Tag: Madhyom

Madhyom

  • TMC: রাজনীতি না করেই তৃণমূল কংগ্রেসের কমিটিতে! প্রকাশ্যে তোপ দলের প্রাক্তন মন্ত্রীর

    TMC: রাজনীতি না করেই তৃণমূল কংগ্রেসের কমিটিতে! প্রকাশ্যে তোপ দলের প্রাক্তন মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসছে, তৃণমূল (TMC) দলের অন্তর্কলহ ততই প্রকাশ্যে চলে আসছে। দলের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকেই তুলে ধরছে নানা ঘটনা। এবার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আসল চেহারাটা বেরিয়ে এল মালদায়। উত্তর দিনাজপুরের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা করিম চৌধুরীর পর জেলা কমিটি নিয়ে বেসুরো গাইলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী। 

    দল নিয়ে কী বললেন প্রাক্তন মন্ত্রী?

    তাঁর সোজাসাপটা তোপ, রাজনীতি করেননি, এমন ব্যক্তিই স্থান পেয়েছেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) কমিটিতে। এই একটিমাত্র লাইন বলে তিনি থেমে থাকেননি। একের পর এক বোমা ফাটিয়েছেন। তুনি বলেছেন, যাঁরা বিগত দিনে দলের মিছিলে হাঁটেননি, স্লোগান দেননি, পাড়ায় পাঁচটি ছেলে নেই, বুথ নির্বাচনে হেরে যান, তাঁরাই দলের দায়িত্বে। কলকাতার নেতারা পর্যালোচনা না করেই জেলা কমিটি তৈরি করেছেন। তাঁর পাল্টাও অভিযোগ, যাঁদের কমিটিতে রাখা হয়েছে, তাঁরা দলের বিরোধিতা করে এসেছেন। পঞ্চায়েত, লোকসভা, বিধানসভা সর্বত্র। নিজের বুথে হেরেছেন। এঁদের যদি দলে নিয়ে আসা হয়, তাহলে পার্টির ভবিষ্যৎ কী? ফলে দলের কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কৃষ্ণেন্দুবাবুর এমন মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।

    কী বলছেন জেলার তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব?

    জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সভাপতি আব্দুল রহিম বক্সি বিষয়টিকে আমল দিতে নারাজ। তিনি বলেন, কিছু ব্যক্তি আছে, যারা দলের বিরোধিতা করে। সমাজে এই ধরনের মানুষ ঘুরে বেড়ায়। যদি বিরোধী কথা বলতে না পারে, তাহলে রাতে ঘুম হয় না। তাঁর দাবি, বুথ থেকে জেলাস্তর পর্যন্ত সমস্ত নেতৃত্ব এই কমিটি দেখে খুশি হয়েছেন। কারণ সবার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই এই কমিটি গঠিত হয়েছে। এই ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন। আর যাঁরা বলছেন সংখ্যালঘুদের সম্মান দেওয়া হয় না, তাঁরাও ঠিক কথা বলছেন না। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের প্রতিনিধিত্বই রয়েছে কমিটিতে। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, যাঁরা এসব কথা বলছেন, তাঁরা তলায় তলায় বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। মালদা জেলায় আমরা সবাই জোটবদ্ধ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমরা এই জেলায় একসঙ্গে কাজ করছি। 

    তৃণমূল কংগ্রেসের কোন্দল দীর্ঘদিনের, তোপ বিজেপির

    বিষয়টি নিয়ে দক্ষিণ মালদার বিজেপি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অম্লান ভাদুড়ি কটাক্ষ করে বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) কোন্দল দীর্ঘদিনের। আজ যাঁরা দলের দারিত্ব পেয়েছেন, তাঁরা নিজেদের আত্মীয়স্বজনকে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কমিটিতে নিয়েছেন। তাই ক্ষোভ বাড়ছে। মালদা জেলায় তৃণমূল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে দীর্ণ হয়ে আছে। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন হওয়ায় তা স্বাভাবিক কারণে বড় আকার নিচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: হাসপাতালে শিশু চুরিকাণ্ডে চাপ বাড়াচ্ছে বিজেপি, রাত পর্যন্ত সুপারকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ

    BJP: হাসপাতালে শিশু চুরিকাণ্ডে চাপ বাড়াচ্ছে বিজেপি, রাত পর্যন্ত সুপারকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ডের ভিতরে মায়ের কোল থেকে এক সদ্যোজাতকে চুরি করার অভিযোগ ওঠে এক মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও এখনও নিখোঁজ হওয়া শিশুর খোঁজ মেলেনি। যা নিয়ে হাসপাতাল তথা শিলিগুড়ি শহর জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির অভিযোগে আন্দোলন শুরু করে বিজেপি (BJP)। বৃস্পতিবার রাত পর্যন্ত নিখোঁজ শিশু উদ্ধার এবং শিশুচোরকে  গ্রেফতারের দাবিতে বিজেপির স্থানীয় যুব মোর্চার নেতারা ওই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। এই বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির (BJP)  শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি,  মাটিগাড়া -নকশালবাড়ি বিধায়ক আনন্দময় বর্মন।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    হাসপাতাল থেকে শিশু চুরির ঘটনা নিয়ে সরব হন বিজেপি (BJP) বিধায়ক আনন্দময় বর্মন। তিনি বলেন, এই শিশু চুরির ঘটনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তথা রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত গাফিলতির জন্যই হয়েছে। সবেতেই কাটমানির রমরমা। কোটি কোটি টাকা খরচা দেখিয়ে  বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তা কর্মীদের চুক্তির ভিত্তিতে হাসপাতালগুলিতে  নিয়োগ করা হচ্ছে।  হাসপাতালের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজও চলছে এধরনের চুক্তির কর্মী দিয়ে। এই কর্মী নিয়োগের জন্য যে পরিমাণ  টাকা খরচ দেখানো হয়, সেই অনুপাতে কর্মী নেওয়া হয় না। খরচের তুলনায় কম কর্মী দিয়ে কাজ করানো হয়। একারণেই উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিরাপত্তায় ফাঁকফোকর রয়েছে। সেই সুযোগেই প্রসূতি ওয়ার্ড থেকে শিশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। প্রসূতি ওয়ার্ডে যেভাবে বহিরাগতরা অবাধে ঘোরাফেরা করে তাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও নজর নেই। প্রসূতি বিভাগের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কোনও সিসিটিভির ব্যবস্থা নেই। এ নিয়ে বারবার রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠকে বলা হয়েছে। কোনও লাভ হয়নি। এই শিশুচুরির ঘটনায় হাসপাতাল সুপারের পদত্যাগ দাবি করছি।

    কী বললেন বিজেপি-র (BJP)  সর্বভারতীয় সহ সভাপতি?

    শুক্রবার দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে দিলীপ ঘোষ শিলিগুড়ি যান। সেখানে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু চুরির ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি-র (BJP)  সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, এ রাজ্যে কয়লা চুরি, রেশন চুরি, গরুচুরি, চাকরি চুরির তালিকায় এবার শিশু চুরির ঘটনাও যুক্ত হল। এটা প্রত্যাশিত। কেননা রাজ্যের তৃণমূল সরকার চুরির উপর টিকে রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: নির্বিচারে গাছ কাটা ও অপরিকল্পিত সৌন্দর্যায়নই বাড়াচ্ছে তাপমাত্রা! মত পরিবেশবিদদের

    Heat Wave: নির্বিচারে গাছ কাটা ও অপরিকল্পিত সৌন্দর্যায়নই বাড়াচ্ছে তাপমাত্রা! মত পরিবেশবিদদের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়ছে। গর্জন শোনা যাচ্ছে স্পষ্ট। সাদা ফেনা আছড়ে পড়ার মাঝে দাঁড়িয়ে আছে সারি দেওয়া ঝাউগাছ! সবুজের মাঝে সেই সীমাহীন সমুদ্র দেখাই ছিল দীঘার অন্যতম আকর্ষণ! যদিও সে আকর্ষণ এখন অতীত। কারণ, অধিকাংশ ঝাউবন কেটে ফেলেছে রাজ্য সরকার। তার জায়গায় হয়েছে সৌন্দর্যায়ন! গাছ কেটে বসানো হয়েছে পাথরের মূর্তি, পাথরের ফুটবল! সবুজ গাছের জায়গা নিয়েছে সিন্থেটিক ঘাস! 

    গাছ কাটা নির্বিচারে হয়েছে রবি ঠাকুরের শান্তিনিকেতনেও! শান্তিনিকেতন চত্বরের পাশাপাশি গোয়ালপাড়া, তপোবনেও বড় গাছ কেটে বসেছে ‘আই লাভ শান্তিনিকেতন’ ফলক! 
    বাদ যায়নি কলকাতাও! যাদবপুর-গল্ফ গ্রিন থেকে শোভাবাজার কিংবা হাওড়া, সর্বত্র পাথরের নানা মূর্তি আর বাগান সাজানোর জন্য গত কয়েক বছরে নির্বিচারে কাটা হয়েছে গাছ! আর বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এতেই বাড়ছে বিপদ (Heat Wave)! 

    রাজ্যে গাছ লাগানোর কোনও উদ্যোগই নেই

    গত কয়েক বছরে রাজ্যে তাপমাত্রার পারদ বেড়েছে। কিন্তু সরকারের তরফে গাছ লাগানোর কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং গাছ কাটা হয়েছে একাধিক জায়গায়! দিল্লি, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরুর মতো শহরের থেকেও এ বছরে কলকাতার তাপমাত্র বেশি। তার কারণ হিসাবে বনস্পতি নিধন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, যে কোনও বড় শহরে বর্তমানে উন্নয়ন পরিকল্পনায় গাছ লাগানো, বিশেষত বড় গাছ লাগানো আবশ্যক হয়ে উঠছে। সেই পথে হেঁটেছে দিল্লি, বেঙ্গালুরুর মতো শহর। গত দশ বছরের প্রচেষ্টার ফল তারা এখন পাচ্ছে। কিন্তু গত দশ বছরে শুধুমাত্র কলকাতা শহরে যে পরিমাণ গাছ কাটা হয়েছে, তার এক শতাংশও লাগানো হয়নি। এ নিয়ে সরকারের বিশেষ উদ্যোগও নেই। 

    বাঙ্গুর, লেকটাউন থেকে শোভাবাজার, গিরিশ পার্ক অথবা যাদবপুর, গল্ফ গ্রিনের মতো কলকাতার যেসব এলাকায় তুলনামূলকভাবে বেশি গাছ ছিল, সেখানে অধিকাংশ জায়গায় এখন নানারকম মূর্তি, ফোয়ারা লাগিয়ে সাজানো হচ্ছে! ফলে পরিস্থিতি (Heat Wave) আরও ভয়ানক হচ্ছে! পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, বড় গাছ শুধু ছায়ার আরাম দেয় না, বড় গাছ সূর্যের তেজকেও সরাসরি আসা থেকে আটকায়। ফলে সামগ্রিক তাপমাত্রা কম থাকে। সকাল থেকে যেভাবে রোদের তাপে (Heat Wave) মানুষ পুড়েছে, তা একমাত্র বড় গাছ আটকাতে পারে। রাস্তার পাশে গাছ লাগানোর তেমন কোনও উদ্যোগ গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকার নেয়নি। এমনকী বেশ কিছু জায়গায় নির্বিচারে গাছ কাটা হলেও সরকার কোনও পদক্ষেপ করেনি। বন দফতরকে জানিয়েও বিশেষ ফল পাওয়া যায়নি। 

    সবটাই সরকারের অপরিকল্পিত নীতির ফল?

    গত কয়েক বছর ধরেই বৃষ্টির ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। আবার কিছু জায়গায় অতি বৃষ্টিতে বন্যা হচ্ছে। সবটাই হচ্ছে সরকারের অপরিকল্পিত নীতির জন্য, এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। 
    বড় গাছের বিকল্প কখনই বাগান করা, বিশেষত সিন্থেটিক ঘাসের বাগান হতে পারে না বলেই স্পষ্ট মত বিশেষজ্ঞদের। রাজনৈতিক মহল অবশ্য মনে করছে, শহর থেকে জেলা- যত্রতত্র এই সৌন্দর্যায়নের পিছনেও রয়েছে দুর্নীতির আঁচ। এই সৌন্দর্যায়নের নামে যে মূর্তি কিংবা ফোয়ারা তৈরি হয়, কারা সেগুলো তৈরি করছেন, নিয়ম মাফিক টেন্ডারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সংস্থা কাজ পাচ্ছে কি না, সে নিয়েও প্রশ্ন তুলছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ! 

    বিশেষজ্ঞদের সতর্কবাণী, নির্বিচারে গাছ কাটা এবং গাছ না লাগিয়ে শহরের উন্নয়নের নামে যা হচ্ছে, তার ফল ভুগতে হবে পরবর্তী প্রজন্মকে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gold Shop: সোনার দোকানের ভিতরে থাকা ডাকাত ধরতে পুলিশের মাইকিং, জেলা জুড়ে শোরগোল

    Gold Shop: সোনার দোকানের ভিতরে থাকা ডাকাত ধরতে পুলিশের মাইকিং, জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনার দোকানের (Gold Shop) সামনেই চলছে  পুলিশি মাইকিং। আর দোকানের ভিতরে রয়েছে একদল ডাকাত। পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে আগ্নেয়াস্ত্র বাইরে ফেলে আত্মসমর্পণ করার কথা বলা হচ্ছে। পুলিশের সঙ্গে রয়েছেন কয়েকশো মানুষ। বৃহস্পতিবার রাতে এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকলেন রামপুরহাটের নিউটাউন এলাকার মানুষ। দেখে মনে হবে সিনেমার কোনও শুটিং চলছে। কিন্তু, বাস্তবে একদল ডাকাতকে হাতনাতে ধরতে পুলিশ এভাবে দোকানের বাইরে মাইকিং করার দৃশ্য এই এলাকার মানুষ আগে কখনও দেখেননি। অন্যদিকে,  ডাকাতির ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করে রামপুরহাট থানার পুলিশ। ঘটনায় দুটি মোটরসাইকেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে একটি নাইন এমএম আগ্নেয়াস্ত্র, পাঁচটি গুলি ও বেশ কিছু সোনার ও রুপোর গহনা উদ্ধার করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    এদিন সন্ধে প্রায় সাড়ে আটটা নাগাদ ডাকাতের দল ওই সোনার দোকানে (Gold Shop) ঢোকে। ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে রামপুরহাটের নিউটাউনের কাছে অবস্থিত ওই সোনার দোকানে (Gold Shop) হানা দেয় চার–পাঁচ জনের একটি ডাকাত দল। সেই সময় দোকান মালিকের তৎপরতায় এলাকার বাসিন্দারা ঘটনস্থলে পৌঁছে যায়। কিন্তু, ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা  সোনার দোকানের ভিতরে ঢুকে গিয়ে দোকান ভিতর থেকে বন্ধ করে দিয়েছিল। এরপর এলাকাবাসীরা দোকানের সামনে পৌঁছে দোকানটিকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলেন এবং খবর দেওয়া হয় পুলিশে। টানটান উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয় রামপুরহাটের ওই সোনার দোকান চত্বরে। খবর পেয়ে পুলিশের নাগাড়ে মাইকিংয়ের পরেও দোকান থেকে দুষ্কৃতীরা বের হয়নি। পরে,  ড্রোন ক্যামেরা দিয়ে ডাকাত দলের গতিবিধি বোঝার চেষ্টা করে পুলিশ। পুলিশ দোকান এবং বাড়ির ভিতরে ঢোকার প্রস্তুতি নেয়। ডাকাত দলের উদ্দেশে ‘লাস্ট ওয়ার্নিং’ দেওয়া হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। তারপর সবকিছু চুপচাপ হয়ে যায়। দোকানের (Gold Shop)  মালিক বেরিয়ে এসে জানান, দুষ্কৃতীরা পালিয়ে গিয়েছে।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    রামপুরহাটের বুকে এই ধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। পুলিশ অনেক চেষ্টা করেছে। তাতে সন্দেহ নেই। তবে, এত চেষ্টা করার পরও যদি দুষ্কৃতীদের ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা সম্ভব হত, তাহলে আরও ভাল লাগত। আমাদের দাবি, অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে হবে।

    এই ঘটনা নিয়ে কী বললেন জেলা পুলিশের এক আধিকারিক?

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, একটি বাড়ির নীচেরতলায় সোনার দোকানটি (Gold Shop) রয়েছে। আর দোকানের পিছনে ফাঁকা মাঠ। দুষ্কৃতীরা কোনওভাবে দোকানের পিছনের দরজা দিয়ে বের হয়। পরে, তারা আম গাছে উঠে পাঁচিল টপকে ফাঁক মাঠ দিয়ে পালিয়ে যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Police: ব্যক্তিগত কারণেই দণ্ডি কেটেছেন আদিবাসী মহিলারা, পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে ফের তরজা

    West Bengal Police: ব্যক্তিগত কারণেই দণ্ডি কেটেছেন আদিবাসী মহিলারা, পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে ফের তরজা

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ড নিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশের (West Bengal Police) পাঠানো ১৩ এপ্রিলের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় এসটি কমিশনকে জেলার পুলিশ সুপার চিঠি দিয়ে দণ্ডিকাণ্ডে তদন্তের বিষয়টি জানান। চিঠিতে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দণ্ডিকাণ্ডে তদন্তকারী অফিসার তপনের ওই গ্রামে গিয়ে নির্যাতিতা মহিলাদের মধ্যে দুজনের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা ব্যক্তিগত কারণে এই দণ্ডি কেটেছেন বলে পুলিশকে (West Bengal Police) জানিয়েছেন। কারও বিরুদ্ধে তাঁদের কোনও অভিযোগ নেই বলেও তাঁরা পুলিশকে জানিয়েছেন। চিঠিতে পুলিশের পক্ষ থেকে এসবই দাবি করা হয়েছে। যদিও পরে একজন থানায় এই ঘটনা নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন। সেই ঘটনা নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। মূলত বালুরঘাটের তিন আদিবাসী মহিলাকে দণ্ডি কাটানোর অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। কিন্তু, পুলিশ প্রথম থেকেই প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর নাম সামনে আনতে চায়নি বলে বিরোধীদের অভিযোগ। পরিবর্তে  এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ (West Bengal Police)। এবং পরবর্তী সময়ে তাঁরা জামিনে মুক্তি পান। আর তারপর ১৩ এপ্রিল পুলিশ যে রিপোর্ট এসটি কমিশনের কাছে পাঠিয়েছে তাতে আবারও মূল অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    পুলিশি (West Bengal Police)  রিপোর্ট নিয়ে কী বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি?

    দণ্ডিকাণ্ডে দুজনকে গ্রেফতারির ঘটনায় খুশি নয় বিজেপি। এর আগেও অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে গ্রেফতাদের দাবিতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বালুরঘাটসহ সব থানায় বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি। এমনকী, জাতীয় এসটি কমিশনকে চিঠি দিয়ে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি করেছিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পুলিশি রিপোর্ট প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, পুলিশের (West Bengal Police) রিপোর্ট দেখে হাসি পাচ্ছে। আসলে রিপোর্টে বলা হচ্ছে, কেউ দোষী নয়। ওরা নিজেদের ব্যক্তিগত কারণে দণ্ডি কেটেছে। তাহলে দুজনকে পুলিশ (West Bengal Police)  গ্রেফতার করল কেন? আসলে এই পুলিশ (West Bengal Police)  পুরোপুরি দলদাসে  পরিণত হয়েছে। দণ্ডিকাণ্ডের ঘটনাটি  কেন্দ্রীয় সংস্থা জেলায় এসে তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, কেন্দ্রীয় এসটি কমিশন কী রিপোর্ট চেয়েছে জানি না। পুলিশ (West Bengal Police)  কী রিপোর্ট দিয়েছে তা জানি না। তাই এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য আমরা করব না। পুলিশ (West Bengal Police) সক্রিয়তার সঙ্গে তদন্ত করছে। আমরা চাইব, এই ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের পদ বিক্রি! নাম জড়াল বিধায়ক সোহমের আপ্ত সহায়কের

    TMC: টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের পদ বিক্রি! নাম জড়াল বিধায়ক সোহমের আপ্ত সহায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই তৃণমূল (TMC) বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে পূর্ব মেদিনীপুরে চণ্ডিপুর বিধানসভার ভগবানপুর-১ ব্লকে ঘটা করে ব্লক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এবার সেই কমিটি গঠনকে অবৈধ বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ওই কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠন করার কথা বলা হয়েছে। প্রকাশ্যে সাংবাদিক সম্মেলন করেই তৃণমূলের (TMC) একটি গোষ্ঠী এই অভিযোগ তুলেছেন। যা নিয়ে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ব্লক কমিটি নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের (TMC)  বিক্ষুব্ধ নেতারা?

    পঞ্চায়েতে টিকিট দেওয়া, ব্লক কমিটিতে জায়গা করে দেওয়া, চাকরি দেওয়াসহ একাধিক কারণে বহু টাকা তোলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল (TMC) বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর আপ্তসহায়ক সৌম্যজিৎ সেনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবারই ভগবানপুর-১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি ঘোষণা করেন তৃণমূল বিধায়ক সোহম। সেই তালিকা  নিয়ে ক্ষোভ জানাতে গিয়ে বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করলেন ভগবানপুরের কিছু তৃণমূল (TMC) নেতা। তৃণমূলের ব্লক কমিটি সম্পাদক অসিত কুমার মণ্ডল বলেন, আমি নতুন ব্লক কমিটিতে রয়েছি। তারপরও বলছি, সাংবিধানিক নিয়ম না মেনেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুরো কমিটিই অবৈধ। আর পঞ্চায়েতে যোগ্য কর্মীরা কমিটি থেকে বাদ গিয়েছেন। তাঁদের বাদ দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন করা সম্ভব নয়। নির্বাচনে ভাল ফল করবে না দল। তাই, আমরা কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানাচ্ছি। আর এই বিষয়ে জেলা কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অন্য এক তৃণমূল (TMC) কর্মী ইকবাল হোসেন, বিধায়কের আপ্ত সহায়ক সৌম্যজিত্ সেন এই এলাকায় চাকরি দেওয়ার নাম করে বহু টাকা তুলেছেন। পাশাপাশি ব্লক কমিটিতে পদ দেওয়ার নাম করে অনেকের কাছে টাকা তুলেছেন তিনি। আমাদের কাছে তথ্য প্রমাণও রয়েছে। জানা গিয়েছে, এর আগে চাকরির নামে টাকা তোলাসহ একাধিক অভিযোগে সোহম চক্রবর্তীর পূর্বতন আপ্তসহায়ক সজল মুখোপাধ্যায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। নতুন আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে ফের আর্থিক কেলেঙ্কারি ওঠায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি?

    ভগবানপুর-১ ব্লক তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের সভাপতি রবীনচন্দ্র মণ্ডল বলেন, নিয়ম মেনে সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই নতুন কমিটি তৈরি হয়েছে। জেলা সভাপতির অনুমতি নিয়েই নতুন কমিটি ঘোষণা করেছেন বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী। আর, বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর আপ্তসহায়কের নামে যে সব অভিযোগ করছেন তা পুরোপুরি মিথ্যা।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি স্বপন রায় বলেন, সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের ভরাডুবি হবে। তা বুঝে গেছেন তৃণমূল নেতারা। বহু তৃণমূল নেতা তলায় তলায় বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগও রাখছেন। ভগবানপুর কেন, পুরো রাজ্যে বিজেপি ভালো ফল করবে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: শ্রমিক সংগঠনের সভার আগেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ভাঙচুর নেতার গাড়ি, জখম চালক

    TMC: শ্রমিক সংগঠনের সভার আগেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ভাঙচুর নেতার গাড়ি, জখম চালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের (ডিএসপি) তৃণমূলের (TMC) ঠিকা শ্রমিক সংগঠনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তাল হয়ে উঠল এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে বেশ কয়েকজন ঠিকা শ্রমিক কারখানার গেটে কাজে যোগদান করতে গেলে তাঁদের উপরে ইটবৃষ্টি করে তৃণমূলেরই একাংশ, এমনই অভিযোগ। এই ঘটনায় মাথা ফেটে যায় শেখ সামসুদ্দিন নামক এক ঠিকা শ্রমিকের। তাঁকে তড়িঘড়ি ডিএসপি মেন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর অভিযোগ, এদিন যখন তাঁরা কাজে যোগদান করতে যাচ্ছিলেন, সেই সময় শেখ গোলাম রসুলের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তাঁদের উপর হামলা চালায়। সূত্রের খবর, এই গোলাম রসুল তৃণমূল করেন। দিনকয়েক আগে জেলার নেতৃত্ব ডিএসপির সাত শ্রমিক নেতাকে বহিষ্কার করে। এই ঘটনা তারই জের বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিন পশ্চিম বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসি-র ডাকে বিশাল শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা দুপুর সাড়ে তিনটের সময় দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের মেন গেট এলাকায়। সমাবেশের প্রধান বক্তা আইএনটিটিইউসির রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই এদিন সকালে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে আহত হন তৃণমূল নেতা।

    আক্রান্ত এক নেতা কী বলছেন?

    আজ আমি গাড়ি করে যখন প্ল্যান্টে ঢুকছিলাম, তখন বহিরাগত ২৫-৩০ জন আমাদের উপর হামলা চালায়। এদের মধ্যে কর্মীও ছিল, ছিল গোলাম রসুলও। গাড়ি ঘুরিয়ে যখন চলে যেতে উদ্যোগী হই, তখন পিছন থেকে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। আমার গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। চালকের মাথায় আঘাত লাগে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় চিকিৎসার জন্য। গাড়িচালক হামলাকারীদের সবাইকে চেনে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেই সবার নাম জানা যাবে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, গেটে ঢোকার সময় আমাদের কর্মীদের সঙ্গে কারও কোনও বচসা হয়নি। তাঁর দাবি, দলের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি তৃণমূল করেন। ২০০৪ সালের পর থেকে আইএনটিটিইউসির (TMC) সদস্য। তারপরেও এই ধরনের হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    কী জবাব দিলেন অভিযুক্ত?

    যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই গোলাম রসুল বলেন, আমি তো এসব কিছুই জানি না। এখানে ছেলেরা সব ঝান্ডা বাঁধছিল। আমিও ছিলাম। এখানে আজ একটা (TMC) প্রোগ্রাম আছে। ওরা এটা নিয়ে একটা নোংরা রাজনীতি করছে। আমার নামে যে ওরা অভিযোগ করেছে, আমি তা এখনও শুনিনি। এমনকি কাকে মারধর করা হয়েছে, সে খবরও আমরা জানি না। সাংবাদিকদের মুখ থেকেই যা শোনার শুনছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Weather update: ধীরে ধীরে “হিট এজ”-এর দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Weather update: ধীরে ধীরে “হিট এজ”-এর দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা এপ্রিল জুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে (Weather update) জ্বলছে বাংলা। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এবছর গরমের প্রকৃতি একটু আলাদাই। গরমের দাপটে নাজেহাল মানুষ এবং পশুপাখিরাও। এপ্রিল মাসেই যে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি ছাড়াবে, তা কেউ ধারণাও করতে পারেননি।

    হাত-পা-শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে, ফাটছে ঠোঁট! 

    অন্যান্যবার গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি উঠলেও সেটা এবার এপ্রিলের শুরুতেই হওয়ায় মানুষ একে অস্বাভাবিক বলেই মনে করছেন। শুধু তাই নয়, এই গরমেও মানুষের হাত-পা-শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে, এমনকি ঠোঁটও ফাটছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই গরম (Weather update) নিয়ে সবার কপালে চিন্তার ভাঁজ। এমনকী অনেক জায়গায় গরমের জন্য মিনি টর্নেডোও দেখা গেছে। গত ১৬ এপ্রিল হলদিয়াতে এমনই একটি টর্নেডো দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও স্থানে প্রবল উত্তাপের কারণে উষ্ণ বাতাস হালকা হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়। তখন ওই শূন্য জায়গা পূরণের জন্য চারদিকের শীতল বাতাস দ্রুত বেগে সেই এলাকায় ধাবিত হয়। তখনই টর্নেডো বা ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়।

     এবছর এত গরমের কারণ কী? কী বলছে গবেষণা?
     
    গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এর কারণ একটাই “গ্লোবাল ওয়ার্মিং”। তাঁরা জানিয়েছেন, গত ১৫০ বছরে পৃথিবীর তাপমাত্রা (Weather update) গড়ে ০.৮৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বেড়েছে, যা অস্বাভাবিক। ধীরে ধীরে “হিট এজ”-এর দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী। যেমন ছিল “আইস এজ”। ২.৪ বিলিয়ন বছর আগে শুরু হয়েছিল এবং যা ১৫০০ বছর স্থায়ী ছিল। পৃথিবীর মহাদেশগুলির পারস্পরিক অবস্থান, সূর্যের তুলনায় পৃথিবীর কক্ষপথ ও পৃথিবীর অক্ষরেখার দিক পরিবর্তন ইত্যাদি বিভিন্ন জিনিস এই আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য দায়ী। গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণেই ধীরে ধীরে সেই উষ্ণ যুগের দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী, বাড়ছে দূষণ। ওজোন স্তরের ছিদ্র বাড়ছে। ফলে অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে এসে পড়ছে। বাড়ছে সমু্দ্রের জলস্তর। উপকূলবর্তী এলাকাগুলি সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে।

    শুধুই কি প্রাকৃতিক কারণ? না মানুষও দায়ী?

    না, শুধু প্রাকৃতিক কারণ নয়। মানুষের সৃষ্ট কারণের ফলেও এই গরম (Weather update) বাড়ছে, এমনটাই বেরিয়ে এসেছে বিভিন্ন গবেষণায়। শহরজুড়ে বড় বড় কংক্রিটের বিল্ডিং, অরণ্য ছেদন, বহুল পরিমাণে এসি-র ব্যবহার, আর বাড়ছে গরম হাওয়া যা “হিট আইল্যান্ড”-এর সৃষ্টি করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “অ্যানথ্রোপোজেনিক হাইড্রোকার্বনের পরিমাণ শহরাঞ্চলে অনেক বেশি। কারখানা ও গাড়ি থেকে নির্গত দূষণের ফলে এই অ্যানথ্রোপোজেনিক হাইড্রোকার্বন নিঃসৃত হয়। শহরের ‘হিট আইল্যান্ড’-এ জলীয় বাষ্পের সঙ্গে অ্যানথ্রোপোজেনিক হাইড্রোকার্বনের সংযোগের ফলে বৃষ্টি হলেও মফস্বলে তাও হচ্ছে না। তাই কমেছে বৃষ্টি। বাড়ছে অস্বস্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SIT: রাজু ঝা খুনের ঘটনায় দুর্গাপুরের এক ব্যবসায়ীর অফিস সিল করল সিট, কেন?

    SIT: রাজু ঝা খুনের ঘটনায় দুর্গাপুরের এক ব্যবসায়ীর অফিস সিল করল সিট, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবসায়ী রাজু ঝা খুনের ১৮ দিনের মাথায় অভিজিত্ মণ্ডল নামে এক যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করে। এবার এই খুনের পিছনে আর কারা রয়েছে, তা নিয়ে চর্চা চলছে সর্বত্র। অভিজিত্ গ্রেফতার হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই খুনের ঘটনার তদন্তে গঠিত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিটের (SIT) সদস্যরা পৌঁছে গেলেন দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের অন্য এক ব্যবসায়ী নারায়ণ খারকার অফিসে। তাকে দেখা করার জন্য নোটিশও দেওয়া হয়েছে। যদিও ওই ব্যবসায়ীর আইনজীবী নোটিশ পাওয়ার কথা স্বীকার করেননি।

    নারায়ণ খারকার অফিসে হানা দিয়ে কী করল সিট (SIT)?

    মঙ্গলবার রাতে দুর্গাপুরের অম্বুজা কলোনিতে হানা দেয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের সিট (SIT)। একদম ভরা বাজার থেকে অভিজিৎকে পাকড়াও করে পুলিশ। একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, সেই সময় নারায়ণ অম্বুজা কলোনিতে তাঁর অফিসেই ছিলেন। অভিজিৎকে পুলিশ ধরার সঙ্গে সঙ্গেই খবর পৌঁছে গিয়েছিল অফিসে। স্করপিও গাড়িতে করে চম্পট দেন ‘কয়লা মাফিয়া’ নারায়ণ। যদিও অন্য একটি সূত্রের দাবি, কয়েকদিন ধরেই নারায়ণ এলাকাতে নেই। বুধবার রাত ৮টা নাগাদ সিটের আধিকারিকরা ফের দুর্গাপুরের অম্বুজা কলোনিতে নারায়ণের অফিসে হানা দেন। সঙ্গে ১০টি গাড়িতে ছিল পুলিশ। নারায়ণের অফিস পুলিশে ছয়লাপ হয়ে যায়। অফিসে তল্লাশির জন্য ধৃত অভিজিত্ মণ্ডলকেও সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন সিটের (SIT) আধিকারিকরা। কিন্তু, অফিসে কারও দেখা মেলেনি। এরপরই অফিস সিল করে দেওয়া হয়।

    কে এই নারায়ণ খারকা?

    একসময় রাজু ঝায়ের সঙ্গে কয়লার কারবারে যুক্ত ছিলেন নারায়ণ। একসঙ্গে তাঁরা ব্যবসা করতেন। রাজ্যে পালাবদল হওয়ার পরই নারায়ণের প্রভাব বাড়তে শুরু করে। জেলে যেতে হয় রাজুকে। বহুদিনের জুটি ভেঙে যায়। কারবারের দ্বন্দ্ব চরম শত্রুতার পর্যায়ে চলে যায়। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল-দুর্গাপুর খনি অঞ্চলে ইসিএলের কয়লা পরিবহণের ‘ডিস্ট্রিবিউশন অর্ডার’ পাওয়া সংস্থার উপর তোলা আদায় করার কারবার শুরু করেছিল রাজু। প্রতি টন কয়লার জন্য ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা ডান্ডা ট্যাক্স চালু করেছিল সে। এই নিয়ে নারায়ণের সঙ্গে শত্রুতা বাড়তে থাকে রাজুর। ইসিএলের কয়লা নিলাম হলে কোনও সংস্থা তা কিনত। সেখানেও থাবা বসিয়েছিল রাজু। তার জেরেও অনেকেরই সঙ্গে শত্রুতা বাড়ছিল রাজুবাহিনীর। নারায়ণের সঙ্গে রাজু-র দুরত্ব অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। ধৃত অভিজিত্ মণ্ডল নারায়ণের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাই, অভিজিত্ গ্রেফতার হওয়ার অর্থ নারায়ণকে বার্তা দেওয়া। বুধবার রাতে দুর্গাপুর অফিসে সিল করে সিট (SIT) আধিকারিকরা সেই বার্তা আরও স্পষ্ট করলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayet: চাঁদা তুলে রাস্তা সারাইয়ে নামলেন গ্রামবাসীরা, জানেনই না পঞ্চায়েত প্রধান!

    Panchayet: চাঁদা তুলে রাস্তা সারাইয়ে নামলেন গ্রামবাসীরা, জানেনই না পঞ্চায়েত প্রধান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামের পঞ্চায়েত (Panchayet) প্রধানকে বারবার জানিয়েও কাজ হয়নি। মাটির রাস্তা হয়নি পাকা। বর্ষায় কর্দমাক্ত রাস্তায় হাঁটাচলা করাই দায় হয়ে যায়। কোনও যানবাহন চলাচল করতে পারে না। স্কুলের কচিকাঁচারা রাস্তা দিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় খালে, নালায় পড়ে যায়। অবশেষে বাসিন্দারা নিজেরাই চাঁদা তুলে, স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে রাস্তা সারাই শুরু করলেন। আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের বঞ্চুকামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ফোসকারডাঙা এলাকার ঘটনা। তৃণমূল সরকারের উন্নয়ন সত্যিই যেন এখানে রাস্তায় দাঁড়িয়ে! সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, গ্রামের এই সমস্যা এবং তা থেকে প্রতিকার পেতে গ্রামবাসীরা যে এই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন, তা নাকি তিনি জানেনই না। বলা বাহুল্য, পঞ্চায়েত ভোটের মুখে এটা বিরোধীদের বড় অস্ত্র হতে চলেছে। 

    কীভাবে তৈরি হচ্ছে রাস্তা?

    গ্রামবাসীদের চাঁদায় এখানে বালি ও পাথর কেনা হয়েছে। তারপর কোদাল, বেলচা হাতে নিয়ে রাস্তা সারাইয়ের কাজে নেমেছেন বাসিন্দারা। গ্রামবাসীরা রবিবার থেকে এই কাজ শুরু করেছেন। আগামি কয়েকদিনে রাস্তা সারাইয়ের কাজ সম্পন্ন করবেন বলে জানা গিয়েছে। গ্রামের পঞ্চায়েত ও গ্রাম পঞ্চায়েত (Panchayet) প্রধানের বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভ জানিয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনায় ফোসকারডাঙা এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। 
     

    রাস্তা সারাইয়ে গ্রামের মহিলারাও, কী বললেন তাঁরা?

    গ্রামের পুরুষদের সাথে রাস্তা সারাইয়ের কাজে হাত দিয়েছেন মহিলারাও। গ্রামের বাসিন্দা জয়ন্তী রায় বলেন, “অনেক বলেও আমাদের এলাকার রাস্তা পাকা হয় না। বর্ষায় এলাকায় যানবাহন চলাচল করতে পারে না। অসুস্থ মানুষকে কাঁধে করে পাকা রাস্তায় তুলে সেখান থেকে গাড়িতে তুলতে হয়। স্কুলের বাচ্চারা এই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় খালে, নালায় পড়ে যায়। গ্রামের পঞ্চায়েত ও অঞ্চলের (Panchayet) প্রধানকে বলেও কোন কাজ হয়নি। তাই নিজেরা চাঁদা তুলে সেই টাকা দিয়ে বালি, পাথর কিনেছি। আর আমরা নিজেরা কাজ করে বর্ষার আগেই রাস্তা তৈরি করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share