World Lung Day)। গোটা বিশ্বের মোট সিওপিডি রোগীর ৩৮ শতাংশ ভারতীয়। এর থেকেই স্পষ্ট, এ দেশে ফুসফুসের সমস্যা ক্রমশ উর্ধ্বগামী।

    কীভাবে ফুসফুস সুস্থ রাখা যাবে (World Lung Day)? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ধূমপানের অভ্যাস একেবারেই ত্যাগ করতে হবে। ভারতে ধূমপায়ীর সংখ্যা উদ্বেগজনক। বিশেষ করে কিশোর বয়স থেকেই ধূমপান করার প্রবণতা বাড়ছে। লাগাতার ধূমপানের জেরে যেমন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে, তেমনি ফুসফুসের রোগের অন্যতম কারণ ধূমপান। হাঁপানি রোগীদের ধূমপানের অভ্যাস মৃত্যুর আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে তোলে। আর কিশোরকাল থেকে লাগাতার ধূমপানের অভ্যাস সিওপিডি কিংবা লাং ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। 
    নিজে ধূমপান বন্ধ করার পাশপাশি পরিবারের কেউ যাতে ধূমপান না করে, সে দিকেও সচেতন থাকা জরুরি। কারণ, ধূমপানের ধোঁয়া অর্থাৎ পরোক্ষ ধূমপানের জেরেও ফুসফুসের রোগের ঝুঁকি বাড়ে। অর্থাৎ, অন্য কেউ ধূমপান করছে, সেই ধোঁয়া লাগাতার নিঃশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে প্রবেশ করলেও বিপজ্জনক। তাতেও হাঁপানি, সিওপিডি-র ঝুঁকি বাড়তে থাকে। 
    নিয়মিত তুলসীপাতা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সকালে মধু আর তুলসরপাতা একসঙ্গে খেলে ফুসফুস ভালো থাকে (World Lung Day)। এই অভ্যাস ফুসফুসকে সুস্থ রাখবে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত একটি আপেল খাওয়ার অভ্যাস ফুসফুসকে সক্রিয় রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। কারণ, আপেলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই ফুসফুস ভালো থাকে। এছাড়াও বেরি, অ্যাপ্রিকটের মতো ফল ফুসফুস ভালো রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। নিয়মিত সবজির তালিকায় টমেটো আর কুমড়ো রাখলে ফুসফুস ভালো থাকবে বলেও জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। কারণ, এই দুই সবজি ফুসফুসের সক্রিয়তা বাড়ায়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Asian Games 2023: ‘গোল্ডেন গার্ল’ তিতাসকে নিয়ে পড়ল হোর্ডিং, ডাক পুজো উদ্বোধনেও

    Asian Games 2023: ‘গোল্ডেন গার্ল’ তিতাসকে নিয়ে পড়ল হোর্ডিং, ডাক পুজো উদ্বোধনেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেহুলি ঘোষের পর পর বাংলার তিতাস সাধু ও রিচা ঘোষের হাত ধরে এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) পদক, সোনা জিতল ভারত। চিনে ১৯ তম এশিয়ান গেমসে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দলের সোনা জয়ে গর্বিত দেশবাসী। আর বাংলার মেয়ে ‘গোল্ডেন গার্ল’ তিতাসের এই সাফল্যে খুশি হুগলিবাসী।

    কত বছর বয়সে ক্রিকেটে? (Asian Games 2023)  

    তিতাসের বাড়ি হুগলির কলেজ রোড এলাকায়। ছোট থেকে ক্রিকেট ভালোবাসলেও সেভাবে তিনি খেলা করেননি। বরং, ছোট থেকে তিনি সুইমিং করতেন। অনেকে ভেবেছিলেন, তিনি সাঁতারু হবেন। যদিও ১৪ বছর বয়সে ক্লাস এইটে পড়ার সময় বাবা উদ্যোগী হয়ে তাঁকে ক্রিকেট খেলার কোচিংয়ে ভর্তি করেন। সেই শুরু। আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এই অল্প সময়র মধ্যেই তিনি তারকা হয়ে ওঠেন। স্মৃতি মান্দানা, শেফালী বর্মা, জেমাইমা রডরিগেজ, হরমনপ্রীত কৌরদের মতো সিনিয়র ভারতীয় দলের সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন বাংলার রিচা ঘোষ ও তিতাস সাধু। অনূর্ধ্ব ১৯ মহিলা বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিতাস। অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে তিতাসের বোলিং ফিগার ছিল (৪-৬-২), চার ওভার বল করে ছয় রান দিয়ে দুই উইকেট। আর এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) তিতাস ফাইনালে ( ৪-৬-৩), চার ওভার বল করে ছয় রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছেন। তাঁর এই পারফরম্যান্সে শ্রীলঙ্কার সোনা জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ভারত এশিয়ান গেমসে দ্বিতীয় সোনা জেতে। তিতাসের এই সাফল্যের পর চুঁচুড়া কলেজ রোড এলাকায় তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে পুজো কমিটির পক্ষ থেকে হোর্ডিং লাগানো হয়েছে।

    কী বললেন পরিবারের সদস্যরা?

    তিতাসের বাবা রণদীপ সাধু বলেন, মেয়ের উপর আস্থা ছিল। এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) এই জয় যেমন ভারতকে সোনা এনে দিল, তেমনি তিতাসের সিনিয়র দলে সুযোগ পাওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা। তিতাসের ঠাকুমা তৃপ্তি সাধু বলেন, ও আমাদের গর্বের মেয়ে। ও যে কিছু করবে সেটা আমাদের বিশ্বাস ছিল। ও আমাদের সেই বিশ্বাস রেখেছে। কাকা রক্তিম সাধু বলেন, তিতাস এখন ‘গোল্ডেন গার্ল’। কলকাতার একাধিক পুজো উদ্যোক্তা তাঁদের পুজোর উদ্বোধনের জন্য যোগাযোগ করেছেন। নিজের শহরের পুজো তো রয়েইছে।

    কী বললেন তাঁর কোচ?

    তিতাসের কোচ দেবদুলাল রায়চৌধুরী বলেন, তিতাস বড় ম্যাচের খেলোয়াড়, সেটা আবার প্রমাণ হল। ১১৭ রানের টার্গেট নিয়ে শ্রীলঙ্কা যেভাবে শুরু করেছিল প্রথম ওভারে ১২ রান করে তাতে চাপ বাড়ে। তবে, তিতাস প্রথম ওভারে দুই উইকেট, পরে শ্রীলঙ্কার ক্যাপ্টেনকে ফিরিয়ে দিয়ে সেই চাপ কাটিয়ে দেয়। বড় ম্যাচ হলেও নিজেকে শান্ত রেখে সঠিক লাইন-লেন্থে বল করে যায় তিতাস। আর তাতেই ভেঙে পরে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইন-আপ। আমরা আশা করেছিলাম, তিতাস ভালো খেলবে। ফাইনাল খেলায় ছন্দে ছিল, এটাই বড় কথা। চাপের মুখে স্বাভাবিক থাকতে পারে এটাই ওর গুণ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার, ২৬/০৯/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার, ২৬/০৯/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য–কেমন কাটবে দিন?

    মেষ

    ১) জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা ও সান্নিধ্য লাভ করবেন।

    ২) সন্তানের পরীক্ষার ফল পাবেন এবং আপনার মন আনন্দিত থাকবে।

    বৃষ

    ১)  চাকরিজীবীদের প্রচেষ্টা সফল হবে।

    ২) সন্ধ্যা নাগাদ পরিবারে কোনও অতিথির আগমন হতে পারে।

    মিথুন

    ১) চাকরিজীবীরা শত্রুদের থেকে সতর্ক থাকুন।

    ২) ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনায় অপ্রত্যাশিত সাফল্য পাবেন।

    কর্কট

    ১) চাকরিজীবীরা নতুন সুযোগ পাবেন। সন্তানের দায়িত্ব পূরণে সফল হবেন।

    ২) সন্ধ্যা নাগাদ কোনও যাত্রায় যেতে পারেন, এর ফলে লাভ হবে।

    সিংহ

    ১) ভাইয়ের সাহায্য়ে আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে। আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ২) অংশীদারীর ব্যবসায় লাভ হবে।

    কন্যা

    ১) আইনি মামলায় দুপুরের পর জয়লাভ করবেন।

    ২) পরিবারে ভাই-বোনের মধ্যে ঝামেলা চললে তা বাবার সাহায্যে দূর হবে এবং পারস্পরিক প্রেম বাড়বে।

    তুলা

    ১) ব্যবসায় দীর্ঘদিন ঘরে লেনদেনের সমস্যা চলতে থাকলে আজ তার সমাধান খুঁজে পেতে সফল হবেন।

    ২) দৈনন্দিন প্রয়োজনীয়তা পূরণে অর্থ ব্যয় করতে হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) বিদেশে বসবাসকারী পরিবারের কাছ থেকে সুসংবাদ পাবেন। 

    ২) সন্ধ্যাবেলা মা-বাবাকে দেবদর্শনের জন্য নিয়ে যাবেন।

    ধনু

    ১) ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষায় সমস্যা উৎপন্ন হতে পারে। নিজের শিক্ষকদের সাহায্যে সমাধান খুঁজে নেবেন।

    ২) সন্ধ্যা নাগাদ পরিবারের ছোট বাচ্চার সঙ্গে হাসিঠাট্টা করবেন।

    মকর

    ১)  সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করবেন। সন্তানের কাজে হতাশ হবেন।
     
    ২) জীবনসঙ্গীর সঙ্গে কোনও বিবাদ চলতে থাকলে তার সমাধান হবে।

    কুম্ভ

    ১) সহকর্মীদের সঙ্গে মিলে যে কাজ করবেন, তাতে সফল হবেন।

    ২) যাত্রায় যাওয়ার পরিকল্পনা করে থাকলে ভালোভাবে চিন্তাভাবনা করুন।

    মীন

    ১) পারিবারিক জীবনে বাধা চললে তার সমাধান হবে। ধর্মীয় যাত্রার জন্য সময় অনুকূল।

    ২) শ্বশুরবাড়ির কোনও ব্যক্তির সঙ্গে লেনদেন করা থেকে বিরত থাকুন।

     

     

     
    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Durga Puja 2023: একচালার প্রতিমায় দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, অসুর আছে, নেই শুধু কার্তিক-গণেশ!

    Durga Puja 2023: একচালার প্রতিমায় দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, অসুর আছে, নেই শুধু কার্তিক-গণেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তালিবপুরের চৌধুরীবাড়়ি। বনেদি পরিবার। সেই বাড়ির মেয়ে কল্যাণী। সারা বছর স্বামীর ঘরে থাকলেও পুজোর কটা দিন তাঁর জন্মভিটেয় কুলদেবতার কাছে না থাকলে তাঁর মন ভালো থাকে না। সেই ছোটবেলায় স্কুলশিক্ষক বাবা পাঁচকড়ি চৌধুরীর মুখে সে শুনেছিল বাড়ির দুর্গাপুজোর ইতিহাস। দিনক্ষণ আর তাঁর মনে নেই। তবে, প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগের কথা। তাঁদের পূর্বসূরি দুজন মহিলা এই পুজোর (Durga Puja 2023) সূচনা করেছিলেন। তাঁরা তন্ত্রসাধনা করতেন। একচালার প্রতিমা। দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, অসুর থাকলেও কার্তিক, গণেশ নেই। এই পুজোর সূচনাপর্ব থেকেই এই নিয়ম চলে আসছে। কার্তিক, গণেশ কেন নেই, তার ব্যাখ্যা সঠিকভাবে কেউ দিতে পারেননি।

    চট্টোপাধ্যায় থেকে চৌধুরী কীভাবে?

    এখন চৌধুরীবাড়ির পুজো বললেও আদতে তাঁদের পদবী ছিল চট্টোপাধ্যায়। এই পরিবারের সন্তান রূপচাঁদ চট্টোপাধ্যায় মুর্শিদাবাদের নবাবি দরবারে সুপ্রসিদ্ধ গায়ক ছিলেন। নবাবি আমলেই তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গান গেয়ে মানুষের মন জয় করেছিলেন। স্বাভাবিক কারণেই আর্থিকভাবে তিনি বেশ কিছুটা সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর আমলেই এই বাড়িতে দুর্গাপুজো অনেক জাঁকজমকভাবে হত। বহু দূরদূরান্ত থেকে মানুষ এই পুজোয় (Durga Puja 2023) অংশ নিতে আসতেন। সেই সময় অষ্টমী আর নবমীতে পুজোয় ছাগ বলি হত। পুজোর কদিন কয়েকশো মানুষের পাত পড়ত এই বাড়িতে। আর রূপচাঁদের মতো স্বনামধন্য গায়কের বাড়ি হওয়ায় পুজোর সময় ফি বছর গানের আসরও বসত। আশপাশের গ্রামের মানুষের ভিড়ে সেই আসর গমগম করত। তাঁর উত্তরসূরী ছিলেন পঞ্চানন্দ চট্টোপাধ্যায়। গায়ক হিসেবে তিনিও যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। তাঁর প্রতিভার জন্যই চট্টোপাধ্যায় থেকে চৌধুরী উপাধি দেওয়া হয়। নবাবি আমলে পাওয়া সেই পদবীই এখনও এই পরিবারের সদস্যরা বহন করে চলেছেন। মন্দিরের উঁচু দালান, মাটির দেওয়াল, খড়ের চাল ফি বছর ঠিক করা হত। চৌধুরীবাড়়ির বর্তমান বংশধর স্কুল শিক্ষক জয়ন্ত চৌধুরীর কথায়, আমাদের প্রপিতামহ ইন্দ্রভূষণ চৌধুরীর সময় থেকেই ছাগ বলি বন্ধ হয়ে আখ, চালকুমড়ো বলি শুরু হয়।

    এখনও বলির শঙ্খচিল আকাশে ওড়ে

    শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য মেনেই এখনও ষষ্ঠীর দিন সকালে ধোপাপুকুরে গিয়ে ঘটে জল ভরা হয়। সেই ঘট মন্দিরে রেখে পুজো হয়। রাতে ষষ্ঠীর কল্পনা হয়। মহা সপ্তমীর দিন কলাবউকে বাড়ির ঠাকুরঘরে গঙ্গার জলে স্নান করানো হয়। এরপর মন্দিরের সামনেই উঠানে নিয়ে এসে এক কোণে কলা বউয়ের পুজো হয়। পরে, মন্দিরে মা দুর্গার ডানদিকে এক কোণে কলা বউকে রাখা হয়। প্রতিদিন মায়ের ভোগ হিসেবে প়ঞ্চব্যঞ্জন পদ ও মাছের ভোগ (Durga Puja 2023) নিবেদন করা হয়। আগের ছাগ বলি আর নেই। এখন সপ্তমী, অষ্টমীর দিন চাল কুমড়ো বলি দেওয়া হয়। আর মহাষ্টমীতে চাল কুমড়ো বলি দেওয়া হয়। তবে, যখন গ্রাম বাংলায় ঘড়ির চল ছিল না, তখন এই বলির আগে আকাশে নিয়ম করে শঙ্খচিল আর শিয়াল আসত। তারা আসার পরই নির্দিষ্ট একটি সময়ের পরই বলিদান হত। এখনও বলির শঙ্খচিল আকাশে ওড়ে। পরিবারের সকলের সঙ্গে কল্যাণী তাঁর দুই সন্তানকে তা দেখিয়েছেনও।

    নবমীর দিন আখ আর চাল কুমড়ো বলি

    এই চৌধুরীবাড়ির বর্তমান বংশধর সত্যব্রত চৌধুরী, দেবব্রত চৌধুরী, ধর্মব্রত চৌধুরী। ধর্মব্রত চৌধুরী এখন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। খুব ছোট থেকেই তিনি এই পুজো করে আসছেন। কোনও কামার নয়, চৌধুরী পরিবারের সদস্যের হাতেই মা বলিও গ্রহণ করেন। পুজো (Durga Puja 2023) শেষে বাড়িতে মায়ের ভোগ খাওয়ানো হয়। নবমীর দিন আখ আর চাল কুমড়ো বলি হয়। সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত সন্ধ্যায় লুচি, ক্ষীর, ছানা ভোগ নিবেদন করা হয়। দশমীর দিন খই, দই ভোগ নিবেদন করা হয়। পাড়ার ছেলেমেয়েরা সাত সকালে স্নান করে নতুন জামাকাপড় পরে মন্দিরে চলে আসেন। বেলপাতায় সরের কলমে কালি দিয়ে মা দুর্গার নাম লিখে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে মায়ের পায়ে তা নিবেদন করেন। বিকেলের দিকে ধোপা পুকুরে প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়। একাদশীর দিনে বাপেরবাড়ি ছেড়ে যেতে কল্যাণীর চোখ ছল ছল করে।

    মা দুর্গার নিরঞ্জন হয় না

    তালিবপুর ডাঙাপাড়ায় মাটির দোতলা বাড়িতে পাঁচকড়ি চৌধুরীর ভরা সংসার। তাঁর চার সন্তান সত্যব্রত, কল্যাণী, দেবব্রত এবং ধর্মব্রত। তিন ভাই, বোন মিলেই এই পুজোর আয়োজন করতেন। পাঁচকড়ি চৌধুরী বহু বছর আগে গত হয়েছেন। রূপচাঁদের উত্তরসূরী হিসেবে কল্যাণীর পাশাপাশি সত্যব্রত, ধর্মব্রত ও তাঁর সন্তানরা এখনও নিয়মিত গান, বাজনার রেওয়াজ করেন। এখন আর খড়ের চালের মন্দির নেই। সেখানে মাথা তুলেছে ইট, সিমেন্টের কংক্রিটের মন্দির। দেবব্রত আর ধর্মব্রত এখন সেই পুরানো ঐতিহ্য মেনেই দুর্গাপুজো করে আসছে্ন। তবে, করোনাকালের সময় থেকেই চৌধুরীবাড়ির মা দুর্গার (Durga Puja 2023) আর নিরঞ্জন হয় না। পরিবারের বর্তমান বংশধর তথা অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ধর্মব্রত চৌধুরী বলেন, মায়ের আদেশ মেনেই আর নিরঞ্জন হয় না। এখন বছরের চারদিন নয়, সারা বছর ধরেই মায়ের পুজো হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকান্ডে অন্যতম অভিযুক্ত গ্রেফতার, এতদিন কী করছিল পুলিশ?

    Duttapukur: দত্তপুকুর বিস্ফোরণকান্ডে অন্যতম অভিযুক্ত গ্রেফতার, এতদিন কী করছিল পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেক আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল এলাকা। তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে বিস্ফোরণে উড়ে যায় প্রায় আস্ত একটা বাড়ি। ছিন্নভিন্ন দেহাংশ ছিটকে গিয়ে পড়ে প্রায় ২০০ মিটার দূরে। কারও কারও হাত-পা উড়ে যায়। আগুনে ঝলসে যান বেশ কয়েকজন। অনেকেই সেদিন বলেছিলেন, কয়েক কিলোমিটার দূরে বারাসত পর্যন্ত শোনা গিয়েছিল বিস্ফোরণের শব্দ। দত্তপুকুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে আগেই গ্রেফতার হয় মূল অভিযুক্ত। ২৮ দিন ধরে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে বিস্ফোরণকান্ডে অন্যতম অভিযুক্ত রমজান আলিকে পুলিশ গ্রেফতার করল। তাঁকে কদম্বগাছি থানা এলাকার একটি গ্রাম থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

    বিস্ফোরণকান্ডে এর আগে আর কে গ্রেফতার হয়েছে? (Duttapukur)

    দত্তপুকুরের (Duttapukur) মোচপোল গ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রথম পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় সফিকুল ইসলাম। বিস্ফোরণ ঘটা বাজি কারখানায় সফিকুলের অংশীদারিত্ব ছিল বলে জানা গিয়েছিল। ধৃত সফিকুল বাজি কারখানার মালিক কেরামত শেখের পার্টনার বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল। তবে কেরামতের  সন্ধান পাওয়া যায় নি। কেউ বলছে, বিস্ফোরণে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন কেরামত। আবার একাংশের দাবি ছিল বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে তার। প্রসঙ্গত, বিস্ফোরণস্থলে নীল ড্রামে মজুত ছিল প্রচুর পরিমাণে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও পটাসিয়াম ক্লোরাইড। বাজি কারখানার অদূরে হদিশ মিলেছিলো ল্যাবরেটরি। এই প্রেক্ষাপটে দত্তপুকুরে বিস্ফোরণে আরডিএক্স ব্যবহার হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছিলেন এলাকায় গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি অভিযোগ উঠছিল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও। স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু পুলিশের তোলা আর তৃণমূল নেতাদের কাটমানি খাওয়ার পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল। আগে কাটমানি ১০ হাজার হলে, এখন ২০ হাজার টাকা ছিল।  

    বিস্ফোরণকান্ডের অভিযুক্তকে কতদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত?

    দত্তপুকুরে (Duttapukur) বাজি বিস্ফোরণে আগেই এফআইআর এর নাম ছিল এই রমজান আলির। রমজান আইএসএফের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করেছিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা। বিস্ফোরণের পর থেকেই এতদিন গা ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল সে। এতদিন পর  তাকে গ্রেফতার করে দত্তপুকুর থানার পুলিশ। এদিন ওই রমজান আলিকে বারাসত আদালতে তোলা হয়। পুলিশের তরফ থেকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করা হলে বারাসত জেলা আদালতের বিচারক ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantiniketan: শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে নার্সিং ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু, চাঞ্চল্য

    Shantiniketan: শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে নার্সিং ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতন (Shantiniketan) মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী নিবাসে নার্সিং ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু। সমগ্র ঘটনার ভিডিওগ্রাফি করে বোলপুর থানায় তদন্তের দাবি জানালেন ছাত্রীর বাবা। অভিযোগ, ছাত্রীটি যখন অসুস্থ হয়, তার চিকিৎসার প্রেসক্রিপশন পরিবারকে দেওয়া হয়নি। ছাত্রীমৃত্যুর ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Shantiniketan)

    হুগলি জেলার পুরশুড়ার শ্যামপুরের বাসিন্দা চিন্ময় দত্ত। তাঁর মেয়ে স্নেহা দত্তকে (২০) নার্সিং পড়ানোর জন্য শান্তিনিকেতন নার্সিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেছিলেন। শান্তিনিকেতন (Shantiniketan) মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী নিবাসে থেকেই সে পড়াশোনা করত। ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে ছাত্রী নিবাসে খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ স্নেহার মুখ থেকে ফ্যানা বের হতে শুরু করে। কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও, ঘটনার পর থেকে শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কেউ কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। উল্লেখ্য, এই শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজের এক কর্মকর্তা মলয় পীঠ অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত। গরু পাচার মামলায় ইডি ও সিবিআইয়ের স্ক্যানারে রয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই একাধিকবার কলকাতার নিজাম প্যালেস ও দিল্লিতে ডেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

    কী বললেন ছাত্রীর পরিবারের লোকজন?

    এদিন বোলপুর থানায় বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন ছাত্রীর বাবা চিন্ময় দত্ত। তিনি সমগ্র ঘটনার ভিডিওগ্রাফি করে তদন্তের দাবি করেছেন। চিন্ময়বাবু বলেন, আমার মেয়ে মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী নিবাসে অসুস্থ হয়। অথচ তাকে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়নি। যদি ভর্তি করা হয়ে থাকে, সেই প্রেসক্রিপশন আমাদের দেওয়া হয়নি। মেডিক্যাল কলেজে (Shantiniketan) ছাত্রীটিকে ভর্তি না করে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে কেন পাঠানো হল? তিনি আরও বলেন, আর কোনও মায়ের কোল যেন এভাবে শূন্য না হয়ে যায়। অনেক স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে পড়তে পাঠিয়েছিলাম। সব শেষ হয়ে গেল। আমি এই ঘটনার তদন্ত দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share