Tag: Madhyom

Madhyom

  • West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন যোগী আদিত্যনাথ; শুরু হলো ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই

    West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন যোগী আদিত্যনাথ; শুরু হলো ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপির অন্যতম প্রধান তারকা প্রচারক যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের কড়া সমালোচনা করে তিনি এই নির্বাচনকে ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই হিসেবে অভিহিত করেছেন।

    তোষণ রাজনীতির অভিযোগ (West Bengal Elections 2026)

    উত্তরবঙ্গে (West Bengal Elections 2026)  এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) অভিযোগ করেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ভোটব্যাংকের রাজনীতির স্বার্থে নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়কে তোষণ করছে। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসনের পরিবর্তে অরাজকতা চলছে। তোষণ নীতির কারণে সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে এবং অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।” তিনি আরও দাবি করেন, “উত্তরপ্রদেশে যেখানে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ নীতি প্রয়োগ করে শান্তি ফেরানো হয়েছে, সেখানে বাংলায় অপরাধীরা শাসকদলের মদত পাচ্ছে।”

    উন্নয়ন বনাম দুর্নীতি

    যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি রূপায়ণে রাজ্য সরকারের অনীহার কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকার বাংলার মানুষের জন্য আয়ুষ্মান ভারত বা পিএম আবাস যোজনার মতো যে সব উন্নয়নমূলক প্রকল্প পাঠাচ্ছে, রাজ্য সরকার সেগুলির নাম বদলে দিচ্ছে অথবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। তারা দুর্নীতিমুক্ত এবং উন্নয়নমুখী শাসন চায়।”

    সনাতন সংস্কৃতি ও জাতীয় সুরক্ষা

    বক্তৃতায় যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) হিন্দু ভাবাবেগ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাংলায় দুর্গাপূজা বা সরস্বতী পূজার মতো উৎসব পালনেও বাধা সৃষ্টি করা হয়, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। অনুপ্রবেশের সমস্যা নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি জানান, তৃণমূলের তোষণ নীতির কারণেই সীমান্ত এলাকায় জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

    তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

    যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, বহিরাগত নেতারা এসে বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তারা উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এবং দাবি করেছেন যে বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ওপরেই আস্থা রাখবেন।

    নির্বাচনী প্রেক্ষাপট

    ২০২৬-এর এই নির্বাচন বিজেপি এবং তৃণমূল—উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত মর্যাদার লড়াই। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির আসন সংখ্যা কিছুটা কমলেও, ২০২৬-এর বিধানসভায় (West Bengal Elections 2026) ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। আর সেই লড়াইয়ে যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) মতো হিন্দুত্বের পোস্টার বয়কে সামনে রেখে বিজেপি মেরুকরণ এবং উন্নয়নের ডাবল ইঞ্জিন মডেলের ওপর জোর দিচ্ছে।

  • US Iran War: ইসলামাবাদে ইরান-আমেরিকা সমঝোতা ব্যর্থ, হরমুজ প্রণালী ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

    US Iran War: ইসলামাবাদে ইরান-আমেরিকা সমঝোতা ব্যর্থ, হরমুজ প্রণালী ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরুতেই ব্যর্থ ‘ইসলামাবাদ টক্‌স’ (Islamabad Talk Collapses)। ফলে নতুন করে ইরান বনাম আমেরিকা-ইজরায়েলের যুদ্ধ (US Iran War) বাধা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকদের একাংশ। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ থামাতে গত ১১ এপ্রিল ‘ইসলামাবাদ টক্‌স’ আয়োজিত হয় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানে। সেখানে যোগ দেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স ও ইরানি পার্লামেন্টের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। বেশ কিছু ক্ষণ পর শান্তি বৈঠক থেকে বেরিয়ে দু’পক্ষই জানিয়ে দেয় যে আলোচনা ফলপ্রসু হয়নি। পরে এই নিয়ে আলাদা আলাদা করে বিবৃতি দিয়েছেন ভান্স ও গালিবাফ। সেখানে একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে দেখা গিয়েছে তাঁদের।

    বৈঠক ভেঙে যাওয়ার প্রেক্ষাপট

    এই বৈঠককে গত কয়েক সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর একটি বড় কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছিল। বৈঠক শেষে ভ্যান্স স্পষ্টভাবে জানান, “ইরান আমাদের চূড়ান্ত প্রস্তাব মানতে অস্বীকার করেছে।” অন্যদিকে তেহরানের অভিযোগ—মার্কিন দাবি “অতিরিক্ত” এবং “আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী”। ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য আমেরিকার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন ভান্স। তা ছাড়াও ইসলামাবাদে গিয়েছিলেন বিশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জারেড কাশনার। ভান্স তাঁর বিবৃতিতে বলেছেন, ‘‘আমরা কোনও সমঝোতায় পৌঁছোতে পারিনি। এই খবর আমেরিকার চেয়ে ইরানের জন্য বেশি খারাপ। সমঝোতা ছাড়াই আমরা আমেরিকায় ফিরে যাচ্ছি। আমাদের শর্তগুলো খুব পরিষ্কার ভাবে ওঁদের জানিয়েছি, কী আমরা চাই এবং কী চাই না। যতটা সম্ভব স্পষ্ট করেই আমাদের অবস্থান জানিয়েছি। ওরা সেটা মানতে চায়নি।’ বৈঠক চলাকালীন ট্রাম্পের সঙ্গে অনবরত যোগাযোগ রেখেছিলেন ভান্সরা। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন, ৬ থেকে ১২ বার ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁদের ফোনে কথা হয়েছে। ট্রাম্পের বলে দেওয়া প্রস্তাবগুলিই ইরানের সামনে রেখেছিলেন ভান্স। তাতে ইরানের জবাব, তাদের অবস্থান ফোনেই ট্রাম্পকে তিনি জানান। তবে শেষ পর্যন্ত কোনও সুরাহা হল না।

    আলোচনা ভাঙার পিছনে কারণ

    ইসলামাবাদ বৈঠকের ব্যর্থতা শুধু একটি কূটনৈতিক পরাজয় নয়—এটি পুরো পশ্চিম এশিয়ার স্থিতিশীলতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। হরমুজ প্রণালী এখন বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ‘চোকপয়েন্ট’। যুদ্ধ থামার বদলে পরিস্থিতি আরও জটিল ও অস্থির হয়ে উঠছে। যদিও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়নি, কিন্তু পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ। যে কোনও সময় আবার বড় আকারে হামলা শুরু হতে পারে। ইসলামাবাদে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে।

    পারমাণবিক চুক্তি

    একটি জায়গাতেই ইরান-আমেরিকা (US Iran War) আলোচনা ধাক্কা খেয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ভান্স। জানিয়েছেন, ইরানের কাছ থেকে পারমাণবিক বোমা তৈরি না-করার নিশ্চয়তা চান তাঁরা। তা মেলেনি। ভান্সের কথায়, ‘‘সহজ সত্যিটা হল, আমরা ইরানের কাছ থেকে পরমাণু বোমা তৈরি না-করার বিষয়ে একটা ইতিবাচক নিশ্চয়তা চাই। ওদের বলতে হবে যে, ওরা বোমা বানাবে না এবং পরমাণু বোমা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বা উপাদানও হাতে রাখবে না। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য এটাই। সেই সমঝোতাতেই আমরা পৌঁছোতে চেয়েছি। ভান্সের এই বিবৃতির পর ইরান দাবি করেছে, আমেরিকার অবাস্তব, অযৌক্তিক দাবির কারণেই পাকিস্তানে আয়োজিত বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিল ইরান যেন স্থায়ীভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা ত্যাগ করে। কিন্তু ইরান এটিকে তার সার্বভৌম অধিকারে হস্তক্ষেপ বলে প্রত্যাখ্যান করে।

    হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ

    হরমুজ প্রণালী—বিশ্বের প্রায় ২০% তেল পরিবহনের পথ—এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। ইরান দাবি করে, তারা এই প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে টোল আদায় করবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর সম্পূর্ণ বিরোধিতা করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর ইঙ্গিত দেন, ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে “নৌ অবরোধ” (Naval Blockade) ব্যবহার করা হতে পারে। এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে, ইরানের তেল রফতানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে—যার বড় প্রভাব পড়বে চীন ও ভারতের মতো দেশগুলিতে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালী প্রায় বন্ধ। কয়েকটি জাহাজই কেবল ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ইরানের পাতা মাইন (naval mines) বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    লেবানন ইস্যু

    ইরান চেয়েছিল লেবানন-এ হেজবোল্লাহ-র বিরুদ্ধে ইজরায়েল-এর হামলা বন্ধ হোক। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল জানায়, এটি আলাদা বিষয়—এবং হামলা চলতেই থাকবে।

    বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব

    তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। সরবরাহ চেইন ব্যাহত হচ্ছে। বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে কাতার ও কুয়েত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, কারণ তারা সম্পূর্ণভাবে এই প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপগুলি চোখে পড়েতে পারে। বেড়ে যাবে মার্কিন নৌবাহিনীর টহল ও জাহাজ আটক-এর ঘটনা। ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামোতে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। ইরানের পক্ষ থেকে প্রক্সি যুদ্ধের বিস্তার ঘটতে পারে।

  • Chhattisgarh: এনকাউন্টারে খতম শীর্ষ মহিলা মাওবাদী নেত্রী রুপি, অন্যদের হুঁশিয়ারি ‘সময় ফুরিয়ে আসছে’

    Chhattisgarh: এনকাউন্টারে খতম শীর্ষ মহিলা মাওবাদী নেত্রী রুপি, অন্যদের হুঁশিয়ারি ‘সময় ফুরিয়ে আসছে’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তার জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে খতম হয়েছে শীর্ষস্থানীয় মাওবাদী কমান্ডার রুপি (Maoist Commander Rupi)। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাঙ্কের জেলায় ঘন জঙ্গলে আত্মগোপন করে ছিল। এই সাফল্যের পর মাওবাদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত অন্যদের প্রতি কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে—”হয় আত্মসমর্পণ করো, নয়তো কঠোর পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকো।”

    কীভাবে খতম?

    পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দুর্গম বনভূমি এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। জওয়ানদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাওবাদীরা অতর্কিতে গুলি চালাতে শুরু করে। পালটা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনীও। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলা এই এনকাউন্টারে শেষ পর্যন্ত রুপি নামের ওই মহিলা কমান্ডার নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্র ও মাওবাদী নথিপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

    কে এই রুপি (Chhattisgarh)?

    নিহত মাওবাদী নেত্রী রুপি দীর্ঘ দিন ধরে উত্তর (Chhattisgarh)  এলাকায় মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তার মাথার ওপর কয়েক লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। একাধিক হিংসাত্মক ঘটনা, পুলিশের ওপর হামলা এবং নাশকতামূলক কাজে সে সরাসরি জড়িত ছিল বলে দাবি নিরাপত্তা বাহিনীর।

    সরকারের হুঁশিয়ারি

    অভিযান শেষে গডচিরোলির পুলিশ সুপার (Chhattisgarh)  বলেন, “রুপি (Maoist Commander Rupi) খতম হওয়ার ফলে এই অঞ্চলে মাওবাদী সংগঠনের নেটওয়ার্ক বড়সড় ধাক্কা খেল। যারা এখনো বিপথে রয়েছে, তাদের আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই— সময় ফুরিয়ে আসছে। আত্মসমর্পণ করে মূলস্রোতে ফিরে আসার সুযোগ এখনো আছে। তা না হলে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান আরও তীব্র হবে।”

    বর্তমানে ওই এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং পলাতক অন্য মাওবাদীদের সন্ধানে সংলগ্ন জঙ্গলগুলিতে চিরুনি তল্লাশি চলছে।

    খুব কম সংখ্যক মাওবাদীই সক্রিয়

    বস্তার রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক সুন্দররাজ পাত্তিলিঙ্গম এই সংঘর্ষকে মাওবাদী নেটওয়ার্কগুলোর ওপর ধারাবাহিক চাপের ফল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “সরকার মাওবাদী ক্যাডারদের আত্মসমর্পণ করে নতুন করে জীবন গড়ার সুযোগ ধারাবাহিকভাবে দিয়ে আসছে। অনেকেই সেই পথ বেছে নিয়েছে। কিন্তু যারা সহিংসতার পথেই চলেছে, তাদের পরিণতিও একই হচ্ছে।” সেইসঙ্গে তিনি অবশিষ্ট ক্যাডারদের সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে এখন খুব কম সংখ্যক মাওবাদীই (Maoist Commander Rupi) সক্রিয় আছে। সময় ফুরিয়ে আসছে। শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জন্য তাদের অবশ্যই আত্মসমর্পণ করে মূলধারায় ফিরে আসতে হবে।”

  • SIR: রাজ্যের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনছে এসআইআর, ২ কোটি অবৈধ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ উত্তরপ্রদেশে

    SIR: রাজ্যের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনছে এসআইআর, ২ কোটি অবৈধ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ উত্তরপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (Special Intensive Revision বা SIR) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ভোটার ডাটাবেস পরিচ্ছন্নতার অভিযান চালানো হয়েছে। এই ঘটনা উত্তর প্রদেশের মতো বড় রাজ্যে অত্যন্ত বড় ঘটনা। ভারতের নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ কেবল ভোটার তালিকা ‘আপডেট’ করেনি, বরং রাজ্যের অনেক নির্বাচনী এলাকার সমীকরণ বদলে দিয়েছে, বিশেষ করে লখনউ, কানপুর, বারাণসী এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের মতো শহর ও গ্রাম মিশ্রিত জেলাগুলোতে। উল্লেখযোগ্যভাবে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশ সরকারের প্রশাসনিক সহায়তায় এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে।

    উত্তরপ্রদেশের তথ্যের তুলনা এসআইআর-এর আগে ও পরে (SIR)

    প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তার দেওয়া সরকারি তথ্য অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় এখন ভোটার (SIR) সংখ্যা প্রায় ১৩.৩৯ কোটি। অক্টোবর ২০২৫-এ সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে এই সংখ্যা ছিল ১৫.৪৪ কোটি। অর্থাৎ, ভেরিফিকেশনের পর প্রায় ২.০৪ কোটি (প্রায় ১৩ শতাংশ মৃত) স্থানান্তরিত বা ভুয়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

    • সংশোধনের আগের ভোটার সংখ্যা: ১৫.৪৪ কোটি
    • সংশোধনের পর ভোটার সংখ্যা: ১৩.৩৯ কোটি
    • মোট হ্রাস: ২.০৪ কোটি (প্রায় ১৩ শতাংশ)

    সংশোধন প্রক্রিয়ার সময় প্রায় ২.৯১ কোটি এন্ট্রি সমস্যাযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল:

    • ১.২৭ কোটি মানুষ যারা বাসস্থান পরিবর্তন করেছেন।
    • ৮৪.৭ লক্ষ মানুষ যারা অনুপস্থিত ছিলেন।
    • ৪৬ লক্ষ মৃত ব্যক্তি।
    • ২৩.৭ লক্ষ ডুপ্লিকেট (একই নাম দুবার থাকা) নাম।

    রাজনৈতিক প্রভাব ও গুরুত্ব

    ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন (SIR) একটি বিশেষ নির্বাচনী প্রক্রিয়া। এই কাজের ফলে রাজনৈতিক ভাবে ব্যাপক পরিমাণে সমীকরণ বদলে যাচ্ছে। যার মধ্যে হল—

    স্বচ্ছ নির্বাচন

    নির্বাচন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হলো ভোটার তালিকা সঠিক করা, যাতে ২০২৭ সালের আসন্ন নির্বাচন আরও স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

    শহরাঞ্চলে প্রভাব

    লখনউ উত্তর, লখনউ পূর্ব এবং সরোজিনী নগরের মতো শহুরে আসনগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভোটার বাদ পড়েছে। লখনউ উত্তরে সর্বোচ্চ ১.৫৪ লক্ষ নাম কাটা গেছে।

    মিরাট, সাহারানপুর এবং বারেরির মতো জেলাগুলোতেও অভিবাসী শ্রমিকের যাতায়াতের কারণে অনেক ভুয়া ভোটার ছিল, যা এখন পরিষ্কার করা হয়েছে। আগ্রায় প্রায় ৬.৩ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

    রাজনৈতিক সমীকরণ

    বিরোধী দলগুলো এই বিপুল পরিমাণ নাম বাদ দেওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তবে সরকারের দাবি, এটি একটি প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং প্রতিটি নাগরিককে তাদের তথ্য সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

    ২ কোটিরও বেশি সন্দেহজনক নাম বাদ দেওয়ার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ শাসনব্যবস্থা এবং গণতন্ত্রের একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান করেছে। এই পদক্ষেপের ফলে দলগুলোকে এখন পুরনো তথ্যের ওপর নির্ভর না করে বুথ স্তরে প্রকৃত ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে হবে। এটি দীর্ঘমেয়াদে ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য করে তুলবে। তবে এই কাজের জন্য মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথকে (Yogi Adityanath)  প্রশাসনিক দক্ষতাকেই অভিনন্দন জ্ঞাপন করছেন ওয়াকিবহাল মহলের লোক।

  • Karnataka Congress: কর্নাটকে কংগ্রেসে অসন্তোষ তুঙ্গে, ৩০-র বেশি বিধায়কের দিল্লি অভিযান

    Karnataka Congress: কর্নাটকে কংগ্রেসে অসন্তোষ তুঙ্গে, ৩০-র বেশি বিধায়কের দিল্লি অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকে ক্ষমতাসীন কংগ্রেসের (Karnataka Congress) অন্দরে ক্রমশই বাড়ছে অসন্তোষ। মন্ত্রিসভায় রদবদল এবং নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়ার দাবিতে ৩০ জনেরও বেশি কংগ্রেস বিধায়ক রবিবার দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। তাঁরা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে এই দাবি জানাবেন বলে জানা গিয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, দিল্লিতে গিয়ে বিধায়করা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে.সি. ভেনুগোপাল, কর্নাটক দায়িত্বপ্রাপ্ত রণদীপ সুরজওয়ালা এবং রাহুল গান্ধীর-র সঙ্গে বৈঠক করবেন। সোম ও মঙ্গল এই দু’দিনের মধ্যেই বৈঠকগুলি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কী নিয়ে বিক্ষোভ কর্নাটক কংগ্রেসে

    বিধায়কদের মূল দাবি, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া যেন দ্রুত মন্ত্রিসভায় রদবদল করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সুযোগ না পাওয়া সিনিয়র নেতাদের মন্ত্রীত্বে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কংগ্রেস বিধায়ক বেলুর গোপালকৃষ্ণ বলেন, “অনেক নেতাকে তিন, চার, এমনকি পাঁচবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই যারা এখনও সুযোগ পাননি, তাঁদেরও এবার সুযোগ দেওয়া হোক।” অন্যদিকে, বিধায়ক অশোক পট্টন জানান, “আমাদের একটাই দাবি—যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মন্ত্রিসভা রদবদল করে আমাদের মতো সিনিয়র সদস্যদের সুযোগ দিতে হবে।” উল্লেখ্য, কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারের প্রায় তিন বছর পূর্ণ হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই মন্ত্রী কে.এন. রাজন্না এবং বি. নাগেন্দ্রের পদত্যাগের ফলে দুটি মন্ত্রিসভার আসন খালি রয়েছে। বিধায়কদের অভিযোগ, বহু বর্তমান মন্ত্রী একাধিকবার দায়িত্ব পেয়েছেন, ফলে অন্যদের জন্য সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।

    ২৫টি মন্ত্রিত্বে পরিবর্তনের দাবি

    সূত্রের খবর, প্রায় ২৫টি মন্ত্রিত্বে পরিবর্তনের দাবি উঠতে পারে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য কংগ্রেসে (Karnataka Congress) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের শিবিরের মধ্যে মতভেদের ইঙ্গিত মিলছে। যেখানে সিদ্দারামাইয়ার অনুগামীরা রদবদলের পক্ষে, সেখানে শিবকুমার এই প্রস্তাবে অনীহা দেখাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। এখন কংগ্রেস হাইকম্যান্ড এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

  • Daily Horoscope 13 April 2026: পুরনো সমস্যার সমাধান হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 13 April 2026: পুরনো সমস্যার সমাধান হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে আসতে পারে, সাহস রাখুন।
    ২) অপ্রত্যাশিত খরচ হতে পারে।
    ৩) বন্ধুর সাহায্যে সমস্যা মিটবে।

    বৃষ
    ১) কাজের জায়গায় দায়িত্ব বাড়বে।
    ২) ধৈর্য রাখলে সাফল্য নিশ্চিত।
    ৩) পরিবারে ছোটখাটো আনন্দের খবর আসবে।

    মিথুন
    ১) সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভালো করে ভাবুন।
    ২) নতুন কোনও সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।
    ৩) শরীর একটু দুর্বল লাগতে পারে।

    কর্কট
    ১) আজ ভাগ্য আপনার পক্ষে থাকবে।
    ২) আটকে থাকা কাজ সম্পূর্ণ হবে।
    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটবে।

    সিংহ
    ১) কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বাড়বে।
    ২) নিজের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ পাবেন।
    ৩) আর্থিক দিক স্থির থাকবে।

    কন্যা
    ১) অযথা চিন্তা এড়িয়ে চলুন।
    ২) কাছের মানুষের পরামর্শ কাজে লাগবে।
    ৩) ভ্রমণের সম্ভাবনা আছে।

    তুলা
    ১) নতুন সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।
    ২) ব্যবসায় লাভের ইঙ্গিত।
    ৩) মানসিক চাপ কমবে।

    বৃশ্চিক
    ১) গোপন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।
    ২) হঠাৎ ভালো খবর পেতে পারেন।
    ৩) নিজের উপর ভরসা রাখুন।

    ধনু
    ১) আজ একটু অলসতা আসতে পারে।
    ২) কাজ ফেলে না রেখে সময়মতো করুন।
    ৩) অর্থনৈতিক দিক উন্নত হবে।

    মকর
    ১) বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিন।
    ২) সহকর্মীদের সহযোগিতা পাবেন।
    ৩) পারিবারিক দায়িত্ব বাড়বে।

    কুম্ভ
    ১) সৃজনশীল চিন্তা কাজে লাগান।
    ২) নতুন পরিকল্পনা সফল হবে।
    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দের সময় কাটবে।

    মীন
    ১) পুরনো সমস্যার সমাধান হবে।
    ২) আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
    ৩) নতুন আয়ের পথ খুলতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Nashik: নাসিকের আইটি সংস্থায় কেলেঙ্কারি! ফাঁস হল হিন্দু মহিলা কর্মীদের ধর্মীয় নিপীড়ন ও যৌন হেনস্থার চিত্র

    Nashik: নাসিকের আইটি সংস্থায় কেলেঙ্কারি! ফাঁস হল হিন্দু মহিলা কর্মীদের ধর্মীয় নিপীড়ন ও যৌন হেনস্থার চিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের নাসিকে (Nashik) একটি প্রথম সারির আইটি সংস্থায় হিন্দু মহিলা কর্মীদের ওপর ভয়াবহ ধর্মীয় নিপীড়ন এবং যৌন হেনস্থার অভিযোগ প্রকাশ্যে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবং অপরাধীদের হাতেনাতে ধরতে সাতজন মহিলা পুলিশ কর্মী ছদ্মবেশে ওই সংস্থায় অভিযান চালান। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। বেছে বেছে হিন্দু ধর্মের মেয়েদের টার্গেট (Love jihad) করে দুষ্কৃতীরা। তবে অভিযোগ এটাও উঠেছে যে অভিযুক্তরা কট্টর মৌলবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। লাভ জেহাদই  তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য।

    নিয়মিত হেনস্থা করা হত (Nashik)

    বেশ কিছুদিন ধরে অভিযোগ আসছিল যে, নাসিকের (Nashik) এই আইটি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্তারা মহিলা কর্মীদের ওপর ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দিচ্ছেন। কেবলমাত্র টার্গেট করে হিন্দু মহিলা কর্মীদের নিয়মিত হেনস্থা করা হত এবং তাঁদের সিঁদুর পরা বা ধর্মীয় রীতি পালনে বাধা দেওয়া হত। এছাড়াও অনেককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টাও হয়েছে। অভিযুক্তরা অনেকেই নিজের ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে লাভ জেহাদের মাধ্যমে প্রতারণা করেছে। বেশ কিছু দিন ধরে এভাবে ধর্মান্তকরণ (Love jihad) করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সকলেই মুখ খুলেছেন। এরপর প্রশাসন তড়িঘড়ি করে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    পুলিশি অভিযান ও গ্রেফতার

    অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে নাসিক পুলিশ একটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করে। সাত মহিলা পুলিশ কর্মী চাকরিপ্রার্থী (Nashik) সেজে ওই সংস্থায় ছদ্মবেশে প্রবেশ করেন। সেখানে কাজ করার সময় তাঁরা দেখেন, কীভাবে মহিলা কর্মীদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করা হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট ধর্মীয় (Love jihad) আচরণ পালনে বাধ্য করা হচ্ছে। এই ঘটনায় যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হল, আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার (সবাই টিম লিডার হিসেবে কর্মরত ছিলেন) এবং পুনে-ভিত্তিক এক নারী এইচআর কর্মকর্তা (যিনি এই অপরাধে সহায়তা করতেন বলে অভিযোগ)।

    ৯টি পৃথক এফআইআর-এ (FIR) যা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি হল–

    ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা

    মহিলা কর্মীদের হিন্দু ধর্মীয় (Love jihad)  চিহ্ন বর্জন করতে এবং ইসলামিক রীতিনীতি মেনে চলতে বাধ্য করা হত।

    যৌন হেনস্থা

    মহিলা কর্মীদের অনুপযুক্তভাবে স্পর্শ করা এবং অফিসের বাইরেও তাদের পিছু নেওয়ার (stalking) অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপের মাধ্যমে কর্মীদের দুর্বল করা এবং একঘরে করে রাখার অভিযোগও মিলেছে।

    পুরুষ কর্মীর ধর্মান্তর

    কেবল মহিলারাই নন, একজন পুরুষ কর্মীও অভিযোগ করেছেন যে গত দু’বছর ধরে তাঁকে জোর করে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা চালানো হয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    মহারাষ্ট্র (Nashik) পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে। পুলিশের ধারণা, তদন্ত এগোলে আরও অনেক ভুক্তভোগী সামনে আসতে পারেন। কেন্দ্রীয় বিভিন্ন সংস্থাও এই ঘটনার ওপর নজর রাখছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য পুলিশ ৪০টি সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং খতিয়ে দেখছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, “কোম্পানির প্রধান কর্মকর্তার নিষ্ক্রিয়তার কারণে ভুক্তভোগীদের প্রতি অভিযুক্তের অপরাধমূলক আচরণ নির্লজ্জভাবে চলতে থাকে। ভুক্তভোগীরা অভিযুক্তের অশোভন আচরণের বিষয়ে প্রধান কর্মকর্তার কাছে একাধিকবার মৌখিকভাবে অভিযোগ দায়ের করলেও, তিনি কোনও পদক্ষেপ নেননি  নিতে ব্যর্থ হন। তাই নির্যাতন চলতেই থাকে। অভিযোগকারী যখন এই ঘটনাগুলি সম্পর্কে কোম্পানির প্রধান কর্মকর্তার কাছে বারবার অভিযোগ করেন, তখন তিনি শ্লীলতাহানির বিষয়ে তাঁর অভিযোগ জানালেও কোনওরকম সক্রিয়তা দেখা যায়নি।”

    ২০২২ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে যৌন হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত ন’টি ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

    জুলাই ২০২২–ফেব্রুয়ারি ২০২৬

    অভিযুক্ত দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার এবং নিদা খান হিন্দু দেব-দেবী সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করে এক মহিলা কর্মীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। অভিযোগ, অভিযুক্ত তৌসিফ আত্তার ওই ভুক্তভোগীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। দানিশ অফিসের লবিতে ওই একই নির্যাতিতার সঙ্গে অশ্লীল কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে তাঁর শ্লীলতাহানি করে।

    মে ২০২৩–১৯ মার্চ ২০২৬

    রাজা মেমন ও শাহরুখ কুরেশির বিরুদ্ধে এক মহিলা কর্মচারীর দিকে কুদৃষ্টি দেওয়া, তাঁকে অশালীনভাবে স্পর্শ করা এবং তাঁর দাম্পত্য জীবন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে। নির্যাতিতা প্রধান কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করলেও, তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেননি।

    ২০২২–ফেব্রুয়ারি ২০২৬

    অভিযুক্ত শফি শেখ দফতরে বৈঠকে নির্যাতিতার দিকে কামনার দৃষ্টিতে তাকাত এবং তাঁকে উপহাস করত। অভিযুক্ত তৌসিফ বিবাহিত। ভুক্তভোগীর সন্তান না থাকায় তাঁকে বিদ্রূপ করতেন এবং লজ্জাজনক মন্তব্য করত। সেই সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টাও করে।

    ৪ মে, ২০২৫–ডিসেম্বর ২০২৫

    অভিযুক্ত তৌসিফ আত্তার এক ভুক্তভোগীকে তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে অশ্লীল প্রশ্ন করেন এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গি করেন। তিনি হিন্দু মহিলা কর্মচারীদের সামনে হিন্দু দেব-দেবী সম্পর্কেও অবমাননাকর মন্তব্য করেন।

    ২০২২–২৩শে মার্চ, ২০২৬

    অভিযুক্ত তৌসিফ আত্তার, দানিশ, শাহরুখ শেখ এবং রাজা মেমন ভুক্তভোগীর ধর্ম নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করে এবং তাঁকে নমাজ আদায় করতে বাধ্য করে। তারা তাকে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য চাপ দেয়, আমিষ খাবার খেতে বাধ্য করা হয়। অভিযুক্তরা হিন্দু মহিলা কর্মীদের বিরুদ্ধে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন।

    ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪–ফেব্রুয়ারি ২০২৬

    অভিযুক্ত আসিফ আনসারি ও শফি শেখ এক মহিলা কর্মীর শরীর নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁকে অশালীনভাবে স্পর্শ করে। অভিযুক্ত তৌসিফ আত্তার হিন্দু দেব-দেবীগণের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভাষাও ব্যবহার করে।

    ২০২৫–মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত

    অভিযুক্ত আসিফ আনসারি, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং শফি শেখ নির্যাতিতাকে অপমান করে, তাঁর সম্পর্কে অশ্লীল মন্তব্যও করে। অশালীনভাবে স্পর্শও করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভুক্তভোগীর ধর্মের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করে সম্মিলিতভাবে কলুষিত করার জন্য নানা অপকর্ম করে।

    জানুয়ারি ২০২৫–বর্তমান

    অভিযুক্ত রাজা মেমন এবং শফি শেখ নির্যাতিতার ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেছিল। অভিযুক্ত শফি যেমন প্রস্তাব দেয়, অন্যদিকে রাজা মেমন তার শরীর নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করে এবং অশালীনভাবে স্পর্শ করার চেষ্টাও করে।

    জানুয়ারি ২০২৬–১ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত

    অভিযুক্ত রাজা মেমন এবং শাহরুখ কুরেশি ভুক্তভোগীর সঙ্গে অশ্লীল কথাবার্তা ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। ভুক্তভোগীর আপত্তি সত্ত্বেও, ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করা, তাঁর ওপর নজর রাখা এবং তাঁর শরীর নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে তাঁকে মানসিক ও শারীরিকভাবে হয়রান করতে থাকে।

  • RSS: কান্দাকুর্তিতে ‘স্ফূর্তি মন্দির’ উদ্বোধন করলেন ভাগবত, আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা হেডগেওয়ারের পৈতৃক গ্রামে বিশেষ অনুষ্ঠান

    RSS: কান্দাকুর্তিতে ‘স্ফূর্তি মন্দির’ উদ্বোধন করলেন ভাগবত, আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা হেডগেওয়ারের পৈতৃক গ্রামে বিশেষ অনুষ্ঠান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক ডঃ মোহন ভাগবত তেলঙ্গনার নিজামাবাদ জেলার কান্দাকুর্তিতে নবনির্মিত ‘স্ফূর্তি মন্দির’ (Spoorti Mandir) উদ্বোধন করেছেন। উল্লেখ্য, এই কান্দাকুর্তি গ্রামটি আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা ডঃ কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারের পৈতৃক ভিটে।

    দেশপ্রেমের প্রেরণা জোগায় (RSS)

    শনিবার আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি আরএসএস (RSS) প্রতিষ্ঠাতার আদর্শ এবং জাতির প্রতি তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন। ভাগবত বলেন, “কান্দাকুর্তি কেবল একটি গ্রাম নয়, এটি ত্যাগের একটি পবিত্র স্থান যা দেশপ্রেমের প্রেরণা যোগায়।”

    ঐতিহাসিক গুরুত্ব

    কান্দাকুর্তি গ্রামটি গোদাবরী, মঞ্জিরা এবং হরিদ্রা নদীর ত্রিবেণী সঙ্গমে অবস্থিত। হেডগেওয়ারের পূর্বপুরুষরা এখান থেকেই নাগপুরে চলে গিয়েছিলেন। নবনির্মিত এই স্মারক ভবনটি ডঃ হেডগেওয়ারের জীবন এবং তাঁর প্রদর্শিত পথের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। এটি সাধারণ মানুষের মধ্যে সেবামূলক কাজের অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ভাগবতের বার্তা

    সরসঙ্ঘচালক ভাগবত (Mohan Bhagwat) তাঁর ভাষণে জোর দিয়ে বলেন যে, ডঃ হেডগেওয়ার চেয়েছিলেন ভারত যেন বিশ্বগুরুর আসনে অধিষ্ঠিত হয়। আর সেই স্বপ্ন পূরণে প্রত্যেক নাগরিককে চরিত্র গঠন এবং সমাজ সেবায় মনোনিবেশ করতে হবে। অনুষ্ঠানে আরএসএস-এর (RSS) পদস্থ কার্যকর্তারা ছাড়াও বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী এবং স্বেচ্ছাসেবক উপস্থিত ছিলেন। কান্দাকুর্তিতে এই স্মারকটি নির্মাণের ফলে গ্রামটি আগামী দিনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের কর্মীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ডঃ হেডগেওয়ারের পৈতৃক ভিটেবাড়িটিকে সংরক্ষণ করার পাশাপাশি সেখানে বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

  • Bangladesh: ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কুষ্টিয়ায় ‘মাজার’ প্রধানকে কুপিয়ে-পিটিয়ে খুন

    Bangladesh: ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কুষ্টিয়ায় ‘মাজার’ প্রধানকে কুপিয়ে-পিটিয়ে খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে একটি মাজারে হামলা চালিয়ে প্রধানকে (Sufi shrine) পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে উত্তেজিত জনতা। শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬ দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম শামীম রেজা (৫৫), যিনি এলাকায় ‘জাহাঙ্গীর’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ফিলিপনগর ইউনিয়নের ওই মাজার পরিচালনা করতেন। অভিযুক্তরা সকলেই কট্টরপন্থীর সমর্থক বলে জানা গিয়েছে।

    ঘটনার বিবরণ (Bangladesh)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে একদল লোক বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শামীম রেজার (Sufi shrine) মাজারে হামলা চালায়। হামলাকারীরা সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পর আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় আস্তানার ভেতরে থাকা শামীম রেজাকে তারা নির্বিচারে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।  হামলায় তাঁর আরও কয়েকজন অনুসারীও জখম হয়েছেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    দৌলতপুর (Bangladesh) থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি আরিফুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভিডিওটি পুরনো বলেই মনে হচ্ছে, তবে সেটি নতুন করে সামনে আসায় এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    তিনি আরও জানান, শামীম রেজাকে (Sufi shrine) এর আগে ২০২৩ সালের মে মাসেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি আবারও তাঁর কার্যক্রম শুরু করেছিলেন।

    কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “পুরানো একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হামলাকারীদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।”

  • Iran: ইরানের সঙ্গে ২১ ঘণ্টা আলোচনা সত্ত্বেও মেলেনি সমাধান, আমেরিকা ফিরলেন ভ্যান্স

    Iran: ইরানের সঙ্গে ২১ ঘণ্টা আলোচনা সত্ত্বেও মেলেনি সমাধান, আমেরিকা ফিরলেন ভ্যান্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের (Iran) মধ্যে টানা ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনার পর, দুই পক্ষের মধ্যে অচলাবস্থা বজায় থাকা অবস্থায়ই আমেরিকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স (US VP JD Vance)। ইরান আমেরিকা আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে।  রবিবার ভোরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার পরপরই তিনি ফিরে যান। এই অচলাবস্থা প্রথম দফার শান্তি প্রচেষ্টাকে অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। বিমানবন্দরে তাঁকে বিদায় জানান পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি, বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির।

    ইরানের জন্য অনেক খারাপ সংবাদ(Iran)

    পাকিস্তানে দীর্ঘ আলোচনার পর রবিবার পর্যন্ত কোনও ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ভ্যান্স (US VP JD Vance) বলেন, “ইরানের সঙ্গে আলোচনায় কোনো চুক্তি হয়নি। যদিও আমরা যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাচ্ছি, তবে এই পরিস্থিতি আমেরিকার চেয়ে ইরানের জন্যই বেশি খারাপ সংবাদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত নমনীয় এবং সহযোগিতামূলক হওয়া সত্ত্বেও আলোচনায় কোনও অগ্রগতি হয়নি। আমরা এখানে একটি অত্যন্ত সহজ প্রস্তাব রেখে এসেছি—এটিই আমাদের চূড়ান্ত এবং সেরা প্রস্তাব। এখন দেখার বিষয় ইরানিরা এটি গ্রহণ করেন কি না।” ভ্যান্স আরও বলেন, “আমরা ইরানিদের সঙ্গে বেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছি—সেটি ভালো খবর। কিন্তু খারাপ খবর হল যে আমরা কোনও চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছতে পারিনি। এটি আমেরিকার চেয়ে ইরানের পক্ষে অনেক বেশি খারাপ খবর।”

    শর্ত গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত

    ভ্যান্স (US VP JD Vance) আরও বলেন, “আমরা কোনও চুক্তিতে না পৌঁছেই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাচ্ছি।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা এবং কোন কোন বিষয়ে তারা ছাড় দিতে রাজি তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু ইরান তাদের শর্ত মেনে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    সাংবাদিক বৈঠকে ভ্যান্স জানান, ওয়াশিংটন তেহরানের কাছ থেকে পরমাণু অস্ত্র এবং তা তৈরির সরঞ্জাম তৈরির প্রচেষ্টা থেকে বিরত থাকার বিষয়ে একটি দৃঢ় অঙ্গীকার চেয়েছিল। আমরা এমন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারিনি যেখানে ইরানিরা আমাদের শর্তগুলি মেনে নিতে প্রস্তুত ছিল।”

    অতিরিক্ত চাহিদা

    এদিকে, ইরানের (Iran) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম ‘প্রেস টিভি’ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের “অতিরিক্ত চাহিদার” কারণে কোনও কাঠামো তৈরি না হওয়ায় তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা শেষ হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরমাণু অধিকার এবং হরমুজ প্রণালী-সহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।

LinkedIn
Share