Tag: Madhyom

Madhyom

  • Bihar Congress: প্রধানমন্ত্রীর মা-কে নিয়ে এআই ভিডিও বানিয়ে ফের বিতর্কে কংগ্রেস

    Bihar Congress: প্রধানমন্ত্রীর মা-কে নিয়ে এআই ভিডিও বানিয়ে ফের বিতর্কে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গালাগালিকাণ্ডের পর এবার এআই ভিডিও! ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মা হীরাবেন মোদিকে ভোট প্রচারে টেনে এনে বিতর্কে কংগ্রেস (Bihar Congress)। মোদিকে নিয়ে বিহার কংগ্রেসের তৈরি এআই ভিডিও নিয়ে ঘোর আপত্তি তুলেছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের দাবি, কংগ্রেস গোটা মহিলা সমাজকে অপমান করেছে।

    এআই দ্বারা তৈরি ভিডিও (Bihar Congress)

    ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার। এদিন বিহার কংগ্রেস এআই দ্বারা তৈরি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে পোস্ট করে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর প্রয়াত মা হীরাবেনের মতো চরিত্র একটি সাজানো, স্বপ্নসদৃশ আলাপচারিতায় উপস্থিত হয়েছে বলে অনুমান। ৩৬ সেকেন্ডের এই ক্লিপটি যার ওপরে লেখা এআই জেনারেটেড, অনলাইনে ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হয়েছে। ঘটনাটিকে বিজেপি বিহার নির্বাচনের আগে ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবেই দেখছে। যদিও কংগ্রেস এই ভিডিওর পক্ষে বিবৃতি দিয়ে বলেছে, এতে কারও প্রতি অবমাননার কোনও ইঙ্গিত নেই।

    বিজেপির তোপ

    বিজেপি (BJP) সাংসদ রাধামোহন দাস আগরওয়াল ভিডিওটির কড়া নিন্দে করেছেন। তিনি একে রাজনীতিতে নতুন এক নিম্নস্তরের ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন। বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি সব সময় রাজনীতিকে পারিবারিক জীবনের থেকে আলাদা রেখেছেন। কষ্টের বিষয় যে কংগ্রেস প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর মাকে গালিগালাজ করেছে এবং এখন ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশকে বিভ্রান্ত করছে ও সব মায়ের প্রতি অবমাননা করছে।” তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হবে (Bihar Congress)।

    বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন এক্স হ্যান্ডেলে। তিনি বলেন, “কংগ্রেস সব সীমা লঙ্ঘন করেছে।” তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রীর মাকে গালিগালাজ করার জন্য কোনও অনুশোচনার বদলে কংগ্রেস মিথ্যা বলে অভিযুক্তকে যথার্থ ও নির্দোষ বলে সমর্থন করছে। এই দল ‘গান্ধীবাদী’ না হয়ে এখন ‘গালিবাদী’ হয়ে গিয়েছে।” তিনি ওই ভিডিও ক্লিপটিকে ‘ঘৃণ্য’ ও ‘লজ্জাজনক’ বলেও অভিহিত করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মায়ের নাম রাজনীতির বিতর্কে টেনে আনার ঘটনা এই প্রথম নয়। ২৭ অগাস্ট বিহারেরই দ্বারভাঙায় কংগ্রেস ও আরজেডি পরিচালিত ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’-র সময়, মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদি (BJP) ও তাঁর প্রয়াত মায়ের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ (Bihar Congress)।

  • Terrorists Arrested: ভারতব্যাপী জঙ্গি মডিউলের পর্দা ফাঁস, দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার ৫

    Terrorists Arrested: ভারতব্যাপী জঙ্গি মডিউলের পর্দা ফাঁস, দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যান-ইন্ডিয়া বা দেশব্যাপী একটি জঙ্গি মডিউলের পর্দা ফাঁস (Terrorists Arrested) করল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। অভিযোগ, পাকিস্তান-ভিত্তিক (Khilafat Model) হ্যান্ডলারের নির্দেশে পরিচালিত হচ্ছিল এই মডিউল। লক্ষ্য ভারতে খিলাফত শৈলীর শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। এই অভিযোগে দেশের চার রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মোট পাঁচজনকে। এরা হল আশহার দানিশ, সুফিয়ান আবুবকর খান, আফতাব আনসারি, হুজাইফা ইয়ামান এবং কামরান কুরেশি।

    খিলাফত-শৈলীর গ্রুপ গঠনের পরিকল্পনা (Terrorists Arrested)

    অতিরিক্ত কমিশনার (স্পেশাল সেল) প্রমোদ কুশওয়াহা জানান, এই গোষ্ঠী একটি দুই পর্বের পরিকল্পনা করেছিল। প্রথমত, ‘লস্কর’ নামে একটি খিলাফত-শৈলীর সংগঠন গঠন করা, এবং পরবর্তী কালে ইসলামের বিকৃত ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে ‘গাজওয়া-এ-হিন্দ’-এর অনুপ্রেরণায় ভারতে জিহাদ শুরু করা। তিনি বলেন, “তারা প্রথম ধাপে নিজেদের খিলাফত-শৈলীর একটি গ্রুপ গঠনের পরিকল্পনা করছিল। এরপর তারা গাজওয়া-এ-হিন্দ ধারণা অনুসরণ করে জিহাদ চালিয়ে যেতে চেয়েছিল, যার মধ্যে লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ডও অন্তর্ভুক্ত।” পুলিশ অভিযুক্তদের কাছ থেকে সন্দেহজনক ও বিপজ্জনক পদার্থ বাজেয়াপ্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে গন্ধক গুঁড়ো, গন্ধক অ্যাসিড, নাইট্রিক অ্যাসিড, সোডিয়াম বাইকার্বোনেট, পিএইচ লেভেল চেকার, বল বিয়ারিংস এবং ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) তৈরি করতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপাদান। এর পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে তার, মাদারবোর্ড, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, আগ্নেয়াস্ত্র এবং কার্তুজও।

    ১১ জন আটক

    জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোট ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। যদিও গ্রেফতার করা হয়েছে পাঁচজনকে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই গোষ্ঠীর নেতৃত্বে ছিল আশহার দানিশ। সে রাঁচির বাসিন্দা। সে নিজেকে একজন পেশাদার কোম্পানি পরিচালনা করা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিত। জনসমক্ষে সে নিজেকে ‘সিইও’ হিসেবেও পরিচয় দিত। তবে ঘনিষ্ঠ মহলে সে পরিচিত ছিল ‘গাজওয়া নেতা’ নামে। এই গোষ্ঠী একটি এনজিও পরিচালনার অছিলায় জমি অধিগ্রহণের চেষ্টা করছিল। কুশওয়াহা বলেন, “এরা অত্যন্ত উগ্রপন্থী ব্যক্তি যারা একটি ঘনিষ্ঠ অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ করত।”  সূত্রের খবর (Khilafat Model), রাঁচি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে আশহার দানিশকে। সুফিয়ান আবুবকর খান এবং আফতাব আনসারিকে ধরা হয়েছে দিল্লি থেকে। তেলঙ্গানার নিয়াজাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয় হুজাইফা ইয়ামানকে। আর মধ্যপ্রদেশের রাজগড় থেকে পাকড়াও করা হয়েছে কামরান কুরেশিকে (Terrorists Arrested)।

    ইম্প্রোভাইজড বিস্ফোরক ডিভাইস

    দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ইম্প্রোভাইজড বিস্ফোরক ডিভাইস তৈরি মায় কার্তুজ তৈরির প্রশিক্ষণও নিয়েছে। তদন্তকারীরা সন্দেহভাজনদের কাছ থেকে কিছু ‘অপরাধমূলক ছবি’-ও উদ্ধার করেছে। পুলিশের মতে, দলটি স্বীকার করেছে যে তাদের হ্যান্ডলার অনলাইনে আইইডি তৈরির নির্দেশ দিচ্ছিল এবং বোমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন রাসায়নিক এবং উপাদান সংগ্রহের নির্দেশও দিয়েছিল (Terrorists Arrested)। কুশওয়াহা বলেন, “এটি একটি দেশীয় অভিযান ছিল।” ধৃতদের স্বাধীনভাবে অস্ত্র সংগ্রহ এবং আইইডি তৈরির নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল (Khilafat Model)। দেওয়া হয়েছিল কার্তুজ তৈরির নির্দেশও। তাদের কাছ থেকে কিছু সন্দেহজনক স্কেচও উদ্ধার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ সাম্প্রদায়িক প্রচার, ধর্মীয় বৈষম্য উস্কে দেওয়া এবং অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে এফআইআর দায়ের করেছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় বিভিন্ন সংস্থা ধৃতদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা ডিজিটাল ডিভাইসগুলি বিশ্লেষণ করছে। জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক শনাক্ত করতে এবং সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক যোগসূত্র খুঁজে বের করতেই বিশ্লেষণ করা হচ্ছে উদ্ধার হওয়া ডিজিটাল ডিভাইসগুলি (Terrorists Arrested)। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের গ্রেফতারের ফলে দেশে একটি বড়সড় জঙ্গি হামলা ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।

    আইইডি এবং অন্যান্য বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, ধৃতেরা পরস্পরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত। দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ এবং তেলঙ্গানা থেকে যে তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের কাছ থেকে আইইডি এবং অন্যান্য বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। ধৃতদের জেরা করে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, এই দলটিকে পরিচালনা করছিল দানিশ। পাকিস্তানের হ্যান্ডলাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল তাঁর। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত তারা। ভারতে যুব সম্প্রদায়ের মগজধোলাই করে জঙ্গি কার্যকলাপে উদ্বুদ্ধ করার কাজ করত ধৃতেরা। শুধু তা-ই নয়, জঙ্গি দলে নিয়োগের দায়িত্বও ছিল ধৃতদের ওপর। ধৃতদের জেরা করে পুলিশ এও জেনেছে, দিল্লি এবং এনসিআর-সহ দেশের নানা জায়গায় নাশকতার ছক কষা হয়েছিল (Terrorists Arrested)। পুলিশের অনুমান, ধৃতেরা আল কায়দা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট মডিউলের সঙ্গে জড়িত (Khilafat Model)।

  • CP Radhakrishnan: দেশের ১৫তম উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন সিপি রাধাকৃষ্ণন

    CP Radhakrishnan: দেশের ১৫তম উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন সিপি রাধাকৃষ্ণন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ১৫তম উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) হিসেবে শপথ নিলেন চন্দ্রপুরম পন্নুস্বামী রাধাকৃষ্ণন (CP Radhakrishnan)। শুক্রবার তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-সহ সরকারের শীর্ষ স্তরের নেতামন্ত্রীরা। উপস্থিত ছিলেন এনডিএর জোটসঙ্গী বিভিন্ন দলের নেতারাও। উপরাষ্ট্রপতি পদে রাধাকৃষ্ণনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদ্য প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ও। ছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং আরও এক প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডুও। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ ব্রায়েনও উপস্থিত ছিলেন এদিনের অনুষ্ঠানে।

    রাধাকৃষ্ণনের জয় (CP Radhakrishnan)

    প্রসঙ্গত, গত ২১ জুলাই রাতে আচমকাই উপরাষ্ট্রপতি পদে ইস্তফা দেন ধনখড়। তার পরেই শুরু হয় উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের প্রক্রিয়া। নির্বাচন হয় মঙ্গলবার। রাধাকৃষ্ণনের বিরুদ্ধে ইন্ডি জোটের প্রার্থী ছিলেন সুদর্শন রেড্ডি। এই নির্বাচনে রেড্ডিকে পরাস্ত করেন রাধাকৃষ্ণন। তাঁর জয় নিয়ে অবশ্য প্রথম থেকেই কোনও সংশয় ছিল না। খাতায়-কলমে এনডিএর পক্ষে ছিল ৪২৭টি ভোট। ওয়াইএসআর কংগ্রেসের ১১টি ভোটও পেয়েছেন এনডিএ প্রার্থী রাধাকৃষ্ণন (CP Radhakrishnan)। সব মিলিয়ে তাঁর পাওয়ার কথা ছিল ৪৩৮টি ভোট। যদিও ফলপ্রকাশের পর দেখা যায় তিনি পেয়েছেন ৪৫২টি ভোট। আর তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রেড্ডি পেয়েছেন ৩০০টি ভোট। অথচ তাঁর পাওয়ার কথা ছিল ৩২১টি ভোট। প্রত্যাশিতভাবেই এসেছে ক্রস ভোটিংয়ের অনুষঙ্গ।

    রাধাকৃষ্ণনের রাজনৈতিক যাত্রা

    রাধাকৃষ্ণন তামিলনাড়ুর নেতা। তামিলনাড়ু থেকে এর আগে দুজন উপরাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন। দেশের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ এবং আর বেঙ্কটরামন। সিপি রাধাকৃষ্ণন হলেন তামিলনাড়ু থেকে তৃতীয় উপরাষ্ট্রপতি। রাধাকৃষ্ণন ছিলেন আরএসএসের স্বয়ংসেবক। ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। ১৯৯৮ সালে তিনি প্রথমবার জয়ী হন কোয়েম্বাটোর লোকসভা কেন্দ্র থেকে। পরের বছরই আবারও ওই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়ে লোকসভায় পা রাখেন দ্বিতীয়বারের জন্য। ২০২৩ সালে তিনি ছিলেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল। পরের বছরই তাঁকে (Vice President) পাঠানো হয় মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল করে। এবার তিনিই হলেন দেশের ১৫তম উপরাষ্ট্রপতি (CP Radhakrishnan)।

  • Maoist Killed in Chhattisgarh: আগামী মার্চেই মাওবাদী মুক্ত হবে দেশ, ছত্তিশগড়ে বাহিনীর সাফল্যকে কুর্নিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের

    Maoist Killed in Chhattisgarh: আগামী মার্চেই মাওবাদী মুক্ত হবে দেশ, ছত্তিশগড়ে বাহিনীর সাফল্যকে কুর্নিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও-দমনে ফের বড় সাফল্য় পেল নিরাপত্তা বাহিনী ৷ গুলির লড়াইয়ে নিহত মাওবাদী (Maoist Killed in Chhattisgarh) কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা মনোজ। বৃহস্পতিবার, ছত্তিশগড়ের গারিয়াবন্দ জেলায় একটি অভিযানে আরও ৯ জন নকশালপন্থীকে খতম করেছে পুলিশ। মাওবাদী নেতা মনোজ অনেকের কাছে মোডেম বালাকৃষ্ণ নামেও পরিচিত ছিল। তার মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, মনোজ থেকে শুরু করে বালানা, রামচন্দর ও ভাস্কর-সহ একাধিক নাম ব্যবহার করে নানা ধরনের নাশকতামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল বালাকৃষ্ণ৷ তাকে খতম করা অবশ্য়ই নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে একটি বড় সাফল্য ৷ নিরপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)৷

    নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে খবর মেলে মইনপুর জঙ্গলে মাওবাদীরা ঘাঁটি গেড়েছে। রাতেই অভিযান শুরু করে পুলিশ এবং সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মাওবাদীদের সঙ্গে শুরু হয় গুলির লড়াই। তখনই মোট ১০ জন মাওবাদী নিহত হয়। তার মধ্যেই অনেকেই প্রবীণ নেতা। যাদের অন্যতম হল কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা মনোজ ওরফে মোডেম বালাকৃষ্ণ। যার মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। উল্লেখ্য, এদিনই খবর এসেছে যে ছত্তিশগড়ের বস্তারে আত্মসমর্পণ করেছে ১৬ মাওবাদী। বুধবার রাতে বস্তারের নারায়ণপুরে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা।

    শাহি ফরমান

    নিরাপত্তা বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ৷ এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘‘আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী আবারও একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে ৷ কোবরা কমান্ডোদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছেন ছত্তিশগড় পুলিশের কর্মীরা ৷ তাতে ১০ জনের প্রাণ গিয়েছে ৷ এই তালিকায় ছিল মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য় মডেম বালাকৃষ্ণ ওরফে মনোজ ৷ তার মাথার দাম ছিল কোটি টাকা !’’ অমিত শাহ মনে করেন, এখনও যে সমস্ত মাওবাদীরা সন্ত্রাসের পথে আছে তাদের আত্মসমর্পণ করে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসা উচিত ৷ এদিন আরও একবার ৩১ মার্চের মধ্যে মাওবাদীদের সম্পূর্ণরূপে নিকেশ করার কথা মনে করিয়ে দেন তিনি ৷

    মাও দমনে তৎপর কেন্দ্র

    দেশে মাওবাদী কার্যকলাপ সম্পর্ণরূপে বন্ধ করতে ইতিমধ্য়েই তৎপরতা দেখিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার ৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাম্প্রতীক অতীতেও একাধিকবার জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারত থেকে মাওবাদীদের অস্বিত্ব মুছে দেওয়া তাঁদের লক্ষ্য ৷ ঘোষণার পর থেকেই ছত্তিশগড় থেকে শুরু করে ঝাড়খণ্ডের মতো জায়গায় আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয় হয়েছে বাহিনী ৷ কখনও অভিযান করে মাওবাদীদের নিকেশ করা হচ্ছে, কখনও আবার তাঁদের সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে ৷ বহু মাওবদী ইতিমধ্যেই আত্মসমর্পণ করেছে ৷ বাকিরাও যাতে দ্রুত এই পথে হাঁটে তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর মোদি সরকার ৷

  • Snoring: ঘুমের পরেই নাক ডাকার আওয়াজে হিমশিম! কোনও রোগের ইঙ্গিত কি?

    Snoring: ঘুমের পরেই নাক ডাকার আওয়াজে হিমশিম! কোনও রোগের ইঙ্গিত কি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দুপুরের ভুরিভোজের পরের স্বল্প সময়ের সুখ নিদ্রায় হোক কিংবা দিনভরের ক্লান্ত শরীরে রাতের বিছানায় গভীর ঘুমে, ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে নিজের নাক! এমন নাকের ডাক, যে বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের তো বটেই, নিজের ঘুম ও অনেক সময় ভেঙে যাচ্ছে। নাক ডাকার বিচিত্র অদ্ভুত আওয়াজ নিয়ে রসিকতা ও করছেন পরিবার। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিছক মজার বিষয় মনে হলেও ব্যাপারটা আসলে খুবই গুরুতর। স্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বিগ্ন হওয়ার মতোই একটি সমস্যা। তাই পরিবারের কেউ মারাত্মক নাক ডাকলে একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। বরং চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কেন নাক ডাকার সমস্যা হয়?

    স্থূলতার সমস্যা!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নাক ডাকার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত ওজন। দেহের ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে ঘুমের সময় নাক দিয়ে আওয়াজ হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ওজন বেড়ে যাওয়ার অর্থ শরীরে অতিরিক্ত চর্বি বা মেদ তৈরি হয়ে যাওয়া। গলা এবং ঘাড়ের অংশে অতিরিক্ত মেদ তৈরি হয়ে যাওয়ার কারণে শ্বাসনালীতে চাপ পড়ে। আর সেই জন্য নাক ডাকার সমস্যা দেখা যায়।

    অ্যালার্জিজনিত সমস্যা!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অ্যালার্জির কারণেও নাক ডাকার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই অনেকে নানান অ্যালার্জিতে ভোগেন। যার জেরে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো কিংবা সর্দির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। আর তার জেরেই নাক ডাকার মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে।

    মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস!

    মদ্যপান ও ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। লিভার, ফুসফুসের একাধিক রোগের কারণ এই দুই অভ্যাস। আবার নাক ডাকার মতো সমস্যাও বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং ধুমপান করলে ঘুমের সময় মুখ ও গলার পেশি শিথিল হয়ে যায়। এর ফলেই নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় অদ্ভুত একটা আওয়াজ তৈরি হয়। ফলে নাক ডাকার সমস্যা দেখা দেয়।

    ভিটামিন ডি অভাব!

    সাম্প্রতিক এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নাক ডাকার অন্যতম কারণ ভিটামিন ডি-র অভাব। ওই গবেষণায় অংশগ্রহণকারী চিকিৎসক-গবেষকদের একাংশ বলছেন, ভিটামিন ডি যেমন শরীরের হাড় মজবুত করতে প্রয়োজনীয়। তেমনি শরীরে গভীর ঘুমের জন্য ও ভিটামিন ডি জরুরি। শরীরের সমস্ত পেশি, স্নায়ুর বিশ্রাম প্রয়োজন। তবেই শরীর আবার নতুনভাবে কাজের শক্তি পাবে। শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি থাকলে ঘুমের গুণগত মান বাড়ে। অর্থাৎ শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, শরীরে ভিটামিন ডি অভাব থাকলে ঠিকমতো ঘুম হয় না।‌ ফলে পেশি ও স্নায়ুর কার্যক্ষমতা কমে। নাক ডাকার মতো সমস্যাও তৈরি হয়।

    কেন নাক ডাকার সমস্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নাক ডাকার সমস্যা একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। ঘুমের মধ্যে শ্বাসনালীতে ঠিকমতো অক্সিজেন পৌঁছয় না। নিঃশ্বাস ও প্রশ্বাস প্রক্রিয়ায় বাধা‌ তৈরি হয়। তার জেরেই নাক ডাকার মতো সমস্যা তৈরি হয়। তাই অতিরিক্ত নাসিকা‌ গর্জনে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো বিপদ ও ঘটতে পারে। ঘুমের ভিতরে হঠাৎ শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো বিপদ ঘটনার পিছনেও থাকে নাক ডাকার সমস্যা। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। অতিরিক্ত নাক ডাকার সমস্যা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসের মতো রোগের জন্ম দেয়। তাই নাক ডাকার মতো সমস্যা মোটেও অবহেলা করা উচিত নয় বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • India EU Trade Deal: ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা নেই! ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চায় ইউরোপ

    India EU Trade Deal: ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা নেই! ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চায় ইউরোপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর যে আহ্বান মার্কিন প্রেসিডেন্ট করেছেন, তাতে আপাতত সাড়া দিচ্ছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এ প্রসঙ্গে ইউরোপের নেতাদের চিন্তা একটু আলাদা। জানা গিয়েছে, ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ভারত ও চিনের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপের অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে ইইউ-র পক্ষ থেকে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এখনও। দাবি করা হচ্ছে, ভারত ও চিনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক চাপানোর জন্য ইইউ-র ওপর চাপ দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    কী ভাবছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

    ইইউর এক প্রতিনিধি দল, যার মধ্যে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা বিষয়ক প্রধান দূতও ছিলেন, সম্প্রতি ওয়াশিংটনে সফর করে। সফরের উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করা। তবে ইইউ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা শুল্কের বিষয়টি নিষেধাজ্ঞার মতো ভাবে দেখেন না এবং সাধারণত দীর্ঘ তদন্ত ও আইনি ভিত্তির পরই শুল্ক আরোপ করেন। এক ইউরোপীয় কূটনীতিক বলেন, “এখনও পর্যন্ত ভারত বা চিনের উপর শুল্ক আরোপ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।” তিনি আরও জানান, ইইউ বর্তমানে ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনার শেষ পর্যায়ে রয়েছে, যা এমন পদক্ষেপের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অন্য এক ইইউ কর্মকর্তা বলেন, এই ধরনের শুল্ক আরোপ ঠিক হবে না। এতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বরং নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করাকে তারা বেশি কার্যকর বলে মনে করেন।

    ট্রাম্পের হঠকারী ভাবনা

    সূত্রের খবর , ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) সামনে রেখে ভারতের উপর আরও শুল্ক চাপাতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শুধু ভারত নয়, এই তালিকায় চিনকে রেখেছেন তিনি। রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ‘জরিমানা’ হিসেবে ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, তেল কিনে রাশিয়ার হাত শক্ত করছে ভারত। তেল বিক্রি করে যা মুনাফা করছে তা ইউক্রেন যুদ্ধে কাজে লাগাচ্ছে ভ্লাদিমির পুতিনের সরকার! তাই রাশিয়াকে যদি যুদ্ধ থেকে বিরত করতে হয় তবে তাদের বন্ধুরাষ্ট্র চিন এবং ভারতের উপর শুল্ক-হামলা করতে হবে, এমনই মনে করছে ট্রাম্প প্রশাসন। দিন দুয়েক আগে মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট দাবি করেছিলেন, রাশিয়া এবং তার থেকে তেল কেনা দেশগুলির উপর আরও শুল্ক এবং নিষেধাজ্ঞা চাপানো হলে, সংশ্লিষ্ট দেশগুলির অর্থনীতি ভেঙে পড়তে পারে! এই ধরনের অর্থনৈতিক পতনই কেবল রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে আলোচনার টেবিলে বসাতে পারে। সেই একই পথের কথা বললেন ট্রাম্পও।

    ট্রাম্পের সঙ্গে ইইউ-এর কথা

    সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত আধিকারিক ডেভিড ও’সুলিভান সহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ট্রাম্প কথা বলেন। সেই সময়ই নাকি ট্রাম্প এই অনুরোধ জানিয়েছেন। ইইউ কর্মকর্তা রয়টার্সকে নাকি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইঙ্গিত দিয়েছে যে, যদি ইইউ ট্রাম্পের অনুরোধ মঞ্জুর করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও একই ধরনের শুল্ক আরোপ করতে চায় ভারত ও চিনের ওপর। প্রসঙ্গত, ট্রাম্প নিজে অভিযোগ করে আসছেন, বাণিজ্যের দিক থেকে ইউরোপ এখনও রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে। এই আবহে ইউরোপকে ভারত এবং চিনের ওপর পরোক্ষ শুল্ক আরোপের জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। প্রতিবেদন অনুসারে, গত বছর ইইউর মোট গ্যাস আমদানির ১৯ শতাংশ ছিল রাশিয়া থেকে। তবে ইইউ বলেছে, তারা রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ট্রাম্প ইতিমধ্যে ভারতের উপর ২৫+২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। এর মধ্যে ২৫% পারস্পরিক শুল্ক এবং ২৫% নিষেধাজ্ঞা বাবদ আরোপ করা হয়েছে।

    ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে চলেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

    সূত্রের খবর, আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শীঘ্রই ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে চলেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। নয়াদিল্লিতে এই নিয়ে কথা বলতে আসবেন ইইউ-এর প্রতিনিধিরা। দীর্ঘদিন ধরেই চলছে এই কথা। ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন চাইছে দু-জনের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। বর্তমানে সমস্ত অমীমাংসিত বিষয় সমাধানের জন্য আগামী মাসে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। নয়াদিল্লি সূত্র বলছে, ইউরোপীয় আধিকারিকদের একটি প্রতিনিধিদল এই সপ্তাহে নয়াদিল্লি সফরে আসার কথা রয়েছে। যেখানে তারা বাজার অ্যাক্সেস, কৃষি পণ্যের উপর শুল্ক ও বিশেষ করে ওয়াইন ও দুগ্ধজাত পণ্যের উপর শুল্ক মত-পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। মনে করা হচ্ছে- ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১৭ সেপ্টেম্বর ভারতের জন্য তাদের নতুন দৃষ্টিভঙ্গির নীলনকশা উপস্থাপন করবে। আগামী মাসের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ঘোষণা করা হতে পারে।

  • Bangladesh Crisis: ভোটের আগে নীতি নির্ধারণে জামাত! বাংলাদেশে কি চালু হবে শরিয়া আইন?

    Bangladesh Crisis: ভোটের আগে নীতি নির্ধারণে জামাত! বাংলাদেশে কি চালু হবে শরিয়া আইন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্বে রয়েছেন মহম্মদ ইউনূস (Md Yunus)। এই সরকারই ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সাধারণ নির্বাচনের আগে জামাত-ই-ইসলামিকে নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করতে দিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে। আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করায় অনেকেই মনে করছেন নির্বাচনী প্রক্রিয়া গভীরভাবে পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে পড়েছে। মৌলবাদী বিভিন্ন ইসলামি গোষ্ঠী দেশে শরিয়া আইন কার্যকর করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা দেশকে ইসলামিক স্টেটে পরিণত করার জোরালো দাবিও তুলেছে।

    জামাতের প্রভাব (Bangladesh Crisis)

    জামাতের প্রভাব বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক প্রশাসনে গোপন থাকছে না। শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক নীতির ওপর দেওয়া বিভিন্ন নির্দেশ থেকে এটা স্পষ্ট যে তাদের অ্যাজেন্ডা সরকারিভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। জামাতের অন্যতম বিতর্কিত পদক্ষেপ হিসেবে সম্প্রতি সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে প্রাথমিক পর্যায়ে নাচের শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা বাতিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে তারা দাবি করেছে, বিদ্যালয়গুলিতে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।

    জামাতের যুক্তি

    জামাতের সাধারণ সম্পাদক মিঞা গোলাম পরওয়ার এই নির্দেশের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, “ধর্মীয় শিক্ষকের পরিবর্তে সঙ্গীত ও নৃত্য শিক্ষক নিয়োগ মেনে নেওয়া হবে না। সঙ্গীত বা নৃত্য শিক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। যদি কোনও পরিবারের এই ধরনের কার্যকলাপে তীব্র আগ্রহ থাকে, তাহলে তারা নিজেরাই বেসরকারি শিক্ষকের ব্যবস্থা করতে পারে। কিন্তু সকল সম্প্রদায়ের জন্য ধর্মীয় শিক্ষা অপরিহার্য।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের তরুণরা একটি নৈতিক সংকটের মুখোমুখি এবং কেবল ধর্মীয় শিক্ষাই মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে পারে।” উল্লেখ্য, এই ধরনের বক্তব্যের সঙ্গে আফগানিস্তানে তালিবান নীতির ব্যাপক সাদৃশ্য রয়েছে (Md Yunus)।

    হিংসায় ইন্ধন

    তীব্র আন্দোলনের জেরে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তারপর থেকে সে দেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি। রিপোর্টে জানা গিয়েছে, তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর মাত্র প্রথম সপ্তাহেই সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর ২০০টিরও বেশি হামলা হয়েছে। জামাতের (Bangladesh Crisis) ছাত্র সংগঠন, ইসলামি ছাত্রের সঙ্গে যুক্ত ক্যাডাররাই হিংসায় ইন্ধন জুগিয়েছে এবং সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ। পরবর্তীকালে হিন্দুদের ওপর এই হিংসা আরও তীব্র আকার ধারণ করে। জামাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, জেলবন্দি উগ্রপন্থী ও অপরাধীদের মুক্তি এবং উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলির ওপর সরকারের কোনও নিয়ন্ত্রণ না থাকায় দেশের অগ্রগতি থমকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা। মানবাধিকার কর্মীদের মতে, নীতি পুলিশের বাড়বাড়ন্ত এবং নারীদের ওপর ক্রমবর্ধমান নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে তালিবানীকরণের প্রাথমিক প্রমাণ (Md Yunus)।

    পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে

    নিষেধাজ্ঞার জেরে আগামী বছরের নির্বাচনে লড়াইয়ের ময়দানে থাকছে না আওয়ামি লিগ। তাই বেগম খালেদা জিয়ার দল বিএনপির জয় একপ্রকার নিশ্চিত। তবে, যদি কোনও কারণে বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায়, তাহলে জামাতের সঙ্গে জোট গঠন করা ছাড়া তাদের সামনে আর কোনও পথ খোলা থাকবে না। এই ধরনের পরিস্থিতি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও জটিল করে তুলতে পারে। শেখ হাসিনার আমলে নয়াদিল্লি ও ঢাকা শক্তিশালী নিরাপত্তা সহযোগিতায় জড়িত ছিল। কিন্তু ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক তিক্ত হয়ে উঠেছে (Bangladesh Crisis)। ভারতীয় কর্তারা পড়শি দেশের এই পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছেন। তাঁদের আশঙ্কা, পাকিস্তানের আইএসআই দ্বারা প্রভাবিত বিএনপি-জামাত জোট অঞ্চলটিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

    ইসলামিকরণের পরিকল্পিত প্রচেষ্টার সংকেত

    জামাতের বর্তমান আক্রমণাত্মক মনোভাব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতে ইসলামিকরণের একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টার সংকেত (Md Yunus) বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। সাতের দশক থেকে দলটি পাকিস্তানের আইএসআইয়ের সঙ্গে মিলিত হয়ে ইসলামি অ্যাজেন্ডা এগিয়ে নেওয়া এবং বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ শাসন ব্যবস্থাকে দুর্বল করার কাজ করে আসছে বলে খবর। বর্তমানে নির্বাচনের প্রচারেও একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষে সওয়াল করা হচ্ছে ঠিকই, তবে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা, সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর আক্রমণ এবং নিয়ম-নীতি প্রণয়নে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে জামাত।

    বাংলাদেশে লাগু হবে তালিবানি শাসন!

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে অচিরেই বাংলাদেশে লাগু হবে তালিবানি শাসন। যে শাসনের জেরে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়-চাকরি ছেড়ে ঘরবন্দি হতে হয়েছে আফগানিস্তানের মহিলাদের। ত্যাগ করতে হয়েছে নাচ-গানের মতো বিনোদনের বিভিন্ন মাধ্যমের মোহ। তালিবান শাসিত (Md Yunus) আফগানিস্তানে মহিলারা কার্যত পরিণত হয়েছেন ক্রীতদাসীতে। যেখানে তাঁদের নিজেদের ইচ্ছের কোনও দাম নেই, মর্যাদার তো প্রশ্নই নেই। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়েছে যে, সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ঘরবাড়ির নীচে চাপা পড়ে যাওয়া পুরুষদের উদ্ধার করা হলেও, মহিলাদের উদ্ধার করা হয়নি। স্রেফ মহিলা হওয়ায় তাঁদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেননি বিপর্যয় মোকাবিলা দলের কোনও পুরুষ সদস্যও (Bangladesh Crisis)।

    বাংলাদেশের মহিলাদেরও কি সেই হাল হবে?

  • India in UNHRC Meet: ‘শেখাতে এলে, আয়না দেখিয়ে দেব’! সুইৎজারল্যান্ডকে কড়া বার্তা ভারতের, জবাব পাকিস্তানকেও

    India in UNHRC Meet: ‘শেখাতে এলে, আয়না দেখিয়ে দেব’! সুইৎজারল্যান্ডকে কড়া বার্তা ভারতের, জবাব পাকিস্তানকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে সুইৎজারল্যান্ডকে কড়া জবাব দিল ভারত (India in UNHRC Meet)। সুইৎজারল্যান্ড রাষ্ট্রসংঘে বলেছিল, “ভারতকে সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে হবে এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখতে হবে।” এরই পাল্টা ভারত জবাব দিল, “আমরা চাইলে সুইৎজারল্যান্ডকে সাহায্য করতে পারি রেসিজম, সিস্টেমেটিক ডিসক্রিমিনেশন আর জেনোফোবিয়া মোকাবিলায়।” ভারত সরাসরি আঘাত করল সেই জায়গায় যেটা নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলো চুপ করে থাকে। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এটাই নতুন ভারতের কূটনীতি— “তুমি আমাকে শেখাতে এলে, আমি তোমায় আয়না দেখিয়ে দেব”।

    ভারতকে কী বলেছিল সুইস দূত

    রাষ্ট্রসংঘে মানবাধিকার পরিষদের ৬০ তম অধিবেশন চলছে। সেখানে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ভারতের (India in UNHRC Meet) বিরুদ্ধে সরব হয় সুইৎজারল্যান্ড (India’s Reply to Switzerland)। শুধু তাই নয়, ভারতে সংবাদমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই বলেও অভিযোগ করেন সুইশ কূটনীতিকরা। ভারতকে ‘সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার’ পরামর্শ দিয়েছিলেন সুইস দূত। মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘে সুইস প্রতিনিধি সংখ্যালঘুদের রক্ষা এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমকে সমুন্নত রাখার জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানান। এর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ করতে বলা হয় ভারতকে। এর জবাবে ইউরোপীয় দেশটিকে তাদের নিজের মাটিতে ‘বর্ণবিদ্বেষ, পদ্ধতিগত বৈষম্য এবং জেনোফোবিয়া (বিদেশিদের প্রতি আতঙ্ক)’ সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দেন ভারতীয় কূটনীতিক। অন্যের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের সমস্যারর দিকে মনোনিবেশ করার জন্য সুইৎজারল্যান্ডের প্রতি আহ্বান জানায় ভারত।

    ভারতের পাল্টা জবাব

    রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে সুইৎজারল্যান্ডকে ভারতীয় (India in UNHRC Meet) কূটনীতিক ক্ষিতীশ ত্যাগী স্পষ্ট ভাষায় বলে দিলেন, ‘বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দিকে আঙুল তোলার আগে, নিজের দেশকে শোধরান। বর্ণবিদ্বেষ, পদ্ধতিগত বৈষম্য আর বিদেশিদের উপরে হামলার ঘটনায় গোটা সুইশ সমাজ বিব্রত।’ এখানেই থামেননি তিনি। সঙ্গে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘বিশ্বের বৃহত্তম এবং বহুমাত্রিক গণতন্ত্র হিসেবে চিরকাল বহুত্ববাদকে হৃদয়ে ধারণ করা ভারত, সুইৎজারল্যান্ডকে এই সব সমস্যায় সাহায্য করার জন্য সদা প্রস্তুত।’ সুইস প্রতিনিধির মন্তব্যকে ‘আশ্চর্যজনক, অগভীর এবং ভুল তথ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন ত্যাগী। দেশটিকে তাদের নিজস্ব ইস্যুতে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন যে সুইৎজারল্যান্ড ভারতের বাস্তবতার সঙ্গে অবগত নয়। ভারতীয় দূত বলেন, ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও অংশীদার সুইৎজারল্যান্ডের বিস্ময়কর, অগভীর ও ভুল মন্তব্যের জবাব দিতে চাই। যেহেতু তারা ইউএনএইচআরসির (রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন) সভাপতিত্বে রয়েছে, তাই সুইৎজারল্যান্ডের পক্ষে এটি আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ যাতে তারা মিথ্যা এবং আবাস্তব এমন কোনও আখ্যান দিয়ে কাউন্সিলের সময় না নষ্ট করে। বরং বর্ণবিদ্বেষ, পদ্ধতিগত বৈষম্য এবং জেনোফোবিয়ার মতো নিজস্ব চ্যালেঞ্জগুলির দিকে মনোনিবেশ করা উচিত তাদের।’

    পাকিস্তানকে সরাসরি আক্রমণ

    রাষ্ট্রসংঘের (India in UNHRC Meet) সভায় এদিন পাকিস্তানকেও একহাত নেন ক্ষিতীশ। ‘আন্তর্জাতিক খয়রাতির উপরে টিকে থাকা এক দেশ’ বলে সরাসরি কটাক্ষ করেন ইসলামাবাদকে। তাঁর কথায়, ‘আমরা নিজেদের রক্ষা করতে জানি। জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষক কোনও দেশ যেন আমাদের নৈতিক শিক্ষা দিতে না আসে। সংখ্যালঘুদের উপরে অত্যাচার করা একটা রাষ্ট্র, যার নিজেরই কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই, তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’ ৯/১১ হামলা এবং পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে মার্কিন হামলায় নিহত আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের কথা উল্লেখ করে ভারতীয় দূত ত্যাগী বলেন, ‘আমাদের ৯/১১ হামলার কথা ভুলে গেলে চলবে না। আগামিকাল সেই হামলার বর্ষপূর্তি। আর আজ আমরা তাদের ভণ্ডামি প্রত্যক্ষ করছি যারা সেই আক্রমণের মাস্টারমাইন্ডকে আশ্রয় দিয়েছিল। যারা সেই জঙ্গি নেতাকে শহিদ হিসাবে গৌরবান্বিত করেছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘পুলওয়ামা, উরি, পাঠানকোট, মুম্বইয়ের কথা ভুলে গেলে চলবে না। তালিকাটা অন্তহীন।’

    উপদেশ নেব না

    এবারই প্রথম নয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনেই পাকিস্তানকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বলে তোপ দেগেছিলেন ক্ষিতীশ। সোজাসুজি বলেছিলেন, ‘সেনা এবং জঙ্গিদের বানানো মিথ্যা কথাই বলে চলেছেন পাকিস্তানের তথাকথিত নেতা এবং প্রতিনিধিরা।’ কাশ্মীর প্রসঙ্গে পাকিস্তানের দাবিকেও ‘পুরোপুরি ভিত্তিহীন এবং বিদ্বেষপূর্ণ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এবারও পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়ে ভারতীয় দূত বলেন, “পহেলগাঁও হামলার পর ভারতের মাপা ও যথাযথ প্রতিক্রিয়া যথেষ্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, আমরা আমাদের নাগরিকদের সুরক্ষায় কোনও আপস করব না। সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক, সংখ্যালঘু নিপীড়ক এবং বিশ্বাসযোগ্যতা হারানো একটি রাষ্ট্র থেকে আমরা উপদেশ নেব না।”

  • Asia cup 2025: রেকর্ডের পর রেকর্ড! এশিয়া কাপে সহজ জয় দিয়ে যাত্রা শুরু ভারতের

    Asia cup 2025: রেকর্ডের পর রেকর্ড! এশিয়া কাপে সহজ জয় দিয়ে যাত্রা শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশামতোই দাপটে জয় দিয়ে এশিয়া কাপ (Asia cup 2025) শুরু করল ভারতীয় ক্রিকেট দল। আরব আমিরশাহীর (India vs UAE) বিরুদ্ধে ভারত যে সহজ জয়লাভ করবে, সেই প্রত্যাশা আগেই করা হয়েছিল। কিন্তু, এতটাও সহজে যে তারা জয়লাভ করতে পারবে, সেকথা ভাবা যায়নি। মাত্র ২৭ বল ব্যাট করেই ম্যাচ জিতেছে সূর্যকুমাররা। শুধু দাপুটে জয় না, এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে আরও একাধিক নজির গড়েছে ভারত। এশীয় দল হিসাবে টি-২০ ক্রিকেটে নজির গড়েছে টিম ইন্ডিয়া।

    ম্যাচ আপডেট

    এদিন টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করতে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে উইকেট নেওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত চার উইকেট তুলে নেন কুলদীপ, মাত্র ৭ রান দিয়ে। অন্যদিকে শিবম দুবে মাত্র ৪ রান দিয়ে তিন উইকেট তুলে নিয়েছেন। আমিরশাহীকে ৫৭ রানে অলআউট করে দেয় ভারত। মাত্র ৫৮ রানের টার্গেট ভারত হাসতে হাসতে তুলে দেয়। ওপেন করতে নেমে মাত্র ১৬ বলে ৩০ রান করে অভিষেক। মাত্র ৯ বলে ২০ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন সহ-অধিনায়ক শুভমান গিল।

    ৯৩ বল বাকি থাকতে জয়

    ৯৩ বল বাকি থাকতে এদিন ম্যাচ জেতে ভারত। এশিয়ার (Asia cup 2025) ক্রিকেট খেলা দেশগুলির মধ্যে যা সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বোচ্চ ৯০ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। ২০১৪ সালে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে। তাছাড়া এশিয়ার কোনও পূর্ণ সদস্য দেশ এত বেশি বল বাকি থাকতে টি-২০ ম্যাচ জেতেনি। সেই রেকর্ড এশিয়া কাপে এসে ভেঙে দিল ভারত। কেবল এশিয়া নয়, বল বাকি থাকতে টি-২০ ম্যাচ জেতার নিরিখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের রেকর্ডেও দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল ভারত। গতবছর ১০১ বল বাকি থাকতে ওমানকে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড।

    টি-২০ ম্যাচে সবচেয়ে কম বল খেলা

    কোনও টি-২০ ম্যাচে সবচেয়ে কম বল খেলা হওয়ার তালিকাতেও ঢুকে পড়ল বুধবারের ম্যাচ। সবচেয়ে কম বল খেলার নজির রয়েছে ২০১৪ সালে নেদারল্যান্ডস বনাম শ্রীলঙ্কা ম্যাচে। মাত্র ৯৩ বল খেলা হয়েছিল। এদিন ভারত বনাম সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ম্যাচে ১০৬ বল খেলা হয়েছে, রেকর্ডের নিরিখে যা চতুর্থ সংক্ষিপ্ততম টি-২০ ম্যাচ।

    প্রথম বলেই ছক্কা

    বুধবার ইনিংসের প্রথম বলেই ছক্কা মেরেছেন অভিষেক শর্মা। টি-টোয়েন্টিতে চতুর্থ ভারতীয় ব্যাটার হিসাবে এই নজির গড়লেন। প্রথম বার এই কাজ করেছিলেন রোহিত শর্মা, ২০২১-এ আহমেদাবাদে আদিল রশিদের বলে। ২০২৪-এ জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে সিকান্দার রাজার প্রথম বলে ছয় মারেন যশস্বী জয়সওয়াল। এ বছর ইংল্যান্ডের জফ্রা আর্চারের প্রথম বলে ছয় মারেন সঞ্জু স্যামসন।

    কুলদীপের ৪ উইকেট

    এশিয়া কাপের (Asia cup 2025) ইতিহাসে দ্বিতীয় সেরা বোলিং কুলদীপ যাদবের। বুধবার ৭ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। মাত্র ১৩ বলের ব্যবধানে আউট করেন মুহম্মদ ওয়াসিম, রাহুল চোপড়া, হর্ষিত কৌশিক এবং হায়দা আলিকে। এশিয়া কাপে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড ভুবনেশ্বর কুমারের। ২০২২-এ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৪ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন।

LinkedIn
Share