Tag: Madhyom

Madhyom

  • Parliament Winter Session: সংসদে শুরু হচ্ছে শীতকালীন অধিবেশন, কোন কোন বিল পেশ করতে পারে সরকার?

    Parliament Winter Session: সংসদে শুরু হচ্ছে শীতকালীন অধিবেশন, কোন কোন বিল পেশ করতে পারে সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session) শুরু হচ্ছে আজ, সোমবার। ১৯ দিনের এই অধিবেশনে ১৫ বার সভা বসার কথা। জাতীয় মহাসড়ক সংশোধনী বিল , পারমাণবিক শক্তি সংক্রান্ত বিল, বীমা আইন সংশোধনী বিল এবং ভারতের উচ্চ শিক্ষা কমিশন ২০২৫ এর মতো মোট ১৩টি বিল এই অধিবেশনে উত্থাপিত হবে। ধূমপায়ী ও তামাক সেবনকারীদের জন্য খারাপ খবর আসতে চলেছে এই অধিবেশনে। বাড়তে চলেছে নেশার খরচ। তামাক ও তামাকজাত পণ্যের উপরে কেন্দ্রীয় আবগারি শুল্ক বা এক্সাইজ ডিউটি (Excise Duty) বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। দাম বাড়তে চলেছে সিগারেট ও অন্য তামাকজাত পণ্যের। দাম বাড়তে চলেছে পানমশলারও।

    কতদিন চলবে অধিবেশন

    সোমবার শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session)। চলবে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ছুটির দিনগুলি বাদ দিলে মোট ১৫ দিন অধিবেশন চলবে। গান্ধীদের বিরুদ্ধে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা ও দেশজুড়ে চলা এসআইআর নিয়ে আলোচনা হতে পারে। আপাতত শাসক ও বিরোধী দুই শিবিরই এই দুই বিষয় নিয়ে মাঠে নামতে চলেছে। কেন্দ্র ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ বিল আনতে চলেছে, যার মধ্যে রয়েছে নিউক্লিয়ার এনার্জি রিফর্ম (Nuclear Energy Reform), হায়ার এডুকেশন কমিশন বিল (Higher Education Commission), কোম্পানি আইন সংশোধন (Corporate Law Reform) এবং সিকিউরিটিজ মার্কেট সংশোধন (Securities Market Reform)। এই পরিস্থিতিতে ২৬ নভেম্বর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাড়িতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। অধিবেশন মসৃণভাবে চালাতে সর্বদলীয় বৈঠকও ডাকেন সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

    নতুন আবগারি বিল

    শীতকালীন অধিবেশনের (Parliament Winter Session) প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নতুন আবগারি বিল পেশ করতে পারেন। এই বিলে পান মশলা ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের উপরে অতিরিক্ত সেস বসানোর কথা বলা হয়েছে। শুল্ক থেকে আয় হওয়া টাকা খরচ করা হবে জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের খাতে। ওয়াকিবহাল সূত্রের খবর, এই বিলে পান মশলার উপরে সেস বসতে পারে। এছাড়া অন্যান্য ‘সিন গুডস’ (Sin Goods) অর্থাৎ সিগারেট ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের উপরেও অতিরিক্ত সেস বসতে পারে। তবে ছাড় দেওয়া হবে বিড়িতে। এই বিলে এমন বিধানও রয়েছে যে জনস্বার্থে সরকার পরবর্তী সময়ে ‘সিন গুডসে’র তালিকায় আরও সংযোজন করতে পারে। বিল সংসদের দুই কক্ষে পাশ হয়ে আইনে পরিণত হলেই, তা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

    কত দাম বাড়বে

    নতুন আবগারি বিলে সরকার ৭৫ এমএম দৈর্ঘ্যের বেশি ফিল্টার সিগারেটের প্রতি এক হাজার স্টিকে ১১ হাজার টাকা সেসের প্রস্তাব দিয়েছে। আগে এই শুল্ক ছিল মাত্র ৭৩৫ টাকা। নন ফিল্টার সিগারেট (৬৫-৭০এমএম) ক্ষেত্রে প্রতি এক হাজার স্টিকে ৪৫০০ টাকা শুল্কের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা আগে ছিল ২৫০ টাকা। অর্থাৎ ১৮ গুণ বেশি সেস বসবে। এছাড়া পাইপ ও সিগারেটে ভরা স্মোকিং মিক্সচারে আগে যে ৬০ শতাংশ সেস ছিল, তা বাড়িয়ে ৩২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২০১৭ সালে জিএসটি চালু হওয়ার পর থেকে আবগারি শুল্ক তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়েছিল, যাতে সেস বসলেও দামে বিশেষ প্রভাব না পড়ে। এবার সেই শুল্কে বড়সড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। এই বিলে বিভিন্ন নির্দিষ্ট পণ্যের উৎপাদনের ক্ষমতার উপরেও সেস বসবে। অর্থাৎ ধরা যাক, যদি কোনও মেশিনে প্রতি মিনিটে ২.৫ গ্রামের পান মশলার ৫০০ প্যাকেট তৈরি হয়। তাহলে প্রতি মেশিন পিছু প্রত্যেক মাসে ১০০ টাকা করে সেস বসবে। যদি উৎপাদন আরও বাড়ে, পণ্যের ওজন বাড়ে, তাহলে সেসও বাড়বে।

    অ্যাটমিক এনার্জি বিল

    প্রথামাফিক অধিবেশন শুরুর আগে, রবিবার সংসদে সর্বদল বৈঠক ডেকেছিল কেন্দ্র। ওই বৈঠকে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ছাড়াও দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়েও আলোচনার দাবি জানিয়েছে বিরোধী দলগুলি। বিরোধী দলগুলির সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, দিল্লি এবং দেশের নানা প্রান্তে ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানানো হবে। শীতকালীন অধিবেশনে ১৩টি বিল পেশ করতে পারে কেন্দ্র। তার মধ্যে উল্লেখ্য হল ‘অ্যাটমিক এনার্জি বিল, ২০২৫’। এই বিলে দেশের পরমাণু শক্তি ক্ষেত্রও বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পরমাণু শক্তি আইন, ১৯৬২ মেনে এত দিন পরমাণু শক্তি ক্ষেত্র পুরোপুরি সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল। সবটাই দেখত পরমাণু শক্তি দফতর (ডিএই)।

    কোন কোন বিল আসতে পারে

    দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে স্বশাসিত করতে ‘হায়ার এডুকেশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া বিল, ২০২৫ পেশ করতে পারে কেন্দ্র। তালিকায় রয়েছে কর্পোরেট আইন (সংশোধনী) বিল, মণিপুর জিএসটি (দ্বিতীয় সংশোধনী) বিল। রবিবারের সর্বদল বৈঠকে ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরেন রিজিজু, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা, সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল। কেন্দ্রের তরফে অধিবেশন সুষ্ঠু ভাবে চালানোর জন্য বিরোধী দলগুলির সাহায্য চাওয়া হয়েছে। সংসদ বিষয়কমন্ত্রী রিজিজু বলেন, “সংসদের কাজ থমকে দেওয়া উচিত নয়। সরকার সভার কাজ সুষ্ঠু ভাবে চালাতে সব দলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে।”

     

     

     

     

     

     

  • Gita Jayanti 2025: ভগবদ গীতা হল মানব সভ্যতার জীবন্ত দলিল, এক ঐতিহাসিক আদর্শ মানবজীবন দর্শন

    Gita Jayanti 2025: ভগবদ গীতা হল মানব সভ্যতার জীবন্ত দলিল, এক ঐতিহাসিক আদর্শ মানবজীবন দর্শন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গীতা জয়ন্তীর (Gita Jayanti 2025) মূল উদ্দেশ্য হল ভগবদ গীতাকে (Bhagavad Gita) সম্মান জানানো। একটি পরিপূর্ণ এবং নৈতিক সুমার্জিত মানব জীবনের জন্য গীতার দর্শন ও আধ্যাত্মবোধের একান্ত ভাবে প্রয়োজনীয়। গীতায় মূলত ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম মিত্র অর্জুনের উদ্দেশে বাণী দিয়েছেন। কুরুক্ষেত্রের ধর্ম যুদ্ধে অর্জুনের মনে তৈরি হওয়া দ্বিধাকে দূর করে, ফলের আশা না করে কর্মকেই প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলেছেন। ফলে তাতে গভীরভাবে মানব জীবনের কর্তব্যবোধ, বিশ্বদর্শন এবং মানবতাবাদকে প্রতিফলিত হয়েছে। তবে এই গীতার তত্ত্ব এবং দর্শন (Human Life Philosophy) ভারতীয় জীবন পরম্পরা এবং মূল্যবোধকে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।

    জীবনের সুখ কীভাবে পরিমাপ হবে?

    গীতায় (Gita Jayanti 2025) সুখের সাধনা কীভাবে করতে হয় এবং যথার্থ মানবজীবনের তৃপ্তি কীভাবে অর্জন করতে হয় এই তত্ত্বকথা রয়েছে। মানব জীবনের নানা অভিজ্ঞতা এবং অন্তর্ভাব থেকে উদ্ভূত হয়। আত্মসচেতনতা থেকে জীবনের উচ্চ পর্যায়ে উত্তরণ করে গীতার বাণী। পরিবর্তিত সময়ে জীবনকে নানা মাত্রায় প্রবাহিত করার মাধ্যমে এই সুখের সত্যতা অনুভব হয়। তাই ভগবদ গীতার ভগবৎ তত্ত্ব হল সম্পূর্ণ মানব জীবনের প্রকাশ মাত্র। তাই গীতা স্থান, পাত্র, কাল, বর্ণ, ধর্ম, জাতি নির্বিশেষে সকলের জন্য প্রযোজ্য।

    কেবল মাত্র ধর্মশাস্ত্র নয় গীতা

    গীতা কেবল মাত্র ধর্মশাস্ত্র নয়, এটি এমন একটি দার্শনিক গ্রন্থ যে সর্বজনীন ভাবে প্রযুক্ত। গীতা, রক্ত মাংসে গড়া মানব জীবনের নীতি কথা। কোনটা ভুল, কোনটা ঠিক, কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা এই সব বিষয়ে জানতে সাহায্য করে। মানুষের আবেগ, চ্যালেঞ্জ এবং নানা আকাঙ্খাগুলিকে পথ দেখায়। তাই একে কেবল মাত্র ধর্মীয় ভাবনায় ভাবলে হবে না। মানব জীবনের রাগ, লোভ, দ্বেষ, ক্ষোভ, প্রেম, তৃপ্তি এবং জ্ঞান বিষয়েও নৈতিকতার পাঠ দেয়। কাকে দমন করে কাকে সম্প্রসারণ করতে হবে সেই শিক্ষাও দেয় গীতা (Gita Jayanti 2025)। তাই শুধু মাত্র হিন্দুশাস্ত্র হিসেবে বিচার করলে গীতাকে একটি সামান্য সীমায় বেঁধে রাখা হবে। গীতার ব্যাপ্তি বিশ্বচরাচর।

    জগতের নানা প্রকার জীবের মধ্যে মানবজাতি তুলনায় অনেক বেশি জটিল জীব। মানুষের শরীর, মন, বুদ্ধি, চেতনা, অহংকার থাকে। সেই জন্য আর বাকি দশটা জীবের তুলনায় মানুষের চলন অন্যরকম। মানুষের অভিপ্রায়গুলি যদি ত্রুটি যুক্ত হয় তাহলে জীবনকে দুঃখ বা নেগেটিভ শক্তির দিকে নিয়ে যায়। তাই জীবনকে সঠিক ভাবে পরিচালনার জন্য গীতার দেখানো পথকে অবলম্বন করতে হবে। গীতা সবসময় রাগ, ক্রোধ, ভয়, বিস্ময়-সহ রিপুগুলিকে নিয়ন্ত্রণ এবং দমনের উপদেশ দেয়। গীতা (Bhagavad Gita) শান্ত, ধৈর্য, উদার, বিনয়ের কথা বলে। মানুষকে পূর্ণমানব তথা ঈশ্বরজ্ঞানের দর্শন করাতে চায়। প্রেম, করুণা, প্রজ্ঞা এবং ত্যাগ ভাব দিয়ে জীবনকে সিদ্ধান্ত নিতে শেখায় গীতা।

    সভ্যতার জীবন্ত দলিল গীতা

    গীতাকে (Gita Jayanti 2025) বলা হয়েছে, গীতা হল সভ্যতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। গীতায় তোলা অর্জুনের প্রশ্ন এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উপদেশ বিশ্বমানব সভ্যতার একটা দলিল। শুধুমাত্র মুখ নিঃসৃত বাণী নয়। সভ্যতার বিকাশে রাজরাজাদের গল্প, রাজত্ব-সাম্রাজ্য, যুদ্ধ, আধিপত্য, প্রজাদের প্রতি কর্তব্য, অধিকার, নীতি-নৈতিকতার পাঠ, দুর্বলকে কীভাবে সবল করতে হবে সেই দিকের ইঙ্গিত স্পষ্ট ভাবে রয়েছে। তাই গীতাকে কোনও সময়েই অপ্রাসঙ্গিক বলা যায় না। অন্যায়কে পরাজয় করতে শেষ শক্তি দিয়ে কীভাবে বিজয় প্রাপ্ত হতে হয় এই কথা কৌরব-পাণ্ডবের যুদ্ধে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে।

    গীতা জয়ন্তীর উদ্দেশ্য

    গীতা জয়ন্তীর (Gita Jayanti 2025) মূল উদ্দেশ্য হল বিশ্ববাসীর সামনে গীতার মাহাত্মকে আরও বেশি করে প্রচার প্রসার করা। এখানে দেওয়া উপদেশগুলির সূক্ষ্ম বিচার বিবেচনা করে জীবনের প্রতি পদে পদে ব্যবহারিক প্রয়োগ করা। গীতার (Bhagavad Gita) জ্ঞানকে মন্থন করে ব্যক্তিগত জীবনে প্রতিফলন ঘটানোই একমাত্র উদ্দেশ্য। সুখ দুঃখের সঙ্গে ক্ষণস্থায়ী আনন্দকে চিরন্তন করতে কর্ম এবং ত্যাগের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। মানবজীবনের উন্নত পথ প্রদর্শক। এটি হল ভারতের একটি জ্বলন্ত প্রদীপের শিখা। যার আলোতে বিশ্বকে আলোকিত করে যাচ্ছে। মানবজীবনে মূল উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করছে।

  • Daily Horoscope 01 December 2025: বিবাদ এড়িয়ে যেতে হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 December 2025: বিবাদ এড়িয়ে যেতে হবে এই রাশির জাতকদের

    মেষ

    ১) সন্তান সংক্রান্ত সুসংবাদ পেতে পারেন।

    ২) ধর্মীয় কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ৩) নতুন কিছু শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    বৃষ

    ১) পারিবারিক বিষয়ের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) গৃহস্থ জীবনে অবসাদ থাকবে।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতির কারণে চিন্তিত হবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি পারিবারিক জীবনের জন্য সমস্যায় ভরপুর।

    ২) পরিবারে কিছু সমস্যা হতে পারে।

    ৩) সম্মান বাড়বে।

    কর্কট

    ১) মানসিক দিক দিয়ে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) সন্তানের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন।

    ৩) প্রেম জীবন সুখের হবে।

    সিংহ

    ১) আর্থিক জীবনে ব্যয় বাড়বে।

    ২) নতুন ব্যবসা শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ৩) ভাগ্য আপনার সঙ্গে থাকবে।

    কন্যা

    ১) শুভ কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ২) মনের মধ্যে শান্তি থাকবে।

    ৩) পারিবারিক জীবনে জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।

    তুলা

    ১) অসুস্থতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আটকে যেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে ভালো সুযোগ পাবেন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও কারণে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার চেষ্টা করুন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ থাকবে।

    ২) আধিকারিকদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ৩) সন্তানের জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    মকর

    ১) ধৈর্য ও কঠিন পরিশ্রমের জোরে লক্ষ্য লাভে সফল হবেন।

    ২) পারিবারিক মনোমালিন্য দূর হতে পারে।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) বিবাদ এড়িয়ে যেতে হবে আপনাকে।

    ২) ব্যবসায় লোকসান।

    ৩) বাড়িতে বন্ধুর আগমন।

    মীন

    ১) স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে।

    ২) খাওয়া-দাওয়ার বিশেষ যত্ন নিন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না

  • Daily Horoscope 01 January 2026: এই রাশির জাতকদের গৃহে অতিথির আগমন হবে

    Daily Horoscope 01 January 2026: এই রাশির জাতকদের গৃহে অতিথির আগমন হবে

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) শুধু শরীর সম্পর্কে আজ আপনাকে একটু সতর্ক থাকতে হবে।

    ২) রোজগার অনেকটাই বাড়বে, নিশ্চিত থাকুন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ অনুকূল থাকছে।
    বৃষ
    ১) অর্থলাভের পক্ষে দিনটি আপনার ভালোই কাটতে চলেছে।
    ২) অপ্রত্যাশিত অর্থলাভের যোগও দেখা যাচ্ছে আজকে।
    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে দিনটি আনন্দে কাটাবেন।
    মিথুন
    ১) শারীরিক ও মানসিক উৎকণ্ঠা আজ আপনাকে পোহাতে হবে।
    ২) কর্মক্ষেত্রেও থাকবে ঝঞ্ঝাট ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ।
    ৩) অর্থলাভের ক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হবেন, অন্যদিকে ব্যয়ও বাড়বে।
    কর্কট
    ১) গৃহে বা বন্ধু স্থানীয় কোনও ব্যক্তির সঙ্গে মনোমালিন্যের সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে।
    ২)  কোনও গুণের জন্য সমাজের কাছে সমাদর পাবেন।
    ৩) মানসিক অশান্তি ও দুশ্চিন্তা বৃদ্ধি হবে আজ।
    সিংহ
    ১) উল্টোপাল্টা ঝামেলায় জড়িয়ে পড়বেন, এর ফলে মানসিক শান্তি নষ্ট হতে পারে।
    ২) শারীরিক দিক থেকেও দিনটি ভালো যাবে না, অস্বস্তি বোধ করবেন কোনও কারণে।
    ৩) সতর্ক থাকুন, কারও সাথে অযথা বাদানুবাদ সৃষ্টি হতে পারে।
    কন্যা
    ১) দিনটা খারাপ ভালো মিশিয়েই কাটবে।
    ২) শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে অস্বস্তি আজ আপনাকে বয়ে চলতে হবে।
    ৩) পূর্ব পরিচিত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে দীর্ঘদিন পরে সাক্ষাৎলাভ হবে।
    তুলা
    ১) ছোটখাট ঘটনায় সাময়িক উদ্বেগ হবে, তবে তা ক্ষণস্থায়ী, বাকি দিনটা আনন্দেই কাটবে।
    ২) অপ্রত্যাশিতভাবে অর্থলাভের যোগ রয়েছে আজ।
    ৩) গৃহে অতিথির আগমন হবে, এর ফলে ব্যয় বৃদ্ধি হবে।
    বৃশ্চিক
    ১) আর্থিক দিক থেকে দিনটি শুভ।
    ২) সতর্ক থাকতে হবে, কর্মক্ষেত্রে হঠাৎ কোনও ঝামেলা ও নতুন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
    ৩) শারীরিক সুখ নষ্ট হবে, কোনও রোগের কারণে।
    ধনু
    ১) কোনও শুভ প্রচেষ্টার পক্ষে দিনটি মোটেও ভালো নয়, তাই বিরত থাকুন।
    ২) আয় ও আর্থিক ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই আজকে।
    ৩) বাহ্যিক আনন্দ প্রকাশ পাবে, তবে পুরনো কোনও কারণে মনের দিক থেকে চাপা গুমোট ভাব থাকবে।
    মকর
    ১) কর্মক্ষেত্রে হঠাৎ কোনও ঝামেলা আজকে আপনাকে মোকাবিলা করতে হবে।
    ২) শরীর আপনাকে বিপাকে ফেলতে পারে। তবে আয়ের ক্ষেত্রে শুভ দিন।
    ৩) তুলনামূলকভাবে ব্যবসায়ীদের আয় বাড়বে।
    কুম্ভ
    ১) অযথা অর্থ ব্যয় হবে আজকে।
    ২) কোনও পূর্ব পরিকল্পনা করে থাকলে তা হঠাৎ বানচাল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা।
    ৩) নিজ ভুলে অর্থহানির যোগ রয়েছে।
    মীন
    ১) পূর্বের কোনও ঘটনার জেরে ফের মানসিক আঘাত পেতে পারেন।
    ২) আইন সংক্রান্ত যে কোনও ঝামেলা এড়িয়ে চলুন।
    ৩) কর্মক্ষেত্র ও আর্থিক ব্যাপারে আজকের দিনটা ভালোই কাটবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবিটা

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবিটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছেই। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ২৩ থেকে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত এই সপ্তাহে কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ এবং বিদেশে।

    উত্তরাখণ্ডে নারীর ধর্মান্তর (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে বাংলাদেশের নাগরিক মামুন হাসানকে অবৈধভাবে অবস্থান, নথি জালিয়াতি এবং রীনা চৌহান নামে এক নারীর ধর্মান্তর ও পরবর্তী বিবাহের পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।   উত্তরপ্রদেশে জুনাইদ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে আর্যন রাজপুত নামে ভুয়ো পরিচয়ে একটি ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল তৈরি করে এক হিন্দু নাবালিকাকে প্রলোভন দেখায়, যৌন নির্যাতনও করে। এডাপাডাভুরে স্কুটারে থাকা চারজন যুবকের একটি দল সোমবার সন্ধ্যায় ২২ বছর বয়সী অখিলেশের ওপরে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দারা একজনকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন, পরে গ্রেফতার করা হয় আরও একজনকে।

    ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে হিন্দু মেয়েকে প্রলোভন

    ইউপির সীতাপুর জেলার খৈরাবাদ এলাকার পণ্ডিত পুরওয়ার বাসিন্দা নাজিম। সে পেশায় ট্রাক চালক। অভিযোগ, সে অজয় নামে ভুয়ো ইনস্টাগ্রাম পরিচয় ব্যবহার করে নিজের প্রকৃত ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে এক হিন্দু মেয়েকে প্রলোভন দেখায়। পরে তাকে নিয়ে পালিয়েও যায়। বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের ধর্মান্তর বিরোধী আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে (Roundup Week)। ২৫ নভেম্বর অযোধ্যায় রাম মন্দিরে ধ্বজারোহন উপলক্ষে (Hindus Under Attack) এক বিরাট অনুষ্ঠান হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্দিরের চূড়ায় গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করেন। প্রত্যাশিতভাবেই, পাকিস্তান, কিছু ইসলামপন্থী গোষ্ঠী এবং ভারতের ‘ওয়োক’ মহলের পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানের বিরোধিতা ও সমালোচনা করা হয়েছে। কালাবুরগী শহরের রামনগর এলাকায় রিং রোডে ঘটে যাওয়া এক উদ্বেগজনক ঘটনায় রোহিত এবং অনিল নামে দুই ব্যক্তি একটি লরি থামিয়ে তাতে অবৈধভাবে গবাদি পশু বহনের সন্দেহে নথি পরীক্ষা করতে চান। অভিযোগ, তাঁরা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তাঁদের ওপর সহিংস হামলা চালানো হয়।

    বাংলাদেশের ছবিটাও বিশেষ বদলায়নি। এখানে প্রায় ১৫০ বছরের পুরানো ‘সুন্দরী মিত্র বাড়ি দুর্গা মন্দির’, যা সরকারি অনুদানের ওপর নির্ভরশীল ছিল, রাতারাতি ভেঙে ফেলা হয়েছে। অভিযোগ, এটি বেআইনি জমি দখল করতেই করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

  • Islamist Extremists: এবার লালন ফকিরের পবিত্র মাজার ভেঙে ফেলার হুমকি বাংলাদেশের মৌলবাদীদের

    Islamist Extremists: এবার লালন ফকিরের পবিত্র মাজার ভেঙে ফেলার হুমকি বাংলাদেশের মৌলবাদীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনূস জমানায় অব্যাহত মন্দির-উপাসনাস্থল ভাঙচুরের ঘটনা (Islamist Extremists)। অন্তর্বর্তী এই সরকারের আমলেই বাউল শিল্পীদের ব্যাপক হয়রান করা হয় বলে অভিযোগ (Lalon Fakir)। গ্রেফতারও করা হয় অনেককে। এ সবের পর এবার বাংলাদেশের কট্টর ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলি হুমকি দিয়েছে উনিশ শতকের সাধক-কবি ও আধ্যাত্মিক নেতা ফকির লালন শাহের পবিত্র মাজার ভেঙে ফেলার। লালন তাঁর সাম্যবাদী ও মানবতাবাদী দর্শনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন।

    লালনের মাজার ভেঙে ফেলার হুমকি (Islamist Extremists)

    বাংলাদেশের সাংবাদিক সালাহউদ্দিন শোয়েব চৌধুরীর এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে যুক্ত এক উগ্রপন্থী সদস্যকে লালনের মাজার ভেঙে ফেলার হুমকি দিতে শোনা গিয়েছে। সেখানে তিনি মাজারটিকে ‘অ-ইসলামিক’ বলে দাবি করেছেন। ভিডিওতে ওই ব্যক্তি বলেন, “লালনের কবর হল শিরকের প্রতীক, এবং ইমান রক্ষার জন্য এটি ভেঙে ফেলা জরুরি।” ওই মৌলবীর অভিযোগ, মাজারটি এখন মদ ও গাঁজা খাওয়ার জায়গায় পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, যদি এটি বন্ধ করা না হয়, তবে তাঁরা গণআন্দোলন শুরু করবেন এবং কবরটি ভেঙে ফেলবেন।

    লালনের মাজার

    বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক হৃদয়ভূমি নামে পরিচিত কুষ্টিয়া জেলার ছৌড়িয়া গ্রামে রয়েছে লালনের এই মাজার। প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ লালন মেলা উপলক্ষে সমবেত হন এখানে। এখানে বাউল শিল্পীরা ঐক্য ও অতীন্দ্রিয়তার বার্তা বহনকারী তাঁর কালজয়ী বাউল গান পরিবেশন করেন (Islamist Extremists)। প্রসঙ্গত, এই হুমকিটি এসেছে বাউল শিল্পীদের ওপর সহিংস দমন-পীড়নের প্রেক্ষাপটে, যাঁরা সুফি, বৈষ্ণব এবং আদিবাসী ঐতিহ্যের মিশ্রণে লালনের উত্তরাধিকার বহন করে চলেছেন। ইউনেসকো কর্তৃক ‘মানবজাতির অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃত বাউল গানের পরিবেশনা ২০২৪ সালের অগাস্টে পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই ধারাবাহিক আক্রমণের মুখে পড়ছে, যেখানে উগ্রপন্থীরা এগুলিকে ‘ধর্মবিরোধী’ এবং প্রচলিত ইসলামী ধারণার জন্য ‘হুমকি’ আখ্যা দিচ্ছে (Lalon Fakir)।

    বাউল শিল্পীদের ওপর হামলা

    সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে বাউল শিল্পীদের ওপর আক্রমণের বেশ কিছু ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এর শুরু ১৯ নভেম্বর, যখন ধর্ম অবমাননার অভিযোগে বিশিষ্ট বাউল শিল্পী আবুল সরকারকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পরপরই ‘তাওহিদি জনতা’ ও ‘আলেম-উলামা’ ব্যানারে পরিচালিত সহিংস মুসলিম দলগুলি আদালত চত্বরে আবুলের ওপর হামলার চেষ্টা করে (Islamist Extremists)। আবুলের গ্রেফতারের প্রতিবাদে যখন অন্য বাউল শিল্পীরা পথে নামেন, তখন তাঁদেরও বিভিন্ন স্থানে মৌলবাদীরা আক্রমণ করে। বাউল শিল্পীদের জবাই করার প্রকাশ্য আহ্বানও জানানো হয়। ২৬ নভেম্বর ঠাকুরগাঁও জেলায়, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার জন্য কুখ্যাত ইসলামি সংগঠন তাওহিদি জনতার সদস্যরা বাউল শিল্পীদের এক সমাবেশে হামলা চালায়, পাথর ছোড়ে এবং ‘জবাই করার’ স্লোগান দেয়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায় শিল্পীরা হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে পাশের জলাশয়ে ঝাঁপ (Lalon Fakir) দিচ্ছেন, এবং বেশ কয়েকজন গুরুতরভাবে জখমও হন (Islamist Extremists)।

    “একটা দুইটা বাউল ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর”

    ২৩ নভেম্বর ধানমন্ডিতে গ্রেফতার হওয়া বাউল নেতা আবুলের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে যোগ দেওয়া লোকজনকে লাঠি ও ইট দিয়ে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। হামলার হাত থেকে বাঁচতে চার বাউল শিল্পী রাস্তার পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেন। হামলাকারীরা তাঁদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে থাকে। পরে জখম অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। মানিকগঞ্জের রাস্তা তখন মুখরিত হচ্ছিল “একটা দুইটা বাউল ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর” স্লোগানে। সেদিন ধর্মীয় মৌলবাদীরা বাউল শিল্পীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে মিছিল করছিল। এ মাসের শুরুতেও একই ধরনের গ্রেফতারি অভিযান বাউল সমাজকে নাড়িয়ে দেয়। জয়পুরহাট ও দিনাজপুরে আরও কয়েকজন শিল্পীকে আটক করা হয়। অভিযোগ, তাঁরা অশ্লীল হিসেবে চিহ্নিত নারীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন (Islamist Extremists)।

    হীরক রাজার তথ্য

    বাংলাদেশ বাউল ও লোকশিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সর্দার হীরক রাজার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে লালন স্মরণে অনুষ্ঠিত বহু অনুষ্ঠান-সহ ৩০০টিরও বেশি সঙ্গীত সমাবেশ হুমকির কারণে বাতিল করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার সুফি গায়ক জামাল অগাস্টে এক সাক্ষাৎকারে আক্ষেপ করে বলেন, “দশক ধরে আমরা ভয়হীনভাবে গান গেয়েছি। কিন্তু এখন ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঢেকে গিয়েছে।” বাউল গায়করা বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধি। কিন্তু ইউনূস সরকারের অধীনে তাঁরা এখন আতঙ্কের মধ্যে জীবন কাটাচ্ছেন।

    এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন লালন শাহ নামের এক শিল্পী। আধুনিক কোনও শিক্ষা ছাড়াই তিনি নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন বাউল শিল্পী হিসেবে। শৈশবে এক মুসলিম ফকির তাঁকে আশ্রয় দেন। পরবর্তী কালে তিনি (Lalon Fakir) কুষ্টিয়ায় লালন আখড়া প্রতিষ্ঠা করেন—যা ধর্ম ও সম্প্রদায়ের বাঁধন অতিক্রমকারী এক আধ্যাত্মিক চর্চার কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ায়। সেই আখড়াই এখন হুমকির মুখে (Islamist Extremists)।

  • Sonia Gandhi: ভারত-বিরোধী মন্তব্যের জন্য পরিচিত মিশেলকে ইন্দিরা পুরস্কার দিয়ে বিতর্কে কংগ্রেস

    Sonia Gandhi: ভারত-বিরোধী মন্তব্যের জন্য পরিচিত মিশেলকে ইন্দিরা পুরস্কার দিয়ে বিতর্কে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশে নানা সময় গিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন কংগ্রেসের (Sonia Gandhi) প্রাক্তন সভাপতি তথা সাংসদ রাহুল গান্ধী। এবার তাঁর দলই ইন্দিরা গান্ধী স্মারক ট্রাস্টের মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ শান্তি, নিরস্ত্রীকরণ ও উন্নয়নের জন্য ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার দিয়েছে চিলির প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মিশেল বাসেলেটকে। এই মিশেল আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ঘোর বামপন্থী মতাদর্শের জন্য পরিচিত। কাশ্মীর সংক্রান্ত বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাবের সমর্থক। ভারতবিরোধী মন্তব্যের জন্যও তিনি নানা সময় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন (Indira Gandhi Peace Prize)।

    মিশেলের হাতে পুরস্কার (Sonia Gandhi)

    এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানটি হয় বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫। পুরস্কারটি মিশেলের হাতে তুলে দেন কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন এবং ট্রাস্টের প্রধান সোনিয়া গান্ধী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মিশেলকে এই পুরস্কার দেওয়ার জন্য বেছে নেওয়ার ঘটনাটিকে স্রেফ একটি কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে দেখছেন না রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে, এটি কংগ্রেসের একটি সুপরিকল্পিত আদর্শগত বার্তা। মিশেলের পরিচয় এমন একটি রাজনৈতিক বর্ণনার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায় যা প্রায়ই বর্তমান ভারত সরকারের বিপরীতে নিজেকে উপস্থাপন করে, এমনকি জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নেও।

    তীব্র ভারত বিদ্বেষী

    মিশেল অতিবামপন্থী রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। তিনি চিলির সোশ্যালিস্ট পার্টির আজীবন সদস্য। তাঁর দলের প্রধান লক্ষ্যই হল বৈপ্লবিক পরিবর্তন। তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার এই অতিবামপন্থী আদর্শের ভিত্তিতে নির্মিত। তিনি তাঁর আন্তর্জাতিক ভূমিকার মধ্যেও এই আদর্শিক অবস্থান বজায় রেখেছেন। এমন নির্দিষ্ট মতাদর্শের একজন রাজনীতিককে সম্মান জানানোর সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা এবং আন্তর্জাতিক মিত্র বাছাই সম্পর্কে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তোলে (Sonia Gandhi)। মিশেল তীব্র ভারত বিদ্বেষী। কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতিও তিনি সহানুভূতিশীল। রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার হিসেবে মিশেল কূটনৈতিক ভাষার সীমানা ছাড়িয়ে ভারতের সার্বভৌম সিদ্ধান্তগুলির অন্যতম জোরালো আন্তর্জাতিক সমালোচকে পরিণত হন। তাঁর শাসনকাল উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে চিরকাল।

    কাশ্মীরের পরিস্থিতি

    এর কারণগুলি হল, কাশ্মীরে হস্তক্ষেপ (Indira Gandhi Peace Prize)। কাশ্মীর থেকে অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিলের পর ২০১৯ সালে মিশেল তাঁর রাষ্ট্রসংঘের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। বিচ্ছিন্নতাবাদী লবির বক্তব্যের সঙ্গে সহমতও পোষণ করেছিলেন তিনি। তিনি সরাসরি দাবি করেছিলেন যে কাশ্মীরের জনগণকে প্রতিটি সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়ায় পরামর্শ ও অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। তাঁর এই দাবি যা ভারতের সাংবিধানিক অখণ্ডতাকে চ্যালেঞ্জ করতে চাওয়া গোষ্ঠীর বক্তব্যের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগও করেছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে ইউএন হিউম্যান রাইটস অফিস কাশ্মীর নিয়ে যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল, ভারত সরকার সেটিকে অফিসিয়ালি প্রত্যাখ্যান করে “মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” এবং “স্পষ্ট পক্ষপাতদুষ্ট” বলে উল্লেখ করে। এসব রিপোর্টে ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনি কাঠামোর সমালোচনা করা হয়েছিল এবং সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের হুমকিকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছিল (Sonia Gandhi)।

    ভারতকে লক্ষ্য করে বিবৃতি

    ভারতের অভ্যন্তরীণ নীতির সমালোচনাও করেছিলেন মিশেল। তিনি এনআরসির বিষয়ে একাধিকবার ভারতকে লক্ষ্য করে বিবৃতি দেন, যাকে ভারত সরকার অযাচিত এবং বাস্তব পরিস্থিতির প্রতিফলন নয় বলে সাফ জানিয়ে দেয়। মিশেল বারবার ও ধারাবাহিকভাবে ভারতকে টার্গেট করেছে, যেখানে তিনি ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনি পদক্ষেপগুলিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তাঁর বিবৃতিগুলিতে প্রায়ই কাশ্মীর এবং এনআরসি প্রসঙ্গে মুসলিম সংখ্যালঘুদের উদ্বেগের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে, কিন্তু ভারতের সামনে থাকা জটিল নিরাপত্তা ও জনসংখ্যাগত চ্যালেঞ্জগুলি উপেক্ষিত হয়েছে। মিশেল নিজেকে বৈশ্বিক বিরোধ প্রচারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন (Indira Gandhi Peace Prize)। রাষ্ট্রসংঘের পদ ব্যবহার করে নিয়মিতভাবে ভারতের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে তির্যক সমালোচনা করেছেন। তিনি বারংবার ইউএপিএর মতো ভারতীয় আইনগত কাঠামোর সমালোচনা করেছেন এবং নাগরিক স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এসবই ভারত সরকারের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের বিরোধী (Sonia Gandhi)।

    মিশেলের ভারতবিরোধী মন্তব্য

    পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে সোনিয়া গান্ধী চিলিতে মিশেলের নারী-অধিকার ও সামাজিক সংস্কারমূলক কাজের প্রশংসা করেন। যদিও রাষ্ট্রসংঘে তাঁর বিতর্কিত মেয়াদকাল বা ভারতের সঙ্গে তাঁর সরাসরি সংঘাতের প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছেন সোনিয়া। সমালোচকদের মতে, এই নির্বাচিত প্রশংসা মিশেলের ভারতবিরোধী অবস্থানের প্রতি নীরব সমর্থনই প্রকাশ করে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভারতের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ শান্তি পুরস্কার এমন একজন বিদেশিকে দেওয়া হল, যিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে ভারতের অবস্থানকে দুর্বল করেছেন। এর মাধ্যমে কংগ্রেস একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিয়ে দিল। কংগ্রেসের এহেন পদক্ষেপকে এমন একটি রাজনৈতিক জুয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা নিরঙ্কুশ জাতীয় সংহতির চেয়ে আন্তর্জাতিক বামপন্থী স্বীকৃতি এবং অভ্যন্তরীণ বিরোধী রাজনীতিকে বেশি অগ্রাধিকার দেয়। এই পুরস্কার আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে যে কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছে আদর্শ পুরস্কারপ্রাপক (Indira Gandhi Peace Prize) সেই ব্যক্তি, যাঁর আন্তর্জাতিক প্রভাব ভারতের কর্মকাণ্ড ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে কাজে লাগানো হয়েছে (Sonia Gandhi)।

  • Daily Horoscope 30 November 2025: বিবাদ এড়িয়ে যেতে হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 30 November 2025: বিবাদ এড়িয়ে যেতে হবে এই রাশির জাতকদের

    ১) সন্তান সংক্রান্ত সুসংবাদ পেতে পারেন।

    ২) ধর্মীয় কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ৩) নতুন কিছু শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    বৃষ

    ১) পারিবারিক বিষয়ের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) গৃহস্থ জীবনে অবসাদ থাকবে।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতির কারণে চিন্তিত হবেন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি পারিবারিক জীবনের জন্য সমস্যায় ভরপুর।

    ২) পরিবারে কিছু সমস্যা হতে পারে।

    ৩) সম্মান বাড়বে।

    কর্কট

    ১) মানসিক দিক দিয়ে চিন্তিত থাকবেন।

    ২) সন্তানের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন।

    ৩) প্রেম জীবন সুখের হবে।

    সিংহ

    ১) আর্থিক জীবনে ব্যয় বাড়বে।

    ২) নতুন ব্যবসা শুরুর জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ৩) ভাগ্য আপনার সঙ্গে থাকবে।

    কন্যা

    ১) শুভ কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

    ২) মনের মধ্যে শান্তি থাকবে।

    ৩) পারিবারিক জীবনে জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।

    তুলা

    ১) অসুস্থতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আটকে যেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে ভালো সুযোগ পাবেন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও কারণে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার চেষ্টা করুন।

    ৩) জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা পাবেন।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ থাকবে।

    ২) আধিকারিকদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ৩) সন্তানের জন্য কোনও উপহার কিনতে পারেন।

    মকর

    ১) ধৈর্য ও কঠিন পরিশ্রমের জোরে লক্ষ্য লাভে সফল হবেন।

    ২) পারিবারিক মনোমালিন্য দূর হতে পারে।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) বিবাদ এড়িয়ে যেতে হবে আপনাকে।

    ২) ব্যবসায় লোকসান।

    ৩) বাড়িতে বন্ধুর আগমন।

    মীন

    ১) স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে।

    ২) খাওয়া-দাওয়ার বিশেষ যত্ন নিন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না

     

     

  • SIR: এসআইআর, নয়া সফটওয়্যার তৈরি করে বাংলাই পথ দেখাল তামাম ভারতকে

    SIR: এসআইআর, নয়া সফটওয়্যার তৈরি করে বাংলাই পথ দেখাল তামাম ভারতকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে নান্দীমুখ হয়ে গিয়েছিল এসআইআরের (SIR)। তার পর পশ্চিমবঙ্গ-সহ (West Bengal) ১২টি রাজ্যে শুরু হয়েছে ভোটার তালিকা ‘শুদ্ধিকরণে’র এই প্রক্রিয়া। দেশের বাকি রাজ্যগুলিতেও এসআইআর হবে ধাপে ধাপে। যে রাজ্যগুলির শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন, সেই রাজ্যগুলিতেই শুরু হয়ে গিয়েছে এসআইআর। তবে দেশের বাকি ১১টি (যেগুলিতে এসআইআর চলছে) রাজ্যে কোনও গন্ডগোলের খবর না মিললেও, শোরগোল হচ্ছে বাংলায়। আর তাই সকলের দৃষ্টি এখন নিবদ্ধ তৃণমূল পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দিকে। এই পশ্চিমবঙ্গই এবার এমন এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে, যে কারণে দেশবাসী এ রাজ্যকে মনে রাখবে চিরদিন। এমন এক সফটওয়্যার তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর যা নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে দেশের সব রাজ্যের কাছে রীতিমতো এখন আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

    পশ্চিমবঙ্গে শেষ এসআইআর (SIR)

    পশ্চিমবঙ্গে শেষ এসআইআর হয়েছিল ২০০২ সালে। তখন ভোটার তালিকা তৈরি হয়েছিল হাতে লিখে। আজকের মতো তখন ছিল না কোন প্রযুক্তি। তাই যা কিছু নির্বাচন কমিশনকে করতে হয়েছিল, তা কাগজ-কলমেই। যার ফলে ২৩ বছর পর যখন রাজ্যে ফের এসআইআর হচ্ছে, তখন রীতিমতো বেগ পেতে হচ্ছে এ রাজ্যের সব স্তরের কর্মকর্তাদেরই। একদিকে ২৩ বছর আগের ভোটার তালিকা খুঁজে বের করা, অন্যদিকে সেই তালিকাকেই আবার ডিজিটাইজড করা। একেবারেই নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছিল রাজ্যের সব কর্তাদের বিশেষ করে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কর্তাব্যক্তিদের। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক থেকে শুরু করে সব কর্তার কপালে যখন চিন্তার ভাঁজ পড়তে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই এই দফতরেরই সিস্টেম ম্যানেজার ও তাঁর সহকর্মীরা বুদ্ধি খাটিয়ে তৈরি করেছিলেন এক বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার। যা নিমেষের মধ্যেই ২০০২ সালের ভোটার তালিকাকে ডিজিটাল করে আপলোড করতে পেরেছিল মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই।

    চর্চার প্রধান বিষয়

    আর এটাই এখন গোটা দেশে বড় চর্চার বিষয় (SIR)। তার কারণ পাঁচটি কোম্পানিকে ডাকা হয়েছিল এই ডিজিটাইজ করার কাজের জন্য। প্রত্যেকেই দর হেঁকেছিল কমবেশি সাড়ে তিন কোটি টাকা। এই বিপুল টাকার বিনিময়ে তৈরি করে দেওয়ার চুক্তি একপ্রকার তৈরিও হয়ে গিয়েছিল। আর ঠিক তখনই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের বাছাই করা কিছু কর্মী তৈরি (West Bengal) করে ফেললেন এই বিশেষ সফটওয়্যার। নির্বাচন কমিশন যেদিন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল, তার কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হয়ে গেল অনলাইনের মাধ্যমে এসআইআরের ফর্ম জমা দেওয়ার কাজ। নির্বাচন কমিশনের কর্মীদের তৈরি এই বিশেষ সফটওয়্যার আজ রাজ্যের এসআইআরের কাজে সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে (SIR)।

    পিকচার আভি বাকি হ্যায়…

    তবে সুসংবাদটা এখানেই শেষ নয়, দেশের যে বাকি ১১টি রাজ্যে এসআইআর শুরু হয়েছে, তারাও রীতিমতো হকচকিয়ে গিয়েছে কীভাবে পশ্চিমবঙ্গ এত দ্রুত সব কাজ করে ফেলছে। মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, গোয়া-সহ দেশের অন্যান্য রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কর্তা থেকে শুরু করে সিস্টেম ম্যানেজার সশরীরে এখানে এসে দেখে রীতিমতো তাজ্জব বনে গিয়েছেন। শেষমেশ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কর্মীদের তৈরি করা এই বিশেষ সফটওয়্যার কীভাবে তৈরি করা হয়েছে, সেটা যেমন তাঁরা দেখেছেন, পাশাপাশি এখান থেকেই তাঁরা তৈরি করে নিয়ে গিয়েছেন তাঁদের রাজ্যের জন্য এই বিশেষ সফটওয়্যার যার মাধ্যমে তাঁরাও এখন দ্রুততার সঙ্গে করতে পারছেন এসআইআরের (SIR) কাজ।

    গোখলের বক্তব্য

    দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় মহামতি গোপাল কৃষ্ণ গোখলে বলেছিলেন, “হোয়াট বেঙ্গল থিংকস টুডে, ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুমোরো”। স্বাধীনতার ৭৭ বছর পরেও গোখেলের সেই উক্তি ফের প্রমাণ করল (West Bengal) গোটা দেশের মধ্যে বাংলাই এগিয়ে। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস যখন এসআইআরের বিরোধিতা করছে, ঠিক তখনই সেই রাজ্য সরকারের কর্মীরাই এসআইআরের কাজ নির্ভুল এবং অনায়াস করতে এই বিশেষ সফটওয়্যার তৈরি করে গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের বক্তব্য

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী কমিশনের দফতরের এক পদস্থ কর্তা জানান, এসআইআরের কাজের জন্য অনেক চাপ নিতে হচ্ছে তাঁদের সকলকেই। কিন্তু এত চাপের মধ্যেও তাঁদের দফতরের তৈরি করা এই বিশেষ সফটওয়্যার যখন দেশের অন্য রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কর্মীরা ব্যবহার করছেন, সেটা মনে করলেই সব চাপ যেন নিমেষে উধাও হয়ে যাচ্ছে। শাসক থেকে বিরোধী এসআইআর (SIR) তরজায় যখন মজে তামাম রাজ্য, তখন এ যেন অন্য এক সুরে বাঁধা পড়তে চলেছে ২০২৬ সালের বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৈরি এই নয়া ভোটার তালিকা, যে তালিকা চিরকাল জ্বলজ্বল করবে ইতিহাসের পাতায় (West Bengal)।

  • Raj Bhavan: রাজভবনের নাম বদলে হল লোকভবন, কেন এই সিদ্ধান্ত জানেন?

    Raj Bhavan: রাজভবনের নাম বদলে হল লোকভবন, কেন এই সিদ্ধান্ত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোল নয়, নাম বদলে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের রাজভবনের (Raj Bhavan)। এ রাজ্যে রাজভবন রয়েছে কলকাতা, দার্জিলিং এবং ব্যারাকপুরে। এই তিন জায়গারই রাজভবনের নাম বদলে হচ্ছে লোকভবন (Lok Bhavan)। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সারা দেশে রাজভবন এবং রাজনিবাসের নামকরণ যথাক্রমে লোকভবন এবং লোকনিবাস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বলেন, “এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ববর্তী রাজভবনগুলির নামকরণ হয়েছে লোকভবন।”

    আনন্দ বোসের বিজ্ঞপ্তি (Raj Bhavan)

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তিও এই নিয়ে জারি করা হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের ২৭ মার্চ দেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রাজ্যপালের অনুরোধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৎকালীন রাজভবনের প্রতীকী চাবি হস্তান্তর করেন। তারপর জনগণের রাজভবন – জন রাজভবনের এক নয়া যুগের সূচনা হয়। গত ২৫ নভেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, এবার থেকে রাজভবনের নাম হবে লোকভবন (Lok Bhavan)।

    রাজভবনের বক্তব্য

    বর্তমান রাজ্যপালের (Raj Bhavan) বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বলেন, “কলকাতার তৎকালীন রাজভবন কর্তৃক জনরাজ ভবন ধারণাটি জনগণের চাহিদা, আশা ও তাদের আকাঙ্খা, তাদের সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করার তাগিদেই তৈরি হয়েছিল। একই সঙ্গে এই বিশাল ভবনটি ছিল ভয় ও ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সমাজের সকলস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে নিরাপদ উন্মুক্ত রাজভবন করে তোলা। যার মাধ্যমে গত তিন বছরে বেশ কয়েকটি গঠনমূলক জনকেন্দ্রিক কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রূপান্তরমূলক এবং অনুপ্রেরণামূলক নেতৃত্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, বাংলাকেও বিকশিত ভারতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য (Lok Bhavan)।”

    এদিকে, আনুষ্ঠানিকভাবে রাজভবনের নাম বদলে যাওয়ার পরে ভিক্টোরিয়া চত্বরে গিয়ে চা পান করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পরে করেন (Raj Bhavan) সাংবাদিক বৈঠক। সেখানে তিনি বলেন, “এই নাম বদলের পরে সাধারণ মানুষের অ্যাক্সেস আরও বাড়বে। সহজেই সাধারণ মানুষ লোকভবনে যোগাযোগ করতে পারবেন। ডিরেক্ট টু পাবলিক। এই জন্যই লোকভবন।” প্রসঙ্গত, গোটা দেশের সমস্ত রাজভবনের নাম পাল্টে লোকভবন করার প্রস্তাব পাশ হয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। যুক্তি ছিল, রাজভবন নামটির সঙ্গে রাজত্ব করার ধারণা জড়িয়ে রয়েছে (Lok Bhavan)। জানা গিয়েছে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত (Raj Bhavan)।

LinkedIn
Share