Tag: Madhyom

Madhyom

  • Murshidabad: সামশেরগঞ্জে গণনা কেন্দ্রের বাইরে সিল ও সিরিয়াল নম্বর সহ উদ্ধার ব্যালট!

    Murshidabad: সামশেরগঞ্জে গণনা কেন্দ্রের বাইরে সিল ও সিরিয়াল নম্বর সহ উদ্ধার ব্যালট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই সর্বত্র গণনার ব্যালট পড়ে থাকার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিরোধীরা বার বার গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। এবার সামশেরগঞ্জের (Murshidabad) গণনা কেন্দ্রের বাইরে সিল ও সিরিয়াল নম্বর সহ ব্যালট পেপার উদ্ধার হওয়ায় জেলা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য।

    কীভাবে পাওয়া গেল ব্যালট (Murshidabad)?

    মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সামশেরগঞ্জ থানার জয়কৃষ্ণপুর এবিএস বিদ্যাপীঠ সংলগ্ন এলাকায়। স্কুলের পিছনে পাটের জমি থেকে ব্যালট পেপার উদ্ধার হয়। সেই সঙ্গে স্কুলের ভিতরের ডাস্টবিন থেকে কিছু আগুনে পোড়া ব্যালট উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।

    ঘটনাস্থলে কংগ্রেস কর্মীরা

    ব্যালট উদ্ধারের খবর পেয়ে বিদ্যাপীঠে ছুটে আসেন সামশেরগঞ্জ (Murshidabad) ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি ইমাম শেখ, চার নম্বর জেলা পরিষদের কংগ্রেসের সদস্য আনারুল হক বিপ্লব, ৬ নম্বর জেলা পরিষদের কংগ্রেসের পরাজিত প্রার্থী আয়েশা জুলেখা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই নির্বাচনে তৃণমূলকে জয়ী করতে নকল ব্যালট পেপার ছাপিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে সকল দুর্নীতির মধ্যে ভোট চুরিও একটা বিশেষ দুর্নীতি। নির্বাচনে বিডিওরা পুরোপুরি তৃণমূলের এজেন্ট হয়ে কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করেন কংগ্রেসের এই নেতারা। এই ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিডিও’র বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কংগ্রেসের এই নেতৃবৃন্দ।

    গণনার পরেও কীভাবে যত্রতত্র ব্যালট?

    ফলাফল ঘোষণা হয়ে গেছে। কিন্তু গণনা কেন্দ্রগুলিতে এখনও ব্যালট পেপার পড়ে থাকার ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। শুধু তাই নয়, হাইকোর্ট পর্যন্ত জল গড়িয়েছে। হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় এই ধরনের গণনার ব্যালট পেপার পড়ে থাকা নিয়ে বিচারপতি অমৃতা সিনহা সংশ্লিষ্ট নির্বাচন আধিকারিক বিডিওর বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ তদন্তের নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি। অপর দিকে গতকাল এবং আজ নদিয়ার ধানতলা ও কৃষ্ণগঞ্জের নির্বাচনী বুথের স্কুলেও গণনার ব্যালট উদ্ধারকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিরোধীরা বলেছেন, যেখানেই ব্যালট উদ্ধার হবে সেখানেই অভিযোগ নিয়ে হাইকোর্টে যাবেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: মারামারির অভিযোগে তৃণমূলপন্থী মুহুরির জেল হেফাজত! বিচারক বয়কট শাসক-ঘনিষ্ঠ উকিলদের

    TMC: মারামারির অভিযোগে তৃণমূলপন্থী মুহুরির জেল হেফাজত! বিচারক বয়কট শাসক-ঘনিষ্ঠ উকিলদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তৃণমূল (TMC) প্রভাবিত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে এক বিচারকের এজলাস বয়কটের অভিযোগ। যা নিয়ে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা! এ যেন হাইকোর্টের ছবি ফিরল দুর্গাপুরের মহকুমা আদালতে। সেখানেও দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে একের পর এক রায়দান চলছিল অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। তৃণমূল প্রভাবিত আইনজীবীরা বয়কট করে্ন এজলাস। শুরু হয় অন্য আইনজীবীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। জানা গিয়েছে, দুর্গাপুর মহকুমা আদালতের মুহুরি তথা সক্রিয় তৃণমূল কর্মী রতন মণ্ডল গ্রেফতার হন। বিরোধীদের মারধর করার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁকে ছাড়াতেই ৫ দিন ধরে বিচারক অসীমানন্দ মণ্ডলের এজলাস বয়কটের অভিযোগ বার অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে। যদিও মুখে কোনও কিছুই স্বীকার করছেন না তৃণমূলের আইনজীবীরা।

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতি ওঁদের অনুপ্রেরণা”, বেঙ্গালুরুতে বিরোধী জোটের বৈঠককে নিশানা মোদির

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ 

    গত ১১ জুলাই ভোট গণনার দিন বুদবুদে বিরোধী কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এনিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয় বুদবুদ থানায়। পুলিশ সেদিনই তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েতে জয়ী প্রার্থীর স্বামী রতন মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। ঘটনাক্রমে রতন হলেন দুর্গাপুর মহকুমা আদালতের মুহুরি। রতনের সঙ্গে গ্রেফতার করা আরও ১১ জনকে। ১২ জুলাই দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তাদের পেশ করা হলে বিচারক ১১ জনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। তারই প্রতিবাদে দুর্গাপুর আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশন এসিজিএম-এর এজলাসে উকিলরা কাজ বন্ধ রেখে দেন। যদিও মুখে স্বীকার করেননি তৃণমূল (TMC) প্রভাবিত আইনজীবীরা।

    চারজন বিচারকের সঙ্গে বৈঠক আইনজীবীদের

    আইনজীবীরা বারবার এটাকে আভ্যন্তরীণ বিষয় বলে এড়িয়ে যেতে চান। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে দুর্গাপুর মহকুমার আদালতে তৃণমূল প্রভাবিত (TMC) উকিলদের সঙ্গে চারজন বিচারকের একটি বৈঠক হয়। আদালতের উকিলরা এব্যাপারেও সংবাদমাধ্যের কাছে মুখ খুলতে চাননি। তাঁরা বলতে থাকেন, বুধবার বিকেলে মিটিং-এর কী সিদ্ধান্ত হল, আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: কমিশনের ওয়েবসাইটে জয়ী দেখালেও সার্টিফিকেট পাননি বিজেপি প্রার্থী, তীব্র চাঞ্চল্য

    Murshidabad: কমিশনের ওয়েবসাইটে জয়ী দেখালেও সার্টিফিকেট পাননি বিজেপি প্রার্থী, তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯৬ ভোটে জিতলেও এখনও দেওয়া হয়নি সার্টিফিকেট! ঠিক এমনই অভিযোগ করলেন ফরাক্কা ব্লকের নয়নসুখ পঞ্চায়েতের ১২২ নং বুথের গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রার্থী মাধবী মণ্ডল। নির্বাচন মিটে গিয়ে ফলাফল ঘোষণার পরেও কেন জয়ী প্রার্থীরা সার্টিফিকেট পাচ্ছেন না এখনও? এই অভিযোগে শোরগোল মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায়।

    কী অভিযোগ (Murshidabad)?

    ভোটের গণনার পর বুথের (Murshidabad) বিজেপি প্রার্থী মাধবী মণ্ডলের স্বামী অভিযোগ করে বলেন, গণনার দিন বিজেপি প্রার্থী ৯৬ ভোটে জিতেছিলেন। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও বিজয়ী হিসাবে মাধবী মণ্ডলের নাম রয়েছে। কিন্তু সার্টিফিকেট চাইতে গেলে জানতে পারেন, তৃণমূল প্রার্থী শিলা মণ্ডল জয়ী হয়েছেন। এরপর আর সার্টিফিকেট পাননি। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলায়। অবশেষে ফরাক্কার বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানান এই বিজেপি প্রার্থী।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপি প্রার্থী মাধবী মণ্ডল বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর জানতে পারি আমি জয়ী হয়েছি। সার্টিফিকেট চাইতে গেলে বিডিও বলেন, এক ঘণ্টা পর নিয়ে যেতে। এরপর আবার সার্টিফিকেট নিতে গেলে বিডিও (Murshidabad) বলেন, আমি ২ ভোটে পরাজিত হয়েছি! অথচ ওয়েবসাইটে জয়ী প্রার্থী হিসাবে আমার নাম রয়েছে। তাই আমি বিডিওর কাছে সার্টিফিকেট না পাওয়ার অভিযোগ করলাম। তিনি আরও বলেন, তৃণমূল প্রার্থী চক্রান্ত করে ভোটের ফলাফলকে বদলে দিয়েছে।  

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের এক স্থানীয় (Murshidabad) নেতা বলেন, ভোট গণনা হয়েছে ১১ তারিখ। কিন্তু অভিযোগ করছেন সাতদিন পরে আজ! এত দিন কী করছিলেন? যদি তাঁর গণনা নিয়ে সমস্যা থাকে তাহলে গণনার পর সঙ্গে সঙ্গেই কেন বলেননি। ফলাফল ঘোষণার পর ভুল করে বিজেপি প্রার্থীর নাম দেওয়া হয়েছে। আসলে তৃণমূলের ভোট বিজেপির বলে ঘোষণা হয়েছিল। সব ব্যালট রাখা আছে, মনে হলে আরেকবার গুণে নিতে পারেন। আসলে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ভুল করে নাম উঠে গিয়েছিল এই বিজেপি প্রার্থীর। মূলত এটা সাইটের গোলমাল হয়েছিল। এখন হেরে যাওয়ায় বিজেপি নাটক করছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: ভাগাড়ের নোংরা-আবর্জনায় ভরে উঠছে আত্রেয়ীর খাঁড়ি, প্রতিবাদে সরব বিজেপি

    Balurghat: ভাগাড়ের নোংরা-আবর্জনায় ভরে উঠছে আত্রেয়ীর খাঁড়ি, প্রতিবাদে সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট পুরসভার তরফে শহরের আন্দোলন সেতুর পাশে ভাগাড়ের নোংরা-আবর্জনা ফেলে আত্রেয়ীর খাঁড়ি ভরাট করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলল বিজেপির বালুরঘাট টাউন মণ্ডল। এর ফলে একদিকে যেমন নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল হয়ে পড়ছে, তেমনই ওই এলাকায় দুর্গন্ধে সাধারণ মানুষ টিকতে পারছেন না। এর প্রতিবাদে বালুরঘাটে সদর মহকুমা শাসককে লিখিত অভিযোগ দায়ের করল বালুরঘাট (Balurghat) টাউন বিজেপি নেতৃত্ব। এদিনের অভিযোগ জানানোর কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বালুরঘাট টাউন বিজেপি সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত, বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য সুমন বর্মন সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারা। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন সদর মহকুমা শাসক।

    কী সমস্যায় বাসিন্দারা?

    বালুরঘাট (Balurghat) শহরে এতদিন পর্যন্ত কোনও পার্কিং জোন ছিল না। ফলে শহরের ব্যস্ততম রাস্তার মধ্যেই গাড়ি, মোটরবাইক সহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন পার্কিং করেন মানুষজন। তাই বালুরঘাট পুরসভা দুটি পার্কিং জোন তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে। যার একটি আন্দোলন সেতু সংলগ্ন খাঁড়ির পাড়ে, দ্বিতীয়টি বালুরঘাট ট্যাক্সি স্ট্যান্ড। দুটি পার্কিংয়ের কাজ প্রায় শেষ। আন্দোলন সেতু সংলগ্ন পার্কিংয়ের পাশে এখন ভাগাড়ের মাটি ফেলা হচ্ছে। এই মাটি ফেলাকে কেন্দ্র করেই সরব হয়েছে বিজেপি। শহরের এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমাকে আন্দোলন সেতুর উপর দিয়ে রোজ যাতায়াত করতে হয়। কয়েকদিন ধরে দেখছি, সেতুর পাশে কিছু একটা ভরাট করা হচ্ছে। বৃষ্টি হলে ওই এলাকা দিয়ে চলাচল করা মুশকিল হচ্ছে। রাস্তায় কাদা জমে যাচ্ছে। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পুরসভা বিষয়টি দেখলে ভালো হয়।

    কী অভিযোগ বিজেপির শহর (Balurghat) সভাপতির?

    এই বিষয়ে বিজেপির শহর সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্তের অভিযোগ, ‘ভাগাড়ের আবর্জনা ফেলা হচ্ছে আত্রেয়ীর খাঁড়িতে। খাঁড়ি বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে। গোটা এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ওই এলাকা দিয়ে চলাচল করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। দুর্গন্ধে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। তাছাড়া এতে শহরের (Balurghat) নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল হয়ে পড়তে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য মহকুমা শাসককে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি।’

    কী বললেন পুরপ্রধান এবং মহকুমা শাসক (Balurghat) ?

    বালুরঘাটের পুরপ্রধান (Balurghat) অশোককুমার মিত্র বলেন, ‘বিজেপির কাজই শুধু অভিযোগ করা। তাদের কাজ করার কোনও সদিচ্ছা নেই। বিজেপি নোংরা মাটি ফেলার যে অভিযোগ করছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। শুধু মাটিই ফেলা হচ্ছে। বৈজ্ঞানিক ভাবেই সব করা হচ্ছে। ফলে নিকাশি সমস্যা নিয়ে কোনও চিন্তা নেই।’ সদর মহকুমা শাসক সুমন দাশগুপ্ত জানান, এনিয়ে অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: কনেকে লিপস্টিক পরানো যাবে না! বর পক্ষের দাবি ঘিরে সংঘর্ষ, আহত ৫

    Murshidabad: কনেকে লিপস্টিক পরানো যাবে না! বর পক্ষের দাবি ঘিরে সংঘর্ষ, আহত ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কনেপক্ষের দাবি, তারা মেয়েকে মেক-আপ করাবে, মানতে নারাজ বরপক্ষ। এই নিয়ে বচসা, তারপর হাতাহাতি, পরে মাথা ফাটল বরের। বিয়েবাড়িতে লেগে গেল মারামারি, যার জেরে আহত পাঁচজন। সকলেই হাসপাতালে ভর্তি।

    ঘটনার বিবরণ

    ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার রঘুনাথগঞ্জ থানার সন্তোষপুর দেওয়ানপাড়া এলাকায়। বরের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ৯ মাস আগে বিয়ে হয়। মঙ্গলবার সন্তোষপুরে বৌভাতের আয়োজন করা হয়। সেখানেই উপস্থিত হয় বরপক্ষ। অভিযোগ, কনেকে সাজাতে গিয়ে লিপস্টিক ও টিপ পরানো হয়। যা মেনে নিতে পারেনি বরপক্ষ। প্রতিবাদ করতে গেলে বরের দিদিকে মেরে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কনের পরিবারের বিরুদ্ধে! তারপরে শুরু হয় তুমুল বচসা। বচসা এক পর্যায়ে গিয়ে সংঘর্ষে পরিণত হয়, সেখানেই আহত হয় পাঁচজন। সকলেই জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন! আহতরা সকলেই সাগরদিঘি থানার সেখদিঘি এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

    কী বলছেন বর?

    হাসপাতালের বেডে শুয়ে রয়েছেন বর মিনহারুল সেখ। তাঁর মাথা ফেটে গিয়েছে। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমরা চেয়েছিলাম কনেকে যেন টিপ না পরানো হয়। কিন্তু জোর করে এই কাজ করে আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। বাধা দিতে গেলে আমার শ্বশুর, শালা সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমার দিদির ওপর। মারা হয় আমার ভাগ্নেদেরকেও। তখন আমরা দাবি করি, চড়ের বদলা চড় লাগবে। ওরা সেটা মানতে চায়নি বলে সংঘর্ষ শুরু হয়, বাঁশ, লাঠি এইসব দিয়ে।’’ 

    পাঁচজন বেশি কনে যাত্রী নিয়ে যাওয়ার জন্য বরপক্ষ-কন্যাপক্ষের মধ্যে মারামারি বীরভূমে

    উল্লেখ্য, এই ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে। ২৫ জন কনেযাত্রী নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন বরপক্ষের বাড়ির লোকজন। কিন্ত, কনেপক্ষ পাঁচ জন বেশি নিয়ে গিয়েছিল। এটাই অপরাধ। আর তাই প্যান্ডেলে বসে ভুরিভোজ খাওয়ার বদলে জুটল উত্তম-মধ্যম। বরপক্ষের হামলায় কনেপক্ষের বাড়ির বেশ কয়েকজন জখম হন। সোমবার ঘটনাটি ঘটে বীরভূমের দুবরাজপুরের শিমুলডিহি গ্রামে। আহত হয়ে বেশ কয়েকজন ভর্তি সিউড়ি হাসপাতালে। অন্যদিকে কনের ভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে বউভাতের দিন বর সহ বরপক্ষের চারজনকে গ্রেফতার করেছে দুবরাজপুর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Stomach Disorder: বর্ষায় শিশুদের ভোগাচ্ছে পেটের অসুখ! কোন খাবারে বাড়ছে ভোগান্তি?

    Stomach Disorder: বর্ষায় শিশুদের ভোগাচ্ছে পেটের অসুখ! কোন খাবারে বাড়ছে ভোগান্তি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুম! রোজকার বৃষ্টিতে আবহাওয়া স্বস্তি দিলেও, ভোগান্তি বাড়াচ্ছে বর্ষার অসুখ! সবচেয়ে বেশি সমস্যায় ফেলছে পেটের অসুখ (Stomach Disorder)! বিশেষত, শিশুদের জন্য বাড়তি চিন্তার কারণ হচ্ছে পেটের অসুখ! তাই সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    পেটের অসুখে (Stomach Disorder) বাড়তি চিন্তা কেন? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, পেটের অসুখে বাড়তি চিন্তা রয়েছে। বিশেষত শিশুদের জন্য এই সমস্যা বাড়তি উদ্বেগের। কারণ, পেটের সমস্যায় (Stomach Disorder) অতিরিক্ত ভুগলে ডায়ারিয়া, কলেরার মতো রোগের ঝুঁকি তৈরি হয়। যা শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটাতে পারে। তাছাড়া, পেটের অসুখ অর্থাৎ বারবার মলত্যাগের মতো সমস্যা হলে, ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি হয়। কারণ, অতিরিক্ত মলত্যাগের ফলে শরীরে জলের ঘাটতি তৈরি হয়। তার জেরেই হয় ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি। যা প্রাণঘাতীও হতে পারে। লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়াতে পারে লাগাতার পেটের সমস্যা। সব মিলিয়ে পেটের সমস্যা নানা জটিল সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই চিকিৎসকরা বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।

    কোন খাবার বিপদ বাড়ায়? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, বর্ষায় মূলত জল থেকেই নানা সমস্যা তৈরি হয়। পেটের অসুখের (Stomach Disorder) অন্যতম কারণ, জল। বৃষ্টির জেরে অনেক জায়গায় বন্যা হয়, জল জমে থাকে, নিকাশি নালার সঙ্গে মিশে যায় খাবার জলের পাইপ! সব মিলিয়ে পরিশ্রুত পানীয় জলের সঙ্কট অনেক ক্ষেত্রে তৈরি হয়। আর তার জেরেই বাড়ে বিপদ! চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, জন্ডিস, কলেরা, ডায়ারিয়া কিংবা সাধারণ পেটের অসুখ, এই সব রোগ আটকাতে জরুরি পরিশ্রুত জল। তাই প্রয়োজনে শিশুদের জল ফুটিয়ে খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল। 
    বাইরের খাবার বিশেষত, রঙিন সরবত একেবারেই এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, রঙিন সরবতে কী ধরনের তরল ব্যবহার করা হয়, তা কতখানি পরিশুদ্ধ, সে ব্যাপারে সব সময় নিশ্চয়তা থাকে না। তাই বর্ষায় সুস্থ থাকতে শিশুদের রঙিন সরবত এড়িয়ে যেতে বলছে বিশেষজ্ঞ মহল। 
    যে কোনও বাইরের তৈরি চটজলদি খাবার, অর্থাৎ, চাউমিন, রোল, মোগলাই পরোটার মতো ফাস্ট ফুড বর্ষায় না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল। তারা জানাচ্ছে, এই ধরনের খাবার সহজপাচ্য নয়। শিশুদের হজমের সমস্যা তৈরি হতে পারে। তার জেরেও পেটের অসুখ হতে পারে।

    ফি-দিনের মেনুতে কোন খাবার রাখলে ঝুঁকি কমবে? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত পরিশ্রুত জল খাওয়ার পাশাপাশি কিছু খাবার ফি-দিন খেলে পেটের অসুখের (Stomach Disorder) ঝুঁকি কমবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বাচ্চাদের খাবারের মেনুতে নিয়মিত কাঁচকলা আর পেঁপের মতো সবজি থাকুক। কারণ, এই দুই সবজিতে আছে আয়রন ও ভিটামিন। এই দুই সবজি সহজে হজম হয়। পেটের পক্ষে উপকারী। 
    খাবারের তালিকায় লাউ রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, লাউ লিভারের জন্য খুব উপকারী। তাই নিয়মিত লাউ খেলে পেটের সমস্যা কমবে। 
    সবুজ আপেল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। সবুজ আপেল পেটের জন্য উপকারী। 
    খাওয়ার পরে এক টুকরো আমলকি খেলে পেটের সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে বলে পরামর্শ বিশেষজ্ঞ মহলের। আমলকি সহজে হজম করায়। তাই আমলকি বিশেষ উপকারী। 
    তবে, পেটের সমস্যা দেখা দিলে বেশি পরিমাণে জল খেতে হবে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রয়োজনে নুন-চিনি মিশিয়ে জল খেতে হবে। যাতে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি তৈরি না হয়। তবে, সমস্যা বাড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: নিম্নমানের খাবার, প্রতিবাদে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝোলালেন গ্রামবাসীরা

    Bankura: নিম্নমানের খাবার, প্রতিবাদে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝোলালেন গ্রামবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাবার পরিবেশন করার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটল বাঁকুড়ার (Bankura) গঙ্গাজলঘাটি ভুঁইভোড় গ্রামে। এলাকায় গ্রামবাসীরা প্রতিবাদ করলেন এবং এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল জেলায়। অবশেষে পুলিশ এসে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করল।

    কীভাবে ঘটল (Bankura)?

    নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাবার তৈরি করে পরিবেশনের অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন অঙ্গনওয়াড়ির কর্মীরা। বাঁকুড়া (Bankura) জেলার গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের ১৭৮ নং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ভুঁইফোড় উপরপাড়ায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে খাবার তৈরি করা হচ্ছিল। এই এরকম খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল অনেক বাচ্চা। একাধিকবার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের জানানো হলেও তার কোনও সুরাহা হয়নি। তাই আজ গ্রামের মানুষ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা দিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন। উত্তেজিত গ্রামবাসীর এই প্রতিবাদে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নিম্নমানের খাবার এবং বিক্ষোভের ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় গঙ্গাজলঘাটি (Bankura) থানার পুলিশ। পরে পুলিশের আশ্বাসে গ্রামবাসীরা তালা খুলে দেন।

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য

    প্রতিবাদে এক গ্রামবাসী (Bankura) খোকন রায় বলেন, এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বাচ্চাদের পড়াশুনা হয় না বললেই চলে। শুধু মাত্র খাবর দেওয়ার সময় আসে কর্মীরা। কিন্তু যে খাবার রান্না হয় তা খুব নিম্নমানের এবং বাচ্চাদের জন্য খাবারের যা পরিমাণ তাও খুব অল্প। সবজি নেই বললেই চলে। অনেক বাচ্চা মাঝে মাঝে খাবার খেয়েই অসুস্থ হয়ে যায়। তাই আজ আমরা তালা ঝুলিয়ে প্রতিবাদ করলাম।

    অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য

    এই ঘটনায় অভিযুক্ত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী শিপ্রা চ্যাটার্জি বলেন, গ্রামবাসীদের (Bankura) করা এই যাবতীয় অভিযোগ একদম মিথ্যা। এছাড়া তিনি নিজের শারীরিক অসুস্থতার কারণে সবজি বা অন্যান্য সামগ্রী আনতে না পারার কথাও স্বীকার করে নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: বেঙ্গালুরুর বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য চোরদের বাঁচানো, তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ

    Paschim Medinipur: বেঙ্গালুরুর বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য চোরদের বাঁচানো, তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) সদর ব্লকের মালিদা গ্রামে ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হওয়া বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রাজ্যের শাসক শিবিরকে একাধিক ইস্যুতে তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও খড়্গপুরে চায়ে পে চর্চায় যোগদান করে বিভিন্ন বিষয়ে বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের বৈঠকের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন।

    কৌস্তুভ রায়ের গ্রেফতার সম্পর্কে কী বললেন?

    দিলীপ ঘোষ মালিদা গ্রামে (Paschim Medinipur) তৃণমূলের সন্ত্রাসে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে হিংসার কথা সবিস্তারে শোনেন। সেই সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের সবরকম সাহয্যের আশ্বাস দেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কৌস্তুভ রায়ের গ্রেফতার প্রসঙ্গে বলেন, আর্থিক প্রতারণা মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছে বলে শুনেছি। পিনকন চিটফান্ড কাণ্ডে নাম জড়ায় এই তৃণমূল নেতার। তার মোবাইল থেকে একাধিক প্রভাবশালীর নাম মিলেছে। এই ব্যক্তি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অনেকবার বিদেশে যাত্রা করছে। এমনকি বিদেশে যাতায়াত করার সময় কয়েকবার আর্থিক লেনদেনে ধরাও পড়েছে। তৃণমূলের অন্যতম রাখব বোয়াল এই ব্যক্তি। অনেক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সে। ধরা যখন পড়েছে আরও অনেক তৃণমূল নেতার নাম উঠে আসবে।

    চায়ে পে চর্চাতে কী বললেন?  

    মঙ্গলবার সকালে খড়্গপুরে (Paschim Medinipur) দিলীপ ঘোষ চায়ে পে চর্চার মধ্যে সাংবাদিকদের বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট লুঠ, ছাপ্পা ভোট, গণনার দিন ব্যালট ছিনতাই সব রকম অপকর্ম রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল করছে। শুধু এই করেই ক্ষান্ত হয়নি। গণনার পর থেকেই বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে আক্রমণ করছে তৃণমূল। এমনকি বিজেপির জয়ী প্রার্থীরাও ঘরছাড়া হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্রকে সবদিক থেকে হরণ করছে তৃণমূল।

    বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের বৈঠকের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, গত ১৯ এর লোকসভার আগেও বিরোধীদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করেছেন, মাছ ভাত খাইয়েছেন, কিন্তু লাভ কিছুই হয়নি বরং একডজন সিট কমে গেছে। মোদির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে সিপিএম আজ অপ্রাসঙ্গিক। সবটাই অস্তিত্বের জন্য লড়াই করছেন। কে কার বিরুদ্ধে লড়াই করছেন কেউ কিছুই জানেন না। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এতো তৃণমূল বিরোধী মানুষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে খুন হলেন। কিন্তু কোনও জাতীয় দলের নেতারা কিছু বলছেন না এই বৈঠকে! নিজের দলের মানুষরাই মারা যাচ্ছেন। অথচ দলের নেতারা নির্বাক! অত্যন্ত লজ্জার ঘটনা। এই বেঙ্গালুরুর বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হল চোরদের বাঁচানো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভাইপোকে বাঁচাতে বৈঠক করছেন আর বাকিরা নিজেদের পরিবারকে বাঁচাতে বৈঠক করছেন মোদির বিরুদ্ধে। তিনি আরও বলেন, বিচারপতিদের নামে যেভাবে তৃণমূলের নেতারা প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখছেন, তাতে সাধারণ মানুষের মনে বিচার ব্যবস্থার প্রতি সন্দেহ তৈরি করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: শান্তিপুরের বুথে গণনায় বৈধ ভোট মাত্র ১! তাতেই বাজিমাত বিজেপির

    Panchayat Election 2023: শান্তিপুরের বুথে গণনায় বৈধ ভোট মাত্র ১! তাতেই বাজিমাত বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজব কাণ্ড! গোটা বুথে মোট ভোট পড়ল মাত্র একটি। আর সেই একটি ভোট গণনাতেই (Panchayat Election 2023) জয়লাভ করল বিজেপি। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে কিভাবে গোটা বুথে ভোটের সংখ্যা এক হতে পারে। নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের বাগাচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। উল্লেখ্য, গত ৮ তারিখে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া চলেছিল সুস্থভাবে। নিয়ম অনুযায়ী ব্যালট বাক্স সিল করে পাঠানো হয়েছিল স্টোররুমে। ১১ তারিখ ভোট গণনা শুরু হতেই ঘটল বিরল ঘটনা। ব্যালট বক্সে ভোট জমা পড়লেও ছিল না প্রিসাইডিং অফিসারের সই। সেই কারণে ভোটগুলি বাতিল করে দিতে বাধ্য হন বিডিও। যদিও একটি মাত্র বৈধ পোস্টাল ভোট পড়ায় এক ভোটে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী।

    বিশদে ঘটনা (Panchayat Election 2023)

    শান্তিপুর ব্লকের বাগআঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কুতুবপুর ৩০ নম্বর বুথ। জানা যায় ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থী প্রতিকা বর্মন তাঁর জা তৃণমূল প্রার্থী রত্না বর্মনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে (Panchayat Election 2023) কেউ কাউকে এক ফোঁটাও জায়গা ছাড়েননি। এর পরে গত ৮ই জুলাই ওই ৩০ নম্বর বুথে সকাল থেকেই সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রক্রিয়া চলছিল। পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের ব্যালট পেপারে প্রিসাইসাইডিং অফিসারের সই থাকলেও গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্যালট পেপারে কোনও সই ছিল না। ভোট গণনা শুরু হতেই তা নজরে পড়ে ভোট কর্মীদের। খবর পৌঁছায় বিডিওর কাছে। আইন মোতাবেক প্রশাসন বাধ্য হয়ে ওই ভোটগুলি বাতিল বলে ঘোষণা করে। ওই এলাকায় একটিমাত্র পোস্টাল ব্যালট ভোট পড়েছিল এবং সেটা ছিল বৈধ ভোট। বিডিও, জয়েন্ট বিডিও এরপর ওই বৈধ পোস্টাল ভোটকে প্রাধান্য দিয়ে বিজেপি প্রার্থী প্রতিকা বর্মনকে জয়ী ঘোষণা করেন। বিজেপির এই জয়ের খবর শুনতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন জা তৃণমূল প্রার্থী রত্না বর্মন। সঙ্গে সঙ্গে বিডিওর কাছে একটি অভিযোগ জমা দেন।

    কী বলছেন তৃণমূল এবং বিজেপি প্রার্থী (Panchayat Election 2023)?

    তৃণমূল প্রার্থী রত্না বর্মনের অভিযোগ, চক্রান্ত করে প্রিসাইডিং অফিসার ভোটের কাগজে সই করেনি। যেখানে ৭৯০ টি ভোট জমা পড়ল। অথচ সই না থাকার কারণে সব ভোট বাতিল করা হলেও একটি মাত্র পোস্টাল ভোটে বিজেপিকে জয়লাভ করানো হল। আমরা পুনঃনির্বাচনের (Panchayat Election 2023) দাবি করছি। আর এই ঘটনার পিছনে সম্পূর্ণ দায়ী প্রিসাইডিং অফিসার। কারণ সঠিকভাবে ভোট গণনা যদি হত, তৃণমূল এখানে বিপুল ভোটে জয়লাভ করত। অন্যদিকে তৃণমূলের তোলা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিজেপি প্রার্থীর স্বামী বিশ্বজিৎ বর্মনের দাবি, সঠিকভাবে ভোট গণনা হলে এখানে বিজেপিই বিপুল ভোটে জয়লাভ করত। কারণ এই ৩০ নম্বর বুথে বিজেপির প্রভাব যথেষ্ট বেশি। যদিও পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই ধরনের বিরল ঘটনায় তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Botanical Garden: শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন গঙ্গার ভাঙন ক্রমশ ভয়াবহ আকার নিচ্ছে

    Botanical Garden: শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন গঙ্গার ভাঙন ক্রমশ ভয়াবহ আকার নিচ্ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ার বৃহত্তম হাওড়ার শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের (Botanical Garden) ভাঙন ক্রমশ ভয়াবহ আকার নিচ্ছে ৷ দ্রুত এই ভাঙন রোধ করতে না পারলে ক্রমশ গঙ্গার গর্ভে চলে যাবে বি গার্ডেনের একাংশ। এই ভাঙন রোধে এবার বোটানিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি দিয়ে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হল। বি গার্ডেনের জয়েন্ট ডিরেক্টর দেবেন্দর সিং জানিয়েছেন, হাওড়ার বোটানিক্যাল গার্ডেনের যে অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে, সেখানে কী কী গাছ রয়েছে এবং কীভাবে সেই ভাঙন রোধ করা যায়, সে ব্যাপারে একটি পরিকল্পনা করে কেন্দ্রীয় বন দফতরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ভাঙন রোধে কেন্দ্র না রাজ্য কারা কাজ করবে এবং কীভাবে দ্রুত সেই কাজ শুরু করা যায়, এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। তারপরেই কাজ শুরু হবে। উল্লেখ্য, আইলার পর থেকে ভয়াবহ গঙ্গার ভাঙনে বিপন্ন হতে চলেছে এশিয়ার বৃহত্তম হাওড়ার শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেন। ‘গ্রেট ব্যানিয়ান ট্রি’র জন্য শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের সুখ্যাতি বিশ্বজোড়া। কিন্তু, ভয়াবহ গঙ্গার ভাঙনে বিপন্ন হতে চলেছে এই জাতীয় উদ্যান। বেশ কিছু জায়গাতেই নেই ফেন্সিং। যার জেরে ভাঙনের ফলে গঙ্গার গ্রাসে চলে যাচ্ছে বহু গাছ।

    কপালে চিন্তার ভাঁজ পরিবেশ কর্মীদের

    হাওড়া শহরের অনেকটা অংশ গঙ্গাবক্ষে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকছে। গঙ্গার ভাঙন কীভাবে আটকানো যায়, তা দেখতে কিছুদিন আগে নৌকায় করে গঙ্গা বক্ষে ভাঙনস্থল পরিদর্শন করেন পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত। তিনি বলেন, আজ গঙ্গা পুরোপুরি বিপন্ন। যেভাবে ভাঙন প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে, হয়তো ১৫-২০ বছর পরে হাওড়া শহরের বেশিরভাগ অংশই গঙ্গায় তলিয়ে যাবে। তাই একদিকে শহরকে রক্ষা করা, অন্যদিকে বোটানিক্যাল গার্ডেনকে (Botanical Garden) রক্ষা করার জন্য এখনই উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, একটা সময় ম্যানগ্রোভ লাগানো হয়েছিল। যেহেতু নোনা জলে এটি বাড়ে এবং গঙ্গাতেও নোনা জল ঢুকছে, তাই ম্যানগ্রোভ বেশি করে লাগানো যেতেই পারে। অন্যান্য যত রকম ভাবে গঙ্গার এই ভাঙ্গন রক্ষা করা যায় সে ব্যাপারে সচেষ্ট হতে হবে। তিনি বলেন, কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ জাহাজ চলাচলের জন্য গঙ্গায় পলি তোলার কাজ করে। কিন্তু সেটা শুধুমাত্র যাহজ চলাচলের রুটটিতেই করা হয়। কিন্তু যদি তার বাইরের অংশতেও পলি তোলার কাজ করা হয়, তাহলে গঙ্গার গভীরতা অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে। যার ফলে পাড়ের দিকে জলের ধাক্কা ততটা লাগবে না। সেক্ষেত্রে রক্ষা পাবে পাড় ভাঙন।

    কী বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বোটানিক্যাল গার্ডেনের প্রধান প্রবেশ পথ থেকে বাঁদিকে একটু এগোলেই শিবপুর গঙ্গার ঘাট। এই ঘাটের পাশেই শহরের জল নিকাশির সরু নালা ছিল। সেই নালা সংলগ্ন বোটানিক্যাল গার্ডেনের পাঁচিল অনেক আগেই ভেঙে গেছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, শিবপুর গঙ্গার ঘাটের পাশে বোটানিক্যাল গার্ডেনের (Botanical Garden) দিকে একটি বাঁধানো চাতাল তৈরি করা হয়েছে। যেহেতু কলকাতার দিকে গঙ্গার পাড় কংক্রিট দিয়ে বাঁধানো, তাই সমুদ্র থেকে আসা ঢেউ কলকাতার অংশে গঙ্গার পাড় ভাঙতে পারছে না। সরাসরি সেই জোয়ারের জল ধাক্কা মারছে শিবপুর গঙ্গার ঘাটের ওই বাঁধানো চাতালে। তারপর সেই ঢেউ ব্যাক ফ্লো করে ধাক্কা দিচ্ছে বোটানিক্যাল গার্ডেনের পাড়ে। এর ফলে বিগত কয়েক বছরে ভাঙন অনেকটাই বেড়েছে। ভাঙনের ভয়াবহতা এতটাই যে গার্ডেন সংলগ্ন যে নিকাশি নালা আগে এক লাফে পার করা যেত, সেটি এখন ভাঙ্গনে বেড়ে বেড়ে ৫০ মিটারের বেশি পরিধি নিয়েছে। ভাঙনে গঙ্গায় তলিয়ে যাচ্ছে বহু মূল্য উদ্ভিদও।

    কী জানালেন প্রাতঃভ্রমণকারীরা?

    ইন্ডিয়ান বোটানিক্যাল গার্ডেন এখন আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ভারতীয় উদ্ভিদ উদ্যান (Botanical Garden) নামে পরিচিত। গঙ্গার পশ্চিম পাড়ে হাওড়ার শিবপুরে ইংরেজ আমলে তৈরি হয়েছিল এই ঐতিহাসিক উদ্ভিদ উদ্যান। এক সময় এটি কলকাতা বোটানিক্যাল গার্ডেন নামে পরিচিত হলেও প্রতিষ্ঠাকালে এই উদ্ভিদ উদ্যানটি ক্যালকাটা রয়েল বোটানিক্যাল গার্ডেন নামে প্রসিদ্ধ ছিল। বিরাট এই  উদ্যান ২৭৩ একর আয়তনবিশিষ্ট । এখনও বহু পড়ুয়া ও পরিবেশপ্রেমীর আকর্ষণ এটি। আবার কলকারখানা সর্বস্ব হাওড়া শহরের ফুসফুসও বটে। এই উদ্যানে বর্তমানে মোট ১৪০০ প্রজাতির প্রায় ১৭,০০০টি গাছ রয়েছে। এই উদ্যানটি সাধারণ মানুষের কাছে শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেন নামেও পরিচিত। এই উদ্যানের সব থেকে বড় আকর্ষণ ২০০ বছরেরও প্রাচীন বটগাছ বা মহা বটবৃক্ষ।
    বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন গঙ্গার পাড়ের ভাঙন নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন গার্ডেনে প্রাতঃভ্রমণে আসা এলাকার মানুষ। বোটানিক্যাল গার্ডেন ডেইলি ওয়াকার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও বাগান কর্তৃপক্ষকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে ভাঙন রোধে। অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক তাপস দাস জানান, তাঁদের ডেপুটেশন কর্তৃপক্ষ নিয়েছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, ভাঙন রোধে দ্রুত কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় তাঁরা বিষয়টি দেখছেন।

    কী পরিকল্পনা গার্ডেনের জয়েন্ট ডিরেক্টরের? 

    বোটানিক্যাল গার্ডেনের (Botanical Garden) জয়েন্ট ডিরেক্টর দেবেন্দ্রর সিং জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই তাঁরা কেন্দ্র সরকারের কাছে এ ব্যাপারে রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। এখন কেন্দ্র সরকার সিদ্ধান্ত নেবে গঙ্গার পাড়কে কীভাবে রক্ষা করা যাবে, গার্ডেন কর্তৃপক্ষ করবে না রাজ্য সরকার করবে। কেন্দ্রের কাছ থেকে উত্তর এলেই কাজ শুরু হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share