Tag: Madhyom

Madhyom

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার, ১৭/০৭/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার, ১৭/০৭/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য–কেমন কাটবে দিন?

    মেষ

    ১) ব্যবসায় প্রতিযোগিতা কম থাকায় এর পূর্ণ সুযোগ তুলবেন। 

    ২) চাকরিজীবীরা অতিরিক্ত কাজের কারণে রাগ ও অস্বস্তিতে ভরে থাকবেন। 

    বৃষ

    ১) পারিবারিক বস্তুর কেনাকাটার পাশাপাশি সুখ-সুবিধা বৃদ্ধির ফলে ব্যয় হবে। 

    ২) বাড়িতে অতিথি আগমনের ফলে ব্যস্ততা বাড়বে।       

    মিথুন

    ১) নিজেকে অন্যের তুলনায় শ্রেষ্ঠ দেখাতে গিয়ে অপমানিত হতে পারেন। 

    ২) পারিবারিক পরিবেশ শান্ত থাকবে, তবে কোনও না-কোনও সদস্যের মাঝে বিবাদ বাধতে পারে।     

    কর্কট

    ১) ব্যবহারে বিনম্রতা বজায় রাখুন। তা না-হলে লাভের সুযোগ হাতছাড়া হবে। 

    ২) আর্থিক দিক দিয়ে দিনটি মোটামুটি।       

    সিংহ 

    ১) পারিবারিক প্রয়োজনীয়তায় অর্থ ব্যয় হবে। 

    ২) বাড়ির সদস্যদের কর্মকাণ্ড উপেক্ষা করে যান, শান্তি বজায় থাকবে।     

    কন্যা

    ১) বেপরোয়া স্বভাবের কারণে পরিবারের সদস্যদের কথা শুনতে হবে।  
     
    ২) কর্মক্ষেত্রে অধিক সতর্ক থাকুন।       

    তুলা 

    ১)  বেশি কথা বলার কারণে বাড়ির পরিবেশ কিছুক্ষণের জন্য খারাপ হবে। 

    ২) বাড়ির বয়স্কদের ওষুধপত্রে ব্যয় করতে হবে।

    বৃশ্চিক

    ১)  আজ এমন কিছু ঘটনা ঘটবে, যে ক্ষেত্রে চুপ থাকলে, দুষ্পরিণাম থেকে বেঁচে যাবেন। 

    ২) পরিবারে সকলের পৃথক মতামতের কারণে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে পারবেন না।      

    ধনু

    ১) চাকরিজীবীরা কোনও সুসংবাদ পেতে পারেন। এর দ্বারা শীঘ্র লাভান্বিত হবেন। 
     
    ২) প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিনম্র ব্যবহার করুন।  

    মকর

    ১) আজ অধিকাংশ সময়ে ঘোরাফেরা ও মনোরঞ্জনে ব্যয় করবেন। 

    ২) ব্যবসায়ীরা শীঘ্র অসম্পূর্ণ কাজ পূর্ণ করতে পারবেন।         

    কুম্ভ

    ১) আপনার বোকামির জন্য পরিবারের সদস্যদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। 

    ২) অর্থাগমন কিছুটা কমবে।        

    মীন

    ১) সর্দি-কাশির কারণে কষ্ট পেতে পারেন। 
     
    ২) কোনও কাজ নিজের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না, তা না-হলে হতাশাজনক পরিস্থিতি উৎপন্ন হবে।         

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • North India Flood: অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি চার রাজ্যে! উত্তর ভারতে বন্যায় মৃত ৮৯

    North India Flood: অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি চার রাজ্যে! উত্তর ভারতে বন্যায় মৃত ৮৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যা পরিস্থিতির (North India Flood) কারণে জনজীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত উত্তর ভারতে, মৃতের সংখ্যা ৮৯। হিমাচল, জম্মু কাশ্মীর, হরিয়ানা, দিল্লি সর্বত্র স্বাভাবিক জীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। গত কয়েক দিন ধরে একটানা প্রবল বৃষ্টিতে দিল্লির জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত। যমুনার জল বিপদসীমা অতিক্রম করেছে আগেই। বন্যা পরিস্থিতি (North India Flood) এতটাই ভয়ঙ্কর যে লালকেল্লার দেওয়ালেও যমুনার জলোচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। গোটা রাজধানী যেন নেমে এসেছে ত্রাণশিবিরে। দুর্যোগ কবলিত অনেককে উদ্ধার করে সেখানে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। তবে, এখনও আশার বাণী শোনাতে পারেননি হাওয়া অফিসের আধিকারিকরা। আবারও বৃষ্টি হবে বলে সতর্কবার্তা জারি করেই চলেছে মৌসম ভবন।

    কী বলছে হাওয়া অফিস?

    ইতিমধ্যে চারটি রাজ্যে কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। পূর্ব ভারতের ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড রয়েছে তালিকায়। উত্তর ভারতের হিমাচল এবং উত্তরাখণ্ডেও ১৭ জুলাই ভারী বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছে মৌসম ভবন। হাওয়া অফিস এও বলছে, ১৮ তারিখ থেকে বৃষ্টি অবশ্য কিছুটা কমবে। কিন্তু উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন, তেহরি সমেত বেশ কিছু স্থানে লাল সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির কারণে বেশিরভাগ রাস্তাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। প্রবল ধস দেখা গিয়েছে বেশ কিছু জায়গায়। জানা গিয়েছে, ভারী বৃষ্টির (North India Flood) জেরে হিমাচলে সাতশোর বেশি রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। রবিবারই পিথোরগড় জেলার সীমান্ত এলাকার জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়েছে বৃষ্টির কারণে। শনিবারই যমুনেত্রী হাইওয়ে বন্ধের খবর মিলেছে।

    এনডিআরএফ-এর উদ্ধারকাজ

    বন্যা পরিস্থিতি (North India Flood) মোকাবিলায় দুর্গতদের উদ্ধারের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছে এনডিআরএফ। পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরাখণ্ড, দিল্লি সর্বত্র চলছে উদ্ধার কাজ। প্রত্যেক রাজ্যেই খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির। সেখানেও কাজ চালাচ্ছে উদ্ধার কর্মীরা। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৫৮টি টিম কাজ করছে এনডিআরএফ-এর। যার মধ্যে ১৬টি টিম মোতায়েন করা হয়েছে দিল্লিতে। ১১টি করে টিম কাজ চালাচ্ছে উত্তরাখণ্ডে এবং ১০টি করে টিম কাজ করছে পাঞ্জাব এবং হরিয়ানায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ভোটের দিন বুথে তৃণমূলের সন্ত্রাস, হরিহরপাড়ায় ফের খুন হলেন সিপিএম কর্মী

    TMC: ভোটের দিন বুথে তৃণমূলের সন্ত্রাস, হরিহরপাড়ায় ফের খুন হলেন সিপিএম কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের জেরে মুর্শিদাবাদের আরও একজন রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যু হল। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রিন্টু শেখ। তাঁর বাড়ি হরিহরপাড়া ব্লকের নিয়ামতপুর গ্রামে। তিনি সিপিএমের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    পঞ্চায়েত ভোটের দিন তৃণমূলের (TMC) দুষ্কৃতীরা বুথে ঢুকে  ভোট লুটের চেষ্টা করে। তাতে এই সিপিএম কর্মী বাধা দেন। এরপরই তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি অবনতি হলে তাঁকে কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে এতদিন ভর্তি ছিলেন। এদিন দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় পরিবারের শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) হামলায় দলীয় কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় রবিবার সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লা সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, ভোটে তৃণমূল লুট করেছিল। সেটা বাধা দিতে গিয়ে আমাদের আরও এক কর্মীকে প্রাণ হারাতে হল।

    দৌলতাবাদে ও বড়ঞায় উদ্ধার হল বোমা

    দৌলতাবাদ থানার গৌরীপুর এলাকায় পাটের জমিতে তিনটি সকেট বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। জমিতে পাট কাটতে গিয়ে স্থানীয় লোকজন বোমাগুলি দেখতে পান। তারপর দৌলতাবাদ থানায় খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে বোমা তিনটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এদিন  বড়ঞায় দুই জার ভর্তি বোমা উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, নিমা গ্ৰামের মাঠ থেকে এদিন সকালেই এলাকার বাসিন্দারা একটি জার দেখতে পেয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন, পরে পুলিশ গেলে সেটি বোমা বলে জানানো হয়। অন্যদিকে এই ঘটনার এক ঘণ্টার মধ্যেই বড়ঞার সুন্দরপুর সংলগ্ন  হাতিশালা গ্রামের মাঠেও উদ্ধার হয়েছে আরও একটি জার ভর্তি তাজা বোমা। বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ভোটের জন্য বোমা মজুত করেছিল। তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISF: ভাঙড়ে ঢোকার আগে পুলিশি বাধার মুখে নওশাদ, সরব আইএসএফ বিধায়ক

    ISF: ভাঙড়ে ঢোকার আগে পুলিশি বাধার মুখে নওশাদ, সরব আইএসএফ বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে ভাঙড় এলাকা। মনোনয়ন পর্ব থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন, এমনকী ফলাফল প্রকাশের দিনেও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। রাতের বেলায় বোমাবাজি হয়। একাধিক আইএসএফ (ISF) কর্মীর মৃত্যু হয়। তৃণমূলের সন্ত্রাসের জেরে বহু কর্মী, সমর্থক চরম আতঙ্কে রয়েছেন। সেই কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে রবিবার ভাঙড় যাচ্ছিলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। ভাঙড়ে ঢোকার মুখে আটকে দেওয়া হল তাঁকে। রবিবার বিকেলে ভাঙড়ের অনেক আগেই তাঁকে লেদার কমপ্লেক্স থানা এলাকায় আটকে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    শনিবার ভাঙড়ে তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা, নওশাদে আপত্তি পুলিশের

    শনিবার রাতে ভাঙড়ের উদ্দেশে যান তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। ভাঙড় বাজারের কাছে তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। তবে, তাঁদের বাজার এলাকা পর্যন্ত ঢুকতে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, এদিন ভাঙড়ের যাওয়ার জন্য আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ রওনা হলে তাঁকে ভাঙড়ের অনেক আগেই আটকে দেওয়া হয়। এদিন হাতিশালা মোড়ের অনেক আগেই তাঁকে আটকে দেওয়া হয়। এর আগেও তাঁকে ভাঙড়ে ঢোকার আগেই বাধা দেওয়া হয়েছিল। এদিন নওশাদকে বাধা দেওয়ার প্রসঙ্গে পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, ভাঙড় থানা এবং কাশীপুর থানা এলাকায় ১৪৪ ধারা থাকার কারণে তাঁকে আটকে দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন নওশাদ সিদ্দিকি?

    নওশাদ বলেন, আমাকে যেভাবে আটকানো হয়েছে, সেটা পুরো অনৈতিক। নিয়মের বাইরে গিয়ে এটা করা হচ্ছে। ১৪৪ ধারা থাকলে একসঙ্গে চার জন জমায়েত হতে পারে না। আমি একজনকে নিয়ে যাচ্ছি। আমার বিধায়ক হিসাবে কাজে ব্যাঘাত ঘটানো হচ্ছে। এখানে আইএসএফ (ISF) কর্মীদের সঙ্গে আমি দেখা করতে চাই। বিধায়ক হিসাবে আমার অনেক কাজ রয়েছে। সেই কারণেই আমি ভাঙড়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। শাসক দলের জন্য আলাদা ভূমিকা নিচ্ছে, বিরোধীদের জন্য আলাদা ভূমিকা নেওয়া হচ্ছে। শনিবার ভাঙড় বাজার পর্যন্ত গিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা ও অন্যান্যরা। এর বিরুদ্ধে তিনি আদালতে যাবেন বলেও জানান নওশাদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: তৃণমূলের সন্ত্রাস,পশ্চিম মেদিনীপুরে ঘরছাড়া শতাধিক বিজেপি কর্মী, ঠিকানা দলীয় কার্যালয়

    BJP: তৃণমূলের সন্ত্রাস,পশ্চিম মেদিনীপুরে ঘরছাড়া শতাধিক বিজেপি কর্মী, ঠিকানা দলীয় কার্যালয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল প্রকাশের ৭২ ঘণ্টা পর থেকেই তৃণমূলের লাগামছাড়া সন্ত্রাসের কারণে জেলা জুড়ে বাড়ছে ঘরছাড়াদের সংখ্যা। ঘরছাড়া বিজেপি (BJP) কর্মীদের বর্তমানে ঠিকানা বিভিন্ন এলাকার বিজেপি কার্যালয়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ফলপ্রকাশের পর ঘরছাড়া হতে হয়েছে ৫০০রও বেশি বিজেপি নেতাকর্মীকে। বর্তমানে মেদিনীপুর জেলা পার্টি অফিসে রয়েছেন ২৬ জন ঘরছাড়া। এদের মধ্যে কেউ পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী, কেউ পোলিং এজেন্ট কেউবা আবার এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত। নিত্যদিন মেদিনীপুর জেলা পার্টি অফিসে বাড়ছে আশ্রিতদের সংখ্যা। ঘরছাড়াদের তালিকায় এমন মানুষও আছে যারা ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘদিন ঘরছাড়া ছিলেন, হাইকোর্টের রায়ে দীর্ঘদিন পর ঘরে ফিরেছিলেন তাঁরা। পঞ্চায়েত নির্বাচন মিটতেই ফের তৃণমূলের সন্ত্রাসের জেরে ঘর ছাড়তে হয়েছে তাঁদের।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    জেলা বিজেপির (BJP) মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, ছাপ্পা মেরে, ভোট লুট করে তৃণমূল ক্ষমতা দখল করেছে। ভোট জেতার পর থেকেই শুরু হয়েছে সন্ত্রাস। ফলে, বিজেপি কর্মীরা নিজেদের এলাকায় থাকতে পারছেন না। এই ঘরছাড়া দলীয় কর্মীদের ঘরে ফেরাতে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে গোটা বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে।

    কী বললেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এলাকায় সন্ত্রাসের অভিযোগকে কার্যত নস্যাৎ করে দিয়েছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে কোথাও কোনও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেনি। বিজেপির কোনও কর্মী ঘরছাড়া থাকলে সরাসরি আমার কাছে আবেদন করলেই হবে। আবেদন পেলে আমি নিজে গিয়ে ঘরে ফিরিয়ে দিয়ে আসব। আসলে ভোটের পর বিজেপি (BJP) এসব করে মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। বরং, এসব করে মানুষের কাছে ওদের ভাবমূর্তি খারাপ হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Anemia: কত ধরনের রক্তাল্পতা হতে পারে? মুক্তিরই বা দিশা কী?

    Anemia: কত ধরনের রক্তাল্পতা হতে পারে? মুক্তিরই বা দিশা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রক্তাল্পতার সমস্যা অনেকেরই আছে। তবে এর প্রবণতা মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। এই রক্তাল্পতা অ্যানিমিয়া (Anemia) নামে পরিচিত। এটা কোনও রোগ নয়, একে একটি সমস্যা বলা চলে। সাধারণত রক্তে লোহিত রক্ত কণিকা বা আরবিসি-র পরিমাণ কমলেই অ্যানিমিয়ার সৃষ্টি হয়। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভের তরফ থেকে করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের দেশে প্রায় অর্ধেকের বেশি মহিলা এই রক্তাল্পতার সমস্যায় ভুগছেন। আর ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন-এর তরফ থেকে জানা গিয়েছে, পৃথিবীর প্রায় দুই বিলিয়ন মানুষ এই সমস্যায় ভুগছেন।

    বিভিন্ন ধরনের রক্তাল্পতা (Anemia) এবং তার কারণগুলি কী কী?

    ১) লোহা বা আয়রনের অভাব জনিত রক্তাল্পতা: এটি অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতার একটি সাধারণ কারণ। মানব শরীরে আয়রন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান, যেটি রক্তে উপস্থিত থাকে। শরীরে এই আয়রনের ঘাটতি হলেই লোহিত রক্ত কণিকা গঠনে ব্যাঘাত ঘটে। আর অ্যানিমিয়ার সৃষ্টি হয়।  
    ২) সিকেল সেল রক্তাল্পতা: এটি এক ধরনের বংশগত রক্তাল্পতার (Anemia) সমস্যা। এই ধরনের রক্তাল্পতায় শরীরে লোহিত কণিকার উৎপাদন অস্থিমজ্জায় উপস্থিত লাল রক্ত কণিকার গঠনের থেকে বেড়ে যায়। এর ফলেও রক্তাল্পতার মতো সমস্যা সৃষ্টি হয়।
    ৩) ভিটামিন এ-র অভাব জনিত রক্তাল্পতা: মানব শরীরে ভিটামিনের অভাব ঘটলে এই ধরনের ভিটামিন জনিত রক্তাল্পতা সৃষ্টি হয়। মানব শরীরে রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য ফোলেট এবং ভিটামিন বি-12 এর দরকার। এগুলির ঘাটতি হলেই সৃষ্টি হয় অ্যানিমিয়া।
    ৪) অ্যাপ্লাস্টিক রক্তাল্পতা: এটি একটি খুব অস্বাভাবিক রক্তাল্পতার উদাহরণ। মানুষের শরীর যখন পর্যাপ্ত পরিমাণ লোহিত কণিকা উৎপাদন করতে পারে না, তখন এই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়। আবার কোনও সংক্রমণ, এইডস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, কিডনি রোগ, অটোইমিউন ডিসঅর্ডার থেকেও এই সমস্যার সৃষ্টি হয়।

    সমস্যা (Anemia) থেকে কীভাবে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে?

    প্রথমত, যাদের শরীরে লোহা বা আয়রনের ঘাটতি আছে, তাদের লোহা এবং ভিটামিন সি সম্পূরক খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। যেমন এর মধ্যে পালং শাক ও মুসুর ডাল, মটরশুঁটি, লোহা সমৃদ্ধ দানাশস্য ও বিনস, খাসির মাংস খুবই উপকারী।
    মেয়েদের ঋতুস্রাব ছাড়াও অন্যান্য কোনও কারণে যদি রক্ত ক্ষরিত হয়, তার উৎস খুঁজে সেটিকে বন্ধ করা দরকার। তার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
    যাদের ভিটামিনের অভাবে রক্তাল্পতা আছে, তাদের ভিটামিন B12 এবং ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ  খাবার খেতে হবে। 
    চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যাদের এই সমস্যা গুরুতর অবস্থায় চলে গিয়েছে, তাদের অন্য ব্যক্তি দ্বারা রক্ত গ্রহণ ও কিডনি থেকে উৎপাদিত এরিথ্রোপয়েটিন হরমোন ইঞ্জেকশন দিলে লোহিত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি পায় ও দুর্বলতা কমে। 
    সিকেল সেল রক্তাল্পতার (Anemia) ক্ষেত্রে ডাক্তাররা ফলিক অ্যাসিড সম্পূরক এবং অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাছাড়া ক্যান্সার রোগে ব্যবহৃত হাইড্রোক্সিউরিয়া নামক এক ওষুধ এই সিকেল সেল রক্তাল্পতা নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। যদিও সেটি ডাক্তারের পরামর্শ মেনেই খাওয়া উচিত।
    টক জাতীয় ফল যেমন টমেটো, স্ট্রবেরি, তাছাড়া তরমুজ এবং গোলমরিচ-এর মধ্যে ভিটামিন C এর পরিমাণ বেশি থাকে, যা হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই এগুলির খাওয়া বাড়াতে হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের সন্ত্রাসে পুরুষশূন্য গ্রাম, আক্রান্ত নির্দলদের পাশে আব্দুল করিম চৌধুরী

    TMC: তৃণমূলের সন্ত্রাসে পুরুষশূন্য গ্রাম, আক্রান্ত নির্দলদের পাশে আব্দুল করিম চৌধুরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত ইসলামপুরে। তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের সন্ত্রাসের জেরে এলাকা পুরুষশূন্য রয়েছে। আক্রান্তরা সকলেই নির্দল প্রার্থী এবং তাঁর অনুগামী হিসেবে পরিচিত। তাদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। লুটপাট চালানো হয়েছে। উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর ব্লকের আগডিমটিখুন্তি অঞ্চলের বুধাগছ, দিঘিরপাড় সহ অন্যান্য গ্রামের সন্ত্রাস বিধ্বস্ত এলাকা ঘুরে দেখলেন ইসলামপুরের বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী।

    কী বললেন আক্রান্ত নির্দল কর্মীরা?

    উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের তৃণমূল (TMC) কংগ্রেস বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর সঙ্গে জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের বিরোধ ‘ওপেন সিক্রেট’। দুজনের মধ্যে বিরোধিতা আরও বাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে। জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বিধায়ক করিম অনুগামীদের প্রার্থী করেননি বলে অভিযোগ। তার জন্য পঞ্চায়েত ভোটে করিম চৌধুরীর অনুগামীরা নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা করিম অনুগামীদের বাড়ি ভাঙচুর, মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের সন্ত্রাসের ভয়ে মহিলারা আতঙ্কিত। এদিকে বিধায়ক করিম চৌধুরী ভুজাগছ গ্রামে পার্শ্ববর্তী গ্রামে যেতে চাইলে জাকির হোসেনের অনুগামীরা বাধা দিলে বিধায়ক সেখান থেকে ফিরে আসেন।  বিধায়ক অনুগামী নির্দল কর্মী সালমা খাতুন, ফরিদা বানুদের বক্তব্য, আমরা সকলেই তৃণমূল কর্মী ছিলাম। এবার টিকিট না পাওয়ার কারণে নির্দল প্রার্থীদের সমর্থন করেছিলাম। আর তার জন্যই ভোট হওয়ার পর থেকেই লাগাতার বাড়িতে এসে তৃণমূলের লোকজন হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক?

    বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীকে বারবার বলা সত্বেও তিনি কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। এই অত্যাচার বন্ধ না হলে তিনি সরকারের কাজকর্মের বিরোধিতা চালিয়ে যাবেন। ভোটের দিন থেকেই সন্ত্রাসবাদী জাকির হোসেনের লোকেরা আমার অনুগামীদের মারধর, বাড়িঘর ভাঙচুর এবং ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এই অত্যাচার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সন্ত্রাস বিধ্বস্ত এলাকার মানুষদের সঙ্গে দেখা করবেন।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি?

    তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, যারা বাড়িঘর ছেড়ে বাইরে আছে ভোটের দিন তারা এলাকায় গুলি চালিয়ে ভোট বন্ধ করে দিয়েছিল। সেই অভিযোগে পুলিশ তাদের খুঁজছে। গ্রেফতার এড়াতেই তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। বিধায়ক না জেনে এলাকায় অশান্তি তৈরি করতেই মিথ্যা অভিযোগ করছেন। শান্ত এলাকাকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন বিধায়ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘‘পাঁচ-ছ’মাসের মধ্যে তৃণমূল সরকার পড়ে যাওয়া অসম্ভব নয়’’, মত সুকান্তর

    BJP: ‘‘পাঁচ-ছ’মাসের মধ্যে তৃণমূল সরকার পড়ে যাওয়া অসম্ভব নয়’’, মত সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ-ছ’মাসের মধ্যে তৃণমূল সরকার পড়ে যাওয়া অসম্ভব নয়, এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির (BJP) সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। প্রসঙ্গত, শনিবারই কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুরও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেছিলেন, ‘‘আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি, পাঁচ মাসের মধ্যে এই রাজ্যের সরকার পড়ে যাবে।’’ রাজ্য জুড়ে লাগামছাড়া হিংসা ছড়িয়েছে পঞ্চায়েত ভোটকে ঘিরে। প্রতিটি অভিযোগই উঠে এসেছে শাসক দলের বিপক্ষে। ভোট ঘোষণার দিন থেকে এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা ৫৭ ছাড়িয়েছে। এরই মাঝে বারবার জোরালো দাবি উঠেছে ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের। রবিবার সুকান্ত মজুমদারের সাংবাদিক সম্মেলন সেই দাবিকেই ইন্ধন দিল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    সুকান্তর সাংবাদিক সম্মেলন 

    রবিবার সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে বিজেপির (BJP) দফতরে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার। দলীয় অফিসের সামনে সংবাদ মাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, ‘‘সরকার পাঁচ মাস, ছ’মাস যখন খুশি পড়ে যেতে পারে। অসুবিধার তো কিছু নেই। সরকার কী ভাবে চলে? বিধায়কদের সমর্থনে। বিধায়কেরা হঠাৎ মনে করল, আমরা সমর্থন করব না। আমরা অন্য কাউকে সমর্থন করব। বিধায়কদের তো মনে হতেই পারে। না হওয়ার তো কিছু নেই।’’ সুকান্তর আরও সংযোজন, ‘‘আবার ধরুন, এমন গণ আন্দোলন শুরু হল, যে বিধায়কেরা বলল, ‘আমরা আজ থেকে আর বিধায়ক পদে থাকব না।’ হাত জোড় করে সবাই বিধায়ক পদ ছেড়ে দিল। এরকমও গণ আন্দোলন হতে পারে। সব সম্ভাবনাই আছে। রাজনীতিতে কোনও সম্ভাবনা অস্বীকার করা যায় না।’’

    শনিবারই একই দাবি করেন শান্তনু ঠাকুর

    শনিবারই তৃণমূলকে একহাত নেন শান্তনু ঠাকুর। শনিবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগণার গাইঘাটা ফুলশড়া পাঁচপোতায় এলাকায় হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী। পঞ্চায়েতে বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থীদের সংবর্ধনার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছিলেন তিনি। শান্তুনু নিজের বক্তব্য বলেন, ‘‘তৃণমূল ভেবে নিয়েছে এরা চিরস্থায়ী। কখনই এরা চিরস্থায়ী নয়। আগামী পাঁচ মাসের মধ্যে এদের সরকার পড়ে যাবে। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলে যাচ্ছি।’’ তাঁর সঙ্গে এদিন হাজির ছিলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি রামপদ দাস সহ বিজেপি (BJP) নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Transport: বিপর্যস্ত যাত্রী পরিবহণ! উত্তর হাওড়া থেকে কলকাতা গামী বহু বাসরুট বন্ধ

    Transport: বিপর্যস্ত যাত্রী পরিবহণ! উত্তর হাওড়া থেকে কলকাতা গামী বহু বাসরুট বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর হাওড়া থেকে কলকাতা গামী একের পর এক বাস রুট (Transport) বন্ধ হতে বসেছে। যার ফলে চরম দুর্ভোগ পড়েছেন হাওড়া শহরের বাসিন্দারা। একটা সময় উত্তর হাওড়ার সালকিয়া, বেলগাছিয়া, বালি সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে হাওড়া স্টেশন হয়ে কলকাতা যাওয়া খুবই সহজ ছিল। কিন্তু আস্তে আস্তে বিভিন্ন রুটের গাড়ির সংখ্যা ক্রমশ কমতে শুরু করে। এখন বেশ কিছু রুটে গাড়ি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ। কয়েকটি রুটে নামমাত্র গাড়ি চললেও যাত্রীদের মূলত ভরসা করতে হয় টোটো ও অটোর ওপর। যদিও বাস মালিকদের দাবি, একদিকে তেলের দাম বেড়ে যাওয়া, অন্যদিকে অটো ও টোটোর দৌরাত্ম্য বাড়তে থাকায় তাঁদের বাধ্য হয়েই বাস রুটগুলি বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

    কী বলছেন ভুক্তভোগী বাসিন্দারা?

    উত্তর হাওড়ার এক বাসিন্দা সুজিত পাল জানান, একটা সময় শ্রীরামপুর থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত এল ৩১ নামে একটি সরকারি বাস (Transport) চলত। যেটি উত্তর হাওড়ার সালকিয়া হয়ে যেত। সেই বাস বহু বছর ধরে বন্ধ। তারপর থেকে এই রুটে কোনও সরকারি বাস চলে না। একমাত্র নির্ভর ছিল বেসরকারি বাস। তার মধ্যে বেলগাছিয়া থেকে সল্টলেক রুটে ১৭ নম্বর মিনিবাস চলত। যেটি পোস্তা হয়ে যেত। উত্তর হাওড়ার বাসিন্দাদের উত্তর কলকাতা যাওয়ার একমাত্র উপায় ছিল এই বাসটি। বিগত চার বছর ধরে যে রুটটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া হাওড়ার বালুহাটি থেকে ধর্মতলা রুটে মিনি বাস চলত আধ ঘণ্টা ছাড়া। বর্তমানে সেই রুটে সারাদিনে মাত্র দুটি গাড়ি চলে। অন্যদিকে সত্যবালা থেকে দক্ষিণ কলকাতার কসবা রুটে যে মিনিবাস চলত, সেটিও প্রায় বন্ধের পথে। এখন দিনে ২ থেকে তিনটি গাড়ি চলে। রবীন্দ্র সদন হয়ে সরাসরি দক্ষিণ কলকাতা সঙ্গে যোগাযোগ ছিল এই গাড়িটির। অন্যদিকে হাওড়া থেকে ডোমজুড়, শিয়াখালা, চন্ডীতলা, জগদীশপুর সহ বিভিন্ন রুটে ১৫ মিনিট ছাড়া চলত ৫৭ এ বাস। বর্তমানে এই রুটে শুধুমাত্র কয়েকটি বাস সালকিয়া হয়ে জগদীশপুর যায়। কখনও শিয়াখালা রুটে দু-একটি বাস যায়। বর্তমানে যাত্রীদের ভরসা বলতে ভট্টনগর-ধর্মতলা মিনিবাস, জগদীশপুর-হাওড়া বাস ও সালকিয়া-ধর্মতলা মিনিবাস।

    কী সমস্যার কথা শোনালেন বাস মালিকরা (Transport)?

    উত্তর হাওড়ার সালকিয়া থেকে ধর্মতলা রুটের মিনিবাসও দিন দিন কমে যাচ্ছে। ওই রুটের এক বাস মালিক গৌতম পাইন জানিয়েছেন, ছোট ছোট রুটে যাত্রীরা আগে যাওয়ার জন্য বাসে উঠত। কিন্তু এখন তারা অটো বা টোটোতে চলে যায়। ফলে তাদের যাত্রী কমছে। তিনি বলেন, হাওড়া ব্রিজে অটো ও টোটো উঠতে দেওয়া হয় না। সেটা যদি দেওয়া হত, তাহলে এখন যে কয়েকজন যাত্রী পান সেটাও বন্ধ হয়ে যেত। এর পাশাপাশি তিনি জানান, বর্তমানে একটা নতুন বাস কিনতে দাম যেমন অনেক বেশি পড়ে, একইভাবে বাস চালানোর খরচ অনেক বেশি। সঙ্গে রয়েছে পুলিশি ঝামেলা। যখন তখন নানা কারণে কেস দেয় পুলিশ। সেই কেসের টাকা মেটাতেই লাভের গুড় পিঁপড়েয় খেয়ে নেয়। তিনি বলেন, যেহেতু আদালতের নির্দেশ রয়েছে ১৫ বছরের উপরে কোনও বাস চালানো যাবে না, এর ফলে যে সমস্ত বাসের বয়স ১৫ বছর হয়ে গেছে, সেগুলি (Transport) বসে গেলে মালিকরা আর নতুন বাস রাস্তায় নামাতে চাইছে না। এর ফলে রুটগুলি আস্তে আস্তে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তিনি জানান, সালকিয়া এবং কোনা রুটের দুটি মিনি বাস গত মাসে ১৫ বছরের কারণে বসে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে ২০২৪ সালের মধ্যে উত্তর হাওড়া থেকে ধর্মতলা গামী সমস্ত রুট বন্ধ হয়ে যাবে বলে তাঁর আশঙ্কা। তিনি বলেন, নতুন বাস কেনার ক্ষেত্রেও সরকার যদি কিছু ছাড় দেয় এবং পুলিশ যদি কেস দেওয়া বন্ধ করে ও বিভিন্ন বাসের রুট ঘুরিয়ে দেয় যাতে বাসগুলি যাত্রী পায়, তাহলে হয়তো তাঁরা নতুন করে বাস নামাতে পারবেন। না হলে তাঁদের বাস চালানো বন্ধ করে দিতে হবে।

    কী জানালেন পরিবহণ (Transport) অফিসার?

    হাওড়ার অতিরিক্ত রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট (Transport) অফিসার বিপ্লব গোস্বামী বলেন, যাতে এই বাস রুটগুলি বন্ধ হয়ে না যায়, তাই ইতিমধ্যেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। তার মধ্যে যেমন ২০২৪ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত বাস মালিকদের সময় দেওয়া হয়েছে ই ভেহিকেল বা ইলেকট্রিক বাসে রেজিস্ট্রি করার জন্য। ওই সময়ের মধ্যে তারা যদি ই ভেহিকেল বা ইলেকট্রিক বাস কেনার রেজিস্ট্রি করে, তাহলে তাদের রোড ট্যাক্স ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি যদি কোনও বাস রুটের রুট পরিবর্তন, পরিমার্জন বা সংযোজন করতে হয় তার জন্য সার্ভে করে পরিবহণ দফতরে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। এবং সেই সার্ভের কাজও তাঁরা এখন জোর কদমে চালিয়ে যাচ্ছেন। এক মাসের মধ্যেই তাঁরা রাজ্যকে সমস্ত রিপোর্ট পেশ করবেন। ইতিমধ্যেই বাস মালিকদের সঙ্গে তাঁরা এ নিয়ে কথা বলেছেন। ২০৩০ সালের মধ্যে রাজ্য সরকার সমস্ত বাসকে ইলেকট্রিক বাসে রূপান্তরিত করার যে পরিকল্পনা নিয়েছে তা যেমন বাস্তবায়িত হবে, এর পাশাপাশি পুরনো রুটগুলি আবার ফিরে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বালুরঘাট গণনা কেন্দ্র থেকে চুরি সিসিটিভি, অভিযোগ বিডিও-র,  ট্যুইট সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: বালুরঘাট গণনা কেন্দ্র থেকে চুরি সিসিটিভি, অভিযোগ বিডিও-র, ট্যুইট সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ভোটের গণনা কেন্দ্র থেকেই সিসিটিভি ও তার সঙ্গে মেমরি কার্ড চুরি হয়ে গিয়েছে। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে বালুরঘাট কলেজে। পঞ্চায়েত ভোটে গণনা হয়েছিল ১১ জুলাই। ১২ জুলাই বালুরঘাট সদরের বিডিও বালুরঘাট থানায় সিসিটিভি চুরির লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিডিওর করা এই অভিযোগকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে।

     বিজেপি রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বিডিওর অভিযোগ নিয়ে ট্যুইট করেছেন

    ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ভোটের গণনা কেন্দ্র করা হয়েছিল বালুরঘাট কলেজ। সেই গণনা কেন্দ্রের কেবি-৫ রুম থেকে চুরি গিয়েছে সিসিটিভি এবং তার মেমরি কার্ড। এমন অভিযোগ গত ১২ তারিখে বালুরঘাট থানায় দায়ের করেছেন বালুরঘাটের বিডিও অনুজ শিকদার। বিডিওর করা অভিযোগ সামনে আসতেই সরব বিজেপি। ইতিমধ্যে এনিয়ে রবিবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার টুইট করেছেন। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট হিলির জেডপি ১৩ মণ্ডলে কারচুপি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। যদিও এনিয়ে বালুরঘাট ব্লকের বিডিও সহ জেলা পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা কেউ সংবাদ মাধ্যমের ফোন ধরেননি। প্রসঙ্গত, গণনার দিন বিকেলে গণনায় কারচুপি হয়েছে, এই অভিযোগ করে জেলাশাসকের দফতরের সামনে ধর্নায় বসেন  সুকান্তবাবু। পরে রাত বারোটা থেকে ভোর সাড়ে চারটা পর্যন্ত গণনা কেন্দ্রের সামনেই দাঁড়িয়ে থাকেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর অভিযোগ ছিল গণনা কেন্দ্রে ব্যাপক কারচুপি করা হচ্ছে এবং সেটা প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই। এই ঘটনার পর সিসিটিভি চুরি যাওয়ার যে তথ্য সামনে এসেছে তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) ?

    এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বিডিও নিজেই অভিযোগ করেছে যে গণনা কেন্দ্র থেকে সিসিটিভি ও মেমরি কার্ড চুরি হয়ে গিয়েছে। ভয়টা এই কারণেই ওই সিসিটিভিতে সে ভিডিওগুলো আছে সেটা বেরোলে ধরা পরে যাবে, তৃণমূল গণনার নামে লুট করেছে। আমি বাধ্য হয়েছিলাম রাত ২ টার সময় গণনা কেন্দ্রর ২০০ মিটার দূরে গিয়ে দাঁড়াতে। লুট চলছে কতক্ষণ দেখা সম্ভব। আমরা বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাব এবং আদালত সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইতে পারে। তাই আগেভাগেই সেগুলিকে হারিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    অন্যদিকে জেলা তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিরোধীদের করা অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তৃণমূলের জেলার সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনও ভাবেই জড়িত নয়। ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share